তিনটি জিনিস শরীরকে অসুস্থ করে:- ▪অতিরিক্ত কথা বলা ▪অতিরিক্ত ঘুমানো ▪অতিরিক্ত খাওয়া চারটি জিনিস শরীরকে ধ্বংস করে:- ▪দুশ্চিন্তা ▪দুঃখ ▪ক্ষুধা ▪রাত জাগা চারটি জিনিস যা চেহারা শুষ্ক করে দেয় এবং আনন্দ ও সম্মান দূর করে দেয়:- ▪মিথ্যা বলা ▪দাম্ভিকতা ▪জ্ঞান ছাড়া অতিরিক্ত প্রশ্ন করা ▪অশ্লীলতা চারটি জিনিস যা সম্মান এবং চেহারার আনন্দ ফিরিয়ে আনে:- ▪ত্বাকওয়া ▪সত্যবাদিতা ▪উদারতা ▪আত্মসম্মান চারটি জিনিস যা রিযিক নিয়ে আসে:- ▪রাতের সালাত ▪সূর্যোদয়ের পূর্বে বেশী বেশী আল্লাহ্কে স্মরণ করা ▪নিয়মিত দান খয়রাত করা ▪দিনের শুরুতে এবং দিনের শেষে আল্লাহ্র যিকির করা চারটি জিনিস যা রিযিকে বাধা দেয় :- ▪সকালের প্রথমাংশে ঘুমানো (ফজরের সময়) ▪সালাতের ঘাটতি/অভাব ▪অলসতা ▪বিশ্বাসঘাতকতা #আততীব_যাদ_আল_মাআদ, #পৃষ্ঠা_৩৭৮_৪ আল্লাহ্ আমাদের সকলকে বুঝার তাওফিক দান করুক। "আমিন"
@faruk420
Joined 20 September 2020 · 45 posts
আমি আবার আর একটা বার তোমার প্রেমে পড়তে চাই!'🖤
120 KT
0 KT · 2¢ received · 0 KT given
Posts
Plants.. Plants are the beautiful part of nature. Plants are the friends of humans. A man cannot survive without plants. A man used oxygen for respiration released by plants There are many other benefits of plants like that: 1-These are the plants that provide us yummy yummy fruits 😋😋 and vegetables. 2-They are also used as forage for animals. 3-The wood of plants are used for making furniture. 4-They also provide us wood as fuel. 5-Plants are also used in making sport goods. 6-They are also helpful in cleaning the environment and removing the pollution. 7-Plants also play an important role in food chain. So we should grow the plants everywhere,these are necessary for our survival.
ভালোবাসার শেষ পরিনিতি ডাক্তার মাত্র ই বললো আমি আর মা হতে পারবো না।রিপোর্ট টা দেখে রীতিমত আমি চমকে উঠলাম, কি জবাব দিবো হাসবেন্ড কে? আমি নোহা আমার বিয়ে হয়েছে আজ ৬বছর, সম্পর্ক করেই বিয়ে হয়েছে, দেখতে সুন্দর ছিলাম না তেমন তবে আমাদের ভালোবাসা সুন্দয্য দেখে হয় নি হয়েছিলো মন দেখে একে-অপরের।পরিচয়, প্রেম,হঠাৎ একদিন বিয়ে হঠাৎ বিয়ে হওয়ার কারন ছিলো.. আমার ফ্যামিলি যখন জানতে পারলো আমি অন্য কোথাও রিলেশন ছিলো তারা আমাকে জোর পূর্বক বিয়ে দিতে চাচ্ছিলো তাই আমরা পালিয়ে বিয়ে করি! আমার স্বামী নাবিল তখন তার স্টুডেন্ট লাইফ বিয়ে করার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না আমরা, কিন্তু পরুবারের কারনে বাধ্য হয়েছি পালিয়ে বিয়ে করতে বিয়ে করার পরে নাবিল ছোট খাটো একটা জব করছিলো কারন তখন ঢাকা শহরে থাকা চারটে খানি কথা নয়...নাবিল যেই বেতন পেতো জব করে তা দিয়ে অনেক কষ্টে ডাল ভাত খাওয়া যেতো কিন্তু সচ্ছল ভাবে চলাচল করা যেতো না। আমি বাধ্য হয়ে জব খুঁজা শুরু করলাম, পেয়েও গেলাম ছোট একটি জব,সেদিন নাবিলের সাথে আমার খুব ঝগড়াঝাটি হয়,ওর একটাই কথা জব করতে দিবে না কিন্তু আমি ওর অবাধ্য হয়ে জবে জয়েন্ট করি আসতে আসতে আমাদের বিবাহিত জিবনের ২বছর হয়ে গেলো এখন তো এটা বেবি চাই আমার শ্বশুর-শ্বাশুড়ির একটাই কথা।কিন্তু তখন আমি বেবি চাইতাম না চাইতাম আরো কয়েক বছর পরে বেবি নিবো কিন্তু কে জানতো এই কয়েক বছর পর ই আমার জিবন ধ্বংস করে দিবে জিবন টাকে মরিচীকা বানিয়ে দিবে, জিবন নামের রেল গাড়ি টা কিছুক্ষণ এর জন্য থেমে গেলো মনে হচ্ছিলো আমার বেঁচে থাকা টা মূল্যহীন.... চলবে.....
Employment communication is related with management of job searching activities preparing for job employment by designing, resuming, cover letter and all necessary certificates for applying in the post. Preparing for job employment It is managing all necessary documents and being mentally to apply for the post with the support of large number of personal property. Employer today like to know your property, skill and quality before making skill and quality before making some decisions so you must have skill training, academic achievement and other special qualities to convince to the prospective employer that you are the best candidate. Preparing and planning for the employment also require articleship or internship activities volunteer involvement and special specialisation related to job. Planning and preparing is a challenging task to candidate but it can be managed or simplify by fulfilling following stages :- 1. Identifying your interest It is analysing and knowing personal interest regarding the job. It is looking inside yourself to know what you like or dislike so that you can make good employment choice. Following question can be asked :- Do you enjoy working with people or thing? Would I rather work in large or small company? Must I work in city or remote? Am I looking for earning or learning? Importance of salary, status and benefits Importance of working conditions 2. Evaluating qualification It is analysing the basic requirements about his skill and qualification necessary to fulfill our interest. Employer want to know what asset you have to offer them so asset should be develop at first. Following question can be asked:- What computer skill can I offer? Am I creative? Do I learn quickly? Do I speak, write and understood other language? Do I communicate well? What other skills have I acquire in college? Do I work well with people? 3. Recognising changing nature of job It is deciding about either permanent or temporary job. It is now work is becoming more flexible and job are more dynamic with a large number of opportunity in the private sector show, you should be clearly think about either life long job with high level of security or temporary job with learning environment. While making such decision market trends and situation factors should be consider. 4. Choosing career path It is choosing career field for developing long-term career. Career should be selected carefully on the basis of personal interest as suggestion can be collected from a consultants seniors, college professor, website and career centre. Wrong selection of career creates frustration in future. 5. Searching job It is searching job from job market. Job can be selected from traditional and modern techniques. Traditional techniques include newspaper, magazine, notice board of the company. But modern techniques include email, E-net and online job activities.
The Zannia "*Flowers are God's thoughts of beauty, taking form to gladden mortal gaze;—bright gems of earth, in which, perchance, we see what Eden was—what Paradise may be!”* - **William Wilberforce** Flowers always bring happiness to a persons heart. The sight of a beautiful bouquet of flowers will surely give a smile and lift someone's gloomy mood. I'm one of those who gets very excited when they see blooming flowers. Their enticing shapes, lovely and infinite colors excites my imagination and at times, I can't help but to be grateful and praise our creator for creating such wonderful creations. On my way to town a day before yesterday, I came across some lovely Zinnias growing near the road. I was mesmerised by it's different colors that I couldn't help myselp to take out my phone from my pocket and capture photos. And I'm going to share the photos with you today. Zinnias comes in different colors and eye-catching hues. I'm amazed by this plant because in my locality, they grow almost anywhere and they don't need so much care. It doesn't take so much time before this plant blooms and produce lovely flowers. Now let me show you the different colors of Zinnias I have on my phone. Aside from the alluring mix-colored Zinnias, I was able to capture a dying Zinnia too. Looking at this image reminds me that we should really not focus on our outer appearance because no matter how beautiful or handsome we are, time will come that we will grow old and our outer beauty will fade, just like this dying Zinnia who's color is now fading. I hope you enjoyed my flowers photography for today. Which one of these is your favorite by the way?

"সকল পিতার জন্য শ্রদ্ধা" একজন স্ত্রী ১৭ বৎসর ঘর-সংসার করার পর স্বামীর সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, "পুরুষগণ আল্লাহ প্রদত্ত এক অশেষ নেয়ামত"। কেননা, তারা স্বীয় যৌবনকে নিজ স্ত্রী-সন্তানদের জন্য কুরবান করে দেয়। তাদের উপর ভর করেই আমরা জীবনের সুখ-শান্তি ও অপার সৌন্দর্য উপভোগ করে থাকি। পুরুষ জাতি তো এমন এক স্বত্তা, যারা স্বীয় সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎের জন্য সর্বাত্মক পরিশ্রম করে থাকেন। কিন্তু এমন কঠোর পরিশ্রম আর কুরবানী সত্যেও আমরা তাদের জীবনকে বিষিয়ে তুলি একরাশ হতাশা আর দুঃখ-কষ্ট দিয়ে। যদি তারা একটু ফ্রেশ ও স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য বাহিরে যায় তাহলে বলি, 'বে-পরওয়াহ'। যদি ঘরে বসে থাকে তাহলে বলি, অলস ও অকর্ম। যদি সন্তানদের ভুলের জন্য শাসন করে তাহলে বলি, নির্দয় ও হিংস্র। যদি স্ত্রীকে চাকরী করা থেকে বারণ করে তাহলে বলি, সেকেলে বা অনাধুনিক! যদি মায়ের সাথে সুসম্পর্ক রাখে তাহলে বলি, 'মা পাগল'। যদি স্ত্রীর সাথে প্রেমময় আচরণ করে তাহলে বলি, বৌ পাগল। এতদসত্যেও একজন পুরুষ পৃথিবীর এমন বীর, যে তার সন্তানদেরকে সর্বক্ষেত্রে নিজের চেয়েও সুখি দেখতে চায়। একজন পিতা এমন এক রোবট, যিনি তার সন্তানদের থেকে সর্বদিক থেকে নৈরাশ হওয়ার পরেও তাদের মনপ্রাণ উজাড় করে ভালোবাসে এবং সর্বদা তাদের মঙ্গলের জন্য দু'আ করে। একজন বাবা তো এমন এক মহাপুরুষ, যিনি স্বীয় সন্তানদের সকল কষ্ট সহ্য করে নেন। তখনও, যখন সন্তান বাবার পায়ের উপর পা রেখে চলতে শিখে এবং তখনও, যখন বড় হয়ে বাবার বুকের উপর পা রেখে চলে যায়। একজন বাবা পৃথিবীর এমন এক নেয়ামত, যিনি সারাজীবনের কষ্টার্জিত মহামূল্যবান সম্পদগুলো অকাতরে সন্তানদেরকে দিয়ে দেন। যদি মা সন্তানদেরকে ৯ মাস পেটে ধারণ করে থাকেন; তবে বাবা সারাজীবন স্বীয় ব্রেইনের মধ্যে ধারণ করে চলতে থাকেন। পৃথিবীটা ততক্ষণই সু্ন্দর ও উপভোগ্য মনে হয় যতক্ষণ 'বাবা' নামক সত্বার ছায়া মাথার উপর বিরাজমান থাকে। তাই বেঁচে থাকলে বাবাদের কদর করুন। চলে গেলে তাঁদের জন্য দু'হাত তুলে দু'আ করুন। আল্লাহ তা'আলা সকলের মা-বাবাকে সুখে-শান্তিতে রাখুন। আমীন।
উপসংহারে তুমি গল্পের নাম: উপসংহারে তুমি আমার মান্থলি টা সারাজীবনের জন্য বন্ধ হয়ে যাক। আমি চাই আমার যৌনচাহিদা পরিপূর্ণ ভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাক। ডক্টর যে ভাবে হোক কিছু একটা করুন। এই মূহুর্তে আরহা বসে আছে বিশিষ্ট ডক্টর সাবরিনা খানম এর চেম্বারে আর উপরোক্ত কথা গুলো আরহা ডক্টর সাবরিনা কে উদ্দেশ্য করে বললো। ডক্টর সাবরিনা বললো এটা কেমন কথা কতো বয়স তোমার কেনো এমন করতে চাও??? আরহা বললো আপনি আমার চিকিৎসা করবেন কিনা বলুন আমি পুরুষের স্পর্শের বাহিরে থাকতে চাই তাই এটা করবো। ডক্টর সাবরিনা বললো ঠিক আছে অন্য দিন এসো আজ আমার টাইম শেষ। আরহা চুপ করে উঠে বাহিরে এসে রিকশা ধরে বাসায় চলে গেলো। আরহার মা আনাহিতা খুব চটপটে একজন মহিলা। উনি একজন কলেজ শিক্ষক ছিলেন ।আরহা ঘরে ঢুকতেই প্রশ্ন করলেন আজকে কি ডক্টরের কাছে...... কথা শেষ না হতেই আরহা উত্তর দিলো হুম। এরপর আরহা নিজের ঘরে গিয়ে দরজা আটকে দিলো আর আরহার মা দীর্ঘ একটা দম নিয়ে রান্নাঘরে গেলেন। আসহাব আপনি কি বুঝেন না আমি আপনাকে পছন্দ করি??প্রশ্ন টা করতে করতে অর্না গিয়ে আসহাবের পাশে দাঁড়ালো।আসহাব অর্নার দিকে দৃষ্টিপাত করে শুধু বললো হুম।তারপর আবার সে আকাশ দেখায় মনোযোগ দিলো। অর্না একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ছেড়ে সে স্থান ত্যাগ করে ক্লাস রুমের দিকে পা বাড়ালো। অর্না আর আসহাব ঢাকার এক সুনামধন্য কলেজ নাসির উদ্দীন ম্যামোরিয়ালের শিক্ষক। অর্না ক্যামিস্ট্রি শিক্ষক আর আসহাব ম্যাথেমেটিক্স শিক্ষক।একটু আগে যে কথাগুলো অর্না আসহাব কে বললো এগুলো অর্না রোজ আসহাব কে বলে আর আসহাব রোজ শুধু হুম এই আবদ্ধ থাকে।অর্না ঠিক বুঝেনা আসহাব কেনো তাকে গ্রহন করেনা।কি নেই তার যেমন সুন্দরী তেমন শিক্ষিত পরিবারের মেয়ে অর্না।আসহাব কে হাজার বার সে প্রপোজ করেছে আর তার চেয়ে বেশি জানতে চেয়েছে তাকে গ্রহন না করার কারন,কিন্তু আসহাব বরাবরই চুপ করে থেকেছে। আজকে কলেজের সমস্ত শিক্ষক কে মিটিং এ ডেকেছে প্রিন্সিপাল আর বলেছে আগামী সপ্তাহে কলেজ ট্যুর এ যাবে সবাই মিলে।স্টুডেন্ট রা অনেক খুশি এসব শুনে ওরা যে যার মতো প্ল্যানিং করছে।অর্না আসহাব কে খুঁজতে খুঁজতে গিয়ে পাশে দাড়ালো আর বললো ট্যুরে যাবেন তো?? আসহাব বললো হুম।দেখতে দেখতে ট্যুর এর দিন এসে পরলো যে যার মতো প্যাকিং করে বাসে এসে উঠলো।অর্না এসে আসহাবের পাশে বসলো।বাস ছেড়ে দিলো।আসহাব নিরবে বাইরে তাকিয়ে আছে।অর্না বুঝতে পারেনা মানুষ এতোটা নিরব থাকে কি করে?কি এমন কষ্ট আসহাবের মনে?এসব ভাবতে ভাবতে অর্না ঘুমিয়ে পড়লো। টানা ৬ঘন্টা জার্নির পরে এসে গন্তব্যে পৌঁছলো সবাই। সবাই অনেক ক্লান্ত যার যার রুমে চলে গেলো সবাই।আসহাব ফ্রেশ হয়ে একটা ঘুম দিলো লম্বা জার্নি করে বড্ড ক্লান্ত সে।ঘুম থেকে উঠে আসহাব দেখলো সবাই ঘুরতে বেড়িয়েছে।আসহাব এককাপ কফি নিয়ে বেলকুনিতে গিয়ে দাঁড়ালো হঠাৎ দেখলো অর্না তার পাশে।আসহাব জিজ্ঞেস করলো তুমি যাওনি ঘুরতে। অর্না শুধু না বলেই থেমে গেলো আর আকাশের দিকে তাকিয়ে রইলো।আসহাব বললো অর্না আমি কিছু বলতে চাই তোমায়।অর্না খুব আগ্রহ নিয়ে তাকালো আসহাবের দিকে অর্নার চোখে চোখ রেখে আসহাব দেখলো ও খুব আশাতীত হয়ে চেয়ে আছে।আসহাব বললো অর্না আমি কোনো মেয়েকে কখনো আমার সাথে জড়াতে পারবোনা।আমার একটা ভয়ংকর অতীত আছে। আমি একজন দুশ্চরিতা নারীর সন্তান,আমি বাবার খুনি,এক মেয়ের ধর্ষিতা হওয়ার কারন।অর্না অবাক হয়ে চেয়ে আছে আসহাবের দিকে।অর্না জিজ্ঞেস করলো কি বলছো আসহাব........ #চলবে...........
একজন নেশাগ্রস্ত মানুষের মতো মাতাল হয়ে বলতে এসো না যে তুমি চলে গেলে আমি আরও ভালো কাউকে পাবো! তুমি সময়ের দিকে তাকিয়ে দেখো একবার, ৪ বছর আছি একসাথে, লক্ষাধিক স্মৃতি জমে গেছে, কে দিবে এই স্মৃতির দাম? যেতে চাইলে এই স্মৃতির ভার নিয়ে যাও,আমি পারবো না স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরে অমানবিক জীবন ধারণ করতে! কি জানি বললে, সব ঠিক হয়ে যাবে? তুমি কি ভাবছো এটা শারিরীক রোগ যে কাল বাদে পরশু ঠিক হয়ে যাবে? শারিরীক রোগের ঔষধ আছে কিন্তু তুমি চলে গেলে আমার মানসিক রোগ ধরবে,এই রোগের ঔষধ আমি পাবো কই? যদি যেতেই হয় তবে ভালো থাকার ঔষধ দিয়ে যাও, আমি মানসিক রোগ নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবো না! এক কাপ চা থেকে শুরু করে এক পা দুই পা করে দুজনের হেঁটে চলা অব্দি আবেগ আর বাস্তবতায় ঘেরা প্রতিটা মুহুর্ত আজ জীবনকে আকড়ে ধরে আছে, আমি এইসব মুহুর্ত ছেড়ে যাবো কই? আমি কোথাও যেতে পারবো না, তুমি চলে গেলে এইসব মুহুর্ত নিয়ে যাও,আমি পারবো না রাত জেগে কান্না করে নিজেকে অসহায় ভাবতে! ভুলে যাওয়া কি এতো সহজ? সম্পর্কটা এতো সহজ ছিলো না, যত সহজে ভুলে যাওয়ার কথা বলছো তুমি। যতটা ভালোবাসা ছিলো এতোদিন তা ভুলে যেতে হলে এই জীবন খুব যথেষ্ট নয়। মনে পরবে ততই যত ভুলে যেতে চাইবো, তার চেয়ে ভালো কিছু বলো, যাতে মনে না পরে কিংবা ভুলে গিয়ে ভালো থাকা যায়। অথবা তুমি থেকে যেতে পারো, আসলেই ভুলে যাওয়া অনেক কঠিন, যতটা কঠিন ১০° তাপমাত্রায় ২ ঘন্টা পানিতে ডুবে থাকা,হয়তো শ্বাস থাকবে কিন্তু জীবন ততোক্ষণে মৃত্যুর কাছাকাছি পৌঁছে যাবে!🙏💔💔
গত কয়েকদিন যাবত এই পোস্ট অনেকের টাইমলাইনে দেখলাম। সবাই ভাঙাচোরা মানুষ খুঁজছে। আমাদের চারপাশে এমন অনেক ভাঙাচোরা মানুষ আছে। যাদের খুব নির্মমভাবে শেষ করেছে এই সমাজ, পরিবার অথবা খুব আপন ভালোবাসার মানুষ। অথচ তারও কিছু স্বপ্ন ছিল, কিছু পাওয়ার আশা ছিল পরিবার আর ভালোবাসার মানুষের কাছে। সমাজের কথা বাদই দিলাম কারণ এই সমাজ অসুস্থ সমাজ। ভাঙাচোরা মানুষ পাওয়ার পর আপনি মানুষটার মনে জায়গা করে নিলেন ঠিকই। তাকে বাঁচার আশা দেখালেন আবার। কিন্তু দিনশেষে আবার পরিবারের, সমাজের অজুহাত দেখিয়ে চলে যাবেন। আজকালকার দিনে ভালোবাসার জন্য মানুষ স্যাক্রিফাইস করে না। বাকি সবকিছুর জন্য ভালোবাসা স্যাক্রিফাইস করে দেয়। অথচ এই যে ভাঙাচোরা মানুষটা আগে হয়তো মুমূর্ষু অবস্থায় ছিল। এখন পুরোপুরিই শেষ। ভালোবাসুন যদি ভালোবাসা সারাজীবন ধরে রাখার মত সাহসী হতে পারেন। নয়তো নিজের মতই থাকুন।
যারা সব সময় বলে নারী পুরুষ সমান অধিকার তাদের নিয়ে কিছু কথা🙂 যারা সব সময় বলে "নারী পুরুষ সমান অধিকার" তাদের জন্য আজকে কিছু কথা!🙂 -একজন নারী কখনো চাইলে একজন পুরুষের সমতুল্য হতে পারে না, কথা'টি তেঁতো হলেও সত্যি।😊 -আসল বোকা নারী তো তারাই যারা নিজেকে পুরুষের সমতুল্য মনে করে, এই যেমন ধরেন কিছু টা এমন-একটা ছেলে ১০টা প্রেম করতে পারলে আমি কেনো পারবো না,একটি ছেলে এমন করতে পারলে আমি কেনো পারবো না এসব ভেবে নিজেকে পুরুষদের মত বানিয়ে ফেলার আগ্রহ টাহ্ পেয়ে যায় বা চলে আসে।🙂 -নারী তুমি সত্যিই বোকা কারন - তুমি কখনো কারো মা,বোন,মেয়ে কখনো বা কারো বউ এই কথা গুলোর মানে অনেক গভীর... নিজেকে নিজে কখনো পুরুষের সমতুল্য করে ছোট করো না,তুমি'হীন একটি পুরুষ এক পৃথিবী সমান অসহায় আবার পুরুষহীন একজন নারী এক পৃথিবীর অধিক গুন এর চেয়েও বেশি অসহায় কিভাবে অসহায় একটা জানতে চাইলে একজন ডিভোর্সি নারী, কিংবা বিধবা নারীর দিকে তাকাও উত্তর নিজে নিজেই পেয়ে যাবে।😍🙂 -পুরুষ তুমি সম্মানের চেয়েও অধিক সম্মান অর্জন করো তবে সেটা মেয়েদের দিকে কুদৃষ্টি দিয়ে নয়, মনের গহীন থেকে ভালোবাসা পেয়ে অধিক সম্মানিত হও।🥰
এক পশলা বৃষ্টি (পর্ব ১) __**১+২**___ #এক_পশলা_বৃষ্টি পার্ট: ১ লেখিকা: সুলতানা তমা ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে, আমি দুদিকে দুহাত পাখির ডানার মতো ছড়িয়ে দিয়ে আকাশপানে তাকিয়ে বৃষ্টিতে ভিজছি। বর্ষাকাল, থেমে থেমে দিন রাত বৃষ্টি হয়েই চলেছে। আর এই বৃষ্টিমুখর দিন গুলোকে উপভোগ না করলে চলে? বৃষ্টি কষ্ট পাবে না? তাইতো আমি আম্মুকে লুকিয়ে লুকিয়ে বৃষ্টিতে ভিজি হিহিহি! আলো: আপুনি আপুনি... (হঠাৎ আলোর ডাকে দুহাত নামিয়ে চোখমুখের পানি মুছতে মুছতে পিছন ফিরে তাকালাম, আলো ছাতা হাতে রাগি চোখে তাকিয়ে আছে) আলো: এই সাত সকালে বৃষ্টিতে ভিজছিস? ঠান্ডা লাগলে কিন্তু আম্মু পানিতে চুবাবে। আমি: বৃষ্টিতে ভিজলে আবার ঠান্ডা লাগে নাকি? আলো: তা হয়তো তোর লাগে না কিন্তু আম্মুর ঝাঁটার বারি তো... আমি: আম্মু উঠে পড়েছে? আলো: হ্যাঁ আর আপনাকে খুঁজছে। আমি: ইশশ এবার কি হবে? আলো: কি আর হবে? প্রতিবার এর মতো আমি বাঁচাবো। আম্মুকে বলেছি তুই ঘুমুচ্ছিস তাই আম্মু রান্না করতে চলে গেছে। আম্মু আমাদের রুমে গিয়ে যদি বিছানায় তোর বদলে কোলবালিশ পায় তাহলে কিন্তু আমাকে আস্ত রাখবে না। তাড়াতাড়ি গিয়ে ভিজে কাপড় গুলো চেঞ্জ করে নে। আমি: ওক্কে সোনা আপি। আলোর গালে ছোট্ট একটা চুমু দিয়ে পিছনের দরজা দিয়ে বাসার ভিতরে আসলাম আর সোজা গোসল করতে চলে গেলাম। আমি সাবরিনা সাবা চারু। ছোট বোন আলো আর আব্বু আম্মু এই আমাদের ছোট্ট সংসার। আব্বু ছোটখাটো একটি সরকারি চাকরী করেন, আম্মু গৃহিণী। আমি অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছি আর ছোট বোন আলো ক্লাস নাইনে পড়ছে। আমাদের আসল বাড়ি ঢাকায় হলেও আব্বুর চাকরীর সুবাদে খাগড়াছড়ি থাকি প্রায় চার বছর ধরে। আর... আব্বু: চারু মা নাশতা করবি আয়। আমি: আসছি আব্বু। তোয়ালে দিয়ে চুল মুছতে মুছতে ডাইনিং এর দিকে গেলাম। আব্বু, আম্মু আর আলো নাশতা সামনে নিয়ে বসে আছেন। আমি: কি হলো তোমরা খাচ্ছ না কেন? খাবার সামনে নিয়ে কেউ বসে থাকে? (চেয়ার টেনে বসতে বসতে একটু আলুর পরোটা মুখে পুরে দিলাম। বসার পর লক্ষ করলাম আম্মু আমার দিকে অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। কি হলো ব্যাপারটা? আব্বুর দিকে তাকালাম, আব্বু আমার চুলের দিকে ইশারা করলেন। যাহ্ চুল দিয়ে টুপটুপ করে পানি পড়ছে তো) আম্মু: এই তুই সাত সকালে গোসল করেছিস কেন? আমি: কারণ কলেজে যাবো সিম্পল। আম্মু: চারু আজ শুক্রবার। (পরোটা হাতে নিয়ে জিহ্বায় কামড় দিলাম, মিথ্যে বলে লাভ হলো না? এবার?) আম্মু: নিশ্চয় বৃষ্টিতে ভিজেছিস। আব্বু: কি যে বলো না, এই সকাল বেলা বৃষ্টিতে ভিজবে? গোসলই করেছে, আসলে আজ যে শুক্রবার সেটা চারু ভুলে গিয়েছিল। আমি: হ্যাঁ একদম তাই। আম্মু: বৃষ্টিতে ভিজার জন্য এতো বকা শুনিস তবুও শোধরাস না, তোকে নিয়ে আর পারছি না। (আম্মু উঠে এসে আমাকে দাঁড় করিয়ে তোয়ালে দিয়ে চুল মুছে দিচ্ছেন) আম্মু: এত্তো বড় মেয়ে হয়েছে চারপাশ থেকে বিয়ের সমন্ধ আসছে, বিয়ে দিলে বাচ্চাকাচ্চার মা হয়ে যাবে অথচ এখনো নিজের চুল মুছতে শিখেনি। আলো: আচ্ছা আপুনি তুই তো নিজের চুলের পানিই মুছতে পারিস না তোর বাচ্চাকাচ্চার চুল মুছে দিবে কে? আমি: তোর কাছে পাঠিয়ে দিবো। (আম্মু তোয়ালেটা আমার কাধে দিয়ে খেতে বসলেন) আম্মু: এই তুমি ওর বিয়ের ব্যবস্থা করো তো। সেদিন যে এক ঘটক ওর ছবি নিলো কিছু জানিয়েছে? আব্বু: কি জানাবে জানিই তো। আমি: বিয়ে? আম্মু: হ্যাঁ। স্বামীর হাতে চড় থাপ্পড় খেলে এসব বাচ্চামি স্বভাব ছেড়ে দিবি। আমি: বললেই হলো? আমাকে একটা থাপ্পড় দিলে আমি বেডার গাড় মটকে দিয়ে চলে আসবো না? একমনে খাচ্ছি আর এসব বলে যাচ্ছি হঠাৎ শুনশান নীরবতা দেখে আম্মুর দিকে তাকালাম, অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। আম্মুর ভাব ভালো না, দুটো পরোটা হাতে নিলাম, আম্মু চামচ হাতে তেড়ে আসতেই দিলাম দৌড়। আম্মুর হাত থেকে বেঁচে ফিরেছি এটাই অনেক, চামচের বারি তো খেতে হয়নি। খাটের মাঝখানে বসে একটা বালিশ কোলে নিলাম, মোবাইলটা হাতে নিয়ে ডাটা অন করলাম। মেসেঞ্জার আর নোটিফিকেশন এর টুংটাং শব্দে কান একদম জ্বালাপালা হয়ে যাচ্ছে, কয়েকদিন হলো ফেবুতে আসা হয়না তাই এই অবস্থা। মেসেঞ্জারে ঢুকলাম, উর্মি বার্মা আইডি থেকে অনেক গুলো মেসেজ, "এই তুই ফেবুতে আসিস না কেন?" "কাল তো কলেজ বন্ধ আমাদের এখানে আসিস আড্ডা হবে" "রিপ্লে দিচ্ছিস না কেন? বেঁচে আছিস নাকি উপারে চলে গেছিস? নাকি কোনো রাজকুমার এসে তোকে নিয়ে গেছে?" সাথে অনেক গুলো হাসির ইমুজি। আর একটা মেসেজও পড়তে ইচ্ছে হচ্ছে না। ফোনটা হাত থেকে রেখে দিলাম আর বিছানাচাদরটা টেনে গায়ে দিয়ে শুয়ে পড়লাম। উর্মির মেসেজটার কথা ভাবছি, রাজকুমার? সত্যিই কি কোনো রাজকুমার আসবে আমার জীবনে? আব্বু আম্মু তো রাজকুমারই খুঁজছেন কিন্তু ওরা সবাই তো সুন্দরের পূজারী, আমার গায়ের রঙ শ্যামলা দেখেই ওরা পালায়। আচ্ছা ফর্সা আর বড়লোক হলেই কি রাজকুমার হওয়া যায়? আব্বু যে কেন সুন্দর আর বড়লোক ছেলে খুঁজেন বুঝিনা, আমার তো শুধু একটা রাজকুমার চাই। হউক না রাজকুমারের গায়ের রঙ কালো কিংবা শ্যামলা, চেহারাটায় একটা মায়া মায়া ভাব থাকলেই চলবে। রাজকুমারের চোখ দুটো হবে গভীর, যে চোখের গভীরতায় বারবার হারিয়ে যেতে ইচ্ছে হবে। গাল ভরতি খোঁচা খোঁচা দাড়ি থাকবে, ঠোঁটের কোণে সবসময় একটা মিষ্টি হাসি লেগেই থাকবে। চুলগুলো হবে এমন যেন হালকা মৃদু বাতাসেই চুলগুলো এলোমেলো হয়ে দোলে। আর বুক হবে লোমহীন যে বুকে মাথা রেখে আমি কাটিয়ে দিবো হাজারটা শতাব্দী। আর আমাকে ভালোবাসবে প্রচুর। আলো: আপুনি? (হঠাৎ আলোর ডাকে হকচকিয়ে উঠলাম) আলো: কিরে একা একা শুয়ে শুয়ে হাসছিস যে? ভূতে... আমি: এই চুপ। আলো: বুঝি বুঝি সব বুঝি। আমি: ঘোড়ার ডিম বুঝো তুমি, কেন এসেছিস বলে চলে যা। আলো: যাচ্ছি যাচ্ছি, যে বিয়ের সমন্ধটা ছিল এইটাও ক্যান্সেল। শ্যামলা বলে ছেলে না করে দিয়েছে। আমি: ছেলেটার ফোন নাম্বার আছে তোর কাছে? আলো: না। কিন্তু কেন? আমি: ফোন করে বলতাম কোনো ধবল রোগীকে বিয়ে করে নিতে। কথাটা বলে দুবোন এক সাথে ফিক করে হেসে দিলাম। আমার মতে যে ছেলে মেয়েরা বিয়ের জন্য ফর্সা মেয়ে বা ছেলে খুঁজে তাদের উচিত ধবল রোগীদের বিয়ে করা। সন্ধ্যার আকাশ, গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। আজ সারাদিন ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিলাম। আর এখন জানালার পাশে বসে সন্ধ্যার অপরূপ সৌন্দর্য দেখছি। একে তো সন্ধ্যা তার উপর আবার গুড়িগুড়ি বৃষ্টি, দুটোয় মিলেমিশে পাহাড়ের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে হাজারগুণ বেশি। খাগড়াছড়ি সত্যিই খুব সুন্দর এলাকা। খাগড়াছড়িকে বলা হয় রূপের রাণী, কথাটা মুটেও মিথ্যে নয়, সত্যিই রূপের রাণী এই খাগড়াছড়ি। বছর চারেক হলো এখানে আছি, খাগড়াছড়ির বিভিন্ন জায়গা ঘুরে বেড়িয়েছি, প্রকৃতি প্রেমী তো। আমরা দুবোন এতোটাই প্রকৃতি প্রেমী যে আব্বুকে সোজা বলে দিয়েছি এই সৌন্দর্যময় খাগড়াছড়ি ছেড়ে আর কোথাও যাবো না, আব্বু আমাদের খুব ভালোবাসেন তো ব্যস এখানে ছোট্ট একটি কুঁড়েঘর বানিয়ে নিলেন। পাহাড়ের টিলার উপর ছোট একটি বাড়ি আমাদের। বাড়ির সামনে দুবোনের সখের ছোটখাটো একটি ফুলের বাগান। বাগান, ঘরের বারান্দা কিংবা জানালা থেকে দূরে তাকালে যতো দূর চোখ যাবে শুধু পাহাড় চোখে পড়বে। সবুজে ঘেরা পাহাড়ের সৌন্দর্য ঘরে বসে দেখতে পাওয়ার মধ্যে যে আনন্দ আছে তা আর কিছুতে নেই। পাহাড়ের দিকে চোখ পড়লেই মনে হবে যেন পাহাড় দুহাত মেলে ডাকছে তার কাছে, সবুজে ঘেরা পাহাড়ের দিকে একবার চোখ পড়লে আর চোখ ফেরাতে যেন ইচ্ছে করে না। আম্মু: চারু চারু... (হঠাৎ আম্মু আসলেন, জানালার কাছ থেকে সরে আসলাম) আম্মু: আযান হচ্ছে শুনছিস না? নামাজ কে পড়বে? আমি: যাচ্ছি। আম্মু: প্রকৃতি প্রেমী হয়ে জান্নাতে যেতে পারবে না, জান্নাতে যেতে হলে নামাজ পড়তে হবে। আমি: যাচ্ছি তো। আম্মু চলে গেলেন, আমিও ওযু করতে ওয়াশরুমের দিকে গেলাম। নামাজ শেষে বাগানের ছোট দোলনাটায় আলো আর আমি বসে আছি। সন্ধ্যার পর বৃষ্টি একটু থেমেছে। ঘুটঘুটে অন্ধকার, চারপাশে শুনশান নীরবতা। আলো: আপুনি চলো রুমে যাই, ভয় লাগছে। আমি: কেন? আলো: কি অন্ধকার দেখেছ চারপাশ? আকাশে শুধু মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে একটা তারাও নেই। আমি: অন্ধকারই তো ভালো। ব্যস্ত এই নগরীতে এতো নীরবতা কখনো দেখতে পাস? রাতের আধারেই শুধু নীরবতা নেমে আসে এই পাহাড়ের বুকে। আলো: অনেক দিন হলো কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয় না চলো কোথাও ঘুরে আসি। আমি: এখন গেলে আম্মু রেগে যাবে, তোর পরীক্ষা হয়ে যাক তারপর যাবো। আলো: আম্মু তো এমনিতেই খুব রেগে আছে। আমি: কেন? আলো: এইযে তোমার এই বিয়ের সম্বন্ধটাও ক্যান্সেল হয়ে গেল। এই নিয়ে নয়টা হলো। (কালো মেয়েদের নিয়ে বাবা মায়ের এই এক জ্বালা, সবাই সুন্দর চেহারা খুঁজে, কালো রঙের মেয়েরা যেন মানুষই না) আলো: আপুনি কিছু বলছ না যে? আমি: আব্বুকে তো অনেক বুঝালাম কিন্তু আব্বু বুঝতে নারাজ। তুই আব্বুকে বলিস আমি সুন্দর চেহারার মানুষ চাইনা কিংবা যার অনেক টাকা আছে তাকেও চাইনা। আমি সুন্দর মনের একটা মানুষ চাই। বড়লোক রাজকুমার হয়তো আমাকে নিয়ে মাসে দু চারবার লন্ডন, কানাডা কিংবা নেপাল ঘুরে আসবে কিন্তু এসবে আমি তৃপ্তি পাবো না। আমি চাই খুব সাধারণ একজন মানুষ, যে আমাকে সবটুকু উজাড় করে দিয়ে ভালোবাসবে। যে শত ব্যস্ততার মাঝে একটুখানি সময় বের করে হুট করে কোনো এক বিকেলে এসে বলবে "চলো ফুটপাত ধরে হাটতে হাটতে দশ টাকার বাদাম খেয়ে আসি" আলো: আপু এজন্যই তোমাকে এতো ভালোবাসি। তুমি খুব সাধারণ সহজসরল একটা মানুষ। কিন্তু তোমার এই সাধারণতার মাঝে যে এক অসাধারণতা লুকিয়ে আছে তা কি তুমি জানো? যে তোমার এই অসাধারণতা খুঁজে নিতে পারবে সে সত্যিই খুব ভাগ্যবান হবে। আর আমি দোয়া করি তুমি যেমন চেয়েছ আল্লাহ্ যেন তোমাকে তেমনি একজন মানুষ দান করেন। (মৃদু হেসে আলোর নাক টেনে দিলাম) আমি: অনেক হয়েছে পাকনি বুড়ি এবার রুমে চল নাহলে আম্মু আবার বকা দিবে। আলো: চলো। রাতের খাবার খেয়ে বিছানায় এসে শুলাম। আলো বিছানায় শুতেই ঘুমের রাজ্যে চলে গেল কিন্তু আমার চোখে কিছুতেই ঘুম আসছে না। মোবাইল হাতে নিয়ে ডাটা অন করলাম। অকারণেই নিউজফিড ঘাটাঘাটি করছি... সকালে ফোনের রিংটোনে ঘুম ভাঙ্গলো, ঘুম ঘুম চোখে মোবাইলটা খুঁজে ফোন রিসিভ করলাম। আমি: হ্যালো। আরিয়া: কিরে তুই এখনো ঘুমুচ্ছিস? কলেজে আসবি না? আমি: হ্যাঁ আসবো তো। আরিয়া: কখন? কয়টা বাজে সে খেয়াল আছে? (ঘুম ঘুম চোখে দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকালাম, নয়টা বায়ান্ন বাজে? লাফ দিয়ে উঠলাম) আমি: রাখ রাখ আসছি। আরিয়া: তাড়াতাড়ি। তাড়াহুড়ো করে রেডি হয়ে ব্যাগটা হাতে নিয়েই বেড়িয়ে পড়লাম। কিন্তু ড্রয়িংরুমে আসতেই আম্মু এসে সামনে দাঁড়ালেন। আমি: কি? আম্মু: কিছু না খেয়ে কোথায় যাচ্ছিস? আমি: অনেক দেরি হয়ে গেছে আম্মু, তুমিই তো ডাকোনি। আম্মু: নামাজ পড়ার জন্য অনেক বার ডেকেছি তুই উঠিসনি, ভাবলাম শরীর খারাপ নাকি। কিন্তু... আমি: ক্যান্টিনে কিছু খেয়ে নিবো টাটা। পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তা ধরে হাটছি আর গুণগুণ করে গান গাইছি। কলেজ এইতো কাছেই হেটেই যাওয়া যায়। আনমনা হয়ে হাটছি আর রাস্তার পাশের লতাপাতার গাছ গুলোকে আলতো হাতে ছুঁয়ে দিচ্ছি। হঠাৎ কোথা থেকে যেন পানি এসে পড়লো আমার উপর, ময়লা পানিতে আমার ড্রেস একদম ভিজে গেছে। কিছু বুঝতে না পেরে পাশ ফিরে তাকালাম, একটা বাইক খুব স্পীডে গিয়ে সামনে থামলো। তারমানে এই বাইকওয়ালা নিজেকে নায়ক ভাবতে ভাবতে বাইক চালাচ্ছিল আর ভাঙ্গা রাস্তায় জমে থাকা পানি... হর্ন এর শব্দে ছেলেটার দিকে তাকালাম। ইচ্ছে হচ্ছে কাছে গিয়ে গলা চেপে ধরি। দুহাতে হেলমেট খুলে ছেলেটা আমার দিকে তাকিয়ে রইলো, ইচ্ছে হচ্ছে... এইতো পেয়েছি, রাস্তার পাশে এক টুকরো ইট পেলাম ব্যস ছুড়ে মারলাম ছেলেটার দিকে। ভাগ্য খারাপ ইটের টুকরোটা ছেলেটার উপর পড়লো না, ছেলেটা রাগি চোখে তাকিয়ে চলে গেল। নিজে দোষ করলো আবার নিজেই রাগ দেখাচ্ছে যত্তোসব। কিন্তু এবার আমার কি হবে? বাসায় এসে কলিংবেল বাজালাম। আম্মু: চারু একি অবস্থা তোর? (আম্মু দরজা খুলে আমাকে দেখেই প্রশ্ন করলেন) আমি: আর বলো না এক বজ্জাত ছেলে নিজেকে নায়ক ভাবতে ভাবতে রাস্তায় বাইক চালাচ্ছিল, ভাঙা রাস্তায় ময়লা পানি জমে ছিল ব্যস... আম্মু: হয়েছে আজ আর কলেজে যেতে হবে না। আমি: না আম্মু সামনে পরীক্ষা এখন ক্লাস মিস দিলে চলবে না। চেঞ্জ করে চলে যাবো, প্রথম ক্লাস মিস হবে আরকি। আম্মু: ঠিক আছে তাড়াতাড়ি যা তাহলে। রুমে এসে ড্রেস চেঞ্জ করে নিলাম। আর ফ্রেশ হয়ে আবারো কলেজের দিকে রওনা দিলাম। কলেজের গেইটে আসতেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো, দৌড়ে ক্লাসে আসলাম। আরিয়া আর উর্মি আমাকে দেখেই ইশারায় ডাকলো, ওদের কাছে এসে বসলাম। উর্মি: ভিজে গেছিস তো। আমি: এসব কিছুনা। আরিয়া: তোর তো আবার বৃষ্টিতে ভিজতে খুব ভালো লাগে। (আরিয়ার কথা শুনে মুচকি হাসলাম) আরিয়া: এত দেরি করলি যে? প্রথম ক্লাস তো সেই কখন শেষ। আমি: আর বলিস না এক বজ্জাত ছেলে... উর্মি: কি? (ওদের দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকালাম আর সব বললাম। ফাজিল দুইটা হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে) আমি: তোরা হাসছিস? উর্মি: আমিতো ভাবছি সিনেমার মতো না আবার ছেলেটার সাথে তোর প্রেম হয়ে যায়। আমি: সিনেমা আর বাস্তব কি এক? তাছাড়া ওসব প্রেমের ধারেকাছে আমি নেই বাবা। আরিয়া: বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই কিন্তু সিনেমা বানানো হয়। আর প্রেম? কখন কিভাবে হয়ে যাবে বুঝতেই পারবি না। উর্মি: এই ছেলেটা দেখতে কেমন ছিলরে? সুন্দর তো? (উর্মির কথা শুনে ছেলেটার মুখ চোখের সামনে ভেসে উঠলো। হেলমেট যখন খুলেছিল তখন হালকা হিমেল বাতাসে তার চুলগুলো এলোমেলো হয়ে দুলছিল, আর চোখ দুটো...) আরিয়া: কিরে কি হলো? আমি: কিছুনা। উর্মি: ওসব বাদ দে, বৃষ্টি হচ্ছে একটা গান... আমি: পারবো না। আরিয়া: বৃষ্টির দিনে তোর কন্ঠে গান না শুনলে একদমই ভালো লাগে না। উর্মি: ঠিক তাই। স্যার আসতে যখন দেরি করছে তাহলে একটা গান গেয়ে শুনা প্লিজ! আমি: আমার কর্কশ কন্ঠে গান শুনে যে কি ভালো লাগে তোদের তোরাই জানিস। আরিয়া: তোর কন্ঠে কি জাদু আছে তা তুই নিজেও জানিস না। উর্মি: আমাদের জন্য গাইবি না? আমি: আমার দুইটা কলিজার জন্য না গাইলে কার জন্য গাইবো? (মিষ্টি হেসে গান শুরু করলাম) এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন, কাছে যাব কবে পাব ওগো তোমার নিমন্ত্রণ? যুঁথি বনে ওই হাওয়া করে শুধু আসা-যাওয়া, হায় হায়রে দিন যায়রে ভরে আধারে ভুবন! কাছে যাব কবে পাব ওগো তোমার নিমন্ত্রণ? এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন, কাছে যাব কবে পাব ওগো তোমার নিমন্ত্রণ? শুধু ঝড়ে ঝড়ো ঝড়ো আজ বারি সারাদিন, আজ যেন মেঘে মেঘে হলো মন যে উদাসীন! আজ আমি ক্ষণে ক্ষণে কী যে ভাবি আনমনে, তুমি আসবে ওগো হাসবে কবে হবে সে মিলন... হঠাৎ উর্মির ইশারায় গান বন্ধ করলাম। পুরো ক্লাস জুড়ে নীরবতা, সবাই দরজার দিকে তাকিয়ে আছে। আরে সেই ছেলেটা তো, এখানে কি করছে? উনি কি আমাদের নতুন টিচার? অদ্ভুত এক মুগ্ধতায় উনি আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। আচ্ছা এতো মুগ্ধতা নিয়ে উনি তাকিয়ে আছেন কেন? তবে কি উনি এতক্ষণ আমার গান শুনছিলেন? হবে হয়তো, উনি এখনো মুগ্ধ নয়নে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন, মুগ্ধতার রেশ যেন কাটছেই না... চলবে😍 (আবারো নতুন গল্প নিয়ে ফিরে আসলাম সবার মাঝে❤ গল্পের ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং অবশ্যই ভুল গুলো কমেন্টে ধরিয়ে দিবেন) #এক_পশলা_বৃষ্টি পার্ট: ২ লেখিকা: সুলতানা তমা অনেকক্ষণ ধরে উনি আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকায় আমার কেমন যেন অসস্তিবোধ হচ্ছে, ক্লাসের সবাই একবার উনার দিকে তাকাচ্ছে তো আবার আমার দিকে তাকাচ্ছে। আমি উনার থেকে চোখ ফিরিয়ে নিয়ে মাথা নিচু করে জড়োসড়ো হয়ে বসে রইলাম। উর্মি আমার অবস্থা বুঝতে পেরে উঠে দাঁড়ালো। উর্মি: গুড মর্নিং স্যার। (স্যার শব্দটা শুনে বেশ কিছুটা অবাক হয়েই উনার দিকে তাকালাম) স্যার: গুড মর্নিং। (উর্মির কথায় যেন উনার হুশ ফিরলো, ক্লাসে ঢুকে সবার সামনে এসে দাঁড়ালেন। উনি এখনো আড়চোখে আমাকে দেখে যাচ্ছেন) উর্মি: বুঝলাম না স্যার তোর দিকে এভাবে তাকিয়ে ছিলেন কেন? আরিয়া: গান শুনে মুগ্ধ হয়ে হয়তো। আমি: স্যার? উর্মি: হ্যাঁ আমাদের নতুন টিচার, ইংলিশ... আমি: কিন্তু এ তো সেই ছেলে যে রাস্তায়... উর্মি: এবার বুঝলাম স্যার কেন তোর দিকে এভাবে তাকিয়ে ছিলেন। আরিয়া: প্রথম দেখা রাস্তার মাঝে এভাবে হুট করে তারপর, দ্বিতীয় দেখায় মনোমুগ্ধকর ভাবে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা, বাহ্ বেশ সুন্দর ভাবে এগুচ্ছে। (দুইটা মিলে ফিক করে হেসে দিলো। ইচ্ছে হচ্ছে দুইটাকে...) আমি: কিসব বলছিস? উনি আমাদের টিচার, টিচারকে নিয়ে এসব ভাবা বা মজা করে বলা কিন্তু বেয়াদবি। স্যার: এইটা কি হাসি ঠাট্টার জায়গা? (স্যারের ধমক শুনে তিনজন কেঁপে উঠে সামনে তাকালাম। ওরে বাবা এতো স্যার নয় যম) স্যার: কথা বলার বা হাসাহাসি করার ইচ্ছে থাকলে বাইরে যেতে পারো, আমার ক্লাসে এসব চলবে না। উর্মি: স্যার তো নয় যেন আস্ত একটা রাক্ষস। (উর্মি ফিসফিস করে কথাটা বলতেই ফিক করে হেসে দিলাম, পরক্ষণেই মনে হলো আমাদের সামনে একজন রাক্ষস স্যার দাঁড়িয়ে আছেন। স্যার তো আমাদের দিকেই এগিয়ে আসছেন) স্যার: ক্লাস করতে এসেছ নাকি হাসতে এসেছ? (স্যার আমার দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করলেন, মুখ কাছুমাছু করে বসে আছি) স্যার: আর তোমার কলেজ ড্রেস কোথায়? (এবার বেডাকে শায়েস্তা করা যায়, উঠে দাঁড়ালাম) আমি: বলবো স্যার? স্যার: হ্যাঁ বলতেই তো বলেছি। আমি: রাস্তার কথা ভুলে গেলেন? সবার সামনে বলবো আপনি যে বেপরোয়া ভাবে বাইক... স্যার: বসো। (দাঁত খিচিয়ে ধমক দিয়ে বসতে বলে চলে গেলেন, ব্যস হয়েছে) স্যার: সকালে তো তোমাদের সাথে আমার পরিচয় হলো, আমি স্নিগ্ধ, তোমাদের ইংলিশ টিচার। (স্নিগ্ধ? খুব সুন্দর নাম। আর আমার সাবজেক্ট এর টিচার তারমানে এই স্যারকে একটু বেশি জ্বালানো যাবে হিহিহি। আবার হেসে ফেললাম? তাড়াতাড়ি মুখ চেপে ধরে সামনে তাকালাম, স্যার আমার দিকে অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন দেখে মাথা নিচু করে ফেললাম) স্যার: আজ যেহেতু প্রথম ক্লাস তাই আজ কোনো পড়াশোনা নয়, আজ সবাই মিলে গল্প করবো। বাহ্ এমন রাগি স্যার আবার গল্প করতেও জানেন? স্যার সবার সাথে এইটা ওইটা নিয়ে কথা বলছেন। আমি জানালা দিয়ে বৃষ্টি দেখছি, ইচ্ছে হচ্ছে ছুটে বাইরে গিয়ে দুহাত ছড়িয়ে দিয়ে বৃষ্টিতে ভিজি। উর্মি, আমি আর আরিয়া তিনজন মিলে হাটছি, হঠাৎ কে যেন পিছন থেকে ডাকলো। স্যার: এই মেয়ে? (পিছনে তাকিয়ে দেখি স্নিগ্ধ স্যার, কিন্তু ডাকছেন কাকে? আমরা তিনজন তো এখানে) স্যার: ডাকছি শুনতে পাচ্ছ না? আরিয়া: তোকে ডাকছে চারু। (স্যারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি বুক ধুকপুক ধুকপুক করছে, ক্লাসে হাসার জন্য হয়তো আবারো ঝারি দিবে) স্যার: সরি তোমার নাম জানা নেই তাই এই মেয়ে বলে ডাকতে হলো। আমি: সাবরিনা সাবা চারু, সবাই চারু নামেই ডাকে। স্যার: অনেক লম্বা নাম। যাই হউক যে জন্য ডেকেছি, সরি। আমি: কেন স্যার? স্যার: আসলে আজ এই কলেজে প্রথম দিন আর আজই আসতে দেরি হয়ে গিয়েছিল। তাড়াহুড়ো করে আসতে গিয়ে বাইক স্পীডে চালাতে হয়েছিল আর রাস্তায় তোমার উপর ময়লা পানি... আমি: ইট'স ওকে স্যার। স্যার: আমি কিন্তু তখনি তোমায় সরি বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু তুমি ইট ছুড়ে মারায় রেগে গিয়ে আর বলিনি। আমি: আসলে আমারো আজ কলেজে আসতে দেরি হয়েছিল তাই তখন রেগে গিয়ে ইট ছুড়ে মারি। স্যার: হুম সাহস আছে বলতে হয়। পাহাড়ের আঁকাবাঁকা ফাঁকা রাস্তায় একটা ছেলেকে ইট ছুড়ে মারলে ভয় হয়নি? আমি: নিজেকে রক্ষা করার জন্য মারপিটও করতে জানি। স্যার: কিন্তু পড়ালেখায় তো ঢেঢ়স। আমি: মানে? স্যার: ক্লাসে এত হাসাহাসি করা ভালো নয়, সামনে পরীক্ষা পড়ালেখায় মন দাও। তোমার সাবজেক্ট কি? আমি: ইংলিশ। স্যার: বাহ্ ভালো। আচ্ছা ভালো থেকো আর আবারো সরি। আমি কিন্তু বেপরোয়া ভাবে বাইক চালাই না। স্যার মৃদু হেসে চলে গেলেন। যতোটা বদমেজাজি ভেবে ছিলাম ততোটাও না। দাঁড়িয়ে স্যারের চলে যাওয়ার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলাম হঠাৎ ফাজি দুইটা এসে আমাকে ঝাপটে ধরলো। উর্মি: এই স্যার কি বললো? আরিয়া: প্রথম দিনই তোকে ডেকে নিয়ে কথা বললো? আমি: সরি বলেছেন রাস্তার ওই ঘটনার জন্য। উর্মি: তাই বল আমরা আরো ভাবলাম... আমি: ইশশ কি করে যে তোরা পারিস? স্যার হন উনি আমাদের, শ্রদ্ধা করতে শিখ। আরিয়া: হুম শ্রদ্ধা করি তো। কিন্তু স্যার বলে কি তাকে ভালোবাসা যাবে না? স্যার বিয়ে করবে না কখনো? আমি: এই চুপ এসব কি বলছিস? আরিয়া: দেখ প্রত্যেক স্যার মেডামই কিন্তু বিয়ে করেন, স্নিগ্ধ স্যারও বিয়ে করবেন। এরেঞ্জ ম্যারেজ হলে উনার পরিবার যাকে পছন্দ করবে তাকে বিয়ে করবে। হয়তো মেয়েটা এই কলেজের ছাত্রী হবে না কিন্তু অন্য কোনো কলেজের ছাত্রী তো নিশ্চয় হবে। কিন্তু ছাত্রী তো, তারমানে স্যার কোনো ছাত্রীকেই বিয়ে করবেন। আমি: তোদের সাথে কথায় পারা জাস্ট অসম্ভব। উর্মি: স্যারের সাথে কিন্তু তোকে সেই মানাবে। ফাজি মেয়ে দুইটা। চলে আসলাম ওদের কাছ থেকে, কেন যে ওদের মাথায় এসব ঘুরপাক খাচ্ছে কে জানে। বাগানের দোলনায় বসে আছি, বিকেলের মৃদু বাতাস বেশ ভালো লাগছে। আনমনা হয়ে বাগানের ফুল গুলো দেখছিলাম হঠাৎই চোখের সামনে স্নিগ্ধ স্যার এর মুখটা ভেসে উঠলো। মুগ্ধনয়নে আমার দিকে এক দৃষ্টিতে উনার তাকিয়ে থাকার মুহূর্তটা কিছুতেই ভুলতে পারছি না। কেন এমন হচ্ছে? কেন আমি উনার ভাবনা এক মুহূর্তের জন্য মন থেকে সরাতে পারছি না? বারবার শুধু উনার মুখটা আমার দুচোখের সামনে ভেসে উঠছে। আলো: আপুনি? (হঠাৎ আলোর ডাকে কেঁপে উঠলাম) আলো: দুচোখ বন্ধ করে কি বিড়বিড় করছিস? আমি: কিছু না। আলো: আম্মু আর আব্বু ডাকছেন, চল। আমি: হুম চল। আব্বু বিছানায় আধশোয়া হয়ে শুয়ে আছেন আর আম্মু পাশে বসা। দুজন একসাথে আমাকে ডেকেছেন কেন বুঝতে পারছি না। আব্বু: চারু বস, আলো তুইও বস। (চেয়ারে বসতে বসতে আব্বুর দিকে তাকালাম) আমি: আব্বু তোমার কি শরীর খারাপ লাগছে? আব্বু: হ্যাঁ রে মা হঠাৎ করে শরীরটা খারাপ লাগছে, অফিস থেকে ছুটি নিয়ে চলে এসেছি। আম্মু: চারু কিছু কথা ছিল তোর সাথে। আমি: হ্যাঁ বলো। আম্মু: অনেক গুলো বিয়ের সমন্ধ তো আসলো, আমরা শিক্ষিত সুন্দর বড়লোক ছেলে খুঁজেছি কিন্তু ওরা তোর গায়ের রঙ শ্যামলা বলে... আমি: আম্মু আমি বুঝতে পারছি না তোমরা এখনি কেন আমার বিয়ে নিয়ে ভাবছ। আমিতো পড়াশোনা করছি, পড়াশোনা শেষ করে চাকরী... আব্বু: এত সময় আমার হাতে নেই মা। আমি: মানে? আম্মু: তোর আব্বুর শরীর আজকাল ভালো যাচ্ছে না, ভয় পাচ্ছেন উনি যদি কিছু হয়ে যায়... আমি: আম্মু কি বলছ এসব? আব্বু: তোর দাদা দাদী বেঁচে নেই, আমার কোনো ভাই নেই, বড় ছেলেও নেই যে আমি মারা গেলে তোদের ভাই তোদের দেখাশোনা করবে। আছেন একমাত্র তোদের মামা, আমার কিছু হয়ে যাওয়ার আগেই আমি তোর বিয়েটা দিতে চাই। তারপর আলোর দায়িত্ব নাহয় তোর মামা... আমি: জানিনা আব্বু তোমার কি হয়েছে হঠাৎ করে এতোটা ভয় কেন পাচ্ছ তবে তোমরা যা সিদ্ধান্ত নিবে আমি তাতেই রাজি। তোমরা যা করবে আমার ভালোর জন্যই তো করবে। আম্মু: অবশ্যই আমরা তোর ভালো চাই। চোখের সামনে ভালো ছেলে থাকতে আমরা এত খুঁজেছি। আলো: কে আম্মু? আম্মু: তোদের মামাতো ভাই সাইফুল। তোর মামা চান তোকে সাইফুলের বউ করে নিতে। আমি: তোমরা যা ভালো মনে করো করতে পারো আমার আপত্তি নেই। আম্মু: ঠিক আছে। ভাইয়ারা সবাই আগামী সপ্তাহে আসছেন। আমরা ফোনে কথাবার্তা বলে বিয়ের তারিখ ঠিক করে রাখবো আর ওরা আসলে পর বিয়ে হবে। আমি: ঠিক আছে। আব্বু: চারু মা? (উঠে চলে আসছিলাম আব্বু পিছু ডাকলেন) আমি: হ্যাঁ আব্বু। আব্বু: তুই খুশি তো? (আব্বুর কথা শুনে মৃদু হাসলাম। যারা আমাকে এতো ভালোবাসে তাদের খুশিতে আমি খুশি নাহয়ে পারি?) আমি: হ্যাঁ খুশি। কিন্তু আব্বু বিয়ের পর আমি কুমিল্লা চলে গেলে আমার পড়াশোনা? আম্মু: এসব বিষয়ে সাইফুলের সাথে তুই কথা বলে নিস। আমি: ঠিক আছে আম্মু। মিষ্টি হেসে চলে আসলাম। বারান্দার রেলিং-এ হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আনমনা হয়ে মেঘলা আকাশ দেখছি। আগামী সপ্তাহে আমার বিয়ে, জানিনা কথাটা যতোবার মনে পড়ছে ততো বারই কেন স্নিগ্ধ স্যার এর মুখটা চোখের সামনে ভেসে উঠছে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজের মনকে আনমনেই প্রশ্ন করলাম, বলতে পারিস কেন এমনটা হচ্ছে? কিন্তু কোনো উত্তর খুঁজে পেলাম না। রাত আনুমানিক একটা, প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে সাথে দমকা বাতাস আর বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। আমি জানালার গ্রীলে মাথা ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। বিদ্যুৎ চমকানোর ফলে অন্ধকার রুমটা বারবার আলোকিত হয়ে উঠছে। দমকা বাতাসে আমার চুলগুলো এলোমেলো হয়ে উড়ছে। স্নিগ্ধ স্যার এর কথা বড্ড বেশি মনে পড়ছে, উনার রাগী মুখটা বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছে। কেন এমন হচ্ছে এই প্রশ্ন নিজের মনকে বারবার করেও কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছি না। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললাম, কি হয়ে গেল হঠাৎ করে আমার? আমিতো এতোটা চুপচাপ ছিলাম না। কেন করছি আমি এমন? আব্বু আম্মু যা চাচ্ছেন তা আমি কেন খুশি মনে মেনে নিতে পারছি না। চারু ভুল করছিস বড্ড ভুল করছিস। যারা তোর জন্য এত ভাবে তাদের মনে কষ্ট দেওয়া একদমই ঠিক হবে না। নিজের বাবা মা'কে কষ্ট দিয়ে কখনো সুখী হওয়া যায় না। অনেক হয়েছে আর মন খারাপ করে থাকবো না, স্নিগ্ধ স্যার এর কথাও ভাববো না। আগামী সপ্তাহে আমার বিয়ে, বিয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে আমায়। নিজের মনকে কঠোর ভাবে কথাগুলো বলে চুপচাপ এসে বিছানায় শুয়ে পড়লাম। ভোরবেলা আম্মুর ডাকে ঘুম ভাঙ্গলো, আড়মোড়া দিয়ে চোখ কচলাতে কচলাতে উঠে বসলাম। আম্মু: কিরে নামাজ পড়বি না? আমি: হ্যাঁ পড়বো তো। আম্মু: তাড়াতাড়ি পড়ে নে। আর হ্যাঁ বিয়ের তারিখ ঠিক করে ফেললাম, আগামী শুক্রবার। (আর মাত্র চারদিন বাকি বিয়ের?) আম্মু: কিরে কিছু বলছিস না যে? আমি: কি বলব? আম্মু: মন খারাপ হচ্ছে? মন খারাপ করার কোনো প্রয়োজন নেই মা, তোর মামা আর মামী তোকে অনেক যত্নে রাখবে। আর সাইফুল তো খুব ভালো ছেলে দেখিস তোকে অনেক ভালোবাসবে। আম্মু আমার কপালে চুমু দিয়ে চলে গেলেন। আর মাত্র চারদিন আছি এই বাড়িতে? আব্বু, আম্মু, আলো সবাইকে ছেড়ে চলে যেতে হবে? উর্মি আর আরিয়া ওদের ছাড়া আমি থাকবো কিভাবে? কুমিল্লা চলে গেলে যে ওদের সাথে দেখাই হবে না, আমার রোজ কলেজে যাওয়ার কারণ ওরা, এই দুইটা যে আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড। নাশতা খেতে বসেছি হঠাৎই আমার রুম থেকে ফোনের রিংটোন এর শব্দ ভেসে আসলো, এই সময়ে কে ফোন দিলো? আম্মু: মনে হয় সাইফুল ফোন করেছে, আমার থেকে তোর নাম্বার নিয়েছিল। আমি: ওহ। আম্মু: যা কথা বল গিয়ে। এতদিন তো ভাই বোন হিসেবে কথা বলেছিস, এখন এই কয়দিন কথা বললে দুজনের মধ্যে থাকা জড়তাটা কেটে যাবে। আমি: হুম। আম্মুর দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে রুমের দিকে পা বাড়ালাম। ফোনের স্কিনে সাইফুল নামটা ভেসে উঠেছে, হুট করে কি কথা বলবো বুঝতে পারছি না। এতদিন ভাইয়া ডেকে এসেছি আর এখন কিনা ধ্যাত। কিন্তু ফোন রিসিভ না করলেও তো ঝামেলা। আমি: হ্যালো। ভাইয়া: কেমন আছিস? আমি: হুম ভালো। তুমি কেমন আছ? ভাইয়া: ভালো। (কি বলব বুঝতে পারছি না তাই চুপ করে রইলাম) ভাইয়া: কিছু বলছিস না যে? আমি: না এমনি। ভাইয়া: তোকে একটা কথা বলার ছিল। আমি: হ্যাঁ বলোনা শুনছি আমি। ভাইয়া: কিন্তু ফোনে কিভাবে... আমি: তাহলে পরে বইলো। ভাইয়া: হ্যাঁ চারদিন পর আসছি তো খাগড়াছড়িতে তখন নাহয় সামনাসামনি বলবো। আমি: ঠিক আছে। ভাইয়া: ব্যস্ত তুই? আমি: এইতো কলেজে যাবো এখন। ভাইয়া: ঠিক আছে। ফোন কেটে দিলো, হাফ ছেড়ে যেন বাঁচলাম। কিন্তু ভাইয়া কি বলতে চায়? আর ফোনে কেন বললো না? সামনাসামনি বলবে বললো, তবে কি প্রপোজ করবে? ভালোবাসে বলবে? হবে হয়তো। অবশেষে সাইফুল ভাইয়া আমার জীবনের রাজকুমার হতে চললো। ম্লান হেসে কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। এলোমেলো পায়ে হাটছি, কিছুই যেন ভালো লাগছে না। সবকিছু কেমন যেন হুট করে এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। সারাক্ষণ হাসিখুশি থাকা আমিটা হঠাৎ করে এমন চুপসে গেলাম কেন? বিয়ে ঠিক হয়েছে বলে? এইটা তো হওয়ারই ছিলো, অনেকদিন ধরেই তো বিয়ের কথা চলছে। তাছাড়া মেয়ে হয়ে জন্মেছি যখন বিয়ে করে তো পরের ঘরে যেতেই হবে। অন্য কোথাও তো না নিজের মামা মামীর কাছেই তো যাচ্ছি তাহলে এত কষ্ট হচ্ছে কেন আমার? নাকি এইটা... হঠাৎ করে গুড়িগড়ি বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো। তাড়াতাড়ি ব্যাগে হাত দিলাম কিন্তু ছাতা তো আনিনি। বেড়োনোর সময় ছাতা আনতে ভুলে গেছি, মাথা একদম নষ্ট হয়ে গেছে আমার কিন্তু এবার কি করবো? দৌড়ে রাস্তার পাশের বড় একটি গাছের নিচে এসে দাঁড়ালাম। গাছের পাতা থেকে টুপটুপ করে পানি পড়ছে, একদম ভিজে একাকার হয়ে যাচ্ছি। নিচু হয়ে হাতের পানি ঝেড়ে ছাড়াচ্ছিলাম হঠাৎ আর বৃষ্টি পড়ছে না অনুভব করে অবাক হলাম। কিন্তু বৃষ্টি তো এখনো থামেনি তাহলে আমার উপর পড়ছে না কেন? মাথা তুলে পাশে তাকাতেই চমকে উঠলাম, স্নিগ্ধ স্যার? ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে আছেন আমার সামনে। ছোট ছাতা, ভিজে যাচ্ছি বলে উনি আর একটু এগিয়ে আসলেন আমার কাছে। উনার এতো কাছে দাঁড়াতে কেমন যেন অস্বস্তি হচ্ছে আমার। আমিতো রাতে নিজেকে শক্ত করে নিয়েছিলাম, ভেবেছিলাম আর উনার কথা ভাববো না। কিন্তু... স্যার: বর্ষাকাল তার উপর পাহাড়ি রাস্তা, ছাতা নিয়ে বের হবে না? ভাগ্যিস আমি... আমি: আপনি চলে যান, বৃষ্টি কমলে আমি চলে যাবো। স্যার: ততোক্ষণে কাক ভেজা হয়ে যাবে। ভেজা অবস্থায় কলেজে যাবে নাকি? (একটু দূরে সরে আসলাম, বুকের ধুকপুকানিটা হঠাৎ কেন যেন খুব বেড়ে যাচ্ছে) স্যার: আচ্ছা মেয়ে তো তুমি, ভিজে যাচ্ছ বলে উপকার করতে আসলাম আর তুমি... স্যার আমার আর একটু কাছে এসে ছাতাটা ভালোভাবে আমার মাথার উপর ধরলেন। ছাতা আনিনি তার উপর আবার উনাকে চলে যেতে বলেছি, সবকিছুর জন্য উনি রাগি কন্ঠে কথা শুনাচ্ছেন আমায়। কিন্তু উনার কোনো কথা আমার কান অব্ধি পৌছাচ্ছে না, আমি এক দৃষ্টিতে উনাকে দেখছি। এতো কাছ থেকে উনাকে কখনো দেখবো ভাবিনি। ঠান্ডা হিমেল বাতাসে উনার চুলগুলো হালকা দোলছে, চোখ দুটোতে রাগ যেন উপচে পড়ছে কিন্তু তবুও চোখের বিশাল গভীরতা বুঝা যাচ্ছে, ফর্সা গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ি, পড়নে কালো রঙের টি-শার্ট। সবকিছু মিলে একদম আমার স্বপ্নের রাজকুমারের মতো...
অসমিকরণ (পর্ব১) পেতে যাচ্ছিলাম প্রমোশন হয়ে গেলাম ভাইরাল। একই পরিবারের ৫ জনকে খুন এবং বাড়ি লুট করার আসামিকে ধরার কেইসটা আমিই নিয়েছিলাম। দেড় মাসের মাথায়ই আমি এরেস্ট করতে পারছিলাম। কিন্তু এরেস্ট যাকে করেছি সে এক প্রভাবশালীর ছেলে।এরেস্ট করার পর অন্য কারো মাধ্যমে আমাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। সাচপেন্ড হয়েছি এক বছরের।আমার হাতে এই মুহূর্তে কোনো ডকুমেন্টস নাই। মাথা নিচু করে বেড়িয়ে এলাম পুলিশ অফিসারদের সামনে থেকে। আমি আয়ান চৌধুরী। সিনিয়র ইইন্সপেক্টর। বাসা যশোর জেলায়। দুইমাস আগে বদলী হয়ে নতুন জেলায় এসেছি। এখানে এসে একটা কেইস হাতে নিয়েছি। খুন এবং ডাকাতির কেইস। এক বিত্তশালীর ছেলে ডাকাতি করতে গিয়ে পরিবারের সবাইকে খুন করে দিয়েছে। আমার আগে এখানে যে অফিসার ছিলো সে টানা দুই মাস ইনভেস্টিগেট করেও খুনীকে ধরতে পারে নি। তাই আমাকে এখানে ট্রান্সফার করা হয়েছে। কারণ পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এ আমার মোটামুটি ভালোই নামডাক আছে। এখানে এসে কেইস টা নিয়ে যতটুকু ঘাটাঘাটি করলাম তাতে মনে হচ্ছেনা কেইস টা এতটাও জটিল। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এখানে কেউই মুখ খুলতে চাচ্ছেনা, অথচ সবাই জানে সবকিছু। এই কারণে কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ ও পাচ্ছিনা। অনেক কষ্টে কিছু প্রমাণ যোগাড় করলাম। কিন্তু বিপত্তি বাঁধলো অন্য জায়গায়। আসামীর বাবা এখানকার মেয়র। তিনি যথেষ্ট প্রভাবশালী এবং সম্পদশালী। অবৈধ টাকার পাহাড় জমিয়েছেন। অনেক অপকর্ম করেন। কিন্তু ভয়ে কেউ কিছুই বলে না। তিনি আমাকে ডেকে পাঠালেন এবং হুমকি দিলেন যে যদি আমি প্রমাণ গুলো যেন আদালতে না দেই। তাহলে নাকি আমার ক্ষতি করে দিবেন। আমি ওনার কথায় কোনো রকম কান না দিয়ে নিজের কাজে মন দিলাম। কারণ কর্মসূত্রে এসব লোকেদের আগে থেকেই জানা আছে। এরা এমন হুমকি দিয়ে থাকে। বিষয় টাকে ততটা আমলে নিলাম না। রিজভী কে গ্রেফতার করেছি। কিন্তু কোর্টে পেশ করার আগের দিন রাতে আমার বাসায় চুরি হয়। রাতে শোয়ার আগে বেলকনি দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছিলাম আর শশীর কথা ভাবছিলাম চোখ বন্ধ করে। হঠাৎ কেউ আমার মুখে কিছু একটা চেপে ধরলো। তারপর আর আমার কিছুই মনে নেই। সকালে চোখ খুলে রাতের ঘটনা মনে করতেই বুঝতে পারলাম কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছে। বাসা ভালো করে চেক করে বুঝতে পারলাম আমার বাসা চুরি হয় আর চোর শুধুমাত্র কেইস এর ফাইল টা নিয়ে যায়। বুঝতে পারলাম সব মেয়র এর ষড়যন্ত্র। এইবার বুঝতে পারলাম যে আমার আগের অফিসার কেন কেইস টা সলভ করতে পারে নি কিংবা ইচ্ছে করেই করে নি। পরদিন রিজভীর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় সে মুক্তি পেয়ে গেলো। আর আমি অপদস্ত হলাম। মেজাজ পুরোটাই বিগড়ে গেল। তাও নিজের রাগ সামলে বাসায় রওনা দিলাম। বাইক নিয়ে কিছুদূর যাওয়ার পরেই কোত্থেকে একটা গাড়ি এসে পেছন থেকে ধাক্কা দিলো। আমি বাইকের ব্যালেন্স রাখতে না পেরে সামনের রিকশার ওপর পড়লাম বাইক নিয়ে। রিকশায় এক মহিলা আর একটা বাচ্চা ছিলো। এক্সিডেন্টে তারা গুরুতর আহত হলো। আমি গিয়ে ছিটকে রাস্তার অইপাশে গিয়ে পড়লাম। পেছনের গাড়ি থেকে কয়েকটা ছেলে এসে আমার গায়ে এক বোতল মদ ঢেলে দিলো। মদ খেয়ে গাড়ি চালিয়ে এক্সিডেন্ট করার অপরাধে আমাকে এক বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হলো। আমি তাদের বুঝাতে পারলাম না এসব কিছুই চক্রান্ত ছিলো। তাছাড়া মেয়র এর হাত উপরমহল পর্যন্ত। তাই আমার কথা কেউ মানলো না, আর মানলেও তারা মেয়র এর বিরুদ্ধে কখনোই যাবে না। চিন্তা করলাম মেয়র সাথে লাগতে যাবো না। তার ছেলেকে শাস্তি দিতে গিয়ে আমার পরিবারের কোন ক্ষতি না করে দেয়। এছাড়াও আমার সকল কাজের মনযোগ এর কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে শশী। আমি অন্য কোন কিছু নিয়ে ভাবতে চাইনা এই মুহূর্তে। চাকরি বিহীন দুইমাস কেটে গেল। তবে তেমন একটা অসুবিধা হয়নি। বিন্দাস কেটেছে। একদিন সকালে রাস্তায় হাটছি আর সিগারেট টানছি। প্রতিদিন ভোরে আমি রাস্তায় হাটতে বের হই। হঠাৎ রাস্তার মধ্যে ভিড় চোখ পড়লো। মনে হচ্ছে কোন কিছু কে ঘিরে কিছু মানুষ জটলা বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে। আর কি সব বলাবলি করছেম আমি ভিড় ঠেলে একটু এগিয়ে দেখলাম একটা লাশ পড়ে আছে রাস্তার সাইডে। সবাই দাঁড়িয়ে আছে। কেউ লাশের গায়ে হাত দেয়নি। লাশ টা উপুড় হয়ে আছে। শার্টের রক্ত শুকিয়ে গেছে। মৃত্যুর বেশ কয়েক ঘন্টা কেটে গেছে হয়তো। হতে পারে কেউ রাতে খুন করে রেখে চলে গেছে। আশেপাশের লোকজনের সাথে কথা বললাম। তাদের কথা বেশ আশ্চর্যজনক লাগছে। এই রাস্তাটা নির্জন হলেও লোকের যাতায়াত যে একদম নেই তা নয়। লোকজন সবসময় ই চলাচল করে। সে হিসেবে লাশ আরো আগে চোখ পড়ার কথা। একজনের কথা শুনে বেশ অবাক হলাম। তিনি নাকি মিনিট বিশেক আগে এখান থেকে একবার গিয়েছিলেন তখন এখানে কোন লাশ ছিলো না। পরে আবার যাওয়ার সময় এই লাশ দেখতে পান। এইটুকু সময়ে খুন করা হয়নি। হয়তো অন্য জায়গা থেকে এনে এখানে ফেলা হয়েছে। কিন্তু এটা কি করে সম্ভব? রাস্তায় সবসময় লোকজন থাকে তাই অন্য জায়গা থেকে এনে ফেললে তা কারো না কারো চোখে পড়বে। পুলিশ চলে আসলো। এসে লাশ টা ঠিক করতেই এখানকার লোকজনের চোখ কপালে উঠে গেছে। এটা তো শুভ! খুব নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। গলা কাটা হয়েছে। আর পেটে অসংখ্য ছুড়ির আঘাত। তবে মুখ টা অক্ষত। হয়ত মুখ দেখে যাতে সহজে চেনা যায় এই জন্য। এখানকার এক বিত্তশালী বাবার ছেলে। যার ভয়ে এলাকার সবাই কাঁপে সে এইভাবে পড়ে আছে দেখে সবাই অবাক হয়ে গেছে। সবার চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ। পুলিশ সবার সাথে কথা বলে লাশ নিয়ে চলে গেছে। এই শুভর ব্যাপারে চারমাসে কিছুটা জেনেছি। যত ধরনের খারাপ কাজ সব করতো। মারামারি, ধর্ষন, ডাকাতি সহ সব ধরণের অন্যায় কাজে সে জড়িত থাকতো। শুভর মৃত্যুতে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়েছে ঠিকই তবে খুশিও হয়েছে। পুলিশ এই কেইস টা নিয়ে বেশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে। উপরমহল থেকে চাপ দিচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব কেইস টা সলভ করার জন্য। কিন্তু কোনো ক্লু পাচ্ছে না। দিনরাত এক করে দিয়েছে অথচ খুনিকে খুঁজে পাচ্ছে না। কেইসে দায়িত্বরত অফিসার এর রহস্যজনক মৃত্যু কেইস টায় রীতিমতো আগুনে ঘি ঢালার মতো অবস্থা হয়েছে। তার মৃত্যু ও একই ভাবে হয়েছে। একই সময়ে। এরই মধ্যে ডিপার্টমেন্ট থেকে কল আসলো। আমাকে জয়েন করতে বললো। এবং এই কেইস টা আমাকে হ্যান্ডেল করতে দিলো। কেইস টা নিয়ে ব্যাপক ঘাটাঘাটি করলাম। দুটো খুন একইভাবে হয়েছে। রাতে খুন করে রাস্তার পাশে বড় গাছে উঠিয়ে রেখেছে। পরে কোন ভাবে লাশ রাস্তার পাশে পড়েছে। একটা ব্যাপার কিছুতেই মাথায় আসছে না। শুভর সাথে হয়তো কারো শত্রুতার জের ধরে খুন করে দিয়েছে। কিন্তু পুলিশ অফিসার কেন? হয়তো খুনি চায় না তাকে ধরা হোক। নয়তো অফিসার এর সাথে ও শত্রুতা রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে টিম এর অন্যদের সাথে আলোচনা করলাম। কিন্তু নাহ, আমিও কোনো ক্লু পাচ্ছিনা৷ লাশের গায়ে কোনো ফিঙ্গার ফ্রিন্ট ছিলো না। আর যে ছুড়ি দিয়ে খুন করা হয়েছে সেটাও পাওয়া যায় নি। খুনি খুব চালাক। অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় খুন করে সব প্রমাণ মুছে দিয়ে। এই জন্য কোনো ভাবেই কিছু পাচ্ছিনা। এইদিকে উপর মহল থেকে চাপ এসেছে। শুভর বাবা তার ছেলের খুনি কে যেভাবেই হোক বের করতে চান। শুভর শত্রুর অভাব নেই। অনেকেরই অনেক ক্ষতি করেছে। এদের মধ্যে যে কেউ ই খুন টা করতে পারে। আরো ভালো ভাবে তদন্তে নেমে পড়লাম। সকালে তড়িঘড়ি করে সিঁড়ি থেকে নামতে গিয়ে কার সাথে যেন ধাক্কা খেয়ে দেয়ালের সাথে বারি খেলাম। রেগে কিছু বলতে যাবো তখনই দেখছি চশমা পরা এক মেয়ে কাচুমাচু হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। দেখে খুব সাধারণ মনে হলো। চোখে মুখে ভয় আর অনুশোচনার ছাপ দেখতে পেয়ে কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারলাম না। "পরেরবার থেকে দেখেশুনে চলবেন" এইটুকু বলে চলে এলাম। মেয়েটাও আস্তে করে মাথা নাড়লো। অফিসে গিয়ে ফাইল নিয়ে ঘাটাঘাটি করছি। তখনই একটা কল আসলো, রিসিভ করতেই আরেকটা ধাক্কা খেলাম.... [চলবে....] #অসমীকরণ (১পর্ব) লেখাঃ Md. Nazmul Huda Please like,comment and subscribed☺
Abul Mia: That day was the month of Ashar. I am returning home from the market. Wright of Amabaisya. Ghutaghuta Aindhair. Things not even a hand away can be seen. Then Mala Wright again. There is not even a crow in the village road. I am restless for fear of Hala. I am walking to read different suras and prayers. I had two hilsa fish in my hand. Whether with 850 rupees. Halaya wanted a price of 2 thousand. I said slap your teeth Dimu bastard! Chinos to me. Anyway, I am returning to Bari at night with hilsa fish. Hilsa fish is again a special favorite of Tenago. That's why my fear went further. Of course, today's hilsa does not have the same taste as before. My grandparents in Hilsa Anten. What a smell in the food !! What a test !! Aina Nanire used to say ... and Karim's mother ... Presenter: We'll hear that story one day or another. We'll get back to the main story. Anyway. After walking some distance, in the light of the light moon, I saw the banyan tree of Minabari in front. Presenter: But you said the night of the new moon. Ish Vaijan has a big problem, I didn't say this is a ghost story. Here the moon will rise in a minute and descend in a matter of minutes. When I asked so many questions, I said I am not Daikka Ainna Beijjat !! Presenter: Well well we come back to the incident. You saw the banyan tree ... then? The great story of this banyan tree again. Kulsuma was dying by hanging from the branches of this tree. Kulsuma in the diet. It was big and beautiful to look at. I used to play with Kulsum on my way to school. I would call Tuni's mother. Kulsum did not say anything. Fear did not come out of his mouth. Khik khik khik ... Kulsuma was strangled for a special reason. I understood what I was afraid of when I thought of that word loosely. Three times I walked with Surah Ekhlas Poira. Purnima Rait posted everything. I saw a black cat in front of me. I realized it was none other than Kulsuma. He has come to punish me. I nodded and said, "Mother, you forgive me. Give me so much." It's weird !!! On the other hand, in the heat of Bhadra month, I am sweating. I said to Kulsuma (Bilai) Ray, I will not look at any Maiya in my life, I will not look at Tuila. At that time I heard the voice of Beta Mainesh behind me. I called you like your show ... who? Where is he? The voice came, I am Rahim. Are you all right, brother? Rahim Ray Deikha I know peace has come. I felt scared again. What does Rahim do here in so many ways? I see Takaya in front, there is no Kulsuma (Kala Bilai) !!! Then the doubts in my mind went away. So did Bilaita Rahim's face come slowly? I am Takaya Dehi, like our Rahim, the color of this Rahim's style is not white or black !!! The cat had color and black. Kulsuma's skin color was black. It didn't take long for the two of them to get out of the tea. Rahim (or Kulsumar's soul?) Did not let me understand the fear that I got. Once the guy senses it, I'm afraid the guy will bite my neck. I kept walking loudly and kept reciting Surah. My house is more than a minute away ... how can I go? I started reading as many Surahs as I could memorize. Rahim is walking behind me. I also started light gossiping with Rahim. Twice Rahim Jigailo what is in my bag? I didn't say anything. If Halaya fish is noticed once in a while, then I have no hope of eating Baicha. After some time, I said to Rahim, do you feel the heat of the month of Chaitra, Rahim? How are you? But there is no answer behind! I said and Rahim Rahim. No answer. Takaya Dehi Rahim is not behind. My idea came true. I got up in fear and ran. Kulsuma's ghost never came to Chaila again. At that time I heard Thaika behind Rahim's throat and Mia's brother and Mia's brother. Kulsumar's ghost is coming again. I did not stop running. I kept running with the strength of my soul. Kulsuma's ghost Rahim and I kept running to the log. He kept saying and Mia Bhai took me. Take me. Hey, am I so stupid? At the end I reached home running. Now I have no fear! At that time Hala ghost also came. I said, "Kulsuma, you are the one who is here ... otherwise I will call you Maulana ..." Bhoot Rahim said to me and brother, what happened to you, Kulsuma, what can I do? What happened to you I noticed that the shadow of Rahim's body was falling on the ground. This means that there is no shadow in the body of the ghost or ghost. I realized that this is not really the ghost of Rahim Kulsuma! I said to Rahim, "Where are you, Gesili?" Rahim went to Mutte with a smile of shame. Rahim said Kamne Komu brother? It's a shame to talk about Muta, but did you run? What happened? I never told the truth. I said I don't think I was looking at Kulsumar so I ran. Rahim raira kaira say so boila raikha will run to me? I got that fear. Anyway, give me a khan lungi. I asked why the lungi chasa? Rahim smiled shyly again and said, "Brother, in the middle of half the work, you got up and ran. Her face is red with shame. I said, Rahim, are you so scared? I will be ashamed to introduce you as
Cat In The Ran There were just two Americans halting at the inn. They didn't have the foggiest idea about any of the individuals they passed on the steps on their approach to and from their room. Their room was on the subsequent floor confronting the ocean. It likewise confronted the public nursery and the war landmark. There were huge palms and green seats in the public nursery. In the great climate there was consistently a craftsman with his easel. Craftsmen preferred the manner in which the palms developed and the splendid shades of the lodgings confronting the nurseries and the ocean. Italians originated from far off to gaze toward the war landmark. It was made of bronze and flickered in the downpour. It was coming down. The downpour dribbled from the palm trees. Water remained in pools on the rock ways. The ocean broke in a long queue in the downpour and slipped down the sea shore to come up and break again in a long queue in the downpour. The engine vehicles were gone from the square by the war landmark. Over the square in the entryway of the bistro a server stood watching out at the vacant square. The American spouse remained at the window watching out. Outside right under their window a feline was hunched under one of the trickling green tables. The feline was attempting to make herself so conservative that she would not be trickled on. 'I'm going down and get that kitty,' the American spouse said. 'I'll do it,' her better half offered from the bed. 'No, I'll get it. The helpless kitty out attempting to hold dry under a table.' The spouse continued perusing, lying propped up with the two pads at the foot of the bed. 'Try not to get wet,' he said. The spouse went first floor and the lodging proprietor stood up and bowed to her as she passed the workplace. His work area was at the most distant finish of the workplace. He was an elderly person and exceptionally tall. 'Il piove,1 'the spouse said. She preferred the lodging attendant. 'Si, Si, Signora, brutto tempo2 . It is exceptionally terrible climate.' He remained behind his work area in the furthest finish of the faint room. The spouse loved him. She enjoyed the dangerous genuine way he got any grievances. She preferred his poise. She enjoyed how he would have preferred to serve her. She loved the way he felt about being a lodging manager. She enjoyed his old, hefty face and large hands. Enjoying him she opened the entryway and watched out. It was pouring more earnestly. A man in an elastic cape was crossing the unfilled square to the bistro. The feline would be around to one side. Maybe she could come under the roof. As she remained in the entryway an umbrella opened behind her. It was the servant who took care of their room. 'You should not get wet,' she grinned, communicating in Italian. Obviously, the inn guardian had sent her. With the house keeper holding the umbrella over her, she strolled along the rock way until she was under their window. The table was there, washed splendid green in the downpour, however the feline was no more. She was out of nowhere disillusioned. The house keeper gazed toward her. 'Ha perduto qualque cosa, Signora?'3 'There was a feline,' said the American young lady. 'A feline?' 'Si, il gatto.' 'A feline?' the servant chuckled. 'A feline in the downpour?' 'Indeed, – ' she stated, 'under the table.' Then, 'Gracious, I needed it to such an extent. I needed a kitty.' At the point when she talked English the house cleaner's face fixed. 'Come, Signora,' she said. 'We should get back inside. You will be wet.' 'I assume so,' said the American young lady. 1 'It's coming down.' 2 'Indeed, yes Madam. Dreadful climate.' 3 'Have you lost something, Madam?' They returned along the rock way and went in the entryway. The servant remained outside to near the umbrella. As the American young lady passed the workplace, the padrone bowed from his work area. Something felt little and tight inside the young lady. The padrone caused her to feel little and simultaneously truly significant. She had a transient sentiment of being of preeminent significance. She went on up the steps. She opened the entryway of the room. George was on the bed, perusing. 'Did you get the feline?' he asked, putting the book down. 'It was no more.' 'Miracle where it went to,' he stated, resting his eyes from perusing. She plunked down on the bed. 'I needed it so much,' she said. 'I don't have the foggiest idea why I needed it to such an extent. I needed that helpless kitty. It isn't any amusing to be a helpless kitty out in the downpour.' George was perusing once more. She went over and sat before the reflection of the dressing table taking a gander at herself with the hand glass. She contemplated her profile, initial one side and afterward the other. At that point she considered the rear of her head and her neck. 'Wouldn't you say it would be a smart thought on the off chance that I let my hair develop out?' she asked, seeing her profile once more. George gazed upward and saw the rear of her neck, cut close like a boy's. 'I like it the manner in which it is.' 'I get so burnt out on it,' she said. 'I get so burnt out on resembling a kid.' George moved his situation in the bed. He hadn't turned away from her since she began to talk. 'You look pretty darn decent,' he said. She laid the mirror down on the dresser and headed toward the window and watched out. It was getting dim. 'I need to pull my hair back close and smooth and cause a major bunch at the back that I to can feel,' she said. 'I need to have a kitty to sit on my lap and murmur when I stroke her.' 'Definitely?' George said from the bed. 'Furthermore, I need to eat at a table with my own silver and I need candles. Furthermore, I need it to spring and I need to brush my hair out before a mirror and I need a kitty and I need some new garments.' 'Goodness, quieted down and get something to peruse,' George said. He was perusing once more. His better half was watching out of the window. It was very dull now and as yet coming down in the palm trees. ''Anyway, I need a feline,' she stated, 'I need a feline. I need a feline at this point. On the off chance that I can't have long hair or any fun, I can have a feline.' George was not tuning in. He was perusing his book. His better half watched out of the window where the light had enter the square. Somebody thumped at the entryway. 'Avanti,' George said. He gazed upward from his book. In the entryway stood the house cleaner. She held a major tortoiseshell feline squeezed tight against her and swung down against her body. 'Reason me,' she stated, 'the padrone approached me to bring. Please like,comment and subscribed☺


কারন করোনা আজ ১৭ ই সেপ্টেম্বর ২০২০,আজ রূপার একমাত্র ভাই রূপকের বিয়ে।তবে সে যায়নি। ঠিক যায়নি না যেতে পারেনি কিংব বলা যায় ওকে যেতে বারন করা হয়েছে। কারন এখন করোনা এই দূর্যোগে যাওয়া যায় না এই উক্তি দিয়েই তার স্বামী তাকে যেতে দেয় নি। বাসায় তিনটে বাচ্চা আছে, পাছে যদি কিছু হয়ে যায়।সামান্য বিয়ের জন্য নিজের ছেলে মেয়ের জীবন তো আর রিস্ক নেয়া যায় না তাই না?যদিও একই শহরে থাকে তাতে কি, এখন করোনা। . . . রূপা তার বাবা-মায়ের দুই সন্তানের মধ্যে বড় সন্তান।তার থেকে ৪ বছরের ছোট তার ভাই "রূপক"। রূপার সাথে নাম মিলিয়েই রূপক নামটা রাখা, এটা রূপারই পছন্দের নাম।ওর যখন ৪ বছর তখন তার মা-বাবা একটা পুতুলের মতো ছোট বাবু নিয়ে আসে। তার সবচেয়ে পছন্দের জিনিস ছিল এই ছোট্ট পুতুলটা।যে সারাদিন ঘুমাতো আর কেবল সময় করে কান্না করতো। খুব কম সময়ই চোখ খোলা রাখতো। তারপরেও রূপার যেন এটাই প্রধান কাজ যে সে সবসময় তার পাশে বসে থাকবে। পুতুলটা যা করে সবই যেন ওর ভালো লাগে। মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকে। এক মুহূর্তের জন্যও তাকে একলা ছাড়তে চাইতো না। ঘুমন্ত হোক, কান্না করা হোক বা চোখ খোলা অবস্থায় সবসময় ওর সাথে থাকতো।তেমন কোন ডিস্টার্বও করতো না,সারাদিন শুধু পাশে বসে থাকতো আর রূপক কান্না করলে বা চোখ খুল্লেই মাকে ডেকে নিয়ে আসতো । আস্তে আস্তে সময়ের সাথে সে এটা বুঝতে পারলো যে এটা তার অন্য সব পুতুলের মতো না এটা তার মতোই একটা বাবু। তার মা বলেছে এটা তার ভাই। . . পরিবারের প্রথম সন্তান এবং মেয়ে দুটি কারণেই হয়তো রূপার বাবা রূপাকে বেশিই আদর করতো। দুই সন্তানকে সমান ভাবেই ভালোবাসে কিন্তু তার পরেও রুপার জন্য যেন একটা অন্য রকম টান কাজ করে।ছেলে মেয়েকে সমাজের ভালো পজিশনে পৌঁছানোর জন্য কষ্ট করতে গিয়ে পরিবার থেকে প্রায় অনেকটাই দূরে সরে গিয়েছিল রূপার বাবা। তার এই দূরে সরে যাওয়াটা সফল ও হয়েছে। ছেলে মেয়ে দুটোকেই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করতে পেরেছে।রূপা ভালো পজিশনে একটা সরকারি চাকরীও পেয়েছে। তবে চাকরি বেশি দিন করেনি সে। তার স্বামী,সংসার এর কথা চিন্তা করে চাকরীটা ছেড়ে দিয়েছে।একভাবে বলতে গেলে এটা রূপার ইচ্ছে ও ছিল। চাকরীর প্রতি তেমন একটা আকর্ষণ তার ছিল না।তাই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও সে একজন গৃহীনি হয়ে রয়ে গেছে।এটা কোনো নতুন বিষয় না, আমাদের দেশে ঘরে ঘরে এমন অনেক ঘটনাই হয়।হয়তো সেটা কারো ইচ্ছেতে আর নয়তো কারো অনিচ্ছাতে। তবে গৃহিণী হওয়াটা আমি খারাপ বা নিন্ম নজরে দেখছি না।গৃহিণী হওয়া আমার মতে সবচেয়ে কঠিন কাজ। কেননা সেখানে কোনো নির্দিষ্ট সময় এবং কাজ ভাগ করা থাকে না। সেখানে সারাক্ষণ এবং সকল কাজ একদম পার্ফেক্ট ভাবে করতে হয়। শারীরিক এবং মানসিক উভয় ভাবেই ওরা সারাক্ষণ কাজে নিয়োজিত থাকে তারা।রোবটের মতো একের পর এক কাজ তাদের মাথায় আসতে থাকে। যাক সে সব কথা। গল্পে ফিরে আসি........ আজ রূপার সেই ছোট বেলার পুতুল, একমাত্র খেলার সাথী, তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ভালোবাসার মানুষ, তার ছোট্ট ভাইটার বিয়ে। তবে সেখানে রূপার গমন নিষেধ। অনেক স্বপ্ন ছিল তার ভাইয়ের বিয়ে নিয়ে এটা করবে, সেটা করবে, ভাইকে এমন ভাবে সাজাবে, আরো অনেক কিছু। তবে আজ সব কেবল স্বপ্নই রয়ে গেল। কেননা তার স্বামীর বারন। বিয়েতে বাচ্চাদের নিয়ে যাওয়া যাবে না আর রূপাকেও একা যেতে দিবে না আর উনি তো যাবেই না। কারণ? #কারণ_ করোনা। একই শহরের ৪৫ মিনিটের রাস্তায় একটা ক্যাবে করে, সুরক্ষা নিশ্চিত করেও কি যাওয়া যেত না? কই আগের মতো প্রভাবের গুঞ্জন টা তো নেই,তুমি তো প্রতিদিন বাহিরে যাচ্ছো আমি তো তোমাকে দূর করে দেইনি। আজ তোমার ছেলে মেয়ের জন্য আমায় যেতে দিলে না তবে আমিও তো আমার বাবা - মায়ের মেয়ে। তোমার তো দুজন মেয়ে তবে আমার বাবা-মায়ের তো আমিই একজন।ওদের এই সময়টাতে তো আমাকেই বেশি দরকার ছিল। তুমি কি চাইলেই পারতে না আমাকে পৌঁছে দিতে? এসব ভাবতে ভাবতেই রূপার ভিতর থেকে একটি চাপা দীর্ঘশ্বাস বেড়িয়ে এলো। মেয়েরা হাজার বললেও কখনো আপন হতে পারে না। তারা ঝুলন্ত পথিক হয়েই বেঁচে থাকে। ওদের অর্ধেক জীবন থাকে বাবার, অর্ধেক স্বামীর আর স্বামীর পর তার ছেলের। পরিবারের সকলেই রূপার অনুপস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করলেও কেউ একবারও ওর দিকটা ভেবে দেখলো না।যেসব পরিবারে এক ভাই এবং এক বোন থাকে সেসব পরিবারে ভাইয়ের জীবনে বিয়ের মতো সেরা এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তার বোনের অনুপস্থিতি কতটা কষ্টের সেটা কাউকে বুঝানো যায় না। সেই কষ্টটা কেবল ভাই আর বোনই অনুভব করতে পারে। কথায় আছে, "মায়ের থেকে মাসির দরদ বেশি"। রূপার পরিবারেও এমনটাই হয়েছে। কেননা রূপার অনুপস্থিতিতে রূপার বাবা-মা,ভাই কষ্ট পেলেও তারা বিষয়টা বুঝতে পেরেছে এবং তাকেও সাপোর্ট করেছে। রূপক তো বোনের যাতে মন খারাপ না হয় সে জন্য প্রত্যেক মুহূর্তের খবর ফোনে জানিয়েছে এমন কি ছবি থেকে শুরু করে মেসেঞ্জারে ভয়েস কল, ভিডিও কল সব সময় কিছুনা কিছু একটা করেই গেছে। যাতে করে রূপার মন খারাপ না হয়ে যায়, রূপা যেন রূপকের বিয়েতে আসতে পারেনি বলে কষ্ট না পায়। রূপার অনুপস্থিতিতে রূপার বাবা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেলেও রূপাকে বুঝতে না দিয়ে রূপকের সাথে তাল মিলিয়ে গিয়েছেন তিনি।তবে রূপার মামা-মামী,খালা-খালু, চাচা-চাচীরা তাকে স্বার্থপর বলতেও বাদ রাখেনি। একবার ও রূপার দিকটা ভেবে দেখলো না যে রূপার কেমন লাগছে।তার কি একটু ও খারাপ লাগছে না? তার কি কষ্ট হচ্ছে না? কিন্তু না, সেসব ভাবার সময় কোথায়? তারা তো আদালতের রায় ঘোষণা দিয়ে দিল রূপা স্বার্থপর। রূপার বাবার সকল কষ্টই বৃথা এছাড়াও আরো কত কি...... । যদিও ওদের কথায় কারো কিছু যায় আসে না তবে তারপরেও বলছে। আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষই আছে যাদের প্রধান কাজই সম+আলোচনা এবং তার পাশাপাশি সমানভাবে সমান দিকে আলগা দরদ দেখানো।আমার মতে এসব মানুষ আমাদের পরিবেশ, সমাজ, জাতি সবকিছুর জন্যই ভয়ংকর ক্ষতিকারক। #কারন_করোনা শব্দ টা এখন বেশ প্রচলিত।মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললেও যে কোনো বিষয়ে অজুহাতের বেলায় এই শব্দটা ব্যবহার করতে ভুলে না। আমার তো মাঝে মাঝে মনে হয় করোনার যদি কথা বলার ক্ষমতা থাকতো তাহলে সে বলতো "বিশ্বাস করেন এখানে আমার কোনো দোষ নাই, ওরা মিথ্যে কথা বলছে"। 😂😂 যাক বাক্যটা হাস্যকর হলেও বিষয়টা হাস্যকর না। করোনা কেবল মানুষের জীবন নিয়েই শোকের পরিবেশ সৃষ্টি করে নি। আরো অনেক ভাবেই অনেকের জীবনে প্রভাব ফেলেছে। #কারন_করোনা💔 #লেখা:সামিরা সায়শা