অাটোসাটো হয়ে রিকশাতে বসি কোণে, পাশে আছো তুমি, ভেবে নেই মনে মনে। দেখি নাতো আমি সুন্দরী কোনো মেয়ে, ভেবে নেই তুমি আঁড়চোখে আছো চেয়ে। গভীর নিশীথে জোছনার পানে চাই, ভেবে নেই তুমি দেখছো সে চাঁদ, তোমারেই খুঁজে পাই। প্রতি রাতে ভিজি, আমি বৃষ্টির জলে, সাথে ভিজো তুমি, তবে ভাবোনার ছলে। কবিতাই লিখি আমিতো সকাল সাঝে, ভেবে নেই তুমি, আছো কবিতার মাঝে। পড়ছো না জানি, আমার কবিতা এই, ভেবে সুখ পাই, তবু আমি নীরবেই। যদি দেখি আমি, অপরূপ কোনো ফুল, ভাবি শুধু আমি, তোমারই খোলা চুল। সময়তো নেই, ব্যস্ত ভিষণ তুমি, ভাবনা বিলাসে ডুব দেই,তাই আমি।
@sumaiyakter
Joined 12 September 2020 · 70 posts
120 KT
0 KT received · 0 KT given
Posts
যেদিন তুমি শাড়ি পড়বে সেদিন বাসায় শুধু তোমার কথাই চলবে। যেদিন তুমি শাড়ি পড়বে সেদিন আমার চোখ শুধু তোমায় দেখবে, তোমার চুলের আর গলার সুভাস নিবে। যেদিন তুমি শাড়ি পড়বে সেদিন তোমার কুচিতে হারিয়ে যাবো বাতাস হয়ে তোমার পেটের অনাবৃত অংশ শীতল করব। যেদিন তুমি শাড়ি পড়বে সেদিন ভুলে যাবো নিত্যদিনের কাজ, ভুলে যাবো বাধা, ভুলে যাবো রাগ অভিমান। তোমার শাড়ির ভাজে ভাজে ঢুকে তোমায় ভালোবাসবো। যেদিন তুমি শাড়ি পড়বে সেদিন বাসায় শুধু তোমার কথাই চলবে...
আজ আমার গল্পে তুমি "প্রাক্তন" অন্য কারো গল্পে তুমি বর্তমান। দু'দিন পর ঠিক আমার মতো করে অন্য কারো গল্পে তুমি "প্রাক্তন" চরিত্রের একজন অভিনেত্রী হবে না তো? মনে রেখো, জীবনের হিসাব বড়ো কঠিন, সময়ের প্রতিশোধ বড়োই নির্মম।
কী ভালো আমার লাগলো আজ এই সকালবেলায় কেমন করে বলি? কী নির্মল নীল এই আকাশ, কী অসহ্য সুন্দর, যেন গুণীর কণ্ঠের অবাধ উন্মুক্ত তান দিগন্ত থেকে দিগন্তে; কী ভালো আমার লাগলো এই আকাশের দিকে তাকিয়ে; চারদিক সবুজ পাহাড়ে আঁকাবাঁকা, কুয়াশায় ধোঁয়াটে, মাঝখানে চিল্কা উঠছে ঝিলকিয়ে। তুমি কাছে এলে, একটু বসলে, তারপর গেলে ওদিকে, স্টেশনে গাড়ি এসে দাড়িয়েঁছে, তা-ই দেখতে। গাড়ি চ’লে গেল!- কী ভালো তোমাকে বাসি, কেমন করে বলি? - বুদ্ধদেব বসু।
প্রতি পূর্ণিমার মধ্যরাতে একবার আকাশের দিকে তাকাই গৃগত্যাগী হবার মতো জোছনা কি উঠেছে? বালিকা ভুলানো জোছনা নয়। জে জোছনায় বালিকারা ছাদের রেলিং ধরে ছুটাছুটি করতে করতে বলবে- ওও মাগো, কি সুন্দর চাঁদ! নবদম্পতীর জোছনা ও নয়। জে জোছনা দেখে স্বামী গাড় স্বরে স্ত্রী কে বলবেন- দেখো দেখো নিতু চাঁদটা তোমার মুখের মতোই সুন্দর। কাজলা দিদির স্যাঁতস্যাঁতে জোছনা নয়। জে জোছনা বাসি স্মৃতি পূর্ণ ডাস্টবিন উল্টে দেয় আকাশে।কবির জোছনা নয়।জে জোছনা দেখে কবি বলবেন- কি আশ্চর্য রুপার থালার মতো চাঁদ। আমি স্বিদ্ধার্থের মতো গৃগত্যাগী জোছনার জন্য বসে আছি। জে জোছনা দেখা মাএ গৃগের সমস্ত দরজা খুলে যাবে।
এক জরাগ্রস্ত বৃদ্ধ ছিলেন নিজ মনে আপন ভুবনে। জরার কারনে তিনি পুরপুরি বৃক্ষ এক। ,বাতাসে বৃক্ষের পাতা কাঁপে,তার কাঁপে হাতের আঙ্গুল। বৃদ্ধের সহযাত্রী জবুথবু - পা নেই,শুধু পায়ের স্মৃতি পড়ে আছে। সেই স্মৃতি ঢাকা থাকে খয়েরি চাদরে। জরাগ্রস্ত বৃদ্ধ ভাবে চাদরের রংটা নীল হলে ভালো ছিল। স্মৃতির রং সবসময় নীল।
এই যাত্রায় বেঁচে গেলে শুধরে নেবো জীবনের ভুলগুলো। সমন্বিত করবো সকল অপরিশোধিত লেনদেন। কথা দিলাম।
একদিন খুব রোদ পড়বে। চোখ বন্ধ করলেই দেখবে শক্ত কালো পিচ ফেটে মাধবীলতা জন্মেছে। সেদিন ডেকে নিও, যদি মনে পড়ে। যদি প্রয়োজন হয়। যদি কথা খুঁজে পাও। এমনকি যদি বৃষ্টিতে ভিজতেও ভয় হয়।
আচ্ছা কেউ কি বলতে পারবেন ইদানীং আইডি ব্লক হয়ে যায় কেন?আমার ২ টা আইডি ব্লক হয়ে গেছে,এটা আজকে খুলছি।কারো শিউর ভাবে জানা থাকলে বলেন।আর যারা জানেনা তারা ও পাশে থাকেন আশা করি আমি আপনি আমরা সবাই উপকৃত হবো।ধন্যবাদ।
There is a garden in every childhood, an enchanted place where colors are brighter, the air softer, and the morning more fragrant than ever again.