মুলার পিকেলস
আজকে আমি আপনাদের সামনে যে খাবারের রেসিপি দিব এটি একটি কোরিয়ান খাবার। আশা করি সবাই ট্রাই করবেন।
উপকরণ:-সাদা বড়মুলা আধা কেজি
শালগম-২০ গ্রাম
পেঁয়াজ কুচি-১টি
রসুন কুচি-৫কোষ
আদা কুচি-১/৪চা, চামচ
শুকনা মরিচ গুঁড়া-১/২ চা চামচ
লবণ পরিমাণমতো
ফুটানো পানি চার ভাগের এক কাপ
প্রণালী:-কমলার খোসা ছাড়িয়ে 1 সেন্টিমিটার চৌকা করে টুকরা করে নিতে হবে। শালগম খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরা করে নিতে হবে। মুলা ও শালগম বাতাসে ছড়িয়ে রেখে পানি শুকিয়ে নিতে হবে।
মুলা ও শালগম যার যেরকম ইচ্ছা সেরকম টুকরা করে নেওয়া যায়।
সব মসলা ও অর্ধেক লবণ একসাথে মিশিয়ে সবজি দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে।
বড় মুখের বৈয়ামে বা বোতলে ভরে দিতে হবে।
ফুটানো পানিতে বাকি লবণ গুলে বোতলে ঢেলে দিতে হবে। অল্প ঠান্ডা হলে বোতলের মুখ বন্ধ করে ৫ থেকে ৬দিন গরম এবং অন্ধকার জায়গায় রাখতে হবে।
নারীর অধিকার
নারী আর পুরুষ মিলে মানব সভ্যতার সূচনা করেছিল। যুগের পর যুগ ধরে নারী ও পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে নিয়েছে সমাজ সংসার। ক্ষেত্রবিশেষে নারীশ্রম ও ত্যাগে পুরুষের চেয়ে ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে এবং এখনো করছে। কিন্তু নারী তার স্বীকৃতি পেয়েছে খুব কমই। পুরুষশাসিত সমাজ কেবল নারীর অবদান কে উপেক্ষা করেনি, অস্বীকার করেছে তাদের অধিকার ও।
সমাজের বিধিবিধানগুলো ও তৈরি করা হয়েছে নারীর প্রতিকূলে। তাছাড়া ধর্মীয় গোঁড়ামি আর কুসংস্কার তো আছেই। সব মিলিয়ে আমাদের সমাজে নারীরা অধিকার বঞ্চিত, পশ্চাত্পদ ও অবহেলিত। শিক্ষিত শ্রেণীর ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা গেলেও গ্রামীণ ও নিম্নবিত্ত সমাজের নারীদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। নারীদের অধিকার হরনের জন্য ধর্ম কে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হলেও ধর্মে নারীদের যেসব অধিকার দেওয়া হয়েছে, তাকে থেকেও তাদের বঞ্চিত করা হয়।
পড়ালেখা, বিয়ে, মতামত ও সিদ্ধান্ত ,পরিবার গঠন, কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ সহ প্রায় সর্বক্ষেত্রে নারী অধিকার খর্ব করায় যেন সামাজিক রীতি। সবকিছুতে নারীকে নিজেদের উপর নির্ভর করে রাখাকে পুরুষ মনে করে তাদের অলঙ্ঘনীয় অধিকার। বাংলাদেশের সংবিধানে নারী-পুরুষের সমঅধিকারের কথা বলা হলেও তা কেবল কাগজ-কলমে রয়ে গেছে।
এই বাস্তবতায় সবার আগে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে।নারীকে বঞ্চনার মধ্যে রেখে আমাদের আর্থসামাজিক উন্নতি আশা করা যায় না।
When money is lost nothing is lost
When health is lost something is lost,
When character is lost everything is lost.
এসিড বৃষ্টি
এসিড বৃষ্টি পরিবেশগত বিপর্যয়ের একটি অন্যতম উপসর্গ। এসিড বৃষ্টি বলতে আসলে আকাশ থেকে সরাসরি এসিড বা অম্ল ঝরে পড়া যায় না। বৃষ্টির পানিতে মাত্রাতিরিক্ত অম্লীয় এসিড উপাদান থাকলে তাকে এসিড বৃষ্টি বলে। এসিড বৃষ্টির মূল কারণ, আবহাওয়া মন্ডলে ছড়িয়ে পড়া সালফার অক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইড পানির অণুর সংস্পর্শে এসিড বা অম্লীয় বিক্রিয়ার সৃষ্টি করা।
বৃষ্টির পানিতে এসিডের সহনীয় মাত্রা হলো 5.7 বা তার উপর। এই মাত্রা যত নিচে নামবে এসিড বৃষ্টি ততো বিপদজনক হয়ে থাকে। আবহাওয়া মন্ডল সালফার অক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইড প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট উভয় কারণ এ ছাড়াই। প্রাকৃতিক কারণের মধ্যে প্রধান হলো বজ্রপাত ও আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত। মানবসৃষ্ট কারণ এর মধ্যে প্রধান হলো শিল্প কারখানা থেকে ধোঁয়া ও গ্যাসীয় উপাদান এর নির্গমন।
শিল্প বিপ্লবের ফলে ব্যাপকভাবে শিল্পায়নের পর ঊনবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপে এসিড বৃষ্টির প্রভাব লক্ষ করা যায়। এরপর কারণ অনুসন্ধান ও প্রতিকার নিয়ে শুরু হয় তৎপরতা।যুক্তরাষ্ট্র ,জাপান ও ইউরোপের দেশগুলোতে সালফার অক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইড নিঃসরণ রোধ কল্পে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। নিঃসরণরোধী বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও ওইসব দেশ সাফল্য দেখিয়েছে।
এসিড বৃষ্টির ক্ষতিকর প্রভাব অনেক। গাছপালা ও ফসল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মিষ্টি পানির উৎসগুলো ধ্বংস হয়ে যায়, মাছসহ জলজ প্রাণীগুলো মরে যায় বা এদের গায়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এসিড বৃষ্টির কারণে টিনের ঘর, দালানকোঠা, ভাস্কর্য সহ অন্যান্য অবকাঠামোর রং নষ্ট হয়ে যায়। এগুলোর কমে যায় স্থায়িত্ব। মাটির উর্বরা শক্তি ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। এসিড বৃষ্টি আধুনিক সভ্যতার জন্য সত্যিই একটি অভিশাপ স্বরূপ।
স্বদেশ
মধুর চেয়ে আছে মধুর
সে আমার এ দেশের মাটি,
আমার দেশের পথের ধুলা
খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি।
আমাদের কুটির খানি,
সে যে গো আমার হৃদয় রানী।
ফ্রেঞ্চ ফ্রাইড পটেটো
উপকরণ:-আলু -৫টা
লবণ স্বাদ অনুযায়ী
গোলমরিচ
তেল ভাজার জন্য
প্রণালী:-মাঝারি আকারের এক সাইজের আলু নিতে হবে।
আলু ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে দিতে হবে।পাশে এক সেন্টিমিটার এবং লম্বায় ৫ সেন্টিমিটার মাপ করে আলু চৌকো ও ফালি করে কেটে নিতে হবে। আলুগুলো ধুয়ে ভালো করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।
কড়াইয়ে তেল গরম করে আলু দিয়ে দিতে হবে। কম আঁচে নেড়ে নেড়ে ১৫ থেকে ২০মিনিট অথবা যে পর্যন্ত আলুসিদ্ধ না হয় ভাজতে হবে।
তারপর চুলার আঁচ বাড়িয়ে দিয়ে ভাজতে হবে। আলু বাদামী রঙের এবং মচমচে হলে তেল ছেঁকে কাগজের উপর নিতে হবে।
লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে দিতে হবে আলুর সাথে। একটি গরম গরম সস এর সাথে খেতে অনেক ভালো লাগে। বার্গার দিয়েও খাওয়া যায়।
কাবলি ছোলার চাট
উপকরণ:-কাবলি ছোলা আধা কেজি
আলো -৩০০ গ্রাম
শুকনা মরিচ -৪ টি
তেজপাতা -১টি
জিরা -১ টেবিল চামচ
ধনে-১ টেবিল চামচ
পাঁচফোড়ন-২ চা, চামচ
এলাচ-৪টি
দারচিনি- তিন টুকরা
লবঙ্গ দুটি
সয়াবিন তেল আধা কাপ
আদা বাটা -১ চা চামচ
রসুন বাটা -১ চা চামচ
মরিচ বাটা -২ চা চামচ
তেতুল আধা কাপ
চিনি আধা কাপ
লবঙ্গ-২চা, চামচ
প্রনালী:-ছোলা চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। ডুবো পানিতে সিদ্ধ করে নিতে হবে।পুরানো ছোলা হলে সামান্য খাবার সোডা দিয়ে সিদ্ধ করা যায়।
আলু ছোট টুকরা করে সেদ্ধ করে নিতে হবে।
শুকনা মরিচ থেকে লবঙ্গ পর্যন্ত সব মশলা হালকা টেলে গুঁড়া করে নিতে হবে।
২ কাপ পানিতে তেঁতুল এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। তেতুল থেকে বার বের করে নিতে হবে। মারের সাথে চিনি মিশিয়ে নিতে হবে।
তেল গরম করে পেঁয়াজ বেরেস্তা করে তুলে রাখতে হবে। তেলে বাটা মসলা এবং সামান্য পানি দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। মসলা কষিয়ে তেল উপরে উঠলে ছোলা ,আলু ,লবণ দিয়ে আরো কষিয়ে নিতে হবে। ডুবানো পানি দিয়ে ২০মিনিট ফুটিয়ে নিব।
তেতুল দিয়ে ও এমন আন্দাজে গরম পানি দিতে হবে যেন ঘন ঝোল থাকে। দু'তিনবার ফুটে উঠলে গুড়া মশলা ও বেরাস্তা দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।
কাবলি ছোলার চাট এর সাথে মুচমুচে নিমকি ,আদা, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কুচি, শসা, টমেটো কুচি করে সালাদ এবং চারটের গুঁড়া মসলা দিয়ে পরিবেশন করা যায়।
মুক্তিযুদ্ধে শিশু কিশোরদের অবদান
বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ প্রতিটি বাঙালির জন্য গৌরবের আখ্যান। এই ভূখণ্ডে হাজার ১৯৭১সালে এমন একটি সময় এসেছিল ,যে সময় আবাল বৃদ্ধ বনিতা, নারী পুরুষ সকলে একাত্ম হয়ে স্বাধীনতার জন্য ঝাপিয়ে পড়েছিল। যারা অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করেছেন তারা মুক্তিযোদ্ধা খেতাব হয়েছেন। কিন্তু অনেক শিশু বৃদ্ধা নারী যারা এই যুদ্ধে পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছেন তাদের মূল্যায়ন আমরা এখনো করতে পারিনি।
একটি দেশের যখন যুদ্ধ হয়, তখন সে দেশের শিশু ও নারীরা সবচেয়ে বেশি বিপদগ্রস্ত হয়। বাংলাদেশের ১৯৭১ সালে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল, এদেশে যুদ্ধকালীন নয় মাসের শিশু ও নারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আমাদের দেশের দলিলপত্রের হিসাব মতে, দুই লাখেরও বেশি বাঙালি নারী নির্যাতিত হয়েছিলেন আর গরে গরে কত নারী যে নানাভাবে নির্যাতিত ও নিপীড়িত হয়েছিলেন তার কোন হিসাব নেই।
যুদ্ধের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী যত নারী নির্যাতিত হন, তার ও অনেক বেশি শিশু নির্যাতিত হয়েছে। যুদ্ধকালীন নয় মাসে যুদ্ধের কারণে কত শিশু মারা গেছে, কত শিশুর শিক্ষাজীবন পারিবারিক জীবন ধ্বংস হয়েছে, কতশিশু মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে তার কোন হিসাব এখনো পর্যন্ত নির্ণয় করা যায়নি। আমার ব্যক্তিগত মতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে এদেশের মুক্তিযোদ্ধা ও বীরঙ্গনা নারীদের মতো এসব শিশুদের ভূমিকা অপরিসীম। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন গ্রামে আক্রমণ করেছে তখন অনেক মা দুধের বাচ্চার মুখ চেপে ধরেছে যাতে শব্দ করে কান্না করতে না পারে। এই ফাঁকে দুধের শিশুটি মায়ের কোলেই মারা গেছে। সে কি তার জীবন দিয়ে পরিবারের অন্যান্যদের জীবন বাঁচায়নি?
আমরা এই অবুঝ শিশুর জীবন দান কিভাবে ইতিহাসে অমর করতে পারব? আমাদের বীরাঙ্গনা নারীদের সেইসব যুদ্ধ শিশু আমাদের জাতির অনন্ত গৌরবের বিশেষ্য। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের শিশু-কিশোরদের স্মৃতি, সেসময় তাদের যাপিত জীবনের দুর্বিষহ অবস্থা, যুদ্ধে মুক্তি বাহিনীকে সহায়তা কিংবা নানাভাবে ভূমিকা পালনের কথা আমাদের জাতীয় ইতিহাসের স্বার্থেই নির্ণয় করা প্রয়োজন। তাছাড়া যুদ্ধশিশুদের জীবন ও এই মুক্তিযুদ্ধের অপরিহার্য অংশ।
সক্যালোপড পটেটো
উপকরণ:-আলু -২ কাপ
সাদা সস পাতলা -২ কাপ
লবণ -১চা-চামচ
পেঁয়াজ কুচি -১চা-চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া -১/৪চা-চামচ
প্রণালী :-আলু ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে পাতলা স্লাইস করে ২কাপ নিতে হবে।
বেকিং পাত্রে অর্ধেক আলু সাজিয়ে নিতে হবে। কিছু লবণ ,গোলমরিচ ছিটিয়ে বাকি আরো সাজিয়ে দিতে হবে।
উপরে সাদা সস ঢেলে দিতে হবে। এবার পাত্রটি ঢেকে দিতে হবে।
ওভেনে ১৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৪৫ মিনিট বেক করে নিতে হবে। ঢাকনা তুলে নিতে হবে।
এবার আরও কিছুক্ষণ বেক করে নিতে হবে ,যেন উপর টা হালকা বাদামী রঙের হয়। এটা চার সাথে পরিবেশন করা যায়। অথবা বিকালের নাস্তা হিসেবে খাওয়া যায়।
এটা স্প্রাইট ও কোক এর সাথে খেতে বেশি ভালো লাগে।
মটর ঘুগনি
উপকরণ:-মটরশুটি খোসা ছাড়ানো -৫০০ গ্রাম
পেঁয়াজ মোটা স্লাইস-৪টি
হলুদ গুঁড়া -১/৪ চা-চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া-১/২ চা, চামচ
শুকনা মরিচ টালা গুঁড়া-১ চা, চামচ
লেবুর রস -২টেবিল চামচ
চিনি ( ইচ্ছা)-১ চা, চামচ
বেসনের ঝুরি সেমাই ভাজা-১/২ কাপ
ধনেপাতা কুচি 1-৪টেবিল চামচ
তেল -২টেবিল চামচ
টমেটো বড়-৩টি
খিরা -১টি
পিঁয়াজ ছোট টুকরা -৩ টেবিল চামচ
কাঁচা মরিচ কুচি -৩টি
পেঁয়াজ বেরেস্তা -৪টেবিল চামচ
লবণ -১ চা-চামচ
প্রণালী:-পোক্ত মটরশুঁটির বেছে নিতে হবে। ধুয়ে ডুবো পানিতে ৫ থেকে ১০ মিনিট সিদ্ধ করে নিতে হবে। উনুন থেকে নামিয়ে গরম পানিতে আধা ঘন্টা রেখে দিতে হবে।
সব উপকরণ তৈরি করে কাছে রেখে দিতে হবে।
ঝুড়িতে মটরশুঁটি ঢেলে দিতে হবে। গরম পানি দিয়ে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখবো।
তেল গরম করে কিছু পেঁয়াজ বেরেস্তা করে তুলে রাখতে হবে। কড়াইয়ের তেলে পেঁয়াজের মোটা স্লাইস দিয়ে নাড়া দিতে হবে। পিয়াজ নরম হলে মটরশুটি ও হলুদ দিতে হবে। নেরে গোলমরিচ, লবণ, চিনি ও লেবুর রস দিয়ে তিন থেকে চার মিনিট ভেজে অর্ধেক ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।
বাটিতে ঢেলে উপরে মরিচের গুঁড়া ও পেঁয়াজ বেরেস্তা ছড়িয়ে দিতে হবে। সাথে কেউ চাইলে তেঁতুলের চাটনি ও খেতে পারে।
আলুর চপ
উপকরণ:-আলু -৫০০ গ্রাম
পেঁয়াজ বেরেস্তা -৩ টেবিল চামচ
লবণ ১চা-চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ
কাঁচামরিচ -৩টি
পেঁয়াজ -৩টি
ডিম হাসের দুটি
টোস্টের গুঁড়া আধা কাপ
প্রণালী:-আলু ধুয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। সিদ্ধ হয়ে গেলে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। আবার চুলায় দিয়ে আলুর গায়ে পানি টানিয়ে নিব। খোসা ছাড়িয়ে আলু চটকে দিতে হবে। আলুতে বেরেস্তা গুড়া, লবণ ,গোলমরিচ, মিহি কুচি কাঁচা মরিচ এবং -১টেবিল চামচ টোস্টের গুঁড়া মিশিয়ে নিতে হবে। একটা ডিম ফেটে অর্ধেকটা আলুর সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। বাকি অর্ধেকটা তুলে রাখতে হবে।
আরেকটা ডিম লবণ দিয়ে ফেটে ওমলেট বাঁনাতে হবে। ওমলেট ডিমের মতো কুচি করে কেটে নিতে হবে।পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ কুচি করে ওমলেটের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে।
আলু ১০ ভাগ করে নিতে হবে। ডিমের পুর দিয়ে আলুর চপ তৈরি করে নিতে হবে। গোলাকার ডিম্বাকার ইচ্ছামত চপের আকার দিতে হবে। তুলে রাখা ফেটানো ডিম মাখিয়ে বিস্কুটের গুঁড়ায় গড়িয়ে নিয়ে চপ ডুবোতেলে ভেজে নিতে হবে।
টমেটো সস বা তেঁতুলের চাটনি সঙ্গে আলুর চপ খাওয়া যায়।
দই
উপকরণ:-তরল দুধ -২লিটার
চিনি পৌনে এক কাপ
দইয়ের বীজ -৪টেবিল চামচ
ঘি-১ টেবিল চামচ
প্রণালী:-দুধ ছেকে নিয়ে চুলায় বসিয়ে দিতে হবে। ঘন হয়ে দেড় লিটার পরিমাণ হলে নামিয়ে দিয়ে দুধ ঠান্ডা করে নিতে হবে।
এ সময় দুধ বারবার নেড়ে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন দুধের সর না পড়ে। দুধ ঠান্ডা হলে তাতে ২ টেবিল চামচ বীজ দই দিয়ে গুটনি দিয়ে গুটে দিয়ে দিতে হবে।
যে পাত্রে দই বসানো হবে বাকি বীজ দই সেই পাত্রের তলায় প্রলেপ দিয়ে দিতে হবে। উঁচু থেকে দুধ ঢেলে দিতে হবে।
এতে দই এর উপর ফেনা হয়ে সর পড়বে। এবার হাড়ির ঢেখে দিতে হবে। ঘরের গরম জায়গায় দইয়ের হাঁড়ি কম্বল দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।
সন্ধ্যায় দই পা তাহলে শেষ রাতে দই বসে যাবে। দই বসতে সাত থেকে আট ঘন্টা সময় লাগে।মিষ্টি দই বানাতে চাইলে দুধে একটু চিনি মিশিয়ে দিতে হবে।
দুদক
মানুষ নামের অমানুষ যারা
পৃথিবীতে বাঁধছে বাসা,
শান্তিময় এই পৃথিবীটাকে
করছে তারা সর্বনাশা।
মানুষের টাকা হাত করে
যারা হয়েছে ধনী,
তাদের বিরুদ্ধে চালাতে হবে
দুর্নীতি বিরোধী গুলি।
যদিও বা তারা এখন
মন্ত্রীর চেয়ারে,
তাদের জন্যই বাংলাদেশ
সন্ত্রাসের কবলে।
আসুন আমরা বন্ধ করি
সব ধরনের দুর্নীতি
তাইতো গঠন করলাম
দুদকের মত কমিটি।
দুদক তো একা পারবেনা
দুর্নীতি করতে দমন,
তাইতো হতে হবে
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতন।
পনির কিমা রোল
উপকরণ ১:-মুরগির বুকের মাংস ছোট করে কাটা -১কাপ
পেঁয়াজ কুচি -১ কাপ
কাঁচামরিচ কুচি -১ চা চামচ
পনির জুলিয়ান করে কাটা আধা কাপ
গোলমরিচ গুঁড়া -২চা-চামচ
লবণ স্বাদমতো
তেল-২টেবিল চামচ
কর্নফ্লাওয়ার -১ টেবিল চামচ
সয়া সস -১টেবিল চামচ
ওয়েস্টার সস -১ টেবিল চামচ
উপকরণ ২ :-ময়দা দেড় কাপ
ডিম-৩টি
ব্রেড ক্রাম -১কাপ
লবণ পরিমাণমতো
পানি প্রয়োজনমতো
তেল বাজার জন্য।
প্রণালী:-দুটি ডিম ফাটিয়ে পানি ও লবণ মিশিয়ে এক কাপ ময়দা মেখে নিতে হবে। ভালোভাবে মসৃণ করে পাতলা গোলা করে নিতে হবে।
ফ্রাই প্যান গরম করে অল্প তেল মাখিয়ে সিকি কাপ ময়দার গোলা দিয়ে দিতে হবে। পেনের হাতল ধরে ঘুরিয়ে চারদিকে ছড়িয়ে দিয়ে এক মিনিট রেখে তুলে নিতে হবে।
এভাবে সবগুলো রুটির একধারে কিছু কিমা ও পনির রেখে দু'পাশের রুটি ভাঁজ করে নিতে হবে।
কিমা সহ রুটি রোল করে রুটি শেষ প্রান্তে গোল আলু ময়দা লাগিয়ে ভালোভাবে চেপে কিনারে এঁটে দিতে হবে।
এভাবে সবগুলো রুটি তৈরি করে ডিম দিয়ে ডিমে ডুবিয়ে ব্রেড ক্রামে গড়িয়ে গরম ডুবো তেলে ভেজে নিতে হবে।
ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়
কোন কিছু করার ইচ্ছা থাকলেই তবে তা বাস্তবে রূপ লাভ করে। মানুষের জীবনে সকল কার্যক্রম নির্ভর করে ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর। ইচ্ছা ছাড়া কখনো কোনো কাজ ফলপ্রসূ হয় না। পৃথিবীর বুকে মানুষের জীবন সংগ্রামমুখর। প্রাত্যহিক জীবনে মানুষকে অতিক্রম করতে হয় নানা বাধা বিঘ্ন। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে মানুষকে পৌঁছাতে হয় কাংক্ষিত লক্ষে। জীবনের সাফল্যের পেছনে যেমন প্রয়োজন সংগ্রাম, তেমনি যেকোনো সংগ্রামে জয়ের জন্য প্রয়োজন অদম্য ইচ্ছাশক্তি।
ইচ্ছাশক্তি ছাড়া কোন সংগ্রামে জয়লাভ করা যায় না, কোন আকাঙ্ক্ষাই ফলপ্রসু হয় না। জীবনকে সার্থক সুন্দর করে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন সুন্দর পরিকল্পনা এবং শুধু ইচ্ছাশক্তি। ইচ্ছাশক্তি হচ্ছে অসাধ্যকে সাধন করার মূল মন্ত্র। মানুষের ইচ্ছাশক্তির কাছে পর্বত প্রমাণ বাধাও পদানত হতে বাধ্য। পৃথিবীতে যারা কীর্তিমান ,মহৎ এবং সফলকাম, তারা প্রত্যেকেই ছিলেন প্রবল ইচ্ছা শক্তির অধিকারী। এই ইচ্ছাশক্তির বলে তেনজিং হিলারি মানুষের কাছে অজিও বলে প্রতীয়মান পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এভারেস্ট সর্বপ্রথম জয়কারা নজির স্থাপন করেন।
আমেরিকার নভোচারী দল এই ইচ্ছাশক্তির বলে চাঁদে গমন করে বিশ্ববাসীকে চমকে দিয়েছিলেন। ভাই জীবনে স্বপ্নের বাস্তবায়ন এবং সংগ্রামে বিজয়ের জন্য প্রয়োজন ইচ্ছাশক্তি। সুদৃঢ় ইচ্ছা শক্তির কাছে পরাভূত হয় সকল বাধা বিঘ্ন। কোন কিছুর করার মানসিক ইচ্ছা যদি প্রবল হয়, তবে তা যতই দূরহ হোক না কেন একটা না একটা উপায় বের হবেই। ইচ্ছা শক্তি যার নেই তার মন অলস অবসন্ন।
আত্মশক্তি মানুষকে বড় করে, মহৎ করে এবং জীবনকে সুন্দর করে। ইচ্ছা থাকলে মানুষ লক্ষ্য অর্জনে সম্ভাব্য সব ধরনের বিকল্প সন্ধান করে। শেষ পর্যন্ত একটা উপায় সে খুঁজে পাই। সফলতা লাভের জন্য সকলেরই প্রবল ইচ্ছা ও উদ্যমী সহকারে কাজ করা প্রয়োজন। প্রবল ইচ্ছাশক্তি ছাড়া মানুষ কখনো বড় হতে পারে না।
রূপসী বাংলা
বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ হচ্ছে এক সৌন্দর্য তিলক। বাংলার প্রকৃতি অপরূপ সুন্দর। তাই এ দেশকে বলা হয় "রূপসী বাংলা"। বাংলার সৌন্দর্য সুষমায় বিদেশীরা পর্যন্ত মুগ্ধ হয়েছে। তাই তারা এদেশকে বলেছে "স্বর্গের দুয়ার"। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বৈচিত্র অসামান্য। এদেশের ভূমিরূপ নিসর্গ রাজির কোন তুলনা হয়না।
বাংলাদেশের দক্ষিণে রয়েছে নিঃসীম বঙ্গবসাগর। সাগর উপকূলজুড়ে রয়েছে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বনানী রাজি। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন বাংলাদেশের প্রকৃতির এক বিস্ময়। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র ও বাংলাদেশের ই। বাংলাদেশের কুয়াকাটা থেকে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দেখার বিরল অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়।
সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের কিছু উঁচু খেলা ছাড়া সারাটি দেশ কার্পেটের মত সমতল। গাজীপুর ও মধুপুরের রয়েছে শালবনের বিস্তার। অসংখ্য নদ-নদী, খাল বিল,হাওয় হাওর,এর প্রকৃতির সৌন্দর্য কে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। নদীর রূপালী জলের বুকে আলোর খেলা চোখ জুড়িয়ে দেয়। বিলে ঝিলে শাপলা শালুকের সমাহার কার না মন ভরিয়ে দেয়। পাখপাখালির কলকাকলি কতই না শ্রুতি মধুর। দিগন্ত জোড়া সবুজ মাঠে হাওয়ার হিল্লোল বাংলার বুকে স্বর্গ সুষমা এনে দেয়।
পৃথিবীর বুকে একমাত্র বাংলাদেশ ই ছয়টি ঋতুর আবহাওয়া দেখা যায়। প্রতিটি ঋতুর প্রকৃতিকে সাজায় আলাদা রূপে । গ্রীষ্মে, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত বসন্তের পালা বদল রূপসী বাংলার রুপকে আরো মনোহর করে তুলেছে।
কোরবানির সাদা মাংস
উপকরণ:-গরুর মাংস- ৫কেজি
পেঁয়াজ টুকরা আধা কেজি
আদা বাটা চার ভাগের এক কাপ
রসুন বাটা দুই টেবিল চামচ
তেজপাতা -৪টি
গরম মসলা বাটা দুই চা চামচ
লবণ দুই টেবিল চামচ
তেল আড়াই কাপ।
প্রণালী:-মাংস বড় খন্ড করে কেটে নিতে হবে। সবগুলা যেন চারকোনা করে একই সাইজ হয়।
তেল গরম করে পেঁয়াজ ছাড়তে হবে। হালকা বাদামি রং করে ভেজে নিতে হবে। মাংস ,আদা, রসুন ,তেজপাতা এবং লবণ দিয়ে দিতে হবে। মাঝে মাঝে নেড়ে মাংস জ্বাল দিতে হবে।
মাংস ভালোভাবে সিদ্ধ হলে মাংস থেকে পানি বের হবে, কিন্তু মাংস নরম হবে না ।এই অবস্থায় মাংস চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে।
গরমের দিনে প্রতিদিন ,শীতের দিনে একদিন অন্তর এবং রেফ্রিজারেটরে রাখলে সাত দিন অন্তর মনে রাখতে হবে । মাংস আদা সেদ্ধ হলে গরম মসলা দিতে হবে।
মাংস জ্বাল দিতে দিতে পানি শুকিয়ে তেল এর উপর উঠে আসবে এবং কিছু মাংস ভেঙ্গে ঝুরা হবে কিছু চাকা থাকবে। কোরবানির সাদা গোশত একমাস পর্যন্ত রাখা যায়।
শীতের সকাল
বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। প্রতিটি ঋতুই রঙে ওরূপে, ছন্দে ও সুরে স্বাতন্ত্র্যের অধিকারী। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ঋতুর আবর্তন এর মধ্যে প্রতিফলিত। গীষ্ম ,বর্ষা, শরৎ ,হেমন্ত, শীত ও বসন্ত এই ছয়টি ঋতুর তাপমাত্রা বৃষ্টিপাত বায়ুপ্রবাহের তারতম্যে একটি আরেকটি থেকে আলাদা।
বাংলাদেশের ঋতু চিত্রে শীতের সকাল ভিন্নধর্মী আবহে দৃশ্যমান। কুয়াশার আবরণ ও ঠান্ডার কম্পনে শীতের সকাল বাংলার গ্রাম ও নগর জীবনে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ধরা দেয়। শীতের সকালে কুয়াশার আবরণে ঢাকা থাকে রক্তিম সূর্য। টুপটাপ ঝরে পড়ে শিশির বিন্দু।
নাসের ডগায় , সর্ষের পাপড়িতে জমে থাকে রুপালি শিশির। লেপ কাঁথা ফেলে কেউ সহজে বাইরে বেরোতে চায় না। কুয়াশার অবগুন্ঠন ঠেলে যখন জ্বলে ওঠে বীরু সূর্য তখন ঝিমিয়ে পড়া জীবন প্রবাহ জেগে ওঠে মৃদু উত্তাপের আশায়। শীতের সকালে কর্মমুখর জীবনের এক ভিন্ন প্রবাহ লক্ষ্য করা যায়।
জীবিকার টানে কর্মজীবী মানুষ শীতকালের প্রচন্ড ঠান্ডা আর কুয়াশা উপেক্ষা করে পা বাড়ায় পথে। চাকুরীজীবী, জেলে-তাঁতী, কৃষক-শ্রমিক ,সবাই ছুটে নিজ নিজ কর্মস্থলে। শীতের সকালে গ্রাম-বাংলা-কুয়াশার আবরণে ঢাকা থাকে। মাঠ- প্রান্তর, গাছপালা সবই থাকে দৃষ্টির অগোচরে।
শীতের প্রকোপে কাপতে থাকে ছেলে বুড়ো সকলে। কাতা কম্বল চাদরের আবরণে সকলেই চেষ্টা করে নিজেকে জড়িয়ে রাখতে। অনেকে কর কুটুর নাড়ার কুন্ডলী জ্বেলে শীত নিবারণের চেষ্টা করে। গ্রামীণ জীবনে শীতের সকালে এক চিরপরিচিত দৃশ্য। খেজুরের রস শীতের সকালের এক সুমিষঠ পানীয়। শীতের সকালে নগরজীবনে ঢাকা পড়ে কুয়াশার চাদরে।
বাংলাদেশের জনজীবনে শীতের সকাল কষ্টকর হলেও এর মনোরম প্রভাবটুকু সবার কাছে উপভোগ্য।
বায়ু দূষণ
বায়ু ও প্রাকৃতিক পরিবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অপরিহার্য সম্পদ। বায়ু ব্যতীত জীবনধারণের কোন উপায় নেই। কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে ও মানব সৃষ্ট কারণে প্রতিনিয়ত বায়ু দূষিত হচ্ছে। প্রাকৃতিক ভাবে বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ ধূলিঝড়,দাবাগনি,আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত ইত্যাদি।
এসব ঘটনায় ধুলাবালি ও দোয়া বিষাক্ত গ্যাস বাতাসে মিশে বায়ুকে দূষিত করে। কলকারখানার ধোঁয়া, যানবাহনের দোয়া, ময়লা আবর্জনা থেকে নির্গত দুর্গন্ধ ও বায়ুকে দূষিত করে। যানবাহন ও কলকারখানার ধোঁয়ায় কার্বন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনো অক্সাইড, সালফার-ডাই-অক্সাইড সহ নানা ধরনের ক্ষতিকারক বায়বীয় পদার্থ থাকে।
বায়ুমন্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড যদি বেড়ে যায় তবে গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া ফলে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। কার্বন মনোক্সাইড রক্তের সঙ্গে মিশে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। সালফার ডাই অক্সাইড, নাইট্রিক অক্সাইড বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে 'এসিড রেইন' বা অম্ল বৃষ্টির সৃষ্টি করে উদ্ভিদ প্রাণী দালানকোঠা প্রকৃতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক।
ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ। বায়ুদূষণ মাথা ধরা , হাপানি, ব্রংকাইটিস, উচ্চ রক্তচাপ এমনকি ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বায়ু দূষণ বন্ধ করার জন্য উদ্ভিদ এর সংখ্যা বাড়াতে হবে এতে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
অন্যদিকে বায়ুতে যাতে দূষিত পদার্থ ও গ্যাস না মিশে তার ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্মল বায়ু সেবনের ব্যাপারে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখতে সকলকে সচেষ্ট হতে হবে।
মগজের কাটলেট
মগজ সিদ্ধ-১/২ কেজি
পাউরুটি কুচি -১/৪ কাপ
দুধ-১/৩ কাপ
ধনেপাতা -১টেবিল-চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া-১/৪ চা, চামচ
কাঁচা মরিচ-১টে, চামচ
জায়ফল গুঁড়া-১/৪ চা, চামচ
ময়দা-১/২কাপ
প্রণালী:-শিকদার মগজ ছুরি দিয়ে কিমা করে নিতে হবে।
পাউরুটির কুচি দুধে ভিজিয়ে রাখতে হবে। মগজ এর সঙ্গে পাউরুটি, গোলমরিচ, ধনেপাতা, লবণ, কাঁচামরিচ ও জায়ফল মিশাতে হবে।
মগজ দিয়ে ১ সেন্টিমিটার পুরো কাটলেট তৈরি করে নিতে হবে। এইবার মগজ এর কাটলেট ময়দায় গড়িয়ে নিতে হবে।
ফ্রাই প্যানে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে কাটলেট ৪ থেকে ৫ মিনিট এপিঠ ওপিঠ বাদামি রং করে ভেজে নিতে হবে।
হট চিলি সস অথবা টমেটোর সসের সাথে পরিবেশন করা যায় মগজের কাটলেট। মগজ এর কাটলেট গরম গরম খেতে খুবই মজা লাগে।
আপনারা চাইলে মগজের কাটলেট তৈরি করার সময় ব্রেডক্রাম ও ডিম ব্যবহার করতে পারেন। লাল রঙের ব্রেডক্রাম ব্যবহার করলে আরো বেশি আকর্ষণীয় লাগবে মগজের কাটলেট।
শিক কাবাব
মাংস -১কেজি
এলাচ বাটা -২টা
দারচিনি বাটা -২ টুকরা
লবঙ্গ বাটা -২ টি
আদা বাটা -২ চা চামচ
ধনে বাটা-২ চা চামচ
মরিচ বাটা -২চা চামচ
পেঁপে বাটা -১ টেবিল চামচ
লবণ -২ চা চামচ
বেসন চার ভাগের এক কাপ
তেল দুই ভাগের এক কাপ
শিক-৪টি।
প্রণালী: মাংস পাতলা লম্বা স্লাইস করে কেটে নিতে হবে। সব উপকরণ মিশিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। ২ টেবিল চামচ দই বা সিরকা মাখিয়ে চার থেকে ছয় ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে।
শিকে মাংস গেঁথে নিতে হবে। (কাঁথা সেলাইয়ের পুড় দিয়ে এক টুকরা মাংস শিখে তিনবার করে ঢুকাতে হবে। মাংস ঘন করে দিতে হবে।
কাঠ কয়লার আগুন তৈরি করে নিতে হবে। কয়লার আগুন যখন গনগন করবে ,তখন দু'ধারে ইটের উপর শিক বসিয়ে দিতে হবে। আগুন থেকে ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার উপরে দিতে হবে।
লক্ষ্য রাখতে হবে যেন মাংস না পোড়ে। মাঝে মাঝে শিক উল্টে দিতে হবে। ভিজানো মসলা মাঝে মাঝে মানুষের উপর মাখিয়ে দিতে হবে।
২০ থেকে ২৫ মিনিট পর মাংস সিদ্ধ আগুন থেকে মাংস নামিয়ে নিতে হবে।
পেঁয়াজ কাঁচামরিচ টমেটোর সালাদের সঙ্গে পরিবেশন করতে পারবে। আশা করি আমার এই রেসিপি ফলো করলে সুন্দর শিক কাবাব বানানো যাবে। শিক কাবাব গরম গরম পরোটা সাথে সালাদ দিয়ে খেতে অনেক মজা লাগে।
তেহারি
উপকরণ:- কালিজিরা চাল- ২ কাপ
গরুর মাংস-৫০০ গ্রাম
পেঁয়াজ তিনটা (কুচি)
পেঁয়াজ বাটা -৪ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া -২ চা-চামচ
আদাবাটা -৩টেবিল চামচ
আস্ত গরম মসলা- এলাচি' দারচিনি 'লবঙ্গ' গোলমরিচ প্রতিটি-৪টি করে।
গরম মসলার গুঁড়া -১ চা-চামচ
তেজপাতা-৪টি
কাঁচা মরিচ -১৪ থেকে ১৫টা
গোলমরিচ -১চা, চামচ
জয়ত্রী -১চিমটি
লবণ স্বাদমতো
তেল প্রয়োজনমতো
ফুটন্ত পানি প্রয়োজনমতো
প্রণালী:-গরুর মাংস ছোট টুকরা করে কেটে নিতে হবে। তেহারিতে হারসহ মাংস ব্যবহার করলে ভাল হয়।
গোলমরিচ আর জয়ত্রী দিয়ে পেঁয়াজ বেটে দিতে হবে। এরপর প্যানে তেল গরম করে অর্ধেক পরিমাণ গরম মসলা দিয়ে ফোড়ন দিতে হবে।
দুইটা পেঁয়াজ কুচি দিয়ে সোনালী করে ভেজে তাতে বাটা পেঁয়াজ দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। মরিচ গুড়া দুই টেবিল চামচ ,আদা বাটা, রসুন বাটা, তেজপাতা আর লবণ দিয়ে কষিয়ে মাংস দিয়ে দিতে হবে।
মাংসের পানি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত কষিয়ে তারপর গরম পানি দিয়ে ঢেকে মাংস সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করতে হবে। সিদ্ধ হয়ে গেলে গরম মসলার গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দমে রেখে দিতে হবে।
অন্য একটা প্যানে তেল গরম করে গরম মসলার ফোড়ন দিয়ে বাকি পেঁয়াজ সোনালী ( কিছুটা বেরেস্তার মতো করে) ভেজে নিতে হবে। তাতে বাকি আদা বাটা দিয়ে একটু কষিয়ে চাল দিয়ে ৪থেকে ৫ মিনিট ভেজে নিতে হবে।
পরিমাণমতো গরম পানি লবণ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। পানি আর চাল সমান হয়ে এলে রান্না করে রাখা গরুর মাংস দিয়ে কম আঁচে দমে রাখতে করতে হবে।
পানি শুকিয়ে গেলে আসত কাঁচা মরিচ গুলো ছরিয়ে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে আরো কিছুক্ষণ দমে রাখলেই তেহেরি তৈরি। তেহারি গরম গরম খেতে খুবই মজা লাগে। সাথে সালাত দিয়ে ও পরিবেশন করা যায়।
মেথি কারি
গরুর মাংস- ১ কেজি
পেঁয়াজ বাটা- ১/৩ এক কাপ
আদাবাটা -২ চা চামচ
রসুন বাটা-১ চা চামচ
হলুদ বাটা -২ চা চামচ
মরিচ বাটা- ২ চা চামচ
জিরা বাটা-২চা চামচ
ধনে বাটা ২ চা চামচ
দারচিনি-৩ টুকরা
তেজপাতা-২ টি
লবণ- ১ চা চামচ
তেল-১/২কাপ
মেথি-১/৪ চা চামচ
কারি মসলা-১ চা চামচ
মাংস টুকরা করে নিতে হবে। বাটা মসলা ,দারচিনি,তেজপাতা ১ টেবিল চামচ তেল এবং লবণ দিয়ে মাংস কষিয়ে নিতে হবে ।মাংস সিদ্ধ হওয়ার জন্য এক কাপ পানি দিতে হবে। ঢেকে মৃদু জালে রান্না করে নিতে হবে ।প্রয়োজন হলে মাংস সিদ্ধ হওয়ার জন্য আরো গরম পানি দেওয়া যাবে ।মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি শুকালে নামিয়ে নিতে হবে।
তিনটে পেঁয়াজ ও একটি রসুন কুচি করে নিতে হবে।
অন্য হাড়িতে তেল গরম করে মেথির ফোড়ন দিতে হবে। পেঁয়াজ ও রসুন কুচি দিয়ে বাদামি রং করে নিতে হবে। এবার সিদ্ধ মাংস দিয়ে কষিয়ে নিব। খুব ভুনা ভুনা করে কষাতে হবে। আধা কাপ গরম পানি দিয়ে একবার ফুটিয়ে নিতে হবে।
কারি মসলা ছিটিয়ে দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে। এই মেথিকারি তরকারি টা সাদা গরম ভাতের সাথে খেতে অনেক মজা লাগে। আশা করি আপনারা সবাই ট্রাই করবেন।
দশে মিলে করি কাজ,হারি জিতি নাহি লাজ
সকলে মিলেমিশে একসঙ্গে কাজ করার মধ্যেই সফলতা নিহিত। সকলে মিলে একসঙ্গে কাজ করলে সে কাজ এ ব্যর্থতা এলেও কোন লজ্জা নেই।
যেকোনো কাজ হাত দিলে তার ফলাফল সব সময় ইতিবাচক হবে তা নিশ্চিত ভাবে বলা যায় না। সাফল্য ব্যস্ততা কাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাফল্য-ব্যর্থতা যাই হোক কাজ করতে হবে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে। সকলে মিলেমিশে একসাথে কাজ করার মধ্যে আনন্দ আছে।
সম্মিলিতভাবে কাজ করলে অনেক কষ্টসাধ্য কাজও সহজে সম্পন্ন করা যায়। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মধ্যে আছে উৎসাহ এবং আনন্দ। সকলে মিলে কোন কাজ উদ্যোগী হলে সমাজের সকল মানুষের মধ্যে একতা, সম্প্রীতি এবং ভাতৃত্ববোধের সৃষ্টি হয়। সকলে মিলে কাজ করার মধ্যে রয়েছে বৃহৎ শক্তির সংযোগ।
এ ক্ষেত্রে ব্যর্থতার চেয়ে সফলতা সম্ভাবনা তাকে বেশি। তবে সকলে মিলে কোন কাজ করতে গিয়ে তাতে যদি ব্যর্থতা আসে সে ক্ষেত্রে লজ্জাবোধ তেমন তীব্র হয় না। কারণ সমবেত কাজের জয়ের আনন্দ যেমন সকলের তেমনি পরাজয়ের গ্লানি ও সকলে ভাগ করে নেয়। ব্যক্তিবিশেষ হীনমন্যতায় ভোগার সুযোগ এখানে নেই। এই পরাজয়ের জন্য এককভাবে কেউ নিন্দিত হয়না।
পক্ষান্তরে একক ভাবে কোন কাজ করতে গেলে অনেক ক্ষেত্রে মনে নানা দ্বিধা দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়, লজ্জা ভাব জাগ্রত হয়। উপরন্তু একক কাজের ব্যর্থতার গ্লানি এককভাবে নিজেকেই বহন করতে হয়। একক ব্যর্থতাই অনেক সময় মনে হতাশা ও নৈরাশ্যের সৃষ্টি হয়। তবে সকলে মিলে কোন কাজ আন্তরিকতার সাথে করলে ব্যর্থতার সম্ভাবনা খুবই কম। কথায় আছে," Two head are better than one". কাজেই মহৎ এবং বৃহৎ কাজের জন্যে সঙগবদধ প্রচেষ্টায় শ্রেয়।
আদানা কাবাব
মাংসের কিমা-৫০০ গ্রাম
পেঁয়াজ-১০০ গ্রাম
কাঁচা মরিচ-৪টি
পাউরুটি-২ স্লাইস
গোলমরিচ-১০টি
এলাচ-৩টি
দারচিনি-১টুকরা
লবঙ্গ-২টি
জিরা-১চা, চামচ
ধনে-১চা, চামচ
আদা বাটা-১চা, চামচ
রসুন বাটা-১চা, চামচ
ধনেপাতা কুচি-২টে, চামচ
তেল ভাজার জন্য।
পেঁয়াজ মোটা করে কুচি করে নিতে হবে। কাঁচা মরিচ মিহি কুচি করে নিতে হবে। অন্যান্য গোটা মসলা গুড়া করে দিতে হবে। পাউরুটি পানিতে ভিজিয়ে নিংড়ে নিতে হবে।
মাংসের কিমা তারের ছাকনিতে নিয়ে অথবা কাপড়ে নিয়ে চেপে চেপে অতিরিক্ত পানি বের করে নিতে হবে। কিমার সাথে লবন মিশিয়ে দিতে হবে।
একটি গামলায় তেল বাদে সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে ১৫ থেকে ২০ ভাগ করে নিতে হবে।
প্রত্যেক ভাগ কিমা গোল করে চ্যাপ্টা করে নিতে হবে। ফ্রাইপেনে বা তাওয়াই অল্প তেলে ভেজে নিতে হবে। দুই পিঠ হালকা ভেজে নিতে হবে যেন কাবাব নরম থাকে অতিরিক্ত ভাজলে কাবাব শক্ত হয়ে যাবে।
সালাত সহজ অথবা চাটনির সঙ্গে কাবাব পরিবেশন করা যায়। আমার তো পরোটা নান রুটি দিয়ে কাবাব খেতে অনেক ভালো লাগে।
নান রুটি
উপকরণ:-ময়দা- ৫০০গ্রাম ,বেকিং পাউডার -১চা চামচ ,ইস্ট-২ চা,চামচ, তরল দুধ পৌনে-১কাপ,(কুসুম গরম), টক দই- আধা কাপ, লবণ-১চা, চামচ, চিনি -১ টেবিল চামচ, তেল-২টেবিল চামচ, মাখন- ১ টেবিল চামচ, রসুন কুচি -২ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি-২টে, চামচ, ডিম-১টি।
প্রণালী:-কুসুম গরম দুধের সঙ্গে ইষ্ট আর চিনি মিশিয়ে ১৫মিনিট রাখতে হবে। টক দই আর ডিম একসঙ্গে ফেটিয়ে রেখে দিতে হবে।
তারপর ময়দা, বেকিং পাউডার আর লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে ছেলে নিতে হবে। এই মিশ্রণের মাঝে হালকা গর্ত করে দুধ ,চিনি ,ইস্ট এর মিশ্রণ আর দই ডিম এর মিশ্রন মিশিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে।
এবার তেল আর গলানো ঘি দিয়ে মিশিয়ে আবারো মেখে নিতে হবে। মসৃণ করে মাখা হয়ে গেলে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে কোন গরম সথানে এক ঘন্টার জন্য খামীরটা রেখে দিতে হবে।
খামির ফুলে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে। তখন আবারও একটু মেখে আরো ১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিতে হবে।
তারপর লেচি কেটে গোল বা ডিম্বাকার নান বানিয়ে 180° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্রি-হিট ওভেনে ৭থেকে ৮ মিনিট বেক করে নামিয়ে নিতে হবে।
যদি সাদামাটা নান ভালো না লাগে তাহলে নানের উপরে মাখন ব্রাশ করে অনায়াসে বাটার নান বানিয়ে ফেলতে পারেন। যদি আরো একটু ভিন্নতা আনতে চান তাহলে নান ওভেনে দেওয়ার সময় উপরে রসুন কুচি আর ধনেপাতা ছড়িয়ে দিন ।তারপর বেকিং শেষে হালকা করে একটু মাখন ছরিয়ে দিয়ে তৈরি করে ফেলতে পারেন গার্লিক নান।
বাসায় ওভেন না থাকলে কোন সমস্যা নেই। চুলাই ও নান রুটি বানানো সম্ভব। সে ক্ষেত্রে নান রুটির একপাশে পানি মেখে তাওয়াই দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পরে তুলে নিয়ে অপরের দিকটা চুলায় দিয়ে একটু সেকে নিলে নান রুটি তৈরি।
ইন্টারনেট
আজকের দিনে তথ্যপ্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ইন্টারনেট। তথ্য প্রবাহ ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট বিস্ময়কর বিপ্লব বয়ে এনেছে। ইন্টারনেট আসলে ডিভাইস কেন্দ্রিক বিশ্ব যোগাযোগের একটি অভিন্ন ক্ষেত্র।
ইন্টারনেট একটি জটিল যোগাযোগ জাল। এর সাধারণ পরিচয় ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্ক। বিশ্বের অসংখ্য নেটওয়ার্ক কে ইন্টারনেট সংযুক্ত করেছে বলে একে বলা হয় নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক। ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু ১৯৬৯ সালে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পারমাণবিক যুদ্ধ হামলা সম্পর্কিত তথ্য আদান প্রদানের লক্ষ্যে "আমেরিকান ডিফেন্স নেটওয়ার্ক "নামে এবছর একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
গত শতাব্দীর আশির দশকের শেষ ভাগে এই তথ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা কি সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এরপর খুব দ্রুতই ইন্টারনেট সারাবিশ্বে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। প্রযুক্তির ক্রয়মূল্য থেকে বিশেষ করে কম্পিউটারের উন্নতির ফলে ইন্টারনেট বিশ্বের সর্বত্র জনপ্রিয়তা লাভ করে। ইন্টারনেট মূলত মুহূর্তের মধ্যে অগণিত ব্যবহারকারীকে পরস্পর সংযুক্ত করে এবং তথ্য-উপাত্ত বিনিময়ের সুযোগ করে দেয়। ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সবার আগে প্রয়োজন হয় কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংক্রান্ত সফটওয়্যার ও ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এর ব্রডব্যান্ড লাইনের সংযোগ বা মডেম।
আজকাল মোবাইল ফোনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে ব্যবসা বাণিজ্য, ব্যক্তিগত, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ১ বিপ্লব সাধিত হয়েছে। তবেবে এর মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি ও মিথ্যা তথ্য যেমন ছড়ানো হয় তেমনি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ক্ষুন্ন হয়।
তাজ কাবাব
মাংস-১কেজি
পেঁপে বাটা-১টে, চামচ
আলু-৪টি
টমেটো-৪টি
পেঁয়াজ-৮টি
সিরকা-১টে, চামচ
লবঙ্গ -২টি
শূকনো মরিচ-৪টি
তেল-৩/৪ কাপ
রসুন বাটা-১/২চা, চামচ
জিরা বাটা-২চা, চামচ
গোলমরিচ বাটা-১/২চা, চামচ
পোস্তর দানা বাটা-১চা, চামচ
দারচিনি-৪ টুকরা
হলুদ বাটা-১ চা চামচ
মরিচ বাটা-১চা, চামচ
আদা বাটা-২চা, চামচ
লবণ স্বাদমতো।
মাংস স্লাইস করে কেটে সামান্য ছেঁচে পেঁপে বাটা মিশিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিতে হবে।
আলু, টমেটো, পেঁয়াজ গোল স্লাইস করে কেটে নিতে হবে।
মাংসে লবণ, সিরকা, সব মসলা ও তেল দিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে।
একটি সসপ্যানে কিছু তেল মেখে নিতে হবে। কিছু মাংস বিছিয়ে দিতে হবে। তার ওপর আলো টমেটো পেঁয়াজ বিছিয়ে দিতে হবে ।এভাবে মাংস সবজি দুই তিন স্তরে সাজিয়ে দিতে হবে ।
ঢাকনা দিয়ে অল্প আঁচে তিন চার ঘন্টা রান্না করে নিতে হবে। ঢাকনা তোলা বা নাড়া যাবে না।
মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে তেল উপরে উঠলে নামিয়ে নিতে হবে। এটা গরম গরম প্রকার সাথে খেতে খুব মজা হবে।
লোভে পাপ ,পাপে মৃত্যু
লোভ মানুষকে পাপ কাজে পরিচালিত করে। লোভ কে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে তা একদিন এমন পাপে নিমজ্জিত করে যে মৃত্যুকেও ডেকে আনতে পারে।
লোভ মানব চরিত্রের চরিত্রের একটি কু প্রবৃত্তি। নিজের ভোগের জন্য কোন কিছু লাভ করার যে দুর্দমনীয় বাসনা তাই হচ্ছে লোভ। অতিরিক্ত লোভ মানুষের জীবনের সর্বনাশ ডেকে আনে। লোভের সীমাহীন তাড়না মানুষকে বিবেকহীন করে তুলে। এই লোভ যে কেবল বস্তুগত প্রাপ্তির সাথে সম্পর্কিত তা নয়।
ক্ষমতা, খ্যাতি, প্রশংসা মানুষের কিসে নেই লোভ? লোভের মোহ মানুষকে অন্ধ করে দেয় এবং নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে অসদুপায় অবলম্বন করতে প্ররোচিত করে। এভাবে লোভ মানুষকে অধঃপতনের দিকে ধাবিত করে, ঠেলে দেয় ধ্বংসের পথে। তাই লোভ মানুষের মারাত্মক এক শত্রু। লোভের পরিনাম অতিশয় ভয়াবহ। লোভ ধাবিত করে পাপের দিকে, আর পাপের ফলশ্রুতি ধ্বংস। ধ্বংস মানে মৃত্যু।
লোভ মানুষের মনে এমন এক মোহ বিস্তার করে যে তখন মানুষ সত্য ও বিয়াই কে ভুলে যায়। অনেকেই লোভের বশবর্তী হয়ে ভুলে যায় তার সম্ভাব্য খারাপ পরিণতির কথা। অর্থবিত্ত ,ধন-সম্পদ ,ক্ষমতার মোহে সে তখন পাপাচারে লিপ্তহয়। সততা, বিবেক, ন্যায়বোধ তখন তার কাছ থেকে দূরে সরে যায়। এভাবে লোভ ও পাপাচার মানুষের জীবনকে বিপদাপন্ন করে তুলে।
লোভ পাপের জন্ম দেয় লোককে বর্জন করতে না পারলে ধীরে ধীরে তা প্রবল হয়ে বিপদ ও মৃত্যুকে ডেকে আনে। নির্লোভ না হলে জীবনে সুন্দর ও মহৎ হওয়া যায়না।
মাংসের কালিয়া
মাংস-১কেজি
তেল-১/২কাপ
পেঁয়াজ বাটা-১/৪ কাপ
আদা বাটা-১টে, চামচ
রসুন বাটা-২টে, চামচ
হলুদ বাটা-১ চা, চামচ
মরিচ বাটা-১ চা চামচ
জিরা বাটা-২চা, চামচ
ধনে বাটা-২চা, চামচ
গোলমরিচ বাটা-১/২চা, চামচ
দারচিনি-২ টুকরা
এলাচ -৩টি
তেজপাতা -১টি
আলো- আধা কেজি।
মাংস টুকরা করে ধুয়েয়ে নিতে হবে। আলো বাদে ১/২ কাপ তেল ও সব উপকরণ মাংসে দিয়েয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে। মাংসে সমান পানি দিয়ে চুলায় দিতে হবে।পানি শুকিয়ে মাংস সিদ্ধ হয়ে এলে কষিয়ে নিতে হবে।
আলু খোসা ছাড়িয়ে 2 টুকরা করে নিতে হবে। বাকি তেলে আলু অল্প ভেজে নিতে হবে।
মাংসে আলু দিয়েয়ে আরো কষিয়ে নিতে হবে। কিন্তু লক্ষ্য রাখতে হবে মাংস ও আলু যেন ভেঙ্গে না যায়। মাংস থেকে ভুনা গন্ধ বের হলে এবং হাঁড়িতে লেগে উঠলে আলু ও মাংস ডুবে এমন আন্দাজ গরম পানি দিতে হবে। হাঁড়ির মধ্যে কষাবার সময় যে মসলা লেগেছিল তা পানি দিয়ে ছাড়িয়ে নিতে হবে। ঢেকে মাঝারি আছে ৮ থেকে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। আলু সিদ্ধ হলে মৃদু আছে কিছুক্ষণ দমে রাখতে হবে।
সাদা পোলাও ও সালাদের সাথে কালিয়া খেতে খুব মজা। এটা আপনারা সবাই ট্রাই করতে পারেন। আশা করি খেতে অনেক ভালো লাগবে।