All things sharky! Have you ever come close to a great white shark? Our guest tonight, Sian Liddy, has and she loved it. After all, she does it for a living and in the name of science. Sian is a PhD candidate and shark microbial ecologist at the University of New South Wales and Sydney Uni. She studies the microbial communities that live in and on the sharks. Cat chats with Sian about the importance of those microbes and what other creatures call sharks their home. Listen in to the interview here: bit.ly/BoilingPointScience | https://eastsidefm.org/series/boiling-point | or wherever you get your podcasts from
@mahmudakter
Joined 12 September 2020 · 77 posts
120 KT
0 KT received · 0 KT given
Posts
HIV special – An (almost) forgotten virus Corona virus is keeping the world on its toes. But what about HIV? The Human Immunodeficiency Virus, HIV, might not be in the headlines as much as in the 80s and 90s anymore but it’s still very much alive and kicking. Cat chats with UNSW Specialist and Researcher Dr Nicholas Medland about the state of knowledge, research and treatment of this once deeply feared of all viruses. Get your update on HIV in Australia… Listen in to the interview here: bit.ly/BoilingPointScience | https://eastsidefm.org/series/boiling-point | or wherever you get your podcasts from Side Note: World AIDS Day was the first-ever global health day. World AIDS Day, observed each year on December 1, is an opportunity for people worldwide to unite in the fight against HIV, show their support for people with HIV, and remember those who have died from an HIV-related illness. Source: https://www.cdc.gov/hiv/library/awareness/wad.html
Is losing money in your investments the worst thing that can happen to you? A Bitcoin investor may lose millions of dollars in Bitcoin due to the forgotten password. In this digital age, it is not easy to remember so many passwords. But in the case of Bitcoin, you will end up losing your fortunes if you forget your account password. This is one of the many reasons why you should be cautious about investing in cryptocurrencies. Watch as Aprajita Sharma, Business Today talks about measures to keep the bitcoin passwords safe in detail.
১৯৭০ সালের পর থেকে সৌর সময়ের সাথে মিল রাখতে বিজ্ঞানীরা তাদের এটমিক ঘড়িতে এখন পর্যন্ত মোট ২৭ লিপ সেকেন্ড যোগ করেছে। কিন্তু এই প্রথমবারই তারা ‘নেতিবাচক লিপ সেকেন্ড’ যোগ করার চিন্তা করছেন। এর কারণ, কয়েক দশক ধরে পৃথিবী তার একটি পূর্ণ ঘূর্ণন সম্পন্ন করতে 24 ঘন্টা চেয়ে কিছুটা বেশি সময় নিয়েছে। কিন্তু গত বছর থেকে পৃথিবী কিছুটা কম সময় নিচ্ছে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন নিচের লিংকে। https://www.mohakashbiggan.com/বৃদ্ধি-পেয়েছে-পৃথিবীর-আহ্নিক-গতি-২৪-ঘন্টার-কম-সময়েই-পূর্ণ-হচ্ছে-দিন/
Ever wonder what a black hole image looks like in 4K quality? This simulation shows what one might look like.The black hole itself is the shadow orb seen in the center. No light can escape from this region. A cloud of blazing-hot gas called the accretion disk swirls all around it. This cloud creates the iconic orange ring made famous by the first black hole picture. Thankfully, by the Grace of Almighty Allah, black holes are very far away from Earth. They are so far that the EHT needed the resolving power of an Earth-sized telescope to produce the first black hole image. While you might think that iconic image is blurry compared to this one, it’s actually one of the highest angular resolution images ever captured. Image credit: Bronzwaer, Moscibrodzka, Davelaar and Falcke, Radboud University 2017. C- @ehtelescope Resources: Accretion Disk: https://svs.gsfc.nasa.gov/13326 EHT: https://eventhorizontelescope.org/ Follow The Dumb Space - দি ডাম্ব স্পেইস to know more!
প্লুটো কেনো গ্রহ নয়??? ১৯৩০ সালে আবিষ্কারের পর থেকে ৯০ দশক পর্যন্ত সবচেয়ে ছোট এবং কিউট নাম বিশিষ্ট প্লুটোকে মানুষ গ্রহ হিসেবেই চিনে এসেছে । কিন্তু ঝামেলাটা শুরু হল তখনি যখন ৯০ পরবর্তীতে বিজ্ঞানীরা তর্কে লেগে গেলেন প্লুটোকে নিয়ে । অবশেষে ২০০৬ সালের ২৪শে আগস্ট প্লুটোকে চিরতরে বাদ দিয়ে দেয়া হল গ্রহের তালিকা থেকে। বেচারা প্লুটো কি দোষ করেছিল বা তার কি যোগ্যতার অভাব ছিলো তা জানার আগে চলুন জেনে নিই তার ইতিহাস সম্পর্কে। ক্লাইড টমবো” নামের ২৩ বছরের এক তরুন ১৯৩০ সালে আবিষ্কার করেন প্লুটো গ্রহ। আবিষ্কারক ক্লাইড টমবো প্লুটোকে নিয়ে অসন্তোষ দেখা যেতে থাকে যখন এর একটি উপগ্রহ আবিষ্কার করা হয়, যা কিনা প্লুটোর চেয়েই আকারে বড়! এটা গ্রহের নিয়মের পরিপন্থী । এছাড়া বিজ্ঞানীরা পরে আরো কিছু বস্তু আবিষ্কার করেন যাদের ভর প্লুটোর ভরের চেয়ে বেশী।তাহলে তারাও তো নিজেকে দাবি করতেই পারে গ্রহের খাতায় নাম লেখানোর জন্য। তবে কি সবাইকেই গ্রহের মর্যাদা দেয়া হবে??? এমতাবস্থায় বিজ্ঞানীর গ্রহের মর্যাদার যোগ্য হবার জন্য তিনটি যোগ্যতার মাপকাঠি নির্ধারণ করে দেন । যদি এই মর্যাদার পরীক্ষায় প্লুটো উত্তীর্ণ হতে পারে তাহলেই সে পাবে গ্রহের মর্যাদা । তো কি সেই তিনটি যোগ্যতা? চলুন দেখে নিই । ১। সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরতে হবে । ২। যথেষ্ট পরিমাণ ভর থাকতে হবে যেন তার অভিকর্ষীয় শক্তির মাধ্যমে নিজেকে গোলাকার আকার ধারণ করাতে পারে। ৩। কক্ষপথে ঘোরার সময় তার আশেপাশের শক্তিশালী প্রভাব থাকতে হবে যেন তার আশে পাশে অবস্থিত ঘোরায় বাধা সৃষ্টিকারী বস্তু সমূহ দূর হয়ে যায়। প্রথম পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে পাশ করে গেলেও শেষ দুইটিতে এসে আমাদের প্লুটো বেচারা একেবারেই ফেল । এসব দিক বিবেচনা করেই এর পরে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে । আর এভাবেই , আমাদের ছোটবেলায় পড়ে আসা গ্রহের তালিকা থেকে বাদ পড়ে যায় প্লুটো । প্লুটো সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য: ১। প্লুটো আকারে প্রায় চাঁদের সমান। ২। সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে এর সময় লাগে ২৪৮ বছর। ৩। সূর্য থেকে প্লুটোতে আলো পৌছাতে সময় লাগে পাঁচ ঘন্টা যেখানে পৃথিবীতে লাগে মাত্র আট মিনিট। পরিশেষে আশা করি প্লুটো একদিন তার হারানো সম্মান ফিরে পাবে!
ইতিহাস ইতিহাস অনেক মহান মহান ব্যক্তিত্বদের কৃতকর্ম লিপি করে রেখেছে তার পাতায়। সেই পাতাগুলোতে কখনও ধুলো জমে যাবে নাহ্। ধুলো না জমা সেই পাতা থেকে আজ তুলে ধরছি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর কথা। যার সম্পর্কে লিখতে গেলে এই ফেইসবুকের পোস্টের শব্দের সীমানা পাড়ি দিয়ে দিবে। তারপরও বাকি থেকে যাবে অনেক কিছু। যতটুকু সম্ভব তুলে ধরলাম। আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের। সুভাষচন্দ্র বসু, জন্ম: ২৩ জানুয়ারি, ১৮৯৭ – মৃত্যু: একটি রহস্য ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক কিংবদন্তি নেতা। তিনি নেতাজী নামে সমধিক পরিচিত। সুভাষচন্দ্র পরপর দু-বার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। কিন্তু মহাত্মা গান্ধির সঙ্গে আদর্শগত সংঘাত এবং কংগ্রেসের বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ নীতির প্রকাশ্য সমালোচনা বিরুদ্ধ মত প্রকাশ করার জন্য তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়। সুভাষচন্দ্র মনে করতেন গান্ধিজির অহিংসার নীতি ভারতের স্বাধীনতা আনার ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়। এই কারণে তিনি সশস্ত্র বিদ্রোহের পক্ষপাতী ছিলেন। সুভাষচন্দ্র ফরওয়ার্ড ব্লক নামক একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করে ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারতের পূর্ণ ও সত্বর স্বাধীনতার দাবি জানাতে থাকেন। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ তাঁকে এগারো বার কারারুদ্ধ করেছিল। তাঁর বিখ্যাত উক্তি "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো।" দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঘোষিত হওয়ার পরেও তাঁর মতাদর্শের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি; বরং এই যুদ্ধকে ব্রিটিশদের দুর্বলতার সুবিধা আদায়ের একটি সুযোগ হিসেবে দেখেন। যুদ্ধের সূচনালগ্নে তিনি লুকিয়ে ভারত ত্যাগ করে সোভিয়েত ইউনিয়ন, জার্মানি ও জাপান ভ্রমণ করেন ভারতে ব্রিটিশদের আক্রমণ করার জন্য সহযোগিতা লাভের উদ্দেশ্যে। জাপানিদের সহযোগিতায় তিনি আজাদ হিন্দ ফৌজ পুনর্গঠন করেন এবং পরে তার নেতৃত্ব দান করেন। এই বাহিনীর সৈনিকেরা ছিলেন মূলত ভারতীয় যুদ্ধবন্দি এবং ব্রিটিশ মালয়, সিঙ্গাপুরসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে কর্মরত মজুর। জাপানের আর্থিক, রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও সামরিক সহায়তায় তিনি নির্বাসিত আজাদ হিন্দ সরকার প্রতিষ্ঠা করেন এবং আজাদ হিন্দ ফৌজের নেতৃত্বদান করে ব্রিটিশ মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে ইম্ফল ও ব্রহ্মদেশে (বর্তমান মায়ানমার) যুদ্ধ পরিচালনা করেন। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে নাৎসি ও অন্যান্য যুদ্ধবাদী শক্তিগুলির সঙ্গে মিত্রতা স্থাপনের জন্য কোনো কোনো ঐতিহাসিক ও রাজনীতিবিদ সুভাষচন্দ্রের সমালোচনা করেছেন; এমনকি কেউ কেউ তাঁকে নাৎসি মতাদর্শের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন বলে অভিযুক্ত করেছেন। তবে ভারতে অন্যান্যরা তাঁর ইস্তাহারকে রিয়েলপোলিটিক (নৈতিক বা আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বদলে ব্যবহারিক রাজনীতি)-এর নিদর্শন বলে উল্লেখ করে তাঁর পথপ্রদর্শক সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবাদর্শের প্রতি সহানুভূতি পোষণ করেছেন। উল্লেখ্য, কংগ্রেস কমিটি যেখানে ভারতের অধিরাজ্য মর্যাদা বা ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাসের পক্ষে মত প্রদান করে, সেখানে সুভাষচন্দ্রই প্রথম ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার পক্ষে মত দেন। জওহরলাল নেহরু সহ অন্যান্য যুবনেতারা তাঁকে সমর্থন করেন। শেষপর্যন্ত জাতীয় কংগ্রেসের ঐতিহাসিক লাহোর অধিবেশনে কংগ্রস পূর্ণ স্বরাজ মতবাদ গ্রহণে বাধ্য হয়। ভগৎ সিংয়ের ফাঁসি ও তাঁর জীবন রক্ষায় কংগ্রেস নেতাদের ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ সুভাষচন্দ্র গান্ধি-আরউইন চুক্তি বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন। তাকে কারারুদ্ধ করে ভারত থেকে নির্বাসিত করা হয়। নিষেধাজ্ঞা ভেঙে তিনি ভারতে ফিরে এলে আবার তাকে কারারুদ্ধ করা হয়। মনে করা হয় ১৯৪৫ সালের ১৮ অগস্ট তাইওয়ানে একটি বিমান দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। তবে তার এই তথাকথিত দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর বিরুদ্ধ প্রমাণও বিদ্যমান। প্রথম জীবন: ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ জানুয়ারি, বর্তমান ওডিশা রাজ্যের কটক শহরে (ওডিয়া বাজার) জন্মগ্রহণ করেন সুভাষচন্দ্র বসু। তিনি ছিলেন কটক-প্রবাসী বিশিষ্ট বাঙালি আইনজীবী জানকীনাথ বসু ও প্রভাবতী দেবীর চৌদ্দ সন্তানের মধ্যে নবম। ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত সুভাষচন্দ্র একটি কটকের ইংরেজি স্কুলে পড়াশোনা করেন; বর্তমানে এই স্কুলটির নাম স্টুয়ার্ট স্কুল। এরপর তাকে ভর্তি করা হয় কটকের রাভেনশ কলেজিয়েট স্কুলে। সুভাষচন্দ্র ছিলেন মেধাবী ছাত্র। ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় কলকাতা থেকে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি। ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে দর্শনে সাম্মানিকসহ বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর সুভাষচন্দ্র কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজউইলিয়াম হলে উচ্চশিক্ষার্থে ভরতি হন। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ভাল নম্বর পেয়ে তিনি প্রায় নিয়োগপত্র পেয়ে যান। কিন্তু বিপ্লব-সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সেই নিয়োগ প্রত্যাখ্যান করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, "কোনো সরকারের সমাপ্তি ঘোষণা করার সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা হল তা থেকে [নিজেকে] প্রত্যাহার করে নেওয়া"। এই সময় অমৃতসর হত্যাকাণ্ড ও ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দ দমনমূলক রাওলাট আইন ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের বিক্ষুব্ধ করে তুলেছিল। ভারতে ফিরে সুভাষচন্দ্র 'স্বরাজ' নামক সংবাদপত্রে লেখালেখি শুরু করেন এবং বঙ্গীয় প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির প্রচারের দায়িত্বে নিযুক্ত হন। তার রাজনৈতিক গুরু ছিলেন বাংলায় উগ্র জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দে দেশবন্ধু যখন কলকাতা পৌরসংস্থার মেয়র নির্বাচিত হন, তখন সুভাষচন্দ্র তার অধীনে কর্মরত ছিলেন। ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে অন্যান্য জাতীয়তাবাদীদের সঙ্গে তাকেও বন্দি করা হয় এবং মান্দালয়ে নির্বাসিত করা হয়। এখানে তিনি যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। সুভাষচন্দ্র ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ হিন্দু। তিনি ধ্যানে অনেক সময় অতিবাহিত করতেন। স্বামী বিবেকানন্দের ভাবাদর্শ তাকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। ছাত্রাবস্থা থেকে তিনি তার দেশপ্রেমিক সত্তার জন্য পরিচিত ছিলেন। কর্মজীবন ও রাজনীতিতে প্রবেশ: প্রায় বিশ বছরের মধ্যে সুভাষ চন্দ্র মোট ১১ বার গ্রেফতার হয়েছিলেন। তাকে ভারত ও রেঙ্গুনের বিভিন্ন জায়গায় রাখা হয়েছিল। ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে তাকে ইউরোপে নির্বাসিত করা হয়। ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি তার প্রথম প্রেম এমিলি শেঙ্কল-এর সঙ্গে পরিচিত হন ভিয়েনাতে। ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে তারা ব্যাড গ্যাস্টিনে বিয়ে করেন। তার পিতার মৃত্যুর পর ব্রিটিশ সরকার তাকে শুধু মাত্র ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের উদ্দ্যেশে কিছুক্ষণের জন্য কলকাতায় আসার অনুমতি দেয়। ১৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি গান্ধির বিরোধিতার মুখে ভারতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি দ্বিতীয় বারের জন্য ত্রিপুরা অধিবেশনে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনে গান্ধি পট্টভি সিতারামায়াকে সমর্থন দেন; নির্বাচনের ফলাফল শোনার পর গান্ধি বলেন "পট্টভির হার আমার হার"। কিন্তু জয়যুক্ত হলেও তিনি সুষ্ঠুভাবে কার্য সম্পাদন করতে পারছিলেননা। গান্ধির অনুগামীরা তার কাজে বাধা সৃষ্টি করছিলেন। গোবিন্দ বল্লভ পন্থ এই সময় একটি প্রস্তাব পেশ করেন যে, "কার্যনির্বাহক পরিষদকে পুনর্গঠন করা হোক"। এভাবে সুভাষচন্দ্র বসু এই নির্বাচনে জয়লাভ করলেও গান্ধির বিরোধিতার ফলস্বরূপ তাকে বলা হয় পদত্যাগ পত্র পেশ করতে; নইলে কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্য পদত্যাগ করবে। এই কারণে তিনি নিজেই কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেণ এবং অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক গঠন করেন। ১৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি জাতীয় পরিকল্পনা পরিষদের প্রস্তাবনা দেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: সুভাষ চন্দ্র বসু প্রস্তাব করলেন, কবে ব্রিটিশরা ভারতীয়দের স্বাধীনিতার অনুমোদন দেবে তার জন্য বসে না-থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে সুবিধা নেওয়া উচিত। তিনি বিশ্বাস করতেন ভারতবর্ষের স্বাধীনতা নির্ভর করে অন্য দেশের রাজনৈতিক, সামরিক ও কুটনৈতিক সমর্থনের উপর। তাই তিনি ভারতের জন্য একটি সামরিক বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। অন্তর্ধান পর্ব: ভারতবর্ষের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ গ্রহণের ব্যাপারে সুভাষচন্দ্র বসু খুশি ছিলেননা। তিনি সে সময় গৃহবন্দি ছিলেন। তিনি বুঝতে পারলেন ব্রিটিশরা তাকে যুদ্ধের আগে ছাড়বেনা। তাই তিনি দুটি মামলা বাকি থাকতেই আফগানিস্তান ও সোভিয়েত ইউনিয়ন হয়ে জার্মানি পালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু আফগানিস্তানের পশতু ভাষা জানা না-থাকায় তিনি ফরওয়ার্ড ব্লকের উত্তর-পশ্চিম সিমান্ত প্রদেশের নেতা মিয়া আকবর শাহকে তার সঙ্গে নেন। যেহেতু তিনি পশতু ভাষা জানতেননা তাই তার ভয় ছিল, আফগানিস্তানবাসীরা তাকে ব্রিটিশ চর ভাবতে পারে। তাই মিয়া আকবর শাহের পরামর্শে তিনি অধিবাসীদের কাছে নিজেকে একজন কালা ও বোবা বলে পরিচিত করান। সেখান থেকে সুভাষ বসু মস্কো গমন করেন একজন ইতালির 'কাউন্ট অরল্যান্ডো মাজ্জোট্টা' নামক এক নাগরিকের পরিচয়ে। মস্কো থেকে রোম হয়ে তিনি জার্মানি পৌঁছান। তিনি বার্লিনে মুক্ত ভারতীয় কেন্দ্র (Free India Center) গড়ে তোলেন। ভারতের স্বাধীনতার জন্য তিনি জার্মান চ্যান্সেলর এডলফ হিটলারের সাহায্য প্রার্থনা করেন। কিন্তু ভারতের স্বাধীনতার ব্যাপারে হিটলারের উদাসিনতা তার মনোবল ভেঙে দেয়। ফলে ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে সুভাষ বসু জার্মান ত্যাগ করেণ। একটি জার্মান সাবমেরিন তাকে সমুদ্রের তলদেশে একটি জাপানি সাবমেরিনে পৌঁছে দেয়, সেখান থেকে তিনি জাপান পৌঁছান। এদিকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বীরত্বে হিটলার-তোজো-র মতো একনায়কতন্ত্রে বিশ্বাসীরাও তার সামনে মাথা অবনত করে মৈত্রীর দিকে হাত বাড়ান। ভারতের অরবিন্দ ঘোষ, সূর্য সেন, ভগৎ সিংয়ের মতো নেতারা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম'র মতো কবিরা তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হন। সমস্ত ভারতবাসীর নয়নমণি হয়ে উঠেন নেতাজি। ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনী: ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনী (ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি) মূলত গড়ে উঠেছিল জাতীয়তাবাদী নেতা রাসবিহারী বসুর হাতে, ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে রাসবিহারী বসু এই সেনাবাহিনীর দায়িত্ব সুভাষ চন্দ্র বসুকে হস্তান্তর করেণ । একটি আলাদা নারী বাহিনী (রানি লক্ষ্মীবাঈ কমব্যাট)সহ এতে প্রায় ৮৫,০০০ (পঁচাশি হাজার) সৈন্য ছিল। এই বাহিনীর কর্তৃত্ব ছিল প্রাদেশিক সরকারের হাতে, যার নাম দেওয়া হয় "মুক্ত ভারতের প্রাদেশিক সরকার" (আর্জি হুকুমত-এ-আজাদ হিন্দ)। এই সরকারের নিজস্ব মুদ্রা, আদালত ও আইন ছিল। অক্ষ শক্তির ৯টি দেশ এই সরকারকে স্বীকৃতি দান করে। আইএনএ-র সৈন্যরা জাপানিদের আরাকান ও মেইক্টিলার যুদ্ধে সাহায্য করে। সুভাষ চন্দ্র বসু আশা করেছিলেন, ব্রিটিশদের উপর আইএনএ-র হামলার খবর শুনে বিপুল সংখ্যক সৈন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে হতাশ হয়ে আইএনএ-তে যোগ দেবে। কিন্তু এই ব্যাপারটি তেমন ব্যাপকভাবে ঘটলনা। বিপরীতদিকে, যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতির সঙ্গে সঙ্গে জাপান তার সৈন্যদের আইএনএ থেকে সরিয়ে নিতে থাকে। একই সময় জাপান থেকে অর্থের সরবরাহ কমে যায়। অবশেষে, জাপানের আত্মসমর্পণের সঙ্গে সঙ্গে আইএনএ আত্মসমর্পণ করে। ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দে বর্মার (বর্তমান মায়ানমার) মান্দালয়ের জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় সুভাষচন্দ্র গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ব্রিটিশ সরকার তাকে এক শর্তে মুক্তি দিতে রাজি হন যে, ভারতের কোনো ভূখণ্ড না-ছুঁয়ে তিনি যদি বিদেশে কোথাও পাড়ি দেন তবে মুক্তি পাওয়া যাবে। সুভাষচন্দ্র ইউরোপে যাওয়া মনস্থ করেন ও ভিয়েনা পৌঁছান। দু-বছর চিকিৎসাধীন থাকার সময়ে অবসরে তিনি দুটি বই লেখার সিদ্ধান্ত নেন, তার আত্মজীবনী 'Indian Pilgrim' আর 'India's Struggle for Freedom'। সেই সময়ে তার পাণ্ডুলিপি টাইপ করার জন্যে এক অস্ট্রিয়ান মহিলা এমিলি শেংকেল তাকে সাহায্য করেন যিনি পরবর্তীকালে তার সচিবও হন। এই এমিলি শেংকেলের সঙ্গেই পরবর্তীকালে তার প্রণয় ও পরিণয়। তাদের এক কন্যাসন্তান অনিতা বসু পাফ। এমিলি শেংকেল কখনো ভারতে আসেননি, কিন্তু বৃহত্তর বসু পরিবার ও নেতাজির সহযোগীদের সঙ্গে তার চিরকাল যোগাযোগ ও সুসম্পর্ক ছিল । ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি প্রয়াত হন। অনিতা বসু পাফ তার পিতার দেশ ভারতে বহুবার এসেছেন। তিনি পেশায় অর্থনীতিবিদ, তার স্বামী মার্টিন পাফ জার্মান পার্লামেন্টের প্রাক্তন সদস্য। তাদের দুই পুত্র ও এক কন্যা। ভিয়েনায় যেভাবে বিদেশিনীর প্রেমে পড়েছিলেন সুভাষ বসু: ১৯৩৪ সালের কথা। নেতাজি হিসেবে পরিচিত সুভাষ চন্দ্র বসু সেসময় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনাতে ছিলেন। তাঁর শরীর বেশ কিছুদিন ধরেই খারাপ হচ্ছিল। ১৯৩২-এর ফেব্রুয়ারী থেকে অসহযোগ আন্দোলনের সময় গ্রেপ্তার হয়ে জেলে যাওয়ার সময় থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসার জন্য সুভাষ বসুকে শেষমেশ ইউরোপে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিল ব্রিটিশ সরকার, তবে শর্ত চিকিৎসার খরচ তাঁর পরিবারকেই দিতে হবে। ভিয়েনায় চিকিৎসা করানোর সময়ই সুভাষচন্দ্র ঠিক করলেন, স্বাধীনতা আন্দোলনের স্বপক্ষে ইউরোপে বসবাসরত ভারতীয় ছাত্রদের সংঘবদ্ধ করা দরকার। এক ইউরোপীয় প্রকাশক ওই সময় তাঁকে 'দা ইন্ডিয়ান স্ট্রাগল' নামে একটা বই লেখার কাজ দেন। বইটি লেখার জন্য একজন সহকারীর প্রয়োজন হল, যিনি ইংরেজী আর টাইপিং - দুটোই ভালমতো জানবেন। সুভাষ চন্দ্রের বন্ধু ড. মাথুর দুজনের নাম সুপারিশ করে পাঠালেন। তার মধ্যে যাঁকে বেশী উপযুক্ত মনে হল - তাঁকে সাক্ষাতকারের জন্য ডেকে পাঠালেন সুভাষ। কিন্তু কথাবার্তা বলে সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তখনই দ্বিতীয়জনের ডাক পড়ল। ২৩ বছর বয়সী এমিলি শেঙ্কল এসেছিলেন ইন্টারভিউ দিতে। সুন্দরী অস্ট্রিয়ান ওই যুবতীকেই সহকারী হিসাবে কাজে নিয়োগ করলেন সুভাষ চন্দ্র বসু। ১৯৩৪ সালের জুন মাস। সুভাষ চন্দ্রে বয়স তখন ৩৭ বছর। তাঁর ধ্যান-জ্ঞান সবই ছিল কী করে ইংরেজদের কাছ থেকে ভারতকে স্বাধীন করা যায় তার ওপর। মিজ. শেঙ্কলের সঙ্গে দেখা হওয়ার আগে পর্যন্ত তিনি ধারণাও করতে পারেন নি যে ওই অস্ট্রিয় যুবতী তাঁর জীবনে একটা নতুন ঝড় তুলে দিতে পারেন। সুভাষ চন্দ্র বসুর বড়ভাই শরৎ বসুর নাতি ও প্রখ্যাত ঐতিহাসিক সুগত বসু নিজের বই 'হিজ ম্যাজেস্টিজ অপোনেন্ট - সুভাষ চন্দ্র বসু এন্ড ইন্ডিয়ান স্ট্রাগল এগেইনস্ট এম্পায়ার'-এ লিখেছেন, এমিলির সঙ্গে সাক্ষাতের পরেই সুভাষের জীবনে একটা নাটকীয় পরিবর্তন এসেছিল। সুগত বসুর মতে তার আগে পর্যন্ত সুভাষ চন্দ্র বসুর জীবনে প্রেম বা বিয়ের বেশ কিছু প্রস্তাব এসেছিল। সেসবে তাঁর কোনও আগ্রহই ছিল না। কিন্তু এমিলির সৌন্দর্য্য সুভাষের ওপরে যেন কী একটা জাদু করে দিল। বিখ্যাত উক্তি: সুভাষচন্দ্র বসুর সবচেয়ে বিখ্যাত উক্তি হল, "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব" (হিন্দিতে, তুম মুঝে খুন দো, ম্যায় তুমহে আজাদি দুঙ্গা)। ৪ জুলাই ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে বার্মাতে এক র্যালিতে তিনি এই উক্তি করেন। তার আর একটি বিখ্যাত উক্তি হল 'ভারতের জয়' ('জয় হিন্দ'), যা কিনা পরবর্তীতে ভারত সরকার গ্রহণ করে নেয়। অন্তর্ধান ও তথাকথিত মৃত্যু: একটি মতে নেতাজি সোভিয়েত রাশিয়ার কাছে বন্দি অবস্থায়, সাইবেরিয়াতে মৃত্যুবরণ করেন। আর একটি মতে, বর্তমানে রেনকোজি মন্দিরে রাখা নেতাজির চিতাভস্ম পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে -ওই চিতাভস্ম নেতাজির নয়। আসলে ভারতবর্ষে নেতাজির তুমুল জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একদল উঁচুতলার ভারতীয় নেতা(জওহরলাল নেহেরু) এবং ইংরেজ সরকার মিলিতভাবে ষড়যন্ত্র করে নেতাজিকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়। তাই ভারতীয় সরকার কখনো নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রকৃত মৃত্যুর কারণ জনসমক্ষে আনেননি। অনেকের মতে ফৈজাবাদের ভগবান জি ওরফে গুমনামি বাবা হলেন নেতাজি। কিন্তু এ ব্যাপারটি আজও স্পষ্ট নয়। আরেকটি মতে নেতাজি নাকি আজো জীবিত! সম্মাননা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুভাষচন্দ্রকে 'দেশনায়ক' আখ্যা দিয়ে তাসের দেশ নৃত্যনাট্যটি তাকে উৎসর্গ করেন। উৎসর্গপত্রে লেখেন: "স্বদেশের চিত্তে নূতন প্রাণ সঞ্চার করবার পূণ্যব্রত তুমি গ্রহণ করেছ, সেই কথা স্মরণ ক’রে তোমার নামে ‘তাসের দেশ’ নাটিকা উৎসর্গ করলুম।" আজাদ হিন্দ ফৌজের অভিযান ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলেও, সুভাষচন্দ্রের শৌর্য ও আপোষহীন রণনীতি তাকে ভারতব্যাপী জনপ্রিয়তা দান করে। নেতাজির জন্মদিন বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে , ত্রিপুরায় , অসমে ও ওডিশায় রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়। স্বাধীনতার পর কলকাতার একাধিক রাস্তা তার নামে নামাঙ্কিত করা হয়। বর্তমানে কলকাতার একমাত্র ইন্ডোর স্টেডিয়াম নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম তার নামে নামাঙ্কিত। নেতাজির জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে দমদম বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তিত করে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাখা হয়। তার নামে কলকাতায় স্থাপিত হয় নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং দিল্লিতে স্থাপিত হয় নেতাজি সুভাষ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি। কলকাতা মেট্রোর দুটি স্টেশন বর্তমানে নেতাজির নামাঙ্কিত: 'নেতাজি ভবন' (পূর্বনাম ভবানীপুর) ও 'নেতাজি' (পূর্বনাম কুঁদঘাট)। . . তথ্যসূত্র: ↑ "১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে হরিপুরায় অনুষ্ঠিত কংগ্রেসের বার্ষিক অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে সুভাষ বসু প্রস্তাবিত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো প্রবর্তনের তীব্র সমালোচনা করেন এবং এই প্রচেষ্টা কার্যকর করা হলে তা সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করার আবেদন করলেন। এছাড়া সুভাষ বসু কংগ্রেসকে একটি ব্যাপক গণসংগঠনে পরিণত করে জাতীয় আন্দোলনকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানালেন। কংগ্রেস সভাপতি পদে আসীন থাকার সময় সুভাষ বসু যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বর্জন ও আপোষহীন সংগ্রামের সপক্ষে বলিষ্ঠ মতামত প্রকাশ করতে লাগলেন। জুলাই মাসে (১৯৩৮ খ্রি.) এক বিবৃতিতে তিনি ঘোষণা করলেন–"কংগ্রেসের অধিকাংশ সদস্য যদি ফেডারেশন সম্পর্কে কোনো আপোষরফায় রাজি হয় তাহলে কংগ্রেস দলে গৃহযুদ্ধের সূচনা হবে।" আধুনিক ভারত (১৯২০–১৯৪৭), দ্বিতীয় খণ্ড, প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষৎ, কলকাতা, ১৯৯৯, পৃ. ১৫২ ↑ আধুনিক ভারত (১৯২০–১৯৪৭), দ্বিতীয় খণ্ড, প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষৎ, কলকাতা, ১৯৯৯, পৃ. ১৫৬ ↑ "করাচি কংগ্রেস উদ্বোধনের ঠিক আগে ২৩ মার্চ ভগৎ সিং, শুকদেব ও রাজগুরুর ফাঁসির ঘটনায় তীব্র হয় র্যাডিকাল জাতীয়তাবাদীদের হতাশা ও ক্রোধ।" আধুনিক ভারত (১৮৮৫-১৯৪৭), সুমিত সরকার, কে পি বাগচী অ্যান্ড কোম্পানি, কলকাতা, ২০০৪, পৃ.২৬৭ ↑ "ভাইসরয় আরউইন গোলটেবিল বৈঠকের প্রস্তাব করে প্রথম যে ঘোষণা করেন তাকে সুভাষচন্দ্র প্রথম থেকেই খুব সন্দেহের চোখে দেখেছিলেন। তাঁর মনে হয়েছিল আসলে এটি ব্রিটিশ সরকারের একটি ফাঁদ মাত্র। প্রথমে মতিলাল নেহরু, মদনমোহন মালব্য, সর্দার প্যাটেল প্রমুখ নেতারা ও গান্ধিজি নিজে আরউইনের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে একটি বিবৃতিতে সই দেন। সুভাষচন্দ্র, জওহরলাল এবং আরো কয়েকজন এর বিরোধিতা করে পৃথক এক ইস্তাহার প্রচার করার মনস্থ করেন। কিন্তু... জওহরলাল গান্ধিজির কথায় তাঁর মত পরিবর্তন করেন।" দেশনায়ক সুভাষচন্দ্র: এক ঐতিহাসিক কিংবদন্তি, নিমাইসাধন বসু, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, ১৯৯৭, পৃ. ১৩৯ ↑ "রাজনৈতিক গুরু হিসাবে সুভাষচন্দ্র গান্ধিজির তুলনায় দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশকেই গণ্য করেছিলেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত দেশবন্ধু নির্দেশিত পথই অনুসরণ করে গিয়েছেন।
ইসলাম ও জঙ্গিবাদ ------------------------ ------------------------ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সাড়ে আট কোটি মানুষকে হত্যা করা হল। হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে অসহায়, নিরপরাধ ৬ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। যার প্রভাবে এখনো সেখানে প্রতিবন্ধী শিশু জন্মায়। ইসলামপন্থী কোনো দেশ কিন্তু প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি। সবগুলো দেশই ছিল খ্রিষ্টান ধর্মভিত্তিক। তারপরেও দিনশেষে শুনতে হয়, ইসলাম টেরোরিস্টের ধর্ম আর অন্যগুলো মানবতার ধর্ম! অথচ আমরা মুসলিমরা অমুসলিমদের সাথে সাক্ষাৎ হলে প্রথমেই বলি, " আসসালামু আলাইকুম "। যার অর্থ " আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক "। এটা কোনো টেরোরিস্ট ধর্মের বাণী হতে পারে কি না, আমার জানা নেই! কাশেম সুলাইমানিকে নির্বিচারে মেরে ফেলা হল। বিশ্ব মানবতার ধর্মের লোকেরা এখন এটাকে টেরোরিজম বলতে ভুলে গেছেন। একবার কল্পনা করুন, কোনো মুসলিম নামধারী কেউ যদি আক্রমণ করে অমুসলিম কাউকে মেরে ফেলতো.. দোষটা কার উপর আসতো? বিশ্ব মিডিয়া এটাকে ইসলামের সাথে মিশিয়ে জঙ্গি হামলা বলে হাইলাইট করতো। কিন্তু ঘটনা যখন অমুসলিমরা ঘটিয়েছে আর ভুক্তভোগী যখন মুসলিমরা, তখন আর এটাকে জঙ্গি হামলা বলা হচ্ছে না। ফিলিস্তিনে মুসলিম মারা হচ্ছে। সিরিয়ায় মারা হচ্ছে। আফগানিস্তানে মারা হচ্ছে। ইয়েমেনে মারা হচ্ছে। সেগুলি টেরোরিজম নয়। এমনকি হত্যাকারী হত্যা করে গর্বের সাথে বলছে আমি হত্যা করেছি। তারপরেও সেটা টেরোরিজম নয়। টেরোরিজম হয়ে যাচ্ছে, মুসলিম নামধারী কেউ অন্যকাউকে মারলে। সেটার দায় দেওয়া হচ্ছে ইসলামের উপর। অথচ হিটলার যখন ৬০ লক্ষ ইহুদি মারে, দায় গিয়ে পড়ে না খ্রিষ্টান ধর্মের উপর। ট্রাম্প যখন ঘোষণা দিয়ে সুলাইমানিকে মারে, দায় গিয়ে পড়ে না খ্রিষ্টান ধর্মের উপর। কি অদ্ভুত মানুষের আচরণ! আমার মতে, বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় টেরোরিস্টের নাম ডোনাল্ড ট্রাম্প। হত্যা করে সেটা পাব্লিকলি বলে বেড়ানোর মতো কোনো টেরোরিস্ট আপনি দেখবেন না। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প সেটা দেখিয়েছেন। সুলাইমানিকে হত্যা করে সেটা গর্বের সাথে টুইটারে টুইট করেছেন। তারপরেও অমুসলিমরা ট্রাম্পকে টেরোরিস্ট বলবে না। কিন্তু মুসলিমরা যদি এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে গিয়ে একজনকে মেরে ফেলে, দেখবেন চারদিকে রব উঠবে, " ইসলাম টেরোরিস্টের ধর্ম। মুসলিমরা জঙ্গি..."। আবার তাদের এই নীতি ট্রাম্প, বুশ, খ্রিস্টান, বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্রে পাল্টে যাচ্ছে। কেন এই দুমুখো নীতি আমি ঠিক বুঝতে পারি না। ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ নিয়ে দাঙ্গায় প্রায় দুই হাজার মুসলিমকে হত্যা করা হল। হত্যা করল কারা? হিন্দুরা। খেয়াল করুন, প্রথমে মসজিদ ভেঙে মুসলমানদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত করা হল। তারপর দুই হাজার মুসলিম হত্যা করা হল। আর তারপর হত্যাকারীদের বিচার না করে ছেড়ে দেওয়া হল। ভোট নষ্ট হয়ে যাবে বিধায় কংগ্রেস সরকার থেকে শুরু করে মোদী সরকার, কেউই নিরপেক্ষ হয়ে বিচারটা করেনি। ফলাফল, মুসলিমদের মনে ক্ষোভ তৈরি হল। বিভিন্ন সময়ে সেই ক্ষোভ থেকে তারা আরো বেশি দাঙ্গায় জড়িয়ে পড়ল। বোমা হামলা করলো। যেগুলোকে মিডিয়া জঙ্গি হামলা বলছে। তারপর সবাই বলছে, ইসলাম টেরোরিস্টের ধর্ম। অথচ কেউ কিন্তু সেই দুই হাজার মুসলিম হত্যার জন্য হিন্দুদের টেরোরিস্ট আখ্যা দিচ্ছে না। সেদিন যদি বাবরি মসজিদ ভাঙ্গা না হতো, সবকিছু স্বাভাবিক থাকতো। দাঙ্গা হতো না। কিন্তু মসজিদ ভাঙায় দাঙ্গা হল। কংগ্রেস সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের ভোট নষ্ট হয়ে যাবে ভেবে মসজিদ ভাঙ্গাতে ও দাঙ্গায় পুলিশ দিয়ে বাধা দিল না। মুসলিমদের মনে ক্ষোভ তৈরি হল। সেই ক্ষোভ থেকে তারা বিভিন্ন সময়ে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। কিন্তু এখানে ভাবা উচিত, মুসলিমদের সন্ত্রাসী হয়ে উঠতে কারা বাধ্য করেছে? সেদিন বাবরি মসজিদ না ভাঙলে ও মুসলিমদের হত্যা না করলে, মুসলিমরা কখনোই প্রতিশোধের আগুনে পুড়তো না। ঠিক একইভাবে যদি চিন্তা করেন, আগামী নির্বাচনে জয়লাভের জন্য ক্ষমতা প্রদর্শন করতে গিয়ে সুলাইমানিকে হত্যা করল ডোনাল্ড ট্রাম্প। যার নিন্দা চারদিকেই চলছে। কিন্তু কেউ বলছে না এটা সন্ত্রাসী হামলা। টুইটারে অগণিত আমেরিকানদের দেখছি ট্রাম্পকে হামলার প্রশংসা করতে। আমেরিকানরা ক্ষমতা প্রদর্শনকে বিরাট অর্জন মনে করে। কিন্তু ইরান যখনই এই হত্যার বদলা নিতে যাবে, তখনই তার সাথে জড়িয়ে যাবে ইসলাম। বলা হবে, ইসলাম একটি টেরোরিস্ট ধর্ম। অথচ কেউ ভেবে দেখবে না, ট্রাম্প সুলাইমানি সহ ১০ জনকে হত্যার শুরুটা না করলে ইরান পাল্টা আক্রমণটা করতো না। যখন বিশ্বযুদ্ধে আট কোটি মানুষ মারা যায়, সিরিয়ায়, ফিলিস্তিনে, আফগানিস্তানে, ভারতে, নিউজিল্যান্ডে মুসলমানদের হত্যা করা হয়, তখন সেগুলো টেরোরিজম হচ্ছে না। কোনো ধর্মের গায়ে টেরোরিস্ট ট্যাগ লাগছে না। কিন্তু যখনই মুসলিম নামধারী কাউকে দেখা যায় পাল্টা আক্রমণ করছে, তখনই বলা হচ্ছে.. " ইসলাম টেরোরিস্টের ধর্ম। মুসলিমরা টেরোরিস্ট। " কেন এই দুমুখো নীতি আমি সত্যিই ঠিক বুঝতে পারি না। বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের অত্যাচারিত ও শোষিত হওয়ার পেছনে আসলে মুসলিমরাই দায়ী। শিয়া–সুন্নির ভেদাভেদ করতে গিয়ে ড্রাইভিং সিটে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে অমুসলিমদের। তারা যেভাবে ইচ্ছা মুসলমানদের নিয়ে খেলে যাচ্ছে। আর জাতিসংঘ?! সে তো এক কমেডি সংঘের নাম! এখন পর্যন্ত কোনো আন্তর্জাতিক সমস্যার সমাধান করতে পেরেছে কি না আমার জানা নেই! আপনাদের জানা আছে? এই পোস্টেও হয়তো অনেকেই এসে বলবে, " ইরানিরা শিয়া৷ ওদের মেরে ফেলাই ভালো। ওদের মারাটা অপরাধ না। " এরকম কয়েকটা পোস্ট আমি দেখেছি। আমি বুঝতে পারি না, কেন আমরা তাদের মুসলিম ভাই হিসেবে ভাবতে পারি না? আদর্শ মুসলিম না হলেও তো ওরা আমাদের কাছে খ্রিষ্টান ইহুদীদের চেয়ে কাছের? কিংবা কেন আমরা তাদের মানুষ ভাবছি না? একজন মানুষ হত্যাকে আমরা কিভাবে সমর্থন করে ফেলছি? কোথায় আমাদের বিবেক? যুগের পর যুগ খ্রিষ্টান ইহুদীদের খেলনা হয়ে থাকার জন্যই হয়তো আমরা শিয়া-সুন্নি নিয়ে পড়ে আছি। আর অমুসলিমরা এইসব দেখে মিটিমিটি হাসে। রাজনীতির মাঠে আমরা এখন ফুটবল, আর ওরা খেলোয়াড়।
মাতাহারীর নাম শুনেছেন? ইতিহাসের বিখ্যাত নারী গুপ্তচর বা স্পাই। ১ম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জার্মানির পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ১৯১৭ সালের ১৫ অক্টোবর, ফ্রান্স তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত ইতিহাসে এমন এক সাহসী বীরাঙ্গনা রয়েছেন,যার নয় মাসের গুপ্তচরবৃত্তি আর সশস্ত্র যুদ্ধের কাহিনী ইতিহাসের বিখ্যাত গুপ্তচর মাতাহারীর চেয়েও বীরত্বময়। জানেন সেই বীর অগ্নিকন্যার নাম? জানলে ভালো, না জানলে ভাবতে থাকুন। আর এই ফাঁকে তাঁর বীরত্বের কিছু গল্প শুনুন : ( কি ভাবছেন? আজ ১৬ ডিসেম্বর বা ২৬শে মার্চ কিংবা অন্য কোন বিশেষ দিন কি না? নাহ্, সেরকম কোন বিশেষ দিন নয় আজ। তবুও বলতে ইচ্ছে হলো, নিজেদের রক্তাক্ত ইতিহাসের এক সূর্যচোখ- বীরাঙ্গনার গল্প! ) ১৯৭১সাল,জুন মাসে দোয়ারাবাজার সীমান্তে পাকবাহিনী ও মুক্তিযুদ্ধাদের মধ্যকার তুমুল লড়াইয়ে মুক্তিবাহিনী হেরে গেলে অনেকের সাথে এই মহিয়সী নারীকেও আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায় পাকিস্তানি হানাদাররা। দিনের পর দিন চলতে থাকে পাকি নরপিশাচ আর রাজাকার আলবদর কর্তৃক তাঁর উপর অমানুষিক নির্যাতন। ভেঙে না পড়ে প্রতিশোধের আগুনে ফুঁসে উঠতে থাকেন এই বীরাঙ্গনা। একপর্যায়ে হানাদার বাহিনী ছেড়ে দিলে পরিচয় হয় মুক্তিযোদ্ধা রহমতের সাথে। তিনি নিয়ে যান সেক্টর কমান্ডার মীর শওকত আলীর কাছে। শুরু হয় প্রতিশোধের এক নতুন অধ্যায়। জীবনের রঙ্গমঞ্চে জীবন বাজি রেখে,যেমন খুশি তেমন সাজে, কখনো পাগল কখনো ভবঘুরের বেশে পাকবাহিনীর গতিবিধির খবর পৌঁছে দিতেন মুক্তিবাহিনীর কাছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি অপারেশন সফল করতে সক্ষম হন মুক্তিযোদ্ধারা। কিন্তু জীবন তাঁর আরও ত্যাগের! আরও কণ্টকময়! গুপ্তচরবৃত্তি করতে গিয়ে একদিন বাংলাবাজারে পাকবাহিনীর হাতে আবারও ধরা পড়েন এই বীরাঙ্গনা। শুরু হয় নির্যাতনের স্ট্রীমরোলার । একটানা ৭ দিন বিবস্ত্র করে চালানো হয় পাশবিক নির্যাতন। লোহার রড গরম করে তাঁর নরম আদুরে শরীরটার বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় নরক চিহ্ন এঁকে দিতে থাকে হায়েনারা। যা আজও তাঁকে নাড়া দেয়! আজও শরীরে সেই নরক চিহ্ন বয়ে বেড়ান! অজ্ঞান অবস্থায় একসময় মৃত ভেবে পাকিস্তানিরা তাঁকে ফেলে যায়। ৭ দিন পর জ্ঞান ফিরে এলে মুমূর্ষু এই বীরাঙ্গনাকে বালাট সাব সেক্টরে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করানো হয়। কী ভাবছেন,এখানেই শেষ? ভুল করছেন।অসম সাহসিনী এই নারী সুস্থ হবার পর আমুল বদলে যান! চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে এসেই পাকিস্তান বধের নেশায় আরও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, আরও অবিচল লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ নেন অস্ত্র চালনার। শুরু হয় অস্ত্র হাতে জীবনের আরেক অধ্যায়। পাকিস্তানি হায়েনাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম। ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাস, টেংরাটিলায় পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখযুদ্ধে লিপ্ত হন এই বীরাঙ্গনা । বিদ্ধ হন গুলির আঘাতে। সুস্থ হয়ে আবারো অস্ত্র হাতে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। মুক্তিবাহিনীর সাথে একে একে অংশগ্রহণ করতে থাকেন আমবাড়ি, বাংলাবাজার, টেবলাই, বলিউরা, মহব্বতপুর, বেতুরা, দূর্বিনটিলা, আধারটিলা সহ প্রায় ৯টি সম্মুখযুদ্ধে। এতোক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন,কে ছিলেন একাত্তরের এই অকুতোভয় গুপ্তচর আর বীর নারী যোদ্ধা? হ্যাঁ, তিনি আমাদের কাকন বিবি। খাসিয়া সম্প্রদায়ের মুক্তির বেটি বলে পরিচিত আমাদের অগ্নিকন্যা কাকন বিবি। দেশকে যিনি এতোটা দিয়েছেন,দেশের জন্য এতোটা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, জীবন বাজি রেখে যিনি পাকিস্তানিদের পরাজয় আনতে ভূমিকা রেখেছেন, সেই কাকন বিবি আজ জীবন যুদ্ধে পরাজিত, এই স্বাধীন বাংলার মাটিতেই! স্বাধীনতার পর অভিমানে বেছে নেন এক নিভৃত জীবন। চলে যান লোকচক্ষুর সম্পূর্ণ অন্তরালে। ১৯৯৬ সালে সাংবাদিক রনেন্দ্র তালুকদার পিংকু বাংলার এই মাকে আবিষ্কার করেন ভিক্ষারত অবস্থায়। তাঁর বীরত্বের প্রতি সম্মান দেখান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুক্তিযুদ্ধের হাজারো গল্প অজানাই থেকে যাচ্ছে এই প্রজন্মের কাছে। কাকন বিবির মতো অন্যান্য বীর সন্তানদের সংগ্রাম আর ত্যাগের ইতিহাস জানার আগ্রহ ও সদিচ্ছা নেই বলেই আজ পাকিস্তানি লোনে শরীর ঢাকতে চায় এ দেশের তারুন্য।
বিশ্বের ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দিতে যে দুটি বিপ্লবের সক্রিয় ও কার্যকরী ভূমিকা ছিল, তার একটি হল ফরাসি বিপ্লব, অপরটি হল রুশ বিপ্লব। ফরাসি বিপ্লব সংগঠিত হয় ব্যক্তিগত স্বত্ব–স্বামিত্বের চৌহদ্দির মধ্যে, আর রুশ বিপ্লব সংগঠিত হয় ব্যক্তিগত সম্পত্তি ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটিয়ে সর্বহারার রাষ্ট্র, সাম্য ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। বিশ শতকে দুটি বিশ্বযুদ্ধ ঘটলেও রুশ বিপ্লবই ছিল বিশ শতকের সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ধনতন্ত্র ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে এই বিপ্লব ছিল প্রথম বলিষ্ঠ ও সফল প্রতিবাদ। এই বিপ্লবের সার্থক রূপকার কমরেড লেনিন ও বলশেভিক পার্টি শতবর্ষ পরে আজকের বাংলাদেশেও প্রাসঙ্গিক। লেনিন, ‘ইতিহাসের গতি ও ছন্দ হৃদয়ঙ্গম করার ক্ষমতা আয়ত্ত করেছিলেন মার্কস–এঙ্গেলসের মতবাদ থেকে’। এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে, ইতিহাস তাঁকে সৃষ্টি করেছে, কিন্তু তিনি নিজেও নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। যে সামাজিক শক্তিপুঞ্জ দুনিয়ার চেহারা আর মানুষের চিন্তাধারাকে পাল্টে দেয়, লেনিন ছিলেন একাধারে তার প্রতিনিধি ও তার স্রষ্টা। রাশিয়ায় ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে লুভভ কেরেনিস্কির নেতৃত্বে গঠিত বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক সরকারের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়ে ঝড়ের বেগে নভেম্বর মাসে (১৯১৭) সর্বহারা শ্রমিক–কৃষক শ্রেণীর স্বার্থে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সমাধা করা লেনিনের স্মরণীয় কীর্তি। এটাই লেনিনবাদ (এপ্রিল থিসিস দ্রষ্টব্য)। মার্কস–এঙ্গেলসের শিক্ষায় শিক্ষিত লেনিন জারের স্বৈরাচারী শাসন থেকে সদ্যমুক্ত রাশিয়ায় নয়া অর্থনৈতিক নীতি (নেপ) চালু করে শিশু সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের পথ–চলা শুরু করেন। অনেকের কাছে নেপ কেতাবী মার্কসবাদ থেকে বিচ্যুত বলে মনে হলেও আসলে এটাই ফলিত মার্কসবাদ। মনে রাখতে হবে, যে বিপ্লব ঘটার কথা ছিল পূর্ণ বিকশিত কোনও এক শিল্প–সমৃদ্ধ ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে, তা ঘটে যায় পিছিয়ে–থাকা কৃষি–নির্ভর দেশে, যেখানে পুঁজিবাদ ও শিল্প–বিপ্লবের বিকাশ হয়েছিল সব শেষে। বুর্জোয়া বিপ্লবের অবসান ঘটিয়ে বলশেভিক বিপ্লব সম্পন্ন করা এবং রাশিয়ার অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করা লেনিনবাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বলশেভিক পার্টি ছাড়া ওই বৈশিষ্ট্যকে বাস্তবে রূপ দেওয়া যেত না। লেনিন পার্টি গঠনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন সর্বাপেক্ষা বেশি।
we shall over come, we shall over come. we shall over come someday. oh!deep in my heart,i do believe that. we shall over come someday.
img শীতে সহজই করুন ত্বকের পরিচর্যা 2020-12-02 12:16:12 লাইফস্টাইলডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম featured-image ত্বক সুন্দর রাখতে কার্যকর রূপচর্চার জন্য রয়েছে সহজ পন্থা। শীতে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ত্বক হয়ে পড়ে মলিন ও নির্জীব। তাই এই সময়ে ত্বকের প্রতি বেশি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে শীতে ত্বকের বাড়তি পরিচর্যার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জানানো হল। পানি থেকে সুরক্ষা: গোসলের আগে ত্বকে পরিষ্কারক তেল ব্যবহার করা প্রয়োজন। ত্বক তেল শুষে নেওয়ার পরে গোসল করা উপকারী। গোসলের পরে ত্বক আর্দ্র অবস্থাতেই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত, এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে। ত্বক পরিচর্যা: শীত থেকে বাঁচতে আমরা যেমন শীতের পোশাক ব্যবহার করি একইভাবে ত্বককে সুরক্ষিত রাখতেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। ত্বক পরিষ্কার ও আর্দ্র রাখতে সিরাম, ফেইস অয়েল ও আর্দ্রতা রক্ষাকারি ক্রিম ব্যবহার করা প্রয়োজন। চোখ ও ঠোঁটের বাড়তি যত্ন: চোখ ও ঠোঁটের চারপাশের ত্বক অনেক বেশি কোমল থাকে তাই এর বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। এই অংশে সিরাম ও তেল ব্যবহার ত্বককে আর্দ্র ও সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে। ঠোঁটের ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে উন্নত মানের লিপবাম ব্যবহার করুন। ত্বকের প্রাকৃতিক পরিচর্যা: ত্বক ও শরীরের যত্নে সুগন্ধি রাসায়নিক পণ্য ত্বককে আরও শুষ্ক করে ফেলে। তাই এই সময়ে ত্বকে প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি প্রসাধনী ব্যবহার করা প্রয়োজন। শক্তিশালী, অ্যালকোহল সমৃদ্ধ ভারী পরিষ্কারক ব্যবহার না করা: শীতকালে উন্নত ক্রিম ও বাম ব্যবহার করা জরুরি। ত্বক পরিষ্কার করতে দুই ধাপ মেনে চলুন। প্রথমে জল ভিত্তিক পরিষ্কারক ও পরে শুষ্ক পরিষ্কারক ব্যবহার করুন। ছবির মডেল: মীম। ছবি: নয়ন কুমার। আরও পড়ুন শীতে ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষার উপায় শীতে পা ফাটা এড়াতে শীতে ত্বকের যত্নে ফলের প্যাক আরও পড়ুন খুশকি কমাতে করণীয় নিমের তেল ব্যবহারে সতর্কতা খাদ্যে বিষক্রিয়ার লক্ষণ শিশুর জন্য কোভিড-১৯’য়ের টিকা শীতে সহজই করুন ত্বকের পরিচর্যা করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ বলিরেখার পড়ার নানান কারণ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে যেসব খাবারে হাড়ের সংযোগ সুস্থ রাখার উপায় ‘হার্ট অ্যাটাক’য়ের নিশ্চিত পূর্বাভাস bdnews24-logo প্রচ্ছদসমগ্র বাংলাদেশবাংলাদেশরাজনীতিবাণিজ্যবিশ্বপুঁজিবাজারচট্টগ্রামঅর্থনীতিপ্রবাসখেলাক্রিকেটপ্রযুক্তিবিজ্ঞানস্বাস্থ্যপরিবেশলাইফস্টাইলগ্লিটজকিডজহ্যালোছবিঘরসাম্প্রতিক
Bitcoin.com logo NEWS Nov 22, 2020 BTC$18548.11-0.46%ETH$547.10+8.06%XRP$0.45+30.41%LTC$84.67+4.08%BCH$292.26+11.82% LINK$14.88+6.95%DOT$5.51+5.23%BNB$30.39+6.50%ADA$0.13+6.73%BSV$186.08+7.95%EOS$3.12+12.89%WBTC$19922.63+6.36%XMR$124.42+3.33%XLM$0.10+14.61%TRX$0.03+9.85%XTZ$2.29+10.35%OKB$6.01+2.63%NEO$17.58+5.30%XEM$0.13+11.85%DAI$1.00-4.20% BTC$18548.11-0.46%ETH$547.10+8.06%XRP$0.45+30.41%LTC$84.67+4.08%BCH$292.26+11.82% LINK$14.88+6.95%DOT$5.51+5.23%BNB$30.39+6.50%ADA$0.13+6.73%BSV$186.08+7.95%EOS$3.12+12.89%WBTC$19922.63+6.36%XMR$124.42+3.33%XLM$0.10+14.61%TRX$0.03+9.85%XTZ$2.29+10.35%OKB$6.01+2.63%NEO$17.58+5.30%XEM$0.13+11.85%DAI$1.00-4.20% SHARING ECONOMY by Jamie Redman Apr 19, 2020 142254 Making Money on Lockdown: 5 Effortless Ways to Earn Cryptocurrencies Online Making Money on Lockdown: 5 Effortless Ways to Earn Cryptocurrencies Online The various government responses to the coronavirus caused a lot of havoc across the global economy and millions of people are now out of work. A number of nation states have not lifted the lockdowns and no one’s really sure when the slew of shutdown industries will open again. While people are out of work they might find interest in the multitude of methods available that individuals can use to earn digital currencies online. The following is a comprehensive list of how to safely earn cryptocurrencies on lockdown by invoking some initiative and a little bit of effort. 5 Ways to Earn Cryptocurrencies These days, people are trying to find side gigs and opportunities to make money online because the economy was shut down by the world’s governments in response to the Covid-19 outbreak. For years now, bitcoiners and crypto advocates have been telling people about the benefits of earning digital assets online. For instance, people can earn coins like BTC, BCH, ETH and a number of other crypto assets right now by simply completing tasks, surveys, writing, trading, mining, staking, finding airdrops and more. In this post, we’re going to cover the myriad of opportunities available to people interested in making some money on the side by leveraging cryptocurrency solutions. Trading If you are good at analyzing charts and trading, then you can make a lot of profits by swapping digital assets on a regular basis. Trading can even be a full-time job, which provides enough income for an individual to survive, but the profession can also be risky. For instance, in order for anyone to start profiting from crypto trading, individuals simply have to purchase some digital assets and play the highs and lows correctly by knowing the right times to trade. Making Money on Lockdown: 5 Effortless Ways to Earn Cryptocurrencies Online It’s probably a good idea to hone your skills before getting started and that includes relentlessly studying technical analysis methods and charts. It’s not easy learning how to trade and people should only swap what they can afford to lose. However, it is quite possible to make a living by trading on the crypto markets that operate 24 hours a day and seven days a week. Bitcoin.com has a sleek and easy-to-use crypto-trading exchange that offers a variety of popular digital assets and crypto trading pairs like BTC, BCH, and USDT. Mining and Staking People can also mine digital assets that leverage application-specific integrated circuit (ASIC) devices, GPUs, and CPUs if they put up some capital to get started. With ASIC and GPU mining, an individual with access to either free or extremely cheap electricity can earn digital assets by buying some machines. With coins that can be mined by a central processing unit (CPU) people might be able to earn coins if they have enough personal computer cores to spare. ASIC and GPU mining will require an upfront cost to get started and CPU mining might make your computer slower. In addition, all the mining possibilities require running mining devices constantly, in order to rake in some profits. If someone decides to mine cryptocurrencies they most likely will want to join a pool, as individual hobby mining isn’t as profitable as it used to be. Bitcoin.com offers a profitable mining pool that allows people to mine either BTC or BCH and the service also offers cloud contracts as well. With cloud mining, people can earn digital assets even if they don’t own any hardware or they don’t have the technical know-how to start mining on their own. Making Money on Lockdown: 5 Effortless Ways to Earn Cryptocurrencies Online With staking, people can acquire some proof-of-stake (PoS) coins and make money by simply holding the assets over a period of time. Most PoS coins have a network that finds blocks deterministically and the more assets someone holds, the more they can earn. There are all types of PoS coins with a variety of different per annum staking yields. Lots of people stake coins in a noncustodial fashion by leveraging a wallet or they can opt to stake coins on an exchange as well but it’s riskier. Making Money on Lockdown: 5 Effortless Ways to Earn Cryptocurrencies Online Freelancing, Tasks, and Blogging There are various opportunities to earn cryptos via freelance jobs, accomplishing tasks, completing online surveys and editing or writing essays for coins. There are many jobs available on freelance websites like Cryptocurrencyjobs, Ethlance, Freelanceforcoins.com, and a few others. People can earn money by simply writing and blogging on a regular basis. Read.cash, a blogging platform, allows individuals to do just this and earn bitcoin cash by writing and sharing unique content. Making Money on Lockdown: 5 Effortless Ways to Earn Cryptocurrencies Online Another blogging website that rewards users in BCH and ten other digital currencies is the platform Publish 0x. If you don’t have an issue with the recent Tron-fiasco, you can also opt to write on the Steemit platform as well, in order to earn digital currencies for writing and producing content. Collecting Airdrops Just recently news.Bitcoin.com wrote about how people can obtain airdrop tokens in order to make some profits. Basically, digital currency projects distribute coins to people if they help market the coin or project in some fashion. For instance, people can obtain airdrop cryptos by downloading a protocol, registering, following or retweeting on social media, and some only require people to simply giving the airdrop creators a receiving address. Making Money on Lockdown: 5 Effortless Ways to Earn Cryptocurrencies Online Accepting Digital Currencies for Goods and Services If you own a physical shop and can’t sell things because of the lockdowns, you might want to sell goods and services online for cryptocurrencies like BCH, BTC, and ETH. Setting up e-commerce merchant services online is easy to do and Bitcoin.com offers a variety of resourceful guides to help people get started. For example, if someone wants to accept bitcoin cash for payments they can leverage a payment gateway and add it to any website. Making Money on Lockdown: 5 Effortless Ways to Earn Cryptocurrencies Online Accepting digital currencies opens a business to more types of payment methods and a loyal customer base. Essentially, a cryptocurrency payment gateway or merchant solution will allow you to accept a digital asset, but also calculate how much money the items or services are in any fiat denomination. You will also be giving customers a privacy-centric solution to shopping online because clients won’t have to enter credit or debit card information over the web. With a Little Initiative, Anyone Can Earn Digital Currencies Online Today The list mentioned above only scratches the surface when it comes to earning cryptocurrencies online, as there are many other ways to make money with digital currencies. Some of the jobs can make people a few bucks as a side hustle by completing effortless tasks online or people can opt to make a full-time career by leveraging the crypto economy. There are plenty of video streamers, content creators, writers, bloggers, traders, consultants, and miners working a full-time job in those fields. The coronavirus lockdowns continue to be rough on the economy and cryptocurrency solutions have always offered people a different way to earn funds online. It may take some research but with a bit of effort, it is not impossible to regain some or even all of those lost wages from the shutdown, by simply earning and learning to use cryptocurrencies. What do you think about our list of ways to earn cryptocurrencies during the lockdown? Let us know in the comments below. Darknet Markets Keep Shipping as Shoppers Shun the Streets Darknet Markets Keep Shipping as Shoppers Shun the Streets Monopoly Is a Tiny Darknet Market With Big Aspirations Monopoly Is a Tiny Darknet Market With Big Aspirations TAGS IN THIS STORY airdrops, blogging, Crypto jobs, Cryptocurrencies, cryptocurrency learning, earn, freelancing, jobs, lockdown, mining, Sharing Economy, staking, Tasks, trading Image Credits: Shutterstock, Pixabay, Wiki Commons, Read.cash Use Bitcoin and Bitcoin Cash to play online casino games here. DISCLAIMERDISCUSSION In Case You Missed It BCH Collectibles: RPG Blockchain Game Built on Bitcoin Cash Completes Flipstarter Campaign BCH Collectibles: RPG Blockchain Game Built on Bitcoin Cash Completes Flipstarter Campaign In the near future, a non-fungible token collectible game is coming to the Bitcoin Cash ecosystem. The project dubbed “Enter the Sphere” aims to bring its NFT collectible universe to Bitcoin Cash by leveraging the Simple Ledger Protocol (SLP). Last ... read more. The Latest Silk Road Bitcoin Seizure: Analytics Firm Claims Tokens Worth Millions Still Outstanding Analysts: Institutional Investor Interest Fueling BTC Rally, Liquidity Crunch Narrative Debunked Paypal Bought 70% of All Newly Mined Bitcoin Last Month as Demand Rockets Market Update: Crypto Asset Prices Spike Massively, Speculators Claim ‘Altcoin Season’ Is Here Blackrock’s Chief Investment Officer: Cryptocurrency Is Here to Stay, Bitcoin Could Replace Gold South Africa Unveils New Crypto Rules as Usage Soars Exponentially Texas State Securities Board Flags 15 Investment Entities Including One Unregistered Crypto Trader Most Popular Millionaires FOMO: 73% Will Own Bitcoin by 2022, Survey Millionaires FOMO: 73% Will Own Bitcoin by 2022, Survey NEWS | 2 days ago South Africa Unveils New Crypto Rules as Usage Soars Exponentially REGULATION | 17 hours ago Paypal Bought 70% of All Newly Mined Bitcoin Last Month as Demand Rockets NEWS | 8 hours ago Grammy Nominated Hip-Hop Star Logic Dropped $6 Million Into Bitcoin Last Month NEWS | 1 day ago New Dutch Law: Clients Must Explain Why They Want To Buy Bitcoin REGULATION | 3 days ago Deutsche Bank: Investors Increasingly Choose Bitcoin Over Gold to Hedge Dollar Risk, Inflation NEWS | 2 days ago Press releases Bitcoin.com Announces Cooperation Agreement With Japanese Media CoinOtaku Bitcoin.com Announces Cooperation Agreement With Japanese Media CoinOtaku Nov 20, 2020 Yearnify Finance (YFY) Hidden Gem – Decentralized Finance Project, Pre-Sale Round... Nov 20, 2020 Quppy Users Are Offered a Referral Program Nov 19, 2020 Curate, Next Generation Yield Farming Nov 18, 2020 Products & Services Get Bitcoin Spend Bitcoin Bitcoin Data Follow Company Bitcoin.com © 2020 Saint Bitts LLC Bitcoin.com All rights reserved. Privacy Policy Terms of Use Bitcoin Whitepaper Sitemap
বারঘোফে কুকুরের সাথে আডলফ হিটলার এবং ইভা ব্রাউন আডলফ হিটলারের যৌনজীবন নিয়ে দীর্ঘদিন ইতিহাসবিদ এবং পন্ডিতদের মধ্যে বিতর্ক চলছে। প্রমাণ পাওয়া গেছে, পুরো জীবনে কিছু সংখ্যক মেয়ের সাথে তার রোমান্টিক সম্পর্ক ছিল। সমকামিতার প্রতি তার বিদ্বেষ দেখা গেছে। তাকে অনেকে সমকামী হিসেবে অভিযুক্ত করলেও, তিনি যে সমকামিতায় আসক্ত ছিলেন এমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। তার নামের সাথে অনেক মেয়ের নাম যুক্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজন আত্মহত্যা করেছে, একজন আত্মহত্যা চেষ্টার ৮ বছর পর মারা গিয়েছে এবং আরেকজন আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। হিটলারকে সবাই জানত ঘরোয়া জীবনহীন একজন চিরকুমার মানুষ, যিনি তার পুরো জীবন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও রাষ্ট্রের জন্য উৎসর্গ করেছেন। ইভা ব্রাউনের সাথে তার ১৪ বছরের প্রেমের সম্পর্ক বাইরের এবং ভেতরের কেউ তেমন জানত না। ব্রাউনের জীবনীলেখক হেইকে গোরটেমা উল্লেখ করেছেন যে, এই জুটি স্বাভাবিক যৌন জীবন উপভোগ করত। হিটলার এবং ব্রাউন ১৯৪৫ এ এপ্রিলের শেষ দিকে বিয়ে করেছিলেন এবং আত্মহত্যার পূর্বে ৪০ ঘণ্টারও কম সময় তারা একসাথে ছিলেন। এলিস কর্তৃক যুদ্ধের সময়ের দুইটি প্রতিবেদনে হিটলারকে মানসিকভাবে বিশ্লেষণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ১৯৪৩ সালে ওয়াল্টার সি ল্যাঙ্গার, দি আমেরিকান অফিস অব স্ট্র্যাটিজিক সার্ভিসের এক প্রতিবেদনে বলেন, হিটলারের অবদমিত সমকাম প্রবণতা ছিল এবং আরো বলেন, হিটলার পুরুষত্বহীন কর্পোহিল ছিলেন। হেনরি মুররে এবং নাৎসি পার্টি বিরোধী অট্টো স্ট্রেসার আলাদা আলাদা প্রতিবেদনে একই মত দেন। ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ স্যার ইয়ান কারশাও স্ট্রেসারের মতকে "হিটলার বিরোধী প্রোপাগান্ডা" হিসেবে উল্লেখ করেন। [১] হিটলারের মৃত্যুর পর বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, তার যৌনতার প্রকার নিয়ে নানারকম মত আছে। অনেক বলেন যে তিনি সমকামী, অনেকে উভকামী আবার অনেকে বলেন তিনি সম্পূর্ণ যৌন নিস্ক্রিয়। তবে কোনটারই কোন প্রমাণ নেই। বেশিরভাগ ইতিহাসবিদ বিশ্বাস করেন যে, তিনি একজন বিপরীতকামী। জিন মেরি লরেট নামে তার এক অবৈধ সন্তান আছে বলে একটা অভিযোগ আছে। মূল্ধারার ইতিহাসবিদেরা যেমন, ইয়ান কারশাও এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। [২] ঐতিহাসিক তথ্য ল্যাঙ্গার এবং মুরের যুদ্ধকালীন প্রতিবেদন সাম্প্রতিক অভিযোগসমূহ সম্ভ্যাব্য সম্পর্কসমূহ তথ্যসূত্র InternetArchiveBot দ্বারা ২ মাস আগে সর্বশেষ সম্পাদিত সম্পর্কিত পাতা হেনরিক হিমলার আডলফ হিটলারের মৃত্যু আডলফ হিটলারের ধর্মীয় বিশ্বাস বিষয়বস্তু CC BY-SA 3.0-এর আওতায় প্রকাশিত যদি না অন্য কিছু নির্ধারিত থাকে। গোপনীয়তার নীতি ব্যবহারের শর্তাবলীডেস্কটপ।
Life is a gift There was a blind girl who hated herself just because she was blind. She hated everyone, except her loving boyfriend. He was always there for her. She said that if she could only see the world, she would marry her boyfriend. One day, someone donated a pair of eyes to her and then she could see everything, including her boyfriend. Her boyfriend asked her, “now that you can see the world, will you marry me?” The girl was shocked when she saw that her boyfriend was blind too, and refused to marry him. The boy walked away, and later he wrote a letter to her saying: “Just take care of my eyes dear.” This is how most of human brains behave after a change in status. Only few remember what life was before, and who’s always been there even in the most painful situations. In a world filled with hatred, there are very few people who truly care for fellow beings! Always keep them happy. Moral of the short story: Life is a gift – Live it, Enjoy it, Celebrate it, and Fulfill it.
Hi December I am so ready for Christmas movies and Christmas Songs and snow and all that other sappy amazing Winter stuff. ?
You can do almost anything your mind to. You can swim the deepest ocean and climb the highest peak. Be a doctor or fly a plane.. You can face adversity and still walk tall. You are strong, beautiful, compassionate and much more than words could ever say! Today is yours and so is every other day..
The fools look upon the world and see only pleasure. The lost look upon the world and see only pain. The wise look upon the world and see their work cut out for them.
Mahmuda Ahsan হিমালয় কণ্যা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা হতে কাঞ্চনজঙ্ঘার দুরত্ব মাত্র ১১ কি.মি.। অক্টোবর মাসে মেঘমুক্ত নীল আকাশে তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো হতে মোহনীয় কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য অবলোকন করা সম্ভব। সাধারনত শীতের মেঘমুক্ত আকাশে তুষারশুভ্র পাহাড়ের চূড়া রোদে চিকচিক করে ওঠে আর ঠিক তখনই কাঞ্চনজঙ্ঘার সেই মোহনীয় শোভা উপভোগ করা সম্ভবপর হয়।এভারেষ্ট চূড়ার সোনালী আলোয় উজ্জল বাংলাদেশের সর্বোত্তরের জনপদ হিমালয় কন্যা পঞ্চগড়। নভেম্বর ও ডিসেম্বরে হিমালয় কন্যা পঞ্চগড় ও তেঁতুলিয়ায় আসলে দেখতে পাবেন উত্তর আকাশ হিমালয়, কাঞ্চনজঙ্ঘা ও এভারেষ্ট চূড়া সোনালী আলোয় উজ্জল সুন্দর দৃশ্য। এ সময় আকাস মেঘাছন্ন না থাকায় প্রতিদিন এই সুন্দয্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছে নানান পেশাজীবি সহ ভ্রমন পিয়াশু মানুষ। বিশেষ করে প্রতিদিন ভিড় জমছে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার মহান্দা নদীর তীর ঘেষা পিকনিক কর্নার সহ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে।এখান থেকে সু-স্পষ্ট দেখা মিলে হিমালয়, কাঞ্চনজঙ্ঘা ও এভারেষ্ট চূড়ার সুন্দর দৃশ্য। বাংলাবান্ধা হতে নেপালের দূরত্ব ৬১ কি:মি:, এভারেষ্ট চূড়া ৭৫ কি:মি:, ভূটান ৬৪ কি:মি:, চিন ২০০ কি:মি:, ভারতের দারজিলিং ৫৪ কি:মি:, ভারতের শিলিগুড়ী ৮ কি:মি:, ভারতের কাঞ্চনজঙ্ঘা ১০ কি:মি:
"আমাদের সবার জীবনেই হয়তো এমন একজন মানুষের স্মৃতি থাকে যাকে আমরা কখনো মন থেকে মুছে ফেলতে পারি না... সেই মানুষটার নাম হয় অতীত কিংবা প্রাক্তন !! . তীব্র ভালোবাসার পরও প্রচন্ড আঘাত দিয়ে যখন প্রিয় মানুষটা ছেড়ে চলে যায়, তখন আমরা তাকে প্রাক্তন বলে আখ্যায়িত করি... কিন্তু আমরা এটা ভুলে যাই সবার প্রাক্তন হওয়ার যোগ্যতা থাকে না... কেউ কেউ শুধু নামে মাত্রই প্রাক্তন থেকে যায় !! . প্রাক্তন শব্দটায় একটা সম্মান থাকে... একটা মায়া থাকে, ভালোবাসা থাকে... প্রাক্তন তো সেই হতে পারে যাকে অনেক বছর দেখা হলেও যেনো গর্ব করে বলা যায় কোনো একদিন মানুষটা আমারই ছিলো... যেনো ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নিতে না হয় অন্য সবার মতো !! . অথচ সবার প্রাক্তনের মাঝে এসব সম্মান, মায়া, ভালোবাসা কিছুই থাকেনা... কারো প্রাক্তনকে ঘিরে থাকে শুধু একরাশ ঘৃণা... কেউ কেউ প্রাক্তনের নাম শুনলে এমনভাবে মুখ ফিরিয়ে নেয়, যেনো দেখে মনে হয় মানুষটাকে সে কখনো দেখেনি, চিনেও না !! . জীবনে প্রাক্তন থাকা অস্বাভাবিকের কিছু নয়... কিন্তু অস্বাভাবিক তখনই হয় যখন প্রাক্তন নামের মানুষটা জীবনের জন্য অনেক বড় ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়... নিজ থেকে চাইলেও তখন শুধুমাত্র প্রাক্তনের জন্যই অনেক কিছুই স্বাভাবিক হয় না !! . ভালোবাসার মানুষটা প্রাক্তন হলেও অতটা কষ্ট লাগে না যদি মানুষটার উপর সম্মান রাখতে পারা যায়... হাতের রেখায় মানুষটা থাকলে ঘুরেফিরে একদিন ঠিক চলেই আসে, কিন্তু সম্মান ক্ষুণ্ণ হলে মানুষটা চাইলেও তাকে আর মনে স্থান দেয়া যায় না !! . বিচ্ছেদের পরও কেউ কেউ প্রাক্তনকে ভালোবেসে যায় আবারো ফিরে পাবার আশায়... কেউ আবার অপেক্ষা করে যায় বছরের পর বছর... কেউ স্মৃতি আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে চায়, কেউবা পুরোনো স্মৃতি ভুলে থাকার জন্য নতুন স্মৃতির মায়ায় নিজেকে জড়িয়ে নেয় !! . সম্পর্কের বিচ্ছেদ সব সময় যে দুজনের ইচ্ছায় হয় এমনটা ভাবা ভুল... অনেক সময় একজন তার নিজের ইচ্ছায় সম্পর্ক থেকে বেড়িয়ে আসতে চায়, তখন অপর মানুষটার মেনে নেওয়া ছাড়া কিছুই করার থাকে না... মানুষটা উপহার হিসাবে পেয়ে যায় এক অভিশপ্ত প্রাক্তন !!"
কোন এক মন খারাপের রাতে অথবা অবসাদের রাতে আমরা দু জন হাত ধরে শহরের হাইওয়ে অথবা অলি গলি রাস্তায় বোহেমিয়ান হয়ে পুরো শহর ঘুরে বেড়াবো!'❤️
ও শহর! তুমি কি মনের গলির খবর রাখো? কত শত চিন্তার চাষাবাদ হয় তার খোঁজ কি জানো..?🖤
"আমি পনেরো হাজার কবিতা লিখেছি। কেন লিখেছি কেউ জানে না, আমিও জানি না। না লিখলে বাংলা সাহিত্যের ক্ষতি হতো না, আমার ক্ষতি হতো। লিখতে লিখতে বুঝেছি আমি কবিতা লিখতে জানি না। লিখতে লিখতে বুঝেছি কবিতা লিখলে দুঃখ ভোলা সম্ভব। কিন্তু দুঃখ ভুলে গেলে আর কবিতা লেখা যায় না।" বিনয় মজুমদার 🖤
প্রয়োজনে প্রিয়জন! এইসব অভ্যেস ছেড়ে দিন ... যাকে আপনার প্রয়োজন, তার সাথে অন্তত ৩৬৫ দিনে ৫দিন তার সাথে যোগাযোগ রাখুন। নিজের প্রয়োজনে বছরে ১দিনে সারা বছরের মহব্বত না দেখালেও চলবে।
এখনো অনেক সম্পর্ক আছে, যেগুলোতে মেয়েগুলো সত্যি সত্যিই ছেলেটাকে সাপোর্ট দেয়। ছেলেটার খারাপ সময়ে তাকে অজুহাত দেখিয়ে ছেড়ে না গিয়ে পাশে থাকে। ছেলেটা এখনো প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি বলে মেয়েটা পরিবারের চাপে পড়েও একটার পর একটা বিয়ে ভেঙে দেয়,ভালোবাসার মানুষটির সাথে থাকবে বলে। রেস্টুরেন্টে খেলে ছেলেটার টাকা খরচ হবে বলে ছেলেটার জন্য রান্না করে নিয়ে আসে পছন্দের খাবার।তারপর, একজন আরেকজনকে খাইয়ে দেয়। হাজারটাকার দামী উপহার না চেয়ে একটা গোলাপফুল নয়তো, একবার বেশি ভালোবাসি বলাটাকেই যত্ন করে গ্রহণ করে উপহার হিসেবে। সব ছেলেরা যেমন খারাপ না,সব মেয়েরাও না।কিছু মেয়েরা ভালোবাসতে হয় কি করে তা জানে।কি করে যেই ছেলেটার কিচ্ছু নেই, সেই ছেলেটাকে মানসিক সাহস জুগিয়ে পাশে থাকতে হয় জানে। এই মেয়েগুলোকে জীবনে পেয়ে গেলে হারিয়ে ফেলাটা সবচেয়ে বড়ো বোকামি। এদের দামী উপহার না দিতে পারলেও নিয়মে-অনিয়মে ভালোবাসাটা প্রতি বেলাতেই দিতে হয়।
মেয়েদের নিজস্ব কোন চুলের গন্ধ নাই,যেটা থাকে সেটা শ্যাম্পুর স্মেইল, ঘুমালে সব মেয়েকে সুন্দর লাগে, এটা ছেলেরা কেন বলে আমার জানা নাই। ঘুমালে সবার মুখ, তৈলাক্ত, ফুলে থাকে, নিজের চেহারাই তখন নিজের ভালো লাগে না। এটাই বাস্তব। সিল্কি চুল, ফ্রেশ লুক, চোখে কাজল, গোলাপী ঠোঁট। এমন রুপেই ছেলেরা মেয়েদেরকে কল্পনা করে। বাট ট্রাস্ট মি, বাস্তবে সবসময় এমন পরিপাটি হওয়ার সময় থাকে না, থাকলেও অতটা ইচ্ছে করে না। মেয়েদের শরীর কোন ফুলের বাগান না যে সবসময়ই সুরভিত ঘ্রাণ থাকবে। আমাদেরও ঘাম হয়, ঘেমে একাকার হতে হয়। ঘামে, ক্লান্তিতে, চিন্তায় মুখ কালো হয়ে থাকে। পরিপাটি হয়ে হয়তো ৩/৪ ঘন্টা থাকা যায়। কিন্তু সব মেয়েই সাধারণভাবে থাকতে পছন্দ করে। হে পুরুষ!! আপনাদের কল্পনাতে সবসময় একটা পুতুলকে চিন্তা করেন ,তারপর বাস্তবে আর তাকে সেভাবে পান না। সাধারনভাবে চিন্তা করুন। যে যেমন তাকে সেভাবে ভালোবাসুন।
তোমার আমার দেখা হবে কোন এক বৈশাখে হাতে-পায়ে আলতা আর একজোড়া নুপুর পড়ে কপালে লাল টিপ আর অঙ্গে জামদানী জড়িয়ে কোনো এক বৈশাখের বিকালে দেখা হবে দুজনে দুই জোড়া চোখে আনন্দঅশ্রু থাকবে গলাটাও ভারী হয়ে হয়ে আসবে মায়াভরা কন্ঠে ভালোবাসি বলা হবে না মুখে তবুও ভালোবাসাটা প্রকাশ পাবে। আঙুল স্পর্শ করে হাতটাও শক্ত করে ধরা হবে ভরসা মাখা হৃদয়ে একসাথে চলার অঙ্গীকার থাকবে ভালোবাসি বলে আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হবেনা তবুও ভালোবাসাটা প্রকাশ পাবে। খুব জলদিই তোমার আমার দেখা হবে কোন এক বৈশাখে।
আমি হেরে গেছি! আমি একবার, দু'বার, বহুবার হেরে গেছি; কখনো সময়ের কাছে, কখনো পরিস্থিতির কাছে আবার কখনো কখনো আমি নিজের পরিবারের কাছেই গেরে গেছি... আমার পরিবার আমাকে আশ্রয় দেয়, আমার সকল প্রকার চাহিদা মেটায়; আমি ভেঙে নিতিয়ে পরার মুহুর্তে আমাকে শক্ত হাতে আগলে নেয়৷ আবার সেই পরিবারই আমাকে তাদের স্বার্থে ব্যবহার করে, তাদের স্বপ্নগুলো আমার উপর চাপিয়ে দেয়; আমাকে জিতিয়ে দেওয়ার নাম করে গোঁ হারা'টা হারিয়ে দেয়... আমার কিচ্ছু করার থাকে না, অনেক কিছু বলার থাকলেও বলা হয়ে উঠে না। শুধু চুপচাপ মুখ বুজে পরিবারের জেদের কাছে হেরে যেতে হয় মাথা নত করে। আমি রক্তের সম্পর্কের চেয়েও আত্মার সম্পর্ক-কে যেখানে প্রাধান্য দিয়েছি বেশী, সেখানেও হেরে গেছি। বন্ধু মহলেও বন্ধুদের কৌতুহল বসে আমাকে জিততে দেয়নি বারংবার। আমি তাদের বিশ্বাস করতাম। নিজে-কে তাদের কাছে খুচরো পয়সার মত জমিয়ে রাখতাম। বন্ধুদের কেমন যেন ভোর বেলার আবছা আলোর মত নরম মনে হতো; তাই নিজের সমস্ত সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, যন্ত্রণা আর কষ্টের কথাগুলো তাদের কাছে গিয়ে গা এলিয়ে বলে বেড়াতাম। বন্ধুরাও আমাকে বটগাছ'টাই ভাবতো বটে। ক্লান্ত শরীর নিয়ে যখন তখন আমার উপর বসেই আমার শীতল ছায়াটুকু নিতো। অবশেষে আমার দ্বারা সকল প্রয়োজন মিটিয়ে সুযোগ বুঝে আমাকে কুপিয়ে যেতে দ্বিধাবোধ করেনি কেউ! আমি ক্ষত বিক্ষত হয়েছি, আমি হেরে গেছি; বন্ধুত্বের কাছেও আমি খুব বিচ্ছিরি ভাবে হেরে গেছি! যেখানে গেলে হৃদয়ের মাধুর্যতা বাড়ে, যেখানে গেলে হৃদয়ের ধুকপুকানি বাড়ে; যেখানে গেলে হাজার বছর বেঁচে থাকার ইচ্ছেরা বাড়ে, যেখানে গেলে দু'টো মানুষের মধ্যে দূরত্বটা পুরোটাই কমে; আমি সেখানেও হেরে গেছি, আমি ভালোবেসেও ভালোবাসার কাছে পুরোদমে হেরে গেছি! আমি ভালোবেসে ভালো থাকতে চেয়েছি, কারো কাঁধে মাথা রাখতে চেয়েছি। নিজেকে পুরোপুরি নগ্ন করার মত নিজের সমস্ত কিছু খুলে বলতে চেয়েছি, তার গায়ের আলোটুকু নিজের গায়ে মাখতে চেয়েছি। আমি চেয়েছি, আমি যেখানেই যাই না কেন! কেউ একজন সেখানে ফুরফুরে রোদের মত আলো জ্বেলে দিক। আমি চেয়েছি কেউ একজন আমার সব দুঃখ-কষ্ট, যন্ত্রনা'কে এক চুমুকে জলের মত গিলে ফেলুক। আমি এমন একজন মানুষকে চেয়েছি, সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে যার বুকে মাথা রেখে আমি নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবো... আমার এতো-এতো চাওয়া'দের পূর্ণ করে কেউ আমাকে জিতিয়ে দেয়নি; কেউ আমাকে ভেঙে-চুরে ভালোবাসেনি কোনোদিন৷ সময়ে-অসময়ে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় আমি বারংবার কাছের-দূরের আপনজন-পরজনের কাছে বহু-রুপে বহু মানুষের কাছে হেরে গেছি আমি বহুভাবে। আমি হেরে গেছি নিজের কাছে নিজেই! শেষবেলায় সব গল্পের ইতি টেনে হঠাৎ মৃত্যুর কাছে এভাবেই হেরে গিয়ে জিতে যাবো একদিন।
কখনোই 'প্রেম' করবো না, কারো সাথে সম্পর্কে জড়াবো না। পরিবার যার সাথে বিয়ে দিবে তাকেই বিয়ে করে নিব। এমন কথা বলা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মানুষগুলো একসময় হুটহাট করে কারো একজনের প্রেমে পড়ে যায়। জড়িয়ে যায় কারো সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে। আসলে, এই মানুষগুলোই পরে মন দিয়ে ভালোবাসতে পারে।কাউকে ভালোবাসবো না কখনো বলেও এরা ভালোবাসে নিজের থেকেও বেশি। ভালোবেসে কি করে আগলে রাখতে হয় এরা সেটা জানে। কারণ, এদের জীবনে হুট করে বসন্তের বাতাসের মতো আসা প্রেমটা খুবই মূল্যবান। মানুষটা যে তার প্রথম প্রেম। তাকে কি করে মন থেকে না ভালোবেসে থাকা যায়? এরা নিজের প্রথম প্রেম, প্রথম ভালোবাসাটাকে আগলে রাখে খুব যত্ন করে। অনেকেই আছে, পরিবার মেনে নেবে না ভেবে সম্পর্কে জড়াতে চায় না কারো সাথে। কিন্তু, হুট করে প্রেমটা যখন হয়েই যায় নিজের অজান্তে তখন এরা পরিবারের অবাধ্য হয়েও মানুষটাকে ছেড়ে যাবে না কথা দিয়ে ফেলে। পরিবারের সবচেয়ে বাধ্য আর ভীতু সদস্যটাও হুটহাট প্রেমে পড়ে ভালোবাসাটাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সাহসী হয়ে উঠে।
যার হাতে হাতটা ধরে পথচলা ছিলো আজ তো তাকে ছাড়াই দারুণভাবে সেই পথেই হাঁটছি! থমকে গিয়ে শাড়ির কুচিটাও নিজে নিজেই ঠিক করা শিখে ফেলেছি! বাতাসে মুখের উপর বার বার আসতে থাকা চুলগুলোকে নিজের হাত দিয়ে নিজেই সরিয়ে দিতে বাধ্য করে ফেলেছি! বার বার অযথাই কাঁচের চুড়িগুলো নিজের হাত দিয়েই নাড়িয়ে শব্দ তুলছি! বেলী ফুলের মালাটাকেও এখন নিজেই নিজের হাতে পেঁচিয়ে রাখছি! আজকাল কপালের টিপটাও মাঝ বরাবর দিতে শিখে গিয়েছি! এত পারদর্শী হয়েও আমার অপূর্ণতা রয়েই যায় চোখের নোনা জলের জন্য আজকাল কাজলটাই যে আর দিতে পারি না!