read.cash Log in

@alma45

Joined 24 September 2020 · 197 posts

120 KT

0 KT · 2¢ received · 0 KT given

Posts

@alma45

১৭৪ দেশকে হারিয়ে রোবটিকসে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ ১৭৪ দেশকে হারিয়ে রোবটিকসে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ — যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা ফার্স্ট গ্লোবাল আয়োজিত আন্তর্জাতিক রোবটিকস প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৭৪টি দেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের একটি দল। গত শনিবার রাতে অনলাইনে প্রতিযোগিতাটির সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। বিজয়ী দলের সদস্যরা হলো — সুজয় মাহমুদ (১৮), রাজিন আলী (১৮), মাহি জারিফ (১৮), শাহরিয়ার সীমান্ত (১৮), আবরার জাওয়াদ(১৫), আয়মান রহমান (১৫), বিয়াঙ্কা হাসান (১৯), আরিবা নাওয়ার আনোয়ার (১৪), ফাইরুজ হাফিজ ফারিন (১৮)ও জাহরা চৌধুরী (১৪)। সবাই নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। পয়লা জুলাই থেকে শুরু হয়েছিল এবারের প্রতিযোগিতা। ১২ সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনে ছিল তিনটি ধাপ— টেকনিক্যাল চ্যালেঞ্জ, সোশ্যাল মিডিয়া চ্যালেঞ্জ ও প্রশ্নোত্তর পর্ব। তিন ধাপ মিলিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ মোট ১১৭ পয়েন্ট। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দেশ চিলি ও আলজেরিয়ার পয়েন্ট যথাক্রমে ১১৫ ও ১১২। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া আন্তর্জাতিক এই রোবটিকস প্রতিযোগিতায় প্রতিবছরই শতাধিক দেশ অংশ নেয়। মূলত অলিম্পিকের আদলে এই রোবটিকস প্রতিযোগিতাটি আয়োজিত হয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলো তাদের একটি করে প্রতিনিধিদল পাঠায়। তাই প্রতিযোগিতাটি হাইস্কুল পর্যায়ের রোবটিকস অলিম্পিক হিসেবেই পরিচিত। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে আগ্রহী তরুণদের উদ্বুদ্ধ করতেই ফার্স্ট গ্লোবালের এই আয়োজন। বিশ্বের যেকোনো দেশের ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে। প্রতিবছর ভিন্ন ভিন্ন দেশে প্রতিযোগিতার আসর বসলেও করোনা মহামারির কারণে পুরো প্রতিযোগিতাটি এবার অনলাইনে আয়োজিত হয়েছে।

@alma45

টিনের মধ্যে ঢেউ ঢেউ থাকে কেন ঘরের চালের জন্য নরমাল টিন (প্লেইন) ব্যবহার করলে তা অতটা মজবুত হয় না। যখন ঢেউখেলানো টিন ব্যবহার করা হয় তখন তা প্লেইন টিনের চাইতে মজবুত হয়। এতে কোন কিছুর ভর এক জায়গায় না পড়ে চারিদিকে ছড়িয়ে যায়। এর ফলে টিন এর মজবুতি ও বৃদ্ধি পায়। কারন ১ ফিট যায়গার জন্য প্লেইন টিন লাগে ১ ফিট আর ঢেউ খেলানো টিনের জন্য লাগে (-,+) ২ ফিট টিন। যেন বৃষ্টির পানি আটকে না থাকে আর বৃষ্টির পানি পড়ার সময় যেন এলোমেলোভাবে না পড়ে ঢেউ এর মধ্য দিয়ে পড়লে তা দেখতে সুন্দর লাগে এবং বাসা এর সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ঢেউ সমূহ সূর্যের আলো প্রতিফলন করতে পারে এবং এর কারনে টিনের তৈরি ঘর কম উত্তপ্ত হয়।

@alma45

মোটা হওয়ার সহজ উপায় | ১০টি কার্যকরী টিপস মোটা হওয়ার সহজ উপায় | ১০টি কার্যকরী টিপস জানা আছে কি? ওজন কম হওয়ার কারণ: বিভিন্ন কারণে ওজন কম হতে পারে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, জেনেটিক কারণ, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, ডায়রিয়া, ক্যান্সার, ডায়বেটিস, এইডস, হাইপারথাইরয়েডিজম, আর্থ্রাইটিস, যক্ষ্মা, কিডনির সমস্যা, ফুসফুসের সমস্যা, ড্রাগ নেওয়া ইত্যাদি। এছাড়া বয়সের জন্যও ওজন কমবেশি হয়ে থাকে। ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম এইদিকগুলো লক্ষ্য রাখতে হবে। চলুন জেনে নেই মোটা হওয়ার সহজ উপায়গুলো সমস্যা যখন রয়েছে তখন এর সমাধানও আছে। মোটা হওয়ার জন্য কিছু সহজ পদ্ধতি চলুন জেনে নেই। (১) ব্যায়াম করা অনেকেই ভেবে থাকেন ওজন কমাতেই ব্যায়াম প্রয়োজন, কিন্তু এই ধারণা মোটেও ঠিক না। ওজন কমাতে যেমন ব্যায়াম প্রয়োজন ঠিক তেমনি ওজন বাড়াতেও ব্যায়াম করা খুবই প্রয়োজন। এক্ষেত্রে শুধু দৌড় ঝাঁপই যথেষ্ট না। দরকার প্রতিদিন নিয়ম করে জিম করা। জিমে অভিজ্ঞ ট্রেইনার থাকেন। আপনার ওজন এবং চেহারা দেখে তিনিই আপনাকে বলে দিবেন কোন ব্যায়াম আপনার করতে হবে। (২) বার বার খাবার গ্রহণ বার বার খাবার গ্রহণ প্রতিটি মানুষেরই করা উচিৎ। প্রতি ২ ঘন্টা অন্তর অন্তর অল্প করে কিছু খেতে হবে। কিন্তু যারা ওজন বৃদ্ধি করতে চাচ্ছেন তারা ২ ঘন্টা পর পর বেশি করে খেতে হবে। এসময় আপনি দুধ, দই, ফল, ছানা ইত্যাদি দিয়েই পূরণ করতে পারেন। এতে আপনার শরীরে পুষ্টির পাশাপাশি ওজনও বৃদ্ধি পাবে। এটি মোটা হওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়। (৩) খাবারে রাখুন কার্বোহাইড্রেড ওজন বৃদ্ধিতে কার্বোহাইড্রেড খুবই প্রয়োজন। খাবারের তালিকায় কার্বোহাইড্রেড অবশ্যই রাখবেন। ভাত ও রুটি কার্বোহাইড্রেডের প্রধান উৎস। তাই প্রতিদিন অন্তত ২ বার কার্বোহাইড্রেড খাবেন। ভাত ও রুটি কার্বোহাইড্রেডের প্রধান উৎস তার মানে এই নয় যে বেশি বেশি খাবেন। আপনাকে অতিরিক্ত ফ্যাটের দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। তাই প্রতিদিন কার্বোহাইড্রেড খাবেন পরিমিত কিন্তু সাধারণের তুলনায় কিছুটা বেশি। মোটা হওয়ার সহজ উপায় গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। ৪) বেশি ক্যালোরি গ্রহন ওজন কমানোর ক্ষেত্রে আমরা বেশি ক্যালোরি বার্ন করি এবং কম ক্যালোরি গ্রহণ করি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে উলটা হবে যতটুকু ক্যালোরি বার্ন করবেন তার দ্বিগুণ ক্যালোরি গ্রহণ করতে হবে। ওজন বৃদ্ধির জন্য শরীরের চাহিদার তুলনায় বেশি ক্যালোরি নিন। ওজন দ্রুত বৃদ্ধি করতে চাইলে দিনে ৬০০-৭০০ ক্যালোরি বেশি গ্রহণ করতে হবে আর যদি ওজন আস্তে আস্তে বাড়াতে চান তাহলে প্রতিদিন ৪০০-৫০০ ক্যালোরি বেশি গ্রহণ করতে হবে। এভাবে এক সপ্তাহ করলেই আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে। (৫) সঠিক প্রোটিন গ্রহণ ওজন বৃদ্ধি করতে শুধুমাত্র ক্যালোরিই যথেষ্ট না। ক্যালোরির পাশাপাশি সঠিক প্রোটিন গ্রহণ করতে হবে। সঠিক প্রোটিন গ্রহন না করলে ক্যালোরি বাড়তি ফ্যাটের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন ডিম, ডাল ও দুধ অবশ্যই রাখবেন। (৬) ড্রাই ফ্রুটস খাবেন ড্রাই ফ্রুটসে আছে প্রচুর ক্যালোরি ও ফ্যাট যা ওজন বৃদ্ধিতে অনেক কাজে দিবে। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই ২টি কাজু ও ২টি কিসমিস খাবেন। এইটা কোনভাবেই ভুলবেন না। আর সকালের নাস্তায় রাখুন আমন্ড বা পেস্তা। ওজন বৃদ্ধিতে আপনার ডায়েট চার্টে বাদামের পরিমাণ বেশি রাখুন। এভাবে নিয়ম মেনে ড্রাই ফ্রুটস খেলে দেখবেন এক মাসের মধ্যেই আপনার ওজন বৃদ্ধি পাচ্ছে। (৭) টেনশনমুক্ত থাকুন সব সমস্যার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে টেনশন। ওজন বৃদ্ধিতে যেমন টেনশনমুক্ত থাকা প্রয়োজন ঠিক তেমনি ওজন কমাতেও টেনশনমুক্ত থাকা খুবই আবশ্যক। আজকাল টেনশনমুক্ত থাকা খুবই কঠিন তাও চেষ্টা করবেন যতটা সম্ভব টেনশনমুক্ত থাকার। (৮) ঘুম শরীর ঠিক রাখতে ঘুম খুবই প্রয়োজন। প্রতিদিন ৮ ঘন্টা অবশ্যই ঘুমাতে হবে। এর থেকে কম হওয়া যাবে না। এছাড়া ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন নিয়ম করে ইয়োগা বা যোগাসন করুন। এতে আপনার ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। (৯) ঘুমানোর আগে দুধ মধু খান ঘুমোতে যাওয়ার আগে এমন কিছু খেতে পারেন যা বেশ পুষ্টিকর এবং ক্যালোরিযুক্ত। কারণ সেটা ঘুমিয়ে পরছেন বলে খরচ হচ্ছে না এবং পুরো রাত আপনার শরীরে ক্যালোরির কাজ করবে এবং ওজন বৃদ্ধি করবে। তাই প্রতিদিন ঘুমানোর আগে দুধ ও মধু মিশিয়ে খান। এটি ওজন বৃদ্ধিতে পরীক্ষিত এবং মোটা হওয়ার সহজ উপায়। (১০) বাহিরের খাবার সচরাচর বাহিরের খাবার খেতে আমরা নিষেধ করে থাকি। কিন্তু ওজন বৃদ্ধিতে বাহিরের খাবার যেমন আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিঙ্কস, পেস্ট্রি, বার্গার ইত্যাদি খাবার খুবই কার্যকরী। তাই আপনি চাইলে এগুলো খেতে পারেন কিন্তু তা হবে পরিমাণমতো। আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে চকলেট এবং চিজও রাখতে পারেন। ওজন বৃদ্ধি, হ্রাস অথবা শারীরিক যেকোন কাজের ক্ষেত্রেই পানি খুব উপকারী। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। নিয়ম করে এই মোটা হওয়ার সহজ উপায় লক্ষ্য করলেই আপনি ওজন বৃদ্ধি করে পাবেন সুন্দর স্বাস্থ্য। নিজের যত্ন নিন ভালো থাকুন সুস্থ্য থাকুন।

@alma45

কি কি দেখতে পারি আমরা এই মাস নভেম্বরে শুরু হলো আরো নতুন একটি মাস।নভেম্বর।নতুন মাস শুরু মানেই আকাশপ্রেমীদের নতুন অভিজ্ঞতা লাভের হাতচ্ছানি পুরোটা মাস জুড়েই। কি কি দেখতে পারি আমরা এই মাস নভেম্বরে।৫টি গ্রহ, চন্দ্রগ্রহণ,উল্কাবৃষ্টি,খালি চোখে এমনকি ছোট টেলিস্কোপ থাকলেই দেখা যেতে পারে পরিচিত কিছু Messier objects এমনকি আরো অনেক কিছুই।চলুন যেনে নেওয়া যাক আমরা কি দেখতে পারি এই নভেম্বরে। ১। প্রথমেই আপনি গ্রহ দিয়ে শুরু করতে পারেন।সন্ধ্যায় পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পূর্বাকাশে লাল উজ্জ্বল মঙ্গল গ্রহ দেখতে পারেন যা রাত বাড়ার সাথে সাথে পশ্চিম এ যাবে।আর দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশে বৃহস্পতি এবং শনি গ্রহ দেখতে পারেন।আকাশ পরিষ্কার না থাকলেও গ্রহগুলো দেখতে পাবেন।ভোরবেলা (৪:৩০) পূর্বাকাশে শুক্রগ্রহ দেখতে পারবেন।দিন বারার সাথে সাথে শুক্রের সাথে বুধ গ্রহও যোগ দিবে।

@alma45

নিউট্রন চার্জ নিরপেক্ষ কেন? নিউট্রন চার্জ নিরপেক্ষ কেন? ১৯৩২ সালে ব্রিটিশ পদার্থবিদ জেমস। চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন । নিউট্রন থাকে পরমাণুর নিউক্লিয়াসে। সেখানে তার সঙ্গী প্রোটন। নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘোরে ইলেকট্রন নামের ক্ষুদ্র এক কণা ।তখন মনে করা হতে নিউট্রন, প্রোটন আর ইলেকট্রন প্রকৃতির তিন মূল কণিকা। এই তিন কণিকা। দিয়েই প্রকৃতির সব বস্তু তৈরি। কিন্তু ১৯৬৪ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ মারে গেলম্যান শোনালেন কোয়ার্ক নামের আরেক ক্ষুদ্র কণার গল্প । কোয়ার্ক প্রোটন কিংবা নিউট্রনের চেয়েও ছােট। সত্যি বলতে কি, কোয়ার্ক দিয়ে তৈরি প্রোটন আর নিউট্রন । মোট ছয় রকম কোয়ার্ক আছে প্রকৃতিতে। এদের মধ্যে দুটি হলাে আপ আর ডাউন। কোয়ার্ক। দুটি আপ কোয়ার্ক আর একটি ডাউন। কোয়ার্ক মিলে তৈরি করে প্রোটন। অন্যদিকে দুটি ডাউন কোয়ার্ক আর একটি আপ কোয়ার্ক দিয়ে নিউট্রন তৈরি হয়।মূল কণিকার চার্জ থাকে। কোয়ার্কেরও আছে। ইলেকট্রনের চার্জ -১, ঋণাত্মক কিন্তু পূর্ণ সংখ্যা । কোয়ার্কদের চার্জ পূর্ণ সংখ্যা নয় । আপ কোয়ার্কের চার্জের +২/৩ ও ডাউন কোয়ার্ক চার্জ -১/৩। নিউট্রনের দুটি ডাউন কোয়ার্ক ধনাত্মক ও একটি আপ কোয়ার্ক ধনাত্মক। চার্জের যোগফল শূন্য (-১/৩-১/৩+২/৩ = ০)। অর্থাৎ নিউট্রনের ভেতর আপ আর ডাউন। কোয়ার্কের ধনাত্মক চার্জ পরস্পরকে কাটাকাটি করে দেয়। এ কারণে নিউট্রন চার্জ শূন্য। তাই নিউট্রন কোন বৈদ্যুতিক আকর্ষণ ও বিকর্ষণ। বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না।

@alma45

ডাক্তাররা কি করে সুস্থ থাকেন ? ডাক্তাররা কি করে সুস্থ থাকেন ? ডাক্তারদের বেশিরভাগ সময় রোগীর সংস্পর্শে থাকতে হয় । রোগের একটি প্রধান উৎস হলো আরেকজন রোগী । হাসপাতাল এমন একটি জায়গা - একইসাথে রোগ ভালো করার, একই সাথে রোগে আক্রান্ত হওয়ার জায়গা । এই রোগীদের দেখাশোনা করতে গিয়ে ডাক্তারদের সবচেয়ে বেশি অসুস্থ হওয়ার কথা । কোভিড আসার আগে অপারেশন থিয়েটার ছাড়া এবং যে সমস্ত রোগ ছোঁয়াচে তেমন রোগীকে পরীক্ষা করাকালীন ছাড়া মাক্স কিংবা কোন ধরনের পিপিই পরার প্রয়োজন কখনো দেখা দেয় নি, কিংবা তেমন কোন সর্তকতা অবলম্বন করতে হয় না । তাহলে কি করে ডাক্তার কিংবা সেবা কর্মীরা সুস্থ থাকেন, ভালো থাকেন ? কিন্তু ডাক্তার, নার্স, কিংবা যেকোনো স্বাস্থ্যকর্মী সতর্ক না থাকলে যেকোনো ধরনের অসুস্থতায় আক্রান্ত হতে পারে এবং হয় । বরং সাধারণ মানুষের চেয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদেরই জীবাণুতে সহজে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি । সাধারণ মানুষের মতো ডাক্তার কিংবা স্বাস্থ্যকর্মীরাও অসুস্থ হয় । বরং কোন কোন ক্ষেত্রে অনেক বেশি হয় । কারণ জীবাণুতো আর মানুষ বোঝে না । যেমনটা কোভিড কাউকেই ছাড়ছেনা । কিন্তু কিছু নিয়ম এবং সর্তকতা পালন করলে ডাক্তার, নার্স কিংবা স্বাস্থ্যকর্মী, যেমন ভালো থাকতে পারে, এবং ভালো থাকে । তেমনি একই নিয়মগুলো সাধারণ মানুষ মেনে চললে তারাও সুস্থ থাকতে পারে । এই নিয়েই আজকের আলোচনা । চিকিৎসক জীবনে সব রোগীদের একটা পরামর্শ দিয়ে বলি - প্রতিটি মানুষ তার শরীরের সেরা ডাক্তার । একজন দক্ষ চিকিৎসক শুধু তাকে গাইড দিয়ে সেটি বুঝতে সাহায্য করে । তারমানে নিজেই নিজের শরীরকে যেমন সবচেয়ে বেশি বুঝে, তেমনই নিজের শরীরকে নিজেই সবচেয়ে বেশি ভালো রাখতে পারে । সহজ করে বলি - সাধারণ তিনটি নিয়ম মেনে চললে তিনি ডাক্তার হন আর সাধারণ মানুষ হন, শরীর ভালো থাকে । 1. নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার 2. নিয়মিত ভালো ঘুম 3. নিয়মিত ব্যায়াম । তিনটি শেষ হওয়ার পরে হাসতে হাসতে চতুর্থটা বলি - নিয়মিত বাথরুম হাওয়া । সব রোগকে দু ভাগে ভাগ করি । একটি হল শরীরের ভেতরে বিভিন্ন অংশের রোগ । আরেকটি হল বাহির থেকে কোন জীবাণু শরীরে ঢুকে শরীরকে রোগাক্রান্ত করা । বাহির থেকে শরীরের যত্ন না নিলে শরীর যেমন ভিতরে আক্রান্ত হয়, তেমনি সরাসরি বাহির থেকে কিছু ঢুকে শরীরকে আক্রান্ত করতে পারে । যেহেতু শরীরের ভিতর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ নেই, বাহিরে নিজেদের কাজ গুলোকে ঠিক রাখলে ভেতরের কাজ গুলো ঠিক থাকে । শরীরের ভিতরে কোন অংশের জন্মগত ত্রুটি, জীবনধারণ, দুর্ঘটনা, এসবে যেহেতু অনেকক্ষেত্রে নিজের কোন হাত নেই, সেসব রোগের ক্ষেত্রে আক্রান্ত হলে চিকিৎসক সমাধান দিয়ে সারিয়ে তোলেন । কিন্তু বাহির থেকে যে জীবাণুগুলো শরীরে ঢুকে শরীরকে রোগাক্রান্ত করে, সে ক্ষেত্রে নিজের অনেক ভূমিকা এবং নিয়ন্ত্রণ থাকে । সেটিতে সতর্ক হলে এমনতর রোগগুলো থেকে বাঁচা যায় । শরীরে যে কোন জীবানু ঢোকার রাস্তা হল দুটি । হয় নাক-মুখ দিয়ে, নয় হাত দিয়ে । এখানে ডাক্তাররা হসপিটালে ঢোকার শুরুতেই হাত সেনিটাইজ করে নেয় । রোগী এবং ভিজিটরদেরকেও উৎসাহিত করা হয় এমন কাজ করতে । রোগীর গায়ে হাত দেবার আগে গ্লাভস পরা না থাকলে হাতকে যেমন সেনেটাইজ করে নেয়, তেমনি কাজ শেষে আরেকবার হাতকে জেল দিয়ে সেনিটাইজ করা হয় । এটি কোভিড আসার আগ থেকেই করা হয় । হাত জীবাণুমুক্ত থাকলে শরীরে ঢোকার কোন উপায় থাকেনা । সাধারন মানুষ ঘরে ঢুকার সাথে সাথে প্রথমে যেকোনো কিছু ধরার আগে - হয় হাতটি সেনিটাইজ করবেন অথবা সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নেবেন । এটি সারা জীবন মেনে চলবেন । শুধু কভিড থেকে বাঁচার জন্য নয় । যে কোন জীবানু আপনার শরীরে ঢোকার পথ পাবে না । বাহির থেকে এসে হাত ধোয়ার সাথে সাথে নাক, চোখ এবং মুখ ধুবেন । এই তিনটি জীবাণুর প্রবেশদ্বার । দিনের সময়কে তিন ভাগে ভাগ করবেন । এক ভাগ কাজের জন্য, একভাগ নিজের জন্য, এক ভাগ ঘুমের জন্য । ঘরের কাজ হোক আর পরের কাজ হোক, কাজ তো কাজই । ঘুমের সমস্যা হলে বাকি দুই ভাগ সমস্যাগ্রস্ত হয় । শরীরের ক্ষমতা ঠিক রাখা, রোগ আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করা, সর্বোপরি ভালো থাকার জন্য ভালো ঘুমের কোনো বিকল্প নেই । আবার ভালো ঘুমের জন্য স্ট্রেস ফ্রী থাকা একটি জরুরী । নিজের একটি ভালো লাগার কিছু খুঁজে নিন । সপ্তাহে ছুটির দিন সেই কাজটিতে ডুবে থেকে স্ট্রেস ফ্রি করুন । সময় সময় ছুটি নিন, কম পয়সায় পরিবার নিয়ে এদিক সেদিক ঘুরতে যান, সেটা না পারলে বাড়ির আশেপাশে নিজের কোন প্রিয় জায়গায় সময় পেলে ঘুরে আসুন । টিভি কিংবা অনলাইন আপনার মানসিক স্ট্রেস কোনভাবেই দূর করবে না । বরং সেটি আরও বাড়িয়ে দেয় । ঘর থেকে বের হন, প্রকৃতির কাছে যান । মন এবং শরীর দুটোই ভালো রাখার জন্যে নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প নেই । কিটো কিম্বা ফিটো এসমস্ত ডায়েট রেগুলেশন ফলো করে আয়নায় নিজের শরীরের সেইপ ভালো দেখেন, কিন্তু ভিতরের শরীরের বারোটা বাজিয়ে ছাড়েন । শরীরের সেইপ ভালো থাকা মানে শরীর ভালো থাকা নয় । পয়সা খেকো এসব চটি ডাক্তারের ফর্মুলা অনলাইনে আপনাদের যেভাবে মাথা খেয়ে ফেলে, ভিতরে ভিতরে আপনাদের শরীরটাকে আরো বেশি খেয়ে ফেলে । ব্যায়াম শরীরের ইমিউনিটি বাড়ায়, রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে, ফুসফুস এবং কিডনির কার্যক্ষমতা ঠিক রাখে, মস্তিষ্কে ফোকাস বাড়ায় এবং স্মৃতিভ্রষ্ট থেকে রক্ষা করে । এমন করে নিয়মিত ব্যায়ামের উপকারিতা নিয়ে বিশাল পাতা লেখা যায় । নিয়মিত হাঁটুন, গাড়িতে কম চড়ে যে পথটুকু হেঁটে যেতে পারবেন, সেটুকু হেঁটে যান । কাজের লোক কমিয়ে দিয়ে নিজে হাতে ঘরের কাজগুলো করুন । ব্যায়ামের জন্য হাঁটা নয়, বরং রিলাক্স করে হাঁটুন । মন এবং শরীর দুটোই উৎফুল্ল থাকবে । শরীরের ব্যায়ামের সাথে সাথে মনের ব্যায়াম দরকার । আজে বাজে বই পড়ে, অনলাইনে আজেবাজে লেখা পড়ে মনকে বিষাক্ত করবার চেয়ে প্রতিদিন অল্প করে হলেও ভালো কিছু পড়ুন, ভালো কোন গান শুনুন, ভালো একটি প্রোগ্রাম দেখুন । ধর্মীয় কাজে ভালো লাগলে সে কাজগুলো করুন, তা যেন গোঁড়ামির পর্যায়ে চলে গিয়ে নিজের এবং আশেপাশে ক্ষতি না করে । যে জিনিস পড়তে, দেখতে কিংবা শুনতে গিয়ে সাময়িক মনে হবে বিনোদনের খোরাক, কিন্তু বিনিমযয়ে আপনার মন মস্তিষ্ক এবং চিন্তায় ঢুকিয়ে দেবে অস্বস্তি, ঈর্ষা, অপ্রোজনীয় চাহিদা, তুলনা, ক্ষোভ এবং ক্রোধ । ভালোর বিকল্প শুধু ভালোই । বিনোদনকে শিক্ষণীয় করে তুলুন । দেখবেন - শিক্ষা এবং বিনোদন মনকে কেমন করে প্রজাপতি করে রাখে । দামি খাবার নয়, পুষ্টিকর খাবার খান । শুনতে হাসি পেলেও খাবার একই সাথে মস্তিষ্ক, পেট এবং পায়ু, তিনটাকেই ঠিক রাখে । খাবার যেমন খাবেন, শরীরের তিন অঙ্গে ঠিক সেই ধরনের প্রভাব পড়বে । নিয়মিত ডিম, দুধ, বাদাম জাতীয় কিছু এবং ফলমূল রাখেন খাবারে । মাংসের চেয়ে মাছ এবং সালাদ বেশি খান । একসাথে অনেক খাবার খাওয়ার চেয়ে কম করে কয়েকবার খান । দিনে একবেলার বেশি ভাত খাবেন না । দু একটি নির্দিষ্ট খাবারে নির্ভরশীল হওয়ার চেয়ে খাবারে বৈচিত্রতা আনুন । ডাক্তাররা এই সাধারন নিয়মগুলো মেনে চলে বলে দিনের পর দিন রোগ এবং রোগীর সংস্পর্শে থাকার পরেও তারা ভাল থাকেন । যদিও সবাই নয়, যারা মানেন তারা বাঁচেন । চিকিৎসক কিংবা সেবাকর্মীর বাহিরেও চিকিৎসক নয়, এমন যে কোনো মানুষই এই নিয়মগুলো মেনে চললে সুস্থ, স্বাভাবিক এবং সবল থাকতে পারেন । রোগ থেকে তিনি দূরে থাকেন না, বরং রোগ তার ভেতরে ঢুকতে পারে না । নিয়মগুলোকে সাধারণ করে নিন । স্বভাব তখন স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়াবে ।

@alma45

Bitcoin cash Bitcoin cash is on the cash exchange funds. Bitcoin is the first exhibition Japan in America 2017. Online income is the best money Exchange funds of the bitcoin cash. বিটকয়েন নগদ নগদ বিনিময় তহবিল হয়। বিটকয়েন আমেরিকা আমেরিকাতে প্রথম প্রদর্শনী 2017 Online অনলাইন আয়ের সেরা অর্থ হ'ল বিটকয়েন নগদ অর্থের বিনিময় তহবিল। Bitcoin cash is the most impoBitcoin cash is on of the cash exchange funds. Bitcoin is the first exhibition Japan in America 2017. Online income is the best money Exchange funds of the bitcoin cash . বিটকয়েন নগদ হল সর্বাধিক ইমপো বিটকয়েন নগদ নগদ বিনিময় তহবিলের মধ্যে রয়েছে। বিটকয়েন হ'ল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রদর্শনী 2017. অনলাইন ইনকামটি হ'ল বিটকয়েন নগদের সেরা অর্থের বিনিময় তহবিল। Bitcoin cash is the most important funds there Are best cash of the bitcoin in the society is the best to the platform. There are important cash exchange in the best topic of the best do you know in the best performance in the cash do you know better in the cash. বিটকয়েন নগদ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তহবিল হয় সমাজে বিটকয়েনের সেরা নগদ প্ল্যাটফর্মের সেরা। আপনি কী জানেন সেরা টিমের সেরা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নগদ বিনিময় রয়েছে Online income is the best platform of the bitcoin cash is the best topic in the society they are many important of the bitcoin cash in the society of the cash বিটকয়েন নগদ সমাজে সেরা বিষয় তারা নগদ সমাজে বিটকয়েন নগদ অনেক গুরুত্বপূর্ণ digital wallet, you **can** use your wallet to buy, sell, send, and receive **Bitcoin Cash** as well (for example, using **Bitcoin Cash** to pay for goods or services online). By using THIS LINK you'll get $10 in bitcoins after you buy $100 in Bitcoins. বিটকয়েন নগদ ক্রয়, বিক্রয়, প্রেরণ এবং গ্রহণের জন্য মানিব্যাগ (উদাহরণস্বরূপ, অনলাইনে পণ্য বা পরিষেবার জন্য অর্থ প্রদানের জন্য বিটকয়েন নগদ ব্যবহার করা)। এই লিঙ্কটি ব্যবহার করে আপনি বিতে $ 100 কিনার পরে আপনি বিটকুইনে 10 ডলার পাবেন

@alma45

বাচ্চাদের উপরের দিকে ছুরে মারবেন না। বাচ্চাদের এইভাবে উপরের দিকে ছুরে মারবেন না। রাজিব ও ময়না দম্পতির সংসারে প্রথম সন্তান আসল। মেয়ের নাম রাখা হল "ইরা"। অনেক ফুটফুটে মেয়ে।দেখতে অনেক মায়াবী। গালে নরম মাংস।যে কেউ দেখলেই আদর করতে চাইবে, গালের মাংস ধরে টানাটানি করবে। প্রথম সন্তান,যত্নের কোন ঘাটতি রইল না।সুস্থ্য স্বাভাবিকভাবেই বড় হতে লাগল সে। মেয়ের বয়স পাঁচ মাস।শীতকাল তখন।উঠোনে মেয়েকে নিয়ে রোদ পোহাচ্ছে ময়না। সকালের রোদ বাচ্চার জন্য খুব উপকারী। বাচ্চাকে রোদে শুইয়ে রাখল। হঠাৎই সেখানে আসল পাশের ঘরের রবিন। ইরার চাচা হয় রবিন। এসেই ইরাকে কোলে নিল।আদর করতে লাগল। হাসানোর চেষ্টা করল।কিছুক্ষণ পর সে ইরাকে আকাশের দিকে ছেড়ে দিয়ে আবার বল ক্যাচ ধরার মত করে ধরছে। এতে যেন ইরা আরও খুশি হচ্ছে। ময়নাও দেখে হাসছে। মেয়ে হাসলে যেকোন মায়েরই ভালো লাগে। ময়নারও ভালো লাগছে। আর রবিন কেন! সবাই ই তো এভাবে খেলা করে বাচ্চাকে নিয়ে।রবিন আবার ইরাকে আকাশের দিকে ছেড়ে দিল। ঠিকঠাক মত ক্যাচও ধরল। কিন্তু এবার আর ইরা হাসছে না। চোখ বন্ধ করে আছে। রবিন ভয় পেয়ে গেল। ময়নাকে ডাক দিল। ময়না দৌড়ে এসে কোলে নিল ইরাকে।নানান নামে ডাকতে শুরু করল। হাত দিয়ে চোখ খুলার চেষ্টা করল। কিন্তু না! ইরা চোখ খুলছে না। চিৎকার করে কেঁদে উঠল ময়না। বাড়ির সব মানুষ এসে ভীড় করল। সবাই সাধ্যমতো চেষ্টা করল ইরাকে জাগানোর। কিন্তু কেউই পারল না তাকে জাগাতে। উঠোনে শুয়ে গড়াগড়ি খেতে লাগল ময়না। তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল ইরাকে। ইমার্জেন্সিতে নেওয়ার পর ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বলে দিলেন ইরা মারা গেছে। আর হাসবে না সে। চিরদিনের জন্য তার হাসি বন্ধ হয়ে গেছে। অজ্ঞান হয়ে যায় ময়না। একমাত্র মেয়েকে হারানোর ব্যাথা সে নিতে পারছে না। ঘরের পিছনে কবর দেওয়া হয় ইরাকে। মাঝে মাঝেই রাতে পাগলের মত আচরণ করে ময়না। মেয়ের কবরের কাছে দৌড়ে চলে যায়। বিড়বিড় করে কথা বলে! ইরাকে ভুলতে পারছে না।খাওয়া দাওয়া করছে না। শুকিয়ে যাচ্ছে।অগত্যা ময়নাকে নিয়ে শহরে পাড়ি জমায় রাজিব। ব্যাখ্যাঃ বাচ্চাদের আকাশে তুলে আবার কোলে নিয়ে আমরা অনেক আনন্দ পাই।বাচ্চারাও পায়। কিন্তু বাচ্চাদের শরীরের অংগপ্রত্যংগ ম্যাচিউর হতে অনেকদিন সময় লাগে। খুব সহজেই সেগুলো আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে। ইরাকে যখন বারবার উপরে তুলা হচ্ছিল তখন গ্রাভিটির এগেইনস্টে তাকে বারবার উপরে তোলায় তার ব্রেইনের সাথে মাথার খুলির হাড্ডির বারবার ধাক্কা লাগছিল। যেহেতু তার ব্রেইন টাও নরম আর মাথার হাড্ডিটাও নরম তাই হাড্ডির সাথে বারবার ধাক্কা লেগে তার ব্রেইনের ধমনী ছিড়ে যায়। ধমনী শিরাতে রক্ত চলাচল করে। ব্রেইনের ধমনী ছিড়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয় মাথার ভিতরে।রক্তে থাকে গ্লুকোজ। গ্লুকোজ না পেলে ব্রেইন ৪-৫ মিনিটের ভিতর মারা যায়। সাথে জীবন্ত মানুষটাও।রক্ত সব ধমনী দিয়ে বের হয়ে আল্টিমেটলি ব্রেইন ডেথ হয় বাচ্চার। তাই এসব ব্যাপারে জানুন, সতর্ক হোন,নিজে বাঁচুন,আপনার প্রিয়জনকেও বাঁচান।

@alma45

Isabella Guzman The girl's name is Isabella Guzman 6 American citizen 6 The most interesting thing about the girl is her eyes Cleopatra's eyes are said to be the most beautiful eyes in the world But the magic in Isabella's eyes is very little in anyone else's eyes

@alma45

কি করে ভালো একটি ঘুম ঘুমাবেন ? কি করে ভালো একটি ঘুম ঘুমাবেন ? জীবনের এক তৃতীয়াংশ কাটে ঘুমে । আর ঘুম হয় একটি রাসায়নিক উপাদানের কারণে । নাম : মেলাটোনিন । মাথার ভেতর পিনিয়াল নামের একটি গ্ল্যান্ড থেকে এটি বের হয় ।। উপাদানটি বেরিয়ে আসে অন্ধকার পেলে । কমে যায় আলো দেখলে । অনেকে তাই মেলাটোনিনকে অন্ধকারের হরমোন বলে । ঘুমের স্টেজ দুটি । শুরুতে ঘুম ঘুম ভাব, তারপর পুরো ঘুমের ভাব । বিজ্ঞানের ভাষায় ঘুম ঘুম ভাবকে বলে non REM এবং পুরো ঘুমকে বলে REM । REM মানে হলো Rapid Eye Movement । জেগে থাকলে চোখের বল এদিক-ওদিক ঘুরে । ঘুম ঘুম ভাবের সময় চোখ বন্ধ করলে চোখের বল ঘোরা থেমে যায় । ঘুম ঘুম ভাবের সময় এই চোখ না ঘোরাকে বলে non REM । এই সময় ঘুম হয় না, ঘুমের চেষ্টা করা হয় । একবার এপাশ ঘুরে তো আরেকবার ওপাশে ফিরে । একবার কোলবালিশ পেঁচিয়ে ধরে, আরেকবার গালে হাত দিয়ে একপাশে চেপে মরে । এই করতে করতে হঠাৎ মনে হয় যেন কোথায় ঢুকে যাচ্ছে । এপাশ-ওপাশ ঘোরা বন্ধ হয়ে যায় । ঠিক তখন চোখের বল ঘুরতে থাকে । এই জন্যে এই স্টেজকে বলে REM । আর এই স্টেজটাই আসল ঘুম । আসল ঘুম । এই সময়ে শরীর ঘুরে না, কিন্তু চোখ ঘুরে । কারণ হলো, এই সময়ে মস্তিষ্কের ভেতর যা ঘটতে থাকে কাণ্ড, চোখ তাকে দেখতে থাকে । আর এই মস্তিষ্কের কাণ্ডটি হলো স্বপ্ন । জাগ্রত অবস্থায় চোখ যেমন ঘোরে, ঘুমন্ত অবস্থায় তেমনি স্বপ্ন দেখতে চোখ ঘোরে । আর যখন স্বপ্ন দেখতে থাকে, তখনই বাস্তব থেকে সরে গেছে বলে সেটিকে পুরো ঘুম বলে । দেখা গেছে ঘুমের এই দুই স্টেজের মধ্যে পঁচাত্তর ভাগ হলো ঘুম ঘুম ভাবের non REM । বাকি পুরো ঘুমের REM হলো মাত্র ২৫ ভাগ । তাই লোকে অনেকক্ষণ ঘুমালেও বেশিক্ষণ স্বপ্ন দেখে না । পুরো দুই স্টেজের সাইকেলটি একবার শেষ হতে দুই ঘন্টা লাগে । আট ঘন্টা ঘুমোলে চার বার এমন সাইকেল ঘটে । তারমানে - আট ঘন্টা ঘুমের মাত্র দুই ঘন্টা প্রকৃত ঘুমে কাটে । আর এই দুই ঘন্টা ঘুম ঠিক মতো দেওয়াও অনেকের জন্যে কঠিন হয়ে যায় ! অথচ বিছানায় আট ঘন্টা শুয়ে থেকে চ্যাপ্টা হবার উপক্রম হয় । তাহলে কি করে ভালো একটি ঘুম দিতে পারবেন ? এক. সন্ধ্যের পর ঘরের আলো যত কম রাখা যায় । বারান্দার লাইট জ্বালালে সিটিং রুমে টেবিল ল্যাম্প জ্বালান । তৈরী করুন একটি আলো আঁধারির পরিবেশ । কারণটি ঘুমের প্রসেসের মধ্যেই আছে । বলেছিলাম শুরুতে - ঘুম হয় মেলাটোনিন সিক্রেট হলে । যত বেশি মেলাটোনিন, তত তাড়াতাড়ি ঘুম । মেলাটোনিন অন্ধকারের হরমোন । দুই. সন্ধ্যায় চা-কফি খাবেন না । চা কিংবা কফি খাবেন সকালে কিংবা দুপুরে । রাতে নয় । এক কাপ কফির এফেক্ট শরীরে থাকে দশ থেকে বারো ঘন্টা । বিকেল পাঁচটায় কফি খেলে শরীরে তার ইফেক্ট যেতে হয়ে যাবে রাত দুটা ! তিন. রাতে পেট পুরে খাবেন না । গলা পর্যন্ত খাবেন না । এমন খান, যাতে মনে হয় আশি ভাগ পেট পুরেছে । বেশি খেলে শরীর ব্যস্ত থাকে অধিক সময় নিয়ে পরিপাক করতে । যতো বেশি সময় নেবে, ততো দেরিতে ঘুম হবে । চার. বিছানায় যাবার তিন ঘন্টা আগে রাতের খাবার খাবেন । শরীরে খাদ্য পরিপাকের গড় সময় দুই ঘন্টা । দেশের লোকজন রাত দশটায় খায় । বিছানায় যায় এগারোটায় । তারপর হয়তো সোশ্যাল মিডিয়ায় উঁকি ঝুঁকি দিয়ে ঘুম আসে দুটায় ! রাতের খাবার খাবেন আটটা থেকে নয়টায় । দেখবেন - বারোটার আগেই ঘুম চলে আসবে । পাঁচ. রাতে মাংস খাবেন না । পরিপাক হতে সময় নেয় । মাছ, শাক-সবজি, ডাল খাবেন । সাথে সালাদ । মিষ্টি না খেয়ে দই খাবেন । ফল খাবেন দিনের বেলায় । ছয়. বিছানায় যাওয়ার এক ঘন্টা আগে টিভি এবং মোবাইল ফোন দুটোই বন্ধ রাখবেন । যে কোনো স্ক্রিন থেকে বের হওয়া আলো মস্তিষ্ক থেকে মেলাটোনিন বের হতে বাধা দেয় । সাত. বিছানায় উত্তেজনাকর কিছু পড়বেন না ! পত্রিকা হোক, সোশ্যাল মিডিয়ার হোক, কিংবা উষ্ণ কিছু ! কবিতা - মন এবং মস্তিষ্ককে সুস্থির করে । ছোট ছোট অনুপ্রেরণার কথাও মনকে ধীর এবং গভীর করে তুলে । আট. বিছানায় যাবার আগে দাঁত ব্রাশ করুন, হাত, মুখ এবং পা ধুয়ে নিন । যারা নামাজ অথবা পুজো করেন, প্রার্থনা করুন । ঘুমের আগে প্রার্থনা কিংবা মেডিটেশন - শরীর এবং মনকে সুস্থির করে । নয়. ঘুমের আগে বিছানায় বা রুমে কোনো সুগন্ধি স্প্রে করুন । নিজের প্রিয় কোনো গন্ধ মস্তিষ্ককে রিলাক্স করে । দশ. সর্বশেষ, ঘুমের আগে এলকোহল খাবেন না । এলকোহল ঘুম আনায় না, উল্টো ঘুম হরণ করে ।

@alma45

এমবিভার্ট আপনি নন তো #এমবিভার্ট (Ambivert) ঃ +++++++++++++++++ আমাদের মাঝে কেউ কেউ ইন্ট্রোভার্ট হয় আবার কেউ হয় এক্সট্রোভার্ট অর্থাৎ কেউ খুব মিশুকে হয়(Extrovert) কেউ আবার নিজের মত একা থাকে(Introvert)। কিন্তু এদের মাঝামাঝি আরেক ভাগ আছে যারা কখনো ইন্ট্রোভার্ট আবার কখনো এক্সট্রোভার্ট। এদেরকে বলা হয় এমবিভার্ট। জীবনে চলার পথে সবচেয়ে বেশি সমস্যা এমবিভার্টদের হয়। যারা এমবিভার্ট তারা মাঝে মাঝে খুব হৈ চৈ করতে ভালোবাসে আবার মাঝে মাঝেই একা থাকতে ভালোবাসে।এরা সহজে সবার সাথে মিশে যায় কিন্তু তবুও এদের অনেক ফ্রেন্ড থাকেনা আবার এরা একদম একাও থাকেনা। গুটিকয়েক ফ্রেন্ড নিয়েই এরা থাকে। এদের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো শত কষ্ট হলেও এরা মুখ ফুটে বলবেনা কিছু আপনাকে। বরং সেই কষ্ট সহ্য করেই হাসিমুখে থাকবে। তাই এদের মন খারাপ হলেও সেটা মুখে না বলা পর্যন্ত আপনি সেটা ধরতে পারবেননা। ওদের একটা আলাদা জগৎ থাকে। নিজেদের চারপাশে এরা একটা দেয়াল বানিয়ে নেয়।সে জগতে আপনি চাইলেই প্রবেশ করতেই পারবেননা। বরং সেখানে প্রবেশ করার চাবি হচ্ছে আপনার ভালোবাসা আর ভরসা করার মতো ভালো ব্যবহার। এমবিভার্টরা যাকে ভালোবাসে তাকে খুব মন দিয়ে ভালোবেসে ফেলে। আর তাই কষ্টটাও বেশি পায়। কিন্তু তবুও এরা আপনার খারাপ চাইবেনা কোনোদিন।এরা আপনার প্রতি ভরপুর ফিলিংস রেখেও আপনার থেকে নিদিষ্ট দূরত্ব চলবে আপনি চাইলেও সেটা বুঝাতে পারবেনা। এদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় কেউই এদের বুঝতে পারেনা। কারণ যে মানুষটা ঠিক একটু আগেই অনেক খুশি ছিলো হঠাৎ করেই সে বদলে গিয়ে একা থাকতে চাইলে কেউই সেটা ভালোভাবে নিবেনা। তখন বেশিরভাগই তাদের ভুল বুঝে। কেউই বুঝেনা এখানে এদের কোনো হাত নাই। কেউ চাইলেও এদের এই চেঞ্জ হওয়া আটকাতে পারবেনা। এমবিভার্টরা মাঝে মাঝে নিজেদের ভীষণ একা ভাবে।কারণ মন খুলে কথা বলার মতো কেউ হয়তো নেই। এদেরকে শামুক বলা যায়। কারণ এরা বাহিরের দিকে শামুকের মতো শক্ত খোলস পরে থাকে কিন্তু এদের ভিতরটাও শামুকের শরীরের মতো নরম। তাদের নিজেদের জগতে যদি আপনি একবার ঢুকে যেতে পারেন,তখন বুঝবেন সে আসলে আপনার চেনার চেয়েও কতটা অন্যরকম। তখন হয়তো আপনি তাকে আরও বেশি ভালোবেসে ফেলবেন। কিন্তু প্রবেশ করার অধিকার পেয়েও আপনি যদি তার সেই ভরসা-বিশ্বাস একবার ভেঙে ফেলেন তখন তার সেই জগৎ টা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। সে তখন ভীষণ একা হয়ে যায়। এমবিভার্টদের ঠকানো অনেক সহজ। কারণ হাজারবার ঠকলেও এরা আপনার নামে একটা অভিযোগও করবেনা।কিন্তু সেই ঠকে যাওয়াই এদের ভীষণভাবে পালটে দেয়। তখন তারা তাদের চারপাশের জগৎ টাকে আরও ধোঁয়াশা বানিয়ে ফেলে। একদল মানুষ তখন তাদের ভুল বুঝে,ভাবে এরা ভাব নেয়। কিন্তু এরা হাসিমুখে এটার পিছনে থাকা সত্যিটা লুকিয়ে সব মেনে নেয়। আপনাকে না জানিয়েই এরা আপনাকে সারাজীবন ভালোবেসে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। আপনি হয়তো কোনোদিন জানতেও পারবেননা দূর থেকে কেউ একজন সবসময়ই আপনার ভালো চায়।আর তার জন্যই দিনশেষে এরা ভীষণ একা,ধোঁয়াশার রাজ্যে ডুবে থাকা একদল মানুষ যাদের আমরা বলি এমবিভার্ট।

@alma45

মহাশূনে গুলি ছুড়লে কি হবে মনে করুন আপনি পৃথিবীর কক্ষপথে ভাসছেন। যেমনটা ঘটে থাকে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনের (আইএসএস) নভোচারীদের জীবনে। আর আপনার হাতে আছে একটি রেমিংটন ৭০০ রাইফেল। তাতে ভরা আছে একটা ৩০০ উইনচেস্টার ম্যাগনাম গুলি। গুলি করলেন আপনি। কোনো শব্দ হলো না। কারণ মহাকাশে শব্দ তরঙ্গ ছড়াবার মতো কোনো মাধ্যম নেই। আপনার কপাল ভালো থাকলে গুলি চলে যাবে বহুদূর। পৃথিবীতে এই বন্দুক থেকে গুলি ছুঁড়লে বাতাসের ঘষা আর মধ্যাকর্ষণের ফলে গুলিটা ১৩০০ মিটারের চাইতে দূরে যাবে না। মহাকাশে ঘষা খাবার জন্য তেমন কিছু নেই, স্পেস ম্যাটার বা মহাকাশ পদার্থের ঘনত্ব দশ বর্গমিটারে একটি হাইড্রোজেন অনুর চেয়ে বেশি নয়। কপাল যদি আরো ভালো হয় তবে গুলিটি নিউটনের প্রথম সূত্র মতে চলতেই থাকবে, কোনো গ্রহ উপগ্রহের মধ্যাকর্ষণের টান এড়িয়ে। যেহেতু আপনার‌ গুলিটি সেকেন্ডে ১০০০ মিটার গতিতে ছুটছে আর বিশ্বজগৎ মেগাপার্সেকে প্রায় ৭৩ কিলোমিটার গতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে (হাবলস ধ্রুবক) তাই পরের ৪০ হাজার বছর গুলিটি ছুটতে পারবে নিশ্চিন্তে। কপাল খারাপ থাকলে গুলিটা পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণের আওতায় চলে আসবে এবং সাময়িকভাবে পরিণত হবে দ্রুতগতির একটি উপগ্রহে। কপাল যদি জেনুইনভাবে ফাটা হয় তবে সেই ছোট্ট উপগ্রহটি সারা পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে আপনার পিঠেই আঘাত হানতে পারে। আর আপনার কি হবে? নিউটনের তৃতীয় সূত্র মতে সমান ভরবেগে বিপরীত দিকে ছুটতে থাকবেন আপনি। কপাল ভালো থাকলে আপনি ছুটে যাবেন মহাকাশের দিকে। অক্সজেন ফুরনো পর্যন্ত বেঁচেই থাকবেন। নাসার এখনকার স্পেস সুট পরা থাকলে সাড়ে আট ঘন্টা অব্দি ভাসতে পারবেন শুন্যলোকে। চাঁদের পথের সর্বোচ্চ ১০% পাড়ি দিতে পারবেন মরার আগে। কপাল খারাপ হলে আপনি পড়বেন পৃথিবীর দিকে। সেকেন্ডে ৭.৮ কিলোমিটার গতিতে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবেন আপনি। আপনার সাথে ঘষায় আপনার আশেপাশের বাতাস পরিণত হবে ১৬৫০° সেলসিয়াস উত্তাপের প্লাজমায়। দু'সেকেন্ড বাদে আপনার ছাইও আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।

@alma45

বঙ্গবন্ধু মানমন্দির বঙ্গবন্ধু মানমন্দির তৈরিতে ব্যয় হবে ২২২ কোটি টাকা। ভোগৌলিকভাবে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে আছে বিষুব রেখা, কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা। অন্যদিকে, উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবী বিস্তৃতকারী চারটি দ্রাঘিমা রয়েছে। এগুলো ০ ডিগ্রি, ৯০ ডিগ্রি পূর্ব, ১৮০ ডিগ্রি পূর্ব-পশ্চিম ও ৯০ ডিগ্রি পশ্চিম দ্রাঘিমা। এই রেখা ও দ্রাঘিমা পৃথিবীর মহাকাশকে মোট ১২টি বিন্দুতে ছেদ বা স্পর্শ করেছে। এর ১০টি ছেদস্থল বিভিন্ন সাগর-মহাসাগরের ওপরে অবস্থিত। মাত্র দুটি ছেদস্থল মাটির ওপরের মহাকাশে। এর একটি সাহারা মরুভূমিতে, অন্যটি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ভাঙ্গারদিয়া গ্রামের দক্ষিণ অংশে। ভাঙ্গারদিয়া গ্রামে কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা মিলিত হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এই ভাঙ্গারদিয়া গ্রামে একটি মহাকাশ অবলোকন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১০০ মিটার উচ্চতার এই স্পেস অবজারভেটরি সেন্টার বা অবলোকন কেন্দ্র স্থাপনে ২২২ কোটি টাকা ব্যয় ধরে একটি প্রকল্প নিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। ওই কেন্দ্র থেকে টেলিস্কোপের মাধ্যমে মহাকাশ অবলোকন করতে পারবেন দেশ-বিদেশের মানুষ। এতে দেশে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার হবে বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়। এর আগে একই স্থানে 'বঙ্গবন্ধু মানমন্দির' স্থাপনের আলোচনা হয়। এ নিয়ে গত বছরের ২৯ জুন সমকালই প্রথম একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বলছে, সাহারা মরুভূমির যে স্থানে ছেদস্থলটি রয়েছে, সেখানে মানুষের যাতায়াত সহজ নয়। তাই একমাত্র ছেদস্থল ভাঙ্গায় অবলোকন কেন্দ্র স্থাপন করা হলে দেশ-বিদেশের বিজ্ঞান শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রনমি বা অ্যাস্ট্রফিজির অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণকারীরা এসে মহাকাশ বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করতে পারবেন। ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকা পরিদর্শন করতে বিদেশি পর্যটকদেরও আগমন ঘটবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান সমকালকে বলেন, ইতোমধ্যে প্রকল্পটির প্রাথমিক নকশা করা হয়েছে। তবে করোনার কারণে নকশা অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। তবে কিছু কাজ এগিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে খুবই আকর্ষণীয় একটি কাজ হবে। কারণ মাটির ওপর এমন রেখার মিলনস্থল ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বে বাংলাদেশেই এমন একটি জায়গা রয়েছে, যেখানে সহজে মানুষের যাওয়ার সুযোগ আছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ইতোমধ্যে প্রকল্পের ডিপিপি তৈরি করা হয়েছে, তাতে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে এই সেন্টার স্থাপন শেষ করার কথা বলা হয়েছে। সম্প্রতি ডিপিপি নিয়ে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা হয়েছে। কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার মিলনস্থলের তথ্য গত বছর প্রথম উল্লেখ করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাফর ইকবাল। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সভায় ছেদস্থলে 'বঙ্গবন্ধু মানমন্দির' স্থাপনের প্রস্তাব করেন তিনি। এতে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দেন এবং এ বিষয়ে প্রকল্প নিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেন। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই অবজারভেটরি সেন্টার স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) নামে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা রয়েছে। এই সংস্থা মহাকাশ বিজ্ঞান ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তি, বন ও পরিবেশ, কৃষি, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অঙ্কন, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, ভূগোল ও সমুদ্রবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করে। এজন্য মানমন্দিরের পরিবর্তে স্পারসোর সঙ্গে সমন্বয় করে অবজারভেটরি সেন্টার স্থাপন করা হবে। প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ১০ একর ভূমির ওপর পাঁচতলা এনুলার ভবনের মাঝ থেকে পৃথক স্থাপনার ওপর ভূমি থেকে ১০০ মিটার উচ্চতায় এক মিটার ব্যাসের প্রতিফলক টেলিস্কোপের উপযোগী ১০ মিটার ব্যাসের মূল অবজারভেটরি সেন্টার করা হবে। এটি আনুভূমিকভাবে স্থাপিত প্ল্যাটফর্মের বেষ্টনীর মধ্যে রচিত হবে। অবজারভেটরির ঠিক নিচতলাটি এবং সংযুক্ত এনুলার প্ল্যাটফর্মটি সহযোগী অবজারভেটরি হিসেবে কাজ করবে। ১০০ মিটার উচ্চতার তাৎপর্য হলো, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এটি স্থাপিত হতে যাচ্ছে। পাঁচতলা এনুলার ভবনে থাকবে অফিস কক্ষ, শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার ও আবাসগৃহ। প্রকল্প ব্যয়ের পুরোটা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত পিইসি সভার সভাপতি ও পরিকল্পনা কমিশনের আর্থসামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রকল্প স্থানটি ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান হওয়ায় দেশি-বিদেশি পর্যটকরা প্রকল্প এলাকা ভ্রমণ করবেন। সে বিবেচনায় প্রকল্প এলাকার সৌন্দর্যের দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন। তিনি ভবনের নকশা আকর্ষণীয়ভাবে প্রণয়ন এবং সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ রোপণের ওপর গুরুত্ব দেন। ডিপিপি ও পিইসি সভার মিনিটস থেকে জানা যায়, প্রকল্পে ফার্নিচার, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন খাতে বাড়তি ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পে ১১ জন কর্মকর্তার জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশ ভ্রমণ ও প্রশিক্ষণে এক কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে পিইসি সভায়। তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মুনির চৌধুরী বলেন, রাজস্ব বাজেট থেকে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে সেমিনার ও ওয়ার্কশপ করা হলে প্রকল্পের আওতায় বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ব্যয় যৌক্তিকভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

@alma45

বৈদ্যুতিক মাছ বৈদ্যুতিক মাছ: সমুদ্রজগতে মাছের রাজত্ব।অসংখ্য প্রজাতির মাছের বসবাস সেখানে, তালিকা দিয়ে সেটি শেষ করার নয়।ইলেকট্রিক ঈল নামক মাছ নিজের শরীরে বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে।যে বিদ্যুতিক শকে মানুষ আহত কিংবা মারাও যেতে পারে।কুমির পর্যন্ত মারাত্মকভাবে আহত হয়।ইলেকট্রিক ঈল তার শরীরে বিশেষস্নায়ুতন্ত্র ব্যবহার করে বিদ্যুৎ তৈরি করে।এ মাছের শরীরে বিদ্যুৎ তৈরির জন্য চাকতির মতো কতগুলো কোষ রয়েছে।শরীরের বিশেষ একটি অংশ, যেটিকে বিদ্যুৎ তৈরির অঙ্গ বলা হয়।স্নায়ুতন্ত্রের কাজ হলো এসব কোষ যাতে সমন্বিতভাবে কাজ করে তা নিশ্চিত করা।স্নায়ুতন্ত্র থেকে সংকেত পাওয়ার পর,স্নায়ু থেকে অ্যাসেটাইল কোলিন নামের খুব সামান্য পরিমাণ একধরনের রাসায়নিক নির্গত হয়।এ রাসায়নিকটি নিউরো ট্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করে।একটি পূর্ণ বয়স্ক বৈদ্যুতিক ঈল মাত্র ২ মিলি সেকেন্ডে ৬০০ ভোল্ট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারে,যা বাসা-বাড়িতে সংযুক্ত বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় প্রাপ্ত ভোল্টের চেয়ে ও কয়েকগুণ বেশি।জানা যায়,৬০০-৮৬০ ভোল্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে ৬ ফুট লম্বা ঈল ৬ হাজার পেশি কোষকে ব্যবহার করে।এই মাছ নিয়ে বিজ্ঞানী ও প্রকৃতিপ্রেমীদের আগ্রহের শেষ নেই।

@alma45

কসমোলজি ও গানিতিক সম্পর্ক কসমোলজি ও গানিতিক সম্পর্ক আমরা জানি যে, বৃহৎ এই মহাজগতের অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের বিবর্তন সম্পর্কিত বিজ্ঞানই হচ্ছে মহাজাগতিক বিজ্ঞান বা cosmology.। কসমোলজি, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে এবং বিভিন্ন গানিতিক পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে। আমার এই বইটিতে যদিও কসমোলজির সমস্ত কিছু কাভার করতে পারবোনা তবুও চেষ্টা করবো মূল বিষয়গুলো ভালভাবে ফোকাস করার। চেষ্টা করবো যেন পদার্থ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের শক্তিশালী চিন্তা ছাড়াই ভালভাবে বুঝতে পারি। সমস্ত প্রকৃতি বিজ্ঞানের, যেমন ক্যালকুলাস এবং সাধারণ ডিফারেনশিয়াল সমীকরণের গানিতিক ব্যবহার করবো। যাতে আপনাদের কাছে সহজে এক্সেস যোগ্য হয়। বইটির অন্যতম প্রধান বিষয় থাকবে ইউনিভার্সের জ্যামিতি নিয়ে। এখানে সব ছেয়ে মজার বিষয় হলো, আমরা স্কুলে যে ইউক্লিডীয়ান জ্যামিতি শিখেছি, মোটেও নয়। এটি আপেক্ষিক রিলেটেড জ্যামিতি। যা কসমোলজির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি মহাশূন্যকালীন ধারনার সাথে আইন্সটাইনের জেনারেল আপেক্ষিকতা জড়িত। পদার্থ বিজ্ঞানের থিওরি অব রিলেটিভিটির মূল ধারণাগুলো এটা রূপরেখার ব্যাখ্যা করবো। এবং বর্ননা করবো যে, তাত্ত্বিক কসমোলজির প্রাথমিক সমীকরণগুলো মহাকর্ষের আপেক্ষিক তত্ত্ব কিভাবে উথিত হয়। আমরা দেখবো যে কিভাবে আমাদের মহাবিশ্বের প্রসারন হচ্ছে। আর এই সম্প্রসারণ কি কি রূপ নেবে। আমাদের মহাবিশ্বের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য এবং পর্যবেক্ষণ মূলক গবেষনা পেছনে তাত্ত্বিক ভিত্তিগুলো বুঝার চেষ্টা করবো। এবং তাও দেখবো যে জ্যোতিরবিদরা এবং মহাজাগতিকবিদরা কীভাবে ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জির উপস্থিতি এবং পর্যবেক্ষণগুলি কীভাবে পদার্থ বিজ্ঞানকে বিকাশে উৎসাহিত করে।

@alma45

চুলের স্বাস্থ্যে মেথি আর পেঁয়াজ তেলের যৌথ কর্ম চুলের স্বাস্থ্যে মেথি আর পেঁয়াজ তেলের যৌথ কর্ম চুল পড়ে যাওয়া নারী-পুরুষ সবার জন্যই ক্ষতিকর। কারণ চুল মানুষের দৈহিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। চুল না থাকলে অনেক পুরুষ মাথায় ক্যাপ পরেন। ক্যাপ দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে রক্ষা পান। তবে নারীদের জন্য ঘন কালো রেশমি চুলের বিকল্প নেই। নারীদের সৌন্দর্যের অন্যতম নিদর্শন হচ্ছে চুল।তাই চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। আর এই গুরুত্বপূর্ণ কাজের ভার কিন্তু নিশ্চিতে চাপিয়ে দেওয়া যায় মেথি এবং পেঁয়াজের উপর। পেঁয়াজ আর মেথি চুলের জন্য কতটা উপকারী তা আমরা কমবেশি সবাই ই জানি।মেথি চুলের জন্য উপকারী একটা উপাদান তা আমরা অনেকেই জানি। মেথিতে রয়েছে ভিটামিন, প্রোটিন, পটাশিয়াম, লেসিথিন আরও অনেক উপকারী উপাদান। এসব উপাদান চুলের বৃদ্ধি ঘটায় আর হেয়ার ফলিকলকে মজবুত রাখে। এছাড়াও মেথিতে আছে নিকোটিন অ্যাসিড যা পাতলা চুল ঘন করতে সাহায্য করে। এছাড়াও মেথিতে আছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুনাগুণ, যা স্ক্যাল্পের ইনফেকশন রোধ করে এবং এটি প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসাবেও কাজ করে। তাহলে বুঝতেই পারছেন কতটা উপকারী হবে মেথির তেল আপনার চুলের জন্য। অন্যদিকে,পেঁয়াজে থাকা সালফার হেয়ার ফলিকেলে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দিয়ে নিমেষে চুল পড়া কমিয়ে ফেলে। তবে এখানেই শেষ নয়, পেঁয়াজের রসে রয়েছে বিপুল পরিমাণে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিজ, যা স্কাল্পে ঘর বেঁধে থাকা জীবাণুদের মেরে ফেলে। ফলে স্কাল্প ইনফেকশনের সঙ্গে সঙ্গে চুল পড়ার অশঙ্কাও হ্রাস পায়। তাহলে ভাবুন এই দুই উপাদানের যৌথ ব্যবহারের ফলাফল কতটা চমৎকার হতে পারে। আমরা অনেকেই প্রচন্ড অলস,পেয়াজ গুড়ো বা রস,মেথি প্যাক চুলে লাগিয়ে রাখতে বিরক্ত বোধ করি অথচ এদের উপকারীতাও পেতে চাই তাদের জন্যই পেঁয়াজ আর মেথি অয়েল😍। ❤ব্যবহার পদ্ধতি ❤ মেথির তেল, পেঁয়াজ তেল। ১ টেবিল চামচ পেঁয়াজ তেল নিন। এতে ১ টেবিল চামচ মেথির তেল নিন। ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি গরম করে নিন। হালকা ঠাণ্ডা হলে ভালো ভাবে চুলে ম্যাসাজ করে নিন। সারা রাত রেখে পরেরদিন শ্যাম্পু করে, চুলে কন্ডিশনার দিন। এভাবে সপ্তাহে দুই বার এই তেলটি ব্যবহার করুন। 💗ফলাফলঃ চুল পড়া বন্ধ হয়। চুলের গোড়া মজবুত হয়।অকালে চুল পাকা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।আগের তুলনায় চুলের রুক্ষতা কমে, তাতে কোমলতা ফিরে আসে ও স্ক্যাল্পের চুলকানি কমে ও খুশকি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। নিয়মিত এই পদ্ধতি দুই টির যে কোন একটি নিয়মিত ব্যাবহার করবেন তাহলে ভালো ফলাফল পাবেন। বেশি করে পানি পান করুন এবং প্রচুর পরিমানে শাক সবজি খান।

@alma45

কোপার্নিকাস কবরে রহস্যঃ কোপার্নিকাস কবরে রহস্যঃ ৪০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিকোলাস কোপার্নিকাসের সমাধি সবার কাছে অজানা ছিল। 1১৫৪৩ সালে তিনি মারা যান। কিন্ত সে সময় তিনি তেমন বিখ্যাত ছিলেন না।তিনি একাধারে গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ, অর্থনীতিবিদ, ডাক্তার এবং আইনজীবি হওয়া সত্বেও তেমন বিখ্যাত হতে পারেননি। তার মৃত্যুর পরে, তার কর্মস্থলের কাছাকাছি এক চার্চে তাকে কবর দেওয়া হয়। কালের বিবর্তনের তার সমাধির অবস্থান মানুষ ভুলেই গিয়েছিল। এর অনেক বছর পর জার্মান নাৎসিরা সহ বেশ কয়েকটি দল তার সমাধির সন্ধানের চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সবাই ব্যার্থ হয়েছিল। তারপরে ২০০৪ সালে, পোলিশ বিজ্ঞানীদের একটি দল অবিশ্বাস্য তদন্ত শুরু করেছিল যা শেষ পর্যন্ত কোপার্নিকাস কবর রহস্য সমাধান করতে পারে।

@alma45

সূর্যগ্রহণের কারণে আবিষ্কার সূর্যগ্রহণের কারণে আবিষ্কার বেশিরভাগ বিজ্ঞানীদের কাছে, সূর্যগ্রহণ কোনও বড় জিনিস নয়, কারণ প্রায় ১৮ মাসে প্রায়শই এটি ঘটে।তবে উচ্চ-প্রযুক্তি সরঞ্জামের আবির্ভাবের অনেক আগেই, গ্রহগ্রন্থগুলি কিছু মূল বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার করতে সহায়তা করেছিল। এখানে দুটি অনুসন্ধান এবং তিনটি মিথ্যা "অনুসন্ধান" নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রথম বড় আবিষ্কারটি ছিল পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যে দূরত্ব অনুমান করা: খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ সাল থেকে, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা চাঁদ থেকে পৃথিবী কতটা দূরে রয়েছে তা নির্ধারণের চেষ্টা করেছিলেন। প্রায় দেড়শো বি.সি., হিপ্পার্কাস নামে গ্রীক জ্যোতির্বিদ তাঁর নিজস্ব গণনা পদ্ধতি প্রস্তাব করেছিলেন - সূর্যগ্রহণ ব্যবহার করে তিনি শিখেছিলেন যে উত্তর-পশ্চিম তুরস্কে, মানুষ চাঁদ এবং সূর্যকে একটি সরলরেখায় দেখতে পারে। তবে মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় প্রায় ১০০০ কিলোমিটার দূরে প্রায় ৮০% সূর্য অবরুদ্ধ। এই তথ্য এবং কিছু সাধারণ ত্রিকোণমিতি ব্যবহার করে হিপ্পার্কাস পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যে দূরত্ব গণনা করেছিলেন। তার গণনায় কিছু ২০% ত্রুটি ছিল। এখন, আমরা সকলেই জানি যে চাঁদ পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৮৫০০০ কিলোমিটার দূরে। দ্বিতীয় বড় আবিষ্কারটি হিলিয়াম ছিল একটি নতুন উপাদান, এটি ছিল ১৯৩০ এর দশকের আগেই। যে বিজ্ঞানীরা একটি সূর্যগ্রহণের সময় সূর্যের বাইরের বায়ুমণ্ডলটি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব করার জন্য সূর্যের আলোকে অবরুদ্ধ করার জন্য একটি দূরবীন সংযুক্তি গড়ে তোলেন। সূর্যের বায়ুমণ্ডল অধ্যয়ন করার জন্য বর্ণালোকের সাহায্যে, ফ্রেঞ্চ জ্যোতির্বিদ পিয়ের জুলস জ্যানসেন ১৮৬৮ সালে সৌর বর্ণালীটির হলুদ অংশে একটি অজানা রেখা দেখতে পেয়েছিলেন। একটি বর্ণালোকটি এমন একটি যন্ত্র যা সাদা আলোকে প্রশস্ত করে দেয় বর্ণ বর্ণালী। পরবর্তী গবেষণায় নিশ্চিত করা হয়েছে যে লাইনটি হিলিয়াম নামে পরিচিত একটি নতুন উপাদান দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। তৃতীয় বড় আবিষ্কারটি ছিল চাঁদের চারপাশের গ্যাস, যদিও এটি অবশেষে একটি সূর্যকূপ হিসাবে নিশ্চিত করা হয়েছিল: ১৬০৫ সালে, একজন জার্মান গণিতবিদ এবং জ্যোতির্বিদ জোহানেস কেপলার প্রস্তাব করেছিলেন যে সূর্যের চারদিকে উজ্জ্বল হলোটি গ্রহণের সময় প্রদর্শিত আলোকরশ্মি ছিল চাঁদের পরিবেশ দুর্ভাগ্যক্রমে, পৃথিবী বা সূর্যের সাথে তুলনা করলে, চাঁদের আসলে কোনও বায়ুমণ্ডল থাকে না। ১৭২৪ সালে, ফরাসি ইতালিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী মারাল্ডি আবিষ্কার করেছিলেন যে এটি হল সূর্য, চাঁদ নয় ১৮০০ সাল নাগাদ স্প্যানিশ জ্যোতির্বিদ জোস-জাকোয়ান ডি ফেরার হলোর নামকরণ করেছিলেন, সূর্যের বায়ুমণ্ডল, করোনার। "জাল" আবিষ্কার ১: এলেনমেন্ট করোনিয়াম সনাক্ত করা হয়েছিল এবং পরে এটি নিশ্চিত হয়েছিল যে এরকম কোনও উপাদান নেই। এক বর্ণালী গবেষণায় আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী চার্লস অগাস্টাস তরুণ এবং উইলিয়াম হার্কনেস ১৮৬৯ সালে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন যে সৌর বর্ণালীটির সবুজ অংশ কোনও পরিচিত উপাদানটির সাথে মিলে না। তারা এই নতুন পদার্থটিকে "করোনিয়াম" বলে। তবে, ১৯৩০ এর দশকে ইয়ং অ্যান্ড হার্কনেসের অনুসন্ধানগুলি উল্টে যায়। সেই সময়, বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছিলেন যে করোনিয়ামটি আসলে খুব উচ্চ তাপমাত্রায় লোহা দ্বারা উত্পাদিত হয়েছিল। দ্বিতীয় "জাল" আবিষ্কার: "ভলকান" অনুসরণ করে, এটি নিশ্চিত হয়ে গেছে যে এই গ্রহের অস্তিত্ব নেই। আমেরিকান জ্যোতির্বিদ মারিয়া মিচেল, জেমস ক্রেইগ ওয়াটসন এবং আবিষ্কারক থমাস এডিসন ১৮১৯ সালে সূর্যগ্রহণের সময় ভলকান নক্ষত্রের সন্ধান করেছিলেন। ভলকান তারকা এমন একটি নক্ষত্র ছিলেন যা কখনও দেখা যায়নি। সেই সময়, বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেছিলেন যে এটি সূর্যের চারপাশে পারদের অনিয়মিত কক্ষপথ চালিত করে। তবে তারা ভ্যালকানকে দেখেনি, কারণ এই রহস্যময় গ্রহটির কোনও অস্তিত্ব নেই। ১৯১৫ সালে প্রকাশিত অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক যুক্তি অনুসারে, বিকৃত স্থান-কালটি বুধের অস্বাভাবিক কক্ষপথটি ব্যাখ্যা করার জন্য যথেষ্ট, তা ভলকানের দ্বারা তৈরি হয়নি।

@alma45

মহাবিশ্বের প্রাচীনতম তারকা মহাবিশ্বের প্রাচীনতম তারকা। মহাবিশ্বের বর্তমান বয়স ১ হাজার ৩৮০ কোটি বছর। তবে জন্মের সময় তাে আর নক্ষত্র নিয়ে জন্ম হয়নি মহাবিশ্বের । বর্তমান ধারণা অনুসারে, মহাবিশ্বের জন্মের ৩ লাখ ৮০ হাজার বছর পর জন্ম নিয়েছিল প্রথম কোনাে নক্ষত্র। নক্ষত্রের মূল উপাদান হলাে হাইড্রোজেন। নক্ষত্রের ৭৫ শতাংশ অংশজুড়েই থাকে পর্যায় সরণির প্রথম এ মৌলটি । বাকি অংশের প্রায় পুরােটাই নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিলিয়াম দিয়ে পরিপূর্ণ । জীবনের প্রথম ভাগে নক্ষত্রে চলতে থাকে হাইড্রোজেনের দহন । পুড়ে পুড়ে তৈরি হয় এভাবে ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসে। হাইড্রোজেন। হাইড্রোজেন শেষ হয়ে গেলে আরও কয়েকটি ছােট ছােট ধাপ শেষ করে নক্ষত্রটি জীবন শেষ করে। বড় নক্ষত্রের ক্ষেত্রে এমনই এক ধাপে ঘটে সুপারনােভা বিস্ফোরণ। এর মাধ্যমে বাইরে ছিটকে পড়ে নক্ষত্রের উল্লেখযােগ্য পরিমাণ উপাদান।এ উপাদানগুলােই কাজ করে পরবর্তী প্রজন্মের নক্ষত্র তৈরির কাচামাল হিসেবে। আমাদের সূর্যও এমন দ্বিতীয় প্রজন্মের একটি নক্ষত্র । সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা ধারণার চেয়েও প্রাচীন নক্ষত্রেরও খোজ পেয়েছেন। এ বিষয়ে কাজ করেছেন এক্সপেরিমেন্ট টু ডিটেক্ট দ্য গ্লোবাল এপক অব বিআয়ােনাইজেশন এর বিজ্ঞানীরা। তারা খুঁজছিলেন। প্রাচীন মহাবিশ্বের বেতার সংকেত। সাধারণত টেলিস্কোপ দিয়ে প্রাচীন নক্ষত্রের মতাে দূরের জিনিস সরাসরি দেখা যায় না। তবে মহাকাশ থেকে আসা বেতারতরঙ্গ সে কাজটি সম্ভব করে তােলে। এ পর্যবেক্ষণ অবশ্য পরােক্ষ । এর জন্য জ্যোতির্বিদেরা ব্যবহার করেন মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণ। এই বিশেষ ধরনের বিকিরণের জন্ম বিগ ব্যাংয়ের ঠিক পরপর। এ বিকিরণ আজও ছড়িয়ে আছে পুরাে মহাবিশ্বে। তবে পৃথিবীতে বসে ওই বিকিরণ শনাক্ত করা চাট্টিখানি কথা নয়। পৃথিবীতেই যে রয়েছে প্রাকৃতিক ও | কৃত্রিম বিকিরণের বহু উৎস! বিকিরণ থেকে ১০ হাজার গুণ পর্যন্তও দুর্বল হতে পারে। ফলে এই বিকিরণ খুঁজে পাওয়া একদম খড়ের গাদায় সুই খোজার মতােই কাজ। কিন্তু বিজ্ঞানীরা এমন সমস্যায়ও বসে থাকার পাত্র নন । বিজ্ঞানের কাজই তাে সমস্যা মােকাবিলা করে পথ তৈরি করে নেওয়া। এ ক্ষেত্রেও কাঙ্ক্ষিত বিকিরণ | ঠিকই খুঁজে বের করে ফেলেছেন। বিজ্ঞানীরা। ব্যবহার করেছেন প্রাচীন মহাবিশ্বের পরিবেশবিষয়ক হাতে থাকা পূর্বাভাস। প্রাপ্ত ফল থেকে মনে হচ্ছে, প্রাচীন নক্ষত্ররা বিপুল পরিমাণ। অতিবেগুনি রশ্মি নির্গত করে। | পাশ্ববর্তী হাইড্রোজেন পরমাণু শােষণ করে নেয় সেই রশ্মি । এই প্রক্রিয়ার কারণে প্রভাবিত হয় মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণও। এর ফলে টেলিস্কোপের চোখে নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের হাইড্রোজেন গ্যাসের ছবি ভেসে ওঠে । নক্ষত্রের জন্মপ্রক্রিয়া শুরু হওয়া ও সেটা তার আশপাশের জগৎকে প্রভাবিত করার পক্ষে এটাই প্রথম বাস্তব সংকেত ।। নতুন প্রাপ্ত এ তথ্যমতে, মহাবিশ্বের প্রাচীনতম নক্ষত্রের জন্ম হয়েছিল ১ লাখ ৮০ হাজার বছর আগে।

@alma45

প্রাথমিক কণা প্রাথমিক কণা - ১ম পর্ব প্রাথমিক কণাগুলি কোনও পরিমাপযোগ্য অভ্যন্তরীণ কাঠামো ছাড়াই কণা অর্থাৎ এগুলি অন্য কণাগুলির সমন্বয়ে গঠিত কিনা তা অজানা। এগুলি কোয়ান্টাম ফিল্ড তত্ত্বের মৌলিক বস্তু। প্রাথমিক কণার অনেক পরিবার এবং উপ-পরিবার বিদ্যমান। প্রাথমিক কণাগুলি তাদের স্পিন অনুসারে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। ফিরমিয়নের অর্ধ-পূর্ণসংখ্যার স্পিন থাকে যখন বোসনের পূর্ণসংখ্যা স্পিন থাকে। স্ট্যান্ডার্ড মডেলের সমস্ত কণাগুলি পরীক্ষামূলকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, সম্প্রতি 2012 সালে হিগস বোসন সহ গ্র্যাভিটনের মতো আরও অনেক অনুমানমূলক প্রাথমিক কণাগুলির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তবে পরীক্ষামূলকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়নি। প্রাথমিক কনা - ২য় পর্ব (ফার্মিয়ন) : দুটি মৌলিক শ্রেণীর মধ্যে একটি ফার্মিয়ন, অন্যটি বোসন। ফার্মিওন কণাগুলি ফার্মি – ডায়ারাকের পরিসংখ্যান দ্বারা এবং পাওলি বর্জন নীতি দ্বারা বর্ণিত কোয়ান্টাম সংখ্যা রয়েছে। এগুলির মধ্যে কোয়ার্কস এবং লেপটন এবং সেই সাথে একটি বিচিত্র সংখ্যক সমন্বিত সমস্ত যৌগিক কণা যেমন সমস্ত বেরিয়োন এবং অনেকগুলি পরমাণু এবং নিউক্লিয়াস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফার্মিয়নের অর্ধ-পূর্ণসংখ্যার স্পিন রয়েছে; সমস্ত পরিচিত প্রাথমিক ফেরমিয়নগুলির জন্য এটি 1-2। নিউট্রিনো ব্যতীত সমস্ত জ্ঞাত ফার্মিওনগুলি হ'ল ডায়ার্ক ফেরিয়ামওন; তা হল, প্রতিটি পরিচিত ফেরিয়ামের নিজস্ব স্বতন্ত্র প্রতিষেধক রয়েছে। নিউট্রিনো ডাইরাক ফার্মিয়ন নাকি মাজোরানা ফেরিমিয়ন তা জানা যায়নি [ ফারিমিয়নস হ'ল সমস্ত বিষয়গুলির প্রাথমিক বিল্ডিং ব্লক। তারা শক্তিশালী ইন্টারঅ্যাকশনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে কিনা সে অনুযায়ী তাদের শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। স্ট্যান্ডার্ড মডেলে, ১২ প্রকারের প্রাথমিক ফের্মিয়ন রয়েছে, যাদের ছয়টি কোয়ার্ক এবং ছয়টি লেপটন। প্রাথমিক কনা - ৩য় পর্ব (কোয়ার্ক) : কোয়ার্কস হ্যাড্রনগুলির মৌলিক উপাদান এবং শক্তিশালী শক্তির মাধ্যমে যোগাযোগ করে। কোয়ার্কস কেবলমাত্র ভগ্নাংশের চার্জের পরিচিত বাহক, তবে যেহেতু তারা তিনটি (বেরোন) এর গ্রুপে বা এক কোয়ার্ক এবং একটি অ্যান্টিয়ার্কের (মেসন) জোড়ায় মিশ্রিত হয়, কেবলমাত্র পূর্ণসংখ্যা চার্জ প্রকৃতিতে পরিলক্ষিত হয়। তাদের সম্পর্কিত এন্টিপারক্টিকালস হ'ল অ্যান্টিয়ারক্যারিক্স, যা বিপরীত বৈদ্যুতিক চার্জ বহন করে ব্যতীত অভিন্ন (উদাহরণস্বরূপ আপ কোয়ার্ক বহন করে + ২/৩ চার্জ বহন করে, অপরদিকে অ্যান্টিকার্ক বহন করে - ১/৩), রঙ চার্জ এবং বেরিয়ন সংখ্যা। কোয়ার্কের ছয়টি স্বাদ রয়েছে; তিনটি ইতিবাচক চার্জ কোয়ার্ককে "আপ-টাইপ কোয়ার্কস" বলা হয় এবং তিনটি নেতিবাচক চার্জ কোয়ার্ককে "ডাউন-টাইপ কোয়ার্কস" বলা হয়। প্রাথমিক কনা - ৪র্থ পর্ব (লেপটন) : লেপটনগুলি শক্তিশালী মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ করে না। তাদের সম্পর্কিত এন্টি পার্টিকেলস হ'ল অ্যান্টিলেপ্টন, যা অভিন্ন, কেবলমাত্র তারা বিপরীত বৈদ্যুতিক চার্জ এবং লেপটন নম্বর বহন করে। ইলেক্ট্রনের অ্যান্টি-পার্টিকাল হ'ল অ্যান্টিলেক্ট্রন, যা ঐতিহাসিক কারণে প্রায় সবসময় "পজিট্রন" নামে পরিচিত। মোট ছয়টি লেপটন রয়েছে; তিনটি চার্জযুক্ত লেপটনকে "ইলেক্ট্রন-জাতীয় লেপটন" বলা হয়, এবং নিরপেক্ষ লেপটনগুলিকে "নিউট্রিনোস" বলা হয়। নিউট্রিনো দোলায়মান হিসাবে পরিচিত, যাতে নির্দিষ্ট গন্ধযুক্ত নিউট্রিনোগুলির নির্দিষ্ট ভর থাকে না , বরং তারা ভর ইজেনস্টেটের একটি সুপারপজিশনে উপস্থিত থাকে। অনুমানক ভারী ডান হাতের নিউট্রিনো, যাকে "জীবাণুমুক্ত নিউট্রিনো" বলা হয়, তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক কনা - ৫ম পর্ব (বোসন) : কণার দুটি মৌলিক শ্রেণির মধ্যে বোসন একটি, অন্যটি ফের্মিয়ন। বোসন, বোস – আইনস্টাইন পরিসংখ্যান দ্বারা চিহ্নিত করা হয় এবং সকলের পূর্ণসংখ্যার স্পিন রয়েছে। বোসনগুলি প্রাথমিকভাবে হতে পারে, যেমন ফোটন এবং গ্লুন বা মিশ্রিত, মেসনগুলির মতো। হিগস বোসনটি মূলত কণা জনগণের উত্স ব্যাখ্যা করার জন্য বৈদ্যুতিন তত্ত্ব দ্বারা পোস্ট করা হয়। "হিগস মেকানিজম" নামে পরিচিত একটি প্রক্রিয়াতে, হিগস বোসন এবং স্ট্যান্ডার্ড মডেলের অন্যান্য গেজ বোসনগুলি এসইউ গেজ প্রতিসাম্যকে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য বিরতির মাধ্যমে ভর অর্জন করে। ন্যূনতম সুপারসমমিত্রিক স্ট্যান্ডার্ড মডেল (এমএসএসএম) বেশ কয়েকটি হিগ বোসনের পূর্বাভাস দেয়। একটি নতুন কণা হিগস বোসন হিসাবে প্রত্যাশিত একটি নতুন কণা সিইআরএন / এলএইচসিতে ১৪ ই মার্চ ২০১৩ তারিখে দেখা গেছে, প্রায় ১২6.৫ জিভিভির শক্তি প্রায় পাঁচটি সিগমা (99.9999%, যা নিশ্চিত হিসাবে গ্রহণযোগ্য) এর যথার্থতার সাথে জড়িত। অন্যান্য কণায় ভর দেওয়ার হিগস প্রক্রিয়াটি লক্ষ্য করা যায়নি। প্রকৃতির চারটি মৌলিক শক্তির জন্য দায়ী প্রাথমিক বোসনগুলিকে বল কণা (গেজ বোসন) বলা হয়। শক্তিশালী ইন্টারঅ্যাকশনটি গ্লুওন দ্বারা মধ্যস্থতা করা হয়, দুর্বল মিথস্ক্রিয়া ডাব্লু এবং জেড বোসনদের মধ্যস্থতা করে। গ্র্যাভিটন, , একটি অনুমান কণা যা মহাকর্ষ বলকে মধ্যস্থতা করার জন্য মানক মডেলের কিছু এক্সটেনশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি জ্ঞাত এবং অনুমানকণাগুলির মধ্যে একটি অদ্ভুত বিভাগে রয়েছে: একটি অরক্ষিত কণা হিসাবে যা পূর্বাভাস দেয় না বা স্ট্যান্ডার্ড মডেলের জন্য প্রয়োজনীয় নয়, এটি অনুমানক কণার ছকে অন্তর্ভুক্ত, নীচে। তবে মহাকর্ষীয় শক্তি নিজেই একটি নিশ্চিততা, এবং কোয়ান্টাম ফিল্ড তত্ত্বের কাঠামোর কাঠামোতে জ্ঞাত শক্তিটি প্রকাশ করার জন্য এটির মধ্যস্থতা করার জন্য একটি বসন প্রয়োজন।

+3 more

@alma45

মহাকর্ষীয় বল সবচেয়ে পরিচিত বলটির নাম মহাকর্ষ। এত পরিচিত যে যিনি কোনােদিন বিজ্ঞান পড়েননি, তিনিও এই বলটির কথা জানেন। মহাবিশ্বের যে-কোনাে দুটো বস্তু বা বস্তুকণার মধ্যে এই বলটি কাজ করে। গাছ থেকে যে আম নিচের দিকেই পড়ে, পাখির মতাে উড়ে যায় না বা উচু জায়গা থেকে লাফ দিলে মানুষ যে আকাশে না উঠে ভূপাতিত হয় তার কারণ পৃথিবী এবং ওই আমটি বা মানুষটির মধ্যে ক্রিয়াশীল মাধ্যাকর্ষণ বা মহাকর্ষ বল। এসব কথা সবারই জানা। এই বল আছে বলেই গ্রহগুলাে সূর্যের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। যদি না ঘুরতাে, দিন-রাত হতাে কীভাবে? ঋতু পরিবর্তনই-বা কীভাবে হতাে? সােজা কথায় এই বলের অনুপস্থিতিতে প্রাণের উদ্ভবই অসম্ভব হয়ে পড়তাে। মহাবিশ্ব গঠিতই হতাে না, তার আবার প্রাণের উদ্ভব! শুধু তাই নয়, এই আকর্ষণ বল না থাকলে মানুষ পৃথিবীতে থাকতেই পারতাে না। আমরা যে মাটিতে হেঁটে বেড়াচ্ছি তার কারণ তাে ওই আকর্ষণই, নইলে তাে মহাশূন্যে অবস্থিত পৃথিবী থেকে আমরাও মহাশূন্যেই ছিটকে পড়তাম! এই বলের কারণেই আমাদের ওজন আছে, আর ওজন না থাকলে আমরা স্রেফ শূন্যে ভেসে বেড়াতাম।যাহােক, এই বলের কাজকর্ম সম্বন্ধে বলে শেষ করা যাবে না, তার চেয়ে বরং এর কিছু বৈশিষ্ট্য নিয়ে কথা বলা যাক। সপ্তদশ শতকের শেষদিকে, ১৬৮৭ সালে, এই বলের ব্যাখ্যা দেন স্যার আইজাক নিউটন। বিজ্ঞানের ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল থেকে নিউটনের এই মহাকর্ষ সূত্রের সঙ্গে পরিচিত হয়ে ওঠে। এই সূত্রে বলা হয়েছে, মহাবিশ্বের যে কোনাে স্থানে অবস্থিত দুটে ভরবিশিষ্ট বস্তু পরস্পরকে একটি বল দিয়ে আকর্ষণ করে, এই বলের নাম মহাকর্ষ এবং এই বল বস্তু দুটোর ভরের গুণফলে সমানুপাতিক এবং এদের মধ্যেকার দূরত্বের ব্যঞ্জনুপাতিক। গাণিতিক সমীকরণে লিখলে এই সূত্রটির চেহারা দাঁড়ায় এরকম: F=G x( m1 x m2 )/r^2 এখানে m1 & m2 হচ্ছে যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় বড় ভর এবং r হচ্ছে পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব। আর G হলাে মহাকর্ষ ধ্রুবক যার মান: G = 6.63x10^-11 Nm^2/kg^2 তাঁর এই সূত্র দিয়ে মহাকর্ষিক ঘটনাবলীর অনেক কিছুই ব্যাখ্যা করা গিয়েছিল। মহাবিশ্বের যে-কোনাে গ্রহ-নক্ষত্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মানও নির্ণয় করা যায় এই সূত্রের মাধ্যমে, যদি এর ভর এবং ব্যাসার্ধ জানা থাকে। অভিকর্ষজ ত্বরণের মান প্রায় ৯.৮ মি/সে, আর চাঁদে এর মান প্রায় ১.৯৩ মি/সে। অভিকর্ষজ ত্বরণের সঙ্গে বস্তুর ভর গুণ। ধরা যাক আপনার ভর ৫০ কেজি, তাহলে পৃথিবীতে আপনার ওজন ৪৯০ নিউটন আর চাঁদে গেলে আপনার ওজন হবে ৯৭ নিউটনের কাছাকছি। মানে চাদে গেলে আপনি অনুভব করবেন, আপনার শরীর প্রায় পাখির পালকের মতাে হালকা হয়ে গেছে, কারণ যে ভার (ওজন) আপনি এখানে বয়ে বেড়াচ্ছেন, চাদে যে তার পাচভাগের এক হয়ে যাবে! এসব মজার হিসাব নিউটনের এই সূত্র ব্যবহার করেই করা সম্ভব হয়েছে। তবে বিশ শতকের শুরুত এসে এই বলের এই নতুন ও অভিনব ব্যাখ্যা হাজির করেন আরেক মহাবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন। মহাজাগতিক বস্তুগুলাে অর্থাৎ, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা, গ্যালাক্সি সবই যে নিজ নিজ কক্ষপথে পরিভ্রমণশীল তাও ব্যাখ্যা করা গিয়েছিল নিউটনের সূত্র দিয়েই। শুধু একটি বিষয় নিয়ে বিজ্ঞানীদের একটু অস্বস্তি ছিল সেটি বুধগ্রহের কক্ষপথের বিচিত্র আচরণ। আমরা তাে জানিই, গ্রহগুলাে যার যার কক্ষপথে (orbit) সূর্যের চারপাশে ঘুরছে। এই কক্ষপথগুলাে কিন্তু স্থির, অপরিবর্তনশীল। কিন্তু বুধগ্রহের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু আলাদা। এর কক্ষপথও খানিকটা দোল খায়। এর কারণ কী? না, নিউটনের সূত্র দিয়ে ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করা যাচ্ছিল না। বিশ শতকের গােড়াতে, ১৯১৫ সালে, আইনস্টাইনের বিখ্যাত সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের এর ব্যাখ্যা মিললাে। এই তত্ত্বে মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা করা হলাে একটু ভিন্নভাবে। তিনি জানালেন নিউটনের সূত্রের স্বল্প ভর সম্পন্ন বস্তুর আচরণ ব্যাখ্যায় দারুণ পারঙ্গম বটে, তবে কোনাে বস্তুর ভর যদি খুব বেশি হয় কিংবা বস্তুর গতিবেগ যদি অতিমাত্রায় বেশি হয় তাহলে ব্যাপারটা নতুন করে ভাবতে হবে। আমরা তাে সবসময়ই জেনে এসেছি মহাবিশ্বের স্থান হলাে সমতলীয় (flat), কিন্তু আইনস্টাইন জানালেন এক অভিনব এবং নতুন ধারণার কথা— অতিভর বিশিষ্ট বস্তুর উপস্থিতির কারণে স্থান-কাল বেঁকে যায়, আর এই বক্র স্থান-কালই (space-time curvature) মহাকর্ষের মূল কারণ। ব্যাপারটা বােঝা একটু কঠিনই। ধরুন, মানে কল্পনা করুন, আপনার হাতে একটা বড়সড় রুমাল আছে। আচ্ছা, কল্পনা যখন করবেনই একটু বাড়িয়েই করুন। ধরা যাক, আপনার কাছে বর্গাকৃতির বা আয়তাকার বেশ বড়সড় একটা রাবারের শিট (rubber sheet)। আছে। এর চার কোণায় সুতাে বেঁধে একটা শূন্য স্থানে টানটান করে ঝুলিয়ে দিন অনেকটা মশারী টানানাের মতাে করে। তবে বেশি ওপরে টানাবেন না, কারণ আরাে কিছু কাজ করতে হবে আপনাকে। এবার সেই ঝােলানাে রাবার-শিটের মাঝখানে ক্রকেটবল আকারের একটা লােহার বল রাখুন (ক্রিকেট বলও রাখতে পারেন, একটু ভারি বস্তু রাখতে চাইলে লােহা বা পিতলের শল (force নয়, ball-এর কথা বলছি) হলে বেশ ভালাে হয়। কী দেখতে পাচ্ছেন? রাবারের শিট-টা নিচের দিকে বেশ খানিকটা বেকে গেছে, তাই না? আপনি যদি রাবারের এই শিটটাকে স্থান-কাল হিসেবে এবং লােহার বলটিকে কোনাে গ্রহ বা নক্ষব্র হিসেবে ভেবে নেন, তাহলে সহজেই বুঝে যাওয়ার কথা- ভারি বস্তুর উপস্থিতির প্রভাবে স্থান-কালের বেকে যাওয়া বলতে কী বােঝায়! কিন্তু স্থান-কালের বক্রতা না হয় বােঝা গেল, এর সঙ্গে মহাকর্ষের সম্পর্ক বােঝার উপায় কী? ব্যাপারটা বােঝার জন্য লােহার বলটি তুলে নিন, রাবার-শিটটি ওরকমডাবে বাঁধাই থাকুক। এবার একটি ছােট্ট মার্বেল নিয়ে যথাসম্ভব দ্রুত গতিতে রাবার-শিটের যে-কোনাে এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তের দিকে ছুঁড়ে দিন। কা দেখতে পেলেন? মানবলের ভর যেহেতু ক্ষুদ্র, রাবার-শিটকে সে বাকাতে পারেনি বরং বেগের কারণে সে অপর প্রান্তে চলে গেছে। অর্থাৎ স্থানকালে যদি ভারি বস্তুর উপস্থিতি না থাকে তাহলে সেটি সমতল (flat) থাকবে এবং &উচ্চ বেগে গতিশীল বস্তু সরল রেখায় তার ভেতর দিয়ে চলে যাবে (আলাে সরলরেখায় চলে ছােটবেলায় পড়া এই তথ্যের কথা কি মনে পড়ছে?)। এবার পুণরায় লােহার বলটি রাবার-শিটের মাঝখানে রেখে ওটাকে বাকিয়ে দিন, যেমনটি আগে একবার করেছিলেন। তারপর ফের মার্বেলটি ছুড়ে দিন একইরকম বেগে, ধ্রুত গতিতে, এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তের দিকে। এবার কি মার্বেলটি সরল রেখায় চলতে পারবে? যেতে পারবে অপর প্রান্তে? না। কারণ লােহার বলের কারণে রাবারের স্থানকাল নিচের দিকে বেঁকে গেছে, মার্বেলের জন্য এবার আর কোনাে সরলপথ নেই, সেও তাই অবধারিতভাবে বক্রপথ অনুসরণ করবে এবং লােহার বলটিকে গিয়ে আঘাত করবে। মার্বেলটি কেন বেঁকে গেল, পরীক্ষাটা আপনি করছেন বলে সেই রহস্যটা সহজেই ধরতে পারছেন। কিন্তু বাইরে থেকে কেউ যদি ঘটনাটিকে পর্যবেক্ষণ করে, তার মনে হবে মার্বেলটিকে লােহার বলটি আকর্ষণ করেছে। মানে মহাকর্ষ বল কাজ করছে এখানে! ঘটনা এখানেই শেষ নয় । ক্রিকেট খেলা দেখেন নিশ্চয়ই! স্পিনাররা যেমন বল ছোড়ার সময় বলটাকে কায়দা করে ঘােরান, মানে স্পিন করেন, আপনিও যদি আপনার মার্বেলটি ছোড়ার আগে ওভাবে ঘােরান, মানে স্পিন করান, তাহলে সেটি লােহার বলটিকে আঘাত করার আগে তার চারপাশে সর্পিল পথে দু-চারবার ঘুরবে। ঠিক যেমন গ্রহগুলাে ঘুরছে সূর্যের চারপাশে, ওরকম। আপনার মার্বেলের গতি যদি খুবই বেশি হয়, তাহলে মার্বেলটি, এমনকি বলের ওপর পতিত না হয়ে বেরও হয়ে যেতে পারে, তবে তার গতিপথ খানিকটা পরিবর্তিত হয়ে যাবে। অর্থাৎ লােহার বলের অনুপস্থিতিতে মার্বেলটি যে পথে এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্তে গিয়েছিল, এবার লােহার বলের উপস্থিতিতে সৃষ্ট বক্রতার কারণে তার একই গতিপথ থাকবে না। এই যে গতিপথ পাল্টে গেল, অর্থাৎ নতুন গতিপথ তৈরি। হলাে, এই ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেই অপর প্রান্তে থাকা একজন দর্শক বুঝতে পারবে (লােহার বলটির অস্তিত্ব সম্বন্ধে না জেনেও), মার্বেলটি আসার পথে কোনাে একটি ভারি বস্তুর আকর্ষণ’ পার হয়ে এসেছে। আর এজন্যই সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলাে আসার সময় ঠিক সরল পথে আসে না, বুগ্রহের উপস্থিতির কারণে একটু বেঁকে আসে। কতটা বেঁকে আসে আইনস্টাইন সেটি হিসাব করে দিয়েছেন, যা পরে প্রমাণিত হয়েছে। কৃষ্ণগহ্বরের সীমানায় কোনো বস্তু এসে পড়লে, এমনকি আলাের মতাে তীব্র গতিশীল কিছু এসে পড়লে কি তা আর এখান থেকে বেরোতে পারে না, তার কারণও ওই স্থান-কালের বক্রতা। কৃষ্ণগহ্বরের স্থান-কাল এতটাই বক্র যে, আলো কেবল এর ভিতর ঘুরপাক খেতে থাকে এভাবেই আইনস্টাইন মহাকর্ষের ধারণা পাল্টে দেন, একে একটি 'বল' হিসেবে না দেখে স্থান-কালের বক্রতা হিসেবে অভিহিত করেন। তবে হ্যা, তিনি তার সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব থেকে নিউটনের সূত্রও প্রতিপাদন করে দেখিয়েছিলেন। যে, নিউটনের সূত্র আসলে সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের একটি বিশেষ রূপ। স্বল্প বেগ এবং ক্ষুদ্র ভরের জন্য নিউটনের সূত্রই প্রযােজ্য। (বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বল):- আরেকটি মৌলিক বল- বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বল নিয়ে খানিকটা আলাপ করা যাক। তেমনই বলতে আবার একইরকম বুঝলে চলবে না। এদের মধ্যে পার্থক্য অনেক। যেমন ধরুন, দুটো ভরবিশিষ্ট বস্তুর মধ্যে মহাকর্ষ বল কাজ করে, কিন্তু বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বল কাজ করার জন্য প্রয়ােজন দুটো চার্জিত বস্তুর চার্জিত কণার (যেমন ইলেকট্রন, প্রোটন)। মহাকর্ষ বল শুধুমাত্র আকর্ষণধর্মী কিন্তু বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বল আকর্ষণ-বিকর্ষণ দুই ধমই।প্রদর্শন করে। দুটো চার্জ যদি একই ধরনের হয় (যেমন দুটোই ধনাত্মক বা দুটোই ঋণাত্নক) তাহলে তাদের ভেতরে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলটি হবে বিকর্ষণধর্মী আর যদি চার্জ দুটো বিপরীতধর্মী হয় (একটি ধনাত্নক আরেকটি ঋণাত্নক) তাহলে বলটি হবে আকর্ষণধর্মী। অন্য আরেকটা পার্থক্যের কথা বলি মহাকর্ষ খুব দুর্বল বল, ভর খুব বেশি না হলে এর অস্তিত্বই টের পাওয়া যায়, যে-কথা আগেই বলেছি। বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বল ততটা দুর্বল তাে নয়ই বরং মহাকর্ষের তুলানায় যথেষ্ট শক্তিশালী।উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি পরমাণুর ভেতরের একটি প্রোটন এবং একটি ইলেকট্রনের মধ্যে ক্রিয়াশীল মহাকর্ষ এবং বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের তুলনা করেন, দেখবেন বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বলটি মহাকর্ষ বলের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ শক্তিশালী! ভাবা যায়? ব্যাপারটা আরাে সহজে বােঝা যাবে একটা উদাহরণ দিলে। ধরা যাক আপনার হাতে একটা চুম্বক এবং একটা লােহার পেরেক (বা নিদেনপক্ষে একটা আলপিন) আছে। আলপিনটা কি আপনি বিনা চেষ্টায় শূন্যে ভাসিয়ে রাখতে পারবেন? না, পারবেন না। পৃথিবীর মহাকৰ্ষিক টানে সেটি নিচে পড়ে যাবে। কিন্তু আলপিনটি যদি আপনি চুম্বকের কাছাকাছি নিয়ে আসেন তাহলে দেখবেন সেটি চুম্বকের সঙ্গে লেগে আছে, নিচে পড়ে যাচ্ছে না। এর মানে কী দাঁড়ায়? পৃথিবীর মতাে বিপুল ভরবিশিষ্ট এক গ্রহ আলপিনটিকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করছে তারচেয়ে ওই চুম্বকের আর্কষণ বল অনেক বেশি। হ্যা, বেশি। কারণ দুটো একই ধরনের বল নয়। একটি মহাকর্ষ আরেকটি বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বল, এবং দ্বিতীয় বলটি তুলনামূলকভাবে অনেক শক্তিশালী।যাহােক, একটি চাজিত কণা চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে কী ধরনের মিথস্ক্রিয়ায় লিপ্ত হবে, তা বােঝা যায় এই বল দিয়ে। এ বলের কারণেই পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রনগুলাে নিউক্লিয়াসের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে, আবার বস্তুর ভেতরকার পাশাপা পরমাণুগুলােকে একসঙ্গে বেঁধে রাখছে। আলাের শােষণ-বিকিরণ ইত্যাদিও ঘটছে এই বলের কারণে। বিদ্যুৎ এবং চুম্বক ব্যবহার তাে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনিবার্য অংশ, সেখানেও এই বলের খেলা।তাে, মহাকর্ষ বল গণণার জন্য নিউটন যেমন একটি সূত্র প্রতিপাদন করেছিলেন, এর প্রায় একশ' বছর পর, ১৭৮৫ সালে বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বল গণনার জন্য ফরাসি পদার্থবিদ চার্লস কুলম্ব একটি সূত্র প্রণয়ন করেছিলেন। সূত্র দুটো অনেকটা একইর এই সূত্রের দ্বারা দুটো চার্জিত কণার ভেতরকার বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্ণয় করা যায়। এই বল চার্জ দুটির গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের মধ্যকার দূরত্বের ব্যঞ্জনুপাতিক। সূত্রের গাণিতিক রূপ এরকম: F=k x (q1 xq2)/r^2 এখানে q1 & q2 হচ্ছে যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় বর চার্জ এবং r হচ্ছে পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব। আর k হলাে একটি ধ্রুবক এর মান k =8.989x10^9 Nm^2/C^2 আগেই বলেছি, মহাকর্ষ বল খুব দূর্বল হলেও বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বল তুলনামূলকভাবে বেশ শক্তিশালী। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে এই বলটি শুধুমাত্র চার্জিত বস্তুর মধ্যেই কাজ করে, চার্জ-নিরপেক্ষ বস্তুর ক্ষেত্রে এই বলের কোনাে প্রভাব নেই, আর সেজন্যেই এই শক্তিশালী বলটি আমরা অনুভব করি না। (সবল নিউক্লিয় বল):- সবল নিউক্লিয় বল নিয়ে এখন একটু বলা যাক। আমরা তাে ইতিমধ্যেই পরমাণুর গঠন জেনে ফেলেছি। জেনেছি যে,পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস আর তার চারদিকে ইলেকট্রন ঘুরে বেড়ায়। আর নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকে প্রােটন আর নিউট্রন নামক দুই ধরনের কণা। নিউট্রন চার্জ-নিরপেক্ষ হলেও প্রোটন ধনাত্নক চার্জ বিশিষ্ট কণা, এও আমরা জানি। কিন্তু একই ধরনের চার্জবাহী কণা তাে পরস্পরকে বিকর্ষণ করে, যার কথা বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বলের আলােচনায় আমরা বলেছি। এবং এই বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বিকর্ষণের মানও খুব সামান্য নয়, অন্তত মহাকর্ষের তুলনায় তাে অনেক বেশি। তাহলে, এত বিকর্ষণ থাকা সত্ত্বেও একটা অতিক্ষুদ্র জায়গার মধ্যে (নিউক্লিয়াসের আকার ১০ মিটার) প্রােটনগুলো জড়াে হয়ে থাকে কীভাবে? সেটা কি মহাকর্ষ বলের প্রভাবে? মােটেই না। আগেই বলেছি, মহাকর্ষ খুবই দুর্বল বল, আর তাছাড়া, প্রােটন এতই ক্ষুদ্র কণা এবং তাদের ভর এতই কম যে মহাকর্ষ বল এক্ষেত্রে প্রায় শূন্য বলেই ধরে নেয়া যায়। তাহলে কী ঘটে? এমন কোনাে শক্তিশালী আকর্ষণ বল নিশ্চয়ই আছে যা বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বিকর্ষণের বিপরীতে দাঁড়িয়ে প্রােটনকে শক্ত করে বেঁধে রাখে! হ্যা, যে বলটি এই কাজটি করে তার নামই সবল নিউক্লিয় বল। ১৯৩৫ সালে জাপানি পদার্থবিদ ইয়ােকাওয়া (Hideki Yukawa) এই বলটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।বলটি কীভাবে কাজ করে? সে ব্যাখ্যায় যাওয়ার আগে এ পর্যায়ে একটি কথা না বললেই চলছে না। বিজ্ঞানীরা এসব। বলের আলোচনার সময় এগুলো কে বল না বলে ‘মিথস্ক্রিয়া' (interaction) বলে ডাকেন। শব্দটি নিঃসন্দেহে হৃদয়গ্রাহী। মিথস্ক্রিয়া মানে পরস্পরের মধ্যে ক্রিয়া, অনেকটা পরস্পরের প্রতি পরস্পরের অনুরাগ বা বিরাগের মতাে ব্যাপার আর কি! এই নামে ডাকার হয়তাে একটি কারণ আছে। একবার ভাবুন তাে- দুটো বস্তু কীভাবে পরস্পরকে (মহাকৰ্ষিক) আকর্ষণ করে? বা কীভাবে জানতে পারে যে পরস্পরকে আকর্ষণ করতে হবে? কি ভেবে দেখুন একটা প্রােটন কীভাবে 'বােঝে যে একটা ইলেকট্রন কে (বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয়) আকর্ষণ করতে হবে, কিন্তু আরেকটি প্রোটন কে করতে হবে বিকর্ষণ? মজার ব্যাপার হলাে, এই আকর্ষণ-বিকর্ষণ ঘটে এক ধরনের কণা বিনিময়ের মাধ্যমে। অর্থাৎ এক জোড়া ইলেকট্রন-প্রােটন, অথবা প্রােটন-প্রােটন, কিংবা ইলেকট্রন-ইলেকট্রন যখন বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় মিথছ্জ্রিয়ায় লিপ্ত হয় তখন তাদের ভেতরে ফোটন (photon) নামের এক ধরনের কণার বিনিময় ঘটে। কিংবা বলা যায়- ফোটন নামের কণাটিই তাদের ভেতরে এই মিথস্ক্রিয়া ঘটায়। ফোটনের ভূমিকা এক্ষেত্রে যেন অনেকটা ঘটকের মতাে, তাই না? একইভাবে ধারণা করা হয়- দুটো বস্তুর ভেতরে মহাকর্ষিক মিথস্ক্রিয়া ঘটায় গ্রভিটন। (graviton) নামের এক ধরনের কণা। গ্র্যাভিটনকে অবশ্য এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি, এটা এখনাে ধারণা-আকারেই আছে। একটি ফোটন-গ্র্যাভিটনের মতােই আরেক ধরনের কণা, যার নাম মেসন(meson), সবল নিউক্লিয় মিথস্ক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই মেসন কণাকে কখনাে কখনাে পায়ােন (pion) নামেও ডাকা হয়। তাে, তিন ধরনের মেসন কণা আছে, যথাক্রমে পাই প্লাস (ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট), পাই মাইনাস (ঋণাত্মক চার্জ বিশিষ্ট) এবং পাই জিরাে (চার্জ-নিরপেক্ষ)। এই কণাগুলাের বিনিময়ের মাধ্যমে প্রোটন-প্রোটন, প্রোটন-নিউট্রন, এবং নিউট্রন-ট্রিন কণার মধ্যে সবল নিউক্লিয় মিথস্ক্রিয়া ঘটে। নিউট্রন ভেঙে প্রােটন এবং পাই মাইনাস উৎপন্ন হয়, আবার প্রােটনটি পাই মাইনাস শােষণ করে নিউট্রনে পরিণত হয়। উল্টোটাও ঘটে। প্রােটন ভেঙে নিউট্রন এবং পাই প-সি উৎপন্ন হয়, আবার নিউট্রনটি পাইপ-সি শােষণ করে প্রােটনে পরিণত হয়। ব্যাপারটা অনেকটা এরকম : n---> p+ π এবং p + π---> n এর উল্টো রূপান্তরটি এরকম : p---> n + π এবং n + π---> p এখানে n হলাে নিউট্রন, p হলাে প্রোটন, যা হলাে পাই মাইনাস আর তা হলাে পাই প্লাস। অর্থাৎ প্রােটন ক্রমাগত নিউট্রনে এবং নিউট্রন ক্রমাগত প্রােটনে পরিণত হতে থাকে। খুব স্বাভাবিক একটা প্রশ্ন উঠতে পারে যে, এই রূপান্তর যদি সত্যিই ঘটে তাহলে কখনােই ভরের পার্থক্য দেখা যায না কেন? প্রােটন এবং নিউট্রনের ভর তাে সমান নয়! তাহলে নিউট্রন যদি প্রোটনের পরিণত হয় কিংবা প্রোটন পরিণত হয় নিউট্রনে তাহলে ভরের একটা পার্থক্য ঘটে যাওয়ার কথা না? হ্যা, যাওয়ার কথা। কিন্তু এই রূপান্তরের ঘটনাগুলাে এত দ্রত গতিতে ঘটে (এক মাইক্রোসেকেন্ডেরও কম সময়ে) যে, এই ভর-পার্থক্য কখনােই ধরা পড়ে না। আবার উভয় ধরনের কণাই ক্রমাগত রূপান্তরের মধ্যে থাকে বলে বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় নিয়ম অনুযায়ী নিজেদেরকে যে বিকর্ষণ করার কথা তা তাদের মনেই থাকে না। নিজেদের অস্তিত্ব নিয়েই যখন টানাটানি তখন কি আর এত নিয়ম-কানুনের কথা মনে রাখা সম্ভব? (কথাটা মজা করে বললাম, নিউট্রন-প্রােটনের 'মন আছে, এ-কথা বললে তাে পদার্থবিদরা আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করবেন!) যাহােক, সবল নিউক্লিয় বলকে আরেকটু ভালােভাবে বােঝার জন্য আরাে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হয়েছিল। ১৯৫০-এর দশকে বিজ্ঞানীরা কণা-তৃরকযন্ত্র (particle accelerator) তৈরি করতে সক্ষম হলেন। এই যন্ত্র দিয়ে যখন পরমাণু এবং নিউক্লিয়াস ভেঙে ফেলতে পারলেন বিজ্ঞানীরা, তখন পায়ােনের অস্তিত্বও পেলেন। মানে ইয়ােকাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী (prediction) সত্য বলে প্রমাণিত হলাে। একইসঙ্গে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করলেন প্রােটিন এবং নিউট্রন আসলে মৌলিক কণা নয়, এগুলাে কোয়ার্ক নামের আরেক ধরনের কণা দিয়ে তৈরি (এই কোয়ার্ক আবার বিভিন্ন ধরনের। সেই আলােচনায় আর না গেলাম)। সবল নিউক্লিয় বল এই কোয়ার্কগুলাকেই একসঙ্গে বেঁধে রাখে যার ফলে নিউক্লিয়াসে। প্রোটন-নিউট্রন গুলো জমা হয়ে থাকতে পারে। যে-কথা একটু আগে বলছিলাম যে, সবল নিউক্লিয় বল বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বলের চেয়ে অনেক শক্তিশালী, মহাকর্ষের চেয়ে তাে বটেই। সত্যি বলতে কি এটিই প্রকৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী বল। তবে এটি কাজ করে ক্ষুদ্র দূরত্বের মধ্যে একটা নিউক্লিয়াসের আকার কতটুকু, এই বল কাজ করার সীমাও ততটুকু। যেহেতু এই শক্তিশালী বল দিয়ে প্রােটন-নিউট্রনগুলাে নিউক্লিয়াসের ভেতরে বাধা থাকে, তাই যখন দুই বা ততােধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয় (যাকে ফিউশন প্রক্রিয়া নামে অভিহিত করা হয়) অথবা একটি ভারী নিউক্লিয়াস ভেঙে যায় (এর নাম ফিশন প্রক্রিয়া) তখন নিউক্লিয়াস থেকে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়। সূর্য বা তারাদের শক্তির উৎসও এই নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া, যার পেছনে রয়েছে সবল নিউক্লিয় বলের একচ্ছত্র অবদান। (দুর্বল নিউক্লিয় বল):- বাকি রইলাে দুর্বল নিউক্লিয় বল। ভারি পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ঘটনা অনেক আগেই আবিষ্কৃত হয়েছিল। আলফা (হিলিয়াম নিউক্লিয়াস) বিকিরণ, বিটা (ইলেকট্রন) বিকিরণ এবং গামা (ফোটন) বিকিরণের মতাে ঘটনা বিজ্ঞানীদের কাছে নতুন নয়। আলফা এবং গামা বিকিরণের ব্যাখ্যা দিতেও কোনাে সমস্যা হয়নি। কিন্তু নিউক্লিয়াস থেকে বিটা। কণা বা ইলেকট্রন কেন নির্গত হয়, তা ব্যাখ্যা করা সহজ ছিল না। কারণ নিউক্লিয়াসে ইলেকট্রন থাকে না, থাকে বেশ কিছুটা দূরে তাদের নিজস্ব কক্ষপথে।তাহলে নিউক্লিয়াস থেকে ইলেকট্রন বিকিরণ হবে কেন? এই ব্যাপারটি ব্যাখ্যা করার জন্য রীতিমতাে বৈপ-বিক এক ধারণার প্রবর্তণ করলেন পাউলি (Wolfgang Pauli), ১৯৩০ সালে। তিনি বললেন নিউট্রন ভেঙে গিয়ে প্রােটন, অ্যান্টি-নিউট্রিনাে এবং ইলেকট্রন উৎপন্ন হয় এবং এই অ্যান্টি-নিউট্রিনাে এবং ইলেকট্রনই বেরিয়ে আসে নিউক্লিয়াস থেকে। আবার অন্য ঘটনাও ঘটে। অর্থাৎ প্রােটন ভেঙে গিয়ে নিউট্রন, নিউট্রিনাে এবং পজিট্রন উৎপন্ন হয়। কেন এই ধারণাকে বৈপ-বিক বলছি? কারণ মানব-সভ্যতার ইতিহাসে এই প্রথম পজিটন এবং অ্যান্টি-নিউট্রিনাে নামের দুটো কণার কথা বলা হলাে, যারা আসলে কণা নয়, প্রতিকণা (anti particle)। পজিট্রন হলাে ইলেকট্রনের প্রতিকণা এবং এর ভর ইলেকট্রনে সমান হলে একটি ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট। পজিট্রন শব্দটি এসেছে ‘পজিটিভ ইলেকট্রন' শব্দযুগল থেকে। তেমনই নিতনাে প্রতিকণা হলাে অ্যান্টি-নিউট্রিনাে। সত্যি বলতে কি, এই নিউট্রিনাে কণার ধারণাটিও ছিল একেবারেই নতুন। কারণ এই কণা কোনাে ধরনের বস্তুর সঙ্গেই মিথস্ক্রিয়া করে না, ফলে একে খুঁজে পাওয়া খুব দুষ্কর। এই ধারণা প্রবর্তনের দু-বছরের মাথায় পজিট্রনের অস্তিত্ব ধরা পড়ে পরীক্ষাগারে, কিন্তু প্রায় পচাশি বছর পরও নিউট্রিনাের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। যাহােক, এগু কণা-পদার্থবিজ্ঞানের আলােচনা, এ বিষয়ে এখানে আর কথা না বাড়ালাম। কলা বা ইলেকট্রন বিকিরণের জন্য অতি অবশ্যই আরেকটি বল সক্রিয় থাকে, বলাহবাহুল্য সেহ বলাট। নতাক্লয় বল তবে সবল নিউক্লিয় বলের মতো শক্তিশালী নয়। যেহেতু নিউক্লিয় বল হয়েও সে সবল বলের মতাে শক্তিশালী নয়। তাহ তার নাম দেয়া হলাে দুর্বল নিউক্লিয় বল! দুর্ভাগ্যজনক নাম তার, নিঃসেন্দহে! এবং অন্য সব বলের মতাে এই বলের। মিথস্ক্রিয়ার জন্যও কণার ভূমিকা আছে। দেখা গিয়েছে W এবং Z বােসন নামক দু-ধরনের কণার বিনিময়ের ফলে এক ধরনের কোয়ার্ক অন্য ধরনের কোয়ার্কে পরিণত হয়। আরেকটু এগিয়ে বলি। এই যে নিউট্রন ভেঙে গিয়ে প্রােটন, অ্যান্টি-নিউট্রিনাে এবং ইলেকট্রন উৎপন্ন হয়, তারপর অ্যান্টি-নিউট্রিনাে আর ইলেকট্রন বেরিয়ে আসে, কিন্তু প্রােটন তাে রয়ে যায়। সেক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসে প্রোটন-সংখ্যা বেড়ে যায় না? হ্যাঁ, যায় তবে! আর প্রােটন-সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ওই নিউক্লিয়াসটি ভিন্ন একটি রাসায়নিক মৌলে পরিণত হয়। তার মানে, নক্ষত্রের ভেতরে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের রাসায়নিক মৌল উৎপাদনে দুর্বল নিউক্লিয় বলে ভূমিকা অনস্বীকার্য। একইভাবে সুপারনােভা বিস্ফোরণেও এই বলের দারুণ ভূমিকা রয়েছে। যাহােক, দুর্বল নিউক্লিয় বল আসলে কতটা দুর্বল? তুলনা করলে বলা যায়, এটি সবল নিউক্লিয় বলের ১০ লক্ষ ভাগের এক ভাগ শক্তিশালী।

+2 more

@alma45

মৌলিক বল এই যে আমরা হাঁটি-দৌড়াই বা বসে থাকি, টান দিয়ে দরজা খুলি বা ধাককা দিয়ে চেয়ার সরিয়ে ফেলি- দৈনন্দিন জীবনের এরকম অজস্র ঘটনা বিশেষণ করলে আমরা দেখতে পাবাে, সবগুলাে ঘটনার সঙ্গেই কোনাে না কোনাে ধরনের বল (force) যুক্ত আছে। হয় আমরা বল প্রয়োগ করছি অথবা আমাদের ওপর বল প্রযুক্ত হচ্ছে। এই যে ধাক্কা দেয়া (push) বা টান মারা (pull) এই ধরনের বলগুলাে আমরা নিজেরাই তৈরি করি বলে ভেবে থাকি এবং এগুলাে পরিমাপ করার পদ্ধতিও আমরা জানি। নিউটনের বিখ্যাত বলের সূত্র থেকে সহজেই এই ধরনের বল পরিমাপ করা যায়। এক কেজি ভরের কোনাে স্থির বস্তুকে ধাক্কা দিয়ে (অর্থাৎ বল প্রয়ােগ করে) চলমান করলে যদি ত্বরণের পরিমাণ এক মিটার/সেকেন্ড হয় তাহলে ওই ধাক্কা-বলের পরিমাণ আসলে এক নিউটন (নিউটন হলাে বলের একক)। এসব আমরা বেশ ছােটবেলাতেই শিখে ফেলি। শিখি আসলে অনেক কিছুই, কিন্তু বিষয়গুলাে নিয়ে বাড়তি ভাবাভাবির কষ্ট খুব একটা করতে চাই না ।আমরা আসলে এক শক্তি-সমুদ্রে বাস করি। কত ধরনের শক্তি নিয়ে যে আমরা খেলা করি বা শক্তিগুলাে আমাদের নিয়ে খেলা করে তার ইয়ত্তা নেই। একইভাবে বলা যায় আমরা যা-ই করি না কেন, প্রকৃতির চারটি মৌলিক বল আমাদের সমস্ত কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের অজান্তেই। এই চারটি বলের কথা বিজ্ঞানের ছাত্ররা তাে জানেনই, জানেন অন্য অনেকেই। নামগুলাে দেখুন, পরিচিত লাগে কি না- মহাকর্ষ বল (gravitational force), বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বল (electromagnetic force), সবল নিউক্লিয় বল(strong nuclear force) এবং দুর্বল নিউক্লিয় বল (weak nuclear force)। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রথম দুটো বল তাে সার্বক্ষণিকভাবে ওতপ্রাতভাবে জড়িয়ে থাকে, বাকি দুটোও থাকে একইরকমভাবে যদিও তাদের ভূমিকা ঠিক দৃশ্যমান নয়।

@alma45

প্রাকৃতিক ভাবে ওজন কমানো উপায়ঃ প্রাকৃতিক ভাবে ওজন কমানো উপায়ঃ ১. পানি পান করুন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে শরীর আর্দ্র থাকে, এতে আপনার পেট ভরা এমন ভাবও তৈরি হবে। ক্ষুধাও কম লাগবে, এ কারণে আপনি কম খাবেন, ধীরে ধীরে ওজনও কমবে তাতে। দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন। ২. নিয়মিত ব্যায়াম করুন ৩. চিনি ও শর্করা থেকে দূরে চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার থেকে ১৫ দিন অন্তত দূরে থাকুন। পাশাপাশি শর্করাজাতীয় খাবার কম খান। ভাত, রুটি কম খান। এসব খাবার কম খেলে ওজন দ্রুত কমবে। ৪. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। এতে পেশি স্বাস্থ্যকর হবে। প্রোটিন খাবার বাদ দিলে শরীরে এর বাজে প্রভাব পড়বে। ডিম, দুধ, মুরগির মাংস, ডাল খাদ্যতালিকায় রাখুন। তবে লাল মাংস (গরু, খাসি) এড়িয়ে চলুন। ৫. সবজি খান বেশি বেশি খুব সহজ কথা। সবজি খেলে ওজন কমে। হ্যাঁ, তাই থালায় বেশি বেশি সবজি রাখুন। সবজির মধ্যে রয়েছে পুষ্টি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো শরীর ভালো রাখতে সাহায্য করে। ৬. কম ক্যালরি গ্রহন ৭. খাবার বাদ দেবেন না না খেয়ে কিন্তু ওজন কমানো যায় না। তাই কোনো বেলার খাবারকে বাদ দেওয়া যাবে না। দিনে অন্তত ছয়বার খান। তিনবেলা বড় খাবার ও তিনবেলা ছোট খাবার—এভাবে খাবারকে ভাগ করুন। একেবারে খুব বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণ খাবার খান। ৮. ফাস্টফুডকে না বলুন প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, সোডা—এই খাবারগুলোকে একেবারে না বলুন। এগুলোর মধ্যে উচ্চ পরিমাণ ক্যালরি থাকে, এতে ওজন বাড়ে। ৯. ছোট থালায় খান বড় থালায় খেলে বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তাই ছোট থালায় খান। খাবার কম খেতে চামচও ব্যবহার করতে পারেন। হাত দিয়ে খেলে বেশি খাবার একবারে আপনি মুখে দেন। হাতের বিকল্প চামচ ব্যবহার করলে খাবার কম গ্রহণ করা হয়। ১০. হাঁটুন ওজন কমাতে হাঁটার কোনো বিকল্প নেই। আর হাঁটা তো কেবল ওজনই কমাবে না, কমাবে হৃদরোগের ঝুঁকিও। বিষণ্ণতা বা মন খারাপ ভাবও কমে যাবে অনেক। ১১. একটু কম খান আগে যেখানে হয়তো তিনটি রুটি খেতেন, সেখানে একটি রুটি খান বা যেখানে এক থালা ভাত খেতেন, সেখানে এক কাপ ভাত খান। এর বদলে পেট ভরুন সবজি আর ফল দিয়ে।

@alma45

মহাশূণ্য অথবা মহাকাশ মহাশূণ্য অথবা মহাকাশ বলতে সাধারণভাবে মাথার উপরকার অনন্ত আকাশ বোঝানো হলেও বস্তুত পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলসমৃদ্ধ আকাশকে পৃথিবীর আকাশ বলা হয়। তাই পৃথিবীর প্রেক্ষাপটে মহাকাশ হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরের অনন্ত স্থান। এ আকাশসীমায় অতি অল্প ঘনত্বের বস্তু বিদ্যমান। অর্থাৎ শূন্য মহাশূন্য পুরোপুরি ফাঁকা নয়। প্রধানত, অতি অল্প পরিমাণ হাইড্রোজেন প্লাজমা, তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ, চৌম্বক ক্ষেত্র এবং নিউট্রিনো এই শূন্যে অবস্থান করে। তাত্ত্বিকভাবে, এতে কৃষ্ণবস্তু এবং কৃষ্ণশক্তি বিদ্যমান।মহাশূন্য এমন অনেক কিছু আছে যা মানুষ এখনও কল্পনা করতে পারেনি। মহাকাশ আমাদের সব সময় টানে। কত রহস্য লুকিয়ে আছে এখানে। কোথা থেকে কীভাবে এর উদ্ভব? রাতের আকাশে কীভাবে উল্কাবৃষ্টি হয়, কেন হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছর পর একবার করে সূর্যকে ঘুরে যায়। সুপারনোভার মধ্যে লুকিয়ে আছে কত অজানা রহস্য। এসব জানার আগ্রহ আমাদের সবার। আর এই আগ্রহকেই প্রাধান্য দিয়ে লেখক "অচেনা মহাকাশ ভেতরের কথা"বইটি লিখেছেন।আর যেখানে মহাকাশের জানা অজানা সব বিষয়কে খুব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।বইটি ঠোটদের জন্য হলেও যারা মহাকাশের একদম শুরু থেকে জানতে চান তাদের জন্য খুবই উপকারী হবে বইটি। লেখক বিজ্ঞান গ্রন্থ লিখে পাঠকের কাছে বেশি জনপ্রিয়।আর এই বইটিও জনপ্রিয় বিজ্ঞান গ্রন্থ সিরিজের একটি গ্রন্থ।অচেনা আকাশ নিয়ে জানার তৃষ্ণা মেটাতে এই বইটি খুবই উপকারী হবে বলে মনে হয়েছে।

@alma45

শীতকালে মুখ থেকে ধোঁয়া বের হয় কেন? শীতকালে মুখ থেকে ধোঁয়া বের হয় কেন? শীত কালে এই প্রশ্নটা অনেকের মাথায় আসে।বেশি কিছু না বলে শুরু করছি। সহজ করে বললে এর কারণ, বাইরের ঠাণ্ডা বাতাসের সংস্পর্শে এসে শরীরের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা গরম জলীয়-বাষ্পপূর্ণ বাতাসের জলীয় বাষ্পের ঘনীভবনের ফলে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জলকণার সৃষ্টি। মানে আসলে আমরা যেটা দেখি, সেটা ধোঁয়া ঠিক না, বরং মেঘ বা কুয়াশার সমগোত্রীয়। এবার আর একটু বিশদে দেখা যাক এরকমটা কেন হয়। আসলে বাতাসকে গরম করলে তার জলীয় বাষ্প ধারণ ক্ষমতা বাড়ে। বা উলটে বললে, বাতাসকে ঠাণ্ডা করলে তার জলীয় বাষ্প ধারণ ক্ষমতা কমে। ফলে কিছুটা বাতাস নিয়ে তাকে যদি আমরা ক্রমাগত ঠাণ্ডা করতে থাকি, তা হলে একটা সময় গিয়ে দেখা যাবে যে সেই বাতাসে বর্তমান জলীয় বাষ্পের পরিমাণ তার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতার সমান হয়ে গেছে, অর্থাৎ সেই বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ১০০% হয়ে গেছে। যে তাপমাত্রায় গিয়ে এটা হয় তাকে সেই বাতাসের শিশিরাঙ্ক বলা হয়। তার থেকেও যদি আরও ঠাণ্ডা করা হয় তা হলে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যতোখানি জলীয়বাষ্প ছিল তা বাতাসের উষ্ণতা অনুসারে (অর্থাৎ ০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপর না নীচে) তরল বা কঠিন অবস্থায় অত্যন্ত সূক্ষ্ম কণিকার আকারে বেরিয়ে আসে। আমাদের শরীর সবসময় মোটামুটি একই উষ্ণতায় থাকে (৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট / ৩৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং আমাদের ফুসফুস ও শ্বাসনালীও মোটামুটি একই রকম ভিজে-ভিজে থাকে। ফলে আমরা যে নিঃশ্বাস ছাড়ি সারা বছরই তাতে জলীয় বাষ্পের ভাগ মোটামুটি একই রকম থাকে। তার মানে তার শিশিরাঙ্কও একই থাকে। কিন্তু বাইরের বাতাসের উষ্ণতা যখন সেই শিশিরাঙ্কের নীচে নেমে যায় তখনই আমাদের নিঃশ্বাসে ঘনীভবন শুরু হয় ও ধোঁয়া, থুড়ি মেঘ তৈরি হতে থাকে। আরও নিখুঁতভাবে বিচার করলে বাইরের বাতাসের উষ্ণতা ছাড়াও আপেক্ষিক আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ (যাতে কত তাড়াতাড়ি নিঃশ্বাসের বাতাস আর বাইরের বাতাস মিশছে তার তফাৎ হয়), ইত্যাদিরও ভূমিকা থাকে। কিন্তু মোটা দাগে ব্যাপারটা এইরকমই।

@alma45

ওজন কমানোর ১৫টি সহজ উপায় ওজন কমানোর ১৫টি সহজ উপায় মেদ কমানো আসলে খুব কঠিন কাজ নয়। একটু ইচ্ছে আর সামান্য ধৈর্য থাকলেই তা সম্ভব। আর তা যদি ঘরোয়া উপায়ে হওয়া যায়, তাহলে তো মন্দ হয় না, কী বলুন? ওজন কমানোর সহজ কিছু উপায় জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি। আসুন জানি সেগুলো : ১. গ্রিন টি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন চার কাপ গ্রিন টি পান করলে প্রতি সপ্তাহে অতিরিক্ত ৪০০ ক্যালরি পর্যন্ত ক্ষয় করা সম্ভব। গ্রিন টি-তে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি আমাদের দেহের ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন গ্রিন টি অবশ্যই পান করুন। ২. তালিকা যেদিন থেকে ওজন কমানোর কথা ভাববেন, সেদিন প্রথমেই কী কী খাবেন এবং কখন খাবেন, তার একটা তালিকা বানিয়ে নিন। ৩. নাচ যদি আপনি নৃত্যশিল্পী নাও হন, তাহলে গানের সঙ্গে পায়ে তাল মেলান। ১০ মিনিট ধরে তাল মিলিয়ে দেখুন। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৫৮ শতাংশ ক্যালরি ঝড়াতে পারবেন। ৪. মসলাদার খাবার শুধু সেদ্ধ খাবার কখনই খাবেন না। মসলা, যেমন—হলুদ, ধনে, জিরে গুঁড়া ইত্যাদি মসলাগুলোকে কখনো খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেবেন না। কারণ, এ মসলাই আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে। ৫. ফোনে ঘুরে কথা বলুন যখন ফোনে কথা বলবেন, তখন একটা জায়গায় বসে কখনই কথা বলবেন না। সব সময় ঘুরে ঘুরে কথা বলুন। এইভাবে ১০ মিনিটে ৩৬ শতাংশ ক্যালরি নষ্ট করতে পারবেন। ৬. পানি পান করুন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। পানি পানের কারণে আপনার শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করে দেওয়া সম্ভব হবে। ৭. ঘর মুছুন বাড়ির কাজ করুন। যেমন, ঘর মুছলে সবচেয়ে থেকে বেশি ক্যালরি নষ্ট করা যায়। এভাবে ৪২ শতাংশ ক্যালরি নষ্ট করা সম্ভব। ৮. চিনিকে না বলুন চিনি খাওয়া একেবারে ছেড়ে দিন। এক চা চামচে মোট ১৬ শতাংশ ক্যালরি থাকে। তাই চায়ে বা দুধে কখনোই চিনি দিয়ে খাবেন না। ৯. তাড়াতাড়ি রাতের খাবার শেষ করুন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাতের খাবার খেয়ে নিন। কারণ, রাতে খাবার খেয়েই শুয়ে পড়লে মুটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। আর রাতে যদি খিদে পায় তখন এক গ্লাস দুধ খেতে পারেন। ১০. জগিং করুন বাইরে দৌড়াতে যাওয়ার কোনো দরকার নেই। পারলে নিজের ঘরের মধ্যেই জগিং করতে পারেন। ১১. দিনে ঘুম বাদ দিন রাতে আট ঘণ্টা ঘুমানো খুবই দরকার। কিন্তু কখনই দিনের বেলায় ঘুমাবেন না। এতে মুটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। ১২. আস্তে আস্তে খান যখন খাবার খাবেন, তখন জলদি না খেয়ে আস্তে আস্তে খান। এতে আপনার পেট ঠিকঠাকভাবে ভরবে। যদি খুব বেশি তাড়াহুড়ো করে খান, তাহলে প্রয়োজন থেকে অনেক বেশি খাবার খেয়ে ফেলতে পারেন। ১৩. খাবার আগে পানি খান খাবার খাওয়ার আগে সব সময় এক গ্লাস পানি খান। এ ছাড়া জাঙ্ক ফুড একেবারেই খাবেন না। যেমন : ক্রিম বিস্কুট, বার্গার ইত্যাদি। যতটা পারবেন বাড়ির তৈরি খাবার খান। এতে শরীর ভালো থাকবে এবং মুটিয়েও যাবেন না। ১৪. ছোট প্লেটে খান প্লেট বদলে ফেলুন। যে প্লেটে খাবার খান, তার থেকে ছোট প্লেটে খান। এতে মনে হবে বেশি খেয়ে ফেলছেন। তাই কম খাবার খেতে শুরু করবেন। ১৫. খিদে পেলে পপকর্ন খান শুধু সিনেমা হলে গেলেই পপকর্ন খাবেন না। যখনই খিদে পাবে, তখনই পপকর্ন খেতে পারেন। এটি কম ক্যালরিযুক্ত খাবার। তাই মুটিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কম।

@alma45

হার্ট ছাড়া জীবন হার্ট ছাড়া জীবন অচল। অথচ হার্ট ছাড়াই বেঁচে আছেন ইস্ট লন্ডনে ইলফোর্ডের বাসিন্দা সালওয়া হোসাইন! ব্যাকপ্যাকে আর্টিফিশিয়াল হার্ট নিয়ে ঘুরছেন। কারো দানকৃত হার্ট না পাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ব্যাটারি চালিত এই হার্ট নিয়েই চলতে হবে ৩৯ বছর বয়সী সালওয়াকে। মিডিলসেক্সের হার্টফিল্ড হাসপাতালের চিকিৎসকরা ব্যাগের মধ্যে একটি ডিভাইস দিয়ে হার্ট ফেইল রোগী সালওয়াকে বাঁচিয়ে রাখার সর্বশেষ চেষ্টা করছেন। ইউকের মধ্যে একমাত্র এই হাসপাতালেই হার্টফেইল রোগিদের জন্যে এই ডিভাইস ব্যবহার করা হয়। এতে ব্যয় হয় প্রায় ৮৬ হাজার পাউন্ড। এই ডিভাইসটি রোগির শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। এই ডিভাইসের কারণে দৈনন্দিন জীবনের অন্যান্য কাজও করতে পারছেন দুই সন্তানের মা সালওয়া হোসাইন। ইউকের মধ্যে সালওয়া হোসাইনই প্রথম মহিলা যিনি আর্টিফিশিয়াল হার্ট নিয়ে বেঁচে আছেন। এর আগে ২০১১ সালে ৫০ বছর বয়সী আরেক ব্রিটিশ পুরূষকেও আর্টিফিশিয়াল হার্ট দিয়ে বাঁচানো হয়েছিল

@alma45

মাটির নিচে অদ্ভুত শহর কুবার পেডি মাটির নিচে অদ্ভুত শহর কুবার পেডি। মাটির নিচে গোটা এক শহর লুকিয়ে আছে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায়। পৃথিবীর এক অন্যতম অস্বাভাবিক স্থান এটি। এ শহরের প্রায় ৮০% লোক মাটির নিচে বসবাস করে। তারা কাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করে সেখানে। এ শহরটিকে খনি শিল্পের শহর বলা হয়। কুবার পেডি আসলে বর্ণালি পাথরের খনি। ১৯১৫ সালে খনিগুলো আবিষ্কারের পর এই শহরে খনি শ্রমিকদের কদর বেড়ে যায়। এখানে অনেক সুড়ঙ্গ ও চোরাইপথ রয়েছে। মাটির নিচের এ শহরে রয়েছে চার্চ, শপিং সেন্টার, আর্ট গ্যালারি, হোটেল ও অফিস। শহরে কোনো ঘাস দেখা যায় না, নেই কোনো সবুজ গাছ।

@alma45

এক নাস্তিক প্রফেসর ক্লাসে ঢুকেই তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন 😎#এক_নাস্তিক_প্রফেসর_ক্লাসে_ঢুকেই_তার_ছাত্রদের_উদ্দেশ্যে_প্রশ্ন_ছুড়ে_দিলেন, "পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কি সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন?" একজন ছাত্র বেশ আত্নবিশ্বাসের সাথেই উত্তর দিলো, জ্বী স্যার। সবকিছুই সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন। "তাই নাকি! ছাত্র টির উত্তর শুনে মুচকি হাসেন প্রফেসর। সৃষ্টিকর্তা সত্যিই সবকিছু তৈরি করেছেন? তুমি ভেবে বলছো?" ছাত্র টি আগের মত আত্নবিশ্বাসের সাথে হ্যাঁ বোধক উত্তর দিতেই প্রফেসর আবারও প্রশ্ন করেন, "সৃষ্টিকর্তাই যদি সবকিছু তৈরি করে থাকেন তাহলে উনি তো খারাপ কেও সৃষ্টি করেছেন। তোমার উত্তর অনুযায়ী যেহেতু খারাপের অস্তিত্ব আছে এবং সেটা আমাদের কাজের উপর নির্ভর করেই নির্ধারণ হয়, সেই যুক্তি অনুযায়ী তাহলে সৃষ্টিকর্তা নিজেই খারাপ। কারন আমাদের ভাল-মন্দ সব গুণ উনি তৈরি করেছেন।" প্রফেসরের এমন কথা শুনে সব ছাত্র চুপ হয়ে গেলো। কেউ কিছু বলছেনা। ছাত্রদের চুপ হয়ে যাওয়া দেখে প্রফেসর নিজের উপর বেশ সন্তুষ্ট হলেন। কিছুক্ষণ পর আরেকজন ছাত্র উঠে দাড়ালো। প্রফেসর আমুদে ভঙ্গীতে জিজ্ঞাসা করেন, কিছু বলতে চাও? ছাত্র টি হাসি মুখে প্রফেসরের কাছে জানতে চায়, "আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি স্যার?" অবশ্যই করতে পারো। প্রফেসর অনুমতি দিতেই ছাত্র টি জিজ্ঞাসা করে- "স্যার, ঠান্ডা বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে কি?"??? … প্রশ্ন শুনে প্রফেসরের চেহারায় বিরক্তি ফুটে ওঠে। "কি গাধার মত প্রশ্ন করো! ঠান্ডার অস্তিত্ব থাকবেনা কেন? অবশ্যই ঠান্ডার অস্তিত্ব আছে। তোমার কি কখনো ঠান্ডা লাগেনি?" এবার ছাত্র টি মুচকি হেসে উত্তর দেয়, সত্যি বলতে কি স্যার, ঠান্ডার কোনো অস্তিত্ব নেই। আমরা যেটাকে ঠান্ডা বলি, পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় সেটা আসলে তাপের অনুপস্থিতি। আমরা এই "ঠান্ডা' শব্দ টিকে জাস্ট কম তাপ কিংবা তাপের অনুপস্থিতি কে ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহার করি। কিছুক্ষণ পর ছাত্র টি আবারো প্রশ্ন করে, "স্যার অন্ধকার বলে কিছু কি পৃথিবীতে আছে?" প্রফেসর উত্তর দেন, কেন থাকবেনা! অবশ্যই অন্ধকারের অস্তিত্ব আছে। ছাত্র টি সহাস্যে উত্তর দেয়, আপনার ধারণা ভুল স্যার। অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। আমরা আলো কে নিয়ে রিসার্চ করতে পারি, আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ মাপতে পারি, আলোর গতি বের করতে পারি। কিন্তু অন্ধকারের অস্তিত্ব নেই বলেই আমরা অন্ধকার নিয়ে কোনো কিছুই করতে পারিনা। সামান্য একটা আলোক রশ্নি অন্ধকার দূর করতে যথেষ্ঠ, কিন্তু অন্ধকার কখনো আলো কে গ্রাস করতে পারেনা। কারন অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই, অন্ধকার হচ্ছে আলোর অনুপস্থিতি। ছাত্র টি আবারও প্রশ্ন করে বসে। "স্যার, এবার বলেন খারাপের কি অস্তিত্ব আছে?" প্রফেসর বেশ ক্রুদ্ধস্বরে উত্তর দেন, অবশ্যই আছে। প্রতিদিন কত মানুষ খুন হচ্ছে, অন্যায় হচ্ছে, এগুলো খারাপ না?" ছাত্র টি বেশ জোরের সাথে উত্তর দেয়, "না স্যার। খারাপের কোনো অস্তিত্ব নেই, এটা হচ্ছে ভালোর অনুপস্থিতি। এটা সেই ঠান্ডা এবং অন্ধকারের মতই, মানুষের অন্তরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালবাসার অনুপস্থিতিই এই খারাপ বা মন্দের অবস্থা তৈরি করে।❤

@alma45

শূন্যতা বিখ্যাত দার্শনিক অ্যারিস্টেটল মনে করতেন প্রকৃতি শূন্যস্থান পছন্দ করে না। সে জন্য তিনি একটা যুক্তিও দেখালেন সেটা অনেক টা এরকম—ধরা যাক একটি কাপে চা কফি কিছু নেই তাহলে কি সেটা খালি? কখনো না! বাতাস আছে তো! একটা খালি ছিপি আটকানো বোতল কে চুপসানো যায়? না। কারণ এর ভেতরে আছে বাতাস। বিজ্ঞানী টরিসেলি একটি যুগান্তকারী পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে শূন্যস্থান থাকতে পারে! এমনকি বাতাসও থাকবে না। ধরা যাক আমি একটা ৩৪ ফুট লম্বা স্ট্র দিয়ে পানি পান করছি তাহলে এক সময় দেখবো ৩২ ফুট উঠে পানি আর উঠছে না। থেমে আছে। তখন ২ ফুটের মতো একটা শূন্যতা পেয়ে যাব। আমি যদি স্ট্র টা মুখে নিয়ে বসে থাকি তাহলে কখনোই পানি উঠে আসবে না। নিশ্চিতভাবে আমাকে চুমুক দিতে হবে‌। চুমুক যখন দেই তখন মুখের ভেতরে বাতাসের শূন্যতা তৈরি হয় তখন বাইরের বাতাসের চাপ পানিকে উপরে পাঠাই। কিন্তু ৩২ ফুট উঠার পর পানির চাপ আর বাতাসের চাপ সমান হয়ে যায়।বাতাস আর ঠেলে পানিকে পাঠাতে পারে না। ফলে তৈরি হয় স্ট্রতে ২ ফুট শূন্যতা। কিন্তু সেটা কি আসলেই খালি? বাতাস নেই, পানি নেই। কিন্তু অন্য কিছু কি থাকতে পারে না? কোয়ান্টাম বলবিদ্যা বলে শূন্যস্থান আসলে শূন্য না। সেখানে প্রতিমুহূর্তে তৈরি হচ্ছে কণা আর প্রতিকণা। কণা প্রতিকণা দেখা হলেই তারা একে অপরকে ধ্বংস করে দেয় পড়ে থাকে শক্তি। Opposite attraction জিনিস টা যেন ওদের পছন্দ না! শক্তির নিত্যতার সূত্র লংঘন হচ্ছে না। কণা প্রতিকণার বিনাশের পর আবার শক্তি ফিরে আসছে। এটা খানিকটা শক্তি ধার করার মতো! তো বিজ্ঞানীরা বুঝলেন কী করে যে শূন্যতা আসলে শূন্য না? হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা সূত্র থেকে। সেটা বলে একটা কণার ভরবেগ যত নিশ্চিত ভাবে বের করতে পারবো অবস্থান তত ত্রুটিপূর্ণ হবে। আবার অবস্থান যত নিখুঁত ভাবে বলতে পারবো ভরবেগ তত অনিশ্চিত হবে। কোনো কিছু দেখা অর্থ তার গা থেকে ফোটন প্রতিফলিত হয়ে আসা। একটা ইলেকট্রন কে দেখতে হলে তার উপর ফোটন দিয় মারতে হবে। তারপর ফোটন টা ইলেকট্রন কে নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী একটা পাল্টা ধাক্কা দেবে। ইলেকট্রন ও দেবে তাই আলো প্রতিফলিত হবে আর আমরা ইলেকট্রন কে দেখবো ।একটা নগণ্য ভরের ইলেকট্রন সেই ধাক্কায় কতটা ত্বরিত হবে ভাবতে পারছেন? তার পথ ধাক্কা খেয়ে উলোট পালোট হয়ে গেছে। আবার দেখতে হলে ফোটন মারা ছাড়া উপায় নেই এবং আবার একি কাণ্ড ঘটবে! অবস্থান জেনে গেছি কিন্তু ভবিষ্যতে ইলেকট্রন কোথায় জানছি না। এটা শুধু ভরবেগ আর অবস্থানের ক্ষেত্রে খাটে না। কোয়ান্টাম জগৎ ততটা সুনিশ্চিত নয়। আর অনিশ্চয়তার ভূমিকাও সভ্যতায় কম নয়! আমরা জানি একটা স্থান শূন্য। তখন আসলে এটা পুরোপুরি নিশ্চিত যে কোনো ক্ষেত্র সেখানে নেই তাই অনিশ্চয়তা ভুগছি পুরোপুরি সেখানকার শক্তির হ্রাস বৃদ্ধি সম্পর্কে! সেখানে শক্তি থাকতে পারে! আমি শূন্যতায় ডুবে আছি—কথাটা খানিকটা হলেও ভুল। আমরা কখনোই একা নয়!