read.cash Log in

@alma45

Joined 24 September 2020 · 197 posts

120 KT

0 KT · 2¢ received · 0 KT given

Posts

@alma45

Age and mind Age and mind measure another human being by man age. Especially in society, people learn to look, understand and verify in this way. Fifty means another fifty will be the same size. This is a strange account. A man in his fifties knows life in many ways. Sometimes you read, sometimes you tell me, sometimes you read, sometimes you read, sometimes you read. But do the two fifty-fives save the same? The depth of one's knowledge-reading is so great that he doesn't have a fifty-five-year-old, or even a half-century. It's normal to not be there. And the fifty-something that enriched himself with a lot of knowledge may not have had the opportunity to know something in life that was a chance for another human being. Another man had the opportunity to face that thing without knowing much. That means the age is the same, but three people are actually three types. Not just three types, but it's a mistake to keep them in the same line. But people make the same mistake. Age can never be a measure unit. A human's overall thinking is real. Age is a failure. Age is not a mental enrichment. Age is only an identification of physical time. No one makes these social mistakes. He also made mistakes, and he made mistakes. After a while, the fault was judged by the glass of the fault. The body is bigger than the body. Old age can occur, but a person with life experience can stay young. Again, the body may be young, and a person in life can have a greater understanding of the thinking of a person.

@alma45

হিপনিক_জার্কস ঘুমের মধ্যে কেঁপে ওঠেন? ঘুমের মধ্যে আচমকা ঝাঁকুনিকে ‘হিপনিক জার্কস’ বলা হয়। সকলের সঙ্গে না ঘটলেও বিশ্বের ৬০-৭০ শতাংশ মানুষের সঙ্গেই একই রকম ঘটনা ঘটে থাকে। সব ক্ষেত্রে এটাই মিল যে, সবাই অনুভব করে থাকেন তারা যেন পড়ে যাচ্ছিলেন- এমন কিছু। স্বপ্নের মধ্যে কোনো পাহাড় বা সিঁড়ির উঁচু ধাপ থেকে পড়ে যাওয়ার ভয়ে শরীরে ঝাঁকুনি দিয়ে ঘুম ভেঙে যাওয়ার নামই হলো হিপনিক জার্ক। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই ঝাঁকুনিকে বলা হয় হিপনিক জার্ক (Hypnic jerk)। এই ঝাঁকুনির ভিন্ন ভিন্ন নামও রয়েছে। যেমন- স্লিপ স্টার্ট (Sleep Start), মাইওক্লোনিক জার্ক (Myoclonic Jerk), হিপ্নাগোগিক জার্ক (Hypnagogic Jerk) প্রভৃতি। #হিপনিক জার্কের কারণসমূহ– ১.অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফেইন বা চা-কফি জাতীয় পানীয় গ্রহণ। ২.অতিমাত্রায় শারীরিক ব্যায়াম। ৩.রাতে স্ট্রেসফুল কোনো কাজ করলে। ৪.রাত জেগে টিভি দেখা বা মোবাইল অথবা ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর ফলে স্নায়ুর ক্রমাগত পরিবর্তনে শরীরে ঝাঁকুনির সৃষ্টি হয়। বিজ্ঞানের ভাষায় একে নারকোলেস্পি বলে। ৫.রোজ ঘুমানোর সময়ের অনিয়ম বা রাত জাগার বদভ্যাস, ওভার টায়ার্ডনেস বা অতিরিক্ত খাঁটুনী এই সমস্যাগুলো থেকেও হিপনিক জার্ক হতে পারে। ৬.উঁচু কোনো স্থান বা পাহাড় চূড়া থেকে অথবা সিঁড়ি থেকেও পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখার ফলে আমরা নড়েচড়ে উঠি ঘুমের মাঝে। ৭.শরীরে ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও আয়রনের অভাবেও স্বতঃস্ফূর্ত হিপনিক জার্ক হতে পারে। ৮.এছাড়া বাইরের জোরে কোনো শব্দ ও চড়া আলো চোখে এসে পড়লেও আমাদের পড়ে যাওয়া অনুভূতি টের হতে পারে। ঠিক তখনই মস্তিষ্ক শরীরকে ধরে রাখতে নাড়া দিয়ে জাগিয়ে দিতে চেষ্টা করে। ৯.শরীরে তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব নেমে এলে মাস্‌ল এবং পেশীগুলো আস্তে আস্তে অবশ হতে থাকে। কিন্তু, মস্তিস্ক শরীরে পেশীর এই অবস্থান ঠাহর করতে না পেরে সেই প্রক্রিয়া আটকানোর চেষ্টা করে, ফলে শরীরে ঝাঁকুনি হয়। #হিপনিক জার্ক থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়:- নিকোটিন বা ক্যাফিন জাতীয় উদ্দীপক গ্রহণ কমিয়ে দেওয়া, ঘুমানোর আগে শারীরিক পরিশ্রম এড়ানো এবং পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ করে হিপনিক জার্ক হ্রাস করা যায়। কিছু ঔষুধ হিপনিক জার্ক হ্রাস করতে বা দূর করতে সহায়তা করতে পারে। এছাড়াও, কিছু লোক এই হিপনিক জার্কে একটি স্থিরতা তৈরি করতে পারে যার ফলে পূর্ব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে উদ্বিগ্ন হয়ে আরো উদ্বেগ বৃদ্ধি পায়। এই বর্ধিত উদ্বেগ এবং ক্লান্তি হিপনিক জার্কের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে।যদিও, কিছু মানুষ একে শারীরিক অসুবিধা ভেবে ভয় পান। তবে, চিকিৎসকদের মতে এতে ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই। কারণ, অনেক সময়ে নাক ডাকা থেকেও ‘হিপনিক জার্কস’ ঘটে থাকে। স্নায়ুতন্ত্রের উত্তেজনাপ্রবাহ ঠিকমতো ঠাহর করতে না পারায় এক্ষেত্রে ঘুমের মধ্যে শরীরে ঝাঁকুনি হয়। জার্কস কোনো রোগ নয়। নিয়ম মেনে চললে বারবার এমন হওয়া থেকে অবশ্যই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স বাড়ার সাথে সাথে হিপনিক জার্ক ঘটার সম্ভাবনা কমে যায়। হিপনিক জার্কের কোনো নির্দিষ্ট পথ্য নেই। তবে কারও বেলায় ঘন ঘন এই সমস্যা হতে থাকলে তাকে অবশ্যই মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেয়া প্রয়োজন। জীবনযাত্রা পরিবর্তন,নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও চাপমুক্ত থেকে ব্যস্ততম সময়কে উপভোগ করতে পারলে খুব সহজেই হিপনিক জার্কস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

@alma45

দেশী সবজি ও ফলমূলের পুষ্টিগুন দেশী সবজি ও ফলমূলের পুষ্টিগুন। ⭕দেহের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে দেশী শাকসবজি ও ফলমূল এর বিকল্প কিছু নেই। কিন্তু ছোট বড় কমবেশি সবাই একটু যেন কমই পছন্দ করি দেশী শাকসবজি ও ফলমূল খেতে। এর অন্যতম কারণ হলোঃ ১) পুষ্টি সম্পর্কে কম ধারণা ২)দেশী শাকসবজি ও ফলমূল এর সাথে পরিচিতি কম থাকা ✔️চলুন আজ আমরা খুব সহজেই জেনে নেই বাজারে পাওয়া যায় এমন সস্তা ও সুলভমূল্য পুষ্টিতে ভরপুর দেশী শাকসবজি এবং ফলমূল সম্পর্কে ⭕সবজির পুষ্টিগুন- ✔️ভিটামিন এ- কচু, সজিনা, টমেটো, গাজর, বেগুন, লালশাক, মিষ্টিকুমড়া, পেঁপে, কচু, কুমড়া, বেগুন ইত্যাদি। ✔️ভিটামিন বি- সব ধরণের সবুজ শাক ভিটামিন বি এর অসাধারণ উৎস। তাছাড়া ফুলকপি, মাশরুম, পটল, মটরশুঁটি, শিম বি-ভিটামিন ভালো মানে থাকে। ✔️ভিটামিন সি- যে কোনো কাঁচা শাক সবজিতে ভিটামিন সি থাকে। তবে ফুলকপি, ব্রোকলি, পালংশাক, আলু,, কাঁচামরিচ, শিম, মূলা, টমেটো, বাঁধাকপি, গাজর, যে কোন সবুজ শাক ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। তবে ভিটামিন সি উচ্চ তাপে অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যায় তাই ভালো ভিটামিন সি পেতে শাক-সব্জি কাঁচা, যত কম তাপে ঢেকে রান্না করে খাওয়া যায় তত ভালো। ✔️ভিটামিন ডি- সাধারণত শাক-সব্জি ভিটামিন ডি এর ভালো উৎস না। তবে মাশরুম, ধনে পাতা,কাঁচামরিচ থেকে আমরা কিছু পরিমাণে পাই। ✔️ভিটামিন ই- পালং শাক, ব্রোকলি, সবুজ শাক, লেটুস, বাঁধাকপি ইত্যাদি থেকে ভিটামিন ই প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। ✔️খনিজ লবণ- পাতা জাতীয় শাকসবজি যেমন- পালংশাক, পুঁইশাক, লাল শাক ইত্যাদি। ✔️ক্যালসিয়াম- মূলা, বেগুন, মেথিশাক, পালংশাক ইত্যাদি ✔️আয়রন- টমেটো, গাজর, কচুশাক, করলা, কাঁচকলা, লালশাক, কাঁকরোল ইত্যাদি ✔️প্রোটিন- মাশরুম, ব্রোকলি, ফুলকপি, মটরশুটি, শিম, বরবটি ইত্যাদি ⭕প্রয়োজনীয় তথ্য- যখন শাক খাবেন তা যেন তেল দিয়ে রান্না করা হয় এবং যেকল শাকে আয়রন উপস্থিত তা যেন লেবু দিয়ে খাওয়া হয়। ⭕এবার দেশী ফলের পুষ্টিমূল্য নিয়ে জেনে নেয়া যাক। ✔️প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ রয়েছে যেসকল ফলে- পেয়ারা,লেবু,জাম্বুরা,আমলকী,পাকা টমেটো,তরমুজ,পাকা তেঁতুল, কামরাঙ্গা, পাকা পেঁপে, পাকা কাঁঠাল, পাকা আম ইত্যাদি। এছাড়াও কালো জাম, আমড়া, আনারসে মাঝারি পরিমান ভিটামিন এ রয়েছে। , ✔️আয়রন জাতীয় ফল- প্রচুর পরিমান-পাকা টমেটো,আমড়া ইত্যাদি অল্প পরিমান- পেয়ারা,লেবু,জাম্বুরা,কালো জাম,পাকা তেঁতুল,কামরাঙ্গা,পাকা আম,আনারস ইত্যাদি ✔️ভিটামিন বি জাতীয় ফল প্রচুর পরিমান- কালো জাম,কামরাঙ্গা,পাকা পেঁপে,পাকা আম,আনারস ইত্যাদি অল্প পরিমান-পাকা কাঁঠাল, আমড়া, পেয়ারা, আমলকী ইত্যাদি. ❤️সবশেষে পাকা কলার কথা না বললেই নয়।এতে রয়েছে ক্যালরি, শর্করা, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি এবং খাদ্য আশঁ। ⭕আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন আমাদের দেশী ফল ও সবজিতে কী পরিমান পুষ্টি রয়েছে। তাই আসুন আজ থেকে দেশী ফলমূল ও সবজি দিয়ে আমাদের দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাদ্যতালিকা সাজাই।

@alma45

পুষ্টির যুগলবন্ধি পুষ্টির যুগলবন্ধি আমরা খাবার খাচ্ছি পুষ্টি এবং এনার্জি পাওয়ার জন্য কিন্তু আমরা কি জানি আমরা যা খাচ্ছি তা আমাদের শরীরে কতখানি পুষ্টির যোগান দিচ্ছে? সেই খাবার থেকে কতটুকু পুষ্টি আমাদের দেহ শোষণ করতে পারছে ? আমাদের দেহের পুষ্টি শোষণ করার ক্ষমতাকে আমরা পুষ্টি বিজ্ঞানের ভাষায় “বায়ো-এভেলেবিলিটি অফ ফুড” বলে থাকি। মোদ্দাকথা, পুষ্টি আমাদের দেহে কত সহজে শোষিত হয় তা নির্ণয় করা। যখন আমরা খাই তখন আমাদের প্লেটে কতটুকু খাবার আছে এবং কত ভ্যারাইটির খাবার আছে সেটার উপরে জোরদার করি কিন্তু আমাদের প্লেটে যে খাবার আছে সেই খাবারগুলো একটি আরেকটির সাথে কিভাবে খেলে কিভাবে পেয়ারিং বা যুগল বন্দি করলে আমাদের দেহে খাদ্য উপাদানগুলো সহজে খুব তাড়াতাড়ি শোষিত হবে সেই ধারণা আমাদের নেই। কয়েকটি পুষ্টিকর খাবারের নাম হয়তো আমরা জানি কিন্তু দেহের ভিটামিন মিনারেলস শোষণ নিয়ে অনেকেরই ধারণা নেই বললেই চলে। আজ আমি কিভাবে ও কোন কোন ভিটামিন মিনারেলস আমাদের দেহের পরিপূর্ণ পুষ্টিগুলি শোষণের ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে,তা নিয়ে আলোচনা করবো। #ভিটামিন ডি+ক্যালসিয়াম দেহের হাড় শক্তিশালী রাখতে খাবার থেকে ক্যালসিয়াম শোষনের জন্য ভিটামিন ডি প্রয়োজন।প্রাকৃতিকভাবে খুব কম খাবারে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।ডিমের কুসুম ভিটামিন ডি এর একটি উৎস।এর সাথে চমৎকার পুষ্টির সম্বনয় হতে পারে ব্রকলি। দুধে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম।তাই চিকিৎসকরা ভিটামিন ডি৩ সাপ্লিমেন্টস নেয়ার পরামর্শ দিলে দুধ দিয়ে খেতে বলেন। #ভিটামিন সি+আয়রন ভিটামিন সি আয়রন শোষণে সাহায্য করে।তাই আয়রন জাতীয খাবার যেমন-লালশাক,কচুশাক ইত্যাদির সাথে সাইট্রাস ফল যেমন- লেবু দিয়ে খাবেন,তাতে করে দেহে ৮৫% আয়রন শোষণ হবে। যারা ভেজিটেরিয়ান তাদের জন্য এই কম্বিনেশ্ন খুব জরুরি, কারন প্লান্ট আয়রন দেহে শোষণের উপযোগি করার জন্য ভিটা- সি অত্যাবশ্যক। #পটাশিয়াম+উচ্চ প্রোটিন পেশী গঠনে এদের ২ জনই একসাথে খাবারে রাখা আবশ্যক।বিশেষ করে যারা নিয়মিতো জীম করেন।উদাহরণ-কলা+দই। #ভিটামিন কে+আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট( স্বাস্থ্যকর/ভালো ফ্যাট) ডেনসিটোমেট্রি জার্নালে প্রকাশিতো হয় যে ভিটামিন কে হাড়কে সুরক্ষা দেয় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।কে শোষণ হতে আনস্যাচুরেটেড বা ভালো ফ্যাট যথা-আখরোট,বাদাম,চিনাবাদাম,কাজু বাদাম,অলিভ অয়েল ইত্যাদির যেকোনোটির সম্বনয়ে খেতে হবে।উদাহরণ-অলিভ অয়েল দিয়ে সবুজ শাকসবজি, সালাদ খাওয়া। #ভিটামিন বি +ফোলেট হাভার্ড বিশেষজ্ঞদের মতে বি১২ ফোলেটকে শোষণ করতে সাহায্য করে।এরা দেহের মরা কোষ প্রতিস্থাপন করতে সাহায্য করে।খাবার উদাহরণ-সবুজ সবজি/ মটরশুঁটি+মাংস/ডিম/দুধ পারফেক্ট পেয়ারিং হবে যদি ডিম( ভিটামিন বি ১২)+ পালং শাক (ফলিক এসিড) একসাথে খাওয়া হয় এবং গরুর মাংস(ভিটামিন-বি ৬+ বি ১২)+ ডাল(ফলিক এসিড) (বুটের ডাল /মুগ ডাল) সোজা কথা হালিম। #হলুদ+কালো গোলমরিচ(কারকিউমিন+পিপরিন ) হলুদে রয়েছে কারকিউমিন যার এন্টি ইনফ্লামেটরি প্রোপার্টিজ গুণাগুণ রয়েছে আর্থ্রাইটিসের ব্যথা ,কার্ডিওভাসকুলার রোগ এবং অ্যালঝেইমার রোগে এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হিসেবে কাজ করে। কারকিউমিন শোষন করতে পিপরিনের প্রয়োজন হয়।তাই এই দুটি খাবার একসাথে গ্রহণ করতে হবে। এক কাপ পানিতে হলুদের গুঁড়া অল্প গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে হার্টের রোগী ও আর্থ্রাইটিসের ব্যথায় ভুগছে তারা সকালবেলা খেতে পারে। সাধারণত আমরা ডাল খাই কিন্তু যদি ডালের স্যুপ রান্না করি তাতে একটু হলুদের গুঁড়া এবং খাবার আগে একটু গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়ে দিলে ভাল। #লাইকোপিন ও স্বাস্থ্যকর তেল আমরা জানি লাইকোপিন হচ্ছে একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যানসার প্রতিরোধ করতে এবং নিরাময় করতে সাহায্য করে। ট্মমটো ও তরমুজে প্রচুর পরিমাণে লাইকোপিন আছে। ফ্যাট জাতীয় খাবার এর সাথে লাইকোপিন জাতীয় খাবার যদি এক করা যায় তাহলে তার দেহে তার শোষণ ক্ষমতা অনেকাংশে বেড়ে যায়। তরমুজ+ ফুল ফ্যাট দই। টমেটোর সালাদ +অলিভওয়েল ড্রসিং। #ভিটামিন এ ডি ই কে এবং ফ্যাট আমরা জানি ভিটামিন এ, ডি, ই, কে ফ্যাট সলিউবেল ভিটামিন অর্থাৎ তেলে এই ভিটামিনগুলো খুব ভালোভাবে দ্রবীভূত হয়।তাই এই ভিটামিনগুলো শাকসবজি বা অন্য কোন খাবার থেকে পাওয়ার জন্য তার সাথে স্বাস্থ্যকর তেল যোগ করা আবশ্যক। বিভিন্ন ধরনের শাক ও সরিষার তেল বা অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করে খেতে পারেন। সবশেষে চা,কফি ইত্যাদি ক্যালসিয়াম পরিশোষণে বাঁধা দেয়।আপনারা এখন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এখন থেকে কোন খাবার কিভাবে নিজের পুষ্টিতালিকায় রাখবেন। অতএব বুদ্ধি খাটিয়ে করলে কাজ অপুষ্টিতে ভুগবেন না আর।

@alma45

সুপার ফুড ডিম সুপার ফুড ডিম # ডিম ও দুধ । এই ২ টি খাবার নিয়ে মানুষের অনেক ভুল ধারণা,আবার অনেকে খেতেও চায় না, আবার অনেকে জানেই না, এই ২ টি খাবার শরীরের কতো কাজে আসে। দুধ ও ডিমের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। তাই যদি এই ২ টি খাবার আপনার খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন, আপনি হতে পারেন অনেকের মধ্যে একজন পরিপূর্ণ সুস্থ ব্যক্তিত্বের অধিকারী। কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে নেয়া যাক। আজকে কথা বলব সুপার ফুড ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে- # ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ ব্রিটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় পরামর্শ দেয়া হয় যে ডায়েটরি প্রোটিন স্থূলত্ব এবং বিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে, যার ফলে পেট ভরা ভরা মনে হয়। তাই ওজন কমাতে চাইলে প্রতিদিন ১টি করে ডিম খাবেন। সকালে একটি ডিম খেলে তা অনেকটা সময় ধরে পেটে থাকে এবং কম ক্ষুধার উদ্রেক করে।এতে অন্যান্য খাওয়া কম হয়। ডায়েট যারা করেন তারা একটি ডিম রাখুন সকালের নাস্তায়। # কোলাইনযুক্ত - একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি যা বেশিরভাগ মানুষ পর্যাপ্ত পরিমাণে পায় নাঃ কোলিন এমন একটি পুষ্টি যা বেশিরভাগ লোকেরা জানেন না যে এটি বিদ্যমান, তবুও এটি একটি অবিশ্বাস্যরূপে গুরুত্বপূর্ণ পদার্থ এবং প্রায়শই বি ভিটামিনগুলির সাথে যুক্ত। ১টি ডিমে ১০০ মিলিগ্রাম কোলিন রয়েছে।কোলিন কোষের ঝিল্লি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাকে ভালো রাখে। বিশেষত গভার্স্থায় শিশুর মস্তিষ্কের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইহা যকৃত ও স্নায়ুতন্ত্র নিয়ন্ত্রণে রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, কোলিনের অভাবে মস্তিষ্কের নানা সমস্যা দেখা দেয়। # চোখের স্বাস্থ্যে ডিমঃ বার্ধক্যজনিত পরিণতিগুলির মধ্যে একটি হ'ল দৃষ্টিশক্তি আরও খারাপ হওয়ার প্রবণতা।এমন বেশ কয়েকটি পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা আমাদের চোখকে ক্ষতিকর কিছু প্রক্রিয়া যেমন ছানি পড়া,রেটিনা নষ্ট হয়ে যাওয়া ইত্যাদি প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে এমন দুটি উপাদান লুটিন এবং জেক্সানথিন বলা হয়। এগুলি হ'ল শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যা চোখের রেটিনাতে জমা হয়।ডিমের কুসুমে লুটেইন এবং জেক্সানথিন উভয়ই প্রচুর পরিমাণে থাকে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র ১টি করে ডিমের কুসুম ৪.৫ সপ্তাহ ধরে খাওয়ার ফলে লুটেইনের রক্তের মাত্রা ২৮-৫০% এবং জেক্সানথিন ১১৪-১৪২% পর্যন্ত বেড়েছে। ডিমে ভিটামিন-এ এর পরিমাণও বেশি, যা অন্ধত্ব দূরে সর্বাধিক সাহায্য করে থাকে। # কোলেস্টেরল বেশি,তবে রক্তের কোলেস্টেরলকে বিরূপ প্রভাবিত করবেন নাঃ এটি সত্য যে ডিমের কোলেস্টেরল নিয়ে বিভ্রান্তি বা দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল এবং এখনো আছে।বিশেষ করে যাদের বয়স একটু বেশি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন এমন রোগী অথবা যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বা অন্যান্য চর্বির পরিমাণ বেশি, তাদের ডিম খেতে নিষেধ বা সম্পূর্ণ বর্জন করতে বলা হয়। অনেকেই এমনকি কিছু কিছু চিকিৎসক আবার ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে, শুধু সাদা অংশটুকুই খেতে বলেন।এর কারণ তাদের ধারণা একটাই, তা হলো ডিম খেলে রক্তের কোলেস্টেরল বাড়ে, উচ্চরক্তচাপ, স্ট্রোক এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। আসলে এতদিনের এ ধারণাটা মোটেই সত্য নয়।ডিম খেলে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা ততটা বৃদ্ধি পায় না। একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষ দৈনিক গড়ে ৩০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত কোলেস্টেরল গ্রহণ করতে পারেন। আর একটি ডিমে রয়েছে ২০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল। তাই বিশেষজ্ঞগণ এমনকি আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন এখন আর তাদের খাদ্যের গাইড লাইনে ডিম খাওয়াকে নিরুৎসাহিত করছেন না। যে কোনো ব্যক্তি ডিমের সাদা অংশ খেলে কোনো সমস্যা তো হবেই না, এমনকি কুসুমসহ সম্পূর্ণ ১ টি ডিম সারাদিনে খেলেও উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আরেকটি বড় গবেষণায় প্রতীয়মান হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে ৫-৬টি ডিম খেলে হৃদরোগ, স্ট্রোক বা অন্য ধরনের হৃদরোগের কোনো ঝুঁকিই নেই। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে বলা হয়, দিনে ১টি ডিম হার্টের জন্য ক্ষতিকর নয়। সকালের নাস্তায় বরং একটি ডিম কোলেস্টেরল প্রোফাইলের ওপর তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না। # প্রোটিনে ভরপুরঃ একটি ডিমে ৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে। পেশি, অঙ্গ, ত্বক, চুল এবং বিভিন্ন টিস্যুর জন্য প্রোটিন সাধারণত দেহে হরমোন, এনজাইম এবং অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে।ডায়েটে পর্যাপ্ত প্রোটিন পেতে ডিমের জুড়ি নেই। # হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমেঃ চীনে প্রায় ৫ লাখ লোকের ওপর এক গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতিদিন একটা করে ডিম খেলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমতে পারে। 'পুষ্টি সংক্রান্ত নানা গবেষণায় অনেক সময়ই কিছু না কিছু ফাঁক থেকে যায়, কিন্তু চীনে বড় এই সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করে চালানো গবেষণা থেকে অন্তত একটা বিষয় পরিস্কার যে প্রতিদিন একটা ডিম খেলে তার থেকে হৃদযন্ত্র বা শরীরের রক্ত সঞ্চালনে কোন ঝুঁকি তৈরি হয়না, বরং প্রতিদিন একটা ডিম স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে'' - বলছেন ইংল্যাণ্ডে কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিটা ফরুহি। # হাড় গঠনঃ সেদ্ধ ডিমে আছে ভিটামিন ডি যা হাড় ও দাঁতকে শক্ত করে। ভিটামিন ডি খাবার থেকে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে সহায়তা করে এবং রক্তের ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।ফলে শরীরের হাড়ের কাঠামো মজবুত ও শক্ত হয় এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় একটি সেদ্ধ ডিম খেলে ৪৫ আন্তর্জাতিক ইউনিট ভিটামিন ডি পাওয়া যায় যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। # ফোলেটঃ ডিমে বিদ্যমান ফলেট নতুন কোষ তৈরি ও রক্তস্বল্পতা দূর করে। এটা গর্ভবতী মায়েদের গর্ভপাতের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে। # আয়রনঃ ডিমে বিদ্যমান আয়রন সহজে হজম হয়। আয়রন মানব দেহের কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে ও রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।সাধারণত আয়রন জাতীয় শাক সবজি খেতে ভিটামিন সি প্রয়োজন হয়।কিন্তু ডিমের আয়রন সরাসরি শোষিত হয়।তাই প্রতিদিন একটি ডিম আয়রনের চাহিদাও পূরণ করতে সক্ষম।

@alma45

ইলিশমাছ ইলিশকে বলা হয় মাছের রাজা! এই নামকরণ হয়েছে মূলত তার স্বভাব ও স্বাদের আভিজাত্যের জন্য। ইলিশের জীবন- চক্র খুবই বৈচিত্র্যময়। সমুদ্র তাদের কাছে শ্বশুরবাড়ির মত আর নদী তাদের কাছে বাপের বাড়ির মত। তাইতো আমরা দেখি প্রজনন (ডিম পাড়ার সময়) মৌসুমে তারা ঝাঁকে ঝাঁকে মিঠাপানির নদীর দিকে ছুটে আসে- অনেকটা আমাদের দেশের গৃহবধুর মত।আরো মজার বিষয়।অনুকুল পরিবেশ না পেলে মা ইলিশ ডিম পাড়ে না। আমাদের দেশের মহিলারাও সন্তান প্রসবের সময় মায়ের বাড়ি বেশি পছন্দ করে। কি বিচিত্র মিল!!!! সমুদ্র থেকে যত নদীর দিকে চলে আসতে থাকে ততই ইলিশমাছ থেকে লবণাক্ত ভাব চলে যেতে থাকে,মাছের স্বাদ বৃদ্ধি পেতে থাকে।ইলিশ মাছের গায়ের চকচকে রুপালী ভাবটা ফিরে আসতে থাকে।তাইতো পদ্মা,মেঘনার ইলিশ সুস্বাদু এবং দেখতে সুন্দর। পুরুষ আর নারী ইলিশের অনুপাত আকাশ - পাতাল। শতকরা ৯০-৯৫% মাছ নারী।একটি স্ত্রী ইলিশ একবারে ১ থেকে ২ মিলিয়ন ডিম ছাড়ে।এর দশ শতাংশ মাছ যদি বেচে যেয়ে পূর্নতা পায়,তাহলে নদীগুলি ইলিশে পরিপূর্ণ থাকতো।সারাবিশ্বে আহরিত ইলিশের ৮৬% মাছ বাংলাদেশের।পুরো জনসংখ্যার ২% কোন না কোনভাবে ইলিশের সাথে জড়িত।আর জিডিপির ৬% আসে ইলিশ সহ এর সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাত থেকে।ইলিশের সাথে বাংগালীর আবেগ,ঐতিহ্য, আভিজাত্য, রাজনীতি জড়িত। ইলিশর স্বাদের ও গন্ধের রহস্য হচ্ছে নির্দিষ্ট ফ্যাটি অ্যাসিড এর উপস্থিতি ও এর শারীরিক বিন্যাস।অনেক কাঁটা যেমন এর ঝামেলা ঠিক স্বাদের ও কারণ। অনেকের ইলিশ মাছের allergy প্রবণতা দেখা যায়।এর কারণ ইলিশের গায়ে সুস্বাদু কালো অংশে হিস্টামিনের উপস্থিতি।এছাড়া cooling temperature গেলে মাছের বডিতে ও হিস্টামিন গ্রো করে। মাঝে আমাদের দেশে ইলিশ মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল কিন্তু অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও আশানুরূপ স্বাদ,গন্ধ না পাওয়ায় বাতিল করা হয়। ইলিশ শুধু স্বাদেই অতুলনীয় তা নয় গুণেও অনন্য। প্রতি 100 gram ইলিশের গুণাগুণ- - Calorie 309.58 - Total Fat 22 gram - protein 25 gram - Carbohydrate 3.29 gram - Calcium 24.12 mg - vitamin C 27.22 mg - Iron 2.38 mg ইলিশ নিয়ে ও অনেক দুর্নীতি আছে।সামুদ্রিক কিছু মাছকে ইলিশ বলে বিক্রি করে একদল অসাধু ব্যবসায়ী। সবাই স্বাদ ও গুন সম্পন্ন মাছটি খান ও ভালো থাকুন।

@alma45

ভিটামিন সি সমাচার ভিটামিন সি সমাচার: ভিটামিন সি,যা ascorbic অ্যাসিড হিসেবে পরিচিত। এটি একটি water-soluble ভিটামিন যা অনেক খাবারে,বিশেষত ফল ও শাক-সবজিতে পাওয়া যায়। যেমন:কমলা,পেয়ারা,লেবু,মালটা,কলা,শশা,মরিচ,শাক-সবজি ইত্যাদি। অনেকে ভাবে আচার,জেলী বা জ্যাম খেলে ভিটামিন সি পাবো,এক্ষেত্রে জেনে রাখুন ভিটামিন সি তাপে নষ্ট হয়ে যায়। ভিটামিন সি এর উপকারিতা : *রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। * ওজন কমাতে সহায়তা করে। * scurvy ও অন্যান্য মূখের ঘাঁ রোধ করে। * ভিটামিন সি উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। * হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। * রক্ত ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমায়। * আয়রণের ঘাটতি রোধে সহায়তা করে। * দীর্ঘস্থায়ীরোগের ঝুঁকি কমায় তাইতো ক্যান্সার,হৃদরোগ,স্ট্রোক সহ সবরোগের জন্য উপকারী। * চক্ষুর স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। * চর্মরোগ নিয়ন্ত্রণ করে। * সর্দি কাশির দ্রুত নিরাময় করে। ভিটামিন সি এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : প্রতিদিন খাবারে সব পুষ্টির একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ রাখা উচিত।অতিরিক্ত সবকিছুই ক্ষতিকর।এমনকি পানি ও। ফলস্বরূপ দেখা দিতে পারে নানা জটিলতা।যেমন ভিটামিন সি এর জন্য হয়- * অ্যাসিডিটি * ডায়রিয়া * পেটে ব্যথা। * বমি বমি ভাব হয়। # এছাড়া কখনোই খালি পেটে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া যাবে না। # আর যেকোন ভরপেট খাবারের সাথে সাথে কোন টকফল খাওয়া উচিত নয়। এ দুটিই মারাত্মক গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টি করে।

@alma45

ডায়াবেটিস ডায়াবেটিস মূলত একটি Metabolic disorder.একটি দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যের অবস্থা।ডায়াবেটিক রোগী এটি যদি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে,তবে তার সাথে একজন সাধারণ মানুষের কোন পার্থক্য থাকবে না। ডায়াবেটিস সারা বিশ্বে ঘটে তবে উন্নত দেশগুলিতে বেশি আক্রান্ত।মোট হারের সর্বাধিক বৃদ্ধি অবশ্য নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলিতে দেখা গেছে, যেখানে ডায়াবেটিসের ৮০% এরও বেশি মৃত্যু ঘটে। ডায়াবেটিস কী? আমরা ডায়াবেটিস বলতে গেলে ইনসুলিন এর সমস্যাই বুঝি।কিন্তু অগ্ন্যাশয়ের প্রাথমিক হরমোনগুলির মধ্যে রয়েছে: গ্লুকাগন: ইনসুলিনের বিপরীত কাজ করে।ইনসুলিন স্বাভাবিক রক্তের গ্লুকোজ বজায় রাখতে সহায়তা করে।এটি আপনার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে। ইনসুলিন: এই হরমোনটি আপনার দেহের অনেকগুলি কোষকে শোষন করতে এবং গ্লুকোজ ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা হ্রাস করে। সোমটোস্ট্যাটিন: যখন অন্যান্য অগ্ন্যাশয়ের হরমোনগুলির যেমন ইনসুলিন এবং গ্লুকাগন খুব বেশি হয়ে যায়, তখন রক্তে গ্লুকোজ এবং লবণের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য সোমাতোস্ট্যাটিন নিঃসৃত হয়। সুতরাং বলা যায়,অগ্ন্যাশয়ের হরমোন জনিত সমস্যার কারনে রক্তে glucose level বেড়ে যাওয়াই ডায়াবেটিস। রক্তে গ্লুকোজ লেভেল বেড়ে গেলে hyperglycemia আর কমে গেলে Hypoglycemia. একজন ডায়াবেটিক রোগীর জন্য দুটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন ধরণের ডায়াবেটিস কী কী? টাইপ 1 ডায়াবেটিস আপনার যদি টাইপ 1 ডায়াবেটিস হয় তবে আপনার শরীর ইনসুলিন তৈরি করে না। আপনার প্রতিরোধ ব্যবস্থা আপনার অগ্ন্যাশয়ের যে কোষগুলি ইনসুলিন তৈরি করে তাদের আক্রমণ করে এবং ধ্বংস করে। টাইপ 1 ডায়াবেটিস সাধারণত শিশু এবং অল্প বয়স্কদের মধ্যে নির্ণয় করা হয়, যদিও এটি যে কোনও বয়সে হতে পারে। টাইপ 1 ডায়াবেটিস ব্যক্তিদের বেঁচে থাকার জন্য প্রতিদিন ইনসুলিন গ্রহণ করা প্রয়োজন। টাইপ 2 ডায়াবেটিস আপনার যদি টাইপ 2 ডায়াবেটিস হয়, আপনার শরীর ইনসুলিন ভাল তৈরি বা ব্যবহার করে না। আপনি যে কোনও বয়সে টাইপ 2 ডায়াবেটিস বিকাশ করতে পারেন এমনকি শৈশবকালেও। তবে এই ধরণের ডায়াবেটিস প্রায়শই মধ্যবয়স্ক এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা যায়। গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিস কিছু মহিলারা গর্ভবতী হলে গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের বিকাশ ঘটে। বেশিরভাগ সময় এই ধরণের ডায়াবেটিস শিশু জন্মের পরে চলে যায়। তবে, যদি আপনার গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হয় তবে পরবর্তী জীবনে আপনার টাইপ 2 ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্যান্য ধরণের ডায়াবেটিস এছাড়া আছে,মনোজেনিক ডায়াবেটিস অন্তর্ভুক্ত যা ডায়াবেটিসের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত।এক্ষেত্রে বাবার ডায়াবেটিস থাকলে মেয়ের হবার সম্ভাবনা বেশী আবার মায়ের থাকলে ছেলের হবার সম্ভাবনা বেশী অর্থাৎ ক্রস হবে। লক্ষণ ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলি আপনার রক্তে শর্করাকে কতটা উন্নত করে তার উপর নির্ভর করে। কিছু লোক, বিশেষত প্রিডায়াবেটিস ও টাইপ 2 ডায়াবেটিসযুক্ত ব্যক্তিরা প্রাথমিকভাবে লক্ষণগুলি অনুভব করতে পারেন না। টাইপ 1 ডায়াবেটিসে, লক্ষণগুলি দ্রুত চলে আসে এবং আরও মারাত্মক হয়। টাইপ 1 এবং টাইপ 2 ডায়াবেটিসের কয়েকটি লক্ষণ ও লক্ষণ হ'ল: তৃষ্ণা বাড়া ঘন মূত্রত্যাগ চরম ক্ষুধা ওজন হ্রাস প্রস্রাবে কেটোনগুলির উপস্থিতি (কেটোনগুলি পেশী এবং ফ্যাট বিভাজনের একটি উপজাত যা সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন না পাওয়া গেলে ঘটে) ক্লান্তি ঝাপসা দৃষ্টি ধীর-নিরাময় ঘা ঘন ঘন সংক্রমণ যেমন মাড়ি বা ত্বকের সংক্রমণ এবং যোনি সংক্রমণ। ডায়াবেটিসে গ্লুকোজ লেভেল যদি নিয়ন্ত্রণ না থাকে তবে দেখা দিবে বিভিন্ন জটিলতা। ডায়াবেটিসের প্রভাব: *হার্টের সমস্যা *কিডনি সমস্যা *মস্তিষ্কের জটিলতা *চোখের সমস্যা *পায়ের সমস্যা *ক্ষুদ্র রক্ত নালীতে ক্ষতি ডায়াবেটিসে গ্লুকোজ লেভেল নিয়ন্ত্রণ রাখতে কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতে হবে। *অবশ্যই রক্তে গ্লুকোজ লেভেল স্বাভাবিক রাখতে হবে। রক্তে গ্লুকোজ কমে গেলে Hypoglycemia হয়।যেটাকে আমরা বলি ডায়াবেটিস Nill হয়ে গেছে। আর গ্লুকোজ লেভেল বেশি হলে বলি Hyperglycemia.এটা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব শুধুমাত্র সঠিক খাদ্যাভাসের মাধ্যমে। *রোগীকে একটি সঠিক স্বাস্থ্যবিধি ও সঠিক নিয়মানুসারে চলতে হবে। বারডেম আমাদের দেশের স্বনামধন্য ডায়াবেটিক হাসপাতাল।এই হাসপাতালের দেয়ালে লিখা আছে 'Discipline is life' *ডায়াবেটিক রোগীর ওজন স্বাভাবিক রাখতে হবে।এদের গ্লুকোজ লেভেল স্বাভাবিক থাকলে ওজন ও স্বাভাবিক থাকে। *ডায়াবেটিক রোগীর জন্য Exercise অনেক গুরুত্বপূর্ণ।অনেক ডায়াবেটিক রোগীর অনেক ধরনের জটিলতা থাকে তন্মধ্যে heart disease,অপারেশন রোগীর ব্যায়াম আর একজন সাধারণ মানুষের ব্যায়াম একই হবে না।সেক্ষেত্রে physician এর পরামর্শ নিতে হবে।তবে সব ধরণের রোগীর কথা মাথায় রেখে একটি exercise বলা হয়।এটি হলো brisk walking (দুই পায়ের সম্পূর্ণ তালু মাটিতে সমান করে হাঁটা)।এ সময় অবশ্যই সম্পূর্ণ পা ঢাকা থাকে এমন জুতা পরতে হবে। *ডায়াবেটিক রোগীর জন্য হাত,পায়ের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।কাজের সময় সাবধানতার সাথে কাজ করতে হবে যেন কোথাও কেটে না যায়। আমাদের দেশে ডায়াবেটিস হলে সবাই মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু শুনে অবাক হবেন,বহিঃবিশ্বে ডায়াবেটিস হলে তারা শারীরিক ও মানসিক ভাবে অনেক প্রফুল্ল হয়ে উঠে।তারা ভাবে তাদের একটি সুন্দর ও সুস্থ নিয়ম মাফিক চলতে হবে। *World এর সবচেয়ে বেশি ব্যবসা বাণিজ্য হয় Obesity ও Diabetes নিয়ে।অনেকেই বলে Diabetic sugar, Biscuit।এগুলো কুনো কাজের নয়। একজন ডায়াবেটিক রোগী ও প্রতিদিন ক্যালরি হিসেব মতো সব খেতে পারবে। *রোগীর glucose level কমে গেলে অর্থাৎ hypoglycemia হলে সাথে সাথে raw sugar বা fruits candy দিতে পারেন। *অনেকে ভাবে ডায়াবেটিস হলে sugar craving হয় কিন্তু এটি সম্পূর্ণ রোগীর মানসিক চাহিদা।তার পরও এমন পরিস্থিতিতে কলা দিতে পারেন। *রোগী exercise এর পূর্বে বা বিরতিতে 2-3 খেজুর,১-১.৫ চামচ চিনি দিয়ে চা ও মিষ্টি জাতীয় যে কোন খাবার খেতে পারবে। * ডায়াবেটিক রোগীদের gluten যুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো।এদের gluten intolerance প্রবনতা দেখা যায়।এদের জন্য লাল চাল বা লাল রুটি অধিক কার্যকরী। * ডায়াবেটিসে অনেক myth আছে।যেমন ভাত,মিষ্টি,এটা সেটা খাওয়া যাবে না।এগুলো সম্পূর্ণ ভুল।তবে কারো ডায়াবেটিস এবং পাশাপাশি অন্য ধরনের সমস্যা থাকলে ভিন্ন কথা।যেমন কামরাঙা,এটি ডায়াবেটিক রোগীর জন্য অনেক উপকারী কিন্তু কিডনি রুগীর জন্য ক্ষতিকর।এ ব্যাপার গুলো খেয়াল রাখতে হবে। রোগী অবশ্যই নির্দিষ্ট পরিমাণ ভাত খেতে পারবে তবে brown rice বেশি ভালো।টাইপ 1 ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে যখন Insulin নিবে তখন ভাত খাবে। সুতরাং ডায়াবেটিস নিয়ে চিন্তিত না হয়ে সুস্থভাবে বাঁচতে সুস্থ জীবন যাপন করুন।

@alma45

থিসাসের ক্রিপ্টোকারেন্সির একটি নম্র প্রতিক্রিয়া শাম্মা চ্যান্সেলর ওরফে মাইক্রোপ্রিসিডেন্ট সম্প্রতি একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে, "থিসাসের ক্রিপ্টোকারেন্সি: আমাদের পরিচয় কী এবং আমরা কেন যুদ্ধ করছি?" বিসিএইচ এর পরিস্থিতি সম্পর্কে মন ব্যাখ্যা। আমি এটি খুব প্রাসঙ্গিক বলে মনে করি এবং যারা এখনও এটি করেনি তা পড়তে উত্সাহিত করে। আমি শ্রীমতি চ্যান্সেলরকে তার মনকে সততার সাথে এবং স্পষ্ট করে বলার জন্য প্রশংসা করি - এটি টি আমি রেডডিটকে পোস্টটিতে জবাব দিয়েছি, তবে আমি লিখছিলাম, আমি বুঝতে পেরেছিলাম এটি একটি পাঠ্যের প্রাচীরের চেয়ে অনেক বেশি এবং সম্ভবত এটি নিজস্ব একটি নিবন্ধের প্রাপ্য। এই কারণেই দ্বিতীয় ব্যক্তিতে নিম্নলিখিতটি লেখা রয়েছে। - https://read.cash/@mtrycz/a-humble-response-to-the-cryptocurrency-of-theseus-e833f20c মিঃ চ্যান্সেলর আন্তরিকভাবে এবং স্পষ্টভাবে আপনার মন বলার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমি কিছু মতামত জানাতে চাই যেগুলির সাথে আমি একমত নই। আমি মনে করি আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটি আপনার মতো পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা দরকারী প্রথমত, একটি ভিত্তি। আমি এবিসি এবং বিসিএইচ তে মিঃ সেকেটের কাজের জন্য শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি সর্বদা কথায় কথায় এটি বলেছি, এমনকি যখন আমি তার সাথে একমত নই (তার মনোভাব এবং সিদ্ধান্ত উভয়ই)। আমি মনে করি আপনি যেমন করেন, তিনি প্রচুর প্রযুক্তিগত দক্ষতার সাথে অত্যন্ত দক্ষ প্রকৌশলী। - https://read.cash/@mtrycz/a-humble-response-to-the-cryptocurrency-of-theseus-e833f20c আপনার নিবন্ধের সাথে মতবিরোধের মূল বিষয়গুলি হ'ল *"এর অর্থ হ'ল এক্সচেঞ্জগুলি তার যে সফ্টওয়্যারটি তৈরি করে চলে তা চালাচ্ছে, সে যে নিয়মকানুন সিদ্ধান্ত নেয় তা বিবেচনা না করেই। মামলা মোকদ্দমা এড়ানোর জন্য তাদের অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।" এবং অন্য কোথাও "এখন আমরা আমাদের বিভ্রান্তিতে বাস করা চালিয়ে যেতে পারি* আপনার উপসংহারটি এই ভিত্তি থেকে এসেছে যে বিসিএইচ মিঃ সেকেটের প্রকল্প। আমি এই ভিত্তির সাথে একমত নই। আমি বিসিইচিতে যোগ দিয়েছি কারণ এটি বিটকয়েন প্রকল্পের একটি ধারাবাহিকতা, যা আমি (আপনার মতো) পছন্দ করতে চাই মিঃ সেকেটের সফ্টওয়্যার দ্বারা উত্পাদিত সংখ্যা হিসাবে আপনি বিসিএইচকে সংজ্ঞায়িত করেছেন। আমি একটি আলাদা সংজ্ঞা প্রস্তাব করি: এটি বিসিএইচ প্রোটোকল দ্বারা উত্পাদিত সংখ্যা। আপনি দাবি করতে পারেন যে এটি একই, এবিসি দাবি করা বিসিএইচ। আমি মনে করি এটি আমাদের মতবিরোধের উত্স আমি বিসিইচিতে যোগ দিয়েছিলাম একটি একক সত্তা দ্বারা বিটকয়েন ক্যাপচার এড়ানোর জন্য, যা বিটিসির কাছে বিটকয়েন কোর। আমি তখন ভেবেছিলাম বিকেন্দ্রীভূত বিকাশ বিসিএইচের কাছে অনন্য ছিল এবং এটির জন্য এটি সবচেয়ে শক্তিশালী সম্পদ আমি এখন বিশ্বাস করি যে এটি আগের চেয়ে বেশি কেন্দ্রীয়। এটি অবশ্যই সহজ নয়, এবং এটি ধীরে ধীরে হতে পারে - সর্বদা ট্রেড অফ করা হবে। তবে আমার কাছে, নতুন ক্যাপচার এড়ানো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, হায় এখন দয়া করে ভাববেন না যে আমি মিঃ সেকেটকে দুষ্ট বা আপোস বলে মনে করি। আমি না। তবে যদি "এবিসি বিসিএইচ" হয় তবে এবিসি ব্যর্থতার একটি কেন্দ্রীয় পয়েন্ট এবং আমরা আবার স্কোয়ারে ফিরে এসেছি। যদি এবিসি বিসিএইচ হয় (এবং আপনি আল এটি সাবঅপটিমাল বললে এটি একটি ক্র্যাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণ হবে। মিঃ চ্যান্সেলর, আপনি যদি এই স্থিতিটি বর্ণনা করেন তবে এই স্থিতিটি স্থির করার পক্ষে আমার বিতর্ক করা খুব কঠিন হচ্ছে। বিকেন্দ্রীভূত প্রোটোকলের বিকেন্দ্রীভূত বিকাশ এমন একটি বিষয় যা এর আগে কখনও চেষ্টা করা হয়নি, আমি সচেতন তা নয়। খাপ খায় এমন কোনও রূপক নেই। আমাদের এটি নিজেরাই আবিষ্কার করা দরকারআমি বিগত 3 বছরে এটি সম্পর্কে অনেক চিন্তাভাবনা করেছি এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে এটিকে কার্যক্ষম করে তোলার জন্য আমার কাছে একটি মূল অংশ রয়েছে: প্রমাণ-ভিত্তিক বিকাশ। মতবিরোধ প্রত্যাশিত, তবে বেশিরভাগ সৎ মতভেদ উন্নয়ন আরও প্রকাশ্য প্রমাণ ভিত্তিক হলে বিসিএইচ প্রচুর বৈরিতা এড়াতে পারত। এবং আমি বিসিএইচএন-এ যোগদানের মূল কারণ এটি। আমি মনে করি যে আপনার নিবন্ধের ভিত্তিতে আপনি মনে করেন আমি "ইচ্ছাকৃতভাবে অজ্ঞ, বোকা বা দূষিত"। আমি আপনাকে গল্পটির আমার অংশটি শোনার জন্য অনুরোধ করছি, কারণ আমি মনে করি এটি আপনাকে লোক বুঝতে সাহায্য করবেআমি কীভাবে এবং কেন বিসিএইচএন-এ যোগ দিয়েছি তার গল্প এটি। আইএফপি যখন আশেপাশে এসেছিল, তখন আমি এর স্থাপনার সম্ভাবনা বিবেচনা করেছি, যদি সেখানে বিস্তৃত চুক্তি হয় এবং যদি এর প্রয়োগের বিবরণ সঠিক ছিল। অবিচ্ছিন্ন তর্ক চলাকালীন, আমি আমার মতামত পরিবর্তন করতে এবং আইএফপি-র বিরোধিতা করতে এসেছি (এনবি: আমি দেব তহবিলের বিরোধিতা করি না, বাধ্যতামূলক কয়েনবেস পুনর্নির্দেশের মাধ্যমে দেব তহবিলের বিরোধিতা করি)। আমার মতবিরোধের বিষয়গুলি দ্বিগুণ ছিল: 1) আমি বিশ্বাস করি এটি বিটকয়েনের অর্থনৈতিক মডেলটিকে একটি বাধাগ্রস্ত উপায়ে পরিবর্তন করে এবং ২) জিনিসটি যেভাবে এবিসি দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।আমি এখানে 1) বিচ্ছিন্ন করতে চাই না, কারণ এটি দৈর্ঘ্যে সম্পন্ন হয়েছে, এবং কারণ আমি 2) এখানে আরও প্রাসঙ্গিক বলে মনে করি। মিঃ সেকেট এবং এবিসি পরিস্থিতি এমনভাবে পরিচালনা করেছিলেন যেন তারা নিজেকে বিসিএইচের মাস্টার হিসাবে মনে করে। মিঃ সেকেট আমাদের রেডডিতে যে আদান-প্রদান করেছিলেন তাতে যতটা ইঙ্গিত দিয়েছে। মোমেন্টাম আইএফপি-র বিরুদ্ধে গড়ে তুলেছিল এবং সেই গতির মধ্যেই বিসিএইচএন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আমি বিসিএইচএন তে যোগ দিয়েছি কারণ আমি এই গতিটি সমর্থন করতে চেয়েছিলাম এবং নিজের প্রমাণ-ভিত্তিক প্রবণতাতে অবদান রাখতে চাই (আমরা করব) বিসিএনএইচ অবশ্যই নিখুঁত নয়, তবে আমি এর সংস্কৃতি পছন্দ করি এবং প্রমাণ ভিত্তিক বিকাশ এর একটি বড় অংশ। একটি প্রচলিত ভুল ধারণা রয়েছে যে BCHN এবিসি প্রতিস্থাপন করতে এবং BCH এর "দায়িত্বে" থাকতে চায় এবং আপনি আপনার নিবন্ধে ততটা তর্ক করেন। ঐটা আসল কথা না. *আপনি বলছেন "যদি কেউ সত্যই আর ইমোরিকে লিড রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসাবে দেখতে না চান তবে তাদের জন্য আলাদা ক্রিপ্টোকারেন্সির সন্ধান করা দরকার যেখানে আপনি অন্য কাউকে সীসা রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসাবে দেখতে পাবেন।"* আপনি বলছেন যে আইএফপির ব্যর্থতা পরিবর্তিত হয় না যে বিসিএইচটি "ব্যাংক অফ অ্যামাউরি"। আমি উত্তর দিতে চাই যে আইএফপির ব্যর্থতা প্রকাশ করে যে বিসিএইচ আসলে "ব্যাংক অফ অ্যামৌরি" নয়। আমি আপনার নিবন্ধ থেকে এটি পেয়েছি যে আপনি মিঃ সেকেট বা অন্য কোনও লিড রক্ষণাবেক্ষণকারীদের মধ্যে একটি পছন্দ প্রস্তাব করেন। আমি বলি, আসুন একটি সিঙ্গল লিড রক্ষণাবেক্ষণকারী নেই। মূল বিষয়টি প্রমাণ ভিত্তিক বিকেন্দ্রীভূত বিকাশের জন্য একটি ধাক্কা, যেখানে একাধিক দল প্রোটোকলটিতে সহযোগিতা করে এবং প্রয়োগ / সম্পাদন / বৈশিষ্ট্যগুলির প্রতিযোগিতা করে। ব্যর্থতার কোনও একক কেন্দ্রীয় পয়েন্ট নয়। 1 এর কোনও বাস ফ্যাক্টর এটি কল্পনা করা শক্ত নয় তবে আমি বিশ্বাস করি এটির খুব মূল্য আছে। এটি অর্জনের জন্য আমাদের পার্থক্য এবং গৌণ মতভেদগুলি কাটিয়ে উঠতে হবে। বিশ্ব অর্থের একই লক্ষ্য অর্জন এবং একক ইস্যুতে দ্বিমত পোষণ করা পুরোপুরি সম্ভব, পাশাপাশি এটি আমার পক্ষেও সম্ভব তবে আমরা আলোচনা করতে এবং একটি চুক্তিতে আসতে চেষ্টা করতে পারি, বা কমপক্ষে চেষ্টা করতে পারি। বিসিএইচে আসলে মেধার কোনও ঘাটতি নেই, মিঃ সেকেট, আপনি, মিঃ রিজুন, ফ্রিড্রেডার, মিঃ জান্ডার, মিঃ কুলিয়ানু, মিস্টার তোমিম, এবং অন্যান্য দশক ছদ্মনামযুক্ত দক্ষ ইঞ্জিনিয়াররা এটি আরও উন্নত করতে BCH এ কাজ করেন। চেষ্টা করা যাক। - https://read.cash/@mtrycz/a-humble-response-to-the-cryptocurrency-of-theseus-e833f20c আমি কিছু গৌণ বিষয়গুলিও সম্বোধন করার চেষ্টা করব  আপনি বলছেন "আমি ভবিষ্যতের সমস্ত আলোচনায় এই চিঠিটি উল্লেখ করছি যা এমওরির নিজের প্রকল্পে নেতৃত্ব দেওয়ার অধিকার নিয়ে প্রশ্নে আসে"*এবং অন্য কোথাও "এর অর্থ হ'ল এক্সচেঞ্জগুলি সে যে সফ্টওয়্যারটি তৈরি করে চলবে, সে যে কোনও নিয়ম নির্ধারণ করে না। মামলা মোকদ্দমা এড়ানোর জন্য তাদের অবশ্যই ব্যবস্থা করতে হবে।"* মিঃ সেকেটের নিজের প্রকল্পের নেতৃত্ব দেওয়ার অধিকার নিয়ে আমি কোনও সন্দেহ রাখি না, যতক্ষণ না আমরা এবিসি বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করি এবং না প্রতি বিসিএইচকে।আমি স্বীকার করি যে আপনি ABC কে BCH হিসাবে উল্লেখ করেন এবং এটিই আমাদের মতবিরোধের উত্স বিশ্বাসের সাথে গল্পটির অন্য দিকটি ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলাম: আমার (আরও অনেকের মত) দর্শনে মিঃ সেকেটের এবিসির প্রতিটি অধিকার আছে, তবে বিসিএইচ-এর প্রতিটি অধিকার নেই। আমি এবিসি / মিঃ সেকেটকে আক্রমণ না করেই অসম্মতি বা সমালোচনা করাও পুরোপুরি সম্ভব (যুক্তিসঙ্গত, আসলে) বলে মনে করি। কোনও মতবিরোধ বা সমালোচক সমস্ত কাজের প্রতি সম্মান বা কৃতজ্ঞতা বাতিল করে না। সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া আমি বিশ্ব অর্থের পথে পথে অনিবার্য মতবিরোধগুলি ঘটতে চাই। চারপাশে এমন ধারণাও রয়েছে যে বিসিএইচএন আবার বিসিএইচকে কাঁটাচামচ করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এটি ভিত্তিহীন। বিসিএইচএন বিসিএইচ পরবর্তীকরণের জন্য সবার সাথে সহযোগিতা করতে চায়। এটি এমনও ঘটে যে আইএফপিকে জড়িত করার বিষয়টি বিসিএইচকে বিশ্ব অর্থের পথে পরিণত হওয়ার পথে কী করে তোলে তার একটি মৌলিক সম্পত্তি বলিদান হিসাবে দেখা হয়। - https://read.cash/@mtrycz/a-humble-response-to-the-cryptocurrency-of-theseus-e833f20c আপনি যদি এটিকে এ পর্যন্ত তৈরি করে থাকেন এবং স্ট্যাম্পের সেরা (যা দেখতে দুর্দান্ত, বিটিডাব্লু) সবচেয়ে ভাল।

@alma45

চা,কফি কথোপকথন চা,কফি কথোপকথন (পার্ট-১): চা, কফি বর্তমানে আমাদের খাদ্য তালিকায় এক অপরিহার্য অংশ হয়ে গেছে।সমাজের ধনী-গরীব সকলের জনপ্রিয় পানীয় এটি।কেউ রং চা,কেউ মসলা চা,গ্রীন টি, কফি আবার কারো কারো দুধ চা,মালাই চা, দুধ কফি পছন্দ। আমরা কফি পাই কফি বিচি আর চা পাই চা পাতা থেকে।মূলত কিছু বিশেষ উপাদানের উপস্থিতির জন্যই এগুলো আমাদের আকৃষ্ট করে।কফিতে থাকে ক্যাফেইন,ট্যানিন আর চায়ে থাকে ক্যাফেইন, ট্যানিন ও ক্যাটেচিন। ☘️ ক্যাফেইন :ক্যাফেইন হলো একটি উত্তেজক উপাদান।যা চা,কফি দুটিতেই থাকে।চা পাতায় ৩.৫% আর কফিতে (০.৮-২.২)% ক্যাফেইন থাকে।এখানে মজার বিষয়,এক কাপ চা তৈরীতে অল্প পরিমাণ চা পাতি লাগে পক্ষান্তরে এক কাপ কফি তৈরীতে কফির পরিমাণ বেশি থাকে।তাই বলা হয় কফিতে ক্যাফেইন বেশি। ☘️ ট্যানিন : যা অপরিশোধিত ফল,রেড ওয়াইন,চা ইত্যাদিতে থাকে।কফিতে খুবই সামান্য পরিমাণে এটি থাকে।খেয়াল করে দেখুন চা পানের পর মুখের মধ্যে যে শুকনো এবং স্নিগ্ধ অনুভূতির সৃষ্টি করে,তাই ট্যানিন।এটি একটি দুর্দান্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ।এটি ক্যাফেইন এর উত্তেজককে শান্ত রেখে ভারসাম্য তৈরী করে। ☘️ ক্যাটেচিন: এটি একটি ন্যাচারাল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটা চায়ে বিদ্যমান।এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।কফিতে ক্যাটেচিন এর পরিবর্তে ক্লোরোজেনিক এসিড থাকে যা ট্যানিনের রস। চা,কফি এগুলো নানাভাবে আমাদের দেহ ও মনকে প্রশান্তি দিয়ে থাকে।যেমন: 🌸গ্রীন টি তে ক্যাটেচিন বেশি থাকায় এটি ন্যাচারাল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ন্যায় কাজ করে। ফলে এটি ✔️ব্রেন ফাংশন সহায়তা করে। ✔️ফ্যাট বার্ন করে। 🌸 চিনি ছাড়া লেবু, মসলা যুক্ত রং চা,গ্রীন টি এগুলো Detox water ও বলে।ওজন হ্রাস,কুষ্টকাঠিন্য ও প্রশান্তি মূলক একটি জনপ্রিয় পানীয় হলো Detox water. 🌸সর্দি কাশির ঔষুধ হিসেবে প্রাচীনকাল হতে ব্যবহার হচ্ছে। 🌸চা,কফি শারীরিক কর্মক্ষমতা বাড়ায়। 🌸 কফি ক্যান্সার,টিউমার এমনকি স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। 🌸দুধ চা ওজন বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১-২ কাপ রং চা মসলা চা ,গ্রীন টি খাওয়া যাবে।ব্ল্যাক কফি এক কাপ।দুধ চা ও দুধ কফি সপ্তাহে ১-২ দিন।গর্ভকালীন সময় ১৬ সপ্তাহ পর্যন্ত চা, কফি এমনকি গ্রীন টি ও না খাওয়াই ভালো।এসবের বাহিরে এগুলো বেশি মাত্রায় পানে দেখা যায় নানা জটিলতা। আগামীকাল আমরা এর জটিলতা সমূহ আলোচনা করবো। চা,কফি কথোপকথন (পার্ট ২) 🌲 চা,কফির প্রধান অপরাধী উপাদান হলো ক্যাফেইন।ক্যাফেইন এর ক্ষতিকর সমূহ হলো- ✔️ এটি মূত্রাশয়ের ক্রিয়াকলাপ বাড়িয়ে তুলে।ফলে প্রস্রাবের ফ্রিকোয়েন্সি বাড়তে থাকে। ✔️অনেকক্ষেত্রে বয়স্কদের মধ্যে হাঁচি-কাশিতে প্রস্রাবে কাপড় নষ্ট হয়ে যায়।এটি ও অনেক চা,কফি পানের ফল। ✔️ নিদ্রাহীনতা দেখা দেয়। ✔️ ক্যাফেইন নেশার ন্যায় অভ্যাস তৈরী করে।যাদের প্রতিদিন চা খাবার অভ্যাস,তাদের নির্দিষ্ট সময়ে এটি পান না করলে মাথা ব্যাথা,বিরক্তি, ক্লান্তি ও হৃদস্পন্দন বাড়তে থাকে। ✔️ অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণে হজমে বাঁধা সৃষ্টি হয় ফলে পেটে গ্যাসের সমস্যা,বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেয়। ✔️ গর্ভবতী ও শিশুদের জন্য ক্যাফেইন নিষিদ্ধ। ✔️মাইগ্রেন সমস্যাতে ক্যাফেইনযুক্ত খাবার পরিহার করা উচিত। 🌲 চা ও কফির আর একটি উপাদান ট্যানিন। ✔️ চা,কফির ট্যানিনের জন্য দাঁতে দাগের সৃষ্টি হয়। তাই চা, কফি পানের ১০-১৫ মিনিট পর ভালো করে মুখ কুলকুচি করা উত্তম।এতে অনেকটা দাগের সৃষ্টি কম হয়।আবার গরম চা,কফি পানের সাথে সাথে কুলকুচি নয়। ✔️অতিরিক্ত ট্যানিন খাবার হতে আয়রণ শোষণ বাঁধা দেয়।ফলে বেশি চা,কফির জন্য অ্যানেমিয়া হতে পারে। 🌲 ক্যাটেচিন চা এ থাকে বিশেষ করে গ্রীন টি তে।মাত্রাতিরিক্ত চা পানের যা হবে- ✔️ মাথা ব্যাথা। ✔️ ঘুমের সমস্যা। ✔️ হজমের সমস্যা। ✔️ লিভারের সমস্যা। 🌲 বেশি চা,কফি ধীরে ধীরে মুখের স্বাদ নষ্ট করে ও ক্ষুধামন্দা তৈরী করে। 🌲 অতিরিক্ত চা,কফি পানে Dehydration বা পানি শূন্যতা দেখা দিতে পারে। 🌲 চিনিযুক্ত চা, কফি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলে। 🌲 দুধ চা অ্যাসিডিটি বৃদ্ধি করে। এসব ছাড়া চা,কফি পানে বেশ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।তা হলো - 🌸 ইনস্ট্যান্ট কফি,বিন কফি কোন অবস্থাতেই জ্বাল দেয়া যাবে না। 🌸 চা ২-৩ মিনিটের বেশী জ্বাল দেয়া উচিত না, বিশেষত গ্রীন টি।এতে চায়ের অ্যান্টিঅক্সিজেন গুনাগুন নষ্ট হয়ে যায়। 🌸দুধ চায়ের ক্ষেত্রে দুধ ও চায়ের যৌগটি খেতেই সুস্বাদু কিন্তু এর পরিণাম ভালো কিছু না। 🌸চা, কফি ও দুধের মিশ্রণ যা চাফি নামে পরিচিত। এটি হংকং এর একটি জনপ্রিয় পানীয়।এটি খেতে ভালো লাগলে ও এটি আপনাকে ভালো ফলাফল দিবে না। 🌸কোন ভারী খাবারের সাথে সাথে চা,কফি পান করা যাবে না। এক্ষেত্রে কম করে হলেও (২-২.৩০) ঘন্টা পর চা,কফি পান করতে হবে। 🌸যাদের অ্যাসিডিটি সমস্যা তাদের চা,কফি পানের ১৫-২০ পরে পানি খেলে অ্যাসিডিটি কিছুটা কম অনুভূত হয়। উপরের আলোচনা হতে চা,কফি প্রেমিরা হয়তো চিন্তিত হয়ে গেছেন।কিন্তু চাইলে একটি আদর্শ নিয়ম অনুযায়ী সবাই স্বাস্থ্যকর চা,কফি পান করতে পারেন। ☘️ কফি গরম পানিতে মিশিয়ে খাবেন। ☘️ চায়ের ক্ষেত্রে, পানি ২ মিনিটের মতো উত্তপ্ত করে ফুটাতে হবে।তার পর গ্যাস বন্ধ করে সামান্য চা পাতি পানিতে দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।এভাবে ২ মিনিট রেখে তারপর কাপে পরিবেশন করতে হবে।চাইলে আপনি আপনার পছন্দ মতো লেবু,মালটা,আদা ইত্যাদি যোগ করতে পারেন।বর্তমানে ক্যাফেইন মুক্ত বিভিন্ন হারবাল চা দেখা যায়।যেমন বিভিন্ন মসলা,পাতা ও ফুলের চা। ☘️ চা,কফিতে চিনির ব্যাপারটা আপেক্ষিক।স্বাদ মতো নিবেন।তবে স্থূলকার ও ডায়াবেটিস রোগীর জন্য চিনি না খাওয়াই ভালো।ডায়াবেটিস রোগীরা এক্সারসাইজের পূর্ব চিনি সহ চা খেতে পারবেন।

@alma45

Weight gain Weight gain বা ওজন বৃদ্ধির উপায় (পার্ট: ২) ক্যালরির তারতম্যের সাথে কেউ যদি নিয়ম মাফিক পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করে তবে ওজন বৃদ্ধি করা বেশ সহজ হবে।এগুলো হলো - 👍 কেউ যদি ওজন বৃদ্ধি করতে চায় প্রথমেই তাকে ভোরে ঘুম হতে উঠে নির্দিষ্ট রুটিন অনুযায়ী চলতে হবে।এতে যতো সময় পাচ্ছেন ঠিক ততোটা খাবারের সুযোগ পাবেন।আর কথায় আছে,সকালে খেতে হয় রাজার হালে।কারন সারাদিনের সব খাবারে মধ্যে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এটি।সারাদিনের ৩৫% খাবার সকালে খেতে হয়। 👍 সাধারণত যারা কম ওজনের অধিকারী তাদের ৩ টি ভারী খাবার আর ৩-৪টি হালকা নাস্তা নিতে হবে। রোগা ও কম ওজনের ব্যাক্তি,তারা চাইলেও একসাথে বেশি খেতে পারে না।তারা ২ ঘন্টা পর পর অল্প অল্প করে খেতে পারেন। 👍 খাবারে ক্যালরি অনুযায়ী শর্করা,আমিষ ও চর্বি গ্রহণ করতে হবে।তবে কম ওজনের ব্যক্তিদের জন্যে শর্করা বিশেষ করে কম আঁশযুক্ত, সরল শর্করা বেশি খেতে হবে।ভাত-রুটি(সাদা),মিষ্টি ও মিষ্টি জাতীয় ফল এ শর্করা গ্রহণযোগ্য বেশি। 👍 অতিরিক্ত ফ্যাট প্রাধান্য পাবে যেমন তেল,মাখন, ঘি ও পনির ইত্যাদি।প্রোটিনের মধ্যে দুধ ডিম,তৈলাক্ত মাছ ও মাংস অবশ্যই থাকবে। 👍 ওজন বৃদ্ধি করতে ব্যায়াম প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দুইভাবেই বেশ উপকারী।বিশেষ করে যারা sedentary worker.ব্যায়াম একধরনের পরিশ্রম আর আমরা সবাই জানি পরিশ্রমে ক্ষুধা বাড়ে। 👍 কিছু নির্দিষ্ট খাবার আছে যা দ্রুত ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক।তার মধ্যে অন্যতম পিনাট বাটার।বিশেষ করে, এটি শিশুদের ওজন বৃদ্ধির জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।এছাড়া আলু,ডিম, কলা, ঘি। ওজন অনেক কম থাকলে এগুলো দিনে একাধিকবার খাওয়া যেতে পারে। 👍 বিভিন্ন dry fruits যা ক্যালরি ও ফ্যাটে ভরপুর ও ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক।এগুলো হলো সবধরনের বাদাম,খেজুর, কিশমিশ ইত্যাদি। 👍 একটি দুশ্চিন্তা মুক্ত জীবন যাপন করতে হবে।দুশ্চিন্তা ওজন হ্রাসের অন্যতম কারন। 👍 ধূমপান ও মাদক হতে বিরত থাকতে হবে। 👍 প্রতিদিন ৮ ঘন্টা ঘুমাতে হব ও প্রয়োজন মতো পানি পান করতে হবে। এগুলো হলো ওজন বাড়ানো সহজ উপায় তবে এর সাথে আমাদের কিছু কৌশল ও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

@alma45

কিভাবে প্রতি বেলার খাবার থেকে carbohydrates কমাবো কিভাবে প্রতি বেলার খাবার থেকে carbohydrates কমাবো: খাবারের অর্ধেক অংশ থাকবে non starchy veg যেমন - টমেটো, ফুলকপি, ব্রোকলি ,লেটুস ইত্যাদি এক চতুর্থাংশ থাকবে grains যেমন- লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি , brown bread এবং starchy veg যেমন- আলু, কচু, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি , বাকি এক চতুর্থাংশ থাকবে protein যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, low fat cheese ইত্যাদি।

@alma45

Sepen sauce Sepen sauce (Tibetan hot sauce for dumplings) Steamed Dumplings or Momo খুব হেলদি একটা খাবার। তবে ডিপিং সস ছাড়া আমাদের কাছে ভালো লাগে না। এই সস টাও খুব সহজে বাসায় যদি বানিয়ে নিতে পারি তবে আর হাইজিন নিয়ে ভাবতে হবে না। আমার কাছে এই তিব্বতীয় সস টা খুব ভালো লাগে। বানানো খুব সহজ। রেসেপি: 🌀শুকনা মরিচ ( সাদা ভিনেগারে ভিজিয়ে রাখতে হবে ৩০ মিনিট, ঝাল কম চাইলে বীচি ফেলে দিতে হবে। 🌀টমেটো 🌀পেয়াজ কুচি 🌀রসুন কুচি 🌀ধনিয়া পাতা 🌀সাদা তিল 🌀লবণ ❇️সবকিছু তেলে ভেজে নিয়ে ব্লেন্ড করলেই তৈরী হয়ে যাবে তিব্বতীয় সেপান সস।

@alma45

রমজান মাস রমজান মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস সকল মুসলমানের জন্য। এসময় পরিবর্তন হয় খাবারের ধরন এবং সময়সূচি। সারাদিন রোজা রাখার ফলে আমরা অনেকেই অনেক ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হই।খাদ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটু সচেতন হলেই আমরা সমস্যা গুলো থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো। তাই আজকে আমরা জানবো রমজান মাসে কী কী খাবার গ্রহণ ও বর্জন করা উচিত - আমরা সারাদিন রোজা রেখে নানারকম ইফতার করি।ছোলা,পেয়াজু, বেগুনী, জিলাপি ইত্যাদি মুখরোচক খাবার থাকে আমাদের ইফতারের প্লেটে। কিন্তু এইসব মুখরোচক খাবার খেয়ে আমাদের কী হতে পারে তা আমাদের ভাবা উচিত। স্বাভাবিক ভাবেই সারাদিন রোজা রাখার পর রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায়। সে জন্য আমাদের শরীর, ব্রেইন ও স্নায়ু কোষ ইফতারের খাবারের মাধ্যমে শক্তির জোগান চায়।তাই ইফতারের খাবার হতে হবে ঠান্ডা ও সহজে হজম হয় এমন। ✅যে সব খাবার গ্রহণ করা উচিত - ১.প্রচুর পানি পান করা। ইফতার থেকে সেহেরি-এর মাঝের সময় তাতে কমপক্ষে ৩ লিটার পানি গ্রহণ করা। মানে ৮-১০ গ্লাস পানি প্রতিদিন। ২. ইফতারে একটি সুষম খাবার প্লেট সাজানোর চেষ্টা করা, যে প্লেট-এ থাকবে রমজানের মিষ্টি (খেঁজুর), ফল, ১টি ভারী খাবার, সালাদ, স্যুপ ইত্যাদি। ৩. জটিল শর্করা গ্রহণ করা সেহেরিতে। কারণ, তা অনেক্ষণ সময় লাগে হজম হতে। ফলে সারাদিন ক্ষুধা অনুভব হতে দেয় না। জটিল শর্করার মধ্যে আছে বিভিন্ন শাক-সবজি, শিম, বাদামি চাল, গমের আটা, বীজ জাতীয় খাবার ইত্যাদি। ৪. বাদাম গ্রহণ করা যেতে পারে যা আমিষের উন্নত একটি উৎস। ৫. ইফতার শুরু করা যে খাবার গুলোতে আঁশ, সুগার ও ভিটামিন/মিনারেলস আছে। ফলের রস এই ক্ষেত্রে উৎকৃষ্ট খাবার। ৬. খাবারে সেই খাবারগুলো রাখা যা সচরাচর খাওয়া হয় এবং সেহেরিতে এমন খাবারগুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে যে খাবারগুলো আপনার সারা দিনের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে পারে, তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ শর্করা, আমিষ, এবং চর্বি গ্রহণ করা। মনে রাখবেন খাবার হতে হবে হালকা। খুব ভারী খাবার শরীরকে ভারী করে এবং পরবর্তীকালে ক্ষুধাও বেশি লাগে। ❎যে সব খাবার বর্জন করা উচিত - -চিনিযুক্ত খাবার বাদ দিন।চিনি খুব তাড়াতাড়ি রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং ওজন বাড়ায়। -চা কফির মাত্রা কম হতে হবে। -লবন পরিমাণ মতো খেতে হবে। বেশি খেলে পানির তৃষ্ণা বেশি লাগবে।শরীরে পানিশূন্যতা বেড়ে যাবে। -তেলে ভাজা মুখরোচক খাবার বর্জন করুন। সারাদিন রোজা রেখে আমাদের পাকস্থলী খুব ক্ষুধার্ত ও দুর্বল হয়ে যায়।এমন অবস্থায় যদি আমরা তেলে ভাজা মুখরোচক খাবার গ্রহণ করি তাহলে আমাদের অনেক রকম সমস্যা হতে পারে। 🔴যেসব সমস্যা হয়- -অতিরিক্ত ভাজা পোড়া খাওয়া,পানি কম খাওয়া ও মেনুতে আঁশযুক্ত খাবার না রাখার কারনে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। -তরল খাবার কম গ্রহণের ফলে লো ব্লাড প্রেশার হয়। -সারাদিন অভুক্ত থাকায় এসিডিটি হতে পারে।অতিরিক্ত তেল মশলা যুক্ত খাবার তা আরো বাড়িয়ে দেয়।এতে আলসার হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। -অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ, বেশি তেল,চর্বি,মশলা যুক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে হজমে সমস্যা দেখা দেয়। ✅টিপস- রোজায় প্রতিদিন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ফল আপনার মেনুতে রাখুন। কলা ও খেঁজুর। খেঁজুরের মতো অলরাউন্ডার ফল খুব কমই আছে।এই ফলটি একই সাথে আঁশযুক্ত এবং চিনি,পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ। কলাতে আছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং কার্বোহাইড্রেট।

@alma45

কুমড়ো বিচি কুমড়ো আমরা কম বেশি সকলেই খাই। কিন্তু কুমড়োর বিচি গুলোকে আমরা বেশিরভাগ মানুষ অকেজো ভেবে ডাস্টবিন এ ফেলে দিই। কিন্তু আপনি জানেন কি!!! সামান্য এই বিচি গুলোতে পুষ্টির পরিমান গিজগিজ করছে। প্রতি ১০০গ্রাম কুমড়োর বিচি থেকে ৫৬০-৬০০ গ্রাম ক্যালরি পাওয়া যায়।অর্থাৎ শর্করার বিকল্প বস্তু হিসেবে কুমড়ো বিচির জুড়ি মেলা ভার.. প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদানের 'পাওয়ার হাউস ' মিষ্টি কুমড়োর বিচিতে আছে ভিটামিন-বি, ম্যাগনেশিয়াম, প্রোটিন ও আয়রনের মত গুরুত্বপূর্ণ সব উপাদান..... এখন আসি এই মিষ্টি কুমড়োর বিচি কেন এত উপকারী - # কুমড়োর বিচিতে অপরিহার্য ফ্যাটি এসিড উচ্চমাত্রায় রয়েছে যা রক্তে অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। # এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে পটাসিয়াম যা উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের জন্য রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খুবই কার্যকর। # এটি প্রচুর পরিমান ফাইবার সমৃদ্ধ যা কিনা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক একটি খাবার। # কুমড়োর বিচিতে আছে সেরোটোনিন যা ঘুমের ওষুধের সমান। এর থেকে অনিদ্রার সমস্যা দূর হতে পারে। # পেশীর জন্য অত্যন্ত উপকারী এই বীজ।বাতের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে কুমড়োর বিচি। # কুমড়োর বিচিতে রয়েছে জিংক যা পৌরষত্ব বাড়ায় ও প্রোস্টেটের সমস্যা প্রতিরোধ করে। # এতে রয়েছে প্রয়োজনীয় চর্বি,ফাইবার এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টি অক্সিজেন, সবই হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। # এর অ্যান্টি অক্সিজেন ও ফাইটোকেমিক্যাল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। # এতে আছে কিউকরবিটিন,এমন এক অ্যামিনো এসিড যা চুলের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। এছাড়াও কুমড়োর বিচি ওজন কমাতেও সাহায্য করে। শর্করার বিকল্প হওয়ায় খিদে তাড়াতাড়ি মেটায়। শরীরের ওজন কমাতে যা পরোক্ষভাবে সাহায্য করে.....

@alma45

লম্বা চুল লম্বা চুল কার না পছন্দ। চুল লম্বা হবার সাথে সাথে চাই মজবুত হওয়া। সাধারন সময় আমরা চুলের অনেক পরিচর্যা করি। চুল রেগুলার আঁচরে বের হওয়া লাগতো। কিন্তু বর্তমান এ COVID-19 এর জন্যামরা চুলের যত্ন নিতে প্রায় ভুলেই গিয়েছি। যার ফলে চুল হয়ে যাচ্ছে রুক্ষ ও প্রাণহীন। অনেকেই খুব অল্প বয়স থেকেই চুল পরার সমস্যায় ভুগেন। চুল পরা অনেক কারনের সাথে জড়িত যেমন বয়স, বংশগত , কোন রোগ অথবা ডায়েট এর অসামাঞ্জস্যতা। কিছু বেপার কারো হাতে থাকে না যেমন বয়স বা বংশগত। কিন্তু আমরা চাইলেই সঠিক ডায়েট মেনে চলতে পারি।কোরনার এই সময়ে ঘরে থেকে এমন কিছু খাবার আমরা ডায়েট এ রাখতে পারি যা চুল পড়া রোধ করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। ডিমঃ প্রতিদিনের খাবারে ডিম খাওয়া হয় আমাদের। ডিম খুব ই পুষ্টি মান সম্পন্ন একটি খাবার। আমাদের চুল আমিষের তৈরী।(Keratin), তাই খাবারে থাকতে হবে পর্যাপ্ত পরিমান আমিষ। ডিম হতে পারে আমিষের একটি প্রাকৃতিক সোর্স। এছাড়া ডিম এ আছে বায়োটিন যা চুল পরা রোধ করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এছাড়াও ডিম কিন্তু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যা করোনা থেকেঅ রক্ষা করবে। শাকঃ চুলের কোষ বৃদ্ধির জন্য আইরন, বি ভিটামিন, এবং ফলেট খুব উপকারী উপাদান। আর এর সব গুলোই বিদ্যমান আছে সবুজ শাক সবজি তে। দেহে আয়রন এর ঘাটতি হলে চুলের গোঁড়ায় অক্সিজেন এবং অন্যান্য পুস্টি উপাদান যেতে পারে না, তখন খুব বেশি চুল পরা শুরু করে। সুতরাং আয়রন এর ঘাটতি হতে পারে চুল পরে যাবার একটি মূল কারন। টক ফলঃ যখনই আয়রন এর কথা আসে তখনই মাথায় রাখতে হয় ভিটামিন সি এর কথা। কারন ভিটামিন সি ছাড়া আয়রন শোষিত হয় না। তাই লেবু , আমলকী, কমলা রাখতে পারেন ভিটামিন সি এর উৎস হিসেবে। এছাড়াও অনেক ফল-সবজি তে ভালো পরিমাণে ভিতামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোদ করে Covid থেকেও সুস্থ্য থাকতে সাহায্য করে। তেল যুক্ত মাছ/বাদামঃ আমাদের শরীর ওমেগা ফেটি এসিড তৈরী করতে পারে না, তাই এই বিশেষ ফ্যাট টি আমাদের কে খাবার থেকেই নিতে হয়। বাদাম এ আছে omega3, omega 6 এবং antioxidant যা চুলের রুক্ষতা দূর করে, মজবুত করে এবং চুল পড়া কমায়। বাদামে আছে ভিটামিন ই যা চুল কে UV Ray থেকে রক্ষা করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় যা চুল লম্বা করতে সহায়তা করে। গাজরঃ আমাদের দেহের সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি হয় চুলের কোষ। আর এই গ্রোথ এর জন্য দরকার ভিটামিন এ। গাজরে আছে ভিটামিন এ এবং antioxidant যা চুলের গোড়ায় তৈলাক্ত উপাদান তৈরী করে স্কাল্প কে মজবুত রাখতে সাহায্য করে সেই সাথে দ্রুত চুল বাড়াতে সাহায্য করে। শস্যদানাঃ শস্যদানা যেমন লাল আটা। বার্লি, গম,ওটস ইত্যাদি তে আছে Biotin, zinc, selenium . চুলের বৃদধি তে এদের গুরুত্ত অনেক বেশি। জিঙ্ক এর অভাবে Scalp শুষ্ক হতে এবং চুল ঝরে যেতে পারে। খাদ্য বা পুষ্টি যেমন ত্বকের জন্য উপকারী তেমন সঠিক খাদ্যভাস মেনে চুল কে রাখতে পারেন মজবুত এবং সুন্দর। এই খাবার গুলোই রোগ প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে, তাই এক কাজে ২ কাজ করতে প্রতিদিন এর খাবার তালিকা খাবার গুলো রাখতে পারেন।

@alma45

চুল পড়া রোধে যা করবেন চুল পড়া রোধে যা করবেন। অনেক প্রশ্ন আসে প্রতিদিন আমার কাছে। প্রশ্ন এবং অনুরোধ সবচেয়ে বেশি চুল পড়া রোধের জন্য টিপস। একটি গল্প বলি আপনাদেরকে৷ ছোটবেলায় আমার মা আমার চুলে সবসময় তেল লাগিয়ে দিতেন। আম্মু মাঝে মাঝে চুলে ডিম, লেবুর রস দিয়ে দিত। আমি যখন মায়ের পেটে ছিলাম তখন আম্মু অনেক পুষ্টিকর খাবার খেতেন। তবে আজকে আমি খাবারের পরামর্শ না। কয়েকটি টিপস দিব যাতে করে আপনার চুল পড়া বন্ধ হয়। এই টিপস ছেলে এবং মেয়ে উভয়ই অনুসরণ করবেন। ১. প্রতিদিন নিয়মিত চুল আঁচড়াবেন। এতে করে আপনার স্ক্যাল্পের ভিতরে রক্ত সঞ্চালন হবে ফলে চুল গজাবে এবং চুল পড়া রোধ হবে। ২. চুলে খুশকি হতে দিবেন না। সপ্তাহে ২-৩ দিন ভাল ব্রান্ডের শ্যাম্পু দিয়ে কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলবেন। ৩. মাঝে মাঝে রোদে চুল শুকানোর চেষ্টা করবেন এতে করে চুল ভিটামিন-ডি পাবে এবং আপনার চুল সুন্দর হবে। ৪. সপ্তাহে ১-২ দিন চুলে ভালভাবে তেল মিশিয়ে ম্যাসাজ করবেন। তেল ( নারকেল তেল + বাদামের তেল + সরিষার তেল + ক্যাস্টোর ওয়েল + তিলের তেল + ভিটামিন - ই ক্যাপ ) ইত্যাদি। ৫. মাসে ১-২ বার প্রোটিন ট্রিটমেন্ট নিবেন যেমন ( কলা + টক দই + ডিমের সাদা অংশ + নারিকেল তেল + কালিজিরা) । চুলে ৪০ মিনিট -১ ঘন্টা রেখে শ্যাম্পু করবেন। ৬. চুলে ক্যামিকেল ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ৭. প্রতিদিন সকালে আমলকী খাবেন। ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, সামুদ্রিক মাছ, শুটকি মাছ, অলিভ ওয়েল, বাদাম, টক জাতীয় ফল ইত্যাদি নিয়মিত খাবেন। ৮. দুশ্চিন্তা করবেন না, ভেজা চুল শুকানোর আগে বাধবেন না। ১ মাস অনুসরণ করে দেখুন ফলাফল কি হয়। আশা করি এই নিয়ে আর প্রশ্ন করার প্রয়োজন পড়বে না।

@alma45

লিচু #লিচু গ্রীষ্মকালীন মিষ্টি, সুস্বাদু ও রসালো একটি ফল লিচু। শুধু খেতেই রসালো নয়, মৌসুমি এই ফল ভিটামিন ও খাদ্যশক্তির অন্যতম উৎস। এতে রয়েছে মানব শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। লিচুকে বিবেচনা করা হয় চীন দেশের ফল বলে। চীনারা আবার একে ভালোবাসা ও রোমাঞ্চের ফল হিসেবে মর্যাদা দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, লিচু চীনা এলাকায়ই প্রথম ফলের কদর পায় এবং চাষবাস শুরু হয়। লিচু’র বৈজ্ঞানিক নাম Litchi chinensis। এটি মৌসুমি ফল। বাংলাদেশের সব স্থানেই লিচু হয়, তবে উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলে এর ভাল ফলন হয়। লিচু হলো Sapindaceae পরিবারের Litchi গণের একমাত্র সদস্য। এটি নিরক্ষীয় ও উপ-নিরক্ষীয় অঞ্চলে জন্মে থাকে। এর আদি নিবাস চীনে। বর্তমানে বিশ্বের বহু স্থানে লিচু চাষ করা হয়। লিচু খুব ধীর গতিতে বড় হয়। ফুলের কুড়ি দিয়ে যখন গাছটি অলঙ্করিত হয়, তখন গাছটি খুব আর্কষণীয় দেখায়। পুষ্টিমানঃ পুষ্টিগুণের দিক থেকে বলতে গেলে বলা যায়, এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘সি’। ক্যালসিয়াম দরকার হয় হাড়, দাঁত, চুল, ত্বক, নখ ভালো রাখতে। হিসাব করে দেখা গেছে, ১০০ গ্রাম লিচুতে থাকে শর্করা ১৩.৬ গ্রাম, ক্যালরি ৬১, ক্যালসিয়াম ১০ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৭ মিলিগ্রাম ও ভিটামিন ‘সি’ ৩১ মিলিগ্রাম। নানারকম চর্মরোগ ও স্কার্ভি দূর করতে সাহায্য করে ভিটামিন সি। তাছাড়া এটি ত্বক উজ্জ্বল করতে ও বলিরেখা কমাতেও সাহায্য করে। ১০০ গ্রাম লিচু বলতে মাঝারি আকারের প্রায় ১০টি লিচুকে বোঝায়। মার্কিন ওষুধ প্রশাসন বিভাগ বলছে, প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুতে ৬৬ কিলোক্যালরি শক্তি ও ১৬ গ্রাম শর্করা রয়েছে। চর্বি একেবারেই নেই। আরও আছে ৭১ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’, ১৭০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ১৪ মাইক্রোগ্রাম ফলেট এবং সামান্য পরিমাণ (১মিলিগ্রাম) সোডিয়াম। উপকারিতাঃ ১। ক্যালরির পরিমাণ বেশি থাকে তাই ডায়াবেটিস রোগীদের পরিমিতভাবে লিচু খাওয়া ভালো। ২। বোলতা, বিছে কামড়ালে পাতার রস ব্যবহারে ভালো হয়। ৩। এতে দেহে শক্তি বাড়ে। কারণ এটা শরীরে ফ্লুইডের পরিমাণ বাড়ায়। ৪। এর ভিটামিন ‘সি’-এর পরিমাণ কমলালেবুর তুলনায় ৪০ শতাংশ বেশি। ৫। এ ছাড়া গাজরের তুলনায় বেশি বিটা ক্যারোটিনও আছে। ৬। আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড রয়েছে। ৭। এটি বিটা ক্যারোটিনসহ প্রয়োজনীয় ভিটামিন শোষণে সহায়তা করে। ৮। লিচু হজমে সহায়তা করে, কারণ এতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার। ৯। হাড়, দাঁত, চুল, ত্বক, নখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। কারণ এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম। ১০। বয়স্ক নারী যাদের মেনোপজ হয়ে গেছে, তাদের জন্য লিচু যথেষ্ট উপকারী। কারণ এসব নারীর অতিমাত্রায় ক্যালসিয়ামের অভাব হয়। ১১। এটি মৌসুমি অসুখগুলো থেকে আপনাকে রক্ষা করে। ১২। একই সঙ্গে ত্বক ও চুলের পুষ্টি জোগায়। ১৩। প্রচণ্ড ক্ষতিকর আলট্র্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে শরীরকে রক্ষা করে। ১৪। এতে রয়েছে নিয়াসিন ও রিবোফ্লাভিন নামক ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স। ১৫। ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স শরীরের জ্বালাপোড়া, দুর্বলতা দূর করে। ১৬। লিচুর ভিটামিন ‘এ’ রাতকানা কর্নিয়ার অসুখ, চোখ ওঠা, চোখের কোনা ফুলে লাল হয়ে যাওয়া দূর করে। ১৭। এ ছাড়া জ্বরঠোসা, জিহ্বার ঘা, জিহ্বার চামড়া ছিলে যাওয়া এসব রোগ প্রতিরোধ করে। ১৮। লিচু গরম ফল। এটি বেশি খেলে পেট গরম হয়ে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই সিজন ছাড়া খাওয়া ঠিক নয়। ১৯। বেশি মিষ্টি লিচু অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের পরিহার করা উচিত। ২০। কাশি, পেটব্যথা, টিউমার দমনে লিচু কার্যকর। ২১। চর্মরোগের ব্যথায় লিচুর বীজ ব্যবহৃত হয়। ২২। কচি লিচু শিশুদের বসন্ত রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ২৩। বাকল ও শিকড়ের কস্ফাথ গরম পানিসহ কুলি করলে গলার স্বর ভালো হয়। ২৪। লিচুর রস চকোলেট জাতীয় খাদ্যদ্রব্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। ২৫। এতে অবস্থিত পটাসিয়াম এবং খনিজের মতো উপাদান হূদরোগের ঝুঁকি কমায়। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। ২৬। শরীরের প্রদাহজনিত ময়লা পরিষ্কার করে। মস্তিষ্ক বিকাশেও সহায়তা করে। এছাড়া আমাদের হার্ট সুরা করে, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। ২৭। ত্বকের তৈলাকাততা দূর করে বিধায়, লিচু খেলে ব্রণের উপদ্রবও কমে। ২৮। কপালের ভাজ পরা, ঠোটের চারপাশের বলি রেখা, গলা এবং বুকের পিগমেন্টেশন দূর করতেও ভূমিকা রাখে। ২৯। ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা ধরে রেখে ত্বকের যৌবন ধরে রাখে। ৩০। প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুতে ৬৬ ক্যালরি রয়েছে। যা আঙ্গুরের তুলনায় অনেক কম। লিচুতে কোন সম্পৃক্ত চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। কিন্তু এতে ভাল পরিমাণে তালিকাগত ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টি-অস্কিডেন্টসমূহ রয়েছে। ৩১। গবেষকরা বলেছেন, তারা লিচুতে প্রচুর পরিমাণে ‘অলিগনাল’ নামক একটি আণবিক উপাদান রয়েছে। যা পলিফেনলের আণবিক উপাদান। অলিগনাল এ অ্যান্টি-অস্কিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লুয়েঞ্জা নামক ভাইরাস কর্ম রয়েছে। যা বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়াও রক্ত পরিবহনের মাত্রা উন্নত করে। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্নি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ৩৩। লিচু একটি লেবু জাতীয় ফলের মত এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। গবেষণায় পাওয়া গেছে, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল শরীরের সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। শরীরের প্রদাহজনীত ময়লা পরিস্কার করে এবং মস্তিস্ক বিকাশে সহায়তা করে। ৩৪। থিয়ামিন, নিয়াসিন ও ফলেটস এর মত ভিটামিন বি কমপ্লেক্র এর সব থেকে ভালো উৎস হচ্ছে লিচু। এই উপাদানগুলো শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এসকল উপাদানে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও চর্বি রয়েছে যা শরীরের জন্য অপরিহার্য। ৩৫।শক্তির ভালো উৎস লিচু। প্রতি ১০০ গ্রাম লিচু থেকে ৬১ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। এটি শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। পাশাপাশি চর্বি কমাতে সাহায্য করে। ৩৬।লিচুতে খাদ্য হজমকারী আঁশ, ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে যা শরীরে জমে থাকে ও দেহ সুস্থ রাখে। ৩৭।লিচু মানবদেহে ক্যান্সার হওয়ার প্রবনতা হ্রাস করে। ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ ধ্বংস করে। এতে অবস্থিত ফ্ল্যাভানয়েডস নামক উপাদান স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ৩৮।লিচুতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম এবং অন্যান্য খনিজ উপাদান যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

@alma45

তেজপাতার তেজ ব‌লে কথ‌া তেজপাতার তেজ ব‌লে কথ‌া !!! আমরা প্রায়ই মজা ক‌রে একটি কথা ব‌লি,"জীবনটা প‌ু‌রো তেজপাতা হ‌য়ে গে‌ছে৷"‌কিন্তু আস‌লে তেজপাতা মা‌নে কি শুধুই বিনাশ? স‌ত্যি বল‌তে এর আ‌ছে চমৎকার কিছু ওষ‌ধিগুণ চলুন জে‌নে নেয়া যাক :~ হজমশ‌ক্তি বাড়ায় : তেজপাতা শরী‌রের হজমপ্র‌ক্রিয়া‌কে দ্রুত করার মাধ্য‌মে খাব‌া‌রের পু‌ষ্টি উপাদানগু‌লো ভা‌লোভা‌বে প‌রিপা‌কে সাহায্য ক‌রে| পুষ্টিগুণে ভরপুর :এ‌তে র‌য়ে‌ছে ভিটা‌মিন এ,ই,‌সি, ফ‌লিক এ‌সিড, ক্যাল‌সিয়াম, ম্যাগ‌নে‌সিয়াম, পটা‌শিয়াম ইত্যা‌দি পু‌ষ্টি উপাদান | ফ্লু এড়া‌তে: তেজপাতার অ্যান্টিমাই‌‌ক্রো‌বিয়াল উপাদান শ্বাসয‌ন্ত্রের প্রদাহ কমায়,তাই ক‌রোনা মহামা‌রির সম‌য়ে এই ফ্লু জাতীয় রোগ এড়া‌তে তেজপাতা পা‌নি‌তে ভা‌লো ক‌রে ফু‌টি‌য়ে খাওয়া যে‌তে পা‌রে | ‌রোগ প্র‌তি‌রোধ ক্ষমতা বাড়াতে :‌তেজপাতায় থাকা ইগু‌নেয়াল নামক উপাদান আমা‌দের রোগ প্র‌তি‌রে‌াধ ব্যবস্হা‌কে শ‌ক্তিশালী ক‌রে, যা এই মুহূ‌র্তে আমা‌দের খুবই দরকার | হৃদ‌রো‌গের ঝু‌ঁকি কমা‌তে : তেজপাতায় থাকা অ্যান্টিঅ‌ক্সি‌ডেন্ট স্বাস্হ্য ও হৃদ‌পিন্ড ভা‌লো রাখ‌তে সাহায্য ক‌রে| ‌অ্যান্ট‌ি এই‌জিং : তেজপাতার ফুটন্ত পা‌নির বাষ্প তারুণ্য ধ‌রে রাখ‌তে সাহায্য ক‌রে | মস্ত‌ি‌ষ্কের শ‌ক্তি : তেজপাতার পি‌নেইন , সি‌নেওল ও এ‌লি‌মি‌সিন নামক কে‌মি‌কেল ব্রেন‌সে‌লের কর্মক্ষমতা বাড়ায় |

@alma45

জামরুল #জামরুল জামরুল হালকা মিষ্টি স্বাদযুক্ত একটি রসালো গ্রীষ্মকালীন ফল। জামরুল বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। তবে সাদা,হালকা সবুজ ও লাল-গোলাপি রঙেরই বেশি দেখা যায়। জামরুলকে অনেকেই সাদা জাম বলে। এটি বাংলাদেশ,ভারত,ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, সামোয়া,শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড প্রভৃতি দেশে জন্মে।ক্রান্তীয় অঞ্চলে এর ব্যাপক চাষ হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম- Syzygium Samarangense. ইংরেজি নাম- Champoo,Rose apple,Royal apple,Love apple.দেখতে ঘন্টাকৃতির বলে এটি Bell Fruit নামেও পরিচিত। জামরুল ফলের মধ্যে একটি ছোট বীজ থাকে। মার্চ-এপ্রিলে ফুল আসে এবং মে-জুনে ফল পাকে। প্রকৃতি যত বেশি রোদে তপ্ত থাকে জামরুল তত বেশি মিষ্টি হয়।অপরদিকে বৃষ্টিবহুল বছরে জামরুল এর স্বাদ হয় পানসে। তবে হালকা লাল রঙের জামরুল খেতে অনেকটা আপেলের মত মিষ্টি হয়। #পুষ্টিগুণ : সহজলভ্য এই ফলটির পুষ্টিমান খুবই চমৎকার। আমেরিকান এগ্রিকালচার ডিপার্টমেন্ট এর তথ্যমতে, ১০০ গ্রাম জামরুল এ নিম্নলিখিত পুষ্টি উপাদান থাকে- পানি - ৯৩.০০ প্রোটিন - ০.৬ মিলিগ্রাম কার্বোহাইড্রেট - ৫.৭ মিলিগ্রাম ডায়েটারি ফাইবার - ১.৫ মিলিগ্রাম স্টার্চ - ০.০ মিলিগ্রাম সুগার - ০.০ মিলিগ্রাম চর্বি - ০.৩ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল - ০.৩ গ্রাম ভিটামিন সি - ১৫৬.০ ভিটামিন এ(ক্যারোটিন) - ২২.০ ভিটামিন বি১(থায়ামিন) - ১০.০ ভিটামিন বি৩(নায়াসিন) - ৫৭.০ ক্যালসিয়াম - ২৯ মিলিগ্রাম আয়রন - ০.১ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম - ৫.০ মিলিগ্রাম ফসফরাস - ৮.০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম - ১২৩.০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম - ০.০ সালফার - ১৩.০ মিলিগ্রাম #উপকারিতা : ১* জামরুল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।জামরুল এ রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি । প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুল এ ২২ দশমিক মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি ত্বকের তারুণ্যতা ধরে রাখে। ২* যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে তারা জামরুল খেতে পারেন। জামরুল এ পর্যাপ্ত পরিমানে ডায়েটারি ফাইবার থাকায় এটি হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ৩* প্রচুর পরিমানে ডায়েটারি ফাইবার থাকায় এটি পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া প্রতিরোধ এ বিশেষ ভাবে কাজ করে। ৪* জামরুলে পর্যাপ্ত পরিমানে ভিটামিন এ থাকায় এটি চোখের জন্য উপকারী। ৫* প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুল এ ২৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। তাই হাড় ও দাঁতের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম এর জন্য জামরুল খাওয়া যেতে পারে। ৬* জামরুল এ থাকা পটাসিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৭* প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুল এ ৯৩ গ্রাম পানি থাকে যা শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৮* জামরুল এ ভিটামিন সি ও ফ্লাবিনয়েড থাকায় ক্যান্সার ও হৃদরোগ এর ক্ষেত্রে কোষের ধ্বংস কে রোধ করে। জামরুল এ থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের দূষিত পদার্থ দূর করে ৯* জামরুলে থাকা নায়াসিন কোলেস্টেরল তৈরিকে নিয়ন্ত্রণ করে। নায়াসিন রক্তে ভালো এইচডিএল কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং খারাপ ট্রাইগ্লিসারাইড কমায়। ১০* জামরুলে সোডিয়াম না থাকায় এবং এইচডিএল এর মাত্রা বেশি থাকায় এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। ১১* জামরুল এ এক ধরনের হেপাটোপ্রটেক্টিভ উপাদান থাকে, যা অত্যন্ত সফলভাবে লিভার কোষ ধ্বংস থেকে রক্ষা করে। ১২* জামরুল এ অ্যান্টিহাইপারগ্লিসেমিক উপাদান থাকে, যা রক্তের গ্লুকোজ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রন করে। #কাচা জামরুল এর পাশাপাশি এটি জুস, আচার ও সালাদ হিসেবে জনপ্রিয়। নিয়মিত জামরুল খান,সুস্থ থাকুন।

@alma45

আম #আম ঋতু বৈচিত্র্যময় বাংলাদেশে ভিন্ন ভিন্ন মৌসুমে ভিন্ন ভিন্ন ফল পাওয়া যায়।তেমনি একটি মৌসুম নিয়ে আসে আমাদের প্রায় সকলেরই প্রিয় ফল আম। জৈষ্ঠ্যমাসে সাধারণত আম পাকে।এই সময়টাকে মধুমাস ও বলা হয়ে থাকে বিভিন্ন সুমিষ্ট ফলের কারণে।কিন্তু অন্যান্য সকল ফলের তুলনায় আমের জনপ্রিয়তা অনেক বেশি আমের সুস্বাদের জন্য। পাকিস্তান,ভারত ও ফিলিপাইন এই তিনটি দেশের জাতীয় ফল আম।কিন্তু অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে আমের পর্যাপ্ততা বেশি।প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে ভারতেই “Mango” শব্দটির উৎপত্তি।ইংরেজিতে ম্যাঙ্গো শব্দটি সম্ভবত তামিল 'ম্যানকেই' কিংবা তামিল 'মানগা' শব্দ থেকে এসেছে। যখন পর্তুগিজ ব্যবসায়ীরা দক্ষিণ ভারতে বসতি স্থাপন করে, তারা নাম হিসেবে 'ম্যাংগা' শব্দটি গ্রহণ করে। আর যখন ব্রিটিশরা ১৫শ এবং ১৬শ শতকের দিকে ভারতে দক্ষিণাঞ্চলের সাথে ব্যবসা শুরু করে, তখন 'ম্যাঙ্গো' শব্দটির জন্ম। আমের বৈজ্ঞানিক নাম “Mangifera Indica”. সারা পৃথিবীতে প্রায় ৩৫ প্রজাতির আম আছে এবং আমের স্বাদের মত আমের নামগুলোও মনোমুগ্ধকর। আমাদের প্রায় সকলেরই বাড়িতে ছোট বড় আম গাছ রয়েছে।যা আমাদের আমের চাহিদা পূরণ করে থাকে।এছাড়াও প্রতিবছর সারাবিশ্বে প্রায় ৪৬ মিলিয়ন টন আম উৎপাদিত হয়। এখন আমরা আমের পুষ্টিগুণাগুণ সম্পর্কে জানবো☺ আমে প্রায় ২০টি ভিন্ন ভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ পাওয়া যায়- প্রতি ১০০ গ্রাম আমে – ★ক্যালরিঃ ৬০ কিলোক্যালরি  কার্বোহাইড্রেটঃ ১৫ গ্রাম  সুগারঃ ১৪ গ্রাম  ফাইবারঃ ১.৬ গ্রাম ★ফ্যাটঃ ০.৪ গ্রাম ★প্রোটিনঃ ০.৮ গ্রাম  কোলেস্টেরলঃ ০ মিলিগ্রাম ★ভিটামিন সমূহ-  ভিটামিন এঃ ৫৪ মাইক্রোগ্রাম  বেটা-ক্যারোটিনঃ ৬৪০ মাইক্রোগ্রাম  থায়ামিন(বি১)ঃ ০.০২৮ মিলিগ্রাম  রিভোফ্লাভিন(বি২)ঃ ০.০৩৮ মিলিগ্রাম  নায়াসিন(বি৪)ঃ ০.৬৬৯ মিলিগ্রাম  প্যান্টোথেনিক এসিড(বি৫)ঃ ০.১৯৭ মিলিগ্রাম  ভিটামিন বি৬ঃ ০.১১৯ মিলিগ্রাম  ফোলেট(বি৯)ঃ ৪৩ মাইক্রোগ্রাম  কোলিনঃ ৭.৬ মিলিগ্রাম  ভিটামিন সিঃ ৩৬.৪ মিলিগ্রাম  ভিটামিন ইঃ ০.৯ মিলিগ্রাম  ভিটামিন কেঃ ৪.২ মাইক্রোগ্রাম ★খনিজসমূহ-  সোডিয়ামঃ ১ মিলিগ্রাম  পটাশিয়ামঃ ১৬৮ মিলিগ্রাম  ফসফরাসঃ ১৪ মিলিগ্রাম  ম্যাঙ্গানিজঃ ০.০৬৩ মিলিগ্রাম  আয়রনঃ ০.১৬ মিলিগ্রাম  জিংকঃ ০.০৯ মিলিগ্রাম  ম্যাগনেসিয়ামঃ ১০ মিলিগ্রাম  ক্যালসিয়ামঃ ১১ মিলিগ্রাম ★আমের উপকারিতা- ১. পাকা আম আমাদের ত্বক কে সুন্দর, উজ্জ্বল ও মসৃণ করে। শুধু তাই নয়, এটি আমাদের ত্বকের ভেতর ও বাইরে থেকে উভয়ভাবেই সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। আম আমাদের ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ও ব্রণের সমস্যা সমাধানে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ২. গাছপাকা আমে পর্যাপ্ত পরিমাণে খনিজ লবণের উপস্থিতিও রয়েছে । আমাদের শরীরের দাঁত, নখ, চুল ইত্যাদি মজবুত করার জন্য আমের খনিজ লবণ উপকারী ভূমিকা পালন করে। ৩. সাধারণত পাকা আম ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ফলে মুখের ও নাকের উপর জন্মানো ব্ল্যাকহেড দূর করতে অনেকাংশে সাহায্য করে। আপনি যদি প্রতিদিন ১০০ গ্রাম পাকা আম খান তাহলে আপনার মুখের কালো দাগ দূর হবে। ৪. আমের উপকারিতা গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে আমের পুষ্টি উপাদান। পাকা আমের আঁশে কিছু উপাদান যেমন- ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ থাকায় তা হজমে সহায়তা করে থাকে। আমে আছে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম এটা আমাদের শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙ্গে ফেলতে সাহায্য করে যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ৫. আমে প্রায় ২৫ রকমের বিভিন্ন কেরাটিনোইডস উপকারী ব্যাকটেরিয়া আছে যা আপনার ইমিউন সিস্টেমকে সুস্থ ও সবল রাখে। ৬. আমে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন- বি কমপ্লেক্স। এই ভিটামিন আমাদের শরীরের স্নায়ুগুলোতে অক্সিজেনের সরবরাহ সচল রাখতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরকে রাখে পুরোপুরি সতেজ। যার ফলে খুব দ্রুত ঘুম আসতে সাহায্য করে। ৭. আমে রয়েছে বেটাক্যারোটিন, ভিটামিন ই এবং সেলেনিয়াম। এসব উপাদান পরিমাণে পর্যাপ্ত থাকায় পাকা আম হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।আমাদের হার্টকে সুস্থ ও সবল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৮. আপনি যদি প্রতিদিন এককাপ আম খেতে পারেন তাহলে এটি আপনার শরীরে ভিটামিন ‘এ’ এর চাহিদার প্রায় পঁচিশ শতাংশের যোগান দিতে পারবে। ভিটামিন ‘এ’ আমাদের চোখের জন্য খুবই উপকারী। এটি আমাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা করে। ৯. আমে প্রচুর পরিমাণে এসিড থাকে যেমন- টারটারিক এ্যাসিড, ম্যালিক এ্যাসিড ও সাইট্রিক এ্যাসিড যা আমাদের শরীরে অ্যালকালাই বা খার ধরে রাখতে সহায়তা করে অনেকাংশেই। ১০. আমের মধ্যে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কিনা শরীরের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। স্তন, লিউকেমিয়া, কোলন প্রোস্টেট ক্যান্সারের মত মারাত্মক ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে প্রয়োজনীয় এনজাইমও পাওয়া যায়। ১১. পাকা আম পটাশিয়ামসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি আমদের হার্টবিট ও রক্তস্বল্পতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। আমাদের হার্টবিটকে সচল রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। ১২. পাকা আম আমাদের শরীরের রক্ত পরিষ্কারে সহায়তা করে। আমের মধ্যে থাকা টারটারিক, ম্যালিক ও সাইট্রিক এ্যাসিড শরীরে অ্যালকোহল ধরে রাখতে সহায়তা করে। ১৩. আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিন-সি এর পরিমাণ বেশি। যা আমাদের দাঁত ও হাড় গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ১৪. আম আমাদের শরীরের ক্ষয়রোধ করে। প্রতিদিন আম খেলে দেহের ক্ষয়রোধ হয় এবং স্থূলতা কমিয়ে শারীরিক গঠনে ইতি বাচক ভূমিকা পালন করে। ১৫. শুধু তাই নয়, আমের ভেষজ গুণ আমাদের স্কিন ক্যান্সারসহ ভিভিন্ন জটিল রোগ থেকে রক্ষা করে। ১৬. আমে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ সেই সাথে আরো আছে ফাইবার যা সিরাম কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়, বিশেষ করে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টরল যেমন কম ঘনত্বের লাইপোপ্রটিন এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও কাঁচা আমের উপকারিতা * ভিটামিন সমৃদ্ধ ও মিনারেলে ভরপুর। *এছাড়াও কাঁচা আমের উপকারিতা * ভিটামিন সমৃদ্ধ ও মিনারেলে ভরপুর। * ক্যারোটিন ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ কাঁচা আম চোখ ভাল রাখার জন্য দরকার। বিটা ক্যারোটিন থাকায় হৃৎপিন্ডের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। * ভিটামিন বি-১ ও ভিটামিন-২ ভাল পরিমাণে রয়েছে। * ক্যালসিয়াম ও আয়রন রয়েছে। * পরিশ্রমী বা নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যেস থাকলে কাঁচা আম খেতে পারেন। পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করতে পারে। * পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকায় অ্যাসিডিটি বা অম্বল, পেশি সংকোচন, মানসিক চাপের ফলে তৈরি শারীরিক সমস্যায় উপকারী। * কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় তা অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা সমস্যায় বেশ উপকারী। রোগ প্রতিরোধ * ফাইবার বা আঁশ সমৃদ্ধ হওয়ায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এছাড়া কোলন বা মলাশয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। * কলেরা, রক্তাল্পতা ও যক্ষা প্রতিরোধে সাহায্য করে। * ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে ও গরমের সময় সর্দিগর্মি থেকে রক্ষা করে। * আমের বীজ শুকিয়ে চূর্ণ করে ডায়রিয়া সারাতে ব্যবহার করা হয়। * আমের পাতা ব্যবহার করে বহুমূত্ররোগের প্রকোপ কমানো যায়। * নিফ্রাইটিস বা বৃক্ক প্রদাহ এবং কিডনির সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। * নিঃশ্বাসের সমস্যা, জ্বরের সমস্যা উপশম করে। অন্যান্য উপকারিতা * যথেষ্ট পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। * অ্যালকালাইন জাতীয় খাবার হওয়ায় অ্যাসিডিটি উপশমে ভাল কাজ করে। * অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় অ্যান্টি-ভাইরাস ও অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদান রয়েছে। * ত্বক উজ্জ্বল রাখতে আমের পাল্প বা আঁশ সাহায্য করে। * আম পাতলা করে কেটে ত্বকের ওপর কিছুক্ষণ রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। রোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা কমে যাবে। * কাঁচা আম শুকিয়ে তৈরি করা আমচূর গুঁড়া স্কার্ভি সারানোয় কার্যকর। যথেষ্ট পরিমাণে টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল না খাওয়ার ফলে সৃষ্ট রক্তঘটিত রোগই হচ্ছে স্কার্ভি। * কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। এমনকি পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিন সি বেশি পরিমাণে থাকে। ★আরেকটি মজার তথ্য জানিয়ে দেই, বিশ্বের সবচেয়ে বড় আমটির ওজন ছিল- ৩.৪৩৫ কেজি,দৈর্ঘ্য-৩০.৪৮ সেন্টিমিটার,পরিধি-৪৯.৫৩ সেন্টিমিটার, প্রস্থ-১৭.৭৮ সেন্টিমিটার। ২০১৯ সালের ফিলিপাইনের সার্জিও ও মারিয়া সিকারো বোডিওনগানের বাগানে আমটি হয়েছিল।★

@alma45

কাঁচা কাঁঠাল কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল এবং পুষ্টিগুণের রাজাও বটে। পাকা কাঁঠালের সুঘ্রাণ আর স্বাদের কথা তো সবারই জানা। তবে কচি বা কাঁচা কাঁঠালও কিন্তু স্বাদে আর পুষ্টিগুণে কম না। এটি তরকারি হিসেবে খাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁঠাল স্বাস্থ্যকর খাবার। ✅পুষ্টিমান প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁঠালে খাদ্য-আঁশ থাকে দুই গ্রাম, শর্করা ২৪ গ্রাম, চর্বি দশমিক ৩ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩৪ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেশিয়াম ৩৭ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ৩০৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ ২৯৭ আইইউ ও ভিটামিন-সি ৬ দশমিক ৭ মিলিগ্রাম। কাঁচা কাঁঠাল রোগব্যাধি উপশমে যেমন কার্যকর, অন্যদিকে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে দেয় অনেক গুণ। কাঁঠালের বিচিতেও আছে শর্করা।এটি খাওয়া যায় তরকারি, হালুয়া বা ভর্তা হিসেবে। তবে এতে থাকে আঁশ, তাই বেশি খেলে হজমে গোলযোগ হতে পারে। যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁদের কাঁঠাল খাওয়ায় খানিকটা বিধিনিষেধ আছে। কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁদের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি, তাদের কাঁঠাল না খাওয়াই ভালো। ✅আসুন জেনে নেই কাঁঠালের কিছু পুষ্টিগুণের কথা: ✅কাঁঠালে যেসব ভিটামিন থাকে, তাতে একে বহুগুণসম্পন্ন বলা চলে। কাঁঠালে থাকা ভিটামিন এ-র কল্যাণে মাথার চুল ভালো থাকে, দৃষ্টিশক্তি বাড়ে ও চোখের সমস্যা কমে। এতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, অ্যাজমা, কাশি, সর্দি ও ক্যানসারের মতো রোগ দূর করে। এর ভিটামিন বি৬ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায়। ✅কাঁঠালের বিচি ফেলনা নয়। এটি চাইলে খেতে পারবেন হালকা নাশতায়, সালাদ, তরকারি, হালুয়া বা ভর্তা হিসেবে। এতে যে প্রোটিন আছে, তা মাংসপেশি গঠনে ভূমিকা রাখে। ✅ কাঁঠালকে বলা চলে শূন্য কোলস্টেরলের ফল, যা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। যেকোনো বয়সের মানুষ এটা খেতে পারেন। এটি শক্তির ভালো উৎস। এতে আছে ভালো শর্করা। ✅পেটের নানা রকম পীড়া থেকে মুক্তি দিতে পারে কাঁঠাল। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং অন্ত্রের নড়াচড়া বাড়াতে সাহায্য করে এটি। এতে যে আঁশ থাকে, তা কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে। পেটের অম্লতা ও আলসার ঠেকাতেও কাঁঠাল খেতে পারেন। ✅কাঁঠালে চর্বির পরিমাণ খুব কম থাকায় বেশি খেলেও ওজন বাড়ার শঙ্কা নেই। ✅এটি মুখে বলিরেখা পড়তে বাধা দেয়। এটি ত্বকের জন্য ভালো। এর মধ্যকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ সৃষ্টিকারী মুক্ত উপাদানের (ফ্রি র্যাডিক্যালস) বিরুদ্ধে লড়াই করে। প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকায় হাড়ের ক্ষয় ঠেকাতে পারে কাঁঠাল।

@alma45

মিষ্টি মিষ্টি -চিনি, দুধ,ছানা ও আটার/ময়দার সমন্বয়ে তৈরি জনপ্রিয় পুষ্টিকর খাবার। আমাদের দেশের সুপরিচিত কয়েক প্রকারের মিষ্টিঃ •রসগোল্লা •রাজভোগ •কালোজাম •চমচম •রসমালাই •প্রাণহরা •সন্দেশ •ছানামুখী •মণ্ডা •বুরিদান •মতিচুর লাড্ডু •আমিট্টি বা আমৃতি •মালাইকারী •কাঁচাগোল্লা ∆মিষ্টির পুষ্টি উপাদানঃ মিষ্টি তৈরিতে দুধ, ছানা ব্যবহৃত হয় ফলে এতে প্রোটিন,ফ্যাট, বিভিন্ন ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। প্রচুর পরিমাণে চিনি/চিনির সিরা ব্যবহৃত হয়, তাই এর ক্যালরীর বেশি অংশ আসে শর্করা হতে। ∆মিষ্টির উপকারিতাঃ সবসময়ই আমাদের ধারণা, যারা বেশি মিষ্টি খায় তাদের টাইপ-টু ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। কিন্তু এসব স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য শর্করাই যে দায়ী - তা হয়তো না-ও হতে পারে। 'ঠিক কিভাবে আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এই শর্করা' - তা বের করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখছেন, বিশেষ করে শর্করা উচ্চমাত্রার ক্যালরি সমৃদ্ধ খাদ্যের সাথে খাওয়া না হলে ক্ষতিকর নয়। •মিষ্টি তৈরিতে দুধ/ছানা ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তাই, মিষ্টি আমাদের দাঁত ও হাড়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। •১০০ গ্রাম রসগোল্লা মিষ্টি তে প্রায় ১৮৬ ক্যালরী থাকে যার প্রায় ১৫৩ ক্যালরী ই আসে শর্করা হতে , যা তাৎক্ষণিকভাবে শক্তি সরবরাহ করে। • মিষ্টি খাবার খেলে শরীরে সেরিটোনিন নামের হরমোন ক্ষরিত হয়। এই হরমোন নিউরোট্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করে। ফলে, মিষ্টি খাবার খেলে আমাদের মধ্যে সুখ ও আনন্দের অনুভূতি তৈরি হয়। এই অনুভূতি শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি। •খাদ্য গ্রহণের পরে সেই খাদ্য হজম করার জন্যে আমাদের পাকস্থলীতে অ্যাসিড ক্ষরণ শুরু হয়। ঝাল বা তেলমশলাযুক্ত খাবার খেলে অ্যাসিড ক্ষরণের পরিমাণ বাড়ে। অতিরিক্ত এসিড ক্ষরণের ফলে পরিপাক ক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে এমনকি পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন অসুখ দেখা দিতে পারে। মিষ্টিজাতীয় খাবার এই অ্যাসিড ক্ষরণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এর ফলে পরিপাকক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে পারে। •এছাড়া বেশি পরিমাণে তেলে ভাজা বা মিল খাওয়ার পর শরীরের রক্তচাপ অনেকাংশেই কমে যায়। এই অবস্থায় মিষ্টি জাতীয় খাবার রক্তচাপকে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। এবং আমাদের স্বস্তি এনে দেয়। •কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, বয়স্ক মানুষদের ক্ষেত্রে শর্করা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং দুরুহ কাজ করার ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। •ডার্ক চকোলেটের মতো বেশ কিছু ডেজার্টে থাকে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং কোকো। যা স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমায়।, সকালে নাস্তায় মিষ্টি খেলে সারাদিন কম খাদ্য গ্রহণ ও শর্করা ক্রেভিং কমে,ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে, মিষ্টি দারুণ ভূমিকা পালন করে। ∆মিষ্টির অপকারিতাঃ •দুধ/ছানা ছাড়া শুধুমাত্র চিনি/গুড়ের তৈরি মিষ্টি শর্করা সমৃদ্ধ এবং সম্পূর্ণ ক্যালরী শর্করা হতে আসে এই প্রকারের মিষ্টি স্বাস্থ্যকর নয়। •অতিরিক্ত পরিমাণে মিষ্টি খাওয়া কখনোই শরীরের পক্ষে ভাল নয়। অতিরিক্ত পরিমাণে মিষ্টি খাওয়ার ফলে শরীরে বাড়তি মেদ জমে যা ভবিষ্যতে নানা রোগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় যে কোন খাবার শরীরে ফ্যাটের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে অনেকটাই। •একাধিক গবেষণার ফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কোন এক দিনের খাবারে যদি ১৫০ গ্রামের বেশি ফ্রুকটোজ থাকে, তাহলে তা উচ্চ রক্তচাপ বা কোলেস্টেরলের মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। • শুধু সুগারের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয় এটা বলা যায় না।গবেষকরা বলছেন যে উচ্চ ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবারের সাথে উচ্চমাত্রায় শর্করাসমৃদ্ধ খাবার খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। •উচ্চ মাত্রার ফ্রুকটোজ সমৃদ্ধ কর্ন সিরাপ বা বাড়তি চিনিওয়ালা পানীয়, জুস ড্রিংক, মধূ, বা সাদা চিনি এগেুলো হৃদযন্ত্রের সমস্যা তৈরি করতে পারে, কারণ তা ধমনীর ভেতর ট্রাইগ্লিসারাইডজাতীয় চর্বি জমাতে ভুমিকা রাখে। •মিষ্টি তৈরির সময় অতিরিক্ত চিনি যোগ করা হয়। বিভিন্ন জরিপে এই বাড়তি যোগ করা চিনিসমৃদ্ধ খাবার বা পানীয়ের সাথে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবার সম্পর্ক দেখা গেছে। •আমরা স্বাস্থ্যকর ফল - যাতে শর্করা আছে - তার সাথে কোমল পানীয়কে গুলিয়ে ফেলছি, যাতে বাড়তি শর্করা ছাড়া কোন পুষ্টিকর উপাদান নেই। কিছু জরিপে বলা হয়, যারা বেশি বেশি কোমল পানীয় বা ফলের রস খান তাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল, মস্তিষ্কের গড় আয়তনও কম। •কিছু মিষ্টি তৈরিতে কৃত্রিম রং ব্যবহৃত হয় যা ক্যান্সার এর ঝুঁকি বাড়ায়। ∆ গ্রহনের পরিমাণঃ The National Academy of Sciences, মস্তিষ্কের কার্যকলাপ ঠিক রাখতে দৈনিক ১৩০ গ্রাম (৫২০ ক্যালোরি) শর্করা গ্রহণের পরামর্শ দেয়। যা মস্তিষ্কের দৈনন্দিন গ্লুকোজ তৈরি করার জন্য ন্যূনতম পরিমাণ শর্করা। প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় মোট ক্যালরির ৪৫ থেকে ৬৫ শতাংশ শর্করা থেকে গ্রহণ করা উচিত। অনেক পুষ্টিবিদদের মতে মোট ক্যালরির শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগ কার্বোহাইড্রেট হতে গ্রহণ করা জরুরি। তবে কোনোভাবেই শতকরা ৭০ ভাগের বেশি ক্যালোরি কার্বোহাইড্রেট হতে গ্রহণ করা যাবে না। তবে কার্বোহাইড্রেট এর কিছু অংশ মিষ্টি থেকে এবং কিছু অংশ প্রাকৃতিক উৎস যেমন শর্করা সমৃদ্ধ ফল হতে গ্রহন করা ভাল। খাদ্য বিশেষজ্ঞ রেনি ম্যাকগ্রেগর বলছেন, আমাদের প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই সুষম খাবারের সংজ্ঞা ভিন্ন ভিন্ন। তাই ব্যক্তিবিশেষ মিষ্টিজাতীয় খাবার বা কার্বোহাইড্রেট এর চাহিদা ও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। দেখা গেছে, যারা এ্যাথলেট বা ক্রীড়াবিদ - তারা বেশি শর্করা খেলেও শারীরিক পরিশ্রম বেশি করছেন বলে তা হজম হয়ে যাচ্ছে - কোন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে না। খাদ্যতালিকা থেকে চিনিকে বাদ দিয়ে দেয়াটা বরং হিতে বিপরীত হতে পারে। এমন হতে পারে চিনি বাদ দিয়ে হয়তো অতিরিক্ত ক্যালরিসমৃদ্ধ কোন খাদ্য বেশি খেতে শুরু করলেন, তাতে ক্ষতিই বেশি। দৈনিক চাহিদা অনুযায়ী পরিমানমত চিনি/ মিষ্টি জাতীয় খাবার খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। পরামর্শ ***উচ্চরক্তচাপ ,ডায়বেটিস ও হৃদরোগীদের মিষ্টি পরিহার করা উচিত। তবে ,রক্তচাপ কমে গেলে ও ডায়বেটিস রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অনেকসময় কমে যায় ,এই অবস্থায় পরিমিত পরিমাণে মিষ্টি খেতে পারবে। ***শারীরিক/কায়িক পরিশ্রমী লোকদের জন্য শক্তির ভালো উৎস মিষ্টি। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের অধিক পরিশ্রমী পেশাজীবীদের চাহিদা পূরণে মিষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে ।

@alma45

ঢেঁকি শাক সস্তা জিনিসের কদরটা আমরা অনেকেই করতে পারি না।কথায় আছে সস্তার দূরাবস্থা। কিন্তু সস্তা জিনিস গুলোই কতটা উপকারী ও পুষ্টি গুন সম্পূর্ণ তা অনেকেরই অজানা। #তাই_আজকে_আমরা_জানবো_এমনি_এক_সস্তা_খাবারের_পুষ্টি_গুন_সম্পর্কে - আমরা জানি সবুজ শাক আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী। আমাদের দেশে বিভিন্ন রকমের শাক পাওয়া যায়। এর মধ্যে ঢেঁকি শাক হলো অন্যতম । এটি খুব সাধারণ ফার্ন যা ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আমেরিকায়, নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে একটি সাধারণ ফার্ন। এটা স্যাঁতসেঁতে ছায়াময় এলাকাসমূহ উপযোগী এবং অরণ্য তে দেখা মেলে। শহর অঞ্চলে এই শাক খুব একটা দেখতে পাওয়া না গেলেও আমাদের গ্রামাঞ্চলে এই শাক দেখতে পাওয়া যায়।গ্রামের পতিত জমি, পুকুর পাড় জমির আইলে কোন না কোন প্রকার শাক পাওয়া যায়, মানুষ এদের পরিবর্তন ঘটাবার কোন আয়োজন করেনি কখনো। সার বা পানি দিয়েও যত্নে পালন হয় না, ফলে প্রাকৃতিক নির্বাচন ছাড়া অনেকটাই অবিকৃত থেকে গেছে এদের অবয়ব, এদের স্বাদ ও গন্ধ। চাইলে তাই আজও চেনা জানা এসব শাক সংগ্রহ করে পাওয়া সম্ভব সেই স্বাদ সেই গন্ধ। উত্তর বঙ্গের মানুষের একটি প্রিয় খাদ্য/ভিটামিন ও আয়রন যুক্ত সবজী ঢেঁকি শাক। সারা বছর চুপসে থাকলেও বর্ষার মৌসুমে বেশ তরতাজা হয়ে উঠে ঢেঁকিশাক। অনেকে একে ঢেঁকিয়া শাক বা বউ শাক নামেও ডেকে থাকেন। খেতে অনেক সুস্বাদু এই শাকটি কিন্তু অনেক পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এটি নানাভাবে আমাদের ভীষণ উপকার করে থাকে।তবে সময়ের পরিবর্তন কালে ঢেঁকি শাক প্রায় বিলিন হতে চলেছে। ✅পুষ্টিগুণঃ শর্করা ৫.৪ গ্রাম,আশ ১.৪৭ গ্রাম, ফ্যাট ০.৪ গ্রাম, প্রোটিন ৪.৫৫ গ্রাম, পানি ৯২.২২ গ্রাম, আঁশ ২.৮ গ্রাম, ভিটামিন বি-১ ২০ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি-২ ১৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি-৩ ৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি-৬ ২২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ২৬.৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ ১৮ মিলিগ্রাম, বিটাক্যারোটিন ২০৪০ মাইক্রোগ্রাম, আলফা ক্যারোটিন ২৬১ মাইক্রোগ্রাম, সোডিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৩৭০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩২ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৪২ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ১৮ মিলিগ্রাম, আয়রন ১২ মিলিগ্রাম, জিংক ৫ মিলিগ্রাম, সেলেনিয়াম ৭০ মাইক্রোগ্রাম, তামা ৩২ মিলিগ্রাম, ম্যাঙ্গানিজ ৪১ মিলিগ্রাম সহ থায়ামিন, রিবোফ্ল্যাভিন, নিয়াসিনের মত উপকারী সব উপাদান। ✅উপকারীতা ১। ঢেঁকি শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি থাকে । ভিটামিন সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ফলে এই শাক খেলে দাঁতের ক্ষত বা ক্যাভিটি দূর হয়।ভিটামিন এ আমাদের চোখের দৃষ্টি বাড়াতে সাহায্য করে। একই সাথে এটি আমাদের ত্বক ভালো রাখতে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । ২। ঢেঁকি শাক পটাসিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি আমাদের উচ্চ কিংবা নিন্ম রক্তচাপ কমায়। এছাড়াও এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকায় ঢেঁকি শাক অস্টিওপোরেসিস এবং অন্যান্য ক্যালসিয়ামের অভাব জনিত রোগের ঝুঁকি কমায়। ৩। ঢেঁকি শাক আমাদের ফুসফুসের ক্যান্সার, ত্বকের ক্যান্সার ও গর্ভ ক্যান্সার(womb cancer) প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।আমাদের রক্তনালীর সংকোচন প্রসারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে। ৪। ঢেঁকি শাকে থাকা বেশ কিছু উপকারী উপাদান আমাদের শ্বাসতন্ত্রকে সতেজ রাখে। একই সাথে এটি আমাদের পুরনো কাঁশি সারিয়ে তোলে। এই শাক আমাদের কাঁটা ছেড়া কিংবা ঘা-ক্ষত সাড়িয়ে তোলে।‌ ৫। ঢেঁকি শাকে উচ্চমাত্রায় ফসফরাস থাকায় এটি ‘রিকেট’ সারাতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এতে থাকা বিভিন্ন ভিটামিন আমাদের ক্ষুধামন্দা দূর করে। ডায়বেটিক রোগীর জন্য ঢেঁকি শাক খুবই ভালো খাবার। ৬। ঢেঁকি শাক আমাদের বিভিন্ন রকমের ব্যাথা, লিভার ইনফেকশন এবং ছোঁয়াচে ঠাণ্ডা-কাঁশি থেকে রক্ষা করে।

@alma45

অমর্ত্য সেনের স্কুলজীবনের অংক বই অমর্ত্য সেনের স্কুলজীবনের অংক বই ছোটবেলায় প্রাচীন গণিতশাস্ত্রের বই সমাধান করতেন অমর্ত্য সেন। অর্থনীতিতে অন্যতম বিষয়ই হল অঙ্ক। ১১৫০ সালে লেখা বৈদিক যুগের গণিতজ্ঞ এবং মহাকাশবিজ্ঞানী ভাস্করাচার্যের লেখা 'লীলাবতী' নামক বইটি থেকে অঙ্কের সমাধান সূত্র বের করতেন নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন।

@alma45

আমেরিকার নির্বাচন আমেরিকার নির্বাচন, ইলুমিনাতির ক্ষমতা এবং বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ভবিষ্যৎবাণী করার ক্ষমতা ------------------------------------------------ ইলুমিনাতি নামের একটা শক্তিশালী সংগঠন আছে বিশ্বজুড়ে । বিশ্বের সকল বড় বড় রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক , সেলিব্রেটি, বিজ্ঞানী--সবাই এদের দলে। আড়াল থেকে এরাই বিশ্বকে কন্ট্রোল করে। দুরুম দুরুম করে এরাই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করে দেয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হবে, সেটা অনেক আগেই ইলুমিনাতিদের কার্টুনে ছাপা হয়েছিল । ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি বাদশাহ এর সাথে সমঝোতা চুক্তি করবে, সেটাও ইলুমিনাতিরা আগেই বলে গিয়েছিল। সিম্পসন কার্টুনের পাতায় ছাপা হয়েছিল সেই ছবি। যেহেতু ,পুরা বিশ্ব ইলুমিনাতিদের কন্ট্রোলেই চলে, তাই তারা যা চায়, তাইই করতে পারে। তারা যা ঘোষনা দেয়, সেটাই বাস্তবায়ন করতে পারে। ফ্রেঞ্চ রেভোলুশন, আব্রহাম লিংকনের মৃত্যু সহ বিশ্বকে নাড়া দেওয়ার মত অনেক ঘটনার পিছনেই রয়েছে ইলুমিনাতি। আজ ৩রা নভেম্বর, আমেরিকার ইলেকশন হচ্ছে। বলুন তো, কে জিতবে ? ইলুমিনাতি কাকে এবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবে? বাংলাদেশে এখন রাত ১০ টা । আমেরিকায় সকাল ১১ টা। আর ১২ ঘন্টা পরেই জানা যাবে , কে হবে প্রেসিডেন্ট। তার আগেই ভবিষ্যতবাণী করুন, কে হবে প্রেসিডেন্ট। রেজাল্ট বের হওয়ার পরে, 'আমি আগেই বলেছিলাম' কিংবা 'অমুক বইতে লেখা ছিল' এমন কথা গ্রহনযোগ্য নয়। যা বলার, এখনই বলুন । ২. বিজ্ঞান বনাম অপবিজ্ঞান ( কিংবা থিওরি বনাম কন্সপাইরেসি থিওরি) কে পার্থক্য করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল -প্রেডিকশন। ভবিষ্যতবাণী করার ক্ষমতা । বিজ্ঞান প্রচুর ভবিষ্যৎবাণী করে, এবং সেগুলার একুরেসিও ভাল । অপবিজ্ঞান ভবিষ্যৎবাণী করতে চায়না খুব একটা। কখনো করলেও সেগুলার একুরেসি খুব কম । জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্রচুর ভবিষ্যৎবাণী করে,যে আগামী অমুক তারিখে পূর্নিমা হবে, অমাবশ্যা হবে , সূর্যগ্রহন হবে, চন্দ্রগ্রহন হবে, উল্কা বৃষ্টি হবে, ধূমকেতু দেখা যাবে, গ্রহানু আসবে পৃথিবীর কাছে ইত্যাদি ইত্যাদি। এদের সব ভবিষ্যৎবাণী ই মিলে যায় ,মিনিট সেকেন্ড ধরে। অন্যদিকে জ্যোতিষী (অপবিজ্ঞান) রা কি বলে? তারা গ্রহ নক্ষত্র হিসাব করে। রাশিফল হিসাব করে বলে, আজ আপনার অর্থযোগ শুভ। দূরের যাত্রা অশুভ ইত্যাদি ইত্যাদি । লক্ষ্য করুন, এদের প্রেডিকশন কিন্তু নির্দিষ্ট নয়। 'আজ সকাল ১১টা ২৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে আপনি মীরপুর ১০ নাম্বারের রাস্তায় বিহংগ পরিবহনের গাড়িতে দুর্ঘটনায় পড়বেন''--এমন সুনির্দিষ্ট কথা কিন্ত তারা বলে না। যতটুকু বলে, ( যেমন- দূরের যাত্রা অশুভ ) সেটারও বিভিন্ন মিনিং থাকতে পারে, এবং সেটাও মেলে বেশ কম। অন্যদিকে, বিজ্ঞান যেটা প্রেডিক্ট করে * যেমন- আজ সকাল ১১ টা ২৭ মিনিটে সূর্যগ্রহন শুরু হবে, শেষ হবে বিকাল ৩ টা ৪১ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে --সেগুলা একেবারে মিনিটে সেকেন্ডে মিলে যায় । বিজ্ঞান কাজ করে অতীত ডাটা নিয়ে, ম্যাথমেটিকাল ইকুয়েশন নিয়ে। একটা গাড়ি ৬০ কিলোমিটার পার আওয়ার স্পিড নিয়ে জার্নি শুরু করলে ১০ মিনিট পরে সেটা কোথায় থাকবে, আপনি ইজিলি অংক করে বের করতে পারবেন ( S=ut+0.5at2 সূত্র) । টেকনাফ থেকে জার্নি শুরু করলে সে কবে তেতুলিয়ায় যাবে, সেটাও বের করতে পারবেন। আকাশের গ্রহ উপগ্রহ গ্রহানু ধূমকেতুরা কবে কখন পৃথিবীকে আঘাত করবে ,সেটাও নিশ্চয়ই বের করতে পারবেন । যেসব ঘটনা অনেক নতুন, পর্যাপ্ত ডাটা অনেক কম, সেখানে সূত্র বানাতে একটু সময় লাগে। করোনা মহামারীর সময় কত মানুষ মারা যাবে, সেই প্রেডিকশন একারনে খুব বেশি একুরেট হয়নি। তারপরেও ,অনেক অভিজ্ঞ ডাক্তারের প্রেডিকশন একুরেসির অনেক কাছে গিয়েছে। যেমন-আমেরিকার ট্রাম্পের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ডাক্তার এন্টনিও ফাউচি বলেছিলেন, আমেরিকায় ২ লাখ মারা যাবে করোনায়, অলরেডি মারা গেছে ২ লাখ ৩৭ হাজার। আবহাওয়ার পূর্বাভাসের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। বিবিসির হাতে গত ২০০ বছরের ডাটা আছে। আধুনিক মেশিনপত্র দিয়ে তারা উপগ্রহের ছবি তুলতে পারে। বেশি বেশি ডাটা কালেক্ট করতে পারে। ফলে তাদের প্রেডিকশন বেশি একুরেট হয়। বিবিসি প্রেডিক্ট করে, এ্যাশেজের ক্রিকেটে ম্যাচে দুপুর ১ টা থেকে ১ টা ৪০ পর্যন্ত বৃষ্টি হবে, তারপরে আর হবেনা । দেখা যায়, তাদের প্রেডিকশন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়। অন্যদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর বা স্পার্সোর হাতে ডাটা কম। এ কারনে তাদের প্রেডিকশন একটু খারাপ হয়। Mars Weather নামে একটা ফেসবুক পেজ আছে। ওরা খুবই একুরেট ওয়েদার প্রেডিকশন দেয়। ওরা জানায়, আজ বিকাল ৫ টা ১৫ মিনিট থেকে ৬ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় বৃষ্টি হবে। দেখা যায়, সত্যি সত্যিই সেই সময় বৃষ্টি হচ্ছে। পোলাপান ধুমায়া লাইক কমেন্ট থ্যাংক ইউ শুভেচ্ছা জানায়। কিন্তু ,কাহিনী হচ্ছে, ওরা এই প্রেডিকশন ফেসবুকে পোস্ট করে ৫ টা ২০ মিনিটে। মানে , বাইরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে দেখে এডমিন তাড়াতাড়ি পেজে পোস্ট দিয়ে দেয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও এইরকম। দল যখন খুব ভাল খেলে, জিতে যায়, তখন বলে, ''আমিই বলেছিলাম। আমিই মেহেদি মিরাজকে দলে ঢুকিয়েছি। আমিই একজন ব্যাটসম্যান কে বাড়তি খেলিয়েছি। আমিই টস জিতে ব্যাট করতে বলেছি। আমি আগেই জানতাম এই করলে এইই হবে। আমি আগেই জানতাম আজ ওরা জিতবে' ইত্যাদি ইত্যাদি। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এত কিছু জানায় সে ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরে। আগে কিছুই বলেনা। ৩. অনেকে অনেক প্রাচীণ গ্রন্থ দেখিয়ে বলে, এই গ্রন্থে আগেই ভবিষ্যৎবাণী করা ছিল যে এমুনটাই ঘটবে। গ্রন্থের কথা অলংঘনীয়। এখানে যা লেখা আছে, সেটা অক্ষরে অক্ষরে মিলবেই। এই 'গ্রন্থবাদী' দের ক্ষেত্রেও একই কথা । ঘটনা ঘটার আগেই কেউ প্রেডিকশন করতে পারেন। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরে জানায়, অমুক বইয়ের চিপায় অমুক কথা লেখা ছিল। আমি আগেই বলেছিলাম !!!! নস্ট্রাডামুস (১৫০৩-১৫৬৬) বোধ হয় এই লাইনে সবচেয়ে পপুলার। ফ্রান্সের এই লোক ছিলেন একইসাথে ওষুধ প্রস্তুতকারক , ওষুধ বিক্রেতা এবং গণক/ ভবিষ্যতবক্তা। Les Propheties নামের একটা বই তিনি লিখেছিলেন। তার শিষ্যরা দাবি করেন, এই বইয়ের প্রেডিকশনগুলা অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়। তার বইয়ে একটি কবিতা আছে--- "পঞ্চ এবং চল্লিশ ডিগ্রি আকাশ পুড়বে, নতুন শহরের বড় আকারের অগ্নি অগ্রসর হয়: এক মুহূর্তে একটি বড় আকারের শিখা ঝপিয়ে ছড়িয়ে পড়বে, যখন নর্মান দ্বারা প্রমাণ রাখতে চাইবে।" নস্ট্রাডামুসের শিষ্যরা দাবি করেন , এখানে নস্ট্রাডামুস নাইন ইলেভেনের টুইন টাওয়ার হামলার কথা বুঝাইছে । নিউ ইয়র্ক মানে নতুন শহর। পঞ্চ এবং চল্লিশ ডিগ্রি মানে ৪৫ ডিগ্রি অক্ষাংশ ,বা ৪০.৫ ডিগ্রি অক্ষাংশ , যা টুইন টাওয়ারের অবস্থানের কাছাকাছি। এই কবিতাকে অন্যভাবেও ব্যাখ্যা করা যায়। নতুন শহর দিয়ে নিউ জার্সি, নিউ হ্যাম্পশায়ার,নিউজিল্যান্ড যে কোনো কিছুই বোঝানো যায়। ৪৫ ডিগ্রি অক্ষাংশে ফ্রান্স ,জার্মানি,রাশিয়া সহ যে কোন উত্তর গোলার্ধের শহরকেই বলা যায় 📷 নস্ট্রাডামুসের আরেকটি কবিতা শোনায়। ক্ষুধার সঙ্গে ভয়ঙ্কর পশুগুলো নদী অতিক্রম করবে, বেশীরভাগ সেনাবাহিনী হবে নিম্নতর দানিয়ুবের বিরুদ্ধে। বড়দের একটি লোহার খাঁচায় করে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে, যখন কোনও জার্মানি শিশুরা দেখবে না। এই প্রেডিকশন থেকে কি বুঝলেন ? মধ্যযুগে ইউরোপে প্রচুর যুদ্ধ হত, সেগুলার কথাই বুঝাইছেন তিনি? না , নস্ট্রাডামুসের শিষ্যরা মনে করেন, এখানে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ এবং হিটলারের কথাই বুঝানো হয়েছে। চাইলে আপনি এটাকে অনায়াসে আইউব খান এবং ১৯৭১ এর পাকিস্তানি আর্মির কথাও বলতে পারেন। কথা হচ্ছে, ঘটনা ঘটার আগে নস্ট্রাডামুসের বই কিছু বলতে পারল না কেন ? ২০২০ সালে করোনা মহামারি হবে, এ বিষয়ে তার বই নীরব কেন ? নাকি, করোনার ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হওয়ার পরে চিল্লায়ে উঠবে, ''আমিই বলেছিলাম। নস্ট্রাডামুসের লা প্রফেসি বইয়ের এত নাম্বার পৃষ্ঠায় লেখা আছে, অমুক দেশের অমুক বিজ্ঞানী এই এই ফর্মূলায় ওষুধ বানাবে'' ৪. ইলুমিনাতি নামে একটা সংগঠন ছিল জার্মানিতে । ১৭৭৬-১৮০০ পর্যন্ত কার্যকলাপ ছিল। এরপর বন্ধ হয়ে যায়। তাদের বেশ কিছু কাজ প্রচলিত ধর্মমতের বিরুদ্ধে যায়। এজন্য চার্চ তাদেরকে বিদ্রোহী/শয়তানের উপাসক ইত্যাদি বলত। কিন্তু তাদের নিজেদের কার্যকলাপে জ্ঞান চর্চা ছাড়া আর কোনো ধরনের আলামত পাওয়া যায়না। একই ধরনের সংগঠন ছিল কোলকাতায় ,ইয়ং বেংগল মুভমেন্ট ( ১৮২০-১৮৬০) কিংবা ঢাকায় শিখা গোষ্ঠী (১৯২০-১৯৩০) যারা প্রচলিত ধর্মমতের কথা না শুনে জ্ঞানচর্চায় বেশি মনোযোগী হয়েছিল। ২০০০ সালে এঞ্জেলস এন্ড ডেমন্স নামে একটি থ্রিলার বই প্রকাশিত হয়। বইয়ের মধ্যে কাহিনীর প্রয়োজনে লেখকরা অনেক কিছুই ঢুকান। এলিয়েন, ইউ এফ ও, মারমেইড, ভ্যাম্পায়ার--বহুত কিছুই গল্পে পাওয়া যায়। কিন্তু এই বইয়ের লেখক, ড্যান ব্রাউন, তার গল্পের প্রয়োজনে দেখিয়েছেন, ১৭৭৬ সালের ইলুমিনাতি এখনো শেষ হয়নি। তাদের বংশধরেরা এখনো বেচে আছে। তারা বিশ্বের চিপায় চিপায় গুরুত্বপূর্ন জায়গায় বসে আছে। স্ট্রাটেজিকালি পৃথিবীকে কন্ট্রোল করতেছে তারা। ইলুমিনাতির এই গল্পটা বেশ জনপ্রিয়তা পেল। ইলুমিনাতি নিয়ে সিনেমা হল, গেম হল। অনেকেই বিশ্বাস করলেই এই সংগঠনের কথা। কিছু পোলাপান ইলুমিনাতি অফিসিয়াল নামে নামে একটা ওয়েবসাইট ও খুলে ফেলল । ব্লু হোয়েল গেমসের মতই একটা বিশ্বব্যাপী গুজব ছড়িয়ে পড়ল। মজার ব্যাপার হচ্ছে, বাংলাদেশে প্রচুর শিক্ষিত সচেতন মানুষ ও ইলুমিনাতির অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন। ফেসবুকে পরিচালিত একটি জরিপে দেখা যাচ্ছে, ৩% মানুষ বিশ্বাস করেন, ড্রাকুলার অস্তিত্ব আছে। আর ২৭% বিশ্বাস করেন, ইলুমিনাতির অস্তিত্ব আছে। ১৮৯৬ সালে ব্রাম স্টোকার নামের এক লেখক 'কাউন্ট ড্রাকুলা' নামের এক বই লেখেন। এই বইতে তিনি নতুন প্রজাতির এক ভূতের বর্ননা দেন, যারা রক্ত খায়, বাদুড়ের মত উড়ে বেরায়, দিনে ঘুমায় রাতে জাগে , কফিনের মধ্যে শুয়ে থাকতে পছন্দ করে । এই বই লেখার পরে প্রচুর মানুষ দ্রাকুলা/ভ্যাম্পায়ারে বিশ্বাস করা শুরু করল। ২০০০ সালে এঞ্জেলস এন্ড ডেমন্স বই লেখার পরে ইলুমিনাতি বিশ্বাসী ভক্তদের পাওয়া গেল। এর আগে এরা কেউ কোথাও ছিলনা। বই এবং সিনেমা থেকে সবাই শিক্ষা লাভ করেছে। এরপরে আরো শত শত বই লেখা হয়েছে এই ইলুমিনাতি বিষয়টা নিয়ে। যদিও একাডেমিকরা বারবার খুজেও এদের সাম্প্রতিক কোনো কর্মকান্ডের কোনো প্রমাণ খুজে পাননি। ইয়ং বেংগলরা যেমন ১৮৬০ এর পরে নাই হয়ে গিয়েছিল, শিখা গোষ্ঠী যেমন ১৯৩০ এর পরে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল, ইলুমিনাতিও ১৮০০ এর পরে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। তো, আপনি কোন দলে ? ২০২০ সালে ইলুমিনাতির অস্তিত্ব আছে নাকি নাই ? কি মনে করেন আপনি ? ২৭% ইলুমিনাতি বিশ্বাসীদের কাছে আহবান করছি, আপনারা প্রমাণ দেখান প্লিজ। ট্রাম্প নাকি বাইডেন , কে জিতবে , মানে ইলুমিনাতিরা কাকে জিতাবে , আগে আগে বলে দিন । --------------------

@alma45

জেপটোসেকেন্ড এক সেকেন্ডকে এক বিলিয়ন ভাগ করলে তার একভাগের এক ট্রিলিয়নাংশকে বলা হয় জেপটোসেকেন্ড। দশমিকের পর বিশটা ০ আর একটা ১ সময়ের এই জেপটোসেকেন্ড হলো ক্ষুদ্রতম ইউনিট । জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের গ্যেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদরা হিসেব কষে বার করেছেন জেপটোসেকেন্ডকে। দেখা যাচ্ছে, একটি ফোটনের হাইড্রোজেন পরমাণুকে টপকে যেতে লাগছে মোটামুটি ২৪৭ জেপটোসেকেন্ড। এক্স রে ব্যবহার করে পেট্রা থ্রি লেসার থেকে ঠিক একটি হাইড্রোজেন কণা নিষ্কাশন করেছেন তাঁরা। এক্স রের শক্তি এমনভাবে ব্যবহৃত হয়, যাতে হাইড্রোজেনের দুটি ইলেকট্রনকেই একটিমাত্র ফোটন বার করে আনতে পারে। অর্থাৎ দুটি ইলেকট্রনকেই ছুঁয়ে যাবে ওই ফোটন। একাধিক ইলেকট্রন এক সঙ্গে ঢেউয়ের মত দুলতে থাকে, ফলে ফোটনের ধাক্কায় একটি ইলেকট্রন যখন বেরিয়ে আসে, তার ধাক্কা দুলিয়ে দেয় অন্য ইলেকট্রনটিকেও। এ জন্য কোল্ড টার্গেট রিকয়েল আয়ন মোমেন্টাম স্পেকট্রোস্কোপি রিঅ্যাকশন মাইক্রোস্কোপ নামে একটি যন্ত্র ব্যবহার করেছেন বৈজ্ঞানিকরা। এই যন্ত্রে অণু পরমাণুর অত্যধিক দ্রুত রিঅ্যাকশনও প্রতি মুহূর্তে রেকর্ড হয়।

@alma45

বেলা ফুরাবার আগে হুমায়ুন আহমেদের নুহাশপল্লীর মতো একটা বাড়ি বানাতে হলে কী পরিমাণ টাকা লাগবে? নিশ্চয়ই অনেক অনেক টাকা, তাই না? আচ্ছা যদি আপনাকে বলা হয় একদিন আপনি সত্যি সত্যিই নুহাশপল্লীর চেয়েও হাজার কোটি গুণ সুন্দর, অপরূপ, অকল্পনীয়, অভাবনীয় প্রাসাদের মালিক হবেন, বিশ্বাস করবেন? ইট আর পাথর দিয়ে নয়, সেই প্রাসাদ হবে মণী-মুক্তোর তৈরি। দৃষ্টিসীমা যতদূর বিস্তৃত হবে, ততদূর আলোকিত হয়ে পড়বে সেই মণি-মুক্তোর ঝলকানিতে। প্রাসাদের নিচে থাকবে ঝরনা।সেই ঝরনার কলকল ধ্বনি আপনি শুনতে পাবেন। সামনে থাকবে অনিন্দ্য সুন্দর ফুলের বাগান। সেই ফুলগুলো আপনি এর আগে আর কখনো দেখেননি। ফুলের গন্ধে ম-ম করবে আপনার চারিপাশ। আপনি চাইলেই সেখানে জোছনা নামবে। বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে দেবে আপনাকে। চাইলেই কোকিলের গান, নদীর কলতান আর অরণ্যের সবুজ-সবকিছুই আপনাকে দিয়ে দেওয়া হবে। অনন্তকালের জন্য আপনি হয়ে যাবেন এই অপূর্ব সুন্দর প্রাসাদের মালিক। সেই প্রাসাদের সামনে দুনিয়ার নুহাশপল্লিকে তখন আপনার নস্যি মনে হবে। চাকচিক্য ঘেরা সেই প্রাসাদ দেখে আপনি এতই বিমোহিত, চমৎকিত আর বিস্ময়ভিভৃত হবেন যে, দুনিয়ার নুহাশপল্লির কথা আপনার মনেই থাকবে না। আপনি এতক্ষণে বুঝে গেছেন আমি কিসের কথা বলছি। পরম আরাধ্য জান্নাত। প্রত্যেক মুমিন মুসলিমের অন্তরে লালিত স্বপ্ন।এ রকম একটি অনিন্দ্য সুন্দর প্রাসাদের স্বপ্ন দেখেছিলেন ফিরাউনের স্ত্রী আসিয়া (আ.)। তিনি আল্লাহর কাছে দুআ করে বলেছিলেন- "হে আমার প্রতিপালক, জান্নাতে আপনার সন্নিকটে আমার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করুন"।[সূরা-তাহরিম,আয়াতঃ১১] কত অপূর্ব সুন্দর এই দুআ! এই দুআতে তিনি বলেননি, 'হে আমার মালিক! ফিরাউনের প্রাসাদে এটা-ওটা আছে, জান্নাতেও আমার জন্য সেগুলোর ব্যবস্থা করে দিন। তিনি কেবল আল্লাহর কাছে থাকতে চেয়েছেন। আল্লাহর কাছে কাছাকাছি থাকতে পারার সৌভাগ্যের চেয়ে বড় আর কিছুই নেই। কিচ্ছু না। জান্নাতে বাড়ি বানাতে হলে কিন্তু লাখ লাখ টাকার দরকার নেই। দৌড়ঝাঁপ দিয়ে জোগাড় করা রাজউকের সার্টিফিকেটও আপনার লাগবে না।নিতে হবে না কোনো মিথ্যার আশ্রয়। কেবল দরকার একটুখানি চেষ্টা। একটু সদিচ্ছা আর একটু আন্তরিকতা। জান্নাতে বাড়ি নির্মাণের কৌশল তো রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন। সেই কৌশল অবলম্বন করে আমিও চাইলেই অনায়েসে জান্নাতের অনিন্দ্য সুন্দর প্রাসাদের মালিক হতে পারি। আমাদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করা হয়েছে। ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব, ইশা। এই ওয়াক্তগুলোতে ফরয সালাতের বাইরে সাধারণত আমরা আরো কিছু সালাত পড়ে থাকি। সেগুলোকে বলা হয় সুন্নাত এবং নফল সালাত। আল্লাহর রাসুল (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১২ রাকাআত সুন্নাত আদায় করবে, আল্লাহ তায়ালা জান্নাতে তার জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করবেন। সেই ১২ রাকাআত সুন্নাতগুলো হলো-ফজর সালাতের পূর্বে দুই রাকাআত, যোহরের আগে চাঁর রাকাআত এবং পরে দুই রাকাআত, মাগরিবের পরে দুই রাকাআত এবং ইশার পরে দুই রাকাআত। আমরা যদি নিয়মিত এবং যত্নের সাথে এই সালাতগুলো আদায় করি, তাহালে জান্নাতে একটি বাড়ি পাওয়ার সুসংবাদ দিচ্ছেন স্বয়ং আল্লাহর রাসুল (স.)। কত সহজ তাই না? লাখ লাখ টাকা লাগছে কী? লাগছে কোনো পরিশ্রম কিংবা নিতে হচ্ছে কোনো অসততার আশ্রয়? আবার ধরুন, কোনো এক বন্ধুর সাথে কথা বলতে বলতে তর্কে জড়িয়ে পড়লেন। কথা কাটাকাটি, বাড়াবাড়ি শুরু হলো। আপনি নিশ্চিতভাবে জানেন যে, আপনি যা বলছেন বা বলতে চাইছেন তা একদম ঠিক ও নির্ভুল। অপরদিকে আপনার বন্ধু যা বলতে চাইছে বা বলছে তা সঠিক নয়। এই মুহূর্তে আপনার করণীয় কী? তর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়া? নাহ। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এভাবে বলেননি। এমন মুহূর্তে তিনি আপনাকে থেমে যেতে বলেছেন। তাই, থেমে যান। চুপ করে থাকুন। তর্ক বেশিদূর গড়ানোর সুযোগ দেবেন না। এতে ফিতনা ছড়ানোর ভয় থাকে এবং ভ্রাতৃত্ব নষ্ট হওয়ারও আশঙ্কা থাকে। এই যে আপনি সঠিক হওয়া সত্ত্বেও চুপ করে গেলেন, এর বিপরীতে আপনার জন্য কী পুরষ্কার অপেক্ষা করছে জানেন? এর বিপরীতে জান্নাতে আপনার জন্য বরাদ্দ হয়েছে একটি অপরূপ সুন্দর বাড়ি। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'আমি সেই ব্যক্তির জন্য জান্নাতের প্রান্তে একটি বাড়ির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যে সঠিক হওয়া সত্ত্বেও তর্কে লিপ্ত হয় না'।[সুনানে আবি দাউদঃ৪৮০২] এ ছাড়াও নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস থেকে আমরা জানতে পারি- যে ব্যক্তি দুনিয়ার বুকে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোনো মসজিদ নির্মাণ করবে, হোক সেটা চড়ুই পাখির বাসার সমান, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তার জন্য জান্নাতে একটি বাড়ি নির্মাণ করবেন। [সুনানু ইবনি মাজাহ,৭৩৮] "বেলা ফুরাবার আগে " বই থেকে।

@alma45

রাগ কন্ট্রোল "রাগ কন্ট্রোল" রিলেটেড খুব মজার একটা টপিক।পড়ে দেখতে পারেন! এক মূহুর্তের রাগ, সারা জীবনের কান্না। আল্লাহ্ ﷻ বলেছেন – “তোমরা রাগকে গিলে ফেলো” (সূরা আলে ইমরান:১৩৪)। রাগ যদি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায় তাহলে রাগের মাথায় আমরা এমন কিছু করে বসতে পারি, বা বলে বসতে পারি যার জন্য আজীবন অনুশোচনা করতে হবে। রাগ-নিয়ন্ত্রণ তাই অতীব গুরুত্বপূর্ন একটি স্কিল। এই লেখায় আমি রাগ-সংক্রান্ত ৪টি হাদিস শেয়ার করব, এই চারটি হাদিস থেকে দেখব কেউ যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাথে রাগিয়ে দেয়ার মতো আচরণ করতেন, তখন তিনি ﷺ কিভাবে তা হ্যান্ডল করতেন। ১) আনাস(রা) ছিলেন ৭-৮ বছরের ছোট্ট একটা ছেলে। আনাস(রা) এর মা, আনাস(রা)কে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে গিফট করেছিলেন তাঁর সেবা করার জন্য। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর বিভিন্ন ছোট-খাটো কাজ করে দিতেন আনাস(রা); যতটা না কাজ করতেন তারচেয়ে বেশী দুষ্টামীই করতেন! একদিন রাসূলুল্লাহ ﷺ আনাসকে (রা) একটা কাজে বাইরে পাঠালেন। যাওয়ার পথে রাস্তার মধ্যে আনাস(রা) কিছু ছেলেকে দেখলেন তারা খেলা করছে। তাদেরকে দেখে কাজের কথা ভুলে ছোট্ট আনাসও (রা) খেলায় মজে গেলেন। খেলার ঘোরে কতক্ষণ কেটে গেছে আনাসেরও আর খেয়াল নাই, এমনি এক সময় আনাস(রা) হঠাৎ ফিল করলেন বিশাল সাইজের কোন এক খেলোয়াড় তাকে পেছন থেকে ঘাড় চেপে ধরেছে! আনাস(রা) মাথা ঘুরিয়ে দেখেন – একি! এ যে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ ﷺ এক মুখ হাসি নিয়ে উপস্থিত! রাসূলুল্লাহ ﷺ আনাস(রা)কে জরুরী কোন কাজেই কিন্তু পাঠিয়েছিলেন। অনেক সময় পার হওয়ার পরেও আনাস(রা) যখন ফিরলেন না, তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জন্য রেগে যাওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু তিনি আনাস(রা) এর উপর তো রাগলেনই না, বরং প্র্যাক্টিকাল জোক করলেন! আমাদের সাথে যখন রেগে যাওয়ার মতো কিছু ঘটে, তখন লক্ষ্য করলে আমরা দেখব ঘটনাটার একটা হিউমেরাস দিকও আছে। আমাদের উচিত হবে ঘটনার রাগের অংশটি উপেক্ষা করে হিউমেরাস অংশটির দিকে মনযোগ দেয়া। টিপস#১: রাগকে হিউমার দিয়ে পরিবর্তন করুন। ২) রাসূলুল্লাহ ﷺ এর স্ত্রীদের মধ্যে আয়েশা(রা) খুব ভালো রান্না করতে পারতেন না। রান্নার জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন সাফিয়াহ(রা) ও উম্মে সালামাহ(রা)। একবার রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন অন্য সাহাবাদের নিয়ে আয়েশার(রা) ঘরে বসে আলাপ করছিলেন, তখন উম্মে সালামাহ(রা) তাঁর রান্না করা খাবার নিয়ে ঘরে প্রবেশ করলেন। এতে আয়েশা (রা) ভীষণ জেলাস ফিল করলেন! ব্যাপারটা অনেকটা এরকম যে – আমার রান্না কি এতই খারাপ যে অন্য ঘর থেকে খাবার আনতে হবে? আয়েশা(রা) রেগে গিয়ে এক বাড়িতে খাবারের প্লেটটাই ভেঙ্গে ফেললেন! ভেবে দেখুন, অতিথির সামনে আপনার স্ত্রী যদি এমন আচরণ করে বসে তো আপনি কি করবেন? একটু হলেও হয়তো “উফ” বলে উঠবেন। অন্তত এটুকু হয়তো বলে উঠবেন – “একি! এটা কি করলে তুমি?” রাসূলুল্লাহ ﷺ সেরকম কিছু বললেন না। ভেঙে যাওয়া প্লেট এর টুকরোগুলো কুড়াতে কুড়াতে বাকী সাহাবাদেরকে বললেন – “তোমরা তোমাদের খাবার খেয়ে নাও”। তারপর তিনি ﷺ বাকী সাহাবাদের সামনে আয়েশা(রা) কে প্রোটেক্ট করার সুরে বললেন “তোমাদের মা জেলাস ফিল করেছেন।” রাসূলুল্লাহ ﷺ এমনভাবে কথাটা বললেন যে – এটাতো কোন ব্যাপারই না, সব মানুষই তো কম-বেশী জেলাস ফিল করে। শুধু তাই না – তিনি সাহাবাদের মনে করিয়ে দিতে চাইলেন আয়েশা(রা) এর মর্যাদা, তাই তিনি আয়েশা(রা) কে নাম ধরে না ডেকে “তোমাদের মা” বলে সম্বোধন করেছেন । টিপস#২: কেউ রেগে গেলে তার প্রতি পাল্টা রাগ না করে তাকে প্রোটেক্ট করুন। ৩) একবার রাসূলুল্লাহ ﷺ দেখলেন এক মহিলা কবরের সামনে বেজায় কান্নাকাটি করছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে বললেন – “আল্লাহকে ﷻ ভয় করো এবং ধৈর্য্য ধরো।” মহিলা রাসূলুল্লাহ ﷺ কে চিনতে না পেরে রেগে-মেগে বলে উঠলো – “যান এখান থেকে! আমার মত বিপদ তো আর আপনার হয়নি!” জবাবে রাসূলুল্লাহ ﷺ রেগে গেলেন না, তাকে আরেকবার বুঝানোর চেষ্টাও করলেন না, বললেন না – “আমি হলাম আল্লাহ্র ﷻ রাসূল, আর আমার মুখে মুখে কথা!”, অথবা বললেন না- “আমি বললাম ভালো কথা আর তুমি কি না আমার সাথে এমন ব্যবহার করলে!” না, তিনি এরকম কিছুই করলেন না। তিনি চুপচাপ কিছু না বলে সেই স্থান থেকে চলে গেলেন। টিপস#৩: রেগে থাকা মানুষকে বুঝাতে যাবেন না, সে বুঝবে না। তাকে শান্ত হওয়ার জন্য সময় দিন। ৪) রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি তর্ক করা ছেড়ে দিবে, সে যদি ভুলের পক্ষেও হয় তবুও সে জান্নাতের প্রান্তে বাড়ী পাবে। আর যে ব্যক্তি সঠিক হওয়ার পরেও তর্ক ছেড়ে দিবে, সে জান্নাতের মাঝখানে বাড়ী পাবে। আর যে ব্যক্তি নিজের চরিত্রের উন্নয়ন করবে সে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে বাড়ী পাবে।” ভেবে দেখুন – কি লাভ আরেকজনের সাথে তর্কাতর্কি করে, রাগারাগি করে, নিজের মেজাজ খারাপ করে, যুক্তির উপর যুক্তি তৈরী করে শুধুই এটা প্রমাণ করা যে “আমি সঠিক, তুমি ভুল”? এর মাধ্যমে না পাওয়ার যায় নিজের মনে শান্তি, না করা যায় অন্যের মন জয়। তারচেয়ে চুপ করে থেকে অন্যের ভুল উপেক্ষা করে নিজের জন্য জান্নাতে একটা বাড়ী নির্মান করা কি বুদ্ধিমানের কাজ না? টিপস#৪: রাগ করার মত কারণ থাকা সত্ত্বেও তা ছেড়ে দিন, আর আল্লাহর ﷻ কাছে প্রতিদানের আশা রাখুন। পাদটীকা: ১) ইসলামে ব্যক্তিগত কারণে রাগ করার অনুমতি নেই। তবে যেসব কারণে আল্লাহ্ ﷻ ও তাঁর রাসূল ﷺ রাগ করেছেন (যেমন – কাউকে শিরক করতে দেখলে) সে সব কারণে রাগ করা বৈধ। তবে, এই রাগের বহিঃপ্রকাশও নিয়ন্ত্রিত হতে হবে। ২) লেখাটি পড়ে মনে করবেন না আমি রাগ-নিয়ন্ত্রনে মাষ্টার, বরং উল্টোটা সত্য। লেখাটি আমি লিখেছি সবচেয়ে বেশী নিজেকে মনে করিয়ে দেয়ার জন্য। এটা যদি অন্য কারো উপকারে আসে তো আলহামদুলিল্লাহ! (রেফারেন্স: হাদিস১: মুসলিম ২৩১০ , হাদিস২: সুনান আন-নাসাঈ ৩৯৭৩, হাদিস৩: বুখারী ১২২৩, হাদিস: ৪: তিরমিযী)

@alma45

অন্যের ব্যাপারে বাজে মন্তব্য করার ভয়ংকর পরিণতি অন্যের ব্যাপারে বাজে মন্তব্য করার ভয়ংকর পরিণতি: হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, “গীবত কী তা কি তোমরা জান?” লোকেরা উত্তরে বলল, “আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভাল জানেন।” রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, “গীবত হলো তোমার ভাইয়ের সম্পর্কে এমন কথা বলা যা সে অপছন্দ করে।” জিজ্ঞাসা করা হলো, “আমি যা বলি তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে তবে এটাও কি গীবত হবে?” রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, “তুমি যা বল তা যদি তার মধ্যে বিদ্যমান থাকে তাহলেই সেটা হবে গীবত, আর তুমি যা বল তা যদি তার মধ্যে না থাকে তবে সেটা হবে বুহতান বা মিথ্যা অপবাদ।” (মিশকাতঃ পৃ-৪১২) “আর তোমরা একজন অন্যজনের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান করো না এবং একে অপরের অসাক্ষাতে নিন্দা করো না। তোমাদের মধ্যে কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে চাইবে? প্রকৃতপক্ষে তোমরা তো এটাকে ঘৃণ্যই মনে কর। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তওবা গ্রহণকারী পরম দয়ালু।” (সুরা হুজুরাত- ৪৯ : ১২