read.cash Log in

@Safwan

Joined 3 June 2020 · 228 posts

120 KT

0 KT · 89¢ received · 0 KT · 80¢ given

Posts

@Safwan

Chattogram করোনা পরীক্ষা করার মত একটা ল্যাব নেই ১১ জেলার ৭ টিতেই। অথচ চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ কোটি মানুষের বসবাস। ঢাকার পরে সবচেয়ে উন্নত বিভাগ বলা হয় চট্টগ্রামকে। আমরা স্বাধীনও হয়েছি যে আজ প্রায় ৪৯ বছর....

@Safwan

যুক্তিবিদ্যা এবং ভাষা2 যুক্তিবিদ্যা এবং ভাষা2 উত্তর: সব মানুষের মরণশীলতার কারণে মানুষ হিসেবে সক্রেটিস মরণশীল হয়েছেন। ১১. যেহেতু ' এবং এর ফলে’- এ শব্দ দুটি যুক্তির কোন কোন উপাদানকে ব্যক্ত করে? উত্তর: যেহেতু দ্বারা আশ্রয়বচনকে এবং এর ফলে দ্বারা সিদ্ধান্তকে ব্যক্ত করে। ১২. সত্যতা কী? উত্তর: ‘ সত্যতা হচ্ছে অস্তিত্বশীলতা, যা মনােজগতের হতে পারে, আবার পদার্থিক ভগতেরও হতে পারে। ১৩. সত্যতা কত প্রকার ও কী কী? উত্তর: সত্যতা দুপ্রকার, যথা -১. আকারগত সত্য ও ২. বস্তুগত সত্য। ১৪. আকারগত সত্যতা কী? উত্তর: আকারগত সত্য বলতে অন্তবিরােধীনতাকে বােঝায়। অর্থাৎ আকারগত সত্য হচ্ছে- নিয়ম সঙ্গত হওয়া, যাকে জানার জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রয়ােজন হয় না। ১৫. বস্তুগত সত্যতা কী? উত্তর: বস্তুগত সত্যতা হচ্ছে বস্তুর সাথে ধারণার অনুরূপতা, যা বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর সেই নির্ভরশীল। ১৬. আকারগত সত্যতার একটি উদাহরণ দাও। উত্তর: ত্রিভূজ হচ্ছে তিন বাহুর সমাহার। ১৭. বস্তুগত সত্যতার একটি উদারহণ দাও। এ. উত্তর: সুন্দরবনে বাঘ আছে। ১৮. বৈধতা কী? উত্তর: বৈধতা হচ্ছে নিয়মসঙ্গত হওয়া। অর্থাৎ আশ্রয়বচন থেকে সিদ্ধান্ত নিয়মানুযায়ী নিঃসৃত হলে যুক্তি বৈধ হয়। ১৯. বৈধ যুক্তির একটি শর্ত উল্লেখ কর। উত্তর: যুক্তিকে বৈধ হতে হলে আশ্রয় বচনসমূহের মধ্যে অনিবার্য সম্পর্ক থাকতে হবে। ২০. সত্যতা ও বৈধতার মধ্যে একটি পার্থক্য উল্লেখ কর। উত্তর: সত্যতা বচনের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য, আর বৈধতা যুক্তির ক্ষেত্রে প্রযােজ্য। ২১. সত্যতা ও বৈধতার মধ্যে কত ধরনের সম্পর্ক আছে? একটি সম্পর্ক উল্লেখ কর। উত্তর: সত্যতা ও বৈধতার মধ্যে সাত ধরনের সম্পর্ক আছে। এর মধ্যে একটি হলাে, আশ্রয়বচন মিথ্যা হয়ে সিদ্ধান্ত সত্য হলে যুক্তি অবৈধ হয়। ২২. সত্যবচন নিয়ে একটি বৈধ যুক্তির দৃষ্টান্ত দাও। উত্তর: সকল মানুষ হয় মরণশীল। সকল কবি হয় মানুষ। সুতরাং সকল কবি হয় মরণশীল। ২৩. সত্য বচন নিয়ে একটি অবৈধ যুক্তির দৃষ্টান্ত দাও। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা -৩ যুক্তিবিদ্যা প্রতীকী । জব হয় মানুষ : সব। উত্তর দৃষ্টান্ত সকল কবি হয় কবি জীব হয়। মানুষ দাও। সকল বৈধ যুক্তির সুতরাং ২৪. মিথ্যা বচন নিয়ে একটি অমর। হয় মানুষ উত্তর: সকল হয় অমর। সকল উদি হয় মানুষ। সুতরাং সকল উদ্ভুিদ ২৫. মিথ্যা বচন নিয়ে একটি অবৈধ যুক্তির দৃষ্টান্ত দাও। উত্তর: সকল মানুষ হয় ধনী। যুক্তিবিদ্যা সকল মানুষ হয় দরিদ্র। সময়ের সুতরাং সকল দরিদ্র ব্যক্তি হয় ধনী। পরিধি ত মধ্য দি লাইবনি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন। গটলােব ১. কপির মতে যুক্তিবিদ্যা কী? ২. যুক্তির স্বরূপ আলােচনা কর। আলােতে ৩. আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্ত কীভাবে চিহ্নিত করা যায়? আলােচ নি । 8. সত্যতা ও বৈধতার স্বরূপ আলােচনা কর। ৫. সততা ও বৈধতার সম্পর্ক আলােচনা কর। প্রতীক ৬. সত্যতা ও বৈধতার পার্থক্য আলােচনা কর। Natu ৭. মিথ্যা আশ্রয়বচন সংবলিত যুক্তিও বৈধ হতে পারে’- বিষয়টি ব্যাখ্যা কর। ৮. সত্য অশিয়বচন সংবলিত যুক্তিও অবৈধ হতে পারে'- বিষয়টি ব্যাখ্যা কর। বুদ্ধিবৃতি ৯. অভ্রান্ত যুক্তি বা ন্যায় বলতে কী বুঝ? আমর বিভিন্ন রচনামূলক প্রশ্ন। শাখা ১. আরভিং কর ।। এম কপির Symbolic Logic ' গ্রন্থ বিজ্ঞান ২. কপি অনুসরণে অনুসরণে যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ আলােয় বিজ্ঞা ৩. কপি অনুসরণে যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ আলােচনা সম্পর্কিত কর। | সামা ৪, যুক্তিবিদ্যা তা ব্যাখ্যা যুক্তির কর স্বরূপ। ব্যক্ত কর। এ প্রসঙ্গে বিষন্ন | ৫, সততা কী? এ প্রসঙ্গে আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্ত কীভায় যুক্তি ও বৈধতা যুক্তির ৬. সত্যতা ও কী? উদাহরণসহ স্বরূপ আলােচনা বৈধতার কর। নিয়। পার্থক্য এদের নির্দেশ মধ্যকার ৭. “মিথ্যা কর। বৈধ আলােচনা নির্ভ সম্পর্ক অশিয়ৰচন হওয়ার কর। ৮, “সত) ' আশ্ৰয়ৰচন সংবলিত জন্য একটি কী বচন , সংবলিত যুক্তিও যুক্তি বৈধ হতে পারে যুক্তিকে কী আন অবৈধ হতে”-বিষয়টি বচ পারে উদাহরণসহ ”-বিষয়টি ব্যাখ্যা কর। বৈ = উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর। তৃতীয় অধ্যায় প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা SYMBOLIC LOGIC যুক্তিবিদ্যার একটি পৃথক শাখা হিসেবে প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার উদ্ভব মূলত আধুনিক যুগে। সময়ের দিক থেকে প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার ইতিহাস খুব বেশি সুদীর্ঘ না হলেও এর আলােচনার পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক। আধুনিক যুগ থেকে অদ্যবধি সে সমস্ত প্রাজ্ঞ চিন্তাবিদের গবেষণার মধ্য দিয়ে প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা এই ব্যাপকতা লাভ করেছে তাদের মধ্যে জি. ডব্লিউ লাইবনিজ, জর্জ বুল, জেভন্স, সি. এস পার্স, বার্ট্রান্ড রাসেল, এ. এন হােয়াইটহেড, গটলােব, ফ্রেগে, আই, এম কপি প্রমুখ চিন্তাবিদ অন্যতম। এ সকল চিন্তাবিদরে চিন্তার আলােকেই বর্তমান অধ্যায়ে প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলােচনা করা হয়েছে। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ Nature of Symbolic Logic বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব হিসেবে মানুষের রয়েছে জ্ঞান অর্জনের সহজাত প্রবণতা। সাধারণত আমরা দু'ধরনের জ্ঞান পেয়ে থাকি- বস্তুগত ও রূপগত। জগৎ ও জীবনের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় সম্বন্ধে জানার ক্ষেত্রে আমরা জ্ঞানের বিভিন্ন শাখার সাহায্য গ্রহণ করি। এ শাখাগুলাে বিশেষত প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, যুক্তিবিদ্যা ইত্যাদি। প্রাকৃতিক বিজ্ঞান হচ্ছে রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান ইত্যাদি, এবং সামাজিক লােচনা বিজ্ঞান হচ্ছে সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি ইত্যাদি। বস্তুত প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানসমূহ থেকে অর্জিত জ্ঞানের সত্যতা আমরা যাচাই করি বাস্তব জগতের বিষয়াবলির সাথে অনূরূপতা বা সাদৃশ্যের ভিত্তিতে। এ অর্থে এগুলাে বস্তুগত। অন্যদিকে, কীভাবে যুক্তিবিদ্যা হচ্ছে রূপগত বা আকারগত বিজ্ঞান। কারণ যুক্তিবিদ্যায় কেবল যুক্তির বৈধতার নিয়মাবলি সম্পর্কে আলােচনা করা হয়। এবং যুক্তিবিদ্যায় আমরা যুক্তির বৈধতা প্রমাণ করি নির্ভুল যুক্তির নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যতার ভিত্তিতে। এ জন্য যুক্তির বৈধতা এর অন্তর্গত বচনগুলাের সত্যতার ওপর নির্ভর করে না, বরং যুক্তির বৈধতা নির্ভর করে যুক্তির রূপ বা আকারের ওপর। অর্থাৎ একটি যুক্তি বৈধ হয় তখনই, যখন যুক্তিটির অন্তর্গত বচন বা বচনসমূহ থেকে যুক্তির সিদ্ধান্তটি নিয়মানুযায়ী অনিবার্যভাবে অনুসৃত হয়। কাজেই যুক্তির বৈধতা বা অবৈধতা এর অন্তর্গত বচন বা বচনসমূহের সাথে অথবা বচন বা বচনসমূহে যুক্তিবিদ্যা পূর্বোক্ত অধ্যায়ে সত্যতা প্রতীকী ও নয় (বিষয়টি থেকে যুক্তির বৈধতা। বা। জড়িত। এদিক পরিবর্তে অথবা বচন বা বড়শ যুক্তিবি সাথে হয়েছে, আলোচিত\ শব্দ না পদের বা বচনসমূহের সংকেত বা চিহ্ন ব্যবহার করা য % বচন দুটি দৃষ্টান্ত দ্বারা বিষয়ক বিজ্ঞান ব্যবহৃত বক্তৃতভাবে প্রস্তুতি যে কোনাে প্রতীক। বিজ্ঞ | আলোচনায় সুক্তির পরিবর্তে বলা হয় নর্ণয়ের ক্ষেত্রে। গুদের বা চিকেই সাধা শব্দ ব্যবহৃত ব্যবহৃত সংকেত। নিয়ম যুক্তিবিদ্যায় মাটি ভিজবে অমূর্ত এরা যেতে পারে। যদি বৃষ্টি হয় তাহলে । বৃষ্টি হয়েছে। সুতরাং মাটি ভিজেছে দুটি পৃথক বাক্য পাওয়া যায় ‘ বৃষ্টি যুক্তি বিশ্লেষণ ’ গ্রলে এতে আলোচ্য | মাটি ভেজা। এক্ষেত্রে বাক্য দুটির পরিবর্তে যথাক্রমে P এবং Q ব্যবহার করলে। Ch সব প্রতীকী আকারটি হবে নিম্নরূপ যদি P হয় তাহলে Q হবে। P হয়েছে। • Q হয়েছে। একইভাবে, যু সকল মানুষ হয় মরণশীল। সকল কবি হয় মানুষ ।। প্রী সুতরাং সকল কবি হয় মরণশীল। ন আলােচ্য যুক্তিটিতে মােট তিনটি পদ ব্যবহার করা হয়েছে M এবং কবিকে P হিসেবে ধরলে যুক্তিটির। এক্ষেত্রে মানুষ H, মরণশীল প্রতীকী আকার হবে নিম্নরূপ নি সকল H হয় M সকল P হয় H. .. সকল P হয় M কাজেই উল্লেখ্য প্রতীকী যে, যুক্তিবিদ্যায় যুক্তিবিদ্যা প্রতীকের প্রবর্তনের মাধ্যমে বচনের কোনাে পৃথক এরূপ শাস্ত্র ব্যবহার নয়। থেকেই বস্তুত প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার উত্ত। সত্যতা যুক্তিবিদ্যার বা যে বচনের পরিবর্তে মিথ্যাত্ব এবং শাখায় প্রত সহজভর নির্দিষ্ট প্রতীক যুক্তির বৈধতা কার অবৈধ ব্যবহারের এবং অবৈধতা নিরা। যায় যে, যুক্তি থেকে মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যারই প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা বৈধ যুক্তির প্রদত্ত যুক্তির পার্থক্য প্রকাশ কালে, একটি বিশেষ অন্যকোনাে নির্ণয় ও মূল্যায় " আর প্রতীক রূপ ধরনের করা যুক্তিবিদ্যা শক্তিবিদ্যা। সাধারণ যুক্তিবিদ্যা হয়। এদিক থেকে বা কিছু যুক্তিবিদ্যা নয় ক্ষেত্রে বিশ্বেত গ্রাহক প্রতীকের মূলত, বরং এটি সাধার। ভাষার আরােহ মাধ্যমে মাধ্যমে যুক্তি প্রক '। , যুক্তিবিদ্যার যুক্তি প্রকাশ করে ক্ষেত্রে। সাবাস ) বস্তুগত হলেও প্রতী

@Safwan

Hati ✍🏻একটা বিষয় লক্ষ্য করলাম অনেকেই হাতির হত্যাকান্ড, বলিউড তারকার আত্মহত্যা, হিরামনির ধর্ষণ নিয়ে তর্ক ও সমালোচনার ঝড় তুলেছেন। অনেকেই দেখছি তর্ক বিতর্ক শুরু করে দিয়েছেন যেমন: অনেকের প্রশ্ন, একটা হাতি পশু নিয়ে মানুষের এত মাথা ব্যাথা, একটা বলিউড তারকাকে নিয়ে এত মাথা ব্যাথা, হিরা মনি কে নিয়ে কেন প্রতিবাদ নয়, অন্য দেশ নিয়ে মাথাব্যথা। এবার মূল কথায় আসি, আচ্ছা আমরা তর্ক বিতর্ক না করে কিছু জানার চেষ্টা করি না কেনো? মানুষ যেটা পোস্ট করুক না কেন তাকে তার আবেগটা প্রকাশ করতে দিন কিন্তু আবেগে আঘাত করবেন না, ওর আবেগ প্রকাশ করার অধিকার ওর আছে। আমাদের মানুষের প্রধান সমস্যা হচ্ছে আমরা যে কোন কিছুতে পজেটিভ ভাবনাটা আগে আসে না: ১._একটা বাচ্চা পৃথিবী দেখার আগেই তাকে পটকাবাজি দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে মায়ের গর্ভে, হ্যাঁ সেটা পশু হোক, কিন্তু আমরা এটাও ভাবতে পারি যেখানে মানুষ একটা পশুকে এত নির্মম ভাবে হত্যা করতে পারে, তাহলে মানুষ তো দূরের কথা একটা পশুকেও ছাড়লো না। তাহলে মানুষ মারতে তার হাত কিভাবে কাঁপতে পারে। ২._একটা তারকা আত্মহত্যা করেছে, আত্মহত্যা নাকি খুন সেটা এখনো জানিনা যাই হোক আমরা সেটাকে নিয়ে তর্ক না করে আমরা তো মানুষকে একটা সাজেশন দিতেও পারি, ডিপ্রেশনে থাকলে ওর পাশে থাকুন ওর মনের কথাটা জানার চেষ্টা করুন কিন্তু ডিপ্রেশনে থেকে কোন বড় ডিসিশন নেওয়া ভুল। আত্মহত্যা মহাপাপ এগুলো আমরা সবাই জানি তাহলে তর্কে কেন যাচ্ছেন, ও পোস্ট করছে সেটা ওর ব্যক্তিগত আবেগের ব্যাপার। ৩._হ্যাঁ আমরা অবশ্যই হিরামনি ধর্ষণের বিচার চাই, শুধু হিরামনি কেন এর আগেও অনেকের ধর্ষণের বিচার হয়নি, একটা পোস্ট করি দুইদিন পর ভুলে যাই তাহলে কোন মুখে আপনারা তর্ক করেন? কারো আবেগে কষ্ট দিয়েন না। ওর আবেগটা ওকে প্রকাশ করতে দিন যদি আপনার খারাপ লাগে তাহলে ইগনোর করবেন, না হয় ওকে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলবেন। আর আবেগটা যে কোন কিছু নিয়ে হতে পারে, যেমন- খেলার সময় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা, খেলাধুলা, খেলোয়ার, তারকা, আরো অনেক কিছু নিয়ে আবেগ প্রকাশ করি, সেটা এই দেশ হোক আর অন্য দেশ হোক সবাই তো আছিই একটা পৃথিবীতে। অনেকের বাবা ভাই চাচা অন্য দেশে থেকে টাকা রোজগার করে অনেকের পরিবারের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন। তাহলে আমরা নিজের দেশ অন্যের দেশ নিয়ে তর্ক করছি কেন। আমার মেইন বিষয় হচ্ছে আবেগ আর তর্ক,, ও কি পোস্ট করলো না করলো এটা ওর ব্যক্তিগত আবেগের ব্যাপার যদি খারাপ লাগে সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে বলুন বুঝিয়ে দিতে না পারলে ইগনোর করুন, খামোখা তর্ক করে নিজেকে মহাজ্ঞানী নয়, উল্টো নিজেকে ছোট করছেন।

@Safwan

পিচ্চি_বর_Vs_বাচ্চা_বউ9 পিচ্চি_বর_Vs_বাচ্চা_বউ . পর্ব - ০৯ ____________________________________________ সে মোটেও এমন কিছুর জন্য প্রস্তুত ছিল না। তার দুই হাত দিয়ে আমাকে ছাড়ানোর বৃথা চেষ্টা করল কিন্তু পারলো না। আমি আবারও বহু বছর পর কারো গোলাপি ঠোটের স্বাদ নিচ্ছি। সব মেয়ের ঠোট ই কি এক হয়, দিশার ঠোটের স্বাদ আর এই মেয়ের ঠোটের স্বাদ হুবহুব একি। হয়তো হয় আমি তো এর আগে কখনো কাউকে কিস করিনি শুধু দিশাকে আর এখন এই মেয়েটাকে। আমার দম নিতে একটু সমস্যা হচ্ছে,আর পারছি না তার মিষ্টি ঠোটের সাথে আমার ঠোট লাগিয়ে রাখতে। আমি তাকে দুই হাত দিয়ে একটু ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিলাম। আমার হাতের উলটো পিট দিয়ে ঠোট মুছে নিলাম। আশে পাশে তাকিয়ে দেখি সবাই আমার দিকে ইয়াআআআআ বড় হা করে তাকিয়ে আছে। তাকাবেই না বা কেন সবার সামনে এইভাবে একটা মেয়ে জোড় করে কিস করলাম এটা কি চারটি খানি কথা। -- তুই এটা কি করলি.... ( মমী) -- আগ্গে আপনাদের আগ্গা পালন করিলাম।( হাবার মতো একটা হাসি দিয়ে) -- ঐ ছেলে ফাজলামি পাইছোস, তোর সাহস হয় কি করে একটা অচেনা মেয়েকে কিস করার ( মমীর সাথে থাকা মেয়েরা বললো) -- আমি তো ইহা করিতে চাহি নাই,আপনারাই তো আমাকে এমন করিতে বাধ্য করিলেন।( অস্ত্র তো সেই কবে জমা দিয়েছি তাই বলে কি সেটা চালাতেও ভুলে গেছি) --তাই বলে তুই আমাকে কিস করবি ( হালকা কেঁদে) -- আপনারা তো বলিলেন ভার্সিটির যে কোনো মেয়ে চুম্বন করিতে তাই আর কি......( তোমাদের ট্যাপে তোমরাই পরলা) -- তো আমাকে কেন করলি.......( হেচকি তুলে) -- কেন আপনি কি মেয়ে না....( আমি) -- ঐ হারামদাজা! আমি মেয়ে না? মানে টা কি ( চেচিয়ে উঠে) -- আগ্গে ছেলে এবং মেয়ের মাঝামাঝি...... (মনে মনে আমি হেসে শেষ) -- তোকে তো আমি ( এসে আমার গলা চেপে ধরলো) -- আরে আপনি করিতেছেন কি,আমি তো মারা যাবো.....( তার থেকে ছাড়িয়ে) -- তোকে আজ মেরেই ফেলবো..... ( আবার তেরে আসলো কিন্তু তার বান্ধবিরা তাকে আটকে নিলো) -- মমী শান্ত হো,এই লুইচ্চা বেটাকে তো পরে দেখে নিবো..... ( তার বান্ধবিরা) তাকে টানতে টানতে আমার থেকে দুরে নিয়ে চলে গেলো। আমি তার এমন কান্ড দেখে মুচকি মুচকি হাসছি। মেয়েটার রাগ বেশি হলে কি হবে দেখতে খুব সুন্দর যাকে ভয়ানক সুন্দরি বলে। আমি তো এতো বছর পর আবারও কোনো মেয়েকে দেখে ক্রাশ খেলাম। তবে আমার কিছুই করার নাই, আমার মনে শুধু দিশা আছে আমি তার জায়গা ই কাউকে বসাতে পারবো নাহ!মোটেও না। আচ্ছা দিশাও কি এমন কক্টেল সুন্দরি হবে। হবে হয়তো, এর চেয়ে আরোও সুন্দর হতে পারে! যে সুন্দরের তুলনা করলে রাতের চাঁদ ও লজ্জা পাবে। সে কি আজও আমার জন্য অপেক্ষা করছ এ, নাকি নতুন কাওকে খুঁজে নিয়ে সুখী আছে। ভার্সিটি ভালো করে ঘুরে দেখলাম বেশ ভালই লাগছে। তবেঁ এখান কার সিনিয়র যারা আছে তারা নতুন যাকে পাচ্ছে তাকেই রাগিং করছে। হাস্যকর বিষয় এখানে ছেলে দের তুলনাই মেয়েরাই বেশি রাগিং করছে। আমি ভার্সিটির কিছু লেকচারার এর সাথে কথা বলে বাসাই চলে আসি। ফ্রেস হইয়া বেল্কুনিতে এসে ফোন বের করে ফেসবুকের আইডি লগইন করি। কতো বছর পর ফেসবুকে আসলাম ঠিক বলতে পারবো না। আইডির নাম পালটিয়ে আবার md asfaqul azom foysal রাখি। প্রোফাইল পিকে আমার একটা পিক দিলাম।এতো দিন একটা ফেইক পিক দেওয়া ছিল।বলতে গেলে আমার আইডিতে এখন আমার একটা পিক ই আছে যেটা এখন পোষ্ট করলাম।ছোটকালে যে সব পিক আপলোড দিতাম ওগুলো আজ থেকে ৮ বছর আগেই ডিলেট করে দিয়েছিলাম। !!!! !!! ! ১০ মিনিট থেকে নিউজফিল্ড দেখছি। মানুষের কষ্টের পোষ্টে হাহা রিয়েক্ট দেওয়ার মজায় আলাদা।আমি যারা কষ্টের পোষ্ট দেখছি তাতেই হাহা রিয়েক্ট দিচ্ছি,খুব আনন্দ হচ্ছে মনে। কেন জানি আমি আমার মধ্যে আবার আগের ফয়সাল কে দেখতে পাচ্ছি। বুড়োতি বয়সে কি আবার সেই চঞ্চলতা ফিরে পেলাম। ধুর বুড়ো আবার হলাম কবে বয়স তো কেবল ২৫-২৬ হবে। নোর্টিফিকেশন গিয়ে দেখলাম কয়েকটা কমেন্ট এসেছে আমার প্রোফাইল পিকে। আমি একে একে সবার কমেন্টে রিপলে দিচ্ছি। "আজও অপেক্ষায় আছি তোমার"" এই নামের আইডি থেকে কমেন্ট করেছে 'আপনি কি ফয়সাল' কমেন্টার দিকে কিছুক্ষন একমনে তাকিয়ে থাকলাম।রিপলে দিতে যাবো এমন সময় ""আজও অপেক্ষায় আজি তোমার"" আইডি থেকে ফোনে টুন টুন শব্দ করে একটা ম্যাসেজ আসে। আমি তার চ্যাট ওপেন করতেই অবাক হয়ে যায়।এর সাথে আমার আগেই চ্যাট হয়েছে কিন্তু আমি তো অনেক বছর থেকে ফেসবুকেই আসিনি। এসএমএস এর ডেট দেখে বুঝলাম আমি যখন ১০মম শ্রেণি তে পরতাম তখন এর সাথে চ্যাট করেছি। -- এতো দিন কোথায় ছিলেন ( সে আইডি টা) -- বিদেশে ছিলাম! বাট আপনি কে? -- আপনার নাম লিখে আমি কতো সার্চ দিয়েছি কিন্তু আপনার কোনো আইডি পাইনি কেন??? -- কি নাম লিখে সার্চ দিয়েছিলেন? -- md asfaqul azom foysal! -- হাহাহা এই নাম দিয়ে সার্চ দিলে পাবেন কি করে,আমি তো নাম চেইন্জ করে নিয়েছিলাম!!! --যেই পিকটা একটু আগে আপলোড দিলেন সেটা কি আপনার?????? -- হুমমমম আমার। -- ওওও ঠিকাছে..... তা কেমন আছেন। -- যেমটা ভালো থালকে সব সময় হাসি মুখে থাকা যায় তেমনটা -- তারমানে খুব ভালো আছেন।?? -- সেটা তো জানি না।কিন্তু মুখে সবসময় হাসি থাকে -- বুঝলাম!তা আপনি এখন কি করছেন। -- আপাতত কিছুনা।তবেঁ কাল ঢাবিতে প্রিন্সিপাল হিসেবে জয়েন করবো। --কিহ -- হাহাহা অবাক হচ্ছেন কেন? -- এতো কম বয়সে এতদূর এলেন কিভাবে?? -- সে অনেক লম্বা ইতিহাস আছে। "বাই দ্যা ওয়ে" আপনাকে তো ঠিক চিনলাম না। -- কাল ভার্সিটি আসেন,তারপর ঠিকি চিনবেন। -- বুঝলাম না। আপনিকি ঢাবিতে পড়ালেখা করেন?? -- সেটা কালকেই বুঝতে পারবেন। -- ওকে।উফসস আপনার নামটায় তো জানা হলো না। নাম কি আপনার। -- বললাম তো কাল সব জানতে পারবেন। -- বুঝিনা, মেয়েরা এমন কেন? -- কেমন। ( সে) -- ঘোলাটে। -- বাহ মেয়ে সম্পর্কে তো আপনার ভালোই ধারনা।তা এই পর্যন্ত কতো মেয়ে সাথে মিশেছেন -- মেয়েদের সাথে মিশার সময় পাইনি।নিজের ক্যারিয়ার গড়তে ব্যস্ত ছিলাম। -- হুমমম তা তো বুঝতেই পারছি। -- ওকে।বাই -- ঐ হ্যালো,বাই কেন।কথা বলতে কি ইগোতে বাধছে। -- আরে না। এখন একটু ঘুমাবো। -- এতো ঘুম কিসের,রাতে কি বউ ঘুমাতে দাইনি। -- বউ আসবে কোথা থেকে?? ( কি সাংঘাতিক) -- কেন আপনি বিবাহিত নাহ?? -- না তো ( সব কিছু সবার সাথে সেয়ার করতে নাই) -- হুমম ভালোও -- আপনি কি বিবাহিত?? (মানবতার খাতিরে বললাম) -- হুমম বিবাহিত -- ওওও ( তো মরতে আমার সাথে কথা বলতে আসছিস কেন) -- আপনার বাড়ির সবাই কেমন আছে? ( এখন কোনো টপিক পাচ্ছে না তাই বাড়ির কথা বলছে,,ছ্যাচরা) -- হুমমম ভালো। -- কে কে আছে পরিবারে( আগলা পিরিত, এর মতলব মটোও ভালো না) -- যারা যারা থাকার সবাই আছে ( আমি) -- কথা এতো প্যাঁচান কেন( কথা না প্যাঁচালে তোর প্যাচে পরে যাব তাই) -- এমনি। আচ্ছা বাই! ম্যাসেজ সেন্ড করেই ডাটা ওফকরে দিলাম।আর কিছুক্ষন কথা বললে পাগল করে দিতো।কিন্তু কে এই মেয়েটা যে গায়ে পড়ে কথা বলতে আসছে তারওপর আবার বিবাহিতা। বেল্কুনি থেকে বিছানায় চলে এলাম। চোখটা লেগে আসছে। ফোন বালিশের নিচে রেখে ঘুমিয়ে পরলাম। !!!!! !!! ! !! !!! !!!!! ধ্যাত কাজের সময় কিছু পাওয়া যায়না। জীবনের প্রথম ভার্সিটে যাচ্ছি মানে প্রিন্সিপাল হয়ে আরকি। আমি আমার মতো নিজেকে তৈরি করছি। চুল গুলা ভালো ভাবে স্পাইক করে নিলাম,একটা সাদারঙ এর টিশার্ট তারওপর একটা ঘিয়া রংএর জ্যাগেট, সব মিলিয়ে রকস্টার। আসলে আমি আমার মতো,যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পছন্দ করি। ভার্সিটির প্রিন্সিপাল হয়েছি বলে সুর্টবুটে যেতে হবে এটা আমার কাছে কোনো বিষয় না।এতো দিন এতো কষ্ট করে পড়াশুনা করেছে কখনো লাইফের মজা নিতে পারিনি।এখন প্রিন্সিপাল হয়েছি বলে সবসময় গম্ভীর,এক্সট্রা ভাব নিয়ে চলতে হবে এমন না। আমি এখনি লাইফটাকে ইনজয় করতে চায়। --কিরে আজ না তোর ভার্সিটে জয়েন করার কথা (আমি সিড়ি বেয়ে নামছি তখন আপু বললো) -- হুমমম আমিতো ভার্সিটি ই যাচ্ছি (আপুর কাছে এসে) -- এ্যাাাা.....( মুখ হা করে) -- এ্যাা নই হ্যা.... -- তুই এইভাবে ভার্সিটি যাবি(আপু) -- জাস্ট চীলল আপু।তোমার ভাইয়ের বয়সটায় বা কতো হলো বলো।এখনি যদি নিজের গেটআপে বয়স্ক ভাব ধরাই তাহলে কি আর তোমার ভায়ের কপালে বউ জুবটে(আপুর গাল টেনে) -- আমি ২০০% সিয়র আজ ভার্সিটির মেয়েরা পাগল হয়ে যাবে (হাসতে হাসতে আপু বললো) -- হাহাহা আপুউউউউ। আপুর পায়ে সালাম করে বাইক নিয়ে বেরিয়ে পরলাম ভার্সিটির উদ্দেশ্যে। প্রায় সময় পর চলে আসি ভার্সিটি তে। বাইক পারকিং করে চুল গুলো আয়নাই ঠিক করে মিলনায়তন দিকে হাটা দিলাম। ভাবতেই ভালো লাগছে শুধু মাত্র আমার জন্য ভার্সিটি একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়জন করা হয়েছে। নিজের ওপর নিজের ই খুব গর্ব হচ্ছে। আমি হাটছি তখন বাম দিকে চোখ গেল।কালের সেই মমী সুন্দরি তার বান্ধবিদের নিয়ে আড্ডা দিচ্ছে।মনে কারো অপেক্ষা করছে।বার বার গেটের দিকে তাকাচ্ছে। নীল রং এর শারি পরে আছে। বলতে গেলে আমার মনের মতো সাজ। ২য় বারের মতো তাকে দেখে ক্রাশ খেলাম।এতো ক্রাশ খেলে 100% আমার সুগার বেড়ে যাবে।ও হ্যা ক্রাশ খাওয়া মানে ৫ কিলো মিষ্টি খাওয়া। সে হয়তো আমাকে খেয়াল করেনি। খেয়াল করলেও কি সে তো আমাকে চিনতে পারবে না। আমি চলে এলাম মিলনায়তনে।সব স্যারাই আমাকে দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে।হয়তো ভাবিনি আমি এতো ইয়াং +ড্যাসিং হবো। সবার সাথে পরিচিত হলাম। একটা ম্যাডামের সাথে হাত মিলাতে গিয়ে পরলাম ঝামেলায়। সে আমার হাত ছারতেই চাইনা।তার বয়স আর কতো হবে,এই ধরেন ২৮। কোনো রকম ভাবে তার কাছে থেকে সরে গেলাম। আর একটু তার সাথে থাকলে আমার ইজ্জতের ১৮ টা বাজিয়ে দিতো।যত্তসব গায়ে পড়া মেয়ে। -- স্যার চলেন সব ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই।( একটা স্যার বললো) -- হুমম। -- এবার আমাদের স্টেজে আসবেন,আমাদের ভার্সিটির নতুন প্রিন্সিপাল মো আশফাকুল আজম ফয়সাল( মাইক্রোফোনে অনু্ষ্ঠানের উপস্থাপক বললো) আমি আমার মতো হেটে স্টেজে গেলাম। সে আমাকে মাইক্রোফোন হাতে দিয়ে আমার দিকে বড় বড় চোখ করে তাকাচ্ছে, মনে হচ্ছে আমি কোনো বাঘ।একসময় সে সেন্সলেস হয়ে পড়ে যায়।সব স্যারেরা তাকে ধরে ভিতরে নিয়ে যায়। সে হয়তো আমাকে ঠিক প্রিন্সিপাল মানতে পারেনি। আমি সবাইকে সালাম দিয়ে সামনে তাকালাম।সবাই থ হয়ে আমাকে একচোখে দেখছে। হয়তো ভাবিনি তাদের নতুন প্রিন্সিপাল এতো কম বয়সী আর এতো স্টাইলেস। নিজেকে এখন অন্য গ্রহের প্রানি মনে হচ্ছে।আমি কি জেল খানার কোনো কয়েদি নাকি হ্যা? এইভাবে দেখার কি আছে। --সবার দেখা শেষ ( আমি বললাম) সবাই আমার কথা শুনে একটু স্বাভাবিক হলো। আমি নিজের মতো কিছু নীতি কথা শুনালাম তাদের। অতঃপর আমার বক্তব্য শেষ করলাম। সবাই জোরে কড়োতালি দিল। !!!!!!!!! !!!!!!!!! !!!!!!!!! সন্ধার দিকে অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যাবে এমন অবস্থা। আমি সবার কাছে বিদায় নিয়ে মিলনায়তনের বাহিরে চলে এলাম।আর ভালো লাগছে না এখানে।যেখানেই যাচ্ছি সেখানেই সবাই আমার দিকে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে থাকে। সিড়ি দিয়ে নামছি। সবাই আমাকে মৌমাছির মতো ছেকে ধরলো। এখানের বেশির ভাগই মেয়ে। কেউ বলছে "স্যার একটা সেলফি প্লিজ" কেউ বা"" স্যার আপনার নাম্বার টা দেন পিল্জ" স্যার আপনি কি সিঙ্গেল,স্যার আপনার বাড়ি কোথায়" নানান মেয়ের নানান কথা।আমি তাদের থেকে কোনো মতে নিজেকে ছাড়িয়ে আমার বাইকের কাছে চলে আসি। বাইক স্টার্ট দিবো এমন সময় একটা মেয়ে আমারর বাইকের এসে পিছনে বসে পরে! -- কে? আমার বাইকে কে চরলো? ( মাথা পিছনে ঘুরিয়ে) -- স্যারর আমার মা অনেক অসুস্থ্য প্লিজ আমাকে একটু সামনে নামিয়ে দিন( মিষ্টি কষ্ঠ বাট চেনা চেনা,) মায়ের কথা শুনে, আমার বুক কেপে উঠলো।কতো দিন দেখিনি তাকে।খুব কষ্ট হয় তোমার কথা ভাবলে। -- কোথায় যাবেন ( মা অসুস্থ্য তাই আর কিছু বললাম না) -- আপনি চলেন আমি বলে বলে দিবো কোথায় যেতে হবে।( মেয়েটা।) -- ঠিক আছে। আমি বাইক স্টার্ট দিয়ে ভার্সিটি থেকে বেরিয়ে পরলাম।মেয়েটা আমাকে শক্ত করে চেপে ধরলো।তার হাত গুলো অনেক মোলায়েম,তুলোর মতো নরম।বেশ অস্তির লাগছে আমার। কিন্তু মানবতার কারনে কিছু বলছিনা। তার কথা মতো একটা বাড়ির সামনে এসে বাইক থামালাম। মেয়েটা নেমে পরলো।শারি পরে আছে কিন্তু মুখ খানা হিজাব দিয়ে ঢাকা,অন্ধাকারেও বুঝা যাচ্ছে মেয়েটা অনেক ফর্সা। -- স্যার আপনিও একটু আমার সাথে বাড়ির ভেতরে চলেন নাহ। ছোট বোন বলেছিল মাকে হসপিটালে নিতে হবে বাট বাড়িতে কোনো ছেলে মানুষ নাই। আমি হালকা মাথা নারিয়ে তার সাথে তার বাড়িতে ঢুকে পড়লাম।দেখে মনে হচ্ছে এটা কোনো হোসটেল। সে আমাকে একটা রুমে নিয়ে গেলো, আমিও কোনো প্রশ্ন ছাড়ায় তার সাথে রুমে চলে এলাম। আমি রুমে ঢুকতেই সে রুমের দরজা লক করে দাই। ভেতরে কোনো মহিলা নাই। সে আমাকে ধাক্কা দিয়ে রুমে থাকা বিছানায় ফেলে দাই। তার মুখ থেকে হিজাব সরিয়ে নাই। আমি তো তাকে দেখে কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।এই মেয়ে আর কেউ না.............. #___________**চলবে**________ (বি দ্র: গল্পটা পুরোই কাল্পনিক,বাস্তের সাথে কোনো মিল নেই,,,,,,,,,সো কেউ গল্পটাকে বাস্তের সাথে তুলনা করবেন না)

@Safwan

আমাদের সংসার২ আমাদের সংসার ‌পার্ট ২-- আম্মু জানার পর আমাকে ঠাণ্ডা মাথায় জিগায় কথাগুলো সত্যি নাকি।আমি বলি হ্যা।বলার সাথে সাথে মাইর দেওয়া।এই fast ওর জন্য মার খেলাম।আগেও খাইছি but অন্য কারনে।আমার কলেজ off করলো,phone নিয়ে গেলো।freedom আটকাইয়া দিলো।আমার আব্বু ঢাকায় থাকে তাই আমার এসব কথা তিনি জানেনা। আম্মু সহজে জানতে দেয়না যতটা পারে সে নিজেই বেপার গুলো মিটমাট করে আর না পরলে আব্বু কে বলে।আমি আব্বু আম্মুর আদরের মেয়ে।আমার আব্বু আম্মু সবসময় বলতো আমার ছোট বোনকে দূরে বিয়ে দিবে বাট আমাকে কাছে দিবে।এমনকি আমার husband কে ঘর জামাই করে রাখবে। যাই হোক তো আম্মুর হাতে মার খাওয়ার পর একটু ঠাণ্ডা হইছি।but আমাদের কথা গোপনে চলতে থাকতো।এভাবে যতদিন যায় আম্মু ছোট বোন আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে।আর বোনের সাথেতো মারামারি লাগতোই।আস্তে আস্তে কোরবানি ঈদ চলে আসলো।ঈদের দিন আমি ওর সাথে কথা বলিনি ব্যস্তর কারনে।but আমার কথা না বলার কারনে ও জে এতটা পাগলামি করবে আগে বুঝিনি।আর হে ও খিব শান্ত ভদ্র ছেলে বাজে কোন অভ্যাস নাই।আর এজন্যই ওকে আমার ভালো লাগছে।কথা বলি নি দেখে ও নিজের হাত কাটছে।না তেমন কাটে নাই just হলকা পোস মারছে।এমনকি ওর মা ভাই আর বোনের সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করছে।পরে ফোন দিছি- নিলয় :hello কই তুমি?এতো সার্থপর কেমনে হোলা। জারা:sry আম্মু ছোটবোন আমাকে অনেক চোখে চোখে রাখে তাই call দিতে পারিনি।sry জান মন খারাপ করোনা। নিলয় :ok জানো ঈদের দিনটা কতো আশা নিয়া ছিলাম।সব শেষ। জারা :ওকে আমার সাথে কি দেখা করতে পারবা।আমি তোমাকে দেখবো। নিলয়:ওকে কবে বলো। জারা :তুমি বলো। নিলয় :ওকে ১৫তারিখ জারা:ওকে।love u. নিলয় :love u too পরে আম্মকে বললাম জারা:আম্মু আমার একটা কথা রাখবা শেষবারের মতো আম্মু :কি? জারা:আম্মু আমি নিলয় কে একটু দেখতে চাই।ও কেমন ছেলে দেখতে কেমন কখনোত দেখিনাই।শুধু pic দেখছি। আম্মু :না দেখা লাগবেনা ওই ছেলের সাথে আমি তোকে বিয়ে দিবোনা। জারা:আম্মু কছম তুমিও জাবা আমার সাথে তুমিও দেখবা যদি তোমার like না হয় আমি আর ওর সাথে কথা বলবোনা promise। আম্মু : সত্যি। আমার like না হলে ওকে ছেড়ে দিবিতো জারা:হিমমম সত্যি। আম্মু :ok, ওকে আসতে বল।কবে আসবে আর কই দেখা করবি। জারা:আম্মু ও ১৫ তারিখ আসবে আর আমরা পার্কে দেখা করবো।তুমি পার্কের বাইরে আশেপাশে থেকো। আম্মু :ok। মনে এতো ভালো লাগতে ছিলো কি বলবো।মনে হচ্ছে ওকে আমি পেয়ে গেছি।love u মা। ওকে call দিয়ে বললাম। ও খুব খুশি,,,, but বুঝিনি এ খুশির মাঝে ভয়ংকর কিছু আমার জন্য wait করছে।আমার জীবনটাই ঘুরে যাবে চলবে --

@Safwan

The vampire sword #The vampire sword Pর্বঃ২ অতীত...... ভ্যাম্পায়ার কিং এলিন খুব ই চিন্তায় আছেন।একদিকে তার সন্তান জন্ম নিবে অন্যদিকে ব্লাক ভ্যাম্পায়ার কিং তার রাজ্যকে আক্রমণ করার জন্য সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। (এখানে বলে রাখি সব ভ্যাম্পায়াররা প্রথমে এক ক্ষমতাসম্পন্ন ছিল আর এক রাজার দাসত্ব করতো। কিন্তু একদল ভ্যাম্পায়ার ব্লাক ম্যাজিক চর্চা করা শুরু করলো আর কালো জাদু দিয়ে অনেক ভালো ভ্যাম্পায়ার দের নিজের দাস বানিয়ে ফেললো। এবং একটা সময় তাদের বিশাল একটা সেনা হয়ে গেল এবং প্রথম যে ব্লাক ম্যাজিক চর্চা করতো তাকে রাজা বানানো হলো যিনি ছিলেন ব্লাক ভ্যাম্পায়ারদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী। এসব সব ই হয়েছিল এলিন এর বাবা ভ্যাম্পায়ার কিং যিদান এর অগোচরে।তিনি যখন জানতে পারেন তখন তার অর্ধেক শক্তি দিয়ে একটা মায়াজাল তৈরি করে তিনি ব্লাক ভ্যাম্পায়ারদের একটা গুহায় বন্দি করে রাখে।কিং যিদান এর মৃত্যুর পর এলিন রাজা হয়।আর এদিকে গুহার মায়াজালগুলো দূর্বল হয়ে পরে।এর ফলে ব্লাক ভ্যাম্পায়ারগুলে মায়াজাল ভেংগে বেরিয়ে আসে।আর সুযোগের অপেক্ষায় আছে কখন ভ্যাম্পায়ার কিং কে হারিয়ে ভ্যাম্পায়ার কিংডম এ রাজত্য করবে।) কিছুক্ষন পর এক দাসী ভ্যাম্পায়ার আসল দাসীঃ My king! আপনার পুত্রসন্তান হয়েছে। এলিন এর মুখে হাসি ফুটে উঠলো।তিনি দ্রুত পায়ে অন্দরমহলে ঢুকলেন।আর দেখলেন স্ত্রি এনার পাশেই ফুটফুটে একটা ছোট্ট শিশু হাত পা নাড়িয়ে খেলা করছে।তিনি দ্রুত গিয়ে শিশুটিকে কোলে তুলে নিলেন। এনা এতক্ষণ চোখ বুজে ছিলেন।তিনি চোখ মেলে দেখলেন এলেন এর হাতে তার সন্তান আর এলেন এর মুখে তৃপ্তির হাসি।তারও মুখে হাসি ফুটে উঠলো। এলেনঃ দেখো এলি এটা আমাদের সন্তান। এলিঃ দিন আমার কাছে দিন। এলি নিজের ছেলেকে কোলে নিয়ে প্রান ভোরে দেখতে লাগলো।এলির সবচেয়ে আকর্ষনীয় লাগলো শিশুটির নীল চোখ দেখে।সাধারণত ভ্যাম্পায়ারদের চোখ হয়ে থাকে সবুজ।কিন্তু এখানে শিশুটির চোখ পুরো নীল।আর চোখে এক অদ্ভুত মায়া। এলিনঃ আচ্ছা ওর নাম কি দেওয়া যায় বল তো? এলিঃ আপনি ভেবে দিন একটা। এলিনঃ আচ্ছা তুমি কি কখনও আমাকে তুমি করে বলবে না? এলিঃ আসলে আমার আপনি ডাকতে ভালো লাগে। তারপর দুজন ভাবতে লাগলো কি নাম দেওয়া যায়। হঠাৎ দুজন একসাথে বলে উঠলো "জয়" তারপর দুজনই হেসে উঠলো। এলিনঃতাহলে আজ থেকে ওর নাম ভ্যাম্পায়ার প্রিন্স জয়! হঠাৎ কক্ষে প্রবেশ করলেন ভ্যাম্পায়ার কিংডম এর সবথেকে বয়স্ক ভ্যাম্পায়ার ভিরু। ভিরুঃ My King..আপনার পুত্র কোন সাধারণ ভ্যাম্পায়ার নয়।তার মতো ভ্যাম্পায়ার কোটি কোটি বছরে একবার এ জন্ম নেয়।এবং ইনি একজন Half Vampire...কারণ আমাদের ভ্যাম্পায়ার কুইন একজন মানুষ। Half vempire হওয়ায় প্রিন্স অসীম শক্তির অধিকারী হবে। আর একমাত্র ভ্যাম্পায়ার যে কিনা #The Vampire Sword কে উঠাতে পারবে। এলেনঃ কি বলছেন? Vampire sword কে তো আমিও উঠাতে পারি নি। ভিরুঃ হ্যা কিং।এই শিশুটিই হবে পরবর্তী Vampire Sword এর মালিক।কিন্তু ওর ২৫ বছর পুর্ন হয়ার আগে এই Vampire Sword উঠাতে পারবে না।ওর শক্তিগুলো সুপ্ত অবস্থায় আছে।প্রতি পূর্নিমার রাতে শক্তিগুলো ওর মাঝে প্রকাশ পাবে।আর আপনি তো জানেন আপনি কেন Vampire sword উঠাতে পারেন নি? এলেনঃ হ্যাঁ।কারন.....(আর বলতে পারলেন না) হঠাৎ ভ্যাম্পায়ার সেনাপতি রবিন আসলেন এবং বললেন.... To be Continue........ কেন উঠাতে পারেন নি?কি বলতে চেয়েছিলেন কিং এলেন? জানতে পাশে থাকুন। Happy Reading..

@Safwan

অদ্ভুত ভালোবাসা গল্পঃ- অদ্ভুত ভালোবাসা (A Pure Love Story) পর্বঃ- ১ সময়টা আমার মনে আছে তবে বলছি না,দুপুর বেলা শুয়ে শুয়ে গল্প লিখতেছি,এমন সময় হঠাৎ একটি মেয়ে ইনবক্সে নক দিলো মেয়েঃ- Hi শিশির(আমি)ঃ- Hello মেয়েঃ- কে আপনি শিশিরঃ- আমি শিশির, আপনি কে? মেয়েঃ- বন্ধ হবে শিশিরঃ- এই বন্ধ হবে,মানে কী? মেয়েঃ- বন্ধু হবে শিশিরঃ- হতে পারি, কিন্তু আপনি কে মেয়েঃ- আমার পরিচয় না দিলে হয় না শিশিরঃ- আরে বলেন কী,আপনাকে না চিনলে বন্ধু হবো কী ভাবে, আমার বন্ধুকে চিনতে হবে না মেয়েঃ- পরিচয় দিবো না,বন্ধু হবেন শিশিরঃ- ওকে,পরিচয় দেওয়ার দরকার নাই, আপনার নামটা তো বলেন মেয়েঃ- আমার নাম রুপা শিশিরঃ- ভালো আসলে ওর নাম মর্জিনা, সে আমাকে মিথ্যা বলেছে, মর্জিনাঃ- এবার বন্ধু হবেন শিশিরঃ- বন্ধু হলাম,বন্ধু হলাম,বন্ধু হলাম,আর বলতে হবে মর্জিনাঃ- না,ঠিকআছে শিশিরঃ- আচ্ছা আমি গোসল করবো,পরে কথা বলি মর্জিনাঃ- ওকে,বায় শিশিরঃ- বাই আমি গোসল করে,খাওয়া দাওয়া শেষ করে, কিছুক্ষণ পর অনলাইনে গেলাম, মর্জিনাঃ- হাই শিশিরঃ- হ্যালো মর্জিনাঃ- কী করেন শিশিরঃ- কিছু না,আপনি মর্জিনাঃ- খাওয়া দাওয়া করছেন শিশিরঃ- হুম,আপনি মর্জিনাঃ- করেছি শিশিরঃ- কী দিয়ে খেয়েছেন মর্জিনাঃ- ডিম,মাছ ইত্যাদি, আপনি শিশিরঃ- গরুর মাংস মর্জিনাঃ- মাংস বলা ঠিক না শিশিরঃ- তো কী বলবো মর্জিনাঃ- গোস্তো বলতে হয় শিশিরঃ- ও,আমি আজ প্রথম শুনেছি, তবে জেনে নেওয়া ভালো মর্জিনাঃ- হুম শিশিরঃ- আপনি কেমন আছেন মর্জিনাঃ- ভালো,আপনি শিশিরঃ- আলহামদুলিল্লাহ ভালো,আপনার বাসায় সবাই কেমন আছে মর্জিনাঃ- সবাই ভালো, আপনার শিশিরঃ- আলহামদুলিল্লাহ সবাই ভালো শিশিরঃ- আচ্ছা ভালো থাকবেন,পরে কথা বলি মর্জিনাঃ- ওকে বায় শিশিরঃ- বায়,এভাবে নয় "বাই' এভাবে লিখতে হয় মর্জিনাঃ- ওকে বাই শিশিরঃ- আল্লাহ হাফেজ চলবে...

@Safwan

Tomar nisa তোমার_নিসা পর্ব - ৬ . . "আসবে,মেসেজ চোখে পড়লে অবশ্যই আসবে।সেসব নিয়ে তুই ভাবিস না।" বলতে না বলতেই জেলের বাহির থেকে প্রণয়ের চাচাতো ভাই সামির বললেন, "প্রণয়!" সামিরকে দেখে প্রণয়ের যেন প্রাণ ফিরে এলো। দু'লাফে সামিরের বরাবর দাঁড়িয়ে জেলের এপাশ থেকে বলল, "ভাইয়া,তুমি এসেছ?ভাবি আসে নি?আমি তো তোমাকে একা আসতে বলিনি, ভাবিকে সহ আসতে বলেছিলাম।" "হ্যাঁ হ্যাঁ, এসেছে। তোর ভাবিও এসেছে।কী কারণে তোরা এখানে সেটা তো আমরা জানি না, তাই টেম্পোরারি একটা বেলের কাগজ এনে ওসিকে তোর ভাবি দেখাচ্ছে।অন্তত দিন সাতেকের একটা বেল পাবি।এর মাঝে যে মামলাটা দিয়েছে সে যদি উঠিয়ে নেয় তাহলে বেল কেটে গেলেও দ্বিতীয়বার আর তোকে এখানে আসার প্রয়োজন পড়বে না।" "ওহ্। " "হুম,তো কী কারণে আসতে হলো এখানে?আর কে-ই বা করেছে অভিযোগ?" "ভাইয়া, আগে বের হয়ে নি এখান থেকে তারপর সেসব কথা পড়ে বলব।" এরই মাঝে এক দারোগা এসে জেলের তালা খুলে দিয়ে বলল, " বের হোন সবাই।" প্রণয়,নিলয় ও মুহিত দ্রুত জেল থেকে বেড়িয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। প্রণয় বলল, "ভাইয়া চলো।" "যাব...কোথায় যাব?" "আমাদের সাথে নিসার বাড়িতে।" পেছন থেকে কাগজপত্র ভাজ করতে করতে প্রণয়ের ভাবি নিতু এসে বললেন, "ভাবি সবকিছু করল কিন্তু সেই ভাবিকে ছোট্ট একটা ধন্যবাদ না দিয়ে উল্টো ভাবিকে ফেলে ভাইকে নিয়ে চলে যাওয়ার কথা হচ্ছে?" "ভাবি উকিল বলেই তো করেছে নয়তো কি করত।তাই ভাবিকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না।ভাবি তো আপনই পর না।" "সেটাও কথা কিন্তু যাবে কোথায় সেটা তো বলো।কারণ তোমার সাথে আমার কিছু জরুরী কথা আছে মামলার বিষয়ে।" "আসলে ভাবি,আমি নিসার বাড়িতে যাচ্ছি।" "মামলাটা নিসার পরিবার করেছিল না?" সামির চমকে উঠলেন নিতুর কথা শুনে।বললেন, "কী বলছ কী নিতু? নিসার পরিবার মামলা করে প্রণয়কে জেলে পাঠিয়েছে? এত বড় সাহস তাদের আমার ভাইকে জেলে পাঠিয়েছে? "হুম, সেরকমই তো শুনে এলাম নিসার মামার থেকে। আর এও শুনে এলাম প্রণয় না-কি নিসাকে গায়ে হলুদের স্টেজ থেকে পালিয়ে নিয়ে এসেছিল গতকাল রাতে। আর রাতটা না-কি প্রণয়ের ফ্ল্যাটে ওরা একসাথেই থেকেছে। নিসার পরিবার রাত থেকে বহু খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে সকাল বেলা নিসার সন্ধান পায় প্রণয়ের ফ্ল্যাট থেকে।" নিতুর কথাগুলো শুনে সামিরের ভ্রু দুটো কিঞ্চিৎ পরিমাণ কুচকে গেল।বলল, "কথাগুলো যে বললে এগুলো কি আদৌ সত্য নিতু?আমার তো মনে হয় না প্রণয় আর নিসাকে নিয়ে এতটা গভীর ভাবনায় যাওয়া ঠিক হবে। আরেকটা কথা হলো এই জেলখানায় তুমির নিসার মামাকে আবার কোথায় পেলে?" "আরে এই থানার ওসি মিঃ আরমান হলেন নিসার আপন মামা।তো সেই আমাকে এই কথাগুলো বললেন।" "ওহ্।" বলেই সামির প্রণয়ের দিকে তাকালেন।বললেন, "তোর ভাবি যে কথাগুলো বলল সেগুলো কি সত্য প্রণয়?তুই নিসাকে নিয়ে গতকাল পালিয়ে গিয়েছিলি?" মাথা নিচু করে প্রণয় বলল, "হুম ভাইয়া।নিসাকে নিয়ে আমি পালিয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু বিশ্বাস করো এছাড়া আমার করার কিছুই ছিল না। নিসার পরিবার জোর করে ওকে বিয়ে দিতে চেয়েছিল।এদিকে নিসা সেই বিয়ে করতে নারাজ।বারবার আমাকে হুমকি দিচ্ছিল আত্মহত্যা করবে বলে।সেই সময়ে আমি কি করতাম বলো। আর তুমি তো জানো নিসাকে আমি ঠিক কতটা ভালোবাসি। কিন্তু তারপরও.....তারপরও আমি চেয়েছিলাম নিসা অন্যজনকে বিয়ে করে সুখী হোক। আমার মত বেকার যুবকের জন্য ঘর থেকে পালিয়ে নিজের জীবন নরক না করে তুলক।কিন্তু নিসাই যে মানছিল না,তাই বাধ্য হয়েই ওকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলাম।" সামির কিছুক্ষণ চুপ করে রইলো। বেশ কিছুটা সময় পার হবার পর বললেন, "নিসা যত যাই বলুক না কেন,তোর এই কাজটা করা মোটেও ঠিক হয়নি প্রণয়।তোর এই কাজটা করার আগে অন্তত একবার আমাকে কিংবা তোর ভাবিকে জানানোর প্রয়োজন ছিল।" পাশ থেকে মিতু বললেন, "সামির, আমাদের এই মুহূর্তে এসব কথা বাদ দিয়ে আগে থানা থেকে বের হওয়া উচিৎ। বাহিরে গিয়েও তো এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারব।" মুহিত বলল, "হ্যাঁ ভাবি,এখান থেকে যত দ্রুত বের হবো আমাদের জন্য তত মঙ্গল।" সামির আর কথা না বলে থানা থেকে বেড়িয়ে গেল।পেছন পেছন বেড়িয়ে গেল প্রণয়সহ সকলেই।সামিরের নিয়ে আসা গাড়ির কাছে দাঁড়াতেই প্রণয় বলল, "ভাইয়া!" "নিসার বাড়ি যেতে হবে?"ভারী গলায় বললেন সামির। "হুম।" এইটুকু বলেই প্রণয় চুপ হয়ে গেল। এদিকে সামির প্রণয়ের নিরবতা দেখে বললেন, "আরও কিছু বলার থাকলে বলে ফেল।মানুষের কাছ থেকে শোনার চেয়ে তোর থেকে শোনাও মঙ্গলজনক।" প্রণয় কি বলবে বুঝতে পারছে না।তারপরও বুকে দম নিয়ে এক নিঃশ্বাসে বলল, "ভাইয়া,আজ সকালে আমি নিসাকে বিয়ে করে ফেলেছি।" সামিরের সাথে সাথে নিতুও হা হয়ে রইলো প্রণয়ের কথা শুনে।তাদের মুখের ভাষা যেন এক সেকেন্ডের জন্য হারিয়ে ফেলেছে দু'জন। চোখ পাকিয়ে নিতু বললেন, "কী বলছ কী প্রণয়?তোমার কি মাথা ঠিক আছে?" "ভাবি এছাড়া আমার আর কোনো রাস্তা ছিল না।আমি নিসাকে হারাতে পারব না ভাবি,কিছুতেই হারাতে পারব না।" সামির বললেন, "নিসার পরিবার কি জানে?মানে সকালে যে পুলিশের দলবল নিয়ে এসেছিল তারা, তখন কি তাদের সব বলে দিয়েছিলি? " প্রণয় বলল, "তখন পর্যন্ত তো কিছুই জানত না তারা।আর না আমরা কাউকে বলেছি তবে এখন নিসার থেকে সব জেনে গিয়েছে কি-না সেটা বলতে পারব না।" "এতবড় একটা সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ভবিষ্যতের কথা ভাবা উচিৎ ছিল তোর।তুই নিজেই একটা স্টুডেন্ট। নিজের খাবার খরচই জোগাতে পারিস না,বউয়ের খরচ কীভাবে জোগাবি?শুধু যে খাওয়ার খরচ সেটাও তো না... ওষুধপত্র,কাপড়-চোপড়,বাড়িভাড়া ইত্যাদি। ওহো তারউপর আবার বউয়ের পড়ালেখার খরচও তো আছে!কীভাবে সামাল দিবি ভেবে দেখেছিস?" প্রণয় কোনো কথা বলছে না,চুপচাপ মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এদিকে সামির প্রণয়ের নিরবতা দেখে বললেন, "গাড়িতে উঠ।" "কেন ভাইয়া?" "বিয়ে যখন করেই ফেলেছিস,ওই পরিবার নামক জেলখানায় বউকে তো আর একা রাখা যাবে না।পাশে তোকে পেলেও মনে সাহস পাবে। আর মানুষের যে কটুকথা ছিড়ি, অল্প বয়সের মেয়েটা সেই কথার ধাঁর একা বহনও করতে পারবে না।" সামিরের কথা শুনে প্রণয়ের চোখেমুখে মুহূর্তের মাঝে হাসির ঝলক ফুটে উঠল। সেই হাসি দেখে নিতু বললেন, "না হেসে দ্রুত গাড়িতে উঠেন দেবরজি। আমার জা কে তো বিপদ থেকে মুক্ত করতে হবে তাই না?" সামির এবার লজ্জায় মুখ টিপে হেসে দ্রুত গাড়িতে বসে পড়ল। . . চলবে...

@Safwan

কারন কারণ এ যুক্তিটির আকার পূর্বোক্ত যুক্তিটির আকারের অনুরূপ। যদিও উভয় যুক্তির বিষয়বস্তু ভিন্ন। | বস্তুত দুটি যুক্তিরই বৈধ আকার হলাে AII M is P AII S is M ..AII S is P তার আশ্রয়বচন সিদ্ধান্ত বৈধ যুক্তির সত্য মিথ্যা হলে আকার এরূপ সিদ্ধান্ত কখনাে এমন আবশ্যিকভাবে হতে হবে পারে যে, না যুক্তিটির সত্য। যদি হবে এরূপ। অন্তর্গত একইভাবে হয় যে তাহলে কোনাে আশ্রয়বচন বাস্তব অবৈধ সত্য দৃষ্টান্তে অথচ | আর দৃষ্টান্তই সেই অবৈধ অবৈধ হবে যুক্তির। যেমন আকারটিও, অবৈধ হবে এবং সেই অবৈধ আকারের যুক্তি যে কোনো হবে। সুতরাং সকল কবি সকল হয় মানুষ মানুষ। কবি এ হয় যুক্তির আশ্রয়বচন সত্য মানুষ হলেই কিন্তু যে কেউ হবে- একথা সিদ্ধান্ত কবি মিথ্যা কারণ কবিরা সঠিক নয়। মানুষ একথা সত্য।

@Safwan

Tokecailastpart #তোকে চাই❤ ....... (সিজন-২) #write: #part: শেষ প সারাদিন হৈ-হুল্লোড় করে খেতে বসেছে সবাই। জেনি খাওয়ার থেকে এদিক-ওদিকই তাকাচ্ছে বেশি। দ্বিতীয় সারির এক কোণায় বসে আছে অসম্ভব মিষ্টি একটি মেয়ে। তারপাশে বসে আছে পাঁচ / ছয় বছরের একটি ছেলে। জেনি অবাক হয়ে খেয়াল করলো ছেলেটি খুব যত্ন করে মেয়েটির মুখে খাবার তুলে দিচ্ছে। ছেলের কান্ড দেখে মেয়েটি হাসছে তারসাথে চোখদুটোতে টলমল করছে স্বচ্ছ জল। মুখে হাসি, চোখে জল কি অদ্ভুত সৌন্দর্য! জেনি চোখ ঘুরিয়ে শুভ্রর দিকে তাকালো। শুভ্র শেরওয়ানির হাতা কনুই পর্যন্ত গোটিয়ে নিজে খাচ্ছে সাথে সাথে মেয়েকেও খাওয়াচ্ছে। রোদ খাওয়া ছেড়ে পাশে বসে একদৃষ্টিতে বরের দিকে তাকিয়ে আছে। শুভ্র এক-দুইবার আড়চোখে তাকাচ্ছে পরমুহূর্তেই নিজের কাজে মন দিচ্ছে। তাদের পাশেই বসেছে সাহেল, নাবিলা আর সাদাফ। বাবা-মার মাঝখানে বসে নিজের মতো করে চুপচাপ খাচ্ছে সাদাফ। যদিও টেবিল পর্যন্ত পৌঁছোতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে তাকে। নাবিলার পাশে বসেছে রুহি,অভ্র আর আদ্র-রোদ্র। জেনি বেশ খেয়াল করে দেখেছে আদ্র-রোদ্র হাজার দুষ্টামি করলেও কখনোই একজন আরেকজনের বিপক্ষে কথা বলে না। তাদের কাজ, কথা সব একদিকে। মাথায় হালকা কুকরানো চুলের ছেলেটা হলো রোদ্র। আদ্র থেকে কয়েক ধাপ বেশিই দুষ্টু সে। সারাদিন উল্টোপাল্টা কাজ করতেই বেশি পছন্দ তার। আদ্র ঠিক তার উল্টো। সবসময় ভাইয়ের সাথে সাথে থাকলেও বেশ ঠান্ডা মেজাজের ছেলে সে। ভাইকে বকার হাত থেকে বাঁচানোই তার প্রধান কাজ। জেনির ডানপাশে বসেছে চিত্রা, শিশির। চিত্রা খাওয়া ছেড়ে বসে আছে। ক্ষুধা পেলেও খেতে পারছে না সে, কেমন একটা গা গুলাচ্ছে। শিশির স্ত্রীর দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে এটা ওটা জিগ্যেস করছে। জেনিদের পাশের টেবিলে বসেছে সাকিব,রাতুল,শ্রেয়া, শ্রেয়ার হাজবেন্ড,আহান,রুহোন,সাব্বির সহ তাদের বউ । সবার ছোট্ট ছোট্ট বিষয়গুলোও খেয়াল করে দেখছে জেনি যেন ইউএস চলে যাওয়ার পর এই মিষ্টি স্মৃতি আর খুঁনসুটিগুলো লেগে থাকে তার মনের কোণায়। খাওয়া শেষ করে হাত ধুতে গিয়ে বাঁধলো এক বিপত্তি। একটা বাচ্চার হাতের আইসক্রিমে মাখামাখি হলো শুভ্রর শেরওয়ানি। বাচ্চাটি ভয়ে মুখ কালো করে বলে, --- সরি স্যার। আমি বুঝতে পারি নি। জেনি খেয়াল করে দেখে, এটাই সেই ছেলে যে ছেলেটা খাবার সাইডে মায়ের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছিলো। শুভ্র বাচ্চাটির মাথায় হাত রেখে চুলগুলো হালকা ঝাঁকিয়ে দিয়ে বলে উঠে, --- ব্যাপার না চ্যাম্প। বিয়ে বাড়িতে এমন একটু আধটু হয়। কিন্তু তোমার আইসক্রিমটা যে নষ্ট হয়ে গেলো..... ছেলেটি চোখ তুলে তাকায়। শুভ্রর স্নেহভরা কন্ঠে ভয়টা অনেকটাই কেটে গেছে তার। শুভ্র হাসিমুখে জিগ্যেস করে, --- নাম কি বাবু? --- শুভ্রব আহমেদ। শুভ্র চমকে উঠে বললো, --- আরে, তোমার নামটা তো দেখি আমার নামের জমজ ভাই। শুভ্রব উৎসাহ নিয়ে বলে, --- আপনার নাম কি, স্যার? --- আমার নাম শুভ্র। আর স্যার বলছো কেন?আমি কি গণিতের রাগী টিচার? স্যার শুনতে একদমই ভালো লাগছে না। তুমি বরং আমাকে চাচ্চু বলতে পারো। ছেলেটি হাসিমুখে বলে, --- আমার বাবার নামও শুভ্র। শুভ্র আহমেদ। শুভ্র কিছু বলবে তার আগেই হন্তদন্ত হয়ে অনেকটাই ছুঁটে আসে একটি মেয়ে। ছেলের হাত ধরে শুভ্রর শেরওয়ানির দিকে তাকিয়ে অপরাধী গলায় বলে, --- আই এক্সট্রেমলি সরি ভাইয়া। ও হয়তো বেখেয়ালিতে এমনটা করেছে। সরি... শুভ্র হেসে বলে, --- ইট'স ওকে। বাচ্চায় তো। আপনাকে কোথাও যেনো দেখেছি আমি। কিন্তু কোথায় দেখেছি তা এই মুহূর্তে ঠিক মনে পড়ছে না। শুভ্রর পেছন থেকে হুট করেই বলে উঠে জেনি, --- নীরা? শুভ্র আহমেদের স্ত্রী নীরা আহমেদ আপনি? নীরা বেশ অবাক হয়। বিস্ময় নিয়ে বলে, --- হ্যাঁ কিন্তু আপনি কিভাবে... জেনি হাসে। শুভ্রকে উদ্দেশ্য করে বলে, --- শুভ্র সাহেব? আপনি আর রোদ উনাকে হসপিটালে দেখেছিলেন। বিয়ের কিছুদিন পর যখন আপনার এক্সিডেন্ট হয় তখন। মনে পড়েছে? শুভ্র অবাক হয়ে জেনির দিকে তাকায়। পরমুহূর্তেই হেসে উঠে বলে, --- হ্যাঁ মনে পড়েছে। আমাদের থেকে আমাদের লাইফের ঘটনাগুলো আপনারই বেশি মনে আছে দেখছি। এনিওয়ে, মিসেস নীরা, আমি আবরার আহমেদ শুভ্র। আপনার হাজবেন্ড আর আমার একইদিনে এক্সিডেন্ট হয়েছিলো। আমার ভাগ্য ভালো ছিলো তাই হয়তো আমি বেঁচে গিয়েছি। তখন হয়তো চ্যাম্প পৃথিবীতে আসে নি। মাত্র দু'মাসের ছিলো। তাই না? স্বামীর কথা মনে পড়তেই চোখ ভিজে এলো নীরার। তবে কারো চোখে পড়ার আগেই নিজেকে সামলে নিয়ে হাসি ফুটালো মুখে। এই হাসিটা নিয়েই তো বেঁচে আছে সে। শুভ্রর মৃত্যুর পর কতো ঝড়ঝাপটায় না গিয়েছে তার উপর। একদিকে বিয়ের চাপ অন্যদিকে এভোরশন করার চাপ। সবার এক কথা বাপ ছাড়া বাচ্চা পালা এতো সহজ নয়। তার থেকে বাচ্চাটা ফেলে দিয়ে নতুন করে জীবন সাজাও। সারাজীবন কি বাপের বাড়ি বা শশুড়বাড়ির বোঝ হয়ে থাকবে? নীরা বোঝ হয়ে থাকে নি। বাচ্চাও নষ্ট করে নি তবে বাবা-মা, আত্মীয় সবাইকে ছেড়ে দিয়েছে। ফ্রেন্ডের সাহায্যে প্রাইভেট ফার্মে জব নিয়ে একা চলতে শিখেছে। তার শুভ্রর চিন্হকে বুকে আগলে কষ্টের মাঝেও হাসতে শিখেছে। আজ শুভ্রবের দিকে তাকালে শুভ্রর প্রতিচ্ছবিই দেখতে পায় সে। মায়ের প্রতিটি দুঃখের সঙ্গী হয়েছে সে। এই ছোট্ট বয়সেই বুঝে নিয়েছে তাদের কেউ নেই। সে ছাড়া তার মার আর কেউ নেই। কেউ না। নীরা মুচকি হেসে ছেলের মাথায় চুমু দিয়ে বলে, --- সরি! আসলে, আমি সেদিন খেয়াল করি নি আপনাদের। --- আপনি যে পরিস্থিতিতে ছিলেন তাতে খেয়াল না করাটাই স্বাভাবিক। বাদ দিন সেসব কথা। তো চ্যাম্প? কোন ক্লাসে পড়ো? --- ক্লাস ওয়ান। --- গুড। আমার জন্য যে তোমার আইসক্রিমটা নষ্ট হলো তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে আমি কি তোমায় একটা আইসক্রিম কিনে দিতে পারি? শুভ্রর কথার মাঝেই দৌঁড়ে আসে শুভ্রতা। তার পিছু পিছু রোদ। শুভ্রতা বাবার শেরওয়ানির কোণা ধরে টেনে নিজের অস্তিত্বের জানান দেয়। শুভ্র হেসে শুভ্রতাকে কোলে তোলে নিয়ে শুভ্রবকে ইশারা করে বলে, --- আম্মু? ওটা তোমার ভাইয়া হয়। শুভ্রতা অবাক চোখে তাকিয়ে বলে, --- আলেকতা ভাইয়া? --- হু। আরেকটা ভাইয়া। --- ভায়ো ভাইয়া না পঁতা ভাইয়া? --- অনেক ভালো ভাইয়া। ওর নাম শুভ্রব। ভাইয়াকে হ্যালো বলো। শুভ্রতা শুভ্রবের দিকে তাকিয়ে হাসে। হাসিমুখে বলে, --- হ্যায়ো ভাইয়া। আমি শুভ্ভতা। নীরা হাসে। দু'পা এগিয়ে শুভ্রতার সামনে এসে দাঁড়ায়। ডান গালটা টেনে দিয়ে বলে, --- অনেক কিউট তো। একদম আপনার মতো হয়েছে। শুভ্র হেসে বলে, --- সবাই তাই বলে তবে আমার মনে হয় ও ওর মায়ের মতো হয়েছে। নীরা হেসে শুভ্রতাকে জিগ্যেস করে, --- মামনি? তোমার কয়টা ভাইয়া? শুভ্রতা কিছুক্ষণ ভেবে বলে, --- এতুগুলা। --- আচ্ছা? নাম কি তোমার ভাইদের? --- অাদ্দ ভাইয়া,রোদ্দ ভাইয়া, সাতাপ ভাইয়া আর এই নুতুন ভাইয়া। নীরা হেসে আবারও গাল টানে। শুভ্র পাশে তাকিয়ে রোদকে ইশারা করে বলে, --- মিট মাই ওয়াইফ, রোদেলা। ইরা রোদের সাথে কুশল বিনিময় করে হাসিমুখে বলে, --- কি মুশকিল! বাচ্চার মাকে দেখলে মনে হয় বাচ্চা তার মার মতো হয়েছে আবার বাবাকে দেখলে মনে হয় বাচ্চা তার বাবার মতো হয়েছে.... আসলে কার মতো হয়েছে বলুন তো? নীরার কথায় শব্দ করে হেসে উঠে সবাই। নীরাকে বাড়িতে আসার নিমন্ত্রণ জানিয়ে বউ নিয়ে বিদায় নেয় তারা। বাসায় ফিরে বউকে ড্রয়িং রুমে বসানো হলে বেশ কয়েকটা ছবি তোলে নেয় জেনি। বউয়ের নাম আফসানা রূপ। বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী সে। শান্ত মেজাজের গোলগাল মিষ্টি একটি মেয়ে। রাত ১২ টার দিকে বাসর ঘরের দরজায় ভীর জমায় সবাই। দরজায় উঁকিঝুঁকিতে মেতে উঠে রোদ-রুহিসহ রাতুল- সাকিবও। হ্যারিও দু'একবার কান পেতেছে। রোদরা যে উদ্দেশ্যে কান পেতেছে সেজন্য নয় ছেলে-মেয়েরা কি শোনার চেষ্টা করছে তা বোঝার জন্যই কান পেতেছে সে। কিন্তু আফসোস! কিছুই কানে আসে নি তার। অভ্র,শুভ্র, শিশির আর সাহেল কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে আছে। শালার বিয়ে হলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করা গেলেও রাহাতের বিয়েতে তা সম্ভব নয়। রাহাত সম্পর্কে ওদের দু'জনেরই বড়। বউয়ের বড় ভাই বলে কথা! শিশির সবসময়ই ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ, তাই এসব বিষয় থেকে দূরে থাকাটাই বেশি পছন্দ করে সে। তার বউ দরজার সামনে কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে বলেই এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে তাকে। শুভ্র,অভ্র এগোয়নি বলে সাহেলও আর যায় নি সেদিকে। ঘুমন্ত ছেলেকে কোলে নিয়ে চুপচাপ নাবিলার জন্য অপেক্ষা করছে সে। 🍁 রাত একটার দিকে রুমে ঢুকে শুভ্র। রোদ জানালার গ্রিল ধরে তাকিয়ে ছিলো আকাশে। শুভ্র পা টিপে রোদের পেছনে গিয়ে দাঁড়ায়। দু'হাতে কোমর জড়িয়ে ঘাড়ে মুখ লুকায় । সাথে সাথেই কেঁপে উঠে রোদ৷ শুভ্র ধীর গলায় বলে, --- কাহিনী কি রোদপাখি? আজ সারাদিন চুপিচুপি দেখছিলে আমায়। নতুন করে প্রেমে পড়ছো নাকি? রোদ ঘুরে দাঁড়ায়। শুভ্রর গলা জড়িয়ে ধরে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকায়। টলমলে চোখে বলে, --- ছেলেদের এতো বেশি সুন্দর মানায় না শুভ্র সাহেব। সৌন্দর্য মেয়েদের জন্য... প্রকৃতি কিন্তু এই অবিচার মানবে না জাহাপনা। শুভ্র হাসে। কোমরের বাঁধন আরো শক্ত করে কপালে কপাল ঠেকিয়ে বলে, --- না মানলে নেই। সুন্দরী বউয়ের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য একটু আধটু অবিচারে ক্ষতি নেই বেগম সাহেবা। কিন্তু মহারাণীর গাল বেয়ে পানি গড়ালেই মহারাজের ক্ষতি হয়ে যাবে খুব। রোদ হাসে। সাথে সাথেই গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ে জল। শুভ্র বিরক্ত হয়ে বলে, --- কাঁদছো কেন? এটা কাঁদার মতো কিছু হলো? --- আপনি আমায় এতো ভালো কেন বাসেন মাস্টারমশাই? একটু কম ভালোবাসতে পারেন না? ভয় লাগে খুব৷ মার ঘরের পাশ থেকে আসার সময় শুনলাম আমি কোমায় থাকতে খুব রাগারাগি করেছিলেন ওদের সাথে। শুভ্র রোদকে ছেড়ে সরে দাঁড়ায়। বিছানায় বসে গম্ভীর মুখে বলে, --- রাগারাগি কিছুই করিনি। শুধু বলেছি আমার বউ-বাচ্চা থেকে দূরে থাকুন। তাদের জন্য আমি একাই যথেষ্ট। রোদ শুভ্রর পাশে বসে কাঁধে মাথা রাখে। ডানহাতটা শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলে, --- আমি খুব করে চাই শুভ্রতা আপনার মতো হোক। কঠিন পরিস্থিতিতে শক্ত হতে শিখুক।আপনার জায়গায় আমি থাকলে ভেঙে পড়তাম। কেঁদে কেটেই শেষ হয়ে যেতাম। শুভ্র রোদের মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে হাসে। বলে, --- একদম না। তুমি আরো বেশি পারতে রোদু। কারণ মেয়েদের সহ্য শক্তি ছেলেদের থেকে ঢের বেশি। কঠিন পরিস্থিতিতে দুর্বল মেয়েটাও হুট করেই কঠিন হয়ে ওঠে। আমি শক্ত ছিলাম না রোদপাখি, তোমাতে সিক্ত ছিলাম মাত্র। শুভ্রতাকে ঘুম পাড়িয়ে রাতে তোমার ঘুমন্ত মুখটা দেখলেই ঠান্ডা হয়ে যেতো বুক৷ তবুও মাঝে মাঝে হাঁপিয়ে উঠতাম। তোমার কন্ঠ শোনার জন্য পাগল হয়ে উঠতাম। তখন নিজেকে খুব অসহায় লাগতো। খুব বেশি অসহায়। তখন তোমার বুকে মুখ গুঁজে শুয়ে থাকতাম। তোমার হৃদস্পন্দনের তালে তালে যেন তোমার কন্ঠ ভেসে বেড়াতো। হাজারও কথা বলতো কানে কানে। এটুকু বলে দীর্ঘশ্বাস ফেলে শুভ্র। রোদকে শক্ত করে নিজের সাথে জড়িয়ে নিয়ে কাঁপা গলায় বলে, --- তোমার হৃদস্পন্দন সবসময় একটা ধ্বনিই করতো "তোকে চাই" "তোকে চাই" এবং "তোকেই চাই"। আমিও শুধু তোকেই চাই রোদপাখি। জীবনের শেষ মুহূর্তেও তোমার হৃদস্পন্দনের তালে এই শব্দটাই শুনতে চাই। রোদের চোখ জলে ভেসে উঠে। সাথে সাথেই করাঘাত পড়ে দরজায়। দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে দরজা খুলতে পা বাড়ায় রোদ। শুভ্রতাকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন রোদর মা। রোদকে দেখে ইতস্তত গলায় বলেন, --- হঠাৎ জেগে ওঠে বলে, আম্মু যাবো। কিছুতেই রাখতে পারছিলাম না রে... রোদ হেসে মায়ের কোল থেকে শুভ্রতাকে নিয়ে বলে, --- আগেই বলেছিলাম,থাকবে না। শুনলে না তো। মাকে বিদায় দিয়ে দরজা লাগিয়ে মেয়েকে নিয়ে বিছানায় আসে রোদ। নানুকে এতো জ্বালিয়ে মায়ের কোলে আসা মাত্রই ঘুমিয়ে পড়েছে মেয়েটা।মেয়েকে শুইয়ে পাশে শুতেই পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে আদুরে গলায় বলে উঠে শুভ্র, --- আমারও ঘুম পাচ্ছে। আমাকেও ঘুম পাড়াও রোদপাখি। রোদ হেসে ওঠে। শুভ্রও মুচকি হেসে মুখ ডুবায় তার ঘাড়ে। রাত প্রায় তিনটা৷ ঘড়ির আওয়াজে ঘুম ভেঙে যায় রোদেলার। দু'পাশ থেকে দুজন আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রেখেছে তাকে। মেয়ের হাত সহজে ছাড়ানো গেলেও মেয়ের বাপের হাত ছাড়ানো মহামুশকিল। অনেক কৌশলে হাত ছাড়িয়ে উঠে বসে রোদেলা। জানালার হালকা গোলাপী পর্দাটা সরিয়ে দেয় সে। বাইরের ঝিরিঝিরি বাতাস এসে লাগছে মুখে-চোখে। জানালার পাশে থাকা টেবিলে চেয়ার টেনে বসে রোদেলা। প্রাণভরে শ্বাস টেনে নিয়ে টেবিল ল্যাম্পটা জ্বালিয়ে দেয়। ব্যাগ থেকে ডায়েরীটা বের করে আবারও লিখতে বসে সে। হাজারও জল্পনা-কল্পনা আর অনুভূতিগুলো সাজাতে থাকে সাদা কাগজে। হয়তো অনেক অনেক বছর পর এই অনুভূতিগুলোই হয়ে উঠবে ভালোবাসাময় কিছু স্মৃতি। মনে করিয়ে দিবে যৌবনের হাজারও বাসনা আর লাজুক ভালোবাসাকে। ছোট্ট ছোট্ট খুনশুটি, আবেগের তাড়নায় ভাসা ফোঁটা ফোঁটা কান্না। _____________**সমাপ্ত** ______________ (এতোটা ধৈর্য ধরে পাশে থাকার জন্য প্রত্যেকটা পাঠককে লেখিকার সুপ্ত ভালোবাসা। কল্পনা,জল্পনা আর ভালোবাসাময় এই গল্পের অনেককিছুই অনেকের মনকে ছুঁয়ে দিতে পারে নি। কারো কাছে মনে হয়েছে এটা নিছকই একটা সিরিয়াল। তাদেরকেও অসংখ্য ভালোবাসা পাশে থাকার জন্য। বাস্তব জীবনটা আসলেই এতোটা সুন্দর হয় না তবে আমরা চেষ্টা করলে জীবনটা একটু হলেও নিজের মতো করে, ভালোবাসায় পূর্ণ করে সাজিয়ে তুলতে পারি। সবার সাথে হাসিতে মেতে ওঠে কষ্টগুলোকে দূরে ঠেলে দিতে পারি। আপনার অন্যকে বোঝার একটু চেষ্টাও এনে দিতে পারে অনেক প্রশান্তি। "তোকে চাই" অনেকটাই রূপকথার মতো। রূপকথার আদলে লেখা ভালোবাসার গল্প। সবাই ভালো থাকবেন। ভালোবাসাময় এই জীবনটাকে ভালোবেসে সবটা উপভোগ করবেন। এই আশায় বিদায় নিচ্ছি। ধন্যবাদ❤)

@Safwan

Bocon ৬. কোনাে যুক্তির আশ্রয়বচন মিথ্যা হয়ে সিদ্ধান্ত সত্য হলে যুক্তি অবৈধ হতে পারে। যেমন সকল স্তন্যপায়ী প্রাণির পাখা আছে। সকল তিমির পাখা আছে। সুতরাং সকল তিমি স্থন্যপায়ী। এ যুক্তির সিদ্ধান্ত সত্য হলেও যুক্তিটি অবৈধ হয়েছে। কারণ আশ্রয়বচন থেকে সিদ্ধান্ত। অনুমানের ক্ষেত্রে যুক্তিটি যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেনি। ৭. কোনাে যুক্তির সবগুলাে বচন মিথ্যা হলে যুক্তি অবৈধ হতে পারে। যেমন, সব স্তন্যপায়ী প্রাণির পাখা আছে। সব তিমির পাখা আছে। সুতরাং সব স্তন্য প্রাণি হচ্ছে তিমি ।। এ যুক্তির সবগুলাে বচনই মিথ্যা, কারণ বচনগুলাে বাস্তবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এক হয়নি যুক্তিটি। অবৈধ, কারণ যুক্তিটির সিদ্ধান্ত আশ্রয়বচনদ্বয় থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে নিঃসৃত করেছেন উল্লেখ্য, যেখানে যে, আশ্রয়বচন কপি আলােচ্য ও সিদ্ধান্তের দৃষ্টান্তগুলােকে সত্য-মিথ্যার বৈধ সংমিশ্রণের ও অবৈধ- বিষয়টি এ দুটি ব্যক্ত ছকে হয়েছে প্রকাশ। অবৈধ যুক্তি সত্য সিদ্ধান্ত মিথ্যা সিদ্ধান্ত মিথ্যা সত্য আশ্রয়বচন আশ্রয়বচন। দৃষ্টান্ত -৩ দৃষ্টান্ত -৪ দৃষ্টান্ত -৬ দৃষ্টান্ত -৭ বৈধ যুক্তি সত্য সত্য সিদ্ধান্ত। মিথ্যা সিদ্ধান্ত আশ্রয়বচন। মিথ্যা আশ্রয়বচন দৃষ্টান্ত -১ দৃষ্টান্ত -৫ দৃষ্টান্ত -২

@Safwan

Zukti এ যুক্তির অন্তর্গত প্রতিটি বচনই সত্য। কিন্তু তারপরও যুক্তিটি অবৈধ হয়েছে। কারণ যুক্তিটির সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্য থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে অনুসৃত হয়নি। এ যুক্তিতে আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্তের সম্পর্ক অনিবার্য নয়। কারণ, ফোর্টনক্সের সব সব স্বর্ণের

@Safwan

প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা এ বচনটি সত্য। কারণ বাস্তবিকই প্যারিসে । অবস্থান প্যারিসে'- ‘ পক্ষিরাজ ঘােড়া উড়তে পারে ’-এ বচনটি মিথ্যা। । আইফেল ‘ আইফেল টাওয়ার টাওয়ারের রয়েছে। অন্যদিকে উড়তে পারে এমন পক্ষিরাজ কোনাে ঘােড়ার আমরা কোথাও অভিজ্ঞতায় কারণ বাস্তব যুক্তি প্রণয়নে কিছু বিধি অনুসরণ করতে হয়। কোনাে যুক্তির সিদ্ধান্ত যদি . অস্তিত্ব খুঁজে পাইনি।। । যুক্তিবিদ্যায় নিঃসৃত হয় তাহলে যুক্তিটি বৈধ হবে। বৈধ যুক্তির ক্ষেত্রে | আশ্রয়বচন থেকে বিধিসম্মতভাবে। । আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্তের মধ্যে এমন সম্বন্ধ থাকে যে, আশ্রয়বচন সত্য বা মিথ্যা যা-ই হোক স্বীকার করলে সিদ্ধান্তকে আর অস্বীকার করা যায় না। কাজেই না, কেন নির্ভর আশ্রয়বচনটিকে করে যুক্তির গঠনকাঠামাে বা তার আকারের ওপর। সেক্ষেত্রে কোনাে যুক্তি বৈধ = যুক্তির বৈধতা তার অন্তর্গত বচনগুলাের বাস্তবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়ার ওপর নির্ভর করে। হলে সেই আকারের যে কোনাে যুক্তিই বৈধ হবে। যেমন, সকল মানুষ হয় মরণশীল। সকল দার্শনিক হয় মানুষ। সুতরাং সকল দার্শনিক হয় মরণশীল। এটি একটি বৈধ যুক্তি। কারণ, এর সিদ্ধান্ত আশ্রয়বচনদ্বয় থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে অনুসৃত হয়েছে, এবং যুক্তিটির অন্তর্গত প্রতিটি বচনই সত্য। আবার, সকল মানুষ হয় সম্পদশালী। সকল দরিদ্র হয় মানুষ। সুতরাং সকল দারিদ্র হয় সম্পদশালী। প্রদত্ত যুক্তিটির অন্তর্গত প্রথম আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্ত মিথ্যা হলেও যুক্তিটি বৈধ। কারণ এ যুক্তিটির আকার পূর্বোক্ত যুক্তিটির আকারের অনুরূপ। যদিও উভয় যুক্তির বিষয়বস্তু ভিন্ন। | বস্তুত দুটি যুক্তিরই বৈধ আকার হলাে AII M is P AII S is M ..AII S is P তার আশ্রয়বচন সিদ্ধান্ত বৈধ যুক্তির সত্য মিথ্যা হলে আকার এরূপ সিদ্ধান্ত কখনাে এমন আবশ্যিকভাবে হতে হবে পারে যে, না যুক্তিটির সত্য। যদি হবে এরূপ। অন্তর্গত একইভাবে হয় যে তাহলে কোনাে আশ্রয়বচন বাস্তব অবৈধ সত্য দৃষ্টান্তে অথচ | আর দৃষ্টান্তই সেই অবৈধ অবৈধ হবে যুক্তির। যেমন আকারটিও, অবৈধ হবে এবং সেই অবৈধ আকারের যুক্তি যে কোনো হবে। সুতরাং সকল কবি সকল হয় মানুষ মানুষ। কবি এ হয় যুক্তির আশ্রয়বচন সত্য মানুষ হলেই কিন্তু যে কেউ হবে- একথা সিদ্ধান্ত কবি মিথ্যা কারণ কবিরা সঠিক নয়। মানুষ একথা সত্য।

@Safwan

Kota কথা হজম করতে শিখুন। এটা অনেক বড় গুণ । আপনাকে জীবন জিতাতে সাহায্য করবে কখন তর্কে জিততে যাবেন না এটা সময়ের অপচয় আপনাকে যারা বিশ্বাস করে না তাদের চিন্তা বাদ দিন। নিজেকে বিশ্বাস করুন। নিজের প্রতি বিশ্বাস আপনাকে সবার মাঝে বিশ্বাসই করে তুলবে।🙄🙄

@Safwan

Nature Nature of Argument যুক্তিবিদ্যায় আলােচিত ভাষায় প্রকাশিত রূপ হলাে ‘ অনুমান যুক্তি ’। হচ্ছে কপির জানা মতে থেকে, যুক্তিবিদ্যার অজানায় মূল গমনের কাজ মানসিক প্রক্রিয়া, যার অশুদ্ধ যুক্তিকে পৃথক করা। এ অর্থে যুক্তিবিদ্যার হচ্ছে শুদ্ধ যুক্তি থেকে য, হয় বচনের কোনাে। যেমন সমন্বয়ে বচনসমষ্টির, গঠিত মাধ্যমে যুক্তির অনুমানকে একটি বচন ভাষায় অপরাপর প্রকাশ মূল এক করা আলােচ্য বা হয় একাধিক। বিষয় এক্ষেত্রে হলাে বচন দুই যুক্তি থেকে বা, ততােধিক যেখানে নিঃসৃত সকল মানুষ হয় মরণশীল। | সক্রেটিস হন একজন মানুষ। সুতরাং সক্রেটিস হন মরণশীল। তবে যুক্তির বচনসংখ্যা কত হবে তা অত্যাবশ্যকীয় কোনাে বিচার্য বিষয় নয়। আমাদের বিচার্য হচ্ছে, যুক্তির ক্ষেত্রে আমরা যে বচন বা বচনসমষ্টিকে স্বীকার করি সেই বচন বা বচনসমষ্টির সমন্বয়ে যে সিদ্ধান্তটি পাওয়া যায় তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বিচার করা। অর্থাৎ গৃহীত বচন বা বচনসমষ্টির সমম্বয়ে প্রাপ্ত সিদ্ধান্তের পারস্পরিক সম্বন্ধই যুক্তিবিদ্যার প্রধান ও মৌলিক বিচার্য বিষয়। কাজেই এক বা একাধিক সংযুক্ত আশ্রয় বচন থেকে অনিবার্যভাবে সিদ্ধান্ত হিসেবে একটি বচন নিঃসৃত হলেই তাকে যুক্তি বলে। তবে যুক্তি নির্দিষ্ট কতকগুলাে বচনের সমষ্টি হলেও একে নিছক বচনসমষ্টি বলা যায় না। প্রত্যেকটি যুক্তিরই নির্দিষ্ট একটি কাঠামাে থাকে। আর আশ্রায়বচন ও সিদ্ধান্ত নিয়েই যুক্তির এই কাঠামাে তৈরি হয়। এদিক থেকে প্রত্যেকটি যুক্তিতে আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্ত এদুটি উপাদান বিদ্যমান থাকে। যুক্তি গঠনে গৃহীত বচন বা বচনসমষ্টি হচ্ছে আশ্রয়বচন এবং তা থেকে নিঃসৃত বচনটি হচ্ছে সিদ্ধান্ত। যুক্তিবিদ্যায় আলােচিত বিষয়াবলির মধ্যে অনুমান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কপির মতে, অনুমান হলাে এক বা একাধিক বচনের ভিত্তিতে স্বীকৃত সত্য থেকে অজ্ঞাত সত্যে উপনীত হওয়ার প্রক্রিয়া। যুক্তিবিদ্যার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সিদ্ধান্ত স্বীকৃতি আশ্রয়বচন বা বচনগুলাে থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে নিঃসৃত হয়েছে কি না তা দেখা। সত্য হিসেবে স্বীকৃত আশ্রয়বচন যদি সিদ্ধান্তকে বিধি অনুসারে সমর্থন করে তাহলে অনুমান বৈধ হবে, অন্যথায় অনুমান অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। কাজেই দেখা যাচ্ছে, অনুমানের আঙ্গিক উপাদান

@Safwan

Argument Nature of Argument যুক্তিবিদ্যায় আলােচিত ভাষায় প্রকাশিত রূপ হলাে ‘ অনুমান যুক্তি ’। হচ্ছে কপির জানা মতে থেকে, যুক্তিবিদ্যার অজানায় মূল গমনের কাজ মানসিক প্রক্রিয়া, যার অশুদ্ধ যুক্তিকে পৃথক করা। এ অর্থে যুক্তিবিদ্যার হচ্ছে শুদ্ধ যুক্তি থেকে য, হয় বচনের কোনাে। যেমন সমন্বয়ে বচনসমষ্টির, গঠিত মাধ্যমে যুক্তির অনুমানকে একটি বচন ভাষায় অপরাপর প্রকাশ মূল এক করা আলােচ্য বা হয় একাধিক। বিষয় এক্ষেত্রে হলাে বচন দুই যুক্তি থেকে বা, ততােধিক যেখানে নিঃসৃত সকল মানুষ হয় মরণশীল। | সক্রেটিস হন একজন মানুষ। সুতরাং সক্রেটিস হন মরণশীল। তবে যুক্তির বচনসংখ্যা কত হবে তা অত্যাবশ্যকীয় কোনাে বিচার্য বিষয় নয়। আমাদের বিচার্য হচ্ছে, যুক্তির ক্ষেত্রে আমরা যে বচন বা বচনসমষ্টিকে স্বীকার করি সেই বচন বা বচনসমষ্টির সমন্বয়ে যে সিদ্ধান্তটি পাওয়া যায় তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বিচার করা। অর্থাৎ গৃহীত বচন বা বচনসমষ্টির সমম্বয়ে প্রাপ্ত সিদ্ধান্তের পারস্পরিক সম্বন্ধই যুক্তিবিদ্যার প্রধান ও মৌলিক বিচার্য বিষয়। কাজেই এক বা একাধিক সংযুক্ত আশ্রয় বচন থেকে অনিবার্যভাবে সিদ্ধান্ত হিসেবে একটি বচন নিঃসৃত হলেই তাকে যুক্তি বলে। তবে যুক্তি নির্দিষ্ট কতকগুলাে বচনের সমষ্টি হলেও একে নিছক বচনসমষ্টি বলা যায় না। প্রত্যেকটি যুক্তিরই নির্দিষ্ট একটি কাঠামাে থাকে। আর আশ্রায়বচন ও সিদ্ধান্ত নিয়েই যুক্তির এই কাঠামাে তৈরি হয়। এদিক থেকে প্রত্যেকটি যুক্তিতে আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্ত এদুটি উপাদান বিদ্যমান থাকে। যুক্তি গঠনে গৃহীত বচন বা বচনসমষ্টি হচ্ছে আশ্রয়বচন এবং তা থেকে নিঃসৃত বচনটি হচ্ছে সিদ্ধান্ত। যুক্তিবিদ্যায় আলােচিত বিষয়াবলির মধ্যে অনুমান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কপির মতে, অনুমান হলাে এক বা একাধিক বচনের ভিত্তিতে স্বীকৃত সত্য থেকে অজ্ঞাত সত্যে উপনীত হওয়ার প্রক্রিয়া। যুক্তিবিদ্যার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সিদ্ধান্ত স্বীকৃতি আশ্রয়বচন বা বচনগুলাে থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে নিঃসৃত হয়েছে কি না তা দেখা। সত্য হিসেবে স্বীকৃত আশ্রয়বচন যদি সিদ্ধান্তকে বিধি অনুসারে সমর্থন করে তাহলে অনুমান বৈধ হবে, অন্যথায় অনুমান অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। কাজেই দেখা যাচ্ছে, অনুমানের আঙ্গিক উপাদান

@Safwan

সত্যতা ও বৈধতা সততা | Tার মূল উদ্দেশ্য। অৰধ যুক্তির এ ও বৈধতা Truth and Validity কপির অবৈধতা মতে, সত্যতা ও মিথ্যাত্ব বচনের সাথে জড়িত, যুক্তির সাথে নয়। যুক্তির বৈধতা সাথে জড়িত, বচনের সাথে নয় ক্ষেত্রে। সত্য-মিথ্যাত্ব এবং বৈধতা-ও আর মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে, বৈধ বা অবৈধ মান যুক্তির প্রযােজ্য আর সত্য বা মিথ্যামান অবৈধতার আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য। যুক্তির সাধারণত পারে আবার পদার্থিক সত্য বলতে জগতের অস্তিত্বশীল বিষয়কে বােঝায়। এ অস্তিত্ব মনােজগতরে হতে হতে পারে। এদিক থেকে সত্য আকারগত ও বস্তুগত- এ দু'ধরনের হয়ে থাকে। আকারগত সত্যতার ক্ষেত্রে সত্য বলতে অন্তর্বিরােধহীনতাকে বােঝায়। এরূপ ক্ষেত্রে প্রদত্ত বচনের সত্যতা পরীক্ষার জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রয়ােজন হয় । যেমন, ত্রিভুজ হচ্ছে তিন বাহুর সমাহার’- এ বচন অনুসারে কোনাে কিছু যদি ত্রিভুজ হয় তাহলে তার অবশ্যই তিনটি বাহু থাকবে। আর বস্তুগত সত্যতার ক্ষেত্রে সত্য হচ্ছে বস্তুর সাথে ধারণার অনুরূপতা। এরূপ বচনের সত্যতা বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভরশীল। যেমন, তিমি স্তন্যপায়ী প্রাণি ’। উল্লেখ্য যে, আকারগত সত্যতা আছে এমন বিষয়ের বস্তুগত সত্যতা না-ও থাকতে পারে, কিন্তু যেসব বিষয়ের বস্তুগত সত্যতা আছে তার আকারগত সত্যতা থাকতেই হবে। পূর্বেই বলা হয়েছে যে, সত্যতা বচনের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য। সেক্ষেত্রে কোনাে বচন সত্য হবে বাস্তবের অনুরূপ হলে, আর মিথ্যা হবে বাস্তবের সাথে সঙ্গতিবিহীন হলে। উদাহরণস্বরূপ,

@Safwan

13devil bor #ডেভিল - বর #পর্ব - ১৩ . . 🍁 আঁচল রেহানের ফেইস দেখে না হেসে পারেনা। কেমন বাচ্চা দের মতো আচরণ করছে দেখো। দেখলে তো মনেই হবেনা উনি এক নাম্বারের ডেভিল। আঁচল - আপনি ফ্রেশ হয়ে আসুন প্লিজ। এর মধ্যেই দরজায় কেউ নক করে। আঁচল রেহান কে ছাড়িয়ে উঠে দরজা খুলে দেখে রিমি দাঁড়িয়ে আছে। রিমি - লেবুর রস এনেছিলাম। তুমি খাইয়ে দিতে পারবে ভাইয়াকে? নাকি আমিই খাইয়ে দিবো? (শক্ত গলায়) আঁচল রিমির কথায় বেশ অবাক হয়ে যায়। এতো কঠিন ভাবে কথা বলছে কেনো রিমি! আগে তো কোনো দিন এমন ভাবে কথা বলেনি। রিমি - কি হলো পারবে নাকি তোমার সমস্যা হবে? আঁচল - না না সমস্যা কেনো হবে? আমি পারবো। দিয়ে যাও। রিমি আঁচলের হাতে গ্লাস টা দিয়ে চলে যায়। আঁচল দরজা লক করে রেহানের কাছে আসে.... আঁচল - এইযে শুনুন... এই পানি টা খেয়ে নিন। আঁচলের কথায় রেহানের কোনো হেলদোল নেই। রেহান বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে আছে। আঁচল - একি ঝামেলায় পড়লাম রে বাবা... ইচ্ছে করছে এই অসভ্য টার মাথায় পানি টা ঢেলে দিই। আঁচল গ্লাস টা টেবিলে রেখে রেহান কে সোজা করে। আঁচল - আপনি উঠবেন নাকি না? (রেগে) রেহান উঠে বসে..... আঁচল - নিন এটা খেয়ে নিন। (গ্লাস টা এগিয়ে দিয়ে) রেহান - উহুম... এটা খাবো না। আঁচল - তো কি আমার মাথাটা খাবেন... যত্তোসব। (রেগে) রেহান - না তো। আমি তোমাকে খাবো বেইবি। আঁচলের মাথাটা এবার পুরো গরম হয়ে যায়। আঁচল রেহানের মুখ চেপে ধরে কিছুটা লেবুর রস মুখে ঢেলে দেয়। রেহান মুখ খিচে ফেলে। আঁচল একি ভাবে গ্লাসের পুরোটা লেবুর রস খাইয়ে দিয়ে রেহান কে ধাক্কা দিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকিয়ে দেয়। প্রায় অনেকখন পর রেহান শাওয়ার নিয়ে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে আসে। আঁচল বিছানায় বসে ছিলো। হটাৎ রেহান কে দেখে আঁচল অবাক হয়ে যায়। খালি শরীরে রেহানের সুন্দর্য টা আরও বেড়ে গেছে। আঁচল এক দৃষ্টিতে রেহানের দিকে তাকিয়ে আছে। রেহান ধীরে ধীরে আঁচলের কাছে চলে আসে কিন্তু আঁচল আগের মতোই হা করে তাকিয়ে আছে৷ রেহান - কি গো বউ এভাবে তাকিয়ে আছো যে। আমাকে বেশি হট লাগছে বুঝি! (মুচকি হেসে) রেহানের কথা শুনে আঁচলের ধ্যান ভাঙ্গে। আঁচল তারাতারি করে চোখ নামিয়ে নেয়। রেহান আঁচলের সামনে এসে হাত ধরে টান দিয়ে নিজের সাথে মিশিয়ে নিয়ে কোমড় জড়িয়ে ধরে। রেহানের শরীরে হালকা পানি লেগে থাকায় আঁচল ও কিছুটা ভিজে যায়। আঁচল - কি শুরু করলেন? ছাড়ুন আমায় ভিজে যাচ্ছি তো আমি। রেহান - তো কি হয়েছে ভিজে গেলে যাবা। (আঁচলের ঘাড়ে নাক ঘসে) আঁচল - আপনার কি নেশা কাটেনি নাকি? (রেগে) রেহান - হুম কেটেছে তো। এখন যে তোমার নেশা ধরেছে। আচ্ছা বেইবি একটা কথা বলো তো? আঁচল - কি? রেহান - আজ তো তোমার বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিলো তাই না? তো গেলে না কেনো? আঁচল রেহানের কথা শুনে তেলে ভাজা বেগুন হয়ে যায়। আঁচল - আপনার জন্যই তো আমার যাওয়া হয়নি। আপনি যে সকালে বেরিয়েছেন আর এখন রাত ১১ টার উপরে বাজে এতোখনে এসেছেন। তো আমি কিভাবে যেতাম শুনি। আমি বাড়িতে ফোন দিয়ে না করেছি যেতে পারবো না শরীর ভালো লাগছে না। মা অনেক টা চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। আর এটা নাকি নিয়ম। তাও না করে দিয়েছি। রেহান - আমি নেই তো কি হয়েছে তুমি একাই তো চলে যেতে পারতে তাইনা। অবশ্য আমাকে তো তুমি কেয়ার ও করো না। আমি না থাকলেই তো তোমার জন্য মঙ্গল তাইনা সোনা। আঁচল - হ্যা যেতে পারতাম কিন্তু এটা তো হয়না। নিয়ম তো নিয়ম ই। তাছাড়া মাও আমাকে কথা শুনাতো। তাই যাইনি। রেহান - তাই? নাকি আমাকে ছাড়া থাকতে পারতে না। তাই যাওনি। নিশ্চয় আমাকে মিস করতে তাইনা বেইবি। আঁচল - আগ্গে না। আমার বয়েই গেছে আপনার মতো ডেভিল কে মিস করবো। ছাড়ুন আমায়। আঁচল চলে যেতে নিলেই রেহান আঁচলের কোমড়ে আরও শক্ত করে চেঁপে ধরে। রেহান - জানি তো আমার জন্যই তো যাওনি। (মুচকি হেসে) আঁচল - ওকে বাবা আপনার জন্যই যাইনি। এবার ছাড়ুন। রেহান - বাবা না তো সোনা বর বলো বর। আঁচল বিরক্ত হয়ে রেহান কে হালকা ধাক্কা দিয়ে সরে আসে। আঁচল - দিলেন তো ভিজিয়ে। আপনি আসলে মারাত্মক অসভ্য। এবার চলুন খেয়ে নিবেন। রেহান - খাবো না বেইবি। তুমি খাওনি নিশ্চয়। আমি এসে তো তোমাকে বেলকনিতে পেলাম। আঁচল - আমার ক্ষিদে নেই। আপনি খেয়ে নিবেন চলুন। এমনিতেও সারা দিন খান নি মনে হই। রেহান - ওয়েট আমি এখনি আসছি। আঁচল - আবার কোথায় যাচ্ছেন? রেহান - ওহ মাহহ আমাকে কাছে না পেলে কষ্ট হবে বুঝি? আঁচল - আপনি আসলে একটা..... রেহান - কি গো? (চোখ মেরে) আঁচল - যান তো। যেখানে যেখানে যেতে চাইছিলেন গিয়ে আমাকে রক্ষে করুন প্লিজ যান। রেহান মুচকি হেসে চলে যায়। আঁচল বিছানায় বসে বক বক করেই যাচ্ছে। আস্ত একটা অসভ্য। এ তো আমাকে পুরো জালিয়ে মারবে সারা টা জীবন। কিছুক্ষণ পরই রেহান হাতে প্লেট নিয়ে রুমে আসে। আঁচল - এসব কি? (অবাক হয়ে) রেহান - খাবার এনেছি। আঁচল - কিন্তু কেনো? আর আপনি খাবার পেলেন কোথায় বলুন তো রেহান - আরে বেইবি মা তোমার আর আমার খাবার রেখে দিয়েছিলো। আমি নিয়ে আসলাম। আঁচল - আমি খাবোনা বললাম তো। আপনি খেয়ে নিন। রেহান বিছানায় এসে বসে.... রেহান - নাও হা করো। আঁচল - আপনি কি খাবেন? রেহান - চুপচাপ হা করো (ধমক দিয়ে) আঁচল কথা না বলে হা করে। রেহান আঁচলের মুখে খাবার তুলে দেয়। আঁচল ও বাধ্য মেয়ের মতো খেয়ে নেয়। রেহান - নাও এবার আমাকে খাইয়ে দাও। আঁচল রেহানের কথা বলে হা করে রেহানের দিকে তাকিয়ে থাকে। রেহান - এভাবে হা করে তাকিয়ে না থেকে খাইয়ে দাও। আঁচল - আমি পারবো না। রেহান - ওকে ফাইন। তাহলে আমিও না খেয়ে থাকি। যদিও খুব ক্ষিদে পেয়েছিলো বাট কি আর করার। (অসহায় ভাবে) আঁচল বিরক্ত হয়ে রেহানের মুখের সামনে খাবার তুলে ধরে। রেহান - ( বেইবি দেখি আর কতো দিন তুমি আমার থেকে দূরে দূরে থাকতে পারো। আমি ঠিক আমার ভালোবাসা দিয়ে তোমাকে নিজের করে নিবো দেখে নিও.... মনে মনে) খাওয়া শেষ করে রেহান বলে.... রেহান - বেইবি চলো এক জায়গায় যাই। তোমার খারাপ লাগবে না বরং অনেক খুশি হবে দেখে। চলো.... আঁচল - কোথায়? (অবাক হয়ে) রেহান - আহা চলো তো আগে। গেলেই বুঝবে। আঁচল - এতো রাতে কোথায় যাবো? আপনার মাথা ঠিক আছে তো? রেহান - চুপ করে আমার সাথে চলো। আর হ্যা কোনো শব্দ যেনো না হই। আই মিন কেউ যেনো না জেগে যায়। সবাই বোধহয় ঘুমাচ্ছে। আঁচল - কিন্তু কোথায় যাবো সেটা তো বলুন। রেহান - ছাঁদে যাবো। (মুচকি হেসে) আঁচল - এত রাতে ছাঁদে যাওয়ার কোনো দরকার নেই। তার চেয়ে বরং কাল সকালে যাবেন ওকে। রেহান আঁচলের কথা শুনে হেসে দেয়। রেহান - সকালের আকাশ আর রাতের আকাশ অনেক পার্থক্য আছে সোনা। চলো না। আঁচল আর কথা না বারিয়ে রাজি হয়ে যায়। রেহান - আমার গুলুমুলু বউ টা। (ঢ্যং করে) আঁচল - কিহহ! আমি কি এতোটাই মোটা যে গুলুমুলু বলেছেন? রেহান - আরে বাবা এমনিই বললাম। চলো এবার। রেহান আর আঁচল চুপিচুপি ড্রয়িং রুম দিয়ে বের হয়ে আসে। মেইন দরজার কাছে আসতেই রেহান আঁচলকে কোলে তুলে নেয়। আঁচল - আরেহহ আমার কি পা নেই নাকি। আমি হেটে যেতে পারবো নামান বলছি। রেহান - কথা বললে কোল থেকে ফেলে দিবো। সো চুপ থাকো। চলবে....

@Safwan

সুন্দর গল্প একটি সুন্দর গল্প বলছি _______________ চাইলে ৩০ সেকেন্ড ব্যয় করে পড়তে পারেন, কথা দিলাম আপনার লাভ হবে ক্ষতি হবেনা !! ❂ একদা এক ব্যক্তি লেখা পড়ছিল। হঠাৎ সে ব্যক্তি বলে উঠল, ("সুবহানআল্লাহ") ➽ তারপর সে লেখার নিচের দিকে পড়তে শুরু করল সে বলে উঠল, ("আলহামদুলিল্লাহ") ➽ সে আবার পড়তে শুরু করল এবং বলে উঠল, {"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সঃ)} ﷺ ➽ সে খুবই ভাল অনুভব করতে লাগল এবং বলল, ("আল্লাহ আকবার") ➽ তারপর সে তার নিজের গোনাহ গুলো থেকে পরিত্রান পেতে বলল, ("আসতাগফিরুল্লাহ") ➽ এবং পরিশেষে সে তার প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর উপর দুরুদ পড়ল ("আল্লাহুম্মা সাল্লিআল্লা সায়্যিদিনা মুহাম্মাদ ওয়ালা আ-লি সায়্যিদিনা মাওলানা মুহাম্মাদ) ৷ ➽ উপরোক্ত কাজগুলো করে সে অনেক সওয়াব অর্জন করল। আপনিকি জানেন সেই ব্যক্তিটি কে? ↓↓ ↓↓ সেই ব্যক্তিটি হলেন আপনি নিজেই মাশাআল্লাহ!! -যদি আপনি পড়ে থাকেন কমেন্টে আমিন বলবেন।___

@Safwan

বদরাগী বর৮ #বদরাগী_বর #পার্ট_০৮ এইদিকে, আমি শুয়ে শুয়ে ভাবছি হেলমেট ওয়ালা ছেলেটা আর নিহানের কথা।নিহান দেখতে অনেক টা হিরোর মতোই,ফর্সা, চোখগুলো টানা,চোখের মণি কালো,সিল্কি,এলোমেলো চুল,খোচা খোচা দাড়ি।রক্তের কালারের ঠোট ওওপস যে কোন মেয়েকে পাগল করার মতো।হাইট তো নিশ্চয়ই ৬ ফুট হবেই।এগুলো ভাবছিলাম আর হাসছিলাম।হঠাৎ নিহানের সাথে আজকে সব ঘটনা মনে পড়ে গেলো।মুহূর্তেই মনের মধ্যে রাগ চলে এলো।এমন সময় রাকিব ভাইয়া দরজায় নক করলোঃ ---কি রে মিষ্টিপাখি একা একা এতো কি ভাবছিস না ঘুমিয়ে? ---না ভাইয়া তেমন কিছু না ভেতরে আয়। ---আমার কথায় রাকিব ভাইয়া ভেতরে এসে আমার সামনাসামনি বসলো এবং বললো, ---ঘুমাস নি কেন বরের কথা মনে পড়ছে নাকি? ---ওহ ভাইয়া প্লিজ এই টপিক বাদ দিবি? ---আচ্ছা দিলাম এখন বল তো আজ কি কি করলি? ---কি আর করবো অনলি রেস্টুরেন্টেই গিয়েছিলাম। ---ওহ আচ্ছা। ---আয়াছা তুই না তখন বলেছিলি যে আসতে পারবি না তাহলে সন্ধ্যায়ই কেমনে আসলি? ---হা হা তোকে একটু আপসেট করার জন্য বলেছিলাম। ---তোকে তো আমি...(রেগে) ---কিছুই করতে পারবি না।(হেসে) তখনই রাকিব ভাইয়ার ফোন এ কল আসে। নামটা অবশ্য আমি দেখি নি ফোন আসতেই রাকিব ভাইয়া বললো, ---আচ্ছা রাহু তুই ঘুমা আমি গেলাম কেমন গুড নাইট। ---গুড নাইট। রাকিব ভাইয়া আমার রুমের লাইট নিভিয়ে চলে গেলো।আমিও আর বেশি কিছু না ভেবে ঘুমিয়ে পড়লাম। ---হেই নিহান কেমন আছিস? ---এইতো ভালো তুই কেমন আছিস? ---ভালো এখন তো ভুলেই গেছিস আমাকে? ---বাজে কথা কম বল মা বাবা আমার বিয়ে ঠিক করে ফেলছে। ---ওয়াট তুই আর বিয়ে লাইক সিরিয়াসলি? ---দেখ রাকিব আমি একদমই মজা করছি না ---হুম তা তো বুঝলাম। এবার তোর বিয়েতে মেয়ে পটাবো দেখিস। ---স্টপ ইট।এনিওয়ে তুই এখন কোথায় আছিস? ---এইতো আজ ঢাকাতে ব্যাক করলাম। ---ওও আচ্ছা তা চল কাল মিট করি? ---আইডিয়া খারাপ না। ---ওকে কাল দেখা হচ্ছে এখন রাখি ঘুম পাচ্ছে।আর কোথায় দেখা করবো তা তো জানিসই। ---হুম তা তো অবশ্যই। ---বাই। বলেই নিহান ঘুমিয়ে পড়লো।পরদিন বিকেলে, আমি আর বৃষ্টি মিলে গল্প করছি।রাকিব ভাইয়া নেই বললো বন্ধুদের সাথে দেখা করতে গিয়েছে।মা কাজ করছে আর বাবা অফিসে।এমন সময়ই নিহানের মায়ের কল আসলো।আমি রিসিভ করলাম। ---আসসালামু ওয়ালাইকুম আন্টি। --- ওয়ালাইকুম আসসালাম কেমন আছো রাহা মা? ---জ্বি ভালো আপনি? ---হ্যা আমিও ভালো। শুনো যেটার জন্য তোমায় কল করেছি ---হ্যা বলুন। ---কাল আমার ছোট ছেলে মানে নিহানের ছোট ভাই এর বাইক রাইড আছে। আমরা সবাই সেখানে যাবো ওকে সাপোর্ট দিতে।আমরা চাইছি তুমিও আমাদের সাথে চলো এতে তোমারও ভালো লাগবে আর মেঘও খুশি হবে। কি বলো তুমি? ----আচ্ছা আন্টি যাবো। ---ওকে তাহলে টাইম মতো রেডি হয়ে থেকো তোমাকে এসে নিয়ে যাবো আমরা কেমন? ---আচ্ছা আন্টি। ---আচ্ছা ভালো থেকো কেমন?বাই ---বাই। বলেই কেটে দিলাম।কেটে দেওয়ার পর আবার বৃষ্টির সাথে কথা বলতে লাগলাম এবং হাসিঠাট্টা করতে লাগলাম। পরদিন রাইডে যাওয়ার জন্য আমি রেডি হচ্ছি। একটা মেরিন কালারের থ্রি পিছ পড়েছি সাথে মেচিং এয়াররিং,গলায় ছোট পেনডেন্ট,হাতে আন্টির দেওয়া চুড়ি,চোখে আইলেনার,ঠোটে হালকা মিষ্টি কালার লিপস্টিক,চুল ছেড়ে দিয়েছি।ব্যাস এতেই আমি রেডি।আয়নায় নিজেকে একবার দেখে নিলাম।খারাও লাগছে না।ভেবেই নিহানের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। এইদিকে, ---নিহান গাড়ি ঘোরা। ---কেন মা?(অবাক হয়ে) ---রাহা কে বিয়ে যাবো। ---কিহ আর ইউ মেড মা কি বলছো এসব?এই মেয়ে কে কেন নিবে?(অবাক হয়ে) ---আমরা যে কারণে যাচ্ছি ঠিক রাহাও সেই কারণেই যাবে।তুমি ওকে নিবা মানে নিবা।এতো প্রশ্ন কিসের হ্যা?(চোখ রাঙিয়ে) ---ওকে মা যাচ্ছি।(গম্ভীর সুরে) নিহানও আর কিছু না বলে মায়ের আদেশ অনুযায়ী গাড়ি ঘুরিয়ে রাহাদের বাসার দিকে যেতে লাগলো।কিছুক্ষণের মধ্যে রাহাদের বাড়ির সামনে এসে পৌছালো এবং হর্ন বাজালো।হর্নের আওয়াজ শুনেই আমি দৌড়ে নিচে গেলাম এবং বাবা মায়ের থেকে বিদায় নিয়ে বাইরে এলাম।এবং দেখলাম নিহান সানগ্লাস লাগিয়ে ড্রাইভিং সিটে বসে আছে এবং আংকেল আন্টি পেছনে। আমি গাড়ির সামবে যেতেই আন্টি বলে উঠলো, ---রাহা মা তুমি সামনের সিটে বসো। ---ওকে আন্টি। বলেই আমি সামনের সিটে বসলাম।নিহানের দিকে ফিরেও তাকালাম না।নিহান ভাবতে লাগলো, ---(এএহ মা বলেছে বলে কিছু না বলেই নির্ললজ্জের মতো বসে পড়লো।স্টুপিড মেয়ে কোথাকার। ভেবেই নিহান আমার দিকে তাকালো এবং হা করে তাকিয়ে রইলো। কিছুক্ষণ পর আন্টি আংকেল বুঝতে পেরে কেশে উঠলো।ওনাদের কাশিতে আমি তাদের দিকে তাকালাম এবং বললাম, --- আপনারা ঠিক আছেন তো? ---হ্যা হ্যা কিন্তু মনে হয় নিহান ঠিক নেই? এই কথা তে নিহান ধ্যান থেকে ফিরে এবং সে আমার থেকে চোখ ফিরে অন্যদিকে তাকিয়ে বলে, ---কেন মা আমার আবার কি হলো? ---না না তেমন কিছু না তুই চল লেট হয়ে যাচ্ছে। নিহান গাড়ি স্টার্ট দিলো।আমি এবার ওনার দিকে তাকালাম।কই সব তো ঠিকি আছে তাহলে আন্টি এই কথা বললো?ওনার দিকে আবার তাকালাম এবং ভালোভাবে তাকিয়ে বুঝলাম ওনার উপর আমি আরেকদফা ক্রাশ খেয়েছি।ব্লেকটি শার্ট, ব্লেক জিন্স,ব্লেক সানগ্লাস , খোচা খোচা দাড়ি,এক হাত দিয়ে ড্রাইভ করছে আরেক হাতে স্টিং ধরে আছে। এই লুক এ ফুল ফিদা। ফিদা হলেও বেশি ক্ষণ ওনার দিকে তাকালাম না। সেদিন এর কথা আমি এখনো ভুলতে পারিনি। এইদিকে, মেঘ রাইড এ যাওয়ার আগে বৃষ্টিদের বাসায় গেলো। তখন বৃষ্টি বাসা থেকে বের হচ্ছিলো। আশেপাশে না তাকিয়েই সোজা রাস্তা পার হতে নিচ্ছিলো। --- আরে মিস সরুন। মেঘের গলা শুনে বৃষ্টি সেদিকে তাকালো এবং দেখলো যে একটা বাইক তার দিকে আসছে। বৃষ্টি ভয়ে সেখানেই দাঁড়িয়ে রইলো চোখ মুখ খিচে, ২কানে ২হাত দিয়ে দিলো এক চিৎকার। মেঘ বাইক ঘুরিয়ে অন্য দিকে নিলো। এতে বৃষ্টি একটুর জন্যই বেচে গেলো। মেঘ হেলমেট খুলে বললো, --- কান্ড জ্ঞান কি নেই নাকি? রাস্তায় কিভাবে চলতে হয় জানোনা...আরেকটু হলে তো উপরে চলে যেতা।(রেগে) --- গেলে গেলাম আপনার কি? আর এইদিকেই বা কেন এসেছেন আপনি?(রেগে) --- এক তো নিজে ভুল করেছো আবার মুখে মুখে তর্ক করো??? --- আচ্ছা সরি এখন আপনি বলেন এইদিকে কি করছেন? ---কি আর করবো এই রাস্তা দিয়েই বন্ধুর বাসায় যাচ্ছিলাম মাঝ পথেই তোমার সাথে দেখা।(ডাহা মিছা কথা) --- ওওও আচ্ছা। --- এনিওয়ে সেদিন তো তোমার নামই জানা হলো না কি নাম তোমার? --- বৃষ্টি আপনার? --- মেঘ। --- ওওও আচ্ছা। --- আচ্ছা আমি এখন যাই কেমন?? আমার বাইক রাইড আছে টাইমলি যেতে হবে বাই। --- বাই এন্ড বেস্ট ওফ লাক।(মুচকি হেসে) মেঘও একটু হাসলো এবং হেলমেট পড়ে সোজা স্টেডিয়াম এ চলে গেলো যেখানে ওর বাইক রাইড হবে সেখানে। . . . . চলবে!!

@Safwan

এক লোক তার স্ত্রীর গায়ে হাত তুললো 💢এক লোক তার স্ত্রীর গায়ে হাত তুললো।💢 💓তাতে রাগ করে স্ত্রী বললো: আমি অভিযোগ করতে যাচ্ছি।❣ ❣স্বামী: তোমাকে বাহিরে যাওয়ার অনুমতি কে দিবে? 💞স্ত্রী: তুমি কি মনে কর যে, তুমি আমাকে বাধা দিতে পারবে? 💢স্বামী: তুমি যা ইচ্ছা তাই কর। দেখি তোমার দৌড় কতটুকু? ❣স্ত্রী সাথে সাথে বাথরুমে ঢুকে পড়লো। তাই লোকটি চিন্তা করলো: হয়তো সে বাথরুমের জানালা দিয়ে বাহিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তাই লোকটি বাসার বাহিরে গিয়ে ভালো ভাবে দেখলো। না..... তেমন কিছু বুঝা যাচ্ছেনা। 💢একটু পর ঘরে এসে দেখলো যে, স্ত্রী ওযু করে বাথরুম থেকে বাহির হয়েছে। লোকটিকে উদ্দেশ্য করে বললো: আমি তার কাছেই অভিযোগ জানাবো যিনি আমাকে তোমার অধিনস্ত বানিয়েছেন। সেখানে তোমার কোন দেয়াল নেই, নেই কোন দরজা যা দিয়ে তুমি আমাকে বাধা দিবে। তার দরজা তো বন্ধ করা যায়না। 💗লোকটি আর কিছু বললোনা। টেনশনে পড়ে গেলো। 💓স্ত্রী লোকটি নামাযে দাড়িয়ে পড়লো। নামাযের মধ্যে সিজদা অনেক লম্বা করে দিলো। সময় গড়িয়ে যাচ্ছে কিন্তু সিজদা তো শেষ হয়না। অনেক ক্ষন পর নামায শেষ হলো।💦 💓নামায যখন শেষ করে স্ত্রী যখন দু’হাত উঠালো তখন লোকটি তার হাত ধরে ফেলে বললো: সিজদায় আমার জন্য যে পরিমাণ বদ দোয়া করেছো তাতে কি যতেষ্ট হয়নি? আল্রাহর শপথ করে বলছি: এই একটু রাগারাগি আমি ইচ্ছা করে করিনি। তুমি আর বদ দোয়া করোনা। প্লীজ!!❤ ❣তখন স্ত্রী বললো: এই জন্যই আমি তোমার জন্য বদ দোয়া করিনি। আমি বদ দোআ করেছি শয়তানের জন্য। আমি কি এতই বলদ যে, আমার স্বামীর জন্য বদ দোয়া করবো। যাকে আমি জীবন দিয়ে ভালোবাসি। 💓কথাটি শুনে লোকটির চোখে অশ্রু চলে আসে। স্ত্রীর হাতে চুমু খেয়ে বললো: আমি তোমাকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি: আর কখনো তোমাকে কষ্ট দিবোনা।💞এর নাম ভালোবাসা💞আমিন🤲

@Safwan

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম। পুরোটা পড়লে আপনি লাভবান হবেন ইনশাআল্লাহ। আমরা সবাই কমবেশি জিকির করি। কিন্তুু জিকিরের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম জিকির হলো " লা- ইলাহা ইল্লালাহু "। এই জিকিরের ফজিলত জানলে আপনার কলিজা শান্তিতে ভরে যাবে ইনশাআল্লাহ। " লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু " এই বাক্যটি সম্পর্কে পাঁচটি হাদিস দেওয়া হলো। ১) রাসুল মুহাম্মদ সাঃ ইরশাদ করেন - কোন ব্যাক্তি যদি "লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু " বাক্যটি পড়তে থাকে তখন বাক্যটি আকাশ সমূহ ছেদ করে আল্লাহর কাছে পৌছায়। আল্লাহ তখন বলে স্থির হও। তখন বাক্যটি বলে - আমি কিভাবে স্থির হবো, যে আমাকে উচ্চারণ করেছে তাকেতো এখনো মাফ করা হয়নি। তখন আল্লাহ বলবেনঃ আমি তোমাকে এমন লোকের জিহবা দিয়ে উচ্চারণ করিয়েছি উচ্চারণের আগেই তাঁকে মাফ করে দিয়েছি। ( হাদিসে কুদসী) ২) হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রাঃ হতে বর্ণিত। রাসুল সাঃ বলেছেনঃ সর্বোত্তম জিকির হলো " লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু " এবং সর্বোত্তম দোয়া হলো " আল-হামদুলিল্লাহ "।( তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, নাসই)। ৩) হযরত মুয়াজ রাঃ হতে বর্ণিত, রাসুল সাঃ বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি খালেস অন্তরে একনিষ্ঠতার সঙ্গে " লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু " পাঠ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। ( মসনদে আহামদ) ৪) হযরত ইতবান বিন মালিক রাঃ হতে বর্ণিত। রাসুল সাঃ বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি একমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য " লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু " বলবে কিয়ামতের দিন সে এমন ভাবে উপস্তিত হবে যে, তার উপর জাহান্নাম হারাম হয়ে গেছে। ( বুখারী, মুসলিম, মুসনদে আহমদী) ৫) হযরত আনাস রাঃ হতে বর্ণিত। রাসুল সাঃ বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা বলবেন হে মুহাম্মদ সৃষ্টির মধ্য হতে আপনার উম্মতের মধ্যকার এমন ব্যাক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করান, যে ব্যাক্তি একদিন হলেও ইখলাসের সাথে সাক্ষ্য দিয়েছে যে " আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই ( লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু) এবং সে এর উপর মৃত্যু বরন করেছে। ( মুসনদে আহমদ)। আপনি লেখাটা পড়তে পড়তে " লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু " মোট ৮ বার পড়ে ফেলেছেন। এই লেখাটা লেখার উদ্দেশ্য হলো আমরা সাধারণত দামী জিনিস এর দিকে বেশি ঝুঁকি। তাই " লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু " যে কত দমী আর সম্মানিত বাক্য তাই একটু স্বরন করিয়ে দিলাম। দৈনিক নামাজের শেষে অনতত তিনবার আমরা পড়ার চেষ্টা করি, বেশি পরতে পাড়লে বেশি পড়ব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ হাফেজ।

@Safwan

নামাজ #গুরুত্বপূর্ণ_প্রশ্ন : আমরা অনেকেই নামাযের মধ্যে মনোযোগ ধরে রাখতে পারি না, নামাযে দাড়ালেই বিভিন্ন চিন্তা-ভাবনা মনের মধ্যে চলে আসে। এক্ষেত্রে কিভাবে নামাযের মধ্যে পূর্ন মনোযোগ ধরে রাখা যাবে? . উত্তর : নামাযের মধ্যে মনোযোগ ধরে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । এর জন্য সবাইকে #৬টি_বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে : . #প্রথম বিষয় : নামাজে ‘খুশু’ বা একাগ্র থাকা ; এটি নামাজের প্রাণ। রাসূললুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ‘আল্লাহর ইবাদত কর এমনভাবে, যেন তাঁকে তুমি দেখতে পাচ্ছ। আর যদি দেখতে না পাও, তবে তিনি যেন তোমাকে দেখছেন।’ (বুখারি হা/৫০; মুসলিম হা/৮; মিশকাত হা/২) . বস্তুত আমাদের মন কখনো বেকার থাকে না; হয় নামাজে থাকে, না হয় অন্যত্র থাকে। নামাজে দাঁড়ালে শয়তান বারবার মানুষের মন ছিনিয়ে নিয়ে যেতে চায়, কিন্তু আমাদেরকে তা ধরে রাখতে হয়। সুতরাং নামাজের শুরু থেকে শেষ পযন্ত এই কল্পনা (মুখে উচ্ছারণ ব্যতিরেকে) ধরে রাখার অনুশীলন করুন যে,’আল্লাহ আমাকে দেখছেন’। দাঁড়ানো থেকে রুকুতে যাবার আগে, রুকু থেকে সিজদায় যাবার আগে কিংবা সিজদা থেকে বসার আগে, প্রত্যেক অবস্থান পরিবর্তনের পূর্বে মনের অবস্থাটা দেখে নিন যে, কল্পনাটা আছে কিনা। না থাকলে আবার নিয়ে আসুন। এভাবে এই অনুশীলনের মাধ্যমে নামাজ শেষ করার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। . রাসুল (সাঃ) বলেন, ‘যে সুন্দরভাবে অজু করে, অতঃপর মন ও শরীর একত্র করে (একাগ্রতার সাথে) দু’রাকআত নামাজ আদায় করে, (অন্য বর্ণনায় এসেছে- যে নামাজে ওয়াসওয়াসা স্থান পায় না) তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। (অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়)। (নাসাঈ হা/১৫১; বুখারি হা/১৯৩৪; মিশকাত হা/২৮৭) . . #দ্বিতীয় বিষয় : নামাজে যা কিছু পাঠ করা হয় তা বিশুদ্ধ উচ্চারণে পড়ার চেষ্টা করুন।এটি অন্তরের উপস্থিতিকে আরো দৃঢ় করে। . অন্তত সূরা ফাতিহা ও তাসবীহগুলোর অর্থ বুঝে পড়ার চেষ্টা করুন।আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘স্পষ্টভাবে ধীরে ধীরে কুরআন তেলাওয়াত কর।’ (মুযযাম্মিল ৪) . রাসূললুল্লাহ (সাঃ) প্রতিটি সূরা তারতীল সহকারে তেলাওয়াত করতেন। (মুসলিম হা/৭৩৩, তিরমিযী হা/৩৭৩) . এ ব্যাপারে রাসূললুল্লাহ (সাঃ) এর নিম্নোক্ত হাদিসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। . যেমন তিনি বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি নামাজ কে আমার এবং আমার বান্দার মাঝে দু’ভাগে ভাগ করেছি। বান্দা আমার কাছে যা কামনা করবে তাই পাবে। যখন আমার বান্দা বলে, (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি সারা জাহানের মালিক)। তখন আল্লাহ বলেন, (বান্দা আমার প্রশংসা করল)। যখন বলে, (পরম করুণাময় অসীম দয়াবান) আল্লাহ বলেন, (বান্দা আমার গুণগান করল)। যখন বলে, (বিচার দিবসের মালিক) আল্লাহ বলেন, (বান্দা আমার যথাযথ মর্যাদা দান করল)। যখন বলে, (আমরা কেবলমাত্র আপনারই ইবাদত করি এবং কেবলমাত্র আপনারই সাহায্য প্রার্থনা করি)। আল্লাহ বলেন, (এটি আমার ও আমার বান্দার মাঝে, আর আমার বান্দা যা চাইবে, তাই পাবে)। যখন বলে, (আপনি আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন। এমন ব্যক্তিদের পথ, যাদেরকে আপনি পুরস্কৃত করেছেন। তাদের পথ নয়, যারা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট হয়েছে)। আল্লাহ তাআলা বলেন, (এটা আমার বান্দার জন্য, আর আমার বান্দা যা প্রার্থনা করবে তাই পাবে)। (মুসলিম হা/৩৯৫; মিশকাত হা/৮২৩) . #তৃতীয় বিষয় : নামাজে আল্লাহর প্রতি ‘তাযীম’ বা ভক্তি-শ্রদ্ধা প্রদর্শন করুন।কেননা, আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, ‘তোমরা আল্লাহর সম্মুখে দণ্ডায়মান হও বিনীতভাবে’ (বাকারাহ ২/২৩৮) . কাজেই ধীর-স্থিরতা অবলম্বন করুন। আবু কাতাদা (রা.)হতে বর্ণিত, রাসূললুল্লাহ (সাঃ)বলেন, ‘নিকৃষ্টতম চোর হল সেই ব্যক্তি, যে নামাজে চুরি করে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! নামাজে কিভাবে চুরি করে? তিনি বললেন, ‘যে রুকু-সিজদা পূর্ণভাবে আদায় করে না’। (আহমাদ ; মিশকাত হা/৮৮৫ ) . #চতুর্থ বিষয় : নামাজে দাঁড়িয়ে আল্লাহতায়ালাকে ভয় করুন। ভাবুন, এই নামাজই হয়তোবা আপনার জীবনের শেষ নামাজ। রাসূললুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকটে জনৈক ব্যক্তি সংক্ষিপ্ত উপদেশ কামনা করলে তিনি তাকে বললেন, ‘যখন তুমি নামাজে দন্ডায়মান হবে, তখন এমনভাবে নামাজ আদায় কর, যেন এটিই তোমার জীবনের শেষ নামাজ’। (ইবনু মাজাহ; মিশকাত হা/৫২২৬, সনদ হাসান) . #পঞ্চম বিষয় : নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে কল্যাণ আশা করুন। আল্লাহতায়ালা বলেন-‘তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর’ (সূরা বাক্বারা-৪৫)। . এই বিশ্বাস রাখুন, আল্লাহ আমার প্রতিটি প্রার্থনায় সাড়া দিচ্ছেন। রাসূললুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ‘তোমাদের কেউ নামাজে দাঁড়ালে সে মূলত তার প্রভুর সাথে কথোপকথন করে। তাই সে যেন দেখে, কিভাবে সে কথোপকথন করছে’। (মুস্তাদরাক হাকেম; সহিহুল জামে‘ হা/১৫৩৮) . #ষষ্ঠ বিষয় : নামাজে নিজের গুনাহর কথা চিন্তা করে আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হওয়ার কথা ভেবে নিজের মাঝে ‘হায়া’ বা লজ্জাশরম নিয়ে আসুন। দন্ডায়মান অবস্থায় একজন অপরাধীর মত মস্তক অবনত রেখে এবং দৃষ্টিকে সিজদার স্থানের দিকে নিবদ্ধ রাখুন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) (দাঁড়ানো অবস্থায়) সিজদার জায়গায় দৃষ্টি রাখতেন। (দেখুন : তাফসীরে তবারী ৯/১৯৭) . √ উপরের ছয়টি বিষয় অনুসরণ করলে নামাজে মনোযোগ তৈরি হবে। ইনশাআল্লাহ . এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ (সাঃ). বলেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজের সময় হলে সুন্দরভাবে ওযূ করে এবং একাগ্রতার সাথে সুন্দরভাবে রুকূ-সিজদা করে নামাজ আদায় করে, তার এ নামাজ পূর্বের সকল গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়। যতক্ষণ পর্যন্ত না সে কোন কবিরা গুনাহে লিপ্ত হয়। আর এ সুযোগ তার সারা জীবনের জন্য।’ (মুসলিম হা/২২৮; মিশকাত হা/২৮৬) #©

@Safwan

ওয়াইফ 💢১. আপনাকে মানসিক তৃপ্তি দেয় কে ? .....আপনার স্ত্রী।💢 💢২. আপনাকে শারীরিক তৃপ্তি দেয় কে ? .....আপনার স্ত্রী।💢 💢৩. আপনাকে ব্যভিচারের মতো জঘন্য কাজ থেকে বাচাই কে ? ..... আপনার স্ত্রী।💢 💢৪. আপনার পোশাক কেচে দেয় কে ? ..... আপনার স্ত্রী।💢 💢৫. আপনাকে রান্না করে খাওয়ায় কে ? ..... আপনার স্ত্রী।💢 💢৬. আপনার ঘর সাজিয়ে রাখে কে ? ..... আপনার স্ত্রী।💢 💢৭. আপনার ঘর পরিষ্কার রাখে কে ? ..... আপনার স্ত্রী। 💢৮. আপনার বাড়িতে আসা মেহমানদের আপ্যায়ন করে কে ? ..... আপনার স্ত্রী।💢 💢৯. আপনার বৃদ্ধ মা-বাবার সেবা যত্ন করে কে ? ..... আপনার স্ত্রী।💢 💢১০. আপনাকে বাবা হতে সাহায্য করে কে ? ..... আপনার স্ত্রী।💢 💢১১. আপনার ছেলে মেয়ের প্রাথমিক শিক্ষা দেয় কে ? ..... আপনার স্ত্রী।💢 💢১২. আপনার অসুস্থতার সময় আপনার পাশে থাকে কে ? ..... আপনার স্ত্রী।💢 💢১৩. আপনার বিপদের সময় আপনাকে সান্ত্বনা দেয় কে ? ...... আপনার স্ত্রী।💢 💢তাহলে বিয়ে করার সময় যৌতুক চান কেন আপনি ? 💢স্ত্রী কোনো বিষয় নিয়ে রাগ বা অভিমান করলে একটু ভালোবেসে তার রাগ না ভাঙিয়ে চুলের মুটি ধরে পিটান কেন আপনি ?💢 💢একজন নারী এতকিছু করার পর ও কেন ?💢 💢কিছু কিছু স্বামীদের নিকট তার সঠিক মর্যাদা পায় না ? 💢এটাই কি আপনার সমাজ ?💢 ধিক্কার জানাই এমন সমাজ ব্যবস্থাকে.... উত্তর কি আছে আপনার কাছে ?💢 👉সতর্ক হোন:-💢 আর স্ত্রীর সাথে ভালো ব্যবহার করুন।🤔আমিন🤲

@Safwan

স্বামীকে ভালোবাসুন ★স্বামীকে ভালোবাসুন কারণ, যদি আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে সিজদা করার হুকুম থাকতো সে হতো আপনার স্বামী। . ★স্বামীকে ভালোবাসুন যখন সে ঘরে ফিরে আসে, এক টুকরো মিষ্টি হাসির মাধ্যমে। কারণ সে আপনার জন্য হালাল রিজিকের চেষ্টায় সারাদিন খাটনি করে ক্লান্ত দেহে বাড়ী ফিরেছে। . ★স্বামীকে ভালোবাসুন যখন সে আপনাকে বলে, বৌ! তুমি আমার মা-বাবা পরিবার পরিজনের খেদমত করো। কারন এই মা-বাপ ছাড়া আপনি আপনার স্বামীটিকেই পেতেন না, আর আপনার স্বামীর জান্নাত, আয় উন্নতি তার মা-বাবার দোয়া, সন্তুষ্টির মাধ্যম যা আপনার সাথে জড়িত। . ★স্বামীকে ভালোবাসুন যখন সে বলে, বৌ! সংসারের কাজের পাশা-পাশি ওয়াক্ত মতো নামাজটাও পড়ে নিও। কারণ সে জান্নাতেও আপনার সাথেই থাকতে চায়। . ★স্বামীকে ভালোবাসুন যখন সে আপনাকে পরিপূর্ণ পর্দার সাথে চলতে বলে, কারন সে চায় না তার সুন্দরী স্ত্রীকে অন্য কোন পরপুরুষ দেখে ফেলুক এবং তার স্ত্রী গুনাহগার হোক। . ★স্বামীকে ভালোবাসুন যখন সে আপনাকে একাকী বাহিরে বের হতে নিষেধ করে, কারণ সে জানে মাহরাম পুরুষ ছাড়া অযথা মেয়েদের জন্য বাইরে বের হওয়া হারাম। . ★স্বামীকে ভালোবাসুন যখন সে আপনার জন্য কোন গিফট নিয়ে আসে, যদিও তা কম দামী হয়, বা আপনার পছন্দ না হয়। কারন সে ভালোবাসে বলেই আপনাকে সারপ্রাইজ দিয়েছে। . ★স্বামীকে ভালোবাসুন যখন সে আপনাকে সবসময় পরিপাটি হয়ে থাকতে বলে, কারন সে অন্য সকল নারীর থেকে দৃষ্টি হেফাজত করতে চায়। . ★স্বামীকে ভালোবাসুন যখন সে আপনার কাছে একটু সোহাগ কামনা করে, কারন সে অন্য নারীতে আসক্ত নয়। . ★স্বামীকে ভালোবাসুন যখন সে আপনার কাছে নিজেকে জাহির করতে চায়, কারন সব হাজবেন্ড-ই চায় তার স্ত্রীর কাছে সে হিরো হয়ে থাকুক। . ★স্বামীকে ভালোবাসুন যখন সে অসময়ে আপনার হাতের বিশেষ কোন আইটেমের খাবার খেতে চায়, কারন সে ভালবাসার মানুষটির সেই রান্নাটাকে এখন মিস করছে। . ★স্বামীকে ভালোবাসুন যখন সে কোন কারনে আপনার সাথে অভিমান করে, কারন অতিমাত্রায় ভালোবাসা থেকেই কিন্তু অভিমান সৃষ্টি হয়। . ★স্বামীকে ভালোবাসুন যখন সে আপনার লাইফ পার্টনার, যার সাথে জীবনটা পার করবেন বলে মা- বাবার ঘর ছেড়েছেন তাকে যদি ভালো না বাসেন তবে জীবনটা পার করবেন কি করে ? . ★পরিশেষে একটি বিশেষ সতর্কবাণীঃ- স্বামী যখন কোন কারনে রেগে যায় তখন ভুল করেও আপনি তর্ক করতে যাবেন না। একেবারে চুপ করে থাকবেন। যদিও আপনি নির্দোষ ছিলেন। ধন্যবাদ প্রিয়❤

@Safwan

সুন্দর গল্প একটি সুন্দর গল্প বলছি _______________ চাইলে ৩০ সেকেন্ড ব্যয় করে পড়তে পারেন, কথা দিলাম আপনার লাভ হবে ক্ষতি হবেনা !! ❂ একদা এক ব্যক্তি লেখা পড়ছিল। হঠাৎ সে ব্যক্তি বলে উঠল, ("সুবহানআল্লাহ") ➽ তারপর সে লেখার নিচের দিকে পড়তে শুরু করল সে বলে উঠল, ("আলহামদুলিল্লাহ") ➽ সে আবার পড়তে শুরু করল এবং বলে উঠল, {"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সঃ)} ﷺ ➽ সে খুবই ভাল অনুভব করতে লাগল এবং বলল, ("আল্লাহ আকবার") ➽ তারপর সে তার নিজের গোনাহ গুলো থেকে পরিত্রান পেতে বলল, ("আসতাগফিরুল্লাহ") ➽ এবং পরিশেষে সে তার প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর উপর দুরুদ পড়ল ("আল্লাহুম্মা সাল্লিআল্লা সায়্যিদিনা মুহাম্মাদ ওয়ালা আ-লি সায়্যিদিনা মাওলানা মুহাম্মাদ) ৷ ➽ উপরোক্ত কাজগুলো করে সে অনেক সওয়াব অর্জন করল। আপনিকি জানেন সেই ব্যক্তিটি কে? ↓↓ ↓↓ সেই ব্যক্তিটি হলেন আপনি নিজেই মাশাআল্লাহ!! -যদি আপনি পড়ে থাকেন কমেন্টে আমিন বলবেন।____________

@Safwan

best friend #Best_ফ্রেন্ড ❤ ( সত্য ঘটনার অবলম্বনে) একদিন দুপুরে খাটে শুয়ে শুয়ে মোবাইলে গেইম খেলছিল নীল।হঠাৎ তার imo তে একটি অপরিচিত নাম্বার যুক্ত হয়।নীল খেলা বন্ধ করে বেশ কয়েকবার মোবাইলের নাম্বারটি দেখলো।কিন্তু চিনতে পারছে না দেখে সেই নাম্বারে মেসেজ দিলো- নীল - Excuse me!!ke apni? মেসেজ দেয়ার সাথে সাথেই রিপ্লাই দিল - অপরিচিত ব্যক্তি- আপনি কে? নীল - হঠাৎ এড হলেন তাই জিজ্ঞেস করলাম, ভেবেছিলাম পরিচিত কেউ , তাই মেসেজ দেয়া।সরি। অপরিচিত ব্যক্তি- নাম কি আপনার? নীল - নীল। আরাফাত নীল।আপনার? অপরিচিত ব্যক্তি - নদী।তাসনিম নদী।বাসা কোথায়? নীল - কুমিল্লা। আপনার? নদী - নরসিংদী। ঐ দিনের মতো সেখানেই কথা শেষ।এর কিছুদিন পর আবার টুকটাক কথা হয়।এভাবেই imo তে ওদের কথা চলতে থাকে। টুকটাক কথা থেকে ওদের কথার পরিমান ও দিনদিন বাড়তে থাকে।হঠাৎ একদিন নদী নীলের কাছে নীলে ছবি দেখতে চাইলে নীল ও ছবি দেয়। তার বেশ কিছুদিন পর নীল নদীকে ফোনে কথা বলার জন্য বললে প্রথমবার নদী বারন করে দেয়।দ্বিতীয় বার আবার ফোনে কথা বলার জন্য বললে নদীও রাজি হয়ে যায়।এর পর থেকেই মেসেজ এর পাশাপাশি ফোনেও কথা বলা শুরু হয় তাদের। সময়, সুযোগে পেলেই ফোনে কথা বলা হতো।নদী বেশ কেয়ার করতো নীলের। একদিন মেসেজ দিতে দেড়ি হলে বা মেসেজ না দিলে রেগে যেত নদী।আর নীল ও বেশ সুন্দরভাবেই রাগ ভাঙাতো।এভাবেই চলছিলো তাদের নাম হীন সম্পর্ক।হঠাৎ একদিন কথার মধ্যে নদীই নীলকে জিজ্ঞেস করলো- নদী - আচ্ছা শোনো না। নীল - হুম বলো না। নদী - তুমি যে আমার সাথে কথা বলো,কি ভেবে কথা বলো? নীল - কেন?ভালো ফ্রেন্ড। নদী - না আমি শুধু ভালো ফ্রেন্ড না। আজকে থেকে আমরা #Best_ফ্রেন্ড। সবসময় বেস্টফ্রেন্ড হয়েই থাকবো। কখনো যেন আমাদের মধ্যে ঝগড়া না হয়,কখনোই যেন দূরত্ব না হয়। আমাদের সম্পর্কটা যেন সবসময় থাকে। ঠিক আাছে? নীল - হুম ঠিক আছে।কিন্তু দুইজনে মিলেই সম্পর্কটাকে রাখতে হবে। নদী - হুম আমিও রাখবো।তুমি সবার থেকে আলাদা একজন আনার জীবনে।তুমি আমার #Best_ফ্রেন্ড। ভার্চুয়াল জগতে এভাবেই ওদের বন্ধুত্ব চলতে থাকে। imo থেকে কথা বলতে বলতে ওরা ফেইসবুকে স্থানান্তর হয়েছে।নদীকে একটা ফেইসবুক আইডি খুলে দিয়েছে।তখন আর imo তে কথা হয়না ওদের। ফেইসবুকেই কথা হতো ওদের। এই ভার্চুয়ালিটির মধ্যে ওদের বন্ধুত্ব টা বেশ সুন্দর ভাবেই চলছিল। দুজনেই দুজনের বেশ কেয়ার করতো।বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কটা তে শেয়ার,কেয়ার সবই বেশ ভালোভাবেই চলছিল। এভাবেই কেটে গেল দুবছর তিন মাস, বেশ ভালো ভাবেই ওদের বন্ধুত্ব চলছে। হঠাৎ একদিন নীল খেয়াল করলো নদী এখন আর ঠিক মতো অনলাইনে আসে না। এমনি একদিন নীল খেয়াল করে দেখলো নদী ঐ দিন সারাদিন অনলাইনে আসেনি।নীল ভাবলো হয়তো ব্যস্ত।নিজেকে নানান কিছু বুঝিয়ে কিছুটা শান্ত করার চেষ্টা করলেও কোথাও যেন একটা কিন্তু রয়েই যায়।কারন যে মেয়ে সবসময় অনলাইনে থাকতো সে আজকে সারাদিন অনলাইনেই আসেনি। এভাবেই একদিন,দুইদিন, তিনদিন করে কেটে যায় পুরো তেইশদিন।এই তেইশদিনে নীলের কাছে নদীর কোনো খবর নেই।কোথায় আছে,কেমন আছে, কিছুই জানে না সে।বেশ চিন্তা হচ্ছে নদীর জন্য, তার পাশাপাশি ভীষণ মিস করছে সে নদীকে। প্রায় তেইশ দিন পর নদী অনলাইনে আসে।তবে আগের নদী আর এখনের নদীর মধ্যে অনেক পার্থক্য।নদীকে অনলাইনে দেখেই নীল খুশি হয়ে যায়।সাথে সাথেই ওকে টেক্সট দেয় - নীল - হেই।এতোদিন কোথায় ছিলে? নদী - শ্বশুরবাড়ি। ওর কথাটা নীলের বিশ্বাস হয়নি। ভেবেছিল মজা করেছ। তবে নদী এতো দিন পর কথা বলার পরেও নদীর কথার ধরন দেখে নীলের বেশ খারাপ লাগে।তাই নীল ও আর কোনো টেক্সট দেয়নি। ভেবেছিল নদী টেক্সট দিবে, কিন্তু নদীও দেয়নি।নীল এর পরেও মাঝেমধ্যে নদীকে মেসেজ দিলেও নদীর কথা বলার আগ্রহ না দেখে নীল মেসেজ দেয়া বন্ধ করে দেয়। নীল সবসময় নদীকে ভার্চুয়াল জগতে ফোলো করতো কখন অনলাইন হয়, কখন অফলাইন হয়, সবকিছু। আর আশায় থাকতো নদী ওকে টেক্সট করবে কিন্তু না নদী ওকে কোনো টেক্সটই দিতো না। তাই রাগ করে একদিন নীল তার মোবাইল থেকে imo ডিলিট করে দেয়।কারন imoতে নীল আর নদীর সব সুন্দর মুহূর্ত গুলোছিল।যা দেখলে নীলের কষ্ট বেড়ে যেত। এভাবেই দেখতে দেখতে তিনমাস কেটে গেল, কারো কোনো কথা নেই। তবে দুইজনেই অনলাইন। এভাবে দুই পাশের নীরবতার মধ্যে তাদের বন্ধুত্বটাও যেন ফিকে হয়ে যাচ্ছে দিন দিন।তিন মাস পর নীলই আবার নদীকে মেসেজ দিলো। তেমন কোনো কথা তাদের মধ্যে হয়নি।তবে হাই,হ্যালো বলার পরই নদী বলছে- নদী - আমার হাসবেন্ড এসেছে, পরে কথা বলবো। এই পর আর হয়নি। প্রায় ১মাস ১০ দিন হয়ে গিয়েছে নদীর কোনো খবর নেই।সে আর টেক্সট দেয়নি নীলকে।প্রতিদিনই নদী অনলাইনে থাকে। এমনকি প্রতি রাতেও তার নামের পাশের সবুজ জ্বলতে থাকে।তবে কোনো কথা নেই কারো মধ্যে। নীল ভাবতে থাকে,এমনটা কেন হলো?এমনটাতো হওয়ার কথা ছিলো না। আমরাতো #Best_ফ্রেন্ড ছিলাম। কখনো আমাদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হবে না বলেছিলাম। তাহলে কেন এতো দুরত্ব আমাদের মধ্যে। আজ আমরা এতোটাই দূরে যে আমরা আমাদের সামান্য খবরও কেউ জানি না। নীল এভাবেই প্রতিদিন তার #Best_ফ্রেন্ড নদীকে মিস করে। আর নদী?? নদীর খবরতো আমরা কেউই জানি না। কি হয়েছে? কেন হয়েছে?কেন এই দুরত্ব কিছুই না। হয়তো নদীও মিস করে তার #Best_ফ্রেন্ড কে। শুধু বলতে পারে না.. নদী আর নীল দু'জনেই হয়তো মিস করে তাদের সুন্দর মূহুর্ত গুলো, তাদের সুন্দর বন্ধুত্বটা, তবে কারোই কিছু বলা হয়ে উঠে না। দু'জনই ভেবে নেয় এক জনকে ছেড়ে অন্যজন বেশ ভালোই আাছে ঠিক কবিতার লাইনটির মতো - "নদীর এপাড় কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস" "ওপাড়েতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস " বাস্তব কথাটা হলো তারা দুজনেই সত্যি ভালো থাকবে জীবনের অন্য সম্পর্ক গুলোর ভীরে।দুজনের মনে দু'জনের জন্য যে স্থান তৈরি হয়েছে তাও হয়তো একদিন পূর্ণ হয়ে যাবে। আর,এই দু'জন রয়ে যাবে কেবল তাদের স্মৃতিতে। সমাপ্ত 🍀 🍂🍂 এভাবেই ভার্চুয়াল জগতে অনেক সুন্দর এবং গভীর বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠে, যা হৃদয় ছুঁয়ে যায়।গল্পেটির মতো আরো এমন অনেক নীল আর নদী আছে এই ভার্চুয়াল জগতে।কিন্তু বস্তবতার টানাপোড়েন কিছু সম্পর্কের মাঝ পথেই সমাপ্তি ঘটে আবার কিছু সম্পর্ক তার সঠিক পরিনাম পায়। তবে মাঝপথে সমাপ্ত সম্পর্কটির সমাপ্তির আসল কারন দুইপক্ষের কেউই জানে না।তবে সমাপ্তির কষ্টটা দু'পক্ষই বয়ে বেড়ায় তাদের একে অপরের অজান্তে। 🍂🍂

@Safwan

Fire aasar golpo 💖💖💖 ফিরে আসার গল্প💖💖💖 গল্পের লেখক পার্ট১ আজ তিন বছর পর আমার সেই ছাএীর সাথে দেখা। যার কথা আমি কোন দিন ভুলতে পারবো না। আমি এখন একটা কলেজের টিচার বেশি দিন হয়নি কলেজে ঢুকে। মাস ছয়েক হবে। এর আগে আমি জীবনে অনেক কষ্ট করেছি। যার কথা আমি কোন দিন ভুলবো না। আর আমার সেই ছাএীকে আমাদের সেই কলেজে দেখলাম। তাও আবার আমারই ক্লাসে। আমার নাস সোহান হোসান। আমরা তিন ভাই আমি সবার থেকে ছোট। আমাদের পরিবারিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিলো না। টাকার অভাবে তো বড় ভাই পড়াশুনাই ছেড়ে দেয়। আমি আর মেঝ ভাই খুব কষ্টে পড়াশুনা চালিয়ে যায়। বাবা তো আমাদের পড়াশুনা করতেই দিতে চায় না কিন্তু বড় ভাইয়ের জন্য আমরা পড়াশুনা করতে পারছি। ভাইয়া বলে আমি পড়াশুনা করতে পারিনি তো কি হয়ছে আমার ভাইয়েরা পড়াশুনা করবে। সে জন্য উনি অনেক কষ্টে আমাদের পড়াশুনার খরচ দিয়েছেন। এলাকার কলেজে আমি ইন্টারে A+ পাই। তাই সবাই বলে আমি যেন অনার্চটা শহরে গিয়ে পড়ি। কিন্তু আমি তো জানি আমার পরিবারের কথা তারা কখনো আমার পড়াশুনার খরচ দিতে পারবে না। সে জন্য শহরে পড়ার ইচ্ছা টা আমি সেখানেই শেষ করে দিই। কিন্তু আমার স্যার ভাইয়ার সাথে কথা বলে। তোমার ভাই খুব ভাল ছাএ ওকে যদি শহরে পড়াশুনা করতে দাও তাহলে ও ভব্যিশতে অনেক ভালো কিছু করতে পারবে।(স্যার) জ্বি স্যার আমি চেষ্টা করবো ওকে শহরে পড়াতে।(ভাইয়া) তারপর ভাইয়া বাড়িতে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করে কিন্তু বাবা এতে রাজি নয়। কিন্তু ভাইয়ার জেদে আমাকে রাজশাহী কলেজে ভর্তি করানো হয়। আমি যখন শহরে আসি তখন বুঝতে পারলাম শহরে কি ভাবে চলতে হয়। এখানে নিজের খরচ নিজেয় খুব সহজে বহন করা যায়। অনেক ছাএ ছাএী নিজেদের খরচ টিউশানী করিয়ে মিটায়। তাই আমিও চিন্তা করলাম বাসা থেকে আর খরচ নিবো না। এতে ভাইয়ারও কষ্টা টা কম হবে। তাই ম্যাচের বড় ভাইদের বিষয়টা আমি জানালাম। যেহেতু ছাএ হিসেবে আমি খারাপ ছিলাম না তাই কিছু দিনের মধ্যে এক বড় ভাই আমাকে একটা টিউশানির কথা বললো। একটা ছাএীকে পড়াতে হবে। ক্লাস নাইনে পড়ে। বাবা অনেক বড় লোক। টাকা পয়সার কোন সমস্যা হবে না। শুধু মেয়েটাকে ভালো ভাবে পড়াতে হবে। তবে মেয়েটা একটু জেদি। প্রত্যেক দিন বাসায় গিয়ে পড়াতে হবে। আমি রাজি হয়েগেলাম। আমার ছাএীর নাম আরোহী ইসলাস রাএী। প্রথম দিন বড় ভাই আমাকে সাথে করে নিয়ে গেলো। যেন বাসা চিনতে ভুল না হয়। আবার সাবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে। ছাএীর বাসাতে গিয়ে আমি হা হয়ে গেলাম। বিশাল বড় বাড়ি। ভাবা যায় এত বড় বাড়িতে পড়ানোর সুয়োগ পেয়েছি। মনোযোগ সহকারে পড়াতে হবে তাছাড়া টিউশানি টা হারাতে হবে। বাড়ির ভিতরে ঢুকলাম গিয়ে ছাএীর মায়ের সাথে দেখা। প্রথমে সালাম দিলাম। তারপর বড় ভাই বেতন, পড়ানোর সময় সব কছু ঠিক করে দিলেন। কিন্তু আজ থেকে পড়ানো শুরু হবে না কারন ছাএী আজকে বাড়িতে নেই। কাল থেকে পড়াতে হবে। তাহলে বাবা কাল থেকে সময় মতো চলে এসো।(আন্টি) জ্বি আন্টি কাল আমি সময় মতো চলে আসবো। এই বলে আমি আর বড় ভাই চলে আসলাম। পরদিন বিকেল বেলা পড়ানোর সময় হয়েগেলো। আমি যথা সময়ে ছাএীর বাসায় উপস্থিত হয়ে গেলাম। গিয়ে তো আমি অবাক হয়ে গেলাম। কারন ছাএীর আমার ভালো লাগলে কমন্টে জানাবেন তাহলে পরের পার্ট লিখবো

@Safwan

self Ldkdkd. Dodofofo Pdodof Odofof Lflflf

@Safwan

Prem -এই শুনো তোমার নাম্বারটা দেওয়া যাবে? . -হুম যাবে। . -ইয়েস!📷 ওকে দাও। . -লিখেন, আমার নাম্বার হলো ২। . -হোয়াট! মানে কি? . -মানে আমার নাম্বার দুই। আমরা মোট চার ভাইবোন। তার মাঝে আমি দুই নাম্বার। . -ধুর, এই নাম্বার কে চাইছে? . -তাইলে? আমার রোল নাম্বার চাচ্ছেন? দিবো? . -আরে নাহ গাধা। তোমার ফোন নাম্বার চাইছি। মানে মোবাইল নাম্বার। . -ওহ, তো সেটা ঠিকঠাক বললেই হয়। এতো ভান করার কি আছে? . -আমি মোটেও ভান করিনি। আমি জানতাম নাম্বার বললেই সবাই বোঝে। যাই হোক তোমার ফোন নাম্বারটা দাও। . -আচ্ছা। দুইটা আছে। কোনটা দিবো? . -দুইটাই দাও। . -হুম লিখেন। 768963257899 আর xiaomi not3 pro. . -এক্সকিউজ মিইই। কি এগুলা? . -আপনি যা চাইলেন; আমার ফোন নাম্বার! একটা হলো ফোনের IMEI নাম্বার আর আরেকটা মডেল নাম্বার। . -ওহ গড! হেল্প মি। কি বলবো ভাষা হারাই ফেলছি। ওহ হ্যা শুনো, আমি তোমার সিম নাম্বার চাইছি। ফোনের মাঝে যে সিম কার্ডটা আছে না, সেই সিমের নাম্বারটা দেয়া যাবে? . -তো সেটা সোজাসুজি বলতে পারেন না? কথা প্যাঁচাচ্ছেন খালি! . -আল্লাহ! আমি কথা প্যাচাচ্ছি, না? ভালো। এখন দাও তোমার সিমের নাম্বার। . -১২৩৪ . -এটা আবার কি? . -এটাই তো যা চাইলেন। সিমের নাম্বার। পিন নাম্বার। ও হ্যা পাক আর সিরিয়াল নাম্বার মনে নাই। দেখে বলবো? . -ইইইই! শিট ম্যান! তার কোনোই দরকার নেই। মাফ করো আমারে আমি কোনো নাম্বার চাইনি। স্যরি। . -এই যে আপনি রেগে যাচ্ছেন কেন। যা বললেন দিলাম তো। রাগার মতো কি কিছু করেছি? . -না তো কিচ্ছু করোনি তুমি। তুমি খুবই ভালো। বাট প্লিজ আমারে আর মেসেজ দিও না। বাই।📷 . -ধুর বুঝলামই না কি করলাম আমি। আচ্ছা কি আর করা আপনি যখন চাচ্ছেন না...! ওয়েট ওয়েট, আপনি কি আমার কন্ট্যাক্ট নাম্বার চাচ্ছেন? . -হ্যা চাচ্ছি, বাট সেটা তোমাকে বুঝাতে অক্ষম। . -আল্লাহ! আপনি কি একটা বার আমারে কন্ট্যাক্ট নাম্বারের কথা বলেছেন? তা না বলে কি সব বলে বেড়াচ্ছে! . -এটা কি আলাদা করে বলা লাগবে। আমি তো কতভাবেই বলেছি। . -ধ্যাত গাধা। এই কথাটা সিধা সিধা বলে দিলেই হয়। তা না বলে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলার কি আছে? আপনি যে এতো জটিল ক্যান। ডিরেক্ট কন্ট্যাক্ট নাম্বারের কথা বললেই তো হয়। আশ্চর্য! . -ওওহহ আল্লাহ। আমারে উঠাই নাও। আচ্ছা সুন্দরভাবে ডিরেক্টলি বলতেছি কান খুলে শুনো। এক্সকিউজ মি, আমি কি আপনার কন্ট্যাক্ট নাম্বারটা পেতে পারি। প্লিজ? . -উহু, পারেন না। আমি অপরিচিত কাউকে নাম্বার দেই না। স্যরি!📷