Fire aasar golpo
💖💖💖 ফিরে আসার গল্প💖💖💖 গল্পের লেখক পার্ট১ আজ তিন বছর পর আমার সেই ছাএীর সাথে দেখা। যার কথা আমি কোন দিন ভুলতে পারবো না। আমি এখন একটা কলেজের টিচার বেশি দিন হয়নি কলেজে ঢুকে। মাস ছয়েক হবে। এর আগে আমি জীবনে অনেক কষ্ট করেছি। যার কথা আমি কোন দিন ভুলবো না। আর আমার সেই ছাএীকে আমাদের সেই কলেজে দেখলাম। তাও আবার আমারই ক্লাসে। আমার নাস সোহান হোসান। আমরা তিন ভাই আমি সবার থেকে ছোট। আমাদের পরিবারিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিলো না। টাকার অভাবে তো বড় ভাই পড়াশুনাই ছেড়ে দেয়। আমি আর মেঝ ভাই খুব কষ্টে পড়াশুনা চালিয়ে যায়। বাবা তো আমাদের পড়াশুনা করতেই দিতে চায় না কিন্তু বড় ভাইয়ের জন্য আমরা পড়াশুনা করতে পারছি। ভাইয়া বলে আমি পড়াশুনা করতে পারিনি তো কি হয়ছে আমার ভাইয়েরা পড়াশুনা করবে। সে জন্য উনি অনেক কষ্টে আমাদের পড়াশুনার খরচ দিয়েছেন। এলাকার কলেজে আমি ইন্টারে A+ পাই। তাই সবাই বলে আমি যেন অনার্চটা শহরে গিয়ে পড়ি। কিন্তু আমি তো জানি আমার পরিবারের কথা তারা কখনো আমার পড়াশুনার খরচ দিতে পারবে না। সে জন্য শহরে পড়ার ইচ্ছা টা আমি সেখানেই শেষ করে দিই। কিন্তু আমার স্যার ভাইয়ার সাথে কথা বলে। তোমার ভাই খুব ভাল ছাএ ওকে যদি শহরে পড়াশুনা করতে দাও তাহলে ও ভব্যিশতে অনেক ভালো কিছু করতে পারবে।(স্যার) জ্বি স্যার আমি চেষ্টা করবো ওকে শহরে পড়াতে।(ভাইয়া) তারপর ভাইয়া বাড়িতে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করে কিন্তু বাবা এতে রাজি নয়। কিন্তু ভাইয়ার জেদে আমাকে রাজশাহী কলেজে ভর্তি করানো হয়। আমি যখন শহরে আসি তখন বুঝতে পারলাম শহরে কি ভাবে চলতে হয়। এখানে নিজের খরচ নিজেয় খুব সহজে বহন করা যায়। অনেক ছাএ ছাএী নিজেদের খরচ টিউশানী করিয়ে মিটায়। তাই আমিও চিন্তা করলাম বাসা থেকে আর খরচ নিবো না। এতে ভাইয়ারও কষ্টা টা কম হবে। তাই ম্যাচের বড় ভাইদের বিষয়টা আমি জানালাম। যেহেতু ছাএ হিসেবে আমি খারাপ ছিলাম না তাই কিছু দিনের মধ্যে এক বড় ভাই আমাকে একটা টিউশানির কথা বললো। একটা ছাএীকে পড়াতে হবে। ক্লাস নাইনে পড়ে। বাবা অনেক বড় লোক। টাকা পয়সার কোন সমস্যা হবে না। শুধু মেয়েটাকে ভালো ভাবে পড়াতে হবে। তবে মেয়েটা একটু জেদি। প্রত্যেক দিন বাসায় গিয়ে পড়াতে হবে। আমি রাজি হয়েগেলাম। আমার ছাএীর নাম আরোহী ইসলাস রাএী। প্রথম দিন বড় ভাই আমাকে সাথে করে নিয়ে গেলো। যেন বাসা চিনতে ভুল না হয়। আবার সাবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে। ছাএীর বাসাতে গিয়ে আমি হা হয়ে গেলাম। বিশাল বড় বাড়ি। ভাবা যায় এত বড় বাড়িতে পড়ানোর সুয়োগ পেয়েছি। মনোযোগ সহকারে পড়াতে হবে তাছাড়া টিউশানি টা হারাতে হবে। বাড়ির ভিতরে ঢুকলাম গিয়ে ছাএীর মায়ের সাথে দেখা। প্রথমে সালাম দিলাম। তারপর বড় ভাই বেতন, পড়ানোর সময় সব কছু ঠিক করে দিলেন। কিন্তু আজ থেকে পড়ানো শুরু হবে না কারন ছাএী আজকে বাড়িতে নেই। কাল থেকে পড়াতে হবে। তাহলে বাবা কাল থেকে সময় মতো চলে এসো।(আন্টি) জ্বি আন্টি কাল আমি সময় মতো চলে আসবো। এই বলে আমি আর বড় ভাই চলে আসলাম। পরদিন বিকেল বেলা পড়ানোর সময় হয়েগেলো। আমি যথা সময়ে ছাএীর বাসায় উপস্থিত হয়ে গেলাম। গিয়ে তো আমি অবাক হয়ে গেলাম। কারন ছাএীর আমার ভালো লাগলে কমন্টে জানাবেন তাহলে পরের পার্ট লিখবো
No comments yet