চকরিয়া ব্লাড ডোনার'স সোসাইটি
চকরিয়া ব্লাড ডোনার'স সোসাইটি
🔴একটি বিশেষ ঘোষনা🔴
🎙 সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, করোনা পরিস্থিতির কারণে সারাদেশ যেমনটা সংকটময়। ঠিক তেমনি ও রক্তদাতাদের রক্তদান ❌❌ব্যাহত হচ্ছে।
এর কারণ হল রক্তদাতারা লকডাউনের কারণে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে🚳🚷 পারছেনা।
এই অবস্থায় যাদের রক্তের প্রয়োজন বিশেষ করে সন্তান সম্ভাবা মায়ের, থ্যালাসেমিয়া রোগীর, কিডনিজনিত সমস্যা, ডায়ালসিস, রক্তশূন্যতা রোগীরা বা রোগীর স্বজনরা আমাদের রক্তের জন্য ফোন করে থাকেন। আর আমরা ও বিনামূল্যে রক্তদাতা আপনার সেবায় পৌঁছে দিয়ে থাকি।
🚩সতর্কতা।
আপনারা অন্তত ২-৩ দিন আগে ফোন করবেন। (সন্তান সম্ভাবা মায়ের জন্য কমপক্ষে ৬ দিন আগে ফোন করতে হবে যদি আপনার নিকটতম আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে রক্তদাতা না পেয়ে থাকেন)
🚫 ডেলিভারি রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে রক্তের জন্য দৌড়া দৌড়ি বা সেচ্ছাসেবক/রক্তদাতাদের বিপাকে ফেলবেন না। মনে রাখবেন প্রত্যেকটা ব্যাক্তি কেউ না কেউ কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকে। কাজে ব্যস্তময় রক্তদাতার রক্তদানের মানসিকতা থাকার পরেও পারছেনা আপনার প্রয়োজনে সাড়া দিতে। আপনার পূর্বপ্রস্তুতি ও সচেতনতা আপনার দৌরাত্ব/কষ্ঠ ও টেনশন কমাবে। এছাড়াও আমরা রিলেক্সে আপনাকে সেবা দান করতে পারব।
📌জরুরী মুহুর্ত📌
আমাদের কাছে জরুরী মুহুর্তেরে জন্য প্রতিটা গ্রুপের রক্তদাতা রিজার্ভ রাখি। আমরা যেকোন দূর্ঘটনায় রক্ত সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রস্তুত থাকি।
🔴#প্রশ্ন:- আপনার জন্য যদি রিজার্ভ ডোনার দিয়ে থাকি তাহলে জরুরী প্রয়োজনে রক্তদাতা কোথায় পাব❓❓❓❓
চকরিয়া ব্লাড ডোনার'স সোসাইটি
Sahabi
মসজিদে নববী শরীফে ঝাড়ু দিয়ে এক মহিলা সাহাবীর বড় সম্মান। মৃত্যুর পরে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হলো।
***********************************************
মসজিদে নববী শরীফে ঝাড়ু দিতেন এক মহিলা । তিনি এসেছিলেন আবিসিনিয়া থেকে । আবিসিনিয়া হচ্ছে আজকের ইথিওপিয়া । অনেক কষ্ট করে তারা মক্কা ও মদীনা শরীফে চলে আসেন।খাবার খুবই অভাব। পেটের ক্ষুধা মেটাতে দাস হিসেবেও বিক্রি করা যায় এদেরকে। অভাব- অনটন আছেই। মক্কা মুকাররমা ও মদীনা শরীফে কাজ করে জীবন যাপন করে অম্লান মুখে।
হযরত আয়েশা (রা) প্রতিদিনই তাকে দেখতে পেতেন । প্রতিদিনই তার পাশে বসতেন । আর শুনতে পেতেন ছড়ার মতন কয়েকটা লাইন সে নিয়মিত পড়ছে -
“স্কার্ফের সেই দিনটি ছিল আমার প্রভুর এক বিস্ময়কর নিদর্শন । সেদিন তিনি আমাকে বাঁচিয়েছিলেন অবিশ্বাসের অন্ধকার থেকে ।”
প্রতিদিন এই একই আবৃত্তি শুনতে পেয়ে আয়েশা (রা:) একদিন এর কারণ জানতে চাইলেন ।
“আমি ছিলাম একজন আবিসিনিয়ান ক্রীতদাসী, কুচকুচে কাল বর্ণের খুবই হালকা পাতলা গড়নের কৃষ্ণাঙ্গ একটা ছোট্ট মেয়ে । একটা বেদুইন আরব গোত্রে আমি ছিলাম এক আবদ্ধ দাসী । আমার কোন বন্ধু ছিল না । ছিল না কোন পারিবারিক বন্ধন । আমি শুধু মনিবের পরিবারের কাজ করতাম । আর তাদের সাথে সাথে ঘুরতাম এক জনপদ থেকে আরেক জনপদে । একদিন আমার মনিবের মেয়ে ঘর ছেড়ে বাইরে এলো । তার গলায় একটা স্কার্ফ ছিল । এটাকে বলে ‘উইশা’ । উইশা হচ্ছে লাল রংয়ের চামড়ার একটা শাল যেটা গলায় বা কোমড়ে পেঁচিয়ে পড়া যায় । ওটাতে স্বর্ণ মুদ্রা সহ আরও মূল্যবান পাথর খচিত । সে ঐ মূল্যবান স্কার্ফটা মাথার কাছে রেখে ঘুমিয়ে পড়ল । আর তখনি উপর থেকে লাল বর্ণ হওয়ায় মাংস পিন্ড ভেবে বড় একটা পাখি ছোঁ মেরে ওটা নিয়ে গেল ।
ঘুম ভাঙার পর প্রিয় স্কার্ফটা না পেয়ে সে চিৎকার করে কান্না জুড়ে দিল এবং তার বাবার কাছে বিচার দিল ঘুমন্ত অবস্হায় কেউ এটা চুরি করেছে । স্বভাবতই চাকরাণী হিসেবে সবার সন্দেহের চোখ আমার দিকে । আমি বললাম, মাংস পিন্ড ভেবে একটা পাখি ছোঁ মেরে ওটা নিয়ে গেছে । তারা আমার কথা বিশ্বাস করল না । তাদের ধারণা ছিল আমি ওটা চুরি করে লুকিয়ে রেখেছি ।
আমার কোন কথাই তারা বিশ্বাস করলো না। মারতে আরম্ভ করলো । চাবুকের আঘাতে আমার ছোট্ট পুরোটা দেহ রক্তাক্ত হয়ে গেল । আমি একটা শীর্ণকায় ছোট্ট মেয়ে ব্যথায় চিৎকার করে কাঁদছি । কেউ একজন এগিয়ে এলো না আমার পাশে । শরীরের বিভিন্ন জায়গা চাবুকের আঘাতে কেটে রক্ত বেরিয়ে মরুভূমি বালির লাল হয়ে গেল । পুরোটা শরীর চাবুকের আঘাতে জখম । আমি তখন অসহ্য চিৎকারে আকাশের দিকে চেয়ে কাঁদছি । ঠিক তখনি পাখিটা নেমে এল । স্কার্ফটা ফেলে দিয়ে গেল আমার আর মনিবের মাঝখানে ।
চাবুক থেমে গেল । ভুল বুঝতে পেরে প্রচন্ড অনুশোচনায় মনিব আমায় দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে দিল ।
আমি তখন মুক্ত স্বাধীন । শুনতে পেলাম মদীনাতে একজন সত্যের দিকে মানুষকে ডাকছেন । এবং বেশীর ভাগ অনুসারী দরিদ্র, দূর্বল, ক্রীতদাস আর নির্যাতিত পিছিয়ে থাকা সব সাধারণ মানুষ ।
আমি ছুটলাম মদীনার পথে । অনেক লম্বা মরুভূমির পথ পেড়িয়ে পৌছলাম । চাবুকের আঘাত তখনও শুকায়নি । ছিন্ন বস্ত্র, শীর্ণ, ক্ষুধার্ত, কালো সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত এক খুব অসহায় ক্রীতদাসীকে চিনে নিতে কষ্ঠ হয়নি সে মহামানবের । আমি ঘোষণা দিলাম ‘লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহম্মাদুর রসুলুল্লাহ ।’
আর মসজিদে নববীর ভিতরেই নবীজী এই অসহায়ের থাকার ব্যবস্হা করে দিলেন ।”
এটাই ইসলাম । ইনিই মুহাম্মদ (সা) ।
এই মহিলা সাহাবীর নাম উমম মাহজান । তিনি মসজিদে নববী নিয়মিত ঝাড়ু দিতেন ।
নবীজী সা: নিয়মিত তাঁর খোঁজ খবর রাখতেন । একদিন সারাদিনেও দেখা না পেয়ে নবীজী সা: জানতে চাইলে সাহাবারা জানালেন অসুস্হ হয়ে আগের রাতে মারা গেছেন । রাত বেশী হওয়ায় নবীজীকে ঘুম থেকে ডাকতে চায়নি কেউ । রাতেই দাফন দিলেন তাঁকে ।
এটা জেনে নবীজী সা: খুব কষ্ঠ পেলেন । তখনি তার কবরে গিয়ে বাকি সাহাবীদের নিয়ে আবার জানাযা পড়লেন ।দ্বিতীয় জানাযা ইসলামে এটাই প্রথম , একজন কৃষ্ণাঙ্গ ক্রীতদাসের ।
এটাই ইসলাম । ইনিই মুহাম্মদ (সা)।
“স্কার্ফের সেই দিনটি ছিল আমার প্রভুর এক বিস্ময়কর নিদর্শন । সেদিন তিনি আমাকে বাঁচিয়েছিলেন অবিশ্বাসের অন্ধকার থেকে ।”
(সহীহ বুখারীঃ হাদীস নং ৪৩৯,৪৬০ অবলম্বনে লিখিত )
ছবিঃ মসজিদে নববী শরীফের "বাবে জিবরাঈল" অর্থাৎ যেই দরজা দিয়ে জিবরাঈল (আ) রাসুলুল্লাহ (সা)- এর কাছে ঢুকতেন, সেই দরজা সহ দেখা যাচ্ছে। সুবহানাল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! ফী আমানিল্লাহ!
ভাই বোনের পবিত্র ভালবাসা
গল্পটা লিখতে আমি নিজেই কেদে ফেলছিলাম 😰
প্লিজ পড়বেন,, পড়লে হয়তো চোখ বেয়ে কয়েক ফোটা পানি গড়িয়ে পড়বে।
*********************
রাত্রি -:ভাইয়া, ও সোনা ভাইয়া।
রানা-:(ঘুম জড়িত কন্ঠে) কিরে কি হইছে?
রাত্রি-: ও ভাইয়া কলেজে যাবেনা? আম্মু বকতেছে।
রানা-:হ্যা রে যাবো।
রাত্রি-:তাহলে ওঠোনা কেন? মহিষের মতো পরে পরে ঘুমালে হবে? ওঠো।
রানা-:ওরে আমার পিচ্চি বুড়ি এত শাসন?
রাত্রি-: হুম, এই বাদড় তোকে উঠতে বলছিনা।
রানা-:উঠতেছি পিচ্চি বুড়ি,উম্মম্মাহহ।
"""""""""""
খুব দ্রত উঠে রানা রাত্রিকে একটা পাপ্পি দিয়ে ফ্রেশ হতে চলে গেল।
রানা বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে আর রাত্রি হল তার একমাত্র আদরের ছোট বোন।
সারাদিন দুষ্টুমিষ্টি ভালবাসায় কাটে এদের দিন।
রানা ফ্রেস হয়ে নাস্তার টেবিলে বসলো।
রানা-:মা রাত্রি কি নাস্তা করেছে?
মা-:না, তোর পাগলি বোন কি তোকে ছাড়া খায়?
রানা-: হুম।রাত্রিকে ডাকো।
"""""""""""""
রাত্রি-: ও ভাইয়া আমাকে ডেকেছো?
রানা-:হুম, এই পিচ্চি বুড়ি তুই খাসনি কেন?
রাত্রি-:গাধা টা আমি কি তোকে ছাড়া কখনো একা খাই?
রানা-:বুঝেছি পাকা বুড়ি, এখন বস নাস্তা করবি।
রাত্রি-:ঠিক আছে।
""""""""""
রানা-:কিরে কিছুই তো খাচ্ছিসনা।
রাত্রি-:খাবো কিভাবে?
রানা-:কেন তোর হাত আছেনা?
রাত্রি-: আছে, কিন্তু,,,,।
রানা-:কিন্তু কি? বল।
রাত্রি-:আমার হাত তো......।
রানা-:দেখি কি হয়েছে তোর হাতে।
রাত্রি-:কই কিছুনাতো।
রানা-:আল্লাহরে, এটা কিভাবে হলো? তোর হাত এতখানি পুড়লো কিভাবে?
রাত্রি-:ধুর গাধা এইটুকু কিচ্ছু হবেনা।
রানা-:আজকে আর কলেজে যাবোনা। মা, ওমা এদিকে আসো তাড়াতাড়ি।
মা-:কি হয়েছে?
রানা-:রাত্রির হাত পুড়ে গেল কিভাবে?
মা-:এইতো আমাকে বললো, মা আমি আজকে ভাইয়ার জন্য রুটি বানাবো।আমি বললাম তুই পারবিনা কিন্তু জানিস তো তোর বোন কত জেদী মেয়ে কিচ্ছু শোনেনা।তারপর আমি ওকে রান্না ঘড়ে রেখে রুমে এসেছিলাম।তারপর ও গ্যাস চালু করে কিভাবে যেন পুড়ে ফেলে।
রানা-:এই পাগলি তুই রুটি বানাতে গেছিলি কেন?
রাত্রি-:বা রে আমার ভাইটার জন্য বুঝি আমি রুটি বানাতে পারবোনা।
রানা-:হুম শিখেছিস তো বড় বড় কথা তাহলে হাত পুড়ে গেল কেন।
রাত্রি-:ধুরর এইটুকু কিচ্ছু হবেনা।
""""""""""
রাত্রিকে এসব বলছিলো আর রাকিবের দুচোখ বেয়ে পানি পরতেছিল।
আর ভাবছিল এত ভালবাসে তাকে এই পিচ্চি বুড়িটা, এইটুকু বয়সে সে এতকিছু করতে চায় তার জন্য।
"""""""
রাত্রি-:ও ভাইয়া তুমি কাদো কেন?
রানা-:তুই জানিস না তুই আমার কলিজা।তোর কিছু হলে আমি বাচবো কি করে।
অনেকটা পুড়ে গেছে রাত্রির হাত তবু যেন সেদিকে তার খেয়াল নেই।
ভাইয়ের কথা শুনে খুশি হয়ে সে তার মাকে বলে,,
রাত্রি-:ও মা তুমি তো বলছিলা ভাইয়াটা পচা। তুমি পচা,, দেখো ভাইয়া কত ভাল,,ভাইয়া বলেছে আমি তার কলিজা।
রানা-: আর কোনদিন রুটি বানাতে যাবিনা।
রাত্রি-:আচ্ছা। আমার লক্ষী
ভাইয়া আর কাদবেনা।
রানা-:আর মা তুমি আমাকে বললেনা কেন একথা।
মা-:তোকে বলিনি কারন,তুই আবার চিল্লাচিল্লি, কান্না শুরু করে দিবি।
রানা-:এই বুড়ি চল ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবো তোকে।
রাত্রি-:এই গাধা আমি বুড়ি না।তুই বুড়া।
"""""""""
তারপর রানা রাত্রিকে নিয়ে
ডাক্তারের কাছে যায়।
রানা অনেক ভালবাসতো তার এই ছোট বোনকে।রাত্রির সামান্য কিছু হলেই রানা কাদতো।
এভাবে চলতো তাদের ভাইবোনের পবিত্র ভালবাসা।
"""""""""
একদিন কিছু একটা নিয়ে মা বাবার সাথে ঝগড়া হয় রানার।
সেদিন রানা সারাদিন বাসায় ফেরেনি। বাসায় না ফেরার কারনে রাত্রিকে অনেক চেষ্টা করেও একটিবারেও খাওয়াতে পারেনি কেউ। আরা প্রচন্ড কান্না করতেছিল সে।
রাত্রি-: তোমরা সবাই পচা, তোমাদের জন্য আমার সোনা ভাইয়াটা চলে গেছে, তোমরা যাও আমার কাছ থেকে কেউ আসবা না।
"""""""
তারপর অনেকটা রাত হয়ে সবাই ঘুমিয়ে পরে শুধু এই পাগলিটা ছাড়া।
সবাই ঘুমিয়ে পড়লেও ভাইয়ের আশায় জেগে থাকে ছোট্ট মেয়েটি।
অনেক রাতে রানা বাসায় ফিরে আসলো আর না খেয়েই রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লো।
রানা যে এসেছে এটা রাত্রি ঠিক বুঝতে পারলো কারন সে তখনো জেগে ছিল আর কাদছিল।
রাত্রি তখন দ্রুত টেবিল থেকে এক প্লেট ভাত নিয়ে রানার রুমে গেল।
রাত্রি-:ভাইয়া, ও সোনা ভাইয়া।
রানা-:(ঘুম জড়িত কন্ঠে) কিরে বুড়ি কিছু বলবি।
রাত্রি-:(কাদে আর বলে) ও ভাইয়া তুমি কোথায় ছিলে সারাদিন?
রাত্রির কান্নার শব্দ শুনেই বিছানা থেকে লাফ দিয়ে উঠে যায় রানা।
রানা-:এই পাগলি তুই কাদছিস কেন আর তোর হাতে ভাতের প্লেট কেন?
রাত্রি-:আমি ভেবেছিলাম তুমি চলে গেছো। আর সারাদিন তো মনে হয় কিছু খাওনি কারন তুমি তো আমাকে না খাইয়ে দিয়ে আগে কিছু খাওনা।
"""""""""
এরপর রানা রাত্রির হাত থেকে ভাতের প্লেট নিয়ে টেবিলে রেখেই রাত্রিকে জড়িয়ে ধরে কাদতে থাকে আর সাথে রাত্রিও।
রানা-: আমি এই পিচ্চি বুড়িটাকে রেখে কোথাও যাবোনা।আমি জানি তুইও সারাদিন না খেয়ে আছিস কারন তুইও তো আমাকে ছাড়া খাসনা।
"""""""""
এরপর রানা নিজের হাতে রাত্রিকে খাইয়ে দেয় আর নিজেও খায়।
সকালে মা রাত্রিকে বিছানায় না পেয়ে খুজতে খুজতে রানার রুমে চলে যায়।
তিনি দেখতে পান পিচ্চি বুড়িটা তার ভাইয়ের বুকের উপর ঘুমিয়ে আছে আর পাশের টেবিলে প্লেট।
এটে দেখে তিনি সব বুঝতে পারলেন।নিজের চোখের পানিকে আর আটকাতে পারলেন না, কেদে ফেললেন পাগল পাগলির ভালবাসা দেখে।
"""""""""""
কে জানতো এমন একটা ভালবাসার মধ্যেও কালবৈশাখী ঝড় প্রবেশ করে ভাইবোনের এই পবিত্র ভালবাসার ইতি টানবে।
"""""
কিছুদিন পর রানার বাবা মা তাদের গ্রামের বাড়িতে যেতে চাইলো রাত্রিকে নিয়ে।কিন্তু রাত্রি রানাকে ছেড়ে যেতে চাইল না, আর রানাও যেতে দিতে চাইল না।
বাবা মা অনেক বুঝিয়ে রানা আর রাত্রিকে রাজি করালো।
এরপর তারা রাত্রিকে নিয়ে গ্রামে চলে গেল আর রানা একা থেকে গেল বাসায় কারন তার কলেজ ছিল তাই সে যায়নি।
""""""""
এরপর প্রতিদিন বারবার ছোট্ট বুড়িটা ফোন দিয়ে রানার খোজ নিত,,,,খেয়েছে কিনা, তার জন্য যেন না কাদে আরো অনেক কিছু।
এরপর ঘটলো এক ভয়ানক দূর্ঘটনা যা সব শেষ করে দিল।
রাত্রিকে সহ তার বাবা মা শহরের উদ্দেশ্য রওনা দিলো।
অনেকটা পথ এসেই ঘটলো দূর্ঘটনা। তাদের সেই বাসটা নিয়ন্ত্রন হারিয়ে পরে যায় বিশাল একটা খাদে।তারপর সব শেষ।
তার বাবা মা যখন জ্ঞান ফিরে পেল তখন তারা রাত্রিকে খুজতে লাগল সেই হাসপাতালে।
ডাক্তাররা জানায় বাসের সবাইকে এই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
তারা খুজকে খুজতে মর্গে চলে গেল যেখানে লাশ রাখা ছিল।
একটা একটা করে লাশ দেখতে হঠাৎ চিৎকার করে উঠলেন রানার মা। বুঝতে আর বাকি রইলনা যে, পৃথিবী ত্যাগ করে না ফেরার দেশে চলে গেছে পিচ্চি বুড়ি রাত্রি।
রাত্রির বডিটা একদম বিভৎস্য হয়ে গেছে, মনে হয় উল্টে যাওয়া বাসের নিচে পরে গেছিল।
এটা সহ্য করতে না পেরে অজ্ঞান হয়ে যায় তার মা।
রানাকে ফোন করলো তার বাবা।
রানা পাগলের মতো ছুটে এলো হাসপাতালে।এরমধ্যে তার মায়ের জ্ঞান ফিরেছে।
রানা এসেই চিৎকার করতে থাকে,কোথায় রাত্রি।
এরপর রাত্রির লাশের কাছে তাকে নিয়ে যাওয়া হল।
রাত্রিকে দেখেই হতভম্ব হয়ে যায় রানা।অনেকক্ষন কোন কথা বলেনা রাকিব। সবাই ভাবলো এ আবার পাগল হল নাকি।
হঠাৎ চিৎকার শুরু করে দিল রানা আর তার বাবা মাকে বলতে লাগল,,,
রানা-:(চিৎকার করে) তোমরা খুনি,তোমরাই মেরে ফেলেছো আমার পিচ্চি বুড়িটাকে, তোমাদের
কতো করে বললাম ওকে নিয়ে যেওনা, পাগলীটা থাকতে পারবেনা আমাকে ছাড়া তবুও তোমরা নিয়ে গেলে আর মেরে ফেললে, ফিরিয়ে দাও আমার পিচ্চি বুড়িকে।
"""""""
রানার চিৎকার শুনে হতভম্ব হয়ে যায় পুরো হাসপাতাল।
রানা-:(কেদে কেদে) কিরে পাগলী তুই নাকি আমাকে ছাড়া থাকতে পারিসনা,তুই তো আমাকে না দেখলে কেদে ফেলিস তাহলে এখন ঘুমিয়ে আছিস কেন? কেন একা রেখে গেলি আমাকে সার্থপরের মতো? ওঠনা পাগলি আর কখনো তোকে ছেড়ে কোথাও যাবোনা, ও বাবা ও মা আমার পিচ্চি বুড়িটা কথা বলেনা কেন, ও কি আর ঘুম থেকে উঠবেনা?
এসব বলে আর চিৎকার করে কাদে রানা।
ওর কান্না দেখে সবাই কেদে ফেলে।
""""""""""""
তারপর সেই ছোট্ট পরীটাকে ছোট্ট সাদা কাপড়ে মুড়িয়ে রাখা হলো অন্ধকার কবরে।
এরপর প্রতিরাতেই রানাকে চিৎকার করে কাদতে শোনা যায়।বেশিরভাগ সে যখন খেতে বসতো আর পিচ্চি বুড়িটাকে দেখতো পেতোনা খাবার টেবিলে তখন।
মাঝে মাঝে রানাকে কবরের পাশে দেখা যেত।সে বলতো, কিরে বুড়ি কিভাবে আছিস আমাকে ছেড়ে এই ছোট্ট মাটির ঘরে।তোর কি ভয় করেনা??
""""""""""
আদরের বোনকে হারিয়ে এভাবেই কাটছে রানার দিন।
""সমাপ্ত ""
""""""
গল্প : ভাই বোনের পবিত্র ভালোবাসা
আল্লাহ্ হাফেজ।
.
Wife
স্ত্রী
পর্বঃ ২
গাড়ি এসে একটা ছোট্ট ডুপ্লেক্স বাড়ির সামনে থামলো।রাজ জিনাতকে নিয়ে ঘরের দরজার সামনে এসে দাড়ালো।
--চোখের পানি মোছো,,যার জন্য তোমায় এতো কাঠখড় পুড়িয়ে বিয়ে করে আনলাম ,,তার সামনে কি চোখের পানি নিয়ে দাঁড়াবে।চোখ মোছো জলদি!! আর খবরদার!! যদি কোনো বেয়াদবি করেছো,,তবে আমিও তোমার বাবা মার সাথে আদব বজায় রাখতে পারবো না।বুঝতে পেরেছো???(নিচু গলায় শাসিয়ে বললো রাজ)
জিনাত মাথা নাড়লো।
রাজ কলিং বেল চাপ দিলো।একটা মেয়ে এসে দরজা খুলে দিলো।
--আরে ভাইজান,,,এইডা কেডা?আমাগো ভাবি নি!
-- হ্যাঁ, ঠিকি ধরেছিস শিমু।মা কোথায়?(ভিতরে ঢুকতে ঢুকতে বললো রাজ)
-আম্মা তো শুইয়া পরছে,,তয় ঘুমায় নাই মনে হয়,,ইট্টু আগেই শুইছে।
-আচ্ছা,,তুই তোর ভাবির সাথে এখানে থাক,,আমি মাকে ডেকে আনছি।
রাজ ওর মায়ের রুমে ঢুকে দেখলো,,কলিং বেলের আওয়াজে ওর মা আগেই উঠে পরেছেন।
-কি ব্যাপার? আজ সূর্য কোন দিয়ে উঠলো যে আমার ছেলে যে ১১ টার মধ্যেই বাসায় এসে পরলো !!
-তোমার জন্য একজনকে নিয়ে এসেছি মা।
-কাকে?
-চলো দেখবে, চলো!
রাজ ওর মায়ের হাত ধরে বসার ঘরে নিয়ে এলো।জিনাত রাজের মাকে দেখে সালাম দিলো। জিনাতকে দেখে রাজের মা একটু চমকে গেলেন,,কিন্তু অবাক হলেন না।কারন উনি জানতেন,,তার ছেলে কেমন।উনি রাজের কান টেনে ধরে বললেন,,,,
আমি আগেই আন্দাজ করেছিলাম,,আমার বাদর টা এমনই কিছু একটা করবে।
-কেনো করবো না বলো মা,,,যে জিনিসটা তোমার পছন্দ হয়েছে,,সেটা আনতে গিয়ে সোজা আঙুলে কাজ না হলে,,তবে আঙুল বাকাতে তো হবেই।আমার মা কিছু চেয়েছে,,আর তা আমি এনে দিতে পারি নি,এমন কি কখনো হয়েছে?
-কিন্তু তুই ওকে এভাবে বিয়ে করে ঠিক করিস নি।ওর বাবা মাকে আরো একটু বোঝানোর চেষ্টা করতে পারতি।
--কি যে বলো না মা,,ওনারা হলেন মহা ভদ্রলোক!!! গুন্ডা মাস্তান কি আর তাদের মনে ধরে!!দেখলে না,,তোমাকে কিভাবে অপমান করলো।আর জানো,, আমাদের কাছে ভেবে দেখবার জন্য সময় চেয়েছিলো,,অথচ আজ দিব্যি মেয়েকে দূরে পাঠিয়ে দেবার ফন্দি আটছিলো!কতোবড় ধোকাবাজ!!
-এভাবে বলেনা বাবা,,ওনারা তোমার মুরুব্বি না,,,
জিনাত অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে মা ছেলের দিকে।এ কেমন মা,,ছেলে গুন্ডামী, মাস্তানি করে বেড়ায়,, আর উনি তা জেনেও কিছু বলেন না!আবার ছেলে এতোবড় একটা অপরাধ করে ঘরে এসেছে,,তারপরও উনি এতো স্বাভাবিক কিভাবে??
রাজের মা, জিনাতের দিকে এগিয়ে গেলেন,,জিনাতের মাথায় হাত রেখে বললেন,,আহারে,আমার মিষ্টি মেয়েটা কেদেকেটে চোখমুখের কি হাল করেছে!!মুখটা শুকিয়ে গিয়েছে।মনে হয় অনেকক্ষণ পেটে দানা পানি কিছুই পরেনি।শিমু তুই টেবিলে খাবার দে।আর জিনাত,তুমি আমার সাথে এসো মা,,,,
জিনাত অবাক হয়েই যাচ্ছে,,বার বারই শুধু ভাবছে, এ কেমন মা?প্রচন্ড রাগ হচ্ছে ওর রাজের মায়ের উপর।ভাবছে,, নিশ্চয়ই রাজের মাই ওকে এইকাজ কাজ করতে বলেছে,,শুধুমাত্র এই মহিলার জেদের জন্য আজ আমার জীবনটা অন্ধকারে ডুবে গেলো।
রাজের মা জিনাতকে তার রুমে নিয়ে গেলেন।উনি জিনাতকে বোরখা খুলে হাতমুখ ধুয়ে নিতে বলে, রুমের বাইরে গেলেন।
জিনাতের খুব বিরক্ত লাগছে। ও ওখানেই দাড়িয়ে রইলো।রাগে গজগজ করছে ও,,কিন্তু কিছু বলতেও পারছে না,,কারণ ওর বাবা মা রাজের হাতে বন্দি।
কিছুক্ষণ পরে রাজের মা এসে জিনাতকে ওভাবেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বললেন,,,,,
-কি হলো মা,,তুমি ওখানেই দাঁড়িয়ে আছো?ও নতুন এসেছো বলে সংকোচ হচ্ছে?সংকোচের কি আছে? এই ঘর বাড়ি সংসার সবই তো আজ থেকে তোমার।
জিনাত মনে মনে ভাবলো,,ইস!! খুব আসছে এই ঘর বাড়ি সংসার আমাকে দিতে! এই পাপের টাকার সংসার কে চায়? একটা সুযোগ পাই,,,আমার জীবনটা নষ্ট করার শোধ,,আমি আপনাদের মা,ছেলে দুজনের উপরেই তুলবো।
রাজের মায়ের ডাকে জিনাতের ধ্যান ভাঙলো।
-কি হলো জিনাত, যাও। বোরখা খুলে হাতমুখ ধুয়ে নাও।
অনিচ্ছা সত্ত্বেও জিনাত হাতমুখ ধুতে চলে গেলো।
ও বাথরুম থেকে বের হয়ে দেখে রাজের মা একটা লাল টুকটুকে বেনারসি শাড়ি আর বেশকিছু গয়না বের করে রেখেছেন।
জিনাতকে দেখেই তিনি বললেন,
-এসো মা,এসো।এখন এগুলো ঝটপট পড়ে,, একটু পরিপাটি হয়ে নাও দেখি,,,তোমাকে রাস্তায় দেখার পর থেকেই আমার শখ,,তোমাকে এই লাল টুকটুকে বেনারসিতে দেখার।তাইতো পরের দিনি এই শাড়ি গয়নাগুলো নিয়ে, তোমার বাবা মায়ের সাথে কথা বলতে গিয়েছিলাম।কিন্তু তারা তো বুঝতেই চাইলো না
আমার কোনো কথা।যাক,সেসব কথা।অবশেষে তুমি আমার ঘর আলো করে এসেছো,,এই অনেক!!আমি শিমুকে পাঠিয়ে দিচ্ছি,, ও তোমাকে সাহায্য করবে।
এতোক্ষন যাও সহ্য করেছে জিনাত,,এবার ওর মেজাজ চরমে পৌছালো।
-দেখুন,,আপনার জেদ পূরন করতে গিয়ে আপনার গুনধর ছেলে এইরকম বিশ্রীভাবে আমাকে বিয়ে করেছে।আমি শুধুমাত্র আমার বাবা মায়ের মুখ চেয়ে এতক্ষণ সব সহ্য করেছি।কিন্তু এবার আমাকে ছাড়ুন।এই রাত-বিরেতে আপনার শখ পূরন করতে আমি সঙ সাজতে পারবো না।
-আচ্ছা,,, তাই নাকি সঙ সাজতে পারবে না,,,তো ঠিক আছে,,মা তো আর তোমাকে সঙ সাজতে বলেনি,,,বউ সাজতে বলেছে!!! তাই ঝটপট বউ সেজে ফেলো,,যদি ভালো চাও!!ও না না,,কথাটা ঠিক তা না,,যদি তোমার বাবা মায়ের ভালো চাও!!!(দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বললো রাজ)
- উহ,,রাজ! এভাবে মেয়েটাকে ভয় দেখাচ্ছিস কেনো।আর তুই এখানে কি করছিস?তোকে না বললাম তৈরী হয়ে নিতে।যা এক্ষুনি যা!
-আমার আগেই সন্দেহ হয়েছিল মা,,যে এই মেয়ে তোমার সাথে বেয়াদবি করবে।তাই দেখতে এসেছিলাম।আর আমার ধারণাই সত্যি হলো।
- কিচ্ছু বেয়াদবি করেনি ও।যেভাবে বিয়েটা হয়েছে,,তাতে ওর এই আচরণ স্বাভাবিক। তুই যা,,ও ঠিক তৈরী হয়ে নেবে।
রাজ চলে গেলো।রাজের মা জিনাতকে তৈরী হতে বলে শিমুকে ডাকতে গেলেন।
ওনারা চলে যেতেই জিনাত বিছানার উপর বসে ডুকরে কেঁদে উঠলো। ভাবলো,,বিয়ে একটা মেয়ের কতই না স্বপ্ন থাকে।আর আমার বিয়েটা কিনা এভাবে হলো?আজ আমাকে বউ সাজতে হবে,,,তাও কিনার একটা ক্রিমিনালের জন্য? এই ছিলো আমার ভাগ্যে?শেষ পর্যন্ত আমার পরিচয়,, আমি একটা দাগী আসামির স্ত্রী?
এর মধ্যেই শিমু এসে বললো,,ভাবি আসেন,আপনারে শাড়ি পড়াইয়া দেই।আমি কিন্তু খুব সুন্দার কইরা শাড়ি পড়াইতে পারি।মেলা পদের খোপা বানতেও জানি।তয় ভাবি,,আপ্নে মাশা আল্লাহ যা সুন্দার,,আপনার মুখে তো সোনো, পাউডার,লিবিস্টিক কিছুই লাগবো না।শাড়িডা পড়াইলেই,পাক্কা লাল টুকটুইক্কা বউ হইয়া যাইবেন। আসেন ভাবি,,,আম্মায় তড়তড়ি করতে কইছে,,মেলা রাইত হইয়া গেছে তো,,
ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও,, জিনাতকে উঠে দাড়াতে হলো,,বউ সাজার জন্য।
শিমু জিনাতকে সাজাতে শুরু করলো ।খুব সুন্দর করে শাড়ি পরালো,,সুন্দর করে খোপা বাধলো।মুখের সাজগোজ বলতে শুধু একটু পাউডার, লিপস্টিক আর কাজল।লাল বেনারসি আর হালকা গয়নায়,জিনাতকে হুরপরীর মতো সুন্দর লাগছে।কাচা সোনার মতো গায়ের রঙে লাল শাড়িটা যেনো ঝলমল করছে।
এর মাঝেই রাজের মা রুমে ঢুকলেন।ঢুকেই তার চোখদুটো বড়বড় হয়ে গেলো।
--মাশা আল্লাহ,, মাশা আল্লাহ!! এ কাকে দেখছি আমি,,আমার মিষটি মেয়েটা এতো সুন্দর!! আল্লাহর কাছে লাখো শুকরিয়া, এমন একটা হুরপরী আমার রাজের বউ করে পাঠানোর জন্য।
এই কথায় জিনাতের ভালো খারাপ কোনো অনুভূতিই হচ্ছে না।ও চুপচাপ বসে আছে,মলিন মুখে।ওর শুধু একটা কথাই মনে হচ্ছে,,যে আজ থেকে ও একটা গুন্ডার স্ত্রী!!
রাজের মা জিনাতকে নিয়ে বসার ঘরে এলেন।রাজ ওর মায়ের কথায় আগেই সেভ করে, হাতমুখ ধুয়ে, নতুন ধবধবে সাদা পাজামা পাঞ্জাবী পরে ওখানে বসেছিলো।ও মাথা নিচু করে মোবাইল চাপছিলো।পায়ের শব্দ পেয়ে মাথা তুলতেই ওর চোখ আটকে যায়।,,এ কাকে দেখছে ও!মনে হচ্ছে আকাশ থেকে কোনো লাল পরী নেমে এসেছে।জীবনে এই প্রথম কোনো মেয়েকে দেখে এতোটা মুগ্ধ হলো রাজ।জিনাতকে এর আগে সবসময় কালো বোরখা হিজাবেই দেখেছে।আর মুখে কখনো কোনো সাজগোজ করেনি জিনাত।তাই ওর এই রূপ রাজের অচেনা।সত্যি বলতে রাজ কখনো জিনাতকে ওভাবে খেয়ালই করেনি।শুধুমাত্র মায়ের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়েই এতোকিছু করেছে ও। কিন্তু আজ, এখন যেন ও চোখই ফেরাতে পারছে না,,জিনাতের থেকে।
ছেলেকে হা করে তাকিয়ে থাকতে দেখে,,রাজের মা মুচকি হাসলেন।
--এহেম,এহেম!!বাবা আমার,,একটু সরে বসো,
মায়ের আওয়াজে ধ্যান ভাঙলো রাজের।জীবনে এই প্রথম বেশ লজ্জা লাগছে মার সামনে।তাড়াতাড়ি চোখ নামিয়ে পাশে সরে বসলো।
জিনাত মাথা নিচু করেই আছে,,কারো দিকেই
তাকাচ্ছে না।
প্লিজ যারা গল্প পড়তে ভালবাসেন তারা রিকুয়েষ্ট দিন একটা অনুরোধ। গল্পের মাঝে বিরক্ত করার জন্য স্যারি।
রাজের মা রাজ আর জিনাতকে পাশাপাশি বসিয়ে মিষ্টিমুখ করালেন।ফারদিন, সজীব,সুমন,মনির (রাজের চ্যালাপেলা) ওরা রাজ আর জিনাতের ছবি তুলতে লাগলো।
-ভাই,,আরেকটু ক্লোজ হও না,,,
-আরে ভাই,,ভাবির কাধে হাত রাখো না,,নয়তো কি কাপল পিক হয় নাকি।
-খালাম্মা,আপনি দুইজনের কাধে হাত দেন না,,,,
জিনাত বিরক্তির চরম সীমায় পৌছে গেলো এদের কার্যকলাপে।সবচেয়ে বিরক্ত তো তখন হলো,,যখন রাজ ছবি তোলার জন্য ওর কাধে হাত দিয়েছিলো,,সারা শরীর যেনো জিনাতের রি রি করে উঠেছিলো!অনেক কষ্টে নিজেকে সামলায় ও।
মিষ্টিমুখ আর ছবি তোলাতুলি শেষে সবাই খেতে বসলো।
জিনাত কিছুই খেতে চাইছে না।শেষে রাজের মায়ের জোড়াজুড়িতে দুই লোকমা খাবার খেতেই হলো।
খাবার শেষে, শিমু এসে জিনাতের কানে কানে ফিসফিসিয়ে বললো,,ভাবি চলেন,,আপনারে বাসর ঘরে লইয়া যাই।জানেন,,ফারদিন ভাইরা ইট্টুখানি সময়ের মইধ্যে কি সুন্দার কইরা ভাইজানের ঘরখান সাজাইছে,,,চলেন,আপনেরে লইয়া যাই,,,,
শিমুর কথা শুনে জিনাতের বুকটা ধ্বক করে উঠলো। এতোক্ষন তো এটা ওর মাথাতেই আসেনি,,,,শেষমেষ,,ওই গুন্ডাটার সাথে বাসর!!!(চলবে)
নিয়তি১
--- আমার দুটো বাচ্চা আছে জেনে ও আপনি আমাকে বিয়ে করলেন?
বিয়ের প্রথম রাতেই ইমাদের মুখ থেকে এমন কথা শুনে নাজিফা একটু শুকনো হেসে বললো ---- হাসালেন আপনি আমাকে। আরে আমি নিজেই তো একজন ডিভোর্সি মহিলা, স্বামীর সাথে সংসার করতে- না করতেই দু বছরের মাথায় ও আমাকে ডিভোর্স দিলো । আমার আবার পছন্দ--- অপছন্দ। পরিবারের কাছে এই ১ টা বছর বোঝার মতো ছিলাম, অবশেষে আপনার সাথে বিয়ে হওয়ায় একটু মুক্তি পেলাম। কিন্তু আপনি আমাকে কেন বিয়ে করলেন?
।
।
নাজিফার কথার উওর দিতে গিয়ে ইমাদের চোখ দুটো লাল হয়ে যায়, কিছুসময় নিশ্চুপ থেকে ইমাদ বললো --- আমি তো আপনাকে বিয়ে করতে চাইনি, ইনফ্যাক্ট এ বিয়েতে রাজি ও ছিলাম না, কিন্তু মা অনেক জোর করলো, আমাকে নিয়ে হাপিঁয়ে গেছে মানুষ টা, সেদিন আমার সামনে এসে মায়া ময় কন্ঠ বললো
-
-- বাবা তুই কী আমাকে বেঁচে থেকে ও মরার লাশের মতো রাখবি।
সেদিন মায়ের কথাটি শুনে খুব কষ্ট হলো, আলতো করে মায়ের কোলে মাথা রেখে
বললাম--- মা তুমি কেন এমন বলছো?
মা তখন দুহাত তুলে আমাকে বললো --- দে না বাবা আমাকে একটা বউ, মানুষের জীবনে তো এমন সুখ-- দুঃখ থাকেই, কিন্তু তাই বলে কী তুই নিয়তির সাথে রাগ করে জীবনকে থামিয়ে রাখবি??
সন্তান গুলোর কথা অন্তত ভাব, ওদের পুরো জীবনটা এখন ও পড়ে আছে। ওদের ও তো মায়ের ভালোবাসা পাওয়ার অধিকার আছে।
সেদিন কেন জানী মায়ের কথা গুলো খুব লাগলো , মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে আপনাকে বিয়ে করতে বাধ্য হলাম।
ইমাদের কথা শুনে বিশাল ঘোমটার আড়ালে লুকিয়ে থাকা মেয়েটির চোখ দুটো অশ্রুতে ভিজে গেলে, কিন্তু ইমাদ সে খবর নিলো না, বরং তিক্ত কথা শুনাতে লাগলো --- দেখুন আমি আপনাকে কখনো স্ত্রীর মর্যাদা দিতে পারবো কীনা জানীনা, তবে বন্ধু হিসেবে আপনাকে সবসময় সাহায্য করবো, আর হ্যা আপনার আগের স্বামী আপনাকে ছেড়ে দিয়েছে কেন, সেটা ও আমি জানীনা, তবে জানতে ও চাইনা, কারন আপনাকে নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই, তবে মায়ের থেকে যেটুকু শুনেছি আর এতোক্ষণে আপনাকে যেটুকু দেখেছি তাতে আমার মনে হচ্ছে আপনি খুবেই পরেহেজগার, আর সেই জন্যই হয়তো আমাদের বিয়েটাও মসজিদে হয়েছে, কিন্তু বুঝতে পারছিনা আপনি এতো পরেহেজগার হওয়া শর্তে ও আপনার হ্যাজবেন্ড আপনাকে ছেড়ে কেন চলে গেছে?????
আবার সেই প্রশ্নটার সম্মুখীন, এই ১ বছরে মেয়েটি এই প্রশ্নটি শুনতে-- শুনতে প্রায় ক্লান্ত হয়ে যায়। ভেবেছে এবার একটু মুক্তি পাবে কিন্তু তাও হলোনা।
।
ঘোমটার আড়ালে লুকিয়ে থাকা মেয়েটি ইমাদের প্রশ্নের কোনোই উওর দিলোনা।
ইমাদ একটু সংকোচ করে তখন বললো --আসলেই কী আপনি ভালো? নাকি ভালো হওয়ার অভিনয় করছেন।
নাজিফা তখন শান্ত কন্ঠে বললো ---- হয়তো খারাপ তাই আজ অবধি কারো মনে জায়গায় পেলাম। না।
---- আপনি কী আমার কথায় রাগ করেছেন?
--- এ মা কী বলছেন, রাগ কী সবার উপর করা যায় বলুন, রাগ করতে হলে মানুষটার উপর অধিকার থাকতে হয়।
।
।
ইমাদ আর কোনে জবাব দিলোনা, একটু নিচু করে মুখটাকে রেখে নাজিফাকে উদ্দেশ্য করে বললো --- দেখুন আমি জানীনা আপনি দেখতে কেমন? আর আপনাকে দেখার ও আমার কোনো আগ্রহ নেই, তবে আপনাকে একটা কথা বলে রাখি আপনি প্লিজ আমার কাছে কখনো স্ত্রী র অধীকার চাইবেন না।
---- চাইবো না, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলাই আমার জন্য যথেষ্ট ।
নাজিফার কথা শেষ না হতেই দরজায় কেউ নক করতে লাগলো, ইমাদ একটু চিন্তিত হয়ে দরজার সামনে গিয়ে বললো ---- কে??
ও পাশ থেকে তখন আওয়াজ আসলো--- বাবাই আমরা।
বাবাই শব্দটা ইমাদের কানে আসতেই এক মুখ হাসি নিয়ে ছেলেটি দরজা খুললো, দরজা খুলতেই একটি চার বছরের মেয়ে ইমাদের কোলে উঠে পড়লো, একমুখ হাসি নিয়ে মেয়েটি ইমাদকে বলতে লাগলো --- ও বাবাই, আমি তোমার পাতে তুবোনা?
কথাটি নাজিফার কানে যেতেই নাজিফা খিলখিল করে হাসতে লাগলো, ওর হাসির আওয়াজ ইমাদের ১৩ বছরের মেয়ে নওরীনের কানে যেতেই ও বাবাকে রাগী স্বরে বলতে লাগলো --- বাবাই তোমার আর মায়ের ঘরে এ কে??
ওকে কেন এই ঘরে এনেছো, আর তাছাড়া ও এভাবে সেজে বসে আছে কেন?
মেয়েটির এমন কথা নাজিফার কানে যেতেই নিমিষে ওর হাসিটা উদাও হয়ে যায়।
ইমাদ নওরীনের মাথায় হাত দিয়ে বললো --- মামুনি এনি তোমাদের আনটি হয়।
--- আনটি! আচ্ছা মামুনি বলে পরিচয় দিলে কী হতো? ও বাচ্চাদের আম্মু হতে ও বুঝি আপনার স্ত্রীর অধিকার লাগবে। নাজিফা মনে-- মনে এই ভাবতে--- ভাবতে নিশ্চুপ ভাবে বসে রইলো।
কিন্তু নওরীন বড় জেদি ও এক রোখা টাইপের মেয়ে, ঘরে ঢুকেই নাজিফার হাতটা শক্ত করে ধরে ওকে ঘর থেকে বের করে দিলো, চিৎকার দিয়ে বলতে লাগলো --- আমার বাবাইয়ের রুমে তুমি কী করছো, যাও এখান থেকে?
ইমাদ তখন নওরীনকে বলতে লাগলো --- আম্মু এমন করেনা, ও তো আমাদের বাড়ির মেহমান।
--- না বাবাই, ও কেউ না, ফুফু বলেছে ও আমাদের সৎ মা, বাবাই ওকে চলে যেতে বলো, নাহলে আমি কিন্তু তোমার সাথে আর কোনো দিন কথা বলবোনা, এই বলে নওরীন, নাবার দিকে তাকিয়ে ইমাদকে বললো --- নাবা ও তোমাকে কোনো দিন বাবা বলে ডাকবেনা।
।
।
।
নাজিফা অবাক হয়ে গেলো নয় বছরের একটি বাচ্চার মুখে এমন সব আচরণ দেখে , খুব অবাক ভাবে ও নওরীনের দিকে তাকালো, মেয়েটির চেহারায় এতো পরিমান মায়া, যা যে কেউকে ওর প্রতি ভালোবাসায় জড়াবে কিন্তু বড্ড বেশি জেদি ও এক রোখা টাইপের মেয়ে।
---- কী হলো তুমি এখনো দরজার সামনে দাড়িয়ে আছো কেন? প্লিজ এখান থেকে যাও, বাবাই ওকে চলে যেতে বলো।
নওরীনের চেঁচামেচিতে মিসেস সালেহা বেগম উপরে উঠে আসতে বাধ্য হলো , ইমাদের রুমে এসে নতুন বউকে বাহিরে দাড়িয়ে থাকতে দেখে আর নওরীন, ও নাবাকে ইমাদের সাথে দেখে গম্ভীর কন্ঠে সালেহা বেগম নওরীনকে জিজ্ঞাসা করলো ---- কী ব্যাপার তুমি এখানে কী করছো?
নওরীন আমি না তোমাকে আর নাবাকে ঘুম পাড়িয়ে দিয়ে আসলাম। তোমরা এ ঘরে কী করছো?
নাবা তখন বাবাইয়ের কোল থেকে দিদুনের কোলে গিয়ে আদৌ -- আদৌ করে বলতে লাগলো ---- দিদু, বোন, বোন উতিয়ে দিয়েছে আমায়, বোন, বাবাই, বাবাই আতবে বলে।
নাবার কথা শুনে মিসেস সালেহা গরম চোখে নওরীনের দিকে তাকাতেই ও ইমাদের পিছু গিয়ে লুকিয়ে পড়ে। মিসেস সালেহা তখন ইমাদের পিছু থেকে ওর হাতটা শক্ত ধরে ওকে বলে ---- দিন-- দিন তোমার বেয়াদবি বেড়েই যাচ্ছে।
ইমাদ তখন ওর মায়ের হাতটা সরিয়ে মিসেস সালেহাকে বলে--- মা প্লিজ তুমি ওকে ছাড়।
।
।
----- এই তোর পশ্রয় মেয়েটি দিন-- দিন বিগড়ে যাচ্ছে, তোরা ওকে আদর দিয়ে দিয়ে দিন- দিন বানর বানিয়ে ফেলছিস।
---- আদর আর কী দিলাম, তোমার কথা রাখতে গিয়ে, তোমার জ্বালায় আমাকে আবার বিয়ে করতে হয়েছে, তাও একটা ডিভোর্সি মহিলাকে।
" ডিভোর্সি মহিলা " শব্দটি যেনো মেয়েটির একটা নাম হয়ে গেছে। এক সময় নাজিফার খুব কষ্ট হতো যখন পাড়ার মহিলারা ওকে দেখিয়ে বলতো--- দেখ মেয়েটি কী দ্বীনদার, অথচ এতো পরেহেজগার হওয়া শর্তে স্বামীর ঘর করতে পারলোনা, ডিভোর্স হয়ে গেলো।
কী যুগ রে বাবা, এরা আবার নাকি পরেহেজগার।
নাজিফার কাছে সেই কথাগুলো একসময় বিষণ আঘাতের অস্ত্র ছিলো, কিন্তু ধীরে-- ধীরে মেয়েটি একটা সময় এই কঠিন বাস্তবতার সাথে নিজেকে মানিয়ে নেয়।
তাহলে আজ ইমাদের মুখ থেকে এ কথা শুনে কষ্ট পাওয়ার কোনো প্রশ্নই তো আসেনা। কিন্তু তারপর ও হৃদয়ের মাঝে আজ কেন জানী পুরোনো কষ্ট টা আঘাত করলো আবার, নাজিফা বুঝে উঠতে পারলোনা ---- কেন এমন কষ্ট হলো!!!
।
।
বিয়ের দুদিন আগে ও তো মা কথায়-- কথায় ঠেস মেরে বললো ----- কপালে দুই বাচ্চার বাপ জুটেছে এটা ও তোর ভাগ্য ভালো, না হলে যে মেয়ে নিজে স্বামীকে ডিভোর্স দেয় তার আবার কেমন করে বিয়ে হয়????
নিজের আপন মা যখন সবকিছু যেনে ও এমন কথা বলে তখন তো কষ্ট -- যন্ত্রনার দরুন জ্বালা পাওয়ার কথা। কিন্তু কই সেদিন তো মায়ের কথাই আমার বিন্দু মাএ কষ্ট হলোনা, সমাজের আর পাঁচটা স্বাভাবিক মানুষের তালিকায় মাকে ও স্থান দিয়ে আমি সে কষ্ট টা নিমিষে দুর করে ফেললাম, তবে আজ কেন এই লোকটার কথায় পুরনো ক্ষতরা আবার মন পাজঁরে উতপাত শুরু করলো!!!!!!
।
।
।
নাজিফা প্রশ্নটির কোনো উওর পেলোনা, বুঝে ফেললো মেয়েটি ---- আসলেই পৃথিবীতে বেঁচে থাকাটা হয়তো সহজ, কিন্তু ভালোভাবে বেঁচে থাকাটা ভীষণ জটিল, আর সেই জটিলতায় আমাদের অনেক প্রশ্নের কোনো উওর হয়না, অনেক কিন্তুর কোনো কারন হয়না, আর অনেক সম্পর্কের কোনো মানেই হয়না।
সালেহা ইমাদের এমন কথা শুনে , ইমাদকে রেগে গিয়ে বলে--- তুমি দিন-- দিন আসলেই যে কত পরিমান বিপথে যাচ্ছ তা আজ আমি টের পেলাম। ওকে ডিভোর্সি বলছো, তুমি কী? হ্যা, তুমি তো.....
---- মা প্লিজ আমি তোমাকে বলিনি আমি আবার বিয়ে করবো, অতএব আমি কী সে প্রশ্নটা এখানে আসছে কেন???আর এ বিয়েটাই আমার কাছে ছেলেখেলা ছাড়া আর কিছুই নয়।
---- বিয়েটা তোমার কাছে ছেলেখেলা মনে হলে ও তা আমার কাছে নয়, এই সংসারের আর তোমাদের যে অবস্থা তা থেকে তোমাদের সকলকে সঠিক পথে আনার জন্যই আমি ওকে এ বাড়ির বউ করে এনেছি, আর ও শুধু এ বাড়ির বউ না আমার মেয়ে ও।
।
।
।
নাজিফা যেনো বিশ্বাস করতে পারছেনা শাশুড়ি নামক মহিলা তাকে মেয়ে বলায়। কেন জানী মনে হচ্ছে মহিলাটি ভুল করে এমন কথা বলে ফেলেছে, আসলে শাশুড়িদের কাছে কখনো বউরা মেয়ে হয়না, যদি হতো তাহলে......
( চলবে)
গল্প: # নিয়তি( পর্ব-১)
দুই বধু এক স্বামী৫
দুই বধু এক স্বামী
.
৫ম পর্ব
.
- আমি না হয় তখন একটা ভুল করে ফেলেছি, তাই বলে আপনি আমার সাথে এই রকম করলেন।(কাঁদতে কাঁদতে বলল)
.
-দেখ নীলা এখন আমায় ছাড়, এখন কেঁদে কোন লাভ নাই,এটা তোমার আগেই বুঝার দরকার ছিল(আমি)
.
নীলা কিছু না বলে এখনো আমায় জড়িয়ে ধরে কাঁদছে, আমার শার্টের বুকের পাশটা প্রায় ওর চোখের লোনা জলে ভিজে গেছে।
.
-আমি আপনাকে ছাড়া বাঁচবনা,আমার সাথে এমনটা করবেন না, আমি যদি আপনাকে না পাই, সত্যি আমি মরে যাব।(ফুপিয়ে ফুপিয়ে বলল)
.
-ছাড়োতো নীলা তোমার এই নেকামি গুলো আমার আর ভালো লাগেনা, তখনতো বুঝলেনা এখন কি জন্য বুঝতে আসছো।
বিয়ের তিনমাস পর্যন্ততো তুমার মনে ছিলনা আমার জন্য একটুও জায়গায় তবে এখন কেন। তুমার এই নেকামি গুলো বন্ধ কর, আমার অসহ্য লাগছে। ভাবছিলাম বাসায় আরো একদিন থাকব,কিন্তু আর থাকা হলো না বিকেলের দিকে রওনা দিব।(কথাটা একটু জোরে বলে, নীলাকে আমার বুক থেকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলাম, ধাক্কা সামলাতে না পেরে খাটের উপর গিয়ে পরল।)
.
-সত্যি বলছি আপনি যদি না থাকেন আমার জীবনে, তাহলে আমিও আর আমার জীবন রাখবনা। খুব ভালোবেসে ফেলেছি আপনাকে,নিজের জীবনের চাইতে ও বেশী। (কান্না আরও বাড়িয়ে দিল)
.
-রাখ তুমার নেকামি(ধমক দিয়ে রুম থেকে চলে আসলাম)
.
বাহিরে আসতেই মা বলল-
-কিরে এতো চেঁচামেচি করতেছস কেন?কিছু হইছে নাকি?
.
-কই নাতো কিছু হয়নাই,মা একটু বাহিরে যাচ্ছি(কথাটা বলে ঘর থেকে বের হয়ে আসলাম)
.
নদীর পাড়ে বসে আছি। নিজের থেকে খুব বেশী কান্না আসছে,নীলার সাথে বেশী বাজে
রিয়েক্ট করে ফেলছি। কি করব এখন আর কিছু করার নাই আমার, আমিও নীলাকে ভালোবাসি। কিন্তু মিমিকে এর থেকেও বেশী, মিমি আর বড় জোর পাঁচ মাস এই পৃথিবীর আলো দেখতে পাবে, নিজের হাতের ঘরে উঠা সংসার রয়েছে আর মাত্র পাঁচ মাস। নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে নিজের করে পাবে আর মাত্র পাঁচ মাস, তারপর আমাকে ছেড়ে চলে যাবে অন্ধকার জীবনে।
.
যখন নীলার সাথে রাগ করে চলে আসব ঢাকায়, তখন যেই অফিসে জয়েন করব সেই অফিসের মালিক হলো মিমির বাবা অর্থাৎ আংকেল। চাকরি বদলি করার সময় ওনার সাথে কথা হলো,অনেকদিন পর দেখলাম তাকে,আংকেল আমার আর মিমির সম্পর্কটা জানতেন যে আমরা কলেজ লাইফের বেস্ট ফ্রেন্ড। যখন আমি চলে যাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আর মিমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমাদের মাঝে দূরুত্ব বাড়তে থাকে। আমি চলে আসার পর মিমি কখনো নিজের থেকে বেশী ফোন দিতনা, তাই রাগ করে আমি সিমটা বদলিয়ে ফেলি। মিমি আমাকে বেস্ট ফেন্ড থেকে বেশী কিছু মনে হয় ভাবতনা, কিন্তু আমি ওকে বেস্ট ফ্রেন্ড থেকে বেশী কিছু ভাবতাম,মানে মিমিকে আমি ভালোবাসতাম।
.
কখনো বলতে পারতামনা যে আমি তোকে খুব ভালোবাসি, ভয় হতো যদি মিমি রাজি না হয় তাহলে আমাদের এতদিনের বন্দুত্ব নষ্ট হয়ে যাবে। যাইহোক,,,,,,,,,,
.
আংকেলকে মিমির কথা জিজ্ঞাসা করতেই,আংকেল কান্না শুরু করে দেয়। কান্নার কারন জিজ্ঞাসা করলে আংকেল বলে--
.
-বাবা আমার মেয়েটা এই পৃথিবীতে আর অল্পদিনের জন্য রয়েছে, বড়জোর সাতমাস।
.
কথাটা শুনে কেমন জানি বুকের বাম পাশটা চিন চিন করে ব্যাথায় অনুভব করলাম।
.
-আংকেল কি হয়েছে মিমির ।(উত্তরের আসায় আংকেলের মুখের পানে তাকিয়ে আছি)
.
-মিমির ব্রেইন-টিওমার (কথাটা বলে আরও জোরে কান্না করতে লাগল)
.
ওনাকে কি সান্তনা দেব, আমি নিজেকেই কনট্রোল করতে পারছি না, আমার পায়ের তলা থেকে কে যেন মাটি নিয়ে যাচ্ছে।
.
-আংকেল মিমি জানে এইসব।
.
-না ও জানেনা।বাবা তুমি গেলে ওকে একটু সময় দিও, মেয়েটা যাতে না বুঝতে পারে এই সব।
.
-আচ্ছা ঠিক আছে।
।
তখন আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে নীলা যেহেতু আমাকে মেনে নিতে পারেনি, তাহলে আমি মিমিকে বিয়ে করব। মিমি এখনো বিয়ে করেনাই, ওর বাবা ওকে যখন বিয়ের কথা বলত তখন উত্তরে সে বলত বাবা এখনো একজনের অপেক্ষায় আছি। আমি জানতাম কার অপেক্ষায় আছে মিমি । সেটা হলাম আমি, কারন আমাকে ছাড়া মিমি আর কোন ছেলের সাথেই কথা বলতনা।
.
তাই আমি আমার প্লান মতো ওকে বিয়ে করি দুরে থেকে বেশী সুখি রাখতে পারবনা, তাই নিজের চোখের সামনে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে ওকে বিয়ে করেছি। ওর অনিশ্চিত জীবনটাকে একটু সুখ দেওয়ার জন্য হলে ও ওর পাশে থাকার দরকার আমার। আপনাদের এত কিছু বলতে বলতে কখন যে বিকেল ঘনিয়ে আসল তা খেয়াল করিনি। আমি মিমিকে এতো বেশী ভালোবেসে ফেলেছি যে নীলাকে ভালোবাসার জায়গাটা দিতে পারবনা ইচ্ছা থাকলেও। তাই নীলাকে আজকে এতো কথা শুনাইছি যে, সে যাতে নিজের থেকে আমাকে ডিবোর্স দিয়ে দেয়। মিমি চলে যাওয়ার পর ওর ভালোবাসার স্মৃতি টুকু নিয়ে বেছে থাকতে চাই।
.
পকেটের ভিতর মোবাইল কাপাকাপি শুরু করল। কেউ মনে হয় ফোন দিছে তাই কাপাকাপি শুরু হয়ে ছিল।ফোনটা বের করে দেখি মা ফোন করছে....
.
-হ্যালো মা বলো।
.
ফোনের ঐ পাশ থেকে কান্নার আওয়াজ আসছে।
.
-মা কোন কিছু হইছে, কান্না করতেছ কেনো?
.
-বাবা তুই তারাতারি হাসপাতালে চলে আয়(মা)
.
-কেনো মা,বাবার কিছু হয়নিতো (আমি)
.
-না....
.
এর পর মা যা বলল তা শুনার জন্য প্রস্তুত ছিলামনা, নীলা এমনটা কেন করলো??
............
করোনা
🚫👉যারা ভেবেছিলেন ১২ তারিখের পর, দেশে করোনো থাকবে না, তারা ভুল ছিলেন🙇 যারা ভেবেছিলেন বেশি তাপমাত্রায় করোনা বাঁচে না তাঁরাও ভুল ছিলেন। যারা ভেবেছিলেন রমজানের পর করোনা থাকবে না তাঁরাও ভুল ছিলেন। এই ভুল গুলো এখন প্রমাণিত এবং সত্য।
👉এখন যারা ভাবছেন এক দুই মাসের মধ্যে করোনা চলে যাবে তাঁরা ভুলের মধ্যে আছেন। যারা ভাবছেন শীঘ্রই করোনার টিকা বের হয়ে যাবে তাঁরাও ভুলের মধ্যে আছেন। যারা ভাবছেন শুধু ঘরের মধ্যে থেকেই করোনা কাল পার করে ভাইরাস মূক্ত থাকবেন তাঁরাও আছেন মহা ভুলে।
🚫👉সত্যটি হচ্ছেঃ👇👇
অন্তত এক বছরের আগে করোনা পুরোপুরি যাচ্ছে না তা মোটামুটি নিশ্চিত। এক বছরের আগে কোনো টিকাই আপনার হাতে আসছে না তাও প্রায় নিশ্চিত। এমন কোনো বেহুলার বাসর ঘর সুস্থ মানুষের পক্ষে তৈরী করা সম্ভব না যেখানে করোনা প্রবেশ করবে না। আপনি মানুষ; অনন্তকাল ধরে কাজের বুয়া ছাড়া, বাহিরের বাজার ছাড়া, মানুষের সংস্পর্শ ছাড়া, সূর্যের রোদ ছাড়া বাঁচতে পারবেন না। এভাবে বাঁচতে পারতে চাইলে আপনি বদ্ধ উন্মাদ হবেন, ১০০% গ্যারান্টি।
🚫👉তাহলে উপায় কি?
একসময় সংক্রামক কলেরা রোগে গ্রামের পর গ্রাম উজার হয়ে যেতো। মানুষ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতো, কারণ তারা জানতো না কেন কলেরা হয়? পানি ফুটিয়ে জীবানুমুক্ত করা যায় সহজেই। এখন আর কলেরা মহামারী হয় না, কারণ মানুষ জানে ফুটিয়ে বিশুদ্ধ পানি খেলে কলেরা হয় না।
🚫👉আমরা এখন জানি করোনা কোন মাধ্যমে ছড়ায়। করোনা রোগীর থুতু, কাশি, লালা কিংবা চোখের পানি দিয়ে করোনা ছড়ায়। এগুলো আপনার নাক, মুখ চোখের পথ দিয়ে না ঢুকতে দিলে করোনা হবার নয়।শুধুমাত্র নাক, মুখ, চোখে বাহিরের লালা, থুতু, চোখের পানির সাথে যাওয়া ভাইরাস থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলেই আপনি করোনা মুক্ত থাকতে পারেন।
🚫👉এটি বলতে খুব সহজ আবার করতে খুবই কঠিন। অনেক বছরের অভ্যাসের দাস আপনার হাতকে বশে রাখতে হবে। হাত যেন সাবানে পরিষ্কার না হয়ে কোনভাবেই নাক, মুখ, চোখ না ছোঁয়। অন্যের কাছে থেকে উড়ে আসা থুতু, লালা বা পানি মাস্ক এবং চশমা দিয়ে প্রতিরোধ করতে হবে। কথার মাঝে ছাড়ানো থুতু, লালা কে বক্তা বা শ্রোতা উভয়ের পরিধান করা মাস্কের সাহায্যে প্রতিরোধ করা খুব সহজেই সম্ভব।
🚫👉জুতা আবিষ্কারের গল্পের মতো সারা পৃথিবী চামড়া দিয়ে না ঢেকে আপনার পা খানি ঢাকলেই যেমন চলে; তেমনি আপনার নাক মুখ চোখ ঢাকুন আর হাতকে সংযত করুন। এই অল্প কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করেই আপনি করোনা প্রতিরোধ করতে পারবেন ৯৫%.... বাঁকি পাঁচ শতাংশের জন্য ডাক্তারের উপর ভরসা রাখুন। পরামর্শ মতো ঔষধ খান, বিশ্রাম নিন, আলাদা থাকুন।
🚫👉ভীত হয়ে মানসিক রোগী হবেন না। মৃত্যুর চেয়ে সত্য কিছুই নাই; পৃথিবীতে জন্ম নিলে আপনাকে মরতে হবেই। করোনা থেকে বাঁচতে জীবনে একবারই মরুন; ভয়ে বারবার না।
সচেতনতা অবলম্বন করুন, নিজ ও পরিবারকে সুস্থ রাখুক।
💞💞
অপ্রত্যাশিত১০
অপ্রত্যাশিত ➖
Part:10
মুখের ওপর গরম অনুভব করছি, সকালের মিষ্টি রোদ জানালা দিয়ে চোখে পড়তেই ঘুমটা ভেঙে গেলো, শরীরের ক্লান্তি রেষ এখনো পুরোপরি কাটেনি। কাল থেকে কিছু খাওয়া হয়নি, ক্ষুদায় পেট জ্বালা করছে।
এতক্ষন তো রংপূর চলে আসার কথা কিন্তু বাস এখনো তার মতোই চলছে -
কন্টাকটারের কাছে শুনতে বললো আর কিছুক্ষনের মধ্যে চলে আসবে।
সিটে বসে বাইরের দৃশ্য দেখছি কিন্তু মনটা যেনো ভালো হওয়ার কোনো উপায় দেখছি না,
কিন্তু না আমাকে শক্ত হতে হবে, আজ থেকে সব কষ্ট ভূলে নতুন করে শুরু করবো, ভাবতে ভাবতে বাস থামলো রংপুর বি আর টিসি বাসস্টপ, সিটটা পিছনের দিকে তাই বসে ছিলাম, সবাই নেমে গেলে আমি ও নেমে গেলাম। ক্ষুদাই মাথাটা ঘুরছে তাই আসেপাশে একটা নরমাল হোটেল খুজতে খুজতে কিছুদূর যেতেই একটা পেলাম। কোনোরকম ডাল-ভাত খেয়ে একটু স্বাভাবিক হলাম(ইচ্ছা থাকলেও দামি খাবার খেলাম না কারন টাকা বেশি নেই ) বাইরে এসে একটা চায়ের দোকানে যেয়ে একটা সিগারেট নিয়ে বসে ধোয়া টানছি আর ভাবছি কি করবো এখন, কোথায় থাকবো রাতে, কোথায় যাবো, কিছুই ভেবে পাচ্ছি না -
হঠাৎ সমনের দিকে চোখ পড়তেই দেখলাম একটা ছোট বাচ্চা(চার বছর বয়স হবে মনে হয় ) রাস্তার বিপরীত পাশ থেকে ওভারটিক করছে। ওদিক থেকে দেখলাম একটি মালবাহী ট্রাক অনেক দ্রুত গতীতে চলে আসছে,
আর কিছু না ভেবেই বসে না থেকে উঠে দৌড়ে যেয়ে বাচ্চাটাকে রাস্তা থেকে তুলে নিলাম আর সাথে সাথেই পাশ দিয়ে ট্রাকটা চলে গেলো, আমি আর একটু লেট করলেই অনেক খারাপ কিছু হয়ে যেতো।
আমি বাচ্চাটার কাছে কিছু শুনতে যাব এমন সময় এক ভদ্র মহিলা এসে বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে কাদছে, মনে হয় বাচ্চাটার মা হবে -
তোমাকে যে কি বলে ধন্যবাদ দেবো বুঝতে পারছি না। তুমি আমার বাচ্চাকে বাচিয়েছো ওই আমার সব,
তোমার কাছে আমি সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো,
আমি : একজন মানুষ হিসাবে এটা আমার কর্তব্য, আর আপনার বাচ্চাকে আপনার কোলে ফিরিয়ে দিতে পেরে আজ আমিও অনেক খুশি
ওখান থেকে চলে আসবো এমন সময় পিছন থেকে -
কোথায় যাচ্ছো বাবা,,
একটা মুরূব্বি লোক আমাকে বললো সাথে মনে হয় ওনার স্ত্রী।
তুমি আমার দাদুভাইকে বাচিয়েছো আর তোমাকে কিছু না দিয়েই ছেড়ে দেবো ভাবলে কি করে
আমি : আংকেল বাচানোর মালিক আল্লাহ্, আমি নয়।
আমি তো অসিলা মাত্র
আংকেল: আমার ছেলেটা মারা যাওয়ার পর ওই দাদুভাইকে নিয়েই আমরা বেচে আছি। ওই আমার বৌমার একমাত্র সম্পদ (চোখ থেকে দুফোটা অশ্রু ফেলে )
তোমার বাসা কোথায় বাবা?
আমি : আমার কোনো বাসা নেই আংকেল, এই পৃথিবীতে একসময় আমার সব ছিলো কিন্তু এখন কিছুই নেই(নিজেকে শক্ত করেই বললাম)
অনেক সময় ধরে লক্ষ করছি তোমার চোয়াল দুটো ফুলে গেছে আর অনেক লাল ও হয়েছে,
কেউ কি তোমাকে মেরেছে?
আমাকে বলো কে সে?
আমি : এটা নিয়তির দাগ আংকেল
আমি বুঝলাম না বাবা
আমি : সে অনেক কাহিনি এখন বলতে গেলে রাত শেষ হয়ে যাবে তবুও শেষ হবে আর আপনাদের সময় নষ্ট হবে। আপনারা ভালো থাকেন
বাবা দাড়াও, মনে হচ্ছে তোমার অনেক কষ্ট, তুমি অনেক দূর্বল।
একটা কথা বলবো, ফিরিয়ে দেবে না তো?
আমি : আমার সামার্থ থাকলে, আপনাকে ফিরিয়ে দেবো না
আজ রাতে আমাদের সাথে থাকবে?
আমি : করুনা করছেন?
ওনাদের বৌমা: তুমি আমার ভাইয়ের মতো, তোমাকে হাতজোর করছি এটুকু করার সুজোগ দাও। তোমার বোনের মতো হয়ে তোমার কাছে এটুকু আমার চাওয়া, দয়া করে ফিরিয়ে দিও না
ওনার কথা আমি ফেলতে পারলাম না তাই রাজি হয়ে গেলাম। ওনাদের মনে হয় অনেক টাকা পয়সা, আংকেল তাদের ড্রাইভার কে গাড়ি নিয়ে আসতে বললো।
সামনের সীটে আমি বসলাম আর ওনারা পিছনের ছিটে, কিছুসময় পর গাড়ি থামলো এক বড় বাড়ির গেটের সামনে (আসার সময় সাইনবোর্ড দেখে বুঝলাম জাইগার নাম কুড়িগ্রাম)
দারোয়ান গেট খুলে দিলে আমরা ভিতরে প্রবেশ করলাম। গাড়ি থেকে নেমে আশপাশ দেখছি,
আংকেল: বাবা এটাই আমাদের বাড়ি
আমি : ওও আচ্ছা
আংকেল: বাবা তোমার নাম টাতো যানা হলো না-
আমি : আমার নাম রাকিব
আনটি: তুমি কি ওকে বাইরে দাড়িয়ে রাখবে? ভিতরে নিয়ে যাবে না
ওও চলো রাকিব ভিতরে -
উনি আমাকে নিয়ে ভিতরে গেলেন। সবকিছুই দেখে মনে হচ্চে এনারা অনেক বড়লোক
আংকেল: তুমি একটু ফ্রেস হয়ে নাও তারপর সবাই একসাথে দুপুরের খাবার খাবো
একদম না বলবে না, তোমাকে যখন ভাই বলেছি তখন কোনো কথা শুনবো না, চলো আমার সাথে বলে আমাকে একটা রুমে নিয়ে গেলেন
আজ রাতে তুমি এখানেই থাকবে আর এখন ফ্রেস হয়ে নাও, আর আমাকে আপু বলবে, যেটা প্রয়োজন হবে আমাকে বলবে একদম লজ্জা পাবেনা,
আমি : কিন্তু আমি তো আমার সাথে কিছু নিয়ে আসেনি,
তবে সমস্যা নেই আমি হাতমুখ ধূয়ে নিচ্ছি
আপু: তোমাকে আপাতত একটা লুঙ্গি দিলে হবে
আমি : সমস্যা নেই আপু আমি.......
আপু: লুঙ্গি টা নিয়ে ফ্রেস হয়ে নাও
বলে চলে গেলো।
ভাবছি একটা অচেনা পরিবার এত সহজে আমাকে কতটা আপন করে নিলো আর আমার পরিবার তো আমাকে কুলাঙ্গার বলে তাড়িয়ে দিলো,,,
আমি আবার সেই কথা ভাবছি নাহ আর না, পিছোনের কিছুই আর মনে করবো না। সবকিছুই ভূলে গিয়ে অচেনা জীবনকে আপন করবো
এই নাও লুঙ্গি ফ্রেস হয়ে নাও (আপু লুঙ্গি টা দিয়ে চলে গেলো)
আরকিছু না ভেবেই ফ্রেস হতে গেলাম..........
খুব শিগ্রই পরবর্তী পর্ব চলে আসবে.....
লাইক কমেন্ট করে সাথে থাকুন
ধন্যবাদ 💗
বাবার বন্ধুর মেয়ে যখন বউ৪
#গল্পঃবাবার_বন্ধুর_মেয়ে_যখন_বউ।
পর্বঃ8
মনে হয় চিঠি টা আমার জন্য। খুললাম চিঠিটা।,,
জিদান তোমার সাথে খারাপ ব্যবহার করার জন্য আমি দুঃখিত। আসলে তুমি সত্যি টা না জেনে এমন করছো। আর আমি তোমার পাশে অন্য কে দেখতে পারি না। তোমার বাইকের চাবি টেবিলের উপর রাখা আছে।
কী করবো বুঝতে পারলাম না। না এতো অপমানের পড়ে তার বাইক রাখা যাবে না। তাই বাইক দেয়ার জন্য যেতে হবে। বাইক নিয়ে জারার বাসায় গেলাম,,
গিয়ে দেখি জারা বসে আছে, আন্টি রান্না ঘরে। আর ছেলেটা ও বসে আছে। আমি কারও সাথে কোনও কথা না বলে বাইকের চাবি টা টেবিলে রেখে চলে এলাম।
বাসায় চলে এলাম। অনেক দিন হয়ে গেছে জারার সাথে কোনও যোগাযোগ নেই। আমি নিয়মিত কলেজে যাই। আজকে ও গেলাম, আরে মেয়ে টাকে তো চেনা চেনা লাগছে, জারা তো, মনে হয় স্কুল পালাইয়ে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে আসছে, কিন্তু এলাকা টা তো বেশি ভালো না। ,,, ওর সব বন্ধু রা ও চলে যাচ্ছে, কিন্তু সে রিকশা পাচ্ছে না তাই দাড়িয়ে আছে, যায়গা টা ও শুনশান,, না এভাবে ওকে একা রাখা যাবে না।।
---- এখানে কেনও আপনি?( অন্য দিকে তাকিয়ে)
---- ঘুরতে আসছিলাম, কিন্তু রিকশা পাচ্ছি না।
---- বাইকে উঠুন বাসায় ড্রপ করে দিচ্ছি।
কোনও কথা না বলে বাইকে উঠলো। মাঝ পথে বাইক দাড় করালাম, সিগারেট কিনতে।
---- এইসব না খেলে হয়না।
--- না, এইটা আমার সাথে খারাপ ব্যাবহার করে না।
----- আসলে যদি একটি সময় দিন তাহলে কিছু কথা বলার ছিলো।
---- বাইক চালানোর সময় কথা বললে আমার সমস্যা হয়।
জারার কোনও কথা শুনলাম না। ওকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে আমি চলে এলাম। পরের দিন কলেজে গেলাম। সব বন্ধুরা তাদের gf দের পিক দেখালো, এখন আমার পালা,,,
---- কি জিদান তোর gf এর পিক দে।
---- আমার gf নেই।
---- সে কি রে।
---- এটাই সত্যি।
---- যা এইটা মেনে নেয়া যায় না।
---- না গেলেও মানতে হবে।
---- ওকে ঠিক আছে। ,,,,
ক্লাস করতে ভাল লাগছে না। তাই সব বন্ধুরা চলে যাবো, ক্লাস করবো না।
---- জিদান আমাকে একটু বাসায় দিয়ে আসবা?( আরিফা)
---- ওকে ঠিক আছে চলো।
---- হুম চলো।
---- তোমার বাসায় টা কোন দিকে।
--- ওই তো ( ঠিকানা দিয়ে বললো)
আরিফা কে বাইকের পিছনে নিয়ে যাচ্ছি। আরে এখন তো পথে জারার স্কুল পরবে,,এইরে স্কুল টা ও এখনই ছুটি হলো,, আজকে যে বৃহস্পতিবার আমার খেয়াল ছিলো না, ঠিকই জারার সামনে পরলাম, জারা কিভাবে যেন আমার দিকে দেখছে, আমি দেখে ও ইগনোর করলাম,,
মনে হয় জারা আজকে একটু বেশি কষ্ট পেলো,,,
আরিফা কে ওর বাসায় নামিয়ে দিলাম। আমি বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে একটু ফোন নিয়ে বসলাম, তখনই আব্বু আসলে,,,
---- জিদান তুই একটু তোর আংকেলর বাসায় যা তো।
( আমি আদনান, গল্পের মাঝে কথা বলার কারন হলো, আমার গল্প টা কে যেনও কপি করতাছে, তাই সে যেনও আর কপি না করে)
---- কেনও?
---- এই জরুরি ফাইল গুলো দিতে হবে,,
---- আমি পরবো না।
---- যা একটু,,
আব্বুর অনেক বলাতে আমি গেলাম,, গিয়ে দেখি আংকেল নেই মনে হয় বাইরে গেছে,। তাই আন্টির হাতো ফাইল টা দিয়ে চলে আসবো এমন সময়,,,
---- জিদান জারার সাথে কী তোমার ঝগড়া হইছে?
---- কই নাতো।
---- তাহলে কিছু খায় না, কারও সাথে কথা বলে না কেনও?
---- সেকি আন্টি কী বলছেন এইসব,,
---- হ্যা বাবা ঠিকই বলছি।
---- জারা জই?
---- নিজের রুমে আছে।
---- আপনি খাবার দিন আমি দিয়ে আসছি।
---- ঠিক আছে।
__**=**=**=**_==**===**==__==_=_=_=_=[_
----- ভিতরে আসবো?
---- আরে আপনি ( চোখ মুছতে মুছতে)
---- হুম, কেনও অন্য কাওকে আশা করেছিলেন নাকি।
----- না, আর কাকে করবো।
---- করার মানুষের তো আর অভাব নেই। এখন খেয়ে নিন।
---- আমার খেতে ইচ্ছে করছে না।
---- খেতে বলছি খেয়ে নিন।
---- না বললাম তো খাবো না।
---- এই ছেমড়ি তোকে খেতে বলছি( ধমক দিয়ে)
----- খাচ্ছি।
জারা খাওয়া শেষ করলো, তারপর আমি চলে এলাম।
অনেক দিন হলো বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে যাই না, তাই আজকে একটু যাবো ভাবছি,, সবার সাথে ঘুরতে গেলাম,, কিন্তু আরিফার নাকি কী একটা কাজ আছে তাই ও আামকে নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে এলো,,
---- কী এখানে এলাম কেনও?
---- আমারbf আসবে তার জন্য।
----- তোমার bf আসবে ভাল কথা আমি এলাম কেনও?
---- তুমি আমার বেস্ট ফ্রেন্ড তাই তোমাকে নিয়ে এলাম।
--- কই তোমার bf এখনই চলে আসবে চলো আমরা ভিতরে যাই,,
---- হুম চলো।
তারপর আরিফার bf. এর সাথে কিছু সময় কাটানের পরে চলে এলাম বাসায়। আজকে অনেক দিন পরে বড় আপু এসেছে। তাই আপুর সাথে সময় কাটালাম।
আপুর সাথে নাকি আমার যেতে হবে কি আর করার তাই চলে গেলাম। আপুর বাসায় ভালই দিন কাটছে। জারা কথা এখন বেশি মনে হয় না। ১৫ দিন পরে বাসায় এলাম। একি জারা আমাদের বাসায় কেনও,,,
--- আপু জারা আমাদের বাসায় কেনও( ছোট আপু)
---- আসলে আন্টি আর আংকেল, ইন্ডিয়া গেছে, আন্টিকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে। তাই জারা কে এখানে রেখে গেছে।
---- কেনও অন্য কোনও বাসা পেলো না, এখানে রাখতে হলো।
---- এখানে আছে তাতে তোর খুশি হবার কথা,
---- আমি কেনও খুশি হতে যাবো।
---- তোর খুশির মানুষ তাই।
---- হাহাহাহা কি বলো।
নিজের রুমে এলাম, অনেক দিন ধরে ছাদে যাওয়া হয় না, তাই ছাদে গেলাম, জারা ও আসলো, জারা কে দেখে আমি ফোনে কথা বলার অভিনয় করে নিচে চলে এলাম। মনে হয় জারা আমাকে কিছু বলতে চায়। কিন্তু আমি কোনও পাত্তা দিলাম না।
এসে শুয়ে আছি, তখন আরিফার ফোন আসলো,,, আরিফার সাথে কথা বলে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকালে অনেক লেট করে ঘুম ভাংলো। বাসায় কাওকে দেখছি না কেনও?
আব্বু কে ফোন দিলাম,,,
---- আব্বু কই তোমরা?
---- আমরা তো একটু বাহিরে আসছি, তুই একটু বাসায় থাক, জারা ও আছে, আর আমরা বিকালে আসবো।
---- বাইরে গেছে আর আমাকে নিয়ে গেলে না কেনও?
---- তুই ঘুম থেকে দেরি করে উঠলি কিভাবে তুই আসবি।
সকালে নাসতা ও খেলাম না, বাহিরে গিয়ে খেয়ে আসি।,,
---- কোথায় ও যাচ্ছেন?
----- হুম বাইরে যাবো।
---- নাসতা করে যান।
---- না বাইরে করবো।
--- আন্টি বলে গেছে আপনি যেনো বাইরে না যান।
---- আমি বাইরে গেলে আপনের আন্টির কী হুম?
----তাতো আমি জানি না।
কী আর করবো বাহিরে গেলাম না। সোফায় বসে টিভি দেখতেছি। তখন জারার একটা ফোন আসলো, জারা উঠে ফোনটা রিসিভ করে কথা বলতে লাগল, কথা বলার স্টাইল দেখে মনে হলো কোনও ছেলে হবে, তখনই আমি জারার কাছে গিয়ে ওর ফোনটা নিয়ে, কলটা কেটে দিলাম, ওর হাতটা শক্ত করে ধরে পিছনে নিয়ে মোচড় দিলাম,,,
---- আহহহ কি করছেন ছাড়ুন লাগছে তো।
--- লাগুক, আগে বল কার সাথে কথা বলছিলি?
---- আমার একটা বন্ধুর সাথে।
---- এতো ছেলেটা বন্ধু দের সাথে কিসের কথা।
---- লাগছে আমার ছারতো বলছি।
---- ছাড়বো না তোকে, আজ তোকে মেরেছি ফেলবো।
---- জিদান ছাড়ুন বলছি,, আমি আপনারgf না, যে মারলে কিছু বলবো না।
--- কী বললি তুই, ( ধাক্কা দিয়ে সোফায় ফেলে দিলাম,
মনে হয় অনেক লাগছে,
---- একি জারা কী হইছে,
---- অনেক ব্যথা লাগছে( কেদে কেদে)
---- সরি,, কেথায় লাগছে বলো আমাকে।
---- থাক মেরে এখন আর আদোর করতে হবে না।
---- আমি আদর করবো আবার আমিই মারবো।
---- আমি কে আমাকে আদর করবেন।
---- তুমি কে যানে না,,
বলেই জারা কে জড়িয়ে ধরলাম, কপাল অনেক গুলো কিস করলাম, তারপর আবার ছেলেটার কথা মনে পরায় ওকে ছেড়ো দিলে। রুমে চলে এলাম। একটা ঘুম দিলাম, ঘুম থেকে উঠে দেখি সবাই চলে এসেছে।
পরের দিন কলেজে গেলাম,, বাসায় আসতে অনেক রাত হলো, কারন লং ড্রাইভে গেছিলাম ।। কেও গেট খুলে না, কি করবো, আজকে কী তাহলে বাইরে কাটাতে হবে, ধুর ভালো লাগে না। না বন্ধুর বাসায় যাই। পরের দিন বাসায় গেলাম, বিকালে আপুকে নিয়ে ঘুরতে যাবো, না হলে আপু সব কিছু ফাস করে দিবে সেই হুমকি দিল। জারা কে ও সাথে করে নিতে বললো কিন্তু নিলাম না, আমি বললাম, কারও বাপের টাকায় কেনা বাইক না, যে কাওকে নিয়ে ঘুরতে যাবো। আপু তুমও গেলে চলো। জারা অনেক কষ্ট পেলো, ঘুরাঘুরি শেষ করে বাসায় এলাম। জারা আজকে অনেক কষ্ট পাইছে মনে হয়। কারন এই কয়দিন টুকিটাকি কথা বলছে আজকে একদমই বলছে না।
এক সপ্তাহ পরে জারার বাবা মা চলে এলে তাই ওকে বাসায় দিয়ে আসতে হবে, সেই দায়িত্ব টা পড়লো আমার উপর।
( আবারও বলছি আমি জিদান, কেও একজন আমার গল্প কপি করে। গল্পের মাঝে মধ্যে বলার জন্য সরি)
জারাকে বাসায় পৌঁছে দিলাম তখন মনে হলো কেও একজন আমাকে ইশারা করে বলতাছে,,
হ্যা এই ছেলেটা।
পরের দিন বাসায় গেলাম, দেখি কিছু মানুষ মনে হয় আমাকে ফলো করে, কিন্তু কিছু বুজতে পারছি না,, একদিন একা একা সন্ধার আগে বাসায় ফিরছি তখন কতো গুলো লোক আমার পথ আটকালো,,,
---- একি কারা আপনার?
---- আমরা কারা তা পরে জানতে পারবি,, আগে বল জারা কে তুই কেনও বিয়ে করলি।
---- আমি কেনও বিয়ে করছি তা আপনাদের বলবো কেনও।
--- তুই জানেস না জারা কে আমি বিয়ে করতে চাইছিলাম।
---- তাতে কী,, আপনি তো করেননি।
---- তুই না করলে তো আমি করতে পারতাম, এখন এর জন্য তোকে এর পরিনাম পেতো হবে। ওই ওকে ধর,
তারপর কিছু লোক এসে আমাকে ধরলো, আমি এতোজনের সাথে পারলাম না, হঠাৎ মনে হলো কেও একজন আমার পিছন দিকে কিছু একটা ঢুকিয়ে দিলো। অনেক ব্যাথা অনুভব করলাম,
তারপর এক সময় মাটিতে পড়ে গেলাম। চারপাশে অন্ধকার নেমে এলো, আমিও চোখ মেলতে পারলাম না,,,,,,
চলবে,,,,,,,,
কাছে পাশে
"ঠোঁটে চুমু খেলে কি বেবি হয় রোদ ভাইয়া?"
জুহির কথায় রিতিমত বিস্মিত হয়ে যায় রোদ। রোদ পড়ে ক্লাস এইটে। আর জুহি পিচ্চি মেয়ে মাএ ক্লাস ফাইভে পড়ে সে কি বললো এটা। চুমু খেলে নাকি বেবি হয়! রোদ হাসবে না কাঁদবে বুঝতে পারছে না। রোদের হুশ ফিরে জুহির কথায়,
-কি হলো কথা বলছো না কেন?
-কিসব বলছিস তুই? ঠোঁটে চুমু খেলে বেবি হবে কেন?
-তাহলে তুমি আমার ঠোঁটে চুমু খেলে কেন? এ্যাঁ এ্যাঁ তুমি আমার ঠোঁটে চুমু খেয়েছো কিন্তুু এখন বলছো বেবি হবে না এ্যাঁ এ্যাঁ। আমার বেবি চাই।
এক প্রকার ফুঁপিয়ে কান্না করতে লাগলো জুহি। আস্তে আস্তে জুহির কান্নার শব্দ বেড়েই চলছে। কেই শুনে ফেললে কি যে হবে কে জানে। পরিস্থিতি সামলাতে রোদ জুহি কে বললো।
-আরে কান্না করিস না। হ্যাঁ ঠোঁটে চুমু খেলে বেবি হয়। তোর ও বেবি হবে।
-ইয়াহু আমি এক্ষুনি মামনি আম্মু আব্বু সবাইকে বলবো আমার বেবি হবে। হিহিহি কি মজা কি মজা।
রোদের মাথায় হাত। মেয়ে বলে কি সবাইকে বলে দেবে রোদ ওর ঠোঁটে চুমু খেয়েছে। ছিঃ ছিঃ কেলেংকারি হয়ে যাবে। রোদ খুব রেগে যায়।
-তুই কাউকে এই কথা বলবি না জুহি।
-বলবো আমি কি মজা আমার বেবি হবে। সবাইকে বলবো।
-বলবি না বলছি।
-না বলবো।
রোদ রেগে গিয়ে জুহি কে ইচ্ছে মতো মারে আর ভয় দেখায় সে যদি এই কথা কাউকে বলে তাহলে জুহি কে একদম মেরে ফেলবে। জুহি খুব ভয় পেয়ে যায়।
-তুমি খুব পচাঁ আমাকে মারো। আমাকে প্রতিদিন বকো আমাকে ভয় দেখাও। আর থাকবো না তোমার কাছে। খুব দূরে চলে যাবো তোমার থেকে। তুমি খুব খারাপ।
কান্না করতে করতে রোদ কে এই কথা গুলো বলেছিলো জুহি। সেদিন হয়তো ওর কষ্ট টা বেশি ই ছিলো।
-হ্যাঁ রে জুহি তুই ঠিকি বলেছিস আমি খুব খারাপ। তোকে অনেক মারতাম বকতাম। কখনো তোর মূল্য টা বুঝতে পারি নি। কিন্তুু যেদিন তুই তোর বলা কথাটা সত্যি করে না বলে সত্যি সত্যি আমাকে ছেড়ে অনেক দূরে চলে গেলি। তারপর থেকে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছিলাম আসলে তুই আমার জীবনে কি ছিলি।
জুহির ছোট বেলার ফ্রেমে বাঁধানো ছবি টার দিকে তাকিয়ে রোদ হারিয়ে গিয়েছিলো তার অতীতে। একদৃষ্টিতে ছবি টার দিকে তাকিয়ে এই কথা গুলো ভাবছিলো রোদ। অতীতে ডুব দেওয়ার কারণে রোদের বর্তমানের কোনো খেয়াল ই নেই।
-স্যার........
-জ্বী ক ক কে!
-স্যার আমি আপনার ম্যানেজার।
-ও আ'ম সরি। আসলে......
-কি দেখছিলেন স্যার ছবিটার দিকে এমন করে।
-না কিছু না। আপনি কখন আসলেন ম্যানেজার সাহেব।
-যখন আপনি ছবিটার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন তখন এসেছিলাম। অনেক বার আপনাকে ডাকলাম ও কিন্তুু আপনার কোনো রেসপন্স নেই....
-আ'ম সরি। তা কি জন্য এসেছেন ম্যানেজার সাহেব?
-স্যার এই ফাইল গুলো তে আপনার সিগনেচার দরকার ছিলো।
-ওহ আচ্ছা দিন আমি সিগনেচার করে দিচ্ছি।
-জ্বী।
অতঃপর রোদের সিগনেচার নিয়ে ম্যানেজার সাহেব রোদের কেবিন ত্যাগ করে। রোদ জুহির ছবি টা একপাশে সযত্নে রেগে দেয়। আজ কোনো এক অজানা কারণেই জুহির কথা খুব মনে পড়ছে রোদের। বড্ড মিস করছে সে জুহি কে।
আজ রোদ অনেক বড় বিজনেসম্যান হয়ে গেছে। জুহি ও আর ছোট নাই। আজকে তার ১৮ তম জন্ম দিন। জুহির চলে যাওয়ার পর রোদের কাছে জুহির ছবি টাই ছিলো ওর শেষ স্মৃতি। ছবিটির ছোট্ট জুহি কে রোদ নিজের মতো কল্পনা করে নিয়েছে। রোদ জুহি কে নিজের মতো করে সাজিয়ে হৃদয়ের মাঝে খুব যত্নে রেখে দিয়েছে।
কখনো আর জুহির দেখা পাবে কি না সেটা রোদ জানেনা। কিন্তুু তার যে জুহি কে খুঁজে পেতেই হবে।
এসব ভাবতে ভাবতে হঠাৎ রোদের ফোন টা বেজে উঠে। ফোন রিসিভ করে ওপাশ থেকে কানে ভেসে আসা। কথাগুলো শুনে রোদ খুশিতে আত্মহারা.........
চলবে------------
#কাছে_পাশে
#পর্ব_১
ভালবাসার পাগলামি
ভালোবাসার 🥰 পাগলামী
(ছোট গল্প)
মেহেদী : হ্যালো, কেমন আছো,,,?
পাখি : হুম, ভালো আছি,,, তুমি কেমন আছো ?
মেহেদী : আমি ভালো নেই,,, তোমায় একটা কথা বলবো,,,!
পাখি : কেন কি হয়েছে,,? আর তারাতাড়ি বল আমি ব্যস্ত আছি,,
মেহেদী : আজ ৩/৪ মাস হলো তোমাকে দেখিনা, ভীষণ দেখতে ইচ্ছে করছে,,,!
পাখি : তাই,,! আমার ছবি তো আছে, ইচ্ছে মতো দেখো,, বারোন করলো কে,,
মেহেদী : না ওভাবে না, তোমরা খুব কাছ থেকে দেখতে ইচ্ছে করছে,,
পাখি : না সম্ভব না,, আমি পারবো না দেখা করতে,,,
মেহেদী : কেন পারবে না,,,?
পাখি : আজব, কেন তুমি বুঝতে পারছ না দেশের অবস্থা,? তাছাড়া আমি ডাক্তার, এই মূহুর্তে আমার ছুটি নেয়া সম্ভব না,, আমি হাসপাতাল থেকে বের হতে পাড়বোনা, তাছাড়া এই লকডাউনে কি করে দেখা করবো,, দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আশুক তারপর দেখা যাবে,,,
মেহেদী : আচ্ছা ঠিক আছে আমি যদি তোমার হাসপাতালে রোগী হয়ে আসি তখন তো আমার সাথে দেখা করবে,,,?
পাখি : ছি এসব কি বলো, তোমরা কিছু হলে আমি মরে যাবো,, এসব পাগলামী একদম করবে না।
.
..
...
....
১ সপ্তাহ পর,,
গতকাল থেকে মেহেদীর কোন খোঁজ পাচ্ছে না পাখি,,
মেহেদীর মোবাইল টাও বার বার বন্ধ বলছে, খুব চিন্তা হচ্ছিল পাখির,, সারারাত নাইট ডিউটি ছিল তাই খুব ক্লান্ত পাখি,, ডিউটি শেষে একটু বিশ্রামে যাবে,,
এমন সময় হাসপাতালে একজন জরুরী রোগী এলো,,
.
..
নার্স : ম্যাম, এতো সকালে হাসপাতালে আপনি ছাড়াতো কোন ডাক্তার নেই,,
এখন একজন ইমার্জেন্সি রোগী আসছে,, আপনি কি একটু দেখবেন,,?
পাখি : আমি পারবো না, তুমি অন্য ডাক্তারকে ডাকো,, আমার ডিউটি তো শেষ, প্লিজ আমাকে এবার মাফ করো (পাখি মেহেদীর খোঁজ না পেয়ে খুব রেগে আছে, তার উপর চিন্তা ও করছে)
.
(এমন সময় মেহেদীর নাম্বার থেকে কল এলো)
.
পাখি : হ্যালো, মেহেদী তুমি কথায়, গতকাল থেকে তোমার কোন খোঁজ পাচ্ছিনা আমি,, আমার খুব চিন্তা হচ্ছিল,,,
মেহেদীর বন্ধু : হ্যালো পাখি আমি মেহদীর বন্ধু,,,
পাখি : মানে কি, মেহেদীর ফোন আপনার কাছে কেন ভাইয়া, ও কোথায়,,,?
বন্ধু : মেহেদী আজ সকালে রোগ এক্সিডেন্ট করছে, আমি জানতে পেরে আপনার হাসপাতালে নিয়ে আসছি,,,
.
পাখি আর কিছুই না বলে মেহেদীকে খুঁজতে লাগলো, কিছুক্ষণ পর জানতে পরলো, একটু আগে যে ইমার্জেন্সি রোগী আসছে সে আর কেউ না, পাখির মেহেদী,,
রক্তাক্ত দেহে পড়ে আছে হাসপাতালের গেটে,,
পাখি কাঁদতে কাঁদতে দৌড়ে যায় মেহেদীর কাছে, চিৎকার করে ওয়ার্ড বয় নার্স কে ডেকে, দ্রুত মেহেদীকে ওটিতে নিয়ে যায়,,
প্রায় ২ ঘন্টা পর মেহেদীর অপারেশন শেষ হয়, কিন্তু জ্ঞান ফিরেনি,,
.
..
৭২ ঘন্টা পর মেহেদীর জ্ঞান ফিরে,,
চোখ খুলে মেহেদী পাখির মুখ দেখতে পায়,,,
.
মেহেদী : আমি জানতাম,,,! আমি যদি বেঁচে থাকি তবে চোখ খুলে তোমাকে দেখতে পাবো,,,
.
পাখি কোন কথা না বলে মেহেদীকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে,,,
পাখি : আমাকে দেখার জন্য তুমি এই ভাবে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিবে আমি কখনো ভাবিনি,, তোমরা কিছু হলে আমার কি হতো বলোতো,,?
.
মেহেদী : আমার জীবন তো তুমি,, তোমরা জন্য আমি মরতেও রাজি,,,
পাখি : (মেহেদীকে কিস করতে করতে) না আমি তোমাকে মরতে দিবো না, এখন থেকে আমি আর কখনো তোমার থেকে দূরে থাকবো না,,,
আমি তোমাকে আমার চেয়েও বেশি ভালবাসি,
সমাপ্ত
************************
বন্ধুরা গল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যদি ভালো লাগে থাকে, গল্পটি যদি তোমাদের মনে বিন্দুমাত্র জায়গা অর্জন করতে পারে তাহলে অবশ্যই বেশি বেশি কমেন্ট করে আমাকে জানাও, যা আমাকে আরও সুন্দর সুন্দর গল্প লেখার অনুপ্রেরণা যোগাবে,,,,,
ধন্যবাদ সবাইকে।
ছোট্ট বেলার বউ
ছোট্ট বেলার বউ
4th part..
এমন সময় কল কল কেটে গেল। ব্যালেন্স শেষ। শালার ব্যালেন্স শেষ হওয়ার আর সময় পায়নি।
তসিবা তসিবার কি হলো? মন টা কেমন যেন করতে লাগল। খারাপ কিছু হয়নি তো। না আমার এখনি যাওয়া উচিত।
দৌড় দিলাম। ফার্স্ট ইয়ারের ক্লাসে যেতেই আমি অভাক হয়ে গেলাম।
সবাই একসাথে বলে উঠল। Happy birthday to you happy birthday to you dear shohrab..happy birthday to you..
আমি অভাক হয়ে গেলাম। আজকে আমার জন্মদিন নিজেরও মনে ছিল না।
শাওন এগিয়ে আসল,
শাওনঃ কিরে কেমন লাগল সারপ্রাইজ?
আমিঃ তোরাও পারিস বটে। thank you রে thank you so much.
শাওনঃ শালা আমরা কিছুই করিনাই। সব তসিবা করেছে।
আমিঃ কিহ তসিবা?
শাওনঃ হুম।
আমি তসিবার কাছে গেলাম। আজ তসিবা শাড়ি পড়েছে। লাল শাড়ি। অস্থির লাগছিল তসিবা কে।
আমিঃ এসবের কি দরকার ছিল?
তসিবাঃ এমনিই করেছি। আচ্ছা চলুন কেক কাটবেন
আমিঃ হুম।
তারপর কেক কাটলাম। সবাই অনেক আনন্দ করল।
তসিবাঃ ট্রিট দিবেন না?
আমিঃ ও হ্যা। চলো আমার সাথে।
তসিবাকে নিয়ে রেষ্টুরেন্ট গেলাম। দুপুরের লাঞ্চ করলাম।
লাঞ্চ শেষে।
তসিবাঃ তাহলে আজ আমি চলি?
আমিঃ আমি দিয়ে আসব।
তসিবাঃ তার প্রয়োজন হবেনা আমি একাই যেতে পারব।
আমিঃ না আজ আমি তোমাকে দিয়ে আসব এটাই আমার শেষ কথা।
তসিবাঃকিন্তু
আমিঃ কোনো কিন্তু নয়
তারপর তসিবা কে বাসার দিকে রওনা হলাম।
তসিবার বাসার সামনে আসতেই।
তসিবাঃ বাইক থামান। এটাই আমার বাসা
আমি বাইক থামালাম। তসিবা নেমে গেল
আমিঃ তাহলে আমি চলি
তসিবাঃ সে কি বাসায় আসবেন না?
আমিঃ আজ নয় অন্যদিন।
তসিবাঃনা না তা হবেনা। বাসায় আসতেই হবে আপনার।
আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে চলো।
তসিবা একটা হাসি দিল।
আমি বাইক সাইট করে তসিবার বাসায় গেলাম।
কলিং চাপতেই তসিবার আম্মু দরজা খুলে দিল,,
আমিঃ আসসালামু আলাইকুম আন্টি?
তসিবার আম্মুঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম। আসো ভিতরে আসো।
ড্রয়িং রুমে বসলাম। তসিবা আন্টির সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। তারপর ভিতরে গেল ফ্রেশ হতে।
আমি আর আন্টি কথা বলতে লাগলাম।
এক পর্যায়ে আমার নজর পড়ল দেয়ালে। সেখানে একটা ছবি টাঙানো। বুঝাই যাচ্ছে ফ্যামিলি ফটো। একটা মুখে আমার চোখ আটকে গেল।
আমি উঠে ছবিটার কাছে গেলাম। এ ছবিটা এখানে কি করে?
আন্টিঃ কি দেখছ?
আমিঃ আন্টি এরা কারা?
আন্টিঃ ওখানে আমি তসিবার আব্বু আর তসিবা তসিবার ভাই। আমাদের ফ্যামিলি ফটো। তসিবার ছোট বেলার।
আমিঃ ওহ খুব সুন্দর।
আমার মাথায় ডুকছেনা। আমার সাথে কি হচ্ছিল এতদিন।
আমি; আচ্ছা আন্টি আমি আজ আসি
আন্টিঃ সে কি কিছুই খাওনি এখনও
আমিঃ পরে আরেকদিন খাব
আর কিছু বলতে না দিয়ে সোজা আমি বাসা থেকে চলে আসলাম।
বাসার উদ্দেশ্যে চললাম। বাসায় চলে আসলাম।
রুমে শুয়ে শুয়ে ভাবছি। এটা কি করে সম্ভব। জারার ছোট বেলার ছবি তসিবার বাসায় কি করে? তারমানে তসিবাই জারা। কিন্তু আমার ফ্যামিলি যে জারার সাথে পরিচয় করিয়ে দিল সে কে ছিল? সে যেহোক তসিবাই যে আমার জারা তার কোনো সন্ধেহ নেই।
হঠাৎ সবাই আমার রুমে প্রবেশ করল।
একসাথে সবাই জন্মদিনের উইশ করতে লাগল।
কাউকে কিছু বললাম এ বিষয়ে। সবার সাথে আনন্দ করলাম।
সবাই চলে যাওয়ার পর জারা শুধু জারা থাকল।
জারাঃ সোহরাব আই লাভ ইউ
বলেই আমাকে জড়িয়ে ধরল।
আমি ছাড়িয়ে নিলাম।
আমিঃ ভালো লাগছেনা প্লিজ। এখন আসো আমি বিশ্রাম নিব।।
জারাঃ আচ্ছা ঠিক আছে ( মন খারাপ করে)
ও চলে গেল।।
সিদ্ধান্ত নিলাম যদি তসিবাই জারা হয় তাহলে কালকে সবাইকে সারপ্রাইজ করে দিব।
তসিবাকে কল দিলাম।। তসিবা রিসিভ করল।
আমিঃ তসিবা
তসিবাঃ হ্যা
আমিঃ কাল ঠিক ৯ টার সময় ভার্সিটির পুকুর পাড়ে আমার জন্য অপেক্ষা করবা।।
তসিবাঃ কেন? এমনিতেই তো লাইব্রেরি তে আপনি আমাকে পড়ান।
আমিঃ এত কথা বলিও না। যা বলেছি করবা।।
ফোন রেখে দিলাম।
এখন শুধু কাল হবার পালা।
তারপরদিন,,,
সময়মত আমি চলে গেলাম। গিয়ে দেখলাম আমার আগেই তসিবা ওখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আমি কাছে গেলাম।
তসিবাঃ এখানে কেন ডেকেছেন?
আমিঃ আমি কিছু প্রশ্ন করব সুন্দর করে উত্তর দিবা
তসিবাঃ ব্যাপার কি। আপনাকে এত সিরিয়াস দেখা যাচ্ছে কেন?
আমিঃ সে আছি। এখন বলো তোমার পুরো নাম কি?
তসিবাঃ কেন
আমিঃ কোনো প্রশ্ন নয়। যা জিগাসা করেছি বলো
তসিবাঃ জারা আহমেদ তসিবা
আমিঃ তোমার বাবার নাম এমদাদুল হক?
তসিবাঃ হুম।
আমিঃ নাটক খুব ভালো পারো তাই না। আমাকে এতদিন কেন বলো নি তুমিই আমার আসল জারা?।
ও আমার দিকে তাকালো। জিগাসু দৃষ্টিতে তাকালো।
আমিঃ যদি কাল তোমার বাসায় না যেতাম আর ওই দেয়ালের ছবিটা না দেখতাম। তাহলে তো কখনও জানতেই পারতাম না তুমিই আমার আসল জারা। না জেনে হয়ত ঐ নকল জারা কে বিয়ে করে ফেলতাম। তুমি আমার সাথে এমন করতে পারলে?
তসিবা চুপ করে দাঁড়িয়ে রয়েছে।।
আমিঃচুপ করে দাড়িয়েই থাকবা নাকি কিছু বলবা?
তসিবা এক ঝাটকায় আমাকে জড়িয়ে ধরল। আমিও জড়িয়ে ধরলাম।।
তসিবাঃ এত সহজে আপনাকে পেয়ে যাব কল্পনাতেও আসেনি।
আমিঃ মানে
তসিবাঃ ছোট বেলায় তো আমাদের বিয়ে হয়েছিল। সেই থেকেই মা আমাকে শিখিয়েছে আপনিই আমার স্বামী। আমিও তাই মেনেছি। আস্তে আস্তে বড় হয়েছি আপনাকে ভালোবেসে ফেলেছি। আপনি আমার খোজ না নিলেও আমি নিতাম। প্রায়ই আপনাকে দেখতে যেতাম। যখন জানতে পারলাম আপনাকে আপনার ফ্যামিলি মিথ্যা বলে জারা নামে আরেকটা মেয়ের সাথে বিয়ে দিচ্ছে। তখনি আমি সিদ্ধান্ত নেই আপনাকে বুঝাব। কিন্তু হঠাৎ বললে আপনি কিভাবে নিবেন। সেই চিন্তা করে ভার্সিটি তে ভর্তি হলাম। আপনার কাছাকাছি যাওয়ার জন্য আপনার কাছে পড়তে শুরু করলাম।ইমপ্রেস করতে চেষ্টা করলাম।
আমিঃ থাক আর বলতে হবেনা। আমার ছোট্ট কালের বিয়ে করা বউটা আমাকে এত ভালোবাসে তা জেনেই আমি মহাখুশি।
তসিবাঃ আপনি তো আমাকে ভালোবাসেন না।
আমিঃকে বলেছে?
তসিবাঃ ভালোবাসলে ওই বাজে মেয়েটাকে বিয়ে করতে রাজি হতেন না
আমিঃ ওরে আমার অভিমানি বউটা রে।
বলেই আমি জড়িয়ে ধরলাম।
To be continue
মাস্তানের সম্রাট
মাস্তানের সম্রাট
পার্ট:২য়
আজ এখানে অনেক কিছুই সবার জানার আছে, নিলাদ্রী একদম চুপ করে রয়েছে সে রহস্য টা বুঝে ওঠতে পারছে না মনে হয়,
ঐ বখাটে গুলো কে মেরে হাসঁপাতালে পাঠিয়ে দিল,,
এদিকে নীল কলেজ এর সবার দিকে রাগি চোঁখে চোঁখ ভুলিয়ে নিচ্ছে, নীল ভাবছে এরা কী মানুষ নাকি অন্য কিছু, আজ যদি এরা একে অন্যের বিপদে এগিয়ে আসতো তাহলে আর ওদের মতো গুন্ডা রা কোন মেয়ের সাথে খারাপ আচারন করতে পারতো না,
নীলাদ্রী সামনে এসেই একটা হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে দেয় নীল কে,
নীল হাঁসছে মনে হয় এটা নিলের কাছে অস্বাভাবিক কিছুই না,
নীলাদ্রী: আমি কে জানো?
নীল: ইয়েস, মিস নয়না
নীলাদ্রী একটু অবাকই হয়ে গেল,
কারন তার এ নাম টা কেউ জানে না,
নীল: আমি ভালোই করেই জানি তুমি নীলকে মানে আমাকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়েছ,, কিন্তু তুমি এটা জানো না আমি সব খবরই রাখি,, মনে আছে একদিন রেস্টুরেন্ট এ তোমার গায়ে আমি ভুল করে কপি ডেলে দিয়েছিলাম? আসলে ঐ দিন ইচ্ছা করেই দিয়েছিলাম আমার তোমার উপর আগে থেকেই সন্দেহ ছিল, ত এরপর তোমার ব্যাগ থেকে তোমার কার্ড টা দেখতে পাই তুমি C.I.D এই যে দেখছো বাদশাহ্ ওরে বলেছিলাম তোমার খবর নিতে, বাকি সব ঐ মেনেজ করে দেয়,,
আমি নিজ থেকেই তোমার ভালোবাসার ফাঁদে পা দিয়েছি, কেন যেন অভিনয় করতে গিয়ে সত্যিই তোমাই ভালোবেসে ফেলেছি,,
আমি কিন্তু ভালো হতে চেয়েছিলাম আমাকে ভালো হতে দিলা না,,
নয়না: কিছু করার নাই তুমি একজন অপরাধী, আর আমি একজন আইনি লোক আমার তোমাকে এরেস্ট করতেই হবে,, তার আগে বলো তুমি কেনো এই লাইনে আসলে,,
নীলয় :কেন এই লাইনে আসলাম তো শুনো,, দিনটি ছিলো সোমবার, ২০১৪ সালের জুন মাস,ছিলাম সাধারন এক ছেলে কোন ঝগড়া-ঝামেলায় যেতাম না,
ঐ দিন কলেজ গেলাম, কলেজ থেকে আসতে আসতে দেখলাম ৫ টা বেজে গেছে, বাসার সামনে এসে কলিং বেল দিয়েই যাচ্ছিলাম প্রায়ই ৩০ মিনিট কিন্তু কেউ দরজা খুললো না, তারপর দরজা টা ডাক্কা দিতেই খুলে গেল, বুকের মধ্যে তখন অজানা কোন এক ভয় কাজ করেছিল,
বোনের রুমের সামনে গিয়ে দেখলাম বোন নগ্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে বিছানায়, তার গলায় কেউ ছুড়ি চালিয়েছে,বাকরুদ্র হয়ে গিয়েছিলাম চিৎকার দিয়ে কেদে উঠি কিন্তু সে কান্না কেউ শুনতে পাইনি, কেউ একবার এসে দেখেওনি, বাবা -মা দুজনেই মনে করেছিলাম মারা গেছে বোন, বাবা, মা, ভাইয়া সবাই কে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম, ডাক্তার মা ছাড়া সবাই কে মৃত ঘোষনা করল, অনেক ভেঙ্গে পড়েছিলাম, নিজেকে ও শেষ করে দিতে ইচ্ছে করেছে, কিন্তু মার জন্য পারলাম না, মার চিকিৎসা করিয়ে সু্স্থ করে তুললাম,,
মা প্রায় ১ মাসের মতো কথা বলতে পারে নি,, এরপর একদিন হঠাৎ করেই খোকা বলে ডাক দেয় , মা আমার হাত মার মাথায় নিয়ে কসম করিয়ে বলে যারা বাবা-ভাই আর বোন কে মেরেছে তাদের মারতে,,
তখন মাকে বলেছিলাম কী করে চিনবো মা আমি ওদের, মা বললো সিসি টিভি তে দেখতে, বাসায় গোপন ক্যামেরা ছিল সেটা আমি ভুলেই গিয়েছিলাম, মা আমাকে জড়িয়ে ধরেই ইন্তেকাল করেন,, তারপর মাকে কবর দিয়েই বাসায় গিয়ে, ল্যাপটপ নিয়ে বসলাম, দেখতে লাগলাম সব,,প্রথম ৬/৭ টা ছেলে ডুকলো, একটা ছেলে গিয়েই বোনের চুল ধরে দরজা আটকে দেয়, মা বাবা বাধা দিলে সবাই এসে মা বাবা কে মারতে থাকে, ভাইয়া কে ছুড়ি দিয়ে হাতের রক কেটে দেয়,,
ঐ দিকে বোনের সাথে খুব খারাপ কিছু হচ্ছে এগুলো দেখতেই পারি নি, সবার চেহারা মনের মধ্যে গেথে গেল, কিন্তু এক পর্যায়ে এসে চোঁখ আটকে যায় নিজের চাচাতো ভাই ও আসছে, চাচা ও আসলো, কিছুটা মাথায় আসলো সব কিছু সম্পতির লোভে, নিজের প্রানের চেয়ে বেশি ভালোবাসতো আব্বু তার ভাইকে আর সে ভাই আজ তাকে কঠিন একটি উপহার দিল,,
বিছানায় শুয়ে ভাবতে ভাবতে চোঁখ লেগে আসলো,,
কিছু পরার শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল, কেউ একজন আছে কিন্তু কে সে এতো রাতে ডুকলোই বা কি করে, আমি ঘাটের তোলায় গিয়ে শুয়ে থাকি হঠাৎ বিছানার উপর আক্রমন হলো একজন লাইট জ্বালালো, তার মনে এখানে অধিক, -কোন একজন না,,
তার পর তারা অন্য রুমে খুজতে চলে গেল আমি আস্তে করে বাহির হয়ে আব্বু লাইসেন্স ওয়ালা পিস্তল টি নিলাম ডয়ার থেকে,, ওরা ৪ জন ছিলো চার জন কেই গুলি করলাম, আমি জীবনে প্রথম গুলি করলাম কিন্তু নিশানা ভুল হয় নাই, আমি নিজেই অবাক হয়ে গেলাম,,
এটা কী ভাবে সম্ভব,, আমি তো জীবনে পিস্তল হাতে ও নি নাই, আমার ভাইয়া পারতো কারন ও পুলিশ ছিল, ও ট্রেনিং নিয়েছে, তাহলে আমি কী ভাবে এত নিঁখুত ভাবে চালালাম পিস্তল?
পার্ট:৩য়
এটা কী ভাবে সম্ভব,, আমি তো জীবনে পিস্তল হাতে ও নি নাই, আমার ভাইয়া পারতো কারন ও পুলিশ ছিল, ও ট্রেনিং নিয়েছে, তাহলে আমি কী ভাবে এত নিঁখুত ভাবে চালালাম পিস্তল,
তাহলে কী ভাইয়ার শক্তি আমার কাছে?আসলে এটা একটা সিনেমায় দেখিছিলাম যমজ ভাই হলে একজন এর কিছু হলে দ্বীতিয় জন ২ জনেরই শক্তি পাই,তাহলে কী এটাই সত্যি? হবে হয়ত এটাই তা না হলে আমি কী ভাবে এত নিঁখুত ভাবে পিস্তল চালাতে জানি, আর আগের চেয়ে আমার শক্তি এখন বেশি লাগছে?
যায় হোক তারপর একদিন বাদশাহ্ এর সাথে কথা বলে সিদ্ধাত্ব নিলাম একটা গ্যাং তৈরি করব, আমাদের শুধু একটাই উদ্দেশ্য যারা খারাপ তাদের সাথে খারাপ করব, এর পর চাচার ছেলেকে মারার প্ল্যান করি,
চাচা আর চাচার ছেলে রা বুঝতে পারে নাই যে আমি বুঝে গেছি তাদের মুখোশের আড়ালের রুপ টা,
সেদিন( সিয়াম)চাচার ছেলের নাম ওকে কল দিয়ে বলি চল একটু ঘুরে আসি মন টা ভালো নেই,
সিয়াম:তুই এখন কই?
আমি:এইতো বাসায় তুই বাসার নিছে আয়,
সিয়াম:আচ্ছা আসতেছি,
তারপর আমি বাদশাহ্ আর গ্যাং এর কিছু বন্ধুদের বলি তোরা এই যায়গায় থাক আমি সিয়াম কে নিয়ে আসব,,
তারপর আমি বাইকটা বের করে সিয়াম কে নিয়ে একটু ঘুরলাম, একটা রেস্টুরেন্ট এ গেলাম ওর জন্য অনেক খাবার ওর্ডার দিলাম আজ যে ওর শেষ খানা, খেয়ে দেয়ে বাদশাহ্ রা যে যায়গায় ঐ খানে নিয়ে গেলাম সবাই আড়াল থেকে বেরিয়ে আসলো, তারপর। হাত-পা বেধে বাদশাহ্ এর মাইক্রো তে উঠালাম, তারপর আব্বুর পুরানো বাংলো বাড়িতে নিয়ে আসলাম,
একটা চেয়ারের সাথে বাদলাম সিয়াম কে,তারপর মুখের কাপড় টা খুলে দিলাম,
সিয়াম: ভাই কী করছিস তুই?
আমি:হা হা হা (ভয়ংকর হাসি)কী ভেবেছিস আমি কিছু জানি না?আমার সুখের সংসার টা তোরা সম্পত্তির লোভে তজনজ করলি কেন রে আমরা কী তোদের কম ভালোবাসতাম,নাকি তোদের দরকারে পাশে ছিলাম না? আমার বোনটাকে ও ধর্ষন করলি, কী করেছিল আমার বোন টা? ও যদি তোর আপন বোন হত পারতি করতে ধর্ষন? আরে পারতি পারতি তোদের মত নিমখারাম রা সব পারে,,,
সিয়াম: ভাই আমার ভুল হয়ে গেছে মাপ করে দে,,
আমি:মাপ করতে পারি তবে একটা শর্তে
সিয়াম:কী শর্ত?
আমি: যারা আমার বোনকে ধর্ষন করেছে তাদের সবাইকে কল করে এখানে আসতে বল,বলবি আমাকে এখানে বেধে রেখেছিস আজকো আমাকে মারবি,
সিয়াম:তাহলে আমাকে ছেড়ে দিবি তো?
আমি:হুম তোকে মুক্ত করে দিব,,
সিয়াম: হ্যালো রানা তোরা কই?
রানা: এইতো আড্ডা দিচ্ছি তুই কই?
সিয়াম :আজকে প্রিন্স কে ও মারব আয় তোরা,
রানা:কোথায়
সিয়াম: আমুক জায়গায়,,
রানা :আচ্ছা আসতেছি
আমি:বাদশাহ্ এলার্ট,
বাদশাহ্:ওকে দোস্ত
আমি: তোরা ও এলার্ট জিতু,রুপক,
জিতু:জ্বী ভাই
তারপর ওরা বাড়িতে পা রাখা মাত্রই সবাই ওদের ধরে ফেললো আর বেধে ফেললো,,,
ঠিক যে ভাবে সিয়ামম কে বেধে রেখেছি সেই ভাবে সবাই কে বাধলাম এবার হবে আসল খেলা,, হা হা হা
আমি:বাদশাহ্ একটা ব্লেট নিয়ে আয় তো
বাদশাহ্:এই নে পকেটেই আছে,
আমি:দে এদিকে দে,
বাদশাহ্:নে,
ওরা মোট ৫ জন ছিল আমরা ছিলাম প্রায়৫০ জনের উপরে ভিতরে ছিলাম আমরা ৫জন সবাইকে বাইরে দাড়াতে বলেছিলাম যেন পুলিশ বা অন্য কেউ এদিকে আসলে আমাদের খবর দেয়,
তার আমি আস্তে আস্তে গিয়ে রানার হাতে ব্লেট দিয়ে দাগ দিতে থাকি আর রানা চিৎকার দিতে থাকে তারপর ওদের সবাই কে উলঙ্গ করে ফেলি,, পুরো শরীরে রানার ব্লেট এর দাগ দিতে থাকি, আর সিয়ামরা সবার চোঁখ দিয়ে পানি ঝড়ছে,আকুতি মিনতি করছে? কিন্তু কে শোনে কার কথা বাদশাহ্ আর জিতু ওদের মধ্যে দুজন কে ব্লেট দিয়ে দাগ দিতেছে আর সবাই গলা ফাটানো চিৎকার করছে,,
তারপর আমি লবন মরিচ নিয়ে আসি রানার গায়ে লাগাতে থাকি আর ও চিৎকার করতে থাকে বার বার ক্ষমা করে দেও ক্ষমা করে দেও বলছে,
রানা:ভাই আমাকে মাপ করে দিন আমি আর জীবনে ও এমন ভুল করব না,
আমি:বল কী দোস করেছিল আমার ৯ পড়ুয়া ছোট বোন টা? তোদের মত কিছু নিচু লোকের জন্য আজ আমরা ছেলে জাতি কলঙ্ক,বলেই ওর গোপনাঙ্গে ব্লেট দিয়ে দাগ দিচ্ছি
ও এমন ভাবে চিৎকার দিল যে কানের পর্দা একটু নড়ে উঠল, মনে হয় আর একটু হলে ফেটে যেতে,,
এগুলো দেখে সিয়াম কান্না করতেছে ওকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য
রানা:ভাই আর কষ্ট দিয়েন না ভাই, একে বারে মেরে ফেলুন ভাই,
আমি:হা হা হা হা খেলাতো মাত্র শুরু দেখ আগে আগে কী হয় 😆😆
(চলবে)
পরবর্তী পার্টের জন্য অপেক্ষা করুন
বিঃদ্রঃ ২য়-তয় পার্ট একসাথে, পার্ট গুলো ছোট করে লিখেছিলাম তাই একসাথে দুই পর্ব করে দিলাম,
কস্টের গল্প
কষ্টের একটা গল্প 😥😥😥😥 সবাই পড়বেন 😭
মেয়ে : আমি একটি কথা বলতে চাই।🥰
ছেলে: বলো🥰
মেয়ে : যদি বলি আমি তোমাকে ভালবাসি।🥰
ছেলে : তুমি আমাকে ভালবাসো কিন্তু আমি যে গরিব😢
মেয়ে : আমি তোমাকে চাই, তোমার সম্পদ নয়।🥰
ছেলে : আমিও তোমাকে ভালোবাসি।🥰
মেয়ে : তুমি আমাকে বিয়ে করে আমার কাছে কি চাইবা?🥰
ছেলে : আমি আমার মা বাবাকে অনেক ভালবাসি তোমার কাছে শুধু তাদের সুখ চাই আমাকে কিছু দাও আর না দাও🥰
কিছু দিন পর😓
মেয়ে : আমার মা বাবা তোমার কাছে আমাকে বিয়ে দিবে না।😢
ছেলে : তাহলে কি করবো আমি? তুমি কি চাও?😢
মেয়ে : আমার মা বাবাকে আমি ছাড়তে পারবো না, তোমাকেও না। তুমি ঘর জামাই চলে আসো 😢
ছেলে : আমি তোমাকে ছাড়া বাচবো না কি করবো বলো আমি রাজি কিন্তু এমন কিন্তু কথা ছিল না😢
মেয়ে : আমার জন্য এই টুকু করো তুমিতো আমাকে ভালোবাসো😢💖
ছেলে ↑ওকে ঠিক আছে 💖
আরো কিছু দিন পর
হঠাৎ করে 😥😥
মেয়ে : আমার বাবা বলেছে সরকারী চাকরিজীবী হলে বিয়ে দিবে না হলে নয়।😥😥
ছেলে : আমার তো এমন বড় চাকরির যোগ্যতা নাই।😥
মেয়ে : আমি কি করব বল? আমি কিছুই করতে পারবো না তুমি আমার মা বাবাকে বুঝাও।😥
অনেক বুঝানোর পরে-ও কিছু হলো না 😥😥
আরো কিছু দিন পর😥😥
মেয়ে : কালকে আমার বিয়ে😥
ছেলে : কষ্ট হচ্ছে না? 😥
মেয়ে : তুমি কিছুই করতে পারলে না। আমার পোড়া কপাল। কষ্ট নাই বাস্তব মানতেই হবে।।😥
ছেলে : আমিও মেনে নিলাম তোমার বানানো বাস্তব। তুমি ভালো থাকবে ভেবে আমারও কষ্ট নাই।😥
এই বলে ছেলে কেদে কেদে চলে গেলে সেখান থেকে।
আর কোন দিন তাদের দেখা হল না।😥
কয়েক বছর পর💔
মেয়েটি একটি দেখলো একটি কবরে লেখা
যদি বলি আমি তোমাকে ভালবাসি?
তুমার জন্য এই পৃথিবী ছাড়তে পারি।😥
মনে পড়ে গেলো সেই পুরোনো কথা 😥
মেয়েটি সেখানেই কাদতে কাদতে অজ্ঞান হয়ে যায়।
পরে খোজ নিয়ে দেখা গেল সেখানে তার ভালবাসার মানুষ ঘুমিয়ে আছে।
সত্যি কারের ভালোবাসা গুলো কখনো পূণ্যতা পায় না 😰😰😰
দোয়া করি সবার ভালোবাসা যেন পূণ্যতা পায় 🙃
কেমন লাগলো অবশ্যই একটা কমেন্ট 😊😊😊😊
সিনিয়র আপুর সাথে প্রেম৭ম
গল্প:সিনিয়র আপুর সাথে প্রেম
পর্ব:৭ম
আমি মনে মনে ভাবলাম
না নিলিমাকে অনেক কষ্ট
দিছি আর নি।
কালকেই নিলিমাকে বলে দেব।
আমার রুমে আপু আসলো
আপু: মেহেদী নিলিমাকে আর কষ্ট দেস না ভাই
নিলিমা ওর ভুল বুঝতে পেরেছে।
আমি: আপু কি বলছিস তুই?
আপু: নিলিমা আর তোর
ব্যাপারে আমি সব জানি।
আমি: ভাবছি আর কষ্ট দিব না নিলিমাকে।
কালকেই নিলিমাকে বলে দেব
তারপর আমি আপু
সাথে আরো কিছুক্ষণ
কথা বলে আপু চলে গেল।
আমি খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়লাম
একেবারে সকালে ঘুম ভাঙলো
তারপর আমি কলেজে
যাওয়ার জন্য #Ready
হয়ে হাল্কা কিছু নাস্তা করে
কলেজে চলে গেলাম।
কলেজ গেট দিয়ে ঢুকতেই
দেখি আবু বকর
যাচ্ছে।
আমি: এই আবু বকর ( ডাক দিলাম)
আবু বকর: আরে মেহেদী কেমন আছো
আমি: ভালো । তুমি?
আবু বকর: আমিও ভালো।
আমি: আবু বকর বুঝছো
নিলিমাকে অনেক কষ্ট দিছি
এখন মনে হয় ওর ভুল বুঝতে পেরেছে
তাই আজকেই নিলিমাকে আমার
কাছে ফিরিয়ে নেব
আবু বকর: একদম ঠিক
পদক্ষেপ নিছো ।
আমারো মনে হয় নিলিমা আপুকে
আর অবহেলা করা ঠিক হবে না।
আমি: হুমমম । আচ্ছা চলো
আগে নিলিমাকে খুঁজে বের করি
আবু বকর: চলো
( তারপর আমি আর
আবু বকর পুড়ো কলেজ তন্ন
তন্ন করে খুঁজেছি কিন্তু নিলিমাকে
কোথাও পেলাম না।)
হটাৎ দেখি আপু দাড়িয়ে আছে আপুকে বললাম
আমি: ঐ আপু নিলিমা কোথায় রে ?
আপু: আমাকে জিজ্ঞেস করছিস কেন?(রাগি ভাবে বললো)
আমি: বলনা নিলিমা কোথায় ওরে
সারা কলেজ খুঁজে বেড়াচ্ছি কিন্তু
কোথাও পেলাম না
আপু:নিলিমা মনে হয় আজকে কলেজে আসে নাই
আমি: কিন্তু কেনো?
আপু: ঐইটা তুই ভালো যানোস
তোর জন্য নিলিমা ভালো ভাবে কথা
বলত না খাওয়া দাওয়া করত না
জানিনা মেয়েটার আবার কিছু
একটা হয়ে গেল নাকি
আমি: প্লিজ আপু আমি আর পারছি না
ওখান থেকে চলে আসলাম ক্লাসে
আর ভাবতে লাগলাম নিলিমার
তো কিছু হলো না
এভাবে কিছু সময় পার করার
পর একটা জিনিস খেয়াল করে দেখলাম
সাদিয়া আর আবু বকর
দুজন দুজনের দিকে বারবার তাকাচ্ছে 🤔
আর একজন আরেকজনের
চোখাচোখি হলে দুজনেই
মুচকি মুচকি হাসছে ☺️
আমার আর বুঝতে বাকি
রইলো না যে দুজন দুজনকে
পছন্দ করে ।
কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারছে না
দুজনের কেও
আমি আবু বকর কে বল্লাম
আমি: আবু বকর সাদিয়ার
হাসিটা অনেক সুন্দর তাই না?( ওর
পেট থেকে কথা বের করার জন্য বল্লাম 😁)
আবু বকর: হে রে ওর হাসিটা অনেক সুন্দর।
আমি: তাই নাকি?🤭
তারপর
চলবে,
ওটা মানুষ না
-ওগো শুনছো? আমি প্রেগন্যান্ট।
- What..? বিয়ে হয়েছে গতকাল। আর আজ তুমি প্রেগন্যান্ট? মানে কি এসবের..
- সেটা তো আমিও বুঝতে পারছিনা। আজ সকালে খারাপ লাগছিলো,তাই ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম। তুমি তো ঘুমিয়ে ছিলে। তাই আর ডাক দেয়নি।
- সত্যি করে বল,বিয়ের আগে কার সাথে আকাম করেছিস।
- আরে সত্যিই বলছি, আমি কারো সাথে কিছুই করিনি। আর বিয়ের আগে তো তোমার সঙেই আমার ৪ বছরের রিলেশন ছিলো। তবে কিভাবে বলতে পারো এইটা।
- দেখো নিপা , শারীরিক সম্পর্কে যুক্ত না হলে কেও প্রেগন্যান্ট হয়না। এইটা অবশ্য তুমি ভালো করেই জানো। তবে এখানে নতুন করে কি বলবো তোমাকে।
এতক্ষণ ঝগড়া করছিলো ইমরান আর নিপা। চার বছর যাবত রিলেশন করার পর,গতকাল ফ্যামিলিগত ভাবেই বিয়েটা করে। কিন্তু বিয়ের পরেরদিন একটা মেয়ে কিভাবে প্রেগন্যান্ট হয়। এইটা সত্যিই অস্বাভাবিক একটা ব্যাপার।তাছাড়া বাসর ঘরেও তারা কোনো কিছু করেনি। আবার করেনি বলতে কিছুই করেনি তা নয়, একেবারে কিছুই করেনি ( খালি নেগেটিভ নেন কেন)
এদিকে ইমরান সাহেব চিন্তায় চিন্তায় শুকিয়ে যাচ্ছে । পরিবারের কেও জানতে পারলে তো মহা বিপদ হয়ে যাবে। সারাটা রাত তিনি চিন্তা করতে করতেই পার করে দেয়। সকাল হতেই ইমরান সাহেব বিছানা ছেড়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। নিপা কিছু বুঝে উঠার আগেই,ওর ফোনে কল আসে ইমরানের। নিপা রিসিভ করেই বলল,
- সকাল সকাল কোথায় চলে গেছো। এদিকে চিন্তায় আমি মরে যাচ্ছিলাম।
- চিন্তা করার কিছু হয়নি। তুমি খেয়েদেয়ে বাহিরে আসো।আম্মুকে বলবা আমি ডেকেছি।
- কোথায় যাবো আমরা?
- জাহান্নামে যাবো,যাবে তুমি? ( রাগ দেখিয়ে)
- রাগ করো কেনো । কোথায় আসবো বলো।
- চৌ-রাস্তার পাশে এসো।
- হুম আসছি।
নিপা কলটা কেটে ফ্রেশ হতে চলে যায়। ফ্রেশ হবার পর রেডি হয়ে,চলে যায় ইমরানের কাছে। খাবারটাও খেয়ে যায়নি মেয়েটা। এই সময়ে কয়জন বা খেতে চায়। কিন্তু এইটাই ছিলো নিপার শেষ যাওয়া। দুপুর পেরিয়ে বিকেল হলো। বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা নামলো। বাসার সবাই চিন্তায় পড়ে যায় বিষণ। ফোনেও তাদের পাওয়া যাচ্ছেনা। দুজনের ফোনই সুইচ অফ। এদিকে রাত নেমে এসেছে। চারদিক যতো অন্ধকার হচ্ছে, আবছা কালো ছায়াটা যেনো বাড়ির উপরেই এসে পড়েছে। সকাল বেলা বের হলো,আর এখন রাত ১২ টা ছুঁই ছুঁই। তাও তাদের নিশানা নেই। অবশেষে ইমরানের আব্বু পুলিশের সাহায্য নেয়। পুলিশকে কল দিয়ে জানিয়ে দেয় ব্যাপারটা। পুলিশ পুরো শহর জুড়ে তাদের খুজে চলেছে। রাত ৩:২৫ বাজে। এখনো কেও ঘুমায়নি। অপেক্ষারত হয়ে আছে সবাই, কবে মিলবে দেখা।
রাত ঠিক ৪:৪৩ মিনিটে থানা থেকে একটা ফোনকল আসে। ইমরানের আব্বু রিসিভ করার ১ মিনিট পর মাথা ঘুরে পড়ে যায়। সবাই দৌড়ে এসে উনাকে ধরে। চোখমুখ আর মাথায় পানি দিয়ে অবশেষে উনার জ্ঞান ফিরে। সবাই কৌতূহল হয়ে জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে। ইমরানের আব্বু ওদের জানায়, নিপার লাশ নাকি চৌ-রাস্তার পাশে একটা ডাস্টবিনে পড়ে আছে। আর ইমরান সাহেব নাকি,ঢাকার নাইট ক্লাবে মদ খেয়ে ফুর্তি করতেছিলো। পুলিশ সেখান থেকে ইমরানকে গ্রেপ্তার করে। বাড়ির সবাই ঘটনা শুনে দৌড়ে যায় থানায়। গিয়ে দেখে নিপার লাশ পড়ে আছে থানার বারান্দায়। আর ইমরান জেলখানায় মাতাল অবস্থায় বসে আছে। পুলিশ ইমরানের পরিবারকে আরো জানায়,যে নিপার ফোনে একটা কল রেকর্ডিং পাওয়া গেছে। যার থেকে স্পষ্ট বুঝা যায়,নিপার হত্যাকারী ইমরান। ইমরানের আব্বু আম্মু কিছুতেই বিশ্বাস করলো না। বাধ্য হয়ে পুলিশ তাদের রেকর্ড শুনায়। রেকর্ড চালু হবার পর সবাই মন দিয়ে শুনছে,
-সকাল সকাল কোথায় চলে গেছো। এদিকে চিন্তায় আমি মরে যাচ্ছিলাম।
- চিন্তা করার কিছু হয়নি। তুমি খেয়েদেয়ে বাহিরে আসো । আম্মুকে বলবা আমি ডেকেছি।
- কোথায় যাবো আমরা?
- জাহান্নামে যাবো,যাবে তুমি?
- রাগ করো কেনো । কোথায় আসবো বলো।
- চৌ-রাস্তার পাশে এসো।
- হুম আসছি।
রেকর্ড শেষ হবার পর পুলিশ আরো একটা নিউজ দেয়। নিপা প্রেগন্যান্ট ছিলো,সে ব্যাপারে।বিয়ের পরেরদিন প্রেগন্যান্ট কেও হতে পারেনা। কিন্তু নিপা প্রেগন্যান্ট ছিলো। অর্থাৎ এইটা জানতে পেরেই ইমরান নিপাকে খুন করে ।
পুলিশের তথ্যবচন এতটাই গভীর যে, খুনটা যে ইমরান করেছে,এইটা সবাই শিওর। সবাই ইমরানকে থু থু মারতে থাকে। ইমরানকে এইটাও বলে" নিপার সমস্যা আছে এইটা আমাদের বলতে পারতিস। আমরা যা করার করতাম। কিন্তু তুই তো খুনি। আমি কোনো খুনিকে পেটে ধরিনি। তুই আজ থেকে আমাদের কেও না "। ইমরানের পর ইমরানের বাবা এসে আরেকটা খোচা মেরে দিলো। এভাবে এসব বলেই সবাই চলে যেতে লাগলো। পিছন থেকে ইমরান চিৎকার দিয়ে বলছিলো," আমি খুনি নয়। আমি খুন করিনি,বিশ্বাস করো কেও"।
কিন্তু কে শুনে কার কথা। ইমরানের ফাসির রায় পড়ে যায়। মাত্র ২২ দিন পর ইমরানের ফাসি। সমস্ত কিছু তার বিরুদ্ধে। কিন্তু আসলেই সে রাতে কি হয়েছিলো?
ইমরানের কথা কেও শুনেনা। কাকে বা বলবে সেদিন রাতের কথা। এদিকে সময় পুরিয়ে যাচ্ছে। ৯ দিন পার হয়ে গেছে, হাতে আর ১৩ দিন বাকি । ১৩ দিন পরই ফাসির মঞ্চে উঠতে হবে। ঠিক তখনি থানায় ইমরান সাহেবের সাথে কেও একজন দেখা করতে আসে। ইমরান সাহেব নিজেই অবাক। ওর সাথে তো দেখা করার মত কেও নেই। ইমরান সাহেব কৌতূহল হয়েই অপেক্ষা করছে। তখনি তিনি দেখলেন,কালো জ্যাকেট পরিহিত, মাথার চুল স্টাইলিশ এমন এক মধ্যবয়সী ছেলে ওর দিকে এগিয়ে আসে। ছেলেটিকে ইমরান সাহেব চিনেনা। ছেলেটি এসেই ইমরান সাহেবের সামনে দাঁড়ায়। এরপর ছেলেটি নিজে থেকেই বলল,
- হাই, আমি রিয়াজ।
- হ্যালো,আমি ইমরাম।
- হুম জানি।
- কিভাবে? আর আপনাকে তো ঠিক চিনতে পারলাম না।
- আমাকে চিনতে হবেনা। আমি আপনার কাছে কিছু প্রশ্নের জন্য এসেছি। যদি একটু সাহায্য করতেন।
- কি নিয়ে।
- সেদিন রাতে আপনার সঙে কি হয়েছিলো?
- এইটা জেনে আপনি কি করবেন। তাছাড়া কেও বিশ্বাস করছেনা আমাকে। আমার ফাসির রায় পর্যন্ত চলে এসেছে। এখন আর ঘেটে ঘুটে কি লাভ।
- দেখুন, আমি হয়তো আপনাকে ফাসি থেকে বাচাতে পারবো।যদি আপনি আমার প্রশ্নের উত্তরটা দেন তবেই।
- সত্যি বলছেন? ( খুশি হয়ে)
- হুম সত্যি বলছি। এবার বলুন সেদিন কি হয়েছিলো।
- সেদিন আমি চৌ-রাস্তার পাশে দাঁড়াই। নিপার পেটের বাচ্চাটা অপারেশন করে নষ্ট করতে চেয়েছি। নিপা আসার পর আমি, ওর সামনে যাই। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে নিপা বলল,আমার সাথে ও হসপিটাল যাবেনা। আমি অবাক হই,আমি তো এখনো নিপাকে কিছুই বলিনি । তবে বুঝলো কিভাবে। এরপর নিপা কিছু না ভেবেই আমার হাতটি ধরে টানতে থাকে। আমি ওর পিছুপিছু যাচ্ছি, কিন্তু বুঝতে পারছিনা কি হচ্ছে। ও আমাকে টেনে নিতে নিতে রাস্তার উপরে নিয়ে যায়। তখনি একটা ট্রাক এসে আমাকে উড়িয়ে দেয়।
- ওহ মাই গড, এরপর কি হলো?
- এরপর আমি আমাকে আবিষ্কার করলাম একটা অজানা শহরে। যে শহর আমি ঠিক মতো চিনিও না। তখন মনে পড়লো আমার এক্সিডেন্ট এর কথা। মনে পড়তেই বুকটা থরথর করে কাপতে লাগলো। আমি ভেবেছি আমি মরে গেছি । আশেপাশে লোকজনের মাঝে কাওকে আমি চিনিনা। তখনি দেখলাম নিপা এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে। আমি নিপার দিকে তাকাতেই,নিপা জড়িয়ে ধরা অবস্তায় আমার বুকে কামড় দিয়ে হৃদপিন্ড খেতে থাকে।
- ইহহহ, এত খারাপ হয়েছে?
- হুম
- আচ্ছা তারপর বলুন।
- এরপর আমি বুকের ব্যাথায় চটপট করতে করতে সেখানেই পড়ে যাই।আবার চোখ মেলে দেখি,আমি একটা রুমে বন্দি আছি। এরপর রুমটা থেকে বের হবার চেষ্টা করতে গিয়ে দেখি, আমার পিছনে নিপা একটি ধারালো ছুরি নিয়ে দাড়িয়ে আছে। বুঝে গেছিলাম, এবারও নিপা আমাকে খুন করবে। তা ভেবে আমি নিজেই,পাশে থাকা ফুলদানিটা ছুড়ে মারি নিপার দিকে। নিপা তখনি ফ্লোরে কাতরাতে কাতরাতে লুটিয়ে পড়ে। আমার খুব মায়া হয়। আর আমি ততক্ষনাৎ নিপার পাশে যেতেই,নিপা হুট করে উঠে আমার গলায় ছুরি চালিয়ে দেয়। আবারও চটপট করতে করতে আমি মরে যাই। এরপর আবার চোখ মেলে দেখি, আমি নাইট ক্লাবের সামনে পড়ে আছি। ঠিক তখনি একটি লোক এসে আমাকে বলল" এই বোতল এর সব পানি গিলে খাও, তোমার সব সমস্যা সমাধান হবে"। আমি বুঝিনি লোকটি আমায় কেনো এই কথা বলেছে। কিন্তু উনি কোনোভাবে তো নিশ্চয় কিছু জানে। তাই আমিও উনার কথামত বোতলের সব পানি খেয়ে ফেললাম। খাওয়ার পর মাথাটা একটু ঝিম ধরে আমার। আর কিছু মনে নেই। এরপর চোখ মেলে দেখি পুলিশ নাইট ক্লাবে এসে আমাকে গ্রেপ্তার করে। তাও নাকি নিপার হত্যাকারী হিসেবে। কিন্তু আমি সত্যিই বলছি, নিপাকে আমি মারিনি।
- হুম বুঝলাম। কিন্তু এই কথাগুলো আপনি আর কাওকেই বলবেন না। এইটা জাস্ট আপনি আর আমি জানি। এছাড়া শুধু ও জানে।
- আরেকজন কে?
- সেটা তো এখনো জানতে পারিনি। সেটার সন্ধানেই আমার এতটুকু আসা।
- আচ্ছা একটা কথা, এসবে কোনো ভূত প্রেত নেইতো?
- হতেও পারে,আবার নাও হতে পারে। এইটা একটা গোলকার চক্রদার। যা প্রতিনিয়ত, সব পরিস্থিতিকে গুলিয়ে দেয়। তবে এর পিছনে একজন আছেই,আর সে ভূত নাকি প্রেত সেটা না জানলেও,এইটা আমি শিওর দিয়ে বলতে পারি, ওটা মানুষ না।
- তাহলে..?
- ওয়েট এন্ড সি ব্রো, আমি আর্লি ব্যাক করবো আপনার কাছে। তখন বুঝতে পারবেন সব কিছু।
- আমি ফাসি থেকে বাচবো তো?
- সঠিক না। হয়তো আমার ফিরতে দেরি হলে,আপনার সময় শেষ হয়ে যাবে।
- ঠিক আছে, আপনি দেখুন কি করা যায়।
- হুম,আর শেষে একটা কথা বলে যাই আপনাকে, আপনি কিভাবে নিবেন জানিনা। তবে এই কথাটা শুনলে আপনি শক খাবেন শিওর।
- কি কথা..?
- নিপা বেচে আছে।
- মানে..? নিপার লাশ আমি নিজের চোখে দেখেছি। তাহলে কিভাবে সম্ভব ?
- ঐ যে বললাম..? ওয়েট এন্ড সি, নাও বায়।
- আরে ভাই,আগে তো নিপার ব্যাপারটা বলে যান।
রিয়াজ মুচকি একটা হাসি দিয়ে সেখান থেকে চলে আসে। রিয়াজ এখন ছুটবে।অনেক দূর ছুটবে। তাকে জয়ী হতেই হবে। আর এদিকে ইমরান সাহেব বিশাল বড় এক চিন্তায় পড়ে যায়। নিপা কিভাবে বেচে আছে..?
চলবে......?
গল্প- ওটা মানুষ না ( পর্ব-০১)
( কমেন্টে জানান।
গল্পঃবাবার_বন্ধুর_মেয়ে_যখন_বউ
#গল্পঃবাবার_বন্ধুর_মেয়ে_যখন_বউ।
পর্বঃ7
তারপর আমি ও নিচে গেলাম, তারপর সিড়ি দিয়ে নামতেছি হঠাৎ মাথা টা কেমন করে উঠলো। আর কিছু মনে নেই, চোখ খুলে দেখি আমি আমার রুমে শুয়ে আছি, আর পাশে সবাই বসে আছে। আমার হাতে ও ব্যান্ডেজ করা কিছু বুঝলাম না আমি এখানে কিভাবে এলাম,,
---- কার সাথে কী হইছে আমাকে বল( আম্মু)
----- কোন মেয়ের সাথে কথা বলিস,যে তার জন্য এমনটা করতে হলো( বড় আপু)
---- কি হইছে তার সাথে ( ছোট আপু)
আমি আব্বুর দিকে তাকিয়ে আছি, তখন আব্বু সবাইকে বললো,,,,
---- ছেলেটা সবে মাত্র সুস্থ হইলো আর তোমার ও শুরু করে দিছো। যা তোমারা সবাই এখান থেকে আমি ওর সাথে কথা বলতাছি।
সবাই চলে গেল।
---- আচ্ছা বাবা আমাকে বলতো জারার সাথে তোর কী হইছে।
---- কিছু না।
---- আমাকে বল কাওকে বলবো না।
---- তোমার সব কথা আমি শুনছি, প্লিজ এইটা জানতে চেও না।
---- বলবি না তুই
---- না বলবো না।
---- আচ্ছা ঠিক আছে।
সবাই চলে গেল। আমি দরজা বন্ধ করে দিলাম। মনে হয় অনেক রক্ত বেরোনোর জন্য অজ্ঞান হয়ে গেছিলাম। জারা আমাকে এতটা কষ্ট কিভাবে দিতে পারলো,,৷
ওইদিকে।
জিদান তুমি কেনও বুঝছো না, তুমি একটা ভুল ধারনা নিয়ে বসে আছো। তুমি হাত কাটটে গেলে কেনও? তুমি হয়তো জানো না আমি তোমাকে কতোটা ভালোবাসি। সত্যি টা না জেনেই তুমি সেদিন ওইভাবে চলে গেলা। এখন আমার কিছু ভাল লাগছে না। ভালো লাগবে কিভাবে তোমার সাথে কথা না বললে যে আমি থাকতে পারি না। কেনও তুমি আমার উপর অভিমান করে ওইসব বাজে জিনিস খাও। কেনও জিদান কেনও।।।।
আপুর বিয়ের আর তিন দিন বাকি, সব কিছু এ্যারেন্জমেন্ট করতাছি। একটা বন্ধু ফোন দিলো৷ ফোন টা রিসিভ করলাম,, ফোনটা কাটতে যাবো তখনই জারা একটা পিক সামনে চলে এলো, পিকটা দেখে মনের ভেতর মোচড় দিলো, মনটা খারাপ হয়ে গেল,,, একটা ফোন দিয়ে দেখি তো বউটা কি করে,,,,
ফোনটা ওয়েটিং বলছে, যাক তাহলে এখন সে ভালোই আছে। আমাকে কষ্ট দিয়ে সে ভালো থাকে৷
পরের দিন বাসায় অনেক মেহমান এলো। সব বন্ধুরা ও চলো এসেছে,, জারা, আংকেল, আন্টি সবাই আসছে, একি ছেলেটা ও আসছে দেখছি, আমি আমার বন্ধু দের সাথে ব্যাস্ত। ওদের নিয়ে ছাদে বসে আড্ডা দিচ্ছি, তখন দেখি ছেলেটা আর জারা ছাদের এক পাশে দাড়িয়ে আছে,,
---- মামা ওইদিনের ছেলেটা না?( মারুফ)
----- হুম মামা।
---- এরা এখানে কী করে, মেয়েটা তো তোর বাবার বন্ধুর মেয়ে, তাহলে ছেলেটা কে?
---- জানি না মামা,, বাদ দে না মামা, তোর কাছে সিগারেট আছে।
---- হুম আছে।
---- দে তো।
---- কিন্তু তুই তো ওইসব খাওয়া ছেড়ে দিসোস।
---- আজকে কেনও জানি খুব খেতে ইচ্ছে করছে দে না মামা।
---- এই নে।
জারা কে দেখিয়ে দেখিয়ে সিগারেট খেতে লাগলাম, তখন ছাদে একটা মেয়ে আসলো, আসলে মেয়েটা আমার ফুপাতো বোন তানিয়া।,,
---- একি তুই সিগারেট খাস কেনও।
---- এমনি খাই তুমি খাবে?
---- সর শয়তান। একটু নিচে আয় তোর সাথে কথা আছে।
---- হুম চলো।
যাওয়ার সময় জারার দিকে একবার তাকিয়ে ছিলাম, দেখি সে পুরা রাগে লাল হয়ে গেছে,,, মনে একটা প্ল্যান চলে আসলো।
---- কী আপু বলো( তানিয়া আমার দুইবছর বড়, কিন্তু দেখতে মনে হয় আমার ছোট)
---- আমাকে একটা হেল্প করবি?
---- কী হেল্প বলো?
---- আসলে ভাই আমি আমার bf কে ইনভাইট করছি এখন ওকে এখানে এনে কী পরিচয় দিবো তা ভেবে পাচ্ছি না,
---- তো আমার কি করতে হবে তা বলো।
---- তুই ওকে তোর বন্ধুর পরিচয় দিবি। কেও জিজ্ঞেস করলে বলবি তোর বন্ধু।
---- ঠিক আছে কিন্তু তোমাকে ও আমার একটা হেল্প করতে হবে।
---- আমাকে আবার কী করতে হবে।
---- বিয়ের এই কয়েক দিন তোমাকে আমার gf এর অভিনয় করতে হবে।
---- সেটা আবার বলতে হয় নাকি, যে কেও আমাদের দেখলেই বুঝবে আমরা gf, bf।
---- হুম তারপরও তুমি একটু বেশি করে করবা।
---- ঠিক আছে কিন্তু কী কারনে সেটা তো বল।
---- না এখন বলবো না, সময় হলে জানতে পারবে।
---- ঠিক আছে,, বলিস।
তারপর আপু আমাকে তার বয়ফ্রেন্ডের পিক দেখালো, তাকে বাসায় আনলাম।
বিকালে সবাই ছাদে বসে আাছে, তানিয়া আপু আমার পাশে বসে আছে, জারা আমার সামনে দাড়িয়ে ফোন টিপছে, আমি তানিয়া আপুর কাধে মাথা রাখলাম,, ওমা জারার কী হলো, সে তো রাগে গোল মরিচ হয়ে গেছে।
রাতে সবাই একসাথে খেতে বসলাম, আমার একপাশে জারা, আর এক পাশে তানিয়া, তানিয়ার পাশে ওর bf আর জারার পাশে ছেলেটা,,
------- খালাম্মা তানিয়া কে বড় মাছটা দাও( কাজের বুয়া)
---- না আমি এতো বড় মাছ খেতে পারবো না।( তানিয়া)
---- কেনও?
--- আমি কাটা বাছতে জানি না।
---- দাড়াও আমি বেছে দিচ্ছি।
তানিয়া কে কাটা বেছে দিচ্ছি, জারা উঠে দাড়ালো মনে হয় রাগ করছে। করলে কার কী,,
---- একি জারা তুমি না খেয়ে উঠেলে কেনও?( আব্বু)
---- আংকেল আমার খুদা নেই মাথা টা কেমন জেনও করছে।
জারা ওর রুমে চলে গেল। ছোট আপু আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দেয়।
আমি খাবার খেয়ে উঠলাম,, তারপর তানিয়ার bf কে বললাম,
--- ভাই আপনি কিছু মনে কইরেন না,তানিয়া আপু আমার দুবছরের বড়। তাছাড়া তাকে আমি সব সময় বড় বোন মনে করি। আজকে একজন কে রাগানোর জন্য এই অভিনয় করলাম।
---- নানা ভাই কিযে বলো কিছু মনে করিনি। তানিয়া তোমার কথা আমাকে অনেক বলছে।
---- আচ্ছা ঠিক আছে এখন ঘুমান, কালকে আবার সকালে উঠতে হবে।
---- হুম গুড নাইট।
সকালে ঘুম থেকে উঠলাম, নিচে গেলাম, দেখি জারার চোখের নিচে কালি পড়েছে মনে হয় মেয়েটা সারা রাত ঘুমায়নি,, অনেকটা রোগা রোগা মনে হচ্ছে। কালকে বিয়ে, আজকে আপুর গায়ে হলুদ। তাই কেক কিনতে যাবো,
---- তানিয়া তুমি আমার সাথে যাবে?
---- কই যাবো?
---- বাইরে কেক কিনতে।
---- হুম, আচ্ছা তাহলে একটু পরে রেডি থেকো।
সবাই বাইরে আছে, বাড়ি সাজানো দেখছে। আমি তানিয়া কে নিয়ে কেক কিনার জন্য যাব তাই বাইক বের করলাম,,,
---- তানিয়া উঠো।
( জারা আর ছেলেটা ও কই যেনো যাবে)
---- তুমি ভালে করে চালাতে পারো তো?
---- একবার উঠেই দেখো না, আর কোনও দিন নামতে মন চাইবে না। তানিয়া বাইকে উঠতে যাবে ঠিক তখনই,,,
---- বাইকের চাবিটা দিন আমরা বাইরে যাবো( জারা)
--- বাইকের চাবি দিবো মানে। আপনাদের বাইকের চাবি দিবো কেনও।
---- আমরা বাইরে যাবো তাই দিবেন।
---- গাড়িতে করে যান, আমি কাওকে চাবি দেই না।
--- --- চাবি দিবেন না মানি,,
---- আমার বাইক তাই দিবো না।
---- বাইকটা আমার বাবা কিনে দিছে ভুলো যাবেন না এটা ( অনেক জোরে বললো তাই সবাই শুনে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে)
----- তো এখন তো আমার৷
---- আপনের হলো কিভাবে কিনে তো দিছে আমার আব্বু। নিজে বাইক কিনে তারপর কোনও মেয়েকে পিছনে তুলেন, নেই তো সেই যোগ্যতা, অন্যোর দেয়া বাইক তুলতে আসছেন। দেন চাবি।
কোনও ভাষা খুঁজে পেলাম না। চাবিটা দিয়ে দিলাম, সেই সাথে আমার বুকে একটা ক্ষত হয়ে গেছে, সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে, আজকে বাসার সবার সামনে আমাকে অপমান করলো।
---- ধন্যবাদ জারা আপনাকে,, আসলে আমাকে আপনি জানিয়ে দিলেন আমার অবস্থান টা কই। যান আপনারা কোথায় যাবেন। আজকে সবার সামনে এভাবে অপমান টা না করলে ও পারতেন। হাজার হোক আমি আপনের,,,,,,,,,,
----- কী থামলি কেনও( তানিয়া)
---- কিছু না।
তারপর আমি সেখান থেকে চলে এলাম। বন্ধুরা আমার রুমে আছে, সেখানে গেলাম। গিয়ে স্পিকার চালু করে অনেক কান্না করলাম, জারা আজকে ও আমাকে অপমান করলো। না আজকের টা আর মেনে নেয়া যায় না। দুপুরে কিছু খেলাম না, একটু পরে আব্বু আমাকে ফোন দিয়ে বাইরে আসতে বললো,,
---- এই নে বাবা,,
---- কিসের চাবি এটা?
----- তোর জন্য আমি বাইক নিয়ে এসেছি।
--- আব্বু এসবের এখন আর আমার দরকার নেই।
---- বাবা আজকে তোকে অনেক কথা শুনতে হলো।
---- না আব্বু কই তেমন তো কোনও কথা শুনলাম না।
---- বাবা সব কিছু ভুলে যা।
----- হুম আব্বু।
জারা আমার কোনও মেয়ে বন্ধু কে পছন্দ করে না তাই ভাবছিলাম বিয়ে তে তাদের কে ইনভাইট করবো না, কিন্তু এখন তাদের সবাইকে ইনভাইট করলাম, সবাই বিকালে চলে এলো,আমি গেটের কাছে গিয়ে তাদের কে নিয়ে আমার রুমে চলে এলাম,, জারা আমার দিকে তাকিয়ে আছে,, লাভ নেই লাভ নেই তাকিয়ে, আজকে তুমি আমাকে অনেক বড় একটা কষ্ট দিছো। সন্ধা বেলা সবাই আপুকে হলুদের জন্য সাজাচ্ছে, তাই জারার সাথের ছেলেটা একা হয়ে গেছে, আমারা সবাই মিলে আড্ডা দিচ্ছি, আর সে আবুলের মতো দাড়িয়ে আছে। থাকুক তাতে আমার কী। আপুকে সবাই হলুদ দিচ্ছে এবার আমাদের সব বন্ধু দের পালা, সবাই মিলে হলুদ দিলাম। আমি তানিয়া কে একটু দিয়ে দিলাম, তারপর সব বান্ধবী দের অদের বাসায় পৌছানোর ব্যবস্তা করলাম।
একটু পরে ছাদে চলে এলাম সবাই কারন একটু খানা পিনা হবে,, জারা ও ছাদের এক কোনে দাড়িয়ে আছে, আমরা সবাই চিলেকোঠার সামনে বসে পড়লাম তাই জারা চাইলে ও ছাদ থেকে যেতে পারবে না, ওমা সাথে ছোকরা টা ও আছে, এই শালায় কী ওর বডিগার্ড নাকি।
---- মামা প্যাক বানা,,( সাকিব)
---- আরে আমাকে পুরো বোতল দে।
আমি পুরো বোতল জারা কে দেখিয়ে দেখিয়ে খেতে লাগলাম, হাতে এখনো ব্যান্ডেজ করা, তাই তার উপর হালকা একটু ঠেলে দিলাম,
---- কি করছিস তুই জানিস না
কাটা স্থানে এ্যালকোহল দিলে কী যন্ত্রণা হয়।
---- হোক যন্ত্রণা, আমি যাই যন্ত্রণা পেতে পেতে আমি যেনও শেষ হয়ে যাই,,
জারা কে শুনিয়ে বললাম। জারা আমাদের সবার মাঝে দিয়ে চলে গেল। আর ছেলেটা দাড়িয়ে রইলো।
অনেক রাত হইছে তাই সবাই ঘুমাতে চলে এলাম। সকালে তাড়াতাড়ি করে উঠলাম, উঠে সবার সাথে কাজে হাত দিলাম,, আমাদের বাড়ি টা অনেক বড় তাই বাসায় সব কিছুর আয়োজন করেছে। সকল মেহমান আসলো, আপুর বিয়ের সকল কাজ সম্পন্ন হলো। আপুকে নিয়ে চলে গেল। আসতে আসতে সব মেহমান চলে গেল। সন্ধায় পুরো বাসা ফাকা হয়ে গেল, জারা ও চলে গেল। আমি অনেক ক্লান্ত তাই বিছানায় শুতে গেলাম, দেখলাম আমার টেবিলে একটা চিঠি আছে,,
মনে হয় আমার জন্য,, খুললাম চিঠিটা ,,,,,,
চলবে,,,,,,,,,
no mind
No mind
😁একটি কথা
মেয়েরা সবাই শুনবেন। এই
পোষ্ট টি কলেজের মেয়েরা ছাড়া পড়বেন না প্লিজ..... *
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
সুন্দরী গুলা কথা শুনল না আইছে...? *
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
এসে যখন পড়ছো,
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
আরে এত্ত অস্তির হয়তাছো কেন *
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
আস্তে আস্তে নামেন
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*আগেই বলে দিচ্ছি সব কিছু পরার পর যদি উত্তর না দেন
তাইলে.. আপনি কখনো মা হতে পারবেন না। *
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
সব কিছু বুযে কি আয়সেন পরে কিচ্ছু কইতে পারবা না।।সব
কিছু বইলাই আনতেছি
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
তবে এই লেখাটা মনোযোগ দিয়া পড়..। *
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
আমি সুস্থ মাথায়, আমার বাবার মেয়ে হয়ে বলছি
আমি আমার boy friend কে ভূলে যাব. আর এখন থেকে তুমি
তানিম আমার বর। কবুল. কবুল.কবুল
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
*
যেই মেয়ে এই মেসেজ টি পড়েছে, সে বিধান অনুযায়ী
আমার বউ..। *
*
*
*
*
*
*
*
*
কী করার, পড়তে বাড়ন করছিলাম.. এখন কাপড় গুছিয়ে শশুর
বাড়ী চলো..।। *
*
*
*
*
*
*
*
*
পাগল বলো, আর যাই বলো,
আমি কিন্তু এখন তোমার স্বামী....,, .
সুতারাং আমার বাড়ী চলো......?? আমি সেই বর......
Please কেউ খারাপ comment করবেন না Just Fun,
the polic love
(The Police Love)
.
.
PART;-2
.
.
কিছুদিন পর
আকাশ তার রুমে রুমে ঘুমিয়ে আছে!একটু পরে ওর আম্মু রুমে আসলো~
-ওই নবাব ঘুম থেকে ওঠ!(শরীরে ঝাকি দিয়ে)
-উমমম কি সমস্যা!এতো সকালে ডাকছো কেন!(বিরক্তসরে)
-প্রাইভেটে যাবি না!কাল না তোর এক্সাম!
-আমি আজ যাবো না!সব পারি আমি!কোনো সমস্যা হবে না!
-তুই উঠবি নাকি তোর আব্বুকে ডাক দিবো!
-সব সময় আব্বুর ভয় দেখাও কেন বলোতো!(করুন সুরে)
-ওঠ না হলে ডাকলাম!
-না না উঠছি!
আকাশ তার আব্বুকে একটু বেশিই ভয় পায়!তাই আর বিসানায় না থেকে ফ্রেস হয়ে নাস্তা করে বেরিয়ে পরলো প্রাভেটের উদ্দেশ্যে!একটু পরে মামার দোকানে গিয়ে চা খেতে লাগলো!এই ফাকে আকাশের পরিচয়টা দিয়েদি!
আকাশ টংগি সরকারি কলেজের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র।পড়া লেখায় মোটামুটি!কিন্তু ভিষন স্মার্ট একটি ছেলে!কারো সাথে কোনো বাজে ব্যাবহার করেনি আজ অব্দি।
কিন্তু একটু দুষ্টু টাইপের!
তো গল্পে ফেরা যাক!
আকাশ অনেক্ষন থেকে লক্ষ্য করতেছে তার দিকে কিছু হিজরা দুষ্টু দুষ্টু হাসি দিতেছে!কিন্তু আকাশের বেপারটা ভালো লাগছিলো না।তাই সেখানে থেকে প্রাইভেটের উদ্দেশ্যে হাটা ধরলো!
হাটতে হাটতে আকাশ পিছনে তাকিয়ে দেখে হিজরাগুলো তাকে follow করতেছে!
আকাশ একটু জোরে হাটা সুরু করলে হিজরা গুলোও নিজেদের গতিব্যাগ বারিয়ে দেয়!আকাশ ভয় পেয়ে একসময় দৌর শুরু করে!অনেকক্ষন দৌরানোর পরে আকাশ লক্ষ্য করলো হিজরা গুলো আর তার পিছনে নেই।আকাশ হাটু গেরে সস্তির নিশ্বাস ফেলে!
একি আমি কোথায় যাচ্ছি!ওহ দৌরাতে আরেক এলাকায় এসে পরছি মনে হয়!ওফ এইভাবে যদি দৌড় অলেম্পিকে দৌড়াতে পারতাম তাহলে হুসাইন বোল্টকেও হার মানাতে পারতাম!😂
-এই তুই কে!এই ভাবে দৌরাচ্ছি কেন!(হঠ্যাৎ করে দুইটা পুলিশ এসে একজন কথাটা বল্লো)
আকাশ:জি..জি সা..স্যার আমি পা..পাশের এলাকাতে থাকি।একটু যগিং করছিলাম আরকি!(নার্ভাস হয়ে)
-সালা দুপুর ১২ বারোটায় তুই যগিং করছিস না!এই কালাম ওকে ম্যাম এর কাছে নিয়ে চলো!সালায় মনে হয় কোনো হিরোনচ্চি খোর!(আকাশের কলার ধরে)
-জি স্যার!(আকাশকে ধরতে এসে)
আকাশ:স্যার স্যার আমাকে ছেড়ে দেন!আমি কিছু করি নাই স্যার!(কান্না করে দিয়ে)
-কালাম সালারে জিপএ উঠাও!
তারপরে অাকশকে পুলিশ স্টেশনে নিয়ে আসলো!
-কালাম তুমি এই সালারে ভিতরে ঢুকাও!আমি ম্যামকে এটার বেপারে বলে আসি!
তারপরে আকাশকে জেলে ভরলো!একটু পরে একটি মেয়ে ভিতরে ঢুকলো!
আকাশ মেয়েটিকে দেখে ভুত দেখার মতো অবস্থা!
কাল থেকে গল্প বড় হবে!
Bow pagol
বউ পাগল..💝🙈💜💏
বিয়ের দিন গাড়ী থেকে বউকে কোলে করে বাসায় নিয়ে আসবো বউ যদি ৩৬০ কেজি (মোটা) হয় তাহলে একটা হুইল চেয়ারের ব্যাবস্থা করে হুইল চেয়ার করে বউকে বাসায় নিয়ে আসবো।☺
বাসায় এসে বউকে একগ্লাস গরম দুধ অফার করবো।🍻
তার পর একসাথে ফুলশয্যা।🙈
পরদিন সকালে বউয়ের গোছলের জন্য পানি গরম করে দিব। গোছল শেষে কাপড় পড়িয়ে দিব। তার পর কাপড় কেচে রোদে শুকাতে দিব।
সকালে স্যান্ডউইচ আর জ্যাম খেতে দিয়ে আবার রান্না করতে চলে যাবো।😋
রান্না শেষ হলে তাকে খাইয়ে দিব। তার পর আমি খাবো। বউরে একটা আইফোন কিন্না দিমু আর প্রতিদন দুই জিবি করে নেট ভরে দিব সীমে।😘
আবার অফিস থেকে আসার পর বউয়ের মাথায় তেল দিয়ে দিব।
কখনো বিউটি পার্লারে নিয়ে যাবো না।
বিউটিশিয়ান্দের কাছ থেকে টিপস নিয়ে ঘরোয়া উপায়ে নিজেই বউকে সাজাবো।🙆
আলতা, চুনু পাওডার, মেকাপ, লিপস্টিক আইলেনার, শ্যাডো ভ্রু প্লাগ, ম্যাসাজ, সব কিছু নিজেই করে দিব।
বাচ্ছা কাচ্ছা হওয়ার পড়ে, বাচ্চার পায়খানার ত্যানা নিজেই পরিষ্কার করমু, বাচ্চাকে গোসল করামু, জামা কাপড় পড়ামু, হাগু পরিষ্কার করমু, ডায়প্পার চেঞ্জ করমু, যদি পারতাম বাচ্চাকে দুধ ও খাওয়াইতাম, যাই হোক বাচ্চার জন্য ফিডার কিনে আনমো ফিডারে দুধ ভরে খাওয়ামো।🍼🍼
বউ কে কখনো কোন কাজ করতে দিমু না।😔
রাতে ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেলে নিজে তাল পাখা দিয়ে বউরে বাতাস করমু। যদি কাঠের খাটে বউয়ের ঘুমাতে অসুবিধা হয় তাহলে ফমের খাট কিনে আনমু, যেন বউয়ের ঘুমের অসুবিধা না হয়।
আরো অনেক কিছু আছে, আজ আর কমু না অন্য একদিন কমু,
এখন সেই মেয়েটাকে খুঁজতে বের হমু....
🌹 কেউ কি আমার বউ হবে.....?? 🌹
টেস্ট_টিউব_বেবি
# টেস্ট_টিউব_বেবি
সত্য ঘটনা
আমি আমার বাবা মায়ের টেস্ট টিউব বেবি। আর ২০২০ সালে এসে ও এটার জন্য অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমি আমার জীবনি শুরু করার আগে আমার মা বাবা সম্পর্কে জানাতে চায়।
আমার বাবা মায়ের বিয়ে হয় ১৯৮০ সালে। আমার বাবা প্রবাসী ছিলেন আর বিয়ের পরেই মাকে নিয়ে বাবা কানাডায় পাড়ি দেন। কিন্তুু মাঝে মাঝে দেশে আসতেন।শুরু থেকেই আমার পিতা মাতা একটা সন্তান চাইতেন। কিন্তুু বিধিবাম রব একটা সন্তান দান করেন নি। বাবা মা দেশে বিদেশে অনেক ডাক্তার কবিরাজ দেখিয়েছিলেন।
কিন্তুু কোনো লাভ হয়নি। বাবার কাছে টাকা ছিলো আর তাই উনি যে যেখানে বলতো মাকে নিয়ে যেখানে ছুটতো।
এর মধ্যে বাবা মায়ের বিয়ের ১০ বছর পার হয়। দেশে আসা যাওয়া করে কিন্তুু বেবি হচ্ছিলো না। আসলে শারীরিক সমস্যা ছিলো।
বাবা মা একটা সন্তান এর নিয়ত করে প্রতি বছর হজ করতেন।
কিন্তুু রব তখনও সন্তান দেয়নি। বাবাকে বিয়ে কথা বলেছিলেন। কিন্তুু বাবারই সমস্যা ছিলো তাই বাবা বিয়ে করেন নি।
মা ও বাবাকে ছেড়ে যায় নি। তারা চাইলে কিন্তুু একটা বেবি পালতে পারতো কিন্তুু বাবা কিংবা বাবার পরিবারের লোকজন সেটা পছন্দ করতো না। অথচ বাবা কিন্তুু একটা এতিম খানা পরিচালনা করতো। তারপরে ও বেবি একটা পালক নেই নাই।
১০ বছর পার হওয়ার পর বাবা সিদ্ধান্ত নিলেন এবার একটা টেস্ট টিউব বেবির জন্য চেষ্টা করবেন।
কানাডার মতো একটা দেশ নিঃসন্তান দম্পতিরা এটা করে থাকেন।
কিন্তুু অনেক ব্যয় বহুল।
তারপরে বাবা ডাক শোনার জন্য আমার বাবা মা মরিয়া হয়ে উঠলেন।
এরপর তারা ডাক্তার কাছে গেলেন টেস্ট টিউব বেবির জন্য।
এবং আমার মায়ের জরায়ু তে শুক্রানু স্থাপন করা হলো।
আলহামদুলিল্লাহ আমার মা গর্ভবতী হলেন। কিন্তুু সাত মাসের মাথায় গর্ভেই বেবি টা মারা যায়।
আমার বাবা মা অনেক হতাশ হলেন।
তারা ২য় বার আবার চেষ্টা করলেন আর সফল হলেন বাবা মায়ের একটা মেয়ে হলো কিন্তুু জন্মানোর ৩ মাস পরেই মারা যান।
এটা যে কতটা ব্যথিত বিষয় সেটা কেবল নিঃসন্তান দম্পতিরাই বুজবেন।
২ বছর পর বাবা মা আবার চেষ্টা করলেন। আসলে তারা সন্তান এর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলো।।
এইবার সফল হলেন।
আর আমি হলাম। আমি আলাইনা।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর অনেক কস্টর পর বাবা মায়ের আমি হলাম।
আমি জন্মের প্রায় ৩ মাস পযন্ত ডাক্তারদের পযবেহ্মনে ছিলাম।
৩ মাস পর বাবা মা আমাকে নিয়ে আজমীর শরীফের খাজার দরবার আর হজে নিয়ে যায়।
আল্লাহর কাছে আমার জীবন ভিহ্মা চায়।
আমি টেস্ট টিউব বেবি ছিলাম তাই ছোট বেলা থেকেই সামান্য কিছু হলেই অসুস্থ হয়ে যেতাম।
আর ৫ ১০ টা সুস্থ বাচ্চার মতো ছিলাম না।
ঠিক মতো খেতে ও পারতাম না।
একটুর থেকে একটু কিছু হলে আমি অসুস্থ হয়ে যেতাম।
আর আমাকে প্রতি মাসে ইনজেকশন দিতে হতো।
আর এখনও হয় কারন আমি টেস্ট টিউব বেবি।
ছোট বেলাটা কেটেছে আমার অসুস্থা আর বন্দীনি দের মতো।
আমার বাবা মা আমায় খুব ভালোবাসতো।
আমার যখন ৪ বছর বয়স তখন আমি বাবা মা ডাকতে শিখি।
আসলে টেস্ট টিউব বেবিদের হ্মেএে অনেক সমস্যাই হয়।
আমি ৭ বছর বয়সে হাঁটতে শিখি।
কিন্তুু আমার বাবা মা সবসময় আমার পাশে ছিলো আর এখনও আছে।
তারা সবসময় ধৈয্য ধরতো।
চলবে...
পুরোটা না পড়ে সমালোচনা করবেন না🙂
দরিদ্র_হওয়ার_উপকারিতা
#দরিদ্র_হওয়ার_উপকারিতা
👇
👇
👉একদিন ক্লাসে এক ছাত্র তার শিক্ষককে প্রশ্ন করলো, ‘হুজুর!
কিয়ামতের দিন হিসাব হবে কীভাবে?’🥰
ছাত্রের প্রশ্ন শুনে শিক্ষক কিছুক্ষণ নিশ্চুপ বসে রইলেন। 🥴🤔
এরপর জুব্বার পকেট থেকে কিছু টাকা বের করে ছাত্রদের মধ্যে বণ্টন করে দিলেন। বণ্টনের ধারা ছিলো এমন-🤔
১ম জনকে ১০০ টাকা,🤔😅
২য় জনকে ৭৫ টাকা,
৩য় জনকে ৫০ টাকা,😒🤔
৪র্থ জনকে ২৫ টাকা,
৫ম জনকে ১০ টাকা, 😒😅
৬ষ্ঠ জনকে ৫ টাকা
এবং যে ছাত্র প্রশ্ন করেছিলো তাকে দিলেন ১টাকা।
প্রশ্নকারী ছাত্র শিক্ষকের এমন বণ্টনে
অত্যন্ত মনঃক্ষুণ্ণ হলো ও ভীষণ কষ্ট পেলো।
সে ভাবলো, 😁
শিক্ষক তাকে সবার সামনে অপমানিত করেছেন। শিক্ষক মুচকি হেসে ছাত্রদেরকে বললেন,
‘আজ তোমাদের ছুটি। 😡🙄
তোমরা এই টাকা পুরোপুরি খরচ করবে
এবং 🤔
আগামীর শুক্রবার মাদ্রাসার রান্নাঘরে সকাল ১০ টায় এসে খরচের হিসাব দিবে।🤔😅
শুক্রবার ছাত্ররা মাদ্রাসার রান্নাঘরে উপস্থিত হলো। শিক্ষক ছাত্রদেরকে চুলায় চড়ানো গরম তাওয়া দেখিয়ে বললেন,
‘তোমরা একজন একজন করে এই তাওয়ায় দাঁড়িয়ে আমার দেয়া টাকার হিসাব দিবে।’
প্রথমে এগিয়ে এলো 😄🙄
যে ছাত্রকে ১০০ টাকা দিয়েছিলেন।
সে তাওয়ায় দাঁড়ানোর পর শিক্ষক বললেন,
‘আমার দেয়া টাকার হিসাব দাও।’🙈😁
এমনিতে আগুনে উত্তপ্ত গরম তাওয়া,
তার উপর খালি পা।
ছাত্র এক পা নামায় তো এক পা তোলে।😡🙄
এভাবে অনেক কষ্টে তাওয়ায় দাঁড়িয়ে খরচের হিসাব দিতে লাগলো
- ৫টাকা দিয়ে এটা কিনেছি😁
, ১০টাকা দিয়ে ওটা খেয়েছি,😁
২০ টাকা দিয়ে ঐ জিনিস কিনেছি।😁
এভাবে অনেক কষ্ট সহ্য করে খরচের সম্পূর্ণ হিসাব দিলো।
এরপর এলো যাকে ৭৫ টাকা দিয়েছিলেন সে।😅🥴
এভাবে ধারাবাহিকভাবে একে একে সবাই নিজেদের খরচের হিসাব উত্তপ্ত তাওয়ায় দাঁড়িয়ে দিয়ে গেলো।
সবার শেষে এলো সে প্রশ্নকারী ছাত্র,
যাকে ১ টাকা দেয়া হয়েছিলো। 😁😨
সে এক পলকে দৌড়ে এসে তাওয়ায় দাঁড়িয়ে তার ১ টাকা খরচের হিসাব দিয়ে শিক্ষকের সামনে দাঁড়ালো।
বাকিরা যখন তাওয়ায় গরম হওয়া পায়ে পানি ঢালছে, তখন সে দাঁড়িয়ে হাসছে।
🙈😬
সবার হিসাব দেয়া শেষ হলে শিক্ষক ছাত্রদের উদ্দেশ্য করে বললেন,
‘এই হলো কিয়ামতের হিসাব-নিকাশের ছোট একটি নমুনা। যার ক্ষমতা ও সম্পদ যতো কম, তার হিসাব হবে ততো সহজ। যার বেশি হবে, তার কষ্টও তত বেশি হবে।’😄😒
প্রশ্নকারী ছাত্র ছলছল নয়নে শিক্ষকের দিকে তাকিয়ে মনে মনে তার প্রতি উস্তাদের ভালোবাসার কথা ভাবতে লাগলো এবং শিক্ষকের প্রতি নিজের আগের ধারনার জন্য অনুতপ্ত হলো।🥴🥴😚
Ex gf2
এক্স গার্লফ্রেন্ড....
(পর্বঃ 2 )...
.
.
আয়ান প্লিজ আমার কথাটি তুমি একটিবার শোন..তুমি এই বিয়েটি করো নাহ..
.
হাহা..কি জন্য করবো না আমি বিয়েটি??(আয়ান)
>আয়ান..
>থাক কিছু বলার দরকার নেই..আমি রাখলাম ফোন..বায়..
.
.
আয়ান ফোন রেখেই ফোন বন্ধ করে দিলো..
তারপর কে কি করলো তা দেখার প্রয়োজন বোধ করলো না আয়ান..
.
.
সকালে যখন তার ঘুম ভাংগে..তখন সে অনুভব অরে ভারী কিছু একটা তার বুকের উপর..
.
সে চোখ খুলতেই দেখে কে যেনো তার উপর বসে আছে.
.
আয়ান উঠতে চেয়েও পারে নাহ..
ভালো করে তাকিয়ে দেখে অহনা তার বুকের উপর বসে আছে.
.
>অহনা??বাচ্চাদের মতো কি করতেছো??ব্যথা পাচ্ছি আমি..
>একটু ব্যথা পাও..নাহলে কি করে বুঝবে যে আমি কাল রাতে কেমন কষ্ট পেয়েছি।
.
>কি??কাল রাতে তুমি কষ্ট পাইছো?? কিন্তু কেনো??
>আহারে.. চান্দু বেটা..কাল রাতে ফোন বন্ধ ছিলো কেনো??নতুন সিম ভরে বুঝি কারো সাথে প্রেম করতেছিলে??
>অহনা দেখো..তেমন কিছু নাহ..
.
>তাহলে কেমন কিছু??
>আরে ফোনের চার্জ ছিলো নাহ..
>আয়ান..তোমার মুখ থেকে ঠিক মতো মিথ্যে টাও বের হয় নাহ?
>মানে??
.
>তোমার বাসায় আই পি এস আছে..২টা পাওয়ার ব্যাংক আছে..তাও তুমি যদি বলো চার্জ ছিলো না এটা কি বিশ্বাস যোগ্য?তুমি ই বলো..
.
আয়ান জিহ্বায় কামড় দেয়..এ কি করলো সে..
.
আয়ান কে চিন্তিত দেখে অহনা বলে উঠে..
থাক বাবা এতো চিন্তা করতে হবে নাহ আপনাকে...আমি জানি কোন সমস্যা ছিলো তাই হয়তো..
.
অহনার এমন ব্যবহার দেখে কেনো যেনো খুব ভালো লাগছিলো..
.
এই আমার বুকের হাড় তো সব ভেংগে যাবে গো..
আহারে..বাবু..সরি. এখনি উঠতেছি..(অহনা)
.
অহনা উঠে বিছানা ছেড়ে যেতে নিতেছে এমন সময় তার হাত ধরে আমার বুকে এনে শুয়ালাম..
.
এই যে..এতো সকালে যে আমার বাসায় এলে আমি কি কোন বেনিফিটই পাবো নাহ??
.
আহারে কি বেনিফিট চাই??
>জানো নাহ??
.
যাহ দুষ্টু..এসব বিয়ের পরে..বিয়ের আগে কিচ্ছু পাবেন নাহ..
.
.
কথাটা শুনেই আবারো তোড়ার কথা মনে পরে গেলো..
সেও ঠিক একই ভাবে আমায় এই কথাটা বলেছিলো..
.
আমি অহনাকে ছেড়ে দেই..
.
সে ধাক্কা মেরে চলে যায় আরেক রুমে..
আমি উঠে ফ্রেশ হই..
ফ্রেশ হয়ে বাহিরে যেতেই দেখি আমাদের বাসার পিচ্চি মাস্তান এসেছে..
এহান..
এহান হলো আমার চাচাতো ভাই..ছোট ছেলে কিন্তু বেশ শেয়ানা..
.
.
এই যে আংকেল...কেমন আছেন??
>ওই বেটা আমি তোর ভাই লাগি..আংকেল নাহ..
.
>ওহ ভাইয়া..সরি..আচ্ছা আমার ৫০টা টাকা দেও তোহ৷
>কেনো??
>আরে দাও লাগবে..
.
>দিবো নাহ..
>দিবে না তো??
>নাহ..
.
দারাও একটু পরে আমি তোমার থেকে ১০০টাকা নিতেছি..
.
.
দেখি নিতে পারিশ কি নাহ..
.
.
একটু পরে এহান চলে গেলো অহনার কাছে..
.
গিয়ে কি জানি বললো.. সাথে সাথেই অহনা আমার কাছে এলো..
.
আয়ান..এহান আমাকে কি যেনো একটা ডায়রি দিতে চাচ্ছে..তুমি কি জানো কিছু সেই ব্যপারে??
.
ওরে বাবা রে খাইছে রে খাইছে..
.
এই বলেই দেই দৌড়.. এহান তোড়ার ব্যপারে জানে..আমি ওর ব্যাপারে একটা ডাইরিতে লিখেছিলাম..সেটাই হয়তো সে এখন অহনাকে দিতে চাচ্ছে..
.
আমি দৌড়ে গিয়ে এহান এর কাছে যাই.
.
এহান.ভাই আমার ডাইরিটা অহনাকে দিশ নাহ..
.
১০০টাকা দাও..
.
এই নে ভাই...তাও ডাইরি দে..
.
এহান খুশি হয়ে ডায়রিটা দিয়ে দিলো আর টাকাটা নিয়ে নিলো..
.
দেখছো..ছোট হলেও তোমার বাপ আমি..
.
এমন সময় আম্মু এলো রুমে..
.
আয়ান...তোকে না বলছিলাম এহান কে ১০০টাকা দিতে..দিছিশ?
>এই যে আম্মু..ওর হাতেই আছে দেখো..
.
ওহ আচ্ছা..বলেই আম্মু চলে যায়..
.
এখন দেখ কে কার বাপ..(আমি)
.
হাহাহায়া..
.
রুম থেকে বেরিয়ে খাবার টেবিলে বসে খাবার খাচ্ছি..
.
অহনা বললো বিকেলে নাকি শপিং করতে বাহিরে যাবে. আমাকেও নাকি যেতে হবে
.
আমি সায় দিলাম.
.
অহনা বাসা থেকে চলে গেলো..সে চলে যেতেই আমার কেনো জানি আজ তোড়ার কথা আবার খুব মনে পরতেছে..মেয়েটার চেহারাটা খুব দেখতে ইচ্ছে করতেছে..
আমি ওর ফেসবুক আইডি তে ঢুকে ছবি গুলো দেখতে থাকি..
.
দেখতে দেখতে কখন সে অনেকটা সময় পার হয়ে যায় বুঝতেও পারি নি..
.
.
আমি ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম..
.
হঠাৎ তোড়ার নাম্বার থেকে একটা ফোন আসে..
.
একটু বিরক্ত নিয়েই ফোনটা ধরি..
.
সাথে সাথে কান্না জড়িত কন্ঠে বকে উঠে..
আয়ান..সায়রা কে পাওয়া যাইতেছে নাহ.।আয়ান প্লিজ হেল্প মি..
.
আয়ান এর মাথায় যেনো আকাশ ভেংগে পরে..সে চট জলদি রেডি হয়ে বাসা থেকে বের হয়..
.
বাসা থেকে বের হয়ে গাড়ি নিতেই অহনার ফোন আসে..
.
আয়ান তুমি কই??আমি শপিং মলে যাচ্ছি..
>আচ্ছা তুমি যাও আমি আসতেছি..
.
আয়ান কিছু দূর এগুতেই তার ফোনে অহনার মেসেজ আসে..
.
আয়ান আমার গাড়ি কিছু গুন্ডা আটকিয়েছে..
আমি রানি শপিং মলে পালিয়ে আছি..তারা আমায় খুজতেছে..
.
আয়ান প্লিজ জলদি এসে আমায় সাহায্য করো..
.
.
আয়ান এবার শেষ..সে ড্রাইবারকে গাড়ি থামাতে বলে.।
.
সে গাড়ি থেকে নেমে যায়..
.
কোন দিকে যাবে সে এখন??
.
তার এক্স এর মেয়েকে বাচাবে নাকি তার বর্তমানকে??
.
.
#চলবে..
.
.
♥কমিশনারের গুন্ডি মেয়ের সাথে প্রেম♥♥
♥♥কমিশনারের গুন্ডি মেয়ের সাথে প্রেম♥♥
পব্<<০১
ওই কাব্য ঘুম থেকে ওঠ। কলেজে যাবি না।
মা আর একটু ঘুমাতে দাও না।
আজ তিন মাস কলেজে যাস না আর এভাবে কতদিন ঘরে থাকবি।তোর বাবা জানলে কিন্তু রাগ করবে।
মা আমি তো আমার অসুস্থতার জন্য কলেজে যেতে পারি না। এটা আমার দোষ।
আমি আর তোর কোন কথা শুনতে চাই না।আমি যাবলেছি সেটাই হবে।
ঠিক আছে।
ফ্রেশ হয়ে আয় আমি খেতে দিচ্ছি।
হুম ঠিক আছে।
ফ্রেশ হতে হতে আমার পরিচয় দিয়ে দেই। আমি রিমন আহমেদ কাব্য মাবাবার ২য় সন্তান।আমার বড় ভাই বিজনেসের কারনে বাইরে আছে।আর আমার বাবা নাম করা বিজনেস ম্যান।
এবার আসা যাক মূল গল্পে।
আমি খাওয়ার পর মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে কলেজে রওনা হলাম।
আসলে আমি তিন মাস আমার অসুস্থতার জন্য কলেজে যেতে পারিনি।আর আজ মা জোর করে পাঠাইছেন।
কি আর করার গাড়ি নিয়ে কলেজে যাচ্ছি। কিছু দূরে যেতেই পরে গেলাম জ্যামে।
প্রায় এক ঘন্টা জ্যামে পরছি ছারানোর কোন নাম গন্ধ নাই।
এবার গাড়ির গ্লাস নামিয়ে বাইরে তাকাইলাম। ঠিক আমার পাশের গাড়ির পাশে গাড়িতে একটা মেয়ে বসে আছে।মনে হচ্ছে কোন পরি বসে আছে। না একটু চেতাইয়া দেখি।
আমি আসলেই ওর মোহে পড়ে গেছি।
আমার এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে মেয়েটি বলল ওই মিষ্টার এ ভাবে কি দেখছেন?
কি বলেন শুনতে পায় না।
কাল নাকি এভাবে তাকিয়ে আছেন কেন এদিকে?
আমি আবার কার দিকে তাকাইলাম?
আমার দিকে তাকাইলেন যে।
ওই খালাম্মা নিজের চেহারা কখনো আয়নায় দেখছেন?আপনার দিকে তো কোন ক্ষ্যাত ছেলে ও তাকাবে না। আর আমার মতো হ্যান্ডসাম ছেলে তো দূরের কথা।
কি আমারে খালাম্মা বললেন আমি দেখতে কোন দিকতে আপনার খালাম্মার মতো।আর আমার চেহারা খারাপ তাইনা।
আপনি দেখতে একদম পেত্নীর মতো।
কি আমি পেত্নির মতো দেখতে তোরে যদি আমি আজকে না খায়ছি তো আমার নাম তিথি না।
আপনি তো ভারি বজ্জাত মেয়ে ছেলেদের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় জানেন না।বাড়ি থেকে এটুকু শিক্ষা ও দেয় নি।
আমার কথা শুনে তিথি রেগে বেলুনের মতো ফুলে গেছে।মনে হচ্ছে কোন সময় আমার গায়ে এসে ফুটবে।
আমি সুবিধা ভালো না দেখে কেটে পরলাম।সামনে জ্যাম ও নাই।
বড় বাচাবেচে গেছি আর একটুখানি থাজলে যে কি করতো আল্লাহ ভালো জানে।
তবে মেয়েটা দেখতে কিন্তু সেই।এ জিএফ হতো।
ভাবভাবতে কলেজে গিয়ে গাড়ি পাকিং করে দেখি সেই গাড়িটা ও কলেজে ঢুকলো। আমি ভয় পেয়ে গেলাম।
আমাকে অনুসরণ করে কি গাড়িটা এলো।
আমি সেখান থেকে ক্লাসে চলে গেলাম।
আমার বান্ধবী দিয়া বললো এতো দিনে আমাদের কথা মনে পড়ছে?
কি যে বলিস আমি কি তোদের ছাড়া থাকতে পারি।
আমার শরির ভালো ছিল না তাই আসতে পারিনি।
কথা বলতে ক্লাসে স্যার আসলো। ক্লাস করলাম।
ক্লাস শেষে সোজা বাড়িতে চলে গেলাম।আর গাড়ির চাবি আমার বন্ধু সাকিবের কাছে দিয়ে এলাম।
আমি বললাম গাড়িটা আসার সময় নিয়ে আসিস আমি চলে গেলাম।
বাড়িতে এসে ফ্রেশ হয়ে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে শুয়ে পরলাম। এক ঘুমে বিকাল। বিকালে আমার আবার ক্রিকেট খেলার অভ্যাস তাই খেলার মাঠে চলে গেলাম।
সন্ধার সময় বাড়িতে চলে গেলাম।
বাড়িতে যাওয়ার পরে দিলাম এক ঘুম।হঠাৎ রাত বারোটার পরে ফোন বেজে উঠলো।
এতো রাতে আবার কে ফোন দিলো।
ফোন কানে দেওয়ার পরপরি শুনলাম,,,,,
চলবে
Bow
গল্পঃ বউ
পর্বঃ ১
বাবা মার ইচ্ছায় বিয়ে করে নিলাম আজ,, সব বন্ধুদের নিয়ে বাসার ছাদে আড্ডা দিচ্ছি,, বাবা এসে বলে গেলো
বাবাঃ সুমন ঘরে যাও,, অনেক রাত হয়েছে বউ মা ঘরে একা
আমিঃ হ্যাঁ বাবা আসছি,
সোহেলঃ যা দোস্ত যা,,বিরাল টা ঠিক মতো মারিস
আমিঃ দূর সালা তরা আর ভালো হলি না,,, যা গিয়ে সুয়ে পর।
তার পর আমি চলে আসলাম আমার ঘরের সামনে,,, আজ নিজের ঘরে ডুকতেই ভয় হচ্ছে কিছু টা,,। যাই হক ১ কেজি সাহস নিয়ে ঘরে ডুকলাম,, আহা কি ঘর মাইরি,,, অনেক ফুল দিয়ে সাজানো আমার ঘর,, খাটের উপর বসে আছে আমার নতুন বিবাহ করা বউ,, এখনো দেখি নি
দেখলেন কথায় কথায় আমাদের পরিচয়টাই দেয়া হলো না,,, আমি সুমন আহমেদ,, পড়াশুনার পাশাপাশি বাবার ব্যাবসা দেখাশুনা করি,,,বাবা আবদুল আউয়াল আর মা আর আমার ছোট ভাই ইমন,, আমাদের পরিবার,,, তরে আজ থেকে আরেকজন বারলো,, বোজতেই পারছেন কে,,,, আরে কে আবার আমার বউ,, ওর নাম মারিয়া,,, ডাক নাম সোমা এবার HSC পরিক্ষা দিলো,,,
যাই হক গল্পে আসা যাক,,,
আমি আসতে আসতে খাটের কাছে আসলাম,, বাট বউ এর তো কোনো হেল দুল নেই,(, শুনেছি বাসর রাতে নাকি বউ বর কে সালাম করে,, কই করলো না তো)
যাই হক এসব ভেবে খাটে উঠবো তখন বউ বলে
বউঃ খবরদার যদি খাটে উঠেন তাহলে আমি নিজেকে শেষ করে দিবো,,
বউ এর মুখে এমন কথা শুনে অভাক হয়ে গেছি
আমিঃ মানে কি বলছেন এসব
বউঃ আমি আপনাকে বর হিসেবে মানি না
আমিঃ মানে! কেনো
বউঃ আমি একজন কে ভালোবাসি,, আর বাবা না মেনে নিয়ে আমায় জোর করে আপনার সাথে বিয়ে দিয়ে দিছে
আমিঃ আপনি আমায় বিয়ের আগে কেনো বলেন নি,, আপনি না পারেন আমার এখান থেকে বিয়ে ভেঙে দিতাম
বউঃ আমি চেয়ে ছিলাম,, বাট পারি নি এর মাজে এসব হয়ে গেলো
আমিঃ আচ্ছা আপনি এখন কি চান,,,
বউঃ আপনি আমায় টাচ করবেন না
আমিঃ ওকে আপনি যেমন চান,, তবে আমার বাবা মা এর সামনে একটু অভিনয় করবেন আপনি,, ওরা যেনো বোঝতে না পারে,, ওরা জানলে অনেক কষ্ট পাবে
বউঃ ওকে,,, চেষ্টা করবো
আমিঃ ওকে আপনি শুয়ে পরেন আমি নিচে শুয়ে পরবো
বউঃ ওকে,,
এই বলে সোমা ঘুমিয়ে গেলো,,, আমিয়ো লাইট অফ করে শুয়ে পরি৷, আর সব কিছু নিয়ে ভাবতে থাকি,, ভাবতে ভাবতে কখন ঘুমিয়ে গেছি মনে নেই
সকাল বেলা.......
চলবে....
গল্প২৩
ক্রাশ খাওয়া আর মুগ্ধ হওয়া এক কথা নয়।হালের আবিষ্কার ক্রাশ যেমন বলিউডের কোনো নায়কের সিক্স প্যাক এর উপর খাওয়া যায় তেমনি কাটাবনে কুকুরের ডগির উপর খাওয়া যায়।কিন্তু মুগ্ধ সব কিছুতে হওয়া যায় না।মুগ্ধতায় আন্তরিকতার একটা ব্যাপার আছে।
.
শর্ট স্কার্টের কোনো মেয়ে কে দেখে আপনি বড়জোর স্মার্ট সিজলিং বলতে পারবেন। কিন্তু আপনার অস্তিত্ব কে কাঁপিয়ে দেয়ার ক্ষমতা শুধু মাত্র ওই লাল পাড় সাদা শাড়ির আলতা পায়ের বাঙালি মেয়েটার ই আছে।
.
সিক্স প্যাক দেখে আপনি বড়জোর ও এম জি বলতে পারবেন। কিন্তু আপনার দিনরাত এক করে দিবে সাদা পাঞ্জাবী ওয়ালা বাংলাদেশি যুবক।
.
আপনি দিন রাত ক্রাশ খাবেন।হালের অত্যাধুনিকা ফটো সুন্দরী ফটো সুন্দর ইয়ো কাম অভিনেতা দের উপর। কিন্তু দিনের শেষে জীবনের ভাগ দিতে ওই সহজিয়া বাঙালি ছেলে মেয়ে গুলো কে খুঁজবেন।
.
আপনার মাথা ঝিম ঝিম করবে, নাওয়া খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে কারো খোপার রক্ত জবা দেখে।হৃদয়ে জ্বর উঠানোর ক্ষমতা একমাত্র জবা ফুলের ই আছে, প্যারিসের পারফিউমের না।
.
বাঙালী বিস্ময় তরুণের চোখে লাল নীল ঝলকানির আভা এনে অজো পাড়া গায়ের মেঠো পথে ছুটে চলা নিষ্পাপ চাহনির শ্যামলা মেয়েটি। কারো ভাঙ্গা কণ্ঠস্বরের ঠান্ডা আওয়াজে আপনার হার্ট বিট বেড়ে যাবে।অন্তরে কলিজা নৃত্য নাচবে উথালপাতাল।
.
আর মুগ্ধতা হলো এমন অবশ করা অনুভূতি স্ট্রোক ছাড়াই প্যারালাইজড বানিয়ে দিবে। দু কানে শু শু শব্দ হবে।কথা হবে না, অনুভূতি ব্যক্ত হবে ভালোবাসার ফ্রিকোয়েন্সি তে।
.
মুগ্ধ আপনি জীবনে খুব বেশি হবেননা, কদাচিৎ হবেন। ভালোবাসার মানুষটা হুটহাট মুগ্ধ করবে আপনাকে। সেই মুগ্ধতা হবে অন্তরের মনি। স্বযতনে তুলে রাখা হবে।
.
কোনো এক শীতের রাতে এক চাদরে উষ্ণতা ভাগাভাগি করার সময় তার গালে চেরাগ এর আভা দেখে মুগ্ধ হবেন আপনি। এমন মুগ্ধ তাজমহল ও আপনাকে করতে পারবেনা। মুগ্ধতার একটা প্রাণ আছে, মুগ্ধতা আপনজনেরা দেয়।মাখামাখি করে।
.
ক্রাশ তো চুইংগাম চাবাতে চাবাতে বারোবার খাওয়া যায়। মুগ্ধতা অনেক দামী জিনিস, লুকিয়ে রাখতে হয় মনি কোঠরে। মুগ্ধতার মানুষটা কে ও আদরে সম্মানে বেধে রাখতে হয়।
.........
ছেলেমেয়ে গুলো মুগ্ধতায় সুন্দর কে খুঁজে পাক
আগে থেকেই ঠিক করে রাখা ভালো লাগানা
অনুভূতির টাটকা উনুনে বুনন চড়ান ভালোবাসার মুগ্ধতা
মুগ্ধতা খুঁজে পাক বালিকার শাড়ির আঁচলে
মুগ্ধতা আসুক যুবকের দৃষ্টির দিগন্ত ছুয়ে
এই অজুহাতে আপনার আপন হয়ে যাক কেউ
সস্তার ভালো লাগার বাজারে মুগ্ধতা হয়ে উঠুক ভালোবাসা দিয়ে কেনা যায় এমন এক অনুভূতি।
রাত জাগা মেয়ে টা, বিষন্ন ছেলে টা কে মরন এর আগে দিয়ে যাক এক রাশ মুগ্ধতা।ভালোবাসার উপর অধিকার হারাক ক্রাশ নামের আধুনিক ভালো লাগা। মরণের আগে বারবার সুখের মরণের অনুভূতি আসুক মুগ্ধতার প্রান্ত ছুঁয়ে.....♥
ইমা
গল্প---#ইমা।--
তৃতীয় ও অন্তীম পর্ব,
আগের পার্ট গ্রুপ এ আছে।
---------------------------------'
শুধু একটা কথাই ভেবেছিলাম যে,এতদিন মিথ্যে ভালোবাসার জন্য প্রকৃত ভালোবাসাকে তাড়িয়ে দিলাম।নিজেকে বড্ড অপরাধী লাগছিল।সকালে,ইমার দেখা পাই।ইমাকে আটকিয়ে বলি,
-ইমা আই এম রিয়ালি সরি।আসলে...
-থাক আর কিছু বলার নেই।আমাকে শুনাতে হবে না।আগামী সপ্তাহের শুক্রবারে আমার বিয়ে আশা করি আপনি আসবেন।
ইমা চলে যেতে শুরু করল।
-ইমা।থামো, জাস্ট একটা কথা জানার ছিল।
ইমা থেমে গেল।
-হুম বলেন কি?
-তুমি কি সত্যিই আমায় ভালোবাসো না?
ইমা কিছুক্ষন নিরম থেকে বলল,
-না।আমি বাসি।না।গুড বাই।
ইমা চলে গেল
অই অবস্থায় বসে পড়ি।বাসায় গিয়ে পর্যন্ত লুকিয়ে কান্না করি।বিকালে আমার রুমে কেউ নক করল।আমি দরজা খুলতেই আমার সব ফ্রেন্ডসরা সব হুট করে ডুকে পড়ল।আর মুখে মিষ্টি ডুকিয়ে দিল।
-কিরে হয়েছেটা কি বলবি।
-আরে তুই যে বিদেশে একটা চাকরীর জন্য এপ্লাই করেছিলি।
-হুম।
-সেটা তোর হয়ে গেছে।
-কি সত্যি।
-আরে হুম।
-কবে থেকে জয়েনিং?
-সেটা জানতে তোকে তো আগে যেতে কানাডা।
-কবে?
-পরের সপ্তাহ শুক্রবার।
-কি।শুক্রবার।
-হ্যা,তো কি হয়েছে
আমি তাদের ছেড়ে বারান্দায় আসি।ভাবতে থাকি শুক্রবার তো ইমারও বিয়ে।
-তো পরে কি হয়?(বৃষ্টি)
-পরে আর কি?ইমা তো আর আমাকে ভালোবাসে না।তাই অনেক কষ্ট থাকা সত্ত্ববেও আমি চলে যাই দেশ ছেড়ে।
-সো এই তোর গল্প।
-হুম।
-এরপর আর কোনো খোজ নিয়েছিলি?
-আর কি খোজ নেয়ার?তার তো বিয়ে হয়েই গেছে?
-সব ঠিকমত না জেনে এত সিউর কিভাবে তুই?
-মানে?
-একটু খোজ নিস।বাই থা ওয়ে আমার হাতে আজ আর সময় নেই।আর ইমার কোনো খোজ পেলে জানাস।
-আচ্ছা। মেহেদী আর কিছু না বলে বেড়িয়ে পরে বাসার জন্য।
বাসায় গিয়ে তার মার কাছে গিয়ে বলে,
-মা,একটা জিনিস জানাএ ছিলো?
-কি,বল।
-ইমার শশুরবাড়িটা কোথায় বলবে।অনেকদিন তার সাথে দেখা হয়নি দেখা করে আসবো নে।
-কি শশুরবাড়ি?
-হ্যা,শশুরবা-হ্যা,শশুরবাড়ি।
-পাগল নাকি।ইমা তো বিয়েই করে নি।শুশুরবাড়ি কিসের?
-তাইলে যে ঐ বিয়ে.....
-ও তোকে তো বলা হয়নি ইমার ঐদিন বিয়ে হয়নি।
-কি বিয়ে হয়নি?
-না।বিয়ের রাতেই ইমা বলে বসে সে বিয়ে করবে না।একদম বিয়ে করবে না।খুব আচরণ করতে থাকে।তার এই এই আচরন দেখে পরে বরপক্ষও আর রাজি হয়নি বিয়ে দিতে।
সম্রাট এই কথাটা শুনে অনেকটা শকড।
-তো এখন ইমা কোথায়?
-তুই যেদিন এসেছিলি সেদিন ই সে তার মামার বাড়ি চলে যায়।
মেহেদী ছাদে চলে যাই।মেহেদী বুঝতে পারল না ইমা এসব কেন করল।হঠাৎ কেউ একজন ডাকল।
-ভাইয়া।
মেহেদী তাকিয়ে দেখে একজন মেয়ে
-হুম,কি
-আপনাকে কিছু জরুরি কথা বলার ছিলো।আপনাকেই খুজছিলাম অনেকক্ষণ ধরে।
-কি বলবে।
-আসলে ইমা আপনাকে অনেক ভালোবাসে।ঐদিন অনেক অভিমানে আপনাকে বলে দিয়েছিল যে আপনাকে ভালোবাসে না।বিয়ের দিন শুধু আপনার অপেক্ষায় ছিলো যে আপনি এসে তাকে নিয়ে যাবেন।কিন্তু সে জানত না আপনি এ দেশে যে নেই।আপনার না আসায় পরে সে নিজেই এইই বিয়ে ভেঙ্গে ফেলে।ইমা আপনাকে এখনো অনেক ভালোবাসে কিন্তু তার এখনো মনে অনেক অভিমান।
-হুম,বুঝলাম তবে তুমি এতো কিছু জানো কিভাবে?
-কারন আমি তার বেস্ট ফ্রেন্ড।সে আমাকে তার সবকিছু শেয়ার করে।এসব কাউকে বলতে মানা করছিল কিন্তু আমি আপনাকে বললাম।
-তুমি আমাকে তার কাছে নিয়ে যেতে পারবে।
-হুম,আসেন আমার সাথে।
---------------------------------------
ইমা একা একা ছাদে বসে আছে।আর শহর টা একঘেয়ে দেখে যাচ্ছে।হঠাৎ তার পাশে কারো বসার শব্দ পায়।হঠাৎ তার দিকে কেউ একজন বাদাম বাড়িয়ে বলে,
-বাদাম খাবে?
ইমা তার পাশে তাকাতেই থ হয়ে যায়।
-আপনি এখানে?
-হুম
-কিভাবে আসলেন?
-সেটা জানা জরুরি নয়।
-আপনি এখান থেকে যান।
-না।আমি যাবো না।
-ওকে ফাইন, আমি ই চলে যাচ্ছি।
ইমা চলে যেতে থাকে।
-ইমা, আই এম রিয়ালি সরি।দেখো মানুষ মাত্রই ভুল।আমাকে প্লিজ ক্ষমা কর।আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি।
ইমা যেতেই থাকে।
-দেখ তুমি ক্ষমা করা না পর্যন্ত কিন্তু এখানেই কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকব।
-আপনার যা খুশি তাই করেন।
ইমা চলে যায়।আকাশে কালো মেঘ জমতে শুরু করে।একঘন্টা পর অনেক বৃষ্টি শুরু হয়।ইমার মামি ঈমাকে ডেকে বলে,
-ইমা মা,যাতো ছাদে থেকে কাপড় গুলো একটু নিয়ে আয়।
-আচ্ছা মামি।
ইমা ছাদে উঠে দৌড়ে ছাতা নিয়ে ছাদে উঠে দেখে মেহেদী কানে ধরে ছাদে দাঁড়িয়ে ভিজছে।ইমা দ্রুত তার কাছে যায়
-একি আপনি যাননি।
-বলছিলাম না আমাকে ক্ষমা না করা পর্যন্ত যাবো না।
-আপনি আসুন।নইলে আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন।
-না।আমায় ক্ষমা না করা পর্যন্ত এক পাও নড়ব না।অসুস্থ হয়ে মরে....
ইমা হাত দিয়ে মুখ বন্ধ করে দেয়।আর সাথে জড়িয়ে ধরে।
-সাবধান এসব কথা ভুলে মুখে আনবেন না।কেন করেন এসব আপনি কেনো কেনো।
এইগুলো বলে ইমা জড়িয়ে থাকা অবস্থায় মেহেদীর বুকে অনেক কিল মারতে থাকে।
-আহ। ব্যাথা লাগছে তো।
-লাগুক,এই কয়দিন মনে হয় আমি একটু ব্যাথা পাই নি।
মেহেদীও ইমাকে জড়িয়ে ধরে আর ইমার মাথায় আস্তে করে ইমার চুলগুলো কানে গুজে দেয়।
-তো ম্যাডাম হানিমুনে কবে যাবেন?আমি কিন্তু ছেলেমেয়ের নাম ঠিক করে ফেলেছি।
-আস্ত একটা ফাজি।এখনো বিয়েই হয়নি আর আসছে হানিমুন নিয়ে।
-তা এখানেই কি বৃষ্টিতে ভিজবেন?
-ভিজি না একটু আমার ভিজতে খুব ভালো লাগে।
-হ্যা তা তো বুঝতেই পারছি।আর আমার ভালো লাগে।খুব ভালো লাগে আমার এই বউকে।খুব
মেহেদী আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরে।
ইমা আর মেহেদী দুজনেই বৃষ্টিতে ভিজতে থাকে।এই বৃষ্টির মাঝ দুজনের ভালোবাসার পুর্নতা পায়।
----------সমপ্ত---------
অদ্ভুত ভালবাসা
😕 অদ্ভুত ভালোবাসা 😕
পর্ব ১
,
নীরা আর তার বান্ধবীরা কলেজ থেকে বের হচ্ছে,,, এর মধ্যে নিলয় সিগারেটের ধোয়া উড়াতে উরাতে নীহার সামনে এসে পথ আটকিয়ে দাড়ায়,,,,,,,
,
নিলয়:;;; নীরা তোমার সাথে আমার একটু কথা আছে,,,, বাকিরা যেতে পারো,,,,,
,
নীরা ;;;; আপনার মতো ফালতু লোকের সাথে আমার কেনো কথা বলার মতো সময় নাই,,
,
নিলয় :::: হ্যাঁ হ্যাঁ আমার সাথে তো তোমার কথা বলার টাইম ই নাই,,, আর সবার সাথে গা ঢলাঢলি করতে তো তোমার অনেক সময়,,,,
,
নীরা ;;;;; mind your language mr. niloy...... আপনি আমার parsonallyty নিয়ে কথা বলার অধিকার কই পান হ্যা,,,, লজ্জা বলতে কিছু নাই না,,,, আপনি নিজে কি একবার ভেবে দেখছেন?? বড়লোক বাবার উচ্ছন্নে যাওয়া ছেলে,,,,, যার না আছে কোনো গুন আছে কোনো parsonallyti,, সারাদিন বাইকে ঘোরা আর মেয়েদের টিজ করা ছারা আপনার কেনো কাজ আছে , কে আপনি হ্যা,,, আমার ভাই, বন্ধু, বি এফ??? কেনো কথা বলবো আপনার সাথে??? আমার লাইফ টা মজা বানিয়ে দিছেন আপনি,,,,,
,
নিলয়::::: আমি তোমার কাছে আমার carecter certificates নিতে আসিনি বুঝলা,,,,, ওই ছেলের সাথে যেনো আর কথা বলা না দেখি বলে দিলাম। তা না হলে তোমার কপালে দুঃখ আছে বলে দিলাম,,,,,
,
নীরা ;;;;;; আমি আপনার ঘরের বউ না যে,, আপনি যা বলবেন আমার শুনতে হবে,, আর না আমার ওপর আপনার কোনো অধিকার আছে ,,, ওকে???? সরেন আমার সামনে থেকে,,,,
,
নিলয়:::; কাজটা তুমি মোটেই ভালো করলেনা নীর,,,, তোমার ওপর যে আমার অধিকার কি সেটা আজ বুঝবে,,,,
,
এবার আসিন জেনে নেই এই অদ্ভুত ভালোবাসার হিরো হিরোইনদের পরিচয়,,,,,, এতক্ষন যে মেয়েটি না ছেলেটিকে ঝারি দিলো সে আমাদের নায়িকা নীরা,,,,, নীহারিকা নীরা,,,, কলেজে অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্রী,,, বাবা মা এর একমাত্র আদুরে মেয়ে,,, ওর বাবা ব্যাংকের ম্যানেজার,,,, আর মা সংসার সামলান,,, সংসার সামলানো কিন্তু চারটে খানি কাজ না ,,,,, যে করে সে যানে,,, 🙂
,
আর যে ছেলেটি মানে আমাদের হিরো সব ঝারি সহ্য করলো হয়তো ক্ষনিকের জন্য তার নাম নিলয় মাহমুদ,,,, পরা কমপ্লিট,,, তাও কলেজে পরে থাকে,,,,, বাবার একমাত্র সন্তান,,,, মা মারা যাবার পর তার বাবা আরেকটা বিয়ে করে নিলয় এর দেখাশোনার জন্য,,,, কিন্তুু অসুভাকাঙ্খীদের কান ভাঙানিতে নিলয় কখনও তাকে মা বলে ডাকে নি,,, কিন্তুু উনার মেয়ে নিলয় এর জান, ওরে বলতে নিলয় পাগল , মা মরা ছেলের প্রতি কেনো শাষন করতে পারে নি নিলয় এর বাবা,,, যার ফলে নিলয় এখন পুরাপুরি বকে গেছে,,,,,,
,
কলেজ এ নীরা কে প্রথম দেখায় নিলয় এর খুব ভালোলাগে,,,, অনেকবার প্রপোজ করে কিন্তুু নীরা ও না বলে দেয়,,,, কারন নিলয়কে নীরার কোনোদিক থেকেই ভালো লাগে না,,, আর ভালোবাসা তো দুরে থাক,,,,, নিলয় নীরাকে তার ক্লোজ বন্ধু আশিক এর সাথে কথা বলতে বারন করে কিন্তুু নীরা নিলয় এক কেনো কথার পাত্তা না নিয়ে ওর সামনেই আশিকের হাত ধরে গল্প করে,,,, নিলয় সুপ্তির লাস্টবার বারন করতে আসে ,, কিনতু নীরা নিলয়কে ওই কথাগুলা শোনায় দেয়,,,,, পরে আশিকের সাথে বাসায় যাবার জন্য বেরিয়ে যায়,,,, রাস্তায় নিলয় গাড়ি নিয়ে আশিকের বাইক এর সামনে দাড়ায়,,,,,, তারপর দুজনকেই জোর করে গারিতে তুলে নেয়,,,,, নীরার যখন সেন্স ফিরলো তখন নিজেকে সুন্দর একটা ফুল এ ভরা বিছানায় আবিস্কার করে,,,, নীরার রুম টা খুব ভালো লাগে ধুরে ঘুরে দেখতে থাকে,,,, তখন ওর আশিক এর কথা মনে পরে,,,,
,
নিলয় :::::: আমার নীর পাখিটা কি করছে????
,
নীরা :::: মানে কি এসবের??? আশিক কই???
,
নিলয় ::::: মরে নি এখনও কিন্তুু আমার কথা না শুনলে যে ওর কি হবে তা আমি নিজেও বলতে পারছিনা,,,,,
,
নীরা :::::: আপনি কিন্তুু মোটেই ভালো করছেন না ,, আমি কিন্তু পুলিশ এর কাছে যাবে,,,,,
,
নিলয় :;::; আমার নীর পাখিটার এত্ত কষ্ট করতে হবে না,,,, উনি আমার এখানেই আছে,,,, আশিক কে মারার পর উনি এক্সিডেন্ট কেস বানিয়ে চ্যাপ্টার ক্লোজ করে দিবে,,,,,,
,
নীরা :::;; আপনি কেনো করছেন এটা???? প্লিজ আমায় ছেরে দিন,,,, আমায় আমার মতো বাচতে দিন,,,,
,
নিলয় :::::; নীর পাখি আমি তোমায় শুধু এখন পেপার ফরমালিটি তে বিয়ে করবো যাতো তোমার ওপর আমার অধিকার থাকে,,,, ছোট্ট একটা সই দিয়ে তুমি বাসায় চলে যাবে,,,,,,
,
নীরা::;::: আমি আপনার সব কথা শুনবে প্লিজ এ কাজ টা আমি করতে পারবো না,,,,
,
নিলয়,,,, ঠিক আছে নীর তুমি বারি যাও,,,,
,
নীরা::::: আশিক???
,
নিলয়::;: ওরে তো আর আমি ছারছি না,,,মরতে হবে ওরে , ওরে বারন করছিলাম তোমার সাথে কথা বলতে কিন্তুু ওআমার কথা শোনে নাই,,,,,
,
নীরা :;;;;;;; কি চান আপনি???
,
নিলয় :;;;;; এই পেপার টাতে যাস্ট একটা সই,,,,
,
নীরা::::::: কোথায় সই করতে হবে,,,,,,,,
,
চলবে,,,,,,,,
,
সুন্দর সংসার
♥♥সুন্দর সংসার♥♥
মোবাইলের স্ক্রীনের দিকে তাকিয়ে দেখে, রাত্রি ২.৩০ বেজে গেছে। তবুও ঘুম আসছে না ফারহানের। মনের মাঝে চাপা কষ্ট গুলো তাকে বার বার নাড়া দিচ্ছে। পাশেই শুয়ে আছে রাইসা। রাইসা হচ্ছে ফারহানের স্ত্রী।
মাসখানেক হবে বিয়ে হয়েছে তাদের, গভীর ঘুমে আছন্ন রাইসা।রাইসাকে ঘুমন্ত অবস্থায় একদম অপ্সরীর মত লাগে।জানালা দিয়ে চাঁদের আলো এসে ওর মুখে পড়াতে ওর মুখের সৌন্দর্যতা মনে হচ্ছে আরো দ্বিগুণ বেড়ে গেছে।
.
তারপর ফারহান বিছানা ছেড়ে, আস্তে করে উঠে পড়লো। যদি রাইসার ঘুম ভেঙ্গে যায়, তাহলে আর ছাদে যাওয়া হবে না। আর তখন রাইসা আমাকে ঘুম পাড়িয়ে দেবার বৃথা চেষ্টা করবে।
.
বিছানা থেকে নেমে মোবাইলটা হাতে নিয়ে আস্তে আস্তে রুমের দরজা খুলে ছাদে চলে আসলাম।
.
কয়েকটি বিষয় আমাকে সর্বদা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে, একমু্হুর্ত শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না।
.
ছাদে এসে ফারহানের একটা সিগারেট খেতে ইচ্ছে করছে, কিন্তু রাইসার জন্য খেতে পারছে না। রাইসা সিগারেট খাওয়া পছন্দ করে না। রাইসা আমার জীবনে এসে সিগারেট নামক বস্তুটিকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।
.
রাইসাকে কথা দিয়েছি, জীবনে আর কোনদিনও সিগারেট খাবো না। প্রিয় মানুষকে দেওয়া কথা গুলো রাখা উচিত, নইতো প্রিয়
মানুষকে অবহেলা করা হয়। প্রিয় মানুষের দেওয়া শর্তগুলো সবসময় নিজের পছন্দের জিনিষগুলোই হবে।
.
কখনো দেখবেন, নিজের প্রিয় জিনিস সিগারেট, এটাকে তারা ছাড়তে বলবে। বেশি রাত করে বাসাই ফিরতে দেবে না। সবসময় আপনাকে চোখে চোখে রাখবে, কারন আপনাকে সে অনেক ভালোবাসে। সব প্রিয় মানুষগুলোই চাই আপনাকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে, তারা নিজের ক্ষতি করে হলেও আপনাকে সুখি দেখতে চাইবে।
.
রাইসাকে কথা দেবার কারনে সিগারেট খেতে পারলাম না। মনকে কোনভাবেই বুঝাতে পারছি না আমি। বিয়ের কয়েকদিন পরেই চাকরিটা হারিয়ে যায় আমার। এখনো পর্যন্ত অন্য কোন চাকরী যোগার করতে পারিনি। সেইজন্য মনে সবসময় একটা কষ্টের ছাপ লেগে থাকে।
.
বিয়ে করে নতুন বউকে তেমন কিছু দিতে পারেনি। চাকরিটা না থাকার কারনে হাতে কোন টাকা পয়সাও নেই। রাইসা আমার জীবনে এসেই প্রথমে অনেক কষ্টে জীবন পার করছে। সব বউই চাই, তাদের স্বামী, কিছু দিতে পারুক আর না পারুক, কমদামি কিছু গিফ্ট, আর অল্প সময় যেনো তাকে দেই।
.
নিজের কাছেই সবচেয়ে বেশি খারাপ লাগছে। সবাই তাদের নিজের বউকে কতকিছু দেই, শুধু আমিই দিতে পারলাম না। পনেরো দিন ধরে ভালো কোন রান্না হয়নি, সেইজন্য একি রকমের খাবার পনেরো দিন ধরে খেয়ে আসছি। রাইসার মুখের দিকে তাকাতে আমার লজ্জা করে, কারন ওর মুখের দিকে তাকালেই বুঝতে পারি, মেয়েটি কিছু একটা আশা করে আমার থেকে। কিন্তু আমি কিছুই দিতে পারিনা তাকে।
.
নিজের কাধে কারো হাতের স্পর্শ পেলাম। পেছনে ঘুরে দেখি রাইসা দাড়িয়ে আছে। কি ব্যাপার ঘুম থেকে উঠে আসলে কেনো? (ফারহান)
> যেখানে তুমি নেই, সেখানে আমি কি করে থাকি বলো (রাইসা)
- আমাকে বিয়ে করে তুমি বড় ভুল করেছো রাইসা। কথাটি বলতেই আমার মুখ চেপে ধরলো রাইসা।
> এমন কথা আর কোনদিন বলবে না তুমি। আমার তেমন কিছু চাই না, শুধু তোমাকেই চাই ফারহান। তোমাকে আকড়ে ধরে বাঁচতে চাই। এতো রাতে এখানে থাকতে হবে না, এখন চলো ঘুমাবে?
.
রাইসার কথাই ছাদে আর থাকলাম না,রাইসার কথা না শুনলে সে হয়তো রাগ করবে,আমি চাইনা,কোন কারনে রাইসা কষ্ট পেয়ে থাকুক। বিছানাই এসে শুয়ে পড়লাম, রাইসা আমার চুলে বিলি কেটে দিচ্ছে,আর আমি ঘুমানোর বৃথা চেষ্টা করছি। কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি, নিজেই বলতে পারবো না।
.
ঘুম থেকে উঠে দেখি,রাইসা আমার বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে আছে। সকাল হয়েছে অনেক আগেই,তবুও রাইসার কাছে হয়তো এখনো সকাল হয়নি। সেইজন্য সে এখনো ঘুমিয়ে আছে। রাইসাকে জাগিয়ে তুলতে মন সাই দিলো না। মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে আমিও শুয়েই থাকলাম। কিছুক্ষন পরেই রাইসার ঘুম ভেঙ্গে গেলো।ঘুম থেকে উঠে দেখে,আমি জেগে আছি,তখন সে একটু লজ্জা পেলো,কারন আমার বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়েছে আর আমি সেটা দেখে ফেলেছি। রাইসা ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে রান্না করতে চলে গেলো,আর আমি ফ্রেস হয়ে একটু বাইরে গেলাম।
.
বাড়ির বাইরে যেতেই দারোয়ান পেছন থেকে ডাক দিলো।
-ভাইজান আপনার একটা চিঠি এসেছে।
> কই দেখি।
- এইযে নেন।
চিঠিটা হাতে নিয়ে নিলাম। চিঠিটা খুলে দেখি, চাকরির অ্যাপার্মেন্টলেটার। মানে আমার চাকরি হয়ে গেছে। কিছুদিন আগে একটা অফিসে ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম,ভাবছিলাম হবে না,,কিন্তু সেখানেই আমার চাকরিটা হয়ে গেছে।.
.
মনে মনে আমি অনেক হাসতেছি,এখন থেকে আর কোন দুঃখ কষ্ট থাকবে না আমার।অনেক দিন পরে একটু হাঁসলাম। বাইরে না গিয়ে বাড়িতেই চলে আসলাম আবার।
.
রুমে ঢুকে রাইসাকে খুজতে থাকলাম। খুজে দেখি রাইসা রান্না ঘরে রান্না করছে। আমি ওখানে যেতেই আমাকে সে দেখতে পেয়েছে।
.
- ওখানে দাড়িয়ে কেনো,ভেতরে আসো (রাইসা)
> ভেতরে ঢুকে রাইসাকে জড়িয়ে ধরলাম।
-এই ছাড়ো,কি করছো এসব,দেখতেছো না রান্না করছি।
> না আমি এখন ছাড়বো না তোমাকে,আর আজকে আমি অনেক খুশি।
-এই যে ছাড়োতো, বলেই রাইসা আমার দিকে ঘুরলো। কি জন্য এতো খুশি, যে আমাকে জড়িয়ে ধরতে হবে।
> এই দেখো চাকরির অ্যাপার্মেন্টলেটার। আমার চাকরি হয়ে গেছে, দুদিন পরেই জয়েন করতে হবে চাকরিতে।
-সত্যি বলছো?
> হুম সত্যি বলছি বউ।
-রাইসা সাথে সাথে আমাকে জড়িয়ে ধরে কপালে একটা চুমু দিলো। চুমু দিয়ে ওমনি সে আমাকে ছেড়ে দিয়ে ওপাশে ঘুরে রান্না করতে লাগলো।
.
বুঝতে পারছি,সে লজ্জা পেয়েছে,না হলে এমন করতো না,সেইজন্য সে ওপাশে ঘুরে কাজ দেখাচ্ছে আমাকে। আমিও কম না,পেছন থেকেই রাইসাকে জড়িয়ে ধরলাম। রাইসা এবার আর ছাড়তে বললো না, হয়ত বুঝে গেছে,ছাড়তে বললেও কোন লাভ হবেনা। আর রাইসাও চাই,এমনি করে যেনো আমি তাকে ভালোবাসি সারাজীবন। রাইসা রান্না করছে,আর আমি তাকে জড়িয়ে ধরে আছি। এখন থেকে আর কোন কিছুই আমাকে পিছু টানবে না,এখন থেকে রাইসাকে নিয়ে মাঝে মাঝে ঘুরতে যেতে পারবো,দিন শেষে অন্যদের মতন আমিও রাইসাকে একটি করে ফুল এনে দিতে পারবো। কারন সেই সার্মথটুকু এখন আমার হয়েছে।
.
সংসার জীবনে বেশি কিছুর প্রয়োজন হয় না,ছোটখাটো চাকরি,ছোট ছোট আবদার, দিনশেষে বা মাস শেষে একটি করে ফুল,আর সপ্তাহের শেষে ঘুরতে যাওয়া। ব্যাস এটুকু প্রয়োজন সুন্দর সংসার জীবনে।
মেডামের প্রেমে
মেডামের প্রেমে
2nd part...
২য় ক্লাস ছিল একজন স্যার এর। ওনি খুব রাগী ছিলেন। কিন্তু বদলী হয়ে যাওয়ায় আজ নতুন স্যার আসবে।
কিছুক্ষন পর প্রিন্সিপাল স্যার আসল,,, তার পেছনে কেউ একজন প্রবেশ করল। আমি ভয়ে পেয়ে গেলাম,,
সে আর কেউ নয় লাল শাড়ি পড়া মেয়েটি। দেখেই ভয় পেয়ে গেলাম।
তাহলে কি মেয়েটি প্রিন্সিপাল স্যার এর কাছে নালিশ জানিয়েছে। যে আমরা তাকে টিজ করেছি। আজব কাহিনি গান ধরলাম আমরা মজা করার জন্য। আর ওনি ভেবে নিলেন ওনাকে ডিস্টার্ব করার জন্য। যাই হোক আমিও ছাড়ব না। আমরা তো কোনো দোষ করিনাই।
এমন সময়েই প্রিন্সিপাল বলা শুরু করল।
প্রিন্সিপালঃও হচ্ছে অবনী। এখন থেকে তোমাদের গনিত ক্লাস নিবে। তোমরা তো জানোই যে শাহাজাহান স্যার ব্যাক্তিগত কারনে বাহিরে আছে। তাই এখন থেকে অবনী তোমাদের ক্লাস নিবে। অবনীও তোমাদের মতো একজন স্টুডেন্ট । ও এবার অনার্স ফাইনাল ইয়ারে। যাহোক ওরে ক্লাস নিতে সাহাজ্য করবা। কোনোরকম ডিস্টার্ব করবানা। আর অবনী কোনো সমস্যা হলে আমাকে জানাবা৷
এই বলে প্রিন্সিপাল স্যার চলে গেলেন।
আর আমি হ্যা হয়ে গেলাম। বিচার দেয়নি তা তো বড় কথা নয়। বড় কথা হলো এ যদি মেডাম হয় তাহলে আমার কি হবে। আমি তো প্রেমে পড়ে গেছি। কি যে করি এখন। মেডামের চোখ দুটো যেমন সুন্দর তেমন মায়াভরা। ইচ্ছে করে ছুয়ে দেই।
এমন সময়েই আমার ভাবনার দেয়াল ছেদন ঘটালো মেডামের ডাক।
মেডামঃ হে হেলো
আমি বাস্তবে ফিরলাম।
আমিঃ জ্বী বলুন
মেডামঃ বলুন মানে। এতক্ষন সবাই কি করতেছিল তুমি দেখনি।
আমিঃ কি করে বলব?আমি তো আপনাকে নিয়া ব্যস্থ ছিলাম। ভালোবেসে ফেলছি আপনাকে ( মনে মনে)
মেডামঃ নিজের পরিচয় দাও
আমিঃজ্বী আমি সুমন এবং
মেডামঃ এবং ক্লাসের সব থেকে বাজে স্টুডেন্ট এবং বেয়াদব।
আমিঃ আসলে মেডাম আপনি যা ভাবছেন তা নয়। আমরা তখন ফ্রেন্ডরা মজা করে গান করতেছিলাম। আমাদের কোনো খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না। কিন্তু আপনি ভূল বুঝে শুধু শুধু আমাকে
মেডামঃ থাক আর বলতে হবেনা। ক্লাসে মনোযোগী হও।
আমিঃ জ্বী মেডাম।
যাহোক ক্লাসে মনোযোগ দিলাম। ক্লাসে মনোযোগ ঠিক তা নয়। সারাটাক্ষন মেডামের দিকেই তাকিয়ে ছিলাম। ক্রাশ খেয়ে বাকা হয়ে গেছি।
ক্লাস শেষ হলো। ক্যানটিনে বসলাম।
তুষারঃ কিরে কিছু বুঝলাম না। তুই সারাটাক্ষন ম্যামের দিকে ওভাবে তাকিয়ে ছিলি কেন? ব্যাপারটা কি?
আমিঃ বন্ধু প্রেমে পড়ে গেছি।
পার্থঃ কি কি কি বললি তুই?
তুষারঃ থাম বাকিটা আর বলিস না। ওরে বলতে দে।
আমিঃ বিশ্বাস কর একপ্রেমে পড়ে গেছি ওনার। ওনার চোখ ওনার চেহারা আমার মন কেড়ে নিয়ে চলে গেছে।
তুষারঃ বুঝলাম কিন্তু ওনি যে সিনিয়র আমাদের ।
আমিঃ ভালোবাসা জাত পাত বয়ষ দিয়ে হয় না রে পাগলা মন দিয়ে হয় মন।
তুষারঃ তাইলে পটিয়ে দেখাও।
আমিঃ তুরা সাহাজ্য করলে অবশ্যই অবনীই হবে তুদের ভাবি।
পার্থঃ শালা না হইতেই অবনি ডাকিস।
আমি একটা ভেটকি দিলাম।
তারপর বাসায় আসলাম। মেডামের কাছে ভালো হবার জন্য ওনার পড়া ভালো করে পড়লাম।
পরদিন ক্লাসে পড়া দিলাম। মেডাম বাহবা দিল।
এভাবেই চলতে লাগল। আমি মেডামকে ফলো করতে লাগলাম।
একদিন
তুষারঃ কিহ এভাবে ফলো করলেই চলবে খালি?
আমিঃ কি করতাম আর?
তুষারঃপ্রপোজ করবি কবে
আমিঃসাহস হচ্ছেনা। যদি খারাপ কিছু হয়ে যায়
তুষারঃ শালা ভিতু। আমি আগেই জানতাম তুই ভিতু।
এমন সময়েই শরিফ আসল,,
শরিফঃ বন্ধু দোয়া করিস গালফ্রেন্ড কে নিয়ে একটু বাইরে যাব।
তুষারঃ যাহ। খালি প্যান্ট শার্ট টা হারাইছ না।
শরীফ চলে গেল।
আমিঃ ওকে বন্ধু কালকেই প্রপোজ করব।
তুষারঃ সত্যি তো
আমিঃ হুম ১০০% সিউর কালকেই প্রপোজ করব।
তুষারঃ সাবাশ বেটা। এগিয়ে যা আমরা আছি পেছন পেছন।
আমিঃ হুম।
পরদিন সকালে তারাতারি ঘুম থেকে উঠলাম।
রুম থেকে বের হতেই আব্বু। আব্বু আমার দিকে এমন ভাবে তাকিয়ে আছে যেন ভূত দেখেছে
আমিঃ এভাবে তাকিয়ে আছ কেন?
আব্বুঃ সূর্য কোনদিকে উঠেছে আজ
আমিঃ কেন যেদিকে উঠে প্রতিদিন সেদিকেই উঠেছে। নাকি আজকে পশ্চিমে উঠছে। তাহলে কেয়ামত হয়ে যাবে।
আব্বুঃ কই গো সুমনের মা দেখো কাহিনি
।আম্মু আসল।
আম্মুঃ কি হয়েছে কি
আমার দিকে তাকিয়ে আম্মুও হা হয়ে গেল।
আমিঃ কি হলো কি এভাবে তাকিয়ে আছ কেন?
আম্মুঃ তুর শরীর ঠিক আছে তো নাকি?
আমিঃ হুম ঠিক আছে কেন?
আম্মুঃ তাহলে এত সকাল সকাল কিভাবে উঠলা?
আমিঃ ওহ আচ্ছা। এই ব্যাপার। ভার্সিটি যেতে হবে তো। তাই উঠছি। এখন বেশি কথা না বলে খাবার দাও।
আম্মুঃ হ্যা দিচ্ছি।
তারপর আমি ফ্রেশ হয়ে খাইয়া ভার্সিটি চলে আসলাম।মেডাম মানে অবনীর জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। কি যে হবে আল্লাহ জানে। প্রপোজ করলে না জানি কি হয়।
অনেকক্ষন পর অবনী আসল। আমিও প্রপোজ করার জন্য ফুল নিয়ে আগাইতে লাগলাম। হঠাৎ চোখে পড়ল। অবনীর সাথে একটা ছেলে। কলিজায় আগুন লেগে গেল।
চলবে ........????