kicu golper ses na dekhei hoito chole jete hoi onkk manus ke na ferar dese. Amar life er golpo tao hoito ses hobena. But jiboner golpo ta erokom na holeo parto. Kintu sob asa to puron hoina. Valo to amio bascilam kaoke. But se to onkk dure chole gece. Vabi na r tar kotha. Thakuk na valo tar sob kicu niye. But khub bolte icce kore j amar life a erokom vabe na asleo parte hotat kore eto ta apon na korleo parte. Eto ta valo na basaleo parte. But bolar kono option o nai. Tai moner majei rakhi kotha gulo karon ki jano. Ei kotha gulo tomar kace onkk mullohin. Tai esob kotha bole r hasir patri hote chai na. Valo theko tomar nijer moto kore. Good night all Allah Hafez
@Silmun
Joined 30 August 2020 · 32 posts
120 KT
0 KT received · 0 KT · 59¢ given
Posts
ইসলামিক প্রশ্ন ও উত্তর পর্ব-৭ আস্ সালামু আলাইকুম,,,, কেমন আছেন সবাই?? পরিবারের সবাই কেমন আছেন??? প্রশ্ন-১ঃ মৃত প্রাণীর চামড়া দ্বারা উপকৃত হওয়া যাবে কি? উত্তরঃ মৃত প্রাণীর চামড়াকে যদি প্রক্রিয়াজাত করা হয় তাহলে তা দ্বারা উপকার গ্রহণ করা জায়েজ। যেমন হাদিসে এসেছে, চামড়া যখন পাকা(দাবাগাত) করা হয়, তখন তা পবিত্র হয়ে যায়। মৃত প্রাণীর চামড়া দ্বারা উপকৃত হওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা সম্বলিত যে হাদীস বর্ণিত হয়েছে জুমহূর বিদ্বানগণের মতে তা অপ্রক্রিয়াজাত চামড়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। প্রশ্ন-২ঃ নামের শেষে আলী, মুরতাযা, হাসান, হোসাইন, ইত্যাদি যুক্ত করে রাখলে গুনাহ হবে কি? উত্তরঃ উপরোক্ত সবগুলি নামই সুন্দর অর্থ বহন করে। সুতরাং তা রাখায় কোন দোষ নেই। তবে শীআদের আক্বীদা অনুযায়ী রোগমুক্তি ও বিশেষ ফযিলতের আশায় এগুলি রাখা হলে তা শিরক হবে। শীআরা বলে থাকে, আমার জন্য পাঁচ জন রয়েছেন যাদের মাধ্যমে আমি সকল দুরারোগ্য ব্যাধি দূর করি। তারা হলেন, মুছতফা, মুরতাযা, তাঁর দুই পুত্র ( হাসান- হোসায়েন) ও ফাতেমা। প্রশ্ন-৩ঃ জেহরী সালাতের ইমামের সূরা ফাতিহা পড়ার পর কেউ জামাআতে শামিল হলে তার করণীয় কী? সে ইমামের ক্বিরাআত শুনবে, না সূরা ফাতিহা পাঠ করবে? উত্তরঃ সূরা ফাতিহা পাঠ করে ইমামের ক্বিরাআত শুনবে। কারণ সূরা ফাতিহা পাঠ ছাড়া সালাত হবে না। প্রশ্ন-৪ঃ হিজরি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানো যাবে কি? উত্তরঃ যাবে না। কারণ প্রথমতঃ অমুসলিমদের অনুকরণে এসব দিবস পালিত হয়। রাসুলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে ব্যক্তি (কিয়ামতের দিন) তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে। দ্বিতীয়তঃ এ ব্যাপারে সাহাবায়ে কেরাম বা তাবেঈন থেকে কোন কিছু বর্ণিত হয়নি। সেজন্য নিজ থেকে কাউকে হিজরি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানো থেকে বিরত থাকাই কর্তব্য। তবে কেউ যদি দোয়া হিসাবে বলে যে, আগামী হিজরি বছর আপনার জন্য কল্যাণকর হৌক। তবে তার জওয়াবে তার মত বা তার থেকে উত্তম কিছু বলা যাবে। কিন্তু এজন্য খাবার তৈরি করা বা কোন অনুষ্ঠান করা যাবে না। প্রশ্ন-৫ঃ ঋতুবতী মহিলা মাইয়েতকে গোসল দিতে পারবে কি? বিশেষতঃ মাইয়েত যদি তার ব্যাপারে অছিয়ত করে যায়। উত্তরঃ ঋতুবতী মহিলা কোন মহিলা মাইয়েতকে গোসল দেওয়াতে পারবে। এ ব্যাপারে শরীঅাতের কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। আল্লাহ হাফেজ।।।।
ইসলামিক প্রশ্ন ও উত্তর পর্ব-৬ আস্ সালামু আলাইকুম,,,, কেমন আছেন সবাই?? পরিবারের সবাই কেমন আছেন??? প্রশ্ন-১ঃ ঘুম, পড়াশোনা, রান্না-বান্না ইত্যাদি কাজের সময় অডিও কুরআন চালু রাখা জায়েজ হবে কি? কেননা এসময় কখনো মনোযোগ থাকে আবার কখনো থাকে না। উত্তরঃ এসকল অবস্থায় কুরআন তেলাওয়াত এর অডিও চালু রাখা জায়েজ। যেকোনো অবস্থায় কুরআন তেলাওয়াত শ্রবণ করলে সওয়াব প্রাপ্ত হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে তাতে অমনোযোগীতা না আসে এবং কুরআনের প্রতি অবমাননা না হয়। প্রশ্ন-২ঃ বৃষ্টির কারণে আমাদের এলাকায় ঈদের জামাআত মসজিদে হয়েছে। ফলে পূর্বে পুরুষদের জামাআত ও পরে মহিলাদের জামাআত হয়। এক্ষণে মহিলাদের জামাআতের পূর্বে কুরবানী করা যাবে কি? উত্তরঃ পুরুষদের ঈদের জামাআত সম্পন্ন হ'লেই কুরবানী করা যাবে। উক্ত স্থানে মহিলাদের ঈদের জামাআত অতিরিক্ত। অতএব সেজন্য অপেক্ষার প্রয়োজন নেই। প্রশ্ন-৩ঃ এ বছর কুরবানীর চামড়ার মূল্য অল্প হওয়ায় অনেকে তা ফেলে দিয়েছে বা মাটিতে পুঁতে ফেলেছে। এ কাজ কি সঠিক হয়েছে? উত্তরঃ কোন হালাল জিনিস অপচয় করা সিদ্ধ নয়। অতএব কুরবানীর চামড়া এভাবে নষ্ট করা মোটেও ঠিক হবে না। বরং অল্প দামে হলেও বিক্রয় করা বা সরাসরি ফকির ও মিসকিনদের দান করতে হবে। নতুবা কমপক্ষে নিজে ব্যবহার করে উপকৃত হতে হবে। প্রশ্ন-৪ঃ কোন প্রাণীর ছবি পিছন থেকে আঁকা কি জায়েজ? অর্থাৎ প্রাণীর মাথা যদি বিপরীতমুখী হয় এবং সুস্পষ্ট বোঝা না যায়, তা কি নাজায়েজ হবে? উত্তরঃ পিছন থেকে মানুষের প্রতিকৃতি অঙ্কনে যদি চোখ, মুখ ও নাকের আকৃতি বোঝা না যায় তবে তা জায়েজ হবে। কেননা মাথা না থাকলে তা ছবি হিসাবে গণ্য হয় না। জিব্রীল ( আাঃ) রাসূল (ছাঃ) -কে নির্দেশনা দিয়ে বলেন, 'সুতরাং ঐ প্রতিকৃতি গুলোর মাথা কেটে ফেলুন, যা ঘরের দরজায় রয়েছে, তা কাটা হলে তখন তা গাছ-গাছড়ার আকৃতি হয়ে যাবে'। তিনি আরো বলেন, ছবি হলো মাথা। মাথা যখন কেটে ফেলা হবে তখন সেটি ছবি থাকে না। তবে স্মর্তব্য যে, অপ্রয়োজনে কোন প্রাণীর ছবি আঁকা জায়েজ নয়। প্রশ্ন-৫ঃ যাকাত বণ্টনের আটটি খাতের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা আবশ্যক কি? উত্তরঃ কুরআনে বর্ণিত আটটি খাত আল্লাহ ধারাবাহিকতার জন্য উল্লেখ করেননি। অতএব কেউ যদি প্রথমে ঋণগ্রস্তকে দিয়ে সূচনা করে তাতে কোন দোষ হবে না। বণ্টনকারী যেখানে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রদান করতে চাইবে, সেখানেই প্রদান করবে। আল্লাহ হাফেজ।।।
ইসলামিক প্রশ্ন ও উত্তর পর্ব - ৫ আস্ সালামু আলাইকুম,,,,, কেমন আছেন সবাই?? প্রশ্ন-১ঃ কবরস্থানে নিজের কবরের জন্য নির্দিষ্ট স্থান ক্রয় করা যাবে কি? যেন সে স্থানে অন্য কারো কবর না হয়? উত্তরঃ নিজের জন্য কবরের স্থান ক্রয় করে রাখা যায় এবং সেখানে দাফন করার অছিয়তও করা যায়। ওছমান, আয়েশা ও ওমর বিন আব্দুল আযীয এ বিষয়ে অছিয়ত করেছিলেন। প্রশ্ন-২ঃ বর্তমানে নারীদের বোরখা ও হিজাবে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য রং বেরঙের কাপড় ব্যবহার করে আকর্ষণীয় করা হয়। এরূপ আকর্ষণীয় ও সৌন্দর্যমণ্ডিত বোরখা ও হিজাব পরা জায়েজ হবে কি? উত্তরঃ বোরখার জন্য নির্ধারিত কোন কোন রঙ নেই। সেটা কালো বা সাদা বা যেকোনো রঙের হতে পারে। তবে শর্ত হল তা যেন সাদাসিধে ও ঢিলেঢালা হয় এবং পরপুরুষের জন্য আকর্ষণ সৃষ্টিকারী না হয়। সুতরাং বোরখা বা হিজাব এমন নকশাদার হবে না বা এতে এমন সাজ-সজ্জা জায়েজ হবে না, যা তাক্বওয়া পরিপন্থী এবং পর্দার উদ্দেশ্য বিরোধী। আল্লাহ বলেন, হে আদিম সন্তান! আমরা তোমাদের উপর পোশাক অবতীর্ণ করেছি,যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে এবং অবতীর্ণ করেছি বেশভূষার উপকরণ সমূহ। তবে আল্লাহ ভীতির পোশাকই সর্বোত্তম। প্রশ্ন-৩ঃ সহো সিজদাহ্ দেওয়ার বিধান কি? কেউ যদি তা দিতে ভুলে যায় এবং অনেকদিন পর তা স্মরণ হয় তার জন্য করণীয় কি? সহো সিজদা সালাম ফিরানোর পূর্বে না পরে দেওয়া উত্তম? উত্তরঃ রাকাআত সংখ্যা কম হলে বা বেশি হলে অথবা কত রাকাআত হয়েছে তা নির্ণয় করতে না পারলে কিংবা তাশাহুদ ছুটে গেলে সহো সিজদা দেয়া ওয়াজিব। শাওকানী বলেন, ওয়াজিব ছাড়া পড়লে সহো সিজদা ওয়াজিব হবে, সুন্নাত ছাড়া পড়লে সহো সিজদা সুন্নাত হবে।যদি সহো সিজদা দিতে ভুলে যায় তবে পরে স্মরণ হলেই সহো সিজদা দিবে। আর সহো সিজদা সালামের পূর্বে ও পরে উভয়ই জায়েজ আছে। তবে পূর্বে দেওয়ায় উত্তম। প্রশ্ন-৪ঃ সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমাবেশ ক্লাসের সময় মেয়েদের দ্বারা কুরআন তেলাওয়াত করানো যাবে কি? উত্তরঃ প্রথমতঃ সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা থেকে বিরত থাকা জরুরি। কারণ এইসব প্রতিষ্ঠান এ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নারীরা তাদের পর্দা রক্ষা করতে পারে না। দ্বিতীয়তঃ কুরআন তেলাওয়াত যেহেতু কোমল কণ্ঠে করতে হয়, ফলে এতে দুর্বল ঈমানের লোকেরা আসক্ত হতে পারে। সুতরাং নারী-পুরুষ মিশ্রিত অনুষ্ঠানে বালেগা নারীর তেলাওয়াত জায়েজ নয়। প্রশ্ন-৫ঃ মসজিদে জমি দানকারীর নাম লেখা যাবে কি? উত্তরঃ জমিদাতার নাম মসজিদে না লেখায় উত্তম। কারণ এতে রিয়া বা লোক দেখানো আমল হয়ে থাকে। ফলে দাতা সওয়াব থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তবে রিয়া অথবা আত্মপ্রচার ব্যতীত কেবল মানুষের অবগতি বা পরিচিতির উদ্দেশ্যে নাম লেখা যেতে পারে। যেমনভাবে মসজিদের পরিচয়সূচক কারো নামে মসজিদের নামকরণ করা যায়। রাসূল (ছাঃ) - এর যুগে বিভিন্ন ব্যক্তি বা গোত্রের নামে মসজিদের নামকরণ করা হত যেমন মসজিদে ম'আবিয়া মসজিদে বনু যুরায়েক্ব ইত্যাদি। আল্লাহ হাফেজ।।।
ইসলামিক প্রশ্ন ও উত্তর পর্ব-৪ আস্ সালামু আলাইকুম,,,,,, কেমন আছেন সবাই? সবার দিন কাল কেমন কাটছে? আজও কিছু ইসলামিক প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে। প্রশ্ন-১ঃ রাসূল (ছাঃ) কতবার কুরবানী করেছিলেন? উত্তরঃ নবী করিম (ছাঃ) মদীনায় দশ বছর অবস্থান করেছেন এবং প্রতি বছর কুরবানী করেছেন। সে হিসেবে রাসূল (ছাঃ) দশবার কুরবানী করেছেন। কারণ তিনি সফরে থাকা অবস্থাতেও কুরবানী পরিত্যাগ করেননি। রাসূল (ছাঃ) প্রতি বছর দুইটি করে কুরবানী দিতেন। একটি তাঁর ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে, আরেকটি তাঁর উম্মতের মধ্যে যারা কুরবানী করেনি, তাদের পক্ষ থেকে। প্রশ্ন-২ঃ কুরবানির সময় পশুর দেহের প্রবাহিত রক্ত কাপড়ে লাগলে সেই কাপড়ে কি ছালাত আদায় করা যাবে? উত্তরঃ পশুর প্রবাহিত রক্ত অপবিত্র। সুতরাং কারো কাপড়ে কুরবানী করার সময় পশুর প্রবাহিত রক্ত লাগলে তা পরিষ্কার করে সালাত আদায় করতে হবে। কেউ জেনেশুনে উক্ত রক্ত মাখা কাপড়ে সালাত আদায় করলে তাকে পুনরায় সালাত আদায় করতে হবে। তবে যবহের পর গোশতের মধ্যে থাকা সাধারণ রক্ত পোশাকে লেগে থাকলে উক্ত পোশাকে সালাত হয়ে যাবে। কেননা তা প্রবাহিত রক্তের অন্তর্ভুক্ত নয়। প্রশ্ন-৩ঃ ওমরার সময় তালবিয়া পাঠ কখন শুরু করবে এবং কখন শেষ করবে? উত্তরঃ ওমরাহ পালনকারী নির্দিষ্ট মীকাতে পৌঁছে পবিত্রাবস্থায় ইহরাম বাঁধবে। অতঃপর তালবিয়া পাঠ শুরু করবে এবং হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ বা ইশারা করা তথা ত্বাওয়াফ শুরু করা পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ অব্যাহত রাখবে। প্রশ্ন-৪ঃ আমাদের মসজিদের সামনে একটি কবর রয়েছে। মসজিদের প্রাচীর রয়েছে। তবে কবরের জন্য আলাদা কোন প্রাচীর নেই। এক্ষণে উক্ত মসজিদে সালাত আদায় করা যাবে কি? উল্লেখ্য, এ বিষয় নিয়ে সমাজের লোকেরা দুই ভাগ হয়ে গেছে। উত্তরঃ উক্ত কবরস্থানের জন্য আলাদা প্রাচীর থাকা আবশ্যক। এছাড়া যদি মসজিদের দেয়াল ও কবরস্থানের মাঝে রাস্তা থাকে, তাহলে সে মসজিদে সালাত আদায় করতে কোন বাধা নেই। রাসুলুল্লাহ (ছাঃ) কবরের দিকে ফিরে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। মসজিদের বাইরে যদি কবরস্থান থেকে পৃথককারী প্রাচীর থাকে, তবে সেখানে সালাত আদায় জায়েজ হবে। যদি তা না থাকে তবে অতিসত্বর মসজিদ ও কবরস্থানকে পৃথককারী আলাদা প্রাচীর নির্মাণ করতে হবে। প্রশ্ন-৫ঃ কোন ব্যক্তির আমলনামা সমান সমান হয়ে গেলে ঐ ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না জাহান্নামে প্রবেশ করবে? উত্তরঃ যাদের আমলনামা সমান হবে তাদেরকে কুরআনের ভাষায় বলা হয়েছে আরাফ বাসী। আরাফ জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যবর্তী একটি উচু স্থানের নাম। যা প্রাচীর স্বরূপ। যাদের নেকী সেই পরিমাণ হবে না যার ফলে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং গোনাহও সেই পরিমাণ হবে না যার ফলে তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে, তাদের স্থান হবে এই আরাফে। অর্থাৎ গোনাহ ও নেকী সমান সমান হওয়ার কারণে না জাহান্নামে যাবে, না তারা জান্নাতে যাবে। ভালো থাকবেন সবাই। আল্লাহ হাফেজ।।।
ইসলামিক প্রশ্ন ও উত্তর পর্ব-৩ আস্ সালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই? সবার দিন কাল কেমন কাটছে? আজও কিছু ইসলামিক প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে। এই প্রশ্ন গুলোর হয়তো প্রতি দিনই আপনারা সম্মুখীন হন। **প্রশ্ন-১ঃ** আমার পিতা কিছু দিন আগে মারা গেছেন। আমার দাদা আমার পিতার আক্বীক্বা দেননি।তিনি নিজেও নিজের আক্বীক্বা করেননি।এক্ষণে আমরা তার আক্বীক্বা দিতে পারব কি? **উত্তরঃ** আক্বীক্বা সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ। সন্তানদের জন্য মৃত পিতা- মাতার পক্ষে আক্বীক্বা করার কোন দলীল নেই। সুতরাং এভাবে আক্বীক্বা করার আবশ্যকতা নেই। **প্রশ্ন-২ঃ** মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানী করা যাবে কি? **উত্তরঃ** মৃত ব্যক্তির নামে পৃথকভাবে কুরবানী দেওয়ার কোন ছহীহ দলীল নেই। আলী(রাঃ) রাসুলুল্লাহ (ছাঃ)- এর অছিয়ত হিসাবে তাঁর জন্য পৃথক একটি দুম্বা কুরবানী দিয়েছেন বলে যে হাদীস বর্ণিত হয়েছে তা অত্যন্ত যঈফ। মূলত কুরবানির বিধান কেবল জীবিত ব্যক্তির জন্য। কেউ যদি কুরবানির পূর্ব মুহূর্তে মারা যায় তাহলে তার উপর থেকে বিধান রহিত হয়ে যাবে। অতএব মৃতের পক্ষ থেকে কুরবানী করা সুন্নাত নয়। **প্রশ্ন-৩ঃ** আমি বিদেশে গবেষণারত। এখানে পশু কুরবানির সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে আমি কি নিজ দেশে কিংবা কোন গরীব মুসলিম দেশে কুরবানির টাকা পাঠিয়ে নিজের কুরবানির হক আদায় করতে পারি? **উত্তরঃ** সুন্নাত হলো যেখানে অবস্থান করবে সেখানে কুরবানী করা। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'তখন তোমরা তা থেকে আহার কর এবং আহার করাও যারা চায় না তাদেরকে ও যারা চায় তাদেরকে।' অত্র আয়াতে নিজে ভক্ষন করা ও অপরকে দান করার নির্দেশনা এসেছে। তবে অবস্থানরত দেশে কুরবানী করার কোন উপায় না থাকলে নিজ দেশের আত্মীয়- স্বজনের নিকট টাকা পাঠিয়েও কুরবানীর হক আদায় করা যাবে। **প্রশ্ন-৪ঃ** গরু কুরবানির সাথে বিবাহের ওয়ালীমা বা আক্বীক্বার নিয়ত করা যাবে কি? **উত্তরঃ**কুরবানীতে আক্বীক্বার নিয়ত করা শরীআত সম্মত নয়। কারণ দুইটি পৃথক ইবাদত। রাসূল (ছাঃ) বা ছাহাবায়ে কেরাম এর যুগে এ ধরনের আমল এর অস্তিত্ব ছিল না। তবে কুরবানির গোশত দ্বারা বিবাহের ওয়ালীমা খাওয়ানো যাবে। কুরবানির গোশত ঈদের পরে জমা রেখে খাওয়া জায়েজ। তুরতুসী বলেন, কেউ যদি বিবাহের ওয়ালীমায় কুরবানির গোশত খাওয়ায় সেটিই তার জন্য যথেষ্ট হবে। **প্রশ্ন-৫ঃ** অমুসলিমদের কুরবানির গোশত প্রদান করা যাবে কি? **উত্তরঃ** কুরবানির গোশত মুসলিমদের মধ্যে বিতরণ করা উত্তম। অমুসলিম প্রতিবেশী দুস্থ-অভাবীদের কিছু দেওয়ায় দোষ নেই। কেননা এটি যাকাত বহির্ভূত নফল ছাদাক্বার অন্তর্ভুক্ত। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল 'আছ (রাঃ) তাঁর ইহুদি প্রতিবেশীকে দিয়েই গোশত বণ্টন শুরু করেছিলেন। ' তোমরা মুসলমানদের কুরবানী থেকে মুশরিকদের আহার করাবে না ' মর্মে যে হাদীস এসেছে তা যঈফ। পরবর্তী প্রশ্ন ও উত্তর গুলোর জন্য অপেক্ষা করুন। আল্লাহ হাফেজ।
ইসলামিক কবিতা পর্ব-৪ আস্ সালামু আলাইকুম,,,,, কেমন আছেন সবাই?? আজকেও দুটো ইসলামিক কবিতা নিয়ে হাজির হয়েছি। বলবেন কিন্তু কেমন হয়েছে? ***কবিতা - ১*** ***অহি-র আলোয় জীবন গড়*** বিশ্ব যবে ডুবেছিল নিকস কালো আঁধারে রাসূল এসে জ্বালেন আলো অন্ধকার ধরাতে। সে আলো এক সোনার খনি শক্তি সীমাহীন মনের আঁধার দূর করতে ডাকছে বিরামহীন। আসছো যখন যেতে হবে ভেবে দেখ না পুঁজি ছাড়া আখেরাতে নাজাত মিলবে না। ফরমা ছাড়া ইটের সাইজ কভু গড়ে না রাসূল ছাড়া জীবন মান সঠিক হবে না। মানুষ রূপে জন্ম মোদের আল্লাহর গোলাম হই রাসূল যাদের পথ দেখালেন তেমন মানুষ কই। হক বাতিলের বন্ধুত্ব ভাই কেমন করে হয়? যার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরতে মহান মালিক কয়। চোর যখন ঘরে ঢোকে আলো টর্চ দূরে রাখে টের পেলে মালিক যাতে আলো না জ্বালে। সালাত-ছিয়াম আদায় কর বেশি করে কুরআন পড় পীর-মুরীদী ছেড়ে দিয়ে অহি-র আলোয় জীবন গড়। পরকালে মুক্তির জন্য সঠিক দ্বীন আঁকড়ে ধর জান্নাত পেতে হইকালে সৎ আমল অধিক কর। **কবিতা-২** **প্রার্থনা কণিকা** দাও, দাও, দাও মোরে, কর্মের স্থিরতা সঠিক পথে দাও দিসা,দাও অবিচলতা। দাও,দাও মোরে যত নেক নেমত, করি শোকর তব,সুন্দর ইবাদত। দাও,দাও মোরে প্রশান্ত হৃদয়, সৎ কথা বলবা, শক্তি সমুদয়। দাও, দাও মোরে, যা কিছু কল্যাণকর, দিও না মন্দ কিছু, অসত্য অসুন্দর। হে আল্লাহ! তুমি মোরে করেছ সৃজন, সরল সঠিক পথ কর প্রদর্শন। ক্ষুধা পেলে দাও আহার, বাঁচাও প্রাণ, পিপাসায় দাও পানি, নিত্য করি পান। সুন্দর শরীর মোর করেছ গঠন যখন ইচ্ছা, তুমি তা করিবে হরণ। হে আল্লাহ! মানুষের অধিপতি, দূর কর তুমি দুঃসহ দুর্গতি। রোগ-শোক মানুষের দুঃখ ব্যাধি নির্মল কর প্রাণ,দাও সম্প্রতি। 'স্বাস্থ্য সুখের মূল' তোমারই দান, করি উপভোগ তব অমূল্য অবদান।। ভালো থাকবেন সবাই। আল্লাহ হাফেজ।
ইসলামিক কবিতা পর্ব-৩ আস্ সালামু আলাইকুম,,,,, আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। ইসলামিক কবিতা কমবেশি সবারই ভালো লাগছে। তাই আজকেও আপনাদের জন্য দুইটি কবিতা নিয়ে হাজির হলাম। **কবিতা-১** **মিথ্যা ও তার পরিণাম** মিথ্যা হলো পাপের মূল মুনাফিকের আলামত মিথ্যাবাদী পায় না তাই আল্লাহ পাকের রহমত। এ সমাজে ফাসেক ফাজের মিথ্যাবাদী যারা সবার কাছে ঘৃণার পাত্র পায় না সম্মান তারা। কর্মক্ষেত্রে যদি থাকে মিথ্যা বলার স্বভাব দেখা দিবে আয়-রোজগারে বরকতের অভাব। গান-সিনেমা, নভেল-নাটক মিথ্যার কারখানা যার কারণে সমাজ নষ্ট আছে সবার জানা। অধিক কথা মিথ্যার কারণ বেশি কথা বলতে বারণ, হাদীসের এ বাণী সদা রাখিও স্মরণ। মিথ্যার দ্বারা বদল হয় ইহকালের গতি মিথ্যা কথায় বেশী হয় পরকালীন ক্ষতি। শিরক-বিদ'আাত, জাল-যঈফ সুস্পষ্ট মিথ্যা যাচাই ছাড়া করলে আমল সব হয়ে যায় বৃথা। জান্নাতের পথ হলো সত্যের নিশানা মিথ্যার ফল হয় জাহান্নামের ঠিকানা। ধ্বংস যদি হতে না চাও শয়তানের ধোঁকাতে মিথ্যা ছেড়ে থাকো তবে সত্যবাদীদের সাথে। তওবা করে চলো সবাই সত্যের দিকে ছুটি নইলে সেদিন ফেরেশতারা ধরবে টুটি। সত্যের উৎস কুরআন-হাদীস মেনে চল তাই পরকালে মিলবে মুক্তি জানিও নিশ্চয়ই। **কবিতা-২** **প্রার্থনা** প্রভু তোমার তরে যাচি সদা এই শক্তি ধন্য করোগো রহমে তোমার পূর্ণ করো এ আকুতি যাচি সদা এই শক্তি। সঞ্চার করো প্রাণেতে শক্তি গাফলতি হতে চাহিগো মুক্তি, কখনো যেন নাহি মানি হার করি সদা প্রভু মিনতি। যাচি সদা এই শক্তি। শত্রু-মিত্র গরীব-ধনী রাজা-প্রজা আর মুর্খ- জ্ঞানী, সকলেই যেন হয়গো আপন নিভাও মনের হিংসা তপন তোমার তরে এ মিনতি। যাচি সদা এই শক্তি। কেমন হচ্ছে অবশ্যই জানাবেন সবাই। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সবাই। আল্লাহ হাফেজ।
ইসলামিক প্রশ্ন ও উত্তর পর্ব-২ আস্ সালামু আলাইকুম,,,,, কেমন আছেন সবাই। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। আমি আবার ও কিছু ইসলামিক প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হলাম আজকে। **প্রশ্ন-১ঃ** কুরবানির পশুতে আক্বীক্বার নিয়ত করে কুরবানী করা যাবে কি? **উত্তরঃ** কুরবানী ও আক্বীক্বা দুইটি পৃথক ইবাদত। কুরবানির পশুতে আক্বীক্বার নিয়ত করা শরীঅাত সম্মত নয়। রাসূল (ছাঃ) বা ছাহাবায়ে কেরামের যুগে এ ধরনের আমল ছিল না। তাছাড়া দুইটি ইবাদত পৃথক উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত হয়েছে। **প্রশ্ন-২ঃ** ওজনে কুরবানী কেনা যাবে কি? **উত্তরঃ** ওজনে কুরবানির পশু ক্রয়ে বাধা নেই। তবে ওজন বৃদ্ধির জন্য কোন প্রতারণার আশ্রয় নেয়া যাবে না। রাসুলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি প্রতারণা করল, সে আমাদের দলভুক্ত নয়। **প্রশ্ন-৩ঃ** এক মেয়ে পরিবারের অমতে বিবাহ করার প্রস্তুতি নেয়। বিবাহের পূর্বমুহূর্তে পিতা উপায়ান্তর না দেখে তাকে মোবাইলে বিবাহ করার অনুমতি প্রদান করে। এক্ষণে উক্ত বিবাহ কি অলীর অনুমতি সাপেক্ষে হয়েছে বলে ধরে নেয়া যাবে, নাকি নতুনভাবে বিয়ে পড়াতে হবে? **উত্তরঃ** উক্ত বিবাহ অলীর অনুমতি সাপেক্ষেই হয়েছে। কারণ পিতা অসন্তুষ্ট থাকলেও অনুমতি দিয়েছেন। যেকোনো মাধ্যমে অনুমতি দিলে তা রাজি থাকারই লক্ষণ। **প্রশ্ন-৪ঃ** আশূরার দিনের করণীয় কি? **উত্তরঃ** আশূরা তথা মুহাররম মাসের দশম দিন আল্লাহর উদ্দেশ্যে যেকোনো সৎকর্ম করা যায়। ছিয়াম পালন করা, তাকবীর,তাহলীল,তাসবীহ ও তাহমীদ পাঠ করা ইত্যাদি। রাসূল (ছাঃ) বলেন, রমজানের ছিয়ামের পর মুহাররমের ছিয়ামই হলো শ্রেষ্ঠ ছিয়াম। অন্য হাদীসে আছে রাসূল (ছাঃ) বলেন, আল্লাহর নিকটে আমার আশা যে, আশূরার ছিয়াম পালন করলে পরবর্তী এক বছরের গোনাহ মাফ করে দিবেন। **প্রশ্ন-৫ঃ** খোলা তালাক গ্রহণকারীর জন্য কোন রাজ'আতের ব্যবস্থা আছে কি? **উত্তরঃ** খোলা' তথা বিবাহ বিচ্ছেদ যা নারীর পক্ষ থেকে হয় স্বামী থেকে মোহর বা মোহরের অংশবিশেষ ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে, এটি তালাক নয়। সেজন্য এখানে রাজ'আতের কোন ব্যবস্থা নেই। তবে এক তুহুর ইদ্দত পালন শেষে উভয়ে নতুনভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। জানিনা কেমন হচ্ছে এই ইসলামিক পোস্ট গুলো। আশা করছি অনেকে অনেক প্রশ্নের উত্তর এখান থেকে পাচ্ছেন। আল্লাহ হাফেজ।
ইসলামিক কবিতা পর্ব-২ আরও দুইটা ইসলামিক কবিতা নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে। **কবিতা-১** ***আল্লাহ যাদের দিকে তাকাবেন না*** টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে দিয়ে যারা কাপড় পরে, পণ্য বিক্রি করার জন্য মিথ্যা কসম করে। কিছু দান করার পর খোঁটা দেয় যারা। মহানবী বলে গেছেন, এই লোকেরাই তারা? যাদের সাথে আল্লাহ তায়ালা বলবেন না কথা, পারবে না অর্জন করতে যারা পবিত্রতা। তাকাবেন না আল্লাহ তায়ালা সেদিন যাদের প্রতি, এবং যাদের জন্য রয়েছে শাস্তি কঠিন অতি। মিথ্যাবাদী বাদশাহ এবং বৃদ্ধ যেনাকারী, আর দরিদ্র হওয়া সত্ত্বেও যারা অহংকারী। তাদের সাথে আল্লাহ তায়ালা বলবেন না কথা, পারবে না অর্জন করতে তারা পবিত্রতা। তাকাবেন না আল্লাহ তায়ালা সেদিন তাদের প্রতি, এবং তাদের জন্য রয়েছে শাস্তি কঠিন অতি। **কবিতা-২** **হিংসা- বিদ্বেষ** হক কথা বলা, হক পথে চলা আল্লাহ পাকের নির্দেশ, অাতিউল্লাহ ওয়া আতিউর রাসূল কুরআন-সুন্নাহর আদেশ। ছহীহ হাদিস জানা ও ছহীহ সুন্নাহ মানা রাসূল(ছাঃ)- এর নির্দেশনা, মুমিন- মুসলিম কভু এ আদেশ করে না অবমাননা। কুরআন- হাদীসের সঠিক ঞান নেই তবুও করে আস্ফালন, হকের দাওয়াত দিলেও তারা হয় না কভু সংশোধন। আক্বীদ-আমাল শিরকে ভরা দম্ভ তাদের সংখ্যাধিক্যের কুরআন- হাদীস থেকে মুখ ফিরিয়ে অনুসরণ করে কথিত মাযহাবের। মানে না কুরআন মানে না হাদীস তাবেদারী ব্যক্তি বিশেষ হকের বিরুদ্ধে উন্মত্ত- উদ্ধত কেবল হিংসা- বিদ্বেষে। হিংসা- বিদ্বেষে চরম রোশে ভাঙ্গে মসজিদ আল্লাহর ঘর, তারা কি মুসলিম? নাকি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের চর? ভেঙ্গে মসজিদ ক্ষান্ত হয়নি তারা অবশেষে দিল জ্বালিয়ে, যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে তারা বেড়ায় ভয়ে পালিয়ে। এ যেন সেই শয়তানী চক্র নমরূদী হুতাশন, হকের বিরুদ্ধে চলতে থাকা ত্বাগূতী আগ্রাসন। আগের কবিতায় অনেক কমেন্ট পেয়েছি যেটা অনেক ভালো লেগেছে তাই আরও লিখলাম। কেমন হয়েছে জানাবেন কিন্তু। আর পরবর্তী কবিতা গুলো পড়ার জন্য সাথে থাকবেন। নিজের খেয়াল রাখবেন সবাই। আল্লাহ হাফেজ।
ইসলামিক কবিতা পর্ব-১ ইসলামিক কবিতা কিন্তু পড়তে কম বেশি সবারই ভালো লাগে। আমি আজকে সংগ্রহীত একটা কবিতা লিখে দিচ্ছি। আশা করি ভালো লাগবে **জীবন তরী** কোন খানেতে ভিড়বে আমার জীবন তরী? প্রভাত হতে রেখেছি আমি হালটি ধরে। অল্প সময়ে কাটলো শৈশব সে তো আমায় রাখলোনা,, শিশুর শেষে বাল্য এসে জানায় সালাম আনমনা। চিন্তা করি জীবন ভরি থাকবো আমি বাল্যতে, কিন্তু আশা সব দুরাশা চিড় ধরলো সবটাতে। বেশ ক'টা দিন কাটলো সেথায় বাল্য সেতো রাখলোনা। আমার জীবন সুখের ভেলা তাকিয়ে সেতো দেখলোনা। খুব আশাতে দিবস রাতে নাও ভিড়ালাম কৈশোরে, তাও যে সে তাড়িয়ে দিলো রাখলো না আর তার দ্বারে। রঙিন হাতের হাত ছানিতে নাও ভিড়ালাম যৌবনে, গুনগুনানী মৌপিয়াসী গান ধরিছে মৌবনে। মন মাঝিরে বলতেছিলাম এটাই আমার শেষ নিবাস, হেথায় আমি ফেলবো আমার শান্তি সুখের আশার শ্বাস। কাটলো ক'দিন তার পরেতে তুলতে হ'ল পাত তাড়ি, ভাবতেছিলাম কোথায় আমার ঠিক ঠিকানা নিজ বাড়ি? রতন সমান যতন করে ডাকলো আমার প্রৌঢ়, নির্যাতনে অনাদরে আচরণ তার খুব রূঢ়। দিনের শেষে দ্বীনের বেশে নাও ভিড়ালাম বার্ধক্যে, এটাই আমার শেষ ঠিকানা মনের ভিতর নেই এঁকে। অবশেষে ফকির বেশে কবরেতে পৌঁছে দেয়, আমার বাওয়া জীবন তরী হেথায় এসে নাও ভিড়ায়,, এটাই আমার নিজ ঠিকানা হেথায় শেষে পৌঁছে যায়। জানিনা কেমন লাগবে সবার। আমার কিন্তু অনেক ভালো লেগেছে। পরবর্তীতে এরকম আরও কয়েকটা ইসলামিক কবিতা পোস্ট করার ইচ্ছে আাছে। ভালো থাকবেন সবাই। আল্লাহ হাফেজ,,,,,,
ইসলামিক প্রশ্ন ও উত্তর আস্ সালামু আলাইকুম,,,,, কিছু ইসলামিক প্রশ্ন যেগুলো আমাদের প্রতিদিন মনে আসে কিন্তু তার সঠিক উত্তর আমরা পাই না। আজকে এমন কিছু প্রশ্ন ও উত্তর তুলে ধরলাম সবার মাঝে। আশা করি অনেকটা ভালো লাগবে। প্রশ্ন-১ঃ কুরআন খতমের বিশেষ কোন দোয়া বা দলবদ্ধ মোনাজাতের নিয়ম আছে কি? কুরআনের মুছহাফে যে সকল দোয়া লেখা থাকে, সেগুলোর কোন ভিত্তি আছে কি? উত্তরঃ রাসূল(ছাঃ) বা ছাহাবায়ে কেরাম থেকে কুরআন খতম শেষে বিশেষ কোন দোয়া পাঠ করা বা দলবদ্ধভাবে মোনাজাত করার বিশুদ্ধ দলীল পাওয়া যায় না। কেবল আনাস (রাঃ) থেকে একটি আছার পাওয়া যায় যে, তিনি যখন কুরআন খতম করতেন, তখন তাঁর সন্তানাদি এবং পরিবারের লোকজনকে একত্রিত করতেন এবং তাদের জন্য দোয়া করতেন।অতএব এসময় একাকী যে কোন দোয়া পাঠ করা যেতে পারে। তবে বাংলাদেশ ও ভারত উপমহাদেশে কুরআনের মুছহাফে যে সকল দোয়া লিপিবদ্ধ থাকে, সেগুলো মাসনূন দোয়া নয়; বরং পূর্বযুগের কোন আলেমের তৈরিকৃত। প্রশ্ন-২ঃ আমার কাছে কয়েক মন ধান ও চাউল আছে। এক্ষণে আমি উক্ত ধান বা চাউল দ্বারা সম্পদের যাকাত দিতে চাই। এটি কি জায়েজ হবে, নাকি টাকা দিয়েই আদায় করতে হবে? উত্তরঃ মালের যাকাত অর্থমূল্য দিয়েই প্রদান করতে হবে। খাদ্য বস্তু বা অনুরূপ কিছু দিয়ে জায়েজ নয়। অতএব উক্ত ধান বা চাউল দিয়ে যাকাত প্রদান করা যাবে না। বরং তা থেকে বিক্রয়লব্ধ অর্থ দিয়ে যাকাত দিতে হবে। তবে বিশেষ কারণ দেখা দিলে যেমন কোন ব্যক্তি পাগল বা কম বুদ্ধি সম্পন্ন হলে তাকে প্রয়োজনবোধে অর্থের পরিবর্তে পোষাক বা অনুরূপ বস্তু যাকাত হিসাবে দেয়া যেতে পারে। প্রশ্ন - ৩ঃ কয়েক বছরের জন্য জমি লীজ নিয়ে ফলদ বৃক্ষ রোপণ করে লাভবান হওয়া যাবে কি? উত্তরঃ জমি ভাড়া নিয়ে যেকোনো ফল বা ফসল আবাদ করা যায়। কারণ জমি ভাড়া নেওয়া হয় চাষ করার জন্য। সুতরাং লীজগ্রহীতা যেকোনো ফসল বা ফলদ বৃক্ষ রোপণ করে উপকৃত করে উপকৃত হতে পারে। ইবনু তায়মিয়াহ, ইবনুল ক্বাইয়িম, ইবনু আক্বীল, উছায়মনীসহ একদল বিদ্বান কয়েক বছরের জন্য ফলের বাগান ক্রয়-বিক্রয়কে শরীয়ত সম্মত বলেছেন। আজ এই পর্যন্ত। প্রশ্ন ও উত্তর গুলো সংগ্রহীত কিন্তু আশা করি অনেকের উপকারে লাগবে। পরবর্তীতে এরকম আরও কিছু প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হবো ইন্-শাহ্- আল্লাহ।
পছন্দের দুইটা গজল **আমার অনেক পছন্দের দুইটা গজলঃ**- **গজল-১** হারিয়ে যাবো একদিন আমি রবো না এ ভুবনে চিরদিন। ক্ষমা করে দিও তোমরা আমায়, ভুল করে থাকি যদি কোনো দিন। হারিয়ে যাবো একদিন আমি রবো না এ ভুবনে চিরদিন। বাঁশ বাগানে বা গোরস্থানে হয়তো দেবে মোরে কবর তোমরা আমায় যাবে ভুলে রাখবেনা জানি কোনো খবর। পড়বে কি মনে আমার কথা, ফেলবে কি অশ্রু কোনো দিন। হারিয়ে যাবো একদিন আমি রবো না এ ভুবনে চিরদিন। ছোট্ট মাটির ঘরে আমার দেহ নিথর হয়ে পড়ে রবে আঁধার কবরে আলোর প্রদীপ কেহ নাহি কভু জ্বালবে। থাকবে না কেউ জানি আমার পাশে, কাটাবো একাকি রাত্রি দিন। হারিয়ে যাবো একদিন আমি রবো না এ ভুবনে চিরদিন। ক্ষমা করে দিও তোমরা আমায়, ভুল করে থাকি যদি কোনো দিন। **গজল-২** নয়ন মেলিয়া দেখিনি চাহিয়া মরণ আমার এতো কাছে হায়। সকাল ফুরালো বেলা গড়ালো, কেমন করে যে দিন কেটে যায়। নয়ন মেলিয়া দেখিনি চাহিয়া মরণ আমার এতো কাছে হায়। এই ধরায় যারা সাথী ছিল একে একে সব বিদায় নিল। এ কথা আমি ভাবিনি কখনো, মরণ আমার কবে এসে যায়। নয়ন মেলিয়া দেখিনি চাহিয়া মরণ আমার এতো কাছে হায়। ওই গোরস্থানে কত মুর্দা রেখে মাটি ছড়িয়ে দিয়েছি ঢেকে। এভাবে তোমাকে ঢেকে দেবে একদিন, সেদিনকে স্নরণ করো সদায়। নয়ন মেলিয়া দেখিনি চাহিয়া মরণ আমার এতো কাছে হায় সকালে বাগানে যে ফুল ফুটে সাঁঝের বেলা তা ঝরেও বটে। এভাবে তোমারো ডুবে যাবে বেলা, সেদিন আসে কবে কারো জানা নায়। নয়ন মেলিয়া দেখিনি চাহিয়া মরণ আমার এতো কাছে হায়। সকাল ফুরালো বেলা গড়ালো, কেমন করে জানি দিন চলে যায়। নয়ন মেলিয়া দেখিনি চাহিয়া মরণ আমার এতো কাছে। গজল দুইটা আমার খুুব খুব খুব প্রিয় গজল। আপনারা চাইলে ডাউনলোড দিয়ে শুনতে পারেন। আশা করি অনেক ভালো লাগবে।
কিছু বিখ্যাত মানুষের বিখ্যাত কিছু উক্তি- পর্ব ১ **জীবন বদলে দেওয়া কিছু উক্তিঃ** **১**.আল্লাহর ভয় মানুষকে সকল ভয় হতে মুক্তি দেয়- ইবনে সিনা। ২. “ এই পৃথিবী কখনো খারাপ মানুষের খারাপ কর্মের জন্য ধ্বংস হবে না। যারা খারাপ মানুষের খারাপ কর্ম দেখেও কিছু করেনা তাদের জন্যই পৃথিবী ধ্বংস হবে॥ ” -—আইনস্টাইন। ৩. “ যে নিজেকে দমন করতে পারে না সে নিজের জন্যেও বিপদজনক এবং অন্য সবার জন্যেও॥ ” --—থেলিস। ৪. “ স্বপ্নপূরণই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য নয়। তাই বলে, স্বপ্নকে ত্যাগ করে নয়, তাকে সঙ্গে নিয়ে চলো। স্বপ্ন ছাড়া জীবন অর্থহীন॥ ” —ব্রায়ান ডাইসন। ৫.“ আমি ব্যর্থতা কে মেনে নিতে পারি কিন্তু আমি চেষ্টা না করাকে মেনে নিতে পারিনা॥ ” --—মাইকেল জর্ডান। ৬.‘‘ যারা আমাকে সাহায্য করতে মানা করে দিয়েছিল আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। কারন তাদের ‘না’ এর জন্যই আজ আমি নিজের কাজ নিজে করতে শিখেছি॥ ’’ --—আইনস্টাইন। ৭ “ সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে নিজেকে চেনা এবং সবচেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে অন্যদেরকে উপদেশ দেয়া॥ ” --—থেলিস। ৮.“ প্রত্যেককে বিশ্বাস করা বিপদজনক; কিন্তু কাউকে বিশ্বাস না করা আরো বেশী বিপদজনক॥ ” --—আব্রাহাম লিংকন। ৯. “ যেখানে পরিশ্রম নেই সেখানে সাফল্যও নেই॥ ” --—উইলিয়াম ল্যাংলয়েড। ১০. “ চিন্তা কর বেশি, বল অল্প এবং লেখ তার চেয়েও কম॥ ” --—জন রে। ১১. “ সত্য একবার বলতে হয়; সত্য বারবার বললে মিথ্যার মতো শোনায়। মিথ্যা বারবার বলতে হয়; মিথ্যা বারবার বললে সত্য ৰলে মনে হয়॥ ” -—হুমায়ূন আজাদ। ১২.“ আমি বলবনা আমি ১০০০ বার হেরেছি, আমি বলবো যে আমি হারার ১০০০ টি কারণ বের করেছি॥ ” —টমাস আলভা এডিসন। ১৩. “ নতুন দিনই নতুন চাহিদা ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেয়॥ ” -—জন লিভেগেট। ১৪. “ যে নিজেকে অক্ষম ভাবে, তাকে কেউ সাহায্য করতে পারে না॥ ” --—জন এন্ডারসন। ১৫.“ সত্যকে ভালবাস কিন্তু ভুলকে ক্ষমা কর॥ ” --—ভলতেয়ার। ১৬. “ পৃথিবীতে সবাই জিনিয়াস; কিন্তু আপনি যদি ১ টি মাছকে তার গাছ বেয়ে উঠার সামর্থ্যের উপর বিচার করেন তাহলে সে সারা জীবন নিজেকে শুধু অপদার্থই ভেবে যাবে॥ ” --—আইনস্টাইন। ১৭. “ যে বিজ্ঞানকে অল্প জানবে সে নাস্তিক হবে, আর যে ভালো ভাবে বিজ্ঞানকে জানবে সে অবশ্যই ঈশ্বরে বিশ্বাসী হবে॥ ” --—ফ্রান্সিস বেকন। ১৮. “ আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম, সেইস্বপ্নে আস্থা ছিল। আর আমি কাজটা ভালোবাসতাম। ফেসবুক বিফল হলেও আমার ভালোবাসাটা থাকত। জীবনে একটা স্বপ্ন থাকতে হয়, সেই স্বপ্নকে ভালোও বাসতে হয়॥ ” --—মার্ক জুকারবার্গ। ১৯. “ যে পরিশ্রমী সে অন্যের সহানুভূতির প্রত্যাশী নয়॥ ” --—এডমণ্ড বার্ক। ২০. “ সফলতা সুখের চাবিকাঠি নয় বরং সুখ হল সফলতার চাবিকাঠি। আপনার কাজকে যদি আপনি মনে প্রানে ভালবাসতে পারেন অর্থাৎ যদি আপনি নিজের কাজ নিয়ে সুখী হন তবে আপনি অবশ্যই সফল হবেন॥ ” -— Albert Schwartz আশা করি সবার ভালো লাগবে। আর পাশে থাকবেন সবাই, পরবর্তীতে আরও কিছু বাস্তব উক্তি নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে। ভালো থাকবেন সবাই।
ফুল বাগান ফুল কে না ভালোবাসে। ফুল মানেই ভালোবাসার প্রতীক। ফুল অনেক কাজেই তো ব্যবহার করা হয়।কিন্তু ভালোবাসা প্রকাশ করতে বেশি ব্যবহার করা হয়। ফুল আমার ও খুব প্রিয়। তাইতো আমার ছাদে ৩০-৩৫ রকমের ফুলের গাছ আছে। ফুল বাগানের প্রতিটা ফুল গাছ আমার খুব প্রিয়। নিজের হাতে সবগুলো গাছ লাগিয়েছি আর যত্নও করি আমি। ফুল গুলো যখন ফুটে তখন আমার আনন্দের সীমা থাকে না। আসলে নিজের হাতে করা জিনিস গুলোর মজাই আলাদ। এই ছবি গুলো আমার বাগানের ফুলের ছবি। আমার নিজের হাতে তুলা ছবি। এই ছবি গুলো যখন তুলি তখন মনের মধ্যে কি যে অনুভূতি হয় সেটা একমাত্র যাদের বাগান আছে তারা বুঝবেন। ফুলের রাণী গোলাপ আর আমার বাগানের রাণী ও গোলাপ। সত্যি মন টা ভরে যায় যখন এদেরকে ফুটতে দেখি। মন ভালো করার একটা উত্তম উপায় হচ্ছে এই ফুল বাগান। আমার যখন মন খারাপ হয় তখন আমি চলে যায় আমার বাগানে, তাদের সাথে সময় কাটাতে। তাদের সাথে গল্প করে আর সময় কাটিয়ে মনটা একদম ভালো হয়ে যায় আমার। তাই আমাদের সবারই উচিত একটা করে বাগান করা,এতে মন ও শরীর দুটোই ভালো থাকবে। সবাই ভালো থাকবেন এবং আমার পাশেই থাকবেন।


+6 more
Sopno to amio dekhi but sopno gulo ki ado puron hobe. Hoito hobe. But kobe??? Setar opekkhai ajo bose aci. Rat ta khub bisakto lage amar. Age rat ta kei khub valo lagto but akhon kn jani bisakto lage onkk ta. Janina kobe fire pabo amar ami ta ke. Onkkk onkk miss kori ager ami ta ke. Sobai khub valo thakben r nijer & family r prio manus gulor kheyal rakhben. Allah Hafez. Good night all
অন্য রকম গল্প তোমার আর আামার গল্পটা অন্য রকম একটা গল্প। দূরত্ব তো ঠিকই আছে কিন্তু ভালোবাসাটাও অফুরন্ত। আসলেই আমাদের ভালোবাসা টা ফুরানোর নয়। যত দিন বাড়বে আমাদের ভালোবাসা টা একে অপরের জন্য বাড়তেই থাকবে, কমবে না এটা আমার বিশ্বাস। সত্যি অনেকটা জায়গা জুড়ে আছো তুমি। অনেকটা বললে ভুল হবে, পুরোটা জায়গা জুড়ে আছো তুমি আমার। জানো, তোমার সাথে কাটানো প্রতিটা মূহুর্ত আমার কাছে কতোটা special. হয়তো জানো না। কিন্তু বিশ্বাস করো সত্যি তুমি আমার কাছে অনেক special একটা উপহার যেটা আল্লাহ পাক আমাকে না চাইতেই দিয়েছে। এজন্য আমি আল্লাহর কাছে অনেক শুকরিয়া আদায় করেছি যে এতো সুন্দর একটা উপহার আমাকে দেওয়ার জন্য। তোমার সাথে কাটানো প্রতিটা সময় মনে হয় যেন বাঁধাই করে রাখি স্মৃতির খাঁচায়। তুমি কি জানো, তোমার সাথে যখন কথা বলি তখন নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবতী মনে হয়। তোমার আর আামার জুড়ি টা দেখলে মনে হয়, একি ডোরে বাঁধা দুটি প্রাণ।হুম ঠিকই তো, দুইটি দেহ কিন্তু প্রাণ টা একটাই, এতোটাই মিল আমাদের মাঝে। তুমি কি জানো, তোমার কোন জিনিস টা আমার খুব খুব খুব ভালো লাগে। হ্যা জানো কারণ আমি বলেছি তোমাকে, যে তোমার চোখ দুইটা আমার অনেক পছন্দের। তোমার চোখ দুটোই কি যে মায়া আছে সেটা আমার জানা নাই, তোমার ও জানা নাই। তোমার হাত দুটোও ভালো লাগে যখন হাত ভরে মেহেদী আর চুরি পরো। আর কি ভালো লাগে জানো, তোমার গানের সুর। সত্যি তোমার কন্ঠে যে কি জাদু আছে সেটাই বুঝি না। সত্যি কথা কি জানো? জানো না। আসলে সত্যিটা হচ্ছে তোমার প্রতিটা জিনিসই আমার ভালো লাগে। আমি নিজেও বুঝে পাইনা, তুমি কি করে এতটা আপন হয়ে গেছো আমার, যার কারনে তোমাকে ছাড়া একটা মূহুর্তও ভালো লাগে না। জানো, তোমার সাথে কথা না বললে আমার দম টা বন্ধ হয়ে আসে। এটা সত্য যে, আমাদের মাঝে মান অভিমান রাগ সবই আছে, আমি রাগ টা একটু বেশিই করি কিন্তু জানো কষ্টটাও বেশি হয় আমার। সে যাই হোক, ভালোবাসার সম্পর্কে রাগ অভিমান থাকবেই কিন্তু সত্যিটা এটাই যে কেউ কাউকে ছাড়া থাকতে পারবো না। তাই ছেড়ে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই উঠে না। সারাজীবন এরকম রাগ অভিমান আর অনেক ভালোবাসার মাঝে কাটিয়ে দিতে চাই। থাকবে তো আমার পাশে সারাটি জীবন?? আমার বিশ্বাস তুমি থাকবে পাশে ইন-শাহ্-আল্লাহ। তোমাকে নিয়ে যতই লিখা হোক না কেন, মনে হয় কম পড়ে যায় লিখার ভাষা। আসলেই তাই তোমাকে নিয়ে লিখার শেষ নাই। কারণ, তুমি আমার জীবনের এমনই একজন যার কথা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। অনেক অনেক অনেক ভালোবাসি তোমাকে, অনেক অনেক অনেক মিস করি তোমাকে প্রতিটা সময়। সত্যি তুমি আমার অন্য রকম গল্প A. J. নাম টা না হয় সংক্ষিপ্তই থাক বুঝে নিও তুমি।
পড়ন্ত বিকেলের গল্প পড়ন্ত বিকেল মানেই অন্য রকম একটা অনুভূতির প্রকাশ। এই গোধুলি লগ্নে যদি পাশে ভালবাসার মানুষটাকে পাওয়া যায় তাহলে তো আর কথায় নাই। এমনও খনে যদি পাওয়া যায় তার, তাহলে কিন্তু মন্দ হয় না। পাশে বসে হাতে রেখে হাত এমন মূহুর্ত কাটানোটা এক অন্য রকম অনুভূতি, যেই অনুভূতি টা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এরকম অনুভূতি কিন্তু সবার ভাগ্যে জুটে না। আর যার ভাগ্যে জুটে সে সত্যি ভাগ্যবান। ভালোবাসি প্রিয় তোমাকে এমনও ক্ষনে এমনি একটি কথার অপেক্ষায় থাকে অনেক রঙিন মানুষ। ভালো থাকুক সেই সব মানুষ যারা এমনই ভাবে ভালোবাসার মানুষটাকে পাশে চাই এবং প্রতিটা মূহুর্ত এরকমই রঙিন করতে চাই ভালোবেসে।


+1 more
মন মন, হৃদয়, দিল, heart সে যেই নামেই ডাকা হোক না কেন জিনিস টা তো সেই একই। মন অতি নরম একটা বস্তু যা অল্প আঘাতে ভেঙে যায়। আঘাতটা কিন্তু অনেক রকমের হয়। অবহেলার আঘাত অপমানের আঘাত। এই ছোট ছোট আঘাতেই মন টা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। এই ছোট্ট মনেই অনেক আশা বাসা বাঁধে। যেই আশা গুলোর কোনোটা পূর্ণতা পাই আবার কোনোটা মাঝ পথেই থেমে যায়। ভালোবাসাটা কিন্তু এই মন থেকেই শুরু হয়। প্রতিটা মানুষেরই একটা মন আছে আর সেই মনে আসে অনেক ভালোবাসা যেই ভালোবাসা হয়তো সবার জন্য আসে না। আর যার জন্য আসে সে হয়তো তার কাছে অনেক special. সে যাই হোক ছোট্ট মনটা তার কাছেই ছুটে যায় যার কাছে সে ভালোবাসা পায়। মানুষের মন তো একটাই। তাই সে মনে কিন্তু জায়গাটাও একটাই। অবশ্য হ্যা সম্পর্ক অনুযায়ী জায়গার ও কিন্তু ভাগ আছে। কিন্তু একটা সম্পর্কের জন্য একটাই জায়গা। মনে তো জায়গা অনেকেই করে নিতে পারে কিন্তু কতো জন জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত সেই মনে বসবাস করতে পারে সেটা জানা থাকে না। তবে যারা জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত মনের মাঝে বাস করতে পারে তারা কিন্তু অনেক lucky হয়। কিন্তু মন নিয়ে একটা সত্যি কথা কি জানেন, মনটা আমার বুকের মধ্যে খানে থাকে আমারই খাই কিন্তু কষ্ট পাই কাঁদে অন্যের জন্য। তাহলে মনটা কে কি বেইমান বলা চলে না। আরে নিজের মনটাই তো নিজের সাথে বেইমানি করে তাহলে তো অন্যরা অনায়াসেই করবে। আসলে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বেইমান হচ্ছে নিজের মন টা। সবচেয়ে বড় বিশ্বাস ঘাতক হচ্ছে এই মনটাই। তাহলে অন্য কেউ কেন বিশ্বাসঘাতক হবে না বলতে পারেন?? জানি এই প্রশ্নের উত্তর কারো জানা নাই, আমার ও জানা নাই। তবে জানা থাকলে হয়তো ভালো হতো, জীবনে কষ্টটা কম পাওয়া যেত। এখন মন নিয়ে খেলা করা একটা নেশায় পরিনত হয়েছে। যে নেশা মানুষকে তিলে তিলে শেষ করে দিচ্ছে। তাই সবার কাছে অনুরোধ, কেউ কারো মন নিয়ে খেলেন না দয়া করে। কারণ মন টা অনেক নরম একটা জিনিস যেটা ভেঙে গেলে জোড়া লাগানো যায় না। যাকে ভালোবাসবেন তাকে মন থেকেই ভালোবাসুন, মন ভেঙে ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য না। মন থেকে কাউকে ভালোবেসে দেখুন সুখী হবেন একদিন হাজারো বাঁধা পেরিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন। আর নিজের মন টা কে আগলে রাখবেন যাতে অল্প আঘাতেই ভেঙে না যায়।
ভালোবাসা ভালোবাসা শব্দটা কিন্তু অনেক ছোট। এই শব্দটা ছোট হলেও এর কিন্তু অনেক গুরুত্ব আছে। কারণ জীবন টা ভালোবাসাই বাঁচে। আসলেই ভালোবাসা মানুষকে বাঁচতে শিখাই। যে জীবনে ভালোবাসা নেই সে জীবনটা মূল্যহীন। ভালোবাসা ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। সে যত বড় মাপেরই মানুষ হোক না কেন। ভালোবাসা না থাকলে জীবনটা অর্থহীন। ভালোবাসা কিন্তু অনেক রকমের হয়। যেমনঃ মা বাবার প্রতি ভালোবাসা, ভাই বোনের প্রতি ভালোবাসা, স্বামী স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা, বন্ধুত্বের ভালোবাসা, প্রেমিক প্রেমিকার প্রতি ভালোবাসা আরও অনেক ধরনের ভালোবাসা আছে। কিন্তু ভালোবাসার মূল জিনিসটা হচ্ছে বিশ্বাস। যেখানে বিশ্বাস নেই সেখানে ভালোবাসা মূল্যহীন, সেটা যে ধরনেরই ভালোবাসা হোক না কেন। ভালোবাসি তো অনেকেই বলে কিন্তু সত্যি কারের ভালোবেসে কত জনই বা পাশে থাকে। আসলে ভালোবাসি কথাটা বলা কিন্তু অনেক সহজ। এই কথাটা অনায়াসে বলে দেওয়া যায় কিন্তু ভালোবাসি কথাটার মর্যাদা কয় জনই বা রাখে। হাজার এ দুই এক জন। হ্যা তারাই অনেক সুখি হয় জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। আসলে ভালোবাসতে জানলে কিন্তু ভালোবাসার মানুষটা কখনো হারিয়ে যায় না। কিন্তু ভালোবাসার মধ্যে ফাঁক থেকে গেলে অল্প আঘাতেই, অল্প অবহেলায় তা নষ্ট হয়েই যাবে সেটা যত ভালোই সম্পর্ক হোক না কেন। কিছু কিছু ভালোবাসা এমন হয় যে সেটা কেউ কারো কাছে প্রকাশ করে না। নিজের মনের মধ্যেই থেকে যায়। আর এ আমি বলি শোনো ভালোবাসলে সেটা মনের মধ্যে চেপে রেখো না প্রকাশ করে দিও এতে নিজেকে অনেক হালকা মনে হবে। তোমার ভালোবাসাটা সে মেনে নিবে কি না সেটা পরের ব্যাপার, তুমি তো আগে প্রকাশ করে দেখো। জীবনের প্রতিটা ধাপেই তো হার জিত আছেই। তাই ওতো না ভেবে ভালাবাসার মানুষটা কে নিজের মনের কথা বলে দেওয়া টাই ভালো। এতে মনের মধ্যে একটা শান্তি পাওয়া যায়। অবশ্য এখন ভালোবাসার নামে নোংরা খেলা চলছে। সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষ খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন। আর তার চেয়েও অনেক অনেক কঠিন হচ্ছে সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষটাকে পেয়ে তাকে আগলে রাখা। অবশ্য ভালোবাসা যদি সত্যি হয় তাহলে আগলে রাখা লাগে না, সেই ভালোবাসাটা এমনি টিকে থাকে সারাজীবন। জীবনটা তো ক্ষণিকের। এই এতো অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক কিছুই ঘটে যায় আমাদের জীবনে। তাই চেষ্টা করতে হবে নিজেকে ভালো রাখার এবং অপরকে ভালোবাসার। ভালোবাসি কথাটা তখনই বলা উচিত যখন বুঝবা যে যাকে ভালোবাসি কথাটা বলছি তার হাত ধরে সারাটা জীবন কাটিয়ে দিতে পারবা। একটা কথা, যদি ভালোবেসে সারাজীবন পাশে না থাকতে পারো তাহলে মিথ্যে ভালোবাসায় জড়িয়ো না কাউকে। কারণ তোমার কাছে ওটা শুধু খেলা হলেও যাকে স্বপ্ন গুলো দেখাচ্ছো তার কাছে কিন্তু এটা খেলা না। কারণ সে তোমাকে হয়তো মন থেকেই ভালোবেসেছে। তার মন নিয়ে খেলা করার কোনো অধিকার তোমাকে দেওয়া হয়নি। তাই সাবধান, কারো ভালোবাসা নিয়ে খেলা করো না। অবশেষে বলতে চাই, সত্যিকারের ভালোবাসা গুলো কিন্তু সত্যি পূর্ণতা পায়। আর এই ভালোবাসা গুলোই বেঁচে থাকে অনন্ত কাল। তাই আল্লাহর কাছে দোয়া করি প্রতিটা ভালোবাসার মানুষের ভালোবাসা গুলো যেন পূর্ণতা পাই। আর সারাজীবন একে অপরের পাশে থেকে ভালো বেসে যাক।
Akhon nijeke rat jaga pakhi bole dabi korte mon chai. Ekta somoi cilo jokhon amake sobai ghum pagli bole dakto. Tokhon sotti ghum pagli cilam. But hotat kore ki j hoye gelo. Pagli ta aci but ghum ta ure gece. Akhon rat jagtei besi valo lage. Ei rat jaga ta kintu ojothai. Se jai hok amar ager ami ta ke khub miss kori. Fire fete icca kore sei ager ami ta ke. But seta somvob na. Anyway Good night all. Valo thakben sobai
https://read.cash/@M-Tahir/1-give-away-8abccd21 Sobai ei vaiyar article ta ektu pore asben asa kori valo lagbe
ডায়েরি ডায়েরি। আসলে এই শব্দটা শুনলেই মনে অন্য রকম একটা অনুভূতি কাজ। একটা ডায়েরি যেখানে মনের জমানো সব কথা লিখে রাখা যায়। ডায়েরি প্রতিটি পাতা ভরে উঠে নতুন নতুন গল্পে আর ছন্দে। ডায়েরির পাতার প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে থাকে কিছু না বলা কথা যেগুলো হয়তো চাইলেও অন্যের কাছে প্রকাশ করা যায় না, হোক না সে যতই আপন। আসলে কিছু কথা ডায়েরির ভাঁজেই ভালো লাগে। আমাদের মনে অনেক কথা আছে, আছে কিছু বাস্তবতা যেগুলো চাইলেও অনেক আপন জনকে বলা যায় না। কিন্তু ওই কথা গুলো অনায়াসে ডায়েরির পাতায় লিখে রাখা যায়। সত্যি ডায়েরিটা অনেক ভালো বন্ধু। এই বন্ধুটা কথা বলতে পারেনা ঠিকই কিন্তু আমাদের মনের কথা গুলো খুব যত্নে আগলে রাখতে পারে। আমার অনেক ভালো লাগে ডায়েরি লিখতে। আমি যখনই সময় পাই তখনই বসে যায় আমার ডায়েরি বন্ধু টা কে নিয়ে। আমার মন খারাপ এর সময় এই বন্ধুটা আমার সাথী হয়। আমার মন খারাপ এর সময়ে মন ভালো করার একটা উপায় হচ্ছে ডায়েরি লিখা। আমার অনেক ভালো লাগে ডায়েরিতে আমার সুখ দুঃখের গল্প গুলো লিখে রাখতে। আামার বিশ্বাস অনেকেরই এই অভ্যাসটা আছে। আসলেই সত্যি যে ডায়েরিতে মনের সব কথা লিখার পর যে শান্তিটা পাওয়া যায় তা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। আমার তিনটা ডায়েরি আছে যেগুলো অনেক মূল্যবান জিনিস আমার কাছে। এই ডায়েরি গুলোই একমাত্র জিনিস যে আমার জীবনের প্রতিটা গল্প জানে। এখন অবশ্য ডায়েরি নিয়ে বসার ওতো সময় পাই না কিন্তু মন খারাপ এর কারণ গুলো ওকে জানাতে ভুলি না। ডায়েরিটা একমাত্র জিনিস যার না আছে কোনো রাগ, না আছে কোনো অভিমান, না পারে কোনো অভিযোগ করতে, শুধু পারে মনের কথা গুলো আগলে রাখতে। তাই আমি বলতে চাই যে সবারই ডায়েরি লিখার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত এতে মন টা অনেক অনেক ভালো থাকবে।
অনলাইন বন্ধুত্ব অনলাইন বন্ধুত্ব, এই কথাটার সাথে আমরা সবাই পরিচিত। অনলাইন বলতে এখন কিন্তু অনেক মাধ্যমই বুঝায়। যেমন: ফেসবুক, ইমু, টুইটার সহ আর ও অনেক মাধ্যম৷ আসলে এখন কিন্তু বন্ধুত্বটাও একটা খেলায় পরিণত হয়েছে। মানে পৃথিবীটা তো স্বার্থপর হয়ে গেছে। তেমন বন্ধুত্বটাও স্বার্থপরে ভরে গেছে। এখন আসল বন্ধু খুঁজে পাওয়া খুবই কষ্টের একটা ব্যাপার। কারন সবাই শুধু এখন নিজের স্বার্থ বুঝে আর কিছুই না। বন্ধুত্ব সেটা, বাস্তবে হোক বা অনলাইনে এখন সব স্বার্থের খেলায় মেতেছে। তবে হ্যা ভাগ্যে থাকলে অবশ্যই পাওয়া যায় এমন কাউকে যে বন্ধুর চাইতেও বড় কিছু হয়ে উঠে জীবনে।আমার জীবনেও এমন একজন আছে তার কথা বলব আজকে কিন্তু তার আগে আমার নিজের কিছু কথা বলে নি। আামার কিন্তু অপরিচিত মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করতে অনেক ভালো লাগে। কিন্তু এই অনলাইন জগতে এসেও বাস্তব জীবনের মতো অনেক ধোঁকা খেয়েছি। বন্ধু তো পেতাম কিন্তু একটাও সত্যিকারের ভালোবাসে নি। আচ্ছা সে যায় হোক এখন আমি অনেক খুশি। কারণ আমি স্বার্থক। আমি অনলাইন থেকে আমার মনের মতো বন্ধু পেয়েছে। আসলে বন্ধু বললে ভুল হবে, কি বলে তাকে পরিচয় করাবো সেটা আমার জানা নাই। কিন্তু যাকে পেয়েছি সে আমার জীবনের একটা অংশ, একটা অধ্যায়। আমার বেঁচে থাকার একটা মাধ্যম। যাকে ছাড়া আমি অপূর্ণ। আমার ভালো থাকার, হাসিখুশি থাকার একমাত্র ঔষধ আমার জানু। হ্যা আমি ভালোবেসে ওকে জানু বলেই ডাকি। আমার জানু টাও আমাকে জানু বলেই ডাকে এই ডাকটা নাকি শুধু ওর আর আমার অন্য কেউ ডাকতে পারবেনা। সত্যি নিজেকে অনেক ভাগ্যবতী বলে মনে হয় এরকম একজন কে আমার জীবনে পেয়ে। সম্পর্কটা আমাদের বেশি দিনের না কিন্তু আমাদের কথা শুনলে মনে হবে আমাদের পরিচয় জন্ম জন্মান্তরের। আসলেই তাই সম্পর্কটা এতো গভীর হয়ে গেছে যে কেউ কাউকে ছাড়া কিছু ভাবতে পারিনা। পরিচয়টা আমাদের ইমুতে হলেও সম্পর্কটা অনেকটাই গাড়। আমাদেরকে দেখলে মনে হবে Made for each other. এতোটাই মিল আমাদের। আমি ভাবতেও পারিনি যে আমার জীবনে এমন কাউকে আল্লাহ পাঠাবেন যে আমাকে ভালোভাবে বাঁচতে শিখাবে, তাও আবার এই অনলাইনের মাধ্যমে।আসলে রক্তের সম্পর্ক ছাড়াও যে আপন হওয়া যায় এটা আমি আমার আর জানুর সম্পর্ক দেখেই বিশ্বাস করেছি।অনেক অনেক ধন্যবাদ অনলাইন মাধ্যমকে কারণ এই অনলাইন জগত না থাকলে আমি আমার জানু টা কে খুঁজে পেতাম না। আমার জানুর নাম তাসমিনা খান আরফিন। জানু তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসি। আর আমার জানু টাও আমাকে অনেক ভালোবাসে। আল্লাহর কাছে দোয়া করি তিনি যেন আমার জানুটাকে এরকম ভাবেই আমার পাশে রাখেন আমার মৃত্যু পর্যন্ত এবং সবসময় যেন সুস্থ ও ভালো রাখেন আমার জানু টা কে। Thank you so much জানু আমার লাইফে আসার জন্য। সবশেষে বলতে চাই আপনারা সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন যেন আমাদের সম্পর্কটা এরকম ভাবেই টিকে থাকে সারাজীবন ইন্-শাহ-আল্লাহ। আর আপনারাও কিন্তু অনলাইনে বন্ধুত্বটাই বিশ্বাস রাখতে পারেন। ভালো থাকবেন সবাই।
কিছু বাস্তব কথা আামাদের জীবনে অনেক বাস্তব কথা আছে যেগুলোর সম্মুখীন আমরা প্রতিটা ধাপে ধাপে হয়। এমনি কিছু বাস্তব কথা আজকে আমি লিখছি। ১. কারো বুদ্ধি কেউ কেড়ে নিতে পারে না। ২. জীবনে কখনো কখনো কোনো ছোটো ছোটো জিনিস বা বিষয় ততটা গুরুত্ব দেওয়া ঠিক নই যতটা আমরা মনে করি। ৩. একটা মানুষ সম্পর্কে যত ভাবা হবে বা তার সম্পর্কে জানার জন্য যত গভীরে ঢুকা হবে সেই মানুষ সম্পর্কে মনে তত ঘৃণা জন্মাবে। তাই কোনো মানুষকে নিয়ে না ভাবাই অনেক ভালো। সে মানুষটার সাথে যে সম্পর্কই থাকুক না কেন, তাকে নিয়ে ভাবতে যাবেন না। ৪. আমাদের কাছে যেই জিনিসটা থাকেনা বা যেই জিনিসটা আমরা হারিয়ে ফেলি সেই জিনিসটা নিয়েই কিন্তু বেশি আফসোস হয়। ৫. কোনো মানুষকে তুচ্ছ ভাবা উচিত না। কারন পৃথিবীতে প্রত্যেকটা মানুষেরই মূল্য আছে। ৬. লোক দেখানো কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে কারন এখন সব মানুষই লোক দেখানো কাজ করে। ৭. অন্যের কাছে ভালো দেখানোর জন্য ভালো ব্যবহার করা এখন একটা fashion হয়ে গেছে প্রায় সব মানুষের। ৮. যেই কথাগুলো সামনাসামনি মানে মুখে বলা যায় না সেই কথা গুলো সহজেই লিখে অন্যের কাছে প্রকাশ করা যায়। ৯. যত দিন তুমি ভালো ততদিন তোমার বন্ধুর অভাব হবে না, কিন্তু যখনই তোমার খারাপ সময় আসবে তখন দেখবে তোমার পাশে কেউ নাই। হ্যা এটাই বাস্তবতা। ১০. এখন কার বন্ধুগুলো দুধের মাছি আর স্বার্থপর। স্বার্থ ফুরাইলেই আর কাউকে পাশে পাওয়া যায় না এই হলো বাস্তব কথা। জানিনা কে কতটা সম্মুখিন হয়েছেন কিন্তু এই কথাগুলো আমার জীবনের সাথে জড়িত।
জীবন নিয়ে ছোট একটা শিক্ষা জীবনে কখনো ছোট ছোট বিষয় নিয়ে ভেবে নিজের জীবন নষ্ট করার কোনো মানেই হয় না। কারন নিজের জীবনের মূল্য কেউ দিতেই জানে না৷ যার যার জীবন তার তার ভাবনা। জীবনের ছোট এবং নোংরা বিষয় It doesn’t matter in your own life. নোংরা বিষয় মানুষের জীবনে কোনো বিষয়ই না। তাই জীবনের সব ছোট ছোট বিষয় গুলো ignore করা অনেক ভালো। ওগুলো নিয়ে ভেবে নিজের জীবন নষ্ট করার কোনো মানেই হয় না।মানুষ যখন একাকিত্ব বোধ করে তখন এসব বিষয় মনে পড়ে কিন্তু তখন ক্ষমা চাওয়ার ও হয়তো সময় বা পরিস্থিতি কিছুই থাকে না। তাই আমাদের উচিত সব ছোট ছোট বিষয় গুলো বড় করে না দেখে আমাদের জীবনে সামনে এগিয়ে যাওয়া। জীবনটা ক্ষণিকের। তাই জীবনটাকে উপভোগ করতে শিখতে হবে। আর আপন মানুষ গুলোকে ভালোবাসতে জানতে হবে। তাহলেই পৃথিবীটা রঙিন লাগবে এবং বাঁচার মানে টা ও খুঁজে পাওয়া যাবে। তাই সবাই ভালোবেসে ভালোবাসার মানুষ গুলোর পাশে থাকবেন।
বোখাটে গল্প জীবনের শেষ বিকেলের বিষন্ন বাতাসের মতো মাঝে মাঝে পুরো ঝড়া বাতাস বয়ে যায়। এক সময় সন্ধ্যে ঘনিয়ে আসে তারপর রাত। ভোরটা অনেকের দেখা হয় না। কিছু কাঞ্চনজঙ্ঘা কষ্ট আর ক্ষত বিক্ষত স্মৃতি বুকে আগলে রেখেই কেউ কেউ একটা জীবন বেহিসেবেই কাটিয়ে দেয়। আর দুর আকাশের ওই অদৃশ্য লেখকের কলমের আচঁড়েই সেগুলোই হয়ে উঠে ভালোবাসার এক একটা জীবন্ত স্যালুলয়েট। তবুও দিন শেষে আমরা ঠিকই ভালোবেসে যায়। আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকি কিছু সাত রঙা স্বপ্ন, যাযাবর আবেগ আর ভালোবাসার এরকম কিছু বোখাটে গল্প। আাসলে ভালোবাসা গুলো এরকমই হয়। কিছু কিছু ভালোবাসা পূর্ণতা পায়। আর কিছু ভালোবাসা মাঝ পথেই থেমে যায়। যে ভালোবাসা গুলো পূর্ণতা পায় না সেগুলো চাপা পড়ে যায় হয়তো আবেগ অভিমান অবহেলার মাঝে নয়তো পরিস্থিতির কাছে। আর যেই ভালোবাসা গুলো পূর্ণতা পায় সেগুলো তো ভাগ্যের লিখন। ভালোবাসার মানুষ গুলো সবসময় হাসিখুশি আর ভালো থাকে এই দোয়া করি আল্লাহর কাছে।
Short story Sometimes life becomes as depressing as the cold winds of the evening. Then comes the dark night and the night intensifies. Many do not see the dawn. Some people hold their sadness inside them for life and live on and on until death and from the far away the biggest writer turns them into real stories. We still love, at the end of the day. We live by some colourful dreams. Endless feelings and such vagabond love stories.
মাষ্টারকার্ড ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সুখবর! যারা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট করছেন অথচ একটা পেমেন্ট মেথড ভেরিফাই করার মতো মাষ্টারকার্ড পাচ্ছেন না,তাদের জন্য আমরা দিচ্ছি একটা পরিপূর্ণ ভেরিফাই পেওনিয়ার মাষ্টারকার্ড। সকল খরচ একাত্রে ৩২৫০টাকায় আমাদের থেকে পেওনিয়ার এই কার্ডটি নিতে পারেন। টাকা পেমেন্ট করার ৩০-৫০দিনের মধ্যে আপনার কার্ডটি পেয়ে যাবেন। আমরা যে তথ্য গুলো আপনার কাছ থেকে নিবোঃ (১)আপনার ভোটার আইডির ফটোকপি। (স্ক্রিনশট) (২)আপনার একটা একটিভ থাকা ফোন নাম্বার। (৩) একটা ভেলিড জিমেইল। আর একটা কথা বিভিন্ন ধরনের গ্রুপ পেজ ইউটিউব চ্যানেল বলে যাচ্ছে যে তারা ১৫০ টাকায় পেওনিয়ার কার্ড দেবো। তারা হচ্ছে ধোকাবাজ তাদের থেকে সাবধান! যেভাবে আমাদের পেমেন্ট করবেনঃ (১) ডাচ্ বাংলা (২) ডাচ্ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং। (৩) বিকাশ (৪) পেওনিয়ার অথবা যেকোন কারেন্সিতে। বিশেষ প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে freelancerahn@gmail.com মেইল করতে পারেন। Thanks for reading my Article
বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা (১) আজ যে বিজ্ঞানের দ্বারা বৈজ্ঞানিক জ্ঞান উৎপন্ন এবং ভাগ করা হচ্ছে তা অতীতে এত দ্রুত ছিল না। বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্র একে অপরের কাছাকাছি আসছে নতুন নতুন শাখা দেওয়ার জন্য। বায়োইনফরম্যাটিকস এর মধ্যে একটি নতুন উদীয়মান ক্ষেত্র, যা আর্কাইভ করতে আণবিক জীববিজ্ঞান কম্পিউটার, গণিত এবং পরিসংখ্যানকে ব্যবহার করে,জৈবিক তথ্য পুনরুদ্ধার করে এবং বিশ্লেষণ করে। যদিও শৈশবকালীন, এটি দ্রুত বর্ধনশীল ক্ষেত্রগুলির একটি হয়ে উঠেছে এবং যে কোনও জৈব গবেষণা কার্যক্রমের অবিচ্ছেদ্য উপাদান হিসাবে নিজেকে দ্রুত প্রতিষ্ঠিত করেছে । এটি তার দক্ষতার কারণে জনপ্রিয়ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ জৈবিক ডেটা দ্রুত এবং সাশ্রয়ীভাবে বিশ্লেষণ করতে। বায়োইনফরমেটিক্সগুলি নিষ্কাশনের জন্য একজন জীববিজ্ঞানীকে সহায়তা করতে পারে বিভিন্ন ওয়েব অথবা কম্পিউটার ভিত্তিক সরঞ্জাম সরবরাহকারী জৈবিক ডেটা থেকে মূল্যবান তথ্য, যার বেশিরভাগ অংশ অবাধে উপলব্ধ। বর্তমান পর্যালোচনা জীবন বিজ্ঞানীর কাছে উপলব্ধ এমন কয়েকটি সরঞ্জামের একটি বিশদ সংক্ষিপ্তসার দেয় জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করতে। একচেটিয়াভাবে এই পর্যালোচনা জৈবিক গবেষণাগুলির সেই ক্ষেত্রগুলিতে ফোকাস করবে, যা ব্যাপকভাবে হতে পারে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সনাক্ত করতে একটি ডিএনএ এবং প্রোটিন ক্রম বিশ্লেষণ, 3 ডি কাঠামোর পূর্বাভাসের মতো সরঞ্জামগুলির সাহায্যে সহায়তা করে প্রোটিন অণুগুলির, আণবিক মিথস্ক্রিয়াগুলি অধ্যয়ন করতে এবং জৈবিক ঘটনাটি অনুকরণ করার জন্য অনুকরণগুলি সম্পাদন করতে জৈবিক তথ্য থেকে দরকারী তথ্য আহরণ। Article টি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। Like, Commment, Subscribe করে সকলে পাশে থাকবেন।