read.cash Log in
@alma45 more from that month

লাউয়ের রস ♥ লাউয়ের ইংরেজি নাম Bottle gourd.এটি সাধাররণত শীতকালীন সবজি।কিন্তু সারা বছর পাওয়া যায়। লাউ সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও ভেষজ গুন সম্পন্ন সবজি।এর খোসা,শ্বাঁস,পাতা সবইই খাওয়া যায়। ♥ লাউয়ের _ পুষ্টিগত _ উপকারিতা : - ★লাউয়ে প্রচুর ফাইবার আছে,যা খিদে কমায়,তাই ওজন কমে। ★এর নিউরো ট্রান্সমিটার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।ফলে স্ট্রেস,ডিপ্রেশন সহ মেন্টাল ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কমে। ★এর ভিটামিন - কে বিপাকে সহায়তা করে। ★লাউয়ের প্রচুর পানি ও দ্রবণীয় ফাইবার হজম ক্ষমতা উন্নতি করে,অ্যাসিডিটি ও কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমায়। অদ্রবণীয় ফাইবার অর্শ্ব,পেট ফাঁপা,পাইলসের সমস্যা দূর করে। ★এতে ৯৬ শতাংশ পানি আছে,যা পানি শূন্যতা কমায়। ★উচ্চ রক্ত চাপ ও ডায়াবেটিস রোগীদের ডায়েটে লাউ রাখলে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো হয় ও রক্তে সুগার লেভেল স্বাভাবিক থাকে।কারণ লাউ ভিটামিন সি এর ভালো উৎস এবং এ্যান্টি অক্সিডিন্ট সমৃদ্ধ । ২৫০ গ্রাম লাউ খেলে ২৫ এমজি ভিটামিন - সি পাই,যা সারা দিনের চাহিদার প্রায় অর্ধেক। ★এর রস অনিদ্রা বা ইনসমনিয়া সমস্যা দূর করে। ★হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ ,দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক ও অস্বস্তি দূর করতে সপ্তাহে ২ - ৩ দিন এর রস খেতে হবে। কারণ এতে প্রচুর খনিজ উপাদান আছে। ★লাউয়ের প্রাকৃতিক প্রোটিন ও ভিটামিন সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে,ব্রণের প্রতিরোধ করে,ধরুন মাত্রাতিরিক্ত ঘাম দূর করে,আয়ু বৃদ্ধি করে। ★লাউ অতিরিক্ত পিত্ত বরোনো বন্ধ করে বলে বদ হজম হয় না। ★শীতের শুরুতে এর রস খেলে মেয়েদের ইউরিনারিট্রাক্ট ইনফেকশনের সম্ভাবনা কম থাকে। ★প্রতিদিন লাউয়ের রসের সাথে লেবুর রস খেলে রোগ - প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে যায়। ★এতে প্রচুর পানি থাকায় প্রস্রাব ভালো হয়, প্রস্রাব হলুদ হয় না।ফলে 'ইউ টি আই' রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কমে যায়। ★জন্ডিস ও কিডনি রোগীদের জন্য উপকারী।মূত্র নালির সংক্রমণ,কিডনি ফেইলিউর এর বিরুদ্ধে কাজ করে। ★ক্লান্তি দূরর করে,এটা ভালো ডিটক্সিফায়ার ( যা শরীর থেকে বাজে ও ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে )। ★গরম কালে আমাদের পাচন তন্ত্র দুর্বল থাকে,তখন লাউ উপকারী। লাউ গা গলানো ও বমি ভাব দূরর করে।পাচন তন্ত্র ও তন্ত্র ঠিক রাখে। ★লাউয়ে কোলেস্টেরল নেই বললেই চলে ও ক্যালরি ও কম।তাই ডায়াবেটিস রোগীদের পিঁপাসা কমায়। ★লাউ যকৃত ভালো রাখে ও যকৃতের ফোলা রোধ করে। ★লাউ + আদা রস করে খেলে, শরীরের পেশির ক্ষয় রোধ করে ও পেশি ভালো রাখে।কারণ লাউয়ে পপটাসিয়াম ও অন্যান্য অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। ★এর ভিটামিন বি চুলের অকাল পক্কতা রোধ করে। ★এর ভিটামিন সি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখে,মস্তিষ্ক সচল রাখে,শরীরে কোলাজেন ( যা একটি প্রোটিন,শরীরের টিসুকে শক্তিশালী করে ) উৎপন্ন করে। ★লাউয়ের দস্তা, ভিটামিন সি ত্বকের অকাল বার্ধক্য ও কুচকে যাওয়া রোধ করে,স্নায়ু ভালো রাখে,সর্দি,কাশি,জ্বর রোধ করে। ♥ প্রচন্ড গরম,এই গরমে নিজেকে সতেজ ও শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজন লাউয়ের রসের। ♦ প্রতি ১০০ গ্রাম লাউয়ে রয়েছে - ★ ক্যালরি - ১৫ কিলো ক্যালরি ★পানি - ৯৬ শতাংশ ★কার্বোহাইড্রেট - ২.৫ গ্রাম ★প্রোটিন - ০.২ গ্রাম ★ফ্যাট - ০.৬ গ্রাম ★ভিটামিন - সি ৬ গ্রাম ★ক্যালসিয়াম - ২০ মি.গ্রাম ★ফসফরাস - ১০ মি. গ্রাম ★পপটাসিয়াম - ৮৭মি.গ্রাম ★নিকোটিনিক অ্যাসিড - ০.২ মি.গ্রাম - এছাড়াও খনিজ লবণ, ভিটামিন - বি১, বি২, আয়রন প্রভূতি উপাদান। ♥ লাউয়ের রস তৈরির পদ্ধতি : - ★লাউয়ের ছাল ছাড়িয়ে টুকরো করে কেটে ধুয়ে ব্লেন্ডার দিয়ে রস করে নিন। ★এর সাথে একটু গোল মরিচ গুড়া, পরিমাণ মত লবণ ও পুদিনা পাতা মিশিয়ে নিন। ★ এবার এক চা- চামচ আদা বাটা যোগ করুন। ★শেষে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে মিশিয়ে খেয়ে নিন। কয়েক টুকরো বরফের টুকরো যোগ করতে পারেন বেশি গরমে। ♦ দৈহিক পরিশ্রমের পর লাউয়ের রস খেলে উপকার হয়।কারণ দৈহিক পরিশ্রমের পর আমাদের শরীরে গ্লুকোজ ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম হয়ে যায়।তাই গ্লুকোজ ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ ঠিক রাখতে লাউয়ের রস খেলে ভালো। এছাড়াও শরীরের পানি শূন্যতা দূর করে,যা ডায়রিয়া,জ্বর,গরমে উপকারি ভূমিকা পালন করে।

No comments yet

Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.