পিচ্চি_বর_Vs_বাচ্চা_বউ9
পিচ্চি_বর_Vs_বাচ্চা_বউ . পর্ব - ০৯ ____________________________________________ সে মোটেও এমন কিছুর জন্য প্রস্তুত ছিল না। তার দুই হাত দিয়ে আমাকে ছাড়ানোর বৃথা চেষ্টা করল কিন্তু পারলো না। আমি আবারও বহু বছর পর কারো গোলাপি ঠোটের স্বাদ নিচ্ছি। সব মেয়ের ঠোট ই কি এক হয়, দিশার ঠোটের স্বাদ আর এই মেয়ের ঠোটের স্বাদ হুবহুব একি। হয়তো হয় আমি তো এর আগে কখনো কাউকে কিস করিনি শুধু দিশাকে আর এখন এই মেয়েটাকে। আমার দম নিতে একটু সমস্যা হচ্ছে,আর পারছি না তার মিষ্টি ঠোটের সাথে আমার ঠোট লাগিয়ে রাখতে। আমি তাকে দুই হাত দিয়ে একটু ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিলাম। আমার হাতের উলটো পিট দিয়ে ঠোট মুছে নিলাম। আশে পাশে তাকিয়ে দেখি সবাই আমার দিকে ইয়াআআআআ বড় হা করে তাকিয়ে আছে। তাকাবেই না বা কেন সবার সামনে এইভাবে একটা মেয়ে জোড় করে কিস করলাম এটা কি চারটি খানি কথা। -- তুই এটা কি করলি.... ( মমী) -- আগ্গে আপনাদের আগ্গা পালন করিলাম।( হাবার মতো একটা হাসি দিয়ে) -- ঐ ছেলে ফাজলামি পাইছোস, তোর সাহস হয় কি করে একটা অচেনা মেয়েকে কিস করার ( মমীর সাথে থাকা মেয়েরা বললো) -- আমি তো ইহা করিতে চাহি নাই,আপনারাই তো আমাকে এমন করিতে বাধ্য করিলেন।( অস্ত্র তো সেই কবে জমা দিয়েছি তাই বলে কি সেটা চালাতেও ভুলে গেছি) --তাই বলে তুই আমাকে কিস করবি ( হালকা কেঁদে) -- আপনারা তো বলিলেন ভার্সিটির যে কোনো মেয়ে চুম্বন করিতে তাই আর কি......( তোমাদের ট্যাপে তোমরাই পরলা) -- তো আমাকে কেন করলি.......( হেচকি তুলে) -- কেন আপনি কি মেয়ে না....( আমি) -- ঐ হারামদাজা! আমি মেয়ে না? মানে টা কি ( চেচিয়ে উঠে) -- আগ্গে ছেলে এবং মেয়ের মাঝামাঝি...... (মনে মনে আমি হেসে শেষ) -- তোকে তো আমি ( এসে আমার গলা চেপে ধরলো) -- আরে আপনি করিতেছেন কি,আমি তো মারা যাবো.....( তার থেকে ছাড়িয়ে) -- তোকে আজ মেরেই ফেলবো..... ( আবার তেরে আসলো কিন্তু তার বান্ধবিরা তাকে আটকে নিলো) -- মমী শান্ত হো,এই লুইচ্চা বেটাকে তো পরে দেখে নিবো..... ( তার বান্ধবিরা) তাকে টানতে টানতে আমার থেকে দুরে নিয়ে চলে গেলো। আমি তার এমন কান্ড দেখে মুচকি মুচকি হাসছি। মেয়েটার রাগ বেশি হলে কি হবে দেখতে খুব সুন্দর যাকে ভয়ানক সুন্দরি বলে। আমি তো এতো বছর পর আবারও কোনো মেয়েকে দেখে ক্রাশ খেলাম। তবে আমার কিছুই করার নাই, আমার মনে শুধু দিশা আছে আমি তার জায়গা ই কাউকে বসাতে পারবো নাহ!মোটেও না। আচ্ছা দিশাও কি এমন কক্টেল সুন্দরি হবে। হবে হয়তো, এর চেয়ে আরোও সুন্দর হতে পারে! যে সুন্দরের তুলনা করলে রাতের চাঁদ ও লজ্জা পাবে। সে কি আজও আমার জন্য অপেক্ষা করছ এ, নাকি নতুন কাওকে খুঁজে নিয়ে সুখী আছে। ভার্সিটি ভালো করে ঘুরে দেখলাম বেশ ভালই লাগছে। তবেঁ এখান কার সিনিয়র যারা আছে তারা নতুন যাকে পাচ্ছে তাকেই রাগিং করছে। হাস্যকর বিষয় এখানে ছেলে দের তুলনাই মেয়েরাই বেশি রাগিং করছে। আমি ভার্সিটির কিছু লেকচারার এর সাথে কথা বলে বাসাই চলে আসি। ফ্রেস হইয়া বেল্কুনিতে এসে ফোন বের করে ফেসবুকের আইডি লগইন করি। কতো বছর পর ফেসবুকে আসলাম ঠিক বলতে পারবো না। আইডির নাম পালটিয়ে আবার md asfaqul azom foysal রাখি। প্রোফাইল পিকে আমার একটা পিক দিলাম।এতো দিন একটা ফেইক পিক দেওয়া ছিল।বলতে গেলে আমার আইডিতে এখন আমার একটা পিক ই আছে যেটা এখন পোষ্ট করলাম।ছোটকালে যে সব পিক আপলোড দিতাম ওগুলো আজ থেকে ৮ বছর আগেই ডিলেট করে দিয়েছিলাম। !!!! !!! ! ১০ মিনিট থেকে নিউজফিল্ড দেখছি। মানুষের কষ্টের পোষ্টে হাহা রিয়েক্ট দেওয়ার মজায় আলাদা।আমি যারা কষ্টের পোষ্ট দেখছি তাতেই হাহা রিয়েক্ট দিচ্ছি,খুব আনন্দ হচ্ছে মনে। কেন জানি আমি আমার মধ্যে আবার আগের ফয়সাল কে দেখতে পাচ্ছি। বুড়োতি বয়সে কি আবার সেই চঞ্চলতা ফিরে পেলাম। ধুর বুড়ো আবার হলাম কবে বয়স তো কেবল ২৫-২৬ হবে। নোর্টিফিকেশন গিয়ে দেখলাম কয়েকটা কমেন্ট এসেছে আমার প্রোফাইল পিকে। আমি একে একে সবার কমেন্টে রিপলে দিচ্ছি। "আজও অপেক্ষায় আছি তোমার"" এই নামের আইডি থেকে কমেন্ট করেছে 'আপনি কি ফয়সাল' কমেন্টার দিকে কিছুক্ষন একমনে তাকিয়ে থাকলাম।রিপলে দিতে যাবো এমন সময় ""আজও অপেক্ষায় আজি তোমার"" আইডি থেকে ফোনে টুন টুন শব্দ করে একটা ম্যাসেজ আসে। আমি তার চ্যাট ওপেন করতেই অবাক হয়ে যায়।এর সাথে আমার আগেই চ্যাট হয়েছে কিন্তু আমি তো অনেক বছর থেকে ফেসবুকেই আসিনি। এসএমএস এর ডেট দেখে বুঝলাম আমি যখন ১০মম শ্রেণি তে পরতাম তখন এর সাথে চ্যাট করেছি। -- এতো দিন কোথায় ছিলেন ( সে আইডি টা) -- বিদেশে ছিলাম! বাট আপনি কে? -- আপনার নাম লিখে আমি কতো সার্চ দিয়েছি কিন্তু আপনার কোনো আইডি পাইনি কেন??? -- কি নাম লিখে সার্চ দিয়েছিলেন? -- md asfaqul azom foysal! -- হাহাহা এই নাম দিয়ে সার্চ দিলে পাবেন কি করে,আমি তো নাম চেইন্জ করে নিয়েছিলাম!!! --যেই পিকটা একটু আগে আপলোড দিলেন সেটা কি আপনার?????? -- হুমমমম আমার। -- ওওও ঠিকাছে..... তা কেমন আছেন। -- যেমটা ভালো থালকে সব সময় হাসি মুখে থাকা যায় তেমনটা -- তারমানে খুব ভালো আছেন।?? -- সেটা তো জানি না।কিন্তু মুখে সবসময় হাসি থাকে -- বুঝলাম!তা আপনি এখন কি করছেন। -- আপাতত কিছুনা।তবেঁ কাল ঢাবিতে প্রিন্সিপাল হিসেবে জয়েন করবো। --কিহ -- হাহাহা অবাক হচ্ছেন কেন? -- এতো কম বয়সে এতদূর এলেন কিভাবে?? -- সে অনেক লম্বা ইতিহাস আছে। "বাই দ্যা ওয়ে" আপনাকে তো ঠিক চিনলাম না। -- কাল ভার্সিটি আসেন,তারপর ঠিকি চিনবেন। -- বুঝলাম না। আপনিকি ঢাবিতে পড়ালেখা করেন?? -- সেটা কালকেই বুঝতে পারবেন। -- ওকে।উফসস আপনার নামটায় তো জানা হলো না। নাম কি আপনার। -- বললাম তো কাল সব জানতে পারবেন। -- বুঝিনা, মেয়েরা এমন কেন? -- কেমন। ( সে) -- ঘোলাটে। -- বাহ মেয়ে সম্পর্কে তো আপনার ভালোই ধারনা।তা এই পর্যন্ত কতো মেয়ে সাথে মিশেছেন -- মেয়েদের সাথে মিশার সময় পাইনি।নিজের ক্যারিয়ার গড়তে ব্যস্ত ছিলাম। -- হুমমম তা তো বুঝতেই পারছি। -- ওকে।বাই -- ঐ হ্যালো,বাই কেন।কথা বলতে কি ইগোতে বাধছে। -- আরে না। এখন একটু ঘুমাবো। -- এতো ঘুম কিসের,রাতে কি বউ ঘুমাতে দাইনি। -- বউ আসবে কোথা থেকে?? ( কি সাংঘাতিক) -- কেন আপনি বিবাহিত নাহ?? -- না তো ( সব কিছু সবার সাথে সেয়ার করতে নাই) -- হুমম ভালোও -- আপনি কি বিবাহিত?? (মানবতার খাতিরে বললাম) -- হুমম বিবাহিত -- ওওও ( তো মরতে আমার সাথে কথা বলতে আসছিস কেন) -- আপনার বাড়ির সবাই কেমন আছে? ( এখন কোনো টপিক পাচ্ছে না তাই বাড়ির কথা বলছে,,ছ্যাচরা) -- হুমমম ভালো। -- কে কে আছে পরিবারে( আগলা পিরিত, এর মতলব মটোও ভালো না) -- যারা যারা থাকার সবাই আছে ( আমি) -- কথা এতো প্যাঁচান কেন( কথা না প্যাঁচালে তোর প্যাচে পরে যাব তাই) -- এমনি। আচ্ছা বাই! ম্যাসেজ সেন্ড করেই ডাটা ওফকরে দিলাম।আর কিছুক্ষন কথা বললে পাগল করে দিতো।কিন্তু কে এই মেয়েটা যে গায়ে পড়ে কথা বলতে আসছে তারওপর আবার বিবাহিতা। বেল্কুনি থেকে বিছানায় চলে এলাম। চোখটা লেগে আসছে। ফোন বালিশের নিচে রেখে ঘুমিয়ে পরলাম। !!!!! !!! ! !! !!! !!!!! ধ্যাত কাজের সময় কিছু পাওয়া যায়না। জীবনের প্রথম ভার্সিটে যাচ্ছি মানে প্রিন্সিপাল হয়ে আরকি। আমি আমার মতো নিজেকে তৈরি করছি। চুল গুলা ভালো ভাবে স্পাইক করে নিলাম,একটা সাদারঙ এর টিশার্ট তারওপর একটা ঘিয়া রংএর জ্যাগেট, সব মিলিয়ে রকস্টার। আসলে আমি আমার মতো,যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পছন্দ করি। ভার্সিটির প্রিন্সিপাল হয়েছি বলে সুর্টবুটে যেতে হবে এটা আমার কাছে কোনো বিষয় না।এতো দিন এতো কষ্ট করে পড়াশুনা করেছে কখনো লাইফের মজা নিতে পারিনি।এখন প্রিন্সিপাল হয়েছি বলে সবসময় গম্ভীর,এক্সট্রা ভাব নিয়ে চলতে হবে এমন না। আমি এখনি লাইফটাকে ইনজয় করতে চায়। --কিরে আজ না তোর ভার্সিটে জয়েন করার কথা (আমি সিড়ি বেয়ে নামছি তখন আপু বললো) -- হুমমম আমিতো ভার্সিটি ই যাচ্ছি (আপুর কাছে এসে) -- এ্যাাাা.....( মুখ হা করে) -- এ্যাা নই হ্যা.... -- তুই এইভাবে ভার্সিটি যাবি(আপু) -- জাস্ট চীলল আপু।তোমার ভাইয়ের বয়সটায় বা কতো হলো বলো।এখনি যদি নিজের গেটআপে বয়স্ক ভাব ধরাই তাহলে কি আর তোমার ভায়ের কপালে বউ জুবটে(আপুর গাল টেনে) -- আমি ২০০% সিয়র আজ ভার্সিটির মেয়েরা পাগল হয়ে যাবে (হাসতে হাসতে আপু বললো) -- হাহাহা আপুউউউউ। আপুর পায়ে সালাম করে বাইক নিয়ে বেরিয়ে পরলাম ভার্সিটির উদ্দেশ্যে। প্রায় সময় পর চলে আসি ভার্সিটি তে। বাইক পারকিং করে চুল গুলো আয়নাই ঠিক করে মিলনায়তন দিকে হাটা দিলাম। ভাবতেই ভালো লাগছে শুধু মাত্র আমার জন্য ভার্সিটি একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়জন করা হয়েছে। নিজের ওপর নিজের ই খুব গর্ব হচ্ছে। আমি হাটছি তখন বাম দিকে চোখ গেল।কালের সেই মমী সুন্দরি তার বান্ধবিদের নিয়ে আড্ডা দিচ্ছে।মনে কারো অপেক্ষা করছে।বার বার গেটের দিকে তাকাচ্ছে। নীল রং এর শারি পরে আছে। বলতে গেলে আমার মনের মতো সাজ। ২য় বারের মতো তাকে দেখে ক্রাশ খেলাম।এতো ক্রাশ খেলে 100% আমার সুগার বেড়ে যাবে।ও হ্যা ক্রাশ খাওয়া মানে ৫ কিলো মিষ্টি খাওয়া। সে হয়তো আমাকে খেয়াল করেনি। খেয়াল করলেও কি সে তো আমাকে চিনতে পারবে না। আমি চলে এলাম মিলনায়তনে।সব স্যারাই আমাকে দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে।হয়তো ভাবিনি আমি এতো ইয়াং +ড্যাসিং হবো। সবার সাথে পরিচিত হলাম। একটা ম্যাডামের সাথে হাত মিলাতে গিয়ে পরলাম ঝামেলায়। সে আমার হাত ছারতেই চাইনা।তার বয়স আর কতো হবে,এই ধরেন ২৮। কোনো রকম ভাবে তার কাছে থেকে সরে গেলাম। আর একটু তার সাথে থাকলে আমার ইজ্জতের ১৮ টা বাজিয়ে দিতো।যত্তসব গায়ে পড়া মেয়ে। -- স্যার চলেন সব ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই।( একটা স্যার বললো) -- হুমম। -- এবার আমাদের স্টেজে আসবেন,আমাদের ভার্সিটির নতুন প্রিন্সিপাল মো আশফাকুল আজম ফয়সাল( মাইক্রোফোনে অনু্ষ্ঠানের উপস্থাপক বললো) আমি আমার মতো হেটে স্টেজে গেলাম। সে আমাকে মাইক্রোফোন হাতে দিয়ে আমার দিকে বড় বড় চোখ করে তাকাচ্ছে, মনে হচ্ছে আমি কোনো বাঘ।একসময় সে সেন্সলেস হয়ে পড়ে যায়।সব স্যারেরা তাকে ধরে ভিতরে নিয়ে যায়। সে হয়তো আমাকে ঠিক প্রিন্সিপাল মানতে পারেনি। আমি সবাইকে সালাম দিয়ে সামনে তাকালাম।সবাই থ হয়ে আমাকে একচোখে দেখছে। হয়তো ভাবিনি তাদের নতুন প্রিন্সিপাল এতো কম বয়সী আর এতো স্টাইলেস। নিজেকে এখন অন্য গ্রহের প্রানি মনে হচ্ছে।আমি কি জেল খানার কোনো কয়েদি নাকি হ্যা? এইভাবে দেখার কি আছে। --সবার দেখা শেষ ( আমি বললাম) সবাই আমার কথা শুনে একটু স্বাভাবিক হলো। আমি নিজের মতো কিছু নীতি কথা শুনালাম তাদের। অতঃপর আমার বক্তব্য শেষ করলাম। সবাই জোরে কড়োতালি দিল। !!!!!!!!! !!!!!!!!! !!!!!!!!! সন্ধার দিকে অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যাবে এমন অবস্থা। আমি সবার কাছে বিদায় নিয়ে মিলনায়তনের বাহিরে চলে এলাম।আর ভালো লাগছে না এখানে।যেখানেই যাচ্ছি সেখানেই সবাই আমার দিকে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে থাকে। সিড়ি দিয়ে নামছি। সবাই আমাকে মৌমাছির মতো ছেকে ধরলো। এখানের বেশির ভাগই মেয়ে। কেউ বলছে "স্যার একটা সেলফি প্লিজ" কেউ বা"" স্যার আপনার নাম্বার টা দেন পিল্জ" স্যার আপনি কি সিঙ্গেল,স্যার আপনার বাড়ি কোথায়" নানান মেয়ের নানান কথা।আমি তাদের থেকে কোনো মতে নিজেকে ছাড়িয়ে আমার বাইকের কাছে চলে আসি। বাইক স্টার্ট দিবো এমন সময় একটা মেয়ে আমারর বাইকের এসে পিছনে বসে পরে! -- কে? আমার বাইকে কে চরলো? ( মাথা পিছনে ঘুরিয়ে) -- স্যারর আমার মা অনেক অসুস্থ্য প্লিজ আমাকে একটু সামনে নামিয়ে দিন( মিষ্টি কষ্ঠ বাট চেনা চেনা,) মায়ের কথা শুনে, আমার বুক কেপে উঠলো।কতো দিন দেখিনি তাকে।খুব কষ্ট হয় তোমার কথা ভাবলে। -- কোথায় যাবেন ( মা অসুস্থ্য তাই আর কিছু বললাম না) -- আপনি চলেন আমি বলে বলে দিবো কোথায় যেতে হবে।( মেয়েটা।) -- ঠিক আছে। আমি বাইক স্টার্ট দিয়ে ভার্সিটি থেকে বেরিয়ে পরলাম।মেয়েটা আমাকে শক্ত করে চেপে ধরলো।তার হাত গুলো অনেক মোলায়েম,তুলোর মতো নরম।বেশ অস্তির লাগছে আমার। কিন্তু মানবতার কারনে কিছু বলছিনা। তার কথা মতো একটা বাড়ির সামনে এসে বাইক থামালাম। মেয়েটা নেমে পরলো।শারি পরে আছে কিন্তু মুখ খানা হিজাব দিয়ে ঢাকা,অন্ধাকারেও বুঝা যাচ্ছে মেয়েটা অনেক ফর্সা। -- স্যার আপনিও একটু আমার সাথে বাড়ির ভেতরে চলেন নাহ। ছোট বোন বলেছিল মাকে হসপিটালে নিতে হবে বাট বাড়িতে কোনো ছেলে মানুষ নাই। আমি হালকা মাথা নারিয়ে তার সাথে তার বাড়িতে ঢুকে পড়লাম।দেখে মনে হচ্ছে এটা কোনো হোসটেল। সে আমাকে একটা রুমে নিয়ে গেলো, আমিও কোনো প্রশ্ন ছাড়ায় তার সাথে রুমে চলে এলাম। আমি রুমে ঢুকতেই সে রুমের দরজা লক করে দাই। ভেতরে কোনো মহিলা নাই। সে আমাকে ধাক্কা দিয়ে রুমে থাকা বিছানায় ফেলে দাই। তার মুখ থেকে হিজাব সরিয়ে নাই। আমি তো তাকে দেখে কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।এই মেয়ে আর কেউ না.............. #___________**চলবে**________ (বি দ্র: গল্পটা পুরোই কাল্পনিক,বাস্তের সাথে কোনো মিল নেই,,,,,,,,,সো কেউ গল্পটাকে বাস্তের সাথে তুলনা করবেন না)
No comments yet