দেশে যে আকারে ধর্ষণ নামক মহামারি হচ্ছে। নিজেকে এই দেশের একজন নাগরিক বলতে লজ্জা লাগে। যেখানে কোনো মা-বোনের সিকিউরিটি নাই। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কোনো কোনো আইনি ব্যবস্থা নাই। এর থেকে করোনা খুব ভালো একটা ভালো মহামারী। এটলিস্ট মা-বোনরা তো নিজের সম্মান রক্ষা করে মরতে পারে। It's a really shameful but its true that I'm Bangladeshi. The most inauspicious thing is " I am also a woman."
@Tabassum2014
Joined 8 September 2020 · 26 posts
120 KT
0 KT received · 0 KT given
Posts
দানবীর এবং ভিক্ষুক। দান অনেকই করে। তা হয়ত তার মোট সম্পদের আড়াই বা কোটিতম ভাগের একভাগ। তাদের আমরা দানবীর বলি। কিন্তু নজিমুদ্দিন তাঁর আয়ের সবটুকু দান করলেও তাকে দানবীর না বলে ভিক্ষুক বলেই সম্বোধন করছি। কেন ? টাকার অঙ্কে কম বলে ? মনের কোন দাম নেই ? সকলকে অনুরোধ করছি- মনের দাম দিতে এবং " ভিক্ষুক " শব্দটি না বলার জন্য।
এক লোক রাস্তার পাশের একটি গাছে উঠে যে ডালে বসেছে সে ডাল কাটা শুরু করলে পথিক জিজ্ঞেস করল তুমি যে ডালে বসেছ সে ডাল কাটছ কেন? লোকটি উত্তর দিল বন বিভাগ নিষেধ করে নাই।
রাশিচক্র : বর্ষ গননা। সর্বপ্রথম বর্ষ গননা শুরু হয় চাঁদের আবর্তন লক্ষ্য করে। চাঁদ পৃথিবীর একটি উপগ্রহ। যা পৃথিবীকে কেন্দ্র আবর্তিত হওয়ার সাথে নিজ অক্ষে কেন্দ্র করেও আবর্তিত হয়। আবার পৃথিবী চাঁদকে সংগে নিয়ে রবিকক্ষ বা রাশিচক্র দিয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। চাঁদ যে সময়ে একবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে ঠিক একই সময়ে নিজের অক্ষকে কেন্দ্র করে একবার আবর্তিত হয়। ফলে চাঁদের এক অংশই সবসময় পৃথিবী হতে দেখা যায়। অর্থাৎ আমারা সবসময় চাঁদের একই অর্ধাংশ দেখি। আবার এ অর্ধাংশের যে অংশটুকুতে সূর্যের আলো পড়ে সে অংশটুকু আমরা দেখতে পাই। এ আলোকিত অংশটুকুকে চন্দ্রকলা বা তিথি বলা হয়। চন্দ্রকলার বিভিন্ন নামে নামকরণ করা হয়েছে। যেমন- আমাবস্যার পরের রাতে চাঁদ দেখা যায় না। একে প্রতিপদ বলা হয়। প্রতিপদের পরের দিন সূর্যাস্তের পর পশ্চিম আকাশে খুবই সরু একফালি বাঁকা চাঁদ অল্প সময়ের জন্য দেখা যায়। একে দ্বিতীয়ার চাঁদ বলা হয়। এভাবে তৃতীয়া, চতুর্থী, পঞ্চমী, ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী, দশমী, একাদশী, দ্বাদশী, ত্রয়োদশী এবং চতুর্দশীর চাঁদ দেখা যায়। দ্বিতীয়া হতে চাঁদের আলোকিত অংশের পরিমাণ সমানভাবে বৃদ্ধি পেতে পেতে চতুর্দশীতে সবটুকু আলোকিত হয়ে গোলাকার থালার আকৃতি ধারণ করে, একে পূর্ণিমার চাঁদ এবং রাতটিকে পূর্ণিমা রাত বলা হয়। ইতোমধ্যে চৌদ্দ দিন অতিক্রান্ত হয়ে যায়। এজন্য একে শুক্লপক্ষ বলা হয়। পূর্ণীমার পরদিন হতে চাঁদের ক্ষয় অর্থাৎ আলোকিত অংশের পরিমান সমভাবে কমতে থাকে। এভাবে এক রাতে আকাশে চাঁদ দেখা যায় না। এ রাতকে আমাবস্যা বা আমাবস্যার রাত বলা হয়। এ পক্ষকে বলা হয় কৃষ্ণপক্ষ। এ চন্দ্রকলার বৃদ্ধি এবং হ্রাস দেখে প্রাচীন কালের মানুষ দিন, মাস এবং বৎসর গননা শুরু করে। তারা সূর্যাস্তের পর নতুন চাঁদের উদয়ের সময় হতে পরবর্তী সূর্যাস্ত পর্যন্ত এক দিন ধরা শুরু করে। এভাবে একটি একটি নতুন চাঁদ উদয়ের পর শুক্লা এবং কৃষ্ণপক্ষের পর আবার নতুন চাঁদ উদয়ের পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত ২৯ বা ৩০ দিন হয়। একে এক মাস ধরা হয়। এ এক মাসের মধ্যে একটি করে পূর্ণিমা এবং আমাবস্যা থাকে। এ সময় যেহেতু চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে, তাই পৃথিবীর সাথে সাথে সূর্যকেও প্রদক্ষিণ করে। পৃথিবী প্রতি ৩০ দিন বা ৩০ দিন ৬ ঘন্টায় রাশিচক্রের একেকটি রাশি অতিক্রম করে। যা চন্দ্রের এক মাসের প্রায় সমান। অর্থাৎ, পৃথিবী এবং চাঁদের সূর্যকে একবার আবর্তনে সময় ১২ মাস। তাই ১২ মাসকে এক বৎসর ধরা হয়। তবে দিনের হিসেবে চাঁদের ৩৫৪/৩৫৫ এবং পৃথিবীর ৩৬৫ / ৩৬৬ দিন। প্রাচীন কালের মানুষ গননায় পারদর্শী ছিল না, তাই তারা নতুন চাঁদের উদয়, বৃদ্ধি এবং হ্রাস দেখে মাস এবং বৎসরের হিসেবে করত। অর্থাৎ, ২৯ / ৩০ দিনে এক মাস এবং ১২ মাসে এক বৎসর। এ সম্পর্কে কোরআনে সূরা তাওবাহ্ ( আয়াত - ৩৬) উল্লেখ করা হয়েছে - " আকাশ - মন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টির দিন হতেই আল্লাহ্ বিধানে আল্লাহ্ নিকট মাস গননায় মাস বারটি। " যেহেতু, এ গননায় চাঁদ- ই মূল, এজন্য একে চান্দ্র বর্ষ বা চান্দ্র সন বলা হয়। এটাই পৃথিবীর প্রথম বর্ষপঞ্জি।
Nothing is impossible in our life. if we want to do something strongly.
জীবনসঙ্গী সৃষ্টিকর্তা আমাদের জন্য যাদেরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে নির্ধারণ করে রেখেছেন শুধু তারাই কি বেস্ট হয়? আমরা মানি অথবা না মানি, তবে এটা চিরন্তন সত্য, সৃষ্টিকর্তা আমাদের জীবনসঙ্গী হিসেবে যাকে নির্ধারণ করে রেখেছেন তার থেকে উত্তম সঙ্গী এবং বন্ধু আমাদের জন্য আর কেউ নেই। তিনি তাদেরকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে নির্ধারণ করেন, যারা আমাদের পরিপূরক হয়ে থাকে। যদিও আমরা সাধারণ মানুষ সেটা সময় থাকতে বুঝতে পারি না। মানসিক চাপ, পারিবারিক চাপ, কিংবা পারিপার্শ্বিক চাপে আমরা কখনোই পরিস্থিতি বা সম্পর্কের ভালো দিকটা আগে দেখি না। সবসময় খারাপ দিকটাই আগে চোখে পড়ে আমাদের। কারণ আমরা নেতিবাচক বিষয় গুলোকে নিয়েই ভাবতে, আলোচনা এবং সমালোচনা করতে বেশি পছন্দ করি। আর এসবের ফলে সম্পর্কের মূল বন্ধন এবং রসায়নটাকে উপভোগ করার বদলে উপেক্ষা করি। তাই পরের ঘরের বর-বউয়ের গল্পটাকে অনেক বেশি রোমাঞ্চিত মনে হয়। সেখানে বিবাদ দেখলেও মনে হয় খুনসুটি চলছে। অথচ নিজের জীবনসঙ্গী ভালোর জন্য একটা কথা ধমকে বা একটু জোরে আওয়াজ করলে মনে হয়, "এর সাথে আর যাই হোক সংসার করা যায় না।" অথবা কেউ আবার ভাবে, "ইশশশ! আরেকটু দেখে বিয়ে করলে হয়তো এর মতন নিরামিষের হাত থেকে বেঁচে যেতাম।" কখনো আবার এটাও শোনা যায়, "কি আর করার আমার কপাল খারাপ তাই তোমার মতো বউ/বর পেয়েছি। কোন কুক্ষণে যে তোমায় আমি হ্যাঁ বলেছিলাম কে জানে?"।
লালবাগকেল্লা **ঢাকার লালবাগ কেল্লা ইতিহাসের একটি অনন্য নিদর্শন। প্রাচীন দুর্গ নিয়েই যুগ যুগ ধরে নানা লোককাহিনী, বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে। ঢাকায় অবস্থিত লালবাগ কেল্লা উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহাসিক দুর্গগুলোর একটি। এটি বাংলাদেশে মুঘল স্থাপত্যকলার অন্যতম বড় এক নিদর্শনও।** https://admanager.somoydigital.com/www/delivery/afr.php?zoneid=35&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE নানা রকম রহস্যে ঘেরা এই লালবাগ কেল্লার সব থেকে রহস্যময় স্থান হচ্ছে লালবাগের বন্ধ সুড়ঙ্গ। যা সবার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সুড়ঙ্গ নিয়ে বছরের পর নানারকম কল্পকাহিনী শোনা যায়। সুড়ঙ্গের ইতিহাস লালবাগ কেল্লার নিচে রয়েছে অসংখ্য সুড়ঙ্গ যা জমিদার আমলে তৈরি করা হয়েছিল। সুড়ঙ্গগুলোর মধ্যে একটি সুড়ঙ্গ আছে যার ভেতরে কেউ ঢুকলে তাকে আর ফিরে পাওয়া যায় না! https://admanager.somoydigital.com/www/delivery/afr.php?zoneid=71&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE স্থাপত্যবিদদের মতে, এ পথটি প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে টঙ্গী নদীর সঙ্গে যুক্ত। আবার কেউ মনে করে, এটি একটি জলাধারের মুখ। এর ভেতরে একটি বড় চৌবাচ্চা রয়েছে। মুঘলদের পতনের পর লালবাগ দুর্গ যখন সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়, তখন ঢাকাবাসীর সব আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় এই সুড়ঙ্গ। সুড়ঙ্গ সম্পর্কে যুক্তিগত মতামত: যেহেতু সুড়ঙ্গ পথের রহস্য উদঘাটনের জন্য আজ পর্যন্ত কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কাজ হয়নি, তাই এটি নিয়ে নানা কল্পকাহিনী চালু আছে। এ কারণেই এ সুড়ঙ্গ পথটি ঢাকার আদি বাসিন্দাদের কাছে এখনো রহস্যময়। সুড়ঙ্গের রহস্য উদঘাটন কেল্লার দক্ষিণে আগে বেশ কয়েকটি সুড়ঙ্গের উপস্থিতি থাকলেও মূল সুড়ঙ্গটি লোহার গেট দিয়ে বন্ধ করে দেয়া আছে। পর্যটকরা বেড়াতে গেলে এই সুড়ঙ্গের গল্প অনেকেই শুনেন। বলা হয়, এখান দিয়ে নাকি সুরঙ্গ পথে দিল্লি পর্যন্ত যাওয়া যেত! কিন্তু বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। এটি যুদ্ধকালীন বা বিপদ মুহূর্তে সুবেদারদের নির্বিঘ্নে পালিয়ে যাবার পথ হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। ভারতের সব দুর্গেই এরকম সুড়ঙ্গের ব্যবহার দেখা যায়। সাধারণত নদীর ধারের দুর্গের নকশায় সুড়ঙ্গটি তৈরির কৌশল ছিল যেন তাড়াতাড়ি দুর্গ থেকে নৌপথে যাওয়া যায়। তাই নির্দ্বিধায় বলা যায় লালবাগ দুর্গের এই সুড়ঙ্গ বুড়িগঙ্গা ব্যতীত অন্য কোথাও শেষ হবার নয়। তবে এই রহস্যময় সুড়ঙ্গে কোনো মানুষ প্রবেশ করলে আর ফেরত আসেনা। এর কারণ সুড়ঙ্গের ভেতর এতই অন্ধকার ছিল যে আলোতেও সামনে কিছুই দেখা যায় না। সুড়ঙ্গ নিয়ে গবেষণা একদল বিদেশি গবেষক এর রহস্য উদঘাটনের জন্য সুড়ঙ্গের মধ্যে দুটি কুকুর পাঠান। কিন্তু কুকুর দুটি আর ফিরে আসেনি। পরবর্তীতে শিকল বেঁধে আবার দুটি কুকুরকে পাঠানো হয়েছিল। তখন শিকল আসলেও কুকুরগুলো ফেরত আসেনি। অনেকের মতে এর মধ্যে এমন এক প্রকার গ্যাস রয়েছে যার প্রভাবে যে কোনো প্রাণী দেহের হাড়, মাংস গলে যায়। আবার কারো কারো ধারণা এর মধ্যে এমন এক প্রকার শক্তি রয়েছে যার ভেতর প্রবেশ করে কোনো প্রাণীর পক্ষেই আর ফিরে আসা সম্ভব নয়। লোকমুখে শোনা যায়, এই সুড়ঙ্গ দিয়ে পাশেই বুড়িগঙ্গা নদীতে যাওয়া যেত। সুড়ঙ্গমুখ থেকে বেরিয়েই নৌকায় উঠে যাওয়া যেত জিঞ্জিরা প্রাসাদে। আবার নদীর বাতাস অনুভবের জন্য ওই সময়ের সেনাপতিরা এই সুড়ঙ্গ ব্যবহার করতেন। তবে এসব কথাকে শুধুই কল্পকাহিনী বলে দাবি করেছে লালবাগ কেল্লার কাস্টোডিয়ান কার্যালয়। কারণ এসব কথার কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে যুদ্ধের সময় মুঘল সেনারা যখন বুঝতেন তাদের পরাজয় কাছাকাছি, তখন তারা এই সুড়ঙ্গ দিয়ে দুর্গের দেয়াল পেরিয়ে পালিয়ে যেতেন।
তারা মসজিদ তারা মসজিদ (Start Mosque) পুরান ঢাকার আরমানিটোলা এলাকায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত। মসজিদের গায়ে কোন শিলালিপি না থাকায় মসজিদটির সঠিক নির্মাণকাল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হয় ১৮ শতকের শুরুর দিকে তৎকালীন ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর তারা মসজিদ নির্মাণ করেন। মোঘল স্থাপত্য কৌশলে নির্মিত মসজিদটি অনেকের কাছে সিতারা মসজিদ বা মির্জা গোলাম পীরের মসজিদ নামে পরিচিত। নির্মাণকালে মসজিদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ছিল যথাক্রমে ৩৩ ও ১২ ফুট। আয়তাকার মসজিদের ছাদে স্থাপন করা হয় নীল রঙের তারা খচিত সাদা বৃত্তাকার ৩ টি গম্বুজ। সমস্ত মসজিদের নকশায় তারার ‘মোটিফ’ বিশেষভাবে লক্ষণীয়। এই বিশেষ নকশার জন্যই মসজিদটি তারা মসজিদ নামে পরিচিত হয়ে উঠে। মসজিদের ভেতরে প্রবেশের জন্য পূর্ব দিকে ৩ টি, উত্তর এবং দক্ষিণ দিকে ১ টি করে দরজা রাখা হয়। এরপর স্থানীয় ব্যবসায়ী আলী জান বেপারী ১৯২৬ সালে মসজিদটির সংস্কার কাজ আরম্ভ করেন। তখন মসজিদটির পূর্বদিকে সম্প্রসারণ করে বারান্দা তৈরী করা হয় এবং চিনি-টিকরী কৌশলের মসজিদটিতে রঙিন চীনা মাটির টুকরা ও কাঁচ ব্যবহার করে মোজাইক করা হয়।। তৃতীয় ধাপে ১৯৮৭ সালে মসজিদটি আবার সংস্কার করা হয়। তখন মসজিদের পুরনো মেহরাব ভেঙে নতুন ৩ টি মেহরাব তৈরী করা হয়। মসজিদের ছাদে আরো দুইটি গম্বুজ স্থাপন এবং দেয়ালে চাঁদ, তারা, ফুল ও আরবি ক্যালিওগ্রাফি দিয়ে শোভাবর্ধন করা হয়। সম্প্রসারিত মসজিদটির বতর্মান দৈর্ঘ্য – প্রস্থ যথাক্রমে ৭০ এবং ২৬ ফুট।
মেঘালয় চারদিকে উঁচু পাহাড় আর সবুজ পাহাড়ের বুক চিরে নেমে আসা ঝরনা, পাশাপাশি মেঘেদের অবিরাম ছোটাছুটি। কেউ যেন তাদের কানে কানে শুনিয়ে দিচ্ছে ‘কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা’। কখনো মেঘের শীতল স্পর্শ আপনার মনে জাগিয়ে তুলতে পারে অন্য রকম আনন্দ। বলছি বাংলাদেশের সিলেটের সীমান্তবর্তী ভারতের ২১তম রাজ্য মেঘালয়ের কথা। পাহাড়, ঝরনা, বৃষ্টিস্নাত সবুজ প্রকৃতি ইত্যাদি মিলে প্রকৃতি যেন আরেক স্বর্গ রচনা করেছে এখানে। বছরে ছয় থেকে সাত মাস মেঘালয় মেঘে ঢাকা থাকে। মেঘেদের খেলাঘর এই রাজ্যটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে এখানে ছুটে আসে। আমরা যারা পাহাড় ও ঝরনা দেখতে খুব ভালোবাসি তাদের জন্য এই রাজ্যটি হতে পারে একটি পরিতৃপ্তির জায়গা। আমরা অনেকেই সিলেট বেড়াতে গিয়ে ভারতের সীমান্তঘেঁষা উঁচু পাহাড়গুলো দেখে সেখানে না যেতে পেরে আফসোস করি। মন বারবার ছুটে যেতে চায় এসব পাহাড়ের চূড়ায়, জানতে চায় এ রাজ্যটির সম্পর্কে। মেঘালয় রাজ্যটি একটি পাহাড়ি রাজ্য এবং এখানে রয়েছে মন হরণকারী অনেক দর্শনীয় স্থান। নিজের ভ্রমণপিপাসু মনের তৃষ্ণা মেটাতে বেশ কয়েকদিনের জন্য আপনিও ঘুরে আসতে পারেন এই মেঘের রাজ্য থেকে । ঢাকা থেকে মেঘালয় যাওয়ার সহজ উপায় হলো ঢাকা থেকে সিলেট। তারপর সিলেটের তামাবিল সীমান্ত দিয়ে মেঘালয় রাজ্যে প্রবেশ করা। মেঘালয় যেতে হলে প্রথমে বাসে বা ট্রেনে করে আপনাকে যেতে হবে সিলেট শহরে। সিলেট শহর থেকে বাসে বা সিএনজি করে যেতে হবে তামাবিল সীমান্ত চেকপোস্ট। সেখানে আপনার পাসপোর্ট ভিসা ট্রাভেল টেক্সের রসিদ চেক করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে সীমান্ত পার হয়ে আপনি ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রবেশ করবেন। ভারতের প্রবেশের পর একইভাবে আপনার পাসপোর্ট-ভিসা যাচাই করা হবে। ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রবেশ করেই যে ছোট্ট শহরটিতে প্রবেশ করবেন, তার নাম ডাউকি। তামাবিল থেকে ডাউকি মাত্র দুই কিলোমিটার। সীমান্ত পার হয়েই আপনি ডাউকি যাওয়ার গাড়ি পাবেন। ডাউকিতে নাশতা সেরে আপনাকে যেতে হবে মেঘালয় রাজ্যটির রাজধানী শিলং। জিপে করে যেতে সময় লাগবে আড়াই থেতে তিন ঘণ্টা। তবে যাত্রাপথ আপনার কাছে একটুও বিরক্তিকর লাগবে না বরং উঁচুনিচু পাহাড়ি পথ আপনাকে মোহিত করবে। হয়তো বা পথেই মেঘের রাজ্যের মেঘদের সাক্ষাৎ পেয়ে যেতে পারেন। আমরা সিলেট থেকে যে ডাউকি ব্রিজটি দেখতে পাই, এই ব্রিজটির ওপর দিয়ে আপনাকে যেতে হবে শিলংয়ের দিকে। পাশাপাশি যাত্রাপথে অন্য দেশ থেকে নিজের দেশের ভূমিকে দেখা আপনার মনে অন্যরকম ভালোলাগা জাগিয়ে তুলতে পারে।
তফাৎ যখন আপনি সুন্দর হোন মানুষ আপনার সাথে আলাদা একটা ভালো ব্যবহার করে, সবসময় আপনাকে প্রসংশার কাতারে ফেলে এতে আপনার একটা অহংকার সৃষ্টি হয় যার কারণে আপনার সব কিছুতে সেই অহংকার প্রস্ফুটিত হয় আর যখন আপনি কুতসিত হোন তখন কেউ সেধে আপনার সাথে কথা বলতে আসে না আপনি একাকিত্বতে থেকে থেকে নিজেই নিজের হয়ে যান মানে নিজেই নিজেকে ভালোবাসতে শিখেন। এটাকে বলে তফাৎ। (এটা একজনের জীবন থেকে নেয়া। প্লিজ কেউ আমাকে ভুল বুজবেন না।)
শিলাইদহ কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠি বাড়ি জাদুঘর, কুষ্টিয়া শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি । কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার অর্ন্তগত শিলাইদহ ইউনিয়নের খোরেশদপুর কুঠিবাড়ি অবস্হিত । রবীন্দ্রনাথের দাদা প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর ১৮০৭ সালে এ অঞ্চলের জমিদারি পান। পরবর্তিতে ১৮৮৯ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে জমিদার হয়ে আসেন। এখানে তিনি ১৯০১ সাল পর্যন্ত জমিদারী পরিচালনা করেন। এ সময় এখানে বসেই তিনি রচনা করেন তার বিখ্যাত গ্রন্থ *সোনার তরী*, *চিত্রা*, *চৈতালী*, ইত্যাদি, *গীতাঞ্জলী* কাব্যের অনুবাদ কাজও শুরু করেন । ১৯৫৮ সাল থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ব্যবস্হাপনায় শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়িটি গৌরবময় স্মৃতিরূপে সংরক্ষিত আছে । ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কুঠিবাড়িটি গুরুত্ব অনুধাবন করে কবির বিভিন্ন শিল্পকর্ম সংগ্রহপূর্বক একে একটি জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয় । পুরো ভবনটি এখন জাদুঘর হিসেবে দর্শকদের জন্যে উম্মুক্ত । জাদুঘরের নীচ ও দ্বিতীয় তলায় ১৬টি কক্ষেই কবি রবীন্দ্রনাথ, শিল্পী রবীন্দ্রনাথ, জমিদার রবীন্দ্রনাথ, কৃষক বন্ধু রবীন্দ্রনাথ অর্থাৎ নানা বয়সের বিচিত্র ভঙ্গির রবীন্দ্রনাথের ছবি । বাল্যকাল থেকে মৃতু্শয্যার ছবি পর্যন্ত সংরক্ষিত আছে । তাছাড়াও রয়েছে শিল্পকর্ম এবং তাঁর ব্যবহার্য আসবাবপত্র দিয়ে পরিপাটি দিয়ে সাজানো । কবি ভবনে ব্যবহার্য জিনিসপত্রগুলোর মধ্যে আরো আছে চঞ্চলা ও চপলা নামের দুটো স্পিডবোট, পল্টুন, ৮বেহারা পালকি, কাঠের চেয়ার, টি টেবিল, সোফাসেট, আরাম চেয়ার, পালংক ইত্যাদি প্রয়োজনীয় জিনিস । **টিকেট** **প্রাপ্তিস্থানঃ** জাদুঘরের গেটের পাশেই রয়েছে টিকেট কাউন্টার, জনপ্রতি টিকেট এর দাম পনের টাকা করে, তবে পাঁচ বছরের কম কোন বাচ্চার জন্যে টিকেট এর দরকার পড়েনা। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিশু-কিশোরদের জন্য প্রবেশ মুল্যে নির্ধারন করা হয়েছে ৫ টাকা। সার্কভুক্ত বিদেশি দর্শনার্থীর জন্যে টিকেট মূল্য পঞ্চাশ টাকা এবং অন্যান্য বিদেশী দর্শকদের জন্য টিকেটের মূল্য একশত টাকা করে। **বন্ধ-খোলার** **সময়সূচীঃ** গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কেল্লা খোলা থাকে। মাঝখানে দুপুর ১টা থেকে ১.৩০ পর্যন্ত আধ ঘণ্টার জন্যে বন্ধ থাকে। আর শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। শীতকালেও দুপুর ১টা থেকে ১.৩০ পর্যন্ত বন্ধ থাকে। আর সবসময়ের জন্যেই শুক্রবারে জুম্মার নামাযের জন্যে সাড়ে বারোটা থেকে তিনটা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। রবিবার সাধারণ ছুটি এবং সোমবার বেলা ২.০০ থেকে খোলা থাকে। এছাড়াও সরকারী কোন বিশেষ দিবসে জাদুঘর থাকে ।
শান্তিনিকেতন শান্তিনিকেতন (Shantiniketan) একটি ছোট শহর যা বীরভূম জেলায় অবস্থিত। ভৌগোলিক পরিচয় এটা হলেও শান্তিনিকেতন আসলে অন্য পরিচয় বহন করে। শান্তিনিকেতন জুড়ে আছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তার অসামান্য কিছু কর্মকান্ড। এই ছোট শহরটি সাহিত্য এবং সংস্কৃতির এক অসাধারণ মেলবন্ধন। প্রতি বছর দেশ এবং বিদেশ থেকে প্রচুর পর্যটকের আগমন ঘটে এখানে। জ্ঞান পিপাসু এবং ভ্রমণ পিপাসু এই দু ধরণের মানুষকেই এই শহর বরাবর আকর্ষণ করে এসেছে। বর্তমান সময়ে শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি সব মিলিয়ে এই শহর ইন্টেলেক্চুয়াল এবং রোমান্টিক বাঙালীকে বার বার আকর্ষণ করে এসেছে। এই শহরটি শান্তিনিকেতন হয়ে ওঠার আগে কিন্তু অন্য নামে পরিচিত ছিল। কুখ্যাত ডাকাত ভুবন ডাকাতের নামে এই শহরটির নাম ছিল ভুবনডাঙ্গা। সময়টা তখন ১৮৬২, মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজের আশ্রম স্থাপন করার জন্য একটি উপযুক্ত জায়গা খুঁজছেন। এমত অবস্থায় রায়পুরে বন্ধু স্থানীয় জমিদারের বাড়িতে থাকাকালীন একদিন ভ্রমণকালে এই স্থানটি তার উপযুক্ত বলে মনে হয়। ১৮৬৩ সালে তিনি আশ্রমটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং স্থানটির নাম করন করেন শান্তিনিকেতন। ঠিক ৪০ বছর পরে ১৯০১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পাঠভবন প্রতিষ্ঠা করেন। এই পাঠভবন তৎকালীন শিক্ষাচর্চার ধারাকে ভেঙে দেয়। শিক্ষাকে তিনি চার দেওয়াল থেকে বের করে প্রকৃতির সন্নিবেশে নিয়ে আসেন। শুধু মাত্র পাঁচজন ছাত্র এবং পাঁচজন শিক্ষককে নিয়ে এই স্কুল শুরু হয়। ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হওয়ার পর তিনি এটিকে মহা বিদ্যালয়ে পরিণত করেন। যা এখন বিশ্বভারতী নামে সবার কাছে পরিচিত। বর্তমানে এই মহাবিদ্যালয় শিক্ষার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়, এখানে ছাত্র ছাত্রীরা প্রকৃতির সংস্পর্শে নিজেদের আবিষ্কর করে। পাঠ ভবনের পর মৃণালিনী আনন্দ পাঠশালা, সন্তোষ পাঠশালা, শিক্ষা শাস্ত্র, উত্তর শিক্ষা সদন এগুলিকে বিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া দর্শন ভবন, সঙ্গীত ভবন, চীনা ভবন, কলা ভবন শিল্প সদন, রবীন্দ্র ভবন ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দীর্ঘ দিন ধরে দেশ ও বিদেশের জ্ঞান পিপাসু মানুষ এখানে আসেন এবং নিজেদের জ্ঞানের ভান্ডারকে পরিপূর্ণ করেন। ইন্দিরা গান্ধী, অমর্ত্য সেন, নন্দলাল বসু সত্যজিৎ রায় এছাড়া আরো অনেক নামি মানুষ এই বিশ্ব বিদ্যালয়ের সাথে জড়িত। এছাড়াও খোয়াইয়ের এর ঘাট বহুকাল ধরেই রোমান্টিক বাঙালীকে আকর্ষণ করে আসছে। এছাড়া বল্লভপুর ওয়াইল্ডলাইফ পার্ক, ছাতিমতলা, রবীন্দ্র মিউজিয়াম, সোনাঝুরি, নন্দন আর্ট গ্যালারি, আমারকুটির – এগুলি প্রত্যেকটি শান্তিনিকেতনের আকর্ষণকে বাড়িয়ে তোলে।
ট্রপিকাল চিকেন সালাদ উপকরণ মুরগির মাংস পরিমাণমতো, আদা পেস্ট ৪ টেবিল চামচ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, অলিভ অয়েল ২ টেবিল চামচ, নারকেল কোরা ১ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়ো ৩ টেবিল চামচ, লবঙ্গ ৩টি, আম কিউব করে কাটা ১টি, মধু পরিমাণমতো। প্রণালী একটি ননস্টিক ফ্রাইপ্যানে নারকেল কোরা ২ থেকে ৩ মিনিট বাদামি করে ভেজে আলাদা করে নারকেল কোরা, লেবুর রস সব মসলা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এতে ছোট ছোট টুকরো মুরগির মাংস দিয়ে আবার নাড়ুন। এবার প্যানে তেল গরম করে মুরগিসহ মসলা দিয়ে ঢেকে দিন। মাংস সেদ্ধ হলে মধু দিয়ে নেড়ে আবার ঢেকে দিন। এবার এতে লেবুর রস যোগ করুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে পানি শুকালে সার্ভিং পাত্রে ঢেলে কেটে রাখা আম টুকরো দিয়ে পরিবেশন করুন।
চিকেন ফ্রাই **চিকেন ফ্রাই** উপকরণ ফার্মের মুরগি ১টি ৮ টুকরো করা, সয়াসস ২ চা-চামচ, আদা বাটা, রসুন বাটা ১ চা-চামচ করে; মরিচ গুঁড়ো আধা চা-চামচ, গুঁড়ো দুধ ২ চা-চামচ, লবণ, ময়দা ও তেল পরিমাণমতো। প্রণালী মুরগির টুকরোগুলো ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরান। এবার ময়দা, তেল বাদে সব উপকরণ দিয়ে মুরগির মাংস মেখে রাখুন ১ থেকে দেড় ঘণ্টা। এবার তেল গরম করে মুরগির টুকরোগুলো শুকনো ময়দায় গড়িয়ে ভাজুন। বাদামী রং যখন আপ্নার মনে হবে চিকেনটা ভাজা হয়ে গেছে তুলে ফেলুন। একটা প্লেটে পরিবেশন করুন।
চন্দ্রনাথ পাহাড় সীতাকুণ্ড শহরের পূর্বে অবস্থিত চন্দ্রনাথ শৃঙ্গ প্রায় ১০২০ফুট (প্রায়) অথবা (৩১০ মিটার) উঁচু এবং চট্টগ্রাম জেলার সর্বোচ্চ স্থান। রাজবাড়ি টিলার উচ্চতা ৯০০ ফুট এবং সাজিঢালার উচ্চতা ৮০১ ফুট। চট্টগ্রাম শহরের কাছাকাছি এসে এই পাহাড়ের উচ্চতা অনেক কমে এসেছে। চট্টগ্রাম শহরের উপকন্ঠে বাটালি হিলের উচ্চতা ২৮০ ফুট এবং শহর থেকে সামান্য উত্তরে নঙ্গরখানা ২৯৮ ফুট উঁচু। https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5_%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0 https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC শ্রী শ্রী সীতা মন্দির, চন্দ্রনাথ ধাম, সীতাকুণ্ড। এখানে রয়েছে সহস্রধারা আর সুপ্তধারা নামের দুটি জলপ্রপাত। মীরসরাই অংশে রয়েছে খৈয়াছড়া, হরিণমারা, হাটুভাঙ্গা, নাপিত্তাছড়া, বাঘবিয়ানী, বোয়ালিয়া, অমরমানিক্যসহ আরো অনেক অনেক ঝর্ণা ও জলপ্রপাত। পূর্বদিকে এই পাহাড় থেকে উৎসারিত হয়ে কয়েকটি ঝর্ণা তথা খাল হালদা নদীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। এর মাঝে গজারিয়া, বারমাসিয়া, ফটিকছড়ি, হারুয়ালছড়ি এবং বোয়ালিয়া অন্যতম। পশ্চিম দিকে মহামায়া, মিঠাছড়া সহ আরো কয়েকটি ছড়া ও ঝর্ণা বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বর্তমানে মহামায়া ছড়ার উপর একটি রাবার ড্যাম নির্মিত হয়েছে। এই লেক দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক, তাছাড়া নীলাম্বর হ্রদ নামে একটি মনোরম লেক এই পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE_%E0%A6%9D%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE_%E0%A6%9D%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A7%88%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%9D%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%9D%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A6%BE_%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80 https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%9B%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF_%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2 https://bn.m.wikipedia.org/w/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%9B%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE&action=edit&redlink=1 https://bn.m.wikipedia.org/w/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE&action=edit&redlink=1 https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0 https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6
বিরিশিরি **বিরিশিরি** নেত্ররকোনার দূর্গাপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী একটি গ্রাম। এখানে শত বছর পুরোনো বয়েজ ও গালর্স হাই স্কুল, সরকারী কালচারাল একাডেমী, সোমেশ্বরনদী, সাগর দিঘী, দুর্গাপুর রাজবাড়ী, পুরাকীর্তি নিদর্শন মঠগড়, মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ আর দর্শনীয় স্থানগুলোর কারণে পর্যটকদের কাছে এটির যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। এখানে বাসস্ট্যান্ড থাকায় এটি সারাদেশ ব্যাপী একটি পরিচিত নাম । অনেকে বিরিশিরিকে দুর্গাপুর শহর থেকে আলাদা মনে করেন। কিন্তু বিরিশিরি দুর্গাপুর পৌরসভার একটি ওয়ার্ড । সোমেশ্বরী নদীই দুর্গাপুর ও বিরিশরিকে আলাদা করেছে। https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A7%8C%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE বিরিশিরি কালচারাল একাডেমিতে উপজাতীয় সংস্কৃতি চর্চা করা হয়। এখানে প্রতি বছর উপজাতীয়দের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। প্রতিটি অনুষ্ঠানে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রচুর জনসমাগম হয় https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B2_%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%80 বিরিশিরি ইউনিয়ন পরিষদের পাশেই কমলা রাণী দিঘী। এই কমলা রাণী দিঘী সাগর দিঘি নামেও পরিচিত। দিঘীটি পুরোপুরি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেলেও এর দক্ষিণ পশ্চিম পাড় এখনও কালের স্বাক্ষী হয়ে আছে। বলা যায় এই নদীটি একটি কয়লা খনি। সারা দিন স্থানিয় দিন-মজুররা এই নদীতে কয়লা তোলে। দিন শেষে স্থানিয় মজুদদারদের কাছে কয়লা বিক্রি করে। মেঘালয়ের গাড়ো পাহাড় থেকে নেমে এসেছে এই সোমেশ্বর নদী যার আদি নাম ছিলো ‘সমসাঙ্গ’। বিজয়পুর, রানী খং এসব জায়গায় যেতে হলে এই নদী নৌকায় পাড় হতে হয়। বিজয়পুর যাওয়ার সময় পথেই পড়বে কুল্লাগড়া মন্দির। https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0,_%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0 **বিরিশিরি**সুসং দুর্গাপুরের চিনামাটির পাহাড় ও তার জল সাদা রঙের বলা হয়ে থাকে।
মৌনতা সবসময় মৌনতা থাকা কি ঠিক? না, ঠিক না।ইতিহাস সাক্ষী, পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি বিপত্তি এইজন্য এসেছে কারন সময় অনুযায়ী মানুষ প্রতিবাদ করেনি। মৌন ধারণ করেছিল। যদি মৌন থাকাকে অস্ত্র হয়ে থাকে তাহলে সেটা সময় অনুযায়ী ব্যবহার করাটাও আবশ্যক। যদি অকারণে সবসময় মৌন থাকা হয় তাহলে আমাদের ভেতরের খারাপ চিত্ত সেটাকে আমাদের সহমত হিসেবে নেয়। তারপর সেটা ধীরে ধীরে অভ্যাসে পরিনত করবে। এরপর নিজেদের ব্যক্তিত্বটা একজন সাধারণ মনুষ্যত্ব থেকে পাষানের মতো হয়ে যাবে কথা জমতে জমতে। তাই মুখের কথা আবশ্যকতা অনুযায়ী সদ্ব্যবহার করা উচিৎ। কথাকে কখন বশে আনতে হবে এবং কখন চুপ থাকতে হবে, এসবের থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো এটা বোঝা যে, কখন নিজের এই মৌনতাটা ভাঙতে হবে।
কাপ্তাই হ্রদ পর্যটনঃ কাপ্তাই লেককে ঘিরেই মূলত রাঙামাটি জেলার পর্যটন শিল্প গড়ে উঠেছে। এই লেকের উপর রয়েছে বিখ্যাত ঝুলন্ত ব্রীজ। লেকের দুই ধারই পাহাড়-টিলা দিয়ে ঘেরা। ট্রলার ভাড়া করে লেকে ভ্রমণ করা যায়। ট্রলারে করে যাওয়া যায় শুভলং জলপ্রপাতে। লেকের পাড়ে রয়েছে নতুন চাকমা রাজবাড়ি ও বৌদ্ধ মন্দির। পুরাতন চাকমা রাজবাড়ি কাপ্তাই বাঁধ নির্মানের সময় লেকে তলিয়ে যায়। রাজবন বিহার বাংলাদেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বৃহত্তম বিহার রাঙামাটি শহরের অদূরেই অবস্থিত, যা পূণার্থী এবং দর্শনার্থীদের অন্যতম আর্কষনীয় স্থান। https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A6%A8_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0
নাগেটস **মজার রান্না ডেস্ক:** বিকেলের নাস্তায় বা রেস্টুরেন্টে বন্ধুদের সঙ্গে খেতে সেসব খাবারের স্বাদ বেড়ে যায় দ্বিগুন। তেমনি কোনো খাবার যদি নিজ হাতে সহজেই হয়ে যায় তবে মন্দ কি? অতিথি আপ্যায়ন সঙ্গে নিজেদের খাওয়ার জন্য চিকেন নাগেট তেমনি একটি মজার খাবার। আজ শিখে নেব চিকেন নাগেট তৈরির রেসিপি। **উপকরণ:** মুরগির মাংসের কিমা ৫০০ গ্রাম, পিঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, ডিম ১ টি, পাউরুটি ৬ টুকরা, ব্রেডক্রাম্ব ১ কাপ, ময়দা ১ কাপ, পানি আধা কাপ, রসুনবাটা ১চা চামচ, লবণ ১ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো। **প্রস্তুত প্রণালী:** মুরগির মাংসের কিমা, পাউরুটি, রসুন, গোলমরিচ গুঁড়া, লবণ ও পিঁয়াজ একসঙ্গে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এবার ছোট নাগেটের আকৃতি করে রাখতে হবে। একটি পাত্রে ডিম ফেটানো, অপর একটি পাত্রে ব্রেড ক্রাম্ব নিন। এখন নাগেট গুলো একে একে ময়দা, ডিম এবং ব্রেডক্রাম্ব মেখে ফুটন্ত ডুবো তেলে ছেড়ে দিন। বাদামি করে ভেজে তুলে টমেটো সসের সঙ্গে উপভোগ করুন মজাদার চিকেন নাগেট।
নাচোস রেসিপি **টরটিলা চিপস তৈরি:** বেসন ২ কাপ (আটা কিংবা ময়দাও ব্যবহার করা যাবে)। গরম মসলাগুঁড়া ১ চা-চামচ। জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ। লবণ স্বাদ মতো। পানি প্রয়োজন মতো। উপরের সব উপকরণ মিশিয়ে শক্ত খামির বা ডো করে নিন। খুব ভালোভাবে ময়ান দিয়ে খামিরটা আধা ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। এবার ১৫ থেকে ১৬ ভাগে ভাগ করে যতটা সম্ভব পাতলা রুটি বানিয়ে সেগুলিকে তিন অথবা চারকোনা করে কেটে নিন। এই কাটা পাপড়িগুলো বেইকিং ট্রেতে বিছিয়ে ওভেনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট শুকিয়ে নিন। ইচ্ছা হলে ডুবো তেলে ভেজে নিতে পারেন। **টপিংয়ের জন্য:** ছোট কিউব করে কাটা সিদ্ধ আলু ২ কাপ। সিদ্ধ ছোলার ডাল অথবা মটর আধা কাপ। কিউব করে কাটা শসা ১ কাপ। পেঁয়াজমিহি কুচি আধা কাপ। চাট মসলা ১ টেবিল-চামচ। লেবুর রস ১,২ টেবিল-চামচ। লবণ স্বাদ মতো। উপরের সব উপকরণ একসঙ্গে চামচ দিয়ে মিশিয়ে রাখুন। **সসের জন্য:** টক দই আধা কাপ। লেবুর রস দেড় টেবিল-চামচ। লবণ ও চিনি স্বাদ মতো। উপরের সব উপকরণ চামচ দিয়ে ভালো ভাবে ফেটিয়ে রাখুন **তেঁতুলের ড্রেসিং:** তেঁতুলের পাল্প/ মাড়/ কাঁথ আধা কাপ। পানি ১/৪ কাপ। চিনি ও লবণ স্বাদ মতো। চিলি ফ্লেক্স/ শুকনা মরিচ ১ চা-চামচ। ধনে-পাতাকুচি ইচ্ছা। উপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। **নাচোস তৈরি:** পরিবেশন প্লেটে প্রথমে পাপড়ি, তার উপর আলুর সালাদ সাজিয়ে নিন। এবার টক দই ও তেঁতুলের সস উপরে ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। **মনে রাখবেন:** সস দেওয়ার পর নাচোস রেখে দেওয়া যাবে না, সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে। নয়ত, নাচোসের খাস্তাভাব আর থাকবে না।
অনুপ্রেরণামূলক উক্তিঃ **০১. “জীবন হোক কর্মময়, নিরন্তর ছুটে চলা। চিরকাল বিশ্রাম নেয়ার জন্য তো কবর পড়েই আছে”** – হযরত আলী (রা) **০২. “সত্য কথা বলে শয়তানকে অপমান করো”** – প্রাচীন ইংলিশ প্রবাদ **০৩. “ বিখ্যাত না হয়ে জীবন কাটালেও সুন্দর জীবন কাটানো সম্ভব, কিন্তু জীবনের মত জীবন না কাটিয়ে বিখ্যাত হওয়া কখনও সুন্দর জীবন হতে পারে না”** – ক্লাইভ জেমস **০৪. “সম্পন্ন করার আগে সবকিছুই অসম্ভব মনে হয়”** – নেলসন ম্যান্ডেলা **০৫. “সফল মানুষেরা কাজ করে যায়। তারা ভুল করে, ভুল শোধরায় – কিন্তু কখনও হাল ছাড়ে না”** – কনরাড হিলটন (প্রতিষ্ঠাতা, হিলটন হোটেল চেইন) **০৬. “নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখো! নিজের যোগ্যতার ওপর ভরসা রাখো! নিজের শক্তির ওপর বিনয়ী কিন্তু যথেষ্ঠ আস্থা ছাড়া তুমি সফল বা সুখী হতে পারবে না”** – নরম্যান ভিনসেন্ট পীল (লেখক, দার্শনিক) **০৭. “যদি স্বপ্ন দেখতে পারো, তবে তা বাস্তবায়নও করতে পারবে”** – ওয়াল্ট ডিজনি **০৮. “মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃষ্টি হয়নি। তাকে হয়তো ধ্বংস করা যায়, কিন্তু হারানো যায় না।”** – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
নাফাখুম বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে এই জলপ্রপাতটি অবস্থিত[১]। বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি একটি মারমা অধু্যসিত এলাকা। বান্দরবন হতে ৭৯ কিঃমিঃ দুরে অবস্থিত থানচি। সাঙ্গু নদীর পাড়ে অবস্থিত থানচি বাজার। এই সাঙ্গু নদী ধরে রেমাক্রীর দিকে ধীরে ধীরে উপরে উঠতে হয় নৌকা বেঁয়ে। কারণ নদীটি রেমাক্রী হতে থানচির দিকে ধীরে ধীরে ঢালু হয়ে এসেছে এবং এই জন্য এখানে অনেক স্রোত থাকে। নদীর কিছুদূর পর পর ১-২ ফুট এমন কি কোথাও কোথাও ৪/৫ ফুট পর্যন্ত ঢালু হয়ে নিচে নেমেছে। নদীর দুপাশে সবুজে মোড়ানো উচু উচু পাহাড় রয়েছে। কোন কোন পাহাড় এতই উচু যে তার চূড়া ঢেকে থাকে মেঘের আস্তরে। সবুজে ঘেরা সে পাহাড়ে মাঝে মাঝে দু একটি উপজাতী বসতঘর দেখা যায়। পাহাড়ের ঢালুতে টিন আর বেড়ার ঘর গুলো মারমা ভাষায় বলে ‘খুম’ মানে হচ্ছে জলপ্রপাত। রেমাক্রি থেকে তিন ঘণ্টার হাঁটা পথ দূরত্বে এই জলপ্রপাত। https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AE_%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4#cite_note-1 https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%81_%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80 বান্দরবান শহর থেকে থানচি উপজেলা সদরের দূরত্ব ৭৯ কিঃমিঃ। রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে বান্দরবান থেকে থানচি যেতে সময় লাগে ৩ ঘণ্টা। বর্ষায় ইঞ্জিনবোটে থানচি থেকে তিন্দু যেতে সময় লাগে আড়াই ঘণ্টা। তিন্দু থেকে রেমাক্রি যেতে লাগবে আরও আড়াই ঘণ্টা। শীতের সময় ইঞ্জিন বোট চলার মত নদীতে যথেষ্ট গভীরতা থাকেনা। তখন ঠ্যালা নৌকাই একমাত্র বাহন। রেমাক্রি বাজার থেকে দুইভাবে নাফাখুম-এ যাওয়া পথ আছে। এক ঘণ্টা উঁচু-নিচু পাহাড়ী পথ মাড়িয়ে (পাহাড় ডিঙিয়ে) তারপর রেমাক্রি খালের পাড় ধরে বাকিটা হেঁটে এই পথে চার ঘণ্টা লাগে নাফাখুমে পৌঁছাতে। এতে রেমাক্রি খাল ক্রস করতে হয় তিন বার এবং শেষের দিকে সাঁতার পানি পেরুতে হয়। অপরদিকে আবার পাহাড় না ডিঙিয়ে গোটা পথই রেমাক্রি খালের পাশ দিয়েও যাওয়া যায়।[২] https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A6%BF_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AE_%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4#cite_note-2
নীলগিরি বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় **নীলগিরি** পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্যটন কেন্দ্র। https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE নীলগিরিতে স্থাপিত বান্দরবান জেলার মানচিত্র সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২০০ ফুট উচ্চে অবস্থানের কারণে নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র সর্বদা মেঘমণ্ডিত আর এটাই এই পর্যটন কেন্দ্রের বিশেষ আকর্ষণ। একবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে নীলগিরি ধীরে ধীরে দেশব্যাপী মানুষের কাছে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করে।[১] এই পুরো পর্যটন কেন্দ্রটিই প্রতিষ্ঠা করেছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং তারাই এর পরিচালনা করে থাকেন। এই পর্যটন কেন্দ্রটি বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে কাফ্রুপাড়াসংলগ্ন পাহাড় চূড়ায় অবস্থিত।[২] বান্দরবানের আলীকদম থেকে থানচীগামী রাস্তা ধরে পাহাড়ী পথে নীলগিরি পৌঁছানো যায়। https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B2%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%9F%E0%A6%A8_%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0#cite_note-1 https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80 https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B2%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%9F%E0%A6%A8_%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0#cite_note-2
ভালোবাসার উক্তিঃ **“যাকে ভালোবাসো তাকে চোখের আড়াল করোনা।”** বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় **” তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয় ,** **সে কি মোর অপরাধ ?** **চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিনী,** **বলে না তো কিছু চাঁদ । ”** কাজী নজরুল ইসলাম **” তবু তোমাকে ভালোবেসে** **মুহূর্তের মধ্যে ফিরে এসে** **বুঝেছি অকূলে জেগে রয়** **ঘড়ির সময়ে আর মহাকালে** **যেখানেই রাখি এ হৃদয় ”** জীবনানন্দ দাশ **“কোনো কিছুকে ভালোবাসা হলো, সেটি বেঁচে থাক তা চাওয়া “** কনফুসিয়াস **“তুমি তোমার , আমিতো আর আমার নই ।”** শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
সাজেক ভ্যালির রুপ সাজেক রুইলুইপাড়া এবং কংলাক পাড়া, এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রুইলুই পাড়া সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,৭২০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত আর কংলাক পাড়া ১,৮০০ ফুট উচ্চতায় কংলাক পাহাড়-এ অবস্থিত।[২] সাজেকে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা উপজাতি বসবাস করে। রাঙামাটির অনেকটা অংশই দেখে যায় সাজেক ভ্যালি থেকে। এই জন্য সাজেক ভ্যালিকে *রাঙামাটির ছাদ* বলা হয়।[৩] https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%95_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%95_%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF#cite_note-2 https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%95_%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF#cite_note-3 কর্ণফুলী নদী থেকে উদ্ভূত সাজেক নদী থেকে সাজেক ভ্যালির নাম এসেছে।[৪] https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%95_%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF#cite_note-4 মেঘে আচ্ছন্ন পর্বতশ্রেণী সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত। খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে সাজেকের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। আর দীঘিনালা থেকে প্রায় ৪৯ কিলোমিটার। সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত। সাজেক ইউনিয়ন হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন; যার আয়তন ৭০২ বর্গমাইল। এখানে সাজেক বিজিবি ক্যাম্প রয়েছে। https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BF https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%95_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8 সাজেকে সর্বত্র মেঘ, পাহাড় আর সবুজ। এখান থেকে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দেয়া যায়। সাজেকের রুইলুই পাড়া থেকে ট্রেকিং করে কংলাক পাহাড়-এ যাওয়া যায়। কংলাক হচ্ছে সাজেকের সর্বোচ্চ চূড়া। কংলা যাওয়ার পথে মিজোরাম সীমান্তের বড় বড় পাহাড়, আদিবাসীদের জীবনযাপন, চারদিকে মেঘের আনাগোনা দেখা যায়। এখানে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে উপজাতিয় উৎসব অনুষ্ঠিত হয় এবং তাদের সংস্কৃতি নানা উপকরণ উপভোগ করা যায়। https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%95_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC
Friendship 👭👫 Friendship is a special bond, second only to romantic love. We are more than just outer appearances, we are the sum total of the values we hold dear, the experiences of our lives, the knowledge and wisdom we gained, the moments of joys and hardships we've lived through, the books we read, the people we know. All in all we are treasures. Tangible treasures are kept in vaults at the bank, and only the owner, and whom the owner trusts has the key to the vault. Who we are, are like non tangible treasures, but still we choose to share it with people we call friends, in hopes that they'll guard it and appreciate it. I take my friendships very seriously, and cherish dedication and loyalty, offering it, and expecting it in return. I have been friends with people for decades: haven't seen some of them for decades too, but we keep in touch, remaining close friends. If you can imagine a room filled with precious jewels (kinda like in the Aladdin movie), that is how the jewels are that represent our lives that we offer to others, those who we think are worthy of our friendship. Now imagine that the room is contained behind a huge door. Most people are just passersby, the get to see the *façade* of the door, but don't get to see the content of the room, some called acquaintances get a little peek at the content, but friends get to enter the room. We choose very carefully to whom we offer our friendship. Those people are seen as worthy of it, similar to us in many ways, they have similar convictions, values, level of dedication to noble causes, intellect, temperament, and are perceived as loyal. But sometimes those impressions are misleading, and the fact, that we offered our trust to someone who took it for granted is very hurtful. VERY. HURTFUL. Instead of treating the access to the treasure room of who we are with honor and respect, they trample on our offering, leaving it shattered and our trust destroyed. There is nothing else left, but to repossess from them the key to that door, and lock it up, with feelings of betrayal and disappointment. I had to do that recently. Still feeling sad and disappointed by it. :'(