read.cash Log in

@Aysha-Aysha

Joined 11 July 2020 · 72 posts

120 KT

0 KT · 1¢ received · 0 KT given

Posts

A@Aysha-Aysha

অর্থই অনর্থের মূল জীবন ধারণের জন্য অর্থের প্রয়োজন অননস্বীকার্য। অর্থ জীবনের প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ হলেও তা কখনো বিপর্যয় বয়ে আনে। অর্থের অনর্থ ঘটানোর ক্ষমতা মোটেই উপেক্ষার নয়। মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে অর্থ অতিশয় কাম্য বস্তু। আধুনিক জীবনের অর্থ ছাড়া এক মুহূর্ত টিকে থাকা যায় না। অর্থেও কল্যাণেই কেন্দ্র করেই মানুষ তার জীবনকে সুখ সম্পদে ভরিয়ে তুলতে পারে। অর্থ এমন এক জিনিস যা না থাকলে কারো কাছে দাম পাওয়া যায়না। দরিদ্র লোকের মূল্য সমাজের আছে নেই,স্বজাতির কাছে নেই ,এমনকি স্ত্রী সন্তানের কাছেও নেই। অর্থ না থাকলে রাজাইও চিনে না। জগতে চলছে অর্থের খেলা। তার পরেও অর্থের অনিষ্ট ঘটানোর ক্ষমতা কে অগ্রাহ্য করা যায় না। আসলেই অর্থই সকল সুখের মূল। কারণ জগতে যত কিছু অঘটন ঘটে থাকে তার মূলে রয়েছে অর্থ। অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে সম্পদশালী হওয়ার জন্য মানুষ নানা রকম অন্যায় ও অপকর্ম করতে দিদা ভূত করে না। শোষণ নির্যাতন ও বঞ্চনার মাধ্যমে অনেকেই শক্তিশালী হতে চাই। অর্থর জন্য মানুষ নিয়ে ন্যায় নীতি মিনিটে বিসর্জন দিতেও কুন্ঠিত হয় না। এর কুহকে পরে অনেক সাধু ব্যক্তি অসাধু হচ্ছে। ভাইয়ে ভাইয়ে কলহ চলছে অর্থ নিয়ে। অর্থনৈতিক কারণে পৃথিবীব্যাপী চলছে লুনঠন চলছে যুদ্ধ আর প্রাণঘাতী সংঘাত। অর্থের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার না করে ও বলা যায় জীবনে অর্থই শেষ কথা নয়। অর্থের মোহে কখনোই নীতি ও বিবেক বিসর্জন দেওয়া উচিত নয়।

+2 more

A@Aysha-Aysha

শাষলি মাছ মাছ-১/২কেজি লেবু-১টি পেঁয়াজ-৪টি কাঁচা মরিচ-৬টি টমেটো-৩টি মরিচ বাটা-১/৪চা, চামচ সরিষা বাটা-১/৪চা, চামচ রসুন বাটা-১/৪চা, চামচ আদা বাটা -১/৪ চা, চামচ তেল-২চা, চামচ টমেটো সস-২চা, চামচ ঊষটার সস-২চা, চামচ লবন পরিমাণ মত কাঠি ৯ সেন্টিমিটার লম্বা-১০-১২টি যে কোন বড় মাছের পিঠের অংশ কাটা ছাড়িয়ে দুই সেন্টিমিটার চৌকা টুকরা করে নিতে হবে। মাছ ধুয়ে লেবুর রস ও লবণ মাখিয়ে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। পেঁয়াজ লম্বায় দুই টুকরা করে ভাজ ছাড়িয়ে রাখতে হবে। কাঁচা মরিচ লম্বায় দুই ভাগ করে নিতে হবে।টমেটোর বিচি ফেলে পেঁয়াজের সমান টুকরা করে নিতে হবে। অন্যান্য কাটা মসলা তেল ,সস ও লবণ একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে ।মাছ দিয়ে মাখিয়ে ১০থেকে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। কাঠিতে মাছ পেঁয়াজ, টমেটো, মরিচ পরপর গেতে দিতে হবে ১০ থেকে বারোটি কাটিতে মাছ গিতে নিতে হবে। ফ্রাইপেনে ছ্যাকা তেলে ভেজে তুলতে হবে। আশা করি আপনাদের সবার এই রেসিপিটা ভালো লাগবে ।বিশেষ করে বাচ্চাদের খুব পছন্দ এই ফিস সাসলিক।

+1 more

A@Aysha-Aysha

এডিস মশা ঢাকা শহরের সবচেয়ে ঘনবসতি পূর্ণ এলাকাগুলোর অন্যতম মালিবাগ মগবাজার এলাকা। নানা কারণে এই এলাকার মানুষের মধ্যে সাম্প্রতিক কালে ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ বেশি। ইদানিং প্রায় প্রতিটি ঘরে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। কিন্তু জ্বরের মূল কারণ যে এবিসি মশা তা নিধনের কোন উদ্যোগ ই পরিলক্ষিত হচ্ছে না। ফলে এলাকার লাখ লাখ মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে আছে। আমরা সবাই জানি ডেঙ্গু জ্বর হয় এডিস মশার কারণে। আর এই মশার বসবাস ও বংশবিস্তার এর স্থান আবদ্ধ পানি। বিশেষ করে স্বচ্ছ পানির আঁধারে ডিম পাড়ে এরা। আর আমরা যে এলাকায় বসবাস করি সেখানে এই মশা বংশ বিস্তারের জন্য প্রচুর উৎস রয়েছে। হাতিরঝিল প্রকল্প শহরের সৌন্দর্য বর্ধন করার সাথে সাথে মসক উৎপাদন এও ভূমিকা রয়েছে। শুকনো মৌসুমী হাতিরঝিলের মজানো দুর্গন্ধময় পানি মানুষের জন্য বিড়ম্বনার কারণ। বেগুনবাড়ি ,তেজগাঁও, নয়াটোলা, মধুবাগ, রামপুরার বিশাল এলাকায় এখন মশার যন্ত্রণায় চরমে পৌঁছেছে। রেলপথের উপর ডাবের খোসাসহ পানি আটকে থাকার মত প্রচুর মসক উৎস ছড়িয়ে ছিটিয়েয়ে রয়েছে। যা পরিচ্ছন্ন কর্মীরা কোনদিন সরাই না। রেলওয়ে বস্তি পুরোটাই পচা পানির জলাশয় এর উপর তৈরি। এখানে অবলীলায় মশার উৎপাদন হচ্ছে। মশকের এই বিস্তার সহায়ক পরিবেশ ই মূলত ডেঙ্গু রোগ ছড়াচ্ছে। গণস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য মশক নিধন শুধু নয় মশা উৎপাদনের উৎসগুলো সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা জরুরী।

+1 more

A@Aysha-Aysha

মিট পাই ঘি বা মাখন -২টেবিল চামচ ময়দা -৩টেবিল চামচ দুধ -২কাপ মাংস সিদ্ধ টুকরো-২কাপ মাংস এর সিদ্ধ পানি-১/৪কাপ উস্টার সস -১চা, চামচ আলু সিদ্ধ টুকরো-৩/৪কাপ গাজর, সিদ্ধ টুকরো-১/২কাপ মটরশুটি-১/২কাপ পেঁয়াজ কুচি-১/২কাপ সয়াবিন তেল-২টে, চামচ পাইপেসটি ১৮ সে, মিটার-১টি মাখন গলিয়ে ময়দা দিয়ে ভাজতে হবে। দুধ দিয়ে নাড়তে হবে।ফুটে উঠলে নামিয়ে নিব। তেলে পেঁয়াজ ভাজতে হবে, বাদামি করতে হবে না ।পেষ্টি বাদে অন্যান্য সব উপকরণ লবণ ও গোলমরিচের গুড়া দিয়ে নেড়ে মাংস দিয়ে দিতে হবে। পাই এর পাত্রে ঢেলে উপরে, পা ইপেষ্টি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। গরম বাষ্প বের হওয়ার জন্য পাইপেষটির উপরে ছুরির আগা দিয়ে দাগ কেটে দিতে হবে। ওভেনে 220 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ১৬মিনিট অথবা বাদামি না হওয়া পর্যন্ত বেক করতে হবে।

A@Aysha-Aysha

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল সুখময় জীবন যাপনে স্বাস্থ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। সুস্বাস্থ্য এক অমূল্য সম্পদ ,সুখের অমেয় উৎস।দেহ-মনের স্বাভাবিক অবস্থা নাম ই স্বাস্থ্য । কথাই আছে-"Health is the root of all happiness." জীবনের সকল প্রকার সুখের মূলে রয়েছে স্বাস্থ্যের অবদান। সুস্বাস্থ্য এর উপর নির্ভর করে জীবন এর সুখ শান্তি,হাসি আনন্দ। মূলত সুখী সুন্দর জীবন যাপন এর পূর্ব শর্ত ই হচ্ছে স্বাস্থ্য।সকলেই চাই সুখী সুন্দর জীবনযাপন। কিন্তু স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে সুন্দর জীবন যাপন করা সম্ভব নয়। তখনই জীবনে নেমে আসে অশান্তির কালো ছায়া। সম্পদ বলতে আমরা টাকা পয়সা, মূল্যবান বস্তু ,ব্যবহার্য সামগ্রী এগুলো কে বুঝি। কিন্তু মানবজীবনের প্রকৃত সম্পদ হচ্ছে সুস্বাস্থ্য। স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে অর্থ বিত্ত, জ্ঞান গরিমা সবকিছু ই অর্থহীন মনে হয়। সম্পদশালী স্বাস্থ্যহীন লোকের চেয়ে ,সম্পদহীন স্বাস্থ্যবান লোক অনেক বেশি সুখী। স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি কর্মঠ, উদ্যমী, সহিঞ্চু, অধ্যবসায়ী এবং প্রাণচঞ্চল হয়ে থাকে। তাই জীবনে সম্পদ আহরণ, আনন্দময় জীবন উপভোগ এবং জ্ঞানের চর্চার জন্য ও প্রয়োজন সুন্দর স্বাস্থ্য। সুতরাং স্বাস্থ্য যে সকল সুখের মুল এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। সুখি সমৃদ্ধ জীবন গড়ে তুলতে সকলের ই স্বাস্থ্য সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

+1 more

A@Aysha-Aysha

গরুর খিচুড়ি উপকরণ:- কালিজিরা চাল - দেড় কাপ গরুর মাংস- ৫০০ গ্রাম মসুর ডাল-১কাপ পেঁয়াজ-৪টা হলুদ গুঁড়া-দেড় চা, চামচ মরিচ গুঁড়া -দেড় টে, চামচ জিরা গুঁড়া-২টে, চামচ রসুন বাটা-১টে, চামচ আদা বাটা-২টে, চামচ আস্ত গরম মসলা-পতিটা ৪টা করে তেজপাতা-৪টি কাঁচা মরিচ-১০-১২টি লবণ স্বাদমতো তেল-১কাপ ফুটন্ত গরম পানি-পয়োজনমত প্রণালী:-প্রথমে গরুর মাংস টা রান্না করে নিতে হবে।সে জন্য প্যানে তেল গরম করে আস্ত গরম মসলা ফোড়ন দিয়ে তারপর পেঁয়াজ দিয়ে সোনালী করে ভেজে নিতে হবে। তাতে অর্ধেক পরিমাণ মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, আদা রসুন বাটা,লবন আর তেজপাতা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে মাংস দিয়ে দিতে হবে। মাংস এর গায়ের পানি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত কষাতে হবে। অল্প গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিয়ে মাংস সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করতে হবে। গরম মসলা গুঁড়া ছড়িয়ে দিয়ে ঢেকে দমে রাখতে হবে ওপরে তেল উঠে না আসা পর্যন্ত।অন্য একটি প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ সোনালি করে ভেজে তাতে বাকি মসলা দিয়ে কষিয়ে চাল দিয়ে দিতে হবে। চাল কিছুক্ষণ ভেজে ফুটন্ত পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। পরিমাণ মত লবণ দিয়ে দিতে হবে। কিছুক্ষণ পর চাল আর পানি একসমান হয়ে এলে ডাল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।প্যানেল নিচে যাওয়া দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে দমে বসিয়ে দিতে হবে।৫-৭মিনিট পর ঢাকনা সরিয়ে রান্না করে রাখা মাংস আর কাঁচা মরিচ দিয়ে হালকা হাতে নেড়ে দিতে হবে। আবার ও ঢাকনা দিয়ে দমে রাখতে হবে। তারপর সালাদ আর আচার দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

A@Aysha-Aysha

বার্মিজ ভেজিটেবল কারি সবজি-৫00 গ্রাম পেঁয়াজ স্লাইস-৪টা রসুন স্লাইস-৬কোষ কাঁচা মরিচ-৪টি শুকনো চিংড়ি পেষ্ট-২চা, চামচ সয়াবিন তেল-৪টে, চামচ শুকনো চিংড়ি গুঁড়া-৩টে, চামচ চিকেন স্টক বা পানি-২কাপ সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ,লবন বর্ষার সবজি: পটল, চিচিঙ্গা, পেঁপে, চালকুমড়া, বরবটি, বেগুন। শীতের সবজি: ফুলকপি,লাউ, মটরশুটি,সিম, বেগুন,মুলা। বিভিন্ন রকম সবজি মিশিয়ে ৫০০ গ্রাম নিতে হবে। ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে সবজি ভাজির মত কুচি করে কেটে নিতে হবে। কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ দিয়ে নাড়তে হবে। পেঁয়াজ নরম হলে রসুন, কাঁচা মরিচ, চিংড়ি পেষ্ট ও চিংড়ি গুঁড়া দিয়ে ২মিনিট নাড়তে হবে। সবজি দিয়ে তিন মিনিট মাঝারি আঁচে নেড়ে নেড়ে ভাজতে হবে। পানি বা চিকেন স্টক দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।১০ মিনিট ফুটিয়ে তুলতে হবে। লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে দিতে হবে। সবজি সিদ্ধ হবে কিন্তু একেবারে গলে যাবে না। এই রেসিপি টা আশাকরি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। আপনাদের ভালো লাগলে আমার শিখার কষ্ট টা সার্থক হবে।

A@Aysha-Aysha

ভিয়েতনামিজ নুডুলস স্যুপ গরুর সিনার হাড়-১কেজি গরুর মাংস-৩৫০ গ্রাম পানি-৭ কাপ আদা কুচি-১চা, চামচ গোলমরিচ ১/২চা, চামচ ধনেপাতা অঙ্কুরিত ডাল-২৫০ গ্রাম পেঁয়াজ কুচি-২টি নুডুলস-২৫০ গ্রাম ফিশ সস,সিলি সস গরুর হাড়, মাংস, পানি, পেঁয়াজ, আদা, গোলমরিচ বড় সসপ্যানে দিতে হবে। ঢেকে ৪-৫ ঘন্টা সিদ্ধ করে নিতে হবে। পরিমাণ মতো ফিশ সস বা লবণ দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। হাড় থেকে মাংস আলাদা করে নিতে হবে। সিদ্ধ মাংস স্লাইস করে কেটে নিতে হবে। অঙ্কুরিত ডাল ফুটানো পানিতে ১ মিনিট রেখে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। সুপেয় আলাদা বাটিতে মাংস, অঙ্কুরিত ডাল নুডুলস এবং পেঁয়াজ কুচি নিয়ে উপরে হাতা দিয়ে গরম স্যুপ দিতে হবে।সুপের সাথে ফিশ সস,চিলি সস,, ধনেপাতা কুচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

+1 more

A@Aysha-Aysha

মুকুট পরা শক্ত, কিন্তু মুকুট ত্যাগ করা আরো কঠিন। সমাজ ও রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেওয়া সৌভাগ্যের ব্যাপার। কিন্তু নেতৃত্ব সহজে লাভ করা যায় না। আবার বহু লাভ করা নেতৃত্ব ত্যাগ করা আরো বেশি কঠিন। সবাই সমাজকে নেতৃত্ব দানের আশা পোষণ করে।কারন দেশ ও জাতিকে নেতৃত্ব দিতে পারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্মান এর বিষয়। যদিও নেতৃত্ব এর গুন সবার থাকে না।এটি বলতে গেলে একটা ঐশ্বরিক দান। বস্তুত নেতৃত্ব এর আসনে বসা অত্যন্ত কঠিন একটা কাজ। জনগণের সাথে দীর্ঘদিন কাজ করে ও তাদের জন্য আত্ম ত্যাগ স্বীকার করে ই কেবল তাদের আস্থা লাভ করা যায়। আধুনিক কালে ক্ষমতায় সমাসীন হবার জন্য নির্বাচন এ জিততে হয়। কিন্তু নির্বাচনে জয়ী হয়ে রাষ্ট্রে ও সমাজের নেতৃত্বের আসীন হওয়া বা মাথায় মুকুট পরা ছেলে খেলা নয়। দায়িত্ব এর ভারে সবসময় ক্লান্ত থাকতে হয়। জনগণের রায় পাওয়া সৌভাগ্যের বিষয় হলেও আসল পরীক্ষা টি দিতে হয় ক্ষমতায় আরোহণ এর পর। ক্ষমতাসীন হবার পর অর্পিত দায়িত্ব পালন এ সবাতবক চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি নিবেদিত থাকাই যে কোন সচেতন মানুষের কাজ।উচ্চ পর্যায়ের ব্যাক্তি বর্গ কেবল নয়,যে কোন দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যাক্তিকেই নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তাই এখন থেকেই আমাদের সচেতন থাকতে হবে ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে। নিজেদের আরো কঠিন হতে হবে।

A@Aysha-Aysha

ভুনা শালগম শালগম-১টি পালং শাক-১/২ কেজি টমেটো,বড়-১টি সয়াবিন তেল-২টে, চামচ আদা কুচি-১/২টে, চামচ পেঁয়াজ কুচি-২টি রসুন কুচি-১চা, চামচ মরিচ বাটা-১/২ চা, চামচ এলাচ-২টি দারচিনি-১টুকরো শালগম খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিতে হবে। সমান সমান পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। ভালভাবে সিদ্ধ হয়ে গেলে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। পালং শাক ধুয়ে কুচি করে কেটে নিতে হবে। ঢেকে মৃদু আঁচে সিদ্ধ করে নিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে নামিয়ে নিতে হবে। টমেটো টুকরো করে নিতে হবে। এলাচ ও দারচিনি গুঁড়া করে নিতে হবে। তেল গরম করে আদা কুচি ছাড়তে হবে তেলে। পেঁয়াজ ও রসুন দিয়ে বাদামী রং করে ভেজে নিতে হবে। টমেটো দিয়ে ২মিনিট ভাজতে হবে। শালগম দিয়ে আবারো ভাজতে হবে। পালং শাক দিয়ে দিতে হবে। নেড়েচেড়ে লবণ দিয়ে ৫মিনিট ভাজতে হবে। মরিচ বাটা দিয়ে ৫মিনিট ভাজতে হবে। গুঁড়া এলাচ দারুচিনি দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।এতে ১ টে, চামচ নারকেল বাটা বা ঘন নারকেল দুধ দেয়া যায়।

A@Aysha-Aysha

কচুর ঘন্ট কচু সিদ্ধ-৪কাপ হলুদ বাটা-১/২চা, চামচ কাঁচা মরিচ-৬টি লবন-১চা, চামচ জিরা বাটা-১চা, চামচ ধনে বাটা-১ চা চামচ আদা বাটা-১চা, চামচ সয়াবিন তেল-৩টে, চামচ শুকনো মরিচ-৩টি রসুন বাটা-১চা চামচ তেজপাতা-১টা গরম মসলা গুঁড়া ১/২চা, চামচ নারকেল (ইচ্ছে)-২টে, চামচ কচুর পাতা ফেলে ডাটা টুকরো করে কেটে ধুয়ে নিতে হবে।ডাটা ছিলাম যাবে না। হাঁড়িতে ঢাকনা দিয়ে মাঝারি আঁচে সিদ্ধ করে নিতে হবে পানি ছাড়া। কচু সিদ্ধ হলে আদা, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে দিতে হবে চামচ এর পিঠ দিয়ে কচুকে থেঁতলে নিতে হবে। জিরা,ধনে ও আধা বাটা দিয়ে ভেজে নিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে নামিয়ে নিতে হবে। কড়াইয়ে তেল গরম করে শুকনো মরিচ, তেজপাতা দিয়ে নেড়ে রসুন দিয়ে ভেজে নিতে হবে।কচু দিয়ে নেড়ে নেড়ে অনেক কখন ভাজতে হবে।এ সময় নারিকেল ও গরম মসলা দিয়ে দিতে হবে। ভালভাবে পানি শুকিয়ে কচু দলা বেঁধে আসলে নামিয়ে নিতে হবে। এএই রেসিপি টা সবাই পছন্দ করবেন আশাকরি।এটা গরম ভাত দিয়ে খেতে অনেক মজা লাগে।

A@Aysha-Aysha

পটলের ছেচকি পটল-১কেজি তেল-১/২কাপ তেজপাতা-১টা মরিচ বাটা-১ চা, চামচ জিরা বাটা-১চা, চামচ ধনে বাটা-১ চা, চামচ আদা বাটা-১/২ চা, চামচ রসুন বাটা-১/২ চা, চামচ সরিষা বাটা-১টে, চামচ নারিকেল কুরানো-১কাপ লবণ স্বাদমতো কাঁচা মরিচ-৬টি পটল ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। প্রথম এ দু টুকরো করে নিতে হবে।তারপর প্রত্যেক টুকরো করে চার ফালি করে নিতে হবে। বীচি ফেলে দিতে হবে। কড়াইয়ে তেল গরম করে তেজপাতা ও পটল দিতে হবে। খুব হালকা পটল ভেজে নিতে হবে। পটলের পানি কিছু মরে গেলে বাটা মসলা দিয়ে কষিয়ে ভেজে নিতে হবে। আঁচ সব সময় খুব কম । কিছুক্ষণ ভাজার পর মিহি করে বেটে নারকেল দিতে হবে। নারকেল দেওয়ার পর পানি শুকিয়ে এলে কাঁচামরিচ দিয়ে দিতে হবে। অল্প আঁচে পটলের ছেচকি ভাজা ভাজা হতে অনেক সময় লাগে।ঘন ঘন নেড়ে ছেচকি সুন্দর ভাবে ভাজা হলে নামিয়ে নিতে হবে। আশাকরি সবাই এই রেসিপি টা বানিয়ে খেয়ে দেখবেন।এটা খিচুড়ি র সাথে খেতে খুব ভালো লাগে।