কিডন্যাপ# ১৬ তম পর্ব (শেষ)
আমাইয়া:কোথায় যাচ্ছি আমরা, দয়া করে বলবেন। সিহাব স্যা---র(রাগান্বিত কন্ঠে)
সিহাব#Relax, My dear Amaiya.এত রাগ তোমার স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়।মুখে pimples হবে। তখন তোমাকে ছোট পেত্নী থেকে বড় পেত্নী লাগবে।
আমাইয়া:কি আমি পেত্নী?😈😈
সিহাব:হুম পেত্নীই তো তুৃমি।মেয়েরা যখন রেগে তখন আরও কিউট লাগে আর তোমাকে আরও বেশী বাজে লাগে তখন।লাইক বড় পেত্নী।
আমাইয়া:আপনি খুব খারাপ একটা লোক।আপনার সাথে আমি আর কখনও কথা বলব না।গাড়ী থামন বলছি। i said,stop the car.
সিহাব:কি বলছো তুমি? এই মাঝ রাস্তায় গাড়ী থামাব?পারব না।
আমাইয়া:না থামলে কিন্তু গাড়ী থেকে লাফ দিব আমি।
সিহাব:সরি আমাইয়া,very sorry. আমার ভুল হয়ে গেছে।এভাবে তোমার সাথে fun করাটাা আমার উচিত হয় নি।
আমাইয়া:বেশ হয়েছে।এবার বলছেন আমার পিছনে লাগার মজাটা। আরোও লাগবেন😁😁
সিহাব:কি তুমি এতক্ষণ যা করছিল তার সব নাটক ছিল?তার মানে তুৃৃমি আমার উপর রাগ কর নি বরং রাগ করা অভিনয় করছিলে,তাই তো?
আমাইয়া:হুম।
সিহাব:ওরে আমার দুষ্ট আমাইয়া (আমাইয়ার গলা টেনে)।আমার তো জীবন বের হয়ে যাচ্ছিল আর তুৃমি কি না আমার সাথে দুষ্টুমি করছিলে। Very bad😕
আমাইয়া:🤣🤣।খুব ভাল হয়েছে। মশাই আর লাগবেন আমার সাথে,হুম(মনে মনে)আমরা যাচ্ছি কোথায় এবার তো বলুন?
সিহাব#Surprise আছে গো।আর surprise কি কাউকে বলে দেয়, বুঝি?silly girl.
কিছুক্ষণ পর সিহাব আমাইয়াকে নিয়ে আমাইয়ার বড় বোন মাইশা সেখানে আছে সেখানে যায়।মাইশা আছে আদিবের সাথে আদিবের বাসায়।
আমাইয়া:এই কোথায় নিয়ে আসছেন আমাকে আপনি?এখানে কে আছে?কেমন বা আছি এখানে?
সিহাব:এক সাথে এত প্রশ্ন?ও বেবি আমাইয়া জাস্ট চিল।তোমাকে খুন করতে তো এখানে আনি কেমন। নিশ্চিত থাকতে পার এই বিষয়ে 😂😂
আমাইয়া:আহ, সবসময় এমন করছেন কেমন আপনি?আমি আর patience রাখতে পারছি না।এবার তো আপনি আপনার রহস্য থেকে পর্দা তোলেন।
সিহাব: রহস্য মানে mystery. oh no,no.এটাকে mystery বলে না My dear Princes.।এটাকে surprise বলে।আর তা আছে এই বাসার ভিতরে ।So let's go. বাসার বাইরে দাড়িয়ে না থেকে চলুন ম্যাম বাসার ভিতরে যাওয়া যাক এবার।
আমাইয়া:হুম।
সিহাব:ভাইয়া,ভাবি কোথা তোমরা?দেখ কে এসেছে তোমাদের সাথে দেখা করতে।সব কোথায় রেহান চাচা (servant).
রেহান চাচা:সেহেব,ম্যাডাম তো উপরে, ওনাদের রুমে আছেন।ওনারা আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছেন।আমাকে বলেছেন,আপনাদের তাদের রুমে যেতে বলি।
সিহাব:ও আচ্ছা।চলুন ম্যডাম আমরা এবার যাই। জানি না উপরে যাওয়ার পর কি হতে চলছে? i am sure এত সহজে তো আমাইয়া রিয়া ভাবিকে i mean তার বোন মাইশাকে accept করবে না।সাইক্লোনও আসতে পারে আজ।(মনে মনে সিহাব ভাবছে)
তারপর সিহাব আমাইয়াকে নিয়ে আদিবদের রুমে চলে গেল।রিয়া তো তার ছোট বোনকে দেখে ভীষণ খুশি সেই সাথে তার guiltyও feel হচ্ছিল। এই ভেবে নিজেকে বাচতে সে নিজের আপন বোনকে মৃত্যু মুখে কিভাবে ফেলে দিয়েছিল।যদিও যে জান তো না যে, এই আমাইয়াই তার দুষ্টমিষ্টি ছোট বোন।অনেক বছর কেটে গেছে সবকিছু যেমন বদলে গেছে তেমনি আমাইয়াও অনেক বদলে গেছে। তাই মাইশার চোখে সামনে আমাইয়া থাকার পরও সে তাকে চিন্তে পারে নি।অন্যদিকে আমাইয়াও তার বোন মাইশাকে পেয়ে। ভিতরের ভিতরে খুব খুশি হলেও মাইশা তাকে চিন্তে পারে নি বলে খুব রাগ দেখাতে শুরু করে।সে মাইশাকে উদ্দেশ্য করে সিহাবকে বলে,
আমাইয়া:আমরা এখানে কেন আসছি স্যার?কোন কারণ আছে কি এখানে আসার?এখানে যে বা যারা আছেন তাদের তো আমি চিনি না?
সিহাব:এর রাগলে চলবে Princess? রিয়া ভাবি তো তোমার নিজের বো--
আমাইয়া:আমি কিছু শুনতে চাচ্ছি না।এখানে থাকতে আমার অসহ্য লাগছে।আমি আমার বাসায় যাব।May i?
মাইশা:প্লিজ লক্ষী বোন আমার রাগ করিস না।ও মোম, এই মোম। আমি কানে ধরছি প্লিজ রাগ করে থাকিস না।এত বছর তো আমার থেকে তোকে নিয়তি দূরে রেখেছিল।এখন তুইও রাগ করে আমাকে দূরে সরিয়ে দিব।আয় না বোন (দুহাত বাড়িয়ে)
আমাইয়া আর রাগ করে থাকতে পারল না। মাইশাকে জড়িয়ে ধরে সে।
সিহাব ও আদিব এতক্ষণ দুবোন কাণ্ডকারখানা দেখছিল নিরব দর্শকের মত।আদিব বলল,
আদিব:দেখেছো সিহাব দুবোনের কত ভালবাসা।বোন বোনকে পেয়ে আমাদের কথা ভুলে গেছে।
সিহাব:হুম,তাই তো দেখছি ভাইয়া।
আমাইয়া:এই আপনারা কি jealous feel করছেন?আপু দেখ,দুভাইয়া কি হিংসুটে রে।
সিহাব:আমরা দুভাই হিংসুটে?
আমাইয়া:তা না তো কি?
আদিব:হয়েছে হয়েছে। এবার থামও তো Tom and Jerry.তা এবার Tom and Jerryকে সারজীবনের জন্য বাধতে হবে,এমন একটা দড়ি দিয়ে কি বল রিয়া😉
ভাইয়া!(সিহাব ও আমাইয়া একসাথে বল)।
রিয়া:তোদের ভাইয়া তো ঠিক বলছে।যে সে দড়ি দিয়ে।বাধলে চলবে না, আদিব।এমন দড়ি দিয়ে বাধতে হবে যাতে এই বন্ধন কখনও ছিড়তে না পারে।
আমাইয়া ও সিহাব রিয়া ও আদিবের কথার মানে বুঝতে পেরে দুজনের মুখ টমেটোর মত লজ্জায় লাল হয়ে গেল।তা দেখে আদিব ও রিয়া হাসতে শুরু করে।
কিছুদিন পর আমাইয়া মিস থেকে মিসেস সিহাব হল।সিহাবের ইচ্ছে ছিল এই iimportant দিনে আমাইয়ার বাবাও যেন তাদের পাশে থাকেন।তাই সে তাকে খুঁজতে শুরু করে।অনেক খোঁজাখুঁজির পর সে জানতে পারল যে,আমাইয়ার বাবার আর এই পৃথিবীতে নেই। তিনি অনেকদিন আগে মারা গেছেন।তাই সিহাবকে না চেয়েও এই কথাটি আমাইয়ার কাছে থেকে লুকিয়ে রাখতে হয়েছে।এটাই হচ্ছে জীবন, যেখানে সব পেয়েও মানুষ সব পায় না।একদিকে আমাইয়া তার বাবাকে হারিয়েছে অন্যদিকে সে সিহাবের মত ভাল মানুষকে সে তার Life partner হিসেবে পেয়েছে।আমাইয়া ও রিয়া তারা তাদের জীবনে অনেক সুখে আছে।আমাইয়া জানতে পারল তার husband আসলে একজন ডাক্তার।আমাইয়ার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার বিয়ে করার।আসলে সে এটা বলছিল সিহাবকে jealous feel করানোর জন্য।কিন্তু সিহাব যে, আসলে একজন ডাক্তার সেটা আমাইয়ার কাছে অজানা ছিল।😊😊ভাল থাকুক Tom andJerry। ভাল থাকুক প্রতিটি সম্পর্ক। আজ এখানেই শেষ করছি।
আবার ফিরে আসব নতুন কোন গল্প নিয়ে।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন।Stay save,Stay Healthy.
কিডন্যাপ পার্ট #১৪+ ১৫
রাইটার #দিলরুবা হাসান পামি
আমাইয়াঃআহ,আমার পেট?
সিহাবঃকি হল আমাইয়া?এই আমাইয়া কি হয়েছে?বল আমাকে।
আমাইয়াঃএক angry man এতটাই রাগ পোষে রেখেছিলেন যে, আমার দিকে একবারও ফিরে তাকান নি।আমি যে, সারারাত না খেয়ছিলাম তার খবরও নেওয়ার প্রয়োজনবোধ করেন নি তিনি।আমার চেয়ে তার Ego বড় ছিল।
সিহাবঃআরে বাবা সরি, আমার ভুল হয়ে গেছে।
এমনটা আর হবে না।আমার ওভাবে react করা উচিত হয় নি।আমি তো just -- আচ্ছা sorry
আমাইয়াঃsorry! For what?আমি কতটা কষ্ট পেয়েছি জানেন আপনি?সকালে আপনি আমার সাথে রাগ করে কথা বলেন নি।আমি কি এতটাই খারাপ যে আপনি--
আমাইয়ার মুখে সিহাব হাত দিয়ে বলে,
সিহাবঃএকদম চুপ।একটা কথা বলবে তো, তোমাকে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দিব।
আমাইয়াঃতো দিতে কে না করছে আপনাকে? ফেলেছে দিন না।এতে যদি আপনি শান্তি পান তবে তাই হোক।
সিহাবঃকি তুমি, আমাইয়া?নিজের ভালটা কবে বুঝবে বলতো?সব সময় অন্যের কথা ভাব।অন্যের জন্য নিজের জীবনের যে, ঝুঁকি থাকছে সেটা বুঝ না তুমি?কি দিয়ে তৈরি তুমি আমাইয়া?
আমাইয়াঃআমার পেটে এখন বিড়াল,ইদুর দৌড়াছে।এর আগে ব্যবস্থা করুন সিহাব স্যার।পরের আপনার কথা শুনবো। আমাকে খেতে দিন।না হলে আমি মরে যাব।আর আপনাকেও কষ্ট করে ছাদ থেকে ফেলতে হবে না।এটাই কি চান আপনি ?
সিহাবঃWhat?
আমাইয়াঃএই যে, আমি না খেতে পেয়ে সোজা পড়ে চলে যাই।(আকাশের দিকে তাকিয়ে)।
সিহাবঃDrama Queen একটা (মুখ বাকিয়ে)
তারপর তারা নিচের এসে Breakfast করে নেয়। তারপর যে যার রুমে চলে যায়।কিছুক্ষণ পর সিহাব আসে আমাইয়ার রুমে।
সিহাবঃMay i coming Ma'am?
আমাইয়া :সব সময় আমার সাথে এমন কেন করছেন বলেন তো?আমার leg pull করতে আপনার খুব ভাল লাগে তাই না?(মুখ বাঁকিয়ে)
সিহাবঃ তুমি যা ভাবছো, তা মোটেও ঠিক নয়, আমাইয়া।তুমি যে আমার Princess, Queen of my heart তাই তোমাকে সম্মান দিয়ে কথা বলতে হবে সেটাই তো নরমাল।
আমাইয়াঃআহ!আমি-আপনার?
সিহাবঃ My silly girl.(মুচকি হেসে)। আমাইয়া তোমার জন্য একটা surprise আছে।
আমাইয়াঃSurprise?আমার জন্য?
সিহাবঃহুম surprise তোমার জন্য , তবে এখানে নয়।
আমাইয়াঃতবে কোথায়?
সিহাবঃআহ,তুমি না বড্ড বেশি কথা বল।চুপ কর এবার।আমাকে আমার কথাটা শেষ করতে দাও ।যদি আমার কথার মাঝে কোন কথা বলছো তো তোমাকে এখানেই রেখে চলে যাব,বুঝলে তুমি?
আমাইয়া চুপ থাক এখন,তা না হলে সত্যি সত্যি তোকে এই অচেনা দেশে রেখে চলে যাবেন।এই লোকটা সবসময় আমার সাথে এমন আচরণ করছেন।কেন এত রাগ উনার?আর আমি কেন বা এই angry man টাকেই ভালবেসেছি। কেন, কেন,কেন?(মনে মনে আমাইয়া নিজেকে বলছে)
সিহাবঃতোমার surprise তোমার জন্য অপেক্ষা করছে দেশে ।কালকে আমরা দেশে ফিরছি আর তুমি তোমার জীবনের সব থেকে best gift পেয়ে যাবে কালকেই।I hope তুমি তা পেয়ে খুবই খুশি হবে।আমাইয়া এবার তো কিছু বল।
সব কি আপনার ইচ্ছাতেই হবে।যখন বলবেন চুপ থাকতে তখন চুপ থাকব আবার যখন বলবেন কথা বলতে তখন কথা বলব।পারব না আমি।যান আপনার সাথে কোন কথা নেই।
কালকে আপনি আমার সাথে কথা না বলেই সারারাদিন কাটিয়ে দিয়েছেন আজ আমিও আপনার সাথে তাই করব।কেমন লাগবে তা আপনি হারে হারে বুঝবেন।মনে মনে আমাইয়া ভাবছে এসব)
সিহাবঃতুমি যদি ভেবে থাকো আমাইয়া যে, আমার সাথে কথা বলবে না। তবে তোমার সেই ভাবটাই সব থেকে খুব বড় ভুল তোমার।কেননা আমি আমার আমাইয়াকে ভালভাবেই চিনি সে আমার উপর রাগ করে কথা না বলে থাকতেই পারে না।(ভ্র নাচিয়ে)
আমাইয়াঃOh,really?তবে সেটা আপনার বুঝার ভুল। কে বলেছে আমি আপনার সাথে কথা না বলে থাকতে পারব না?আপনি যদি থাকতে পারেন তবে আমিও পারব।
সিহাবঃতুমি তো হেরে গেলে my dear Amaiya ।নিজেকে করা commitment নিজেই ভুলে গেলে?(ভ্রু নাচিয়ে)
আমাইয়াঃU are a cheater.😡😡
সিহাবঃOh baby, আমি কি Cheating করেছি ?
বল,বল(মুচকি হেঁসে)
আমাইয়াঃআপনি আবার আমাকে আপনার কথার জালে ফাঁসলেন।আপনি একটা cheater, cheater.আপনি যান এখান থেকে। আপনার সাথে কোন কথা নেই আমার।
আমাইয়া সিহাবের থেকে মুখ ঘুড়িয়ে নিয়ে বলে,
আমাইয়াঃ আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি তো যাবেন না।তবে আমিই যাচ্ছি।প্লিজ আমার পিছনে পিছনে আসবেন না আপনি।আমি এখন একা থাকতে চাইছি কিছুক্ষণ। আমাকে একা ছেড়ে দিন।
আমাইয়া রুম থেকে বের হচ্ছিল ঠিক সেই সময় সিহাব আমাইয়ার হাত ধরে পিছন থেকে। তারপর তার একহাত আমাইয়ার গলায় রেখে জড়িয়ে ধরে আমাইয়াকে।
সিহাবঃsilly girl.
আমাইয়ার মুখে কোন কথা নেই।তার মুখ থেকে যেন কথা বের হতে চাইছে না।
কিডন্যাপ
পার্ট #১৫
আমাইয়াঃআমরা কোথায় যাচ্ছি?
সিহাব সেসময় আমাইয়ার পাশের সিটে বসে তার cell phone কি যেন করছিল?
আমাইয়ায় কথা শুনে সিহাবআমাইয়ার দিকে তাকায়।আর তাতেই আমাইয়া ভয়ে পেয়ে বলে,
আমাইয়াঃনা,না মানে?এই রাস্তা তো না আমার বাসার,না আপনার। এটা তো unknown পথ তাই ask করছি আমি😣😣
Devil একটা।কখন কি করবে কিছুই বুঝার উপায় নেই। Airport থেকে বের হওয়ার পর কোন কথা বলে নি।Driver কে just আঙ্গুলের ইশারায় কি যেন একটা বলছে সে?তারপর মশাই আমাকে গাড়ি উঠতে বললেন আর উনী আমার পাশে বসেছেন।গাড়ী চলছে তো চলছে।কোথায় যাচ্ছি, কেনই বা যাচ্ছি তা আমার জানা নেই। উফফ!কিছু বুঝছি না। কোথায় যাচ্ছি তা ask করছি তবুও তিনি বলছেন না।এভাবে কি থাকা যায়?Oh God,এমনটা কেন করলে আমার সাথে।আর কি মানুষ ছিল না দুনিয়াতে? বেছে বেছে এই devil টাকেই আমার কপালে রাখলে😡😡(মনে মনে আমাইয়া সিহাবের উপর ভীষণ রেগে আছে)।
সিহাবঃOh,Amaiya তুমি বড্ড বেশি বকবক করছ।একটু শান্তিতে নিঃস্বাস নাও।আর যাই করি তোমাকে মারতে নিতে যাচ্ছি না নিশ্চয়ই।so chilli(ভ্রু বাকিয়ে)
আমাইয়াঃআপনাকে বিশ্বাস হচ্ছে না আমার এই মূহুর্তে। কেননা আপনার দ্বারা সেটাও সম্ভব। (মুখ বাকিয়ে)
সিহাবঃকি?
আমাইয়াঃoh,yes boss
কেমন লাগছে মশাই?আহ!
বেচেরা লাল হয়ে গেছে।থাক আর ক্ষেপানোর দরকার নেই।বেশি হয়ে গেলে তখন দেখা যাবে যে, সত্যিই তিনি আমাকে খুনি করতে আসছেন😁😁ওরে আমাইয়া এখন তুমিই Devil হয়ে গেছি oh sorry Devil ' Queen. আমি Devil এর queen 🤔দারুণ তো(মনে আমাইয়া ভাবছে)
আমাইয়া হি,হি করে হাসছে আর সিহাব তার দিকে তাকিয়ে আছে।
সিহাবঃকি হয়েছে এসব?তুমি কি ভাবছো বল তো?
আমাইয়াঃDevil's Queen(জিহবায় কামড় দিল সে)
সিহাব আমাইয়ার মাথায় হাতে রেখে বলল,
সিহাবঃহুম তুমি তো তাই।আমাকে তুমি devil ডাক আর তুমি তো আমার। হিসেবে তো তাই হবে। Devil's Queen হবে।🤣🤣
আমাইয়া ঃso cute,এভাবে হাসতে পারেন না?হাসলে আপনাকে কতটা কিউট লাগে, জানেন আপনি?
সিহাবঃআমার হাসিটাই কিউট শুধু, আমি কিউট নই?
আমাইয়াঃআহ!আমার আপনাকে বলাটাই ভুল হয়েছে। আচ্ছা আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইছি।আর আপনার হাসিটাই নয় আপনিই মানুষটাই একটা কিউটের বক্স। হয়েছে?হ্যাপি?(রেগে গিয়ে)
সিহাবঃOh!তুমি শুধু cry baby ই নও angry bird ও।
আমাইয়াঃআমি এখন রাগি পাখি?Oh God 🙆আমাকে তুলে নাও।আমি আর পাচ্ছি না।
সিহাবঃএত সহজ নয় ম্যাম,আমার থেকে পালানো।আল্লাহ মালিক তোমাকে আমার কাছে এনেছেন।এত সহজে তো তিনি তোমাকে নিবেন না।ওনাকে রেস্ট দাও।আর জ্বালাতন কর না।Angry Bird 😝
আমাইয়াঃদেখুন, এসব ঠিক হয়েছে না কিন্তু। ড্রাইভার আপনি গাড়ী থাবেন?আমি বলছি থামতে।stop the car.আমি নামব।।
সিহাবঃএদিকে যাই হোক না কেন।আজ ঝড় আসুক বা টর্নেডো বা earthquake।পৃথিবী এদিক থেকে ওদিকে হয়ে যাবে তবুও আপনি গাড়ী থাকাবেন না।এটা আমার ওর্ডার।।
ড্রাইভার ঃOkay Sir.
সিহাবঃI am very
sorry.এমন আর হবে না।
আমি আর তোমার leg pull করব না । এই আমি কানে ধরছি। তুমি চাইলে পাও ধরতে পারি।
আমাইয়াঃPlz stop, আর হ্যা যদি কখনও এমন করছেন না সত্যি সত্যি চলে যাব আর কখনও ফিরব না।(মুখ ঘুড়িয়ে)
সিহাবঃবড্ড অভিমানি মেয়েটা।( মনে মনে)।আচ্ছা বাবা, সরি এর কখনও এমন হবে না।এখন তো একটু হাস।প্লিজ,প্লিজ।
না হলে কিন্তু কাতুকুতু দিব এখন😄😄
আমাইয়াঃহি,হি(দাতে বের কর দেখাল)
সিহাবঃছি,ছি।এটাকে হাসি বলে?সুন্দরভাবে হাসবে তুমি?না হলে কিন্তু সত্যি ------(হাত দেখাল)
আমাইয়াঃআপনি পারেনও তোও বড্ডে।😆😆
সিহাবঃThat 's like my Princess.
সিহাবের কথায় শুনে আমাইয়া হাসি থামিয়ে তার দিকে তাকায়।
সিহাবঃএভাবে কি দেখছ গো?এভেবে তাকিও না গো।তোমার নজর লেগে যাবে---
আমাইয়াঃআজকাল আপনি বাংলা গান বেশি শোনছেন তাই না?
সিহাবঃহুম😁😁
You Are My Everything.
আমাইয়া#মানে?
সিহাবঃএটা আমার
favourite song.
When i see starts i think of u
then i always pray for ur and i
Know what my heart
was made
for to love u forever.
When i feel you in my heart
--------------.
আমাইয়াঃথামলেন কেন?আমি শুনবো, প্লিজ কন্টিনিউ করুন।
সিহাব মুচকি একটা হাসি দিয়ে আবার শুরু করে
সিহাবঃ I am lost without u.
You are my everything.
----------------------------------------
You belong with me.
আমাইয়াঃ Wow 😍😍আপনার voice tone,just awesome। আপনার যে, গলা তাতে যে কোন মেয়ে আপনার প্রেমে পড়ে যাবে।আপনাকে আর---😝😝
সিহাবঃএই বোকা মেয়েটাকে
নিয়ে আর পারি না।আমি যে
ওকে ভালবাসি সেটা
কিছুতেই বুঝতে পাচ্ছি না।(মনে মনে)
তুমি কি কখনও বুঝবে না আমাইয়া(মুখ ভার করে)
আমাইয়াঃ🤣🤣আমি তো just fun করেছি।আর হ্যাঁ, কান খুলে ভালভাবে শুনে নিন আপনি যদি সত্যি কাউকে পটাতে যাবেন তো আমার থেকে খারাপ কেউ হবে না বলো দিচ্ছি আপনাকে। First আপনাকে শেষ করব, তারপর নিজেকে।
সিহাব ঃপাগলী মেয়ে একটা।এমন দিন কখনও আসবে না,believe me ।এই সিহাব মরে যেতে পারে but তার আমাইয়াকে কখনও betray দিতে পারে না।
আমাইয়াঃও রে বাবা রে।মশাই তো দেখছি এখন নিজেই cry baby হয়ে যাচ্ছেন। আর আমাকে cry baby ডাকতে পারবেন না। হি,হি।
সিহাব তার চোখ মুছে নিল।আমাইয়াকে হাসতে দেখে সেও হেঁসে দিল।
আমাইয়াঃএই পথ কি আজ শেষ হবে না?

কিডন্যাপ পার্ট #১২+১৩
রাইটার #দিলরুবা হাসান পামি
রিয়াঃমানুষ কতটা নিচে নামাতে পারে তা আমি আমার বাবা, ভাইয়াকে না দেখলে কখনও বুঝতে পারতাম না।আমাকে আমার পরিবার থেকে আলাদা করছে।আমার আসল বাবা মা কে তা আমার মনে নেই।আমার শৈশব, কৈশোর সবকিছু শেষ করছে এরা।আমি তাদের হাতে খেলনা মাএ।এছাড়া আমাকে তারা কখনও কিছুই ভাবে নি।কি না করছি ওদের জন্য। আজ তার মূল্য এটা।আমার ভালবাসার দিকে হাত বাড়িয়ে।একমাএ এই মানুষটি আমাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালবেসেছ। আমি কিভাবে কখন যে তোমার ক্ষতি কারণ হয়ে দাড়িয়েছি তা বুঝতেই পারি নি?
উকিলকাকুঃহ্যালো রিয়া মা,শুনতে পারছ তুমি?হ্যালো?
উকিলকাকুর ডাকে রিয়া ভাবনার জগতে থেকে বের হয়ে আসে।রিয়া উকিলকাকু বলে,
রিয়াঃউকিলকাকু, নকল উইল বানানোর পিছনে একটাই উদ্দেশ্য ছিল আর সেটা হচ্ছে বাবা, ভাইয়ার হাত থেকে আদিবকে বেচানো কিন্তু তারা যে, এতটা নিচে নামবে তা জানা ছিল না। তারা আমার আদিবকে পৃথিবীতে থেকে সরিয়ে দিতে চাইছে।তারা ওকে মরে ফেলবে।একটা মেডিসিন আসে যেটা দিয়ে আদিবকে তারা মরবে।পুলিশ কেস হলে কোন লাভ হবে না।কারণ সেই মেডিসিনের এমনই গুণ যা কেউ সহজে ধরতেই পারবে না। সবাই ভাবে heart attackকে আদিবের মৃত্যু। আসলে এটা যে, একটা খুন তা কেউ বুঝতেই পারবে না।কোন প্রমাণ নেই। আর তারাও বেচে যাবে।
উকিল কাকু ঃকি ভয়ানক মানুষ এরা।এরা তো মানুষই নয়।নরপিশাচ।মানুষ রূপ শয়তান একেকটা।ইচ্ছে করছে ওদের পুলিশ দিতে এখনই কিন্তু ওরা যে চালক আইন বেড়াজাল কেটে ঠিক বের হয়ে আসবে।আর তা তোমার, আদিব কারোও জন্য মঙ্গলজনক নয়।তাই আমাদের ভেবে চিন্তে এগুতে হবে।
রিয়াঃআমাদের হাতে ২দিন সময় আছে।যা করা এই দুইদিনের মধ্যে করতে হবে।২দিন পর ওরা সেই মেডিসিনটা হাতে পাবে আর তারপর তারা তাদের ভয়ানক খেলায় মেতে উঠবে।প্লিজ হেল্প উকিলকাকু। একমাত্র আপনি ছাড়া আমাদের আর কেউ নেই। আপনি আমার পিতৃতুল্য, আমি তো আপনার মেয়ে মত তাই না?সেই অধিকারে এক মেয়ে তার বাবাকে বলেছে তার মেয়ে জীবন বাঁচতে।আদিবের কিছু হলে আমি মরে যাব😭😭😭
উকিলকাকু ঃরিয়া মা,এসব বলতে নেই মা।তোমার এই বাবা তো তোমাদের পাশে আছে। আমি থাকতে তোমাদের কিছু হবে না।এতে যদি আমার জীবন যায়,যাক না। আমি পিছ পা হব না মা।
রিয়া আর উকিল কাকুর পরিকল্পনা অনুযায়ী আদিবের বাসায় একটা গোপন প্রবেশ পথ আছে সেই পথ দিয়ে আদিবকে বাসা থেকে খুব সাবধানে সর্তকতা অবলম্বন করে বেব করা হয়।যদিও এই পথের কথা আদিব আর রিয়া ছাড়া আর কেউ জানতো না।তবু চোখ কান খোলা রাখতে হবে বলা তো যায় রিয়ার ভাইয়া বা বাবা কোনভাবে এটা যদি জেনে যায় তবে তাদের আর রক্ষা থাকবে না।আদিবকে এম্বুলেন্স করে উকিলকাকু বাসায় নিয়ে যাওয়া হল।হাসাপাতালে রাখাটা নিরাপদ নয়।কারণ ওরা ঠিক খুজে বের করবে আদিবক।একমাত্র নিরাপদ স্থান এখন এই বাড়িটি।কেউ চিন্তাও করতে পারবে না যে, আদিব এখানে থাকতে পারে।
রিয়াঃউকিল কাকু আমার আদিবকে আপনার হাতে দিয়ে যাচ্ছি। ওকে দেখ রাখবেন।
উকিলকাকু ঃরিয়া মা---(চোখে জল নিয়ে)
রিয়াঃআমি কি ওর সাথে কিছুক্ষণ থাকতে পারি?
উকিলকাকু রিয়ার মাথায় হাত বুলিয়ে রুম থেকে বের হয়ে যান।
রিয়াঃআদিব আমাকে ক্ষমা কর তুমি। আজ আমার জন্য তুমি একটা জীবন্তলাশে পরিনত হতে হয়েছে। আমাদের দেখা না হলেই ভাল হতো।আমি কেন এলাম তোমার জীবন, কেন?আদিব আমি চলে যাচ্ছি। এই জীবনে আমাদের আর দেখা হবে না।যদি অন্য কোন জীবন থেকে থাকে তবে আমি তোমাকে চাই সেই জীবনে।তবে রিয়া নয়।মাইয়া হয়ে।কোন খুনি হয়, কোন devil Queenও নয়।আমি তো একটা Devil killer যে, রক্ত ছাড়া কিছুই বুঝে না।আমি জানি তুমি একদিন ঠিকই সুস্থ হয়ে যাবে।আমাকে খুজবে না খরবদার।নিজের ভালটা এবার তো বুঝ।নিজের জীবনটা আবার নতুনভাবে শুরু কর প্লিজ।তোমাকে একটা hang করতে পারি আদিব?খুব ইচ্ছে করছে প্লিজ।
আদিব চোখের পলক ফেলে রিয়ার কথার উওর দেয়।
রিয়া আদিবকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেল।আদিবের ভিতরটা পোড়ে যাচ্ছে রিয়ার কান্না দেখে।আজ তারা চিরদিনের জন্য আলাদা হয়ে যাচ্ছে।তা ভেবে দুজনের খুব কষ্ট হচ্ছিল। আদিবের খুব ইচ্ছে হচ্ছিল রিয়াকে আটকানোর।কিন্তু সে সেই আবস্থাতেই নেই যে, রিয়াকে সে আটকাবে।
রিয়াঃভাল থেকো তুমি।কিছু কিছু কাহিনী সমাপ্তি মনে হয় এভাবে হয়, তা না?আমাদের দেখ হওয়াটাই ছিল ভুল।আমরা একে অপেরর জন্য নই।অন্ধকার সরিয়ে আলো পথে যাকে তুমি এনেছিলে আদিব সেই তোমার জীবনটাকে চন্দ্র গ্রহণের মত গ্রাস করছে।
আদিবঃইচ্ছে হচ্ছে তোমার গালে কষে চড় বসাতে।তুমি আমাকে এই ভাবলে?আজও তুমি তোমার আদিবকে চিলতে পারলে না রিয়া?(মনে মনে)
রিয়া আদিবকে ছেড়ে চলে যায় যাওয়া সময় আদিবের দিকে তাকিয়েছিল।আর আদিব রি--য়া, রি--য়া বলে ডাকছিল।আর রিয়া তা শুনেও না শোনার ভ্যান করে চল আসে। কারণ রিয়ার থাকাটা আদিবের জন্য ক্ষতিকর।
রিয়া ঠিক করে সে আর ফিরবে না।চলে যাবে অনেক দূরে সেখানে তাকে আর কেউ খোজে পাবে না।সেখানে আছে শান্তি। এই কলঙ্কময় জীবনের ভারবহন করতে করতে আমি যে আজ বড় ক্লান্ত। আমাকে এর থেকে মুক্ত হতেই হবে।তার আগে আমাকে দুটি কাজ করতে হবে ।আদিবের ভাই সিহাব খুব ভাল ডাক্তার।সিহাবকে ওর ভাইয়ের ব্যাপারের জানতে হবে আর দুজন মানুষকে তাদের কৃত কর্মের জন্য শাস্তি পেতেই হবে।সেটা কোন আইন আদালত নয়।আমি নিজে দিবে।অনেক খেলেছ তোমরা।তোমরা যে খেলা শুরু করেছ তার শেষটা হবে আমার হাতেই।হ্যা তোমাদের হাতে পুতুল তোমাদের কি হাল করবে তা তোমরা নিজেরাও বুঝবে না।তোমরা আদিবকে মরার প্লেন করছ তো, এবার সেইভাবে তোমাদের মরতে হবে।আর এটাই হবে আদিবের প্রতি করা অন্যায়ের উপযুক্ত শাস্তি। রিয়ার সেইভাবে তাদেরকে শেষ করে যেভাবে আদিবকে মারতে চেয়েছিল।তারপর সে পুলিশকে খরব দিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়।পুলিশের তদন্তে বের হয়ে আসে, অতিরিক্ত alcohol পান করার কারণে বাবা, ছেলের মৃত্যু।
রিয়া যাব আগে সিহাবকে test করছিল। সে সিহাবকে বলে ,
রিয়াঃডা ঃসিহাব আহমেদ,আমাকে আপনি চিনবেন না।আর আমি এমন কেউ না যে আমাকে আপনার চিনতে হবে।ভেবে নিন আমি আপনার একজন শুভাকাঙ্ক্ষী। আপনার ভাইয়া আদিব আহমেদ খুব অসুস্থ।জীবন মৃত্যুর দ্বার প্রান্তে দাড়িয়ে আছে প্লিজ বাচিয়েনি আপনার ভাইয়াকে। আর তার এমনটা হওয়ার পিছনে রয়েছে আপনার ভাবি রিয়া।
আপনার ভাইয়া এখন আপনাদের উকিল কাকু মানে আপনার বাবার ছোটবেলার বন্ধ, আপনাদের ফ্যামিলি lawyer এর বাসায় আছেন।আপনি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেশে আসুন। আপনাকে আপনার ভাইয়ের পাশে এই মূহুর্তে থাকাটা খুব প্রয়োজন।আশা করি আপনি আমার কথা বুঝতে পারছেন।আমার একটা অনুরোধ, আমি কে সেটা বের করা চেষ্টা করবেন না কখনও।সরি অনেক long test করছি।ভাল থাকবেন।Good bye,Dr Sihab.
(হ্যাঁ রিয়া নিজের উপর সব দায় নিয়েছে,কারণ নিজেকে আদিবের এই অবস্থার জন্য দোষী মনে করে।সে ভাবে সে না আসলে আদিবকে এই দিন দেখতে হতো না)
রিয়া ভালভাবেই জানে সিহাব তাকে খুজে বের করবে।তাই সে তার ফোন ভেঙ্গে নদীতে ফেলে।দেয় তারপর কোথায় হারিয়ে গেল রিয়া, কেউ জানে না।সে কি বেচে আছে না মরে গেছে কেউ তা বলতে পারে না।
কাটতে থাকে সময় ।সিহাব জানে তার ভাইয়ের এই অবস্থার জন্য রিয়া দায়ী।রিয়াকে সে সেই যন্ত্রণা, কষ্ট দিতে চাইল যা আদিব পেয়েছে।
আদিবঃরিয়া?
রিয়াঃ হুম,বল আদিব?
আদিবঃএতদিন কোথায় ছিলে তুমি?
রিয়াঃথাক না সেসব।
আদিবঃ না রিয়া আমি জানতে চাই সব। আমার থেকে লুকিয়ে রেখ না আর।বল আমায়।
রিয়াঃআমি তোমার দোষীদের শাস্তি দিয়ে নিজে হাত তারপর নিজেকে---
আদিবঃথামলে কেন?বল আমায় নিজেকে কি?রিয়া।
রিয়াঃএরা তো ওদের কৃতকর্মের শাস্তি পেল।কিন্তু তোমার অবস্থা জন্য দায়ী আসলে কে তাকে কি করে ক্ষমা করি।তাকে তো শাস্তি দিতে হতো তাই
আদিব ঃ কি বলছ তুমি?Are u mad?তুমি নিজেকে শাস্তি দিতে চেয়ছিলে?তুমি একবারও আমার কথা ভাবলে না। তুমি না থাকলে আমার কি হবে?তোমার আদিব কিভাবে বাচবে একবারও তোমার মাথায় আসে নি এটা?
রিয়াঃএসেছি কিন্ত আমি তোমাকে এইদিন দেখিয়েছি।
তোমাকে জীবন্তলাশ বানিয়েছি।নিজেকে কিভাবে ক্ষমা করব, বলতো?কিন্তু নিয়তি আমাকে মরতে দিল না।ঠিক বাচিয়ে নিল।সিহাবকে সব জানানোর পর আমার কাজ শেষ তখন আমি এই দুনিয়াতে থেকে চলে যাওয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছি।নদীতে বুকে নিজেকে সমাহিত করতে চাইলাম।ঠিক তখন এক বৃদ্ধ দম্পতি আমাকে বাঁচালেন। তারা আমাকে নিজের সন্তানের মত দেখেন।তাদের নিজের কোন সন্তান ছিল না আমাকে পেয়ে তারা যেন নিজের সন্তানকে পেয়েছেন।আমার অতীত নিয়ে কখনও কোন প্রশ্ন করেন নি।এতটাই বিশ্বাস করতেন যে, নিজের কোম্পানি আমার নামে করলেন।আমি নতুন পরিচয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করলাম।কিন্ত তোমাকে কখনও ভুলতে পারি নি।তোমার স্মৃতিকে নিয়ে বাচতে চেয়েছিলাম যখন মরতে পারলাম না।যখন খুব ক্লান্ত হয়ে যেতাম, যখন হাজার লোকের ভিড়ে নিজেকে খুব একা লাগতো তখন আমি তোমাকে খুজেছি।কল্পনায় আসতে না তুমি, কতবার ডেকেছি জান।আমি পাগল তাই না?
আদিব রিয়া মাথায় হাত রেখে বলে,
আদিবঃকে বলেছে তোমায়?তুমি আমাকে তোমার জীবনের থেকেও যে ভালবাস।
এদিকে আমাইয়া আর সিহাব শপিংমল থেকে বের হল। আমাইয়া মাথা এখন শয়তানী বুদ্ধি কাজ করছ,
আমাইয়াঃআমার না ছোট থেকে খুব ইচ্ছে ডাক্তারকে বিয়ে করার।জানেন আমি ছোট থেকে এই স্বপ্ন দেখে বড় হয়েছি।Infant আজও একই স্বপ্ন দেখি।আমার স্বপ্ন বাস্তব হবে।সরি সিহাব স্যার আমি আপনাকে বিয়ে করতে পারব না।(মুখ বাঁকিয়ে)
My Princess তুমি তো জান না যে, তোমার সামনে যে মানুষটি দাড়িয়ে রয়েছে তার আসল পরিচয় কি?সে আসলে একজন ডাক্তার। তুমি তো তার স্বপ্নই তো দেখব।(মনে মনে)
সিহাব ঃনা ঠিক আছে,এতে sorry feel করার কিছুই নেই।সবার একটা স্বপ্ন থাকে নিজের জীবন সাথীকে নিয়ে তোমারও থাকবে সেটা স্বাভাবিক। আমি তাতে কষ্ট পাচ্ছি না বিশ্বাস কর।(মুচকি হেঁসে)
Really? উনী কিছুই অনুভব করেছেন না।Jealous feel করানোর চেষ্টা করেছি সেটা না হয়ে উল্টো আমাকে সান্তনা দিচ্ছেন। সত্যি আপনি একটা Heartless person। (কাদু কাদু ভাব নিয়ে)
সিহাবঃআমার আছে জল,আমার আছে জল।
আমাইয়াঃকি?কি বলছেন এসব?
সিহাবঃআরে বাবা এত panic হওয়া কি আছে,আমাই---য়া😉।দূরে মাইকে এই কথাগুলো ভেবে আসছে শুনতে পাচ্ছ নিশ্চয়ই। আমার কথাগুলো খুব interesting লাগছে।তাই try করছি আমার মুখে শুনতে কেন লাগে।আমার গলা কিন্তু খারাপ না, তাই না?মেডিকেল কলেজের toperআমি,আর হ্যাঁ তার সাথে আমি আমার গানের গলার জন্যও বিখ্যাত ছিলাম।
আমাইয়াঃহুম
( অন্যমনস্কভাবে উওর দিয়ে সে)
সিহাবঃOh God,আমি এসব কি বলছি।আমি আমাইয়াকে surprise করতে চেয়েছি। আমি দেখতে চাই যখন সে জানবে তার এতবছরের স্বপ্ন পূর্ণ হয়েছে তার dream man তার সামনে তখন সে কি reaction দেয়, তা দেখতে চাই।কিন্তু এভাবে না।যাক আমাইয়া may be শোনেনি। ওকে দেখে তো তাই মনে হচ্ছে।
এটা তো বাংলাদেশ নয়, এখানে বাংলা গান আসবেই বা কোথা থেকে?এরা তো বাংলাই বুঝতে না।গান শুনবে কিভাবে?তার মানে আবার আমাকে বোকা বানিয়েছে।heartless, devil man. আমাইয়া আপন মনে সিহাবকে মনে মনে বকে যাচ্ছে। সিহাব আমাইয়ার দিকে তাকিয়ে আছে।সে ভালভাবেই বুঝতে পারছে আমাইয়ার এখন কি করতে ইচ্ছে করছে।
কিডন্যাপ
পার্ট #১৩
সিহাবঃমিস,ওহ আমাইয়া আপনি কি এই জগতে আছেন?নাকি আবার জেগে জেগে স্বপ্ন দেখছেন?ওহ হ্যালো শুনেছেন মিস?
আমাইয়াঃসব সময় আমার পিছনে লাগছেন কেন বলবেন তো আমায় ?না লাগলে বুঝি আপনার দিন ভাল যায় না?যখন থাকব না তখন বুঝবেন কেমন লাগে।
সিহাবঃকোথায় যাবেন আপনি? ওহ আপনার তো আবার ছোট থেকেই স্বপ্ন ছিল ডাক্তারকে বিয়ে করার।তো কিসের জন্য অপেক্ষা করছেন? যান, যান এখনই যান তার কাছে(রেগে গিয়ে)
এই যা আমি আবার কি করেছি?এভাবে রাগ করার কি হয়েছে? কথায় কথায় আমার উপর করছেন উনী।এখন আমি কি করব?Oh God পৃথিবীতে এত মানুষ থাকতে এই মানুষটিকেই আমার জন্য রাখলে, যে কথায় কথায় রাগ করেন।লাল বানর,না লাল হনুমান একটা।আহ,কিভাবে এখন রাগ ভাঙ্গাব এই মশাইয়ের। মশাই একবার রেগে গেলে সহজে তার রাগ ভেঙ্গে না।কি জ্বালায় পড়লাম বাবা।কেন যে এত বকবক করি সবসময়?কবে আমার বুদ্ধি হবে? disgusting (মনে মনে বলে আমাইয়া এসব)
তুমি কি ভাবছ এখন আমি তা জানি Princess. ভাব ভাব কি আমার রাগ ভাঙ্গাবে?আমিও দেখতে চাই কি করবে তুমি?কিভাবে আমায় শান্ত করবে। (এসব ভেবে সিহাব মনে মনে হাসছে)
গাড়ীতে চলছে তার আপন গতিতে। গাড়ীতে দুইজন বসেছেন।কারোও মুখে কোন কথা নেই।ড্রাইভিং সিটি বসে আছে সিহাব আর তার পাশে আমাইয়া।আমাইয়া এখন ব্যস্ত কিভাবে সিহাবের মান ভাঙ্গানো যায় এই চিন্তায়। হোটেল ফিরে যে যার রুমে চলে গেল।সেদিন আর তাদের খাওয়া হল না।
সারারাত এভাবে কেটে গেল।সিহাব এখন release করছে তার এমনটা করা ঠিক হয় নি।আমাইয়ার সাথে একটু বেশী করে ফেলেছে।যদিও সে আমাইয়ার সাথে রাগ করার অভিনয় করেছে।কিন্তু পাগলীটা সেটাকে seriously নিয়েছে আর সারারাত না খেয়ে থেকেছে।না এমনটা করা একদম ঠিক হয় নি।আমি খুব বাড়াবাড়ি করে ফেলছি।আমাকে যেতে হবে ওর অভিমান ভাঙ্গাতে।
সিহাব আমাইয়ার রুমে গিয়ে দেখে আমাইয়ার রুমের দরজা খোলা।ভিতরে আমাইয়া নেই।আমাইয়াকে সিহাব পাগলের মত খুজতে থাকে।একজন এসে সিহাবের হাতে আমাইয়ার পাঠানো লেটার দিল,তাতে লেখা ছিল,
স্যার,আমি জানি আমার উপর ভীষণ রেগে আছেন আপনি।আর তাই কথা বলছেন না আমার সাথে।আপনি জানেন? আমার খুব কষ্ট হচ্ছে? আমি।যে আপনার চুপ থাকটা আমি কিছুতে মেনে নিতে পারছি না। আমি আপনার সামনে হয়তো এই কথাগুলো বলতে পারতাম না ঠিকভাবে তাই পেপারের সাহায্য নিয়েছি নিজের মনের কথাগুলো আপনাকে জানানোর জন্য। খুব অদ্ভুত আমাদের রিলেশন। কিডন্যাপ দিয়ে যার শুরু। অচেনা দুজন মানুষ যাদের কোন মিল নেই।বলতে গেলে আমরা দুই পৃথিবীর দু'জন মানুষ।তবুও আমাদের নিয়তি আমাদেরকে এভাবে কাছে এনেছে।কখনও ভাবি নি জানেন যে আমার জন্য কেউ আসবে তাও আবার আপনার মত একজন।কেননা আমি যে খুব সাধারণ একটা মেয়ে।যার স্বপ্ন দেখেও বারণ ছিল। কখনই কল্পনাও করি নি আমার জীবনে আপনি আসবেন। প্রতি নিয়ত নিজের সাথে নিজের লড়াই করেছি। আমার brain বলছে আপনার থেকে দূরে থাকতে, আপনি কখনও আমার জন্য নন,আমার চাওয়া ঠিক নয়।আর আমার মন সে তো আপনাকে ভালবেসেছে খুব।আমি এভাবে থাকতে থাকতে পাগল হয়ে যাব একদিন।আপনিই বলুন না আমি কি করব এখন। তবে কি জানেন আমার জীবনে সব থেকে important মানুষ হচ্ছেন আপনি।যাকে আমি চাই। খুব ভালবাসি আপনাকে।এই পৃথিবীতে may be আমিই হব প্রথম মেয়ে যে একটা ছেলেকে এভাবে তার মনে কথা বলছে।
লেটারটি পড়ার সময় সিহাবের চোখ থেকে পানি পড়েছে।না এটা কষ্টের কান্না নয় আনন্দের কান্না ছিল।সিহাব তো এটা শুনতে চেয়েছিল।পাগলি আমার। এতটা ভালবাসা কিন্তু সামনে বলতে পারবে না বলে এই লেটার লেখেছে।এতবড় লেটার কেউ লেখে বুঝি!
তিনটি শব্দ শুনে চেয়েছিলাম আর তুমি আমাকে একটা কাব্য লেখে পাঠালে।দাও তোমার হচ্ছে এবার।
সিহাবঃআমাইয়া কোথায় তুমি?সামনে আসো বলছি?তা না হলে আজ তোমার খবর আছে?
একজন দাড়িয়ে আছে দরজার কাছে যিনি সিহাবকে লেটার দিয়েছিলেন।সে সিহাবকে ইশরায় দিয়ে দেখিয়ে দিলেন আমাইয়া কোথায় আছে।
সিহাব সিড়ি দিয়ে উঠে ছাঁদে চলে গেল।
সিহাবঃকি ম্যাডাম আমার থেকে বাঁচার জন্য এখানে লুকিয়ে রয়েছেন?
আমাইয়াঃকে বলছে আমি লুকিয়ে আছি?আপনি এখানে কেন আসছেন?আপনার তো এখানে আসার কথা নয়।কেন আসছেন আপনি?
সিহাবঃতুমি আমার উপর সাথে এমন করছ কেন?কি হয়েছে তোমার?ওহ আমার উপর রাগ হয়েছে বুঝি, তা আমাকে কি করতে হবে?
সিহাব হাটু গেড়ে আমাইয়ার সামনে বসে।
আমাইয়াঃআরে এসব কি করছেন?কেউ দেখে ফেলে কিভাবে বলেন তো?উঠুন বলছি।
সিহাবঃআগে তোমার হাতটা দাও,তারপর উঠব।
আমাইয়া সিহাবের দিকে তার হাত বাড়িয়ে দেয়।সিহাব আমাইয়ার হাতে রিং পড়িয়ে দিল।তারপর উঠে আমাইয়া পাশে দাড়িয়ে মুচকি হেসে বলে,
সিহাব ঃম্যাডাম এটা হচ্ছে আপনার কাব্যের উওর।
আমাইয়াঃ কাব্য?আমি তো একটা লেটার লিখেছি আর সেটাকে আপনি কাব্য বলছেন।
সিহাবঃ কাব্য না তো কি? কি সব লেখেছো তুমি?আহা আমাইয়া simple 3 words সেগুলোই missing(মুখ বাকিয়ে)।
আমাইয়াঃকেন আমি তো লেখেছি।
সিহাবঃনা লেখ নি তুমি?
আমাইয়াঃআমি লেখেছি তো।আমি আপনাকে খুব ভালবাসি।
সিহাবঃতাই বুঝি?(মুচকি হেসে)
আমাইয়াঃনা আমি আপনাকে ভালবাসি না।আপনি খুব খারাপ, খুব বাজে।Devil king
সিহাবঃOh, really,তবে তুমি কি?
আমাইয়াঃDevil'Queen.
সিহাবঃমানে তো আমার রাণী তাই দাড়াছে, তাই না?
আমাইয়াঃআহা,আপনি আবার আমাকে আপনার কথার জালে জড়াছেন।হ্যা, হ্যা আপনাী queen, এখন শান্তি পেয়েছেন।
সিহাবঃMy silly girl,i love u so much(আমাইয়ার মাথায় হাত বুলিয়ে)
আমাইয়াঃআরে,আরে করছেনটা কি?আমার চুলগুলো সব এলোমেলো হয়ে যাবে তো।আমাকে পাগলি দেখবে তখন আপনার ভাল লাগবে তো?নিশ্চয়ই লাগবে না
সিহাবঃতাতে কি হয়েছে?লাগলে, লাগবে so what?
স্বপ্ন ছিল কোটিপতি হব,পাজি রোবট একটা টাকাও দিয়ে না।আমাদের সব কষ্টে জল ঢেলে দিল।দুষ্ট রোবট। 🤒🤒
Talk of mind#
The leaves of a tree that you want
The more you cut the name
It will grow. To control it
The only way is to be satisfied.
Everyone has ambitions,
That is normal but in that
If the word greed comes
When added, without destruction
Nothing comes into the hands of the
person.
Listening to all these things can change your life <<
1. Cut down on talking to your friend about all the news of your past. Because the past has to be suppressed.
2. Many have a 'best friend', a 'close friend' and a 'moderate friend'. Beware of telling them very confidential words.
3. Stay behind the one who neglects as much as you want for a few days. Keep annoying him. Then he got lost in a hurry. You may not be in love but your words will remind her of her huthat. And maybe he'll start to miss you too.
4. Keep the message block with the message that does not give without the need.
5. Promise not to make a one-line reply to your huge birthday wish in the future.
6. Stay away from having a relationship with someone who is obsessed with ex boyfriends or girlfriends.
.
7. If you have a habit of forgetting something, keep a reminder on your mobile or set an alarm at that time.
8.Avoid being too loyal. Love yourself first. Sit so that no one else can break it.
9. Stay away from the one who gives para every few days. You can leave if you want.
10. Four or five months after the breakup, stay away from making love all right again. You will not get anything like before.
11. Don't melt away seeing too much love. He who can love more, does not feel bad at all to give more trouble.
.
12. Refrain from massaging the person you make a thousand excuses to talk to and he ends up with a hmm reply. This is not ego, self respect.
.
13. Refrain from soaking pillows every night thinking of the past. But if you forget the past, your future is dark. So promise, you don't have to cry a second time for the same mistake.
14. Refrain from having a relationship with someone whose ego is too high. Remember, the higher one's ego, the greater one's power to evade people.
15. If anyone wants to leave, let him go easily. The wrong people have to be let go, the right people have to come.
.
16. Refrain from repeatedly holding hands and continuing the relationship. Love is never found by begging. All that is available is begging.
17. If you can't trust someone even after loving them, move away from them by believing in yourself.
18. Always give priority to your own mind. You do exactly what your mind tells you. Refrain from killing the desires of your mind by thinking of the people of the society.
19. Always hang out with good people, hang out with good people. And if you don't, reading books written by good people will change your life.
20. Do everything with the decision to change yourself. Be it watching movies or reading books. Believe me, if you finish a book first with such interest, then maybe you will be the same person outwardly, but mentally you will be a completely different person. Which, of course, made the video an overnight sensation.
Name: Soya Lentil Soup
Applicable to any diet: low-carb, moderate carb, high carb
Materials:
Pulses - 25 grams
Soya chunks - 25 grams
Ghee-1 table spoon or 14 grams
Slightly chop the onion
Garlic,cloves#2
Cumin - a little
Raw chilli powder - like yourself
Like turmeric, salt, pepper powder needed
Calories: 291,
Macro: Carb-1 9.5 g, Protein-20 g, Fat-14.2 g
Method:
Wash the pulses and boil with salt and turmeric.
Soya chunk is boiled for ten minutes with a little salt. Then it should be cut into small pieces by pouring cold water.
Now fry the onion and garlic in a pan with ghee, cumin, dried chilli foran and fry the soy-dal mixture until golden
লাভ স্টোরি পার্ট #১ম+২য়
রাইটার ঃদিলরুবা হাসান পামি
আমি সাইরা হোসেন।১বছর হল মাস্টার্স শেষ করেছি।জবে জন্য এখন বিভিন্ন কোম্পানিতে interview দিচ্ছি। কোন
কোম্পানি experience ছাড়া নিতে চায় না।
সবাই বলেনঃ সব ঠিক আছে বাট সরি আমরা আপনাকে নিতে পারব না
আমার দোষ একটাই আমার কোন experience নেই।এভাবে তিনমাস কেটে গেল।আমি এখনও বেকার।একের পর এক interview দিতে দিতে আমি খুব ক্লান্ত।
আশেপাশে মানুষগুলো ভাল অবস্থানে চলে গেছে।আমার সাথে যারা পড়েছে তারা সবাই এখন established। আর আমি interview দিয়েই যাচ্ছি । কাজের কাজ কিছুই হল না।মনে খারাপ করে বারান্দায় বসে আছি।ওদিকে আমার cellphoneটা যে বেজেই চলেছে, সেদিকে খেল ছিল না আমার।আম্মু আমার রুমের পাশে দিয়ে যাচ্ছিলেন কি যেন একটটা কাজে। তিনি লক্ষ্য করলেন আমার ফোনটা বাজছে।
আম্মু :সাইরা মামুনি কোথায় তুমি? ফোনটা ধর মামুনি।কখন থেকে বেজেই চলেছে।
রুমে এসে ফোনটা রিসিভ করার পর বুঝতে পারলাম যে কোম্পানিতে আমার cv জমা দিয়েছিলাম কিছুদিন আগে।আজ তারা আমাকে interview এর জন্য call দিয়েছেন। এতবার rejected হওয়ার পর আবার interview দিতে কার ভাল লাগবে? আপনারাই বলুন।জানি এই জবটাও হবে না।তবুও কেন জানি মনে হচ্ছে আমাকে যেতেই হবে।না হলে অনেক বড় সুযোগ হাত ছাড়া হয়ে যাবে।সকাল ১০টা interview। ১ঘন্টা আগেই বাসা থেকে বের হয়েছি।
রাস্তায় আজকাল যে, traffic jam Uff. যাক বাবা আজ taffic jam ছিল না বলে ৯ঃ২০সে অফিসে পৌছাতে পেরেছি।সেখানে যাওয়ার পর আমাকে বলা হল wait করতে। কেননা interview যারা নিবেন তারা এখনও এসে পৌছাতে পারেন নি। রাস্তায় আটকে পড়ছেন।রাস্তায় নাকি এখন ভীষণ jam.আর তাছাড়া আমি ছাড়া কোন candidateও আসে নি। কি করব বুঝতে পারছি না। এদিকে আমি খুব ক্ষুধা লেগেছে। কি করব ভাবতে ভাবতে ইঠাত মনে পড়লে গেলে অফিসে ক্যান্টিনের কথা। একজনকে জিজ্ঞাসা করায় উনী আমাকে ক্যান্টিন কোনদিকে সেটা দেখিয়ে দিলেন। আমি ক্যান্টনে গিয়ে বসি। দেখতে পাচ্ছি অফিসের staffsও রয়েছেন এখানে।তারা কেউ চা খাচ্ছেন, কেউ কফি, কেউ আবার আমার মত breakfast করে আসেন নি বলে breakfast করে নিচ্ছেন।অফিসের পরিবেশ খুবই শান্ত। আমার কেন যেন feel হচ্ছে আমি ভুলবশত কোন আর্মির ক্যাম্পে চলে আসছি।। আমার পাশের টেবিলে তিনজন বসে আছেন। তারা একে অপরের সাথে কথা বলছেন।তাদের খুব কাছাকাছি বসে আছি তাই তাদের কথাগুলো আমি খুব clearly শুনতে পারছি।
আকাশঃআমাদের বসটা একটা Angry Man। এত রাগি মানুষ হয়?এত Discipline কে Maintain করে?এর আগে ৩জন P.A. job ছেড়েছে। তার torture tolerant(নির্যাতন সহ্য)করতে না পেরে।
রিয়াঃএখন তো আবার P.A. জন্য interview নিচ্ছে।৪নাম্বারের ভাগ্যে কি লেখা আছে কে তা জানে?বেচারী।
আদিবঃবাদ দাও এসব। বসের আসার সময় হয়েছে কিন্তু। তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করে চল যার যার ডেক্সে ।
বস যদি এসে দেখে যে আমরা আমাদের কাজ বাদ দিয়ে এখানে বসে আড্ডা দিচ্ছি তবে সবগুলোকে চিরদিনের জন্য ছুটিতে পাঠাবেন।
এমন কি করেছেন তাদের বস তাদের সাথে যে বেচারীরা job ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল?আমার সাথে এমন হলে না মজা বুঝতাম।devil man 😡😡মনে মনে বলছে সাইরা।
কিছুক্ষণ পর interview শুরু হল।একে একে সবাই interview দিয়ে বের হয়ে আসছে।সবার মুখের অবস্থা দেখে সাইরার মন হচ্ছে যে, আর্মির ক্যাম্পে ক্যাডারদের training চলছে।Training চলাকালীন সময় ক্যাডারদের যে অবস্হা হয়।আজ interview দিতে আসা সব candidates এরও একই অবস্হা। last এ আমাকে ডাকা হল।আমি ভিতরে প্রবেশ করি। আমাকে কেউ বসতে বলেন না।দাড়ানো অবস্থায় একে একে সবাই প্রশ্ন করা শুরু করলেন। Interview খুব একটা সহজ হল না।খুব ত্যাড়াবাকা প্রশ্ন করছেন সবাই।আমিও ছাড়ার পাএী নই, আমিও সেরকম answer দিচ্ছিInterview যারা নিচ্ছেন উনারা সবাই এখন চুপ করে রয়েছেন। একজন আমাকে লক্ষ্য করে বললেন,
উনী বলছেনঃতুমি এই Attitude নিয়ে আসছো, আমার কোম্পানিতে জব interview দিতে?
আমার বুঝতে আর বাকি নেই যে এই সেই Devil man।
আমি(সাইরা)ঃদেখুন স্যার আমি মানুষ হিসেবে কেমন? সেটা বড় কথা নয়,আমি আপনার বেতন দেওয়া কর্মচারী। so আমার কাজ কেমন সেটা আপনি দেখবেন।আমার personality নয়।
এবার তিনি চেয়ার থেকে উঠে দাড়ালেন।তাকে দেখে মনে হচ্ছে পারলে তিনি আমাকে খুন করে ফেলবেন এই মূহুর্তে ।তিনি রেগে বললেন,
বসঃ কে তোমাকে আমার কোম্পানিতে জব দিয়েছে?কেউ কি দিয়েছে? মিস সাইরা। আর এতবড় সাহস কি করে হয় তোমার, আমার সাথে এভাবে তর্ক করার।আমার সাথে এভাবে কথা বলার সাহস কোথায় থেকে আসছে তোমার?আমার সাথে তর্ক করা তো দূরের কথা আজ পযর্ন্ত কেউ আমার সাথে কথা বলার সাহস পায় নি। আর আজ তুমি সামান্য একটা মেয়ে যে কি না আমার মত এতবড় বিজনেসম্যানকে এভাবে অপমান করছ?how dare u?তুমি কি জান আমি চাইলে এই মূহুর্তে তোমার সাথে কি করতে পারি?
সাইরা যেন ভেবেই নিয়েছে যে তার এই জবটা হবে না। কেননা তার এই attitude দেখার পর এই জব না হওয়াটাই স্বাভাবিক ।কিন্তু এই devil manকে যে সে শিখা দিয়েই ছাড়বে।যা আগে কেউ করতে পারে নি।😂🤣🤣Devil এর মত একটা হাসি দিয়ে বলে,
সাইরাঃবস আপনি হচ্ছেন এই শহরের বড় বিজনেসম্যানদের মধ্যে অন্যতম একজন। আপনার সাথে আমি তর্ক করতে পারি? আর অপমান? ছি!ছি কি বলেন বস আপনাকে আমি আপমান?how🤔🤔 impossible boss.সামান্য একটা মেয়ে আমি।
বসঃদেখ little girl.
সাইরাঃme??😮😮 তাও আবার little girl?? আহারে বেচারার মাথাটা পুরো গেছে।
সাইরা মনে মনে ভাবছে এটা।তার এটা ভেবেই খুব হাসি পাচ্ছে। কিন্তু অনেক কস্টে সে তার হাসিকে control করছে।
বসঃনিজেকে খুব smart আর intelligent ভাবছো তো? Good, very good। তুমি এখন আসতে পার।আমার অনেক কাজ আছে।তোমার সাথে কথা বলে অযথা সময় নষ্ট করতে চাই না আর। সাইরা মুচকি হেসে বলেন,
সাইরাঃyes boss,bye boss
এই বলে সে বের হয়ে যায় কেবিন থেকে।
নিলয় খুবই অবাক হচ্ছে এই ভেবে যে জীবনে সে এই প্রথম এমন একজনকে দেখেছে। যে তাকে ভয় পায় না।হ্যা নিলয় হচ্ছে সাইরার সেই devil man।
লাভ স্টোরি
পার্ট #২
সাইরা কোম্পানি থেকে বের হল।সে এখন রাস্তায় হাটছে। তার খুব হাসি পাচ্ছে এটা ভেবেই যে, সে একটু আগে নিলয়ের সাথে কি করেছে?সে কোনভাবেই নিজের হাসিটাকে control করতে পারছে না।রাস্তায় হাটার সময় যে বা যারা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন তারা সকলেই খুব অবাক চোখে সাইরার দিকে তাকিয়েছেন। তারা হয়তো মনে মনে ভেবেছেন মেয়েটা কি পাগল? সাইরা যেটা বুঝেও না বুঝার মত করে সে গাড়ী ভাড়া করে বাসায় চলে আসে।
কলিংবেল বাজছে।আম্মু তখন কিচেনে কাজ করছেন।কলিংবেলের শব্দ পেয়ে তিনি গেট খুলে আমাকে দেখতে পান। তিনি আমাকে বলেন,
আম্মু ঃসাইরা মামুনি আজকের interview কেমন হল?
আমি(সাইরা)ঃওই আর কি।আগের গুলোর মতই। আমার আর এই জীবনে জব করা হবে না।
আম্মুকে সব detailsএর
বলেছি।তিনি সব শোনার পর আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন,
আম্মুঃ মামুনি টেনশন কর না।আল্লাহর উপর ভরসা রাখ।সব ঠিক হয়ে যাবে।মন খারাপ কর না তো।তুমি fresh হয়ে এসো। কখন বের হয়েছ তুমি।ঘড়িতে এখন বিকাল ৪টা বাজছে,দেখছ তুৃমি?সকালে তাড়াহুড়ায় তো পেটে কিছুই পড়ে নি।চল খেতে।
আমি(সাইরা)ঃওকে আম্মুনি। আমি fresh হয়ে আসি।ওহ তুমি খেয়েছ তো?
আম্মু কিছু বলছে না দেখ সাইরা বলল,
আমি(সাইরা)ঃ হুম, তোমার মুখ দেখেই বুঝেছি যে,তুমি এখনও খাও নি।এমন কর কেন আম্মু?
সাইরা fresh হয়ে আসার পর দুই মা মেয়ে একসাথে lunch করে নেয়।
ঘড়িতে১১ঃ৩০(রাত)বাজছে। সাইরা Earphone এ গান শুনছে।ইঠাত তার ফোনটা বেজে উঠে। unknown number থেকে কল আসে।সে ফোন রিসিভ করে।ফোনের ওপাশে থাকা ভদ্রলোকটি তাকে বললেন,
ভদ্রলোক ঃআপনি সাইরা হোসেন বলছেন?
আমি(সাইরা)ঃজ্বী আমি সাইরা হোসেন বলছি। বলুন কি দরকারে ফোন করছেন?
ভদ্রলোক ঃ আপনি তো দেখছি ঠিক আমার বসের মত। বসের কথার বলার style আর আপনার কথার বলার style তো দেখছি same ।মনে হচ্ছে আমি যেন আমার বসের Female version এর সাথে কথা বলছি। বস তার মত একজনকে পেলেন অবশেষ।Interesting কিন্তু ব্যাপারটা ।
আমি(সাইরা)ঃ ওহ হ্যালো মিষ্টার। এসব কি বলছেন আপনি?(রাগান্বিত কন্ঠে)।
ভদ্রলোক ঃcool down Miss।Oh sorry আমিতো আপনাকে আমার পরিচয় দিতেই ভুলে গেছি।আপনি আজকে যে কোম্পানিতে interview দিতে এসেছিলেন। আমি সেই কোম্পানির Owner নিলয় স্যারের ম্যানেজার, জনি বলছি।কালকে থেকে আপনি অফিসে আসতে পারেন।
আমি(সাইরা)ঃতার মানে আমার জবটা হয়ে গেছে?এই যে মিষ্টার আপনি কি আমার সাথে fun করতে এত রাতে কল দিয়েছেন?😞😞
ভদ্রলোক ঃসাইরা ম্যাম, আপনার কি তা মনে হচ্ছে?
আমি(সাইরা) ঃ আমার কি মনে হচ্ছে সেটা বড় কথা নয়।আর মনে হলেও বা কিছু আসবে কি?
নিলয় স্যার যেমন তার p.A.টাও হয়েছে তেমন।এবার জমবে
ভালই🤣🤣Perfect couple যাকে বলে। মনে মনে এসব ভেবে জনির খুব হাসি পাচ্ছে।কিন্তু সাইরার সামনে সে তার হাসটাকে কোনভাবে control করে। তারপর সে সাইরাকে বলেন,
ভদ্রলোক ঃ ওকে,ওকে।আমি এবার আসল কথায় আসছি। Listen very carefully ,Sir আপনাকে সকাল ৭টায় যেতে বলছেন।আমি আপনাকে তার বাসার ঠিকানা sms এর পাঠিয়ে দিচ্ছি কেমন?
আমি(সাইরা)ঃ😠😠এত সকালে কেউ কি অফিসে যায়?
জনিঃ আপনি কি ভুলে গেছেন যে আপনি বসের P.A.?Soমনে রাখবেন একটা কথা মিস সাইরা এখন থেকে বসের সব কাজ আপনাকেই করতে হবে।এখন আমি রাখছি মিস।Good night Miss,take care.Bye,bye.
ফোন রেখে দেওয়ার পর সাইরা নিজের সাথে নিজে কথা বলছে,
সাইরাঃ Mr. Niloy, you are really a Devil.আমি ঠিক নামই দিয়েছি devil man,devil man😡😡Devil আমার সাথে যদি খারাপ কিছু করেছ তো তোমার কপালে দুঃখ আছে।devil man 😡😡😡রেগে আগুন হয়ে যায় সে।জনির sms এ পাঠানো ঠিকানায় সাইরা পোঁছে যায় পরেরদিন সকালে।নিলয়ের বাড়ি দেখে সাইরা তো খুবই অবাক।সাইরার মুখ থেকে বের হল, wow, so beautiful house.এটা যেন একটা রাজপ্রসাদ। এখানেই সেই devil man থাকে!ভাবা যায়?🤔🤔
সাইরাকে security guard ভিতরে নিয়ে যায়।নিলয় তাদেরকে আগে থেকেই ওর ব্যাপারে বলে রেখেছিল।তারা সাইরাকে নিয়ে সেই placeএর যান যেখানে নিলয় রয়েছে। এইসময় নিলয় তার personal gym এ থাকে। প্রতিদিনের মত আজও সে সেখানেই আছে। নিলয় সাইরাকে দেখে তাদেরকে তার আঙ্গুলের ইশারায় দিয়ে চলে যেতে বলে। তারা তাদের বসের order follow করেন।তারা চলে যাওয়ার সাথে সাথে নিলয় সাইরাকে খুব ভালভাবে দেখতে শুরু করে।তারপর সাইরাকে নিলয় বলল,
নিলয়ঃ কালকে জিমের পোষাক নিয়ে আসবে সাথে করে।আর আমার অফিসে কাজ করতে হলে এই চেহেরা চলবে না।
আমি(সাইরা)ঃ oh hello, what do u mean? এই চেহেরা মানে কি?
সাইরার কথা শুনে নিলয় হেসে বলে,
নিলয়ঃআয়না কি দেখার সময় পাও না তুমি?আয়নাতে নিজেকে দেখতে যদি, তবে বুঝতে আমি কি mean করছি।
আমি(সাইরা)ঃআমি যথেষ্ট ফিট আছি ব--স🙄🙄
নিলয়ঃOh real? তুমি ফিট সাইরা হোসেন? really 🤣🤣🤣(নিলয় হাসছে)।
devil man,you are really a devil. I just hate u.কেন যে এই মানুষটাকে আমি tolerate করছি?কি আর করব? আমার কাছে তো এছাড়া কোন option নেই।একটা ভাল জব না পাওয়া পর্যন্ত এই devil কে আমায় সহ্য করতেই হবে।আর হ্যা যেদিন আমার সাথে খারাপ কিছু করছে তো সেদিনই হবে এই জবের শেষ দিন। আর এই devilটাকে উচিত শিখা দেওয়ার দিনও।
মনে মনে সাইরা একথাগুলো বলছে।
নিলয় :তো দেখি তুমি কতটা ফিট? 50reps push করে দেখাও আমাকে। আর হ্যা থামলে চলবে না।একটা টানা করবে,তবেই আমি বুঝব তুমি যা বলেছ তা সত্যি। তুমি যে ফিট আমি তা মেনে নিব।
আমি(সাইরা)ঃকি?😡😡 are u mad?push-up? তাও এবার এই dress এ?
সাইরা তখন লং থ্রিপিস পড়েছিল।
নিলয়ঃstop excuse(রেগে)।পারবে না তো সেটা accept করে নাও সাইরা।
আমি (সাইরা)ঃকেন accept করব? বলেন তো ব..স,বস।
নিলয়ঃokay,fine.
সে তার একজন staffকে ডেকে সাইরার জন্য জিমের dress আনিয়ে নিল।তারপর সেটা সাইরাকে দিয়ে বলল,
নিলয়ঃchange করে এসো। আর এখন তো বলবে না যে এই dress possible নয়।
সাইরা change করে আসার পর নিলয় তার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। সাইরা কখনই t-shirt পড়ে নি।তাই তার এই পোশাকে খুবই uncomfortable feel হচ্ছে। আর সেটা নিলয়ের চোখে ঠিকই ধরা পড়ে। সে বুঝতে পেরে তার ঘাড়ে হাতে রেখে বলেন,
নিলয়ঃAh,i am so tried. আমি ভিতরে যাচ্ছি। আজ থাকা।challenge next time হবে।ভালভাবে preparation নিয়ে রেখো Miss P.A. আমি কিন্তু ছাড়ব না। মনে রেখ।
আজকের মত কাজ শেষ এখানে।এখন তুমি আসতে পার।আর হ্যা ১০টায় কিন্তু অফিস।মনে থাকে যেন।Late করবে তো তোমার কপালে কষ্ট আছে। তারপর সে হাতে নেড়ে সাইড়াকে bye জানিয়ে সে চলে যায়।
সে চলে যাওয়ার পরও সাইরা একই স্থানে পাথরের মূর্তির মত হয়ে দাড়িয়ে রয়েছে।সে কি স্বপ্ন দেখছে? নাকি এটা তার সাথে বাস্তবে ঘটেছে?সে বুঝতে পারছে না কিছুই।তাই সে নিজের হাতে চিমটি কাটে check করার জন্য ।
সাইরাঃAh।তার মানে এটা স্বপ্ন নয়, এটা সত্যিই আমার সাথে ঘটেছে।এই মানুষটা আসলে চাচ্ছেটা কি? মানুষটা যেমনটা দেখাচ্ছে আসলে কি সে তেমন?আসলে কে আপনি নিলয় স্যার?যাই হোক এসব ভাবার মত সময় এখন আমার হাতে নেই। অনেক কাজ বাকি আছে।বাসায় যাব, shower নিয়ে breakfast কর আর ঘুম, সেটা পারব না 😪😪 যদি এখন বাসায় ফিরে ঘুমাতে যাই তবে অফিসের জন্য দেরী হবে।আর দেরী হলে তো এই মানুষটা মানে আমার নিলয় স্যার Devil man হয়ে যাবেন।তখন আমার সাথে কি ঘটবে আল্লাহ মালিকই ভাল বলতে পারবেন।আহ!জীবন তুমি এমন কেন😰😰জব ছিল না যখন তখনই তো ভাল ছিলাম😞😞

জীবনের খোজে পর্ব #৩য়+৪থ
Writer #Delruba Hasan Pami
অন্বেষা আগের দিন অফিস করে তার বসের দেওয়া লিস্ট অনুযায়ী শপিং কর। পরেরদিন সে সকাল সকাল তার বসের বাসায় চলে যায়।অনেকবার কলিংবেল দিয়েও কোন কাজ হল না।নবাবপুএ এখনও নিশ্চয়ই ঘুমে।দাড়াও মজার দেখাছি।এই বলে সে কলিংবেল বাজিয়ে চলে। কলিংবেলের শব্দে অন্বেষার বসের ঘুম ভেঙ্গে যায়।
প্রিন্স-Who are u?
অন্বেষা-I am ur new Assistant boss
প্রিন্স-Are u crazy?Miss.Assistant.এতসকালে কেন এসেছ?
অন্বেষা -বস আপনার বাসায় কি ঘড়ি নেই?
প্রিন্স-তুমি খুব বাচাল একটা মেয়ে। এত কথা কিভাবে বলতে পার?তুমি কি আমাকে ভয় পায় না Miss Assistant?আর তোমাকে কে বলেছে আমার বাসায় ঘড়ি নেই।
অন্বেষা -ঘড়ি থাকলে আপনার তো দেখা উচিত ছিল কয়টা বাজে।এই যে দেখুন কয়টা বাজে?
বলে সে তার হাতের watch টি তার সামনে ধরে।
প্রিন্স-ওহ মাএ ৯ঃ৩০ বাজছে।আর শোনা এত সকালে কখনও আসবে না।আমার ঘুমের disturb হয়।বুঝলে?
অন্বেষা-নবাবপুএ😈😈।তার ঘুমের সমস্যা হয়।আর কারোও তো ঘুমের দরকার নেই। সে খুব আস্তে এসব কথা বলে।
প্রিন্স-কিছু বলে Miss Assistant?
অন্বেষা ঃআমার নাম অন্বেষা। plz call my name.আর আমি আপনাকে কিছু বলি নি তো?
প্রিন্স-মনে হল তুমি কিছু একটা বলেছ?
অন্বেষা -কোথায়, আমি তো কিছুই বলি নি।
ও তুমি কিছুই বল নি।তা হলে আমি শুনতে ভুল করেছি।যাই হোক এই চাবিটা রাখ।যখন দরকার হবে তখন তুমি গেইট খুলে আসতে পারবে।আমি তো জানি তোমাকে না করার পরও তুমি তা শুনবে না।তার থেকে ভাল এটা রাখ তোমার কাছে।আর হ্যা সামনে গেইট দিয়ে next time আসবে না।পিছনে একটা গেইট আছে সেটা দিয়ে আসবে।বুঝেছ?clear
অন্বেষা -yes boss.
তারপর সে কোথায় কি রাখবে তা প্রিন্সের কাছে থেকে শুনে নিয়ে সেভাবে জিনিসপত্র সেট করে।তার পিছনে পিছনে প্রিন্স ঘুরছে।অন্বেষা তাতে বিরক্ত হয়ে তাকে বলে
অন্বেষা-বস প্লিজ আপনি বসুন।আমি আমার কাজ ভালভাবে করতে জানি।যদি কিছু প্রয়োজন হয় তখন না হয় আপনাকে ডেকে নিব।প্লিজ আপনি বসুন।
প্রিন্স- ওকে মায়াবিনী। ওহ সরি অন্বেষা।
অন্বেষা তার মুখে মায়াবিনী নামটি শুনে চমকে উঠে।কারণ এই নামটি তো কারোও জানার কথা না।একজন ছাড়া কারণ মায়াবিনী নামটা তো তারই দেওয়া।তার ছোটবেলা সেই বন্ধ। যার নাম নীল,তার মা তাকে নিয়ে নীলের নানার বাসায় থাকতেন। কারণ তার বাবা মার ডিভোর্স হয়েছিল।তার কারণ হচ্ছে নীল। কেন বলছি এমন তার জানতে চান তো, তবে শোনেন
নীলের মা দেখতে খুবই সুন্দরী, উচ্চ শিক্ষিত একজন ভদ্র ফ্যামিলির মেয়ে ছিলেন। তিনি ছিলেন ওনার বাবা মার একমাএ সন্তান ।একজনকে ওনী খুব ভালবাসতেন কিন্তু তার পরিবার তার ভালবাসার মানুষটিকে মেনে নেয় নি।কারণ তিনি তাদের থেকে গরিব ছিলেন।উনার পরিবার উনার বিয়ে অন্য জায়গায় ঠিক করেন।নীলের মা বাধ্য হয়ে তিনি এই বিয়েটা করেন।বিয়ের পর অশান্তি শুরু হয়।প্রতিদিন উনার husband নেশা করে এসে ওনাকে মরতেন।অনেক বাজে আচরণ করতেন তার সাথে।এভাবে কেটে যায় একটি বছর।তিনি জানতে পারেন তিনি মা হতে চলেছেন।নামায পড়ে তিনি আল্লাহ কাছে শুকরিয়া আদায় করেন।তিনি ভেবেছিলেন আল্লাহ উনার দিকে এবার মুখ তোলে তাকিয়েছেন। কিন্তু না তার জন্য যে তিনি আরোও কঠিন পরিক্ষা ঠিক করে রেখেছেন তা তিনি জানতেনই না।তার স্বামী যখন জানতে পারেন তখন তাকে abortion করতে বলেন। যদি তিনি তার কথা না শোনেন তবে সে মানুষকে বলবেন,এটা তার বাচ্চা নয়।কিন্তু তিনি তো মা। একজন মা কি করে পারেন তার বাচ্চাকে নষ্ট করতে।সেদিন তিনি এক কাপড়ে তার স্বামীর বাড়ি থেকে বের হয়ে আসেন।তার কিছুদিন পর তার স্বামী তাকে ডিভোর্স দেন।তারপর নানান প্রতিকুলতার মাঝে তিনি তার সন্তানকে পৃথিবীর মুখ দেখান।সমাজের চোখে তিনি হলেন নষ্ট মেয়ে মানুষ।অনেক পুরুষের সাথে উনার নাকি সম্পর্ক। আহারে আমাদের সমাজ।single mother এর সন্তান বলে তার সাথে কেউ কথা বলতো না।তার কোন বন্ধু ছিল না।সেসময় অন্বেষা তার খালার বাসায় আসে।সে দেখ একটি কিউট একটি ছোট ছেলে দাড়িয়ে আছে আর বাকি বাচ্চারা তাকে ক্ষেপাছে।এই বলে নীলের বাবা নেই ।অন্বেষা তাদেরকে থামিয়ে বলে
অন্বেষা -থাম তোমরা,এসব কি করছ?
বাচ্চারা -জান না নীলের বাবা নেই।আমাদের মা আমাদের বলেছে ওর মা খারাপ তাই ওর সাথে না মিশতে।ও সব সময় আমাদের সাথে খেলতে চায়।
অন্বেষা - খরবদার ওর সাথে এমন ব্যবহার করবে না তোমরা।চল আমার সাথে।তোমার নাম কি?
নীলঃআমার নাম নীল।তুমি নাম?
অন্বেষা ঃআমার নাম অন্বেষা।
নীল-ও খুব কঠিন নাম।আমি তোমাকে মায়াবিনী বলে ডাকব কেমন?তুমি আমার বন্ধু হবে?জান আমার সাথে কেউ কথা বলে না।কেউ আমার সাথে খেলে না।আমার খুব কষ্ট হয়।
অন্বেষা আচ্ছা ঠিক আছে তুমি আমাকে সেই নামেই ডেকে।আজ থেকে আমরা বন্ধু।আমরা সবসময় একসাথে থাকব।কখনও আলাদা হব না।promise
সেদিন নীল খুব হ্যাপি হয়েছিল কারণ তার পাশে কেউ এই প্রথম এভাবে দাড়িয়েছি,সেখান থেকে তাদের friendship শুরু।এভাবে কাটতে থাকে সময়।নীল অন্বেষার থেকে ২বছরের বড় ছিল।নীলের যখন ১৫ বছর তখন তার ইঠাত মা মারা যান। ওনার মৃত্যুর পর নীলের বাবা তাকে নিয়ে যান। যে সন্তানকে একদিন তিনি অস্বীকার করে ছিলেন আজ তারই দরকার হল।সবই আল্লাহ ইচ্ছে। তার 2nd wife তাকে ছেড়ে চলে গেছেন।তার কারণ হয়েছে নীলের বাবার জন্য তিনি কখনও মা হতে পারবেন না।তিনি একদিন নীলের মাকে তার বাচ্চা নষ্ট করতে বলেছিলেন। তারই শান্তি আল্লাহ নীলের বাবাকে দিয়েছেন। তার বাবা হওয়ার ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে।মানুষের কর্মের ফল যে এইভাবেই আল্লাহ মানুষকে দেন।সত্যি আল্লাহ মহান। নীল, অন্বেষা আলাদা হয়ে যায়।তবুও অন্বেষার মনে নীল ছিল সবসময়।তাকে সে আজও ভুলতে পারে নি। সে আজও নীলের জন্য অপেক্ষা করে। নীল তার জীবনে ফিরে আসবে।
অন্বেষা -নীল কোথায় তুমি?আজ অনেক বছর পর এই নামে আমাকে কেউ ডাকল।খুব মিস করি তোমাকে।আমার কথা কি তোমার মনে নেই?
প্রিন্স- Miss assistant আমি shower নিতে যাচ্ছি। আমার breakfast ready কর।আমি এসে breakfast করব।
অন্বেষা -😈😠কি ভেবেছেন আমাকে? আমি আপনার servant?আপনার খাবার আপনি Ready করেন।আমি যাচ্ছি।
প্রিন্স-মায়াবিনী দাও প্লিজ।এই দেখ আমার হাতের অবস্থা। এই জন্য তোমাকে বলছি।প্লিজ মাইন্ড কর না।
জীবনের খুজে#
৪থ পর্ব (সমাপ্তি)
অন্বেষা নীলের হাতের দিকে তাকিয়ে দেখছে।না মানুষটি মিথ্যে বলছে না তো। মনে মনে সে বলে।তারপর সে নীলকে বলল,
অন্বেষা - Oh My God boss.আপনার হাতটা তো অনেকটাই কেটেছে। কিভাবে কাটল?
প্রিন্স-ও মানে😌আমি?
অন্বেষা-হয়েছে আর বলতে হবে না।আপনি চুপ করে বসুন এখন। আমি আপনার হাতে ব্যান্ডেজ করে দিচ্ছি।
বলে সে তার ব্যাগ থেকে স্যাভলন,scissor (কাঁচি), ব্যান্ডেজ বের করে।সে সবসময় তার সাথে এসব carry করে।প্রাথমিক চিকিৎসা যা একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে।তার খালামুনি তাকে এসব শিখিয়ে ছিল।
প্রিন্স- আহ,কি করছ অন্বেষা? আমার লাগছে।
অন্বেষা - বস আমি তো আপনাকে হেল্প করতে চেষ্টা করেছি। সরি বস।আমাকে ক্ষমা করবেন।আমি আপনাকে আঘাত করতে চাই নি।আপনার খুব লেগেছে না বস?
অন্বেষা নীলের ডান হাতে ব্যান্ডেজ করছিল।ইঠাত নীল তার বাম দিয়ে অন্বেষার হাত ধরে।অন্বেষার হাত সে তার বুকে যেখানে heart থাকে সেখানে ধরে বলে,
পিন্স-আমার হাত কেটে গেছে,সেটার যন্ত্রণা তুমি দেখতে পারছ।কিন্তু এখানে যে যন্ত্রণা হচ্ছে তা তুমি কেন দেখতে পারছ না?
অন্বেষা নীলের কাছে থেকে নিজের হাত ছাড়িয়ে তাকে বলল
অন্বেষা -এসব কি বলছেন আপনি বস?আমি আপনাকে হেল্প করতে চেষ্টা করছি। আর আপনি? ছি! বস। আপনি এতটা খারাপ।আপনি কি করে এসব ভাবলেন? ছি!
প্রিন্স- আমি আমার মনে কথাগুলো তোমাকে বলছি। তা বলা কি কোন অপরাধ ? আমি কি তোমার সাথে এমন কিছু করেছি, যার জন্য তুমি আমাকে খারাপ মানুষ ভাবলে।বল, উওর দাও।😠😠
অন্বেষা -দেখুন বস।আপনি ভাল বা খারাপ তাতে আমার কিছু আসে যায় না। আর আমি একজনের কাছে committed।
প্রিন্স-কে সে? আমি কি জানতে পারি তার নাম?
অন্বেষা চুপ করে দাড়িয়ে আছে।
প্রিন্স-দেখ অন্বেষা , আমি কথা দিচ্ছি তোমাকে। আমি আজকের পর থেকে আর এভাবে কখনও disturb করতে আসব না।কিন্তু আমার তো জানার অধিকার আছে, Who is lucky man?যার জন্য তুমি আমাকে rejected করছ?প্লিজ বল।
অন্বেষা -আমার ছোটবেলা বন্ধ,নীল। যখন আমি ভালবাসা কি,ভালবাসার কি মানে জানতাম না তখন থেকেই তাকে ভালবেসেছি।আজও ভালবাসি।
প্রিন্স- সে কোথায় থাকে?এই শহুরের সে, নাকি বাইরের?
অন্বেষা -সে কোথায় আছে আমি তা জানিনা। সে ফিরবে কি না আমার কাছে তাও জানি না।তবুও আমি তার জন্য অপেক্ষা করি, আর সারাজীবন করব।
প্রিন্স-যদি সে না ফিরে,তবে?
অন্বেষা -যদি সে না ফিরে আমার কাছে তবে জানি না আমি কি করব?মায়াবিনী শুধু এটাই জানে সে তার নীলের ছিল আর সারাজীবন তারই থাকবে।জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সে তার নীলের জন্য অপেক্ষা করবে।
নীল-মায়াবিনী তোমার নীল যে তোমার চোখের সামনে আছে। কি করে তাকে তুমি চিনতে পারলে না? আর আমি তো ভেবে ছিলাম তুমি তোমার নীলকে ভুলে গেছ।আমি ভুল ভেবেছি। আমি কি করে ভুলে গিয়েছিলাম? মায়াবিনী তার নীলকে যে কখনও ভুলতে পারে না।তুমি আমার সেই ছোট মায়াবিনীই রয়ে গেছ।কোন change আসে নি তোমার মাঝে।আমিও যে তোমাকে পাগলের মত ভালবেসেছি।বিদেশে থাকাকালীন হাজার লোকের ভিতরেও যখন নিজেকে খুব একা লাগতো।তখন তোমার কথা খুব মনে পড়তো।মনে হতো তোমার কাছে দৌড়ে ছুটে আসি।জান মায়াবিনী দেশে ফিরার পর আমি তোমাকে দেখতে চেয়েছি।তাই তোমার birthday তে তোমাকে দেখতে যাই but তোমার সামনে যাওয়া সাহস হয় নি আমার।আমার মনের মধ্যে একটা ভয় কাজ ছিল। তুমি যদি আমাকে না চিনতে পার।তোমার লাইফে যদি নতুন কেউ আসে?।কিন্তু কোন অধিকার নিয়ে তোমার সামনে যাব?অচেনা একজন মায়াবিনীকে তার জন্মদিনে সকাল থেকে follow করেছিল সেটা ছিলে নীল।
এসব শোনার পর অন্বেষা নিজেকে আর control করতে না পেয়ে সে কেদে ফেল।
নীল -প্লিজ কেদ না মায়াবিনী।আমি তোমাকে এভাবে কষ্ট দিতে চাইনি plz don't cry.
অন্বেষা -Don't touch me?আপনি আমার নীল নন।আমি নীল হতেই পারেন না? নীল কখনও তার মায়ািনীকে এভাবে কষ্ট দিতে পারে না।আপনি আমার নীল নয়, নন আপনি😭😭আপনি তো এখন প্রিন্স। তাই আপনি আমাকে এভাবে কাদাতে পারলেন।এতদিন চোখের সামনে থাকার পরও আপনি আমার সাথে অচেনা মানুষের মত আচরন করে গেছেন।আপনি আমার নীল নন।আমার নীল তো এমন ছিল না?
প্রিন্স- sorry মায়াবিনী।এই যে দেখ আমি কানে ধরছি।প্লিজ কান্না কর না।
বলে তাকে জড়িয়ে ধরে।অন্বেষা ঃ Ah!করছেন এটা কি?এভাবে পরনারীকে স্পর্শ করতে নেই যে।
নীল-মানে?
অন্বেষা-পর পুরুষের স্ত্রী লিঙ্গ।
প্রিন্স- Oh My God.মায়াবিনী। ঠিক আছে ধরব না এভাবে।Legally তোমাকে আমার করি তারপর না হয়?😉
অন্বেষা- পাঁজি, বদমাইশ ছেলে।যাও তোমার সাথে আমার কোন কথা নেই।প্রিন্সঃOh my goodness। prince এর উপর তো তার princess দেখছি ভীষণ রেগে আছে। তা prince কি করবে?🤔 যাতে Princess এর রাগ গলে পানি হয়ে যাবে?waitআমি আসছি।সে তার রুমে চলে যায় আর যখন ফিরে তখন তার এক হাতে diamond ring আর আরেক হাতে একটি পুতুল ছিল। ডরিমন যা অন্বেষার ভিষণ প্রিয় ছিল। এতটাই প্রিয় ছিল যে তার রুমের bed cover,Pillow cover,dolles সবকিছুতে ডরিমনের ছিল। অন্বেষার যতই রাগ অভিমান করে থাকুক না কেন, এটা পেলে তার রাগ অভিমান গলে পানি হয়ে যায়।প্রিন্স তা ভালভাবে জানে। তবুও তাকে পরীক্ষা করতে তার সামনে diamond ring ধরে। তাকে proposes করল।
নীল-Wiil u marry me?কিন্তু অন্বেষা বলল তাকে
অন্বেষা -তুমি কি ভেবেছ এভেবে তুমি আমার অভিমান ভাঙ্গাবে?এতটা সহজ? বস।Try Again. আমি যাচ্ছি এখন। বাই,বাই।নীলের আরেক হাতে থাকা ডরিমন পুতুল যেটা সে এতক্ষণ লুকিয়ে রেখেছিল।সে ডরিমন পুতুল বের করে অন্বেষা সামনে ধরে বলে
নীল-ছোট মায়াবিনী দেখ এটা কি?
অন্বেষা -Ah,আমার ডরিমন।দাও প্লিজ নীল।প্লিজ দাও।সে বাচ্চাদের মত করছে। তুমি যা বলে করব। একবার নয় হাজার বার তোমাকে বিয়ে করব। প্লিজ দাও না নীল।
প্রিন্স তার হাতের পুতুলটা তার মায়াবিনীকে দিয়ে বলে,
নীল-আমি মনে হয় পৃথিবীর প্রথম ব্যক্তি যে তার ভালবাসার মানুষটিকে ডরিমনের পুতুল দিয়ে বিয়ের জন্য রাজি করিয়েছে।ইতিহাসের পাতায় আমাদের নামটা তে স্বর্ন অক্ষরে লেখা উচিত।মানুষের gf /wife দামিgift পেতে খুশি হয় আমারটা দেখ কম দামীতেই কতটা খুশি।এই জন্য আমি তোমাকে মায়াবিনী বলে ডেকেছিল।সত্যিতুমি মায়াবিনী তোমার মত কেউ হবে না। যে আমাকে এতটা ভালবাসবে। তারপর তারা কিছুদিন পর বিয়ে করে সবার অনুমতি নিয়ে।অন্বেষার বাবা অন্বেষার ব্যাপারের কিছু শুনতে চান না।যাকে তিনি ঘৃণা করতেন।তার ওয়াইফের মৃত্যুর জন্য অন্বেষাকে দায়ী করতেন।তিনিও তাদের বিয়েতে আসেন।নীল অন্বেষার বাবাকে বুঝিয়েছে তাকে বাধ্য করছে অন্বেষাকে accept করতে।হাজার হলেও তিনি তো বাবা। জন্মদাতা পিতা কি তার সন্তানের উপর রাগ করে থাকতে পারে? পারে না।নীলের জন্য অন্বেষা তার বাবাকে ফিরে পেয়েছে।মায়াবিনী এখন তার নীলের সাথে অনেক সুখে আছে।

জীবনের খুজে পর্ব#১ম+২য়
writer #Delruba Hasan Pami
আমি অন্বেষা। আমি যখন ছোট তখন আমার মা মারা যান।মা চলে যাওয়ার পর থেকে বাবা কেমন যেন হয়ে গেছেন।আমার সাথে ঠিকমত কথা বলেন না।সবসময় খারাপ আচরণ করেন তাই আমার খালা বাধ্য হয়ে আমাকে তার কাছে নিয়ে আসেন।খালু তাকে বাধা দেন নি।তাদের কোন সন্তান ছিল না।তারা আমাকে নিজের সন্তানের মত মানুষ করেন।এভাবে কেটে যায় অনেক বছর।অন্বেষা আজ ২৫ বছরে পা দিল।আজ অন্বেষার brithday। সকাল থেকে হৈচৈ শুরু হয়েছে বাড়িতে মানে অন্বেষার খালার বাড়তে।
খালামুনিঃঅন্বেষা মামুনি অনেক বেলা হয়েছে, উঠ।আর কত ঘুমাবি?আজ তো তোর?
অন্বেষাঃকি খালামুনি? তোমার মনে আছে আজ আমার?
খালামুনিঃও আমি তো ভুলেই গেছি আজ তোর job interview আছে।আমি না আজকাল সবকিছু ভুলে যাচ্ছি সহজে।কি বলব মা আমার তো বয়স হয়ে গেছে। তুই কিছু মনে করিস না মা।
অন্বেষার খালুঃমরিয়ম, কোথায় তুমি?এদিকে এসো।আমি বাজার থেকে ফিরেছি।ও গিন্নী কোথায় তুমি?
খালামুনিঃরে আসছি, আসছি।এত চেচামেচি কেন করছ তুমি?আরে আস্তে কথা বল। অন্বেষা বুঝতে পারবে তো।
অন্বেষা ঃআজ আমার জন্মদিন আর কারোও মনে নেই।কেউ আমাকে আর ভালবাসে না।কেউ না।মা তুমি কেন আমাকে ছেড়ে চলে গেলে? মা😭
সে তার মায়ের ছবিটিকে বুকে জড়িয়ে কাঁদতে থাকে।
খালামুনিঃঅন্বেষা মামুনি তাড়াতাড়ি কর।আজ তোর job interview আছে তো। ১০টা বাজছে মা।তাড়াতাড়ি ready হয়ে নিচে আয় মা ।
অন্বেষা readyহয়ে নিচে নেমে এসে দেখে তার খালু এখনও ready হয় নি।তার আজ অন্বেষার সাথে যাওয়াট কথা ছিল।কিন্তু তিনি excuse দিলেন।
খালুঃঅন্বেষা মা সরি আমার শরীরটা খুব খারাপ ।তাই আজ আমার পক্ষে তোমার সাথে যাওয়া সম্ভব না।
অ্ন্বেষাঃডাক্তার চাচুকে কল দিয়েছ?
ওহ বুঝেছি দাও নি তো।দাড়াও আমি দিচ্ছি।
অন্বেষার খালু খালামুনিকে চোখের ইশারায় না করতে বলে।
খালামুনিঃঅন্বেষা মা তোর দেরী হয়ে যাচ্ছে তো মা। তুই বেরিয়ে পড়।আমি তো আছি।তোর খালুর বয়স হয়েছে। এসময় একটু এরকম হওয়াটা নরমাল।শরীর বেশী খারাপ হলে আমি তখন না হয় তোর ডাক্তার চাচুকে কল দিয়ে ডেকে আনব।কেমন মা?লক্ষী মা আমার এখন বেরিয়ে পড়।দেরী করলে বাস মিস করবি তো?
অন্বেষা job interview এর জন্য বেরিয়ে পড়ে।রাস্তায় কোন রিক্সা না পেয়ে সে হাটতে শুরু করে।রাস্তায় কিছু বাচ্চা খেলছিল সে তাদেরকে দেখতে পেল।হাটতে হাটতে কিছুদূর যেতেই তার চোখ পড়ে রাস্তার পাশে বসে থাকা মা ও তার বাচ্চার উপর।বাচ্চাটি তার মায়ের কাছে খাবার চাইছিল। কিন্তু অসহায় মা তার মুখে কিভাবে খাবার দিবে? তার কাছে তো কোন টাকা নেই।তিনি তার সন্তানের এমন আবস্হা দেখে কাঁদছেন আর শাড়ীর আচল দিয়ে তিনি তার চোখ মুছছেন।
অন্বেষা আসার সময় তার খালামুনি তাকে খাবার প্যাক করে দিয়েছিলেন।অন্বেষার সেটার কথা মনে পড়ে।সে তার ব্যাগ থেকে খাবার বের করে বাচ্চাটিকে দিয়ে বলে,
অন্বেষা ঃএটা নাও।আশা করি তোমার ভাল লাগবে।এটা নিন। এই টাকা দিয়ে আপনার ও আপনার সন্তানের জন্য dress কিনে নিবেন।
বাচ্চাটির মা ঃআপনি খুব ভালা আপা।আজকাল মানুষ তো আমাদের দেখেও না দেখার মত করে পাশ কাটিয়ে চলে যায়।আর আপনি আমাদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে এলেন।আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন।
অন্বেষাঃআজ আমি আসি।আমাকে আবার বাস ধরতে হবে।অন্যদিন আবার আসব কেমন?ভাল থাকবেন।
অনেক কষ্টে সে বাস ধরল।job interview শেষ করে সে এখন বাড়ি ফিরছে।তার কেমন যেমন মনে হচ্ছে কেউ তাকে follow করছে।
অন্বেষা ঃআরে কেউ তো নেই।তুই শুধু শুধু সন্দেহ করিস।তোকে কে follow করবে?
তাড়াতাড়ি সে পা চালিয়ে বাসার ভিতরে প্রবেশ করে।একটা অপরিচিত গাড়ী তাকে এতক্ষণ ধরে followকরছিল।অন্বেষা জানে না তাকে যে একটা গাড়ীটা সকাল থেকে follow করেছে।
বাসায় ফিরে সে তো অবাক।সে বুঝতে পারল সবাই যে সকাল থেকে তাকে surprise দেওয়া জন্য তার সাথে নাটক করেছে। তার বন্ধ বান্ধব, আত্মীয়স্বজন সবাই আসছে।শুধু আসে নি তার বাবা।অন্বেষার চোখ যে শুধু তার বাবাকেই খুঁজছে।
অন্বেষাঃখালামুনি বাবা কোথায়?বাবা আসি নি?
খালামুনিঃনা রে মা, তোর বাবা আসতে নি।তুই মন খারাপ করিস না। তুই তো জানিস তোর বাবা কাজে খুব ব্যস্ত থাকে।পরে সে তোমার সাথে দেখা করতে আসবে।এই দেখ তোর বাবা তোর জন্য কি পাঠিয়েছে।
অন্বেষা ছোট থেকে তার বাবার জন্য অপেক্ষা করছে।বাবা হয়তো এই দিনটাতে তাকে দেখতে আসবে।না তার বাবা এসেছে না সে কোন গিফট পাঠায়।অন্বেষা যাতে তার বাবাকে ঘৃনা না করে তার জন্য তার খালা খালু তার জন্য গিফট কিনে।তারপর তাকে সেটা দিয়ে তার বাবার পাঠিয়েছেন বলে তাকে মিথ্যে সান্ত্বনা দেন।আজও তাই হল।অন্বেষা সেটা এখন ভালভাবে বুঝতে পারে।তবুও সে তাদের মন রক্ষার্থে কিছু বলে না।
জীবনের খুঁজে #
২য় পর্ব
অন্বেষার রাতে ঠিকমত ঘুম হয় না।স্বপ্নে তার মাকে সে দেখে।সে যখন ছোট ছিল তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার মা আগুনে পোড়ে মারা যান।এমন কোন রাত নেই যে, সে এটা দেখ না।সে চিংকার করে পাশেরুমে তখন তার খালা খালু ঘুমাছিলেন।তার চিংকার শুনে তার খালামুনির ঘুম ভেঙ্গে যায়।তিনি অন্বেষার রুমে আসেন।তিনি এসে দেখেন AC চলছে তবুও অন্বেষা ঘামছে।তাকে যখন তিনি touch করে তখন সে ভয়ে কাপছিল।তিনি তার অবস্থা দেখে ভয় পেয়ে তাকে বলেন,
খালামুনিঃঅন্বেষা মামুনি কি হয়েছে?এমন করছিস কেন? মামুনি বল কি হয়েছে?
অন্বেষাঃমা আমাকে ছেড়ে যেও না।মা চলে যাচ্ছে খালামুনি। মাকে বল না খালামুনি 😭😭আমাকে ছেড়ে না যেতে।আমি তাকে ছাড়া থাকতে পারব না।খালামুনি বল না মাকে😭😭
খালামুনিঃঅন্বেষা মামুনি, মা কোথাও যায় নি।সে তো তোর কাছেই আছে।তাকে তোর কাছে থেকে কেউ আলাদা করতে পারবে না।
তিনি অন্বেষাকে ঘুম পারিয়ে দেন।সে ঘুমানোর পর তিনি নিজের রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।
ঘড়িতে এখন সকাল ১০ঃ৩০বাজছে।অন্বেষা এখন নরমাল আচরণ করছে।রাতের কথা তার মনে নেই।কলিংবেল বাজছে।তার শুনে খালামুনি অন্বেষাকে বলেন
খালামুনিঃঅন্বেষা মামুনি দেখ তো কে আসছে?
খালামুনি তখন কিচেনে কাজ করছিলেন।
অন্বেষা গেইট খুলে লেটার রিসিভ করে।
খালামুনিঃমামুনি কে এসেছে?
অন্বেষা ঃখালামুনি আমার জবটা হয়েছে।
খালামুনিঃcongratulations. আমি জানতাম তোর জব হবে।joining date কবে?
অন্বেষা ঃ২ দিন পর খালামুনি।
অন্বেষা একজন Computer Engineer. তাই তার IT sector এ job পেতে অসুবিধা হয় নি।কিন্তু সে কি জানত যে সে একজন Angry Man এর Assistant হতে যাচ্ছে। যার রাগের কারণে ১মাসে ৪জন Assistant Resign করছে।আজ অন্বেষার joining date.অন্বেষা অফিসে যাওয়া পর মিস্টার তাকে তার কেবিনে যেতে বললেন।ওহ বলতেই তো ভুলে গেছি মিস্টার কে?তিনি হচ্ছেন প্রিন্স আহমেদের Manager। হ্যা এই প্রিন্স আহমেদই হচ্ছেন অন্বেষার new boss যাকে সবাই Angry Man বলে ডাকে।তার সামনে কথা বলার সাহস কারোও নেই। মূল্য গল্পে যাক এবার।
অন্বেষা ঃহ্যালো স্যার।
মিস্টার ঃ হ্যালো অন্বেষা।আজ তোমার এই অফিসের প্রথম দিন right?
অন্বেষা ঃRight sir.🤣🤣আপনি হচ্ছেন আমাদের কোম্পানির owner এর manager আপনি ঠিক না হয়ে পারেন।
মিস্টার ঃঅন্বেষা😡😡তুমি ভুলে যাচ্ছ আমি তোমার senior সে হিসাবে আমিও তোমার বস।অযথা তর্ক করবে না।এটা নাও।
অন্বেষা ঃএটা কি স্যা--র।
মিস্টার ঃঅন্বেষা একটু আগে কি বলেছি?আমি তোমার বস। আমার কথা চুপচাপ শুনবে।কোন প্রশ্ন করবে না।তুমি এত কথা কেন বলছ? কি দেখে তোমাকে যে এই কোম্পানিতে জব দেওয়া হল কে জানে?
অন্বেষাঃExcuse me Sir। আপনি আমার যোগ্যতা নিয়ে এভাবে প্রশ্ন করতে পারেন না।সে অধিকার আপনার নেই।আমি যোগ্য ছিলাম বলেই আমাকে আপনারা জব দিয়েছেন।😠😠
মিস্টারঃAh,little girl। এভাবে reacted কেন করছ? আমি তা বলতে চায় নি।এটা নিয়ে বস বাসায় যাও।
অন্বেষা ঃঠিকানা?
মিস্টারঃএই যে ঠিকানা।
অন্বেষা তার রুম থেকে বেরিয়ে CEO sir এর বাড়ি যায়।বাড়ি বলে ভুল হবে প্রিন্স থাকেন তার ফ্ল্যাটে।এই শহরের তার বাবার নিজস্ব বাড়ি আছে তবুও সে একা একটি ফ্ল্যাটে থাকে। অন্বেষা লিফটে যখন ছিল তখন একটা ছোট ছেলে সাথে তার কথা হয়।
ছেলেটি তাকে বলেঃHello sister.
তার কথায় বুঝা যাচ্ছে সে এদেশের নয় বা English medium এ পড়ে।অন্বেষা তাকে ভালভাবে দেখছে বুঝার চেষ্টা করছে।আসলে সে কি এদেশে না বাইরের।কথা বলে সে জানতে পারে তার বাবা এদেশের মা বাইরের।তার জন্ম অামেরিকায়। এদেশে এসেছে তারা ২মাস হল।ও এই কারণে সে এত সুন্দরভাবে Englishকথা বলতে পারে। অন্বেষা মনে মনে বলে। কিন্তু সে জানে না ছেলেটি যে বাংলাও জানে।সে ভালভাবে বাংলায় কথা বলতে পারে ।🤣🤣
ছেলটি বললঃ sister 2nd floor।
অন্বেষাঃও হ্যা আমি তো ভুলে গেছি।bye little boy
ছেলেটি বললঃআমি ছোট নই।আমি বড় হয়ে গেছি। তোমরা বড়রা যে কি ভাব কি জানি?
অন্বেষা🤤ছেলেটি বাংলা বলে জানতে? এতক্ষণ না জানার ভ্যান কেন করছিল?দোষ্ট ছেলে😡😡
অন্বেষা তার বসের ফ্ল্যাটের কলিংবেল দিতেই একজন সুদর্শন পুরুষ এসে দরজা খুলে।তাকে দেখে বুঝা যাচ্ছে সে swimming করছিল।
অন্বেষা ঃআরে কি করছেন?অন্বেষা হাত দিয়ে তার চোখ ধরে রেখেছে।
প্রিন্সঃswimming করছিলাম।আর swimming কি কেউ dress পড়ে করে,?bye the by how are u?
অন্বেষাঃআমি অন্বেষা আহমেদ,আপনার New assistant . plz কাপড় পড়েন নিন।এভাবে আমার সামনে আসবেন না।
প্রিন্সঃদেখ মেয়ে আমি তোমার বস, তুমি নও।আর এটা আমার বাসা।এখানে আমি কিভাবে থাকব এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। আমাকে এভাবে কখনও জ্ঞান দিতে আসবে না। মনে থাকবে।
আহা কোথাকার কে রে আপনি?আপনার under job করছি বলে কি ভেবেছেন নিজেকে।😡😡মনে মনে অন্বেষা বলে।
অন্বেষা ঃজ্বী বস বুঝেছি।
তারপর প্রন্স তাকে একটা shopping list ধরিয়ে দিয়ে বলল
প্রিন্সঃ কালকে আসার সময় এসব কিনবে আনবে।একটা জিনিসও যাতে miss না হয়।বুঝলে?
অন্বেষাঃyes boss
প্রিন্সঃএখন তুমি আসতে পার।
অন্বেষা তার বাসা থেকে বের হয়ে আসে।সে এখন রাস্তায় হাটছে।কি ভেবেছে নিজেকে? নাম প্রিন্স হলেই কেউ prince হয়।আমি তার Assistant আর সে আমার সাথে servant মত আচরন করছে।Ah!Mr.Devil Prince🤣🤣খুব ভাল নাম তো।তারপর থেকে অন্বেষা তার ফোন এই নামে তার বসের নাম্বার save করে রেখেছে।
কিডন্যাপ পার্ট #১০+১১
রাইটার #দিলরুবা হাসান পামি
রিয়াঃদেখতে দেখতে তিন তিনটি বছর কেটে গেল আবিদ।এমন কোন দিন ছিল না যে, আমি তোমাকে miss করি নি।এমন কোন সময় নেই যে তোমাকে দেখার জন্য আমার মন কাদে নি।সব সময় ছোটে এসে তোমার এই বাসায়।ভেবেছি হয়তো তুমি এসো।আবার মনে হতো তুমি যদি সত্যি আমাকে ছেড়ে নতুনভাবে জীবন সাজাও।তখন আমার চেয়ে হতো কেউ হ্যাপি হবে না।বিশ্বাস কর আমি মন থেকে চেয়েছি।কারণ আমি তোমাকে কষ্ট, যন্ত্রণা ছাড়া কিছুই তো দিতে পারি নি।
আবিদঃকষ্ট হতো না তোমার,আমি যদি তোমায় ছেড়ে অন্যকে?
রিয়াঃহ্যাঁ আমার খুব কষ্ট হতো যদি তুমি নতুন করে জীবন শুরু করতে(কান্নায় তার কণ্ঠ ভারী হয়ে আসছে) কেননা আমি তোমাকে খুব ভালবেসেছি। বিশ্বাস কর আবিদ আমার ভালবাসা মিথ্যে নয়।আর আমার অন্ধকার জীবনে বেচে থাকার একমাএ আলো হচ্ছো তুমি,হ্যাঁ তুমি আবিদ । এই স্বার্থপর দুনিয়াতে তুমি ছাড়া আর কেউ ভালবাসে নি নিঃস্বার্থভাবে।।
আবিদঃসব বুঝ, তবে কেন এমন করলে আমার সাথে?আমাকে একা করে চলে গেল😠😠কেন বলে এমনটা? কিভাবে বলে পারলে আমায় নতুনভাবে জীবন শুরু করতে?কি করে ভাবলে তোমার আবিদ এমনটা করবে?তুমি বলছিলে না এই জীবনে তোমার সাথে থাকা হল না। পরের জীবনে রিয়া হয়ে নয় মাইশা হয়ে তোমার কাছে ফিরব।যে তোমার soulmate হবে.কোন খুনি নয়।আমি জানি এসব কেন বলেছ?তোমার আসলে পরিচয় কি?সব জানি। আমি promose করছি মাইশা আহমেদ, তোমাকে তোমার আগের জীবন ফিরিয়ে দিব।
আর খরবদার next time যদি আমাকে ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করতো।খুন করে ফেলব বলে দিচ্ছি।
রিয়াঃআমি আর কোথায় যাব, তোমাকে ছেড়ে বল তো?
আবিদঃতুমি একটা drama queen(অভিমানে)
রিয়াকে ছেড়ে দিল সে।
রিয়াঃআবিদ বিশ্বাস কর এছাড়া আমার কোন উপায় ছিল না।আমি যদি তোমার সাথে থাকতাম আমার ফ্যামিলি তোমাকে বেচতে দিতে না।আমাকে follow করে তোমার কাছে তার পৌছে যেত।তাই এমনটা করেছি।
প্রিয় পাঠক/পাঠিকাদের মনে এখন নানান প্রশ্ন জমেছে তাই তো?আপনারা জানতে চান এমন কি হয়েছিল যে আবিদকে ছেড়ে রিয়া পালিয়েছিল। চলুন অতীতে ফিরে যাই।
১৫বছর বয়সে মাইশাকে কিডন্যাপ করেন তার বাবার business partner তা তো আগেই শোনেছেন আমাইয়ার মুখে।তারপর কি হল সেটা কেউ জানে না।মাইশা নাম পরিবর্তন করে রাখা হল রিয়া।রিয়ার খাবারের সবসময় মেডিসিন মিক্সড করত তারা।যা একধরণের drunks।সবসময় খাবারের সাথে মিক্সড রিয়াকে দেওয়া যাতে রিয়া সবকিছু ভুলে যায়।এভাবে কাটতে থাকে সময়।রিয়া তাদের হাতের পুতুলে পরিণত হয় । তারা তাকে যা বলত করতে তাই করতো সে।একমাএ একজন ছিলেন যিনি তাকে খুব ভালবাসতেন।রিয়ার মা মানে কিডন্যাপের ওয়াইফ।রিয়া এই পরিবারকে নিজের মান তো।কারণ তার অতীতের কোন কথাই মনে নেই।এটা হয়েছে তাকে দেওয়া মেডিসিনের কারণে।
ভদ্রমহিলা সবসময় রিয়াকে বাচানোর চেষ্টা করতেন।কিন্তু সবসময় রিয়াকে চোখে রাখা হতো।তিনি চাইলেও কিছু করতে পারতেন না। কি করবেন, কিভাবে সাহায্য করবেন তিনি বুঝতে পারছিলেন না।তাছাড়া রিয়াও তার কোন কথায় বিশ্বাস করবে না।রিয়া যে তার স্বামীর হাতের খেলনায় পরিণত হয়েছে।তার নিজের চিন্তাশক্তি নেই।তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন যে করে হোক সত্যিটা রিয়ার সামনে আনবেন, আর সেই সত্যিটা তার স্বামীর মুখ থেকেই বের হবে।ভদ্রমহিলা অনেক বছর হাসপাতালে কাজ করেছেন একজন ডাক্তারেরunder এরas an Assistant হিসেবে।তাই তিনি ভালভাবেই জানেন কোন মেডিসিন কি কাজে আসবে।তিনি যে হাসপাতালে কাজ করছেন তা তার স্বামী জাহেদ সাহেব জানতেন না।এই সুযোগকে তিনি কাছে লাগান।স্বামীর formula ই স্বামী উপর Apply করেন।
তিনি রিয়া আর উনার স্বামীকে ছাড়া বাসার সবার খাবারের সাথে ঘুমের মেডিসিন মিক্সড করেন।আর উনী উনার স্বামীকে এমন একটা injection খুব সর্তকতার সাথে দিলেন যাতে তার স্বামী বাধ্য হন সবসময় সত্যি নিজের মুখে বলতে।
তবে তিনি যা করছেন রিয়ার ভাল জন্য। রিয়াকে এই নরকের কিটদের হাত থেকে বাচানোর জন্য করছেন। রিয়ার সামনে সব সত্যি চলে আসে।।রিয়ার বিশ্বাস করতে খুব কষ্ট হচ্ছিল,সে বলে
রিয়াঃআমি এতদিন যাদের নিজের ভেবেছি তারা আমার আপনজন নয়। আমার মা আমার মা নয়,বাবা আমার নিজে নয়।এটা আমার ফ্যামিলিই নয়।তবে আমি কে?আমার তো কিছুই মনে নেই।কে আমি?
ভদ্রমহিলাঃতুমি মাইশা আহমেদ। তোমার বাবা মা খুব ভাল। তোমার ফ্যামিলি খুব ভালবাসে তোমায়।তোমার একটা ছোট বোন আছে নাম আমাইয়া।
রিয়াঃআমার পরিবার
কোথায় মামুনি?
ভদ্রমহিলাঃমা তুমি সব জানতে পারবে আস্তে আস্তে।এখন তুমি এখান থেকে পালাও।সবাই এখন ঘুমে।তাড়াতাড়ি কর।ওরা জেগে উঠা আগেই তোমাকে পালাতে হবে।
রিয়াঃকিন্তু মামুনি তুমি?
ভদ্রমহিলাঃআমার কথা ভেবে না।আমি যদি মরেও যাই এই শান্তি নিয়ে মরতে পারব আমার মেয়েটা সেখানে আছে ভাল আছে।এই নরকের কীটদের থেকে মুক্ত।যা মা চলে যা অনেকে দূরে। এরা যেন খুজে না পায়।
রিয়া পালিয়ে আসে অচেনা একটি শহরের। সেখানে তাকে কেউ চিনে না।সবকিছু অচেনা।এই শহরেই আবিদ থাকে ।ঘটনাক্রমে আবিদের সাথে দেখ হয় রিয়ার।আবিদ সবসময় রিয়ার পাশে থেকেছে।তার কঠিন সময়ে এই মানুষটিই তাকে হেল্প করেছে।রিয়া কে,কোথায় থেকে এসে কিছু জানতো না সে।কখনও রিয়াকে সে জিজ্ঞাসা করে নি।সময় যত যেতে থাকে তাদের সম্পর্ক আরো বেশি strong হতে থাকে।একদিন আবিদ তাকে বিয়ের জন্য propose করে কিন্তু রিয়া রাজি হয় নি।রিয়া বলে,
রিয়াঃএটা সম্ভব নয়।আমার পরিচয় জানলে আপনি আমাকে ঘৃণা করবেন মিস্টার আদিব।আপনি জানেন আমি কে?কি আমার পরিচয়?
আবিদঃ তুমি কি ভাবছে আমি তোমার সাথে time pass করতে এসব বলছি।তুমি কি ভাবলে যে, আমাদের রিলেশন এতটাই দূর্বল যে তাসের ঘরের মত একটা দুমকা হাওয়া এসে ভেঙ্গে দিয়ে যাবে।তোমার অতীতকে আমার বদলানো ক্ষমতা নেই।কিন্তু বর্তমানকে এমনভাবে সাজাতে চাই যাতে ভবিষ্যটা অনেক সুন্দর হয়।অতীতে ছায়া কখনও পড়বে না।
রিয়াঃমানে,আপনি?
আবিদঃআবিদ আহমেদের কাছে কিছুই গোপন থাকে না রিয়া। আসল নাম মাইয়া আহমেদ।সব জানি আমি।সব জানার পরও তোমার প্রতি আমার ভালবাসা এতটুকুুও কমে নি।বরং বেড়ে গেছে।আমার চোখে তোমার সম্মান আগের থেকে বেড়ে গেছে।তুমি খুব সাহসী একটা মেয়ে। জীবনের খুব কঠিন সময় পার করছ।সব নিজের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছ। কাউকে বুঝতেও দাও না তোমার ভিতরে কি ঝড় চলছে?এমন একটা মানুষটাকে না ভালবাসে থাকা যায় কি?সম্মান ছাড়া এর মানুষটাকে দেওয়া মত কিছু নেই আমার কাছে। আর তাই আমি আমার সারাজীবন তোমার নামে করছি মিস মাইশা আহমেদ।
কিডন্যাপ
পার্ট #১১
মানুষ তার অতীতকে ভুলতে চেষ্টা করলেও তার অতীত তাকে পিছু ছাড়ে না কখনও। আর সেটা যদি হয় খারাপ অতীত তবে তো কথায় নেই।রিয়া মানে মাইয়া ভেবেছিল তার জীবনের সব কালো অন্ধকার সরে গিয়ে আলো এসেছে।জীবনটা এখন সুন্দর হবে।তার অতীতের ছায়া আর কখনও তাকে স্পর্শ করতে পারবে না। খুব হ্যাপ ছিল রিয়া।আদিব সাথে রিয়ার বিয়ে হল।দিনগুলো ভালই যাচ্ছিল তাদের কিন্তু রিয়ার অতীত আবার সামনে এসে দাড়াল।
রিয়ার বাবা,ভাই রিয়াকে খুজে বের করল।তারা এখন ভাল মানুষ হয়ে গেছে।রিয়াকে তার খুব ভালবাসে।তারা তাদের কাজের জন্য আজ অনুতপ্ত। রিয়ার সামনে তারা নাটক করে যাতে রিয়াকে তারা আবার তাদের হাতে আনতে পারে। রিয়া তাদের control চলে যায়।এবার তাদের লক্ষ্য রিয়া নয় আবিদ।আবিদ ছিল অনেক বড়লোক।এই শহরের নামী বিজনেসম্যানদের মধ্যে অন্যতম।তারা চেয়েছিল আবিদের সবকিছু তাদের হাতে নিতে।রিয়াকে দিন পর দিন বোকা বানাছি তারা। আবিদের খাবার সাথে তারা মেডিসিন দিত।এতে আবিদ মরবে না ঠিক কিন্তু তার organ আস্তে আস্তে কাজ করা বন্ধ করবে।বোকা রিয়া বুঝতেও পারছিল না কি হয়েছে এসব।রিয়ার বাসায় কাজ করেন যিনি তিনি রিয়াকে সন্দেহ করতে শুরু করেন।রিয়ার ভাই,বাবা বুঝতে পারেন মহিলাটি যখন রিয়াকে সন্দেহ করছেন,একদিন ঠিকই তার সন্দেহের কাটা ঘুড়ে ফিরে তাদের দিকে আসবে আর তাদের জন্য বিপদজনক। তারা চাইলেন পথের কাটাকে সরিয়ে ফেলতে তাই খুব কৌশলে তাদের এ কাজটা করা হবে। তার সেই plan ই করলেন একদিক তারা রিয়াকে বলেন,
বাবা(kidnaper) :রিয়া মা কিছু না মনে করল এটা কথা বলি?
ভাইয়াঃবাবা আমরা তো খারাপ মানুষ। অনেক অন্যায় করেছি।তবুও রিয়া আমাদের ক্ষমা করছে।আমরা তো এখন ভাল হয়ে গেছি আর আমরা থাকতে ওর কোন ক্ষতি হতে দিব না। কিছুতেই না বাবা। এখন চুপ করে থাকার সময় না।এটা আমার বোনের জীবনের প্রশ্ন, ওর স্বামীর---
বাবাঃচুপ কর তুই এসব কি বলছিস,তুমি রিয়াদ?😉
রিয়াঃবাবা,ভাইয়া কি হয়েছে?কি বলতে চাইছ তোমরা? প্লিজ বল , এভাবে চুপ করে থেকে না।
ওরে আমার বোকা বোনটা সরি নকল বোন আমার 😊এতকিছুর পরও আমাদের বিশ্বাস করছি😁এত বোকা তুই কি করে রে?খুব কষ্ট হয়েছে রে আমার চোখে পানি তো ধরে রাখতে পাচ্ছি না যে।😆😆😆মনে মনে এসব বলছে রিয়ার ভাই রিয়াদ।
বাবাঃমা রে তোকে আর কষ্ট পেতে দিবে না।তোর কোন ক্ষতি আমরা থাকতে হতে দিব না।তুই আজই তোদের বাসায় কাজের মহিলাটাকে বিদায় কর মা আমার। আমার কথা শোন।জানি আমরা অনেকে অন্যায় করেছি।অনেকে পাপ করছি।মানুষ মাএ তো ভুল করে তাই না মা আমার? আমরা ভাল হয়ে গেছি। মা আমাদের কথা বিশ্বাস কর মা এই মহিলাটাই আবিদের অসুস্থতার জন্য দায়ী।
রিয়াঃকি বলছ বাবা তুমি?
রিয়াদঃহ্যা বোন আমার, বাবা ঠিক বলছে।আমি নিজের চোখ দেখেছি।তুই আমাদের কথা বিশ্বাস কর লক্ষী বোন আমার।
রিয়া তার বাবা, ভাইয়ের কথায় বাসার কাজের মহিলাটিকে বাসা থেকে বের করে দেয়।রিয়ার খুব খারাপ লাগছিল তাই সে নিজে উনাকে উনার গ্রামে দিয়ে আসেন।এদিকে রিয়ার বাবা,ভাইয়ের পথে কাটা পরিষ্কার হওয়া আনন্দে দুই বাবা,ছেলে পার্টি করছিল।এমন সময় রিয়া আসে বাসায়।সে আড়াল থেকে সব শুনে ফেলে।তারা বলছিল,
বাবাঃমানুষ এতটা বোকা কিভাবে হয়?যদি রিয়াকে না দেখতাম তবে বিশ্বাসই হতো না যে, আজকের যুগের মানুষ হওয়া সত্বেও এতটা বোকা মানুষ হতে পারে😆😆😆
রিয়াদঃঠিক বলছ বাবা,মেয়েটি এত বোকা যে, আমরা যা বলব তাই বিশ্বাস করবে।একবার ভাবল না যে, এতবছর যারা তার ক্ষতি ছাড়া কিছুই করে নি।তার পরিবার থেকে আলাদা করেছে কে, আমরা তো বাবা?😆😆তা এই বোকা মেয়েটার একবারও তা ভাবল না।সত্যি বাবা আমি যে চোখের পানি ধরে রাখতে পাচ্ছি না।
বাবাঃরিয়াদ তুই পারিস ও😆😆😆😆
আবিদের খাবারে মেডিসিন মিশিয়েছিল কে?তার অসুস্থতার জন্য দায়ী কে?
রিয়াদঃকে আবার আমরা দুজন।বোকা রিয়া বুঝতে পারল না তা।মানুষ কিভাবে এতটা বোকা হয় বাবা?আমরা বলেছি যে, আমরা ভাল হয়ে গেছি তাতেই সে আমাদের বিশ্বাস করল😁😁বোকা বোন আমার সে তো জানেই না কুকুরের লেজ কখনও সোজা হয় না।
বাবাঃঠিক তাই আমরা তো আবার বোনের শিকারী কুকুর।শিকার করা আমরা কি করে ভুল যাই?
এসব কি বলছে ওরা?সব আমার মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে। নেশা করেছে দেখেই বুঝা যাচ্ছে। নেশায় এসব আবোল তাবোল বকছে না তো ওরা?না এগুলো আবোল তাবোল নয় বা মিথ্যে নয়।শুনেছি নেশা করলে মানুষের ভিতরে লুকিয়ে থাকা আসলরূপ বের হয়ে আসে।তাহলে কি এটা আমার বাবা,ভাইয়ের আসল রূপ। ওরা আমার সাথে নাটক করেছে।আমার সরলতার সুযোগ নিলে এভাবে? ছি,ছি।আমি আবার এদের জালে নিজেকে জড়িয়ে ফেলছি।ঠিক বলছিস ভাইয়া তুই আমি সত্যিই বোকা, তা না হলে তোদেরকে আমি😭😭😭কান্নার সময় এটা নয় রিয়া, তোকে শক্ত হতে হবে।ওর game খেলেছে এতদিন এখন আমার পালা। যখন মানুষের ভালবাসার উপর কোন বিপদ আসে তখন সেই দূর্বল মানুষটিও যে কি হতে পারে, আর কি করতে পারে এবার তোরা বুঝবি ভাইয়া😡😡আবিদের property এক অংশও তোরা পাবি না।তোদের চোখে সামনে থেকে আবিদ কিভাবে গায়েব হয়ে যাবে তা তোরা বুঝতেও পারবি না।আদিব তোমাকে কথা দিচ্ছি তোমার কোন ক্ষতি হবে না আজকের পর থেকে।
রিয়া বাসা না ঢুকে সোজা চলে যায় আদিবের ফ্যামিলি Lawyer এর কাছে।উনী আদিবের বাবার বন্ধুও ছিলেন।তাই তিনি আবিদের পরিবার সম্পর্কে সব জানতেন তিনি।রিয়াকে তিনি ভালভাবে চিনতেন।রিয়া ওনার সাথে দেখা করে সব কিছু জানল।এই মূহুর্তে কেউ যদি হেল্প করতে পারেন সেটা হলেন উকিল কাকু।আর তিনি খুব বিশ্বস্ত লোক ছিলেন। রিয়ার প্লেনে অনুযায়ী উকিলকাকু পরের দিন বিকালে আদিবের বাসায় যান।তিনি রিয়াকে তার বাবা,ভাইয়ে সামনে আদিবের বাবার বানানো উইল পড়ে শোনান,তাতে লেখাছিল সমস্ত সম্পত্তির একমাত্র মালিক সিহাব আহমেদ। আদিবকে তার বাবা কিছু দেন নি।কারণ আদিব তার নিজের ছেলে নয়।এসব জানার পর রিয়ার বাবা, ভাই ভীষণভাবে রেগে যান।কারণ তাদের এতদিন কষ্ট সব জলে গেল।তারা আবার নতুন প্লেন করলেন।এটা খুব ভয়াবহ ছিল।তারা কি করবে তা রিয়া এবারও আড়াল থেকে শুনে আর সেই অনুযায়ী নিজের প্লেন করে কিভাবে আদিবকে এই বাসা থেকে সরানো যায়।
রিয়া উকিলকাকু ফোন দিয়ে বলে,
রিয়াঃউকিলকাকু আমি রিয়া বলছি।এটা আমার নতুন নাম্বার। আমার অাগের নাম্বার দিয়ে ফোন করছি না কারনটা তো আপনি জানেন।আমার বাবা,ভাইয়া খুব চালকা।শিয়ালের চেয়ে বেশি শয়তানি বুদ্ধি তাদের মাথা।কোন ভাবে যদি জেনে যায় তবে আদিবকে বাঁচতে পারব না।উকিল কাকু এই শেষবার মত হেল্প করেন প্লিজ।
উকিলকাকুঃএটা কি বলছো মা?আদিবের বাবা আমার ছোটবেলার বন্ধ। আদিবের পরিবার আমার জন্য কি না করছে।আজ সময় এসেছে তাদের ঋণ পরিশোধ করা আর আমি বিপদের ভয়ে পিছিয়ে যাব, এতটা অকৃতজ্ঞ তোমাদের উকিলকাকু নয় মা।বল মা, কি করতে হবে?
কিডন্যাপ পার্ট #৮+৯
রাইটার#দিলরুবা হাসান পামি
সিহাব, আমাইয়া শপিংমলে আসছে ৩ঘন্টা হয়েছে।শপিংমলের সব shopes ঘুরে দেখার পরও সিহাব কিছুই পছন্দ হচ্ছে না।আমাইয়ার যা পছন্দ হচ্ছে তাতেও সিহাবের objection. আমাইয়া বেশ বুঝতে পাচ্ছে সিহাবের কিছু একটা হয়েছে।
সিহাব স্যারের কি হয়েছে?উনাকে খুব চিন্তিত লাগছে।আমি কি উনাকে ask করব?যদি রাগ করেন?করলে করবে,ওহ আমি handle করতে পারব।আর ওনাকে এভাবে দেখতে যে পাচ্ছি না আমি।উনা রাগ করুন বা না করুন আমাকে জানতেই হবে ওনার কি হচ্ছে।আমার ধারণা আমরা যখন বের হচ্ছিল তখন একটা কল আসে আর তারপর থেকেই স্যারকে এমন দেখাছে।এত কিছু না ভেবে ওনাকে ask করি।হ্যা সেটাই ভাল। (মনে মনে আমাইয়া ভাবছে)
আমাইয়াঃস্যার আপনি ঠিক আছেন? এমন কিছু হয়েছে স্যার যা আমাকে বলা যাচ্ছে না?😣😣
সিহাবঃমিস আমাইয়া তুমি অযথাই টেনশন করছ।এমন কিছুই হয় নি, বুঝলে?আমি তো ভেবে পাচ্ছি না আমার ছোট, মিষ্টি আমাইয়ার জন্য কোন পোশাকটা ভাল হবে?আর আমি তো সিহাব আহমেদ যে সে জিনিস কিনতে পারি না।এটা আমার স্টাইল নয়।
আমাইয়াঃDevil একটা(আস্তে আস্তে বলছে সে)।
সিহাবঃ Oh hello miss,কি--কি বলছ তুমি?
আমাইয়াঃনা কিছু না।
সিহাবঃআমি শুনতে পারি নি ঠিকই বাট তোমার ঠোট নড়ছিল আর তাতে যা বুঝেছি তা হচ্ছে তুমি আমাকে devil বলছ,right?
আমাইয়াঃএ মা না, না এমনটা তো বলি নি।😣😣
কি করে বুঝে যায় সবসময়? আমি তো খুব আস্তে বলেছি কথাটা তবুও বুঝতে পাচ্ছেন, how?
সিহাবঃএখন ভাবছ তো আমি কিভাবে তা বুঝতে পাচ্ছি?😅😅এসব হচ্ছে feeling করার বিষয়। তুমি তো little girl😉তাই এখন বুঝবে না।বড় হও আগে।আমি তো আছি সেটার জন্যই।
চল এবার শপিং শেষ করি।
আবার শপিং?আরও দেরী হবে।এদিকে ক্ষুধা লেগেছে খুব।উফফ!মাখায় প্রচন্ড যন্ত্রণা হচ্ছে।এটা আমার ছোটবেলা অভ্যাস যা change হল না।
আমাইয়া মাথায় হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছে আর সিহাব কেনাকাটায় ব্যস্ত।ইঠাত সিহাবের চোখ আমাইয়া দিকে পরতেই সে আমাকে ask করে,
সিহাবঃকি হয়েছে তোমার?
আমাইয়াঃও আমার,ও আমি?
সিহাবঃম্যাডামের ক্ষুধা লেগেছি আপনার,তাই তো?এতে এত লজ্জা পাওয়া কি আছে?এটা আমারও হয়, বুঝলেন ম্যাডাম।(মুচকি হেসে বল সে)
আমাইয়াঃএই মানুষটা আসলে কে?কিভাবে আমার মনের কথা বুঝতে পাচ্ছেন? X man no,no,super man আরে না।Devil man হ্যা এটা হতেই পারে।হি,হি।
সিহাবঃএই, এসব ভেবে হাসলে চলবে না ম্যাডাম ।চলেন হোস্টেল ফিরা যাক।আর শুনেন X man,SUPER man বা devil man কোনটাই নই কিন্তু আমি।তবে এটা ঠিক যে, তোমার মনের কথা বুঝতে পারি।এটাকে বলে soulmate। একজন আরেজনকে বুঝে, তাদের মধ্যে
understanding এটাই থাকে যে একজনের না বলা কথাগুলোও আরেকজন ঠিকই বুঝতে পারে।
আমাইয়াঃSoulmate? আমি আপনার?
সিহাবঃMy little Amaiya এত ভাবতে হবে না তোমায়।এসব আমার উপর ছেড়ে দাও।এই তোমার না ক্ষুধা লেগেছে না?
আমাইয়াঃহুম(অন্যমনস্ক হয়ে উওর দেয় সে)।
কিডন্যাপ
পার্ট #৯
আমাইয়া এখন লক্ষ্য করছে সিহাব হাসছে।কখন এই মিস্টারের মনে বা চেহেরা যাই হোক 😁😁মেঘ জমে আবার কখনও রোদ মুচকি হাসছে , wow,আমাইয়া দারুণ বলছিস তো।তোকে তো নোবেল দেওয়া দরকার ছিল।এই মা আমি এসব কি ভাবছি।যাক সিহাব স্যার হাসছেন এখন আর এটাই বড় কথা।আর উনাকে আরোও বেশি cute লাগে।এই হাসিমুখটা দেখে যে কেউ এই মানুষটার প্রেমে পড়ে যাবে।
সিহাবঃএই জন্মে কারোও change নেইBetter luck next time😉ওহ সরি পরের জন্ম হবে কথাটা,আর আমাইয়া আছে যখন কার ক্ষমতা আমাকে দেখার😉
আমাইয়াঃআবার আপনি?কিভাবে?
সিহাবঃওহ মিস আমাইয়া,মুখ বন্ধ কর।মাছি প্রবেশ করবে তো।
আমাইয়াঃআপনি খুব খারাপ,খুব বাজে।সব সময় আমার leg pull করছে।Devil man আপনি।যান আপনার সাথে কথা নেই আমার।
সিহাব লক্ষ্য করছে একটা মেয়ে ওর দিকে অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে আছে।সিহাব এবার সত্যিকারের Devil হল।সে আমাইয়া বলল,
সিহাবঃঠি আছে আমি যাচ্ছি। এই দেখ কত কিউট,স্মার্ট একটা মেয়ে।তোমার থেকে অনেক ভাল।তুমি তো আমার দিকে তাকাও না ঠিক মত।মেয়েটা দেখ আমার দিকে কিভাবে তাকিয়ে রয়েছে।যাই ওর কাছে।বাই,বাই।
আমাইয়া রেগে সিহাবে শার্টের কলার টেনে ধরে।
সিহাবকে বলে সে,
আমাইয়াঃকোথায় আসছেন আপনি?
সিহাবঃআরে কি করছ তুমি?সবাই দেখছে তো আমাইয়া।
আমাইয়াঃদেখছে সবাই,দেখুক না।so what?কিন্তু আপনি কোথায় যাচ্ছন সেটা বলেন?
সিহাবঃআমি তো এই মেয়েটার কাছে যাচ্ছি। ও আমাকে পছন্দ করে।তুমি তো তা কর না।তাই আমি ওর কাছেই যাচ্ছি।
আমাইয়াঃআপনি আমার সাথে এমনটা কেন করছেন সবসময়।আমার কষ্ট হয় না বুঝি?আমাকে কষ্ট দিয়ে আপনার খুব ভাল লাগে তাই না?আপনি সব বুঝেন শুরু এটাই বুঝেন না আমি আপনাকে ভাল---
আমাইয়া সিহাবের কলার ছেড়ে দিয়ে বলে,
আমাইয়াঃযান,আপনি যেখানে যাচ্ছিলেন সেখানেই যান।আমি আপনাকে আটকাবো না আর।আপনি কে আপনার,সে আপনাকে আটকাব। যান,যান।
আমাইয়া সিহাবের থেকে মুখ ঘুড়িয়ে নিল।
সিহাবঃআমাইয়া আমার দিকে তাকাও প্লিজ। আমি বলছি কিন্তু তাকাতে।আমাইয়া? (রেগে গিয়ে বলল সে)
আমাইয়াঃআপনি আমার কে, যে আপনার ওর্ডার follow করতে যাব?
সিহাব আমাইয়া সামনে গিয়ে কান ধরে বলে,
সিহাবঃএই দেখে আমি কান ধরেছে।এখন তো আমাকে ক্ষমা কর, প্লিজ।তুমি রাগ করে থাকলে আমার কষ্ট হয় যে আমাইয়া।
আমাইয়াঃএই যে মিস্টার,এখন বুঝছি মানুষ দেখছে না?
সিহাবঃহুম, আমার মিসেস আমার উপর রাগ করেছেন,এটাই সবাই বুঝবে😃😃
আমাইয়াঃআমি তো?
সিহাবঃআরে বাবা,এসব তোমাকে ভাবতে হবে না।এসব আমার উপর ছেড়ে দাও।
চল এবার হোটেলে ফিরা যাক।ওহ ম্যাডাম আপনার তো ক্ষুধা লেগেছে তা কি ভুলে গেছেন।(হেসে সে বলে)।
আদিবঃআমি জানতাম তুমি এখানে আসবে।
কে? আদিব?সেটা কি করে হয়, সে তো? (মনে মনে রিয়া বলছে)
আদিব একটু কেশে বলে,
আদিবঃতুমি আমাকে চিনতে পারছো না রিয়া। তুমি কি আমার সেই রিয়াই তো সে নিজের জীবনকে বাজি রেখেছিল তার ভালবাসার মানুষটাকে বাচবে বলে।(অভিমানে স্বরে)
রিয়াঃআদিব তুমি?তুমি এসেছো?তুমি আমার কল্পনা তাই না?জান তোমাকে দেখার জন্য কতটা ঝটফট করছি আমি।তুমি যে, আমার অস্তিত্ব জুড়ে রয়েছ।তুমি আমার জীবন।একটা মুহূর্তের জন্যও তোমাকে ভুলতে পারি নি। কিন্তু তোমার সাথে আমার থাকা হল না।My bad,আমি খুব খারাপ।চলে যাও তুমি।কল্পনাতে আর এসো না।চলে যাও।
আদিবঃএই পাগলি মেয়ে। দেখ আমি বাস্তব,তোমার কল্পনা নই।
রিয়াঃআমার কল্পনা নও?
আদিবঃনা মিসেস আদিব আহমেদ।আমি আপনার সামনে সত্যিই দাড়িয়ে রয়েছি।
রিয়াঃআমি ছুয়ে দিলে আবার চলে যাবে না তো তুমি?
আদিবঃএই দেখ আমি সত্যি তোমার সামনে রয়েছি।দেখ তুমি
আদিব রিয়া হাত ধরে তার (আদিবের)মুখের torch করে।
এখন রিয়া বুঝতে পাচ্ছে এটা তার কল্পনা না।তার সাথে সত্যিই ঘটেছে।তার ভালবাসা তার চোখে সামনে।রিয়া আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না।সে আদিবকে জড়িয়ে ধরে বাচ্চাদের মত কাদতে শুরু করল।
আদিবঃএই রিয়া এসব কি হচ্ছে। তুমি তো এমন নও।আমার strong রিয়া যে, এতটা emotional তা তো আমার জানছিল না?
রিয়াঃI missed u so much। আমি কখনও ভাবি আবার দেখা হবে আমাদের।
আদিবঃকেন মনে হয়েছে তোমার, সেটা আমি জানি।তুমি আমাকে বলছি সুস্থ হয়ে যাওয়ার পর নতুনভাবে আবার আমার জীবন সাজাতে।কি করে পারলে তুমি এমনটা বলতে।সে সময় আমার খুব রাগ হয়েছি।মনে হয়েছি কষে তোমার গলে চড় দেই।কিন্তু আমার physical condition ভাল ছিল না।সব দেখতে শুনতে পারতাম মাএ।
রিয়াঃসব হয়েছে আমার জন্য। আমার জন্য তোমাকে কত কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে।আবার কেন এসেছো আমার জীবনে।আমি যে তোমাকে পেইন ছাড়া আর কিছুই দিতে পারব না।তুমি শেষে যাবে। চলে যাও আদিব।
রিয়া আদিবকে ছেড়ে দিল।
আদিবঃহুম বলেই হল?তোমার কথা মত সব হবে?অনেকে হয়েছে।এতদিন তুমি নিজেকে আমার থেকে আলাদা রেখেছ,ভেবেছ তো আমি ভাল থাকব, তাই না?কিন্তু বিশ্বাস কর আমি ভালছিলাম না।আমার সবসময় তোমার কথা মনে পড়তো। তোমার কাছে দৌড়ে চলে আসি এমন মনে হতো।কিন্তু আমার অবস্থার জন্য আস্তে পারি নি।তিনটা বছর লেগেছে ঠিক হতে রিয়া।যখন ঠিক হয়েছি তখন তোমার কাছে পৌছে এসেছি। প্লিজ রিয়া আমাকে দূরে সরিয়ে দিও না।প্লিজ আমার কাছে এসো।
আদিব তার দুইহাত বাড়িয়ে দিল। রিয়া পৌছি গিয়ে আদিবে বুকে লুটিয়ে পড়ে।
আদিবঃmy dear wife,অনেক কষ্ট দিয়েছ নিজেকে। আর পেতে দিব না।অনেক হয়েছে। এবার আমি তৈরি দেখব কে আমাদের ক্ষতি করবে?😠😠
কিডন্যাপ পার্ট #৬+৭
**রাইটার#দিলরুবা হাসান পামি**
সিহাবঃআমাইয়া?
আমাইয়াঃজ্বী স্যার,বলুন।
সিহাবঃবলছি কালকে অনেক ভোরে উঠতে হবে কিন্তু। সারারাত জেগে না ঘুমিয়ে পড়বে কেমন আর একটাদিন নাইট গার্ড নাই বা হলে(মুচকি হেসে)।
আমাইয়া চোখ বড় বড় করে সিহাবে দিকে আহা তাকিয়ে আছে।
সিহাবঃএই আমাই---য়া।মুখ বন্ধ কর।তা না করলে যে,মাছি তার বাসা ভেবে প্রবেশ করতে পারে তো।মশা বেচারাকে দয়া কর গো ।এখন ভাল মেয়ে হয়ে যাও ঘুমাতে।
ও আমাইয়া?আরে ও ম্যাডাম।হ্যালো?
আমাইয়া সিহাবের দিক থেকে নিজের চোখ সরাতে পাচ্ছে না।তার আজ সিহাবকে ছেড়ে যেতে কেন জানি ইচ্ছে করছে।তার মন কিছুতে সাই দিচ্ছে না যাওয়ার জন্য। এই আমাইয়া তো কি হয়েছে?কেন এই মানুষটা আজ খুব কাছে মনে হচ্ছে?মনে হচ্ছে উনী শুধু মাএ আমার।only my man.উফফ!কি সব ভাবছিস বলতো?এটা শুধুই মায়া। আর কিছুই না।নিজেকে control কর আমাইয়া।নিজেকে মানুষের পরিহাসের পাএী বানাতে যাস না(মনে মনে আমাইয়া বলেছে)।
সিহাবঃআমাইয়া?কি হয়েছে তোমার?কাঁদছ কেন?
আমাইয়া অজান্তে তার চোখ থেকে পানি ঝরছিল।সিহাব তা লক্ষ্য করে।
আমাইয়াঃআমি কেন কাদব স্যার? হয়তো চোখে কিছু পড়েছে তাই চোখ থেকে পানি পড়েছে।আর কিছুই না স্যার।
সিহাব আমাইয়া কাছে গিয়ে আমাইয়া বলে,
সিহাবঃআমাইয়া আমাকে দেখতে দাও, তোমার চোখে কি হয়েছে?
আমাইয়া সিহাবকে দেখতে দিচ্ছে না।কারণ সে ভালভাবে জানে তার চোখ কিছুই পড়ে নি।আসলে তার খুব কষ্ট হচ্ছে। সিহাবকে সে নিজের অজান্তে ভালবেসে ফেলেছে ।তাকে হারানোর ভয় তাকে কষ্ট দিচ্ছে।
আমাইয়াঃস্যার বলছি তো আমার কিছুই হয় নি।রাতে অনেক হয়েছে।আপনি খেয়ে নিন।আর আমি রুমে যাব।আমার খুব ঘুম পাচ্ছে।(রেগে)
সিহাবঃতোমার কি হয়েছে,আমাইয়া ? কি লুকানোর চেষ্টা করছ তুমি,আমার থেকে?তোমার কষ্ট হয়েছে সেটা বুঝতে পাচ্ছি আমি আমাইয়া।তুমি কখন সত্যি কথা বলছো আর কখন মিথ্যে তাও আমি ভালভাবে বুঝতে পারি ডেয়ার।এখন বল কি হয়েছে তোমার?
আমাইয়ার দুহাত ধরে রেখেছে সে।
আমাইয়াঃনা মানে,আমি?
সিহাবঃওকে বলতে হবে না তোমায়।যদি কখনও মনে হয়ে আমি, সিহাব তোমার বিশ্বাসের যোগ্য, আমার সাথে তোমার মনের ভিতরে জমে থাকা সব কষ্টগুলো শেয়ার করা যায় তবে আমার কাছে এসো নিরদ্বিধায়। ঠিক আছে আমাইয়া?
আমাইয়া মাথা নেড়ে উওর দিল।সিহাব আমাইয়া হাত ছেড়ে দিয়ে আমাইয়াকে বলে,
সিহাবঃম্যাডাম এখন ঘুমাতে চলুন।আপনি নিজে যাবেন নাকি আমি নিয়ে যাব?আমার style তো জানেন তাই না।
কোলে করে!না বাবা,না(মনে মনে আমাইয়া ভাবছে)
আর এদিকে সিহাব আমাইয়ার অবস্থা দেখে ঠোট চেপে হাসছে।
আমাইয়াঃআমি একাই যেতে পারব না।আর আমি বাচ্চা নই যে, আমাকে কোলে করে নিয়ে যেতে হবে ঘুম পড়ানোর জন্য।
এই মা এসব আমি কি বলছি?আমি যাচ্ছি স্যার।গোড নাইট।আমাইয়া দৌড় দেয় তার রুমের দিকে।
আমাইয়া লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছিল।সিহাব তা লক্ষ্য করে।সে বলে,
সিহাবঃপাগলী মেয়ে একটা।(মুচকি মুচকি হাসছে সে)।
ঘড়িতে সকাল ৬ঃ৩০বাজছে।আমাইয়া এখন গভীর ঘুমে।আর ঐদিকে সিহাব জগিং করে বাসায় ফিরে।তার রুমে গিয়ে Fresh হয়ে নিচে নেমে এসে তার servant কে breakfast ready করার জন্য বলে তারপর আমাইয়া উঠেছে কিনা তা check করে যায়।আমাইয়ার রুম ভেতর থেকে লক।তার মানে ম্যাডাম এখনও ঘুমাছেন।এই মেয়েটাকে তুলতেই হবে এখন, তা না হলে আমরা লেট হয়ে যাব। কিন্তু কি করব (মনে মনে সিহাব ভাবছে)
সিহাবঃআমাইয়া?ও আমাইয়া উঠবে পড়। আমাদের তো বের হতে হবে।
ভিতরে থেকে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে আবার সিহাব বলল,
সিহাবঃআমাইয়া দেখ আমি ২০মি.সময় দিচ্ছে তোমায়।এর মধ্যে fresh হয়ে নিচে আসবে। আমি তোমার জন্য ডাইনিংরুমে ওয়েট করছি।এর মধ্যে যদি না আসো তাহলে অন্যভাবে নিয়ে যাব।আর আমার style তো জানই (মুখ চেপে হাসছে সে) নাকি ভুলে গেছে।আবার দেখতে চাও কি?
আমাইয়াঃনা, না স্যার।আপনাকে কিছু করতে হবে না।আমি কখন উঠে পড়েছি।আপনি নিচে যান আমি আসছি।
সিহাবMy little Amaya আমি কিন্তু জানি তুমি এখন bed হাত পা ছাড়াছাড়ি করছ।
আমি যে এখন বিছানায় আছি কিভাবে বুঝতে পারছেন তিনি দরজার ওপাশে থেকে?আচ্ছা ঠিক আছে আমি মানছি সেটা না হয়ে common sense থেকে বলছেন but কি করছি সেটা কিভাবে বুঝতে পাচ্ছেন তিনি?এই রুমে কি তবে কোন hidden camera আছে ?লাফ দিয়ে উঠে আমাইয়া।সে রুমে সবকিছু ভালভাবে check করে।না কিছুই তো নে।আহ! আমাইয়া, i am so tried।
সিহাবঃআমাইয়া, ম্যাডাম আমাইয়া। আপনার অভিযান কি শেষ হয়েছে?যদি হয়ে থাকে তবে fresh হয়ে নিন।আমি নিচে যাচ্ছি।
হ্যা 😱😱স্যার এটাও? উনী কিভাবে বুঝতে পারছেন এসব?সারারুম তো তনতন করে খুজেও কিছু হাতে আসে নি।May be fun করে এসব বলছেন তিনি?হতেই পারে।আচ্ছা এই ব্যাপারটা নিয়ে পরে ভাবা যাবে এখন fresh হয়ে নিচ যেতে হবে।না হল--- না বাবা আমি উনার কোলে উঠতে চাই না।কিছুই না।
আমাইয়া, সিহাব breakfast completed করে airport যায়।সব Formalities শেষ করে।আমাইয়াকে নিয়ে সিহাব তার personal Plan এ উঠে।আমাইয়া চারদিকটা ভালভাবে দেখছে।আমাইয়ার মাথা একটা জিনিস আসে সেটা হল তার তো passport, visa কিছুই নেই তবে সে কিভাবে এখানে আসছে?
সিহাবঃকি ভাবছ আমাইয়া?আমি জানি তুমি কি ভাবছ?
আমাইয়াঃকি (অবাক চোখ তাকায় সে সিহাবের দিকে)
সিহাবঃহুম।আমি জানি কি ভাবছ?তুমি ভাবছো তোমাকে কিভাবে allowed করা হল এখানে।তোমার passport, visa কিছুই ছিল না।এটাই তো magic আমাইয়া।তোমার passport, visa আছে তো।এই যে আমার কাছে।
আমাইয়াঃআমার?
সিহাবঃহুম তোমার।
আমাইয়াঃতবে আমাকে কেন দেন নি।
সিহাবঃআমি দেখতে চেয়েছিলাম তুমি কিভাবে react করবে।আর দেখ আমি যা ভেবেছিলাম তাই হল।
আমাইয়াঃ১দিনের মধ্যে সব কিভাবে?how?
সিহাবঃMagic আমাইয়া। আমি এতটা কিউট যে, কেউ আমাকে না করতেই পারে না।।
আমাইয়াঃহুম।
আমাইয়াকে এখন অন্যমনস্ক দেখাছে।সিহাব চোখকে ফাঁকি দেওয়া সহজ না।বিশেষ করে আমাইয়ার ছোট বড় যে কোন বিষয় তার চোখ সবার আগে ধরা দেয়।
সিহাবঃকি হয়েছে আমাইয়া?
আমাইয়াঃআমি আপনাকে মিথ্যে বলছি সিহাব স্যার যে আমি এই শহরের নই।আমি সে টাইমে আপনাকে আমার সত্যিটাও আপনার কাছে মিথ্যে মনে হতো।তাই আমি লুকাতে বাধ্য হয়েছি।আসলে আমার জন্ম এখানেই।আমার আর মাইশা আপুর বেড়ে উঠা এই শহরেরই।এখন শহর আমাদের অনেককিছু দিয়ে আবার সবে থেকে বড়,মূল্যবান জিনিসটাই আমাদের কাছে থেকে কেড়ে নিয়েছে।
সিহাব ঃমানে?
আমাইয়াঃআমার বড় বোন মাইশাকে।আমি আর মাইশা আপু ৫বছরের ছোট বড়।আমরা দেখতে একই রকম। কেউ বিশ্বাস করতে পারতো না যে, আমাদের বয়সের এ different এতটা।ভাবতো আমরা Twice. আপির ১৫তম জন্মদিন। আমরা সবাই plan করি আপিকে surprised দিব, তার পছন্দ স্থানে নিয়ে যায়।সেই অনুযায়ী আমরা ঘুরতে যাই।আর সেটাই হলআমাদের জীবন অভিশাপে পরিনত হয়েছে ।
আমাদের সবার চোখে মুনিসবার আদরে মাইশা আপুকে আমাদের বাবার business partner kidnap করে।আমার বাবাকে blackmail করে সব শেয়ার তার নামে করে নেয়।বাবার এতবছরের কষ্ট করে তিলে তিলে বড় হওয়া কোম্পানিটা তার হাতে চলে যায়।তার পরও আমরা আমাদের মাইশা আপুকে ফিরে পেলাম না।একরাতের মধ্যে সবকিছু বিক্রি করে উনী চলে গেলেন। কোথায় গেছেন কেউ তা বলতে পারেন না।অনেক খুজেছি জানেন সিহাব।
আমাইয়া ভুলবশত সিহাবকে তার নামে ডাকছে।সিহাবের আমাইয়ার কথাগুলো শুনে কষ্ট লাগছে খুব।আবার ভালও লাগছে এটা ভেবে যে, আমাইয়া তাকে সিহাব বলে ডাকছে।স্যার নয়।
আমি আমার বোনটাকে কখন খুজে পাব না?মাইশা আপুকে খুব মিস করি।আমার বোনটা খুব ভাল মানুষ ছিল সিহাব জানেন।কখনও আমাকে বকে নি। আমি খুব জ্বালতন করেছি।তাই হয়তো আমাকে একা রেখে চলে গেল।আল্লাহ আমাকে শাস্তি দিল এভাবে।আমাইয়া যখন এসব বলছি তখনসে অন্যদিকে তাকিয়ে ছিল।
কিডন্যাপ পার্ট #৭
আমার ধারণা যদি ঠিক হয় তবে রিয়াই হচ্ছে আমাইয়া হারিয়ে যাওয়া সেই বোন।মানে সে আসলে রিয়া নয় মাইশা।আমাইয়া যখন তার বোনের আসল রূপ দেখব,তখন কি অবস্থা হবে ওর?ও তো সহ্যই করতে পারবে না I am sure.ওর সহজ সরল বোনটা যে, এখন devil killer এর পরিমতি হয়েছে। আমাইয়া সত্যিটা তোমার সামনে আসবে না কখনই। আমি বেচে থাকতে তা হবে দিব না।তোমার চোখে তোমার বোন angel ছিল,আছে সেটাই থাকবে ডেয়ার,but dear i am sorry আমি তোমার জন্য কিছুই করতে পারলাম না।তোমার বোনটাকে তার কৃতকর্মের জন্য শাস্তি পেতেই হবে।তুমি খুব innocent আমাইয়া।কি করব আমি? যদি তোমার বোনকে শাস্তি দিতে যাই তবে তুমি কষ্ট পাবে আর যদি ছেড়ে দিয়ে তবে আমার ভাইয়ের প্রতি তা হবে অন্যায়।Oh God,Plz help me। আমি যে সবদিকে থেকে হেরে যাচ্ছি। একদিকে আমাইয়া যে আমার জীবন আর অন্যদিকে আমার ভাইয়া।যে আমার best friend , আমার Mentor। কি করব এখন আমি।(মনে মনে সিহাব ভাবছে)
আমাইয়াঃ জানেন স্যার আপু চলে যাওয়াটাকে কেউ মেনে নিতে পারে নি।বিশেষ করে আমাদের আম্মু। সবসময় আপুর জন্য কাদতেন তিনি।দিনের দিন কেমন যেন হয়ে যাচ্ছিলেন।তাই বাবা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এই শহরে আর থাকবেন না।আমাদের একমাত্র সম্বল আমাদের বাড়ি সেটাকে বিক্রি করেন।তাদের নিয়ে চলে যান শহর ছেড়ে বহুদূরে ।তারপর থেকে আমাদের জীবন কাটতে থাকেছোট সুন্দর একটি শহুরে।ইঠাত একদিন আমাকে,বাবাকে ছেড়ে আম্মুও চলে গেলেন না ফিরার দেশে।বাবা থেকে যেন ছিলেন না।শুধুমাএ আমার মুখের দিকে চেয়েই হয়তো তিনি বেচে আছেন।সবঠিক ছিল।ভেবেছিলাম বাবা আস্তে আস্তে সব সামলে উঠতে পারবেন কিন্তু না।তা আর হল না।বাবাও আামাকে একা হেরে চলে গেলেন। কোথায় গেছেন,আর কি কখনও ফিরবেন।আমি কি আমার বাবাকে ফিরে পাব।কখনও কি আমার বোন,বাবাকে দেখতে পারব?জানি না।
সিহাবঃতুমি তোমার হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মুখগুলো আবার দেখতে পারবে।I promise Amaiya. সব ঠিক হয়ে যাবে।আমি আছি তো।
আমাইয়াঃPromise?
সিহাবঃহুম।
আমাইয়াঃসব তো হারিয়ে ফেলেছি।আপনাকে হারতে আমি চা---ই না
সিহাবঃকি?আমাইয়া কি বলছ তুমি?আমাকে তুমি কি? ম্যাডাম ঘুমিয়ে পড়ছেন। sleeping queen একটা।হি,হি।ম্যাডাম আমি বুঝেছি আপনি কি বলতে চেয়ছিলেন i promise আমি কখনও ছেড়ে যাব না,কখনও না।সবকিছু তুমি ফিরে যাবে।আমাইয়া,ঘুমাও তুমি।
আমাইয়াঃpromise তো সিহাব?
আমাইয়া কথায় চমকে উঠে সিহাব।আমাইয়াকে ভালভাবে দেখে সে।সে বুঝতে পারছে আমাইয়া ঘুমের মধ্যে কথা বলছে।সিহাব ঠোটে চেপে হাসছে আর মনে মনে বলছে,
সিহাবঃআসলেই তুমি খুব innocent। My little Amaiya তো,তাই না।😁😁
৪ঘন্টা journey শেষে তারা তাদের গন্তব্যে ফিরে।সিহাব আমাইয়া নিয়ে একটি হোটেল যাই।সিহাব নিজস্ব বাসা আছে এখানে তবুও সে তার জন্য আর আমাইয়ার জন্য আলাদা রুম বেকিং করেছিল। আমাইয়াকে সিহাব বলে,
সিহাবঃআমাইয়া তুমি তোমার রুমে যাও।Fresh হয়ে নাও।ঘুমানোর তো এখন আর প্রয়োজন নেই তাই না?😅😅😅
আমাইয়াঃহুম।
সিহাবঃওকে ফাইন।তবে তাই কর।কিছুক্ষণ পর আমরা বের হব।
আমাইয়াঃকোথায়?
সিহাবঃকোথায় আবার, শপিং এ।
আমাইয়াঃশপিং এ?
সিহাবঃ yes,Ma'am। আপনি যে আপনার সাথে কোন Extra পোশাক carry করছেন না, তা কি ভুল গেছেন।আপনি কি আমার পোশাক পরবেন এই ২ সপ্তাহ।যদি পরতে চান তবে আমার কোন সমস্যা নেই।😁😁
আমাইয়াঃNo,thanks Sir.
Mr.Devil আমাকে কি ভেবেছেন আপনি?😠😠(মনে মনে)। আমার dresses মানে এতদিন ধরে আপনার দেওয়া যা পড়ছি সেগুলো আমি নিয়ে আসছি।
সিহাবঃNo Princess সেগুলো নিয়ে আসা হয় নি।সেগুলো আমার বাসাই আছে।
আমাইয়াঃআমি নিজ হাতে ব্যাগ গুজিয়েছি।আর আপনি বলছেন? তার মান হয়েছে আপনি ইচ্ছে করে ব্যাগটা বাসায় ছেড়ে এসেছেন।কিন্তু কেন?আর কখন?
সিহাবঃআমি বাসায় নয়।গাড়ীতে রেখে এসেছি।আমি তো জানি তোমার ব্যাগের কথা মনে থাকবে না।সত্যি তাই হয়েছে।তুমি ভুলে গেছ হি,হি। টেনশন কর না ড্রাইভারকে বলে দিয়েছি সে বাসায় পৌছে দিবে।
আমাইয়াঃআমার এখন কি করতে ইচ্ছে করছে জানেন?
সিহাবঃতোমার body language দেখে যা মনে হচ্ছে তাতে তুমি আমাকে পারলেই এই মুহূর্তে খুন করে ফেলবে।
আমাইয়াঃ হ্যা তাই করব।😠😠
সিহাবঃতুমি পারবেই না তো।
আমাইয়াঃআমি রুমে যাচ্ছি।
সিহাবঃওহ হ্যালো, কোথায় যাচ্ছেন। আপনি না কাউকে খুন করবেন।তো কে না করেছে।আমি তো খুন হওয়ার জন্য প্রস্তুত।😅😅
Devil,devil.তা না হলে এমন কেউ করবে।আমি এখন কি করব?উফ!অসহ্য।
What is Albinism or Leucism?
The Latin word albus means 'white' or 'colorless'.
Albinism or Leucism is a congenital disorder that causes discoloration of the hair, eyes and skin.
Because#
Albinism occurs in the complete or partial absence of organic pigments or pigments on the skin, hair or eyes. Its effects include photophobia (photosensitivity), nystagmus (involuntary movement of the eye), and embleopia (loss of vision in one eye).
Genetic traits are often blamed for causing pale whites in many animals. Pigments color plants or animals. Animals with leukemia are deficient in multiple pigments. And because of this the animal looks white or pale in color.
Types#
Two types of albinism are found. Oculocutaneous and ocular albinism. The first type of albinism affects the eyes, skin and hair. Ocular albinism only affects the eye. The first type of albinism is found in "black-brown-skinned people." According to the National Organization of Albinism and Hypopigmentation, the color of the human eyeball in ocular albinism can range from green to blue or even brown. In this case a very small amount of pigment is in the eye so the light is directly reflected in the iris.
.
Genetics#
Albinism is usually inherited from person to person. In this case, if both parents have recessive alleles, their child has a chance to become albino. If one of the parents is a carrier of albinism, the child is less likely to be albino. However, in this case the child is also a genetic carrier of albinism. In this case, the carrier of albinism genetically does not show any symptoms of this disease. Therefore, it is difficult to verify whether a person is an individual carrier of albinism without genetic testing. The incidence of albinism is equal between men and women.
Treatment#
To date, no cure for albinism has been discovered. Albinism patients need to be careful to avoid sunburn and seek regular skin care.
In most cases to reduce the eye problems caused by albinism
Surgery is required. Needless to say, the benefits of these surgeries vary depending on the patient's condition. Most patients use glasses to avoid visual impairment.
References#
A B Reference, Genetics Home.
"Oculocutaneous albinism". Genetics Home
Qualification #
Qualification is something that no one inherits. People have to achieve it. Not everyone is born equally talented. But what is the value of it? On the other hand, a man who is not talented but he is very hardworking. He will change his destiny one day by his own efforts. So you don't have to think about who is thinking, who is saying what. One day it will be hard. I have never felt fear, shame or hesitation to do anything because it will be painful. Because I believe that pain is the ladder of success. Because there is pain, we can understand where our weaknesses are. And that is what helps us achieve success. Be positive, keep working, success will come. You will not have to hold anyone accountable that day. Your qualifications will answer all the questions. Everyone's face will be closed.
What is definition of life#
What is definition of life?
Life means knowing yourself anew,
Life means losing everything and living in a new way.
Life is a changing form of familiar faces.
Life means turning sorrow into happiness.
Life means keeping your head high.
Life is a cut road full of flower beds.
Life means fear of losing a loved one.
Life teaches people to fight for themselves.
Kidnap part#2
Writer # Delruba Hasan Pami
Sihab: Mr. hurry up. Fast.
The boss is a doctor himself. Or have you forgotten that?
Sihab: Why are you standing like this? What are you thinking?
Mister: No, you mean
Sihab means you just did all this now. There is very little time and you just did all this? Did I tell you not to call a doctor?
Mr. Boss, is it necessary to call a doctor? Doesn't it mean, boss?
That's it! I am also a doctor (he said with a smile)
Oh Sit, that's a doctor. How did I forget that? What's going on? Why am I doing this? Mr. or what are you thinking about my behavior? (Sihab says in his mind).
Mr. Boss, are you real?
Sihab: What are you trying to say? (Says angrily)
Mr: No, don't sit down.
What happened to the boss today, does the boss feel different? He is such a big doctor. Why does he feel so nervous today? Did the boss fall in love with the girl?
Sihab: I am going to the room. You aim here. And yes I may need you. So how close?
Mister: Okay boss. You go. I'll be around.So you come to call me.
Sihab went to the room. Then he picked up Amaiya from the floor and laid her on the bed. The poison pushed Sihab Amaiya in his body. His antidote was with Sihab.
He took it out. Then he prepared the Injection and pushed it in the hands of Amaya. With the push of injection Amaya continues to say,
Amaiya: Ammuni. Save Ammuni.
Ammuni please. I will kill. Ammuni is very dark here. Ammuni where are you? Ammuni?
My eyes are watering.
When Amaya was young, she called her mother Ammuni instead of Ammu. That has not changed. Because her mother preferred to hear Ammuni in her mouth.
Sihab understands why Amaiya is doing this. Sihab is having a hard time seeing Amaya in this condition.
Amaya is calling her mother in a senseless state.
Sihab pulls Amaiya close to him, hugs him and says,
Sihaba, there is no fear, Amaiya. Nothing will happen to you. I am here.
Why am I doing this? What happened to this girl? That feeling never worked in me. But why is it feeling like this today?
Even after being abroad for so many years, no girl has been able to attract me to her? How am I going to do this today? What is there? Why do I feel so bad about it? I don't know what to say to this feeling (Sihab says in his mind).
He left Amaiya in the previous place and left the room. Sihab did not sleep all night thinking about Amaiya.
The next morning Amaya regained consciousness. He is looking around the room well. There is no one anywhere. He is just in the room. What is happening to me, Allah Malik? What have I done? Why are you punishing me? Ammuni left me 4 years ago. He left her with my grandfather. From then on, my troubles started. My uncle's grandfather lived in the family. Aunty never liked his stay. I went to study with them. Aunty used to make me work like a working girl all day long. Let's continue. My parents are taking care of me. What is this condition of mine, see if you come once, please don't come 😭😭 Ammuni, why did my father leave me like this? Amaiya is thinking and crying.
Amaya did not understand when Sihab was entering the room.
Sihab: Oh, I see it is a cry baby.
Amaya wiped her eyes silently without saying anything and was about to get out of bed when her foot slipped. She would fall down. Amaya closed her eyes in fear.
Sihab: Hey, open your eyes.
Amaiya was not at all ready for him when he saw her eyes open. The man who kidnapped her to kill her has saved her today. What is going on?
Amaya: What have you done? Why are you doing this?
Sihab: You are very weak so I am helping. And what is wrong to help?
Amaiya: You wanted to kill me. Then why didn't you let me die? Why did you save? What is your purpose? Tell me to leave?
Sihabh! You see, you can talk too much. Your body is weak, you can't walk and you are angry with me?
Amaiya: Am I telling you that I can't walk. Please take me in your arms (in an angry voice).
Oh my Godness, I'm looking very angry. But angry looks very cute. Hey, what am I thinking?
Amaya: Sir, can you hear me? Let me down. I'll go to the washroom.
Sihab: Shut up. I'm taking it.
Is this boy crazy? I'm a stranger to him. All this is not inside his head. Not wanting to understand that.
Amaya: Sir, try to understand. Look, I am a girl and you are a boy.
Sihab: What are you trying to explain? Look, I've been in America for so many years, but I've never forgotten the culture of this country. And yes, something like that is in your head, stop thinking about it.
I'm just helping you. So chilli (he says in anger)
He leaves Amaya at the door of the washroom and goes to his own room.
On the one hand Amaya is smiling and saying to herself you are really a devilman🙄
Meanwhile, Sihab is thinking of Amaya.
How can the girl think about me? He is very angry with Amaya.
Kidnap part#1
I am Amaiya Ahmed. Very few people call me by this name. Some call me Amaida, some call me Amaya. What about me? Of course, I have never had any prb. The one you have been listening to for so long is Amaiya Ahmed. She is a very calm girl. A few days ago she joined a private company. Her boss is a lady. My boss is very smart, very beautiful. She is very intelligent with him. In English it is called Brain with beauty
Our age is not much different from our boss and age. If Amaiya is arranged like her sitting, if no one sees them well, you can't think who is Amaiya and who is Riya. Yes Riya is Amaiya's boss.
Riya: Amaiya darling how are you?
Amaya is very surprised to see the behavior of her boss. Because her always treats very badly. What is happening to the boss today, why is she doing such behavior? Too with me again. I think shi is thinking all this.
Amaiya: Alhamdulillah I'm fine boss. Are you well? Is your body okay?
If you can use them a little better, then they come to mind. Middle class. All that Disgusting, Rhea thinks in these ways.
Riya: Oh My darling Amaiya. Why are you saying so much tension. I'm fine. You look very beautiful today. Your dress is beautiful, where did you buy it from?
Amaiya: Me?
Without giving Amaya a chance to speak, she said,
Riya: I like this dress very much. Will you give me this dress?
Amaya:🤔🤔
Rhea: Oh come on, for a day. Please don't do it. Give it to me today. If you don't read my dress? What's a big deal? You please don't
Amaya agrees to his words. The poor thing doesn't know what is waiting for her?
Riya: Oh, so beautiful my darling. Now go get me some food from my favorite restaurant.
Amaiya: I'm ordering boss. They will parcel.
I see the girl will destroy all the plans. No, it can not be allowed to happen at all. Adib's brother sent people to kidnap me. If not, I have no protection today. Cool down Riya. If you are angry, it will not work. This middle class girl is the only way for you to survive.
Riya: You know I can't wait long. Especially when I'm very hungry. Please try to understand Amaida. When will they come and when will I eat. I will die. Please don't go?
She just did emotional blackmail. She couldn't do it anymore after seeing the condition of poor Amaya's boss. When she left, she brought the food of her choice to the restaurant of her choice.
The people of Adib's brother kidnap him on the street thinking that Amaiya is Riya. Since there are many people on the street, they use tactics. They think that Amaiya is known to them. They tell Amaiya,
Kidnappers: Come with us. And yes, don't try any tricks. The result will not be good, but. The boss is asking you to take us well. We are following his order. So we are not doing anything. If you do not listen to us, we will be forced to end you here.
They secretly showed Amaya the pistol to keep with them.
Amaiya was forced to go with them as she could not find any way. She signaled Amaiya to get in her car. Amaiya got in the car and they tied her face and hands.
After a while, the car came to a stop in front of the main gate of a farmhouse. Amaiya realized that it was their boss's farmhouse.
Fear is working inside him now. He is wondering what happened to him, why all this happened?
They pulled Amaiya out of the car and dragged her inside. They took her to a room and untied her. Then they pushed her away and closed the door of the room and left.
Amaiya started screaming. At that time the sound of opening the door came. Someone entered the room
We understand that. But because there is not enough light in the room, we can't see the man properly.
Why are you holding me like this? What have I done? Tell me, why?
Sihab: cool down Miss Ria.don't be panic. Oh sorry Miss murderer
Amaiya:I am Riya. Or am I a murderer? What are you saying?
Sihab: Oh really Miss murderer?
Sihab turns on the lights in the room. Then he leaves the room. He comes back after a while. Does he have one in his hand?
Amaya doesn't understand properly.
Sihab: Do you want to know that? This is the weapon with which you killed my brother little by little.
He is preparing the injection. And there is poison in it. What Riya was doing with Sihab's brother, Sihab is also doing it thinking Amaiya is Riya.
Please don't do that. For God Sake. Believe me and not Ria
Sihab: I will believe you, how?
He grabbed Amaya's hand with one hand and pushed the injection in my hand with the other hand.
Amaya: Ah! Sir you are doing wrong. I am not Riya. I am Amaiya. I am a small town girl. I am not Ria Ma'am. Whom you are looking for.
What? Aren't you Riya? Aren't you a girl from Dhaka? Aren't you married to Adib?
I don't know ---
Amaya lost consciousness and fell to the floor.
Sihab: This girl will stop lying. I know you are Riya. You are my brother's wife. You are my brother's killer. And how many lies will you tell?
Mr. Sihab's Assistant. He stands at the door and tells Sihab,
Mr.: Boss, will you come out? We've made a mistake.
Sihab: What's the matter, sir?
Mr.Boss,please don't be angry. In fact, the person we think is Riya Maam, we have brought him up. He is actually Amaya. Riya works in Madam's office.
Sihab: What the hell? What are you talking about, sir? Is your head all right?
Mr. Boss, everything I say is true. Believe me boss. Our people follow Madam 24/7.I don't know how it happened? One of us came and informed that Riya Madam is in the office.
Sihaba :it's means all these rear plans. She knew it all before. So she has decorated this girl like her so that she can whiten our eyes.
Mr. Yes boss.
Sihab: The girl did not lie. The girl is actually a victim of yarajantra. Mr. call the doctor immediately. Her survival is very important for us. Hurry up, sir.
Mother #
Mother means cool real,
Mother means affection.
Mother means the treasure of whim.
The mother is the only safe haven for the child.
Mother means selfless love.
Mother means without whom I am useless.
Mother means my world.
Mother means to keep a sweet smile on her face in the midst of hundreds of hardships.
Mother means incomparable.
Mother, my world is dark without you.
What's definition of life?
Life means knowing yourself anew,
Life means losing everything and living in a new way.
Life is a changing form of familiar faces.
Life means turning sorrow into happiness.
Life means keeping your head high.
Life is a cut road full of flower beds.
Life means fear of losing a loved one.
Life means the stage, sometimes in the
mud, sometimes with laughter.
Life is never a success story or a song of
pain.
Life is about trying to turn pain into
success.
Life means overcoming all obstacles.
Life teaches people to fight for themselves.
কিডন্যাপ পার্ট #৫
রাইটার#দিলরুবা হাসান পামি
সিহাবঃআমাইয়া তোমার সাথে একটা কথা ছিল।
আমাইয়া মাথা নেড়ে হ্যা বল।
সিহাবঃআমি জানি এখানে থাকতে তোমার কষ্ট হচ্ছে। আর কিছুদিন এসব সহ্য কর। তারপর না আমাকে সহ্য,না আমার আচরণকে এভাবে সহ্য করতে হবে।তোমার চোখে আমি খুব নিকৃষ্ট মানুষ তাই না আমাইয়া?
আমাইয়াঃআমি তো?
সিহাবঃআমি জানি তুমি কি বলতে চেষ্টা করছ।তুমি মুখে যা বলতে পারছ না তোমার চোখ বলে দিচ্ছে তা।আচ্ছা বাদ দাও সেসব।আমি কিছু দিনের জন্য কোম্পানির কাজের বাইরে যাচ্ছি।তুমি চাইলে আমার সাথে যেতে পার।আমি শুনেছি তুমি বেড়াতে খুব পছন্দ কর। আমাইয়া যাবে তুমি?
আমাইয়া প্লিজ কিছু তো বল?এভাবে চুপ করে থেকো না।তোমাকে আমি আমার মনে কথাগুলো বলে চাই , বাট এটা রাইট টাইম নয়।কেননা তোমার চোখে আমি খুব খারাপ একজন মানুষ।তুমি আমাকে খুব ভয় পাও আর সেটাই আমাকে change করতেই হবে সবার আগে তারপর বলব তোমায় আমি সব(মনে মনে বলে সে)।
আমাইয়া এবারও মাথা নেড়ে হ্যা বল।
সিহাব মনে মনে খুব খুশি হলেও আমাইয়াকে তা বুঝতে দিল না।সে আমাইয়াকে বলল,
সিহাবঃকাল সকালে আমাদের ফ্লাইট। সব Arrangement করে রেখেছি আগে থেকেই।
আমাইয়াঃ হ্যা আমি বেড়াতে খুব পছন্দ। Advantage খুব পছন্দ করি।কিন্তু আমি কি জানতাম জীবন আমায় এই advantage নিয়ে আসবে। আমাকে এইভাবে কিডন্যাপ হতে হবে। মনে মনে সে ভাবছে) আপনি কিভাবে জানেন?আমি যে বেড়াতে খুব পছন্দ করি😱😱আমি তো আপনাকে কবলি নি? আর আপনি এতটাইবা sure কি করে হলেন?আমি আপনার সাথে যাব।
সিহাব আমাইয়া সম্পর্কে সবকিছু খোঁজ নিয়েছিল। সে আমাইয়ার কাছে থেকে সবকিছু লুকিয়ে রাখে এইভাবে যদি আমাইয়া তাকে ভুল বুঝে তার কাছে থেকে আরোও দূরে সরে যায়।যদি সে আরোও বেশী তাকে ঘৃণা করে।আমাইয়াকে হারানোর ভয় তাকে বাধ্য করছে আমাইয়ার কাছে থেকে সবকিছু লুকাতে।
সিহাব মুচকি হেসে বলল,
সিহাবঃআমার মানুষ চিনতে কখনই ভুল হয় না Miss ।আর আমাকে কেউ না করতেই পারে না।আমি যে, এতটাই cute and handsome একটা ছেলে। 😂😂
আমাইয়াঃOh really? নিজের সম্পর্কে আপনার দেখছি কোন ধারণা নেই।🙄🙄
মানুষটা কিন্তু ভুল কিছু বলে নি।আসলেই উনী খুব cute,handsome। প্রতিটি মেয়ে যেমনটা আশা করে তিনি ঠিক তেমন।আরে আমি কি পাগল হয়ে গেছি?কি ভাবছি এসব?কেন ভাবছি এসব?Devil man একটা।আমাকে প্রথমে কিডন্যাপ করছে অন্যজন ভেবে আর যখন সমস্ত Confusion clear হল তখনও একই আচরণ ।confusion clear হওয়ার পরও আমাকে আটকে রেখেছে এভাবে☹☹।আমার জীবনটা hell বানিয়ে রেখেছে।সব সময় ভয় দেখাছে আমাকে।কিভাবে এই মানুষটাকে কেউ ভালবাসতে পারে?আমাইয়া তুই কি তার প্রেমে পড়ছিস? আমাইয়া সিহবের দিকে তাকিয়ে আবার তার থেকে চোখ সরিয়ে নিয়ে নিজেকে বলে, no,never,কিছুতেই না। এটা অসম্ভব। এই মানুষটাকে কখনই ভালবাসা যায় না।
সিহাব আমাইয়া দিকে তাকিয়ে আছে।সে বুঝার চেষ্টা করছে আমাইয়া এখন কি ভাবছে। একটু কেশে সে আমাইয়াকে বলল,
সিহাবঃকি ভাবছ তুমি?
আমাইয়াঃকিছু না তো।আমি কিছুই ভাবছি না।আপনি ভুল ভাবছেন।
সিহাব মুচকি হেসে বলল,
সিহাবঃ তুমি এতক্ষণ ধরে কি ভাবছিলে তা আমাকে বলতে চাও না তো?okay fine, তোমাকে বলতে হবে না।খেয়ে নাও এবার।হা কর আমাইয়া।(অভিমান কন্ঠে)
আমাইয়াঃআমাকে দিন প্লেটটা। আমি খায়ে নিচ্ছি নিজের হাতে । আমার জন্য আর আপনাকে কষ্ট করতে হবে না।আর আপনি তো সারাদিন কিছুই খান নি।আমার কথা না ভেবে, আপনি খেয়ে নিন।
এই বলে সে সিহাব হাতে থেকে প্লেটটা কেড়ে নিল।
সিহাবঃআমাইয়া এটা কি করছ তুমি?আমি খাইয়ে দিচ্ছি সেটা কি তোমার পছন্দ হয়?😡😡
আমাইয়াঃআচ্ছা আমায় একটা কথা বলুন তো, আপনি কি ছোট থেকে এমন?
সিহাবঃমানে?
আমাইয়াঃমানে এই যে, কথায় কথায় রেগে যাচ্ছেন।সবসময় রেগে নাক ফুলিয়ে রাখছেন।বানর দেখছি কিন্তু লাল বানর কখনও দেখি নি আমি।আপনি কি দেখেছেন কখনও? আমি কিন্তু আজ দেখেছি তাও আবার একটা মানুষরূপে লাল বানর😄😄
সিহাবঃআমাইয়া🙄🙄
ওলে বাবারে মিস্টার সিহাব যে ক্ষেপেছেন গো😄😄(মনে মনে আমাইয়া বলছে)
আমাইয়াঃওকে সরি স্যার।এই নিন juice।এটা খান। এটা আপনার মাথাকে ঠান্ডা করবে।আর স্যার এত রাগ যে, ভাল নয় বুঝলেন স্যার ?
সিহাবঃহুম।অনেক বকবক করেছ।এবার খেয়ে নাও।আর শোন আমিও আজ একটা মুখ ফুলিয়ে রাখা মেয়ে বানর দেখছি।তুমি কি দেখতে চাও?ওয়েট আমি তোমাকে দেখাছি। এসো আমার সাথে।
আমাইয়াঃআপনার না খুব ক্ষুধা লেগেছে?কেন খাচ্ছেন না?বানর পরে দেখব, এখন আমাকে খেতে দিন।
মিস্টার সিহাব কি ভেবেছেন আপনি আমাকে😖😖আমার যে বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না এই মুখ ফুলিয়া রাখা মেয়ে বানরটা কে?আপনাকে লাল বানর বলছি বলে আপনি আমাকে মুখ ফুলানো মেয়ে বানর বলছেন তো।খুব খারাপ আপনি,খুব। Devil একটা।আর আমি কিনা আপনাকে?না আমি আর এসব ভাব না।এসব মাথা থেকে delete কর আমাইয়া।এই মানুষ আর তুই যে সম্পূর্ণ আলাদা।দুজন দুই পৃথিবীর মানুষ যে তোরা। ওনার মত মানুষের সাথে তোমাকে যে মানায় না আমাইয়া। আর উনী তোমাকে কখনই ভালবাসবে না,কখনই না।এটা মনে রাখিস।দুপৃথিবীর মানুষ তোরা দুজন। যাদের কখনই মিল হতে পারে না। হ্যা ক্ষনিকের জন্য যাদের দেখা হয়েছে মাএ।চিরদিন একসাথে থাকার জন্য নয় আমাইয়া।আর তুই তো অবুঝ নস।সব জেনে বুঝে কেন শুধু শুধু নিজেকে কষ্ট দিচ্ছিস?এসব ভাবা বন্ধ কর আমাইয়া।(মনে মনে)
সিহাবঃকি ভাবছে মেয়েটা এত?এর চোখ ঝলঝল করেছে মনে হচ্ছে ভিতরে ভিতরে খুব কষ্ট পাচ্ছে মেয়েটা ( মনে মনে বলেছে সে).আরে এই আমাইয়া খাচ্ছা না কেন?আর কি এত কি ভাবছ বল তো?খেয়ে নাও।
আমাইয়া কিছু না বলে চুপচাপ খেয়ে উঠে যাচ্ছিল।সিহাব তার হাতে ধরে তাকে আটকায়।তাকে সে বলে,
সিহাবঃকি হয়েছে আমাইয়া?আমি কি এমন কিছু করেছি যার জন্য তুমি ভিতরে ভিতরে কষ্ট পাচ্ছ?বল না আমাইয়া।কিছু তো বল।এভাবে চুপ করে থেকে না।
আমাইয়া নিজেকে সামলিয়ে মুচকি হেসে বলে,
আমাইয়াঃকই,কিছু না তো। আমার কিছুই হয় নি।আর আপনির জন্য আমি কেন কষ্ট পাব?কে আমি আপনার?আমি আপনার অতিথি। যাকে অচেনা অতিথিও বলতে পারেন। দুদিনের জন্য এসেছি আবার চলে যাব। আর কখনও দেখা হবে আপনার আর আমার।😊😊
ওহ এখন বুঝেছি সে এসব ভেবে কষ্ট পাচ্ছে। হয়তো সেও আমার মত একই জিনিস অনুভব করছে।সেই অনুভূতির নাম ভালবাসা। Really she loves me?🤔🤔
আমাইয়াঃআমি রুমে যাচ্ছি। আমার খুব ঘুম পাচ্ছে। good night
সিহাবঃHmm,good night Miss Amaiya.

About Aerobic Dance#
@what's Aerobic dance?
Aerobic exercise is physical exercise of low to high intensity that depends primarily on the aerobic energy-generating process.
@Benifit #
#Strengthening the muscles involved in resepiration to facilitate the flow of air in and out of the lung.
#Strengthening and enlarging the heart muscle, to improve its pumping efficiency and reduce the resting heart rate, known as aerobic conditioning
#Improving circulation efficiency and reducing blood pressure
Increasing the total number of red blood cells in the body, facilitating transport of oxygen
#Improving mental health, including reducing stress and lowering the incidence of #depression, as well as increased cognitive capacity.
#Slight reductions in depression may also be observed, if aerobic exercises are used as additional treatment for patients with a hematological malignancy
Reducing the risk for diabetes (One meta-analysis has shown, from multiple conducted studies, that aerobic exercise does help lower Hb A1Clevels for type 2 diabetics.
#Reducing the risk of death due to cardiovascular problems
#High-impact aerobic activities (such as jogging or using a skipping rope) can:
#Stimulate bone growth.
#Reduce the risk of osteoporosis for both men and women.
@What are some examples of aerobic exercise?
#Swimming.
#Cycling.
#Using an elliptical trainer.
#Walking.
#Rowing.
কিডন্যাপ পার্ট #৪
রাইটারঃদিলরুবা হাসান পামি
সিহাবঃআমাইয়া i really sorry. এমনটা করা আমার উচিত হয় নি।ক্ষমা করে দাও প্লিজ।করবে তো আমাইয়া?
আমাইয়াঃহুম।
সিহাবঃতুমি rest নাও।একটু পরের সায়মা খালা এসে তোমার খাবার দিয়ে যাবে।আমি উনাকে বলে দিচ্ছি, কেমন?খবরদার বিছানা থেকে উঠো না।না হলে এর থেকেও কঠিন শাস্তি রয়েছে তোমার কপালে।আমি কি করতে পারি সেটা তো তুমি নিশ্চয়ই বুঝে গেছে এতক্ষণে।
সরি আমাইয়া তোমার ভাল জন্য আমাকে তোমার সাথে এভাবে আচরণ করতে হচ্ছে। এছাড়া কোন উপায় নেই।তুমি বুঝবে না এখন কিন্তু আমার বিশ্বাস তুমি একদিন সেটা নিশ্চয়ই বুঝতে পারবে।আমি তোমাকে save রাখতেই এসব করছি।তোমাকে এভাবে আটকিয়ে রাখতে চাই না। কিনআমি যে নিরুপায় আমাইয়া।রিয়া হতো জেনে গেছে এতক্ষণে যে, তুমি বেঁচে আছো।সে তোমাকে ছাড়বে না আমাইয়া। ওর নিজের স্বার্থের জন্য সব করতে পারে।(মনে মনে সিহাব ভাবছে)।
সিহাবঃআমাইয়া যা বলেছি মনে যেন থাকে।আমি অফিসে যাচ্ছি। তাড়াতাড়ি চলে আসব।এসে যদি শুনি তুমি আমার কথার অবাধ্য হয়েছ তবে দেখবে আমি তোমার কি হাল করি?
আল্লাহ মালিক আমি কি করছি?কেন এমন শাস্তি দিচ্ছো আমায়?পৃথিবীতে এত মানুষ থাকতে আমার এই মানুষটির সাথেই দেখা হল।সবসময় আমাকে ভয় দেখাচ্ছে😡😡
আমাইয়াঃআমি কি baby?why u treat me like a child?(রেগে বলল)।
সিহাবঃআমাইয়া?
আমাইয়াঃ কেন করছেন আমার সাথে আপনি এমন?
সিহাবঃআমি তোমাকে কখনই তা ভাবি নি।আমি তোমার কোন ক্ষতি করব না কখনও আর কাউকে তা করতে দিব না।তুমি জেনে রেখো আমাইয়া এই সিহাব বেঁচে থাকতে কেউ আমাইয়ার এক চুলও স্পর্শ করতে পারব না। এখন তুমি rest নাও।আমি খালাকে দিয়ে তোমার জন্য খাবার পাঠিয়ে দিচ্ছি।
আমাইয়াকে সে আর কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়ে আমাইয়ার রুম থেকে বের হয়ে যায়।
ঘড়িতে ১১ঃ৩০ (সকাল)বাজছে।সিহাব এখন অফিসে।তার কেবিনের সে এবং মিস্টার বসে রয়েছে।
মিষ্টারঃবস একটা কথা বলব?
সিহাবঃহুম।
মিস্টার ঃবস আপনার কি হয়েছে?আপনাকে এমন দেখাচ্ছে কেন?কোন সমস্যা? বস আপনি আমার সাথে শেয়ার করতে পারেন।
সিহাবঃমিস্টার তুমি তো জান সব।
মিস্টার ঃজ্বী বস।আদিব স্যারের Absent এ আপনি উনার সব দায়িত্ব নিজের কাধে তুলে নিয়েছেন।একজন ডাক্তার হওয়া সও্বেও আপনি বিগত তিনবছর ধরে আদিব স্যারের কোম্পানিকে খুব ভালভাবে দেখে রেখেছেন।নিজের professionকে এভাবে sacrifice করে কে বস?আমি জানি আপনি আপনার ভাইকে খুব ভালবাসেন। বস যদি কিছু না মনে করেন তবে একটা কথা বলতে পারি?
সিহাবঃবল মিস্টার।
মিস্টার ঃবস আমি এটাও ভালভাবে জানি আপনি কোন কারণ ছাড়া কিছু কখনও করেন না।তবে বস?
সিহাবঃতবে কি মিস্টার।তুমি কি আমাইয়ার কথা বলছ?
মিস্টার ঃজ্বী বস।আপনিই ঠিক ধরেছেন।বস এভাবে কি আমাইয়া ম্যামকে রাখা ঠিক হচ্ছে?না মানে একজন অবিবাহিতা মেয়ে, একজন পুরুষের সাথে এভাবে থাকলে সমাজ তা ভাল চোখে দেখে না।আমি জানি আপনি এদেশের হলেও আপনার whole life আমেরিকাতে কেটেছে।তাই এদেশের কালচার আপনি হয়তো জানেন না।এদেশের মানুষ যে এখনও এতটা মর্ডান হই নি।আর আপনার চোখে আমি ম্যামের জন্য যে যা দেখেছি তা আমি আগে কখনও কোন মেয়ের জন্য দেখি নি।
সিহাবঃআমি কি করব মিস্টার বল?আমি যে ওকে এখন যেতে দিতে পারি না।কারণটা তো জান তুমি।রিয়া ওকে বাঁচতে দিবে না।মেরে ফেলবে।আমি জেনে বুঝে কিভাবে ওকে মৃত্যুর মুখে ঢেলে দিতে পারি?শুধুমাএ সমাজ কি বলে সেটা ভেবে?বল মিস্টার।
মিস্টার ঃবস আপনি আমাইয়া ম্যামকে ভালবাসে খুব সেটা আমি ভালভাবে জানি।ওনার কোন ক্ষতি হতে দিবেন না সেটাও জানি।বস আপনি কি পারেন না ওনাকে সারাজীবনের জন্য আপনার কাছে রাখতে?
সিহাবঃকি বলছ মিস্টার এসব?আমাইয়া কি আমাকে accept করবে?তুমি তো জান কোন পরিস্থিতিতে আমাদের দেখা হয়েছে।ও আমাকে খুব ভয় পায়।ওর কাছে আমি খুব খারাপ একজন মানুষ।ও যে আমাকে কখনই ভালবাসবে না।আমাকে কখনই মেনে নিবে না নিজের স্বামী বলে।
মিস্টার ঃবস ম্যামকে আপনার মনে কথা বলে দেখুন না 😊😊আমার বিশ্বাস উনী আপনাকে না করতে পারবেন না।
ওদিক আমাইয়া তার রুমে চুপচাপ শুয়ে আছে।তার মনটা ভীষণ খারাপ। তার নিজেকে খাঁচায় বন্দি পাখির মত লাগছে।আম্মু আমাকে রেখে চলে গেছে অনেক দূরে। আমি চাইলেও তাকে দেখতে পারব না কখনও।কারণ মানুষ মরে গেলে কেউ আর ফিরে আসে না।বাবা আমাকে ছেড়ে চলে গেছেন জানি না তিনি বেচে আছেন কি না? চাচার সংসারে থেকে অনেক কষ্টে করে লেখাপড়া শেষ করি।অনেক চেষ্টার পর একটা জব হল ভেবেছিলাম আমার কষ্টের দিনগুলোর অবসান হচ্ছে, কিন্তু না সেটা আর হল না।ভাগ্য আমায় কোথায় নিয়ে ছেড়েছে আজ?আম্মু,আব্বু কোথায় তোমরা?আমি আর পাচ্ছি না।তোমরা কেন আমায় একা রেখে চলে গেলে।ফিরে আসব না তোমরা।না হলে আমাকে তোমাদের কাছে নিয়ে যাও। আমাইয়া ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদতে থাকে।
কিছুক্ষণ পর সিহাব অফিস থেকে বাসায় ফিরে।খালা মানে আমাইয়াকে যিনি দেখাশোনা করেন উনাকে সিহাব বলে,
সিহাবঃমেয়েটি কোথায়?
খালাঃম্যাম তো তার রুমেই আছেন।ম্যামের মনটা আজ ভীষণ খারাপ।আপনি যাওয়ার পর থেকেই কাঁদছেন।খাবার দিয়ে এসেছি কিন্তু উনি খান নি।
সিহাব উনাকে কিছু না বলে সোজা সিড়ি দিয়ে উঠে আমাইয়ার রুমে চলে যায়। তার রুমে গিয়ে দেখে আমাইয়া ঘুমাছে।সে আমাইয়ার পাশে গিয়ে বসে।আমাইয়া ঘুমানোর আগে কেঁদে তা তার চোখ দেখে বুঝা যাচ্ছে। কারন তার চোখ থেকে এখনও পানি পড়ছে।
সিহাব আমাইয়া চোখ মুছে দিয়ে বল,
সিহাবঃআমি তোমাকে খুব কষ্ট দিচ্ছি না আমাইয়া?আর কিছুদিন সহ্য কর এসব।তারপর তুমি মুক্ত।
সিহাবের হাতের স্পর্শ পেয়ে আমাইয়ার ঘুম ভেঙ্গে যায়।সে সিহাবকে তার মাথার কাছে বসে থাকতে দেখে চমকে উঠে।
আমাইয়াঃআপনি?কখন এসেছেন?সরি আমি বুঝতে পারি নি কখন সে ঘুমিয়ে পড়েছি।ক্ষমা করবেন।
সিহাবঃ এসব কি আমাইয়া?সারাদিন না খেয়ে আছো কেন?খেতে চল আমাইয়া। আমি খুবই ক্ষুধার্ত।
আমাইয়া ঃআমার ক্ষুধা নেই, আমি খাব না।আপনি খেয়ে নিন।সকাল থেকে তো কিছুই খান নি। খেয়ে নিন অনেকবেলা হয়েছে।
সিহাবঃখাবে না মানে কি?তোমাকে খেতেই হবে।ইচ্ছে থাকুক বা না থাকুক।😡😡
সে আমাইয়ার হাতে ধরে টানতে টানতে নিচে নিয়ে যায়।ডাইনিংরুমে নিয়ে গিয়ে চেয়ার টেনে আমাইয়াকে বসিয়ে দেয়।তারপর নিজের হাতে আমাইয়াকে খাইয়ে দেয় সে।আমাইয়া কিছু বলছে না।কারণ সে জানে সিহাবের সাথে সে পারবে না।ছেলেটা যে খুব জেদী আর খুব রাগি।কিন্তু সে যে খুব ভাল একজন মানুষ, আমাইয়া তা বুঝতে পারছে।
কিডন্যাপ পার্ট #৩
রাইটারঃদিলরুবা হাসান পামি
আমাইয়া ওয়াসরুম থেকে এসে দেখ একজন ভদ্রমহিলা তার রুমে দাড়িয়ে আছে।মহিলাটিকে সিহাব আমাইয়ার দেখাশুনার জন্য এনেছে।মহিলার হাতে একটি প্যাকেট ছিল।সেই প্যাকেটটি তিনি আমাইয়কে দিয়ে বললেন,
ভদ্রমহিলাঃম্যাম এটি বস পাঠিয়েছেন আপনার জন্য। আপনি Change করে নিন।
আমাইয়া যে খুব ভয় পাচ্ছে।তা তিনি তার চোখ মুখ দেখেই বুঝতে পারেন।তাই তিনি আমাইয়াকে বলেন,
ভদ্রমহিলা ঃম্যাম আপনার ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই।কারণ আপনি save handই আছেন।আর আমাদের বস খুবই ভাল মানুষ।তিনি কখনও কোন নির্দোষ মানুষের ক্ষতি করেন নি।আপনার কোন ক্ষতি হবে না এখানে থাকলে।আপনি নিশ্চিতে এখানে থাকতে পারেন।
আমাইয়াঃএকটা কথা বলব,যদি মনে কিছু না করেন?
ভদ্রমহিলা ঃ জ্বী ম্যাম বলুন।
আমাইয়াঃআপনার বসের ভাইয়ার সাথে কি হয়েছিল?
মহিলাটি এখন চুপচাপ মাথা নিচু করে দাড়িয়ে রয়েছে।কোন কথা বলছে না দেখে আমাইয়া বলল,
আমাইয়া ঃপ্লিজ বলুন না?এভাবে চুপ করে থাকবেন না।
মহিলাঃআমি তো এখানে নতুন আসছি।বস আমাকে আপনার জন্য রেখেছেন।তাই আমি ওনার ভাইয়ের সম্পর্কে কিছুই জানি না ম্যাম।
আমাইয়ার কেন যেন মনে হচ্ছে মহিলাটি মিথ্যে বলছেন।
আমাইয়ার ধরণাই ঠিক।কারণ উনী আদিবের বাসায় কাজ করতেন। আদিব যখন অসুস্থ হয়ে পড়েন,ঠিক তখন খুব কৌশলে রিয়া উনাকে ওনার গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।তারপর থেকে তিনি গ্রামেই থাকেন।অবশ্য তার রিয়ার উপর সন্দেহ ছিল।আদিবের অসুস্থ তার জন্য তিনি রিয়াকে সন্দেহ করতেন কিন্তু তিনি কিছুই বলতেন না।কারণ গরীব মানুুষের কথা কে বা বিশ্বাস করবে? তারপর আদবের সাথে যা কিছু ঘটে তা তিনি ভালভাবে জানতেন।বসের order ছিল যে এই বিষয়ে যেন আমাইয়া কিছু না জানে।তাই তিনি মিথ্যের আশ্রয় নিলেন।
তারা যখন কথা বলছিল তখন সিহাবের আসে আমাইয়ার রুমে।সিহাব এসে মহিলাটিকে চোখের ইশারায় রুম থেকে চলে যেতে বলে।মহিলাটি তার order follow করে।
সিহাবঃতুমি এখনও change কর নি?
আমাইয়াঃ না--মানে।
আমাইয়া মিথ্যে বলতে পারে না।মিথ্যে বলতে গেলে তার কথা এভাবে জড়িয়ে যায়।
সিহাবঃআমাইয়া যাও change করে এসো। ওয়াসরুম কোথায় সেটা তো নিশ্চয়ই জানো? নাকি আমি নিয়ে যাব😉
আমাইয়াঃলাগবে না স্যার।আমি নিজেই যেতে পারব।
আমাইয়া চলে যায়।
আমাইয়ার যাওয়ার পর সিহাব তার ঘাড়ে হাতে দিয়ে নিজেকে বলেছে,
সিহাবঃআমার লোকদেরকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত।কেননা আজ তাদের জন্যই আমি এই মেয়েটাকে পেয়েছি।যদিও তার আমাইয়াকে রিয়া ভেবে ভুল করে ধরে এনেছিল।তারা যদি এমন ভুল না করত তবে আমার হতো তোমার সাথে দেখাই হতো না আমাইয়া? Silly girl একটা😄😄
আমাইয়া change করে এসে দেখে সিহাব এখনও তার রুমে আছে।সে সিহাবকে খুব ভয় পায়।মহিলাটির কথা শোনার পরও তার মনে মধ্যে যে ভয় ছিল তা কাটে নি।তাই সে মনে মনে চাচ্ছে সিহাব যেন তার রুমে থেকে বের হয়ে যায়।
সিহাবের আমাইয়া দিকে তাকিয়ে আছে। তারপর সে মুচকি হেসে বলে,
সিহাবঃOh My Godness,Cry baby actually একটা Angel.
আমাইয়া কোন কথা না বলে চুপচাপ দাড়িয়ে রয়েছে।
সিহাবঃআমাইয়া বিছানায় যাও
আমাইয়াঃকি?
সিহাবঃআমি তোমাকে বিছানায় যেতে বলছি।কথা বুঝতে পারছ না?তোমার শরীর খুব weak। সেটা কি ভুলে গেছ?যাও বিছানায়.(রেগে সে বলে)
আমাইয়াঃস্যার আমি এখন ঠিক আছি।আমাকে নিয়ে আপনার টেনশন করতে হবে না।আর আমি এখন বাসায় যাব।
সিহাব আমাইয়ার হাত শক্ত করে চেপে ধরে বলে,
সিহাবঃকি বলেছি, শুনতে পারছ না?আমি কি তোমাকে তোমার বাসায় যেতে বলেছি?কেন কথা শুনছ না?okay fine। শুনবে না তো? তবে দেখ আমি কি করি?
আমাইয়াকে সে কোলে তুলে নেয়।
আমাইয়াঃ স্যার আমার ভুল হয়ে গেছে।আর কখনও এমন হবে না।প্লিজ স্যার ছেড়ে দিন।
সিহাবঃসেটা তোমার আগে ভাবা উচিত ছিল Miss। এখন অনেক দেরী হয়ে গেছে।এখন চুপ থাক।
সিহাবে তাকে নিয়ে গিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিল।তারপর সে তার পাশে বসে।আমাইয়ার খুব uncomfortable feel হচ্ছে।সে খুব নড়াচড়া করছে।তা দেখ সিহাব আমাইয়াকে শাস্তি দিতে তার বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়ে।
আমাইয়া ভয়ে কুঁকড়ে যায়।
সিহাবকে বলে,
আমাইয়াঃস্যার,স্যার (ভয়ে ভয়ে)
সিহাবঃআমি খুব ক্লান্ত আমাইয়া।চুপ করে থাক।কোন কথা বলবে না এখন।
আমাইয়া ভয়ে কাপছে।সিহাব তা বুঝতে পারছে।বেচারী অনেক ভয়ে পেয়েছ।আর ভয় দেখানো ঠিক হবে না।(মনে মনে সে বলছে)তাই সে উঠে সোফায় গিয়ে বসে তার ফোন check করে। সে আমাইয়ার দিকে না তাকিয়ে আমাইয়াকে বলে,
সিহাবঃএটা হচ্ছে তোমার শাস্তি।আরোও আমার কথার অবাধ্য হবে?
আমাইয়া এতটাই ভয় পেয়েছে যে, সে কেদে ফেলে।
তার কান্না শব্দ পেয়ে সিহাব আমাইয়ার দিকে তাকিয়ে দেখে আমাইয়া এখনও ভেয়ে কাপছে।তার শরীর দিয়ে ঘাম ঝরছে।
এতটা না করলেও হতো,মনে মনে সে বলে।সিহাবের নিজের উপর খুব রাগ হচ্ছে।নিজের রাগকে control করে সে আমাইয়ার কাছে গিয়ে বলে,
সিহাবঃআমাইয়া প্লিজ কেঁদো না।আমার ভুল হয়ে গেছে।
সরি,এই দেখ আমি কানে ধরছি।oh my cry baby।
আমাইয়া তার চোখ মুছতে মুছতে বলে,
আমাইয়া আমি মুটোও cry baby নই।আর আপনার তোনই।
সিহাবঃoh My God, my cry baby দেখছি আমার উপর রাগ করেছে।
আমাইয়াঃআমি আপনার baby নই।মুটোও নই। কোনদিনই নই।
এই বলে সে তার জিহবায় কামড় দেয়।এসব আমি কি বলছি।আমাইয়া তুই কি পাগল হয়ে গেছিস?এসব কি বলছিস?(মনে মনে সে বলে)।
ওদিকে সিহাব আমাইয়ার কথা শুনে হাসছে।My silly Girl( মনে মনে সে বলছে)।
লাভ স্টোরি পার্ট #১০(শেষ)
রাইটার#দিলরুবা হাসান পামি
সাইরা, নিলয়ের বিয়েটা ছিল যেমন prince সাথে Princess বিয়ে হয় ঠিক তেমন। কারণ নিলয়ের কাছে সাইরা তো Princess ই ছিল।তাই সে চেয়েছি তাদের এই দিনটাকে স্মরণীয় করে রাখবে।কোন কিছুর ঘাটতি রাখে নি সে।সাইরাকে বিদায় দেওয়ার সময় সাইরার মা খুব কাদছিলেন।নিলয় বলেছি,
নিলয়ঃআম্মু আমি তোমার মেয়েকে কখনই কষ্ট পেতে দিব না।সবসময় protect করব।নিজের জীবনে বিনিময়ে হলেও তার কিছু হতে দিব না।
সাইরার আম্মু ঃজানি বাবা তুমি ওকে সারাজীবন protect করবে।তাও মায়ের মন তো।এতবছর ওকে ছাড়া একদিনও থাকি নি। আজ যখন ওকে ছাড়া থাকতে হবে সেই ভেবে বুকের ভিতরটা কেদে উঠছে,নিজেকে তাই control করতে পারছি না।
নিলয় ঃআম্মুনি দেখেন কাজটা কিন্তু ভাল হচ্ছে না।আমাকে আপনি শুধুমাএ মেয়ের স্বামী ভাবলেন?বিয়ের আগে যে আমাকে ছেলে বানিয়েছিলেন মনে আছে তো?
সাইরার আম্মুঃ(চোখ মুছতে মুছতে) হ্যা বাবা। আমার সব মনে আছে।
নিলয়ঃছেলেকে কি আম্মু এভাবে বলে?(তুমি বলল সে)আর শুন তোমাকে এখানে একা থাকতে হবে না আমাদের সাথে থাকবে। মেয়ের স্বামীর বাড়িতে নয় বরং ছেলের বাড়িতে।সাইরা এতক্ষণ চুপ ছিল।সে বলল,
সাইরাঃতার মানে আমি আম্মুর ছেলের বউ।এটাই তো দাঁড়াচ্ছে। নিলয় এটা হবে না।তুমি আমার কাছে থেকে এভাবে আমার আম্মুকে কেড়ে নিতে পার না?
দেখ মেয়ের কান্ড, সাইরার মা বললেন।সাইরার কাছে গিয়ে নিলয় বললে,
নিলয়ঃoh babe,এই প্রথম তুমি আমাকে নিলয় নামে ডাকলে।শুধু তাই না আপনি থেকে তুমি বলা শুরু করেছ । আমি তো এতদিন ধরে এই দিনটির জন্যই অপেক্ষা করেছি।
সাইরাঃ😝😝ও তো আমি ভুলে বলেছি।
নিলয়ঃ(হেসে বলে)এমন ভুল তুমি সারাজীবন কর এটাই pray করি।সাইরাঃআপনি কি আজকাল নাটক বেশী দেখেছেন? নাকি বিজনেস বাদ দিয়ে নাটক করা শুরু করছেন?অভিনেতা হয়ে গেছেন নাকি?
নিলয়ঃoh babe 🙄🙄। আবার আপনি? এটা শুনতে না আমার আস ভাল লাগছে না।একটু আগে আমাকে তুমি বলে ডেকেছ সেটাই ভাল ছিল। তাই বলছি যে babe সেটাই বলবে আজ থেকে।ওকে?
সাইরা মাথা নেড়ে জবাব দেয়।দেখতে দেখতে ১০, দশটি বছর কেটে যায়।সাইরা নিলয়ে ভালবাসার মাঝে ভাঙ্গ বসাতে আরেকজন এসেছে। তার নাম নিসা। তাদের ৩বছরের ছোট মেয়ে।মেয়েটি বাবাকে ভীষণ ভালবাসে।সে যখন কথা বলা শিখছিল তখন সে প্রথম নিলয়কে বাবা বলে ডেকেছিল।তাকে নিলয় মা বলা শিখানোর অনেক চেষ্টা করছে।কিন্তু সে পারি নি মা ডাকতে।সাইরা মন খারাপ থাকত এটার জন্য। নিলয় তা ভালভাবে বুঝতে পারেছিল বলেই সে তার মেয়েকে মা বলা শেখানোর অনেক চেষ্টা করে।নিসার যখন ২বছর বয়স তখন সে সাইরাকে প্রথম মা বলে ডাকে।মেয়েটা মনে ইচ্ছে করে এমন করে এতদিন ধরে।নিলয়কে সাইরা বলে,
সাইরাঃনিসা মনে হয় আগের জন্মে তোমার কিছু ছিল। তাই তোমাকে এভাবে সারাদিন আগলে রাখে।আমার কোলে আসতে চায় না।
নিলয়ঃ🤣🤣babe,jealous feel করছ?
সাইরাঃ হুম তোমরা বাবা, মেয়ে আমার সাথে কি শুরু করেছ বলতো?
সাইরাঃআহারে আমার Princess।
নিসা তখন floor বসে খেলছিল।সে ইঠাত খেলা বন্ধ করে তার বাবা মা দিকে তাকায়।সে দেখে তার বাবা তাকে মা জড়িয়ে ধরেছে।সে দৌড়ে তাদের কাছে এসে বললে,
নিসাঃআরে এসব কি হচ্ছে শুনি?আম্মু সর তো।এটা আমার বাবা, তুমি কেন ধরছ?Princess এবার বুঝতে পেরেছি।এই মেয়েটা আগের জন্মে তোমার সতীন ছিল,আগের জন্মে তো কিছু করতে পেরে নি।তাই এই জন্মে তোমার মেয়ে হয়ে revenge নিচ্ছে।
নিসাঃও বাবা আম্মুকে কেন Princess বলছ? আমি তো তোমার Princess.
নিলয়ঃহ্যা মামুনি তবে তুৃমি হচ্ছ আমাদের little Princess আর তোমার আম্মু হচ্ছে আমার Princess ।
নিলয় সাইরার দিকে তাকিয়ে এসব বলল।সাইরা হাসছে।
নিলয়ঃআহ, আমার কাজ এখন আরোও বেড়ে গেল।আগে একটা বেবি ছিল এখন আরেকটা এসেছে।দুজনকে মানুষ করতে করতে আমি বুড়ো হয়ে যাচ্ছি। 😉😉সাইরা বুঝতে পারে নিলয় কি বলছে।সময়ের সাথে সাথে নিলয়, সাইরার বন্ধন আরও মজবুত হতে থাকে।কারণ তারা একে অপরকে খুব ভালবাসে।তাদের ভালবাসার ছিল pure.নিলয় সব সময় সাইরাকে respectকরেছে care করছে।সে একজন perfect husband। সাইরার সব ভুগুলো তার কাছে কখনও ভুল মনে হয় নি।কারণ সে মনে করে, যাকে ভালবাসবে তাকে এমনভাবে ভালবাসবে যেন তার দোষগুলোকেও accept করা ক্ষমতা থাকে।কারণ আমরা মানুষ। we are not perfect. এসব সে শিখেছিল তারা বাবা মাকে দেখে।নিলয়ের মা সব সময় বলতেন,
নিলয়ের মাঃনিলয় তুমি জীবনে অনেক বড় মানুষ হবে।কিন্তু যদি মেয়েদের সম্মান করে না পার তবে বড় হয়ে কি লাভ?অর্থবিওে বড় হয়ে কোন লাভ নেই।
সত্যিকারের পুরুষ সেই যে নারীকে সম্মান করতে পারে।মা, বাবা নেই আজ তার সাথে কিন্তু তাদের দেওয়া শিখা নিলয় মাঝে রয়ে গেছে।
গল্পটি এখানেই শেষ।সবাইকে ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য। গল্পটি কেমন লাগল জানবেন।ভুলক্রটি ক্ষমা করবেন।
ভয়ানক সেই রাত#
সিহাব তার বাবা মার একমাএ সন্তান।সে সবেমাত্র তার higher studies completed করে তার বাবার business এ যোগ দিয়েছে।সিহাবের মা সিহাবের জন্য পাএী খুঁজছেন। সিহাব দেখতে বেশ handsome, good looking British রা দেখতে যেমন ঠিক তেমন সে। মনের দিক দিয়েও খুব ভাল মানুষ সে।তার বাবা মা তাকে মানুষের মত মানুষ বানিয়েছেন। সব থাকার পরও সিহাবের জন্য পাএী খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।যদিও বা কোন সম্পর্ক ঠিক হচ্ছে তাও ভেঙ্গে যাচ্ছে কোন কারণ ছাড়া।এভাবে কাটতে থাকে সময়।একদিন সিহাবের বিয়ে ঠিক হয়ে যায়।বিয়ে ঠিক হওয়ার পর থেকে রোজ রাতে সিহাবের মা দুঃস্বপ্ন দেখছেন।প্রথম প্রথম এটাকে তিনি শুধুমাএ একটা স্বপ্ন ভেবেছেন।ভেবেছেন এমন কিভাবে হতে পারে যে, কেউ তাকে স্বপ্নে বলছে বিয়ে ভাঙ্গতে? কিভাবে সম্ভব? কিন্তু যখন একই স্বপ্ন রোজ রাতে তিনি দেখতে থাকেন তখন তিনি বেশ ভয় পেয়ে যান।সিহাবের বাবাকে তিনি তার স্বপ্নের কথা জান।কিন্তু সিহাবের বাবা হেসে বলেন,
বাবা:এটা শুধুমাএ একটা স্বপ্ন।এই নিয়ে বেশী ভেবো না তো।আমাদের একমাএ ছেলে বিয়ে, আনন্দ কর।বাড়িতে নতুন সদস্য আসতে চলছে।তোমার বউমা।just relax.
আজ সিহাবের গায়ে হলুদ ছিল। সবাই ডিনার শেষ করে যে যার রুমে চলে যান।আজ রাতেও সিহাবের মা সেই স্বপ্নই দেখেছেন।উনাকে একজন বলছেন,
পুরী:বার বার বলেছি এই বিয়ে বন্ধ করতে কিন্তু শুনিস নি।আমি আমার জিনিস কাউকে দিব না।তাই নিয়ে যাচ্ছি আমার সাথে, আমার দুনিয়ায়।
পুরী হাসছে।ভয়াঙ্কর সেই হাসি।সিহাবের মায়ের ঘুম ভেঙ্গে যায়।তিনি দৌড়ে যান সিহাবের রুমে। তিনি দেখেন সিহাব শুয়ে আছে।সিহাবকে তিনি ডাকেন।অনেক ডাকাডাকির পরও সিহাবের কোন সাড়াশব্দ পাচ্ছেন না তিনি।তিনি সিহাবকে touch করলেন ছেলেটির শরীর বরফের মত ঠান্ডা হয়ে আছে।তার আর বুঝার বাকি রইল না কি ঘটেছে।তিনি চিংকার করে উঠেন। তার চিংকারের শব্দ শুনতে পেয়ে সিহাবের বাবা, সিহাবের বিয়েতে আসা আত্মীয়স্বজন সবাই চলে আসেন সিহাবের রুমে।সবাই তাকে জিজ্ঞাসা করছেন কি হয়েছে? মা কাঁদছেন আর বলছেন,
মা:ও নিয়ে গেছে আমার ছেলেটাকে।ও আমাকে রোজ রাতে স্বপ্নে দেখা দিতো ।বলত এই বিয়ে বন্ধ করতে।সিহাবকে ও ভালবাসে।ছোট থেকে ও সিহাবের সাথে থেকেছে।একসাথে বড় হয়েছে।কি করে অন্য কারোও হতে দিবে সে।তাই নিয়ে যাচ্ছে।
অনেক স্বপ্ন ছিল সিহাবের বিয়ে নিয়ে। কিন্তু কে জানত সিহাবকে এভাবে মরতে হবে।আনন্দ এভাবে কান্নায় পরিণত হবে।
গল্পটি কাল্পনিক।বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই। ভুল ক্রুটি ক্ষমা করবেন। এই ধরণের গল্প আমি প্রথম লেখছি।ধন্যবাদ সবাইকে।
লাভ স্টোরি পার্ট #৯
রাইটার #দিলরুবা হাসান পামি
নিলয়ের বাবা মা Actually ১বছর আগে নয়। ৬বছর আগে accident এ মারা যান।নিলয় সাইরাকে মিথ্যে বলে। নিলয়ের এই মিথ্যে বলার পিছনে অবশ্য কারণ ছিল।আর সে কারণটা হচ্ছে সাইরা।আপনার বুঝলেন না তো?আমি clear করছি।জানতে চান তো কি কারণে এমন করেছিল নিলয়।তবে শোনেন,
আজ থেকে প্রায় ৬বছর আগের কথা। সাইরার ২০বছরে পা দিল।তার বার্থডে তে তার বাবা তাকে তার পছন্দের কালারে গাড়ী গিফট করেন।সাইরা আগে থেকেই driving জান তো। একদিন বাসা থেকে কল আসে তার বাবা খুব অসুস্থ। তাকে hospital এ Admitte করা হয়েছে।সাইরা তখন University তে ছিল।খবরটা পাওয়ার পর সে পাগলের মত করছিল।সাথে driver থাকার পরও সে নিজে driving করে হাসপাতালের উদ্দেশ্য রওনা দেয়।সেদিন খুব বৃষ্টি হচ্ছিল। সাইরা কিছুই ঠিকভাবে দেখতে পাচ্ছিল না।হঠাত একটা গাড়ী সাথে তার গাড়ী ধাক্কা লাগে।তারপর কি হয়েছিল সাইরার তা মনে নেই।
পরেরদিন সে গাড়ীতে থাকা মানুষগুলো লাশ খবর কাগজে দেখতে পায়।সেদিন থেকে সাইরা নিজেকে এই ঘটনার জন্য দায়ী করে।নিজেকে তাদের খুনি ভাবতে শুরু করে সে।নিলয় জানে এতে সাইরার কোন দোষ ছিল না।সাইরা যদি সেদিন না থাকতো তবুও তার বাবা মাকে মরতে হত। কারণ এর পিছনে নিলয়ের grandfather মানে নিলয়ের দাদুর হাত ছিল।নিলয় বাবার পরিবার ছিল অামেরিকার সব থেকে ধনীর পরিবারগুলো মধ্যে অন্যতম।নিলয় দাদু নিলয়ের বাবার ইসলাম গ্রহণ করে একজন মুসলিম বাঙ্গালীকে বিয়ে করাটা কখনও মেনে নিতে পারেন নি।তাই তিনি তাদের মেরে ফেলতে চাইলেন।কারণটা হচ্ছে উনার মিথ্যে ego.তিনি নিজের পরিবারের সম্মান রক্ষা করতে এই decision নিলেন।নিলয়ের বাবা মার উপর অনেকবার হামলা হয়েছে।প্রত্যেকবার কোন না কোনভাবে তারা বেচে গেছেন।নিলয়ে বাবা খুবই বুদ্ধিমান একজন মানুষ ছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেন যে এসবের পিছনে কে রয়েছে?তাই তিনি তার পরিবারকে নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন।তখন নিলয় মাএ ১২বছরের।নিলয়ের দাদু অনেক চেষ্টার পর তিনি তাদের বাংলাদেশে খুজে পান। আর তখনই তিনি তার লোকজনদের নিলয়ের ফ্যামিলির দিকে নজর রাখতে বলেন।তারা তাদের উপর নজর রাখছিল।সাইরার বাবা যেদিন খুব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন সেদিনই নিলয়ের দাদু তার plan কে executed করলেন।তিনি তার লোকজনদের দিয়ে নিলয়ে বাবা মা কে মারা এমনভাবে প্লেন করলেন যা দেখে সবার মনে হবে সেটা just an accident. নিলয় সাইরার সম্পর্কে খুজ নিতে গিয়ে এসব জানতে পারে। তাই সে সাইরা কাছে থেকে এসব কিছু লুকিয়ে রাখার decision নিয়ে। কারন সে জানে silly girl নিজেকে তারা বাব মায়ের খুনি ভাবে।নিলয় চায় না সাইরার ক্ষতকে আরোও বাড়াতে।সে চায় না তাকে hurt করতে।তাই সে সব লুকিয়ে রাখার decision নিয়েছিল ।কারণ সাইরা বুঝবে না সেই দিন যা কিছু ঘটেছে তাতে হাত কোন দোষ ছিল না।হাজার বুঝানোর পরও সাইরা মানবে না সেটা।silly girl. সরি আমাকে তাই তোমার ভালোর জন্য সব লুকিয়ে রাখতে হচ্ছে সাইরা।আমাকে ক্ষমা কর। এছাড়া আমার কোন way নেই Princess।আমি তো তোমাকো কষ্ট দিতে পারব না।এতবছর তুমি নিজেকে আমার বাবা মার অপরাধী ভেবে এসেছ। তুমি যে innocent সাইরা। একদিন সেটা আমি prove করব।তোমাকে তোমার অপরাধবোধ থেকে মুক্ত করতে আমাকে সেটা করতেই হবে।।মনে মনে নিলয় বলছে। নিলয় সাইরাকে করতে চাচ্ছে তাই সে সাইরার বাসায় যায়।তার(সাইরার) আম্মুর অনুমতি নিতে।সাইরা নিলয়কে তার বাসায় দেখে খুব অবাক হয়ে যায়।
সাইরাঃআপনি এখানে?
নিলয় মুচকি হেসে বলে
নিলয়ঃআজ তো তোমার সাথে দেখ করতে আসে নি।আমি এসেছে আম্মুর সাথে দেখা করতে।
সাইরাঃআম্মু? এই মানুষটা চোখ দেখে বুঝা যাচ্ছে তার উদ্দেশ্য ভাল নয়🙄🙄
নিলয়ঃআম্মু কোথা আপনি?আপনার ছেলে এসেছে আম্মু।
সাইরাঃতাহলে আজ থেকে আপনি আর আমি ভাইবোন,কি বলেন😅😅
নিলয়ঃSilly girl একটা।
সাইরার আম্মু নিলয়ের কথা শুনতে পেয়ে তিনি কিচেন থেকে বের হয়ে আসেন living room এ।নিলয় উনার হাত ধরে বলে,
নিলয়ঃআম্মু যদি অনুমতি দেন তবু আপনার মেয়েকে বিয়ে করতে চাই।
সাইরার রাগে গজগজ করে সেখান থেকে চলে যায় তার রুমে।নিলয় অবশ্য তা লক্ষ্য করে।সে ভালভাবে সাইরাকে চিনে।তাই সে বুঝতে পেরেছে কেন সাইরা তার উপার রেগে আছে।
সাইরার আম্মু ঃনিলয় বাবা কিছু মনে কর না।আমার মেয়েটা এমনই।বয়স হচ্ছে কিন্তু ছেলে মানুষী এখন যায় নি।তবে সাইরা মেয়েটা আমার খুব ভাল,নিলয়।
নিলয়ঃআমি জানি আম্মু। আপনি চিন্তা করবে না।আমি ওকের রাগ পরে ভাঙ্গব।
কতক্ষন আর রাগ করে থাকবে।আর আমার ভুল হয়েছে ওকে না জানিয়ে এভাবে এটা।
আমারই তো lady version আম্মু।আপনি তো সেটা জানেন না।আমার মতই তো হবে।সেই রাগ,সেই পাগলামো।মনে মনে নিলয় ভাবছে।তারপর সে সাইরাকে smsকরেছে,
নিলয়ঃPrincess i am very sorry.Plz রাগ করে থেকে না।এভাবে আসাটা আমার ঠিক হয় নি।কিন্তু কি করব বল?তুমি তো আমাকে ভালভাবে চিনো। আমি যে এমনই।তোমাকে বড্ড বেশী ভালবাসি My dear Princess.তাই তোমাকে হারাতে চাই না।যেকোন মূল্য তোমাকে আমার কাছে রাখতে চাই।আর আমি জানি আমি যা feel করি তুমিও তাই করব।তুমি না বলেও তোমার চোখ যে আমাকে তা সবসময় বুঝিয়েছে।জানি আমাদের রিলেশন অন্যদের মত নয়। বাকিদের মত বলা হয় নি I love u.এই তিনটি শব্দ।আমরা সারাদিন tom and Jerry মত ঝগড়া করি।তাতে কি আমি তোমাকে তুমি আমাকে দুজন দুজন তো কম ভালবাসি না তাই না।আমি যা বলছি তাতে তুমিও agree করবে আমি জানি তা।Princess room থেকে বের হয়ে আসো না প্লিজ।আমি চলে যাব একটু পর।তোমাকে এভাবে রেখে যেতে আমার যে ভাল লাগবে না।আর তোমার রুমে যাব সেটাও পারব না।যেই অধিকার আমার নেই আজ।
সাাইরা নিলয়ের sms পেয়ে তার রুম থেকে বের হয়ে আসে।
সাইরাঃমিস্টার নিলয় আপনি খুব পাঁজি। একটা Devil.
নিলয় ঃঃOh really?তাতে কি এই মানুষটা তো তোমারই তাই না।
সাইরাঃহি,হি very funny.
সাইরা, নিলয় ভুলে গেছে তাদের পাশে সাইরার আম্মু বসে আছে।
সরি আম্মু(নিলয়,সাইরা একসাথে বলল)
আম্মু একটু মুচকি হেসে যেখান থেকে চলে গেল।
সাইরাঃএটা কি হল?আম্মু কি ভাবছে বলেন তো?এসব হয়েছে আপনার জন্য।
নিলয়ঃআম্মু তোমার মত নাকি যে কথায় কথায় মুখ ফুলিয়ে থাকবে।লাল বাদর তো একজনই 😅😅
সাইরাঃকি লাল বাদর আমি?
বিয়ের পর বুঝাব।আমাকে বাদর বলা।হাড়ি মাংস জ্বালিয়ে
কিমা বানিয়েছি নাতো আমার নাম সাইরা নয়। 😠
😠(মনে মনে সাইরা বলেছে)
এই যা আবার ক্ষেপেছে।কি যে করিস না তুই নিলয়।(মনে মনে নিলয় ভাবছে)
নিলয়ঃআম্মু আমি যাচ্ছি।এখানে এখন থাকাটা ঠিক হবে না। আকাশে কালো মেঘ জমেছে।ঝড় আসবে বা তুফানও উঠতে পারে।
সাইরাঃএসব কি বলছেন?
নিলয়😉এভাবে করে বাসা থেকে বের হয়ে গেল।
সাইরার বারান্দায় গিয়ে আকাশ দেখছে।কোথায় মেঘ জমেছে?তার মানে আকাশ নয় আমি।আমি কালো মেঘ।আহা মিস্টার নিলয় আপনি সত্যি একটা devil. আমি করব না বিয়ে 😠😠
এভাবে একমাস কেটে যায়।আজ সাইরা-নিলয়ের বিয়ে।সাইরাকে আজ সত্যিকারের princess লাগছে।নীল কালার grown পড়েছে সে। নিলয়ও সাইরার dress এর সাথে matching করে নীল শার্ট, নীল ব্লেজার পড়েছে।সাইরা যখন hotel villa(কাল্পনিক)আসে তখন সে খুব অবাক হয়ে যায়। সবকিছু তার কাছে যেন স্বপ্নের মত লাগছে।সাইরার বিশ্বাস হচ্ছে না তারা সাথে এমন হচ্ছে। Hotal villa প্রবেশের পর নিলয়কে খুজতে থাকে তার চোখ।সে দেখছে নিলয় ছাড়া সবাই আছে সেখানে।নিলয় পিছন থেকে এসে সাইরাকে কানে কানে বলে,
নিলয়ঃoh baby,u missed me.
সাইরাঃwho missed u?me😏,আপনি ভুল ভাবছেন।
আমি তো দেখেছি কে কে এসেছে আর কে কে আসে নি।
নিলয়ঃ(হেসে)oh really Princess? তোমার acting স্কেল খুবই বাজে।Improve করতে হবে🤣🤣
সাইরা রেগে যায়,কেন যে এই devil কে বিয়ে করছি আমি ?আহ😠😠
নিলয়ঃoh Princess দেখ রেগে থাকলে কিন্ত পিক ভাল আসবে না।বিয়ের পর যখন তুৃৃমি সেগুলো দেখবে আর কাদবে। আমাকে দোষারূপ করতে পারবে না তখন।কারণ আমি কিন্তু এর জন্য মোটও দায়ী নই।So smile plz. নিলয়ের কথা মত সে তাই করছে।নিলয় হেসে বলল,
নিলয়:silly girl.so cute.
সাইরা জানতে পারে তাদের বিয়ে জন্য পুরো hotal vill booking করেছে নিলয়।বিশাল আয়োজন।এই যেন কোন রাজার বিয়ে।
সাইরাঃরাজকীয় অনুষ্ঠান।
নিলয়ঃ আমি কি king চেয়ে কম।এত বড় যুদ্ধ জয় করেছি😂😂
সাইরাঃনিজেকে কি ভাবেন বলেন তো?
নিলয়ঃতোমার husband, আর তোমার future babies এর father.
সাইরাঃ😳😳দেখুন ঠিক হচ্ছে না কিন্তু।আমি এই বিয়ে করব না বলে দিচ্ছি। Devil man😡😡আবার সাইরা রেগে যায়।দূরে থেকে সাইরার আম্মু এসব দেখছিলেন। তিনি তাদের কাছে এগিয়ে এসে সাইরাকে বললেন,
আম্মুঃছি! মা এমন করতে নেই।আজকের দিনে কেউ মন করে?আজকের দিনটা মানুষের লাইফে একবারই আসে।এভাবে ঝগড়া করে দিনটা নষ্ট কর না।
লাভ স্টোরি পার্ট #৮
রাইটার#দিলরুবা হাসান পামি
নিলয় তার বাসার সব staffs কে আগে থেকেই বলে রেখেছিল।
নিলয়ঃ সবাই ভালভাবে শোনে রাখ আমি যা বলছি,এমন কিছু বলবে না বা করবে না যাতে সাইরা hurt হয়।ও আমার Fiancee মানে তোমাদের ম্যাডাম।আমাকে যেভাবে তোমরা সম্মান কর ওকেও করবে। ও কিছু করতে বললে তোমরা তার ওর্ডার মেনে চলবে।মনে থাকে যেন।ওর অসম্মান আমি কিন্তু সহ্য করব না। Clear?
Staffs:Yes Sir.আমরা বুঝেছি।আপনি নিশ্চিত থাকুন।আমরা ম্যাডামের কোন অযত্ন করব না।উনী যা বলবেন তা আমরা মেনে চলব।
নিলয়ে কথা মত সবাই সাইরাকে খুব respect দিচ্ছে। সাইরাকে নিয়ে নিলয় খেতে বসেছে।সাইরা হাতে আঘাত পেয়েছে তাই খেতে পাচ্ছে না।বার বার তার হাত থেকে চামচ পড়ে যাচ্ছে। নিলয় দেখে সাইরা হাত কেটে গেছ।
silly girl, সারারাত এভাবেই থেকেছে।আমাকে কিছুই বলে নি। কেন সাইরা,এমন কেন তুমি?(মনে মনে নিলয় বলছে )।
নিলয়ঃPrincess ও কিছু না সামান্য একটু আঘাত।নিলয় ভিতরে ভিতরে খুব রেগে আছে তবুও সে সাইরার সামনে নরমাল থাকার চেষ্টা করছে।ও কিছু না 😤😤।wait Princess আজ তো আমি তোমাকে খাওয়ানোর একটা সুযোগ পেয়ে গেছি তা হাত ছাড়া করব কিভাবে😉। এমনি তো তুমি আমাকে ধরতে দেওয়া না।
সব তোদের জন্য হয়েছে।আমাকে ধরতে তোরা আমার princessকে আঘাত করলি না😡😡bloody bitch, তোদেরকে এর জন্য উপযুক্ত শান্তি পেতেই হবে।সাইরা আমি আজ promise করছি তোমাকে কখনও কষ্ট পেতে দিব না।আমি থাকতে কেউ তোমাকে কখনও আঘাত করতে পারবে না।এক চুলও না। আমি তোমাকে সবসময় protect করব।Promise করছি।(নিলয় মনে মনে এসব বলছে)।তারপর সে সাইরাকে খাইয়ে দেয়। সাইরা খেতে চাচ্ছে না নিলয়ের হাতে।
নিলয়ঃoh baby.
সাইরা 😲😲বড় বড় চোখ করে তাকায় নিলয় দিকে।
নিলয়ঃ sorry my Princess open your mouth, plz.
নিলয় সাইরাকে বাচ্চার মত treat করছে।নিলয়ের house staffs লুকিয়ে লুকিয়ে এসব দেখছে।তারা আস্তে আস্তে একে অপরকে বলছে,
staffs: কখনও এ বাসায় কোন মেয়ে আসে নি।স্যারের এত personal Assistant ছিল।তারা উনার থেকেও smart,beautiful ছিলেন।কোথায় তারা তো কখনও এভাবে স্যারের মনে জায়গা করতে পারে নি।এই নিশ্চয়ই স্যারের জন্য Special।চল এখান থেকে।স্যার যদি দেখেন আমরা এভাবে লুকিয়ে লুকিয়ে তাদের দেখছি তবে আমাদের আজ রক্ষা নেই।
তারপর তারা যে যার মত কাজে চলে যান।
সাইরাকে খাইয়ে দিচ্ছি নিলয়।সাইরা নিলয়ের দিক তাকিয়ে আছে। তার চোখ যেন নিলয় থেকে ফিরাতে ইচ্ছে করছে না।
নিলয় বুঝতে পাচ্ছে যে, সাইরা তার দিকে তাকিয়ে আছে । নিলয় মুচকি একটু হেসে সাইরাকে বলল,
নিলয়ঃকি হল খাও?আমাকে তুমি সারাজীবন দেখতে পাবে, যদি তুমি চাও?
সাইরাঃমানে?
নিলয়ঃমানে বুঝতে হবে না princess. এখন খাও তো তুমি।
সাইরা একটা জিনিস লক্ষ্য করে নিলয়ের চোখ বাকিদের থেকে আলাদা । আলাদা বলতে ইংরেজদের চোখের মত নীল চোখ নিলয়ের।
সাইরাঃএকটা কথা বলব?
যদি মনে কিছু না করেন।
নিলয়ঃ Of course Princess, বল।
সাইরাঃআপনার চোখ বাঙ্গালিদের মত নয়।তবে আপনি?
নিলয়ঃহ্যা আমি সম্পূর্ণ বাঙ্গালী নই।
সাইরাঃমানে?
নিলয়ঃআমার মা এদেশের আর বাবা আমেরিকান। তাই আমি এমন।
সাইরাঃওহ। তবে এখানে কেন?কিভাবে?
নিলয় তাকে সব details এ বল।
নিলয়ঃ আজ থেকে ৩০বছর আগের কথা। আম্মুর ইচ্ছে ছিল higher studies এর।আমার grandfather আম্মুকে খুব ভালবাসতেন তাই তিনি আম্মুর ইচ্ছে পূর্ণ করতে আম্মুকে অামেরিকা পাঠান।আর সেখানেই বাবার সাথে পরিচয় তার পরিচয় । বাবা ছিলেন আম্মুর University এ Professor । বাবা খ্রিস্টান আর আম্মু মুসলিম ছিলেন। পরবর্তিতে অবশ্য বাবা তার ধম পরিবর্তন করে আম্মুর ধম গ্রহন করে।যা জন্য বাবার পরিবার বাবাকে ত্যাজ্য করে। তারা তাকে চাপ দিচ্ছেন বাবা যেন ইসলাম ত্যাগ করতেন আম্মুকে ত্যাগ করতেন।কিন্তু তিনি তার dicision থেকে একচুলও নড়েন নি।Professor Marks হলেন নীল।আম্মুর নামের সাথে মিল রেখে তিনি তার নাম রাখলে।নীলমার নীল 😊😊ইসলাম গ্রহণ করায় উচ্চ শিক্ষিত হওয়ার সও্বেও তাকে তার জব থেকে Resignকরতে বাধ্য করে Universityএর Authority. তাকে আবার নতুন করে সব শুরু করতে হয়েছে।লাইফে অনেক ঝড় ঝাপ্টা সহ্য করেছেন শুধুমাএ প্রিয় মানুষটির সাথে থাকবেন বলে।নানুর অনুমতি নিয়ে তারা বিয়ে করে ছিলেন।নানুর একমাত্র মেয়ের জামাই হওয়ায় তিনি চাইলেন বাবাকে হেল্প করতে। কিন্তু বাবা তার self-respect কে বিসর্জন দিতে পারেন নি।তিনি নানুর হেল্প নিতে অস্বীকার করেন।তিনি বললেন,
বাবাঃমানুষ যদি সততার সাথে কাজ করে।সে যদি hard working করে তবে যতই তার খারাপ দিন আসুক না কেন সে overcomeকরতে সক্ষম। And I believe myself, আমার সেই ability আছে।
সত্যি তিনি তা করে দেখাতে পেরেছিলেন বলেই আজ আমি এই আবস্হায় দাড়িয়ে আছি। আর আমার চোখে কথা যদি বলি, তার কারণ হচ্ছে আমার বাবা।কারণ তার চোখ নিল ছিল আর আমিও সেটাই পেয়েছি।আমার আম্মু আমার নাম রাখে নিলয়। ১বছর আগে তারা এক accident এ মারা যান।🤧🤧সাইরা নিলয়ের কথা শুনে emotional হয়ে পড়ে।আমার বাঘিনীর আজ এইরূপ দেখে আমি তো অবাক হয়ে যাচ্ছি। (নিলয় মনে মনে বলে)তারপর সে সাইরাকে বলে,
নিলয়ঃও সাইরা,my baby, Princess, don't cry. আরে কাদলে তো তোমার makeup নষ্ট হবে।এত কষ্ট করে makeupকরেছ, সব এভাবে নষ্ট করলে চলবে?makeup ছাড়া ছাড়া যে, তোমাকে পত্নী দেখাবে।তখন তো মানুষ কেন পেত্নীও নিজে তার বংশধরকে দেখে ভয় পাবে।
সাইরাঃআমি মোটেও makeup করি নি।আর আমার চেহেরা খারাপ মানছি তবে এতটাও না যে, পেত্নীর বংশধর হতে হবে।
নিলয় তার চোখ tissue paper দিয়ে মুছে দিয়ে বলল
নিলয়ঃআচ্ছা বাবা বুঝেছি।
সাইরাঃআপনাকে কতবার বলেছি, do not torture me.
নিলয়ঃokay, okay.আর কখনও কর না।তোমার অনুমতি ছাড়া তোমাকে ধরব না promise.
সাইরা চেয়ার থেকে উঠে একটু বাকা হয়ে দাড়িয়ে কোমরে হাত দিয়ে বলে,
সাইরাঃবস অফিসে যেতে হবে না?কয়টা বাজে খেয়াল আছে আপনার?কত কাজ বাকি উফ!আপনারতো ব্রেকফাস্টও করা হয় নি।বকবক না করে খেয়ে অফিসে চলুন।আমি ওয়াসরুম থেকে আসছি।
🤣🤣🤣নিলয় হাসছে।এই প্রথম কোন মেয়ে তাকে এভাবে শাসন করেছ।
নিলয়ঃSo cute.My princess.Really(মনে মনে).তোমার মত আরেকটা হবে কিনা সন্দেহ 🤔🤔শো পিস একটা🤔🤔🤔
God হয়তো চান নি আরেকটা সৃষ্টি করে মানুষকে এভাবে জ্বালাতে ।আহ,মানুষ তো বেচে গেল বাট নিলয় বেচেরা ফেসে গেল।
সাইরা যাতে শুনতে পায় তার জন্যই জোরে করে এসব কথা বলছে নিলয়।
নিলয় সাইরা পায়ের শব্দ পেয়ে বুঝছিল যে, সাইরা আসছে। তাই সে জোরে এসব কথা বলে যাতে সাইরা শুনতে পায়।
সাইরাঃকি? আমি show pisce?আপনার মাথা ঠিক আছে তো বস?কি যা তা বলছেন?চলুন এবার অফিসে।অনেক বেলা হয়েছে।অফিস যেতে হবে।
আপনার হিসাব পড়ে করব।আমি show pisce? 😈😡সাইরা মনে মনে বলে।
নিলয় বুঝতে পারে যে, বাঘিনীটাকে ক্ষেপিয়ে সে অনেক বড় ভুল করে ফেলেছে ।সে তো এত সহজে ছাড়বে না তাকে।নিশ্চয়ই কিছু না কিছু প্লেন করছে সে।আমার আজ আর রক্ষা নেই(মনে মনে সে বলছে)।
এখন নভেম্বর মাস চলছে।মানেই শীতকাল। এই seasonটাকে সাইরাভীষণ like করে।কিন্তু সে ঠান্ডা একেবারেই সহ্য করে পারে না। অফিসের কাজের চাপও এখন অনেক বেশী। বেচারী আজ কাজের টেনশনে তার সাথে গরম কাপড় আনতে ভুলে গেছে। তার খুব ঠান্ডা লাগছে।সে কাপছে।যা নিলয়ের চোখকে এড়িয়ে যায় নি।নিলয়ের চোখে ঠিকই ধরা পড়ে।নিলয় সাইরাকে ফোন করে তার কেবিনে যেতে বলে।সাইরা তার কেবিনের প্রবেশ করা পর নিলয় সাইরাকে বলে ,
নিলয়ঃmy dear Princess দেখ না আমার shirt এর সাথে এই ব্লেজারের কালারটা ঠিক মানাছে না।কি করা যায়?ওহ,আমি তো দেখছি তোমার ড্রেসের সাথে আমার ব্লেজারের কালারটা ভাল মানবে।এই বলে সে তার ব্লেজারটা খুলে সাইরাকে পড়িয়ে দেয়।
নিলয় স্যার আপনি আসলে কি সেটা আমি এখন ভালভাবে বুঝছে গেছি।এই রাগি চেহেরার পিছনে যে, একটা ভাল মানুষ লুকিয়ে আছে তা আমি এখন ভালভাবে বুঝে গেছি।আমি এখন ভালভাবে বুঝে গেছি যে, সব Devil man যে খারাপ হয় না।( মনে মনে সে বলছে)।সাইরার নিলয়ের মাঝে তার soulmate কে খুজে পায়। নিয়তি কখন কিভাবে কাউকে কার জীবনে আনবে, সেটা নিয়তিই ভাল জানে।
নিলয়ঃওহ মিস, এভাবে কি দেখছেন?আপনি কি তবে সত্যি সত্যি আমার প্রেমের পড়ে গেছেন নাকি?😄😄
নিলয়ের কথায় সাইরা ভাবনার জগতে থেকে বের হয়ে আসে।
সাইরাঃবস আপনি অনুমতি দিলে আমি আমার কেবিনে যেতে পারি।অনেক কাজ pendingআছে তো তাই বলছি বস।প্লিজ আপনি রাগ করবেন না।
নিলয় সাইরার কপালে হাতে দিয়ে check করছে সাইরার জ্বর আসছে কি না।কারণ সাইরাকে তার আজকে অন্যরকম লাগছে।এ যেন সাইরা নয় অন্য কেউ।
সাইরাঃএসব কি করছেন আপনি ?বস আমি কিন্তু আপনাকে বলেছি এভাবে আমাকে touch করবেন না।তবে কেন করছেন আপনি?ওহ আমি কেন ভুলে যাই যে, আপনি একটা Devil।
নিলয় মুচকি হেসে বলে,
নিলয়ঃহুম।তুমি এখন ঠিক আছো।আমি তো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম এটা ভেবে যে,তোমার মধ্যে অন্য কারোও আত্মা আসে নি তো?যাক বাবা সেই রকম কিছুুই হয় নি। 😅😅
সাইরা নিলয়ের অনুমতির জন্য অপেক্ষা না করে কেবিন থেকে বের হয়ে যায় সে।আর এদিকে নিলয় হাসছে।
বাদাম চিকেন
আসসালামু আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন?আজ হাজির হয়েছি নতুন একটি রেসেপি নিয়ে, যার নাম হচ্ছে বাদাম চিকেন।আর দেরী না করে চলুন তবে কিভাবে বানাতে হবে তা জেনে নেই।
প্রথমে চিকেন আদা বাটা,রসুন বাটা,বাদাম বাটা,টকদই, নারিকেলের দুধ ও লবণ দিয়ে ম্যারিনেট করতে হবে ১ঘন্টা।
প্যানে তেল দিয়ে, তা গরম হলে তাতে গোটা জিরা,সিদ্ধ করা আলু দিতে হবে।হালকা বাদামি করে ভেজে নিতে হবে।এবার একে একে মসলা এড করার পালা।জিরা গুড়া,ধনে গুড়া,গরম মসলা গুড়া (এলাচ,দাড়চিনি,গোলমরিচ),মরিচগুড়া দিতে হবে।।এবার ম্যারিনেট করা চিকেন, স্বাদমত লবণ ও প্রয়োজন মত পানি দিতে হবে।৪/৫ মি.পর ধনেপাতা কুচি ও বাদাম কুচি দিতে হবে।কিছুক্ষণ পর নামিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে মজাদার ও সুস্বাদু বাদাম চিকেন।এটি ভাত, রুটি,পরোটা বা লুচি দিয়ে খেতে পারবেন।এতে ক্যালরির পরিমাণ বেশী তাই যারা ওজন কমাতে চান তারা সপ্তাহে এক বা দুইদিন খেতে পারবেন তবে ক্যালরির কথা মাথায় রেখে।😊😊
ইচ্ছে এমন একটি গাছের পাতার
নাম যাকে যত কাটাবে ততই
বাড়ব। একে নিয়ন্ত্রণ করার
একমাএ উপায় হচ্ছে সন্তুষ্ট।
উচ্চাকাঙ্ক্ষা সবারই থাকে,
সেটাই স্বাভাবিক কিন্তু তাতে
যদি লোভ নামক শব্দটি এসে
যুক্ত হয় তখন ধবংস ছাড়া সেই
ব্যক্তির হাতে কিছুই আসে না।