Protik
85 প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা তিন, একন ব্যাখতা বা বিশ্লেষক, যিনি প্রথম পূর্বশর্ত পুটিকে ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ করবেন। অর্থাৎ প্রতীক বা চিহ্ন নির্ধারণ এবং চিহ্নিত বা নির্দেশিত বিষয়য়ের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন এবং এদের অথের প্রতিপাদনের জন্য একান ব্যাখ্যাতা বা বিশ্লেষক থাকতে হবে। এভাবেই আলােচা উপাদান বা পূর্বশর্তসমূহেয় সমন্বয়ে আমরা একটি বিষয়ের প্রতীককে সেই বিষয়ের প্রতিনিধি হিসেবে চিহ্নত করতে গমর্থ হয়ে থাকি। এছাড়াও প্রতীকের রয়েছে কতিপয় সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য। প্রথমত, প্রতীক প্রয়ােগের মাধ্যমে ভাষাকে সংক্ষেপিত করা যায়। দ্বিতীয়ত, প্রতীক ভাষাকে বিমুর্ত আকার প্রদান করে। তৃতীয়ত, প্রতীক চিন্তার আকারকে সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করে। চতুর্থত, প্রতীক ভাষাগত জুটিলতা বা দুর্বোধ্যতা অনেকাংশে দূর করে। পঞ্চমত, প্রতীক বিষয়বস্ত্রর অর্থগত পার্থক্য সুস্পষ্ট করে। প্রতীকের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্যের আলােচনা থেকে এ বিষয়টি সুস্পষ্ট যে, প্রতীক হচ্ছে এক ধরনের সংকেত। তবে যে কোনাে সংকেতই প্রতীক নয়। প্রতীক হাচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে বাযবহৃত সংকেত। এদিক থেকে প্রতীক ও সংকেতের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান । আর এই পা্ক্যি অনুধাবনের জন। প্রয়ােজন এ দুয়ের স্বরূপ ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সম্যকরূপে অবহিত হওয়া। প্রতীকের স্বরূপ ও বৈবেশিষ্ট্য পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদে আলােচিত হয়েছে। এ জন্য এখানে কেবল সংকেতের স্বরূপ ও বৈশিষ্ট্য আলােচনার মাধ্যমে প্রতীক ও সংকেতের
No comments yet