read.cash Log in

@alma45

Joined 24 September 2020 · 197 posts

120 KT

0 KT · 2¢ received · 0 KT given

Posts

@alma45

স্পেসস্যুট ২০২০ স্পেসএক্স কোম্পানি মানব বহনকারী ক্যাপসুল ক্রু ড্রাগনের জন্যে নতুন ধরণের স্পেসসুট তৈরি করেছে৷ সংস্থাটি তার ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে যাতে স্পেসসুটের নকশার বিবরণ রয়েছে। স্পেসস্যুটটি বর্তমানে নাসার নভোচারী বব বেহনকেন এবং ডগ হুরলি ব্যবহার করছেন৷ তারা ২০২০ সালের ৩০ মে "ডেমো -২" মিশনে স্পেসএক্স ক্যাপসুলের প্রথম দুই নভোচারী হয়েছিলেন। এই জুটির প্রত্যাশা করা হচ্ছে সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে আরও চার নভোচারী "ক্রু -১" মিশনে যাত্রা শুরু করবে৷ ভিডিওটি "ডেমো -২" প্রবর্তনের জন্য লাইভস্ট্রিম কভারেজ চলাকালীন দেখানো হয়েছিল। স্পেসস্যুট এবং সামগ্রিকভাবে ক্যাপসুলটি নাসার মহাকাশে মানুষ পাঠানোর নতুন পরিকল্পনার অংশ। স্বাচ্ছন্দ্য এবং সুরক্ষার জন্যই স্যুটটির এমন নকশা করা হয়েছে। স্পেসএক্সের স্পেস স্যুট ভিডিওটিতে স্পেসসুটের বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে: -এটি পুরোপুরি ইন-হাউস ডিজাইন, প্রতিটি ক্রুর সদস্যের জন্য এটি কাস্টম-ডিজাইন করা যাতে এটি পুরোপুরি ফিট করে। -স্যুটটি শীতলকরণ, যোগাযোগ, শ্রবণ সুরক্ষা এবং বাইরের স্তরের সাথে শিখা প্রতিরোধও করতে পারে। - স্যুটটি আসনে প্লাগ ইন করা হলে তা শীতল করার জন্য বাতাস সরবরাহ করে - হেলমেটটিতে চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাইক্রোফোন এবং ভালভ থাকে। - গ্লোভগুলি ক্যাপসুলের টাচস্ক্রিনগুলির সাথে যোগাযোগ করতে পারে। স্যুটটির ছবি প্রথম আগস্ট 2017 সালে সিইও এলন মাস্কের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে উন্মোচন করা হয়েছিল। তিনি তখন উল্লেখ করেছিলেন যে " স্যুটটি ইতিমধ্যে শূন্যতার চাপ দ্বিগুণ করার জন্য পরীক্ষা করা হয়েছিল।" সম্প্রতি স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক বলেছিলেন তিনি প্রায় প্রায় চার বছর ধরে স্যুটগুলো নিয়ে কাজ করেছিলেন৷ তবে এখন পর্যন্ত স্যুটটি ড্রাগনশিপ ক্যাপসুলের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত হয়েছে ISS এর বাইরে নয়৷

@alma45

মাশরুমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা মাশরুমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতাঃ বাংলাদেশে জমির অপ্রতুলতা, বেকারত্ব, পুষ্টিহীনতা, মাথাপিছু আয়ের স্বল্পতা, মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থান, সর্বোপরি দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় মাশরুম একটি সম্ভাবনাময় ফসল। এদেশের আবহাওয়া মাশরুম চাষের জন্য অত্যান্ত উপযোগী। অমিত সম্ভাবনাময় ফসল মাশরুম চাষের জন্য কোনো উর্বর জমির প্রয়োজন হয় না বিধায় দেশে মাশরুম উৎপাদন যতই বাড়ানো হোক না কেন তাতে কোনো ফসলেরই উৎপাদন কমার সম্ভাবনা নেই। যার মোটেই চাষের জমি নেই তিনিও বসত ঘরের পাশের অব্যবহৃত জায়গায় অনেক পরিমাণ মাশরুম উৎপাদন করতে পারেন। এজন্য ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে মাশরুমের উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি করা অত্যন্ত প্রয়োজন। সব শ্রেণি ও পেশার মানুষ মাশরুম চাষ করতে পারেন। মাশরুম এমন একটি ফসল যা ধনী, দরিদ্র সবার ঘরে সমভাবে জায়গা করে নিয়েছে। গ্রাম-গঞ্জে, শহরে এমনকি অতিমাত্রায় বিলাসিদের প্রাসাদেও মাশরুম স্থান পেয়েছে। আল্লাহতায়ালা মানব জাতির কল্যাণে দুনিয়ায় অগণিত জিনিসের সৃষ্টি করেছেন। এরকম কোটি কোটি সৃষ্টির মধ্যে মানব দেহের জন্য খুবই উপকারী ও ঔষধিগুণে ভরপুর একটি দ্রব্যের সহজ-সরল নাম মাশরুম। এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও ঔষধিগুণ সম্পন্ন খাবার। এতে আছে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, অ্যামাইনো এসিড, অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। স্বাদ, পুষ্টি ও ঔষধিগুণের কারণে এরইমধ্যে এটি সারা দেশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মাশরুম চাষ আমাদের দেশের পুষ্টি সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। খাদ্যগুণে সমৃদ্ধ মাশরুম অত্যন্ত স্বাস্থ্যপ্রদ একটি খাবার। মাশরুমের পুষ্টিমান তুলনামূলকভাবে অত্যধিক এবং এর প্রোটিন অতি উন্নতমানের এবং মানব দেহের জন্য অতিশয় উপকারী। একটি পরিপূর্ণ প্রোটিনের পূর্বশর্ত হলো মানব দেহের অত্যাবশ্যকীয় ৯টি অ্যাসিডের উপস্থিতি। মাশরুমে অতীব প্রয়োজনীয় এ ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিড বিদ্যমান। অন্যান্য প্রাণিজ আমিষ যেমন -মাছ, মাংস, ডিম অতি নামি-দামি খাবার হলেও এতে চর্বি স¤পৃক্ত অবস্থায় থাকায় যা অতি মাত্রায় গ্রহণ করলে শরীরে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পেয়ে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করে, যার ফলে মেদ-ভুঁড়ির সৃষ্টি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ প্রভৃতি জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। মাশরুমের প্রোটিনে-ফ্যাট এবং কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ অতি স্বল্প এবং কোলেস্টেরল ভাঙার উপাদান-লোভস্ট্রাটিন, অ্যান্টাডেনিন, ইরিটাডেনিন ও নায়াসিন থাকায় শরীরের কোলেস্টেরলস জমতে পারে না বরং মাশরুম খেলে শরীরে বহু দিনের জমানো কোলেস্টেরল ধীরে ধীরে বিনষ্ট হয়ে যায়। ১০০ গ্রাম শুকনো মাশরুমে ২৫-৩৫ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। পক্ষান্তরে আমরা যা অতি নামি-দামি খাবার হিসেবে মাছ, মাংস, ডিম খেয়ে থাকি তার মধ্যে ১০০ গ্রাম মাছ, মাংস ও ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ হলো ১৬-২২ গ্রাম , ২২-২৫ গ্রাম ও ১৩ গ্রাম মাত্র। মানব দেহের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সৃষ্টি করাই ভিটামিন ও মিনারেলের প্রধান কাজ। শরীরের চাহিদামতো প্রতিদিন ভিটামিন ও মিনারেল খেতে না পারলে শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা ক্রমশ দুর্বল হয়ে নানারূপ জটিল রোগে আক্রান্ত হতে হয়। প্রাকৃতিকভাবে মাশরুমেই সবচেয়ে বেশি ভিটামিন ও মিনারেল বিদ্যমান। মাশরুমে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম ও সেলেনিয়াম। সেলেনিয়াম উপাদানটি শুধু মাছেই পাওয়া যায়। যারা পুরোপুরি নিরামিষভোজী তারা মাশরুমের মাধ্যমে এ উপকারী উপাদানটি গ্রহণ করতে পারেন। মাশরুমে আরও আছে এরগোথিওনেইন নামে এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা মানব দেহের জন্য ঢালের মতো কাজ করে। মাশরুমে ভিটামিন বি-১২ আছে প্রচুর পরিমাণে যা অন্য কোনো উদ্ভিজ্জ উৎসে নেই। মাশরুম কোলেস্টেরল শূন্য। এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও খুবই সামান্য। এতে যে এনজাইম ও ফাইবার আছে তা দেহে উপস্থিত বাকি ব্যাড কোলেস্টেরলের বসতিও উজাড় করে দেয়। মাশরুমে উচ্চমাত্রার আঁশ থাকে, সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকে এবং প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়া মাশরুমে কোলেস্টেরল কমানোর অন্যতম উপাদান ইরিটাডেনিন, লোভাস্টটিন, এ টাডেনিন, কিটিন এবং ভিটামিন বি, সি ও ডি থাকায় নিয়মিত মাশরুম খেলে উচ্চ রক্তচাপও হৃদরোগ নিরাময় হয়। মাশরুমের ফাইবার বা আঁশ পাকস্থলী দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখতে সাহায্য করে। মাশরুম রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে। উচ্চ ফ্যাট সমৃদ্ধ লাল মাংসের পরিবর্তে মাশরুম গ্রহণ করলে ওজন কমানো সহজ হয়। ঋঅঝঊই তে প্রকাশিত এক গবেষণায় জানা যায়, লাল মাংসের পরিবর্তে সাদা মাশরুম গ্রহণ করলে ওজন কমে। মাশরুমে নিয়াসিন ও রিবোফ্লাবিন থাকে যা ত্বকের জন্য উপকারী। ৮০-৯০ ভাগ পানি থাকে যা ত্বককে নরম ও কোমল রাখে। মাশরুমে পলিফেনল ও সেলেনিয়াম নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এতে মানুষের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সালফারও থাকে। এ অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো মারাত্মক কিছু রোগ, যেমন-স্ট্রোক, স্নায়ুতন্ত্রের রোগ এবং ক্যান্সার থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এটি মানব দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শিতাকে মাশরুম দৈনন্দিন কিছু অসুখ যেমন-কফ ও ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করে। সূর্যের আলোর সংস্পর্শে যে মাশরুম উৎপন্ন হয় তাতে প্রচুর ভিটামিন ডি থাকে, যা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধে মাশরুম বেশ উপকারী। নিয়মিত মাশরুম খেলে ব্রেস্ট ক্যান্সার ও প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। মাশরুমের ফাইটোকেমিক্যাল টিউমারের বৃদ্ধিতে বাঁধার সৃষ্টি করে। মাশরুমের ভিটামিন বি স্নায়ুর জন্য উপকারী এবং বয়সজনিত রোগ যেমন- আলঝেইমার্স রোগ থেকে রক্ষা করে। মাশরুম গ্রহণ করলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। মাশরুমে এনজাইম ও প্রাকৃতিক ইনসুলিন থাকে যা চিনিকে ভাঙতে পারে। এতে থাকা ফাইবার ও এনজাইম হজমে সহায়তা করে। এটি অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কাজ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং কোলনের পুষ্টি উপাদান শোষণকেও বাড়তে সাহায্য করে। মাশরুমের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন-ডি আছে। শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনে এ উপাদানগুলো অত্যন্ত কার্যকরী। মাশরুমে নিউক্লিক এসিড ও অ্যান্টি এলার্জেন থাকায় এবং সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকায় কিডনি রোগ ও এলার্জি রোগের প্রতিরোধক। মাশরুমে স্ফিংগলিপিড এবং ভিটামিন-১২ বেশি থাকায় স্নায়ুতন্ত্র ও স্পাইনাল কর্ড সুস্থ রাখে। তাই মাশরুম খেলে হাইপার টেনশন দূর হয় এবং মেরুদ- দৃঢ় থাকে। হেপাটাইটিস বি ও জন্ডিস প্রতিরোধ করে। অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। মাশরুমের খনিজ লবণ দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক।

@alma45

নখ কাটার সুন্নাত সমূহ নখ কাটার সুন্নাত সমূহ: ১. সপ্তাহে একবার নখ কাটা। (শরহুস্‌ সুন্নাহ, হাদীস নং- ৩০৯০) ২. শুক্রবার জুমু‘আর নামাযে যাওয়ার পূর্বে নখ কাটা। (শরহুস্‌ সুন্নাহ, হাদীস নং- ৩০৯১) ৩. উভয় হাত (মুনাজাতের আকৃতিতে ধরে) ডান হাতের শাহাদাত আঙ্গুল থেকে আরম্ভ করে ধারাবাহিকভাবে বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলির নখ কেটে শেষ করা। অতঃপর সর্বশেষে ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলীর নখ কাটা। (ফাতাওয়ায়ে শামী- ৬ : ৪০৬/ ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী, ৫ : ৩৫৮) ৪. ডান পায়ের কনিষ্ঠাঙ্গুলি থেকে শুরু করে ধারাবাহিকভাবে বাম পায়ের কনিষ্ঠাঙ্গুলির নখ কেটে শেষ করা। (শামী, ৬ : ৪০৬)

@alma45

জমজ মানুষের গ্রাম 🔘 বর্তমানে এমন একটি জায়গা সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে আপনি যেদিকেই তাকান না কেন চোখ পড়বে জোড়ায় জোড়ায় একই রকম জমজ মানুষের । জায়গাটি হচ্ছে ভারতের কেরালা রাজ্যের কোধিনি গ্রাম। এটি সবার কাছে " টুইন গ্রাম " নামে পরিচিত । এটি কেবল ভারত নয় পুরো বিশ্বের কাছে একটি বিস্ময় । কারণ এটি একমাত্র গ্রাম যেখানে আছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জমজ এর বাস । ২০১৫ সালের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে এই গ্রামের মোট ২০০০ বাসিন্দার মধ্যে ২২০ জোড়া । সমগ্র বিশ্বে গড়ে এক হাজার মানুষের মধ্যে একজোড়া যমজ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে এই গ্রামেই যমজ হওয়ার সম্ভবনা ৪২ শতাংশ । কালিকোট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রাম । এই গ্রামে সব ধরনের যমজই দেখা যায়। হুবহু একই রকম দেখতে আইডেন্টিক্যাল অথবা আলাদা আলাদা দেখতে নন আইডেন্টিক্যাল এই দুই ধরনের দেখা যায় । আবার জমজ ভাই বোনের দেখাও মিলবে। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে ১৯৪৯ সালে এ গ্রামে প্রথম যমজ শিশু জন্মগ্রহণ করেছে। এরপর থেকে প্রতি বছর এ সংখ্যা কেবল বেড়েই চলেছে । কারো কারো মতে গ্রামের পরিবেশ এবং জিনগত কারণ এই ঘটনা ঘটছে । কেবল এই গ্রামেই নয় গ্রামের যেসব মেয়েরা বাইরে বিয়ে হচ্ছে সেখানেও তারা যমজ সন্তান জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু এই গ্রামে যমজের সংখ্যা এত বেশি কেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ডাক্তারের কারণ খুঁজে বের করতে চেষ্টা করছেন। কিন্তু কোনো কূলকিনারা করতে পারেন নি।

@alma45

আঘাতের এক নাম্বার মেডিসিন আর্নিকা আঘাতের এক নাম্বার মেডিসিন আর্নিকাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান, "Fragmenta de Viribus Medicamentarum" নামক বইয়ে আর্নিকা মন্টেনার প্রুভিং ও গুনাগুণ প্রচারকরেন তখন থেকেই আর্নিকা মন্টেনা আঘাত ও পতন জর্নিত বেদনা নিবারণের ঔষধ সমুহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে। ডাঃ হেরিং বলেছেন, যে সকল ব্যাক্তি বেটে ও বেশ মোটাসোটা আর্নিকা মন্টেনা তাহাদের জন্য অধিক উপযোগী। ডাঃ কেন্ট বলেছেন, আঘাত লাগিয়া বা আছাড় খাইয়া কোনরুপ রোগ হইলে আর্নিকা সর্বশ্রেষ্ঠ। আঘাত লাগিয়া কালশিরা পড়িলে এবং অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের পর কোন কঠিন রোগ হইলে আর্নিকা ব্যবহার্য। ডাঃ ফ্যারিংটন বলেছেন, আর্নিকা দ্বারা জরায়ুর সংকোচন শক্তি বর্ধিত হয় এবং ফুলের ছিন্ন ছিন্ন অংশ,মেম্ব্রণ ও রক্তের চাপ সকল ত্বরায় নিস্ক্রান্ত হইয়া যায়। হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রয়োগের কিছু নিয়ম-নীতি আছে হ্যানিম্যানের ২৪৮ সূত্রে বলা হয়েছে অত্যন্ত সাংঘাতিক রোগের ক্ষেত্রে প্রতি ঘন্টায় বা আরও ঘন ঘন সুনির্বাচিত ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে। তরুণ বা অচির রোগের ক্ষেত্রে দুই হতে ছয় ঘণ্টা পর পর ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে। দীর্ঘস্থায়ী, পুরাতন বা চিররোগে প্রতিদিন বা একদিন পর পর ঔষধ প্রয়োগ এবং আরোগ্য তড়ায় দীর্ঘ দিন পর পর ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে। আর্নিকা মন্টেনা এন্টিসেপ্টিক ঔষধ। বিশেষ লক্ষণ- অতিশয় বলক্ষয়,অবসাদ, কাঁপুনি, পক্ষাঘাত,হস্তপদাদির হঠাৎ স্পন্দন, সকল রোগেই বামদিকে আক্রান্ত। রক্তহীনতা, ফুলিয়াশক্ত হওয়া, পূযোৎপন্নপীড়া বা রক্ত বিষাক্ত হইয়া কঠিন পীড়া। বেদনা জনক উভেদ,স্ফোটক,ক্ষত। স্পর্শ,ঘ্রাণ ও শ্রবণ ইন্দ্রীয়ের প্রাখর্য্য কখনো বা অবসাদ সবিরাম জ্বর। রক্ত স্রাব,কালশিরার দাগ,মেহভাব। জিহ্বা কখনই পরিস্কার থাকে না। দূর্গন্ধ, ঢেকুর ও বমি,অ্যাপেনডিক্স স্থানে ব্যাথা। অতিরিক্ত পরিশ্রমের জন্য প্রস্রাব বন্ধ। প্রস্রাব পায় কিন্তু প্রস্রাব হয় না। দ্বি-দৃষ্টি, চক্ষু তারার প্রসারণ নীচের দিকে দেখিলে মাথা ঘোরে। বৃদ্ধি-স্পর্শে,দেহ সঞ্চালনে, আদ্রর্তায়, পরিশ্রমে, ভ্রমনে, কয়লার ধোঁয়ায়, বাঁদিকে শুইলে। উপশম-শুইয়া থাকিলে, মাথা নিচু করে শুইলে, সন্ধ্যায়, রাত্রিতে, খোলা বাতাসে। ক্রিয়া স্থিতি কাল- সাত-দশ দিন। ক্রিয়া নাশক ও পরবর্তী ঔষধ চিকিৎসক বিবেচ্য। আঘাত লাগিবার ফলে সেই স্থানের তন্তূগুলি নষ্ট হয় না কেবল থেঁতলাইয়া যায় ফুলিয়া উঠে (মাংস পেশী Muscle) তখন এই ঔষধ উপযোগী। আঘাতের পর আর্নিকা মন্টেনা প্রয়োগ করিতে পারিলে আঘাতের চিহ্ন পর্যন্ত থাকে না। আর্নিকা মন্টেনা বাহ্যিক প্রয়োগ করিবার সময় ইহার মাদার টিংচারের সহিত অধিক পরিমাণে জল মিশাইয়া লইতে হয়। Medicamentarum" নামক বইয়ে আর্নিকা মন্টেনার প্রুভিং ও গুনাগুণ প্রচারকরেন তখন থেকেই আর্নিকা মন্টেনা আঘাত ও পতন জর্নিত বেদনা নিবারণের ঔষধ সমুহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে। হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রয়োগের কিছু নিয়ম-নীতি আছে হ্যানিম্যানের ২৪৮ সূত্রে বলা হয়েছে অত্যন্ত সাংঘাতিক রোগের ক্ষেত্রে প্রতি ঘন্টায় বা আরও ঘন ঘন সুনির্বাচিত ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে। তরুণ বা অচির রোগের ক্ষেত্রে দুই হতে ছয় ঘণ্টা পর পর ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে। দীর্ঘস্থায়ী, পুরাতন বা চিররোগে প্রতিদিন বা একদিন পর পর ঔষধ প্রয়োগ এবং আরোগ্য তড়ায় দীর্ঘ দিন পর পর ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে। আর্নিকা মন্টেনা বাহ্যিক প্রয়োগ করিবার সময় ইহার মাদার টিংচারের সহিত অধিক পরিমাণে জল মিশাইয়া লইতে হয়।

@alma45

পূর্ণিমা বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে এবার অক্টোবর মাসে ২ টি পূর্ণিমা দেখা যাবে। একটি পহেলা অক্টোবর এবং অপরটি হ্যালোউইন দিবস মানে ৩১ শে অক্টোবর। পহেলা অক্টোবরে ফুলমুনের দেখা মিলবে৷ আর ৩১ শে অক্টোবর মিলবে ব্লু মুন অর্থাৎ নীল চাঁদের দেখা। নীল চাঁদ বলতে চাঁদের রঙ নীল নয়, চাঁদের নামকরণে সেই চাঁদের নাম নীল চাঁদ করা হয়েছে। ১৯৪৪ সালের পর পুরো পৃথিবীর মানুষ এই প্রথম একত্রে ব্লুমুন দেখতে পারবে। ১৯ বছর পর পর এই চাঁদের দেখা পাওয়া যায়। এর আগে ২০০১ সালে এর দেখা পেয়েছিলো কিছু সংখ্যক মানুষ। কথায় আছে নীল চাঁদ দেখার পর পৃথিবীতে খুব খারাপ কিছু ঘটে। আমি জানিনা এই কথাটির সত্যতা কতোটুকু। তবে অনেকে নীলচাঁদ কে বিশ্বাসঘাতক চাঁদ ও বলে থাকে।

@alma45

বিয়েতে কিছু হারাম সংস্কৃতি ! বিয়ে একটি নতুন জীবনের সূচনা। আর সূচনাটাই যদি গোনাহ দিয়ে শুরু হয় তা খুব নিন্দনীয়। অপরপক্ষে এই পবিত্র সম্পর্কের সূচনা যদি সুন্নাহ মেনে হয় তাহলে তার বরকত সারা জীবন পাওয়া যাবে ইন শা আল্লাহ। আজ আমরা বিয়েতে প্রচলিত এমন কিছু কাজ সম্পর্কে জানবো যা আমাদের বর্জন করা উচিত। পাত্রী দেখাঃ পাত্রী দেখার সময় পাত্রপক্ষের অনেক পুরুষ পাত্রী দেখতে আসে এবং সবাই মিলেই পাত্রীকে দেখে। যা ইসলাম সমর্থন করে না। পাত্রীকে শুধুই পাত্র এবং পাত্রের নিকট মহিলারা দেখতে পারবে। অন্য কোন পুরুষ দেখলে তা পর্দার বিধান লঙ্ঘনের গোনাহ হবে। তাছাড়া এটি দৃষ্টিকটুও বটে। পাত্র-পাত্রীর যোগাযোগঃ বিয়ে ঠিক হয়ে গেলে অনেক পাত্র-পাত্রী ফোনে বা বাস্তবে নিজেদের সাথে পরিচিত পর্বের জন্য নিয়মিত দেখা ও কথা বলে। অথচ বিয়ের আগে এসমস্ত দেখা ও কথা বলা জায়েজ হবে না। বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পরেই কেবল এসব পর্ব সম্পাদন করা যাবে। গায়ে হলুদঃ গায়ে হলুদের নামে গান বাজনা ,বেপর্দা মেলামেশা হয়ে থাকে। যা ইসলাম সমর্থন করে না। গায়ে হলুদ ইসলামী সংস্কৃতি নয়। অনেক জায়গায় পাত্রকে তার ভাবীরা গোসল দেয়ার প্রচলন আছে,যা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। গায়ে হলুদের মত নিকৃষ্টি এই কাজকে মুসলিম সমাজ থেকে বর্জন করা জরুরী। বিয়েতে বেপর্দা নারীর সয়লাবঃ বিয়ের অনুষ্ঠানে নারীরা পর্দা রক্ষা না করেই সেজেগুজে অনুষ্ঠানগুলোতে অবাধ বিচরণ করে। যা পর্দার বিধান লঙ্ঘনের গোনাহের কাজ। অনেক পর্দানশীন নারীরাও বিয়ের অনুষ্ঠানে পর্দাহীন অবস্থায় চলে যায়। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিয়ে বাড়িতে গানবাজনাঃ বিয়ে একটি ইবাদাত। অথচ বিয়ে উপলক্ষে অশ্লীল গানবাজনার প্রচলন অত্যন্ত গোনাহের একটি কাজ। যৌতুকঃ ইসলামে যৌতুক নেয়া জঘন্যতম অপরাধ। বর্তমানে সরাসরি বা আকার ইঙ্গিতে যৌতুক দাবী করা হয়। যা সম্পূর্ণ হারাম। উকিল পিতাঃ বিয়েতে একজনকে উকিল পিতা বানানো হয় এবং এটিকে একটি সম্পর্কের মত করে দেখা হয়।অথচ ইসলাম এর অনুমোদন দেয় না। এগুলো সামাজিক কুপ্রথা। ছেলেকে সোনার উপহারঃ অনেক পাত্রীপক্ষ জামাইকে সোনার আংটি বা চেইন উপহার দিয়ে বিয়ে বাড়িতে ঢোকায়। অথচ পুরুষের জন্য সোনা ব্যবহার হারাম। উপহার দিতে হলে অন্য কিছু দেয়া যায়। শ্যালিকার হাত ধোয়ানোঃ অনেক বিয়ে বাড়িতে জামাইকে তার শ্যালিকার হাত ধোয়ানোর প্রচলন আছে। অথচ শ্যালিকার জন্য বোনের স্বামীর সাথে পর্দা করা ফরজ। অথচ এই জঘন্য কাজটি প্রকাশ্যেই করা হয় এবং সবাই ব্যাপারটিকে হাসি তামাশা হিসেবেই নেয়। পায়ে ধরে সালামঃ ইসলামে পায়ে ধরে সালাম দেয়ার বিধান নেই।বরং পায়ে ধরে সালাম দেয়া অনেক ক্ষেত্রেই সিজদার মত হয়ে যায়। তাই এটি বর্জন করা উচিত। সালাম দিতে 'আসসালামু আলাইকুম' বলা উচিত। মুশরিকদের অনুকরণঃ অনেক অঞ্চলেই বধুকে ঘরে ঢোকানোর সময় কুলাতে দুর্বা ঘাস , লতাপাতা, হলুদ, মেহদী, তেল , আগুনের বাতাস ইত্যাদি দেয়া হয়। যা সরাসরি মুশরিকদের অনুকরণ। এসব সম্পূর্ণ পরিত্যাজ্য। এরকম আরও অনেক ইসলাম বিরোধী কুপ্রথা ও গোনাহের কাজের মাধ্যমে একটি বিয়ে সম্পন্ন হয়। যার ফলাফল হিসেবে দেখা যায় বিয়ে পরবর্তী জীবনে বরকত থাকে না। অশান্তি লেগেই থাকে। যে সম্পর্কের সূচনাই হয় গোনাহ দিয়ে তাতে আল্লাহ বরকত দিবে না এটাই স্বাভাবিক। তাই বিয়ের অনুষ্ঠানে এসব হারাম সংস্কৃতি বন্ধ করা আবশ্যক।

@alma45

অজুহাত ➡️পর্দা না করার পিছনে একজন নারী চাইলে হাজার টা অজুহাত দেখাতে পারে।♥ যেমন ♥ ▶️শরীরে অধিক কাপড় জড়ালে আমার গরম লাগে। গরমে আমার সমস্যা হয় ! ▶️পর্দা করা না করা আমার ব্যাপার। পুরুষরা দৃষ্টি নিচু রাখলেই তো হয়। তাদের দেখতে বলছে কে? ▶️যেখানে পাঁচ বছরের শিশু ধর্ষিত হয়,সেখানে পর্দা আর নারীদের কতটুকু হেফাজত করতে পারবে! ▶️বোরকা পরে হাত মোজা,পা মোজা পরলে মানুষ আমাকে দেখে হাসাহাসি করে। তাই এগুলো পরতে আমার ভালো লাগে না! ▶️বোরকা পরলে আমার সহপাঠী কিংবা সহকর্মীরা আমাকে জঙ্গী বলে উপহাস করে। তাই বোরকা পরব না! ▶️ভালো খারাপ নিজের কাছে। আমি ভালো ত জগৎ ভালো। পর্দা না করলে যে ভালো থাকা যায় না তা না! ▶️বোরকার আড়ালে ও তো কত মেয়ে খারাপ কাজ করে । আমরা মুখশধারী শয়তান হতে চাই না! আরো অনেক অজুহাত পর্দা না করার জন্য পেশ করা সম্ভব। তবে বিশ্বাসী নারীদের পর্দা করার জন্য শুধুমাত্র একটা কারনই যথেষ্ট। আর তা হচ্ছে:- -পর্দা করা আল্লাহর হুকুম। যা পালন করা ফরজ। আল্লাহ তা-লা এরশাদ করেনঃ- হে নবী আপনি আপনার স্ত্রী,কন্যা এবং বিশ্বাসী মুসলিম পুরুষদের স্ত্রীদেরকে বলুন তারা যেন নিজেদের গায়ে আবরন টেনে নেয়।এতে তারা সম্ভ্রান্ত হিসেবে পরিচিতি পাবে। এবং তাদের উত্যক্ত হওয়ার আশংকা কম থাকবে! [ সূরা আল-আজহাবঃ-৩৩] তবুও যদি বলেন পর্দা করবো কেন? তাহলে বলবো বেপর্দায় ই থাকেন বোন। আর জাহান্নামের অগ্রীম টিকিট বুকিং করে রাখেন!!!

@alma45

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর ১৪০০ বছর আগের বানী #হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর ১৪০০ বছর আগের বানী আজ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে। ১)হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন"পুরুষের প্যান্ট বা কাপড় পায়ের টাখনুর উপর পড়তে হবে। অন্যথায় তারা জাহান্নামে যাবে। (_সহীহ বুখারী ৫৩৭১..) বিজ্ঞান বলে, পুরুষের টাকনুর ভিতর প্রচুর পরিমাণে হরমোন থাকে এবং তার আলো বাতাসের প্রয়োজন হয়। তাই কেউ যদি টাকনু খোলা না রাখে তাহলে তার যৌন শক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন রুগে আক্রান্ত হবে।,, ২) হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)ভ্রু প্লাগকারীর উপর আল্লাহর লানত, ( সহীহ বুখারী ৫৫১৬.) বিজ্ঞান বলে ভ্রু হলো চোখের সুরক্ষার জন্য।ভ্রূতে এমন কিছু লোম আছে যা কাটা পড়লে ভ্র প্লাগকারী পাগল হয়ে যেতে পারে অথবা মৃত্যুবরণ ও করতে পারে। ৩) রাসুলুল্লাহ ( সাঃ) নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়া হারাম (সহীহ বুখারী ৬১২৪) বিজ্ঞান বলে ধুমপানের কারনে ফুসফুসের ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়। ধুমপান করলে ঠোঁট,দাঁতের মাড়ি,ও আঙ্গুল কালো হয়ে যায়। যৌন শক্তি ও ক্ষুধা কমে যায় এমনকি স্মৃতিশক্তি কমে যায়। ৪) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার করা হারাম (মুসলিম শরীফ ১৬৫৫) বিজ্ঞান বলে স্বর্ন এমন একটি পদার্থ যা স্কিনের সাথে মিশে ব্লাডের মাধ্যমে ব্রেনে চলে যায়।আর তার পরিমাণ যদি ২.৩ তাহলে মানুষ তার আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলবে। ৫) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে ও ডান কাত হয়ে ঘুমাতে ( সহীহ বুখারী ৩২৮০) ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পাম্প করে। আর যদি লাইক না নিভিয়ে ঘুমালে ব্রেনের এনাটমি রস শরীরে প্রবেশ করতে পারে না যার কারণে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ৬) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন তোমরা গোঁফ ছেঁটে ফেলে দাঁড়ি বড় রাখ, (মুসলিম শরীফ ৪৯৩..৪৯৪) ৭)বিজ্ঞান বলে দাঁড়ি না রাখলে স্কিন ক্যান্সার,ও ফুসফুসে ইনফেকশন, এবং ৪০ এর আগে যৌবন হারানোর সম্ভাবনা থাকে। আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলেন আর ব্যভিচারের কাছেও যেওনা। নিশ্চয়ই এটা অশ্লীল কাজ এবং ধংসের পথ, (সুরা বনী ইসরাইল ৩২) নেশাগ্ৰস্ত সয়তানের কাজ (সুরা মাইদাহ ৯০) বিজ্ঞান বলে পর্নোগ্ৰাফি ও অশ্লীল সম্পর্ক সহ মাদক দ্রব্য নেশায় যদি কেউ জরিয়ে পড়ে তাহলে তার ব্রেনের ফরেন্টাল এরিয়া পরিচালনা করার ইন্টেলেকচুয়াল সেলগূলো থরথর করে কাঁপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়।যার ফলে সে নেশাগ্রস্ত হয়ে মাতাল ও অসুস্থের মত জীবন পরিচালনা করে। এবং তা তাকে ধংসের দিকে ঠেলে দেয়।। ৮) আল্লাহ বলেন,, যখন কোরআন তেলাওয়াত করা হয় তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ ও নিশ্চূপ হয়ে থাকো যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়। (সুরা আরাফ ২০৪) বিজ্ঞান বলে কোরআনের সাউন্ড ওয়েব শরীরের সেলগূলোকে সক্রিয় করে। অসুস্থতা আরোগ্য করে বিশেষ করে হার্ট এবং ক্যান্সার রোগীদের।আর ব্রেনেকে এমন ভাবে চার্জ করে যেমন ভাবে ফিউজ হয়া ব্যাটারি সচল করে,, 🤲🤲🤲আল্লাহ আমাদের সবাইকে বোঝার মানার তৌফিক দান করুন,,,,🤲🤲🤲 🤲🤲🤲🤲 আমীন,🤲🤲🤲🤲

@alma45

রোযার উপর গবেষণা এই সেই জাপানি বিজ্ঞানী ইশিনোরি ওসিমি যিনি রোযার উপর গবেষণা করে নোবেল পুরস্কার পান ২০১৬ সালে। তিনি আবিস্কার করেন যে ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা রোযা রাখলে মানুষের দেহে অটোফেযি চালু হয়। তিনি প্রমাণ করেন যে রোযার মাধ্যমে মানুষের নিন্ম লিখিত উপকারগুলো হয় - ১। দেহের সেল পরিস্কার হয় ২। ক্যান্সার সেল ধবংস হয় ৩। পাকস্থলীর প্রদাহ সেরে যায় ৪। ব্রেইনের কার্যকারিতা বাড়ে ৫। শরীর নিজে নিজেই সেরে ওঠে (Autophazy) ৬। ডায়াবেটিস ভাল হয় ৭। বার্ধক্য রোধ করা যায় ৮। স্থুলতা দূর হয় ৯। দীর্ঘ জীবন লাভ করা যায়

@alma45

বিবাহ বিয়ের ক্ষেত্রে একজন পুরুষের জন্য আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হওয়া খুব জরুরী। কারণ বিয়ে সম্পর্কিত খরচ এবং বিয়ে পরবর্তী যত সাংসারিক ব্যয়ভার বহন করতে হবে তার সব কিছুই স্বামীর দায়িত্ব। এজন্য অনেক পুরুষই বিয়ের উপযুক্ত বয়স হওয়া সত্বেও আর্থিক সমস্যার কারণে বিয়ে করতে চায় না বা বিয়ে করতে পারেনা। আর এসব কারণে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে বিয়েও করতে বলেছেন এবং পাশাপাশি আর্থিক স্বাবলম্বী করে দেওয়ারও প্রতিশ্রতিও দিয়েছেন। “তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিয়ে সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ণ, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে স্বচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। যারা বিবাহে সমর্থ নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন।” (সূরা নূর : আয়াত ৩২-৩৩) অর্থাৎ যাদের বিয়ের সময় হয়েছে কিন্তু বিয়ে করছে না শুধু আর্থিক সমস্যার কারণে যদি তারা ন্যায়পরায়ণ হয় তাহলে মহান আল্লাহ তাদেরকে স্বচ্ছল করে দিবেন, কারণ তিনি বিরাট প্রাচুর্যের মালিক।

@alma45

স্পাইডার প্ল্যান্ট স্পাইডার প্ল্যান্ট যার বৈজ্ঞানিক নাম ক্লোরোফাইটাম কমোসাম (Chlorophytum comosum) এর বিভিন্ন ধরনের প্রজাতি রয়েছে। তার মধ্যে পরিচিত একটি স্পাইডার প্ল্যান্ট যার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়গুলির একটি হল তার বাচ্চাগুলো বা প্ল্যান্টলেটস্ যা গাছগুলো অনুকূল পরিস্থিতিতে থাকলে বৃদ্ধি পায়।

@alma45

ভূতুড়ে বন বিজ্ঞানের সকল সম্ভাব্য কারণকে উপেক্ষা করে গুরুতর রহ্যস্যকে ধারণ করে যুগের পর যুগ দাঁড়িয়ে রয়েছে এক বিশাল বন। নানারকম অদ্ভুত ঘটনার ঘটনাস্থল এই বন। বিজ্ঞানীরা বছরের পর বছর বহু চেষ্টা করেও এর রহস্যের কোনো কূল-কিনারা করতে পারেননি। যার ফলে অসংখ্য গাছ-গাছালিতে ঘেরা বনটি ‘ওয়ার্ল্ড’স মোস্ট হন্টেড ফরেস্ট’ হিসেবে পরিচিত হয়ে আসছে সকলের কাছে। রোমানিয়ার ট্রান্সসিলভানিয়ায় অবস্থিত ক্লাজ নাপোকা শহরে হইয়া বাছিউ নামক একটি বন অবস্থিত। এই বনে প্রায়শ ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অতিপ্রাকৃত ঘটনা বনটিকে ভৌতিক ও রহস্যময় করে রেখেছে। প্রায় ২৫০ হেক্টর জায়গার উপর বনটি দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই বনের গাছগুলোর আকৃতিও কিছুটা অস্বাভাবিক, কেমন যেন ডালে ডালে প্যাঁচানো সব গাছ। অশরীরী কোনো কিছুর উপস্থিতি, অদ্ভুত কিছুর আবির্ভাব, আলোর বলয় সহ এমন অনেক কিছুরই বর্ণনা পাওয়া যায় এলাকাবাসী এবং বন পরিদর্শনে আসা লোকদের কাছ থেকে। বনে ঘুরতে আসা প্রায় সকলের কাছ থেকেই শোনা যায়, তারা বনে থাকার পুরো সময়টা জুড়েই এক ধরনের অস্বাভাবিক মানসিক উদ্বিগ্নতায় ভুগে থাকেন। শুধু তা-ই নয়, তারা অনুভব করেন, কেউ তাদেরকে প্রতিনিয়ত চোখে চোখে রাখছে। ১৯৬৮ সালে এই বনটি সর্বপ্রথম বিশ্ববাসীর কাছে তার রহস্য নিয়ে পরিচিত হয় এমিল বার্নিয়া নামক এক ব্যক্তির তোলা ছবির মাধ্যমে। এই বনে ভ্রমণের প্রাক্কালে এমিল বার্নিয়া একটি ইউএফও দেখেন বলে দাবি করেন এবং সাথে সাথেই তিনি তা ক্যামেরাবন্দী করে ফেলেন। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কিছুদিন পরেই জীববিজ্ঞানী আলেক্সান্ডু শিফট সেখানে অনেক পরীক্ষা নিরিক্ষা করেন এবং আশেপাশের এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলেন। এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা এমন গোলাকৃতির তীব্র আলোর বলয় বন থেকে উর্ধ্বাকাশের দিকে মাঝে মাঝে যেতে দেখেছেন। ২০০২ সালে সর্বশেষ ইউএফও দেখেছিলেন দু’জন ক্লাজবাসী। তারা বনের খুব কাছাকাছি প্রতিবেশী শহর মানাস্তুরে থাকেন। তারা সিগারেটের মত লম্বা, প্রায় ৫০ মিটার দীর্ঘ একটি অতি উজ্জ্বল আলোকবস্তু বন থেকে আকাশের দিকে ছুটে যেতে দেখেছিলেন। প্রায় ২৭ সেকেন্ডের জন্য তারা বস্তুটিকে দেখতে পেয়েছিলেন। কথিত আছে, একবার এক মেষপালক প্রায় ২০০টি মেষশাবককে ঘাস খাওয়ানোর জন্য এই বনে প্রবেশ করেছিল। আশ্চর্যজনকভাবে তারা আর কখনো ফিরে আসেনি, একেবারে গায়েব হয়ে গিয়েছিল। এই ঘটনার পরে অনেকেই এই বনে প্রবেশ করতে যথেষ্ট পরিমাণ ভয় পায়। তাদের মাঝে একধরনের ভীতি কাজ করে, একবার এই বনে কেউ গেলে হয়ত আর ফিরে আসবে না কোনোদিন। এরপরেও সাহস করে যারা গেছেন, তারা মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, বমিভাব, গায়ে ফোস্কা পড়া, আঁচড়, শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুড়ে যাওয়া সহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক অসুবিধার শিকার হয়েছেন। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, এই বনে অস্বাভাবিক মাত্রায় তেজস্ক্রিয় বিকিরণ, মাইক্রোওয়েভ বিকিরণ ও ইনফ্রারেড বিকিরণ হয়ে থাকে। এছাড়াও এখানে চুম্বকীয় ও তড়িৎচুম্বকীয় ক্ষেত্রের বেশ কিছু বিচ্যুতি রয়েছে। বনের ঠিক মাঝখানে এমন একটি জায়গা রয়েছে, যেখানে কখনো কোনো ঘাস বা অন্যান্য কোনো গাছ-গুল্ম জন্মাতে দেখা যায়নি। বিজ্ঞানীরা এখানকার মাটি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন, কিন্তু পরীক্ষা করে এমন কোনো পদার্থের উপস্থিতি সেখানে পাওয়া যায়নি, যার কারণে কোনো উদ্ভিদের জন্ম এবং বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই জায়গাটিকে ভূতুড়ে ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু বলে থাকেন। তাদের ধারণা, কোনো অশরীরী কিছু বা অতৃপ্ত আত্মার বাস এ জায়গায়। ভূতুড়ে ঘটনাবলীর কারণস্বরূপ এলাকাবাসীরা বলে থাকেন, রোমানিয়ার বেশ কিছু চাষীকে নাকি অন্যায়ভাবে এই বনে হত্যা করা হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৫০ বছর আগে। তাদের অতৃপ্ত আত্মাগুলো হয়ত এই বনে আটকে রয়েছে। রহস্যময় আলোর কুন্ডলী, বনের গাঢ় স্তব্ধতা ভেদ করে অদৃশ্য রমণীর কন্ঠস্বর এবং কখনো বা হাসির আওয়াজ- এ সকল ঘটনা প্রায়শই এলাকাবাসী প্রত্যক্ষ করে থাকেন। বনের গাছগুলোর মাঝ দিয়ে মাঝে মাঝে সারি সারি আলোকরশ্মি বেরিয়ে আসতে দেখেন স্থানীয়রা। এত আলোকরশ্মির কারণে সেই জায়গার তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু থার্মাল ডিটেক্টর দিয়ে মেপে তাপমাত্রার কোনো তারতম্য পরিলক্ষিত হয়নি। বছরের পর বছর যে রহস্যকে আগলে রেখেছে এই বন, তার স্বরূপ উন্মোচনে বিজ্ঞানীরা লেগে রয়েছেন দিনের পর দিন। কিন্তু কোনোভাবেই রহস্যের জালটাকে ঠিক ছিন্ন করতে পারছেন না। সকল নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আজও ভৌতিকতার ঘন অন্ধকারে ঢাকা পড়ে রয়েছে ট্রান্সসিলভানিয়ার এই বনটি। তো এই অরণ্যের এসব অদ্ভুত ঘটনা গুলো নিয়ে আপনার কি মনে হয়?

@alma45

সংবাদপত্র সংবাদপত্র পড়া শেষ হলে ছিড়ে ফেলুন, এরপর মাটিতে অথবা টবে ছড়িয়ে দিন, কিছুদিনের মধ্যেই জন্মাবে নতুন গাছ।পৃথিবী সবুজীকরণে এর থেকে সুন্দর আবিষ্কার আর কী হতে পারে? জাপানের একটি দৈনিক সংবাদমাধ্যম "The Mainichi Shimbunsha" এমন এক বিশেষ ধরনের সংবাদপত্র নিয়ে এসেছে যেগুলো বিশেষ উপায়ে ফুল/ফলের বীজ সহ মন্ড তৈরির মাধ্যমে কাগজগুলো তৈরি করা হয়। অবিশ্বাস্যভাবে জাপানে পত্রটি বিক্রির হার বেড়ে গেছে কয়েকগুন, প্রতিদিন ৪.৬ মিলিয়ন মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে মাধ্যমটি এবং আয় করছে ৭ লক্ষ ইউএস ডলার। স্কুলের বাচ্চারাও এটি দেখে মহাখুশি, রীতিমতো এটি ওদের কাছে অনেকটা প্রাক্টিক্যাল ক্লাসের মতো। এমন ধরণের মন্ড তৈরি করা খুব বেশি কঠিন না, খরচ ও কম। চাইলে আমাদের দেশের সংবাদপত্র গুলোও এ উদ্যোগটি শুরু করতে পারে।

@alma45

ক্যালিফোর্নিয়ার গ্লাস বিচ 1906 সালে সান ফ্রান্সিসকোতে ভূমিকম্পের পর ফোর্ট ব্র্যাগের বাসিন্দারা ইউনিয়ন ল্যাম্বার কোম্পানির পিছনে একটি অফিসিয়াল জল ডাম্প সাইট স্থাপন করেছিল যা এখন "সাইট 1" নামে পরিচিত। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বসবাসরত মানুষজনের ব্যবহৃত মৃৎশিল্প কাঁচ, যন্ত্রপাতি এবং এমনকি যানবাহনের টুকরোগুলো বেশিরভাগ জল-সীমান্তে ফেলাতে পানির ডাম্প সাইট রয়েছে স্থানীয়রা এটিকে "দি ডাম্পস" হিসাবে উল্লেখ করেছেন। আবর্জনার পাইলের আকার হ্রাস করতে প্রায়শই মলোটভ ককটেল ব্যবহার করে আগুন জ্বালানো হত আবর্জনায়৷ 1943 সালে মূল ডাম্প সাইটটি পূর্ণ হয়ে গেলে, সাইটটি 1942 থেকে 1949 অবধি সক্রিয় ডাম্প সাইট হিসাবে চিহ্নিত হয়েছিল এবং "সাইট 2" নামে পরিচিত। যাএখন "গ্লাস বিচ" নামে পরিচিত এবং 1967 সাল পর্যন্ত একটি সক্রিয় ডাম্প সাইট থেকে যায়। ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের জল সম্পদ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড এবং শহর নেতারা 1967 সালে এই অঞ্চলটি বন্ধ করে দিয়েছিল। ক্ষয়ক্ষতি সংশোধন করার জন্য বিভিন্ন ক্লিনআপ প্রোগ্রামগুলি বছরের পর বছর ধরে হাতে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী কয়েক দশক ধরে, ডাম্প সাইটগুলিতে সমুদ্রের তীব্র ঢেউ এবং নানা প্রাকৃতিক কারণে কাচ এবং মৃৎশিল্পগুলি ভেঙে যায় এবং সেগুলি টুকরো টুকরো হয়ে ছবির মত ছোট, মসৃণ, রঙিন পাথরের টুকরোয় পরিণত হয়ে যায়৷ ফোর্ট ব্র্যাগের ক্যালিফোর্নিয়ার গ্লাস বিচ পর্যটকদের আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা থেকে বেরিয়ে আসা আবর্জনা সাথে প্রকৃতিক সংযোগে অবিশ্বাস্য সৌন্দর্যের এক নিখুঁত উদাহরণ ক্যালিফোর্নিয়ার গ্লাস বিচ....

@alma45

আফওয়ান "#আফওয়ান" শব্দটি অনেকেই শুনেছেন হয়তো।কিন্তু অর্থ জানেন না এমন লোকের অভাব নাই।তো এর অনেকগুলি অর্থের মধ্যে একটি অর্থ হচ্ছে "আমাকে ক্ষমা করুন"। আমাদের অনেকেই ভুল করলে ক্ষমা চাচ্ছি কথাটা বলতে অভ্যস্ত নই,কারো এই কথাটা বলতে অস্বস্তি লাগে আবার অনেকের ইগো তে বাজে (যে,এ্যা!আমি ক্ষমা চাইবো তার কাছে?হুহ) এই প্রব্লেমের সুন্দর সলিউশন হচ্ছে "আফওয়ান" বলা।ওয়ার্ড টা বলতেও কিউট লাগে শুনতেও কিউট লাগে। আসলে ক্ষমা চাওয়াও একটা মহত গুন।এতে ক্ষোভ লোপ পায়,সহানুভূতিশীল বৃদ্ধি পায়।তো যারা সংকোচ বোধ করেন,বলুন আফওয়ান।

@alma45

সানা খান জাইরা ওয়াসিমের পরে, বলিউডের বিখ্যাত অভিনেত্রী ′ সানা খান ′ ′ যাকে বিগ বস 6-তে দেখা গিয়েছে, বলিউড বিশ্বকে বিদায় জানিয়েছেন। বাজাহ তুমি হো অর জয় হো - বিখ্যাত অভিনেত্রী সানা খান যিনি বড় চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন ... তিনি বলেন, এত খ্যাতি পাওয়ার পরে আমি ভেবেছিলাম আমি খ্যাতি পেতেই এই পৃথিবীতে এসেছি কিনা। এই প্রশ্নটির উত্তরে যখন আমি আমার ধর্ম, আমার ইসলাম, আমার কুরআন নিয়েছিলাম তখন বুঝতে পেরেছিলাম যে পৃথিবীর জীবনেই আগামীর জীবনকে তৈরি করা এটা শুধু জরিয়া ′ ′ তাই আমি একটি ভাল এবং ভাল ব্যক্তি হওয়ার চেষ্টা করব, আমার ভবিষ্যতের জীবনকে আরও সুন্দর করার চেষ্টা করব! আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন! আল্লাহ আপনাকে উভয় জাহানে সফল করুন।সানা খান। After Zaira Wasim, Bollywood's famous actress ′′ Sana Khaan ′′ who has been seen in Bigg Boss 6, has said goodbye to the Bollywood world. Vajah Tum Ho Aur Jai Ho - famous actress Sana Khan who has worked in big films like... ′′ After getting so much fame, I thought if I have come to the world just to get fame. The answer to this question when I took my religion, my Islam, my Quran, I realized that the life of the world is to make the life to come. It's just zariya ′′ So I will try to be a good and good person, try to make my future life better! All of you pray for me May Allah make you successful in both worlds Sana.

@alma45

হ্যান্ড স্যানিটাইজার ♥ হ্যান্ড স্যানিটাইজার : - অপরিষ্কার বা জীবাণু থাকতে পারে এমন কোনো কিছু স্পর্শ করার পর সংক্রমণ থেকে বাঁচতে হাত পরিস্কার করে নিতে দ্রুত,পাশাপাশি খাবার খাওয়ার আগে ও পরে হাত পরিষ্কার করলে সংক্রমণের ঝুকি কমে যায় অনেকটাই। CDC ( সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল ) জানাচ্ছে, বেশিরভাগ মানুষ হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঠিক ভাবে ব্যবহার করছেন না। ♥ হ্যান্ড স্যানিটাইজার _ ব্যবহারের_ সঠিক _ নিয়ম :- ★সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল জানাচ্ছে - জীবানু ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে প্রায় ৩০ সেকেন্ড সময় নিয়ে হাত ঘষতে হবে। ★এটিকে হাতের তালু,হাতের পিঠ,আঙুলের মাঝে এবং নখের নিচে সঠিক ভাবে লাগিয়ে ঘষুন। ★আপনার হাত পুরোপুরি না শুকানো পর্যন্ত ঘষুন। ★শিশুদের হাত পরিষ্কার করতে স্যানিটাইজার ব্যবহার না করাইই ভালো। আর যদি এটি ব্যবহার করে,তবে আপনার সামনে করতে বলুন। ★এটি শিশু ও পোষা প্রানির নাগালের বাইরে সংরক্ষণ করুন। ★ হ্যান্ড স্যানিটাইজার লাগানোর পরে আপনার চোখ বা মুখে হাত দিয়ে স্পর্শ করবেন না। ♥ হ্যান্ড স্যানিটাইজার _ ব্যবহারে _ সতর্কতা : - ★এটিতে উচ্চ মাত্রায় অ্যালকোহল থাকায় এটি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার কমেই আগুন ধরতে পারে। ★চুলার আশপাশে,সুইচ সহ যেখানে বৈদুতিক সহযোগ আছে সেখানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখলে আগুন ধরে যাওয়ার আশংকা আছে। ★এটি দীর্ঘ দিন রোদের স্পর্শে অধিক তাপমাত্রায় বিস্ফোরিত হতে পারে। ★এর বেশি ব্যবহারে চামড়া শুষ্ক করে বার্ধক্য জনিত চামড়ার আকৃতি দিতে পারে,এন্টি বায়োটিককে কার্যহীন করতে পারে। ★এটি সব সময় শীতল বা ঠান্ডা স্থানে রাখতে হবে। ★এর বোতলের আকর্ষনীয় আকৃতি,অ্যালকোহলের সুমিষ্টি ঘ্রাণে শিশুরা খেয়ে ফেলতে পারে, এতে মৃত্যুও হতে পারে। ★এটি দিয়ে 'ভ্যাপার' নেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ।কারণ ভ্যাপারে কার্বন ডাই অক্সাইড বা কার্বন মনোক্সাইডের মতো বিষাক্ত সৃষ্টি করতে পারে।

@alma45

লাউয়ের রস ♥ লাউয়ের ইংরেজি নাম Bottle gourd.এটি সাধাররণত শীতকালীন সবজি।কিন্তু সারা বছর পাওয়া যায়। লাউ সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও ভেষজ গুন সম্পন্ন সবজি।এর খোসা,শ্বাঁস,পাতা সবইই খাওয়া যায়। ♥ লাউয়ের _ পুষ্টিগত _ উপকারিতা : - ★লাউয়ে প্রচুর ফাইবার আছে,যা খিদে কমায়,তাই ওজন কমে। ★এর নিউরো ট্রান্সমিটার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।ফলে স্ট্রেস,ডিপ্রেশন সহ মেন্টাল ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কমে। ★এর ভিটামিন - কে বিপাকে সহায়তা করে। ★লাউয়ের প্রচুর পানি ও দ্রবণীয় ফাইবার হজম ক্ষমতা উন্নতি করে,অ্যাসিডিটি ও কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমায়। অদ্রবণীয় ফাইবার অর্শ্ব,পেট ফাঁপা,পাইলসের সমস্যা দূর করে। ★এতে ৯৬ শতাংশ পানি আছে,যা পানি শূন্যতা কমায়। ★উচ্চ রক্ত চাপ ও ডায়াবেটিস রোগীদের ডায়েটে লাউ রাখলে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো হয় ও রক্তে সুগার লেভেল স্বাভাবিক থাকে।কারণ লাউ ভিটামিন সি এর ভালো উৎস এবং এ্যান্টি অক্সিডিন্ট সমৃদ্ধ । ২৫০ গ্রাম লাউ খেলে ২৫ এমজি ভিটামিন - সি পাই,যা সারা দিনের চাহিদার প্রায় অর্ধেক। ★এর রস অনিদ্রা বা ইনসমনিয়া সমস্যা দূর করে। ★হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ ,দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক ও অস্বস্তি দূর করতে সপ্তাহে ২ - ৩ দিন এর রস খেতে হবে। কারণ এতে প্রচুর খনিজ উপাদান আছে। ★লাউয়ের প্রাকৃতিক প্রোটিন ও ভিটামিন সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে,ব্রণের প্রতিরোধ করে,ধরুন মাত্রাতিরিক্ত ঘাম দূর করে,আয়ু বৃদ্ধি করে। ★লাউ অতিরিক্ত পিত্ত বরোনো বন্ধ করে বলে বদ হজম হয় না। ★শীতের শুরুতে এর রস খেলে মেয়েদের ইউরিনারিট্রাক্ট ইনফেকশনের সম্ভাবনা কম থাকে। ★প্রতিদিন লাউয়ের রসের সাথে লেবুর রস খেলে রোগ - প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে যায়। ★এতে প্রচুর পানি থাকায় প্রস্রাব ভালো হয়, প্রস্রাব হলুদ হয় না।ফলে 'ইউ টি আই' রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কমে যায়। ★জন্ডিস ও কিডনি রোগীদের জন্য উপকারী।মূত্র নালির সংক্রমণ,কিডনি ফেইলিউর এর বিরুদ্ধে কাজ করে। ★ক্লান্তি দূরর করে,এটা ভালো ডিটক্সিফায়ার ( যা শরীর থেকে বাজে ও ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে )। ★গরম কালে আমাদের পাচন তন্ত্র দুর্বল থাকে,তখন লাউ উপকারী। লাউ গা গলানো ও বমি ভাব দূরর করে।পাচন তন্ত্র ও তন্ত্র ঠিক রাখে। ★লাউয়ে কোলেস্টেরল নেই বললেই চলে ও ক্যালরি ও কম।তাই ডায়াবেটিস রোগীদের পিঁপাসা কমায়। ★লাউ যকৃত ভালো রাখে ও যকৃতের ফোলা রোধ করে। ★লাউ + আদা রস করে খেলে, শরীরের পেশির ক্ষয় রোধ করে ও পেশি ভালো রাখে।কারণ লাউয়ে পপটাসিয়াম ও অন্যান্য অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। ★এর ভিটামিন বি চুলের অকাল পক্কতা রোধ করে। ★এর ভিটামিন সি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখে,মস্তিষ্ক সচল রাখে,শরীরে কোলাজেন ( যা একটি প্রোটিন,শরীরের টিসুকে শক্তিশালী করে ) উৎপন্ন করে। ★লাউয়ের দস্তা, ভিটামিন সি ত্বকের অকাল বার্ধক্য ও কুচকে যাওয়া রোধ করে,স্নায়ু ভালো রাখে,সর্দি,কাশি,জ্বর রোধ করে। ♥ প্রচন্ড গরম,এই গরমে নিজেকে সতেজ ও শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজন লাউয়ের রসের। ♦ প্রতি ১০০ গ্রাম লাউয়ে রয়েছে - ★ ক্যালরি - ১৫ কিলো ক্যালরি ★পানি - ৯৬ শতাংশ ★কার্বোহাইড্রেট - ২.৫ গ্রাম ★প্রোটিন - ০.২ গ্রাম ★ফ্যাট - ০.৬ গ্রাম ★ভিটামিন - সি ৬ গ্রাম ★ক্যালসিয়াম - ২০ মি.গ্রাম ★ফসফরাস - ১০ মি. গ্রাম ★পপটাসিয়াম - ৮৭মি.গ্রাম ★নিকোটিনিক অ্যাসিড - ০.২ মি.গ্রাম - এছাড়াও খনিজ লবণ, ভিটামিন - বি১, বি২, আয়রন প্রভূতি উপাদান। ♥ লাউয়ের রস তৈরির পদ্ধতি : - ★লাউয়ের ছাল ছাড়িয়ে টুকরো করে কেটে ধুয়ে ব্লেন্ডার দিয়ে রস করে নিন। ★এর সাথে একটু গোল মরিচ গুড়া, পরিমাণ মত লবণ ও পুদিনা পাতা মিশিয়ে নিন। ★ এবার এক চা- চামচ আদা বাটা যোগ করুন। ★শেষে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে মিশিয়ে খেয়ে নিন। কয়েক টুকরো বরফের টুকরো যোগ করতে পারেন বেশি গরমে। ♦ দৈহিক পরিশ্রমের পর লাউয়ের রস খেলে উপকার হয়।কারণ দৈহিক পরিশ্রমের পর আমাদের শরীরে গ্লুকোজ ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম হয়ে যায়।তাই গ্লুকোজ ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ ঠিক রাখতে লাউয়ের রস খেলে ভালো। এছাড়াও শরীরের পানি শূন্যতা দূর করে,যা ডায়রিয়া,জ্বর,গরমে উপকারি ভূমিকা পালন করে।

@alma45

গুরুত্বপূর্ণ_পোস্টঃ ১।চিত্র (১) যদি বিভাজিত, মাঝে মাঝে কাটা কাটা সাদা দাগ থাকে তাহলে বুঝবেন আপনি ওভারটেক করতে পারবেন। ২।চিত্র(২) যদি দাগ এক টানা হয়ে থাকে তাহলে বুঝবেন ওভার টেক করা ঝুঁকিপূর্ণ। ৩।চিত্র (৩) যদি দাগ ডাবল ভাবে দেওয়া থাকে তাহলে ভুলেও ওভারটেক করার চেষ্টা করবেন না।এটা বিপদজনক হতে পারে।

@alma45

হার্ট ব্লক ♥ হার্ট ব্লক বা হৃতপিন্ডের ধমনী ব্লক বা করোনারি আর্টারি ডিজিজ : চর্বি জাতীয় পদার্থ জমা হতে হতে রক্তনালীর মধ্য দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার পথকে সম্পূর্ণ বা আংশিক ভাবে বন্ধ (ব্লক) করে দেওয়াকেই ব্লক বলা হয়। ♥লক্ষণ : ★হৃতপিন্ডে ব্লক থাকলে বুকে ব্যথা হয়। আস্তে আস্তে ব্যথা বাম দিক হতে ছড়িয়ে পড়ে। ★গলা,কপাল ও মাথা ঘাম হয়। ★খাবার হজম না হওয়ার মতো অস্বস্তি লাগে। ★ সামান্য সময় হাঁটা বা ছোট ছোট কাজে অল্পতেই হাপিয়ে উঠা এবং নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। ★ বমি বমি ভাবের পাশাপাশি পেটের নিচের দিকে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। ★ রক্তের মাধ্যমে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌছাতে পারে না।ফলে অজ্ঞান হওয়া,অতিরিক্ত দুর্বলতা এবং উদ্বেগ ও অস্হিরতা অনুভূত হয়। ★রক্ত সঞ্চালনে বাঁধা তৈরি হয়।ফলে হৃতপিন্ড রক্ত সন্ঞালনের জন্য পাম্প হতে থাকে। এছাড়াও ব্লকের কারণে সঠিক ভাবে হৃতপিন্ড রক্ত পাম্প করতে পারে না।ফলে অনিয়মিত হ্নদস্পন্দনের সৃষ্টি হয়।এতে করে বুকে ব্যথা ও মাথা ঘোরায়। ★ধমনী ব্লকের মধ্যে এনজিনা একটি লক্ষণ।ফলে বুকের মাঝে ব্যথা ও অস্বস্তি অনুভব হয়। এই ব্যথা সাধারণত ( বুক ভারী লাগা, বুক চেপে ধরা,বোধ শক্তি হারিয়ে ফেলা ও জ্বালাপোড়া) ধরণের হয়ে থাকে। এই ব্যথা পরবর্তীতে বাহু,পিঠ,ঘাড়,পাকস্থলী ও চোয়ালের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। ♥ কারণ : ★ভ্রান্ত ও অবৈজ্ঞানিক জীবনাচর। ★অতৃপ্তি,অশান্তি,অস্থীরতা,অতিরিক্ত চিন্তা। ★অস্বাস্থ্যকর খাদ্যভ্যাস -তৈলাক্ত,চর্বিযুক্ত খাবার,ফাস্ট ফুড খাওয়া ,ফল ও শাকসবজি কম খাওয়া। ★মেদ,স্থুলতা,উচ্চ রক্তচাপ,ডায়াবেটিস, রক্তের উচ্চ কোলেস্টেরল,ধুমপান। ★শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম না করা। এই সমস্ত কারণে ধমনীর গায়ে চর্বি জমে তা ক্রমান্বয়ে সুরু হতে থাকে।এটা শতকরা ৫০ ভাগ এর বেশি হলে হৃতপিন্ডের রক্ত প্রবাহ অনেক কমে যেতে থাকে এবং রোগী সামান্য কারণে পরিশ্রমে বা টেনশনেই বুকে ব্যথা অনুভব করতে পারে।ফলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হয়ে রোগী মারা যেতে পারে। বহুবিধ কারণে হার্ট ব্লকের চর্বি জাতীয় বস্তুতে রক্তক্ষরণ ঘটতে পারে।এতে প্রদাহ দেখা দিতে পারে বা চর্বি জাতীয় বস্তুর ওপর রক্ত জমাট বেঁধে রক্তনালীতে রক্ত প্রদাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে পারে। ব্লকের ভাটির দিকের অংশে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়ায় হার্টের ওই অংশের মাংস পেশি অক্সিজেন ও খাদ্য সরবরাহ খেকে বঞ্চিত হয়। ফলে হার্টের পাম্পিং কমে যায়। রক্ত সরবরাহ কমে গিয়ে রোগীর মৃত্যুও ঘটে। রক্ত নালীতে চর্বি জাতীয় বস্তু খুব ধীরে ধীরে জমা হতে থাকে। তাই হার্ট ব্লক খুবই ধীর গতিতে বৃদ্ধি পায় ।ব্লক ১০% থেকে ৮০% - এ পৌছালে ব্যক্তি ভেদে ১০ - ৩০/৪০ বছর সময় লাগতে পারে। ★★তাই হার্টের ব্লক হবার পরেও সঠিক চিকিৎসা ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে সুস্থ থাকা সম্ভব।

@alma45

ভাতের মাড়ের উপকারিতা ♥ ভাতের মাড়ের উপকারিতা অনেক,তা আমরা আমার আগের পোষ্টে জেনেছি।শিশুর পরিপূরক খাবার হিসেবে ভাতের মাড় ব্যবহার করা যেতে পারে। ♥ ভাতের মাড় তৈরির পদ্ধতি : উপাদান - ★চাল - ২ টেবিল চামচ ★ পানি - ১ কাপ পদ্ধতি - ★চাল বিশুদ্ধ পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। ★একটি পাতিল বা সসপ্যানে চাল ও পানি দিয়ে সিদ্ধ করুন। যতক্ষণ না চাল নরম ও নমনীয় না হয়। ★ভাত ছেঁকে নিন এবং একটি কাপে ফ্যান/মাড় সংগ্রহ করুন। ★ভাতের মাড় প্রস্তুত। [ বি.দ্র - ১২ মাসের বেশি বয়সের বাচ্চাদের স্বাদের জন্য ১ চিমটি লবণ যোগ করা যেতে পারে।শিশুকে খাওয়ানোর আগে ভাতের মাড় পাতলা করে নিন ] ♥ ভাতের মাড় গ্রহণে সাবধানতা : ★ ভাতের মাড়ে ভাতে থেকে দ্রবীভুত পুষ্টি থাকে।তাই ডায়রিয়ার সময় পর্যাপ্ত ক্যালরি সরবরাহ করে না।শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাবের কারণে,এটি শুধু মাত্র ডায়রিয়ার চিকিৎসার জন্য ORS -এর সাথে ব্যবহার করা যেতে পারে। ★ভাতের মাড় শিশুর জন্য দুধ বা ফর্মুলা দুধের প্রতিস্থাপন হিসেবে কাজ করতে পারে না।কারণ এতে শিশুর প্রয়োজনীয় সমস্ত পুষ্টি নেই। ★শিশুরা যদি ওট এবং বার্লিতে অ্যালার্জি হয়,তবে চালের সাথে অ্যালার্জিক হবে।অ্যালার্জির উপসর্গের মধ্যে- ফোলাভাব,পেট ব্যথা,বমি,শ্বাস - প্রশ্বাস সমস্যা,শ্বাস কষ্ট,রাস ইত্যাদি রয়েছে।

@alma45

কলা ম‌িষ্ট‌ি জাতীয় অ‌ধিক সুস্বাদু ও পুষ্ট‌িগুন সম্পন্ন জনপ্রিয় একট‌ি ফল কল‌া ।কলায় রয়‌েছ‌ে প্রচুর পরিমাণ পটাস‌য়িাম,ভ‌িটাম‌িন ব‌ি ও ফাইবার।আসুন জ‌েনে ন‌িই কলার উপকার‌িতা : ১।কলা ক‌্যানসার,হৃদর‌োগ,অসট‌িওআর্থির‌িটিসের মত‌ো র‌োগ‌ের ঝুক‌ি কমায়। বয়স্কদ‌ের হাড়‌ের ক্ষয়জন‌িত সমস‌্যা প্রত‌িরোধ কর‌ে । ২।কলা যখন প‌েকে যায় তখন এর অ‌্যান্ট‌অক্স‌িড‌েন্ট‌ের পর‌িমান বহুগুন‌ে ‌ব‌েড়ে যায় যা আমাদ‌‌ের শরীর‌‌ের র‌োগ প্র‌ত‌িরোধে সাহায‌্য কর‌ে ৩।কলা শরীর‌‌ের কর্ম শক্ত‌ি য‌োগায় । ৪।কলা ক‌োষ্ঠকাঠ‌িন্য দূর কর‌ে, প্রত‌িদিন ২টি‌ কর‌ে কলা খ‌েলে‌ আপনার ক‌োষ্ঠকাঠ‌িন্য সমস‌্যা দূর হব‌ে। ৫।কলা উচ্চরক্তচাপ কমাত‌ে সাহায‌্য কর‌ে। ৬।কলা রক্তশূন‌্যতা দূর কর‌ে অ‌্যান‌মি‌য়িা স‌ারাত‌ে সাহায‌্য কর‌ে । ৭।কলায় প্রচুর পর‌িমাণ ভ‌‌িটাম‌‌িন ব‌ি থাক‌ে যা স্নায়ুক‌ে শান্ত কর‌ে থাক‌ে। ৮।কলায় ট্রিপট‌েফে‌ন নামক এক প্রকার অ‌্যাম‌নি‌ো এসিড থাক‌ে যা স‌েরোটিন নামক হরম‌োন ত‌ৈরিতে সাহায‌্য কর‌ে ;এই হরম‌োন ঘুম‌ের জন‌্য সহায়ক । ৯।কেলা ত্বক সজীব রাখত‌ে সাহায‌্য কর‌ে । ১০।কলা ওজন কমাত‌ে সাহায‌্য কর‌ে । যারা ডায়াব‌ে‌টিস এর র‌োগী তারা কলা কম খাব‌েন কারন কলা শরীর‌ে গ্লুক‌োজ এর পরিমাণ বাড়ায় ।এছাড়াও কলা ব‌েশি খ‌‌েলে তেমন উপকার হব‌ে না

@alma45

নিম্ন রক্তচাপ 🔴নিম্ন রক্তচাপ (Hypotension)হাইপোটেনশন🔴 মানব দেহের রক্ত সংবাহন তন্ত্রের এমন একটি অবস্থা যেখানে রক্তের সিস্টোলিক চাপ ৯০ মি.মি. পারদের নিচে এবং ডায়ালস্টিক চাপ ৬০ মি.মি. পারদের নিচে থাকে ক্লিনিক্যালি তখনই নিম্ন রক্তচাপ (Low Blood Pressure) বলে। এটি সচরাচর রোগের থেকে স্বাভাবিক শারীরতান্ত্রিক অবস্থা।যাদের রক্তচাপ (Blood Pressure) অস্বাভাবিক হারে কম,তাদের হৃদক্রিয়া, অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি, কিংবা মস্তিষ্কজাত সমস্যা থাকতে পারে।এই রক্তচাপ বজায় থাকলে মস্তিষ্ক এবং অন্যান্য অত্যাবশকীয় (Vital) অঙ্গে রক্ত সরবরাহ কম থাকার কারণে সেখানে অক্সিজেন ও পুষ্টির অভাব হতে পারে।যা জীবনের জন্য হুমকির কারণ হতে পারে,এরুপ অবস্থাকে শক(Shock) বলে। ♦লক্ষণ ♦ ▪মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা,চোখে ঘোলা দেখা,কাজে অমনোযোগী হওয়া। ▪নাড়ি বা পালস্ এর গতি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া। ▪খুব বেশি পানি তৃষ্ণা। ▪বুকে ব্যাথা, মাথা ব্যাথা। ▪ঘন ঘন বা দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস নেয়া। 🔶কারণ🔶 🔸শরীরে রক্তের পরিমাণ কমে যাওয়া /রক্তস্বল্পতা। 🔸ঠিক মতো না খাওয়া বা দীর্ঘসময় উপোস থাকা। 🔸অপর্যাপ্ত পানি পান, বমি, ডায়রিয়া সহ যে কোন কারণে পানি শূন্যতা। 🔸অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয়। 🔸হরমোনের তারতম্য। 🔸হার্ট এ্যাটাক হওয়া বা হার্ট পাম্প করতে না পারা। 🔸ঔষধের পার্শ্ব -প্রতিক্রিয়া। 🔷নিম্নরক্তচাপ বা লো -ব্লাড প্রেসারের ( Hypotension /Low Blood Pressure) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা 🔷 🌿থেরিডিয়ন 🌿জেলসিমিয়াম 🌿ক্যালিফস - সহ আরো বহু ঔষধ রয়েছে লক্ষণ ভেদে। তবে প্রাথমিক ভাবে কারো যদি ব্লাড প্রেসার কমে যায় তাহলে➡ 🔹দ্রুত তাকে গাঁয়ের কাপড় ঢিলা করে বাতাস আছে এমন জায়গায় বসাতে হবে 🔹পানি, শরবত, ডাবের পানি, ফলের জুস এসব তরল পানীয় খাওয়াতে হবে তাহলে শরীরে তরলের ঘাটতি পূরণ হয়ে অনেকটাই সুস্থ্য বোধ করবে। 🔹এবং নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নিশ্চিত করতে হবে সব সময়। তাহলেই নিম্ন রক্তচাপ /লো ব্লাড প্রেসার (Hypotension) এর সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব।

@alma45

ওয়াটার ইনটক্সিকেশন 🔰ওয়াটার ইনটক্সিকেশন পানি বেশি খেলে কিডনি নষ্ট হয়ে যাবে বা অতিরিক্ত পানি খেলে মারা যেতে পারেন। এমন কথা আমরা প্রায়ই শুনি। আমরা জানবো বিজ্ঞান কি বলে, আর মেকানিজম টা কি তা বোঝার চেষ্টা করবো একটু সহজভাবে। ওয়াটার ইনটক্সিকেশন কি, কেন হয়, লক্ষন কি আর আপনার এটি নিয়ে চিন্তিত হবার প্রয়োজন আছে কিনা জানবো আমরা। ওয়াটার ইনটক্সিকেশন কে ওয়াটার পয়জনিং ও বলা হয়। অনেক বেশি পানি পান করার কারণে ওয়াটার ইনটক্সিকেশন হয়ে থাকে। অনেক বেশি পানি পান করলে তা আপনার রক্তে পানির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত পানি রক্তে ইলেকট্রোলাইটের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়, বিশেষ করে সোডিয়ামের। যখন সোডিয়াম লেভেল ১৩৫ মিলিমোল/লিটারের থেকে কমে যায় তখন একে হাইপোন্যাট্রেমিয়া বলে। সোডিয়াম আমাদের কোষের ভিতর এবং বাইরের তরলের মাত্রা ব্যালান্স করে। যখন অতিরিক্ত পানি পানের কারণে সোডিয়াম লেভেল কমে যায়, তখন কোষের বাইরের পানি কোষের ভিতরে চলে যায় এবং কোষের আকার বৃদ্ধি পায়। যখন এটি আমাদের মস্তিষ্কেরর কোষে হয় তখন তা প্রানঘাতী হতে পারে। 🔰ওয়াটার ইনটক্সিকেশনের লক্ষন🔰 কোষের আকার বৃদ্ধি পায় ওয়াটার ইনটক্সিকেশনের কারণে। যখন মস্তিস্কের কোষের আকার বৃদ্ধি হওয়া শুরু করে তখন মাথার ভিতর চাপ বৃদ্ধি পায়। এই চাপের কারণে প্রাথমিকভাবে কিছু লক্ষন দেখা দেয়, সেগুলো হলঃ 👉মাথা ব্যাথা 👉বমি বমি ভাব 👉বমি হওয়া অবস্থা যদি আরও সঙ্গিন হয় তবে নিচের লক্ষন গুলো দেখা দিতে পারে। 👉রক্তচাপ বৃদ্ধি পাওয়া। 👉তন্দ্রাচ্ছন্নভাব। 👉কনফিউশন। 👉ডাবল ভিষন। 👉শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া। 👉পেশী দুর্বল হয়ে যাওয়া, খিল ধরা। ওয়াটার ইনটক্সিকেশনের কারণে ব্রেইন ড্যামেজ, কোমা এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। ওয়াটার ইনটক্সিকেশনের কারণে মৃত্যুর কারন হতে পারে শুনে অনেকে হয়তো ভয় পেলেন। অতিরিক্ত পানি পান করা অনেক কঠিন, ওয়াটার ইনটক্সিকেশনের কারণে মৃত্যুর যে কেস গুলো সামনে এসেছে সেখানে তারা খুবই অল্প সময়ে অতিরিক্ত পানি পান করেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সৈনিক বা এথেলেট দের মধ্যে ওয়াটার ইনটক্সিকেশন দেখা গেছে। যারা মারা গেছে তারা মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে ২.৫-৫.৬ গ্যালন (১০-২০ লিটার) পানি পান করছেন। আর এথেলেটরা ডিহাইড্রেশন এড়াতে অনেক সময় অতিরিক্ত পানি পান করে ফেলে, সে কারণে তাদের মধ্যে হাইপোন্যাট্রেমিয়া দেখা দেয়। সহজ করে যদি বলি, আপনি ৩-৪ ঘন্টার মধ্যে ১০-২০ লিটার পানি পান করলে ওয়াটার ইনটক্সিকেশন হতে পারে। 🔰এবার জেনে নেই কতটা পানি অনেক বেশি🔰 আপনার কিডনি প্রসাবের মাধ্যমে শরীর থেকে যতটা পানি বের করতে পারে তার চেয়ে বেশি পানি পান করলে তখনই ওভার-হাইড্রেশন এবং ওয়াটার ইনটক্সিকেশন হবে। তবে পানির পরিমাণ একমাত্র সূচক না, আপনি কতটা সময়ের মধ্যে পানি পান করছেন সেটাও এক্ষেত্রে বিবেচ্য। আপনি যদি খুব অল্প সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত পানি পান করেন তবে আপনার ওয়াটার ইনটক্সিকেশনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই ঝুঁকি আবার অনেকাংশে কমে আসে যখন আপনি একই পরিমান পানি দীর্ঘ সময় ধরে পান করেন। হাইপোন্যাট্রেমিয়ার লক্ষনগুলো তখনই প্রকাশ পাওয়া শুরু করে যখন কেউ ৩-৪ লিটার পানি খুবই অল্প সময়ের মধ্যে পান করে। আপনার কিডনি সারাদিনে ৫.৩-৭.৪ গ্যালন বা ২০-২৮ লিটার পানি শরির থেকে বের করতে পারে, তবে ঘন্টায় ৮০০ মি.লি থেকে ১ লিটারের বেশি পানি শরীর থেকে বের করতে পারেনা। তাই হাইপোন্যাট্রেমিয়া এড়াতে আপনার কখনোই ঘন্টায় ৮০০ মি.লি থেকে ১ লিটারের বেশি পানি খাওয়া উচিৎ নয়। ঘন্টায় ২ লিটারের বেশি পানি পান করলে ওয়াটার ইনটক্সিকেশনের লক্ষনগুলো দেখা দিতে পারে। এখন এক্সপার্টরা যখন দিনে ৫-৬ লিটার পানি পান করতে বলে তখন বেশিরভাগ মানুষের চোখ কপালে উঠে যায়। জাঙ্কফুড, সফট ড্রিংক খাবার সময় কেউ ভাবে না কিডনির কথা, তবে যখনই পানির কথা বলা হয় সবাই কিডনি নষ্ট হয়ে যাবে এ চিন্তায় পড়ে যায়। আমাদের কিডনি রিভার্স অসমোসিস পদ্ধতিতে কাজ করে। অতিরিক্ত পানি শরিরে হলে তা বের করে দিয়ে শরীরের ফ্লুইড লেভেল ব্যালান্স করবে। আর ঘন্টায় কতটা পানি আমাদের কিডনি শরীর থেকে বের করতে পারে তা আমরা উপরে জানলাম। এর বেশি যদি পানি পান করি তবেই না কিডনির উপর চাপ পড়বে এবং কিডনি ড্যামেজের সম্ভাবনার কথা আসবে। ঘন্টায় ৫০০ মি.লি- ১ লিটার পানি পান করলে তা কিভাবে কিডনি ড্যামেজ করবে বা কিডনির উপর চাপ ফেলবে? আমরা সারাদিনে এভারেজে ১৬ ঘন্টা জেগে থাকি। প্রতি ঘন্টায় যদি ৫০০ মি.লি পানি পান করি তাহলে ৮ লিটার পানি হয়। যেখানে ঘন্টায় লিমিট হল ১ লিটার। এখন যদি ৫-৬ লিটার পানি সারাদিনে কেউ পান করে কিভাবে তার ওয়াটার ইনটক্সিকেশন হবে বা হাইপোন্যাট্রেমিয়া হবে! ঘন্টায় ১ লিটারের বেশি পানি না পান করলে আপনার চিন্তার কিছুই নেই। পানি আমাদের জন্য খুবই জরুরি।

@alma45

খাবার 💖বাহিরের খাবার থেকে বাসার খাবার ১০ গুন বেশি স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর । আমি কখনোই কম খাবেন বা মুখোরোচক খাবার খেতে নিষেধ করি না। কিন্তু খাবারের পুষ্টিগুন এবং কতটুকু খাব সেটার উপর গুরুত্ব দেই। আমরা সব খাবার খাব কিন্তু সেটা ঠিক কতটুকু আমার জন্য উপযোগী ও উপকারী তা জেনে বুঝে খাব। 🍕পিজ্জা মেড বাই মি। পিজ্জা একটি কমপিলিট মিল বা খাবার। কারন এতে কার্ব, প্রোটিন, ফ্যাট সব আছে। 🔊সোজা বাংলায় রুটি, সবজি এবং মাছ/ মুরগি /গরু, পানির ও সিজনিং হার্ব একই সাথে এক স্লাইসে পাওয়া যায়।

@alma45

চা চায়ের মৌলিক ৩টি ধরণ রয়েছে।তবে ব্ল্যাক, হোয়াইট, গ্রিন এবং ওলং চা জনপ্রিয়। ভিন্নতা অনুযায়ী চা এর বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্যকারি উপকারীতা দেখে নেয়া যাক- #গ্রিন টি:- গ্রিন টি এর অ্যান্টিঅক্সডেন্ট মূত্রাশয়, স্তন, ফুসফুস, পেট, অগ্ন্যাশয় এবং কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে। ফ্যাট বার্ন মস্তিষ্কে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই, স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস, আলঝাইমা(স্তৃতিশক্তি লোপ), পার্কিনসন রোধ ছাড়াও কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত এমনকি হাড় ও দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে পারে। #ব্ল্যাক টি:- এতে সর্বাধিক পরিমান ক্যাফেইন থাকে। গবেষনায় দেখা গেছে ব্ল্যাক টি সিগারেটের ধোয়াতে আক্রান্ত ফুসফুসকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস করে। #হোয়াইট টি:- একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে বেশী প্রক্রিয়াজাত চায়ের তুলনায় হোয়াইট টি সবচেয়ে বেশী শক্তিশালী অ্যান্টিক্যান্সার বিদ্যমান। #ওলং টি:- একটি প্রানী গবেষনায় দেখা গেছে যে ওলং চা থেকে প্রাপ্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অতুলনীয়। অন্যদিকে ভেষজ চা এর মধ্যে আদা, জিস্কগো বিলোবা, জিনসেং, হিবিস্কাস, জুইঁ, গোলাপ, পুদিনা, রোয়েবস(লাল চা), ক্যামোমিল এবং ইচিনেসিয়ার উপকারিতা বেশ রয়েছে তবে বিজ্ঞানীরা ভেষজ চায়ের গুনাগুন নিয়ে এখনো গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। চা নিয়েও ক্ষতিকর কিছু দিক রয়েছে যেমন- ➡️দুধ চা রক্তনালীর প্রসারণ ঘটাতে ব্যর্থ। কারণ, দুধের মধ্যে থাকে ক্যাসেইন নামক একটি পদার্থ যা চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাটেচিনকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে চায়ে দুধ মেশালে চায়ের রক্তনালী প্রসারণের ক্ষমতা একবারেই চলে যায়। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার-এর গবেষকরা পরীক্ষা করে দেখেন, চায়ের প্রভাবে কোষগুলো থেকে সাধারণের তুলনায় ১৫ গুণ বেশি ইনসুলিন নির্গত হয়। ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিন নির্গত হওয়া জরুরি। কিন্তু চায়ে দুধ মেশালে এই ইনসুলিন নির্গমনের হার কমতে থাকে। চায়ে যদি ৫০ গ্রাম দুধ মেশানো হয়, তাহলে ইনসুলিন এর নির্গমন শতকরা ৯০% কমে যায়। ➡️এক গবেষনায় এসেছে প্রতিদিন ৩ বা তার চেয়ে কম (৭১০ মি.লি.) খাওয়া বেশীর ভাগ মানুষের জন্য সেফ রেঞ্জ। এর বেশী খেলে আয়রন শোষন বাধাগ্রস্ত হবে.। ➡️গবেষনা থেকে জানা যায় প্রতিদিন ২০০ মিলিগ্রাম চেয়ে বেশী গ্রহন করলে উদ্বেগ, চাপ এবং অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ➡️তাছাড়া ও কিছু গবেষনায় এসেছে অতিরিক্ত ক্যাফেইন মেলাটোনিন হরমোন উৎপাদনে বাধাগ্রস্ত করে,ফলে ঘুমের চক্র ব্যাহত হয়। ➡️এছাড়াও মাথা ঘোরা,মাথা ব্যাথা,গর্ভকালীন সমস্যা, গ্যাসট্রাইটিস, বমি ভাব,কনস্টিপিশন ইত্যাদি সম্যসার সম্মুখিন হতে পারেন। আমরা সাধারণত সকালের নাস্তা বা দুপুরের খাবারের পর পরই চা পান করি।অনেকেরই এটা প্রতিদিনের অভ্যাস। কেননা চা, পান করার অনেক উপকারিতা রয়েছে।তবে সঠিক সময়ে বা উপায়ে চা না পান করলে তা শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটায়। এসব সমস্যার কারণে কি চা পান করা বাদ দিবেন? অবশ্যই না। তাই কিছু নিয়ম মেনে চললে এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। 👉যাদের হজমের সমস্যা ও এসিডিটির সমস্যা আছে তারা সকালে খালি পেটে চা খাবেন না। 👉ওজন নিয়ন্ত্রণে ও ভুড়ি কমাতে চিনি ছাড়া চা খাবেন। 👉বিশেষ কোনো রোগ যেমন- ডায়েবেটিস, কিডনী ডায়ালাইসিস ইত্যাদির ক্ষেত্রে অবশ্যই ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিবেন। 👉কনস্টিপিশন বা কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে বাঁচতে অতিরিক্ত চা একজন সুস্থ ব্যক্তিও গ্রহণ করবেন না। 👉খাবার খাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে অথবা খাবার খাওয়ার এক ঘণ্টা পরে চা পান করবেন। 👉যাদের রক্তস্বল্পতা আছে, কম বয়স্ক মেয়েরা সারাদিনে ১-২ কাপের বেশি চা খাবেন না। চা প্রেমীদের কাছে এক কাপ চা নয় যেনো এক কাপ ভালোবাসা।

@alma45

সুপার ফুড ডিম # ডিম ও দুধ । এই ২ টি খাবার নিয়ে মানুষের অনেক ভুল ধারণা,আবার অনেকে খেতেও চায় না, আবার অনেকে জানেই না, এই ২ টি খাবার শরীরের কতো কাজে আসে। দুধ ও ডিমের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। তাই যদি এই ২ টি খাবার আপনার খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন, আপনি হতে পারেন অনেকের মধ্যে একজন পরিপূর্ণ সুস্থ ব্যক্তিত্বের অধিকারী। কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে নেয়া যাক। আজকে কথা বলব সুপার ফুড ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে- # ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ ব্রিটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় পরামর্শ দেয়া হয় যে ডায়েটরি প্রোটিন স্থূলত্ব এবং বিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে, যার ফলে পেট ভরা ভরা মনে হয়। তাই ওজন কমাতে চাইলে প্রতিদিন ১টি করে ডিম খাবেন। সকালে একটি ডিম খেলে তা অনেকটা সময় ধরে পেটে থাকে এবং কম ক্ষুধার উদ্রেক করে।এতে অন্যান্য খাওয়া কম হয়। ডায়েট যারা করেন তারা একটি ডিম রাখুন সকালের নাস্তায়। # কোলাইনযুক্ত - একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি যা বেশিরভাগ মানুষ পর্যাপ্ত পরিমাণে পায় নাঃ কোলিন এমন একটি পুষ্টি যা বেশিরভাগ লোকেরা জানেন না যে এটি বিদ্যমান, তবুও এটি একটি অবিশ্বাস্যরূপে গুরুত্বপূর্ণ পদার্থ এবং প্রায়শই বি ভিটামিনগুলির সাথে যুক্ত। ১টি ডিমে ১০০ মিলিগ্রাম কোলিন রয়েছে।কোলিন কোষের ঝিল্লি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাকে ভালো রাখে। বিশেষত গভার্স্থায় শিশুর মস্তিষ্কের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইহা যকৃত ও স্নায়ুতন্ত্র নিয়ন্ত্রণে রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, কোলিনের অভাবে মস্তিষ্কের নানা সমস্যা দেখা দেয়। # চোখের স্বাস্থ্যে ডিমঃ বার্ধক্যজনিত পরিণতিগুলির মধ্যে একটি হ'ল দৃষ্টিশক্তি আরও খারাপ হওয়ার প্রবণতা।এমন বেশ কয়েকটি পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা আমাদের চোখকে ক্ষতিকর কিছু প্রক্রিয়া যেমন ছানি পড়া,রেটিনা নষ্ট হয়ে যাওয়া ইত্যাদি প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে এমন দুটি উপাদান লুটিন এবং জেক্সানথিন বলা হয়। এগুলি হ'ল শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যা চোখের রেটিনাতে জমা হয়।ডিমের কুসুমে লুটেইন এবং জেক্সানথিন উভয়ই প্রচুর পরিমাণে থাকে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র ১টি করে ডিমের কুসুম ৪.৫ সপ্তাহ ধরে খাওয়ার ফলে লুটেইনের রক্তের মাত্রা ২৮-৫০% এবং জেক্সানথিন ১১৪-১৪২% পর্যন্ত বেড়েছে। ডিমে ভিটামিন-এ এর পরিমাণও বেশি, যা অন্ধত্ব দূরে সর্বাধিক সাহায্য করে থাকে। # কোলেস্টেরল বেশি,তবে রক্তের কোলেস্টেরলকে বিরূপ প্রভাবিত করবেন নাঃ এটি সত্য যে ডিমের কোলেস্টেরল নিয়ে বিভ্রান্তি বা দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল এবং এখনো আছে।বিশেষ করে যাদের বয়স একটু বেশি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন এমন রোগী অথবা যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বা অন্যান্য চর্বির পরিমাণ বেশি, তাদের ডিম খেতে নিষেধ বা সম্পূর্ণ বর্জন করতে বলা হয়। অনেকেই এমনকি কিছু কিছু চিকিৎসক আবার ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে, শুধু সাদা অংশটুকুই খেতে বলেন।এর কারণ তাদের ধারণা একটাই, তা হলো ডিম খেলে রক্তের কোলেস্টেরল বাড়ে, উচ্চরক্তচাপ, স্ট্রোক এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। আসলে এতদিনের এ ধারণাটা মোটেই সত্য নয়।ডিম খেলে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা ততটা বৃদ্ধি পায় না। একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষ দৈনিক গড়ে ৩০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত কোলেস্টেরল গ্রহণ করতে পারেন। আর একটি ডিমে রয়েছে ২০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল। তাই বিশেষজ্ঞগণ এমনকি আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন এখন আর তাদের খাদ্যের গাইড লাইনে ডিম খাওয়াকে নিরুৎসাহিত করছেন না। যে কোনো ব্যক্তি ডিমের সাদা অংশ খেলে কোনো সমস্যা তো হবেই না, এমনকি কুসুমসহ সম্পূর্ণ ১ টি ডিম সারাদিনে খেলেও উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আরেকটি বড় গবেষণায় প্রতীয়মান হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে ৫-৬টি ডিম খেলে হৃদরোগ, স্ট্রোক বা অন্য ধরনের হৃদরোগের কোনো ঝুঁকিই নেই। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে বলা হয়, দিনে ১টি ডিম হার্টের জন্য ক্ষতিকর নয়। সকালের নাস্তায় বরং একটি ডিম কোলেস্টেরল প্রোফাইলের ওপর তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না। # প্রোটিনে ভরপুরঃ একটি ডিমে ৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে। পেশি, অঙ্গ, ত্বক, চুল এবং বিভিন্ন টিস্যুর জন্য প্রোটিন সাধারণত দেহে হরমোন, এনজাইম এবং অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে।ডায়েটে পর্যাপ্ত প্রোটিন পেতে ডিমের জুড়ি নেই। # হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমেঃ চীনে প্রায় ৫ লাখ লোকের ওপর এক গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতিদিন একটা করে ডিম খেলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমতে পারে। 'পুষ্টি সংক্রান্ত নানা গবেষণায় অনেক সময়ই কিছু না কিছু ফাঁক থেকে যায়, কিন্তু চীনে বড় এই সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করে চালানো গবেষণা থেকে অন্তত একটা বিষয় পরিস্কার যে প্রতিদিন একটা ডিম খেলে তার থেকে হৃদযন্ত্র বা শরীরের রক্ত সঞ্চালনে কোন ঝুঁকি তৈরি হয়না, বরং প্রতিদিন একটা ডিম স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে'' - বলছেন ইংল্যাণ্ডে কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিটা ফরুহি। # হাড় গঠনঃ সেদ্ধ ডিমে আছে ভিটামিন ডি যা হাড় ও দাঁতকে শক্ত করে। ভিটামিন ডি খাবার থেকে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে সহায়তা করে এবং রক্তের ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।ফলে শরীরের হাড়ের কাঠামো মজবুত ও শক্ত হয় এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় একটি সেদ্ধ ডিম খেলে ৪৫ আন্তর্জাতিক ইউনিট ভিটামিন ডি পাওয়া যায় যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। # ফোলেটঃ ডিমে বিদ্যমান ফলেট নতুন কোষ তৈরি ও রক্তস্বল্পতা দূর করে। এটা গর্ভবতী মায়েদের গর্ভপাতের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে। # আয়রনঃ ডিমে বিদ্যমান আয়রন সহজে হজম হয়। আয়রন মানব দেহের কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে ও রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।সাধারণত আয়রন জাতীয় শাক সবজি খেতে ভিটামিন সি প্রয়োজন হয়।কিন্তু ডিমের আয়রন সরাসরি শোষিত হয়।তাই প্রতিদিন একটি ডিম আয়রনের চাহিদাও পূরণ করতে সক্ষম।

@alma45

আম 🥭রাজা নাই,শাহ নাই,রাজশাহী নাম হাতি-ঘোড়া কিছু নাই,আছে শুধু আম।🥭 🤩বুঝতেই পারছেন আজকের পর্ব আম নিয়ে। ⭕প্রথমেই আমের পুষ্টি উপাদান নিয়ে একটু ধারণা দেই- প্রতি ১০০ গ্রাম আমে সবচেয়ে বেশি পরিমান রয়েছে ➕ক্যালরি-৬০ কিলোক্যালরি ➕কার্বোহাইড্রেট-১৫ গ্রাম ➕প্রোটিন-০.৮২ গ্রাম ➕ফাইবার (আঁশ)-১.৬০ গ্রাম এছাড়াও পটাশিয়াম,ভিটামিন সি,এ,ই,কে,ক্যালসিয়াম,ম্যাগনেসিয়াম উপাদান তো রয়েছেই।সাথে আরো মিনারেলস ও আ্যন্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান উল্লেখযোগ্য। ⭕অনেক তো হলো পুষ্টি, এবার আসি উপকারিতা নিয়ে- ☑️রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এক কাপ(১৬৫ গ্রাম)আম প্রতিদিনের ১০%ভিটামিন এ ও প্রায় তিন চতুর্থাংশ ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করে।এছাড়াও রয়েছে ফোলেট,কে এবং বেশ কয়েকটি ভিটামিন বি যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে যাদুর মতো কাজ করবে। ☑️হার্টকে সুস্থ রাখে আমের পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রক্তনালীকে শিথিল রাখে ও উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করে হৃদপিন্ডকে ভালো রাখে। ☑️কোলেস্টরেলের মাত্রা কমায় আমে উচ্চমাত্রায় ভিটামিন সি, পেকটিন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আঁশ থাকার কারণে কোলেস্টরেলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ☑️হজমে সাহায্য করে আম্যাইলেজ,প্রচুর পরিমান খাদ্যআঁশ ও পানি থাকার কারণে কোষ্টকাঠিন্য,ডায়রিয়ার মতো বিপাকক্রিয়ার জটিল সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে। ☑️চোখের সুরক্ষা দেয় আমে বিদ্যমান লুটিন এবং জেক্সনথিন ক্ষতিকর আলো থেকে চোখকে সুরক্ষা করে।এছাড়াও ভিটামিন এ রাতকানা সহ চোখের পানি শুকিয়ে যাওয়া রোধ করে। ☑️চুল ও ত্বককে সুন্দর করে ভিটামিন এ ও সি চুলের যত্নে টনিকের মতো কাজ করে। ☑️ঘাম থেকে বের হয়ে যাওয়া সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে। ☑️আয়রন রক্তশূন্যতা দূর করে। ☑️গ্লুটামাইন স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ☑️ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন গবেষণায় এসেছে আম ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। ⭕মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ রয়েছে।অতিরিক্ত আম খেলে কিছু অপকারিতাও রয়েছে # পরিমানে বেশি খেলে ডায়রিয়াও হতে পারে।প্রচুর আঁশ থাকার কারণে। #ডায়েবেটিসের ক্ষেত্রে রক্তের গ্লুকোজ বৃদ্ধি হতে পারে। #ওজন বৃদ্ধি হতে পারে। #এসিডিটি হতে পারে। ⭕টিপস #একজন সুস্থ ব্যক্তি প্রতিদিন মাঝারি মানের ২ টির বেশি আম খাবেন না। #খাওয়ার ৩০ মিনিট পর যেকোনো ফল খেতে হয়,আমের ক্ষেত্রেও তাই। #ওজন বেশি যাদের তারা দুপুর বেলা আম খাবেন,অবশ্যই সাথে শারীরিক ব্যায়াম নিয়মিতো রাখবেন। #ডায়েবেটিসের ক্ষেত্রে ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ অনুযায়ী শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী আমের পরিমান জেনে নিবেন। #আমে ফরমালিন দেয়,তথ্যটি ভুল।সংরক্ষণ করতে ৩০মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রেখে আলাদা পাত্রে রেখে দিবেন।

@alma45

ব্রণ নিয়ে চিন্তা? আর না, আর না! কালকে বিয়ের প্রোগ্রাম।আয়নার সামনে দাঁড়াতেই মুখে একটি দানাদার গোটা দেখলেন।মনটাই খারাপ হয়ে গেলো।তাই না? মন খারাপ করবেন না।সব সমস্যার সমাধান সৃষ্টিকর্তা দিয়েছেন।আসুন আজ ব্রণ নিয়ে বিস্তারিতো জানবো- ⭕ব্রণ (Acne vulgaris বা Acne) হচ্ছে আমাদের শরীরের ত্বকের ফলিকলের এক প্রকার দীর্ঘমেয়াদী রোগ। বয়ঃসন্ধিকালে হরমোন টেস্ট্রোরেন আর প্রোজেস্ট্রোরেনের প্রভাবে ত্বকের সিবেসিয়াস গ্রন্থি অধিক হারে তেল নিঃসরণ শুরু করে। কোনো কারণে সিবেসিয়াস গ্রন্থির নালির মুখ বন্ধ হয়ে গেলে সেবাম নিঃসরণের বাধার সৃষ্টি হয় এবং তা ভেতরে জমে ফুলে উঠে যা ব্রণ (Acne) নামে পরিচিত। এর উপর জীবাণুর সংক্রমণ ঘটলে পুঁজ তৈরি হয়। অনেক সময় বাইরে থেকে এদের ছোট দেখালেও এরা বেশ গভীর হতে পারে। এজন্য ব্রণের সংক্রমণ সেরে গেলেও মুখে কাল দাগ থেকে যেতে পারে। ⭕কাদের হয়- তেরো বছর থেকে উনিশ বছর বয়স পর্যন্ত শতকরা নব্বই জনের এ রোগটি কমবেশি হয়ে থাকে। বিশ বছর বয়সের পর থেকে নিজে থেকেই এ রোগটি ভাল হয়ে যেতে থাকে।তবে এর ব্যতিক্রম যে হয় না তা নয়। কখনও কখনও বিশ থেকে তিরিশ বছর বয়সেও এটি দেখা দিতে পারে এবং অনেক বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ⭕দেখতে কেমন- ব্রণের প্রকারভেদ অনেক। তবে সাধারণভাবে যে-প্রকারের ব্রণ হয়ে থাকে তারই বর্ণনা এখানে দেয়া হচ্ছে ।এটি লোমের গোড়ায় হয়ে থাকে।ব্রণের মূলে যে জিনিস তার নাম কেমডো (চাপ দিলে ভাতের দানার মতো বের হয়), তবে কখনও কখনও শুধু শুধু দানা আকারে, পুঁজ সহকারে গহ্ববরযুক্ত দানা বা বড় গোটার আকারে দেখা দিতে পারে।সাধারণত মুখেই (গলা, নাক, কপাল, থুতনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা দেয়। তা ছাড়া ঘাড়, শরীরের উপরের অংশে, হাতের উপরের অংশে ইত্যাদি স্থানেও ব্রণ হয়ে থাকে। ⭕বিভিন্ন অবস্থায় ব্রণ ১) ট্রপিক্যাল একনি– অতিরিক্ত গরম এবং বাতাসের আর্দ্রতা বেশি হলে পিঠে, উরুতে ব্রণ হয়ে থাকে। ২) প্রিমিন্সট্রুয়াল একনি– কোনো কোনো মহিলার মাসিকের সাপ্তাহ খানেক আগে ৫-১০টির মতো ব্রণ মুখে দেখা দেয়। ৩) একনি কসমেটিকা– কোনো কোনো প্রসাধনী লাগাতার ব্যবহারে মুখে অল্প পরিমাণে ব্রণ হয়ে থাকে। ৪) একনি ডিটারজিনেকস– মুখ অতিরিক্ত ভাবে সাবান দিয়ে ধুলেও (দৈনিক ১/২ বারের বেশি) ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যায়। ৫) স্টেরয়েড একনি– স্টেরয়েড ঔষধ সেবনে হঠাৎ করে ব্রণ দেখা দেয়। মুখে স্টেরয়েড, যেমন– বটানোবেট ডার্মোভেট জাতীয় ।ঔষুধ একাধারে অনেকদিন ব্যবহারে ব্রণের পরিমান বেড়ে যায় । ⭕অনেক তো জানলেন ধরণ করণ।এবার প্রতিরোধ করতে কী খাবেন তা নিয়ে জেনে নেয়া যাক- 👉🏼পানি ও শসা- ত্বক সুস্থ রাখতে প্রচুর পানি পান করতে হবে। দেহের অভ্যন্তরে অক্সিজেন এবং পুষ্টি সরবরাহ করে পানি।আরেকটি মজার বিষয় হচ্ছে পানির ঘাটতি মেটাতে শসার জুড়ি নেই।তাছাড়াও শসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, ই, পানি এবং আ্যমিনো এসিড যা ত্বককে রাখে কোমল পাশাপাশি ব্রণ প্রতিরোধ করে। শসার জুস করেও খেতে পারেন। এতে ত্বকে ব্রণের সমস্যা দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করবে।অতএব ব্রণ প্রতিরোধে পানি ও শসা আপনার জন্য হবে সুপার প্যাকেজ। 👉🏼ভিটামিন সি- ভিটামিন সি ব্রণের জন্য অত্যন্ত উপকারী।উল্লেখযোগ্য সি সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে টমেটো,কমলালেবু।টমেটোর বায়োফ্লেভানয়েডস ক্ষতিগ্রস্থ ত্বকের কোষ সুস্থ করে। এতে করে ত্বকে ব্রণের জন্য সৃষ্ট ক্ষতের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে। কমলালেবুকে ভিটামিন সি এর পাওয়ার হাউস হিসাবে বিবেচনা করা হয় যা ব্রণ প্রতিরোধের জন্য আরেকটি প্রয়োজনীয় ভিটামিন।কমলাতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ রয়েছে যা ব্রণর চারপাশে ফোলা এবং লালভাব নিরাময়ে সহায়তা করে।এগুলি আপনার ত্বককে দীর্ঘ সময়ের জন্য চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করে। 👉🏼সবুজ ও আঁশবহুল শাক সবজি: ব্রোকলি, পালং শাক, লেটুস পাতা,মেথি শাক ইত্যাদিতে ফোলেট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন জাতীয় পুষ্টি রয়েছে যা দেহে সামগ্রিক পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয়।একটি স্বাস্থ্যকর শরীর একটি সুস্থ ত্বক বোঝায়, আপনি যদি আপনার শরীরকে একটি সুষম খাদ্যযুক্ত খাবার খাওয়ান, তবে আপনার মুখ অবশ্যই একটি উজ্জ্বল আভা প্রতিফলিত হবে,তাই ব্রণ কমাতে সবুজ শাকসবজির তুলনা নাই। 👉🏼ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের অন্যতম যাদুযুক্ত পুষ্টি হিসাবে কাজ করে।তারা ত্বকের মধ্যে থেকে একটি স্বাস্থ্যকর আভা সরবরাহ করে,।ওমেগা ৩ পাওয়া যায়,সামুদ্রিক মাছ,বাদাম ইত্যাদিতে।বাদাম এবং আখরোট ত্বকের খাদ্য হিসাবে পরিচিত,এগুলি ওমেগা 3 ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ও এদের রয়েছে এন্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য যা ব্রণ নিরাময়ে সহায়তা করে।এ উপাদান ত্বককে ভিতরে থেকে নিরাময় করে মুখ থেকে ব্রণর চিহ্নগুলি ভ্যানিশ করে দেয়। 👉🏼কুমড়ার বীজ প্রতিদিনের খাবার তালিকায় কুমড়ার বীজ যোগ করা হলে তা ত্বক ভালো রাখতে সহায়তা করে। কুমড়ার বীজ জিংক সমৃদ্ধ।কেবল ত্বকের স্বাস্থ্যই ভালো রাখেনা বরং ব্রণের কারণে হওয়া লালচে ভাব, ব্যথা ও ফোলাভাব এবং দাগ দূর করতে সাহায্য করে। দৈনন্দিন খাবারে এই বীজ যোগ করা হলে ত্বকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ করা যাবে।কারণ এতে আছে, ওমেগা থ্রি এবং সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড। 👉🏼পেঁপে এর উজ্জ্বল কমলা রংয়ে আছে অত্যাবশ্যকীয় এনজাইম-প্যাপাইন ও কায়ম্যাপোপেইন, যা ব্রণ কমাতে চমৎকার কাজ করে। পেঁপে খাওয়া হলে এটা লোমকূপকে উন্মুক্ত করে, ব্রণের দাগ কমায় এবং ত্বকে রংয়ের ভারসাম্যহীনতা থাকলে তা দূর করে। পেঁপে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ যা ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবারহ করে। 👉🏼রসুন রসুন আরেকটি সুপারফুড যা ব্রণের সাথে লড়াই করতে সহায়তা করে।রসুনে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট অ্যালিসিন নামক উপাদানে পূর্ণ, যা আপনার শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া এবং ভাইরাসকে হত্যা করে।অতএব ওজন কমানো,রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ব্রণের কাজেও দারুন উপকারী। এছাড়াও লাল আঙ্গুর,ব্রাউন রাইস,ভিটামিন এ ও ই সমৃদ্ধ খাবার ব্রণের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ⭕কিছু নিয়ম সব ক্ষেত্রেই মেনে চলতে হয়,যাকে সংক্ষেপে বলি টিপস।এই বেলায়ও তার ব্যতিক্রম নয়- #তৈলাক্ত খাবার, চকলেট,ঝাল, ভাজাপোড়া খাবার, আইসক্রিম ও অন্যান্য ফাস্টফুড পরিহার করতে হবে। #কোষ্ঠকাঠিন্য ও পুষ্টিহীনতা থাকলে প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খাবেন সাথে অবশ্যই ডায়েটিশিয়ানের শরণাপন্ন হবেন। #ওজন বেশি ব্রণ হওয়ার আরেকটি বিশেষ কারণ।তাই অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে একজন ডায়েটিশিয়ান আপনার বন্ধু। #ত্বক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।মুখের তৈলাক্ততা কমানোর জন্য পানির ঝাপটা দিবেন। মুখে বা অন্য কোথাও ঘাম হলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন। #রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে হবে,কারণ যিনি রাত জাগেন তার হরমোনজনিতো সমস্যা ছাড়াও হজম ক্ষমতা,কিডনীর অক্ষমতা ইত্যাদি লেগেই থাকবে।তাই রাতে জলদি ঘুমিয়ে যাবেন। #মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকুন। #প্রতিদিন ২ লিটার পানি পান করুন। #কষ্ট হলেও সব ধরনের প্রসাধনী বর্জন করুন। #মাথা খুশকিমুক্ত রাখার চেষ্টা করুন। ব্রণ একবার হয়ে গেলে চাপাচাপি, চুলকানো বা খোটাখুটি না করাই ভাল। আর ব্রণ পেকে গেলে বা বেশী হয়ে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন।