read.cash Log in

@Safwan

Joined 3 June 2020 · 228 posts

120 KT

0 KT · 89¢ received · 0 KT · 80¢ given

Posts

@Safwan

বচনাকার অনাদিকে বচনাকারের অন্তর্গত বচনবর্ণের স্থলে কোনাে বচন সংস্থাপন করলে যে বচন। সटামিখা এবং অনির্দিটমান (এ সম্পর্কে পরবরতীতে বিস্তৃত আলােচনা করা হয়েছে)। নয়, এ উন্যা তা সত্য বা মিখ্যা কোনােটাই হতে পারে না। বচনাকার ইয় স্বতঃসত্য, পরাকে বাচনিক সূত্র' বা 'বচনসূত্র ও বলা যায়। লক্ষণায় যে, বচনাকার কোনাে বচন। একেত্র বচনক্ণ হচ্ছে এহক প্রতীক এবং সংযােজক চিহ্ন হচ্ছে ধ্রুবক প্রতীীক। আর এ ুক্তিবিদ্যায় বচনবর্ণ এবং সংযােজক চিহ্ন উভয়ই প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। গাওয়া বায়, তাহলে সেই প্রতীক পরম্পরা হবে একটি বচনাকার। উল্লেখ্য যে, প্রতীকী। ারা গঠিত কোনাে প্রতীক পরস্পরায় বচনবর্ণের স্থলে বচন সংস্থাপন করলে যাদি একটি বচন। কারণেই সম্পূর্ণ বচনাকারকে প্রতীক পরম্পরা ইসেবে উল্লেখ করা হয় এ ধরনের প্রতীক এতীকী ব্যুক্তিবিদ্যা

@Safwan

True table23 সব সত্যমান পাওয়া যায়, সেগুলাে ১.সত্য ও q সত্য হলে pVq সত্য; pa eq rej pvq 1; 8 pfa eq faR pvq faISTI অতএর বলা যায় যে, বৈকল্পিক অপেক্ষকের ক্ষেত্রে p v q মিথ্যা হবে তখনই যখন পৃথকতাবে p ও এ মিথ্যা হবে। আর যদি p এবং q-এর যে কোনাে একটিও সত্য হয় अবা উতয়ই সত্য হয় তাহলে pV q সত্য হবে। টি উল্লেখ্য যে, py q-কে অন্য প্রতীক দিয়েও প্রকাশ করা যায়। অর্থাৎ 'or' 'বা' 'অথবা জাতীয় যােজকের অর্থ আমরা v ব্যবহার না করে একইসাথে এবং '-' ব্যবহার করেও প্রকাশ করতে পারি। এরূপ ক্ষেত্রে আলাচ্য বচনের অর্থের বা সত্যমানের কোানাে পরিবর্তন হয় না। যেমন- টি রা 1.pvq= 2 pael q .- ( ~~p~~ q) = একথা সত্য নয় যে, p ও q উভয়ই মিথ্যা। অর্থাৎ (p v q) = ~~(~~ p~ p)

@Safwan

উচ্চস্বরে জিকির করা উচ্চস্বরে জিকির করা: বুখারী শরীফে হযরত আবু হুরায়রা (রা.) কর্তৃক নবী করিম (দ.) বর্ণিত একখানা হাদীসে কুদসী বর্ণনা করা হয়েছে। হাদীস খানা নিম্মরূপ- قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّی اللهُ عَلَیْهِ وَسَلَّمَ یَقُوْلُ اللهُ اَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِیْ بِیْ وَاَنَا مَعَهٗ اِذَا ذَکَرَنِیْ. فَاِنْ ذَکَرَنِیْ فِیْ نَفْسِهٖ ذَکَرْتُهٗ فِیْ نَفْسِیْ وَاِنْ ذَکَرَنِیْ فِیْ مَلَاءٍ ذَکَرْتُهٗ فِیْ مَلَاءٍ خَیْرٌ مِّنْهُ অর্থ: "নবী করিম (দ.) এরশাদ করেছেন, “আল্লাহ্ তায়ালা বলেছেন-" আমার সম্পর্কে বান্দার ধারণা অনুযায়ীই আমি তার সাথে আচরণ করবাে। যখন সে আমাকে স্মরণ করে তথন আমি তার সাথে থাকি (সাহায্য নিয়ে)। যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে, তাহলে আমিও তাকে মনে মনেই স্মরণ করি। আর যদি সে আমাকে মজলিসে বসে (উচ্চস্বরে) স্মরণ করে, তাহলে আমিও তাকে স্মরণ করি- এর চেয়েও উত্তম মজলিসে।” (বুখারী শরীফ - হযরত আবু হুরায়রা সূত্রে)

@Safwan

Philosophy প্রতীকের সাহায্যে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। উপর্যুক্ত দৃষ্টান্তে বর্ণিত সংযৌগিক বনটির অন্তর্গত উপাদান বচন দুটির স্থলে প্রাহক প্রতীক হিসেবে যথাক্রমে p, q স্থাপন করলে এবং ও' এর স্থলে ধ্রবক প্রতীক হিসেবে :' (Dot) প্রতীকটি স্থাপন করলে আলােচ্য কনটির আকার হবে p সভামুল্যের ওপর। আর সত্যসারণীর নিয়মানুসারে আমরা p এবং q এর চারটি পৃথক সতামান পাই। এ হিসেবে p q এর সত্যমান হবে নিম্নরূপ : ant ৭. যার সত্যমূল্য নির্ভর করছে পৃথকভাবে p এবং q এর লায় লা- ১. সত্য ও q সত্য হলে p q সত্য; ২ সত্য ও q মিথ্যা হলে p q মিথ্যা; ৩, pনিখ্যা ও q সত্য হলে p q মিথ্যা; ৪. pনিখ্যা ও q মিথ্যা হলে p q মিথ্যা। as. সবে কাজেই দেখা যাচ্ছে যে, সংযৌগিক অপেক্ষকের ক্ষেত্রে p q সত্য হবে তখনই যখন পৃথকতাবে p ও q সত্য হবে। আর যদি p ও q- এর যে কোনাে একটিও মিথ্যা হয় অথবা উত়ই মিথ্যা হয় তাহলে p q মিথ্যা হবে। হের দান সত্য বৈকল্পিক বচন বা অপেক্ষক Disjunctive Statement or Function গিক দুই বা ততােধিক সরল বচন যখন 'হয়-নয়', 'হয়-না হয়', 'বা', 'অথবা', 'কিংবা' ইত্যাদি লাতীয় যৌক্তিক যােজক দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সত্যাপেক্ষক বা যৌগিক বচন গঠন করে তখন বচনটির আকারকে বলে বৈকল্পিক অপেক্ষক। এরূপ বচনের অন্তর্গত অঙ্গবচন বা উপাদান বচনগুলােকে বলে বিকল্প (disjunct) বচন। আর যে যােজক দ্বারা এ বিকল্প বচনওলাে যুক্ত হয় তাকে বলে বিকল্পন (disjunction)। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় বিকল্পনের প্রতীক হিসেবে 'v' প্রতীকটি (vel symbol) ব্যবহৃত হয়। লক্ষণীয় যে, উল্লিখিত দুটি টির য়াগ

@Safwan

93boikik ৯৩ বৈকিক বচনের অন্তর্গত উপাদান বচন হিসেবে বিকল্প বচন দুটির যে কোনাে একটি সত্যা ও একটি মিথ্যা হতে পারে। অর্থাৎ লােকটি সৎ হলে অসৎ হবে না এবং সৎ না। লে অবশ্যই অসৎ হবে। কাজেই এরূপ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ যৌগিক বচনটি সত্য হবে। বিকাতিক বচনের অন্তর্গত উপাদান বচন হিসেবে বিকল্প বচন দুটি একইসাথে সত্য বা বইসাথে মিথ্যা হতে পারে না। অর্থাৎ লােকটি একইসাথে সৎ ও অসৎ হতে পারে। ার সং ও অসৎ কোনটিই নয়, তা-ও হতে পারে না। আর এরূপ ক্ষত্রেই সত্যসারণী যৌগিক বচনটি মিথ্যা হবে। ায়াে বিষয়টি ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তে বর্ণিত বৈকল্পিক বচনটির অন্তর্গত উপাদান হলে গ্রাহক প্রতীক হিসেবে যথাক্রমে p ও q-কে স্থাপন করলে আলােচ্য আকার হবে p A q, যার সত্যমূল্য নির্ভর করছে পৃথকভাবে p এবং q এর র ওপর। আর সত্যসারণীর নিয়ামানুসারে p ও q- এর যে চারটি পৃথক সত্যমান যায় সে অনুসারে p A q-এর সত্যমান হবে নিম্নরূপ : মিথ্যা সত্য ও q সত্য হলে pA q সত্য ও এ মিথ্যা হলে pA q সত্য; p মিথ্যা ও q সত্য হলে pA q সত্য; মিথ্যা ও q মিথ্যা হলে p Aq মিথ্যা। সতামানসমূহকে একটি সারণীর মাধ্যমে দেখানাে হলাে ও T. F F T. F F F দেখা যাচ্ছে যে, বিসংবাদী বা বর্জনমলক অপেক্ষকের ক্ষেত্রে pA q সত্য হবে বন পথকভাবে p ও q এর যে কানাে একটি সত্য ও একটি মিথ্যা হবে এবং pA নিা, হবে তথনই যখন পৃথকভাবে p ও q সত্য হবে, অথবা পৃথকভাবে p ও q মিথ্যা কা যুক্তিবিদ্যায় বিসংবাদী বা বর্জনমলক বৈকল্পিক অপেক্ষকের ব্যবহার গে এককথায় নেই বললেই চলে। কারণ প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় বৈকল্পিক বচনকে আই গহণ করা হয়। এ জন্য বৈকল্পিক ন্যায় নামক অনুমানবিধি বিরােধী ও পকার বিকল্পতার ক্ষেত্রেই সমভাবে প্রযােজ্য হয়ে থাকে।

@Safwan

True table3 সত্যসারণী প্রাথমিক বা নিয়ামক স্তম্ভ (Initial or guide column): এতে থাকে উপাদান বচন। কেত্রে মূল অপেক্ষক বা যৌগিক বচনের অন্তর্গত উপাদান বচনের সংখ্যা অনুসারে এই র সংখ্যা নির্ণীত হয়। অর্থাৎ মূল অপেক্ষক বা যৌগিক বচনটির অপ্রধান সংযােগীর অনুসারে এই স্তম্ভের সংখ্যা নির্ণীত হয়। অর্থাৎ মূল অপেক্ষক বা যৌগিক বচনের অন্ত উপাদান বচন যতগুলাে হবে প্রাথমিক স্তম্ভও ততগুলাে হবে। উল্লেখ্যে যে, প্রাথমিক স্তম্ভ। বীয় সর্ববামে অবস্থান করে। মাধ্যমিক স্ুম্ভ (Secondary Column) : এতে থাকে মূল অপেক্ষক বা যৌগিক নটির অপ্রধান সংযােগী। সেক্ষেত্রে মূল অপেক্ষক বা জটিল যৌগিক বচনের অন্তর্গত প্রধান সংযােগীর সংখ্যা অনুসারে এই স্তম্ভের সংখ্যা নির্ণাত হয়। অর্থাৎ মূল অপেক্ষক বা বক বচনকে বিশ্লেষণ করলে যতগুলাে অপ্রধান সংযােগী পাওয়া যায়, সারণীতে কম হয় ততগুলাে। লক্ষণীয় যে, সারণীতে মাধ্যমিক স্তম্ভের অবস্থান হচ্ছে হমিক ও চূড়ান্ত স্তম্ভের মধ্যবর্তী অংশে। জন্ত শুমভ (Final column) : এতে থাকে যৌগিক বচনের প্রধান সংযােগী বা মূল ক। মূল অপেক্ষক যেহেতু একটি, এ জন্য চূড়ান্ত স্তম্ভ হয় একটি। বস্তুত চূড়ান্ত স্তম্ভ अান করে সারণীর সর্ব ডানে। উদ্লেখ্য যে, যেসব চিহ্ন বা সংকেত দ্বারা মূল অপেক্ষক বা যৌগিক বচনের প্রধান গী সম্বন্ধ স্থাপিত হয় তাকে বলে 'সংযােগ বা 'সংযােজন (conjunction) বা জক (connective) এবং এসব চিহ্ন বা সংকেত দ্বারা যেসব বচন যুক্ত হয় তাদের তাকটিকে পৃথকভাবে বলা হয় সংযােগী (conjunct)। সাধারণত একটি সরল যৌগিক কনে একটিমাত্র সংযােগী থাকে। কিন্তু জটিল যৌগিক বচনে থাকে একাধিক সংযােগী, যা অনুসারে বিভিন্ন বন্ধনী দ্বারা আবদ্ধ থাকে। এরূপ জটিল যৌগিক বচনের সমান দুটি শ যে যােজক দ্বারা যুক্ত থাকে সেই যােজকটিই নির্ধারণ করে বচনটি কোনাে ধরনের পক্ষক। আর এ যােজকটি দ্বারা সংযুক্ত বচনটিই হচ্ছে প্রধান সংযােগী বা মূল অপেক্ষক। জটিল যৌগিক বচনটির মধ্যে অন্য যেসব সংযােগী থাকে, সেগুলােকে বলে অপ্রধান

@Safwan

Bocon5 এহণমূলক ও বর্জনমূলক বৈকল্পিক বচনের ব্যাখ্যা দাও। , সমানতা ক? বনধুগত সমমানতা ও যৌক্তিক বা আকারগত সমমানতার স্বরূপ ব্যাখ্যা। বেকিক যােয়ক কাকে বলে? বিভিন্ন প্রকার যৌক্তিক যােজক স্বরূপ উল্লেখ কর। , সহ্যাপক্ষক বায অপেক্ষক বলতে কী বােঝ? বিভিন্ন প্রকার সত্যাপেক্ষী যৌগিকের স্বরূপ। |১, যেকতিক যােজকসমূহের মাধ্যমে গঠিত সত্যাপেক্ষকসমূহের একটি তালিকা। ই, ক থেকে সরল ও যৌগিক বচনের পার্থক্য আলােচনা কর। ক অ বন যৌগিক বচনের অস্তর্গত? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।

@Safwan

Questions বান ও অবধারণের মধ্যে একটি পার্থক্য উল্লেখ কর। উলরে অবধারণ একটি মানসিক প্রক্রিয়া, আর বচন হচ্ছে একটি ব্যক্ত প্রক্রিয়া। ৮. আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বচ়ন কত প্রকার ও কী কী? উতরে আধুনিক দষ্টিভঙ্গিতে বচন দুপ্রকার। যথা- ১. সরল বচন, ২, যৌগিক বচন। উতর যেসব বচনে একটি মাত্র বক্তব্য থাকে তাকে সরল বচন বলে। ১০. যৌগিক বচন কী? উতর যেসব বচনে একধিক বক্তব্য থাকে তাকে যৌগিক বচন বলে। ১৯. সল বছনের, একটি উদাহরণ দাও। বসেল হন দার্শনিক ও সাহিত্যিক। ১৬ অনবিক ও পমাৰিক বচন বলা হয় কোন কোন বছনকে? সল বনাকে অংনিক এবং মৌগিক বচনকে পারমাণবিক বচন বলা হয়।

@Safwan

সরল বচন ৭৫ ক খকে p ও q দুটি সরল বচন, আর 'p q' হচ্ছে যৌগিক বচন। একইভাবে p-ও ট যৌগিক বচন। কারণ p এবং ~ p অভিন্ন নয়। এরা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র দুটি বচন। কত-p-এর মধ্যেই উপাদান হিসেবে p উপস্থিত। সেক্ষেত্রে কোনাে বচন যদি এমন গব উপাদান হিসেবে একটি সরল বচন ছাড়া অতিরিক্ত অন্য আরাে কিছু উপস্থিত এই অতিরিক্ত একটা কিছু বচন হােক বা না হােক আলােচ্য বচনটি হবে বচন অত এ বা pv q ইত্যাদির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত উপাদান বা উপাদানগুলাে হচ্ছে। र - p-এর ক্ষেত্রে তা বচন নয়, বরং তা হচ্ছে সত্যাপেক্ষী। সেক্ষেত্ত্রে ওপরে যৌগিক বচনের স্বরূপ অনুযায়ী p १ বা p V q এর মতাে ~ p-ও হচ্ছে একটি সভাপেক্ষকের আলােচনায় আমরা মূলত সংযৌগিক, প্রাকল্পিক, বৈকল্পিক, সমমানিক ও এ প প্রকার অপেক্ষক নিয়ে আলােচনা করেছি। এ পাঁচ প্রকার অপেক্ষকই হচ্ছে।

@Safwan

True function Truth Function বজনের উদ্ভব হয়, প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় তাকেই সত্যাপেক্ষক বলে। একে সত্যাপেক্ষ ে zuh-functional compound) 1 (function)e প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় বচনের আলােচনায় বিশেষত বৌগিক বনের আলে সপেক্ষক বলা হয় এ জন্য যে, প্রতিক্ষ্ষেত্রেই বিভিন্ন যােজক দ্বারা পঠিত বেক दর নিজ সত্যতা বা মিথ্যাত্বের জন্য তার অন্তর্গত উপাদান বন বা স মম্যাত্বের অপেক্ষা রাখে। অর্থাৎ যৌগিক বচনের সত্যতা ও মিধ্যাত্ব

@Safwan

Logic3 পট সর্শনিক ছিলেন। এটি একটি বাক্য। এ বাক্যটিকে বচনে রূপান্তির করলে এর তকারটি হবে, প্েটো হন এমন একযন বাক্তি যিনি দার্শনিক ছিলেন'। ফি, কলের একটি নির্নী কারমাে আছে। অর্থাৎ বচন উদ্দেশ্য-সংযােজক-বিধেয় আকায়ে। শঁ বল কোল চির্ত পরকাশ করে। কিন্তু বাক্য চিন্তা, অনুভূতি, ইচ্ছা, আবেগ ইত্যাদি rên হয়, বাক্ণের ববকে ভাষাৰ একক বা ভাষার সরলতম মাত্রা বলে আখ্যায়িত করা যায়। ব ব্যবলের বাকের মাধ্যমেই মানুষ তার মনের ভাৰ প্রকাশ করে থাকে। অন্যাদকে কन अবর কোনাে একক বা সলতম মাত্রা নয়, বাচনকে চিন্তনের একক বা চিন্তলের কম মাত ছিচেবে উলেখ করা যায়। কারণ বচনের মাধ্যমেই আমরা চিন্তা বা যুকতি vasis সং, এটি ব একগু্জ শহ নিয়ে পঠিত। অন্যান্ প্রতীকের মতাে শব্দও জড়ব্তু। শব্। র দিেশ বি্ অব শদ যা প্রতীকতিত করে তা থেকে শব্দের রূপ ভিন্ন বক একি মি ১acae4 অবস্থান করে। আর যখন তা পঠিত হয় তখন শব্দ তরঙ্গ। থেকে অনয জবনে প্রবহিত হয়। কিন্তু বচন হলাে বাক্যের শাব্দিক প্রকাশ, , ক কথৰ বে যিেছিত হতে পারে। কিন্তু বচনকে কোনাে ভষ বা অ ক, খ না। ই একই বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন ভাষার বাকা বি বকর ফীয় অ্থ, আছে। বাকয তার প্রয়গরীতির মানদও অনুসরণ করতে পায়ে। আ ম ফে পা এ বযক, সত বা মিথ্যা হয় না। বাক্যে বিবৃত বচনই

@Safwan

Logic Il pleut. Es regnet এর চারটি বিবৃতি সম্পূর্ণ পৃথক চারটি বাক্য। কারণ এগুলাে যথাক্রমে ইংরেজি, পমি, ক্লান্গ ও জার্মান ভাষা। কিন্তু ভিন্ন ভাষার হলেও এ বাক্য চারটিতে একই অর্থ পকশিত হয়েছে। কাজেই এখানে চারটি বাক্যের উল্লেখ থাকলেও বচন রয়েছে একটি। আतर কপির মতে, একই বাক্য ভিন্ন প্রসঙ্গে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে। যেমন- The ent President of the United states is a former Senator. 4 e রিটা নিকসনের ক্ষেত্রে সত্য হলেও ১৯৮২ সালে রােনাল্ড রিগ্যানের ক্ষেত্রে মিথ্যা এনিক থেকে এখানে বাক্য একটি হলেও বচন হবে দুটি। কাজেই কপির মতে, বচন বাক) সমার্থক নয়।

@Safwan

modern Modern classification of proposition না। যুক্তিবিদ্যায় বিভিন্ন যুক্তিবিদের আলােচনায় বচনের শ্রেণিবিন্যাসের বিবিধ রূপ ক্ষিত হয়। তবে বর্তমান আলােচনায় কপিকে অনুসরণ করে বচনের শ্রেণিবিন্যাস। হয়েছে। বন্তুত বচনের চিরাচরিত শ্রেণিবিন্যাসের সাথে কপি প্রদত্ত বচনের আধুনিক বিন্যাসের মধ্যে যথেষ্ট সম্পৃক্ততা রয়েছে। ইরে আলােচিত বচনের চিরাচরিত শ্রেণিবিন্যাসে বিভিন্ন দিক থেকে বচনকে শ্রেণিবিন্যস্ত। শ্যের কত্রে হলে ও প্রকৃতপক্ষে এখানে রয়েছে মূলত দুটি ধারার বচন। একটি হলাে, একটি বক্তব্য टয়ের সাদা পরবী অনুচ্ছেদে বচনের আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসের আলােচনা প্রকল্পিক ও বৈকল্পিক বচন ব্যাপকভাবে। আগচিত হয়েছে বিধায় এখানে এ বচন দুটির আলােচনা উল্লেখ করা হয়নি। পटীকী যুক্তিবিদ্যা-৫

@Safwan

সুন্নাতে রাতেবা ☞ সুন্নাতে রাতেবা দৈনিক ফরয নামায সংশ্লিষ্ট ১২ রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদাহ নামায আদায় করা অনেক ফযীলতপূর্ণ। যোহরের পূর্বে চার রাকাত, পরে দুই রাকাত, মাগরিবের পর দুই রাকাত, এশার পর দুই রাকাত এবং ফজরের পূর্বে দুই রাকাত। ✔ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- যে ব্যক্তি দিবারাত্রিতে ১২ রাকাত (সুন্নত) নামায আদায় করবে, বিনিময়ে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করা হবে। _______________[ সহীহ মুসলিমঃ ৭২৮ ]

@Safwan

Philosophy5 সুতরাং সকল দার্শনিক হয় মরণশীল। উল্লেখ্য যে, বিবেয় কলনের যুক্তির অন্তর্গত বচনগুলাে মূলত উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের সংযােগে (li) সমস্ধ কলন (Ralation Caleulus) : আধুনিক যুক্তিবিদ্যায় উদ্দেশ্য-বিধেয় বস ছাড়াও বচনের অন্য একটি মৌলিক শ্রেণির উল্লেখ রয়েছে। আর এই মৌলিক শ্রেণির বচনই হচ্ছে সম্বন্মূলক বচন। যেমন, "টম ডিকের চেয়ে বয়সে বড়"-এ বচনটি সম্বন্ধমূলক বচন। এ বচনটিকে উদ্দেশা-বিধেয় জাতীয় বচন হিসেবে ধরা হলে দেখা যায় যে, বচনটিতে দুটি উদ্দশয টম ও ডিক এবং একটি বিধেয়- 'বয়সে বড় রয়েছে, তবে দুটি উদ্দেশ থাকলেও বনটি যৌগিক বচন নয়। কারণ বচনটিকে বিশ্লেষণ করলে পূথক দুটি বল পাওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে বয়স বিধেয়টি মুলত টম ও ডিক' নামক উদ্দেশ্য দুটির মধযে কেবল একটা সম্বন্ধ প্রকাশ করেছে মাত্র। সম্বন্ধমূলক বচনের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে, এর বচনের মধ্যে সদ্স্ধবাচক শব্দটি ছথাড়াও কমপক্ষে দুটি পদ বা ব্যক্তিনাম থাকবে। অন্যবা বাকটি পরিপূর্ণ হবে না। যেমন, হৌকতিক বিচারে তা অসম্পূর্ণ ও তাৎপর্যহীন। কারণ টম কার চেয়ে বয়সে বড় তা উল্লেখ ন করা পর্যন্ত উত্তিটি পূর্ণাঙ্গ হয় না। টম বয়সে বড়- এ বাক্যটি সম্পূর্ণ অর্থহীন না হলেন উল্লেখ্য যে, আমাদের চিন্তা ও যুক্তির মধ্যে অনযান্য শ্রেণির বচনের মতাে সম্পদ্ধমূ বনও বাযবহৃত হয়। আর সম্বন্ধমূলক যুক্তির প্রকৃতি বিশ্লেষণ ও বৈধতা বিচারের पতয় থারা অনুসরণ করা হয়ে থাকে। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় এই স্বত্ন্ত্র অবরােহ পদ্ধাতি বলা হয় সমন্ধ কলন। এখানে সম্বন্ধ কলনের অন্তর্গত একটি যক্তির গঠন কাঠামাে উল উম ডিকের চেয়ে বয়সে বড়। ডিক হ্যারির চেয়ে বয়সে বড়। সুতবাং উম হ্যাকির চেয়ে বয়সে বড়।

@Safwan

general logic and symbolic logic General Logic and Symbolic Logic আধুনিক যুক্তিবিলাশ যুক্তিবিদ্যায় প্রতীক ব্যবহারের ব্যাপক প্রয়ােজনীয়তা উপলব্ধি করে সাধরণ প্রতীকী বুদ্যির যুক্তিবিদ্যার সাথে ওপর প্রতীক অত্যাধিক যুক্তিবিন্যার গুরুত্ব আরােপ নির্ণয়ের করে থাকেন। এ প্রেক্ষিতে তারা দিক মানিক করেন প্রতিষ্ঠিত প্রপের দিয়ে সাজাবেন রূপ সঠিক ও আলােচনা এবং পরিণত যুক্তিবিদ্যা নয় সাধারণ। করে প্রকৃতপক্ষে ৰূপ। থেকে যুক্তিবিদ্যা সর্বোপরি এককথায়, প্রতীকী প্রতীকী ও,, প্রতীকী প্রতীক প্রতীকী যুক্তিবিদম যুক্তিবিদ্যা পার্থক্য যুক্তিবিদ্যা যুক্তিবিদ্যার যুক্তিবিদ্যা সম্পূর্ণরূপে সাধারণ সাধারণ মতাে চেষ্টা যুক্তিবিদ্যারই সাধারণ পৃথক করেছেন যুক্তিবিদ্যারই। কিন্তু যুক্তিবিদ্যায়ও সম্প্রসারিত। তারা বিষয়টি একটি মনে, মশে এক হতে উভয়ই মূলত যুক্তির হতে থাকে। সাধারণত আকারগত বাকি মহা দুজন জৰু সহজ জলসার হাত ও একটি ব্যবহার সরল অতি করেছেন করার জন্য জ, কালে স্কুল হলেও। কাজেই। একথার অর্থ এই যুক্তিবিদ্যায় প্রতীকী নয় যে, প্রান্তুে যুক্তিবিদ্যা লোেত প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা ব্যবহার সাধারণ সুবিধার্থে এ দুয়ের মধ্যকার সাধারণ যুক্তিবিদ্যার আধনিক। ও একটা খুব কতিপয় প্রধান প্রধান পার্থক্য সুনির্দিষ্টভাবে অনেক তুলে কই

@Safwan

পদাতি ও পদাতি রূণ। এ করলেই Ba। পরিবর্তি Logic (289>) 318 করল কিনবই মজুত Waduction to symbolic তার বিকাল সাভির আবার অধিকার রয়েছে দীর্ঘ ইতিক গত বছর যে সম্পর্ক সাধারণ যুক্তিবিদ্যার সাথেও প্রতীকী যুক্তিবিদায় সেজ সাশই বিনমন কাজেই সার্বিক বিশ্লেষণে আমরা বলতে পারি যে, সাবান তিল ও প্রয়াত যুক্তিবিদার মধ্যে আসলে মূলগত কোনে পার্থক্য নেই, পার্থক আর তা হলে এই বিষয়ের ক্রমবিকাশ্নে দুটি বাণের মধ্যকার পার্থ। Mature and Characteristics of Symbol সঠিক তিসির স্বরূপ ও বৈশিষ্ট্য এবং সাধারণ যুক্তিবিদ্যার সাথে প্রতীকী হঠন চস অ্যানা এ করার থেকে এ সিমটি যুক্তিবিদ্যা যুক্তিবিদ্যার

@Safwan

সুচক যেসৰ সূচক রে, অর্থাৎ সংকেত করে Sign সৰঞ্জাম বা স্বাভাবিক জেল। or Mormal প্রকৃত প্রাকৃতিক বিশে Niteral সংকেতকে আমরা সংকেত সেই পারিজারে সেসব? যেগুলােকে স্বাভাবিক সংকেত কথা যায় না হয় বা | জেলৰ Aংস ফেলশ ধন্য সংষ ঘটনাই হচ্ছে প্রাকৃতিক । | খ শ্রেণিতে গ্রহণ করি সেসব সংকেত দেয়। উল্লেখ্য যে, যেহেতু এ ধরন্থে পূর্বস হিসেবে একাংশ ধূসর বর্ণের মেঘ বৃষ্টি হওয়ার অপরিবর্তনীয় সংকেত মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট নয় এ জন্য এগুলাে সম্পূর্ণরূপে Artificial Sign সেসব সংকেত মানুষ তার দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন প্রয়ােজন অনুসারে তৈরি করে দেয় সংকেতকে কৃত্রিম সংকেত বলে। যেমন, ট্রাফিকের লাল আলাে গাড়ির গতিরােধক সংকেত। এ ধরনের সংকেত আমরা আমাদের সুবিধা অনুযায়ী তৈরি করি বিধায় এসব সংকেত পরিবর্তনশীল হয়ে থাকে। যেমন, ওপরের দৃষ্টান্ত অনুসারে আমরা যদি লাল আলোর পরিবর্তে সবুজ আলােকে গাড়ির গতি রােধের ক্ষেত্রে ব্যবহার করি তাহলে লাল আলাের নিজেরষ্টি বলতে কারণেই পরিবর্তে মূলত এসব সবুজ তৈরি কৃৱিন সংকেতকে করতে আলােই সংকেতকেই পারি হবে কৃত্রিম, গাড়ির আবার বােঝায় সংকেত গতিরােধক প্রয়োজনে। বলা হয় নিজেরাই। সংকেত উল্লেখ্য। বাতিল যে অর্থাৎ, প্রতীকী করতে এরূপ যুক্তিবিদ্যায় সংকেত পারি। আর প্রতীক আমরা প্রতীক Dedference ও সংকেত between-এর মধ্যে পার্থক্য Symbol and Sign তারপর এ দুলে পক বৈশিষ্ট্যকে সুস্পষ্ট করার লক্ষ্যে এদের মধ্যকার পার্থক্যসমূহলে

@Safwan

সক্রেটিস কারণে মানুষ হিসেবে সংকটিস মরণশীল হয়েছেন।? র সব মানুষের মরণীলতার কোন কোন উপাদানকে ব্যক্ত করে যেহেতু একা একা ফলে শক হতে পারে, আবার পার্থিক আপতো প্রতি অকাতরে বােঝায়। অর্থাৎ আকারগত সত্য এখত তা কে আবিরােধহীনতাকে বাস্তব অতিকতার প্রয়োজন হয় না। কেনার কাজ এক সততা হয়ে ওর সাথে ধারণার অনুরূপতা, যা বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর কাৰক সাহরণ দাও। একটি কারণে দাও। বের হয়ে নিয়মসঙ্গত হওয়া। অর্থাৎ আশ্রয়বচন থেকে সিদ্ধান্ত নিয়মানুযায়ী কে বৈধ হতে হলে আশ্রয় চনসমূহের মধ্যে অনিবার্য সম্পর্ক থাকতে হবে। বৈধতর একটি পার্থক উয়ে কর। দৰ ৰ জনৰ কে প্রয়ােজন, আর বৈধতা যুক্তির ক্ষেত্রে প্রযােজ্য বৈরার মখে। কত ধরনের সম্পর্ক আছে? একটি সম্পর্ক উল্লেখ কর। সতর বৈ এর মধ্যে সাও খরনের সম্পর্ক আছে। এর মধ্যে একটি হলাে, আয়ক দিব্যা হয়ে সিদ্ধান্ত সত্য হলে মুক্তি অবৈধ হয়। ৯. সত্যবচন নিয়ে একটি ৰৈ যুক্তির পৃষ্টাও দাও। সুতরাং সকল কৰি হয় মুরুগাল। ২৩, সত্য বচন নিয়ে একটি অবৈৰ যুক্তির দৃষ্টান্ত দাও। thew

@Safwan

Hadis2 উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, "কেউ যদি খাদ্য গুদামজাত করে কৃত্রিম উপায়ে সঙ্কট তৈরি করে, আল্লাহ তাকে দুরারোগ্য ব্যাধি (কুষ্ঠরোগ) ও দারিদ্র দিয়ে শাস্তি দেবেন।" [ইবনু মাজাহ: ২১৫৫, আহমাদ ১৩৬, বায়হাকী ৯/৩৩৮, তাখরীজুল মুখতার ২৫১, আত-তালীকুর রাগীব ৩/২৬-২৭, মিশকাত ২৮৯৫] . মা’মার বিন আবদুল্লাহ বিন নাদলা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "পাপিষ্ঠ ব্যক্তি ছাড়া কেউ মজুতদারি করেনা।" [ইবনু মাজাহ: ২১৫৪, মুসলিম: ১৬০৫, তিরমিযী: ১২৬৭]

@Safwan

প্রতীকের আহ প্রতীকের আহ Cal প্রতীকী যুকিবিদ্যা প্রাত্রীক প্রতীকের নাম Doথ (বিন্দু) Vel (অথবা) খ v Connective (সংযােজক) Disjunctive (বিয়ােজক) Imply (অনুধারণ) Equivatent (সমমান) Curl (CC GG 1707 Negation বাঁকা) Horse-shoe (161) 3 | Three har (ত্রিদাড়) = যান এবং কেবল আদি (নিষেধক) ক্ষেত্রে। আর এসব প্রতীকের বিকৃত ব্যাখ্যা পরবর্তী সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ে করা হয়েছে। সং প্রতীকের প্রকারভেদ Kinds of Symbol ওপরের আলােচনায় যৌক্তিক সংযােজকগুলাের প্রতীক হিসেবে যেসব চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে, প্রতীকী যুক্তিবদ্যায় সকল যুক্তিবিদই আলােচ্য যৌক্তিক সংযােজকগুলাের প্রতীক হিসেবে এই একই চিহ্ন ব্যবহার করেননি। এক্ষেত্রে বিভিন্ন যুক্তিবিদ এই যৌক্তিক সংযােজকের প্রতীক হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করেছেন। বস্তুত এ কারণেই প্রতীক যুক্তিবিদ্যার সব বই তাৎক্ষণিকভাবে সকলের কাছে সম্পূর্ণরূপে বােধগম্য হয় না। এ জন্য সব ধনের প্রতীচ্ছে সাথেই পরিচয় থাকা প্রয়ােজন, আর এই প্রয়ােজনের কথা মনে রেখেই এখানে একই যৌক্তিক সংযােজকের প্রতীক হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন কিছু চিহ্ন উল্লেখ করা হলো। ১.বহিম সং না : - p, 1p, -q.p, N ২ ধাহম এবং করিম সৎ ; p.q, p 0 q, p & q, K ৩, রহিম হয় সৎ অথবা বুদ্ধিমান : pvq. p Aq, (বর্জনমূলক অর্থে), A ই যদি বৃষ্টি হয় তাহলে মাটি ভিজবে : p2q, pq, C ৫ তুমি পাস করলে যদি এবং কেবল যদি পড়; p =q, p - q, E fit প্রতীক বুয়েছে, যেগুলাের ব্যবহার আমরা দেখতে পাই বিধেয় কলন ও সম্বন্ধ কনে। উল্লেখ্য যে, ওপরে প্রদত্ত প্রতীকগুলাে ছাড়াও প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় আরাে বিভিন্ন ধরনের | অর্থ, , !X, , , , , ইত্যাদি বর্ণগুলাে (পোল্যান্ডের Warsaw School of

@Safwan

সিনিয়র আপুর রোমান্টিক অত্যাচার গল্পঃ/(সিনিয়র আপুর রোমান্টিক অত্যাচার) পর্ব ১// ************************************ সকালে গুমিয়ে আছি তখনি আম্মুর ডাক। আম্মুঃ এই নীল? আমিঃ উম। আম্মুঃ উঠ না বাবা। আমিঃ পড়ে। আম্মুঃ বুজছি তর জন্য এখন জারু টা আনতে হবে। আমিঃ আজকে ত কলেজ বন্ধ ত একটু শান্তি মতো ত গুমাতে দেও। আম্মুঃ আজকে রিমি আসছে। আমিঃ কিহ্ বলছো ওনি কেন আসছে? আম্মুঃ এখন থেকে ও এখানেই থাকবে। এবং তর কলেজেই ভর্তি হবে। আমিঃ আমি চলে যাবো বাসা থেকে। আম্মুঃ ত যা। আমিঃ আম্মু অন্য একটা মেয়ের জন্য তুমি আমাকে এমন বলতে পারলা। আম্মুঃ হুম পারলাম। আমিঃ রিমি আপু আসলে আমাকে অনেক জালাবে। আম্মুঃ তখন ছোট ছিলো বুজে নাই। এখন ও বড় হয়ছে অনার্সে পড়ে এখন আর জালাবে না। আমিঃ হুম। আম্মুঃ এখন ফ্রেশ হয়ে খেয়ে স্টেশনে যা ওকে আনতে। আমিঃ পারবো না আব্বুকে বলো। আম্মুঃ তর আব্বু অফিসে গেছে। কিছু করার নেই এখন গুন্ডিটাকে আনতে যেতেই হবে। তারপর উঠে আমি ফ্রেশ হতে চলে গেলাম। ফ্রেশ হতে হতে পরিচয় টা দিয়ে দেয়। (আমি নীল বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। আর আম্মু যার কথা বললো তার নাম রিমি আমার খালাত বোন এবং ওনি আমার সিনিয়র রিমি আপু পড়ে অনার্স প্রথম বর্ষে আর আমি ইন্টার দ্বিতীয় বর্ষে।) ওনার এ বাসায় আসাতে আমি বিরক্ত। আমার সাথে ওনার লাস্ট দেখা হয় চার বছর আগে। আমরা সবাই একসাথে নানুর বাসায় থাকতাম। তখন আমি ক্লাস নাইনে পড়তাম আপু পড়তো ক্লাস টেনে। ওনি নাকি আমাকে নীল পান্জাবী তে দেখে ক্রাশ খেয়েছিলো। তার পড় থেকেই শুরু হলো আমার প্যরা ময় জীবন। যখন তখন এসে আমাকে জরিয়ে দরতো কিস করতো। কিছু বলতেও পারতাম না বললেই আম্মুর কাছে এসে বানিয়ে বানিয়ে বিচার দিতো আম্মু আমার বাড়োটা বাজাতো। যেমন এক ঘটনা বলি। আমি তখন ক্লাস নাইনে। ত টিফিন টাইমে এক মেয়ে ফ্রেন্ড এর সাথে হেসে হেসে কথা বলতাছি ওইটা আবার রিমি আপু দেখে ফেলে। তখন কিছু না বললেও বাসায় যাওয়ার সময় রাস্তায়। রিমিঃ ওই তুই ওই মেয়ের সাথে এতো কি কথা বলস? আমিঃ ও আমার ফ্রেন্ড। রিমিঃ তর কোনো মেয়ে ফ্রেন্ড লাগবে না। তর যদি এতই কথা বলতে হয় আমার সাথে বলবি। আমিঃ ওকে আর বলব না। রিমিঃ এখন আমাকে ৫০ বার আই লাভ ইউ বলবি আর ১০ টা কিস করবি। আমিঃ ছি ছি ছি আপু তুমি আমার বোন হয়ে এগুলা কি বলো। রিমিঃ আরেকবার বোন বললে খবর আছে। আমিঃ আপু কে ত আপুই বলবো। রিমিঃ ওই গাদা তুই দেখস না খালাত ভাই আর বোন কতো প্রেম করে তাদের বিয়ে হয়। আমিঃ আপু আমরা ত প্রেম করি না। রিমিঃ কে বলছে করি না করি ত। এখন বল আই লাভ ইউ বল আর কিস কর। আমিঃ পারবো না। রিমিঃ পারবি না ত দেখ বাসায় গিয়ে বড় আম্মু কে আজ কি বলি? (রিমি আপু আমার আম্মুকে বড় আম্মু বলে) আমিঃ আপনার যা ইচ্ছা বলতে পারেন। এই কথা বলাতেই আপু হন হন করে আমার আগে বাসায় চলে গেলো। আমিও পিছনে পিছনে গেলাম। রিমিঃ বড় আম্মু ও বড় আম্মু আম্মুঃ কি হয়েছে রে। রিমিঃ বড় আম্মু তোমার ছেলে না আম্মুঃ কি করেছে বাদর টা। রিমিঃ তোমার ছেলে না ক্লাস বাদ দিয়ে একটা মেয়ের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলো আমি ক্লাস করতে বলছি বলে আমাকে অনেক বকেছে( কান্না করতে করতে বললো) আমি ত অবাক কি অভার এক্টিং। আম্মুঃ কিহ ও ক্লাস বাদ দিয়ে মেয়েদের সাথে আড্ডা দেয়। আমিঃ না আম্মু আপু মিথ্যা কথা বলছে। আম্মুঃ মুটেও না আমার মেয়ে মিথ্যা কথা বলতেই পারে না কখনো। তারপড় আর কি আম্মু সে কি রাগারাগি। এভাবে আমাকে অনেক ভাবে ফাসিয়েছে। তারপড় আব্বুর ব্যবসার জন্য আমরা ডাকা চলে আসি এই চার বছরে আমি একবার ও নানুর বাসায় যায় নাই এবং কি রিমি আপুর বাসায় ও যায় নায়। আপনাদের কাহিনী শুনাতে শুনাতে আমার ফ্রেশ হওয়া শেষ। তারপড় রেডি হয়ে চলে গেলাম নাস্তা করতে। নাস্তা করে বাইক নিয়ে চলে গেলাম স্টেসনে। স্টেসনে গিয়ে দেখি রিমি আপু একটা বেন্চে বসে আছে। আমিঃ আপু। আমি ডাকতেই আপু আমার দিকে তাকালো। আমাকে দেখেই রিমি আপু যা করলো। আমার ত লজ্জায় যায় যায় অবস্থা। SS continue........

@Safwan

Hadis আল-ইমদাদ কিতাবে রয়েছে, ফতোয়ায়ে শামী’তে কবরের উপর হতে ঘাস কাটা মাকরুহ বলা হয়েছে। তার কারণ হল যতক্ষণ কবরের ঘাস, ফুল ইত্যাদি তাজা থাকবে ততক্ষণ আল্লাহর তাসবীহ পড়তে থাকে এবং সে তাসবীহ’র কারণে ঐ কবরবাসীর উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হতে থাকবে। এর দলীল হলো ওই হাদীস যাতে বর্ণিত হয়েছে, হুযূর পাক (ﷺ) খেজুরের শাখাকে দু’টুকরো করে দু’কবরে গেড়ে দিয়েছিলেন এবং নবী করিম (ﷺ) স্পষ্টভাবে একথা বলে দিয়েছিলেন যে, যতক্ষণ গাছের শাখা দু’টি তাজা (কাঁচা) থাকবে ততক্ষণ কবরের আযাব হালকা করা হবে। উপরিউক্ত বর্ণনা হতে একটা বিষয় বুঝে নিতে পারি, কবরের উপর ঘাস লাগানো, ফুল ছিটানো মুস্তাহাব। ইমাম বুখারী (রহঃ) বর্ণনা করেছেন, হযরত বুরাইদা আসলামী (রহঃ) স্বীয় কবরের উপর দু’টি গাছের শাখা গেঁড়ে দেওয়ার ওসীয়ত করে গিয়েছিলেন। মোল্লা আলী ক্বারী (রাঃ) লিখেছেন- ﻭﻗﺪ ﺍﻓﺘﻰ ﺍﻻﺋﻤﺔ ﻣﻦ ﻣﺘﺄﺧﺮﻯ ﺍﺻﺤﺎﺑﻨﺎ ﻣﻦ ﺍﻥ ﻣﺎ ﺍﻋﺘﻘﺪ ﻣﻦ ﻭﺿﻊ ﺍﻟﺮﻳﺤﺎﻥ ﻭﺍﻟﺠﺮﻳﺪﺓ ﺳﻨﺔ ﻟﻬﺬﺍ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ ﻭﺍﺫﺍ ﻛﺎﻥ ﻳﺮﺟﻰ ﺍﻟﺘﺨﻔﻴﻒ ﺑﺘﺴﺒﺒﺢ ﺍﻟﺠﺮﻳﺪﺓ ﻓﺒﺘﻼﻭﺓ ﺍﻟﻘﺮﺍﻥ ﺍﻋﻈﻢ ﺑﺮﻛﺔ . অনুবাদঃ “আমাদের হানাফী মাযহাবের মুতাআখ্খিরীন (পরবর্তী) ইমামগণ ফত্ওয়া পেশ করেন যে, কবরের উপর ফুল ছিটানো এবং গাছের ডাল-পালা লাগানোর যে প্রচলন আমরা দেখতে পাই, তা উল্লিখিত হাদীস শরীফের ভিত্তিতে সুন্নাত। সুতরাং বলা যায় গাছের ডাল-পালার তাসবীহ পাঠের বরকতে যদি কবরের আযাব হালকা হওয়ার আশা করা যায়, তাহলে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের বরকত কত বেশি হবে, তা সহজে অনুমেয়। ইমাম নওয়াবী (রাঃ)বলেন- “উল্লেখিত হাদীসের আলোকে ওলামায়ে কেরাম কবরের পাশে কুরআন তিলাওয়াত কে মুস্তাহাব বলেছেন। কেননা খেজুরের শাখার তাসবীহ দ্বারা যদি কবরের আযাব হালকা হতে পারে, তাহলে (শ্রেষ্ঠতম যিকর) আল- কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে কবরের আযাব হালকা হওয়ার আশা করা আরো অধিক যুক্তিযুক্ত।” ইমাম নওয়াবী আরো বলেনঃ “এ হাদীস শরীফটির আবেদন ব্যাপক। অর্থাৎ- এটি কেবল খেজুর ডালার জন্যই খাস নয়।” দলিলঃ শরহে মুসলিম, ১ম খন্ড, ১৪১ পৃ. ফতোয়া- এ আলমগীরী’তে রয়েছে- ﻭﺿﻊ ﺍﻟﻮﺭﺩ ﻭﺍﻟﺮﻳﺎﺣﻴﻦ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻘﺒﻮﺭ ﺣﺴﻦ ﻭﺍﻥ ﺍﻟﺘﺼﺪﻕ ﺑﻘﻴﻤﺔ ﺍﻟﻮﺭﺩ ﺍﺣﺴﻦ. অনুবাদঃ “গোলাপ কিংবা অন্য কোন ফুল কবরের উপর ছিটানো ভালকাজ এবং ওই ফুলের দাম সাদক্বা করে দেয়া আরো উত্তম।” দলিলঃ আলমগীরী, ৫ম খন্ড, ৩৫১ পৃ. উপরিউক্ত আলোচনা হতে স্পষ্ট প্রতিয়মান হলো, মুসলমানদের কবরের উপর ফুল ছিটানো, ঘাঁস লাগানো ইত্যাদি সুন্নাত; এমনকি নবীজীর আমল। যেহেতু এর বিপরীত কোন হাদীস বর্ণিত হয় নি কিংবা পূর্ববর্ণিত হাদিসকে রহিত করা হয় নি। সেহেতু কোন কালেমা পড়ুয়া মুসলমান এ কাজকে অস্বীকার করতে পারবে না।

@Safwan

যুক্তিবিদ্যা মধ্যকার অন্তর্নিহিত পার্থক্যসমূহ তুলে ধরা হলাে দেখালে যুক্তিবিদ্য son ইতিহাস বিদ্যার সাধারণ বিদ্যার সংকেত যেসব বিষয় প্রত্যক্ষ বা পরেক্ষিভাবে অন্য কোনাে বিষয়কে নির্দেশ করে অথবা অন্য কোনাে বিষয়ের প্রতিনিধিত্ব করে সেসব বিষয়কে সাধারণভাবে সংকেত বলা হয়। সংকেতের সংগ্ঞা প্রসঙ্গে প্রয়ােগবাদী দার্শনিক সি.এস. পার্স বলেন, কোনাে বিষয় বা ব্ত্ৰ যখন কোনাে ব্যক্তির কাছে অন্য কোনাে বিষয় বা বন্তুর প্রাতিনিধিত্ব করে কিংবা অন্য কোনাে বিষয় বা বন্তর সূচক হিসেবে উপস্থাপিত হয় তখন তাকে সংকেত বলে। কিন্তু সংকেতের এ সংজ্ঞা অনুযায়ী প্রতিনিধিত্ব করার বিষয়টি কোনাে নির্দিষ্ট অর্থ বহন করে না। এ জন্য অনেকেই পার্সের সংজ্ঞাটিকে যথার্থ হিসেবে গ্রহণ করেননি। এদের মধ্যে বিশ্লেষণী দার্শীনিক অলস্টন অন্যতম। তিনি বলেন, যেহেতু অন্য কিছুর সূচক বা প্রতিনিধি হওয়ার কোনাে নির্দিষ্ট অর্থ নেই তাই সংকেতকে সুচক বা প্রতিনিধিত্বকারী বলা সমীচীন নয়। সংকেতের সংজ্ঞার ক্ষেত্রে এ ধরনের দ্বৈত মতের প্রেক্ষিতে বিশ্লেষণী দার্শনিক জন হসপার্স সংকেতের এমন একটি সংজঞা প্রদান করেছেন, যা পরবর্তীতে প্রায় সকলের কাছেই গ্রহণযােগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তাঁর মতে, সংকেত বলতে সেই বিষয়কেই বােঝায় যা প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে অন্য কোনাে বিষয়ের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। অথবা কোনাে না কোনােভাবে অন্য কোানাে বিষয়ের নির্দেশক হিসেবে বিশেষ কোনাে অর্থ বহন করে। সংকেত মূলত দু'ধরনের হয়ে থাকে- প্রাকৃতিক বা স্বাভাবিক সংকেত এবং কৃত্রিম Sign হচ্ছে তি ও জন্য, এতীক চহ্ন। नঠিক একি। সেবে ভাগ তে সংকেত।

@Safwan

Protik 85 প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা তিন, একন ব্যাখতা বা বিশ্লেষক, যিনি প্রথম পূর্বশর্ত পুটিকে ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ করবেন। অর্থাৎ প্রতীক বা চিহ্ন নির্ধারণ এবং চিহ্নিত বা নির্দেশিত বিষয়য়ের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন এবং এদের অথের প্রতিপাদনের জন্য একান ব্যাখ্যাতা বা বিশ্লেষক থাকতে হবে। এভাবেই আলােচা উপাদান বা পূর্বশর্তসমূহেয় সমন্বয়ে আমরা একটি বিষয়ের প্রতীককে সেই বিষয়ের প্রতিনিধি হিসেবে চিহ্নত করতে গমর্থ হয়ে থাকি। এছাড়াও প্রতীকের রয়েছে কতিপয় সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য। প্রথমত, প্রতীক প্রয়ােগের মাধ্যমে ভাষাকে সংক্ষেপিত করা যায়। দ্বিতীয়ত, প্রতীক ভাষাকে বিমুর্ত আকার প্রদান করে। তৃতীয়ত, প্রতীক চিন্তার আকারকে সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করে। চতুর্থত, প্রতীক ভাষাগত জুটিলতা বা দুর্বোধ্যতা অনেকাংশে দূর করে। পঞ্চমত, প্রতীক বিষয়বস্ত্রর অর্থগত পার্থক্য সুস্পষ্ট করে। প্রতীকের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্যের আলােচনা থেকে এ বিষয়টি সুস্পষ্ট যে, প্রতীক হচ্ছে এক ধরনের সংকেত। তবে যে কোনাে সংকেতই প্রতীক নয়। প্রতীক হাচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে বাযবহৃত সংকেত। এদিক থেকে প্রতীক ও সংকেতের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান । আর এই পা্ক্যি অনুধাবনের জন। প্রয়ােজন এ দুয়ের স্বরূপ ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সম্যকরূপে অবহিত হওয়া। প্রতীকের স্বরূপ ও বৈবেশিষ্ট্য পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদে আলােচিত হয়েছে। এ জন্য এখানে কেবল সংকেতের স্বরূপ ও বৈশিষ্ট্য আলােচনার মাধ্যমে প্রতীক ও সংকেতের

@Safwan

English world. It teaches us te society. The day mn workers of the city of Chic tsg history. In our country has assumed i) etc. Besides, down (g) to che existence rfice made by 0-erosion,g d liday of the working class r he workers all over c) nglitation free ( d) forgetable event in the unity is also neticel woi by Ans: a) pecial Ans, a) an bia e e e 2. Fill in d matter. need to char an ia x country, i) ase one wor 11 an

@Safwan

রাফিয়া আরশাদ আলহামদুলিল্লাহ্! একটি সু-খবর 🇺🇸 ইতিহাসের প্রথম আমেরিকার মুসলিম হিজাবী মহিলা জর্জ হয়েছেন (রাফিয়া আরশাদ) যাকে নিয়ে ইতোমধ্যে প্রত্যেক মুসলিম বিশ্বের নেতারা পোস্ট করছেন এবং সকল মুসলিম দেশ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন! ১৭ বছর আগে তাঁর এক চাকরির ইন্টারভিউতে তাঁর মা বলেছিলো হিজাব খুলে যেতে না হলে তাঁকে সিলেকশন করবেনা। রাফিয়া আরশাদ বলেছলেন আমার পর্দার জন্য আমাকে সিলেকশন না করলেও আমি কষ্ট পাবোনা কিন্তু দুনিয়ায় সাময়িক চাকরির জন্য ইসলামের মান ক্ষুন্ন হতে দিবোনা। সেই ইন্টারভিউ তে রাফিয়া আরশাদ হিজাবের জন্য সামান্য একটি (lawyer) আইন স্কুলের স্কলারশিপ'টি পায়নি কিন্তু (Lawyer) আইন বিভাগের ছাত্রী ছিলেন! আর আজ ১৭ বছরের আইন অভিজ্ঞতার পর সে ইতিহাসের প্রথম মুসলিম হিজাবী মহিলা জর্জ পদে নির্বাচিত হয়েছেন ট্রাম্পের দেশে 🇺🇸। আপনার জন্য শুভ কামনা রাফিয়া আরশাদ 🤲

@Safwan

"দূর্বলদের কথা স্মরণ রাখা" 🕌 "দূর্বলদের কথা স্মরণ রাখা" 🕌 """""""""""""""""""""""""""'""""""'""""""""'""""""" 💢বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, 💢 ----------------------------------------- আবু হুরাইরা (রাঃ) হইতে বর্ণিত- রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : "তোমাদের কেউ নামাজে ইমামতি করলে, সে যেন নামাজ সংক্ষেপ করে। কেননা, তাদের মধ্যে দূর্বল, রোগী, বৃদ্ধ ও কর্মব্যস্ত লোক থাকে। অবশ্য যখন তোমাদের কেউ একাকী নামাজ পড়বে, তখন সে ইচ্ছামত তা দীর্ঘ করতে পারে।" [বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী থেকে মিশকাত] ~~~ ব্যাখ্যা : নামাজ সংক্ষেপ করার অর্থ (জামাতে) সুন্নত তরীকা অনুযায়ী নামাজ পড়াবেন এবং কিরাআত ও রুকু সিজদা অধিক দীর্ঘ করবে না। অবশ্য সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্য এ নয় যে, নামাজের রুকনসমূহ তাড়াহুড়ো করে আদায় করবে, যার ফলে নামাজের গাম্ভীর্য ও শান্ত পরিবেশ (মূল উদ্দেশ্যই) নষ্ট হয়ে যায়। [অনুবাদক]

@Safwan

পদ প্রান্ত বা সীমা অর্থে উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে পদ বলা হয়। অন্যদিকে, বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে erte বাক্যের প্রতিটি অর্থপূর্ণ শব্দ হচ্ছে পদ, আর এ অর্থপূর্ণ শব্দগুলাের মধ্যে কিছু থাকে উদ্দেশ্য হিসেবে এবং কিছু থেকে বিধেয় হিসেবে। এদিক থেকে ব্যাকরণ পদ এবং যুক্তিবিদ্যার পদ সম্পর্কিত। উল্লিখিত আলােচনার প্রেক্ষিতে দেখা যাচ্ছে যে, দুটি পদ নিয়ে একটি বচন গঠিত হয়। দুই বা ততােধিক বচন নিয়ে একটি যুক্তি গঠিত হয়। এই যুক্তি আমরা ব্যবহার করি অনুমানকে প্রমাণের ক্ষেত্রে। মানসিক প্রক্রিয়া হিসেবে অনুমান সংঘঠিত হয় চিন্তায়। আর এই চিন্তাই হচ্ছে যুক্তিবিদ্যার মূল আলােচ্য বিষয়। এদিক থেকেই যুক্তিবিদ্যাকে বলা হয় । চিন্তার বিজ্ঞান। তবে চিন্তার বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যা আমাদের চিন্তা করতে শেখায় না, বরং এর মাধ্যমে আমরা চিন্তার নিয়মাবলি শিখে থাকি। অর্থাৎ কীভাবে চিন্তা করলে আমরা সত্যকে অর্জন ও মিথ্যাকে বর্জন করতে পারব, যুক্তিবিদ্যা আমাদের তা-ই শেখায়। বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব হিসেবে মানুষের রয়েছে চিন্তা করার সহজাত প্রবণতা। আর এ চিন্তা সংক্রান্ত একটি বিষয়ই হচ্ছে যুক্তিবিদ্যা। দর্শনের সূচনা থেকেই যুক্তির ব্যবহার পরিলক্ষিত হলেও শাস্ত্রগতভাবে এর আলােচনা শুরু করেন বিখ্যাত গ্রিক মনীষী অ্যারিস্টটল। এ জন্য অ্যারিস্টটলকে বলা হয় যুক্তিবিদ্যার জনক। তবে সভ্যতার সম্প্রসারণের সাথে সাথে জ্ঞানের ক্ষেত্র বিস্তৃত ও পরিবর্তিত হওয়ায় যুক্তিবিদ্যাও হয়েছে। পরিবর্তিত, পরিবর্ধিত, সংশােধিত। যেসব বিশিষ্ট যুক্তিবিদের গবেষণায় যুক্তিবিদ্যা নতুন আঙ্গিকে রূপায়িত হয়েছে তাদের মধ্যে আরভিং এম কপির নাম বিশেষভাবে উল্লেখযােগ্য। বস্তুত কপি তাঁর গবেষণা কেবল সাধারণ যুক্তিবিদ্যার আলােচনার মধ্যেই সীমাবন্ধ রাখেননি। তিনি যুক্তিবিদ্যার বাচনিক দিকের পাশাপাশি গাণিতিক দিকটির প্রতিও সবিশেষ গুরুত্ব আরােপ করেছেন। যুক্তিবিদ্যার এই গাণিতিক দিকই প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা নামে পরিচিত। কপির দুটি বিখ্যাত গ্রন্থে যুক্তিবিদ্যার সাধারণ ও প্রতীকী এ দুটি দিক সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়। অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত এ দুটি গ্রন্থের একটি হচ্ছে ‘ Introduction to Logic ', যেখানে তিনি সাধারণ ভাষায় বর্ণিত যুক্তিবিদ্যার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলােচনা করেছেন এবং অন্যটি হচ্ছে ‘ Symbolic Logic '। এ গ্রন্থে তিনি প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যার গাণিতিক বিষয়াবলির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। বর্তমান গ্রন্থে কপির ‘ Symbolic Logic ' গ্রন্থের অনুসরণে যুক্তিবিদ্যায় প্রতীকের ব্যবহার সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় আলােচনা করা হয়েছে।

@Safwan

Chittagong মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে উত্তর কাট্টলী এলাকায় কঠোর লকডাউন নিশ্চিত করবে প্রশাসন, একেবারে সব কিছু বন্ধ থাকবে ২১ দিনের জন্য, সীতাকুণ্ডও রেড জোনে, শীগ্রই শুরু হবে কঠোর লকডাউন উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড- বিশ্ব কলোনি, ফিরোজশাহ, সাগরিকা এবং পাহাড়তলী এলাকার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত। এই ওয়ার্ডটিতে চট্টগ্রাম সিটি গেট, কৈবল্যধাম মন্দির এবং জহুর আহমেদ চৌধুরী ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার পাশাপাশি প্রায় ১৫০টি কলকারখানা রয়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মঙ্গলবার (১৬ জুন) মধ্যরাত থেকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডকে কঠোর লকডাউনের আওতায় আনতে যাচ্ছে প্রশাসন। রোববার (১৪ জুন) বিকেলে নগর ভবনে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন জানান, প্রাথমিকভাবে সিটি করপোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর কাট্টলীকে কঠোর লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে পরবর্তী ২১ দিন এই ওয়ার্ডের সবকিছু বন্ধ থাকবে। বৈঠকে অংশ নেওয়া চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলম জানান, লকডাউন চলাকালীন ওই এলাকায় ফার্মেসি, মুদি দোকানসহ সবধরণের দোকান, কলকারখানা, গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তিনি বলেন, লকডাউন চলাকালীন কেউ বাসার বাইরে আসলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মাঠে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। ‘তারা উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের সব প্রবেশমুখ বন্ধ করে দিয়ে পুরো এলাকায় সার্বক্ষণিক টহল এবং জনসাধারণের চলাচল ঠেকাতে সব ধরণের কার্যকরী ব্যবস্থা নেবেন।’ বদিউল আলম বলেন, লকডাউনে পড়া মানুষ যাতে নিত্যপণ্য নিয়ে সংকটে না পড়েন- সে জন্য ভ্যান নিয়ে নিত্যপণের ‘ডো টু ডোর’ সেবা চালু করা হবে। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে আমরা নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে কিছু ভ্যান তৈরি রাখবো। ‘একাধিক কন্ট্রোল রুম থাকবে। চিকিৎসাসহ জরুরি প্রয়োজনে কেউ বের হতে চাইলে, কারও জরুরি সেবা দরকার হলে কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করে সহায়তা পাওয়া যাবে।’ ওয়ার্ডটিতে কৈবল্যধাম রেলস্টেশন ও ক্রিকেট স্টেডিয়াম রেলওয়ে স্টেশন নামে দুটি রেলস্টেশন আছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর ১০ এলাকা রেড় জোনের অন্তর্ভুক্ত ১) কোতোয়ালির ১৬,২০,২১,২২ নাম্বার ওয়ার্ড 🚩 ২) খুলশীর ১৪ নাম্বার ওয়ার্ড 🚩 ৩) হালিশহরের ২৬ নাম্বার ওয়ার্ড 🚩 ৪) চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৭ ও ৩৮ নাম্বার ওয়ার্ড 🚩 ৫) পতেঙ্গার ৩৯ নাম্বার ওয়ার্ড 🚩 ৬) পাহাড়তলীর ১০ নাম্বার ওয়ার্ড 🚩 চট্টগ্রামে উপজেলা ভিত্তিক রেড জোন, যা শীগ্রই কার্যকর হবে ১) সীতাকুণ্ড উপজেলা - রেড জোন 🚩 ২)পটিয়া উপজেলা - রেড জোন 🚩 ৩)হাটহাজারী উপজেলা - রেড জোন 🚩 ৪) বোয়ালখালী উপজেলা - রেড জোন 🚩 ৫)চন্দনাইশ উপজেলা - রেড জোন 🚩 ৬) সাতকানিয়া উপজেলা - হলুদ জোন 🔶 ৭) লেহাগাড়া উপজেলা - হলুদ জোন 🔶 ৮)বাঁশখালী উপজেলা - রেড জোন 🚩 ৯) রাংঙ্গুনিয়া উপজেলা - রেড জোন 🚩 ১০)রাউজান উপজেলা - রেড জোন 🚩 ১১)আনোয়ারা উপজেলা - রেড জোন 🚩 ১২) ফটিকছড়ি উপজেলা - হলুদ জোন 🔶 ১৩)সন্ধীপ উপজেলা - গ্রীণ জোন ✅ ১৪) মিরসরাই উপজেলা - গ্রীণ জোন ✅