read.cash Log in

@Pami

Joined 19 September 2020 · 66 posts

No bio yet...

120 KT

0 KT received · 0 KT given

Posts

@Pami

প্রশ্ন : ওয়ার্ক আউট অথবা জীম করা ছেড়ে দিলে ,শরীর এর ওজন বেড়ে যায় কি না? উত্তর : ওয়ার্ক আউট বন্ধ করে দিলে ,শরীরের ওজন বেড়ে যাবে ; কারন - ফুড মেটাবলিজম স্লো হয়ে যায় , সুতরাং , ওয়ার্ক আউট বন্ধ হলেও ,বডি এর ডিমান্ড অনুযায়ি ব্যালান্সড ডায়েট মেইনটেইন করতে হবে , এক্সপ্লানেশন - এক্সারসাইজ বন্ধ করে দিলে- > মাসেল ম্যাস এবং স্ট্রেংথ কমে যাবে > মাসেল এট্রফি( মাসেল সাইজ ছোট হয়ে যাবে) > এডিপজ / ফ্যাট সেল ,মাসেল ছোট হয়ে যাওয়ায় সেই স্থান দখল করবে > ফ্যাট ডিপোজিট হবে > ওয়েট গেইন হবে রিসার্চ অনুযায়ি 12 সপ্তাহ এর মতো কেউ যদি ওয়ার্ক আউট বন্ধ রাখে , তাহলে তার মাসেল ম্যাস এবং স্ট্রেংথ কমে যাওয়া প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে Dr. Muscle ( Opu ) M.B.B.S Masters in Public Health Diploma in Sports Nutrition Lecturer of Nutrition & Food Engineering , DIU Refferenced by the journal of rehabilitation medicine of New York University

@Pami

লাভ স্টোরি পার্ট #৭ রাইটার# দিলরুবা হাসান পামি সাইরাকে নামিয়ে দিয়ে নিলয় চলে যায়। এভাবে কি আসাটা ঠিক হল? কেন সাইরার সাথে কথা বলতে পারছি না?আমি কখনও ভাবতে পারি নি, আমি কোন মেয়েকে এভাবে ভালবাসব?আমার লাইফে এমন মেয়ে কখনও দেখি নি।যে আমাকে মোটেও ভয় পায় না।আমার আশেপাশে যারা আছে সবাই আমাকে খুশি করতে ব্যস্ত। সব fake, শুধুমাএ মেয়েটি ছাড়া, ওর মধ্যে কোন ছলনা নেই। Innocent girl😊😊খুব ভালবাসি সাইরা।তুমি কি তার বুঝবে না কখনও?নিলয় driving করছে আর এসব ভাবছে। পরের দিন সকাল ৭টায় নিলয় জিমে করে সেসময় সাইরাও সেখানে থাকে।আজ নিলয় সাইরাকে জিমে দেখতে না পেয়ে সে কল দিল।কিন্তু সাইরার ফোন অফ দেখাছে।সে সাইরাকে কল করে যাচ্ছে butসাইরার ফোন off দেখাছে। নিলয় ভাবল হতো কোন কাজের busy সাইরা।তাই silly girl ফোন চার্জ দিতে হয়তো ভুলে গেছে।অফিসে গিয়ে তাকে ধরতে হবে।সারাদিন সাইরার কোন খবর পেল না সে।রাত আটটায় একটা unknown number থেকে নিলয়ের কাছে ফোন আসে। নিলয় রিসিভ করে। সে বুঝতে পারে সাইরা kidnap. সাইরা ওদিকে চিংকার করে বলছেন, সাইরাঃআপনাদের কোথাও ভুল হচ্ছে । আমি নিলয়ে স্যার woman নই।আমি তো just a personal Assistant.উনার woman নই।কিভাবে আমি তার woman হব?আমাকে দেখুন, আমাকে দেখ কি তাই মনে হয় আপনাদের?নিলয় স্যার এত বড় বিজনেসম্যান আর আমি খুব সাধারণ একটা মেয়ে। একজন সাইরাকে ধমক দিয়ে বলল, লোকদের বসঃএই মেয়ে চুপ করবে।ওই তোরা আহা করে কি দেখছিস? ওর মুখ বন্ধ করবি? তারা তাদের বসের কথা মত তার মুখে কাপড় বেধে দেয়। কাপড় বাধার পর সে মনে মনে বলে,প্লিজ আল্লাহ মালিক নিলয় স্যার যেন বুঝতে বুঝেন যে আমি কি বুঝাতে চেষ্টা করেসি?প্লিজ আপনি আসবেন না নিলয় স্যার,প্লিজ। নিলয়কে kidnappers এর বস বললেন লোকদের বস#নিলয় সাহেব আপনার girlfriend আমাদের কাছে।তাকে বাচাতে চাইলে আপনাকে আসতে হবে। সাইরা কিছুক্ষণ আগে চিৎকার করে নিলয়কে যা বুঝানোর চেষ্টা করেছিল তা নিলয় বুঝে গেছে।তাই সে kidnaper কে বলল, নিলয় ঃ কার gf? ওই সামান্য একটা মেয়ে নিলয়ের gf? কি করে ভাবলে তোমরা? নিলয় ফোন কেটে দিল। নিলয়ঃI hope সাইরা তোমার কাছে আমার message টা চল গেছে এতক্ষণে।আর আমিজানি তুমি শান্ত থেকে সব handle করবে ।সে অনুযায়ী step নিবে। নিলয় জনিকে সাইরার bf বানিয়ে তাদের পাঠানো ঠিকানায় পাঠায়। এতে করে সাইরা,নিলয় দুজনই বেচে যাবে।kidnappers এর boss বিশ্বাস করল নিলয় নয়,জনি তার man। kidnappers মধ্যে একজন তার বসকে বলল, লোকটিঃবস আপনি ভুল করছেন।এই ছেলেটির নয়, নিলয়ের woman এই মেয়েটি।বস বিশ্বাস করুন। বসঃচুপ করবি তুই।যদি তার woman হতো তবে সে না এসে থাকতে পারত?এই অবস্থায় ফেলে রেখে সে কি চুপ থাকতে পারত? অযথা সময় নষ্ট করেছিআমরা এই মেয়েটার পিছনে। জনি সাইরার কাছে গিয়ে বলে, জনিঃoh my baby. 😉তোমার অনেক কষ্ট হয়েছে।তাই না?এই দেখ আমি এসে গেছি।তোমার আর কোন ভয় নেই।চল আমার যাই। সাইরা তার body language বুঝতে পেরে কোন কথা বল না।জনি সাইরাকে নিয়ে বের হয়ে যাওয়ার পর নিলয় আসে তাদের আস্তানায়। সাথে তার লোকজনও ছিল। সেই লোকটি নিলয়কে দেখ বলল( সাইরাকে যারা kidnap করেছি তাদের মধ্যে থাকা লোকটি) লোকটিঃ দেখুন আমার কথা ঠিক হল তো।আপনি আমার কথা না শোনে ওকে ছেড়ে দিলেন। বস,বস। বসঃ এই চুপ করবি তোরা😤😤এতবড় সুযোগ কিভাবে মিস করলাম।নিলয়কে আজ শেষ করার একটা সুযোগ পেয়েছিলাম আর আমাদের একটা বোকামির জন্য তা হাত ছাড়া হল।নিলয় আমাদের এভাবে বোকা বানাল? নিলয়ঃতোমাদের কথা শেষ। নিলয় লোকজনকে বলল, নিলয়ঃএদেরকে এমন জায়গায় নিয়ে ফেলবে যাতে এরা আবার কারোও জীবন heel করতে না পারে। জনি সাইরাকে নিলয় বাসায় নিয়ে যায়। নিলয় কিছুক্ষণ পর বাসায় ফিরে। সে দেখে সাইরা সোফায় ঘুমিয়ে আছে। নিলয় তাকে কোল করে তার রুমে নিয়ে গিয়ে তার বিছানায় শুইয়ে দিল। তারপর সে অন্যরুমে চলে যায়। পরেরদিন সকালে সাইরা ঘুম ভেঙ্গে নিজেকে নিলয়ের bedroom এর আবিস্কার করে সে। সাইরা ভয়ে পেল যদি তার সাথে খারাপ কিছু ঘটে থাকে।সেই ভয়ে সে নিজেকে check করে। না কিছুই হয় নি তো।আর আমি এসব কি ভাবছি? নিলয় স্যার আর যাই হোক আমার সাথে এমন করেন না। এতবার বিপদে পড়েছি উনী আমাকে বাঁচিয়েছেন।আর আমি তার সম্পর্কে এসব ভাবছি?ছি!ছি! সাইরা।কি করে ভাবলি তুই এটা? নিলয়ঃPrincess ঘুৃম ভাঙ্গল তবে?নিলয় রুমে আসে। সাইরাঃPrincess, আমি?🙄🙄 নিলয়ঃহুম তুমি। তুমি তো আমার Princess। তুমি baby বলতে না করেছ তা ভেবেছি কি বলব?তোমাকে ঘুমান্ত অবস্থায় একদম sleeping Princess এর মত লাগছিল। so আমি ঠিক করেছি তোমাকে আজকের পর থেকে Princess বলে ডাকব।তোমার পছন্দ হয়েছে? সাইরা মাথা নিচু করে বসে আছে। নিলয়ঃসারারাত কিছুই খাওয়া হয় নি।চল খেতে। সাইরাঃকিন্তু আম্মু? নিলয়ঃবুঝেছি কি বলবে । তোমার আম্মুকে ফোন দিয়ে সব জানিয়েছি।উনী রাগ করবেন না।উনী বিশ্বাস করেন আমি তোমার কোন ক্ষতি করব কখনও না। সাইরাঃআম্মুকে কি বলেছেন আপনি?😮😮 নিলয়ঃযা সত্যি তাই বলছি।তোমাকে এসব নিয়ে ভাবতে হবে না dear. চল এবার খেতে।আমার কিন্তু খুব ক্ষুধা লেগেছে।আমি আর আপেক্ষা করতে পারছি না।চল তাড়াতাড়ি। সাইরার answer জন্য অপেক্ষা না করে নিলয় তাকে হাতে ধরে ডাইনিংরুমে নিয়ে যায়।

@Pami

লাভ স্টোরি পার্ট #৬ রাইটার# দিলরুবা হাসান পামি সাইরাদের টেবিলে waiter এসে যখন খাবার সার্ভ করছিল, তখন সাইরা লক্ষ্য করে তার favourite foods নিলয় ওর্ডার করেছে।কিন্তু কখন করছে এটা devil.মনে মনে ভাবছে সে। নিলয়ঃOh babe,কি ভাবছ?আরে এসব আমার জন্য, তুমি তো ডায়েটে 😉😉আমি কিভাবে খাই তার দেখ কেমন😋 কি দারুন খেতে খাবারগুলো।আহা এসব না খেয়ে কি থাকা যায়?মানুষ কিভাবে থাকতে পারে এসব না খেয়ে?আমি তো বাবা পারবো না, না খেয়ে থাকতে।সাইরা দেখ আমি কি খাচ্ছি আর এসব কিভাবে খেতে হয় দেখ তুমি baby. নিলয়কে খেতে দেখে সাইরা আর নিজেকে control করতে পারল না।সে নিলয়ের হাতে থেকে খাবার কেড়ে নিয়ে পিচ্চি বাচ্চা মত খেতে শুরু করেছে। নিলয় তার চেয়ার থেকে উঠে আস্তে আস্তে সাইরা যেখানে বসেছিল সেখানে যায়।তার ফোনের ক্যামেরা অন করে, সাইরা কাছে গিয়ে বলে, নিলয়ঃbaby এই দিকে তাকাও। smile plz. সাইরাঃএটা কিন্তু ঠিক হল না।আপনি আমার দূর্বলতার সুযোগ নিলেন।আমি আপনার নামে case করব। নিলয়ঃOh,baby কি case করবে? তা তো। বলল,বলল😄😄 সাইরাঃআমি আপনার নামে harassment এর case করব। নিলয়ঃ🤣🤣🤣🤣হাসতে হাসতে শেষ।উফ,baby যা বলেছ।চাইলে তো শাস্তি তুমিই দিতে পার,তাও আবার তোমার নিজের হাতে।😉😉 নিলয়, সাইরা কর্মকান্ড তাদের পাশের টেবিলে বসা এক সদ্য বিবাহিত দম্পতি দেখছিলেন এতক্ষণ ধরে। তারা উঠে এসে তাদের সাথে join করে। সেই দম্পতি সাইরা নিলয়কে বলেন, দম্পতি ঃ কিছু মনে করবেন না, আসলে আমরা এতক্ষণ আপনাদের কথা শুনছিলাম।তাই নিজেদের control করতে পারি নি।আপনাদের সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছিল খুব। আপনারা husband -wife? নিলয় মুচকি মুচকি হাসছে তাদের কথা শুনে। সাইরাঃকেন বলুন তো? দম্পতিঃনা মানে আপনারা যেভাবে ঝগড়া করছিলেন, তা কোন couple ছাড়া কেউ কি এভাবে কেউ ঝগড়া করবে?আপনারা দুজন দুজনকে খুব ভালবাসেন তা বোঝাই যাচ্ছে। আপনাদের চোখে তা বলছে। আর একটা কথা বলব আপনারা made for each others. Perfect couple. সাইরা কিছু বলতে যাবে নিলয় তাকে আটকায় সে চোখের ইশরায় বলে, নিলয়ঃকিছুই বল না, চুপ করে থাক। ঠিক সেই সময় তারা বিদায় নিলেন চলে যান। সাইরা নিলয় দিকে তাকিয়ে ভাবছে আমরা couple! 🤔🤔তাও আবার made for each others!আমরা দুইজন দুইজনকে খুব ভালবাসি আমাদের চোখে সেটা বলেছে!really? সাইরা নিলয়ের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে মনে মনে বলে, সাইরাঃ No. Never,I hate him.Devil man. নিলয় সাইরাকে দেখছে চুপচাপ। সে বুঝার চেষ্টা করছে সাইরা কি ভাবছে?তার মনে কি চলছে এখন?সে কিছুই বলল না । সাইরাকে নিলয় তার বাসায় দিয়ে চলে যায়।নিলয় driving করছিল আর সাইরা তার পাশে বসে ছিল।দুজনের মুখে কোন কথা ছিল না।

@Pami

লাভ স্টোরি পার্ট #৫ *রাইটার দিলরুবা হাসান পামি* ঘড়িতে ৯টা বাজছে।প্রতিদিনের মত সাইরা আজও সে এই টাইমে অফিসে আসে।গাড়ীর ভাড়া মিটিয়ে সে অফিসের মেইন গেটে প্রবেশ করে।প্রবেশ পর সে দেখতে পাচ্ছে কিছু লোক কোম্পানির বাইরে দাড়িয়ে আছে।সাইরার তাদের পোশাক, ব্যবহার দেখে মনে হচ্ছে না যে তারা এই কোম্পানির লোক। তাদের আচরণ তার কাছে যথেষ্ট সন্দেহজনক মনে হচ্ছে।সে কিছু করার আগেই তাদের একজন তাকে বললে, লোকদের বসঃ Hy, u come here. সাইরা তাদের কাছে যায়।লোকটি তাকে বললে, লোকদের বসঃ এই কোম্পানি মালিক যিনি তার personal assistant তুমি তাই তো? এদের আচরণে আমি ১০০% sure এরা ভাল লোক নয়।আমাকে সাবধানে থাকতে হবে।Patience হলে চলবে না।Cool down সাইরা।বস তখন না আসছেন ততক্ষন এদের busy রাখতে হবে।(মনে মনে সাইরা বলছে)সাইরা তার হাতে থাকা ঘড়ি দিকে তাকায়।Oh yes বসের আসার সময় হয়ে গেছে।বাছারা বস আসলে বুঝবে মজা কাকে বলে😷😷 সাইরাঃকি বলছেন স্যার, আমি আর এই কোম্পানির? মোটেও না।আপনারা ভুল ভাবছেন। লোকদের বসঃএই মেয়ে, চালাকি করার চেষ্টা করবে না তো,আপনারা জানি তোমার আসল পরিচয়।বেশী চালাকি করবে তো এটা মেরে দিব।এটা নিশ্চয়ই চিনতে পারছ কি? এটা হচ্ছে উপরে পাঠানোর ফ্রি টিকিট।😆😆সে উচ্চস্বরে হাসছে।তাকে হাসতে দেখে তার সাথে থাকা লোকগুলোও হাসতে শুরু করে। সাইরাকে পিস্তলের ভয় দেখায় সে। সাইরার মনে হচ্ছে এই লোকটাই এদের বস(লোকগুলো) ।লোকটি সাইরাকে বলল, লোকদের বসঃএই মেয়ে বেশি কথা বলবে না তো। চুপচাপ নিচে বসবে।এই মেয়ে বসতে বলছি না? বস তাড়াতাড়ি (ধমক দিয়ে বলে সে)। সাইরা তার কথা মত তাই করে। একবার নিলয় স্যারকে আসতে দাও।তারপর বুঝবে তোমরা সবাই আমাকে এভাবে রাস্তায় বসানোর মজা😡😡নিলয় স্যার কোথায় আপনি?প্লিজ আল্লাহ মালিক ওনাকে তাড়াতাড়ি পাঠিয়ে দাও।প্লিজ।মনে মনে সে বলছে। সেসময় সাইরা নিলয়কে তার সামনে দাড়ানো অবস্থায় দেখতে পায়।নিলয় সাথে তার Bodyguards ছিল। নিলয় সাইরার হাত ধরে তাকে নিচে থেকে উঠিয়ে সে তার লোকজনদের বলে, নিলয়ঃ আমার কোম্পানির চারপাশে অনেক ময়লা জমেছে দেখছি আজ।তাড়াতাড়ি পরিষ্কার কর।Fast. সাইরা কান্নার ভ্যান করে নিলয়কে বলে, সাইরাঃবস আমার খুব ভয় লাগছে। আমাকে এখান থেকে নিয়ে চলুন বস।প্লিজ বস,প্লিজ😭😭😭। সাইরার চোখে থেকে পানি পড়ছে। নিলয়ঃBaby cool down.আমি তো আছি, তোমার কোন ভয় নেই। সাইরাঃপ্লিজ বস,প্লিজ।🤧🤧 নিলয়ঃokay,okay.চল আমার সাথে। নিলয় সাইরার হাতে ধরে তাকে নিয়ে কোম্পানির ভিতরে প্রবেশ করে। ভিতরে প্রবেশের পর সাইরা হাসতে শুরু করে। তা দেখে নিলয় বুঝতে পারল যে, সাইরা এতক্ষন যা করেছে সবটা ছিল আসলে তার অভিনয়।এই মেয়েটা পারেও (নিলয় মনে মনে বলছে) সে সাইরাকে বলল, নিলয়ঃOh My God.সাইরা, my baby এত ভাল অভিনয় করতে জানে!আমি তো বুঝতেই পারি নি। নিলয় এখন seriousহয়ে সাইরাকে বলে, নিলয়ঃ তুমি কেন তাদেরকে দেখার পর সেখান থেকে পালালে না?সাইরাঃআমি প্রথমদিকে ভেবে ছিলাম এরা এই কোম্পানির অন্য কোন department এর লোক।কিন্তু যখন তাদের ভালভাবে দেখি তখন আমি বুঝে যাই বিষয়টা আসলে কি?আর আমি ভালভাবে জানি যে, যদি পালানোর চেষ্টা করি তাহলে আমার survive করার Chance খুব কম।কেননা তারা গুলি করে মারবে আমাকে । আর সেটা বুঝতে পেরেছি বলেই আমি পালানোর পরিবর্তে আমি তাদের কাছে ইচ্ছাকৃতভাবে ধরা দেই।যাতে কিছুটা সময় পাওয়া যায়।আর আমিতো জানি আপনি কখন কোম্পানিতে আসেন?আর আমি এটাও জানি যে আপনার সাথে সবসময় Body Guards থাকে।আমি তাই আপনার মানে আপনাদের না আসার পর্যন্ত তাদেরকে busy রাখতে হবে ভেবে তাদের সাথে কথা বলে time pass করতে থাকি।আমি জানি ততক্ষণে আপনি এসে যাবেন। মুচকি হেসে নিলয় বলছে, নিলয়ঃOh really baby, তুমি আমার জন্য অপেক্ষা করেছ? সাইরাঃ কে আপনার জন্য অপেক্ষা করেছে?🙄🙄 নিলয় সাইরার Facial expression দেখে হাসছে । সাইরাঃAh,ok fine.😌😌 আমিই করেছি।আমি তো বিপদে পড়েছি তাই আমাকে বাধ্য হয়ে করতে হয়েছে।খুব শান্ত গলায় সাইরা তা বলে। তোমাকে যত দেখছি তত অবাক হচ্ছি। very interesting। মনে মনে এসব ভেবে নিলয় হাসছে। সে সময় জনির Entry হল।সে সব দেখেছে। সে হেসে বলে, জনিঃবসকে এই young lady বোকা বানাল এভাবে🤣🤣🤣আজ প্রথম বসকে কেউ বোকা বানাতে পেয়েছে। নিলয়ঃজনি😠😠বেশি কথা না বলে তুমি তোমার কাজ কর।না হলে তোমার সব salary কেটে নিব,বুঝলে তুমি? জনি হেসে বলে, জনিঃ yes boss. আমি বুঝতে পেরেছি ভালভাবে।আমি কাজে যাচ্ছি। আপনারা আপনাদের কাজ continue রাখেন।সাইরার দিকে তাকিয়ে সে 😉এটা করে। তারপর সে হাসতে হাসতে রুম থেকে বের হয়ে যায়। জনি স্যার রুম থেকে বের হওয়া সময় এটা কি বলেন?কেন বললেন?সাইরা ভাবছে। নিলয়ঃ oh babyকি ভাবছ? সাইরাঃআমি কাজে যাচ্ছি বস। এই বলে সাইরা নিলয়ের কেবিন থেকে বের হয়ে যায়।সাইরা এখন বেশী ভাগ সময় অফিসের কাজের busy, না হলে নিলয়ের বাসার কাজে busy।নিলয় এখন তাকে দিয়ে বাসাও কাজ করাছে।তার নিজেকে মাঝে মাঝে office staff কম নিলয়ের housemaid বেশি মনে হয়। সকাল ৭থেকে তার duty শুরু হয় আর শেষ হয় রাত ১০টা। আহারে বেচারী এত পরিশ্রম করছে।তার মা তাকে দেখেন আর এসব ভাবেন। এভাবে কেটে যায় ৩ মাস।একদিন নিলয়ে সাইরাকে নিয়ে শহরের সব থেকে বড় শপিংমলে যায়।সাইরা ভাবে যে, devil আজ shopping করবে। কিন্তু সে জানে না আজ devil সাইরার পকেট খালি করতে তাকে নিয়ে এসেছে এখানে।শপিংমল প্রবেশ করে সে সাইরাকে নিয়ে সে Ladies shop এর যায়।একজন selle's girl এগিয়ে আসেন তাদের welcome জানাতে।নিলয় বলে মেয়েটিকে, নিলয়ঃআপনাদের shop এ সব থেকে best dresses আছে যেগুলো,সেগুলোই দেখাবেন আমাদেরকে।আর হ্যাঁ টাকার কোন সমস্যা নেই। কি বল সাইরা baby� নিলয়ের কথা মত মেয়েটি shopএর সব থেকে দামী dresses দেখাতে শুরু করে।নিলয় একে সব ভালভাবে দেখতে শুরু করে।তারপর সে সব থেকে দামী দুটো dress select করে সাইরা জন্য। নিলয়ের মুখে এখন devil এর হাসি।সে সাইরার হাতে সেগুলো দিয়ে বললে, নিলয়ঃenjoy baby😉😉 সাইরা এখন আর বুঝতে কিছুই বাকি নেই। সাইরাঃYou are a really devil. নিলয়ঃআমি জানি তো baby সেটা আমি। তাদের কথা মাঝে sell's girl বললেন, মেয়েটিঃSir case না card? নিলয় তা চোখের ইশারায় সাইরাকে দেখিয়ে দিল মেয়েটিকে। মেয়েটিঃম্যাম? সাইরাঃআমি বুঝতে পেরেছি। আপনাকে আর কষ্ট করে বলতে হবে না।আমি card এ করব। Devil man একটা।Devil man এর জন্য আমার সারামাসের savings আজ শেষ।ইচ্ছে হচ্ছে এক্ষুনি তাকে খুন করে ফেলতে।Devil man একটা।দেখ কিভাবে হাসছে।😡😡 নিলয়ঃBaby i am very Hungry.চল আমরা রেস্টুরেন্ট যাই।আজ তোমাকে আমার favourite restaurant এ খাওয়াব।কেমন😉😉 সাইরাকে নিয়ে নিলয় তার favourite restaurant এর খেতে যায়।সাইরাকে দেখছে আর মুচকি মুচকি সে হাসছে।সে সাইরাকে বলে, নিলয়ঃকি খাবে Baby? সাইরাঃআমি কিছুই খাব না।আমার ক্ষুধা নেই।আর আমি বাইরের খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি অনেকদিন আগে। নিলয়ঃOh my God,baby তুমি ডায়েট করছ?😅😅

@Pami

Father # Father is someone who wants to catch you before you fall but instant picks you up, Picks up,brushes you off and let's you try again. Father is someone who wants to keep you from making mistakes, but instant let's you find your own way,even thought hid heart breaks in slience when you get hurt.Father is someone who holds you when you cry,scolds you break the rules,shines with pride when you succeed and has faith in you even when you fail.

@Pami

জীবন# জীবন মানে নিজেকে নতুনভাবে চেনা, জীবন মানে কিছু করার নেশা, জীবন মানে সব হারিয়ে নতুনভাবে বাচার আশা।। জীবন মানে চেনার মুখগুলোর ইঠাত বদলে যাওয়া রূপ।। জীবন মানে প্রিয় মানুষগুলোকে হারোনার ভয়।। জীবন শিখায় নিজের লড়াই নিজেকেই করতে হয়।।

@Pami

মনের কথা# ভালবেসো তাকে যে তোমার বাহ্যিক সৌন্দর্যকে নয় বরং ভিতরের সৌন্দর্যকে প্রধান্য দিতে জানে। ভালবেসো তাকে যে তোমার মুখের হাসির কারণ। ভালবেসো তাকে যে ঝড় হোক বা কাটাভরা রাস্তা সাথী হতে পারে নির্দ্বিধায়। ভালবেসো তাকে যে তোমার feelings কে সম্মান করতে জানে। ভালবেসো তাকে দুনিয়া তোমার against হলেও সে তোমার হাত শক্ত করে ধরে রাখে,প্রয়োজন হলে সবার সাথে লড়াই করার ক্ষমতা ও সাহস রাখে। ভাল তো সবাই বাসতে জানে কিন্তু নিঃস্বার্থভাবে কয়জন ভালবাসতে পারে? সাথী তো সবাই হতে পারে soulmate হতে কি সবাই পারে?

@Pami

জীবন# জীবনটা অনেক ছোট কিন্তু তার গল্পটা অনেক বিশাল,এখানে জয়ী সেই হয় যার পড়ে যাওয়ার কোন ভয় থাকে না,কারণ সে পড়ে গেলেও উঠে দাড়াতে জানে।

@Pami

Poem # Keep forging ahead. Don't stop anywhere. Don't let the flame of hope burning in your heart extinguish. Be determine. You will attain the one who is special to you.

@Pami

অ্যালবিনিজম বা লিউসিজম (Leucism) আসলে কি? ল্যাতিন শব্দ albus এর অর্থ 'সাদা' অথবা 'বর্ণহীন'। অ্যালবিনিজম বা লিউসিজম (Leucism) হল একটি জন্মগত ব্যাধি, যা চুল, চোখ এবং ত্বককে বিবর্ণ করে দেয়। কারন ত্বক, চুল বা চোখে জৈব রঞ্জক পদার্থ বা পিগমেন্টের সম্পূর্ণ বা আংশিক অনুপস্থিতিতে অ্যালবিনিজম হয়। এর প্রভাবে ফটোফোবিয়া (আলোক সংবেদনশীলতা), নিস্টাগমুস ( চোখের অনৈচ্ছিক নড়াচড়া), এমব্লাইয়োপিয়া (এক চোখের দৃষ্টিক্ষমতা হ্রাস) ইত্যাদি রোগ দেখা দেয়। অনেক প্রাণী ফ্যাকাসে সাদা হওয়ার কারণ হিসেবে দায়ী করা হয় জিনগত বিশেষ বৈশিষ্ট্যকে। রঞ্জক পদার্থ উদ্ভিদ বা প্রাণীকে রঙিন করে। লিউসিজমে আক্রান্ত প্রাণীদের বেলায় একাধিক রঞ্জক পদার্থের অভাব থাকে। আর এ কারণে প্রাণীটিকে সাদা বা ফ্যাকাসে রঙের দেখায়। . প্রকারভেদ দুই ধরণের অ্যালবিনিজম দেখতে পাওয়া যায়। অকুলোকিউটানয়েস ও অকুলার অ্যালবিনিজম। প্রথম প্রকারের অ্যালবিনিজমে চোখ, ত্বক এবং চুল আক্রান্ত হয়। অকুলার অ্যালবিনিজম শুধুমাত্র চোখে আক্রান্ত করে। প্রথম প্রকারের অ্যালবিনিজম "কালো-বাদামী রঙা ত্বকের মানুষের" মাঝে দেখা যায়। ন্যাশনাল অরগানাইজেশন অব অ্যালবিনিজম এন্ড হাইপোপিগমেন্টেশন এর মতে, অকুলার অ্যালবিনিজমে মানুষের চোখের মণির রঙ সবুজ থেকে নীল এমনকি বাদামী রঙ ধারণ করতে পারে। এক্ষেত্রে খুব অল্প পরিমান পিগমেন্ট চোখে থাকে বলে আলো সরাসরি আইরিশে প্রতিফলিত হয়। . জিনেটিক্স সাধারণত বংশসূত্রেই অ্যালবিনিজম রোগ ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়ায়। এক্ষেত্রে রিসেসিভ অ্যালীল পিতামাতা উভয়েরই থাকলে তাদের সন্তানের অ্যালবিনো হয়ার সুযোগ থাকে। পিতামাতা দুইজনের মধ্যে একজন অ্যালবিনিজমের বাহক হলে সন্তানের অ্যালবিনো হওয়ার সুযোগ কম। তবে এক্ষেত্রে সন্তানও অ্যালবিনিজমের জিনগত বাহক হয়।এক্ষেত্রে জিনগতভাবে অ্যালবিনিজম বাহক এই রোগের কোনো লক্ষণপ্রকাশ করেনা। তাই জিনগত পরীক্ষা ছাড়া একজন ব্যক্তির স্বতন্ত্রভাবে অ্যালবিনিজম রোগের বাহক কিনা তা যাচাই করা মুশকিল। নারী ও পুরুষের মাঝে অ্যালবিনিজম হওয়ার হার সমান। . চিকিৎসা অ্যালবিনিজম সম্পূর্ণভাবে সারানোর মত কোন চিকিৎসা আজ অব্দি আবিষ্কার হয়নি। অ্যালবিনিজম রোগীদের সানবার্ন এড়াতে সতর্ক থাকতে হয় এবং নিয়মিত ত্বকের চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়। অ্যালবিনিজমের জন্য হওয়া চোখের সমস্যা কমাতে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। অবশ্য বলা বাহুল্য, এসব অস্ত্রোপচারে রোগীর অবস্থাভেদে সুফলও বিভিন্ন হয়। বেশিরভাগ রোগীরাই দৃষ্টি দূর্বলতা এড়াতে চশমার ব্যবহার করে থাকেন। তথ্যসূত্র, ক খ Reference, Genetics Home। "Oculocutaneous albinism" । Genetics Home"

@Pami

Oats milk cool coffee আসসালামু আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন?আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব এমন একটি রেসেপি যা আপনার ওজন কমাতেও যেমন হেল্প করবে,তেমনি খেতেও খুব টেস্টি। যার নাম হচ্ছে oats milk cool coffee. তবে চলুন শুরু করি। Oats milk cool coffee বানাতে যায় লাগছে তা হচ্ছে; ১) ওটস মিল্ক#১কাপ(যেদিন বানাবেন তার আগের দিন রাতে ১কাপ ওটস ২কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন তারপর তা ব্লেন্ডারের সাহায্যে ব্লেন্ড করে নিবে) ২)Ice cubes#৫টি। ৩)কফি#১টেবিল চামচ। ৪)Honey #১টেবিল চামচ। প্রস্তুতপ্রণালি #ব্লেন্ডারের সাহায্যে ব্লেন্ড করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে healthy and testy oats milk cool coffee.

@Pami

জীবনের খুঁজে #৬ পর্ব রাইটার#দিলরুবা হাসান পামি আজ তোমার কথায় খুব মনে পড়ছে, নীল।কোথায় তুমি? কে এই নীল? নীলের সাথে কি বা সম্পর্ক অন্বেষার? জানতে চান তো।তবে শুনেন, নীলের আম্মু ছিলেন খুবই সুন্দরী।বাহ্যিক সৌন্দর্যের থেকে উনার ভিতরটা ছিল বেশী সুন্দর।তিনি খুব ভাল মনে মানুষ।তিনি একজনকে খুব ভালবাসতেন। উনার পরিবার যখন তাদের সম্পর্কের কথা জানতে পারেন তখন তারা মেনে নেয় নি ।নীলের আম্মুকে পরিবারের জন্য নিজের ভালবাসাকে বিসর্জন দিতে হল।উনার বিয়ে হয় এমন একজনের সাথে যে মানুষরূপে শয়তান।এমন কোনদিন নেই যে,তিনি নেশা করে এসে নীলের আম্মুকে মারের নি।এভাবে কাটতে থাকে সময়। নীল আম্মু একদিন বুঝতে পারেন তিনি conceive করেছেন।তিনি ভেবেছেন উনার husband সন্তানের কথা শুনে বদলে যাবেন।কিন্তু সেটি হল না।উনার husband যখন জানতে পারেন তখন তিনি Abort করতে বললেন নীলের মাকে।যদি তিনি উনার againstএ যান, তবে তিনি নীলের মাকে divorce দিবেন।কিন্তু তিনি তো মা।কি করে নিজের সন্তানকে মারতে পারেন।তাই তিনি এক কাপড়ে সংসার ছেড়ে চলে যান। বাবার বাড়িতে আসার ২দিন পর নীলের বাবা উনাকে ডিভোর্স দেন।সবাই জানতে পারেন এই সন্তান উনার স্বামীর নয় তাই উনী divorce দিতে বাধ্য হয়েছেন।নানান প্রতিকূলতার মাঝে তিনি নীলকে মানুষ করতে থাকেন। এর মাঝে অন্বেষা আসে তার খালার বাসায় থাকার জন্য।অন্বেষার খালার বাসার পাশের বাসাটি নীলের নানুর ।সেখানেই তার মা ও নীল থাকতো।একদিন অন্বেষা জানালায় দাড়িয়ে দেখতে পায় কয়েকজন ছেলে মেয়ে একজন cute,innocent ছেলের সাথে খুব বাজে আচরণ করছে।সে তাদের সাথে খেলতে চায় কিন্তু তারা তাকে খেলতে নিচ্ছে না।তাকে তারা ক্ষেপানোর জন্য বলছে, তারা:নীলের কোন বাবা নেই,নীলের বাবা নেই। অন্বেষা বাসা থেকে বের হয়ে আসে। তাদের উদ্দেশ্যে বলে, অন্বেষা:কি সমস্যা তোমাদের?কেন এমন করছো ওর সাথে? তারা:আমাদের বাবা মা ওর সাথে মিশতে না করেছে।কেননা আমরা ওদের মত নই। অন্বেষা:খবরদার,next time এমন আচরণ করেছ তো তোমাদের কপালে অনেক দুঃখ আছে।এসো নীল।তোমাকে ওদের সাথে খেলতে হবে না।আমি আছি তো তোমার বন্ধু। নীল:বন্ধু?তুমি আমার বন্ধু,সত্যি? অন্বেষা:হ্যা,আজ থেকে আমরা friends,Okay? নীল:Okay.তোমার নাম কি? অন্বেষা:আমার নাম অন্বেষা,নীল। নীল: অন্বে---ষ।অনেক কঠিক নাম তোমার।আমি বলতে পারছি না তো।আমি তোমায় মায়াবিনী বলে ডাকতে পারি? অন্বেষা:🤣🤣 ঠিক আছে Friend.তোমার যে নামে ডাকতে ইচ্ছে করবে সেই নামেই ডাকতে পারবে। No problem. নীল আজ খুব হ্যাপ কেননা,কেউ প্রথম এইভাবে তার পাশে দাঁড়িয়েছ।সে আজ একজনকে বন্ধু হিসেবে পেয়েছে।অন্বেষা নীলকে promise করেছিল যে, সে সবসময় তার পাশে থাকবে।কখনও তাকে ছেড়ে যাবে না।ভালই কাটছিল তাদের দিনগুলো।কিন্ত suddenly নীলের আম্মু মারা যান।উনার মৃত্যুর পর নীলের বাবা নীলকে নিয়ে যান তার সাথে।কেননা তিনি কখনও বাবা হতে পারবেন না।একদিন যে সন্তানকে তিনি অস্বীকার করেছেন আজ তারই প্রয়োজন হয়েছে উনার।মানুষ সব ভুলে গেলেও সময় কিছুই ভুলতে পারে না।মানুষের কর্মের ফল তাকে ঠিকই দিবে।মহান আল্লাহ উনার বাবা হওয়ার ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছেন।সেই কারণে উনার second wife উনাকে divorce দিয়ে চলে যান।নীল এখন উনার একমাএ অবলম্বন । আলাদা হয়ে যায় নীল অন্বেষা।সময় সাথে সাথে কখন যে, বন্ধুত্ব ভালবাসায় পরিণত হয় সেটা বুঝতে পারে নি অন্বেষা।অন্বেষা নীলের জন্য অপেক্ষা করছে।সে একদিন ঠিক আসবে।আবার তার মনে হয় সব শেষ হয়ে গেছে।নীল ভুলে গেছে তার মায়াবিনীকে। সত্যি কি নীল ভুলে গেছে নীল তার বন্ধুকে?তার মায়াবিনীকে? অন্বেষা কি কখনও জানতে পারবে যে, তার বস প্রিন্সই তার নীল?সেটা না হয় সময়ের উপর ছেড়ে দেই😊😊

@Pami

You # When I see starts I think of you, then I always pray for you and I know what my heart was made for to love you forever more. I wiil always love you and i am waiting for for you. You are my everything.

@Pami

মা# মা মানে শীতল ছায়া, মা মানে মমতার পরম। মা মানে মানে আনন্দ আশ্রম, মা মানে আবদারের ভান্ডার। মা মানে সন্তানের একমাএ নিরাপদ আশ্রয়। মা মানে uncondition love. মা মানে নিজেকে বিসর্জন দিয়ে পরিবারকে ভাল রাখা। মা মানে শতকষ্টের মাঝেও মুখে মিষ্টি একটি হাসি ধরে রাখা।

@Pami

সুন্দর # সুন্দরের সংজ্ঞা কি?বাহিরের সৌন্দর্য?? না, আসলে আমরা নিজেরাই জানি না সুন্দরের আসল definition কি? তাইতো আমরা মানুষের বাহ্যিক রূপটাকেই প্রধান্য দেই বেশী আর মানুষের ভিতরের সৌন্দর্য সেটা তো আমাদের কাছে মূল্যহীন একটা বস্তুর মত। সুন্দর মানে যে, বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়,সুন্দর মানে হচ্ছে ফুলের মত নিষ্পাপ যার মন। সুন্দর মানে হচ্ছে যে জানে না কালো,সাদার কোন Different. সুন্দর মানে হচ্ছে সে জানে অন্যকে ছোট করে কখনই নিজেকে বড় করা যায় না।এসব আমরা বিশ্বাস করতে পারি কয়জন?

@Pami

লাভ স্টোরি পার্ট #২ রাইটার দিলরুবা হাসান পামি সাইরা কোম্পানি থেকে বের হল।সে এখন রাস্তায় হাটছে। তার খুব হাসি পাচ্ছে এটা ভেবেই যে, সে একটু আগে নিলয়ের সাথে কি করেছে?সে কোনভাবেই নিজের হাসিটাকে control করতে পারছে না।রাস্তায় হাটার সময় যে বা যারা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন তারা সকলেই খুব অবাক চোখে সাইরার দিকে তাকিয়েছেন। তারা হয়তো মনে মনে ভেবেছেন মেয়েটা কি পাগল? সাইরা যেটা বুঝেও না বুঝার মত করে সে গাড়ী ভাড়া করে বাসায় চলে আসে। কলিংবেল বাজছে।আম্মু তখন কিচেনে কাজ করছেন।কলিংবেলের শব্দ পেয়ে তিনি গেট খুলে আমাকে দেখতে পান। তিনি আমাকে বলেন, আম্মু ঃসাইরা মামুনি আজকের interview কেমন হল? আমি(সাইরা)ঃওই আর কি।আগের গুলোর মতই। আমার আর এই জীবনে জব করা হবে না। আম্মুকে সব detailsএর বলেছি।তিনি সব শোনার পর আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, আম্মুঃ মামুনি টেনশন কর না।আল্লাহর উপর ভরসা রাখ।সব ঠিক হয়ে যাবে।মন খারাপ কর না তো।তুমি fresh হয়ে এসো। কখন বের হয়েছ তুমি।ঘড়িতে এখন বিকাল ৪টা বাজছে,দেখছ তুৃমি?সকালে তাড়াহুড়ায় তো পেটে কিছুই পড়ে নি।চল খেতে। আমি(সাইরা)ঃওকে আম্মুনি। আমি fresh হয়ে আসি।ওহ তুমি খেয়েছ তো? আম্মু কিছু বলছে না দেখ সাইরা বলল, আমি(সাইরা)ঃ হুম, তোমার মুখ দেখেই বুঝেছি যে,তুমি এখনও খাও নি।এমন কর কেন আম্মু? সাইরা fresh হয়ে আসার পর দুই মা মেয়ে একসাথে lunch করে নেয়। ঘড়িতে১১ঃ৩০(রাত)বাজছে। সাইরা Earphone এ গান শুনছে।ইঠাত তার ফোনটা বেজে উঠে। unknown number থেকে কল আসে।সে ফোন রিসিভ করে।ফোনের ওপাশে থাকা ভদ্রলোকটি তাকে বললেন, ভদ্রলোক ঃআপনি সাইরা হোসেন বলছেন? আমি(সাইরা)ঃজ্বী আমি সাইরা হোসেন বলছি। বলুন কি দরকারে ফোন করছেন? ভদ্রলোক ঃ আপনি তো দেখছি ঠিক আমার বসের মত। বসের কথার বলার style আর আপনার কথার বলার style তো দেখছি same ।মনে হচ্ছে আমি যেন আমার বসের Female version এর সাথে কথা বলছি। বস তার মত একজনকে পেলেন অবশেষ।Interesting কিন্তু ব্যাপারটা । আমি(সাইরা)ঃ ওহ হ্যালো মিষ্টার। এসব কি বলছেন আপনি?(রাগান্বিত কন্ঠে)। ভদ্রলোক ঃcool down Miss।Oh sorry আমিতো আপনাকে আমার পরিচয় দিতেই ভুলে গেছি।আপনি আজকে যে কোম্পানিতে interview দিতে এসেছিলেন। আমি সেই কোম্পানির Owner নিলয় স্যারের ম্যানেজার, জনি বলছি।কালকে থেকে আপনি অফিসে আসতে পারেন। আমি(সাইরা)ঃতার মানে আমার জবটা হয়ে গেছে?এই যে মিষ্টার আপনি কি আমার সাথে fun করতে এত রাতে কল দিয়েছেন?😞😞 ভদ্রলোক ঃসাইরা ম্যাম, আপনার কি তা মনে হচ্ছে? আমি(সাইরা) ঃ আমার কি মনে হচ্ছে সেটা বড় কথা নয়।আর মনে হলেও বা কিছু আসবে কি? নিলয় স্যার যেমন তার p.A.টাও হয়েছে তেমন।এবার জমবে ভালই🤣🤣Perfect couple যাকে বলে। মনে মনে এসব ভেবে জনির খুব হাসি পাচ্ছে।কিন্তু সাইরার সামনে সে তার হাসটাকে কোনভাবে control করে। তারপর সে সাইরাকে বলেন, ভদ্রলোক ঃ ওকে,ওকে।আমি এবার আসল কথায় আসছি। Listen very carefully ,Sir আপনাকে সকাল ৭টায় যেতে বলছেন।আমি আপনাকে তার বাসার ঠিকানা sms এর পাঠিয়ে দিচ্ছি কেমন? আমি(সাইরা)ঃ😠😠এত সকালে কেউ কি অফিসে যায়? জনিঃ আপনি কি ভুলে গেছেন যে আপনি বসের P.A.?Soমনে রাখবেন একটা কথা মিস সাইরা এখন থেকে বসের সব কাজ আপনাকেই করতে হবে।এখন আমি রাখছি মিস।Good night Miss,take care.Bye,bye. ফোন রেখে দেওয়ার পর সাইরা নিজের সাথে নিজে কথা বলছে, সাইরাঃ Mr. Niloy, you are really a Devil.আমি ঠিক নামই দিয়েছি devil man,devil man😡😡Devil আমার সাথে যদি খারাপ কিছু করেছ তো তোমার কপালে দুঃখ আছে।devil man 😡😡😡রেগে আগুন হয়ে যায় সে।জনির sms এ পাঠানো ঠিকানায় সাইরা পোঁছে যায় পরেরদিন সকালে।নিলয়ের বাড়ি দেখে সাইরা তো খুবই অবাক।সাইরার মুখ থেকে বের হল, wow, so beautiful house.এটা যেন একটা রাজপ্রসাদ। এখানেই সেই devil man থাকে!ভাবা যায়?🤔🤔 সাইরাকে security guard ভিতরে নিয়ে যায়।নিলয় তাদেরকে আগে থেকেই ওর ব্যাপারে বলে রেখেছিল।তারা সাইরাকে নিয়ে সেই placeএর যান যেখানে নিলয় রয়েছে। এইসময় নিলয় তার personal gym এ থাকে। প্রতিদিনের মত আজও সে সেখানেই আছে। নিলয় সাইরাকে দেখে তাদেরকে তার আঙ্গুলের ইশারায় দিয়ে চলে যেতে বলে। তারা তাদের বসের order follow করেন।তারা চলে যাওয়ার সাথে সাথে নিলয় সাইরাকে খুব ভালভাবে দেখতে শুরু করে।তারপর সাইরাকে নিলয় বলল, নিলয়ঃ কালকে জিমের পোষাক নিয়ে আসবে সাথে করে।আর আমার অফিসে কাজ করতে হলে এই চেহেরা চলবে না। আমি(সাইরা)ঃ oh hello, what do u mean? এই চেহেরা মানে কি? সাইরার কথা শুনে নিলয় হেসে বলে, নিলয়ঃআয়না কি দেখার সময় পাও না তুমি?আয়নাতে নিজেকে দেখতে যদি, তবে বুঝতে আমি কি mean করছি। আমি(সাইরা)ঃআমি যথেষ্ট ফিট আছি ব--স🙄🙄 নিলয়ঃOh real? তুমি ফিট সাইরা হোসেন? really 🤣🤣🤣(নিলয় হাসছে)। devil man,you are really a devil. I just hate u.কেন যে এই মানুষটাকে আমি tolerate করছি?কি আর করব? আমার কাছে তো এছাড়া কোন option নেই।একটা ভাল জব না পাওয়া পর্যন্ত এই devil কে আমায় সহ্য করতেই হবে।আর হ্যা যেদিন আমার সাথে খারাপ কিছু করছে তো সেদিনই হবে এই জবের শেষ দিন। আর এই devilটাকে উচিত শিখা দেওয়ার দিনও। মনে মনে সাইরা একথাগুলো বলছে। নিলয় :তো দেখি তুমি কতটা ফিট? 50reps push করে দেখাও আমাকে। আর হ্যা থামলে চলবে না।একটা টানা করবে,তবেই আমি বুঝব তুমি যা বলেছ তা সত্যি। তুমি যে ফিট আমি তা মেনে নিব। আমি(সাইরা)ঃকি?😡😡 are u mad?push-up? তাও এবার এই dress এ? সাইরা তখন লং থ্রিপিস পড়েছিল। নিলয়ঃstop excuse(রেগে)।পারবে না তো সেটা accept করে নাও সাইরা। আমি (সাইরা)ঃকেন accept করব? বলেন তো ব..স,বস। নিলয়ঃokay,fine. সে তার একজন staffকে ডেকে সাইরার জন্য জিমের dress আনিয়ে নিল।তারপর সেটা সাইরাকে দিয়ে বলল, নিলয়ঃchange করে এসো। আর এখন তো বলবে না যে এই dress possible নয়। সাইরা change করে আসার পর নিলয় তার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। সাইরা কখনই t-shirt পড়ে নি।তাই তার এই পোশাকে খুবই uncomfortable feel হচ্ছে। আর সেটা নিলয়ের চোখে ঠিকই ধরা পড়ে। সে বুঝতে পেরে তার ঘাড়ে হাতে রেখে বলেন, নিলয়ঃAh,i am so tried. আমি ভিতরে যাচ্ছি। আজ থাকা।challenge next time হবে।ভালভাবে preparation নিয়ে রেখো Miss P.A. আমি কিন্তু ছাড়ব না। মনে রেখ। আজকের মত কাজ শেষ এখানে।এখন তুমি আসতে পার।আর হ্যা ১০টায় কিন্তু অফিস।মনে থাকে যেন।Late করবে তো তোমার কপালে কষ্ট আছে। তারপর সে হাতে নেড়ে সাইড়াকে bye জানিয়ে সে চলে যায়। সে চলে যাওয়ার পরও সাইরা একই স্থানে পাথরের মূর্তির মত হয়ে দাড়িয়ে রয়েছে।সে কি স্বপ্ন দেখছে? নাকি এটা তার সাথে বাস্তবে ঘটেছে?সে বুঝতে পারছে না কিছুই।তাই সে নিজের হাতে চিমটি কাটে check করার জন্য । সাইরাঃAh।তার মানে এটা স্বপ্ন নয়, এটা সত্যিই আমার সাথে ঘটেছে।এই মানুষটা আসলে চাচ্ছেটা কি? মানুষটা যেমনটা দেখাচ্ছে আসলে কি সে তেমন?আসলে কে আপনি নিলয় স্যার?যাই হোক এসব ভাবার মত সময় এখন আমার হাতে নেই। অনেক কাজ বাকি আছে।বাসায় যাব, shower নিয়ে breakfast কর আর ঘুম, সেটা পারব না 😪😪 যদি এখন বাসায় ফিরে ঘুমাতে যাই তবে অফিসের জন্য দেরী হবে।আর দেরী হলে তো এই মানুষটা মানে আমার নিলয় স্যার Devil man হয়ে যাবেন।তখন আমার সাথে কি ঘটবে আল্লাহ মালিকই ভাল বলতে পারবেন।আহ!জীবন তুমি এমন কেন😰😰জব ছিল না যখন তখনই তো ভাল ছিলাম😞😞

@Pami

Milk tea# অনেকেরই প্রশ্ন থাকে এক কাপ চা আর দুটো বিস্কিট খেলে কি এমন সমস্যা? আসলে অনেক বড় সমস্যা হতে পারে আবার নাও হতে পারে। কিভাবে? ধরুন একটি গ্লাসে ৫০০ এম.এল পানি ধরে। তার বেশি একফোটা পানি দিলেও সেটা উপচায়ে পরবে। একইভাবে ধরুন আপনার দৈনিক চাহিদা ২০০০ ক্যালরি। আপনি যদি ২০৫০/২১০০/২৪০০ এভাবে এক এক দিন ইচ্ছামতো ক্যালরি খান এই এক্সট্রা ক্যালরি কোথায় যাবে? কোথাও না, আপনার বডিতে চর্বি হিসাবে জমতে থাকবে। তাই সহজ হিসাব আপনার চাহিদা যদি ২০০০ ক্যালরি হয় তার উপর আপনি এক কাপ চা, একটা টোস্ট বা একটা খেজুর যাই খান না কেন ওটা তো এক্সট্রা!! তাই আপনার ক্যালরি ইনটেকের প্রতি নজর দিন। সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন #Nutritionist_Jayoti

@Pami

I am# I am perfect in my imperfect. Strong in weakness and beautiful in my own way---this me.

@Pami

বেয়ার গ্রিলস# আজ হার না মানা একজন মানুষের গল্প বলব।তিনি হচ্ছে বেয়ার গ্রীলস।Man vs wild আনুষ্ঠানটি আমরা যারা দেখি তাদের কাছে খুবই পরিচিত একটি নাম বেয়ার গ্রীলস। তার যখন আট বছর তার বাবা তাকে এভারেস্টের ছবি দেখিয়ে বলেছেন,"এভারেস্টের চূড়ায় উঠতে পারবে তো তুমি"সেদিন তিনি বুঝেই হোক বা না বুঝেই তিনি হ্যা বলেছিলেন। স্কুল লাইফ শেষ করে বৃটিশ আর্মির এয়ার ডিভিশনে যোগ দেন।মনের ভিতরে এভারেস্টের সর্বোচ্চ শৃঙ্গে দাড়িয়ে বিজয়ীর চিৎকার দেওয়া ইচ্ছে কখনও দমে যায় নি।এর মধ্যে ঘটে যায় একটি ঘটনা।জাম্বিয়াতে ফ্রি ফল প্যারাসুটিং করার সময় তিনি মারাত্মকভাবে আহত হলেন।তার শিরদাঁড়ারের তিনটি কশেরুকা ভেঙ্গে যায়।ডাক্তার বললেন, তার বাকি জীবন wheelchair কাটাতে হবে।তার জব চলে যায়।বাকি জীবন পঙ্গুত্বের অভিশাপ নিয়ে কাটিয়ে দেবার অপেক্ষা। তিনি তার মনোবল তার destiny কে changeকরতে বাধ্য করে।তিনি ১বছরের ভিতর wheelchair থেকে উঠে দাড়ান। হাটতে শুরু করেন এরপর তিনি দৌড়াতে শুরু করেন। medical science কে ভুল প্রমাণ করেন তিনি।উঠে দাড়ানোর just ৬ মাসের মাথায় তিনি এভারেস্ট জয় করেন। তখন তিনি মাএ ২৩বছরের। তিনি সবাই আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেন ইচ্ছা সেই শক্তি যার কাছে হার মানে সব কিছু।হারা না মানা মনোবল মানুষকে তার লক্ষ্য পৌছাতে সাহায্য করে।আমরা ছোট ছোট বিষয় নিয়ে ভেঙ্গে পড়ি। বলি আমি পারব না। আমার লাইফের কতটা পেইনফুল। ব্যর্থতাকে কেন আমরা আমাদের সফলতার সিঁড়ি ভাবতে পারি? এতটা পরিশ্রম করতে কি পারি না? যাতে ব্যর্থতাও লজ্জা পেয়ে যাবে।আর সফলতা নিজে থেকেই এসে ধরা দিবে। নিজেকে দোষারোপ করা বন্ধ করে প্রতিজ্ঞা করি আমি পারি, পারব।

@Pami

জীবনের খুঁজে #৫ম পর্ব রাইটার#দিলরুবা হাসান পামি অন্বেষা অফিস শেষ করে তার বসের দেওয়া লিস্ট অনুযায়ী সব কিছু কিনে বাসায় যায়।পরেরদিন সকালে তার বসের ফ্ল্যাটে চলে যায়।সে অনেকক্ষণ ধরে কলিংবেল দিয়ে যাচ্ছে but তার বসের কোন খবর নেই। তার মানে Mr.devil man ঘুমাচ্ছেন।নবাবপুত্র তো ঘুমাবেই।wait দেখাছি মজা।(নিজে নিজে) অন্বেষা:Hello,CEO Sir.ওহ স্যার।Hello অন্বেষা চিংকার করে তার বসকে ডাকছে। তার চিংকার শুনে প্রিন্সের ঘুম ভেঙ্গে যায়।সে দরজার খুলে বলে, প্রিন্স:Who are u? অন্বেষা:বস,আমি আপনার Assistant. কালকেই তো আপনার সাথে আমার পরিচয় হয়েছে।আর আপনি আমাকে ভুলে গেছেন?আপনার স্মৃতিশক্তি এত খারাপ,বেচারা আমার বস। বস: Oh,Miss Assistant. Are you mad? এত সকালে কেন এসেছ? অন্বেষা: I am sure,আপনার বাসায় নিশ্চয়ই কোন ঘড়ি নেই।তাই আপনি জানেন না যে, এখন কয়টা বাজছে? এই যে দেখুন কয়টা বাজছে।সে তার হাতের ঘড়িটি প্রিন্সের সামনে ধরে। বস: ওহ, মাএ ৯টা বাজছে।আর হ্যা এত সকালে next time আর আসবে না।আমার ঘুমের সমস্যা হয়। নবাবপুএ তো আপনি। আপনি ঘুমের প্রয়োজন রয়েছে আর কারোও নেই।অাস্তে আস্তে বলল অন্বেষা। প্রিন্স:কিছু বললে, মায়াবিনী ওহ সরি Miss Assistant. অন্বেষা:না, আমি তো কিছুই বলি নি। প্রিন্স:I am sure , তুমি একটু আগে আমায় কিছু বলেছ। অন্বেষা:না, স্যার।আপনাকে কিছু বলি নি?আপনি শুনতে ভুল করেছেন,স্যার। বস:May be,আমি ভুল মায়াবিনী। by the way,এই নাও key.তুমি তো আমার কথা শুনবে না, তাই এটা তোমার কাছে রেখে দাও।আর হ্যা next time সামনে দরজা দিয়ে আসবে না।পিছনের দরজা দিয়ে আসবে।মনে থাকবে তো? কি মায়াবিনী?এই নামটা তো কেউ জানে না।শুরু একজন ছাড়া।কিন্তু সে তো -- প্রিন্সের ডাকে সে তার ভাবনার জগত থেকে বের হয়ে আসে। প্রিন্স:Miss Assistant. আমি shower নিতে যাচ্ছি।তুমি আমার খাবার ready কর। অন্বেষা:বস, আমি অন্বেষা। Please call my name.আর আমি আপনার Assistant, not your servant. So আপনার খাবার আপনি বানাবেন।আমি এখন অফিস যাচ্ছি।Bye boss. অফিসে আসার পর তার কোন কাজে মন লাগছে না।তার মনে অনেক প্রশ্ন জমেছে। কে এই প্রিন্স স্যার?কিভাবে জানেন আমার নাম?আপনার আসল পরিচয় কি?নীল?না উনী আমার নীল নন।হতে পারেন না।আমার নীল সাথে প্রিন্সের স্যারের কোন মিল নেই।তবে কে আপনি স্যার? নীল কোথায় তুমি?তোমার কি তোমার মায়াবিনীর কথা মনে পড়ে না?কি আর কখনও দেখতে পার না? আজ তোমার কথা খুব মনে পড়েছে নীল। খুব miss করছি তোমায়, নীল।

@Pami

বৃষ্টি ভিজার# বৃষ্টি ভিজার ফাঁকে তুমি নির্জনে, কখনও কি ভেবেছ তুমি অনমনে? কি বৃষ্টি ঝরেছে বহু এই চোখে। আজ একলা ঘরে থাকা বন্ধ হাওয়া, হারিয়ে যাওয়া পথে নেই কার ছায়া? যদি মনে পড়ে আমায় কোন স্বপ্নলোক, তার স্মৃতি লেখা দেখ আমার মনে।

@Pami

জীবনের খুঁজে#৪থ পর্ব রাইটার:দিলরুবা হাসান পামি মিস্টার:cool down,young lady.আমি তো তোমার সাথে fun করেছি এতক্ষণ ধরে।By the way,এবার কাজের কথায় আসছি।এটা নিয়ে বসের বাসায় যাও। অন্বেষা:ঠিকানা? মিস্টার:এই যে ঠিকানা। অন্বেষা তার কেবিন থেকে বের হয়ে তার CEO Sir এর বাড়িতে যায়।বাড়ি বললে ভুল বলা হবে prince থাকেন একটি ফ্ল্যাটে।যদিও এই শহরে তার বাবার একটি বাড়ি আছে।তবুও সে এই ফ্ল্যাটে একা থাকছেন।অন্বেষা যখন লিফটে ছিল তার একজন বাচ্চা ছেলে সাথে দেখা হয়।তাকে দেখে মনে হচ্ছে সে এদেশে নয়।অন্বেষা তাকে বুঝার জন্য তার সাথে কথা বলছে।কথায় কথায় সে জানতে পারে ছেলেটির বাবা বাংলাদেশি আর মা আমেরিকান।কিছুদিন হল তারা এদেশে এসেছেন। ছেলেটি:Sister, 2nd floor? অন্বেষা:hmm. 2nd floor এসে অন্বেষা ছেলেটিকে বলল, অন্বেষা:Bye little boy, take care. ছেলেটি: আমি এখন ছোট ছেলে নই।আমি এখন বড় হয়ে গেছি।তোমরা বড়রা নিজেদের কি ভাব নিজেদের? এই পিচ্চিটা ভাল বাংলা বলতে পারে তো।তার মানে এতক্ষণ ধরে না জানার অভিনয় করছিল।দুষ্ট ছেলে।(মনে মনে বলল অন্বেষা) অন্বেষা তার বসে ফ্ল্যাটে কলিংবেল দিতেই একজন সুদর্শন পুরুষ এসে দরজা খুলে দেন।তাকে দেখে বুঝা যাচ্ছে যে,তিনি swimming করছিলেন।অন্বেষা চিংকার করে বলল, অন্বেষা:এ কি করছেন আপনি? ( সে তার চোখ হাত দিয়ে ধরে রেখেছ)। প্লিজ আপনি আপনার dress পড়ে নিন।এভাবে আপনি আমার সামনে আসবেন না কখনও। বস:Oh,hello.এটা আমার house এখানে আমি কিভাবে থাকব সেটা আমার personal matter. তুমি বলার কে? Who are u? অন্বেষা:আমি অন্বেষা আহমেদ।আপনি আপনার new Assistant. (my bad luck মনে মনে বলে সে) বস:এভাবে দরজায় দাড়িয়ে থাকবে নাকি ভিতরে আসার ইচ্ছে রয়েছে? আপনাকে দেখার পর আপনার সাথে কাজ করার ইচ্ছেই মরে গেছে আর আর ভিতরে আসার কথা কি বলব(মনে মনে) অন্বেষা:না আমি এখানেই ঠিক আছি। বস:Miss Assistant, ভিতরে এসো।এটা আমার অনুরোধ নয় বরং order. Hurry up. অন্বেষা বাসায় প্রবেশ করার পর তার বস তাকে একটি লিস্ট ধরিয়ে দিয়ে বলেন, বস:আমার বাসায় খাবার শেষ হয়েছে আর কি কি লাগবে সবকিছু আছে এই লিস্টে। তুমি কালকে অফিস আসার সময় সবকিছু আমার বাসায় দিয়েই তবে অফিস যাবে।এটা জিনিসও যেন বাদ না পড়ে।বাদ পড়বে তো তোমার খরব আছে miss assistant. এখন তুমি আসতে পার। অন্বেষা:Okay,boss. অন্বেষা তার বসের বাসা থেকে বের হয়েছে।এখন সে রাস্তায় হাটছে।তার খুব রাগ হচ্ছে।সে বলছে নিজেকে, অন্বেষা: নামে প্রিন্স হলেই কি কেউ প্রিন্স হয়ে যায়?Disgusting. আমি উনার Assistant অথচ আমার সাথে servant মত আচরণ করছেন। Devil man একটা।বাহবা, কি বললে অন্বেষা।দারুণ তো Mr.devil man.🤣🤣তারপর থেকে অন্বেষা তার বসের নাম্বার Mr.devil man দিয়ে save করে রেখেছে।

@Pami

জীবনের খুঁজে#৩য় পর্ব অন্বেষা রাতে ঠিকভাবে ঘুমাতে পাচ্ছে না।সে প্রতিরাতে তার মাকে দেখতে পাচ্ছে।অন্বেষা যখন ছোট তখন তাকে বাঁচাতে গিয়ে আগুনে পুড়ে মারা যান।সেটা সে দেখতে পায়।সে চিংকার করে আর বলে, অন্বেষা:কেউ বাচাও আমার মাকে।কেউ তো এসো।আমার মা মরে যাবে।বাবা, খালামুনি, খালা কোথায় তোমরা?মা আমি তোমাকে কিছু হতে দিবে না।help plz. তার চিংকার শুনে খালামুনির ঘুম ভেঙ্গে যায়।অন্বেষার পাশের রুমেই তার খালা খালু থাকেন।খালামুনি অন্বেষার রুমে এসে দেখেন রুমে AC চলছে তবুও ঘামছে অন্বেষা।তিনি অন্বেষাকে touch করার পর তিনি বুঝতে পারলেন অন্বেষা কাঁপছে।তার অবস্থা দেখে তিনি ভীষণ ভয় পেয়ে গেলেন।তিনি অন্বেষাকে বললেন, খালামুনি :মামুনি,কি হয়েছে তোমার?এমন কেন করছ?বল আমায়। অন্বেষা:আমার মা আগুনে পুড়ে গেল।আমি কিছুই করতে পারি নি।পারি নি তাকে বাঁচাতে। কেমন সন্তান আমি।আমি খুব খারাপ।বাবা ঠিক বলে,আমি দায়ী তার মৃত্যুর জন্য।আমি মেরেছি তাকে। I am a murderer. খালামুনি:তোমার বাবা যা বলেন সব মিথ্যে।সেদিন যা হয়েছে তার জন্য তুমি দায়ী ছিলে না।খরবদার এসব কথা মনেও আনবে না কখনও।সবকিছুর জন্য নিজেকে দায়ী করার বন্ধ কর। তুমি কি ভেবে দেখেছো তোমার এমন অবস্থা দেখে তোমার মায়ের আত্মা কতটা কষ্ট পাচ্ছে?নিজেকে ক্ষমা কর অন্বেষা মামুনি।ভুলে যাও সব মা। ঘড়িতে এখন ১০টা বাজছে(সকাল)।এখন অন্বেষাকে স্বাভাবিক লাগছে।রাতের কোন কথায় তার মনে নেই।কলিংবেল বাজছে। অন্বেষার খালামুনি কিচেন কাজ করছিলেন।তিনি অন্বেষাকে বললেন, খালামুনি:অন্বেষা মামুনি, দেখতো কে এসেছে? অন্বেষা গেট খুলে letter receive করে। অন্বেষা আজ ভীষণ খুশি কেননা তার জব হয়েছে।সে তার খালামুনিকে ডাকছে, অন্বেষা:মুনি (অন্বেষা তার খালামুনিকে মুনি বলে ডাকে)কোথায় তুমি?আমার জব হয়ে গেছে। অন্বেষার খালামুনি কিচেন থেকে বের হয়ে আসেন।অন্বেষাকে বলেন, খালামুনি:Congress, মামুনি।আমি জানতাম তোমার জবটা হয়ে যাবে।তা joining date কবে? অন্বেষা:দিন পর। খালামুনি:ওহ আচ্ছা। দেখতে দেখতে জয়েনিং ডেট এসে গেল।আজ অন্বেষার অফিসের প্রথম দিন।তাই সে চায় নি লেট করতে।অফিসে যাওয়ার পর তার সাথে মিস্টারের সাথে দেখা হয়।আমি তো মিস্টারের পরিচয় দিতে ভুলে গেছি😊মিষ্টার হলেন এই company এর owner প্রিন্সের এর manage. যিনি সবার কাছে Angry man নামে বেশ বিখ্যাত।তার উপরে কথা বলার মত সাহস করাও নেই।কেননা সবার ভয় পান তাকে।চলুন এবার মূল গল্পে ফিরে যাই, মিস্টার:তুমি অন্বেষা,right? অন্বেষা:জ্বী স্যার।আমি অন্বেষা।আর হ্যা, আপনি কি করে ভুল করতে পারেন, আপনি হচ্ছেন এই কোম্পানির manager. Manager:অন্বেষা😞তুমি হয়তো ভুলে গেছে তোমার senior, সেই অর্থে আমি তোমারও বস।আর বসের সাথে কি ধরণের অাচরণ করতে হয় সেটা নিশ্চয়ই জান।আর কথা কম বলবে।যা বল। সেটা just follow করবে,বুঝেছ? নাও এটা। অন্বেষা:এটা কি স্যা---র। অন্বেষা:একটু আগে আমি তোমায় কি বলেছি সেটা ভুলে গেছ?কি দেখে সে তোমাকে এই জব দেওয়া হয়েছে কে জানে? অন্বেষা:Excuse me,আমার যোগ্যতা নিয়ে এভাবে প্রশ্ন করতে পারেন না আপনি।সেই অধিকার আপনার নেই।আর হ্যা আমি যোগ্য বলেই আপনারা আমাকে ডেকেছেন।😡 Manager:Relax, miss.এভাবে react করার কিছু নেই।আমি তোমার সাথে fun করছি।

@Pami

Thank u God# Same home,some people but stil everything feels now. Everything is perfect. Thank u God,thank u so much for everything.

@Pami

When we# When we come together, we can ever challenge the fate. We write our own destiny, we know the glory of victory.

@Pami

When we# When we come together, we can even challenge fate. we write our own destiny, we know the glory of victory.

@Pami

জীবনের খুঁজে#২য় পর্ব অন্বেষা:ঠিক আছে,খালামুনি।আমি তাহলে বের হচ্ছি।মনে করে ডাক্তার চাচুকে কল দিও কিন্তু।আমি আসছি। অন্বেষা বাসা থেকে বের হয়ে যায়।সে রাস্তায় হাটছে এখন।হাটতে হাটতে কিছু দূর যেতেই অন্বেষার চোখ যায় এক মা ও তার সাথে থাকা সন্তানের দিকে।বাচ্চাটি খাবারের জন্য খুব কাঁদছে। অসহায় মা তার সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে পাচ্ছেন না।তার চোখের পানি বাধ মানছে না।তিনি তার চোখের পানি শাড়ী দিয়ে মুছে যাচ্ছেন।অন্বেষা আসার সময় তার খালামুনি তাকে খাবার প্যাক করে দিয়েছিলেন।অন্বেষার সেটার কথা মনে পড়ে।সে তার ব্যাগ থেকে খাবার বের করে বাচ্চাটিকে দিয়ে বলল, অন্বেষা:এটা নাও।আশা করছি তোমার ভাল লাগবে।আর আপনি এই টাকাগুলো রাখুন।আপনাদের জন্য কাপড় কিনে নিবেন।পড়নের কাপড়গুলো তো ছিঁড়ে গেছে। বাচ্চাটির মা:আপনি অনেক ভালা আপা।আজকাল মানুষ তো আমাদের দেখেও নাও দেখার মত করে পাশ কাটিয়ে চলে যায়।আর আপনি আমাদের দিকে আপনার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন আপা।আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন। অন্বেষা:দোয়া করবেন আমার জন্য।আজ তবে আসছি।আবার আসব, কেমন। অন্বেষা অনেক কষ্টে বাস ধরল।সে Interview শেষ করে এখন বাসায় ফিরছে।হাটার সময় তার বার বার মনে হচ্ছিল তাকে কেউ follow করছে।তাই সে পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখে চারপাশটা। অন্বেষা: এমন কাউকে তো আমার চোখে পড়ছে না যাকে দেখে মনে হবে যে,সে আমায় follow করছে।সবাই তো নিজেদের কাজের ব্যস্ত।May be আমার মনের ভুল এটা। অন্বেষা তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে বাসার ভিতরে প্রবেশ করে।বাসায় প্রবেশ করার পর অনেকটাই চমকে যায় সে।সে এখন বুঝতে পারছে যে, তাকে surprise দিতেই সবাই সকাল থেকে তার সাথে নাটক করছিল।অন্বেষার বন্ধুবান্ধব,আত্মীয়স্বজন সবাই আসছে তার birthday party তে।অন্বেষার চোখে যে শুধু তার বাবাকেই খুঁজে যাচ্ছে।কিন্তু সে দেখতে পাচ্ছে না তাকে। সে তার খালামুনিকে বলল, অন্বেষা:খালামুনি, বাবা কোথায়?এখনও আসে নি?কখন আসবে আমার বাবা? খালামুনি:না মামুনি।তোমার বাবা আসতে পারেন নি।তুমি তো জান উনী কতটা ব্যস্ত।উনী free হলেই দেখা করতে আসবেন তোমার সাথে। তুমি মন খারাপ কর না মামুনি। অন্বেষা এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে। সে ভাবে নিশ্চয়ই আসবে তাকে দেখতে।কিন্তু না তার বাবা আসেন , না উনী অন্বেষার জন্য কোন গিফট পাঠিয়েছেন।অন্বেষা যাতে কষ্ট না পায়,তার জন্য তার খালা খালু গিফট কিনে তার বাবা পাঠিয়েছেন বলে মিথ্যে সান্ত্বণা দেন।আজ সেটা অন্বেষা ভালভাবেই বুঝতে পারে। কিন্তু সেটা তাদের মন রক্ষার্থে কিছু বলে না সে ।

@Pami

বোন# বোন মানেই খুনসুটি, বোন মানে গল্পের ভান্ডার। বোন মানেই দুষ্টুমি, বোন মানে সব শেয়ার। বোন মানে আবদার, বোন মানে দূরে গেলে অনেক miss করা।

@Pami

I want # I want to be with you forever. I can't imagine a moment without you.Now that you're there to share my pain.

@Pami

সয়া লেন্টিন স্যুপ# আসসালামু আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন? আজ আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি মজাদার, হেলদী একটি স্যুপের রেসেপি নিয়ে।এটি খেতেও যেমন yummy , তেমনি এটি আপনার ওজন কমাতেও হেল্প করবে। তবে আর দেরী না করে জেনে নি কিভাবে স্যুপটি বানাতে হয়। সয়া চাঙ্কস (২৫গ্রাম)সামান্য লবন দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে।তারপর তা ঠান্ডা করে হাতের সাহায্য চেপে চেপে পানি ঝড়িয়ে নিতে নিব।তারপর তা ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিতে হবে। ডাল হলুদ গুড়া(সামান্য) ও লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। তারপর তা ঠান্ডা করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।এরপর একটি প্যানে ঘি/সরিষা তেল(যারা কিটো করেছেন তারা ঘি ইউজ করতে পারবেন,আর যারা নরমাল ডায়েটে রয়েছে তারা সরিষা তেল ইউজ করবেন।কেমন সরিষাতেলে ক্যালরির পরিমাণ অন্য তেলের তুলনায় কম)।এবার এতে গোটা জিরে (সামান্য), পেয়াজ কুচি দিয়ে হালকা বাদামি করে ভেজে নিতে হবে। তারপর তাতে টুকরা করা সয়া add করতে হবে।২-৩মি.ভেজে তাতে জিরা গুড়া,ধনে গুড়া (সামান্য) , কাচা মরিচ কুচি,ডালের মিশ্রণ,লবণ (স্বাদমত) দিতে হবে।ঘন খেতে চাইলে ঘন করবেন আর পাতলা খেতে চাইলে পাতল করবেন।পরিবেশনের সময় স্যুপে লেবুরস add করতে পারেন।