read.cash Log in
A@Aysha-Aysha

বায়ু দূষণ

বায়ু ও প্রাকৃতিক পরিবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অপরিহার্য সম্পদ। বায়ু ব্যতীত জীবনধারণের কোন উপায় নেই। কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে ও মানব সৃষ্ট কারণে প্রতিনিয়ত বায়ু দূষিত হচ্ছে। প্রাকৃতিক ভাবে বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ ধূলিঝড়,দাবাগনি,আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত ইত্যাদি।

এসব ঘটনায় ধুলাবালি ও দোয়া বিষাক্ত গ্যাস বাতাসে মিশে বায়ুকে দূষিত করে। কলকারখানার ধোঁয়া, যানবাহনের দোয়া, ময়লা আবর্জনা থেকে নির্গত দুর্গন্ধ ও বায়ুকে দূষিত করে। যানবাহন ও কলকারখানার ধোঁয়ায় কার্বন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনো অক্সাইড, সালফার-ডাই-অক্সাইড সহ নানা ধরনের ক্ষতিকারক বায়বীয় পদার্থ থাকে।

বায়ুমন্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড যদি বেড়ে যায় তবে গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া ফলে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। কার্বন মনোক্সাইড রক্তের সঙ্গে মিশে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। সালফার ডাই অক্সাইড, নাইট্রিক অক্সাইড বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে 'এসিড রেইন' বা অম্ল বৃষ্টির সৃষ্টি করে উদ্ভিদ প্রাণী দালানকোঠা প্রকৃতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক।

ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ। বায়ুদূষণ মাথা ধরা , হাপানি, ব্রংকাইটিস, উচ্চ রক্তচাপ এমনকি ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বায়ু দূষণ বন্ধ করার জন্য উদ্ভিদ এর সংখ্যা বাড়াতে হবে এতে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকবে।

অন্যদিকে বায়ুতে যাতে দূষিত পদার্থ ও গ্যাস না মিশে তার ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্মল বায়ু সেবনের ব্যাপারে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখতে সকলকে সচেষ্ট হতে হবে।

1 comment

Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.