প্রতি পূর্ণিমার মধ্যরাতে একবার আকাশের দিকে তাকাই গৃগত্যাগী হবার মতো জোছনা কি উঠেছে? বালিকা ভুলানো জোছনা নয়। জে জোছনায় বালিকারা ছাদের রেলিং ধরে ছুটাছুটি করতে করতে বলবে- ওও মাগো, কি সুন্দর চাঁদ! নবদম্পতীর জোছনা ও নয়। জে জোছনা দেখে স্বামী গাড় স্বরে স্ত্রী কে বলবেন- দেখো দেখো নিতু চাঁদটা তোমার মুখের মতোই সুন্দর। কাজলা দিদির স্যাঁতস্যাঁতে জোছনা নয়। জে জোছনা বাসি স্মৃতি পূর্ণ ডাস্টবিন উল্টে দেয় আকাশে।কবির জোছনা নয়।জে জোছনা দেখে কবি বলবেন- কি আশ্চর্য রুপার থালার মতো চাঁদ। আমি স্বিদ্ধার্থের মতো গৃগত্যাগী জোছনার জন্য বসে আছি। জে জোছনা দেখা মাএ গৃগের সমস্ত দরজা খুলে যাবে।
Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.
3 comments
আহ জোছনা। জোছনা দেখতে হয় সম্পূর্ণ একা না হয় প্রিয় কাউকে সাথে নিয়ে।এর চেয়ে বেশি কেউ থাকলে জোছনা দেখার ফিলটা থাকেনা।
হুম একদম রাইট।সবাই আসলে কালারের মর্মটা বুঝেনা।কালারে জে কত ফিল যারা উপভোগ করে তারাই জানে।
হুম।ধন্যবাদ কমেন্টের রিপ্লাই করার জন্য।পাশে আছি,আশা করি আপনিও থাকবেন।