People say never give up, but sometimes giving up is the best option because you realize you're just wasting your time.
@sumaiyakter
Joined 12 September 2020 · 70 posts
120 KT
0 KT received · 0 KT given
Posts
পৃথিবী প্রদক্ষিণকারী প্রথম প্রাণী হিসেবে ১৯৫৭ সালে ইতিহাসে নিজের নাম লেখায় মস্কোর রাস্তা থেকে তুলে আনা কুকুর লাইকা। সে সময় তার বয়স ছিল ৩ বছর। অবশ্য এত বড় এক অর্জনের অংশীদার হবার ব্যাপারে কিছু বোঝার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে কুকুরটি। উড্ডয়নের ঘণ্টাখানেকের ভেতরেই অতিরিক্ত উত্তাপের ফলে মারা যায় লাইকা। তবে ২০০২ সালের পূর্বে এই কারণটি জানা যায়নি। তখন পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন দাবি করত, যাত্রার ষষ্ঠ দিনে অক্সিজেন ফুরিয়ে যাবার ফলে 'শান্তিপূর্ণ মৃত্যু' হয় লাইকার। রাস্তা থেকে লাইকাকে ধরে নেয়ার কারণ ছিল, সোভিয়েত বিজ্ঞানীরা মনে করেছিলেন, মহাশূন্যের চরম আবহাওয়ায় খাপ খাইয়ে নেয়ার মতো সহ্যক্ষমতা আছে মস্কোর রাস্তার কুকুরগুলোর, যারা প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত গরম ও ঠান্ডায় থেকে অভ্যস্ত। কুদ্রিয়াভ্কা, ঝুচকা, লিমনচিক ইত্যাদি নানা নামই দেয়া হয় তাকে, তবে শেষপর্যন্ত টিকে যায় লাইকা নামটি। কারণ কুকুরটি খুব জোরে ডাকতে পারত, যা 'লাইকা' শব্দটির অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। স্পুটনিক ২ এর ছোট্ট কেবিনের পরিবেশের সাথে যেন মানিয়ে নিতে পারে, সেজন্য টানা ২০ দিন লাইকাকে বেশ ছোট খাচার মধ্যে রাখা হয়। এই অতিরিক্ত বদ্ধ পরিবেশে তার মল-মূত্রত্যাগ বন্ধ হয়ে আসে, অতিরিক্ত অস্থির স্বভাবের হয়ে ওঠে এবং শরীরের স্বাভাবিক নানা কার্যক্রমই ব্যহত হয়। রকেটের ত্বরণ ও শব্দের সাথে অভ্যস্ত হবার জন্যও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় লাইকার। এই সময়ে কুকুরটির ব্লাড প্রেশার বেড়ে গিয়েছিল। পাশাপাশি মহাশূন্যে থাকাকালে এক উচ্চ পুষ্টিমান সম্পন্ন জেল খাওয়ার প্রশিক্ষণও তাকে দেয়া হয়। এই মিশনের সাথে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ভ্লাদিমির ইয়াজদভস্কি লিখেছিলেন, "লাইকা খুবই শান্তশিষ্ট আর মিষ্টি স্বভাবের কুকুর ছিল। ... আমি ওর জন্য কিছু করতে চেয়েছিলাম। আর মাত্র অল্প কিছুদিনই নিয়তিতে লেখা ছিল ওর।"
বাংলাদেশি হিসেবে নদীর সাথে আমাদের আত্মিক সখ্যতা। দেশের ভেতর দিয়ে বড়-ছোট কয়েকশত নদী প্রবাহিত হচ্ছে। শাখানদী এবং উপনদী বাদ দিলে এখানে মোট আন্তর্জাতিক নদীর সংখ্যা ৫৮টি। এদের মধ্যে অন্যতম প্রধান হচ্ছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ। কুড়িগ্রাম দিয়ে প্রবেশ করে ময়মনসিংহ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মেঘনার সাথে মিলিত হওয়া এই নদের উৎপত্তি হিমালয়ের কৈলাস পর্বতশৃঙ্গের জিমা ইয়ংজং হিমবাহে। তিব্বতে এই নদের নাম সাংপো। ভারতের কিছু অঞ্চলে একে লোহিত নামেও ডাকা হয়। হিন্দু পুরাণে আছে, হিমালয়ের ব্রহ্মকুণ্ড নামক হ্রদে স্নান করে পাপমুক্ত হওয়ার পর পরশুরাম তার কুঠারের আঘাতে পাহাড় ভেঙে সেই বদ্ধ জলকে মুক্তভাবে প্রবাহিত করে দেন। সেই প্রবাহই বর্তমানের ব্রহ্মপুত্র। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জের লাঙ্গলবন্দে অনুষ্ঠিত হয় পুণ্যস্নান। ব্রহ্মপুত্রের ধারা থেকেই জন্ম হয়েছে বর্তমান যমুনা নদীর। ১৭৮২-৮৭ সময়কালের মধ্যে সঙ্ঘটিত ভূমিকম্প এবং ভয়াবহ বন্যার ফলে এর গতিধারা বদলে যায়। ব্রহ্মপুত্রের পানি তখনকার জোনাই খালের সাথে মিলিত হয়ে গঠিত হয় যমুনা নদী। এই নদের বুকে রাতদিন জেলেদের আনাগোণায় যেমন জীবিকার স্পন্দন পাওয়া যায়, তেমনি প্রতিবছর প্রলয়ংকারী বন্যায় হাজার মানুষের জীবিকা ধ্বংসেরও অশনি বার্তা শোনা যায়। এককালের খরস্রোতা ব্রহ্মপুত্রকে ঘিরে গ্রামবাংলার জীবনের অনেক উৎসব উদযাপিত হতো। তবে কালের বিবর্তনে সেই ব্রহ্মপুত্র তার পানি হারিয়ে শুষ্ক খালের ন্যায় মরে যাচ্ছে।
১৯১২ সালে যাত্রা করেছিল আরএমএস টাইটানিক। ৩ বছর ধরে প্রায় ৩,০০০ শ্রমিকের (যাদের মাঝে কাজ চলাকালে ২ জন মারা যায়) মাথার ঘাম পায়ে ফেলে গড়ে ওঠে প্রায় ৯টি নীল তিমির সমান লম্বা (৮৮২ ফুট ৯ ইঞ্চি) এই জাহাজটি। টাইটানিক বানাতে কত খরচ হয়েছিল বলতে পারেন? সেই আমলের হিসাবে ৭.৫ মিলিয়ন মানে ৭৫ লক্ষ ডলার। ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আপনি বছরে বছরে অর্থের মূল্য কীভাবে পাল্টে যায় সেটার হিসাব করতে পারবেন। কয়েকটা ওয়েবসাইট ঘুরে দেখলাম, ২০২০ সালের হিসাবে এই অঙ্কটা ২০০ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। বাংলাদেশি টাকাতে কত বলতে পারেন? ১৬৮৯ কোটি টাকারও বেশি! সর্বোচ্চ ৩,৫৪৭ জনের ধারণক্ষমতা থাকলেও জাহাজটিতে সেদিন সব মিলিয়ে যাত্রী ছিল ২,২২৩ জন। তবে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, শুরুতে জাহাজটিতে লাইফবোট ছিল ৬৪টি, যেখানে ৩,৫৪৭ জনের সবাই-ই জায়গা করে নিতে পারত। কিন্তু ঐ যে 'আনসিঙ্কেবল শিপ' নামের একটা অহঙ্কার জায়গা করে নিয়েছিল কর্তৃপক্ষের মনে। তাই তারা এত লাইফবোটকে বাহুল্য মনে করল। টাইটানিকে জায়গা পেল মাত্র ২০টি লাইফবোট, যা মূল পরিকল্পনার ৩ ভাগের ১ ভাগও না। এতে জায়গা হতো ১,১৭৮ জন যাত্রীর। সেই আমলে ফার্স্ট ক্লাসের একটা টিকিটের দাম ছিল ৮৭০ পাউন্ড। এর বিপরীতে পুল, জিমনেশিয়াম, টার্কিশ বাথ, স্কোয়াশ কোর্ট, ক্যাফে, ডাইনিং স্যালনসহ বহুত সুবিধাই পেয়েছিলেন ফার্স্ট ক্লাসের যাত্রীরা। অন্যদিকে থার্ড ক্লাসের একটা টিকিটের দাম ছিল 'মাত্র' ৩ পাউন্ড, যেখানে সেই যাত্রীদের জন্য সাধারণ রুম, ২টি বাথটাব আর সাধারণ ডাইনিং স্যালনই ছিল। একটা ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্ট এখানে জানিয়ে রাখি, টাইটানিকে কোনো রুমের নাম্বারই কিন্তু ‘১৩’ ছিল না! ২,২২৩ জন যাত্রীর জন্য খাবারদাবারের কোনো কমতি ছিল না। ৭৫,০০০ পাউন্ড ফ্রেশ মাংস নেয়া হয়েছিল, যার মাঝে ২৫,০০০ পাউন্ডই ছিল হাঁস-মুরগির। ১৬,৮৫০ বোতল বিয়ার, স্পিরিট, ওয়াইন ছিল; ছিল ১,০১,০০০ ফল আর ৪০,০০০ ডিম। এগুলো খাওয়ার জন্য নেয়া হয়েছিল ১,৩০,০০০ পিস ক্রোকারিজ সামগ্রী। প্রতিদিন দরকার হতো ১৪,০০০ গ্যালন পানি, সুমিষ্ট পানি যাকে বলা হয় সেটাই। টাইটানিক কেবল মানুষ আর খাবারই নেয়নি, রয়্যাল মেইল শিপ হিসেবে এতে ৩,৩০০ ব্যাগের বেশি চিঠিপত্রও ছিল, যাতে থাকা মোট চিঠিপত্রের সংখ্যা ৭০ লক্ষেরও বেশি। এই দানবকে চালিয়ে নিতে জাহাজটির ২৯টি বয়লারে প্রতিদিন ৬৫০ টন করে কয়লা পোড়ানো হতো। ১৪ এপ্রিল রাত ১১টা ৪০ মিনিটে বিশালাকায় বরফখণ্ডটির দেখা মেলে। কিন্তু ঠিকমতো কিছু করবার সময়ই পাওয়া গেল না। কারণ, মাত্র ৪০ সেকেন্ডের ভেতরেই সংঘর্ষ হয় টাইটানিকের সাথে আইসবার্গের। সাথে সাথেই জাহাজটির ৫টি এয়ারটাইট কম্পার্টমেন্ট ভেঙে পানি ঢুকে যায়। ২২.৫ নট অর্থাৎ ঘণ্টায় প্রায় ২৬ মাইল বেগে বরফখণ্ডটির সাথে সংঘর্ষ হয়েছিল টাইটানিকের। রাত তখন ১২টা, অর্থাৎ তারিখের হিসেবে ১৫ এপ্রিল শুরু হয়ে গিয়েছে। ক্যাপ্টেন সাহায্য চাইলেন নিকটবর্তী জাহাজগুলোর। দুর্ভাগ্যজনকভাবে নিকটবর্তী জাহাজ কার্পেথিয়াও তখন ৫৮ মাইল দূরে। নিকটবর্তী স্থলভূমি থেকে তখন টাইটানিকের দূরত্ব প্রায় ৪০০ মাইল। রাত পৌনে একটার দিকে প্রথম লাইফ বোটটি নামানো হয়। এখানে সর্বোচ্চ ৬৫ জন বসতে পারলেও তাড়াহুড়ার কারণে অর্ধেকেরও কম, অর্থাৎ ২৭ জন বসেছিল সেই প্রথম লাইফ বোটটিতে। রাত ২টা ১০ মিনিটে জাহাজের সব লাইট অফ হয়ে যায়। এর মাত্র ৮ মিনিটের মাথায় ভেঙে দু’টুকরো হয়ে যায় পুরো জাহাজটি, যেমনটা দেখিয়েছিল টাইটানিক সিনেমাতে। এরপর আর খুব বেশি সময় লাগলো না পুরোটা ডুবতে। মাত্র ২ মিনিটের মাঝেই সমুদ্রের বুকে তলিয়ে গেল ৪৬ হাজার টনের এই ‘আনসিঙ্কেবল’ দানব। পানির তাপমাত্রা তখন মাত্র ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সমুদ্রের পানিতে ভেসে থাকা মানুষগুলোও তাই খুব বেশি সময় টিকতে পারেনি। গড় হিসেবে, একেকজন মাত্র ১৫ মিনিটের মতো টিকে ছিল। এরপর তীব্র ঠাণ্ডায় তারাও পরপারে পাড়ি জমায়। ঠিক সিনেমার জ্যাকের মতোই। রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় কার্পেথিয়া। ততক্ষণে মারা গিয়েছে জাহাজটি ১৫ শতাধিক যাত্রী। পরদিন জীবিত ৭০৫ জনকে নিয়ে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে কার্পেথিয়া। ৩ দিন পর অর্থাৎ ১৮ এপ্রিল রাত ৯টায় গন্তব্যস্থলে পৌঁছায় জাহাজটি। এবার আসা যাক বাঁচা-মরার হিসেবে। এটাও অনেকটা ক্লাসের দ্বারা প্রভাবিত। হিসাবটা দেখলেই বুঝতে পারবেন: ফার্স্ট ক্লাস – জীবিত ৬৩%, মৃত ৩৭% সেকেন্ড ক্লাস - জীবিত ৪২%, মৃত ৫৮% থার্ড ক্লাস - জীবিত ২৫%, মৃত ৭৫% ক্রু - জীবিত ২৩%, মৃত ৭৭% সমুদ্রের প্রায় ২.৩ মাইল নিচে তলিয়ে যায় টাইটানিক। অন্যভাবে বলতে গেলে, নিউ ইয়র্কের এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংকে একটার উপর একটা করে মোট ১০টা সাজালে যে উচ্চতা হয়, সেই সমপরিমাণ গভীরেই তলিয়ে গিয়েছিল জাহাজটি। এর ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে আছে সমুদ্রের নিচে ১৫ মাইল এলাকা জুড়ে। ডুবে যাবার ৭৩ বছর পর ১৯৮৫ সালের ১লা সেপ্টেম্বর রবার্ট ব্যালার্ড আরএমএস টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পান। টাইটানিক রিলিফ ফান্ডের অধীনে এই দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে তুলে দেয়া অর্থের পরিমাণ বর্তমান হিসেবে প্রায় ৩১.৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ২৬৫ কোটি টাকা। ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত এই ফান্ডটি চালু ছিল। টাইটানিকের করুণ পরিসমাপ্তির স্মৃতিকে নিয়ে ফেরত এসেছিলেন ৭০৫ জন। কালক্রমে তারাও একে একে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন। এদের মাঝে সর্বশেষ ছিলেন মিল্ভিনা ডিন। ২০০৯ সালে প্রায় মারা যান তিনি। টাইটানিক ডুবে যাবার কালে তার বয়স ছিল মাত্র ২ মাস।
জীবনের ২০ টা বছর পার হয়ে গেলো অথচ একটা নিজের মানুষ হলো না ।ইদানীং বেশ একাকীত্বে ভুগছি।মাঝে মাঝে তো মনে হয় একাকিত্ব আমাকে জব্দ করে নিয়েছে। আমি ডুবে যাচ্ছি একাকীত্বের বিশাল সাগরে।একাকীত্ব গিলে খাচ্ছে রোজ। জীবনে এমন একটা সময় আসে যেখানে একটা নিজের মানুষের খুব প্রয়োজন হয়। তখন কেউ একা থাকতে চায় না। প্রিয়জনের অনুপস্থিতি ভীষণ ভাবে অনুভব হয়। একটা নিজের মানুষের জন্য হাহাকার করতে থাকে। আমি ও বোধহয় এই সময়টাতে'ই আছি। মাঝে খুব ইচ্ছে হয় একাকিত্ব টাকে দূরে সরিয়ে দেই নিজের সুখ-দুঃখ কারো সাথে বন্টন করি, কারো কড়া শাসনে কেঁদে ফেলি,তাকে হারানোর ভয়ে ছটফট করি। আবার ভয় এ শহরে আরেকটা মন ভাঙার গল্প তৈরি হয়ে যাবে না তো? তারচেয়ে বরং একাকিত্ব'ই শ্রেয়।
একদিন তোমার জীবনেও একটা 'তুমি' আসবে! যাকে তুমি হৃদয় উজাড় করা নিদারুন ভালোবাসবে! খুব করে চাইবে তোমার কল্পনা আর বাস্তবের পুরোটা জুড়ে! ঠিক আমার মতো! সে তোমাকে অবহেলায় রাখার যোগ্যও ভাববে না! বারবার মন ভেঙ্গে দিবে আয়নার মতো টুকরো টুকরো করে! তোমার ভালোবাসার ছিটেফোঁটাও সে বুঝবে না!খুব করে ঠকাবে! একদম তোমার মতো! না না! তোমাকে অভিশাপ দিচ্ছি না! আজকাল আর তোমাকে অভিশাপ, অভিযোগ, ঘৃনা কোন কিছুতেই রাখি না! ভালোবাসাতেও না!
দুজনের আগ্রহ, ইচ্ছা, প্রায়োরিটি ছাড়া কোন সম্পর্কই বেশিদূর টেনে নিয়ে যাওয়া যায় নাহ। হউক সেটা প্রেম কিংবা বন্ধুত্ব।
বিয়ের কাবিননামার সাথে সংযুক্তি হিসেবে আপনারা অফসেট পেপারে আরও কিছু চুক্তি রেখে দিতে পারেন। কাবিননামার চাইতে ওই চুক্তিগুলো বিয়ের পর সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে বেশি ভূমিকা পালন করবেঃ ১। রাত বিরাতে হুটহাট টং দোকানের চা খাইতে মন চাইলে যেনো হাত ধরে বের হয়ে পড়তে পারি ২। এক্স-বক্স/প্লে স্টেশনে গেম খেলার সময় যেনো ডিস্টার্ব দেওয়া না হয় ৩। বিছানার ডান/বাম সাইডে শোবো আমি ৪। মশারি আমি টাঙাবো না ৫। যেদিন আমি পাঞ্জাবি/শাড়ি পরে কোথাও যাবো সেদিন আমার সাথে গেলে অবশ্যই শাড়ি/পাঞ্জাবি পরতে হবে ৬। একসাথে বই-সিনেমা নিয়ে আড্ডা দিতে হবে ৭। সামর্থ্যের মাঝে ঘোরাঘুরি করতে হবে (অতি-অবশ্যই) ৮। রান্নায় সাহায্য করবো/করতে হবে ৯। “কি হইছে” এর উত্তর কখনোই “নাহ কিছু না, বাদ দাও” হওয়া যাবেনা। অবশ্যই যা হইছে তা-ই সরাসরি বলতে হবে ১০। ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চাওয়া যাবে/যাবে না। :D আরও অনেক কিছু আছে। আপনারা অ্যাড করতে থাকুন। এইতো এইরকম কিছু ভ্যানগার্ড পয়েন্ট অবশ্যই স্বাক্ষরসহ নিয়ে নিবেন। কাবিননামার অস্তিত্ব অল্পদিন পরেই হারায়ে যায় কিন্তু এই অফসেট পেপার লেমিনেট/বাঁধাই ঘরে বেডরুমে টাঙায়ে রাখা যাবে!
আমি রিভেঞ্জ অব ন্যাচারে বিশ্বাসী না; কেউ আমাকে কষ্ট দেওয়াতে সে এখন কষ্ট পাচ্ছে, আমার এই চিন্তাটা মূলত আমার আত্মসন্তুষ্টির চর্চা। কেউ কোন অপরাধ করলে, আমি প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাব সৃষ্টি না করে, তাকে মুক্তি দেই। প্রকৃতি একদিন সব অপরাধের রিভেঞ্জ নিয়ে নিবে, এই ভুল বিশ্বাসে আমার বাঁচতে ভাল লাগেনা। একটা ভুল মানুষের জীবনের দুঃসময় দেখার জন্য ব্যক্তিগত সময় বিনিয়োগ করাটা সবচেয়ে বড় ভুল। ভুলকে চলে যেতে দিতে হয়। এতটা দূরে যেতে দিতে হয়, যাতে বাকি জীবনে তার পেছনে নিজের এমন মূল্যবান সময়ের একটা ক্ষুদ্র অংশও আর খরচ না করা লাগে। আমার দুঃখবোধ, আমার যাতনা; আমার জীবনের অংশ। এর জন্য আমি প্রকৃতির কাছে হাত পাতি না কখনো। আমি এমন কেউ নই যে আমাকে দুঃখ দিলে, প্রকৃতি তার রিভেঞ্জ নিয়ে নিবে। বরং সে তার পরবর্তী জীবনে যে দুঃখবোধের কাছে পৌছায়, সেটাও তার জীবনের খুবই ক্ষুদ্র একটা অংশ। রিভেঞ্জ অব ন্যাচার বলে কিছু নাই। আমরা এটাকে সৃষ্টি করেছি; আমরাই এটাতে আনন্দ খুঁজি। প্রতিটি মানুষের জীবন আলাদা আলাদা ভাবে সাজানো। আমাকে দুঃখ দেওয়ার জন্য কেউ দুঃখ পাবেনা; তার দুঃখ তার জীবনের অংশ। আমার দুঃখ আমার জীবনের অংশ। রিভেঞ্জ অব ন্যাচারের মুখের দিকে না তাকিয়ে থেকে, আমাদের উচিত মন থেকে ঘৃণার চাষাবাদ বন্ধ করা। প্রতিশোধপরায়ণতা তাদের করা অপরাধের চেয়েও নোংরা। আমার শত্রুও যাতে খারাপ না থাকে; প্রকৃতি তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরন করুক। ভাল থাকুক তারা, ভালোবাসার বিনিময়ে দুঃখ ছড়িয়েছিলো যারা। ভাল থাকুক সবাই।
মেয়ে হয়েছি বলেই কি আমাকে খুব বেশি সুন্দরী হতে হবে? মেয়ে বলেই কি প্রসাধনী মেখে নিজেকে কৃত্রিম ভাবে সাজিয়ে রাখতে হবে? মেয়ে বলেই কি আমার মুখের কিছু তিল, ব্রণ,কিংবা বসন্তের দাগ ঢাকতে মেকাপ বা পার্লারে দৌড়াতে হবে? মেয়ে বলেই কি আমাকে চিকন থেকে মোটা হতে কিংবা মোটা থেকে চিকন হতে হবে? মেয়ে বলেই কি কালো থেকে ফর্সা হতে হাজার হাজার টাকা নষ্ট করতে হবে? মেয়ে বলেই কি আমাকে সব দিক দিয়ে পারফেক্ট হতে হবে? সুন্দর হয়ে জন্মাইনি তো কি হইছে মানুষ হয়ে তো জন্মেছি এটা কম কিসে? যদি মেয়ে হয়েছি বলেই আমাকে এত সব করতে বলা হয় তাহলে তাদের বলছি আমি আমার মতো আর আমি আমার কাছে একদম পারফেক্ট! আপনার কাছে না হলে আপনার সমস্যা আমার নয়,সরি!
"ভাল কথার মূল কি? ভালো কথা হচ্ছে রুহের(আত্মার) প্রতিধ্বনি-সেখানেই জমে থাকে, তারপর ঝর্ণার মত বেরোয়" ক্রীতদাসের হাসি -- শওকত ওসমান।
ভার্সিটির থার্ড বা ফাইনাল ইয়ারের কোন ছেলে কিংবা মেয়েকে আপনি জোর করেও কোনদিন প্রেম - ভালোবাসায় সিরিয়াস করাতে পারবেন না৷ এই বয়সটা একটু অন্যরকম। এই বয়সে হুট করে আমাদের জীবন বদলাতে থাকে। আমরা বুঝতেও পারিনা কখন আমরা এতোটা বড় হয়ে গিয়েছি। এই বয়সেই আমাদের কারো কারো ঘরের একমাত্র আয় করা মানুষটি চাকুরী থেকে রিটায়ার্ড নামক সম্মাননা নিয়ে বাসায় ফিরে আসেন। পরিবারের ব্যয়টা হঠাৎ করে অর্ধেকে নেমে আসে। নিজের মধ্যে একটা ভাবনা কাজ করতে থাকে৷ বাসা থেকে টাকা নিতে কেমন যেন সংকোচ বোধ কাজ করতে থাকে৷ আর এই বয়সের মেয়েদের কথা আলাদা করে আর কি বলবো। চারদিকে আত্নীয়স্বজন তখন মোটামুটি বিয়ের জন্যে একরকম আন্দোলন করা শুরু করে৷ এদিকে গেলে "বিয়ে কবে করবা" ওদিকে গেলে "বিয়ে কবে করবা"। বিয়ে বাড়ি কিংবা পার্টিতে গিয়ে যে একটু শান্তিতে বিয়ে খাওয়া হবে তারও সুযোগ নাই। এখানে বিয়ে খাইতে মানুষ আসে কম নিজের ছেলে কিংবা দেবরের জন্যে সাজুগুজু করা সুন্দরী মেয়ে ঠিক করতে আসে বেশী। মেয়ে বুড়িয়ে যাচ্ছে৷ চারপাশে বান্ধবীদেরও সমানে বিয়ে হচ্ছে। আর তাই হয়তো ক্যারিয়ার নিয়ে অতি সিরিয়াস মেয়েটাও মধ্যরাতে ভাবতে বসে "আমার সময় কি তবে আসলেই চলে যাচ্ছে?"। সবকিছুর পরও এই বয়সেও যে ভুল করে আমরা কারো প্রেমে পড়ি না ব্যাপারটা ঠিক তা না। তবে আগের ইম্যাচিউর প্রেমের বাজে এক্সপেরিয়েন্স আর ক্যারিয়ার নিয়ে ভয় সব মিলিয়ে সমীকরণটা প্রায় সময় অসমাপ্ত থেকে যায় ৷ (বি.দ্র.: কাকতালীয়ভাবে কারো সাথে মিলে গেলে অন্তত আমি দায়ী না)
আমাদের বাঙালির মধ্যে দুইটা দিক আছে। একটা হল আমরা মুসলমান, আর একটা হল, আমরা বাঙালি। পরশ্রীকাতরতা আর বিশ্বাসঘাতকতা আমাদের রক্তের মধ্যে রয়েছে। বোধহয় দুনিয়ার কোন ভাষায়ই এই কথাটা পাওয়া যাবে না, 'পরশ্রীকাতরতা'। পরের শ্রী দেখে যে কাতর হয়, তাকে 'পরশ্রীকাতর' বলে। ঈর্ষা, দ্বেষ সকল ভাষায়ই পাবেন, সকল জাতির মধ্যেই কিছু কিছু আছে, কিন্তু বাঙালিদের মধ্যে আছে পরশ্রীকাতরতা। ভাই ভাইয়ের উন্নতি দেখলে খুশি হয় না। এই জন্যই বাঙালি জাতির সকল রকম গুণ থাকা সত্ত্বেও জীবনভর অন্যের অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। সুজলা, সুফলা বাংলাদেশ সম্পদে ভর্তি। এমন উর্বর জমি দুনিয়ায় খুব অল্প দেশেই আছে। তবুও এরা গরিব। কারণ যুগ যুগ ধরে এরা শোষিত হয়েছে নিজের দোষে। নিজেকে এরা চেনে না, আর যতদিন চিনবে না এবং বুঝবে না ততদিন এদের মুক্তি আসবে না। অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পৃষ্ঠা ৪৭-৪৮) লেখকঃ- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
জীবন হচ্ছে ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক এর মতো একবার চলতে শুরু করলে যেখানে ইচ্ছা সেখানে থামাও যায় না আবার যেখানে ইচ্ছা সেখানে ইউর্টান ও নেয়া যায় না! জীবন চলছে জীবনের নিয়মেই!
আমি যতবার ভালোবেসেছি ঠিক ততবার ঠকেছি। কখনো প্রিয় মানুষের কাছে, কখনো পরিবারের কাছে, কখনো বন্ধুমহলে। কিন্তু আমি হতাশ হইনি বরং বাস্তবটা চিনতে শিখেছি। আমি যতবার কাছে যেতে চেয়েছি ঠিক ততবার আমাকে দূরে ঠেলে দিয়েছে। আমি সেই দূরত্বকে মনে ঠাই দেইনি বরং একলা চলতে শিখেছি। আমি যতবার তাদের বিশ্বাস করেছি ঠিক ততবার আমি অবিশ্বাসের সাগরে ডুবেছি। সেই অবিশ্বাসের আঘাতকে আঁকড়ে ধরে কাঁদিনি বরং নিজেকে শক্ত করেছি। আমি যতবেশি কেয়ার করেছি ঠিক তার দিগুণ ভয়াবহ অবহেলা পেয়েছি। কিন্তু কষ্ট পেয়ে।নিজেকে শেষ করিনি বরং সরে এসেছি। কাদের জন্য কষ্ট পাবো? চোখের জল ফেলবো হতাশ হবো? যারা কখনো আমাকে চায়নি। তাইতো আজ খোলা আকাশে প্রাণ ভরে শ্বাস নিতে পারি। কারন আমার কোনো দুঃখ নেই। আমি একজন সুখি মানুষ।
দিনে ৩০টা করে ছবি তোলা মেয়েটা ৩০দিন মিলেও একটা ছবি তোলে না আর। বছরে বেশ কয়েকবার বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাওয়া ছেলেটা কয়েক বছরেও ব্যস্ততা আর দায়িত্ব এড়িয়ে কোথায় যেতে পারে না আর। সকাল-বিকাল মায়ের হাতে খাওয়া মেয়েটাই সংসারের ব্যস্ততার পরেও হাতে খাবার নিয়ে দৌড়াতে থাকে তারই ছোট্ট মেয়েটাকে খাওয়ানোর জন্য। যে ছেলেটা কিছু না ভেবেই দু'হাতে টাকা নষ্ট করতো সেই ছেলেটাই এখন টাকার পেছন দৌড়ায় - সংসার খরচ! তাছাড়া কিছু জমানোও তো লাগে। যে মেয়েটার মুখের হাসি বিলীন হতে দেয় না কখনোই তার পরিবারের কেউ, সেই মেয়েটাই আড়ালে খুব কেঁদে আবার দিব্যি হাসি মুখে ঘুরে। মনের চাপা কষ্ট বোঝে না কেউই। যে ছেলেটা কখনও কিছু না পেলে জেদ করে বসতো, সেই ছেলেটাই নিজের চাওয়া-পাওয়া ভুলে সন্তানের চাহিদা পূরণে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আসলে পরিস্থিতির পরিবর্তনে সবই সম্ভব।
এ কি মেঘাচ্ছন্ন আকাশের নিচে তুমি-আমি, অথচ দেখো যেনো যোজন-যোজন দূরে আমাদের বাস! কেউ কাউকে দেখতে পাই না; ছুঁতে চাওয়ারও আকুতি নেই কারো, শুধু অনুভবে হয় দীর্ঘশ্বাস এর খেলা। তুমি যেমন জানো,আমিও তো তাই! ভালোবাসার চাদরে আলতোভাবে মিশে থাকে বিরহের চোখের জল। প্রিয়তম, তোমাকে কাছে না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে; যদি কখনো আমি বৃদ্ধ হয়ে যাই! খুব বেশি কি ক্ষতি হয়ে যাবে বলো? পৃথিবী যখন তার আপন বুকে ঘুমিয়ে পড়ে! কয়েকটি অভিমানি তাঁরা মিটমিটিয়ে আলো জ্বালায়। এ কি শহরে তখনও তুমি_আমি, তবু__! গুমোট আঁধারে আমাদের প্রেমালাপ হয়না! আকাশে তখন মেঘের গর্জন হলে, আমি বুঝতে পারি; তুমি ভয়ে কাঁপছো থরথর করে। প্রিয়তম, তোমাকে একটিবার দেখতে না পারার যন্ত্রনা নিয়ে; যদি কখনো আমি বৃদ্ধ হয়ে যাই! খুব বেশি কি ক্ষতি হয়ে যাবে বলো? একাকীত্বের মধ্যে যে তীব্র ইচ্ছা জন্মায় মৃত্যুকে ছুঁয়ে দেখার, বুকে নীল রঙেরা এসে ভীড় জমায় তখন। এ কি মৃদু বাতাসের নিচে তুমি_আমি, তবু__ও সামাপ্তির উপন্যাস যেনো ক্রমশ গাড় রঙ ধারণ করে! মিথ্যে মায়ায় ক্ষতবিক্ষত হওয়া বুকে নরম আবরণের প্রলেপ পড়ে। অশ্রু কণায় স্বপ্নরা এসে উঁকি দিতে দিতে, আমি চির নিদ্রাই চলে যাই। বলো প্রিয়তম, তোমার অজান্তেই যদি; স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরে কোন একদিন বৃদ্ধ হয়ে যাই! খুব বেশি কি ক্ষতি হয়ে যাবে?
আমরা মহাশূণ্যে যখন আহারে জীবন গাচ্ছিলাম, পৃথিবী থেকে আমাদের সাথে আপনাদের গাওয়াও শুনতে পাচ্ছিলাম। খুব অবাক হলাম, এত যোজন যোজন দূর থেকে তো এ গান শুনতে পাওয়ার কথা না! পরে বুঝলাম অন্তরে অন্তর মিললে কি না সব সম্ভব।
"একটা নির্দিষ্ট সময় পরে ভালোবাসাটা আর থাকে না, যা থাকে তা কেবলই চাহিদা কিংবা অভ্যাস!" সারাজীবন একটা মানুষের সাথে খুব সুখে-শান্তিতে কাটিয়ে দেয়াটা তেমন কোনো ব্যাপার না। তবে সেখানে বোধহয় ভালোবাসা আর থাকে না। কেউ হয়তো প্রয়োজনের ফাঁদে সারাজীবন কাটিয়ে দেয়।আবার কেউবা চাহিদায় জড়িয়ে যায়। ভালো লাগা যেমন ধ্রুব ব্যাপার নাহ্, ভালোবাসাও ঠিক তেমনই! একটা সম্পর্কের কথাই ধরা যাক, প্রথম যখন সম্পর্কটা শুরু হয় তখন একে অপরের ভালোবাসায় হাবুডুবু খায়। কিছুদিন যাওয়ার পর আগ্রহটা কমে আসে। কেন এমন হয় আমার জানা নেই। তবে বেশির ভাগ সম্পর্কেই এমন হয়। কেউ কেউ সম্পর্কটাকে নিজের অভ্যাস বানিয়ে নেয়, আবার কেউ চাহিদা। কিন্তু সেই যে কোনো চাওয়া-পাওয়া ছাড়া ভালোবাসা নামক অনুভূতি সেটা ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়! ভালোবাসা হারিয়ে যাওয়াটা কেউ কখনো খেয়াল করে না কিংবা করেনি। খেয়াল করলে হয়তো কেউ চাহিদা বা অভ্যাস হয়ে যাওয়ার ভয়ে কখনো কোনো সম্পর্কে জড়াতো না, দূর থেকেই ভালোবাসতো। হাজার বছর ধরে পৃথিবী ভালোবাসাকে চাহিদা নয়তো অভ্যাস বানিয়ে একটা নিয়ম করে দিয়েছে।আমরা কেউ ই এই নিয়মের বাইরে নই। আচ্ছা...চাহিদা বা অভ্যাস না হয়ে যদি সারাজীবন ভালোবাসা...ভালোবাসা হয়েই থেকে যেতো তাহলে কেমন হতো? কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ভালোবাসা রং বদলায়!
ভার্চুয়াল এই জগতটা ফেইক হলেও অনুভূতিগুলো কখনো ফেইক হয় না। অনুভূতি ফেইক হলে প্রিয় মানুষটার একটা মেসেজের শব্দে বুকের ভেতরটায় ছলাৎ করে উঠতো না! ♥
তাকে আপনি বারবার নানানভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছেন, আপনি তাকে ছাড়া অর্থহীন! একটা মানুষকে আপনি আপনার দূর্বলতা জানিয়ে দিচ্ছেন! আপনি তাকে ছাড়া বাঁচতে পারেন না, তাকে ছাড়া আপনার সময় কাটে না! এই সব যখন সে জেনে যাবে, তখনই শুরু হবে অবহেলা! আর যাই হোক, আপনি ভালোবাসা পাবেন না! দয়া পাবেন! সে আপনাকে ছেড়ে যেতে চায়, আপনি হাজারও আকুতিমিনতি করছেন! হয়তো তাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলও করছেন! তাকে অনেক ভালোবাসেন তাই এসব করছেন, তাই তো? যে আপনাকে সত্যি ভালোবাসবে, তাকে এসব বুঝাতে হয় না! যে ভালোবাসবে সে আপনার নীরবতার মাঝেও ভালোবাসা খুঁজে নেবে! তাকে ইমোশনাল করে, আকুতিমিনতি করে আগলে রেখে ভালোবাসা আদায় করছেন! আকুতিমিনতি করে ভালোবাসা পাওয়া যায় না, দয়া পাওয়া যায়! কি দরকার এমন ভালোবাসার? যেখানে নিজেকে ছোট করে, নিজের সুখগুলো বিসর্জন দিয়ে অন্যের দেয়া দুঃখ বয়ে বেড়াতে হয়?
আমার ব্যাগ ভর্তি চিঠি। খুব অগোছালো হাতের লেখায় লেখা মোট একশ তেরটা চিঠি। রোজ গুনে দেখতাম। পড়তে পড়তে চোখ ভিজে যেতো। কোচিং থেকে ফিরে প্রথম কাজ ছিলো ওর চিঠি পড়া এবং যত্ন করে সেই চিঠির উত্তর লেখা। কখনো চিঠির ভেতরে থাকতো একটা শুকনো গোলাপ কিংবা গ্লিটার পেনে আঁকা হিজিবিজি নকশা। প্রতিটা লাইন পড়তাম আর একটা করে হার্টবীট মিস হতো। লেখা এমন আহামরি কিছু না, দিন কিভাবে কেটেছে, কার কার সাথে দেখা হয়েছে, সামনে পরীক্ষা নিয়ে কি ভাবছে আর আমাকে ছোট্ট করে লেখা ভালোবাসি। হ্যাঁ আমার প্রথম প্রেম। খুব অগোছালো এলোমেলো কিশোর-কিশোরীর প্রেম। সাত মাস পরেই ভেঙে চূর্ণ হয়ে গেলো আমার পৃথিবী। মনে আছে বাথরুমের আয়নায় নিজেকে দেখেও চোখ নামিয়ে নিচ্ছিলাম বারবার, ডুকরে ডুকরে কেঁদে ওঠা আমাকে দেখার সাহস আমার ছিলো না। কান্নার শব্দ আম্মু শুনে ফেলবে, এই ভয়ে মুখে হাত চেপে ধরেছিলাম। পানির শব্দে চাপা পড়া কান্নার স্রোত আমাকে ভাসিয়ে নিচ্ছিলো নিরন্তর অন্ধকারে। সন্ধ্যায় আলো নিভিয়ে বসেছিলাম। আম্মু কেমন করে যেন টের পেয়ে গেলো আমি ভালো নেই। বুঝে গেলো তার পনের বছরের কিশোরী মেয়েটা হঠাৎ করে শূন্যতায় হারিয়ে গেছে। অপমানে, যন্ত্রণায়, কুঁকড়ে যাওয়া বাচ্চাটার পাশে তাকে খুব দরকার। আম্মু ঠিকই বুঝেছিলো। তাই খুব শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলো। অভিশাপ দেয়নি, সান্ত্বনা দিয়ে কাছে টেনে নিয়েছিলো। বন্ধুরাও একটু একটু করে প্রলেপ লাগিয়েছিলো আমার পুড়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাসে। জীবনে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, ঝড়ের মত এসেছে নতুন ভালোবাসা। চলার পথে বহুবার মুখোমুখি হয়েছি ওর। ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছে। ধীরে ধীরে বুঝেছি, আমরা দুজন খুব আলাদা তাই এক সাথে থাকা হয়নি। কিন্তু অনুভূতিগুলো তো মিথ্যে ছিলো না। তাই এখনো যখন হঠাৎ কল করে জিগ্যেস করে, 'কেমন আছো?' তখন ভালো লাগে। সেখানে ভালোবাসা থাকে না, থাকে নিছক পুরাতন বন্ধুর আকুতি। টুকটুকে বৌ হয়েছে ওর। ওদের দুজকে বেশ লাগে এক সাথে। আমাকে কেউ যদি জিগ্যেস করে ভালোবাসা মানে কি, আমি সব সময় যে কথাটা বলি, ভালোবাসার কোনো মানে হয় না। ভালোবাসা সময়ের সাথে সাথে বদলায়, কেউ স্মৃতি হয়ে যায়, কেউ হয় বর্তমান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যে মানুষটি হৃদয় জয় করে পাশে থাকে, সমস্ত উষ্ণতা দিয়ে জড়িয়ে থাকে, যে অতীতের ভুলে নিজের শুদ্ধতার ছাপ একে দেয়, সেটাই ভালোবাসা আর অতীতটা ছিলো ভালোবাসার অনুশীলন। জরুরী হলো চলে যাওয়া সম্পর্কের মাঝে যেন ঘৃণা না থাকে, সুসম্পর্ক না থাকুক অন্তত কখনো দেখা হলে যেন মুখ লুকিয়ে পালিয়ে যাবার মত তিক্ততা তৈরি না হয়। মেয়েটা যেন মাগী আর ছেলেটা যেন প্রতারক না হয়। বন্ধুত্ব না হোক, অন্তত এক টুকরো হাসিতে মিশে থাকে স্বাভাবিক আন্তরিকতা।
ভালোবাসার গল্প আর ভালো থাকার গল্প কখনও একইরকম হয় না। দু'টো একদম ভিন্ন বিষয়। দেখা যায়, একটা মানুষ তার প্রিয় মানুষকে হাজার ভালোবাসলেও বাস্তবতা কিংবা উদাসীনতার কারণে একে অপরকে কখনও ভালো রাখতে পারে না। সহজভাবে বলতে গেলে, সেখানে হাজার কেন কোটি বছরের ভালোবাসা থাকলেও, ভালো না থাকতে পারলে সে ভালোবাসার কোনো দাম থাকে না। ভালোবাসার গল্প মোটামোটি প্রায় সব মানুষের"ই থাকে। কিন্তু, সবাই ভালোবাসলেও ভালো আর ক'জন থাকে। মোটকথা, ভালোবাসার গল্প সবার থাকলেও ভালো থাকার গল্প সবার থাকে না। ভালোবেসে মানুষ ঘর বাঁধলেও ভালো আর থাকতে পারে না। কারণ তারা শুধু ভালোটাই বাসতে পারে, একে অপরের মনের কথাটা আর বুঝতে পারে না। সবমিলিয়ে, সে গল্পটা ভালোবাসার হলেও ভালো থাকার মোটেও নয়। আর সত্যি বলতে অন্তত আমার তো মনে হয়, ভালোবাসার চেয়ে ভালো থাকাটা বেশি জরুরি। প্রিয় মানুষটা যদি আপনার মনের কথা বুঝে আপনাকে ভালো রাখতে পারে, তখন দেখবেন ভালোবাসাটাও আপনাআপনি আপনাদের জীবনের গল্পে মিশে আছে।
প্রত্যেকের বুকের নিভৃতে কিছু দগ্ধ আছে, ক্ষত লুকানো থাকে, কিছু অসম্পূর্ণ নির্মান ভাংগাচোরা গেরস্থালি ঘরদোর, প্রত্যেকের নিজস্ব কিছু নিদ্রাহীন রাএি থাকে যাকে চিরদিন নষ্ট নোখের মতো রেখে দিতে হয় কোমল অনিচ্ছার বাগানে, যাকে লুকিয়ে রাখাতেই সুখ, নিজের নিভৃতে রেখে; গোপনে পোড়াতেই একান্ত পাওয়া ।
শুধু একটা চাকরির অভাবে কত অঞ্জন দত্ত হারায় তার বেলা বোসকে, দায়িত্ব কী শুধু অঞ্জনের? বেলাও তো পারে চাকরি করে অঞ্জনের হাত ধরতে!
হিউম্যান সাইকোলোজি বলে ; , ১.যদি কোনো মানুষ খুব বেশী হাসে, এমনকি সামান্য কোনো কারণেও হাসি চেপে রাখতে পারে না তবে সে নিজেকে সবসসময় খুব একা ফিল করে। ২.যদি কোনো মানুষ অল্পতেই ঘন ঘন রেগে যায় তবে তার ভালোবাসার প্রয়োজন আছে । ৩.যদি কোনো মানুষ অনেক ঘুমায় তবে সে একজন দুঃখী মানুষ । ৪.যদি কোনো মানুষ খাবার সময় সভ্য ভাবে না খায় তবে সে কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তিত । ৫.যদি কোনো মানুষ সবসময় কম কথা বলে এবং যখন কথা বলে তখন খুব দ্রুত কথা বলে তবে সে কিছু লুকাতে চায় । ৬.যদি কোনো মানুষ খুব সামান্য ব্যাপারেই কেঁদে ফেলে তবে সে খুব নরম মনের মানুষ । ৭.যদি কোনো মানুষ কখোনো না কাঁদে বা কাঁদতে না জানে তবে সে জীবনে অনেক বড় কোনো ব্যথা পেয়েছে। ৮.যদি কোনো মানুষ সবসময় নিজেকে সবার সামনে সুখী প্রমাণ করতে চায় তবে সে তার বাস্তব জীবনে খুবই অসুখী । ৯.যদি কোনো মানুষ রাগ চেপে রাখে তবে সে বড্ড অভিমানী । ১০.যদি কোনো মানুষ বার বার প্রতারিত হয়েও খুব সহজে সবকিছু বিশ্বাস করে তবে সে খুব সরল মনের মানুষ ।
মনে পড়ে সেই ফেলে আসা গান, দুষ্স্টমি আর হাসির মাঝে একটু অভিমান। ক্লাসের আড্ডার বেঞ্চে বসে ঘুম, স্মৃতির পাতা উল্টিয়ে দেখি আজ নিরব সেই ক্লাসরুম।
সোনার তরী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা। রাশি রাশি ভারা ভারা ধান কাটা হল সারা, ভরা নদী ক্ষুরধারা খরপরশা। কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা। একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা, চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা। পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়ামসীমাখা গ্রামখানি মেঘে ঢাকা প্রভাতবেলা– এ পারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা। গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে, দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে। ভরা-পালে চলে যায়, কোনো দিকে নাহি চায়, ঢেউগুলি নিরুপায় ভাঙে দু-ধারে– দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে। ওগো, তুমি কোথা যাও কোন্ বিদেশে, বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে। যেয়ো যেথা যেতে চাও, যারে খুশি তারে দাও, শুধু তুমি নিয়ে যাও ক্ষণিক হেসে আমার সোনার ধান কূলেতে এসে। যত চাও তত লও তরণী-‘পরে। আর আছে?– আর নাই, দিয়েছি ভরে। এতকাল নদীকূলে যাহা লয়ে ছিনু ভুলে সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে– এখন আমারে লহ করুণা করে। ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই– ছোটো সে তরী আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি। শ্রাবণগগন ঘিরে ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে, শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি– যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী।
ফ্রাস্ট্রেশন-ডিপ্রেশন ওয়ার্ড দুইটা আমার ডিকশনারিতে ছিলোনা বললেই চলে! শুধু প্রেমে ছ্যাকা খাইলেই ডিপ্রেশন আসেনা।সেপারেশন আসলেই ফ্রাস্ট্রেশন আসেনা! ফ্রাস্ট্রেশন তখন আসে যখন তুমি তোমার আসেপাশের টুফেসড মানুষদের চিনবা!যে তোমাকে সবচেয়ে ভালো বন্ধু বানাবে,মুখে বলা বোন বানাবে,তোমাকে ফিল করাবে,তোমাকে পেয়ে সে বা তারা ধন্য!তারপর তোমার সবকিছু জেনে তোমাকে ব্যাকবাইট করবে!তোমার প্রতি জেলাসি নিয়ে তোমার সবকিছু কেড়ে নিবে!তখন তোমার মনে হবে একটু বন্ধুত্ব ছাড়া তো কিছু চাইনি!এতকিছু পেলাম কেন তাহলে?তখন এ মানুষের ফ্রাস্ট্রেশন আসবে। যখন তোমার আশেপাশের মানুষের কাছ জেলাসি ছাড়া আর কিছুই দেখবানা তখন তোমার ফিল হবে ব্যাপারটা এমন হলো কেনো!ব্যাপারটা সুন্দর হলে ও তো পারতো।তখন মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগে। আমি মানুষ চিনি খুব দেরিতে!কিন্তু এখন চিনি!প্রতিনিয়ত কাউকে না কাউকে চিনতেছি।বড় হচ্ছি ধীরে ধীরে! আমি যখন ছোট ছিলাম ভাবতাম কবে বড় হবো!বড় হওয়ার তীব্র ইচ্ছায় ছোটবেলা টা পার করেছি।এখন নিজের উপর রাগ হয়!কেন বড় হতে চেয়েছিলাম? আমাকে কিছুদিন আগে একজন জিজ্ঞাসা করেছিলো আমার ক্লোজ ফ্রেন্ড কয়জন?অদ্ভুতভাবে উত্তর দিয়েছিলাম *একজন ও নাহ*! আসলে একসাথে চিল করলে বন্ধু হওয়া যায়না। সেল্ফি তুলে চেকিইন দিলেই ক্লোজ হওয়া যায়না। অনেক অনেক ট্যুর আর হ্যাংগাউট এরেঞ্জ করলেই বেস্টবাডিজ হওয়া যায়না! তুমি যখন একজনের ঘাড়ে নিজের চোখের পানি ফেলে কমফোর্ট খুজতে যাবা আর পরক্ষনেই বুজবা তার কাছে তোমার চোখের পানির বিন্দু মাএ দাম নেই।সবকিছু *শো অফ* তখন মনে হবে *বন্ধু বান্ধবী* শব্দ গুলা শুধুই হাইলেভেলের একটা ব্যাডবাজ।কলেজ,ভার্সিটির ক্ষেত্রে এটা একটু বেশিই হাইলেভেলের। তারপর একটা কথা আছেনা?দেয়ার উইল বি এ হোপ অলওয়েজ? সেই হোপ টা হলো ফ্যামিলি আর দুর্ভাগ্যক্রমে হাতে পাওয়া দু একজন কাছের মানুষ ❤ লাইফে অনেক ফ্রেন্ড আসে যায়, স্কুল ফ্রেন্ড গুলই রিয়েল হয়ে থেকে যায় ❤❤❤
২০১০-২০১৯ অসাধারণ একটি দশক শেষ হচ্ছে। • স্কুল পেরিয়ে কলেজ • কলেজ পেরিয়ে ভার্সিটি • বাটন ফোনের ফেসবুকিং থেকে ফেসবুক লাইভ • হুমায়ূন আহমেদ থেকে প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদ • নিরাপদ সড়ক আন্দোলন • গেইম অব থ্রোন্স সিজন ১ থেকে ফাইনাল সিজন ৭ • এল ক্লাসিকোতে মেসি - রোনালদোর মুখোমুখি খেলা। • ২০১০ এর ভোর ৫ টায় ঘুম থেকে উঠা থেকে ২০১৯ এ ভোর ৫ টায় ঘুমোতে যাওয়া। • নিচে নেমে খেলতে আয় থেকে গেইমে আয়। • মাগরিব এর সাথে সাথে বাসায় ফেরা থেকে অনিশ্চিত সময়ের জন্য একা দেশের বাইরে চলে যাওয়া। • অনেক ছুটির ডিসেম্বর থেকে এক্সামে জর্জরিত ডিসেম্বর। • তিন মাস শীত থেকে জাস্ট তিন সপ্তাহ শীত। • মাশরাফির বিদায়। • স্কুল লাইফের বন্ধু থেকে ভার্সিটির ফ্রেন্ড। • বাবা মা এর সাথে ঘুরতে যাওয়া থেকে বন্ধুদের নিয়ে ট্যুরে যাওয়া। • আইয়ুব বাচ্চু থেকে প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চু। • একজন আয়রন ম্যান আছে থেকে একজন আয়রন ম্যান ছিলেন। • শুক্রবার মানে ছুটির দিন থেকে শুক্রবার মানে অনেক ব্যস্ততা। • টিউশন টিচারের কাছে পড়া থেকে নিজে টিউশনি করানো। • রসআলো পড়ার জন্য প্রথমআলো কেনা থেকে পুরোনো রসআলো pdf পড়া। • ছোট্ট কিউট আমি থেকে বিশাল বিদঘুটে আমি। • একা থাকতে ভয় পাওয়া থেকে একা থাকতেই ভালোলাগা। দশটা বছরে পরিবর্তন ঘটেছে এমন হাজারো ব্যাক্তিগত, পারিপার্শ্বিক উপাদানের। খুব ভাগ্যবান একটি প্রজন্ম বড় হচ্ছে এত এত স্মৃতি নিয়ে। ভালোলাগা, খারাপলাগা মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে। এই দশকের যে কজন প্রিয় মুখ শুরু থেকে এখন অবদি আছেন তারা যেন পরের দশকেও থাকেন সেই প্রত্যাশা করছি। দশকের পর দশক পেরিয়ে বুড়ো হয়ে যাবো একসময়। শেষ বিকেলে জানালার পাশে বসে সূর্যের পরাজিত সাম্রাজ্যে আশেপাশে ছেলেমেয়েদের ডেকে শোনাবো এসব গল্প।