read.cash Log in

@Raiyan

Joined 31 May 2020 · 45 posts

120 KT

0 KT received · 0 KT · 65¢ given

Posts

@Raiyan

যুক্তির বৈধতা কপির অবৈধতা মতে, সত্যতা ও মিথ্যাত্ব বচনের সাথে জড়িত, যুক্তির সাথে নয়। যুক্তির বৈধতা সাথে জড়িত, বচনের সাথে নয় ক্ষেত্রে। সত্য-মিথ্যাত্ব এবং বৈধতা-ও আর মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে, বৈধ বা অবৈধ মান যুক্তির প্রযােজ্য আর সত্য বা মিথ্যামান অবৈধতার আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য। যুক্তির সাধারণত পারে আবার পদার্থিক সত্য বলতে জগতের অস্তিত্বশীল বিষয়কে বােঝায়। এ অস্তিত্ব মনােজগতরে হতে হতে পারে। এদিক থেকে সত্য আকারগত ও বস্তুগত- এ দু'ধরনের হয়ে থাকে। আকারগত সত্যতার ক্ষেত্রে সত্য বলতে অন্তর্বিরােধহীনতাকে বােঝায়। এরূপ ক্ষেত্রে প্রদত্ত বচনের সত্যতা পরীক্ষার জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রয়ােজন হয় । যেমন, ত্রিভুজ হচ্ছে তিন বাহুর সমাহার’- এ বচন অনুসারে কোনাে কিছু যদি ত্রিভুজ হয় তাহলে তার অবশ্যই তিনটি বাহু থাকবে। আর বস্তুগত সত্যতার ক্ষেত্রে সত্য হচ্ছে বস্তুর সাথে ধারণার অনুরূপতা। এরূপ বচনের সত্যতা বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভরশীল। যেমন, তিমি স্তন্যপায়ী প্রাণি ’। উল্লেখ্য যে, আকারগত সত্যতা আছে এমন বিষয়ের বস্তুগত সত্যতা না-ও থাকতে পারে, কিন্তু যেসব বিষয়ের বস্তুগত সত্যতা আছে তার আকারগত সত্যতা থাকতেই হবে। পূর্বেই বলা হয়েছে যে, সত্যতা বচনের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য। সেক্ষেত্রে কোনাে বচন সত্য হবে বাস্তবের অনুরূপ হলে, আর মিথ্যা হবে বাস্তবের সাথে সঙ্গতিবিহীন হলে। উদাহরণস্বরূপ,

@Raiyan

Jukti প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা এ বচনটি সত্য। কারণ বাস্তবিকই প্যারিসে । অবস্থান প্যারিসে'- ‘ পক্ষিরাজ ঘােড়া উড়তে পারে ’-এ বচনটি মিথ্যা। । আইফেল ‘ আইফেল টাওয়ার টাওয়ারের রয়েছে। অন্যদিকে উড়তে পারে এমন পক্ষিরাজ কোনাে ঘােড়ার আমরা কোথাও অভিজ্ঞতায় কারণ বাস্তব যুক্তি প্রণয়নে কিছু বিধি অনুসরণ করতে হয়। কোনাে যুক্তির সিদ্ধান্ত যদি . অস্তিত্ব খুঁজে পাইনি।। । যুক্তিবিদ্যায় নিঃসৃত হয় তাহলে যুক্তিটি বৈধ হবে। বৈধ যুক্তির ক্ষেত্রে | আশ্রয়বচন থেকে বিধিসম্মতভাবে। । আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্তের মধ্যে এমন সম্বন্ধ থাকে যে, আশ্রয়বচন সত্য বা মিথ্যা যা-ই হোক স্বীকার করলে সিদ্ধান্তকে আর অস্বীকার করা যায় না। কাজেই

@Raiyan

Biriyani দিবা/ রাত্রি বার। অনুষ্ঠানের তাং। বিয়ে ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের রান্নার প্রয়ােজনীয় দ্রব্যাদির তালিকা কেজি কেজি প্রব্যের নাম গরাম কেজি প্রব্যের নাম San T WT গ্রাম ৩। িগা্ডের গােলাশ জল 4 CH ST শাইল সি্ধ চউল সি্ধ চাউল । সিকা ভিনেগার ৬৭। এলমনিয়াম পয়েল লেশার ৮টপরা বাটার মি্ পাউার | ১৯৭। কমলা ১৫০। খােমাখে মিক্স ফট আইটেম |ব ২ কেজি re w R I cefer TE সর কিমা । ওয়েস্টার স | ১৩৭। আম পাকা মিষ্টি STOHI TH KING) fse f feS(BBQIsef লি পিউর খি T f SP ফা বিরানী পেশাল গাওয়া খি- ফা পিউর ঘি | ১৩৯। আনার | ৮১। স মালাই |৮২। সুইট বল (মিি) bro i fef w 383I cafe 5801 প্রয়ােজনীয় সামগ্রী টি re Cem TWTCO sfes (r ১৯৫। কোক/ সেজেনাফ ৮৮। ৩ (সাদা) / মিঠা |৮৯। আমের অচার সবজি আইটেম 389 CETUTOM fes o ১৯৯। বাংলা সাবান ১৫০। হইল পাউার |১৫১। লাক্স সাবান (মিনি) fore foret farem foret |৯২। মুরগির ডিম ৯৩। হসের ডিম |১৫৩।করি / লাই ১৫৪। চাটাই (তলই) ১৫৫। ইষ্টিক কাঠি বড় ১৫৬। চিনা কয়লা ১৫৭। লাকড়ি (রােলার) |৯৫। টমেটো ১৯। কাগজি লেবু ১০০। ধনিয়া পাতা |১০১। পুদিনা পাতা ১০২। সালাত পাতা |১৫৯। বিস্ুট/ পাউরটি ১৮০। কেরেসিন তৈল বাদাম ছালা ডেকোরেশন সামগ্রী |১। কুক সেট/ তেরপাল ২। ১ মনি ডেক কলাই ৩। ৩০ সেরা ডেক |৪। ২০ সেরা ডেক সংখ্যা 10 চনি |১০৪। কঁচা মটর |১০৫। ক্যাপসিকাপ মরিচ |১০৬। কাঁচা পেঁপে |১০৭। বরবটি শীম (লইকাশীম) |১০২। ফ্রাইজ শীম ১০৯। চাল কুমড়া ১১০। বাংলা কদু/লাউ |১১১। মিষ্টি কুমড়া |১১২। আলু ১১৩। মূলা | ১১৪। পটল ১১৫। বাঁধা কপি ১১৬। ফুল কপি |১১৭। সিলেট বেগুন |১১৮। তেঁতুল পাকা ১১৯। আম কাঁচা ১২০। জলপাই/আমড়াগােটা জন্দার আইটেম |১২১। জমার রং ৫। ১০ সেরা জেক । কড়াই | আদা চিনি 1 গােল মরিচ গােল মরিচ |৮। খালী বড়/ রেকাবী ৯। বল বড়/ গামলা |১০। বালতি | ১১। পানির জ্রাম ১২। পাইপ ড্রাম |১৩। পানির টপ |১৪। টিনের প্লেট ১৫। কোয়াটার প্লেট ন (স্পেন) সরিষা সরিষা (পেকেট) ১৭। টেবিল / চৌকি ডাল ডাল লাইর ডাল ১৯। ডেলি কাজের লােক মােট টাকা। অগ্রিম টাকা। ১২২। পেন্তা বাদাম

@Raiyan

Corona ১. প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম মারা গেলেন। ২. ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মারা গেলেন। ৩. স্বাস্থ্য সচিব করোনা আক্রান্ত। ৪. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী স্ব-স্ত্রীক CMH হাসপাতালে ভর্তি। ৫. স্বাস্থ্য সচিবের স্ত্রীর মৃত্যু। ৬. মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালকের মৃত্যু। ৭. প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন হাসপাতালে। ৮. এস আলম গ্রুপের মালিকের মৃত্যু ৯. অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মৃত্যু ১০. অতিরিক্ত তথ্য সচিবের মৃত্যু ১১. সিলেটে ইউপি সচিবের মৃত্যু ১২. বগুড়ার সাবেক এমপি পুতুলের মৃত্যু ১৩. ফেনি দুই আসনের এমপির বড় ভাইয়ের মৃত্যু ১৪. ঢাকার সাবেক এমপি মগবুলের মৃত্যু ১৫. চট্টগ্রাম বাশখালির এমপি করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে। ১৬. যশোর ৪ আসনের এমপি করোনা আক্রান্ত। ১৭. চট্টগ্রাম ৮ আসনের এমপি সহ পরিবারের ১০ জন আক্রান্ত। ১৮. রাজবাড়ী ১ আসনের সাবেক এমপির স্ত্রী আক্রান্ত। ১৯. প্রাক্তন পল্লী ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট রহমত আলীর মৃত্যু। ২০. তিন দিনে তিন ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যু। ২১. রাজস্ব কর্মকর্তার মৃত্যু। ২২. ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরী এখনো হাসপাতালে। ২৪. নওগাঁ-২ আসনের শহীদুজ্জামান সরকার আক্রান্ত। ২৫. জামালপুর-২ আসনের ফরিদুল হক খান আক্রান্ত। ২৬.ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের এবাদুল করিম, ২৭.নিজের ব্যক্তিগত সহকারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় আইসোলেশনে আছেন বাগেরহাট-২ আসনের এমপি শেখ তন্ময়।

@Raiyan

Protik প্রতীকী ুক্তিবিদ্যা সত্য ও বৈব সম্প্ক সং্ান্ আলাচনা থেকে দেখা যায় যে, আশ্রয়বচন ও সিদ্ধা স-মি্যা সম্পক প্রিতিতে মােট ডিন ধরনের বৈধ যুক্তি পাওয়া যায়। এগুলাে হলে- Soud Argument সকল মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণি। সক্রেটিস একজন মানুষ। সুতরাং সক্রাটিস হলাে বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণি। এক অগতি সবলে বন সত্য হলে যুক্তি বৈধ হয়ে থাকে। যেমন, এ যুজিটি বৈখ। কারণ এর অন্তর্গত প্রতিটি বচনই সত্য এবং যুক্তিটির সিদ্ধা। इने ডতি এর্গ সবলাের বম মিথ্যা হলেও যুক্তি বৈব হতে পারে। যেমন, ফেনে সম্প্শালী ব্যক্তি নয় সুখী। সুক্তরাং কোনাে মানুষ নয় সুখী। এ মুক্তিটি বৈধ। যেহে এর সিদ্ধান্ত আশ্রয়বচন থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে অনুস হয়ে। বঙগিও আলােচা যুক্তির অন্তর্গত প্রতিটি বচনই মিথ্যা। ডিন বুক্তিৰ অ্তর্গত আশ্রয়বচন মিথ্যা হয়ে সিদ্ধান্ত সত্য হলেও যুক্তিটি বৈধ হতে পাছ সকল মাছ হয় গুন্যপায়ী। সকল তিমি হয় মাছ। সুতরাং সকল তিমি হয় স্তন্যপায়ী। অজাচা যুক্তিটির দুটা আশ্রয়বচনই মিথ্যা, যদিও এর সিদ্ধান্তটি সত্য। কিন্তু তারপর গুক্িটি বিষ। কেননা এর সিদ্ধাপ্ুটি আশ্রয়বচন থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে অনুসৃত হয়েছে। উপক্ত তিনটি যুক্তির পর্যালােচনার ভিত্তিতে মিথ্যাবচন থাকা সত্ত্বেও যুক্তির বেং ইওার বিষয়ে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। আর এরপ প্রশ্নের যৌক্তিক সমাধান দেয়ার লখে অনেক যুক্তিবিদ আলাোচ) বুক্তিগুলাের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করতে গিয়ে উপরে প্রদত্ত প্রথম অকারের বুক্ডিকে অনরন্ত ন্য় বা যুক্তি নামে আখ্যায়িত করেছেন। অর্থাৎ যেসব মুি অ্গ্ সবগলাে বড়নই সত্য হয়ে থাকে, তাকেই বলা হয় অভ্রান্ত ন্যায় বা যুক্তি। বৈধ যুক্তির শর্তাবলি Conditions of valid Argument একটি মুন্চিকে বৈধ ছওয়ার জন্য একে কতগুল শর্ত পালন করতে হয়। তবে এ শর্তগুলাের। গয়ােগ অবরােই যুক্তিতে একভাবে হয়, আবার আরােহ যক্তিতে কিছুটা ভিন্নভাবে হল

@Raiyan

শোকসংবাদ --------😭শোকসংবাদ😭---------- পাকিস্তানি বংশদ্ভূত ইসলামিক স্কলার, সুফীজমে বিশ্বাসী একজন আলেম, সুফী শায়খ আব্দুর শুক্কুর সাইফুদ্দিন (রহঃ )কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে গতকাল মদিনা শরীফে ইন্তেকাল করেন। إِنَّا لِلَّٰهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ‎‎‎ কথিত আছে শায়খ দীর্ঘ ৫০ বছর যাবৎ ৫ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে নববীতে আদায় করে আসছেন। শোকবার্তাঃ শায়খের ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত- এবং ওনার শোকাহত পরিবারের সকলের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি- আল্লাহ সোবহানু তা'য়ালা নবী পাক সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার উসিলায় হুজুরকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুক এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সবাইকে সবরে জামিল দান করুক, আমিন। انتقل الى جوار ربه صباح اليوم الجمعة الشيخ عبد الشكور سيف الدين بعد اصابته بفيروس كورونا وهو من أصل باكستاني قدم الى المدينة النبوية ولازم جوار المسجد النبوي لمدة 50 سنة لم ينقطع بتاتا عن صلوات الفرض منذ مجيئه ويعتبر الشيخ عبد الشكور أحد عباد وزهاد المدينة ..رحمة الله عليه وادخله فسيح جنانه أنا لله وانا إليه راجعون.

@Raiyan

Kosto কষ্টের একটা গল্প 😥😥😥😥 সবাই পড়বেন 😭 মেয়ে : আমি একটি কথা বলতে চাই।🥰 ছেলে: বলো🥰 মেয়ে : যদি বলি আমি তোমাকে ভালবাসি।🥰 ছেলে : তুমি আমাকে ভালবাসো কিন্তু আমি যে গরিব😢 মেয়ে : আমি তোমাকে চাই, তোমার সম্পদ নয়।🥰 ছেলে : আমিও তোমাকে ভালোবাসি।🥰 মেয়ে : তুমি আমাকে বিয়ে করে আমার কাছে কি চাইবা?🥰 ছেলে : আমি আমার মা বাবাকে অনেক ভালবাসি তোমার কাছে শুধু তাদের সুখ চাই আমাকে কিছু দাও আর না দাও🥰 কিছু দিন পর😓 মেয়ে : আমার মা বাবা তোমার কাছে আমাকে বিয়ে দিবে না।😢 ছেলে : তাহলে কি করবো আমি? তুমি কি চাও?😢 মেয়ে : আমার মা বাবাকে আমি ছাড়তে পারবো না, তোমাকেও না। তুমি ঘর জামাই চলে আসো 😢 ছেলে : আমি তোমাকে ছাড়া বাচবো না কি করবো বলো আমি রাজি কিন্তু এমন কিন্তু কথা ছিল না😢 মেয়ে : আমার জন্য এই টুকু করো তুমিতো আমাকে ভালোবাসো😢💖 ছেলে ‌‌‌‌‌↑ওকে ঠিক আছে 💖 আরো কিছু দিন পর হঠাৎ করে 😥😥 মেয়ে : আমার বাবা বলেছে সরকারী চাকরিজীবী হলে বিয়ে দিবে না হলে নয়।😥😥 ছেলে : আমার তো এমন বড় চাকরির যোগ্যতা নাই।😥 মেয়ে : আমি কি করব বল? আমি কিছুই করতে পারবো না তুমি আমার মা বাবাকে বুঝাও।😥 অনেক বুঝানোর পরে-ও কিছু হলো না 😥😥 আরো কিছু দিন পর😥😥 মেয়ে : কালকে আমার বিয়ে😥 ছেলে : কষ্ট হচ্ছে না? 😥 মেয়ে : তুমি কিছুই করতে পারলে না। আমার পোড়া কপাল। কষ্ট নাই বাস্তব মানতেই হবে।।😥 ছেলে : আমিও মেনে নিলাম তোমার বানানো বাস্তব। তুমি ভালো থাকবে ভেবে আমারও কষ্ট নাই।😥 এই বলে ছেলে কেদে কেদে চলে গেলে সেখান থেকে। আর কোন দিন তাদের দেখা হল না।😥 কয়েক বছর পর💔 মেয়েটি একটি দেখলো একটি কবরে লেখা যদি বলি আমি তোমাকে ভালবাসি? তুমার জন্য এই পৃথিবী ছাড়তে পারি।😥 মনে পড়ে গেলো সেই পুরোনো কথা 😥 মেয়েটি সেখানেই কাদতে কাদতে অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে খোজ নিয়ে দেখা গেল সেখানে তার ভালবাসার মানুষ ঘুমিয়ে আছে। সত্যি কারের ভালোবাসা গুলো কখনো পূণ্যতা পায় না 😰😰😰 দোয়া করি সবার ভালোবাসা যেন পূণ্যতা পায় 🙃 কেমন লাগলো অবশ্যই একটা কমেন্ট 😊😊😊😊

@Raiyan

Opekka #গল্পঃঅপেক্ষা #পর্ব_১০ নিশাত উপর থেকে নেমে সোজা আমার সামনে এসে দাড়ালো l নিশাত আমার এতটাই কাছে যে আমার হার্ট অ্যাটাক করার মতো অবস্থা l নিশাতঃ আরিয়ান কি হয়েছে তোমার এতো ঘামছো কেন? আমিঃ কোই ঘামছি হুম! নিশাত তোমাকে আজ অনেক সুন্দর লাগছে l নিশাতঃ তাই.? যাও তো আমার লজ্জা করছে কিন্তু ☺☺ আমিঃ এতো লজ্জা তাই না! নিশাত চলো আমরা ওই দিক টাই যায় l - এই বলে আমি নিশাত এর হাত দরে বারান্দায় নিয়ে আসলাম l নিশাতঃ ওই তুমি আমাকে ওখান থেকে এভাবে এখানে কেনো নিয়ে আসছো ( অবাক হয়ে) - আমি নিশাত কে দেওয়ালের সাথে দূর হাত দুই ছাড়ে উচু করে দরে আমার মুখ টা নিশাত এর মুখের সামনে নিয়ে গেলাম l এরপর বললাম যে. আমিঃ কি ম্যাডাম আজকে কি কিছু পাওয়া যাবে নাকি ( দুষ্ট হাসি দিয়ে) নিশাতঃ না একদম না l বাবু এখন কোনো দুষ্টামি হবে না দেখছো না কত সুন্দর করে সেজেছি মেকাপ নষ্ট হয়ে যাবে তো l - আমি নিশাত এর কথা শুনে কষ্ট পেলাম l আমি ওকে আদর করলে নাকি ওর মেকাপ নষ্ট হয়ে যাবে তাই আমি ওকে ছেড়ে দিলাম l নিশাতঃ আরিয়ান সরি! তুমি ছেড়ে দিলে কেনো? আমিঃ না থাক পরে আদর করা যাবে আমার কারনে তোমার মেকাপ নষ্ট হয়ে যাক আমি এটা চাই না l নিশাতঃ আরিয়ান তুমি এরকম করে কথা কেনো বলছো হুম l আচ্ছা বাবু তুমি এসো আব্বু মনে হয় ডাকছে l - আমি নিশাত এর কথা শুনে একটা হাসি দিলাম l ওকে যাও তুমি l - নিশাত চলে যাওয়ার পর আমি বারান্দা থেকে আগের জায়গায় গেলাম l একটা কথা মাথায় আসছে না আসলে এই অনুষ্ঠান টা কিসের? - হঠাৎ আংকেল কথা শুনে। চমকে উঠলাম l আংকেলঃ হ্যালো ওল গাইজ আপনারা সবাই উপস্থিত আছেন এতে আমি অনেক খুশি l আজ এই শুভ দিনে এই মহা সময় এতো সুন্দর করে অনুষ্ঠান করা হলো সেটা একটা কারনে সেই কারন টা আপনারা সবাই জানেন তারপর আমি বলছি এই অনুষ্ঠান টা আমার মেয়ের সাথে রফিক সাহেব এর একমাত্র ছেলের সাথে এগ্রিমেন্ট এর উদ্দেশ্য l - আংকেল এর কথা শুনে আমার বুকে চিন চিন ব্যথা অনুভব করলাম l নিশাত দিকে তাকিয়ে দেখি নিশাত একটা ছেলের হাত ধরে দাড়িয়ে আছে l ওকে দেখে খুব খূশি মনে হচ্ছে l আমি বাসা থেকে বের হয়ে গেলাম l কেনো করলো এভাবে আমার সাথে নাটক l নিশাত আমার সাথে এটা না করলে ও পারতে আমি তো তোমাকে সত্য ভালোবেসে ছিলাম l অন্ধকারৈ রাস্তা দিয়ে হাটছি আর চোখের জল গুলো গড়িয়ে পডছে l আজ যেনো নিজেকে বড্ড অসহায় মনে হচ্ছে l আমি এটা মেনে নিতে পারছি না কিছুতেই না lনিশাত অন্য কারো হয়ে যাবে l - চোখের পানি যেনো আজ বন্ধ হচ্ছে না l হয়তো প্রিয় মানুষ গুলোকে হারিয়ে ফেলার কষ্ট গুলো এমনি হয় l রাত অনেক হলো তাই দোকান থেকে একটা পানির বতল নিলাম l এরপর চোখ মুখে পানি দিলাম l ফোন টা হাতে নিয়ে দেখি নিশাত শুধু ফোন করছে l আমি কেটে দিলাম l মিথ্যা মায়া বাড়িয়ে আর লাভ নেই l নিশাত আমার ভালোবাসা তুমি পেয়ে ও হারিয়ে ফেললে একদিন তুমি ঠিক বুঝবে l এই বলে ফোন বন্ধ করে দিলাম l সিদ্ধান্ত নিলাম আজকে এই শহর থেকে আম্মু আর বোন কে নিয়ে চলে যাবো l বাসায় গিয়ে আম্মুর হাতে দরা পড়ে গেলাম l এরপর আম্মু কে সব কিছু খুলে বললাম আমি কান্না করে দিলাম l আমার কান্না দেখে আমার আম্মু আর আমার কলিজার বোন টা কান্না করছে l হযতো তারা আমার কান্না সহ্য করতে পারছে না l এরপর আম্মু কে সব কিছু বুঝিয়ে বলার পর ওই দিন আমি ফোন টা ভেঙে ফেললাম আর সিম কাট টা পেলে দিলাম l এরপপর ওই রাতে নিজ শহর ছেড়ে অজানা শহরে পাডি দিলাম l আর বাকিটা তো আপনারা দেখলেন এ l এখন বাস্তবে যাওয়া যাক l - ছাদে বসে বসে তো আপনাদের এসব বললাম l ভালো লাগছে না দেখলেন আপনাদের এসব বলতে বলতে কখন যে নিজের চোখ থেকে পানি বের হয়ে গেলো বুঝতে পারি নাই l পিছন থেকে বোন এর গলার কন্ঠ শুনে পিছন ফিরে তাকালাম l তিশাঃ ভাইয়া কি হয়েছে তোর কান্না করছিস কেনো ভাইয়া ( বোন ও কান্না করে দিচে) - এবার আমি কি বলি ককিছু একটা বলে ম্যানেজ করতে হবে l আসলে আমার বোনটা আমার কান্না সহ্য করতে পারে না l আমিঃ আরে বোন আমার এত রোদ পড়ছে দেখছিস না তাই পাগলী l এই রোদ এর কারনে এগুলো চোখের পানি নয় ঘাম l তিশাঃ ঠিক তো ভাইয়া l ভাইয়া তোর কিছু হলে আমি তোকে ছাড়া থাকতে পারবো না l তোর এই ছোট বোনটা তোর দুঃখ সহ্য করতে পারে না l আমিঃ আমি জানি তো আমার কিউট বোন আমাকে খুব ভালোবাসে l ( তিশা কে জড়িয়ে ধরে) তিশাঃ ভাইয়া তাড়াতাড়ি নিচে চল আমার সাথে l আমিঃ কেনো আপু কি হয়েছে আম্মু ঠিক আছে তো? তিশাঃ আহা ভাইয়া এতো অস্থির হলে হবে নাকি?. নিচে গিয়ে দেখবি চল তো!! - তিশা আমার হাত টানতে টানতে নিচে নিয়ে গেলো l নিচে গিয়ে যাকে দেখালাম...... #চলবে.........

@Raiyan

Toke cai #তোকে চাই❤ ....... (সিজন-২) #part: 68 🍁 সকাল আটটা কি নয়টা বাজে। কারো হাসাহাসির শব্দে ঘুম ভেঙে গেলো আমার। জোর করে চোখদুটো খুলে পাশ ফিরে তাকালাম। রুম একদম ফাঁকা। আওয়াজটা ড্রয়িং রুম থেকে আসছে বুঝতে পেরে আবারও চোখ বন্ধ করে শুয়ে রইলাম আমি। কয়েক মিনিট পর ভারি মাথা নিয়ে উঠে বসে ওড়নাটা গায়ে পেচিঁয়ে চলে গেলাম নিচে। শুভ্র, মামু, মামানি,আপু, অভ্র ভাইয়া,দিদা সবাই মিলে হাসাহাসি করছেন। আমি সিঁড়ি বেয়ে নিচে গিয়ে দাঁড়াতেই সবাই ড্যাবড্যাব করে তাকালো। আমি খানিকটা অপ্রস্তুত হয়ে বললাম, --- এনি প্রবলেম? কি হয়েছে? আমার কথায় মামানি এগিয়ে এলেন। গালটা আলতো করে ছুঁয়ে দিয়ে বললেন, --- আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছে না রে রোদ। এই বছরটা খুব লাকি আমার জন্য। দু' দুটো নাতি পেয়েছি। এখন আরো একজন আসছে। এতোদিনের ফাঁকা ঘরটা পুরো করে দিলি তোরা দুই বোন। সুখী হ মা। দিদাও এগিয়ে এসে জড়িয়ে ধরলেন আমায়। কপালে চুমু দিয়ে বলে উঠলেন, --- ছোট নাতবউ? বড় নাতবউয়ের চেয়ে সবকিছুতেই তো তুই ডাবল। কথাতে, কান্নাতে,হাসিতে,দুষ্টামিতে তো অতিথির বেলায়ও ডাবলই হবে,তাই না? রানু? তুই বরং সবকিছু চার সেট করে কিনে রাখ বুঝলি? দিদার কথায় আবারও হেসে উঠলো সবাই। আমি লজ্জা লাল মুখ নিয়ে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলাম। মামুও মুচকি হেসে মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। এমন সময় কোথা থেকে সাহেল ভাইয়া এসে শুভ্রকে হুট করেই জড়িয়ে ধরলেন। পিঠে কয়েকটি চড় থাপ্পড় দিয়ে দাঁত কেলিয়ে বললেন, --- বাহ দোস্ত! আজ না খুব শান্তি শান্তি লাগছে। কনগ্রাচুলেশন বস। আজ থেকে দুই বন্ধু মিলে দুঃখের গল্প করবো। ভাবতেই এক্সাইটমেন্ট কাজ করছে। শুভ্র অবাক হয়ে বললেন, --- মানে? দুঃখের গল্প! কিসের দুঃখ। সাহেল ভাইয়া হেসে বলে উঠলেন, --- কিসের দুঃখ সেটা তো আজ থেকেই জানতে পারবি। বউ কতো প্যারাময় হতে পারে তা এই দশমাসে বুঝে যাবি। আমি তো এই পাঁচমাসেই শেষ! জীবন বের করে ফেলছে বন্ধু। নাবিলা আপু সাহেল ভাইয়ার পেছনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। সাহেল ভাইয়ার কথায় ভ্রু কুঁচকে বলে উঠলেন, --- সাহেল? তুমি কি বলতে চাইছো? আমি তোমাকে জ্বালাই? সাহেল ভাইয়া হাসলেন। নাবিলা আপুর দিকে তাকিয়ে বলে উঠলেন, --- আমি কি বলেছি তুমি জ্বালাও? এই শুভ্র? আমি এমন কিছু বলেছি? আমার বউয়ের মতো লক্ষ্মী বউ এই তৃভূবনে নেই বুঝলি? সে আমাকে একটুও জ্বালায় না। তার তো শুধু রাত দুটোয় আইসক্রিম,ফুসকা,চটপটি,কাবাব,চিপস, কুলফি ইত্যাদি ইত্যাদি খেতে হচ্ছে করে। রাত ৩/ ৪ টার সময় লুডু খেলতে ইচ্ছে করে। মাঝরাতে হুট করেই মরাকান্না করতে ইচ্ছে করে। মাংস রান্না করলে বমি করে ভাসিয়ে দিয়ে তার মাছ খেতে ইচ্ছে করে। মাছ রান্না করলে মাংস খেতে ইচ্ছে করে। মাঝরাতে ৫/৬ বার করে বেডশিট চেঞ্জ করতে ইচ্ছে করে। বাগানে গেলে ফুল চিবিয়ে খেতে ইচ্ছে করে। আর... সাহেল ভাইয়ার কথায় মুখ চেপে হেসে উঠলো সবাই। নাবিলা আপু রাগী গলায় বললেন, --- সাহেল! এতো জ্বালায় তোমায়? বেশ, এখন থেকে কিচ্ছু বলবো না। হ্যাপি? সাহেল ভাইয়া মুচকি হেসে নাবিলা আপুকে নিজের কাছে দাঁড় করিয়ে বলে উঠলেন, --- আরে রাগ করে না। মজা করছিলাম তো। আমার বউটা আসলেই অনেক লক্ষ্মী। মামু,মামানি, দিদা হালকা হেসে আমাদের রেখে যার যার রুমের দিকে হাঁটা দিলেন। আমি শুভ্রর পাশে গিয়ে দাঁড়াতেই বলে উঠলেন উনি, --- বাট আই উইল ম্যানেজ সাহেল। তোর জন্য নতুন হলেও আমার জন্য নতুন না। উনার কথায় তিনজনেই চোখ বড়বড় করে তাকালাম। কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে একসাথেই বলে উঠলাম, --- মানে? শুভ্র থতমত খেয়ে বলে উঠলেন, --- তোরা এভাবে তাকিয়ে আছিস কেন? আমি তো রোদের কথা বলছিলাম। ও তো সবসময়ই এমনসব কাজ করে এটা তো নতুন কিছু না, এটাই বুঝাতে চাইছিলাম। আমরা তিনজন একে অপরের দিকে তাকিয়ে একসাথেই বলে উঠলাম, --- ওওওওওও। শুভ্র যেন হাফ ছেড়ে বাঁচলো। একটু আধটু কথা বলে সবাই মিলে সোফায় গিয়ে বসতেই দৌঁড়ে এলো চিত্রা। ব্যাগটা সোফায় ছুঁড়ে মেরে আমাকে টেনে দাঁড় করিয়েই শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো। এক্সাইটমেন্টে গলা বন্ধ হয়ে আসছে তার। তবুও লাফাতে লাফাতে বলে উঠলো, --- আমি বলেছিলাম, তখন তো থাপ্পড় লাগাইলি। এখন মিললো তো? মাঝে মাঝে বাংলা সিনেমাও কাজে লাগে বুঝলি? এনিওয়ে, আই এম সো হ্যাপি জানু। আমার বেস্টুর বেবি হবে। উফফ, আমার তো নাচতে ইচ্ছে করছে। এই শোন? আমি বরং কাজ করি। বাচ্চাদের নাম ঠিক করে ফেলি। পাঁচটা ছেলের নাম আর পাঁচটা মেয়ের নাম। ছেলের নামগুলো "র" দিয়ে হবে আর মেয়ের নামগুলো "শ" দিয়ে হবে। দা... চিত্রার এক্সাইটমেন্টের মাঝেই বিস্মিত কন্ঠে প্রশ্ন করলেন সাহেল ভাইয়া, --- পাঁচটা পাঁচটা কেন? উনার কথায় রেশ ধরে আমিও বললাম, --- হ্যাঁ। পাঁচটা কেন? চিত্রা সোফায় আরাম করে বসলো। তারপর স্বাভাবিক কন্ঠে বললো, --- কেনো? কাল রাতে শুভ্র ভাইয়াই তো ফোনে বললো। "দশটা বাচ্চার নাম ঠিক করো চিত্রা। পাঁচটা মেয়ে, পাঁচটা ছেলে। কেবল তো শুরু কয়েকদিন পর দেখবে ভাগ্নে ভাগ্নি কোলে নেওয়ার জন্য কোনো হাত অবশিষ্ট থাকছে না। কেউ গলায় ঝুলে আছে তো কেউ পিঠে। দারুন না? " সবাই একসাথে শুভ্রর দিকে তাকালো। শুভ্র সবার দিকেই একবার করে তাকিয়ে বলে উঠলো, --- হোয়াট? কেউ কিছু বললো না। সাহেল ভাইয়া হাসি চেপে বলে উঠলেন, --- নাথিং! ১০ টা কনগ্রাচুলেশন ভাই। আগেই দিয়ে রাখলাম পরে যদি এতো এতো ভাস্তে ভাস্তির ভীরে তোকে খুঁজে না পাই। শুভ্র ভ্রু কুঁচকে তাকালেন। ছোট্ট করে বললেন,"দাঁড়া তুই..." এটুকু বলতেই অট্টহাসি দিয়ে দৌঁড় লাগালেন সাহেল ভাইয়া আর তার পিছু নিলেন শুভ্র। ওদের যাওয়ার দিকে কয়েকসেকেন্ড তাকিয়ে থেকেই আবারও বকবক শুরু করলো চিত্রা। বই থেকে প্রেগনেন্সির উপর পাঁচ-ছয়টা বই বের করে বিজ্ঞদের মতো লেকচার দিতে লাগলো। আমি আর নাবিলা আপু শুধু অবাক চোখে তাকিয়েই রইলাম। 🍁 আজ নাবিলা আপুর ডেলিভারি। সবাই হসপিটালে গিয়েছে। আমার পাশে মাধবী আর রাহেলাকে বসিয়ে দিয়ে দশ মিনিট আগে শুভ্রও বেরিয়েছেন হসপিটালের উদ্দেশ্যে। জানালার পাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি আমি। চারদিকে শেষ বিকেলের নরম আলো। সূর্যটাও পশ্চিমের দিগন্ত ছুঁই ছুঁই করছে। আমি চোখ বন্ধ করে ছোট্ট একটা নিঃশ্বাস ফেললাম। দেখতে দেখতে প্রেগনেন্সির পাঁচ পাঁচটি মাস কেটে গেলো। আমাদের জীবনের পাতা থেকে সময়গুলো কতো তাড়াতাড়িই না হারিয়ে যায়। এখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকেই অবাক চোখে দেখতে থাকি আমি। কেমন অদ্ভুত দেখতে লাগে আমায়। বিশ্বাস করতেই কষ্ট হয় এই ছোট্ট পেটটাতে আস্ত একটি জীবন টিকে আছে। ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে! এই পাঁচ মাসে শুভ্রকে খুব একটা জ্বালায়নি আমি। কারণ প্রেগনেন্সি জনিত তেমন কোনো প্রবলেমই হয় নি আমার। বমি,মুড সুয়িং, খাবারে অরুচি খুব কমই হয়েছে আমার। শুধু একটা জিনিস বেশি বেশি হয়েছে তা হলো ঘুম। সারাদিন পড়ে পড়ে ঘুমোনোই প্রতিদিনের রুটিন হয়ে উঠেছে আমার। তেমন কোনো সমস্যা না হলেও অফিসের কাজ কমিয়ে দিয়েছেন শুভ্র। এখন চারটার মাঝেই বাসায় ফিরেন উনি। আদ্র-রোদ্রও বেশ বড় হয়ে গিয়েছে এখন। বসে থাকতে পারে, একজন আরেকজনকে ছোট্ট ছোট্ট হাত দিয়ে চড় থাপ্পড়ও মারতে পারে। আপু আর চিত্রা প্রায় সারাক্ষণই আমার আশেপাশে থাকে এখন। চিত্রা প্রতিদিন বিকেলেই বাসায় এসে হাজির হয়। আমায় নিয়ে হাটাহাটি করে। তার ধারনা এই হাঁটাহাঁটিটা খুবই প্রয়োজন আমার নয়তো দিনদিন ফার্মের মুরগীর মতো ফুলে যাবো। ফোনের টোন কানে আসতেই ঘোর কাটলো আমার। জানালার বাইরে থেকে চোখ সরিয়ে বিছানায় পড়ে থাকা ফোনটির দিকে তাকালাম। মাধবী দৌঁড়ে এসে ফোনটা হাতে দিয়ে গেল আমার। আমি মুচকি হেসে ফোনটা রিসিভ করে কানে নিতেই ওপাশ থেকে আগ্রহী কন্ঠে বলে উঠলেন শুভ্র, --- নাবিলার ছেলে হয়েছে রোদপাখি। মাশাআল্লাহ, বেশ কিউট হয়েছে। যদিও সব ছোট বাচ্চাকে আমার কাছে এক রকমই দেখতে লাগে। --- আলহামদুলিল্লাহ! আপনি আমায় সাথে নিলেন না কেন, বলুন তো? সবাই তো দেখে নিলো বাবু আমিই শুধু রয়ে গেলাম। কোলেও নিতে পারলাম না। --- মন খারাপ করছো কেন? এখানে এসেই কি লাভ হতো? নাবিলার নর্মাল ডিলেভারি হয়েছে কয়েক ঘন্টা পর রিলিজ করে দিবে। আসলে শুধু শুধু জার্নি হতো আর টেনশন করতে। হসপিটালের বাতাসটাই অসুস্থ বুঝলে? হসপিটালে ঢুকলে সুস্থ মানুষেরও নিজেকে মহারোগী বলে বোধ হয়। না এসেই ভালো করেছো, বুঝলে? --- হয়েছে। ফাউল লজিক দিতে হবে না। পিচ্চির কয়েকটা ছবি পাঠান আমি দেখবো। আর হ্যাঁ, বাসায় ফিরেই বাবু দেখতে নিয়ে যাবেন আমায়, প্রমিজ? শুভ্র হাসলেন। হাসিমুখেই বললেন, --- ওকে প্রমিজ। বাট কাল সকালে। এই অবস্থায় রাতে তোমায় নিয়ে বের হচ্ছি না আমি। --- কিন্তু.... --- নো আর্গিউমেন্ট। সকালে মানে সকালে। এখন বাই, রেস্ট নাও। আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে কিছুক্ষণ ফোনের দিকে তাকিয়ে থেকেই ফোনটা বিছানায় ছুঁড়ে মারলাম। দিন যত বাড়ছে হুটহাট রাগটা ততই যেন বেড়ে যাচ্ছে আমার। চুলগুলো দু'হাতে হাতখোপা করে ধীর পায়ে বিছানায় গিয়ে বসলাম আমি। পা দুটো বেশ ব্যাথা করছে আমার। এ এক নতুন উপসর্গ দেখা দিয়েছে আমার। সন্ধ্যা হতেই দু পায়ে অসম্ভব রকম ব্যাথা শুরু হয়ে যায়। এটা কি প্রেগনেন্সির কারণেই হয়? কে জানে! কথাগুলো ভাবতে ভাবতেই মাধুবী-রাহেলা কে রুম থেকে চলে যেতে বলে শুয়ে পড়লাম আমি। কিছুক্ষণ পরই ঘুম ছুঁটে গেলো আমার। ঘুমের মাঝেও কারো গভীর দুটো চোখ তাড়া করছিলো আমার। চোখ মেলে তাকাতেই শুভ্রকে চোখে পড়লো। আমাকে তাকাতে দেখে মুচকি হেসে বললেন, --- শরীর কেমন? আমি দুর্বল হাসি দিয়ে বললাম, --- পা ব্যাথা করছে। উনি কপাল কুঁচকে তাকালেন। তারপর কি ভেবে বললেন, --- দাও, আমি টিপে দিচ্ছি। কথাটা শুনেই লাফিয়ে উঠলাম আমি। উনি অবাক কন্ঠে বলে উঠলেন, --- কি হলো? ---পায়ে হাত দিবেন না। দূরে বসুন। উনি আরো কয়েকগুণ বিস্ময় নিয়ে বলে উঠলেন, --- কেনো? --- আমার ভালো লাগে না তাই। প্লিজ পায়ে হাত দিবেন না। আমার অস্বস্তি লাগে। --- জাস্ট শাট আপ রোদু। --- আ আমার মাথা ব্যাথা করছে। পা ব্যাথা করছে না। আপনি আমার মাথাটা টিপে দিন তো। আহ! কি মাথা ব্যাথা। শুভ্র ভ্রু কুঁচকে তাকালেন। আমি আড়চোখে তাকাতেই হেসে উঠলেন উনি। আমি চুপচাপ তাকিয়ে আছি। উনার আকাঁবাঁকা দাঁতের টুল পড়া হাসি। ইশ! কি সুন্দর করে হাসেন উনি। উনার হাসিটা দেখলেই বুকে মোচড় দিয়ে উঠে। মনে হয়, এই বুঝি শেষ হলো দিন। ফুরিয়ে এলো বেলা! কেমন একটা অদ্ভুত চিনচিনে ব্যাথা সারা বুকজুড়ে.... #চলবে....

@Raiyan

The villain husband The Villain Husband পার্ট : ১৮ অনেকক্ষন ধরে রুমে বসে আছে শ্রাবন এ বাসায় আসার পর থেকে রুদ্র একবার ও শ্রাবনের রুমে আসেনি, কিন্তু রুদ্রের সাথে কথা বলাটা দরকার শ্রাবনের, নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে যে কষ্ট দিয়েছে তাকে নিজের হাতে শাস্থি দেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে শ্রাবন। তাই রুদ্রকে তার দরকার, কখন কিভাবে কি করবে সব প্লেন করতে হবে, ভাবতে, ভাবতে রুম থেকে বেড় হলো শ্রাবন। রুদ্রের রুম কোনটা শ্রাবন সঠিক জানে না তাই এদিক ওদিক তাকাতে তাকাতেই যাচ্ছে শ্রাবন। হঠাৎ কারেন্ট চলে গেলো, কারেন্ট চলে যাওয়াতে এবার শ্রাবন এক যায়গায় ঠায় দাঁড়িয়ে আছে, মোবাইলটাই রুমে রেখে এসেছে, মোবাইলটা থাকলে ফ্লাস জালিয়ে রুমে যেতে পারতো, কিন্তু তাও পারছে না, উপায় নেই তাই ঠায় দাঁড়িয়ে আছে,,, ওগো তোমায় নিয়ে সখী, যদি কোনো গল্প লেখি। তুমি এসো চিলে কোঠায়, শোনাই আমার বিনার বানী, তুমি মন্ত্রতালে শোনো! আজ আমার এ আবৃতি!! অন্ধকার রুম থেকে কেও কবিতাটি আবৃতি করছে, অন্ধকার তবুও শ্রাবন চোখ বুজে আবৃতি শুনছে, যেন অন্তরের খুব গভীর কোথাও, ভেদ করছে আবৃতিটা। - আরে ভাই আপনি এখানে দাঁড়িয়ে? শ্রাবন চোখ খুলতেই দেখো কারেন্ট এসে গিয়েছে, কিন্তু তার চোখ বন্ধ থাকায় টের পায়নি, রুদ্রের কথায় চোখ খুললো শ্রাবন, - হ্যা আসলে তোকেই ডাকতে যাচ্ছিলাম হঠাৎ কারেন্ট চলে গেলো, - ওহ আচ্ছা চলেন আপনার রুমে যাই, - আচ্ছা রুদ্র( মনে মনে ভাবছে শ্রাবন, আবৃতি কন্যার কথা রুদ্রকে জিজ্ঞেস করবে কিন্তু তারপর ও কোনো এক অজানা কারনে জিজ্ঞেস করলো না) - কি হলো ভাই কিছু বলবেন? - নাহ কিছুনা, কথা আছে একটু চল, তারপর শ্রাবন আর রুদ্র রুমে গেলো, বাহিরে খুব সুন্দর চাঁদ উঠেছে, জোছনা যেন রাতকেও রঙিন করে তুলেছে, রুমের ব্যালকনি ধরে দাঁড়িয়ে এই ফুরফুরে মেজাজে আবৃতি করছে তিতির। আবৃতি তিতির এমন একটা ভালোলাগা যাকে আবৃতি প্রেম ও বলা যায়, চুল গুলো কাটার দিয়ে কোনো রকম বাধা চোখ বুজে আবৃতি করে যাচ্ছে তিতির, এমনটা সে প্রতিদিনই করে তবে আজ যেন আবৃতিটা নতুন করে প্রান ফিরে পেয়েছে মনে হচ্ছে তিতিরের কাছে,এমন মনে হওয়ার রহস্য তিতির নিজেও জানে না, একলা একলা এক চঞ্চল সদ্য যৌবনে পা দেয়া একটি মেয়ের মনে অনেক ভাবনা জাগতে পারে,যে ভাবনাগুলো হয়তো কোনো ব্যাখ্যা হয়না তবে ভাবনাগুলো হয় সুন্দর, কারন সে ভাবনাগুলো আসে মনের অন্তরাল থেকে, সদ্য যৌবনে পা দেয়া মেয়েদের মন কখন কেমন থাকে কেও বলতে পারে না,এরা আচমকা কেঁদে দেয় কারনছাড়া হেসে দেয়। সহজ বিষয়কে জটিল আবার জটিল বিষয়কে সহজভাবে কল্পনা করে, অনেকক্ষন ধরে বিছানায় বসে আছে স্নেহা, বাবা, মা,ভাই সবাইকে একসাথে পেয়ে হয়তো তার খুশিতে নাচার কথা কিন্তু সে তা পারছে না, কারন তার মনে হচ্ছে এটা রুদ্রের আবার নতুনভাবে তার পরিবারকে ছোট করার ফন্দি, যে করেও হোক সে এবার তার পরিবারকে রক্ষা করবে, খোট করে দরজা খুলে রুমে এসেই সোজা বিছানায় শুয়ে পড়লো রুদ্র। - জান মাথাটা টিপে দাও অনেক ব্যাথা করছে, রুদ্রের দিকে একবার আরচোকে তাকালো স্নেহা, মনে মনে ভাবতে লাগলো মাথা বা টিপে গলাটা টিপে দিলে কেমন হয়। সব ব্যাথা একেভারে সেরে যাবে। মুখটা উঠিয়ে কিছুক্ষন স্নেহার দিকে তাকিয়ে, - কি হলো এতো কি ভাবছো? মনে হচ্ছে ঘরে সতীন আনার কথা বলেছি যে মুখটাকে কালো মেঘ করে রেখেছো!! - সতীন আনলেই বা কি? আই ডোন্ট কেয়ার। আপনি একটা না ১০ সতীন আনুন কিন্তু আমাকে আমার পরিবারকে আর আমার সন্তানকে প্লিজ মুক্তি দিন। - তুমি আবার শুরু করলে তাইনা? সারাটাদিন খাই কি খাইনা একবার ও খোজ নাও তুমি? বাসায় আসার পর ও শুরু করো কি ভাবো আমাকে আমিকি মানুষ না, আর বার বার নিজের বাচ্চা নিজের বাচ্চা করো কেনো বাচ্চা কি আকাশ থেকে পড়েছে ওর কি বাবার পরিচয় নেই, নিজের বউ আর বাচ্চাকে নিজের কাছে রাখতে চাওয়া অপরাধ হলে হ্যা আমি অপরাধী। কি করবা বলো এই অপরাধের শাস্তি আমাকে যা দিবা তাই আমি মাথা পেতে নিবো,( চিৎকার করে কথাগুলো বলেই বেড়িয়ে গেলো রুদ্র। স্নেহা বসে রুদ্রের চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে, টেবিলে খাবার দিচ্ছে আনোয়ারা বেগম, আজকে অনেক কিছু রান্না করেছে সে। অনেকদিন পর বাড়িতে আত্নীয়সজনে ভরপুর হয়ে গেছে, তাই ফুরফুরে মেজাজে আছে আনোয়ারা বেগম। পাশেই মুখ দাঁড়িয়ে আছে তিতির, - শোন তিতির তুই কিন্তু স্নেহার ভাইটার সাথে অনেক বেয়াদবি করেছিস, ও তোর অনেক বড় আর কোনো বেয়াদবি করবিনা, - আমি বেয়াদবি করিনি মা, লোকটা জানেনা কার সাথে কিভাবে কথা বলতে হয়, - মাড়বো টেনে এক চর লোকটা কি হ্যা? ভাইয়া বলবি।( আনোয়ারা বেগম) - একি আপা আপনি ওকে বোকাবোকি করছেন কেন? কি মিষ্টি মেয়েটা, ( সিরি থেকে নামতে নামতে বললো স্নেহার মামনি) - আরে আপা আপনি, আর বলবেন বা আপা মেয়েটা বড় হয়েছে কিন্তু বুদ্ধি সুদ্ধি হয়নি, নিজের মতো বকবক করেই যাই,( আনোয়ারা বেগম) - থাক আপা এই বয়সে এমন একটু হয়, আমার স্নেহাও এমন ছিলো আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে, তুমি কোন ক্লাসে পড়ো মা? - ইন্টার 2nd ইয়ার আন্টি। - বাহ খুব ভালো!! - তিতির যা তো তোর ভাইয়া ভাবিকে ডেকে আন আর স্নেহাকে বল ভাই আর শ্রাবনকে নিয়ে আসতে, - আচ্ছা মা, বলেই তিতির চলে গেলো, - ভাবি ভাবি, বিছানায় বসে আছে স্নেহা, - হুম বলো? - ভাবি মা খেতে ডাকছে, ভাইয়া কোথায়? - জানিনা তোমার ভাইয়া কোথায় তুমি যাও আমি আসছি। - ভাবি আংকেল কেও সাথে নিয়ে আসো আর ওই খাটাশটাকেও, বলেই তিতির জ্বীভে কামড় দিলো, - কি???? খাটাশ মানে?? - কিছুনা ভাবি মানে তোমার ভাইকেও, নিচের দিকে তাকিয়ে বললো তিতির। তিতিরের কথা শুনে স্নেহা হেসে দিলো, মেয়ে কলেজে পড়লেও আচরণ সে বাচ্চাদের মতোই রয়ে গেছে কথা ভেবেই স্নেহা মুচকি হেসে দিলো, তিতির কাচুমাচু হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, স্নেহা বুঝতে পারলো তিতির হয়তো ওভাবে বলে ফেলাতে একটু লজ্জা পেয়েছে, স্নেহা তিতিরের হাত ধরে বিছানায় বসালো, - জানো ভাইয়া ছোট বেলা থেকেই এমন, খাটাশ একটা। বাবা চকলেট আনলে আমাকে একটা দুইটা দিয়ে ও বেশি নিতো, তুমি ঠিকই বলেছো ভাইয়াটা পচা, তিতির মাথা উচু করে এক বিজয়ের হাসি দিলো, শেষমেস তার দলে কাউকে পেয়েছে ভেবেই ভালো লাগছে তিতিরে, তিতির আর একটু শক্ত করে বসলো, - দেখেছো ভাবি তুমি আমাকে ঠিক বুঝেছো, আর সবাই শুধু বোকা দেয়😞 আর কেও বোকা দিবেনা, আমি আছিনা আমি সবাইকে বলে দিবো। - আমার লক্ষি ভাবি, বলেই তিতির স্নেহাকে জড়িয়ে ধরলো। - হুম অনেক হয়েছে এখন চলো,পাপা আর ভাইয়াকে ডেকে আনি!! - ভাবি আমি যাবো না তোমার ভাইয়া আমার দিকে কেমন রাগি লুকে তাকায় আমার ভয় লাগে!! (ভিতু হয়ে বললো তিতির) - আরে আমি আছিনা কিছু হবে চলো, স্নেহা বাবাকে ডেকে নিচে পাঠালো তারপর ভাইয়ের রুমের দিকে গেলো, - ভাইয়া আসবো, - হ্যা আয়, স্নেহার পেছনে পেছনে তিতির ও ঢুকলো, - ভাইয়া চলো নিচে খেতে যাই!! - হুম যাবো ডাকতে তো একা আসলেই পারতি!! - কেনো?? ভাইয়া তিতিরকে নিয়ে আসাতে তোমার কোনো সমস্যা হয়েছে? - না রে সমস্যা হবে না, আমাকে খুনি আর চোর অলরেডি বানিয়ে ফেলেছে তো তাই আর নতুন করে কিছু হতে চাইনা তাই বললাম। শ্রাবনের কথা তিতির কিছুটা লজ্জা পেলো কারন তিতির বুঝতে পেরেছে তাকে শোনানোর জন্যই কথাটা বলেছে শ্রাবন, - ভাবি তোমরা আসো আমি নিচে যাচ্ছি, বলেই তিতির চলে গেলো সেখান থেকে, - উফ ভাইয়া, এমন ভাবে না বললেও পাড়তি আসলে ওর মন একটু বেশি সরল তাই মুখে যা আসে তাই বলে দেয়, মারপেঁচ বোঝে না। - হুম, আচ্ছা নিচে চল সবাই হয়তো ওয়েট করছে,( শ্রাবন) - চলো, শ্রাবন আর স্নেহা দুজনেই নিচে নামলো, খাবার টেবিলে বসে আছে সবাই, রুদ্র ছাড়া সবাই আছে, - স্নেহা না যা রুদ্রকে ডেকে আন, স্নেহা অবাক হয়ে গেলো, কারন সে তার পাপার মুখে এমন কথা আশা করেনি। যে তাদের এতোবড় ক্ষতি করেছে যে সবার জীবনটা এভাবে ওলটপালট করে দিয়েছি, যাকে তার পাপা একদিন গুলি করে মাড়তেও চেয়েছিলো। সেই পাপার মুখেই রুদ্রজে ডাকার কথা শুনে স্নেহা যেন থমকে গেছে, পরক্ষনেই স্নেহা ভাবলো, হয়তো তার পাপা কোনো চাপে পড়ে এমন ভালো ভাবে রুদ্রকে ডাকার কথা বলেছে, কারন রুদ্র এমনি এমনি তার মা বাবাকে আনার পাত্র না, কোনো না কোনো কারন তো আছে, ভাবতে ভাবতে স্নেহা রুদ্রকে ডাকতে গেলো, অনেকক্ষন ধরে গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে আছে রুদ্র, তার রাগের জন্য স্নেহাকে আর কোনো কষ্ট দিতে চায়না সে, তবে দিয়ে ফেলে আর এটাই তার বড় কষ্ট, স্নেহার মাঝে তার সন্তান আছে। দুজনের খেয়াল রেখেই যা করার করতে হবে, - খেতে চলুন সবাই ডাকছে, পেছন থেকে স্নেগার কণ্ঠ শুনে রুদ্র রুদ্র স্নেহার দিকে তাকালো, - সবাই ডাকছে বলেই ডাকতে এসেছো? নিজে মন থেকে ডাকতে আসোনি?? - না আসিনি, নিচে আসুন প্লিজ!!

@Raiyan

Heart গল্পের নাম--------- HEART একটি ১৯ বছরের মেয়ে তার প্রেমিকের কাছে গিয়ে বলল,,, মেয়ে: আমার ২০ তম জন্মদিনে তুমি আমাকে কি উপহার দিবে? ছেলেটা মুচকি হেসে বললেন,,, ছেলে: এখনও তো অনেক সময় আছে,আর সময় হলেই তুমি তোমার জন্মদিনের উপহার পেয়ে যাবে! বেশ কিছুদিন যাবার পর,একদিন হঠাৎ করেই মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে যায়! বাসার সবাই বেশ অস্থির হয়ে পড়ে! কিছুই বুঝে উঠতে পাচ্ছিলো না কেও,কি হয়েছে মেয়েটার? তারপর সবাই মিলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে ডাক্তার অনেক পরীক্ষা নিরিক্ষা করার পর,তার পরিবার কে বলল,,,সাদিয়ার হার্টে একটি ফুটো ধরা পড়েছে,এখন যদি খুব তাড়াতাড়ি হার্ট পরিবর্তন না করা যায়,তাহলে হয়তো সাদিয়াকে আর বাঁচানো সম্ভব হবে না!সবাই এই কথা শুনে কান্নায় ভেঙ্গে পরলো।সাদিয়ার মা বাবা কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলনা। সাদিয়ার প্রেমিক আকাশ তার বিষয়ে ডাক্তার এর কাছে থেকে সব কিছু শুনে বলল এ কিছুতেই হতে দিবে না সে। তারপর আকাশ মেয়েটির রুমে গেলো,দেখল তার ভালোবাসার মানুষটি বিছানায় শুয়ে আছে! আকাশ কাছে যেতেই মেয়েটি বলল,মেয়ে: আকাশ আমি মনে হয় আর বাঁচব না!সাদিয়ার চোখের পানি মুছে দিলো আকাশ! আর বলল,কে বলছে তুমি বাঁচবে না?তুমি খুব শীঘ্রই ভালো হয়ে যাবে। মেয়ে: তুমি কি করে জানলে? ডাক্তার তো বলেছে আমার হার্টে একটি ছিদ্র আছে,আর আমাকে বাঁচানো সম্ভব না!আকাশ: ধুর পাগলী!তোমার কিচ্ছু হবে না এভাবে বেশ কিছুদিন যাবার পর সাদিয়া সম্পুর্ন সুস্থ্য হয়ে উঠে এবং বাসায় ফিরে যায়!বাড়িতে ফিরেই সে আকাশ কে খুঁজতে থাকে!না পেয়ে,আকাশের বাড়িতে চলে যায়।আকাশের বাড়িতে কেউ নেইএর উপরে আপনার জন্য একটা চিরকুট রাখা আছে

@Raiyan

বউ যখন অতিরিক্ত রোমান্টিক গল্পঃ বউ যখন অতিরিক্ত রোমান্টিক। পর্বঃ ১ লিমাঃ এটা কোন কিস হলো? আমিঃ কিসতো এভাবেই করে। লিমাঃ এভাবে গালে নয়, - এবার ঠোঁটে কিস করো। - আজকের রাতটা আমাদের জীবনের প্রথম রাত। - এই রাতটা নিয়ে আমার অনেক সপ্ন ছিল। - আজ সেই সপ্নগুলোকে বাস্তবে রুপ দিতে যাচ্ছি। - আমিঃ আমি ঠোঁটে কিস করতে পারব না।কেমন যেন আনইজি লাগে। - লিমাঃ পারবানা..? - আমিঃ না।পারবো না। - - খপ করে পান্জাবীর কলার ধরে আমার ঠোঁটের সাথে নিজের ঠোঁট দুইটা মিশিয়ে দিল। - আরে আপনাদেরতো কিছুই বলা হয়নি। - এইমাত্র যেই মেয়েটি আমাকে কিস করল সে আমার রোমান্টিক বউ লিমা। - আর আমি রাশেদ। - পারিবারিকভাবেই আজ আমাদের বিয়েটা সম্পন্ন হয়েছে। - লিমা হলো আম্মুর বান্ধবীর মেয়ে। - তারা দুই বান্ধবী প্রতিজ্ঞা করেছিল আমাদের বিয়ে দেবার। - এই কথাটা আমি ও লিমা দুজনেই জানতাম। - - কিন্তু আমার বয়স যখন ১২ তার পর থেকে লিমার সাথে কখনো আমার দেখা হয়নি। - এমনকি কথাও হয়নি। - আমার পড়াশুনা শেষ। - বর্তমানে একটা প্রাইভেট কম্পানিতে চাকরি করি। - আর লিমা অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী । - আজ লিমাকে বিয়ে করে বাসায় নিয়ে আসলাম। - আর এখন আমি আর লিমা বাসর ঘরে আছি। তারপর কি হলো নিজেরাইতো দেখলেন_____! - - টানা ১২ মিনিট আমার ঠোঁট নিজের দখলে নিয়ে রেখেছে লিমা। - একপ্রকার জোর করেই ধরে রেখেছিল।। - হালকা করেই নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে হাপাচ্ছি। - আর লিমা হেসেই চলেছে। - তার মিষ্টি হাসি দেখে আমিও ফিদা। - আমিও তার ঠোঁটে আলতো করে। - আমার ঠোঁটের স্পর্শ এঁকে দিলাম। - তারপর কি হলো আপনারা না জানলেও চলবে.!! - সকালে ঘুম ভাঙলো, - লিমার ভেজা চুলের ঝটকায় শরীরে এসে কুয়াশার মতো পানি পড়ায়। - আমিঃএই অবেলায় দিলাতো ঘুমটা নষ্ট করে! - লিমাঃ এটা অবেলা? - ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে দেখো কত্ত বেলা হয়েছে। - আমিঃ ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি সকাল ৫ টা বাজে। - এখনতো মাত্র পাঁচটা বাজে। - এত সকালে কেন ঘুমটা নষ্ট করলা? - রাতেও তো ভাল করে ঘুমাতে পারিনি তুমার জন্য। - লিমাঃ এখন ওঠে ওয়াশরুমে যাও। - গোসল করে এসো একসাথে নামাজ পড়ব। - আমিঃ আর একটু ঘুমাই প্লিজ। - লিমাঃ না, নামাজের সময় পাওয়া যাবেনা। - - আমিঃহঠাৎ ঘাড়ে ব্যাথা অনুভব করলাম। - ইশশ পাজিটা কামড় বসিয়ে দিয়েছে। - এক লাফে ওঠে ওয়াশরুমে দৌড় দিলাম। - - ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে দুজন একসাথে নামাজ পড়লাম। - সারা রাত ঘুমাতে পারিনি,ঘুমে চোখ টলমল করছে,,,তাই আবার ঘুমিয়ে পড়লাম। #_চলবে.....!

@Raiyan

Hoyto love #হয়তো_ভালোবাসি #Writer_Eshetaq_Nora #Part_10 রুমের ভিতর-- নীড় ঢুকেই দেখলো নেশা ঘুমিয়ে আছে।সারা শরীর লাল হয়ে খারাপ হয়ে গেছে। নীড়ঃ আই এম সরি জান।।আমি জানতাম নাহ তোমার গোলাপ ফুলে এলার্জি। জানলে কখনো করতাম নাহ এই কাজ🥺🥺🥺🥺[নেশার হাত ধরে ] । একটুপর নেশার জ্ঞান ফিরেছে।।নীড় তাকে খাওয়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু কিছুতেই নেশা খাবার মুখে নিচ্ছে নাহ। নীড়ঃ প্লিজ খেয়ে নাও নেশা।।না হলে সুস্থ হতে পারবে নাহ।। নেশাঃ আপনি প্লিজ এখান থেকে যান।।আমার আপনাকে সহ্য হচ্ছে নাহ। নীড়ঃ নেশা আমি....... তখনই আকাশ রুমে ঢুকলো।।আকাশকে দেখে নেশা গাল ফুলিয়ে অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে নিলো।আকাশ বুঝতে পারলো নেশা রাগ করেছে। আকাশ গিয়ে নেশার পাশে বসলো।নেশা আরেক দিকে মুখ ফিরিয়ে নিলো। আকাশঃ নেশা আজ আব্বুর মৃত্যুবার্ষিক ছিলো। নেশাঃ 😒😒 আকাশঃ তাই এতিমখানায় গিয়েছিলাম নেশাঃ 😒😒 আকাশঃ সরি তো🙉🙉 [যদিও ডাহা মিথ্যা কথা। আকাশ গিয়েছিলো একটা পুলিশ কে হুমকি দিতে।।কারন সে আকাশের লোক দের জেলে ঢুকিয়ে রেখেছিলো মারপিট করায় ] নেশাঃ এই ছেলে এখানে কেন? আকাশ বুঝতে পারলো নেশা নীড়ের এখানে থাকার ফলে রাগ করেছে। কথাটা ভেবেই আকাশের মনে লাড্ডু ফুটতে শুরু করলো। আকাশঃ মনে মনে- হাহ আমার নেশাকে পটাবে😒।।দেখ তোকে সহ্যই করতে পারে নাহ আমার জান🥰🥰।। আকাশঃ আমিই ওকে রেখে গেছিলাম।।যদি তোমার কিছু দরকার হয় তাই। নেশাঃ আমি নিজের খেয়াল নিজে রাখতে পারি আকাশ।। আকাশঃ আচ্ছা সরি।।[বলেই নীড়ের হাত থেকে সুপের বাটিটা নিয়ে নিলো ] আকাশঃ তুমি যেতে পারো এখন নীড়।।ধন্যবাদ এতক্ষণ দেখে রাখার জন্য।।বলেই নেশাকে খাইয়ে দিতে লাগলো।আর নেশাও খেতে লাগলো। যা দেখে নীড় গাল ফুলিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেল।কারন এখন কিছু বললে নেশা রিয়েক্ট করতে পারে।।তাই কিছু বললো নাহ।আকাশ সেদিকে তাকিয়ে শয়তানি হাসি দিলো । । । এইভাবেই নীড় আর নেশার দিন কাটতে লাগলো।নীড় অনেক বার নেশাকে ইমপ্রেস করার চেষ্টা করেছে কিন্তু নেশা পাত্তা দেয়নি।এইদিকে নীড় আকাশের বিরুদ্ধে কোন স্ট্রং প্রমাণ পাইনি যা নেশাকে দেখাবে।।।লোকটা অতিমাত্রায় চালাক।।খুব সাবধানে নিজের কাজ করেছে।।তার উপর ১ বছর দেশে ছিলো নাহ। তাই নতুন কোন খুন ও করে নি।।।তাই প্রমাণ পাওয়া খুব কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। তাই ভাবলো নেশাকে এমনিতেই সব বলে দেবে।। যদি একটু হলে ও বিশ্বাস করে তাকে।।সেই অনুযায়ী প্লেন করলো।। । । । কাল বিয়ে বাড়িতে অনেক কাজ।।তাই সবাই বিজি।।বাড়িতেই পার্লারের লোক এসেছে।।সবাই ফেস পেক লাগিয়ে বসে আছে। নেশার ফেস পেক লাগানো শেষ তাই সে ঘরে চলে যায়।।আর পার্লারের এক মহিলাকে বলে ঘরে এসে তার পেডিকিওর করতে।। মহিলাটি ঘরে এসে তার পেডিকিওর করতে শুরু করে পায়ে।নেশা চোখ বন্ধ করে কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনছিলো।।পায়ে ম্যাসেজ করার ফলে খুব আরাম হচ্ছিলো তাই চোখ বুঝে রেখেছে।হঠাৎ রুমে নীড় ঢুকে মহিলাটিকে ইশারা করলো বেরিয়ে যেতে।মহিলাটি বেরিয়ে গেল।। নেশাঃ কি হলো বন্ধ হয়ে গেলে কেন??[ চোখ বন্ধ রাখা অবস্থায় ] নীড় কিছু ভেবে মুচকি হেসে নেশার পায়ের কাছে বসে পায়ে ম্যাসেজ করতে লাগলো। নেশাঃ তুমি আছো।।আমি তো ভেবেছি চলে গেছো। নীড় কিছু বললো নাহ।।কিন্তু ওর বোম ফাটা হাসি পাচ্ছে।। নেশাঃ এতো আস্তে করছো কেন। আগে তো ঠিক ছিলো।।[ চোখ বন্ধ করে] নেশাঃ আরে সুরসুরি দিচ্ছো কেন। বলেউ নেশা চোখ খুললো।আর নীড়কে দেখেই নেশাঃ আয়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়া😲😲😲😲😲 নীড় নেশার মুখ চেপে ধরলো। নীড়ঃ চুপ চুপ। এতো চিৎকার করো কেন।।🤫🤫 নেশাঃ😳😳😳😳 নীড়ঃ উফ এখন এমন করছো কেন। কথা বলো নেশাঃ উম্মম্মম্মম নীড় খেয়াল করলো নেশা মুখ থেকে হাত সরাতে বলছে। নীড়ঃ ওহহ সরি সরি।। [মুখ থেকে হাত সরিয়ে ] নেশা জোরে জোরে শ্বাস নিচ্ছে।। নীড়ঃ ঠিকাছো?? নেশাঃ হুম।।আপনি এখানে কেন?? নীড়ঃ তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করছিলো খুব🥰🥰 নেশাঃ ওকে। এখন যান নীড়ঃ জান🥰।।উফ এইভাবে বললে যাবো কিভাবে জান😉 নেশাঃ আমি জান বলিনি যান বলেছি।। নীড়ঃ আমিও তো জানই বললাম😁 নেশাঃ আমি যেতে বলেছি😡😡😡😡😡🤬🤬 নীড়ঃ ওহহ আচ্ছা তাই বলো😝।।আচ্ছা যাচ্ছি।। কিন্তু রাতে রেডি থেকে একজায়গায় যাবো। নেশাঃ আমি আপনার সাথে কোথাও যাবো নাহ নীড়ঃ তাহলে তুলে নিয়ে যাবো। নেশাঃ 🤬 নীড় চলে গেল।। রাতে--- নীড় দেখলো নেশার আসার নামগন্ধ নেই।।।নীড় রুমে গিয়ে দেখলো নেশা তো ঘুম। নীড়ঃ এই মেয়ে কে তো আমি🤬 নীড় নেশাকে কোলে করে নিয়ে গাড়িতে বসালো তারপর ড্রাইভিং করে এক জায়গায় নিয়ে গেল।সারা রাস্তায় এমন ঘুম দিয়েছে যে একটু টের ও পায়নি।।কি মেয়েরে বাবা।।😳 নেশার ঘুম ভাঙলো মুখে পানির ছিটায়।আর দেখলো নীড় তাকে একটা চেয়ারের সাথে বেধে রেখেছে। নেশাঃ হোয়াট দা🤬।।আপনি কি করছেন এইসব নীড়ঃ তোমার ঘুম ভাঙাচ্ছি।। নেশাঃ সেটা ডাক দিয়েও করা যেত। নীড়ঃ যেই ঘুম দিয়েছো ভেবেছি অজ্ঞান হয়ে গেছো।।তাই পানির ছিটা দিলাম নেশাঃ 🤬আমায় বেধে রেখেছেন কেন?? নীড়ঃ আদর করতে🥰 নেশাঃ শাট আপ নীড়ঃ এমন করো কেন। তুমি তো আমায় ভালোবাসো।। তাহলে আদর করলে কি হবে😒 নেশাঃ ভালোবাসতাম এখন বাসি নাহ। নীড়ঃ কেন বাসো নাহ।।আমার মনে ভালোবাসা জাগিয়ে এখন বলো ভালোবাসো নাহ।। নেশাঃ ও রেয়লি😱।।আমি আপনার মনে আমার জন্য ভালোবাসা জাগিয়েছি। নীড়ঃ হুম।তাই তো ভালোবাসি তোমায়।।খুব ভালোবাসি নেশাঃ😅😅হাসালেন মি. নীড় । আপনি আমায় ভালোবাসেন আমি তো জানতামই নাহ।।ধন্যবাদ আমাকে জানানোর জন্য নীড়ঃ আমি সত্যি তোমায় ভালোবাসি নেশা 🥺 নেশাঃ হুম জানি তো। তাই তো ২ বছর আগে পুরো কলেজের সামনে আমায় অপমান করেছিলেন আপনার নিসুর জন্য।আচ্ছা যেই নিসুকে আপনি এতো ভালোবাসেন তাকে ছেড়ে এখন আবার ইশাকে বিয়ে কেন করছেন? নীড়ঃ নিসু আমায় ছেড়ে চলে গেছে। নেশাঃ ওহহ তাই আমার কাছে আসলেন তাই তো।।নিসু যদি থাকতো তাহলে আপনার মনে হয়তো এই ভালোবাসা জন্মই নিতো নাহ। নীড়ঃ আমি আগে থেকেই তোমায় ভালোবাসি নেশা🤕।। নেশাঃ তাই বুঝি। তো ওই অপমান গুলো কি ভালোবাসার প্রতিদান ছিলো। নীড়ঃ নেশা আম..... নেশাঃ আমি বাড়ি যাবো। নীড়ঃ প্লিজ আমার কথা শুনো।।কেন ওইদিন ওইরকম করেছিলাম তা শুনতে চাইবে নাহ? নেশাঃ নাহ।।আমি কিছু শুনতে চাই নাহ।।আমি বাড়ি যাবো। নীড়ঃ কিন্তু না শুনা পর্যন্ত তো তোমায় আমি বাড়ি যেতে দিবো নাহ😊 নেশাঃ 😒😒 নীড়ঃ নিসুর বাবা আর আমার বাবা বিজন্যাস ফ্রেন্ড ছিলো।।তাই ওদের সাথে আমাদের ভালোই সম্পর্ক ছিলো।।প্রায় সময়ই তারা আমাদের বাড়ি আসতো আর আমরা তাদের বাড়ি যেতাম।।একবার তাদের বিজন্যাসে অনেক বড় লস হয় আর আঙ্কেল তার সব কিছু বিক্রি করে দেয় এমনকি তাদের বাড়িও বিক্রি করে দেয়।তাই আব্বু ওনাদের আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসে।।নিহার আম্মু নেই।।তখন থেকে ওনারা আমাদের বাড়িতেই থাকে। একদিন আমি আর আঙ্কেল মিলে পার্কে ঘুরতে যাই।তখন আমার মাত্র ১২ বছর।।রাস্তার ওইপাশে আইসক্রিমের গাড়ি দেখে আমি কিছু নাহ ভেবেই ওইপাশে যেতে নেই।।হঠাৎ একটা ট্রাক সামনে চলে আসে।।আমি ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলি।।আর ওইমূহুর্তে আঙ্কেল আমায় বাচায়।কিন্তু নিজে বাচতে পারেনি।।ট্রাক টা তাকে পিষে নিয়ে যায়।।তারপর থেকে নিহা একদম একা হয়ে যায় যদিও সে আমার বাড়িতে থাকতো। কিন্তু বাবা মা ছাড়া বুঝতেই তো পারছো।তারপর থেকে নিহার প্রতি ও আমার অন্যরকম মায়া সৃষ্টি হয়।তাকে টাইম দেয়ার চেষ্টা করতাম সব সময়।কারন যতোই হোক আঙ্কেল আমায় বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে।। আব্বু আমার আর নিহার বিয়ে ঠিক করে।।আমাদের পড়ালেখা শেষ করেই বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো। নিহা যা বলতো তাই করতাম।।ওর সকল আবদার পুরন করার চেষ্টা করতাম।একদিন ও বলে তোমার সাথে ভালোবাসার নাটক করতে।। প্রথমে আমি রাজি হইনি।।কিন্তু পরে ও জানায় যে তুমি তাকে সবার সামনে খুব অপমান করেছো।সারাদিন খুব কান্নাকাটি করলো।তাই আমি ও বাধ্য হয়ে খোঁজ নিলাম।।আর জানতে পারলাম সত্যিই ওইদিন তুমি ওকে থাপ্পড় মেরেছো সবার সামনে।।কিন্তু কেন মেরেছো তা জানতাম নাহ।।পরেরদিন থেকে শুরু হয় তোমাকে ভালোবাসার অভিনয়।। [একটু থেমে]জানো যেদিন তুমি চলে গিয়েছিলে তোমায় আটকাতে চেয়েছিলাম। ভালোবেসে ফেলেছিলাম যে। কিন্তু কি করে আটকাতাম বলো।আর আটকালেই বা কি হতো।।আমি যে নিহার কাছে দ্বায়বদ্ধ।জানো তুমি যাওয়ার একবছর পর নেশা আমায় ছেড়ে চলে যায়।সেদিন কষ্টের থেকে বেশি খুশি হয়েছিলাম কারন আমি তোমার কাছে ফিরে যেতে পারবো।।কিন্তু সেখানে গিয়ে তোমাদের কাউকেই পেলাম নাহ।।অনেক ট্রাই করলাম।। আমার প্রায় পাগল পাগল অবস্থা। আমার এমন অবস্থা দেখে আম্মু হার্ট অ্যাটাক করলো।আর আম্মুর খুশির জন্য আমায় ইশাকে বিয়ে করতে রাজি হতে হয়।[ কথাটা বলেই নীড় নেশার কাছে গিয়ে ওর বাধন গুলো খুলে দিলো ] নীড়ঃ আমি আজ ও তোমায় ভালোবাসি নেশা। খুব ভালোবাসি। [৷বলতে বলতে নেশার ঠোঁটের কাছে নিজের ঠোঁট নিয়ে গেল।।কিন্তু নেশা মুখ ঘুরিয়ে নিলো।নীড় দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে উঠে দাড়ালো।।অন্যদিকে ঘুরে---] নীড়ঃ আজ যা বললাম তার সবই সত্যি।। বাট তুমি যদি নাহ বিশ্বাস করতে চাও তাহলে কিছু করার নেই।।কিন্তু নেশা আজ আমি তোমায় আরো কিছু বলতে চাই।।সেটা হলো আকাশের ব্যাপারে।। তুমি হয়তো জানো নাহ ও কতটা ভয়ংকর।। ও ইশাকে খুন করেছে।।।তাও আবার আমার সামনে [ বলেই নেশার দিকে ঘুরলো। কিন্তু সে তো নেই।।তারমানে চলে গেছে।।।কথাটা নেশার শোনা হলো না।নীড় পিছন পিছন গিয়ে দেখলো নেশা গাড়ি নিয়ে চলে গেছে ] নীড়ঃ জানি নাহ কবে তোমায় আবার নিজের করে পাবো কিন্তু তোমায় যে আকাশের সত্যি টা জানাতে হবে যে করেই হোক।।কাল তোমায় সব শুনতেই হবে নেশা।। । । পরেরদিন রাতে নীড়ের হাত পা বাধা আর সামনে দাড়িয়ে আছে আকাশ। নীড়ঃ আমাকে এখানে নিয়ে এসেছো কেন আকাশ? আকাশঃ তুই আমার জানের দিকে নজর দিয়েচ্ছোস।। তোকে আর বাচিয়ে রাখা যাবে নাহ।।আজ আমি তোকে শেষ করে দিবো । । চলবে😊 ( অনেকেরই নীড়কে নায়ক হিসেবে পছন্দ ছিলো নাহ।।কারন সে নেশার সাথে ওইরকম করেছে।।কিন্তু এতে নীড়ের ও কিছু করার ছিলো নাহ।।আপনারা ওর জায়গায় থাকলে কি করতেন তা আমার জানা নেই।।😊 ❤❤আরেকটা কথা। কিছু মানুষ আছে যারা আমার গল্পের নায়িকাকে ও পছন্দ করে নাহ আবার নায়ককেও নাহ।।আবার আমার গল্পের কাহিনি ও পছন্দ করে নাহ।।কিন্তু তাদের কাছে এতোই ফালতু টাইম থাকে যে তারা সবসময় আমার গল্প ও পড়বে আবার খারাপ কমেন্ট ও করবে।।এগুলা করতে তাদের মধ্যে একটু লজ্জা ও লাগে নাহ।।সত্যিই অসাধারণ।পৃথিবীতে এই টাইপের মানুষ সত্যিই খুব বিরল।।তাদের নিয়ে চিরিয়াখানায় রাখা উচিত 😊❤❤)

@Raiyan

Golpo4 মেয়েঃএই দোকানের মালিক কে...? তানভীরঃজ্বি আমি... মেয়েঃএই ছোট বয়সের কেউ মালিক হয়...? তানভীরঃজ্বি হয়,এই যে আমি। মেয়েঃআচ্ছা আপনার দোকানে বিষ আছে...? তানভীরঃজ্বি,,,,আছে,,,, মেয়েঃআমাকে বিষ দিন। তানভীরঃজ্বি ইয়ে মানে,,,,,, মেয়েঃআজব ছেলে তো বাংলা কথা বুঝেন না। তানভীরঃজ্বি,,,, বুঝি,,,, তানভীর তাকিয়ে আছে সামনে দাঁড়ানো মেয়েটির দিকে,,,,, মনে হচ্ছে সারা রাত কান্নাকাটি করেছে।চোখ দুই টা হালকা ফুলে আছে,,,,,,,,, তানভীরের মনে হচ্ছে এই সেই নাটোরের বনলতা সেন,,,,,, যাকে কবি না দেখে আন্দাজে রুপের বর্ননা দিয়েছিলেন,,,,,,, এত সুন্দর মেয়েদের মুখে বিষ শব্দ টাও সুন্দর শোনায়,,,,,, তবে যাই হোক এই মেয়ে কে বিষ দেওয়া আর জেলখানার একটা ১৪ সিকের রুম কেনা উভয় সমান,,,,,,,, মেয়েঃহ্যালো,,,,,,এই যে আমি আপনাকে বলছি,,,,,,বিষ দিন আমাকে.,,,,, তানভীর মেয়েটির কথায় হকচকিয়ে গেল। একটু মজা করেই বললঃ আচ্ছা বলুন কি কালারের বিষ লাগবে? মেয়েঃ মানে ,বিষের আবার কালার হয় না কি...? তানভীরঃ আলবাত হয়, এর আগে একবার খাইলে বুঝতেন,,,,,, এই যেমন কালো,সাদা,নীল,পিংক কালার ইত্যাদি। মেয়েঃ কালো বিষ দেন। তানভীরঃ ছিঃ ছিঃ ভুল করেও খাবেন না,,,,মরার পরে দাঁত কুচকুচে কালো দেখাবে। আপনাকে যারা দেখতে আসবে সবাই বলবে মেয়ের দাঁত কালো। মেয়েঃ নাহ থাক তাহলে,,,,,,,আচ্ছা নীল কালার আমার খুব পছন্দ,,,,,,নীল কালারের বিষ দেন,,,,, তানভীরঃআরে না ,নীল কালারের বিষ নিমের পাতার মত তিতা,,,,,, তবে আপনার সাথে পিংক কালারের বিষ ভাল মানাবে,,,,,, মেয়েঃ ধ্যাত বিষের এত কাহিনী।যা মনে চায় দিয়ে দিন,,,, তানভীর সিভিটের পাতা থেকে ২ টা সিভিট সাদা কাগজে জড়িয়ে দিলো। মেয়েঃ কত টকা...??? তানভীরঃ আপাতত টাকা লাগবে না,,,,,,পড়ে এসে দিয়েন,,,,,, মেয়েঃ আপনি কি আমাকে পাগল পেয়েছেন,,,,,?? তানভীরঃ কেন,,,,,??? মেয়েঃ আমি মারা যাওয়ার পর কিভাবে দিবো,,,,?? তানভীরঃ তাহলে ফোন নাম্বার দিয়ে যান। মেয়েঃ নাহ ফোন নাম্বার দিতে পারবো না। তানভীরঃ ওকে,,,,, তাহলে আমার টা নিয়ে যান। বিষ খাওয়ার আগে কল দিয়েন,,,,,,, কিভাবে খেতে হবে বলে দিবো...।। তানভীরের কথাতে মেয়েটার মুখে কিছু টা হাঁসি ফুটলো,,,, রাত ১১.৪৭ মিনিট। তানভীরঃ হ্যালো...!!( রিসিভ করে) মেয়েঃকে বলছিলেন,,,,??? তানভীরঃআমি তানভীর,,,, মেয়েঃআপনি মিয়া একটা ফাউল,,, তানভীরঃকেন...?? মেয়েঃআপনার বিষ সিভিটের মত কেন,,,,? তানভীরঃআপনি কি খালি পেটে খেয়েছেন? মেয়েঃজ্বি,,, তানভীরঃসেই জন্য সিভিটের মত লেগেছে...।।এক কাজ করুন ভরা পেটে খান। মেয়েঃআপনি যেমন ,আপনার দোকানের বিষ তেমন,,,,,,,,আমি এখন ভাত খাইলে রাগ চলে যাবে,,,,,,,,,, কারণ ভরা পেটে আমার রাগ থাকে না...।। তানভীরঃতাহলে খেয়ে উঠে আমাকে কল দেন,আমি রাগ বাড়িয়ে দিয়ে বিষ খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিবো,,,,,, মেয়েঃতবে আপনি যেমন মানুষ তাতে খারাপ বলেন নাই,,,,,, কারণ আপনাকে কল দিলেই আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যাবে,,,,, ওকে আমি খেয়ে এসে কল দিচ্ছি...।। তানভীর অপেক্ষা করতে থাকলো সেই ফোন কলের,,,,,,, আপনারা অপেক্ষা করতে থাকেন পরের অংশের জন্য,,,,,,,,,,,,,

@Raiyan

মামাতো বোন ♥ মামাতো বোন ♥ পার্ট :২ নীল তুলি ছেলেটার কাছে এগিয়ে গিয়ে বললো তুলিঃ বলো কত টাকা চাই তোমার ছেলেটি: ১ লক্ষ তুলিঃ এই নাও কার্ড যত লাগে তত তুলে নিয়ে আমাকে কার্ড টা দিয়ো ছেলেটি তুলিকে জড়িয়ে ধরে বললো ধন্যবাদ সোনা তুমি না থাকলে আজ কিযে হত আমার। ছেলেটি চলে যাবার পর তুলি এসে গাড়িতে বসলো তুলি: চলো এখন আমি: ওকে তুলি: আর হ্যা তোমার মনে আছে তো যে কোন অনুষ্টানে গেলে আমাকে ম্যাম বলে ডাকতে হবে মার নাম ধরে ডাকা যাবে না আমি: হুম মনে আছে কিছুক্ষন পরেই আমরা চলে আসলাম আমি গাড়ি থেকে নেমে দেখলাম কারো মনে হয় বিয়ে বাড়ি এটা তুলি গাড়ি থেকে নেমে বললো তুলিঃ তুমি এখানেই থাকবা ভিতরে যাবা না আমি: ওকে ম্যাম ও হ্যা ওকে ম্যাম বলে ডাকার কারন টা হচ্ছে আমার মত ছেলে যদি ওকে নাম ধরে ডাকে তাহলে ওর মান সম্মান নাকি নষ্ট হয়ে যাবে তাই তো ওকে সব সময় ম্যাম বলে ডাকতে হবে । তুলি চলে যাবার পর আমি গাড়িতে গিয়ে বসলাম। তুলির সাথে ভালো ভালো যায়গায় গেলে তুলি আ মাকে এভাবে বাহিরেই রাখে তাই আর এখন এই ব্যাপার টা আমাকে খারাপ লাগে না। আমি গাড়িতে বসে গান শুনতেছি এমন সময় শুনতে পেলাম মামির কন্ঠ আমি গাড়ির গ্লাস খুলে দেখলাম মামি বাহির এ দাড় হয়ে আমি গাড়ি থেকে নেমে বললাম আমি: মামি কিছু লাগবে নাকি মামি: তুমি ভিতরে না গিয়ে এ খানে কেন আমি: না এমনি তেই যাইনি মামি: আসো এখন আমি: না থাক না আমি ভিতরে না যাই। মামি: আমি বলছি না আসো তুমি। আমি মামির কথা মত ভিতরে ডুকলাম। তার ফাকেই মামিকে বললাম আমি: মামি কার বিয়ে আজ মামি: আমার ভাইয়ের মেয়ে আমি: ও রিতি আপু বিয়ে আজে ( মামির ভাইয়ের মেয়ের নাম রিতি) মামি: হুম কথা না বলে চলো তোএখন আমি মামির সাথে ভিতরে গেলাম ভিতর টা অনেক সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। মামি আমাকে একটা রুম দেখিয়ে দিয়ে বললো যাও ওই রুম এ গিয়ে বিশ্রাম নাও আমি আসতেছি আমি মামির কথা মত রুমে ডুকতে যাবো এমন সময় পিছন থেকে কে যেন আমাকে ডাক দিলো আমি পিছনে ঘুরে দেখলাম রাফা আমাকে ডাকতেছে( রাফা হচ্ছে রিদির ছোট বোন) ও মামির বাসায় গিয়ে মাঝে মাঝেই থাকে তাই আমাকে চিনে ও এবার ক্লাস টেন এ পড়ে ও আমার সাথে খুব ফ্রি। আমি: কি হয়েছে রাফা রাফাঃ ভুলে গেছো নাকি আমাকে আমি: ভুলে কেন যাবো তোমাকে রাফাঃ যদি মনে রাখতে তাহলে একবার হলে ও আমার খোজ নিতে ভাই আমি: আরে পাগলি আমি কেবল আসলাম রাফাঃ ওকে ভাইয়া চলো রুম এ গিয়ে বসে গল্প করি আমি: ওকে চলো আমরা দুজনে রুম এর মধ্যে প্রবেশ করে গল্প করতেছি এমন সময় তুলি রুম এর মধ্যে ডুকে আমাকে বললো তুলি: ওই ফকিন্নির বাচ্ছা তোকে না বলছি বাড়ির ভিতড়ে ডুকবি না আমি: আমি তো ডুকতে চাই নি কিন্তু মামি ও আমাকে চুপ করে দিয়ে বললো তুলিঃ মামি আসতে বলছে বিধায় তুই আসবি নাকি। আমি: না মানে তুলি তুলিঃ: কি বললি তুই ঠাসস ঠাসস ঠাসস ঠাসস তোকে না বলছি আমার নাম ধরে ডাকবি না আমি: স্যরি ম্যাম ভুল হয়ে গেছে আর ভুল হবে না। আমি পিছন ফিরে দেখতেছি রাফা আমার দিকে করুন চোখ এ তাকিয়ে আছে তুলিঃ যা বলছি এখন থেকে বের হয়ে আর যেন এখান এ না দেকি তোকে আমি: ওকে ম্যাম বলেই আমি যখনি চলে আসতে ধরছি তখনি রাফা পিছন থেকে বলে উঠলো রাফাঃ নীল ভাইয়া দাড়াও তুমি। তুমি কেথাও যাবা না এখানেই থাকবা তুলিঃ: মানে কি বলতে চাস তুই নেহা রাফাঃ আপু তুমি অনেক বলেছো যখন আমি তোমাদের বাসায় গিয়ে থাকতাম তখনো তুমি নীল ভাইয়াকে এভাবেই অপমান করতে। ওটা তোমার বাসা ছিলো তাই আমি কিছু বলি নাই এখন এটা আমার বাসা আমি কাকে থাকতে দিবো না দিবো সেটা আমার ব্যাপার তুলিঃ ও বুঝছি রাতে দেখবো তোমার পেয়ারের নীল কোথায় থাকে কার বাসায় যায় আমি: তুমি যদি বেশি বাড়াবাড়ি করো তাহলে কিন্তু আপু। তোমার যে ঘটনা টা আমি যানি সেটা আন্টিকে বলে দিবো এই কথা বলার সাথে সাথে তুলি যেনো চুপ হয়ে গেলো। ও মুখ টা কালো করে রুম থেকে বেড় হয়ে গেলো আমি: থাক না রাফা বরং আমি চলে যাই আমার জন্য শুধু শুধু তুমি কেন ওর সাথে সম্পর্ক নষ্ট করতেছো রাফাঃ চুপ করো তো তুমি তোমার কেউ নাই বিধায় ও তোমাকে এভাবে অপমান করবে নাকি আমি: ওর খারাপ ব্যাবহার ওর থাপ্পর এগুলো এখন আর আমাকে কষ্ট দেয় না কারন একটা কাজ যদি মানুষ প্রতিদিন করে তখন কিন্তু তাকে আর খারাপ লাগে না। ঠিক প্রতিদিন ওর অপমান আর চর থাপ্পর আর আমাকে খারাপ লাগে না রাফা: হয়েছে চলো তো এখন আমার রুম এ। ফালতু মেয়ে কোথাকার মানুষকে কেউ এভাবে থাপ্পর মারে নাকি। গালটাতো পাচ টা আংগুল এই দেখা যাচ্ছে আমি রাফার সাথে ওর রুম এ গিয়ে চুপটি করে বসে রইলাম। কিছুক্ষন পরে মামি রাফার রুম এ ডুকলো। আর মামি রুমে ডুকতেই তো অবাক. wait

@Raiyan

Covid19 আল্লাহ মাফ করুন! কোভিড আইসিইউ এর এক নার্সের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। যারা মাস্ক না পরে বাইরে ঘুরে বেড়ান আর ভেন্টিলেটরে থাকবার মানেটা বুঝতে পারেন না তারা শোনেন। এই ভেন্টিলেটর এমন কোন অক্সিজেন মাস্ক নয় যেটাকে ফিল্মি কায়দায় আরামে মুখে লাগিয়ে শুয়ে শুয়ে পেপার ম্যাগাজিন পড়তে থাকা যায়। কোভিড-১৯ এর এই ভেন্টিলেশন হল এমন একটা নল যেটা আপনার গলার একদম নিচ পর্যন্ত ঢুকিয়ে রাখা হয়। আর সেটা আপনি বেঁচে ওঠা বা মরে যাওয়া পর্যন্ত একদম ওখানেই লাগানো থাকে। এই নলটা প্রায় ২ থেকে ৩ সপ্তাহ কোন নড়াচড়া না করে; মাঝেমধ্যে এমনকি শরীরকে সম্পূর্ণ উপুড় করে বসানো থাকে। মুখ থেকে ট্রাকিয়া পর্যন্ত একটা টিউব ঢুকিয়ে দেয়া হয় যা ফুসফুসযন্ত্রের সাথে ছন্দ মিলিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে সাহায্য করে। রোগী এই অবস্থায় কথা বলা, খাওয়া- কোনকিছুই স্বাভাবিকভাবে করতে পারে না। মেশিনটিই তাকে জীবিত রাখে। এই প্রক্রিয়ায় একজন রোগী যে প্রচন্ড কষ্ট পান তা সয়ে নেয়ার জন্য ডাক্তাররা তাদের কড়া সিডাটিভ(চেতনানাশক) ও পেইনকিলার পুশ করে রাখেন। এতে করে যতক্ষন এই মেশিন ব্যবহার করার দরকার পড়ে ততক্ষণ তারা এই কষ্ট সহ্য করে নিতে পারেন। এই অবস্থাটা অনেকটাই কৃত্রিম কোমায় থাকার মতন। এই চিকিৎসা ২০ দিন চললে একজন যুবকবয়সী রোগী তার মোট পেশীর প্রায় ৪০% হারান, ভোকাল কর্ড ট্রমায় ভোগেন, এবং এর সাথে সাথে বিভিন্নরকম শ্বাসকষ্ট ও হৃদযন্ত্রের জটিলতায় ভুগবার সম্ভাবনাও থাকে। ঠিক এসব কারণেই বৃদ্ধ বা ইতোমধ্যে দুর্বল রোগীরা এই চিকিৎসা সহ্য করতে না পেরেই মারা যান। আমরা অনেকেই এই দুর্বল দলের সদস্য। তাই ঐ অবস্থায় যাবার ইচ্ছা না থাকলে সকলে খুবই সাবধান থাকুন। এটা কোন ফ্লু নয়। তরল খাদ্য ঢুকানোর জন্য নাক বা ত্বকের মধ্য দিয়ে পেটের মধ্যে একটা টিউব, ডায়ারিয়া কালেক্ট করার জন্য কোমরের চারপাশ জুড়ে একটা স্টিকিব্যাগ, প্রস্রাবের জন্য ফোলি ক্যাথেটার, ফ্লুইড আর ওষুধের জন্য আইভি, ব্লাডপ্রেশার মনিটর করার জন্য একটা এ-লাইন এফ- এসবকিছু একসাথে শরীরে ঢুকাবেন? আবার লাগানোর পরে এর সব কয়টাই ওষুধের হিসাব করা ডোজ, নার্স টিম, মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট কর্তৃক আপনার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পাশপরিবর্তন করা আর বরফশীতল পানি বয়ে যাওয়া ম্যাটে শুয়ে আপনার ১০৪ ডিগ্রি জ্বরকে স্বাভাবিক রাখার উপরে নির্ভর করবে। -এসব চেষ্টা করে করে দেখবেন নাকি কেমন লাগে? -এই আর্টিকেলে যা বলা নাই তা হচ্ছে এই অবস্থায়ও একজন রোগী কিন্তু সবই শুনতে পান। তাই তাদের পাশে দাঁড়িয়ে কোন নার্স অসচেতনভাবে মৃত্যুর কথা বললেও রোগী প্যানিক করেন। সিডাটিভের পরিমাণ কম হলেও রোগী শ্বাস নিতে পারেন না, কথা বলতে পারেন না। ব্যথানাশকের পরিমাণ কমালে রোগী তার মাথার ভেতরে অসহ্য যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু কোন শব্দ করতে পারেন না। যখন টিউবগুলো শরীর থেকে বের করে নেয়া হয় তখনও খুবই অস্বস্তি হয়। রেস্পিরেটরের বদলে ট্রাকিয়া কাজ করতে পারে, কিন্তু রোগী তখনও টিউব ছাড়া খেতে বা কথা বলতে পারেন না। যখন আপনি মাস্ক না পরে বাইরের কোন দোকানে কোন শখের জিনিস কিনতে যাবেন- তখন মনে রাখবেন আপনার দ্বারা কিন্তু শুধু অচেনা লোকই আক্রান্ত হবে না। আপনার বাচ্চা, আপনার স্বামী/স্ত্রী, বাবা/মা-কে হাসপাতালে অমন একা একা নরকযন্ত্রণায় ভুগতে দেখতে চান কিনা- শখে শখে পাড়াবেড়ানোর আগে সে কথা ঠিকমতো ভেবে নেবেন!

@Raiyan

Devil husband 15 Devil Husband💗 part_15 Imtihan Imran _ইমরান সিনহাকে নিয়ে লেডিস শোরুমে প্রবেশ করে ইমরান সিনহার উদ্দেশ্য বলে _তোমার পছন্দমতো তুমি দুইটা ড্রেস কিনতে পারবা,সেটা শাড়ি বা অন্যকিছু যাই হোক আর সবকিছু আমি আমার পছন্দমতো কিনবো সিনহা বিরক্তি নিয়ে বলল _দুইটা আবার আমাকে কেনো পছন্দ করতে হবে,সব তো আপনিই পছন্দ করবেন,এটাও করেন ইমরান সিনহাকে একপাশে বসিয়ে রেখে সিনহার জন্য নিজের পছন্দমতো শপিং করছে অন্যদিকে সিনহার,ইমরানের উপর অনেক রাগ উঠতেছে -শালার ডেভিলের বাচ্চা,সব যখন তুই পছন্দ করে কিনবি তাহলে আমাকে সাথে করে আনার কি দরকার ছিল,হুদাই আমার সময় নষ্ট করলি😠 শপিং শেষে ইমরান সিনহাকে নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে আসে _কি খাবা অর্ডার দেও _এটাও আপনিই অর্ডার করেন ইমরান ওয়েটার কে ডেকে খাবার অর্ডার দেয় ইমরান খাওয়ার ফাকে লক্ষ করলো সিনহা খাচ্ছে না,কেমন অসস্থি বোধ করছে -সিনহা কোনো সমস্যা -হু -বলছি কোনো সমস্যা,খাচ্ছো না যে সিনহা অকপটে স্বীকার করে _ঐ ছেলে দুইটা আমাকে খারাপ ইংগিত করছে ইমরান নিজের পিছনে তাকায় দেখে দুইটা ছেলে চুমুর স্টাইলে সিনহাকে বাজে ইংগিত দিচ্ছে আর হাসছে ইমরানের রাগ আর দেখে কে সে তড়িৎ গতিতে উঠে এসে ছেলেদের সামনে এসে ঝড়ের গতিতে ছেলে দুইটাকে ইচ্ছামত থাপ্পড় লাথি,ঘুষি মারতে থাকে _কুত্তার বাচ্চা তোদের সাহস কি করে হয় ওর দিকে বাজে ইংগিত দেওয়ার আজকে তোদের ঠোঁট চোখ দুইটাই আমি ছিড়ে ফেলবো(রেগে ফায়ার) রেস্টুরেন্ট কতৃপক্ষ এসে ইমরানকে থামায়,ছেলেগুলো রক্তাক্ত অবস্থায় ফ্লোরে পড়ে আছে -স্যার প্লিজ কুল ডাউন,আমরা দেখছি ওদেরকে -তাড়াতাড়ি দেখেন,নাহলে আপনাদের ব্যাবসা আমি আকাশে উঠাবো বলে দিলাম _না না স্যার এমনটা করবেন না ইমরানের চোখ দিয়ে আগুন বেরুচ্ছে _কতো বড় সাহস কুত্তার বাচ্চাদের আমার বউকে চুমু দেখায় সিনহা ভয়ে চুপ করে আছে ইমরানকে খুব ভয়ংকর লাগছে সিনহা এই ডেভিলটাকে ভীষন ভয় পায় ইমরান সিনহার হাত ধরে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে যায় সিনহাকে নিয়ে বাসায় চলে আসে ইমরান সোফায় বসে পড়ে,সিনহা সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে যায় -এই যে প্যাকেটগুলো কে নিবে সিনহা তাড়াতাড়ি এসে ইমরানের হাত থেকে প্যাকেটগুলো ছো মেরে নিয়ে যায় সিনহা রুমে এসে প্যাকেটগুলোতে তার জন্য কী কিনছে ডেভিলে,তা চাওয়ার জন্য উৎসাহী হয় তখন ডেভিলকে গালি দিতে ছিলো তাই ঠিক করে আর খেয়াল করলো না ডেভিলে কি কিনে তার জন্য সিনহা প্যাকেট গুলো খুলতেই তার মেজাজ সপ্তম আকাশে উঠে যায় মাত্র দুইটা শাড়ি কিনছে,আর সব গুলো টিশার্ট,ট্রাউজার -শালা কিপ্টস, ডেভিল বাচ্চা আমার জন্য মাত্র দুইটা শাড়ি কিনলি,আর সব কিছু নিজের জন্য কিনলি আজকে সিনহা ডেভিল কে কঠিন গালি দিবে,গালি দিয়েই আজকে সে ডেভিলকে মেরে ফেলবে _ডেভিলের বাচ্চা তুই যদি ডেভিল হয়ে থাকস,তাহলে আমিও ডেভিলের বউ ডেভিলনী,আজকে তোরে বুঝাবো এই সিনহা কী জিনিস😠 সিনহা সিড়ি দিয়ে নিচে নেমে ইমরানের সামনে দাঁড়ায় সে মনে মনে দোয়া দুরূদ পড়ে নিতেছে চলবে. (সিনহা গালি দিয়েই আজকে ইমরানকে মেরে ফেলবে, ভাবা যায় এগ্লা😂)

@Raiyan

বিবেক থেকে বলছি আবেক নয়, বিবেক থেকে লিখছি 🙂 সুখে নয়, দুঃখে লিখছি 😢 ...................................................... মাস্টার্স পাশ করা ২৬, ২৭ বছর বয়সী একজন যুবক-যুবতীকে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা বেতনে চাকরিতে যোগদান করতে হয়। আর পড়ালেখা না জানা ১০, ১২ বছর বয়সী একজন বাস হেল্পার এর দৈনিক হাজিরা প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, যা মাস শেষে ১৪, ১৫ হাজার টাকা হয়। কেউ কোন ফ্যাক্টরীতে ২০ বছর কাজ করলে তার বেতন হয় লক্ষ টাকা, আর ২০ বছর পড়ালেখা করে যখন চাকরির জন্য যায়, তখন তার বেতন হয় ১০ হাজার টাকা। তাহলে আমরা কোথায় যাবো? স্কুলে না ফ্যাক্টরীতে? হাজার হাজার - লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে পড়ালেখা করে আজ শিক্ষিত মানুষগুলো পরিবারের, সমাজের এবং সবার কাছে অবহেলিত। রাষ্ট্র পড়ালেখা করার জন্য টাকা নিতে পারে। কিন্তু পড়ালেখা শেষ করার পর টাকা ফিরিয়ে দিতে পারেনা! অনেকেই বলবে ভাল করে পড়ালেখা করলে, ভাল রেজাল্ট করলে ভাল চাকুরী পাওয়া যায়। আসলেই কি পাওয়া যায়? নাকি মোটা অংকের Donation দিতে হয়? ভাল রেজাল্ট না করলে পাশ দেওয়া হয় কেন? রাষ্ট্র যদি শিক্ষিত মানুষের চাকুরী দিতে না পারে তাহলে রাষ্ট্রের উচিত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ব বিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দেয়া। তাহলে সন্তানদের পড়ালেখার জন্য বাবা মায়ের এতো কষ্ট করতে হতো না। টাকা গুলো সঞ্চয় হতো। চাকরির অভাবে পরিপক্ক হওয়া ছেলেটা ২৮ বছরেও বিয়ে করতে পারে না।অন্যদিকে বয়স বাড়তে থাকা অবিবাহিত মেয়েটাও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারে না। না পারছে উপযুক্ত ছেলেকে বিয়ে করতে, না পারছে পড়শির খোটা সহ্য করতে। শুধুই দীর্ঘশ্বাস। আমাদের অবস্থা আজ এমন দাঁড়িয়েছে যে, যেন গাধার দিকে তাকালে দেখতে পাই নিজেদের প্রতিচ্ছবি। এরথেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার আকাংখা জাগরিত করা...চাকরি নামক গোলকধাঁধা মাথাথেকে ছাত্রাবস্থায় বের করে প্রত্যকের জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে দেয়া...উদ্যোক্তা😍

@Raiyan

Toke cai #তোকে চাই❤ ....... (সিজন-২) #writer: raiyan #part: 67 🍁 সোফায় পা গুটিয়ে বসে আছি আমি। আমার সামনে বিছানায় উবু হয়ে বসে আছে চিত্রা। আদ্র-রোদ্রর গলায় "A" আর "R" লেখা দুটো লকেট ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে করে কে আদ্র আর কে রোদ্র তা সহজেই বুঝা যাচ্ছে। আমাদের সবার কাছে বাবুদুটোকে এক মনে হলেও আপু দৃঢ় কন্ঠে বলছে তারা জমজ হলেও চেহারা এক নয়। দু'জনের মাঝে কিছুটা অমিল আছে। আমার আর চিত্রার কাছে বিষয়টা বিশ্বাসযোগ্য নয় তাই বাচ্চাদেরকে উল্টে পাল্টে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে অমিল খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে চিত্রা। আদ্র রোদ্রর চেয়ে ৩ মিনিটের বড়, এই কথাটাও আপু থেকেই জেনেছি আমরা। ডক্টর বলেছিলো, কিন্তু কে আদ্র আর কে রোদ্র সেটাই যেখানে বড় প্রশ্ন সেখানে বড় ছোট নির্ণয় করা একরাশ কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়। তবে আপু কিভাবে যেন ব্যাপারটা ধরে ফেলেছে। কিভাবে ধরলো কে জানে? আদ্র- রোদ্রর সাথে দুষ্টুমি করতে করতেই কানে এলো শুভ্রর ডাক। চিত্রাকে গনেষনা চালিয়ে যেতে বলে আমাদের রুমের দিকে হাঁটা দিলাম আমি। দরজার কাছাকাছি গিয়ে দাঁড়াতেই দুনিয়া ঘুরে এলো আমার। দরজা ধরে নিজেকে সামলে নিয়ে ধীর পায়ে রুমে প্রবেশ করলাম আমি। মাথা ঘুরানোর ব্যাপারটা শুভ্রকে বুঝতে দেওয়া চলবে না। কোনভাবে বুঝতে পারলেই শুরু করবে চিৎকার, "খাও না ঠিকমতো হেন তেন কতো কিছু।" অথচ এই দুসপ্তাহ ধরে আমি বেশ নিয়ম করেই খাবার আর ঔষধ খেয়ে চলেছি। তবুও এই দুর্বলতা পিছুই ছাড়ছে না। রুমে ঢুকতেই শুভ্রর গোমড়া মুখটা চোখে পড়লো। মুখ কালো করে জুতো আর মোজা খুলছে সে। আমি সামনে দাঁড়াতেই অভিমানী কন্ঠে বলে উঠলো সে, --- কি লাভ হলো, বলো? এতো পরিশ্রম করে লাভ টা কি হলো? উনার কথার আগামাথা কিছুই বুঝতে না পেয়ে ভ্রু কুঁচকে তাকালাম আমি৷ কনফিউজড হয়ে বলে উঠলাম, --- মানে? কিসের কথা বলছেন আপনি? শুভ্র বাম পায়ের জুতোটাও ঠাস করে ফ্লোরে ফেলে উঠে দাঁড়ালো। আমার দিকে তাকিয়ে মুখ কালো করে বলে উঠলো, --- আপনার রেজাল্টের কথা বলছি। এতোকষ্ট করে পড়াশোনা করিয়ে ৩. ৭১? শুভ্রর কথায় চোখ বড় বড় হয়ে এলো আমার। ৩.৭১? বলে কি? জামাইয়ের কাছে পড়ে এতো ইম্প্রোভমেন্ট হয়েছে ভাবতেই পারছি না আমি। বুকের ভেতর থাকা মনটা রীতিমতো লাফালাফি শুরু করেছে। আমার মনের অবস্থা "ভেরি হ্যাপি" টাইপ হলেও শুভ্রর মুখটা "ভেরি স্যাড" টাইপ হয়ে আছে। তার মুখ দেখে মনে হচ্ছে ক্লাস সিক্সের ম্যাথ এক্সামে সবাই যেখানে হান্ড্রেট পেয়েছে সেখানে সে পেয়েছে জিরো। বর যেখানে এতো কষ্ট পেয়েছে সেখানে আমার এতো খুশি খুশি ভাব মানায় না। তাই মুখে দুঃখী দুঃখী ভাব আনার প্রচেষ্টা চালালাম। কতটুকু সফল হয়েছি জানি না কারণ যখনই দুঃখ দুঃখ ভাব আনার চেষ্টা করি তখনই মনের মধ্যে খুশি নামক ভাইরাসগুলো লুঙ্গিডান্স মারে। তবুও যথাসম্ভব মন খারাপ ভাব নিয়ে বলে উঠলাম, --- মাত্র ৩.৭১? এতো কম! সরি.... নেক্সট টাইম ভালো করবো। শুভ্র এ বিষয়ে কিছু বললো না। শার্টের বাটন খুলতে খুলতে বললো, --- তোয়ালেটা দাও। ফ্রেশ হবো। আমি তোয়ালে নিতে সোফার দিকে এগিয়ে যেতেই আবারও মাথা ঘুরে গেলো আমার। এবার আর শেষ রক্ষা হলো না। আশেপাশে ধরার মতো কিছু না থাকায় ফ্লোরে গিয়ে পড়লাম আর খাটের কোনাটা লাগলো মাথায়। শব্দ শুনে ফিরে তাকিয়েই দৌড়ে এলো শুভ্র। আমার কপালে খানিকটা ফুলে উঠেছে। উনি আমাকে কোলে তুলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিয়েই বরফ আনতে ছুটলেন। কপালে বরফ ডলতে ডলতে প্রশ্ন করলেন, --- আবারও খাবারে অনিয়ম করছো? ঔষধও নিশ্চয় খাচ্ছো না? এক্চুয়েলি কি চাও তুমি? বলো প্লিজ। টেনশনে রেখে মেরে ফেলতে চাও আমায়? আজকের এই ইন্সিডেন্টটা যদি সিঁড়িতে বা রাস্তায় হতো তখন বাঁচতে তুমি? নাকি আমি বাঁচতাম? তুমি খুবই কেয়ারলেস একটা মানুষ রোদ। এতোটা কেয়ারলেস হলে চলে না। তুমি দু'বছরের বাচ্চা নও। সবকিছু তোমাকে বলে বলে করাতে হবে কেন? উনি এক নিঃশ্বাসে বকে চলেছেন আমায়। আমাকে কিছু বলার সুযোগই দিচ্ছেন না। তবুও এক ফাঁকে ফট করেই বলে ফেললাম আমি, --- আমি নিয়মিত খাচ্ছি এবং ঔষধও নিচ্ছি। আমার মনে হয় ঔষধ গুলো কাজ করছে না। শুভ্র এবার ভ্রু কুঁচকে তাকালো। আমি তাড়াহুড়ো করে বলে উঠলাম, --- আমি সত্যি বলছি। মামানিকে জিগ্যেস করুন না। আধ ঘন্টা পর পর কিছু না কিছু খাচ্ছি। ভালো না লাগলে জোর করেই খাচ্ছি। ঔষধও নিচ্ছি। তবুও বারবার মাথা ঘুরাচ্ছে। --- বারবার? সকাল থেকে এখন পর্যন্ত কতোবার হয়েছে? --- ৫/৬ বার। --- তাহলে আমায় বলো নি কেন, ডাফার। এনিওয়ে,সব ঠিক থাকার পরও এতো দুর্বলতার কারণ কি? আঙ্কেল তো বলেছিলো এক সপ্তাহে ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু এখন তো দু'সপ্তাহ চলছে। নিজের মনেই কথাগুলো বলে চুপ করলো শুভ্র। কিছুক্ষণ ভেবে আমার দিকে তাকিয়ে বলে উঠলো, --- তোমার লাস্ট পিরিয়ড হয়েছে কবে? উনার এমন প্রশ্নে থতমত খেয়ে গেলাম আমি। মুহূর্তেই ভীষণ অস্বস্তির মাঝে পড়ে গেলাম আমি। শুভ্র সেদিকে পাত্তা না দিয়ে বলে উঠলেন, --- কি হলো? বলো। লাস্ট ডেট কবে ছিলো? আমি ইতস্তত করে বলে উঠলাম, --- মনে নেই। তবে ৩/৪ মাস হবে হয়তো। আমার কথায় কেশে উঠলেন শুভ্র। শান্ত গলায় বললেন, --- তুমি কতোটা কেয়ারলেস তার প্রমাণ স্পষ্ট। এতোদিন ধরে পিরিয়ড হচ্ছে না তোমার সেদিকে কোনো খেয়াল নেই? এটুকু বলে থামলেন উনি। মাথা চুলকে অন্যদিকে তাকিয়ে বলে উঠলেন, --- তুমি কি প্রেগনেন্ট? উনার কথায় চোখ দুটো বড় বড় হয়ে এলো আমার। ডান হাতটা অটোমেটিক পেটের উপর গিয়ে স্থির হলো। আমি ড্যাবড্যাব করে পেটের দিকে তাকিয়ে আছি। সত্যিই কি আমি প্রেগনেন্ট? কথাটা ভাবতেই শরীরে এক অদ্ভুত শিহরণ জাগছে। শুভ্র উঠে দাঁড়িয়ে গম্ভীর কন্ঠে বলে উঠলো, --- উঠতে পারবে? পারলে উঠে রেডি হয়ে নাও। হসপিটালে যাবো। শুভ্রর গম্ভীর মুখ দেখে চিন্তায় পড়ে গেলাম আমি তবে কি শুভ্র বেবি চাচ্ছে না? অনেক জল্পনা কল্পনা শেষে শুভ্রর সাথে হসপিটালে চললাম আমি। সব শুনে ডক্টরও প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য সাজেস্ট করলো। আলট্রাসনোগ্রাফি শেষ করে বাসায় ফিরেই ঘুমিয়ে পড়লাম আমি। যখন জাগলাম তখন প্রায় সন্ধ্যা। বিছানার এক কোণে ফাইল হাতে মাথা নিচু করে বসে আছে শুভ্র। মুখটা অসম্ভব রকম গম্ভীর তার। আমাকে উঠে বসতে দেখেই ফাইলটা এগিয়ে দিয়ে গম্ভীর কন্ঠে বলে উঠলেন, --- বেবি আসছে। কথাটা শুনে যেখানে খুশিতে লাফিয়ে উঠার কথা ছিলো সেখানে চুপচাপ বসে রইলাম আমি। শুভ্রর গম্ভীর মুখটা আমার সব খুশিই যেন চুষে নিয়েছে কোনো অন্ধকার গহ্বরে। আমি একটা ঢোক গিলে ফাইলটা হাতে নিলাম। সাথে সাথেই ওয়াশরুমে ঢুকে গেলো শুভ্র। আমি ভেবে পাচ্ছিলাম না, হঠাৎ এতো গাম্ভীর্যতা কেন? উনি তো বাচ্চা পছন্দ করেন তাহলে? প্রশ্নগুলো মাথায় নিয়ে ফাইলটা বেড সাইড টেবিলে রেখে উল্টোদিক ফিরে শুয়ে পড়লাম আমি। কিছুক্ষণ পরই ওয়াশরুমের দরজা খুলার শব্দ হলো। কোমরে কারো ঠান্ডা হাতের স্পর্শ আর ঘাড়ে কারো ঠোঁটের স্পর্শটাও প্রকট আকার ধারণ করলো। বিরবির করে বলে উঠলো, --- আই লাভ ইউ রোদু। জীবনটাকে আজ হঠাৎ করেই অনেক বেশি সুন্দর লাগছে। আমি বাবা হচ্ছি! ভাবতে পারছো তুমি? আমাকেও কেউ আধো আধো স্বরে "বাবা" বলে ডাকবে। কালো বড় বড় দুটো চোখ, ভুবন ভুলানো হাসি আর নরম তুলতুলে ছোট্ট শরীর থাকবে তার। ইশ! রোদ, এতো আনন্দ যে ধরে রাখতে পারছি না আমি। আমার প্রিন্সেসকে কিভাবে বুঝাবো যে আমি তার আগমনের খবরে প্রচন্ড রকম খুশি...প্রচন্ড! বেশি খুশি আর বেশি দুঃখে মানুষ নাকি অনেকটা স্তব্ধ হয়ে যায়? আমারও আজ একই অবস্থা রোদপাখি। আমি এবার ঘাড় ঘুরিয়ে উনার দিকে তাকালাম। উনার চোখে পানি টলমল করছে যেন চোখদুটোতে আস্ত দুটো বিল নিয়ে শুয়ে আছেন উনি। আমি মিষ্টি হেসে উনার বুকে হাত রেখে বলে উঠলাম, --- কিভাবে জানলেন প্রিন্সেস আসছে? প্রিন্সও তো হতে পারে। --- কি জানি? কেন জানি মনে হচ্ছে প্রিন্সেস আসছে তবে যেই আসুক আই এম অলওয়েজ হ্যাপি। আমি তো এটা ভাবছি, তুমি একমাসের প্রেগনেন্ট হওয়ার পরও ডক্টর আঙ্কেল ধরতে পারলেন না কেন? অদ্ভুত না, ব্যাপারটা? আমি কিছু বললাম না। চোখ জোড়ায় আবারও ঘুম নেমে আসছে। মনে হচ্ছে, কতোদিন ঘুমোয় না আমি। #চলবে... (রি-চেইক করা হয়নি। ঘুম পাচ্ছে। ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখবেন প্লিজ)

@Raiyan

Love right #Love_Right_Season_2❤💕❤ পার্ট:১৬ আজকে নিশুর বিয়ে।নিশু ড্রেসিংটেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখছে।ওর চোখভর্তি পানি।মাথা ঘুরছে।কানের কাছে ভোঁ ভোঁ আওয়াজ হচ্ছে।পা দুটো টলছে, নিজেকে সামলে রাখতে পারলো না।ধপ করে পড়ে যেতে নিলো,কিন্তু তার আগেই কেউ একজন ওর কোমর চেপে ধরেছে।চোখ খুললো নিশু!! নীলের হাসিহাসি মুখটা দেখে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো।ঠোঁট দুটো চেপে ধরে ফোঁপাচ্ছে সে।নীল ছোটবাচ্চাদের যেভাবে সান্ত্বনা দেয় সেভাবে ওর মাথাটা বুকের সাথে চেপে ধরে বলল,"কে বকেছে, কে মেরেছে? কে দিয়েছে গাল? একবার শুধু নামটা বলো তুলবো পিঠের ছাল😂। নিশু প্রচন্ড রকমের ক্ষেপে গেলো।ওর চোখের পানি কোন দাম নেই নীলের কাছে?? ওকে কবিতা শোনানো হচ্ছে? ঠেলে সরিয়ে দিলো নীলকে। নীল:কি হয়েছে নিশুপাখি? নিশু:কিছু হয় নি।তবে রিহান বিয়ে করলে হবে! ছেলেমেয়ে যাই হোক তোমার বাসায় মিষ্টি পাঠাবো। নীল:☺উজবুক! নিশু:কি বললে? নীল:আর কিছু বলবো না ম্যাডাম।এবার শুধু করবো!..কি করবো জানো? নিশু:😐কি? নীল:আদর!..আদরে আদরে তোমাকে ঝালাপালা করে দেবো তোমাকে😜! ঘুম ভেঙ্গে গেলো নিশুর।তারমানে এতক্ষণ সে স্বপ্ন দেখছিলো?ইশশ কি সুন্দর ছিলো স্বপ্নটা।মনে মনে দোয়া করলো নিশু স্বপ্নটা যেন সত্যি হয়। নিশুকে সাজানো হয়ে গেছে।অধীর আগ্রহে বসে আছে সে।বরপক্ষ অলরেডি এসে গেছে কিন্তু নীলের দেখা নেই।নিশুর কান্না পাচ্ছে,ভীষণ কান্না পাচ্ছে।আজকে সকালে ঘুম থেকে উঠার পর থেকেই ওর দেখা নেই।সে কি চলে গেছে?..নিশুতো মরে যাবে। নিশু মনে মনে বলল..একবার শুধু আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও নীল।তারপর আর কখনো তোমাকে ছেড়ে আসবো না।তুমি বকো, মারো যা খুশি করো নিশু কিচ্ছু মনে করবে না।প্লিজ নীল! নিশু বাসরঘরে বসে আছে।একটু আগে একগাদা স্লিপিং পিল খেয়ে নিয়েছে সে।মাথাটা টলছে।নীল ছাড়া অন্য কেউ ওর শরীর স্পর্শ করবে,ওকে কাছে টানবে সেটা ও মরে গেলেও সহ্য করতে পারবে না।নিশুর ওপর শুধু নীলের অধিকার। নীল সাবধানে রুমে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে নিলো।পাঞ্জাবি বদলে একটা কালো টি-শার্ট আর ট্রাউজার পরে এলো।বিছানায় চোখ পড়তেই ওর চক্ষু ছানাবড়া 😮।আঁতকে উঠলো সে।নিশু এভাবে পড়ে আছে কেন??..পাশে ওষুধের পাতা দেখে ওর শরীর ঝিমঝিম করে উঠলো।হাত পা অসাড় মনে হচ্ছে।নিজের ওপর জোর খাটিয়ে দৌড়ে নিশুর কাছে গেলো সে।নিশুর মাথাটা বুকে চেপে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে উঠতেই ইলারা বেগম আর ইশু দৌঁড়ে এলো। ইশু:😮ভাইয়া কি হয়েছে?? নীলের পুরো শরীর ঘেমে একাকার।কান্নার চোটে চোখদুটো লাল হয়ে গেছে!মুখ দিয়ে কোন কথা বেরোচ্ছে না।নিশুর শরীরটাকে অনবরত ঝাঁকাচ্ছে সে। ইশু নিশুর পাশে পড়ে থাকা ওষুধের পাতা দেখে আঁতকে উঠলো।নীলকে টেনে সরালো নিশুর কাছ থেকে।তারপর ধমক দিয়ে বলল..এখন পাগলামি করার সময় নয় ভাইয়া।ওকে তাড়াতাড়ি হস্পিটালে নিতে হবে। নীল আর একসেকেন্ডও দেরী করলো না।পাঁজকোলা করে কোলে তুলে নিলো নিশুকে।ওর পেছন পেছনে ইলারা বেগম আর ইশু দৌড়াচ্ছে। নীল গাড়ি সামনে এসে ইশুকে ইশারা করলো গাড়ির দরজা খুলে দেওয়ার জন্য।যেই ওকে সীটে শোয়াতে যাবে ওমনি নীলের গালে চুমু খেয়ে ফিক করে হেসে দিলো😁 নিশু। নীল:😮 নিশু:😁কি ভেবেছিলে? আমি জানি না?বাবা আমাকে সব বলেছে!..তোমার কি মনে হয়?বরের বেশে তুমি না থাকলে আমি রিহানকে বিয়ে করতাম?..এত বোকা কেন তুমি?.নিশুকে যতটা বোকা ভাবো নিশু কিন্তু ততটা বোকা নয়😎।বিয়ে পড়ানোর সময় তো বরের নাম শুনেছি আমি।.বেশ হয়েছে রিহান গাধাটা জেলে গেছে,কতবড় সাহস তোমার বউয়ের ছবি দিয়ে তোমাকে ব্ল্যাকমেইল করে?? এই মুহূর্তে নিশুকে তুলে যদি সত্যি সত্যি একটা আছাড় মারতে পারতো তাহলে নীল শান্তি পেতো।ইশুও চরম খেপে গেলো।😡এটা কোন ধরনের মজা? ইশু:তোর কোন আক্কেল আন্দাজ নেই নিশু?..তুই জানিস অল্পের জন্য আমি হার্ট এটাক করে ফেলতাম?..এই ভাইয়া তুই দাঁড়িয়ে আছিস কেন? মার কষে দুইটা ওর গালে! মার!..তারছিঁড়া,গাধী একটা। ইশুর কথা শুনে নিশু ভয়ে ভয়ে নীলের দিকে তাকালো।নীল কি সত্যি সত্যি চড় মারবে ওকে? ভয়ে চোখমুখ শুকিয়ে গেলো ওর। নীল ঝুঁকে গাড়িতে মাথা ঢুকালো।ভয়ে গালে হাত দিয়ে ফেললো নিশু। ইশু:দে!..কষে দিবি ভাইয়া যেন দাঁত নড়ে যায়,ফাজিল একটা! নীল নিশুর গাল থেকে হাত সরিয়ে দিলো।ওকে অবাক করে দিয়ে গাঢ় করে চুমু খেলে নিশুর গালে।গালের সাথে গাল ঘষলো। ইশু:😮 ইশু লজ্জায় অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে নিলো।ইলারা বেগম দ্রুত ভেতরে ঢুকে গেলেন। নিশুর ঠোঁটে চুমু খেলো নীল।গলায় নাক ডুবিয়ে দিয়ে বলল..আমি মরে যেতাম নিশু।সত্যি মরে যেতাম! নীলের চোখের পানি নিশুর ঘাড়ে পড়তেই নিশুর কান্না পেয়ে গেলো।ইশশ!এমন করছে কেন নীল?তারচেয়ে দুচারটা থাপ্পড় মারুক না ওকে।ও কিচ্ছু মনে করবে না।কিন্তু কাঁদছে কেন?..নীলের মুখটা তুলে ধরে গালে কপালে,ঠোঁটে,নাকে,গলায় পাগলের মত চুমু খাওয়া শুরু করলো সে। ইশু:😐নির্লজ্জের দল।..ছি! ভাইয়া তুই এমন বউ পাগলা হলি কি করে? এইজন্যই তো নিশু এমন বাদর হচ্ছে।বউয়ের আঁচল চেপে বসে থাক তুই।আমি হলে খিঁচে কানের নিচে কয়েকটা দিতাম কয়েকটা এমন বাঁদরামির জন্য।আর তুই আমার ভাই হয়ে এমন করছিস?..হাদারাম একটা! ওকে অবাক করে দিয়ে নীল গাড়িতে ঢুকে গেলো।গাড়ির দরজা বন্ধ করে দিয়ে বলল,"যাহ তো।বিরক্ত করিস না।এমনিতেই এতদিন ধরে বউকে কাছে পাই নি।সময়নষ্ট করছিস কেন?..আমার এখন সময় নেই।প্রচুর ভালোবাসাবাসি হবে আজ😁।..প্রচুর! ইশু পড়িমরি করে সেখান থেকে ছুটে পালালো।এই দুই বেশরমের পাল্লায় পড়ে ও নিজেও বেশরম এর মত এতক্ষণ সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলো।হেসে ফেলল সে🙈।নীল আর নিশু একসাথে থাকা মানে অদ্ভুত কিছু করা!অদ্ভুত এরা!অদ্ভুত এদের ভালোবাসা।অদ্ভুত এদের অধিকার বোধ! নিশু:ছি!নীল গাড়ির ভেতর কি করছো ছাড়ো আমাকে! নীল:কি করছি😜? নিশু:তুমি জানো না কি করছো? নীল অবাক হওয়ার ভান করে বলল..নাতো? নিশু:লুচু একটা।মেয়ে দেখলেই হুঁশ থাকে না।খালি জড়িয়ে ধরার ধান্ধা!.ছাড়ো আমাকে! নীল ওর গলায় নাক ডুবিয়ে দিয়ে বলল..😁আগে বলতে হবে আমি কি করছি তা না হলে ছাড়ছি না! নিশু লজ্জায় লাল হয়ে গেলো🙈।নীলের কানে ফিসফিস করে বলল..ভালোবাসাবাসি করছো! নীলের ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠলো।নিশুকে ছেড়ে দিতেই নিশু বেরিয়ে গেলো।নীলও বেরলো। বাসার গেটের কাছে যাওয়ার আগেই একটা সাদা গাড়ি এসে নিশুকে তুলে নিয়ে গেলো। ইশু দৌঁড়ে বেরিয়ে এলো।ওপরের বারান্দা থেকে সব দেখেছে সে। ইশু:ভাইয়া নিশু?..কারা ওরা? নীল গাড়ি স্টার্ট দিয়ে বলল..আমি জানি না কারা। তবে মনে হচ্ছে রিহানের কেউ। নীলের প্রায় কেঁদে ফেলার অবস্থা!এতদিন পর নিশুকে কাছে পেলো সে,আবার অঘটন!,কিন্তু ইশু হাসছে। নীল:😡তুই হাসছিস যে?..ওরা যদি নিশুর কোন ক্ষতি করে দেয়? ইশু:কিচ্ছু হবে না নিশুর।যারা নিয়ে গেছে তারা জানে না তোর নিশু কি জিনিস?😂মাথা খারাপ করে দিতে ওস্তাদ! নীল:আমি যাচ্ছি! গাড়িটার পিছু পিছু গিয়ে তাজ্জব বনে গেলো নীল।এই কিডন্যাপার গুলো রিহানের পাঠানো।শয়তানটা জেলে বসেও গুণ্ডামির তালে আছে। রাগে চোয়াল শক্ত হয়ে গেলো ওর।ভেতরে ঢুকতে গিয়ে কিডন্যাপার দুটোর কথা শুনে থমকে গেলো। কিডন্যাপার ১:আমাদেরকে মজুরী বেশি দিতে হবে স্যার! কিডন্যাপার ২:হ্যাঁ স্যার। রিহান:😡কেন?..তোমার সাথে তো ওয়ান লাকই ডিল হয়েছিলো। কিডন্যাপার ১:আমাদের ডাবল পরিশ্রম হয়েছে স্যার!জাত বিচ্ছু এই মেয়ে।মাথা খারাপ করে দিয়েছে। কিডন্যাপার ২:সারারাস্তায় বকবক করে কানের পোকা বের করে দিয়েছে। নীল দূর থেকে নিশুকে লক্ষ্য করলো।মুখ বেধে রাখা হয়েছে।চোখের বিন্দুমাত্র ভয়ের ছাপ নেই।চোখ দিয়ে রিহানকে শাসাচ্ছে।হাসলো নীল।ইশু ঠিকই বলেছে!ওর নিশু এত সহজে ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নয়😂! রিহানরা বেরিয়ে যেতেই দুজন পাহারাদার রাখা হয়েছে নিশুকে পাহারা দেওয়ার জন্য।নীল পুলিশে ফোন করে দিলো।তারপর পাহারাদার দুটোকে আচ্ছামত মেরে নিশুর কাছে গেলো।নিশু ওকে দেখতে পায় নি।রুমের লাইট সব নিভিয়ে দিয়ে গেছে রিহান যাওয়ার সময়।নীল সাবধানে নিশুর হাত চেপে ধরলো ওকে নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য। আর তখনই নিশুর খেল শুরু হয়ে গেল।এলোপাথাড়ি কিল দিচ্ছে নীলকে।তারসাথে ওর চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে ফেলছে। নিশু:😡হারামজাদা আমার হাত ধরিস তুই? এতবড় সাহস?.নিশুর হাত ধরিস!..আজকে তোর একদিন কি আমার একদিন।কত্তবড় সাহস??..ঐ হাত ছাড়!..ছাড় হাত! নিশু এলোপাথাড়ি কনুই দিয়ে কিল ঘুষি দিয়ে যাচ্ছে।মারের চোটে নীলের মুখ দিয়ে কথাও বেরোচ্ছে না। নীল রাগে বোম হয়ে গেলো।..ওহ!শিট! নিশু ওকে কিডন্যাপার ভেবেছে?..দুম করে পিঠে কিল পড়লো।..ওমাগো! নিশুকে থামানোর অন্য কোন উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে নীল ওর ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরলো।নিশুর শরীর অবশ হয়ে গেলো।এ তো ওর নীল! নিশু:নীল!! নীলের গায়ের গন্ধ পেয়ে নিশু তাজ্জব বনে গেলো।এতক্ষণ ধরে ও নীলকে মারছিলো।😷এইজন্যই তো বলি কিডন্যাপার এত মার খেয়েও ওকে কিছু করছে না কেন? নীল হাঁপাচ্ছে।নিশু জড়িয়ে ধরতেই কঁকিয়ে উঠে বলল...ওরা তোমাকে কিডন্যাপ না করে আমাকে কিডন্যাপ করলেই ভালো করতো।..আমার হাড্ডিমাংস সব গুঁড়ো করে ফেলেছো তুমি! নিশু:সরি! নীল:..উফফ!..মাআআ!(ব্যাথায় মুখ কুঁচকে ফেললো সে।) তবে আর সময় নষ্ট করলো না নীল।নিশুকে তাড়াহুড়ো করে বেরোতে গেলো।এখান থেকে বেরোতে হবে গেটে নিশ্চই পাহারা বসিয়ে গেছে রিহান।নীল চুপিচুপি নিশুর হাত ধরে এগোচ্ছিল,এমন সময় নিশু দাঁড়িয়ে গেলো। নিশু:নীল?(অসহায় কন্ঠে!) নীল:আবার কি? নিশু:আমার ভীষণ ক্ষিদে পেয়েছে।সকাল থেকে না খেয়ে আছি। নীল:😐আমার মুন্ডুটা কেটে দিই?.. খাও?(রাগে লাল হয়ে) নিশু চুপ মেরে গেলো।এখন কথা বললেই বিপদ। চলবে

@Raiyan

আলোয় অন্ধকার #আলোয়_অন্ধকার🍁 #part 4 -- ছাড়ুন আমাকে!! একদম ট্যাচ করবেন না। কোথায় নিয়ে এসেছেন আমায়?? যেতে দিন প্লিজ... প্লিজ। আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে এখানে আমি বাইরে যাবো প্লিজ! -- কাম ডাউন মিস আমি ধরছিনা তোমায়! কাম ডাউন! . কথাটা বলে ডেনিয়াল ট্রাউজার এর পকেটে দুই হাত কব্জি পর্যন্ত পুরে দাড়িয়ে থাকে টিয়ার সামনে। টিয়া বেডের এক কোণায় গুটিসুটি মেরে বসে ঠায় প্রলাপ করছে সে বাড়ী যাবে৷ ডেনিয়ালের যদিও কষে একটা থাপ্পড় মারতে ইচ্ছে করছে টিয়াকে। কিন্তু সে কেনো জেনো একটা ধমক ও দিতে পারছেনা টিয়াকে৷আর টিয়া কে ট্যাচ ও করা যাচ্ছে না। এবার ডেনিয়াল এর বিরক্তি লাগছে প্রায় আধাঘণ্টা যাবত টিয়া এসব বলছে আর অস্থির হয়ে বলছে আমি বাইরে যাবো আমার দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এখানে...... . একটু আগে.... টিয়া কে আমেরিকা নিয়ে এসেছে শুনার পর থেকেই টিয়া অস্থির হয়ে আছে সে কিছুতেই শান্ত হতে পারছিলো না। চিৎকার করে কাদছিলো টিয়া৷ লেডি সার্ভেন্ট অবস্থা বেগতির দেখে ডেনিয়াল কে ডেকে আনে। আর ডেনিয়ালকে দেখে টিয়ার পাগলামো আরো বেরে যায়৷ সেই থেকে আধাঘন্টা হবে দাড়িয়ে বুঝানোর চেষ্টা করছে ডেনিয়াল টিয়া কে। . -- টিয়া আই সেইড লাস্ট টাইম কেদে লাভ নেই!! -- আমি বাড়ী যাবো প্লিজ... এখুনি দিয়ে আসুন আমায়!! . টিয়া অস্থির হয়ে এবার উঠে দাড়ায় ডেনিয়াল কে অগ্রাহ্য করে । আর দৌড়ে দরজা খুলে বাইরে বেরুতে চেষ্টা করে। কিন্তু ডেনিয়াল টিয়ার এই কাজে এবার প্রচুর রেগে টিয়া রুম থেকে বেরুবার আগেই ওকে পিছন থেকে হুট করেই কোলে তুলে নেয়। টিয়া ভয় পেয়ে চিৎকার করে উঠে।কিন্তু যখন দেখে ডেনিয়াল তাকে কোলে তুলে নিয়েছে টিয়া রেগে চিৎকার করে বলে উঠে। . -- কি করছেন ছাড়ুন আমি চলে যাবো!!! নামান আমাকে! সাহস কি করে হয় আমায় ট্যাচ করার ছাড়ুন বলছি !! . ডেনিয়াল টিয়ার কথা রেগে যায়। ভেবেই এই টুকুনি মেয়ে তাকে সাহস দেখাচ্ছে। ডেনিয়াল চায়নি টিয়ার সাথে ব্যবহার খারাপ করতে। কিন্তু টিয়ার কথায় সে নিজের রাগ ধরে রাখতে পারেনা চেচিয়ে উঠে। . -- জাস্ট শাট আপ আই সে!! না হয় আমার সাহস কতুটুকু দেখাতে বাধ্য হবো তোমাকে!! . টিয়া ডেনিয়াল এর ধমক মার্কা কথায় ভয়ে চুপ মেরে গেলো মাথা নুইয়ে পড়ে রইলো ডেনিয়াল এর কোলে!! ডেনিয়াল রেগে টিয়াকে কোলে নিয়েই ধুপধাপ পা ফেলে। নিচে নেমে বাড়ীর পিছনে সুইমিংপুল এরিয়ায় এসে সুইমিংপুলে এক প্রকার ঢিল মিরে টিয়াকে ফেলে দিলো পানিতে৷ টিয়া মাথা নুইয়ে রাখায় দেখতে পায়নি কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তাকে। কিন্তু এভাবে হঠাৎ পানিতে পড়ায় টিয়া হকচকিয়ে গেলো৷ আচমকা পানিতে পড়ায় কিছু পানি সাথে সাথেই মুখে চলে গেলো টিয়ার শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে টিয়ার। হাত পা ছুড়াছুড়ি করে বহু কষ্টে টিয়া নিজেই সুইমিংপুল এর সাইডে উঠে এসে বসে কাপতে লাগলো৷ প্রচুর ঠাণ্ডা পানি সুইমিংপুল এর টিয়ার হাত মনে হচ্ছে ঠাণ্ডায় বরফ এ পরিনত হয়ে গেছে৷ কিন্তু তাতে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই টিয়ার। সে বসে আছে চুপ করে শরীরটা না চাইতেও কাপছে।চোখের পানি গুলো মিলিয়ে যাচ্ছে শরীরের পানির সাথে। চারপাশ অন্ধকার চাদের আলোয় সুইমিংপুল এর পানি চিকচিক করছে তাছাড়া আর কিছুই টিয়া দেখতে পেলোনা দেখার ইচ্ছেটাও নেই।টিয়া সুইমিংপুল এর দিকেই তাকিয়ে একদৃষ্টিতে টিয়ার মাথা টা শূন্য শূন্য লাগছে। মনে ভয় ছাড়া কিছু কাজ করছেনা। বার বার একটা কথাই ভাবছে টিয়া। . -- আমি বাড়ী কি করে যাবো স্তব্ধ ?? স্তব্ধ তোমার কি কিচ্ছু যায় আশেনা আমি কোথায় কি অবস্থায় আছি?? তা কি তুমি এক্টু ও ভাবোনা?? আমি জানি না তুমি কে?? কি তোমার পরিচয়!! বাট এতো সব যখন হয়েই গেছে আমার সাথে তো আমি তোমার পরিচয় জেনেই ছাড়বো!!জেনেই ছাড়ব কেনো মেরেছো তুমি ঐ ছেলেকে? জেনেই ছাড়বো কেনো এলে এই বিয়ের ড্রামা করতে!! আচ্ছা তুমি কি সব জানতে স্তব্ধ ওরা তোমার ওয়াইফ কে কিডনাপ করতে আসবে তাই তুমি আমায় বিয়ে করেছো। জেনো ওরা তোমার ওয়াইফ ভেবে আমাকে কিডনাপ করে?? কই পাবো আমি সব কিছুর উত্তর?? কে দিবে উত্তর আমায় স্তব্ধ?? কিন্তু আমি কি তার কাছে আর কখনো বেচে ফিরতে পারবো?? আমার মারার জন্য তো বিয়েই করলো ড্রামা করে! আমি কখনো ক্ষমা করবোনা তোমায় স্তব্ধ কখনো না!! আমার সাথে হওয়া সব কিছুর জন্য তুমি দায়ী তুমি। . কথা গুলো ভেবেই টিয়া হ্যাচকি তুলে কাদতে লাগলো শব্দ করে৷ ডেনিয়াল টিয়াকে ফেলে দিয়ে রেগে চলে যায় নি দাড়িয়ে ছিলো টিয়ার থেকে কিছুদূর টিয়াকে লেডি সার্ভেন্ট একটা হোয়াট শার্ট আর ট্রাউজার পরিয়ে দিয়েছিলো। সাদা শার্ট ভিজে যাওয়ায় টিয়ার শরীরের ভাজ চাদের আলোয় আর সুইমিংপুল এর হাল্কা লাইটিং এর আলোয় স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলো ডেনিয়াল। ঘোর লেগে যাচ্ছিলো ডেনিয়ালের টিয়ার ভেজা খোলা চুল কান্নার ফলস্বরূপ ফোলা চোখ, লাল হয়ে যাওয়া নাক, রক্ত লাল হয়ে যাওয়া ঠোঁট সব কিছু ডেনিয়ালকে আহত করছিলো এক প্রকার তাই। সে নিজের সাথে যুদ্ধ করে অন্য দিকে ফিরে দাড়িয়ে রয়। এভাবে কাউকে দেখা ঠিক নয় সেটা ডেনিয়ালের অজানা নয় । কিন্তু চোখ বেহায়া টিয়ার উপর থেকে সরতেই চাইছিলোনা যুদ্ধ করেই কাজ টা করে ডেনিয়াল। তার এখন টিয়ার প্রতি দুর্বল হলে চলবেনা সব জানতে হবে টিয়ার থেকে স্তব্ধের ব্যাপারে তার কঠোর হতে হবে টিয়ার সাথে। . অন্য দিকে তাকিয়ে নিজের মাইন্ডে ডেনিয়াল যখন এসব সেট করতে ব্যস্ত তখন তার কানে টিয়ার কান্নার শব্দ আসে। সে পিছন ফিরে দেখে টিয়া দুই হাতে মুখ ধরে কাদছে। ডেনিয়াল দ্রুত একটা টাওয়াল হাতে নিয়ে টিয়ার পাশে গিয়ে বসে পানিতে দুই পা ডুবিয়ে। তারপর টিয়ার শরীর টাওয়াল টা দিয়ে ঢেকে দিয়ে সামনে তাকিয়ে বসে উঠে!! . -- তোমার ক্ষতি করার চিন্তা এখনো করিনি...... . টিয়া তার চিন্তা আর কান্নায় এতোটাই বিভোর ছিলো সে ডেনিয়ালকে খেয়াল করেনি। ডেনিয়াল এর হঠাৎ কথা বলায়। টিয়া ভয়ে পাশে তাকাতেই ডেনিয়ালকে দেখে দুই হাত দূরে চলে যায়। টিয়ার এই কাজে ডেনিয়াল তার কথা সম্পূর্ন করতে পারেনি তাই রেগে টিয়ার হাত ধরে হ্যাচকা টানে আগের জায়ায় বসায়। কিন্তু টিয়ার হাত ছাড়েনি। টিয়া নিজের হাত ছুটানো জন্য চেষ্টা করতেই। ডেনিয়াল ক্ষিপ্তস্বরে বলে উঠে। . -- মিস টিয়া আমি তোমার খারাপ করি বা ভালো কোনও টাই তোমার জন্য ভালো হবেনা তাই চুপচাপ বসে থাকো। . টিয়া কাদতে কাদতে বললো। . -- প্লিজ আমায় ছেড়ে দিন। আমি বাড়ী যাবো! -- ফাইন। আমি নিজেই দিয়ে আসবো। কিন্তু তার আগে তোমায় বলতে হবে স্তব্ধকে? কোথায় থাকে? কি তার প্রফেশন? আমি তাকে শেষ করতে চাই নিজ হাতে? যেদিন এই কাজ সম্পূর্ণ হবে আমি ছেড়ে দিবো তোমায়! যদি না আমার মাইন্ড চেঞ্জ হয়৷ আর যদি চেঞ্জ হয়ে যায় তোমায় আমার সাথেই থাকতে হবে!! . টিয়া ঠাণ্ডা পানিতে ভিজায় এমনি কাপছিলো। কিন্তু ডেনিয়ালের বলা কথা টিয়ার কাপাকাপি বেরে গেলো। টিয়ার মাথায় ডেনিয়ালের বলা একটা কথাই ঘুরছে। "আমি তাকে নিজ হাতে শেষ করতে চাই! " না টিয়া এটা কিছুতেই চায় বা স্তব্ধকে কেউ মেরে ফেলুক তাই। টিয়া এবার ডেনিয়াল এর চোখে চোখ রেখে কাঁপা কাঁপা গলায় উত্তর দিলো। . -- দেখুন আমি কিছুই জানিনা স্তব্ধ কে কি করে আমি সেটা নিজেই জানতে চাই। আমি শুধু স্তব্ধকে ভালোবাসতাম আর কিছু নয়!! ওর সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই এটা ছাড়া স্তব্ধ খুব রাগী বদমেজাজি। . ডেনিয়াল টিয়ার দিকে কিছুক্ষণ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে টিয়ার কথা শুনে। তারপর টিয়ার হাত ছেড়ে উঠে গটগট করে হেটে ভেতরে চলে যায় টিয়াকে ওখানে ফেলেই৷ টিয়ার কাপাকাপি অবস্থা ডেনিয়ালকে পাগল করছিলো আর কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলে সে কিছু করে বসতো যা টিয়া মানতে পারতো না। তাছাড়া টিয়ার উত্তর টাও তার পছন্দ হয়নি তাই সেখান থেকে চলে আসাই শ্রেয় মনে হয়েছে ডেনিয়ালের। . এদিকে টিয়া ভাবছে সবাই এটাই জানতে কেনো চায় স্তব্ধ কে কি তার পরিচয়?? টিয়াও তো তাই জানতে চায়! কিন্তু তার জানতে চাওয়ার কারণ ছিলো সে ভয়ংকর একটা রূপ দেখেছিলো স্তব্ধ ওর। স্তব্ধ এর যে এমন একটা রূপ আছে সেটা কল্পনার বাহিরে ছিলো টিয়ার। সে দিন এর দৃশ্য টিয়া কোনও দিন ভুলতে পারবেনা। টিয়া অতীতে ডুব দিলো! তার মনে পরতে লাগলো সেই দিনটার কথা। . . আজ থেকে প্রায় ৩ বছর আগের কথা৷ দিন বার মনে নেই টিয়ার কিন্তু বর্ষাকাল ছিলো টিয়া ভার্সিটি যাওয়ার আগেই আকাশ অনেক খারাপ ছিলো তাও সে ভার্সিটি যায়। . অভ্যাস মত ক্লাস শেষে বাড়ী ফিরছিলো টিয়া। ঐদিন ভার্সিটি থেকে একা ফিরতে হয়েছিলো টিয়ার কারণ বৃষ্টি ছিলো প্রচুর তাই পিউ যেতে পারেনি ভার্সিটি। প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় রাস্তাঘাটে মানুষ নেই বললেই চলে আরো দুপুর বেলা মানুষ অত বাইরে থাকেনা। বৃষ্টির জিন্য রিকশা না পাওয়া টিয়া হেটে হেটে বাসার পথে যাচ্ছিলো। . টিয়া ভার্সিটি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই একটা কালো গাড়ী তাকে ফলো করছিলো বুঝতে পারে টিয়া কিন্তু পাত্তা দেয় না। কারণ তার মত সাধারণ মেয়েকে কে গাড়ী নিয়ে ফলো করবে?? খেয়ে কাজ নেই নাকি? আর যদি কোনও গাড়ী ওলা তাকে ফলো করতোই তবে তার বিপদে হ্যাল্প করতো নিশ্চিয়!! এই যে সে বৃষ্টি তে ভিজে ভিজে বাড়ী যাচ্ছে তাকে ড্রপ করে দেওয়ার কথাও তো বলতে পারতো কই এমন কিছুই হয়নি! . তার মানে তাকে ফলো করছেনা গাড়ী ওলা। টিয়ার ভাবনা টা এমনি ছিলো!! আর এমনিতেও ভার্সিটির ছেলেপেলে ও কেনো জেনো ইদানীং টিয়ার থেকে দূরে থাকে। বিষয় টা টিয়া বুঝলেও কারণ অজানা। এসব ভাবতে ভাবতেই টিয়া হেলে দুলে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে তাদের গলির মোড় এর আগ পর্যন্ত চলে আসে৷ . মেইন রোড থেকে গলিতে ঢুকে ৪ নাম্বার বাড়ীটাই তাদের। কিন্তু গলিতে ঢুকার আগে একটা দোকান পড়ে টিয়া দোকান ক্রস করবে। তখনি দোকানের ভেতরে থাকা কিছু বখাটে ছেলেদের পাল্লায় পড়ে টিয়া তারা টিয়ার যাওয়ার পথে বাধা দিয়ে দাড়ায়।টিয়া ছেলে গুলোকে আগে থেকে চিনে। তাকে প্রচুর ডিস্টার্ব করে এই ছেলেগুলোর মধ্যে মাহিন নাম করে একটা ছেলে। . টিয়া ভয়ে তার বাবাকে বলেনা এসব কথা তাহলে তার ভার্সিটি যাওয়ার ব্যান্ড বাজিয়ে দিবে তার বাবা। তাই টিয়া চুপচাপ সব সহ্য করে যায় ছেলে গুলোর অসভ্যতা ৷ . আর তাতেই ছেলে গুলো আজ রাস্তা খালি পেয়ে লিমিট ক্রস করে টিয়ার হাত ধরে বসে। মাহিন নামের ছেলেটা। হাত ধরায় এবার টিয়া রেগে যায় চেচিয়ে বলে উঠে। . -- ছাড় আমার হাত! . মাহিন নামের ছেলেটা বলে উঠে। . -- না ছাড়লে কি করবে বেবি?? -- ছাড় বলছি অসভ্য আমি বিচার দেবো তোর নামে অসভ্য কোথাকার ছাড় বলছি!! -- ছাড়বো না কি করবা কর দেখি? . মাহিনের কথায় বাকি ছেলে গুলো হাসতে লাগলো। টিয়া অনেক বলার পরে ও ছেলেটা টিয়ার হাত ছাড়ছেনা দেখে টিয়া গায়ের জোরে ছেলেটা কে দুহাতে ধাক্কা মারে ফলে ছেলেটা রাস্তার মধ্যে পড়ে যায়!! আর সাথে সাথে টিয়া দেখতে পায় তাকে ফলো করা কালো গাড়ী টা মাহিন নামের ছেলেটাকে পিষে চলে যাচ্ছে। টিয়া ঐদিন গাড়ীর দিকে তাকালে দেখতে পায় গাড়ীটা স্তব্ধ ড্রাইভ করছিলো সে গাড়ী টা দ্রুত চলে যাওয়ার মধ্যেও স্তব্ধকে চিন্তে ভুল করেনি। যাকে ১ বছর ধরে টিয়া খুজছিলো তাকে ইচ্ছা বসতো একটা ছেলের উপর দিয়ে গাড়ী চালিয়ে চলে যেতে দেখে আর মাহিনের রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পরে থাকতে দেখে সাথে সাথেই জ্ঞান হারিয়ে রাস্তায় পড়ে যায় টিয়া। এই ঘটনা এতো দ্রুত ঘটে যে মাহিনের সাথে দাড়ানো ছেলে গুলো ও কিছু বুঝতে পারেনা। ভয়ে টিয়া মাহিনেকে ফেলেই তারা পালিয়ে যায়। . . চলবে! [মনে রাখবেন একটা গল্পে কোনকিছুই অকারণে লিখা হয়না। প্রত্যয় নাম আমি গল্পে এনেছি সে কে সেটা গল্পে বলা তো হবেই তাই না?? গল্প তো আর শেষ হয়ে যাচ্ছেনা৷ ধৈর্য ধরুন আমি মাত্র গল্প শুরু করেছি সঠিক সময়ে সব জানতে পারবেন। এই কথা গুলো সবার জন্য নয় ঐ ১০% পাঠকের জন্য যারা আমার গল্পটা বুঝতে পারছেনা। ধন্যবাদ ❤

@Raiyan

ঘৃনার মেরিন ঘৃণার মেরিন part : 19 (last) season : 2 writer : raiyan . নীড় ঠাস করে থাপ্পর মারলো। সবাই তো হা। নীড় : এসবের মানে কি? মেরিন: আপনার মুক্তি... নীড় : মানে মেরিন কখনো কিছু ভোলেনা.... হতে পারি খারাপ কিন্তু আপনাকে ভীষন ভালোবাসি। আপনাকে মুখে বলা কথাই আমার জন্য অনেক। তারমধ্যে আপনাকে ছুয়ে কথা দিয়েছি। সেটার বরখেলাপ কি করে করি.... আপনি মুক্তি চেয়েছেন তাই আপনাকে মুক্তি দিবো... . নীড়ের মনে পরলো সেই রাতের কথা যেদিন মেরিন ওকে ছুয়ে কথা দিয়েছিলো যদি নীড় কনিকাকে খুজে আনে তবে মেরিন নীড়কে মুক্তি দেবে। মানে divorce ... নীড় ভেবেছিলো ওটা কেবলই আবেগের প্রলাপ ছিলো। ভুলেই গিয়েছিলো কথাটা। মেরিন : ক্ষমা চাইছি কালকেই কথাটা পূরন করতে পারিনি। আমি signature করে দিয়েছি... আপনার যোগ্য কাউকে খুজে নেবেন। যাকে আপনি ভালোবাসেন। আর যে আপনাকে ভালোবাসে.... মেরিন চোখ নামিয়ে কথা গুলো বলছে। তাই নীড়ের ভয়ংকর রাগী চোখ ২টা দেখেনি... কথাগুলো বলেই মেরিন যেই নীড়ের দিকে তাকালো। আর চমকে উঠলো। নীড় : বলা শেষ? মেরিন: হামম। আরেকটা কথা... ক্ষমা। জানি আমি ক্ষমার অযোগ্য। তবুও ক্ষমা চাইছি। আমাকে please ক্ষমা করে দেবেন। নীড় আর কোনো কথা না বলে মেরিনকে টেনে রুমে নিয়ে গেলো। . নীড় মেরিনের দিকে তাকিয়ে আছে । আর মেরিন নিচে দিকে। কারন নীড়ের দিকে তাকানো এখন সম্ভব না। নীড়: আমার দিকে তাকাও.... মেরিন: .... নীড় : তাকাতে বলেছিনা.... নীড় মেরিনের গাল চেপে মাথা ওপরে তুলল। নীড় : আমার মুখটা কি আর ভালো লাগছেনা... যে নিচের দিকে তাকিয়ে আছো.... মেরিন: .... নীড় : কথা বলছো না কেন? মেরিন: ভালো লাগলে কি হবে? আর তো দেখতে পারবোনা এই ভালোলাগার মুখ। নীড় : কেন দেখতে পারবিনা কেন? বল দেখতে পারবিনা কেন? মেরিন : কারন di.... আর বলতে পারলোনা নীড় মেরিনের ঠোট জোরা দখল করে নিলো। . একটুপর.... নীড়: আরেকবার divorce এর d ও উচ্চারন করলে কি করবো নিজেও জানিনা। বলেই divorce paper টা টুকরো টুকরো করে আগুনে পুরিয়ে দিলো। নীড় দেখলো মেরিন চুপচাপ দারিয়ে আছে। আর স্থির চোখে পুরে যাওয়া দেখছে। নীড় : কি হলো ? কথা বলছোনা কেন? মেরিন : কখনো দেখেছেন বর্ষা শেষে বন্যার ধংব্সলীলা... আমি এখন বর্ষা শেষে সেই স্থির বন্যা, শান্ত বন্যা... যেমনটা আপনি বলেছিলেন সেদিন,,, যেমনটা চেয়েছিলেন... নীড় : আমি বর্ষা শেষে শান্ত বন্যা চাইনা.... আমি গ্রীষ্মের শুরুতে আগমনী বন্যা কেই চাই। যার কথা ভেবেই শুরু হয় আতংক। যার আরেক নাম ভয়... মেরিন : ভুল করলেন না তো ... সারাজীবন কিন্তু বোঝা নিয়ে বেরাতে হবে.... নীড় : কি বললা? তুমি আমার বোঝা? মেরিন: হামম। বোঝা। এখন পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে নীড় : 🤬। নীড় কিছু না বলে বেরিয়ে গেলো। . মেরিন : যায় জ্যোতি যায় যাক না জীবন... ছারবো না তোরে... কি ভেবেছিলেন মিস্টার চৌধুরী.... আপনাকে আমি মুক্তি দিবো। ঘৃণার মেরিন আমি... ঘৃণা থেকে কখনো মুক্তি পাওয়া যায়না। আমার দাদুভাইকে kidnap করে আমার অতীত জেনেছেন... আমার আম্মুকে ফিরিয়ে এনেছেন... কেন করেছেন জানিনা বুঝি? ভালোবাসেন আমাকে... কিন্তু বলছেন না... 😒.. ভালোবেসেছি আপনাকে.... কি করে আপনাকে ছারতে পারি.... নিঃশ্বাস আপনি আমার এই কথার তীর তো কেবল আপনার মুখে ভালোবাসি শোনার জন্য । আর ৩দিন দূরে থাকার শাস্তি। হায় কি রাগ.... আজকে সাদা শাড়ি পরেছি আজকে কি রক্ত দিয়ে রং খেলা ঠিক হবে? তখন জন ফোন করলো । মেরিন: hello ... জন: ম্যাম... সেতু-নীরাকে কোথাও খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা.... মেরিন : what? জন: yes... mam... মেরিন: যেভাবেই হোক ওদের খুজে বের করো... . বিকালে.... দাদুভাই : নিহাল... নিহাল : জী স্যার... দাদুভাই: কিসের স্যার? কাকা ডাকো.... নিহাল: ok... কাকা... দাদুভাই : আমি আমার নাতনিকে বাসায় নিয়ে যেতে পারি? নিহাল : হ্যা কাকা... কিন্তু ১বার নীড় এসে নিক... দাদুভাই : নীড় কখন আসবে জানিনা... এখন নিয়ে গেলাম। দাদুভাই আসলে বলো যে আমি নিয়ে গেলাম। . খান বাড়িতে..... কনিকা মেরিনকে খাইয়ে দিচ্ছে। কবির দূর থেকে দেখছে । খুব ইচ্ছা হচ্ছে স্ত্রী সন্তানের সাথে বসে কিছু মুহুর্ত পার করার। কিন্তু অপরাধবোধের জন্য ওদের সামনে যেতেই সাহস পাচ্ছেনা। . রাতে.... মেরিন মাকে জরিয়ে ধরে শুয়ে আছে। কিন্তু ঘুম হচ্ছেনা। গতরাতে তো কাদতে কাদতে ঘুমিয়ে গেছে। কিন্তু আজকে কিছুতেই ঘুম আসছেনা। নীড়কে ছারা... অথচ কতো ইচ্ছা ছিলো মায়ের বুকে ঘুমাবে। খেয়াল করে দেখলো কনিকা কাদছে। কনিকা মনে করেছিলো মেরিন ঘুমিয়ে পরেছে। কান্নার আভাস পেয়ে মেরিন ধরফরিয়ে উঠলো। মেরিন : আম্মু তুমি কাদছো কেন? কনিকা: কই না তো... মেরিন: বললেই হলো। বলো কাদছো কেন? কনিকা: sorry রে মা.... তোমার জীবনটা নষ্ট করে ফেলেছি, সুন্দর করে সাজাতে পারিনি... কিছুই করতে পারিনি.... ক্ষম... মেরিন: এই... পাগল নাকি? কি বলছো কি? তোমার কোন দোষ নেই আম্মু... দোষ ওই সেতু, আর কবির খানের... ওদের ২জনের আমি এমন হাল করবো... ওই কবির খানকে তো আমি এমন মৃত..... কনিকা : না মা অমন কথা বলেনা... সে তোমার বাবা... মেরিন : বাবা my foot... কনিকা : মামনি আমি জানি কবির তোমার অপরাধী । আমারও অপরাধী ... কোনোদিনও ক্ষমা করতে পারবোনা.... কিন্তু তাই বলে.... মামনি খুন করা কি ঠিক ? কারো জীবন নেয়া যে হারাম.... তারওপর সে তোমার বাবা.... মেরিন : আম্মু বাদ দাও তো... কনিকা : মামনি.... কবিরকে আমি ঘৃণা করি... কিন্তু ও তোমার বাবা... পিতার হত্যাকারী খেতাব পেতে দিতে পারিনা.... মেরিন : আম্মু তুম... কনিকা : কথা দাও তুমি কবিরের কোনো ক্ষতি করবেনা... মেরিন : আম্মু তুমি ওই লোকটাকে বাচাতে চাইছো...? কনিকা: না মা... আমি তোমাকে ভালোবাসি.... জানি সে অনেক আঘাত দিয়েছে তোমাকে..... মেরিন : আমার থেকে কয়েক গুন বেশি কষ্ট তোমাকে দিয়েছে। তবুও তুমি ওই লোকটাকে ক্ষমা করে দিলে... কনিকা : কে বলেছে ক্ষমা করেছি.... যে লোকটা আমার জীবনের ১২টা বছর কেরে নিয়েছে। সেই লোকটাকে ক্ষমা... যে আমার বাচ্চাটার জীবনটা বিষিয়ে দিয়েছে তাকে ক্ষমা করবো? কোনোদিনও না... কনিকা কান্না করতে লাগলো। মেরিন মাকে বুঝিয়ে সুজিয়ে ঘুম পারালো । এরপর বারান্দায় গিয়ে দারালো। . মেরিন : তোমার চরম শাস্তির সময় ঘনিয়ে এসেছে মিস্টার কবির ফয়সাল খান... শুধু ১বার তুমি ক্ষমা চাও আমার মামনির কাছে... এরপর দেখো আমি তোমায় কেমন ক্ষমা দেই? সেই সময়টার অপেক্ষা যেদিন তুমি ক্ষমা চাইবে? কিন্তু সেতু আর নীরা কোথায় গেলো? ও... তখন কেউ পেছন থেকে হঠাৎ ওর মুখে কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলো । এরপর হাত বেধে কাধে তুলে নিয়ে কোথাও যেতে লাগলো। . গাড়িতে... গাড়িতে বসিয়ে মেরিনের চোখের বাধন রাখা হলেও মুখের বাধন খুলে দেয়া হলো। মেরিন মোচরা মোচরি করছে। মেরিন : নীড় ভালো হচ্ছেনা কিন্তু.. নীড় : ... মেরিন: চুপ থাকলে লাভ হবেনা কিন্তু। আমি জানি এটা আপনি... নীড় মেরিনের চোখের বাধন খুলে দিলো। ২জনের চোখই রাগে লাল হয়ে আছে। ২জন একসাথে বলল : এসবের মানে কি? মেরিন : আপনার সাহস কিভাবে হয় আমাকে এভাবে তুলে আনার? নীড় : তোমার সাহস কিভাবে হয় আমাকে না বলে এই বাসায় আশার? মেরিন : মানে? মেরিন বন... নীড় : জানি জানি .... মেরিন : মেরিন বন্যা খান কোনো কাজ কারো অনুমতি নিয়ে করেনা.... নীড় : wait wait... মেরিন বন্যা খান মানে? মেরিন : মেরিন বন্যা খান মানে মেরিন বন্যা খান । নীড়: তোমার কি আমার থাপ্পর খেয়ে মন ভরে না? মেরিন বন্যা খান নামে এখন কেউ নেই। মেরিন বন্যা নীড় খান চৌধুরী আছে। মেরিন : .... নীড় : চুপ কেন? মেরিন : বাসায় যাবো... আমার হাত খুলে দিন.... নীড়: 🙄। মেরিন : কিছু বলেছি তো... নীড় : শুনেছি তো... 😏। মেরিন : ধ্যাত... নীড় : আচ্ছা আমি তোমাকে বাসায় রেখে গেলাম শাড়ি পরা এখন আবার এই অবাঙালি পোশাক কেন? মেরিন : mind your own business .. নীড়: সেটাই করছি... . একটুপর... নীড় গাড়ি থামালো। ১টা বাড়ির সামনে। এরপর কোলে করে মেরিনকে ভেতরে নিয়ে যেতে লাগলো। মেরিন : এটা কার বাড়ি? নীড়: তোমার জামাইর। মানে তোমার । মেরিন : 😒... নীড় মেরিন ১টা রুমে নিয়ে নামালো। এরপর ১টা লাল টুকটুকে শাড়ি হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল: যাও এটা পরে আসো। মেরিন: এই রাত সারে ১২টা বাজে আপনি আজিরা পেচাল পারছেন? নীড় : হ্যা। পরবে কি পরবেনা? মেরিন: না। নীড় : তুমি কি কোনো কথাই ১বারে শুনতে পারোনা? মেরিন : না। আর এই শাড়ি আপনি গিয়ে নীরাকে দিন। নীড় : আরেকবার নীরার নাম নিলে খবর আছে। শাড়িটা পরে নাও । মেরিন :না বলেছিনা। নীড় বাধ্য হয়েই নিজেই মেরিনকে শাড়ি পরিয়ে দিলো। এরপর সাজিয়ে দিলো। ভীষন সুন্দর লাগছে মেরিনকে। এরপর আবার মেরিনকে কোলে তুলে গাড়িতে বসালো। কালো কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে দিলো। মেরিনের মেজাজ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। . কিছুক্ষন পর আবার গাড়ি থামলো । নীড় মেরিনকে গাড়ি থেকে নামালো। হাতের বাধন কিছুটা হালকা করলো। নীড় : দারাও ... আসছি.... বলেই নীড় চলে গেলো। মেরিন গুতাগুতি করতে করতে হাতের বাধন খুলে ফেলল। মেরিন মনে মনে: হালকাই তো ছিলো। তাহলে এতোক্ষন খুলতে পারলাম না কেন? এরপর চোখের বাধন টা খুলবে আর ঠিক তখনই গিটারের আওয়াজ পেলো। ১টানে চোখের বাধন খুলল। আর দেখলো সামনে আলোর মেলা সেই সাথে গোলাপের পাপড়ির তেরি করা পথ। পথের কিনারা দিয়ে আছে প্রদীপ.... মাথার ওপর পূর্নিমার চাদের আলো। নদীর স্নিগ্ধ বাতাস। মাতাল করা গিটারের সুর... 🎶🎵🎶 সারারাত ভর... চোখের ভেতর স্বপ্নে তোমার আনা গোনা.. নেমে আসে ভোর থাকে তবু ঘোর... হাওয়ায় হাওয়ায় জানাশোনা তুমি দেখা দিলে তাই মনে জাগে প্রেম প্রেম কল্পনা... আমি তোমার হতে চাই এটা মিথ্যে কোনো গল্পনা... 🎶🎵🎶.... মেরিন একেবারে নীড়ের সামনে এসে পরেছে । চারিদিক সুন্দর করে সাজানো। সাদা গোলাপ দিয়ে। সামনে ১টা ভ্যানিলা কেক রাখা। নীড়কেও অনেক সুন্দর লাগছে। কালো shirt-pant... চুল স্পাইক করানা।। নরমাল। বাতাসে উরছে। গান শেষ করে নীড় মেরিনের সামনে এসে ১হাতে মেরিনের কোমর জরিয়ে সামনে এনে অন্যহাত দিয়ে ওর মুখের ওপর থেকে চুল সরিয়ে মেরিনের কপালে চুুমু দিয়ে বলল: happy anniversary আমার বউটা.... . মেরিন অবাক হলো এটা জেনে যে নীড়ের মনে ছিলো। নীড় : অবাক হলে? কি ভেবেছো আমার মনে নেই? মেরিন : .... নীড় : চলো কেক কাটি। ২জন কেক কাটলো। ২জন ২জনকে wish করলো। আবার নীড় হাওয়া হয়ে গেলো। পরক্ষনেই আবার ঝরের বেগে এলো। ১গুচ্ছ গোলাপ নিয়ে। হাটু গেরে বসলো... নীড়: হয়তো তোমার মতো কখনো ভালোবাসতে পারবোনা। কারন মেরিনের মতো ভালোবাসার ক্ষমতা কারো নেই.... তবে আমি আমার সবটুকু দিয়ে তোমাকে ভালোবাসবো । কখনো কোনো অভিযোগের সুযোগ দিবোনা। যতোদিন বেচে আছি... পাশে থাকবো । ১টা কথাই বলতে চাই... তুমি আমার #ঘৃণার_মেরিন না । #ভালোবাসার_মেরিন.... ১টা সুযোগ দিবে.... please .... তোমাকে ভালোবাসার... মেরিন নিজের চোখ আর কানকে বিশ্বাস করতে পারছেনা.... নীড়কে জরিয়ে ধরেকাদতে লাগলো। নীড় : আরে পাগলি কাদছো কেন? মেরিন : i love you.. love you... love you... love you a lot... নীড় : & i love you too.... মেরিন : কখনো আমাকে ছেরে যাবেন না... please ... নীড় : মাথা খারাপ না পাগল ... আমি তো আজীবন আমার বউটার সাথে থাকবো। কথা দিলাম.... . কিছুদিনপর... চৌধুরী বাড়িতে... মেরিন: কাহিনি কি বলো তো? কি লুকাচ্ছো? নীড় : কোথায় ? কিছু নাতো... মেরিন: কিছু তো আছে ঘাপলা... নীড় : জান তুমি কি আমার ওপর সন্দেহ করছো... মেরিন : ধ্যাত কি যে বলো না। আচ্ছা শোনো... আজকে ওই বাসায় যাবো কিন্তু। নীড় : আচ্ছা... বলেই নীড় মেরিনের কপালে চুমু দিয়ে চলে গেলো। নীড় মনে মনে : জান... ঘাপলা তো করছি... কিন্তু প্রমান না পেলে তো আর সম্ভব না। কালকেই সব clear হবে। ইনশাল্লাহ। বিকালে ওরা খান বাড়িতে গেলো। . পরদিন.... কনিকা কাজ করছে.... নীড় office এ। মেরিন রুমে বসে অফিসের কাজ করছে। দাদুভাই-দীদা বসে চা খাচ্ছে। কবির অনেক সাহস জুগিয়ে কনিকাকে ডাক দিলো। কবির : কনা... কনিকার সময় ওখানেই থেমে গেলো। কতোদিন পর সেই ভালোবাসার ডাক.... কিন্তু কনিকা আবেগকে প্রশ্রয় দিলোনা। কবির : একটু কথা বলতে চাই... কনিকা যেন শুনতেই পায়নি। কবির : শোনো না please ... মেরিন : কি শুনবে আপনার কথা? আরো কোনো অপবাদ-অপমান শোনা বাকি আছে কি? কবির: ... মেরিন: কি হলো এখন চুপ কেন? ১২বছর ধরে যাকে দুনিয়ার সব বাজে বাজে কথা বলেছেন আজকে তার সাথে আরো কথা আছে? যার জীবন থেকে আপনি ১২টা বছর কেরে নিয়েছেন তার সাথে কথা বলতে চান? যাকে ঘৃণা করে এসেছেন , যার অস্তিত্বকে ঘৃণা করে এসেছেন তার সাথে কথা বলতে চান? যাকে কখনোই ভালোইবাসেন নি তার সাথে কথা বলতে চান? আসলে আপনি just আম্মুর রুপের মোহয় পরে বিয়ে করেছিলেন.... কবির : মেরিন.... কবির মেরিনকে থাপ্পর মারার জন্য হাত তুলেও নামিয়ে নিলো। মেরিন: নামালেন কেন? মারুন আমাকে.... কসম আল্লাহর ওই হাত কেটে কুকুরদের খাওয়াবো.... তখন ওখানে নীড় এলো । কবির: হামম। খাওয়াবেই তো। আচ্ছা তুমি তো সবাইকে শাস্তি দাও... মেরেও ফেলো। আমাকে দিলেনা কেন? মারলেনা কেন? মেরিন : দিবো তো শাস্তি... আগে সেতু আর নীরাকে খুজে বের করে নেই। ওদেরকে ওদের পাওনা বুঝিয়ে নেই... আপনার চোখের সামনে ওদেরকে নৃশংস্র ভাবে খুন করে নেই। এরপর.. নীড় : খুন হওয়াদের আর কি খুন করবে মেরিন.... মেরিন পিছে ঘুরলো। . মেরিন: একি তুমি? কখন এলে? নীড় : মাত্র। মেরিন : যাও fresh হয়ে নাও... নীড় : হবো... তার আগে কিছু কাজ আছে। সেটা complete করতে হবে.... মেরিন: মানে? নীড় : খুব সহজ... সেতু আর নীরা আর বেচে নেই। মরে গেছে। খুবই বাজে ভাবে মরেছে... মেরিন: মরে গেছে? অসম্ভব... ওদের মৃত্যু এভাবে হতে পারেনা। নীড় : কিন্তু হয়েছে। গতকালই । জানতে চাও ওদের মৃত্যু কিভাবে হয়েছে? ওদের হাত-পা প্রথমে আগুনে পুরে দেয়া হয়েছে। পরে সেগুলোতে আবার ঔষধ দেয়া হয়েছে। এরপর আবার পোরানো হয়েছে। এরপর একটু ঔষধ লাগিয়ে তাদেরকে কুমির ভরা পুকুরে ছেরে দেয়া হয়েছে। ক্ষনিকের মধ্যেই ২জনের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে। মেরিন:কি? কে করলো এমন? নীড়: তোমার সামনে দারিয়ে আছে। মেরিন: মানে? নীড় কবিরের সামনে গিয়ে কবিরের কাধে হাত রেখে বলল : বাবা.... দাদুভাই, দীদা ,কনিকা,মেরিন, জন তো অবাক। মেরিন: কি বলছো কি? আজেবাজে কথা বন্ধ করো.. নীড় : আজেবাজে কথা বন্ধ না। সেতু-নীরা-নিলয়কে যতোটা তুমি ঘৃণা করো তার থেকে অনেক বেশি ঘৃণা বাবা করে। মেরিন: stop nonsense.... নীড়: না... আমি একদম ঠিক বলছি... সব গল্পেরই এপিঠ ওপিঠি থাকে। বাবার সত্যটা কেউ জানোনা। মেরিন: সত্য? নীড়: হ্যা সত্য... আচ্ছা মেরিন তোমার মনে কি কখনো এই প্রশ্নটা আসেনি যে বাবা যদি আম্মুকে ভালোইনাবাসতো, যদি ঘৃণাই করতো তবে ২য় বিয়ে কেন করেনি? ১২ টা বছর কেন একাই কাটিয়ে দিলো। বাকীরা সবাই ভাবলো : হ্যা তাই ই তো.... নীড় : কারন হলো বাবা কেবল আর কেবল আম্মুকেই ভালোবাসে। মেরিন: নামের ভালোবাসা... দাদুভাইয়ের ভয়ে করেনি... নীড় : seriously ? কবির ফয়সাল খানের মতো ১জন talented & educated business icon চাইলেই নিজে আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতেন না? পারতেন। কিন্তু ইচ্ছা করেই কিছু করেননি? মেরিন:... নীড় : আমি জানি তুমি আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসো। কিন্তু হঠাৎ যদি আমি কিছুদিন ধরে তুমি আমাকে না জানিয়ে কোনো কাজ করো। like না বলে কোথাও যাওয়া, late করে ফেরা.... আমার কি খটকা লাগবেনা? বাবার তো তবুও কখনোই সন্দেহ হয়নি। কিন্তু যদি কোনো স্বামী কারো সাথে তার স্ত্রীর অমন ছবি দেখে এমনকি এটা জানতে পারে যে সন্তানটাও তার না...তখন সেই স্বামীর মনের অবস্থা কেমন হতে পারে? সব মিলিয়ে কি তার রাগ করাট জায়েজ নয়? তার মনের অবস্থা কি হতে পারে? অমন অবস্থা নিয়ে ঠিক ভুল বিবেচনা করা যায়? সবাই:.... নীড়: তুমি যে আমায় এতো ভালোবাসো , তবুও যদি আমার এমন কিছু জানতে পাও তবে ওই মুহুর্তে তুমি কিভাবে react করবে? মেরিন :.... . নীড়: ১২ বছর আগে বাবা সেদিন আম্মুকে অনেক অপমান করেছিলো ঠিকই। কিন্তু যখন মাথাটা ঠান্ডা হলো তখন বিষয়ের গভীরে যায়। প্রমান পেয়েও যায় সত্য। কিন্তু সেই সাথে এটাও জানতে পারে যে দীদা ওদের কব্জায়। তাই ওদের কিছু বলতে পারেনা। ওদের সাথে মিলে থাকার নাটক করে। দীদাকে আমি পেলেও আম্মুর খোজ বাবার জন্যেই পেয়েছি। মেরিন : মিথ্যা কথা.... সব মিথ্যা.... নীড় : না। সব সত্য। বাবা আজও আম্মুকে ভালোবাসে। আর তোমাকেও... মেরিন: ক... নীড় : কোনো কথা না। আগে আমার কথা শোনো.... জন... জন: জ স্যার.... নীড় : ১টা কথা বলো তো মেরিনের under এ তো তুমি কাজ করো । but মেরিনের under এ কাজ করার জন্য তোমাকে কে কাজ করতে বলেছে? কে তোমাকে মেরিনের ছায়া হয়ে থাকতে বলেছে ? কে তোমাকে মেরিনের সাহায্য করতে বলেছে? জন:... নীড় : বলো... জন: জানিনা স্যার.. তার সাথে কেবল আমার ফোনে কথা হয়। আর মাস শেষে salary দেয় ...।সে বলেছে যে করেই হোক আমি যেন ম্যামকে একা না ছারি... আলাদা না ছারি.... যেন সবসময় রক্ষা করি... নীড় : সে পুরুষ না মহিলা? জন: পুরুষ.... নীড় : সবাই জানতে চাও সে কে? সে এই কবির ফয়সাল খান.... হ্যা মেরিনের সাথে সে খারাপ ব্যাবহার করেছে। আর সেসবের জন্যেই আজ মেরিন the মেরিন হতে পেরেছে। স্বর্নকে পুরিয়ে যেমন খাটি করা হয় তোমনি কষ্ট পেয়ে মেরিন... বন্যা হতে পেরেছে..... জানতো যে বাবা নিজে মেরিনকে save করতে পারবেনা। দাদুভাইয়েরও বয়স হয়েছে। তাই মেরিনের strong হওয়ার দরকার ছিলো। সে কারনেই.... মেরিন : ... নীড় : ৫বছর আগে তোমার car accident হয়েছিলো। তোমাকে রক্ত দিয়ে কে বাচিয়েছিলো জানো? বাবা.... মেরিন: ... নিহাল : আরো আছে... সবাই পিছে তাকালো। দেখলো নিহাল-নীলিমা দারিয়ে আছে। . নিহাল মেরিনের সামনে গিয়ে ওর মাথায় হাত রাখলো। বলল : ভাবির সত্যিটা কবির আমাকে আরো আগেই বলেছে। সব সত্যই বলেছে। কারন সেদিন আমি তোমাকে বাজে কথা বলেছিলাম.... আমাকে কবির বলেছিলো যেন আমি তোমাকে বাবার ভালোবাসা দেই। তুমি ভালোবাসা কাঙাল কিন্তু যেন পলকেই পরিবর্তন না হই তাহলে তুমি বুঝে যাবে.... তুমি কবিরের দুনিয়া... কবিরের হাতে দেখো । তোমার প্রতি জন্মদিনে ও নিজেকে আঘাত করেছে। যার চিহ্ন আজও রয়ে গেছে। তুমি তোমার বাবার ঘৃণার মেয়ে নও.... ভালোবাসার.... মেরিন: মিথ্যা... মিথ্যা ...মিথ্যা। সব মিথ্যা। সবাই মিথ্যাবাদী। সবাই খারাপ.... বলেই মেরিন গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গেলো। নীড়ও পিছে ছুটলো। গাড়ি নিয়ে মেরিনের পথ আটকালো। এরপর মেরিনের সামনে গিয়ে দারালো। মেরিন: আমার পথ ছেরে দাও নীড়... নীড়:ছারবোনা.... গাড়ি থেকে নামো... মেরিন : আপনি সরবেন কি না? নীড় : না। মেরিন : না সরলে কিন্তু.... নীড় : কিন্তু... আমার ওপর দিয়ে চালাবে? মেরিন: .... নীড়: আমার ওপর দিয়ে চালাবে? বলো.... মেরিন : .... নীড় : চালাও... মেরিন : ..... নীড় : কি হলো.... চালাও... মেরিন মাথা নিচু করে বসে রইলো। নীড় : নামো... মেরিন: .... নীড় : নামতে বলেছি কিন্তু..... মেরিন নেমে এলো। নীড় মেরিনের কাধে হাত দিয়ে হাটতে লাগলো। নীড় : সত্য থেকে না পালিয়ে সত্যে মোকাবেলা করতে কবে শিখবে? তোমার, আম্মুর জীবন থেকে যেমন ১২ বছর হারিয়ে গেছে তেমনি বাবার জীবন থেকেও। please accept this.... মেরিন : আমি যে বাবার সাথে অনেক খারাপ ব্য... নীড় : সবটাই সময়ের দোষ ছিলো..... চলো আবার নতুন করে জীবনটা শুরু করি। নীড় মেরিনকে নিয়ে বাসায় ফিরলো। বাবা-মেয়ের মিল হলো। মেরিন কবিরকে বুকে জরিয়ে কাদতে লাগলো। কবিরও এতো বছর পর মেয়েকে বুকে জরিয়ে কাদতে লাগলো। সব সমস্যা মিটে গেলো। মেরিনের জীবনও স্বাভাবিক হয়ে গেলো। . কিছুদিনপর.... নীড় office থেকে এসে দেখে মেরিন টেবিল calendar এর পাতা উল্টাচ্ছে। নীড় : কি করছে আমার বউটা? মেরিন: তোমার ভাগ্য গননা.... নীড় : ভাগ্য গননা? মেরিন: হামম। নীড় : মানে? মেরিন: দেখি দেখি তোমার কপালে কি লেখা? নীড়:😒। মেরিন: উফফ... চুলগুলো সরাও না... নীড়:🙄🙄। মেরিন: অলস কোথাকার? আমি সরিয়ে দিচ্ছি... মেরিন সরিয়ে দিলো। মেরিন: 😱🤭। নীড়: কি হলো? মেরিন: তোমার কপালটা তো ভীষন ভালো গো। নীড় মেরিনের কাধে হাত রেখে নাকে নাক ঘষে বলল: তোমার মতো বউ পেলে তো সবারই কপাল ভালো হবে? মেরিন: তাই বুঝি? তোমার কপাল আরো বেশি ভালো হতে চলেছে। আজ থেকে ঠিক ৯মাস পর ১টা ছোট্ট নীড় আসতে চলেছে.... যার নাম হবে নির্বন.... নীড়: মান.... সত্যি? 😍😍... নীড় মেরিনকে কোলে নিয়ে ঘুরতে লাগলো। নীড়: উহুহু... আমি বাবা হতে চলেছি..thank u আল্লাহ thank u জান... its the best gift in my life... i just love you... খবরটা শুনে খান বাড়ি চৌধুরী বাড়িতে ধুম পরে গেলো। মেরিনের জীবন থেকে সকল ঘৃণার অবসান ঘটলো। . (sorry ... কালকে বলেও গল্প না দেয়ার জন্য। next গল্প #পারফেক্ট_ভিলেন । আর নীড়-মেরিনই থাকবে। তবে ৩দিন পর থেকে গল্প পাবেন। কারন আমি ভীষন অসুস্থ। ) . ❤❤সমাপ্ত❤❤

@Raiyan

বন্ধুর বোন যখন বঊ বন্ধুর_বোন_যখন_বউ #পর্ব: 11 # আমি হাসপাতালের বারান্ধায় বসে আছি হঠাৎ পেছন থেকে কেউ আমার পিঠে হাত রাখলো পেছনে ঘুরে দেখি,,ছোট মা আমি: আপনে এখানে (একটু রেগে) ছোট মা: বাবা শুভ আজ আমি তোকে কিছু কথা বলতে চাই,,,,, আমি: জ্বি বলুন(বিরক্তি কর ভাব নিয়ে) ছোট মা: দেখ বাবা তোর মা মারা যাবার পরে তোর বাবা তোকে দেখাশোনার জন্য আমাকে বিয়ে করেন। কিন্তু আমি ,,,আমি তোদের সম্পত্তির লোভে পরে তোর বাবা কে বিয়ে করেছিলাম,,,, এমন কী তোকে আর তোর বাবাকে মেরে ফেলার ও ফন্ধি এটেছিলাম তোকে মিথ্যা অপবাদে বাড়ি থেকে বের করে দেয়,,,, এটাও ঠিক আছে আমি কখনো তোর মা হতে পারিনি এটাও ঠিক আছে,,,, কিন্তু যখন আমার পেটে ইমন আসে তখন আমি ভেবে দেখলাম ওকে পৃথিবীর আলো দেখতে দেবো না,,,,ডাক্তারের কাছেও গিয়েছিলাম কিন্তু পরে আবার আমার মনে হলো ,,,,,আমি একজন মা হয়ে কী ভাবে নিজের হাতে আমার সন্তান কে হত্যা করবো,,,,, নিজের কাছে নিজেকে সেদিন প্রশ্ন করেছিলাম যে আমি এত নিচ এত খারাপ যে আজ আমি নিজের সন্তান কে হত্যা করতে চাইছি,,,,বাবা জানিস সেই দিন থেকে আল্লাহ্র কাছে তওবা করেছিলাম জিবনে আর কোনো খারাপ কাজ করবো না একজন ভালো মা হয়ে দেখাবো ।কিন্তু পারিনি রে,,,আজ আমার ভুলের শাস্তি তোর বাপ পাচ্ছে রে ,,,,তোর বাবা একজন ভালো মানুষ ওনার কোনো দোষ নেই আমি ওনাকে তোর বিরুদ্ধে উশকিয়ে ছিলাম,, এই ভয়ে যে তোর সাথে ওনার সম্পর্ক থাকলে আমি কোনো সম্পত্তি পাবো না ।সব তোর নামে করে দেবে , কিন্তু আজ আমার আর কোনো সম্পত্তির প্রতি লোভ নেই । কারন আজ আমরা বুড়া বুড়ি মারা গেলে সব তোর আর ইমনে রি,,,আর আমি চাই সবাই এক বাসাতে থাকতে সেখানে তুই থাকবি বউমা থাকবে আমরা সবাই এক বাসাতে থাকবো। আর বাবা আমার এতদিনের খারাপ ব্যাবহারের জন্য আমি লজ্জিত আমাকে ক্ষমা করে দিস বাবা শুভ আমি: হুম মাথা (নিচু করে) মা: কিছু বলছিস না কেন আমি: এই কথা গুলো আপনার অনেক আগে বোঝা উচিত ছিল। অনেক দেরি হয়ে গেছে আপনার জন্য আমি আমার বাবাকে ভুল বুঝলাম ছোট মা: বাবা আগের সব কথা গুলো ভুলে যা,,,,আজ থেকে ভালো মা হয়ে দেখাবো,,,আর তোর বাবাকেও ক্ষামা করে দে তা না হলে তোর বাবা মরেও শান্তি পাবে না,,,,, আমি : তার মানে ?কী হয়েছে বাবার মা: কয়েক দিন আগে নাকি সন্ধাবেলা তোর বাবার সাথে তোর দেখা হয়েছিলো,,। আমি:হুমম মা: ঔ দিন তোর বলা কথা গুলো তোর বাবা সয্য করতে পারে নি বাসায় আসার পথে গাড়ির ভিতর হার্ড এট্যাক করেন তিনি । আমি: বাবা এখন কেমন আছে(হাইপার হয়ে) ছোট মা: ভালো কিন্তু আমি: কিন্তু কী ছোট মা??? ছোট মা : তোর বাবা কোমাই চলে গেছে ,,,, আমি: মানে ,,,,, ছোট মা: হুম,,,কিন্তু ডাক্তার বলেছে ওনাকে যত হাসি খুশি রাখবো ততো তারাতারি সুস্থ হয়ে যেতে পারে,,,,,, আর অনেক যত্ন নিতে হবে । আমি: কোন হাসপাতালে এডমিড করেছো ছোট মা: এই হাসপাতালেই প্রথম কেবিনে আছে আমি: এখন কী দেখা করা যাবে। ছোট মা: যাবে,,,,যা তুই তোর বাবাকে দেখে আয় আমি নিলার সাথে কথা বলি আমি:আচ্ছা ,,,আর ধন্যবাদ,,,,, ছোট মা: কীসের জন্য আমি: রক্ত দিয়ে নিলার জিবন বাচানোর জন্য (ছোট মা একটু হেসে) এতে ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু নেই তোর বাবার কাছে জাচ্ছিলাম হঠাৎ দেখি সবাই কান্না কাটি করছে ,,,এগিয়ে গিয়ে দেখি ,,রক্তের অভাবে একজন কে বাচানো যাচ্ছে না,,(ডাক্তার 20 মিনিটের মধ্যে o+ রক্ত চাইছে) (আমি এর আগে রক্ত পরিক্ষা করেছিলাম আমার o+ রক্ত আর ডাক্তার ও একই রক্ত চাইছে তাই রক্ত দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন দেখছি আমি যাকে রক্ত দিয়েছি সে আমার ছেলের আত্তার আত্তা,,,,,,আর আমাদের চৌধুরি পরিবারের পুএ বধু,,,,, আমি:হুম ,,,,, ওর যদি কিছু হয়ে যেত তাহলে আমি বাচঁতে পারতাম না ,,,,,,খুব ভালোবাসি আমি ওকে ছোট মা: সেটা আমি জানি ,,আচ্ছা বাবা যা তুই তোর বাবার সাথে দেখা করে আয়,,,,আমি নিলার কাছে যাচ্ছি আমি: আচ্ছা ,,এরপর ছোট মা নিলার কাছে গেলো আমি বাবাকে দেখতে গেলাম,,,, 1 no কেবিনে গিয়ে দেখি বাবা শুয়ে আছে মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো,,,,, আমি গিয়ে বাবার হাত ধরলাম,,,, হঠাৎ বাবা কারো হাতের স্পর্শ পেয়ে চোখ খুলে তাকালো,,,,তাকিয়ে দেখে আমি। আমি বাবার পা ধরে বলতে লাগলাম আমাকে ক্ষমা করে দিও বাবা আজ তোমার এই অবস্হার জন্য আমি দায়ী। বাবা মাথা নারিয়ে না বললেন । সেদিন যদি আমি তোমাকে ওভাবে না বলতাম তাহলে আজ হয়তো তোমার এ অবস্হা হতো না,,, এবার বাবা মাক্সের ভিতর দিয়েই বললো না বাবা না ,,,তুই আমাকে ক্ষমা করেছিস। আমি চোখের পানি ছেরে) ,,,(বাবারা কখনো ভুল করে না ),,,আর ক্ষমা সেতো তুমি আমাকে করবে ,,, না রে কিছু অভিমান আর কিছু ভুলের কারনে আজ আমারা বাপ ছেলে আলাদা ছিলাম,। আমি এসব কাথা এখন বাদ দাও। কাল তোমাকে সিঙ্গাপুর পাঠাবো। বাবা: কেনো আমি: তোমার উন্নত চিকিৎসার জন্য। বাবা: তার আর দরকার নেই রে বাপ ।তুই এসছিস ,আমি এমনিতেই সুস্থ হয়ে যাবো। আমি: হুমম কিন্তু,,,আমার তোমাকে দরকার।তাই না বলো না আমি আজই তোমার সিঙ্গগাপুর যাওয়ার ব্যাবস্হা করছি। বাবা: আচ্ছা। আমি: আচ্ছা বাবা তুমি এখন ঘুমাও । বাবা: আচ্ছা। তারপর বাবা ঘুমিয়ে গেলে আমি বের হয়ে এলাম ।এসে আবার নিলার কাছে গেলাম গিয়ে বাই জানিয়ে বাবার সিঙ্গাপুর যাওয়ার ব্যাবস্হা করলাম।আজ রাত 1 টাই বাবার ফ্লাইট ।বাবার সাথে এখানকার একটা ডাক্তার আর ছোট মা যাবে। তারপর আমি নিজের বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আবার হাসপাতালে চলে এলাম।এসে বাবাকে খবর টা দিলাম সাথে ছোট মাকেও। এখন রাত 2 টা আমি বাবাকে বিমানবন্ধরে ছাড়তে এসেছিলাম। বাবাকে ছেড়ে । আমি হাসপাতালে নিলার কাছে গেলাম গিয়ে দেখি আমার পরীটা ঘুমিয়ে আছে,,,,,পাশে ওর ,,,আর সবাই বাসায় চলে,,,,,,আমি গিয়ে নিলায কপালে একটা চুমু খেলাম ও হালকা নরে উঠলো তারপর আমার হাত জরিয়ে ধরলো।আমি আমার হাত ছাড়ানোর মিথ্যা চেষ্টা করছিলাম।এক সময় ও জেগে গেলো ।আমাকে দেখে চমকে উঠলো,,, নিলা: এতো রাতে তুমি এখানে,,,,বাসায় যাও নাই। আমি: আমার কলিজা টাকে এখানে রেখে আমি কী ভাবে বাসায় যাবো বলো। নিলা: এতো ভালোবাসো আমায়। আমি: অনেক গুলা ভালোবাসি তোকে,,,,যত ভালোবাসলে । নিলা: হয়েছে আর কবি হতে হবে না । আমি জানি তুমি আমাকে কতো ভালোবাসো। তারপর আমি নিলাকে জরিয়ে ধরলাম।নিলা আমাকে জরিয়ে ধরলো । এই তোরা কী করছিস রে ভুলে যাস না আমি পেছনে আছি(পেছন থেকে নিলার মা একটু হাসি দিয়ে) আমিতো একটু লজ্জা পেলাম ,,, নিলা: আমরা প্রেম করছি,,,,(তুমি জাগলা কেনো,) মা: আমি তাহলে যায়। তোরা প্রেম কর। আমি: এই না না আন্টি নিলা এমনি বলছে ও। আমিতো ওকে দেখতে এসেছিলাম মা: এতো রাতে (আর লুকাতে হবে না) শুভ তুমি এখানেই থাকবা নাকি বাসায় যাবা। আমি: না আমি বাসায় যাবো। ,, ,, ,, চলবে,,,,,,,,

@Raiyan

কিসমত #কিসমত #পর্ব-১৬ . . . . -নিরু তোর সাথে আমার কিছু কথা ছিলো(লিমা) . -হুম বল(নিরু ফোন টিপতে টিপতে) . - আজ কাল নেহালের সাথে তোকে বেশি দেখ যাচ্ছে . -হুম তো?(লিমার দিকে তাকিয়ে) . -নাহ কিছু নাহ . -ও আচ্ছা.. (আবার ফোনের দিকে তাকিয়ে) . -৫ মিনিট পরে আবার . -নিরু.. . -হুম বাবা বল . -তুই কি নেহালের প্রেমে পরেছিস? . -হোয়াট দ্যা ( নিজেকে কিছুটা সামলিয়ে নিয়ে) নেহাল আমার জাস্ট ফেন্ড।ওকে. . -হুম ওকে. . . . -মনি নিজের হাতে ফোন নিবে। তখন নিশির ফোনে ফোন আসে 📞📞📞 . -এক সেকেন্ড মনি(নিশি) . -হুম(মনি মুচকি হেসে) . -আসসালামু আলাইকুম খালা বলেন.(নিশি) . -(......) . -কখন (দাঁড়িয়ে) . -(......) . -আমি এখনি আসছি. . -মনি খালামনির হঠাৎ পেশার লো হয়ে গেছে আমার এখনি যেতে হবে.. . -ও আচ্ছা। যাও তাহলে। . -তুমি তো আছো কিছু দিন নাকি? . -নাহ আপু কাল চলে যেতে হবে . -তাহলে তো আর দেখা হলো নাহ আমি আসি।ফোনে কথা হবে.. . . . -নিশান তাহলে আসি মনিটা একা. (শুভ্র ) . -হুম যা আমিও যাই(নিশান) . . . -কিরে মনি তোর আপু কই(শুভ্র মনির পিছনে দাঁড়িয়ে) . -ইশ্ ভাইয়া আর এক মিনিট আগে আসলে দেখতে পেতে।মাত্র গেলো।একটু প্রবলেম ছিলো(মনি) . -ওকে।নেক্সট টাইম . -হুম চলো এখন . . . -নিশান নিশি গাড়িতে দু'জনের মাঝেই অস্থিরতা কাজ করছে তাদের খালামনির কাছে কখন যাবে তা নিয়ে..বাসার সামনে আসতেই নিশি নিশান দ্রুত ভিতরে ঢুকে.. . -খালামনি তোমার শরীর ভালো এখন (নিশান পাশে বসে মাথায় হাত বুলিয়ে) . -কিছু হয়নি আমি ঠিক আছি বারবার নাহ করলাম ফোন দিতে দিয়েই দিলো(রহিমা বেগম) . -বেশ করেছে (নিশি পাশে বসে কান্না কন্ঠে ) . -পাগল মেয়ে কিছু হয়নি তো আমার(রহিমা বেগম বসে) . -হুম (নিশি) . -দেখা হয়েছে . -হুম।আচ্ছা আমি ফ্রেশ হয়ে আসি। (দাঁড়িয়ে নিশি) . -খালামনি জানো আজ নাহ শুভ্রর সাথে দেখা হয়ে গেল হঠাৎ (নিশান) . -শুভ্র নাম শুনতেই দরজা দাঁড়িয়ে পরে নিশি।দুচোখ জলে ভরে আসে।আসিয়া খালাকে আসতে দেখে নিজের রুমে চলে যায় নিশি. চোখের জল গাল বেয়ে নিচে পরছে নিজের পেটে হাত রেখে চোখ বন্ধ করে ফেলে নিশি... . . . -আপা আমি বুঝতে পারছি নাহ কি করবো আমি(রহেলা বেগম কান্না কন্ঠে ) . -দেখ কি বলবো তুই তো বুঝতে পারছিস।(আছিয়া বেগম) . -নিজের স্বামীর জন্য নিজের মেয়ে এত সর্বনাশ করবো।দিশা ছোট একটা মেয়ে। কি বুঝে বলো। . -এমন তো হতে পারে দিশাকে ভালো লাগতে পারে সারাজীবন রেখে দিতে পারে . -হসপিটাল থেকে এসে আড়াল থেকে সবটা শুনে নিশি রুমে আসে.. . -কি করতে চাচ্ছো তোমরা দিশার সাথে? (নিশি) . -তুই শুনে কি করবি(আছিয়া বেগম) . -মা বলো কি করতে চাচ্ছো (নিশি রাহেলা বেগমকে উদ্দেশ্য করে) . -নিশ্চুপ (কান্না করছে) . -কি হলো মা বলো।কান্না করছো কেনো?(নিশি) -তোর বোনকে ১মাসের বিয়ে দিবে ছেলে টাকা দিবে তোর বাপের চিকিৎসা করার জন্য দেশের বাহিরে নিয়ে যাবে(আছিয়া বেগম) . -খালা(চেঁচিয়ে নিশি) . -চেঁচাছিস কেনো। . - দিশা তোমার বোন ঝি এমন বলতে পারলে . -তোর তো বোন তুই নিজে ১ মাসের জন্য যা নাহ। বোন টাকে বাঁচা। . -আপা নিশি কেনো যাবে দিশাই যাবে।নিজের বাপের জন্য এইটুকু করতে পারবে( রাহেলা বেগম কান্না করতে করতে নিজের রুমে চলে যায় দরজা লাগিয়ে দেয় ) . -মা শুনো আমার টাকা জোগাড় করে ফেলবো।(নিশি) . -এতো টাকা কই পাবি।কালকের বিকালের মাঝে সব টাকা দিতে হবে। আর ছেলেকেও বলে দিতে হবে বিকালের মাঝে। (আছিয়া বেগম রুম থেকে বের হয়ে যায়) . -রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে নিশি।কি করবে কিছু বুঝতে পারছে নাহ। এতো টাকা কি করে ব্যবস্থা করবে।বিকাল থেকে সব কাছের মানুষের কাছে টাকা ধার চাচ্ছে কেউ দিতে রাজি নাহ আর মাত্র একরাতের মাঝে সব পাল্টে যাবে। কিছুই করার থাকবে নাহ। সব চিন্তা করতে করতে রাস্তার মধ্যে বসে পরে নিশি।দুচোখ জোরে অন্ধকার। দিশার এতো বড় সর্বনাশ কখনোই হতে দিতে পারে নাহ।চায় নিজের খারাপ হোক।দু'হাতে নিজের চোখ মুছে দাঁড়ায় নিশি।বাসায় উদ্দেশ্য রওনা.. . -রাতে ব্যাগ থেকে কলম বের করার সময় শুভ্র দেওয়া কার্ডটা বের হয়ে আসে.. . - -সকালে থেকে বের হয়ে বিকেলে বাসায় ঢুকে নিশি একজন মধ্য বয়স্ক লোক আর দুজন মহিলাকে দেখতে পায় নিশি। . -দেখুন আমার আপনার মেয়ে কে পছন্দ এক মাসের জন্য নিতে চাই। আর এই একমাস আমি যা বললো তাই করতে হবে । পছন্দ হলে রাখবো নয় দিয়ে যাবো।বুঝতেই তো পারছেন ।(মধ্য বয়স্ক লোক বিশ্রী হাসি দিয়ে ) . -আমরা রাজি নাহ আপনি আসতে পারেন (নিশি) . -সবাই নিশির কথায় কিছুটা অবাক হয়ে যায়.. . -দেখুন আপনারা ভেবে চিন্তে বলছেন কি(মধ্য বয়স্ক লোক) . -হুম (নিশি) . -আমি কাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবো . -আপনি বের হোন।নাহ বের হলে লোক ডেকে অপমান করতে বাধ্য হবো. . -ওকে যাচ্ছি . -ঠাসস্ নিশি কি করছিস এখন টাকা কই পাবো (রাহেলা বেগম) . -মা(নিশি গালে হাত দিয়ে ) . -বোনের সুখ ভালো লাগে নি?(চোখে জল) . -নিশি নিজের ব্যাগ থেকে কয়েকটা টাকার বান্ডিল রাহেলা বেগম এর হাতে দেয়..আরো লাগলে আরো পাবা তবু দিশার গায়ে কোনো আঁচ আসবে নাহ। . -এতো টাকা কোথায় পেলি(আছিয়া বেগম) . -তোমার জানতে হবে নাহ। বোনকে বাঁচাতে সব করতে পারি। টাকা জমা দিয়ে বাহিরে যাবার ব্যবস্থা করো তোমাদের তিন জনের( টাকা দিয়ে নিশি নিজের রুমে দিকে এগিয়ে যায়) . -আর তুই ?(রাহেলা বেগম) . - যাবো নাহ(দাঁড়িয়ে) . -একা থাকতে পারবি নাহ তুইও যাবি . - তোমার চিন্তা করতে অনেক দেরি হয়ে গেছে মা (তাচ্ছিল্য হাসি দিয়ে) . -নিজের রুমে অঝোরে কাঁদতে থাকে নিশি।তোমার বোন দিশাকে বিয়ে দিতে নাহ রক্ষিতা করতে চেয়ে ছিলো মা। খোঁজ নিয়েছি আমি কিন্তু তোমায় বললে তো বিশ্বাস করবে নাহ। কেউ আপন নাহ সবাই পর।হঠাৎ নিশির ফোন বেজে ওঠে। .দু'হাতে চোখ মুছে নিশি।ফোনের দিকে তাকিয়ে তাচ্ছিল্য একটা হাসি দেয় নিশি.. . . চলবে....

@Raiyan

তোমাই পাব বলে #তোমায়_পাবো_বলে #পর্ব_০৫ . তাম্মি চৌধুরী অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ___"তুমিই নিনিতা?" নিনিতার এই প্রশ্ন শোনার পর অস্বস্তি হতে লাগলো।ও প্রশ্নটা শুনে এতোটা অস্বস্তিবোধ করতো না।অস্বস্তিবোধ করার কারণ হচ্ছে তাম্মি চৌধুরী কটমট করে আশফাক চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে আছেন।আচ্ছা তাহিনের ভাইরাল হওয়ার বিষয়টা কি তিনি স্বাভাবিকভাবে নেননি?আশফাক চৌধুরী তো বললো এতে তাদের উপকার হয়েছে তবে কেনো তিনি এমনভাবে স্বামীর দিকে তাকিয়ে আছেন?নাকি অন্যকিছু?নিনিতা ইতস্তত করতে করতে বললো, ___"জ্বি আমি নিনিতা।" তাম্মি কোমড়ে হাত দিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে আশফাক চৌধুরীকে বললেন, ___"এ যদি নিনিতা হয়,তবে তুমি এর সাথে ফোনে কথা বলতে!একটা হাঁটুর বয়সী মেয়ের প্রেমে পড়তে তোমার লজ্জা করলো না!এতো আমার ছেলে তাহিনের চাইতেও ছোট।" নিনিতা অবাক হয়ে গেলো।আশফাক চৌধুরী নিনিতার প্রেমে পড়েছে!এটা আদোও সম্ভব! আশফাক চৌধুরী কাচুমাচু করে বললেন, ___"ছিঃ এগুলা কি বলো?নিনিতা তো আমার আম্মা।" তাম্মি রেগে আগুন হয়ে বললেন, ___"যেই ধরা পড়লে ওমনি ও তোমার আম্মা হয়ে গেলো।বাহ!" আশফাক চৌধুরী নিনিতাক বললেন, ___"নিনিতা আমি না তোমায় আম্মা ডাকি?" নিনিতা জোরে জোরে মাথা নাড়ালো।যার অর্থ হ্যাঁ ওকে আশফাক চৌধুরী আম্মা ডাকে। তাম্মি চৌধুরী কিছুটা নিভলো।তারপর বললেন, ___"ঠিক আছে,ঠিক আছে।এবারের মতো ক্ষমা করলাম।পরের বার এরকম কিছু শুনলে প্রথমে তোমাকে খুন করবো তারপর নিজে বিষ খাবো।কথাটা মনে থাকে যেন।" আশফাক চৌধুরী একটু হেসে বললেন, ___"তোমার কাছে এ আজগুবি খবর গুলো কে দেয় বলো তো?এখন কি আমার নিনিতার প্রেমে পড়ার বয়স?হ্যাঁ নিনিতার মা হলে অন্য কথা ছিল।" তাম্মি চৌধুরী রণচণ্ডী রূপ নিয়ে তার সামনে দাড়ালেন।আশফাক চৌধুরী ভুল মানুষের সামনে ভুল কথা বলে ফেলেছেন।তিনি গুটি গুটি পায়ে চোরের মতো ড্রয়িংরুম থেকে চলে গেলেন। নিনিতা এতোক্ষণ হওয়া কোনোকিছুরই মানে বুঝতে পারলো না। তাম্মি চৌধুরী নিনিতাকে নিয়ে সোফায় বসলেন।নিনিতার দিকে তাকিয়ে হেসে বললেন, ___"কেমন আছো?" কি সুন্দর হাসি!এই যে একটু আগে রাগারাগি করলেন এখন তার চোখে-মুখে কোনো রাগ নেই।অপরূপ সুন্দরী একজন মহিলা। নিনিতা হাসি মুখে বললো, ___"আলহামদুলিল্লাহ।" আশফাক চৌধুরী রুম থেকে বেড়িয়ে বললেন, ___"শুধু গল্প করবে।ওদিকে তোমার গুণী সন্তান যে তোমায় কখন থেকে ডাকছে শুনছো না?" তাম্মি চৌধুরী সামান্য বিরক্তি নিয়ে উঠে চলে গেলেন।আশফাক চৌধুরী নিনিতার অপজিট সোফায় বসে বললেন, ___"তুমি কিছু মনে করো না।তাম্মি বুড়ো বয়সেও আমাকে হারানোর ভয় পায়।" আশফাক চৌধুরী উচ্চস্বরে হেসে দিলেন।তার সাথে তাল মিলালো নিনিতা। আশফাক চৌধুরী হাসিটা কোনোরকম ভাবে থামিয়ে বললো, ___"তোমার আন্টি বিয়ের আগে আমার বন্ধুদের থেকে খবর নিতো,আর এখন নেয় সুমনের থেকে।সুমন একটা গর্দভ ওর জন্যই তোমাকে এ সিচুয়েশনে পড়তে হলো।গর্দভটা তাম্মিকে বলেছে নিনিতা নামের এক মেয়েকে আমি ফুলের বুকে পাঠিয়েছি।কি কারণে পাঠিয়েছি,তোমার বয়স কত এসব নিয়ে কিছু বলেনি।সেই থেকে তোমার সাথে দেখা করার জন্য বাসায় ঝড় তুলেছে,গতকাল আমি ইচ্ছে করে তাম্মিকে জ্বালানোর জন্য তোমায় ভিডিও কল করেছিলাম।তুমি আম্মা মাইন্ড করো না।তাম্মির মাঝে ছেলেমানুষী এখনো রয়ে গেছে।ওর হয়ে আমি ক্ষমা চাইছি।" নিনিতা এতোক্ষণ মজা নিয়ে এসব কথা শুনছিলো।আশফাক চৌধুরীর শেষ কথা শুনে নিনিতা বললো, ___" না, না,না।আমি কিছু মনে করিনি।ক্ষমার কথা বলে আমাকে ছোট করবেন না।" আশফাক চৌধুরী সিরিয়াস ভঙ্গিতে বললেন, ___"জানো নিনিতা ভাইরাল হওয়ার বিষয়টা নিয়ে যদি তোমার কোনো ক্ষতি হতো।ক্ষতিটার কারণ সবার প্রথম আমি হতাম।" নিনিতা আৎকে উঠলো।মুখের হাসিটা বিলীন হয়ে গেল।আশফাক চৌধুরী নিনিতার মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন, ___"ভয় পেও না।এখন আমি তোমার কোনো ক্ষতি করবো না।ইনফ্যাক্ট, সারাজীবন আমার দ্বারা তোমার এক চিমটি ক্ষতি হবে না।তাহিন যতই বিগড়ে যাক।ও তো আমারই সন্তান।যখন নিউজটা ভাইরাল হলো,মুহুর্তের মাঝেই আমি তোমার ঠিকুজিকোষ্ঠীর খবর নিয়ে নিয়েছিলাম।যখন বিষয়টা সবাই পজিটিভলি নিয়েছে তখন আমি শান্ত হয়েছি।মনে হয়েছে বিগড়ে যাওয়া ছেলেটা সঠিক পথে আসুক।কিছু একটা করুক আমি আর কয়দিনই বা থাকবো?তোমাকে ধন্যবাদ।কথাগুলো বলতাম না বলার কারণ জানো?" নিনিতা মাথা নাড়ালো।যার অর্থ সে জানে।নিনিতা নিচু স্বরে বললো, ___"আমি জানি আঙ্কেল ছবিগুলো পোস্ট করার আগে আমার অনুমতি নেয়া প্রয়োজন ছিলো।আমার মাথায় তখন পজিটিভ চিন্তাভাবনা ঘুরপাক খাচ্ছিলো।আর আমি তো কোনো জার্নালিস্টকে হেল্প করবো, কিংবা আপনার মান-সম্মান নিয়ে খেলবো,আমার এরকম বাজে উদ্দেশ্য ছিলো না।ওইরকম বাজে উদ্দেশ্য নিয়ে আমি ছবিগুলো তুলিনি।বাসা থেকে বের হওয়ার সময় আব্বুকে বলে এসেছি আপনার আর আন্টির কাছে এটা নিয়ে ক্ষমা চাইবো।আ'ম সরি।" আশফাক চৌধুরী হাসি দিয়ে বললেন, ___"ইটস ওঁকে, মাই চাইল্ড। তাম্মক চৌধুরী এলে তারা তিনজন মিলে একসাথে হল্প গুজব করতে লাগলো। ______________________ খাওয়ার টেবিলে,,, তাম্মি চৌধুরী তাহিনকে খাইয়ে দিচ্ছেন।আশফাক চৌধুরীর পাশে নিনিতা বসেছে। তাম্মি চৌধুরী বললেন, ___"তোমার বাবা কি করেন নিনিতা?" নিনিতা খাবার নাড়তে নাড়তে জবাব দেয়, ___"রিটায়ার্ড সিনিয়র ব্যাংকার।এখন এলুমিনিয়ামের বিজনেস করছেন।" ___"আর মা?" নিনিতা শীতল দৃষ্টিতে তাকিয়ে তাম্মিকে বললো, ___"মা নেই।আমি এতিম।" তাম্মির অনেক খারাপ লাগলো।তাহিন অবাক হয়ে গেল, কারণ তাহিনের কাছে খবর আছে নিনিতার মা আছেন।আশফাক চৌধুরী নিনিতার দিকে একপলক তাকিয়ে কিছু বললো না। তাহিন খাবার টেবিল থেকে উঠে গেল।কিছুক্ষণ বাদে আশফাক চৌধুরী উঠে গেলেন।টেবিলে তাম্মি চৌধুরী আর নিনিতা।নিনিতা মাথা নিচের দিকে দিয়ে প্লেটের দিকে তাকিয়ে আছে।চোখ থেকে এক ফোঁটা পানি গড়িয়ে প্লেটে পড়লো।তাম্মি চৌধুরী নিনিতার মুখের সামনে লোকমা ধরলো।তিনি বললেন, ___"ভাত সামনে রেখে কাঁদতে নেই।" নিনিতার গলা পাকিয়ে কান্না আসছে।কোনো এতিম, মা বিহীন সন্তান জানে,চোখের সামনে কোনো মা যদি তার সন্তানকে খাইয়ে দেয়।তখন মা বিহীন মানুষটার বুকের ভেতর কিভাবে মোচড় দেয়,রক্তক্ষরণ হয়।সেই সাথে কলিজাটা কেঁপে বুকের ভেতরে ব্যাথাগুলো পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে। নিনিতা ভাতের লোকমা মুখে না তুলে কেঁদে দিলো।সেই সাথে তাম্মিকে জড়িয়ে ধরলো।তাম্মিও বাম হাত দিয়ে নিনিতার পিঠে হাত বুলিয়ে দিলেন। বিকেলে তাম্মি চৌধুরী নিনিতাকে যেতে দিলেন না।একেবারে ডিনার করে তাহিন বাসায় পৌঁছে দিবে বলেছেন।তিনি এখন নিনিতার জন্য পিঠে বানাচ্ছেন। তাহিন নিনিতাকে নিয়ে ছাদে গেল।নিনিতা দোলনায় বসলো।তাহিন বললো, ___"এখানে প্রতিরাতে আম্মু-আব্বু বসে।দুজনে একসাথে হাসে-খেলে-গান গায়।সে কি এক সুন্দর দৃশ্য তোমাকে বলে বুঝাতে পারবো না।দেখলে বুঝতে।" নিনিতা বললো, ___"আপনি তাদের সন্তান হয়ে এরকম কেনো?" তাহিন চুপ।নিনিতা দোল খেতে খেতে বললো, ___"থ্যাঙ্কিউ।" তাহিন ভ্রু কুঁচকে তাকালো নিনিতার দিকে।নিনিতা বললো, ___"আন্টি বলেছেন।আমাকে বাসায় আনার প্ল্যানটা আপনার ছিলো।আন্টি শুধু আঙ্কেলকে ফোর্স করেছেন।" তাহিন হালকা হেসে মাথার চুল চুলকালো।নিনিতা দোলনার একপাশে তাহিনকে বসার জন্য জায়গা দিলো।তাহিন ঝটপট বসে পরলো।নিনিতা আকাশের দিকে তাকিয়ে বললো, ___"জীবনের প্রথম আমি একটা পরিবারের সাথে এতোটা গভীরভাবে মিশতে পারলাম।এতোটা সময় স্পেন্ড করলাম,আঙ্কেল-আন্টি খুব ভালো মনের মানুষ।আমি কখনো মায়ের আদর পাইনি।আন্টি আমাকে নিজ হাতে খাইয়ে দিয়েছে,আধঘন্টা সময় নিয়ে মাথায় তেল দিয়ে দিলেন।বিকেলে ঘুমোনের সময় কাছে টেনে জড়িয়ে ধরলেন।ছাদে উঠার আগে আঙ্কেল আমার সাথে দাবা খেললেন।তিনি জিতেও হেরে গিয়ে আমাকে জিতিয়ে দিলেন।তাহিন আপনার জীবনটা কতটা মধুর তা উপলব্ধি করতে পারলাম।আপনাকে ভালোবাসার কতগুলো মানুষ আছে।জানেন আফসোস হচ্ছে আমার জীবনেও যদি এমন মানুষ থাকতো।ট্রাস্ট মি তাহিন, আমি তাদের কখনোই হার্ট করতাম না।সারাজীবন আগলে রাখতাম।" তাহিন কিছু বললো না।চুপ করে রইলো।দোলনা থেকে উঠে নিনিতা ছাদের রেলিং ধরে অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইলো।বেশকিছু সময় কাটিয়ে তাহিন বললো, ___"নিচে যাওয়া যাক।" নিনিতা অন্ধকারে চোখ মুছে তাহিনের সাথে নিচে নেমে গেল। তাম্মি চৌধুরী নিনিতার জন্য পিঠেপুলি, পাটিসাপটা পিঠে বানিয়েছেন।আশফাক চৌধুরীকে দিয়ে আগেই খেজুরের রস আনিয়েছেন।নিনিতার বেশ ভালো লাগছে। রাত এগারোটার দিকে তাহিন নিনিতাকে বাসায় পৌঁছে দেয়ার জন্য বাসা থেকে বের হলো।নিনিতা বললো, ___"আপনি শুধু শুধু কেনো কষ্ট করতে যাবেন, ড্রাইভারই তো আমাকে বাসায় দিয়ে আসতে পারে।" তাহিন ভ্রু কুঁচকে বললো, ___"আমি গেলে কি খুব বেশি অসুবিধে হবে?" ___"এমা অসুবিধে হবে কেন?আমি তো আপনার কথা ভেবে বললাম।" ___"আমার কথা এতো তাড়াতাড়ি ভাবতে হবে না।আমাকে নিয়ে পরে ভাবলেও চলবে।" তাহিন গাড়ির দরজা খুলে নিনিতাকে বসার জন্য বললো।নিনিতা তাহিনের দিকে তাকালো।তাহিন এবার সাহস নিয়ে নিনিতার হাত ধরে বললো, ___"ভয় পেও না।তুমি যতোটা বাজে ভাবছো আমি ততোটা বাজে নই।কেউ কাছে না টানলে আমি কাছে যাই না।" নিনিতা বসে পড়লো।তাহিন ড্রাইভ করতে লাগলো।দুজনেই চুপ।তাহিন বললো, ___"শুধু চুপ করেই থাকবে?কিছু তো বলো।" সামনের থেকে দৃষ্টি সরিয়ে পাশ ফিরে দেখে নিনিতা জানালার কাঁচে মাথা রেখে ঘুমিয়ে গেছে।তাহিন গাড়ি থামিয়ে বেশ কিছুক্ষণ নিনিতার দিকে চেয়ে রইলো।নিনিতার মাথাটা নিজের কাঁধে রাখলো। তারপর বাঁকা হাসি দিয়ে গাড়ি চালাতে শুরু করলো। নিনিতার বাসার সামনে গাড়ি থেমেছে প্রায় পনের মিনিট।তাহিন জানালা খুলে দিলো।তাহিন নিনিতার সিট বেল্ট বাম হাত দিয়ে খুলে ফেলল।নিনিতা এবার ঘুমের ঘোরে নড়েচড়ে তাহিনকে জাপ্টে ধরলো।তাহিনের মেরুদণ্ড বেয়ে শীতল ঠান্ডা হাওয়া বয়ে গেল।তাহিন ডান হাত দিয়ে নিনিতার খোঁপা খুলে দিলো।নিনিতার চুল গুলো ঠান্ডা হাওয়ায় উড়তে লাগলো।তাহিন নিনিতার গাল ছুঁতেই হাতটা কেঁপে উঠলো।নিনিতার গাল ঠান্ডা বরফ।তাহিন আস্তে আস্তে নিনিতাকে ডাকতে লাগলো, ___"নিনিতা,এই নিনিতা উঠো।তোমার বাসায় পৌঁছে গেছি।" নিনিতা নড়েচড়ে তাহিনকে দেখে আর তাহিনের সাথে লেপ্টে আছে দেখে তাহিনকে ধাক্কা দিলো,নিজেও গাড়ির ভেতরে ছিটকে দূরে সরে গেল।তাহিন ব্যাপারটা বুঝতে পেরে বললো, ___"কুল,কুল।কিচ্ছু হয়নি।আমি এক্সপ্লেইন করছি,তুমি ঘুমিয়ে গিয়েছিলে।বার বার জানালার সাথে বারি খাচ্ছিলে দেখে আমি তোমার মাথাটা আমার কাঁধে রাখি।আর তোমার বাসার সামনে এসে তোমাকে ডাকতেই তুমি নড়েচড়ে আমাকে ধরো।ইজ সিম্পল ম্যাটার।লিভ ইট।" নিনিতা গাড়ি থেকে নামলো।তাহিনও নেমে দাঁড়ালো।নিনিতা তাহিনকে থ্যাংকস বলে চলে যাচ্ছিলো।তাহিন নিনিতাকে ডাক দিলো।তারপর বললো, ___"বলেছিলাম না তোমায়,বাজে ছেলে হতে পারি কিন্তু ধর্ষক নই।আমি বাঘ-ভালুক নই তোমার মতো রক্তে মাংসে গড়া মানুষ।" কথাগুলো বলে তাহিন নিনিতাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে চলে গেল। ______________________________________ একটা রেস্টুরেন্টে বসে আছে তাহিন,নবীন,নিনিতা।নবীন বেশ কিছুক্ষণ পরে বললো, ___"সমস্যা কি নিনিতা,একটা মাত্র অ্যালবামের গানই তো।" ___"ভাই আমি ক্যামেরার পিছনে থাকা মানুষ।ক্যামেরার সামনে না।তাছাড়া তাহিনেরও তো শুটিং আছে।" নবীন তাহিনের দিকে তাকালো।তাহিন বললো, ___"আমার সমস্যা নেই।ডিরেক্টর কামাল শেখ অসুস্থ।তিনি চিকিৎসার জন্য জাপান গেছেন।আপাতত শুটিং বন্ধ।" নিনিতা নবীনকে বললো, ___"ভাইয়া আমি তোমায় নতুন মডেলের সন্ধান দিতে পারি।" নবীন রেগেমেগে বললো, ___"তুই চুপ থাক।একটা কথাও বলবি না।আসছে নতুন মডেল দিতে।মডেলয়ালি।" ___"ভাইয়া তুমি শুধু শুধু হাইপার হচ্ছো।তাহিন আমি ভাইয়ার সাথে একটু কথা বলবো।" ___"ইয়াহ সিউর।ইউ ক্যারি অন।" তাহিন উঠে চলে গেল। নিনিতা নবীনকে বললো, ___"পাগলামি করছো কেনো?তুমি জানো আমার মাঝে অভিনয় করার ক্ষমতা নেই,ফিলিংস নেই।হোয়াই ইউ ফোর্স মি?" ___"বিকজ আই ওয়ান্ট।তোর মাঝে ফিলিংস আসুক তুই ভালো থাক।আর এটা মাত্র তিন মিনিটের গান শুট করতে কতক্ষণ লাগবে শুনি?" ___"তুমি পাগল হয়ে গেছো।তুমি তো সবটাই জানো তবুও এই পাগলামি করছো।আমার রঙচঙ ক্যামেরার পিছনেই ভালো লাগে,সামনে না।তবুও তুমি যেহেতু ফোর্স করছো কাজটা আমি করতাম।কিন্তু তাহিন আর আমার মধ্যে কেমিস্ট্রি ভালো না।" নবীনের মুখে হাসির ঝিলিক। নবীন বললো, ___"কেমিস্ট্রি ভালো হয়ে যাবে।ডোন্ট ওয়ারি।" নিনিতা ভ্রু কুঁচকে তাকাতেই নবীন বললো, ___"আই ক্যান নট সে লাভ কেমিস্ট্রি।ফ্রেন্ডলি হয়ে যাবি ওটা বললাম।" ___"ওকে ডান।" নবীন নিনিতাকে খুশি হয়ে জড়িয়ে ধরলো।এবার নবীনের পরিচয় দেই।নবীন হলো নিনিতার ফুফাতো ভাই।তিনি ছয়টি গান দিয়ে একটা অ্যালবাম বানাবেন।একটা গানে নিনিতা এবং তাহিনকে রাখতে চান। তাহিন দূর থেকে দেখলো।নবীন নিনিতাকে জড়িয়ে ধরেছে।তাহিন কিছু বললো না।চট্টগ্রাম যেতে হবে।বাকি কাজ চট্টগ্রাম। নিনিতা-তাহিন একসাথে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন গেল।রাতে ট্রেনেই চট্টগ্রাম যাবে।রাত ৯:৩০ নয়টায় ট্রেন ছাড়বে।মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠে খুব সহজেই নবীনদের পেয়ে গেল।নিনিতা অবাক হয়ে বললো, ___"ভাইয়া হানিমুনে যাচ্ছো নাকি?কেমন আছো ভাবি?" নবীন বললো, ___"জোড় ভেঙ্গে বিজোড় হবার প্রচেষ্টায় যাচ্ছি।" নবীনের স্ত্রী মাধুবী নবীনের কথায় অনেক লজ্জা পেল।নিনিতাকে জড়িয়ে ধরে বললো, ___"আলহামদুলিল্লাহ। তুমি কেমন আছো?" ___"আলহামদুলিল্লাহ।" তাহিন নবীনের স্ত্রী আছে দেখে খুশি হলো।এরই মধ্যে কেউ একজন বললো, ___"আমি যে চিতায় এখনো উঠিনি তার খেয়ালকি আছে?" নিনিতা 'আরে শিবুদা' বলে হ্যান্ডশেক করার জন্য হাত বাড়িয়ে দিলো। শিবুকে হাত মিলাতে দেখে একটা মেয়ে কড়া গলায় বললো, ___"শিবু তুমি কার হাত ধরেছো?" শিবু ভয়ে ভয়ে বললো, ___"পূর্ণা,উনি আমার দিদি।" পূর্ণা মিষ্টি হেসে নিনিতাকে বললো, ___"নমস্কার দিদি।" নিনিতা আহাম্মক হয়ে গেল।ও শিবুদার দিদি কবে হলো।মাধুবী নিনিতার কানে কানে বললো, ___"শিবুর গার্লফ্রেন্ড পূর্ণা।হেব্বি ডেঞ্জারাস।আমাদের শিবু এবার ফেঁসে গেছে।" অনেক রাত পর্যন্ত আড্ডা চললো।বেচারা শিবু আড্ডাতে উপস্থিত থাকতে পারলো না।তাহিন আর নিনিতা পাশাপাশি বসেছে।অনেক আগেই তাহিন ঘুমিয়ে গেছে।নিনিতা তাহিনের মাথা নিজের কাঁধে রাখলো।তাহিনের নিঃশ্বাস ঘাড়ে পরতেই সেদিনের মতো ভয়ংকর অনুভূতি হতে লাগলো।হাত-পা বরফের মতো জমে আসছে।ভেতরটা কাঁপছে।নিনিতা কাঁপা কাঁপা হাতে তাহিনের মাথাটা সরিয়ে দিলো। ট্রেনের সবাই ঘুমিয়ে গেছে।সামনে থাকা নবীন-মাধুবী কি সুন্দর একে অপরকে ধরে ঘুমিয়ে আছে।ট্রেন দ্রুত গতিতে সামনে এগুচ্ছে। নিনিতাও এক সময় জানালার সাথে মাথা ঠেকিয়ে ঘুমিয়ে যায়। রাত ১: ২০ মিনিটে তাহিনের ঘুম ভাঙে।সবাই তখন গভীর ঘুমে।তাহিন ব্যাগ থেকে পাতলা চাদর বের করে নিনিতাকে কাছে টেনে বুকে জড়িয়ে ধরে।নিনিতার মাথা তাহিনের বুকে।নিনিতা ঘুমের ঘোরে তাহিনের বুকে নাক দিয়ে ঘষা দেয়।তাহিন তখন শক্ত হয়ে বসে থাকে।তারপর আস্তে আস্তে নিনিতার মুখটা উপরে তোলে।তারপর নিনিতার গালে ঠোঁট ছোঁয়ায়।তাহিনের মনের মাঝে একপ্রকার তরঙ্গ সঞ্চার ঘটে।ও নিনিতার চোখে-মুখে-নাকে ঠোঁট ছোঁয়ায়।পুরো মুখে দশ পনেরটা চুমু দিয়ে নিনিতাকে বুকের সাথে চেপে রাখে। তাহিন মনে মনে বললো, ___"জীবনে তো আর কম পাপ করিনি।এর থেকে মারাত্মক পাপ করেছি।তবুও এটাকে ভয়ংকর বলে মনে হচ্ছে।" কথাটা বলে নিনিতার কপালে চুমু দিলো।তারপর তাহিন চোখ বুজে রইলো। . . চলবে,,,,,,,

@Raiyan

এক্স জিফ EX গার্লফ্রেন্ড যখন বস পর্ব_০২ এ কথা বলে আমি হাটা দিলাম, ফারিয়া কান্না করছে আর আমাকে ডাকতেছে, আমি কিছু না বলে চুপচাপ হাটতে লাগলাম। সেদিন ফারিয়া আমাকে অনেকবার কল দিয়েছিলো কিন্তু আমি ধরিনি। পরে ওর নাম্বার ব্লক দিয়ে দিলাম। আসলে আমিও ফারিয়াকে অনেক ভালোবাসি। কিন্তু এই ভালোবাসা ফারিয়াদের পরিবার কখনো মেনে নিবে না। কারণ ফারিয়া হচ্ছে ধনী পরিবারের মেয়ে। তার দাদার অনেক নাম ডাক। আমার মতো গরিব ছেলের কাছে জীবনেও ওদের মেয়ে তুলে দিবে না। এছাড়া আমারও কোনো চাকরী বাকরী নেই। টিউশনি করিয়ে নিজের পড়ালেখার খরচ নিজেই চালাই। আবার বাড়িতে পাঠাতে হয়। ঘরে বাবা মা অসুস্থ এবং ছোট বোনটার পড়ালেখার খরচ চালানো। সব কিছু মিলিয়ে ফারিয়াকে বিয়ে করা জীবনেও সম্ভব নয়। তারচেয়ে ভালো, ও ওর মতো থাক, আমি আমার মতো। ফারিয়া আমার ছেয়ে ভালো কোনো ছেলেকে বিয়ে করতে পারবে। আমাকে বিয়ে করা মানে নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারা। সব দিক দিয়ে চিন্তা করলাম ফারিয়ার সাথে আর রিলেশন continue না করাই উচিত। সেদিন আমিও অনেক কেঁদেছি, কিন্তু পরিবারের কথা চিন্তা করে পাথর হয়ে গেছি। এখনো ফারিয়াকে ভালোবাসি, কিন্তু এখন আর কিছুই করা সম্ভব নয়। অনেক কষ্টে চাকরিটা পেয়েছি। কিন্তু সেটাও দেখি ফারিয়াদের কোম্পানি। কি আছে কপালে আল্লাই ভালো জানে। পুরনো কথা গুলো ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে গেছি মনে নেই। পরের দিন শুক্রবার ছিলো, তাই অনেক দেরি করে ঘুম থেকে উঠলাম। আয়মানকে কল দিলাম... আমিঃ হ্যালো দোস্ত কি অবস্থা? আয়মানঃ এইতো আছি, তোর কি অবস্থা? আমিঃ মোটামুটি, বিকালে দেখা করিস কথা আছে। আয়মানঃ বিকালে আমাদের বাসায় চলে আসিস, বাইরে যাবো না আর আম্মাও তোকে আসতে বলেছে। আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে আসবো। আয়মানঃ ওকে। এরপর দুপুরে নামাজ পড়ে খাওয়া দাওয়া করে একটু ঘুমিয়ে নিলাম। বিকালে আয়মানদের বাসায় গেলাম... কলিংবেল বাজালাম, একটু পর আন্টি এসে দরজা খুলে দিলো... আন্টিঃ আরে অনি! কতো দিন পর আসলে। আসো আসো ভিতরে আসো। আমিঃ তো আন্টি কেমন আছেন? আন্টিঃ এই তো আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। তুমি কেমন আছো? আমিঃ জ্বি আমিও ভালো আছি। আয়মান কোথায়? আন্টিঃ ও ছাদে আছে, যাও উপরে যাও। এরপর আমি উপরে গেলাম। দেখলাম আয়মান বসে বসে গান শুনতেছে... আমিঃ কিরে কি করিস? আয়মানঃ কিরে আসছিস? এই তো বসে আছি। আমিঃ হুম মাত্র আসলাম। আয়মানঃ তো বল আর কি অবস্থা? আমিঃ তোর সাথে কিছু কথা ছিলো। আয়মানঃ তো বল! এতো অনুমতির কি আছে? আমিঃ আমি যে তোকে আগে আমার gf. এর কথা বলতাম মনে আছে? আয়মানঃ হুম, তুই যে কোনো কারণ ছাড়া ব্রেকআপ করে দিলি ওটা? আমিঃ হুম ওটা। আয়মানঃ তো এখন কি হইছে? আমিঃ তোকে যেই ফারিয়ার কথা বলতাম সেই ফারিয়াই হচ্ছে আমাদের বর্তমান বস। আয়মানঃ কিহ! তুই কি সত্যি বলছিস? আমিঃ হুম। আয়মানঃ তাহলে তো ভালোই, এখন আনার রিলেশন continue কর। অফিসের মালিক তুই হয়ে যাবি। আমিঃ তুই কি পাগল, আমার চাকরি থাকে কিনা সেটা নিয়ে চিন্তায় আছি। আর তুই বলছিস রিলেশন করতে। আয়মানঃ ফকিন্নি তখন ব্রেকআপ করলি কেন? এবার মজা বোঝ। আমিঃ আরে ব্যাটা ইচ্ছা করে করছি নাকি, ওর ভালোর জন্যই তো করছি। দোস্ত যদি চাকরিটা চলে যায়। আয়মানঃ আরে তুই পাগল নাকি, চাকরি কি বললেই চলে যাবে। দেখনা কি হয়। আমিঃ হুম, মনে হয় না বেশি দিন টিকবে। আয়মানঃ সেটা পরে দেখা যাবে। আগে নিজেকে স্টিল রাখ। আমিঃ হুম। সেদিন আয়মানদের বাসা থেকে আসতে অনেক রাত হয়ে গেছে। বাসায় এসেই ঘুমিয়ে পড়লাম। পরের দিন ঘুম থেকে উঠতে অনেক দেরি হয়ে যায়, উঠে দেখি অলরেডি ৯.০০ টা বেজে গেছে। তাড়াতাড়ি রেড়ি হয়ে অফিসে গেলাম। প্রায় ১০.০০ টা বাজে। মোবাইল নিয়ে দেখি আয়মান অনেক গুলো কল দিছে। silent মুড থাকার কারণে ধরতে পারিনি। যাওয়ার পর আয়মান বললো... আয়মানঃ কিরে এতো দেরি কেন? তোকে ম্যাম ওনার রুমে যেতে বলেছে। আমিঃ কেন বলেছে কিছু জানিস? আয়মানঃ মনে হয় দেরি করে আসছিস তাই। গিয়ে দেখ। আল্লাহ মোরে রক্ষা করো, চাকরিটা বাঁচাও। আস্তে আস্তে উনার রুমের কাছে গেলাম। আমিঃ ম্যাম আসবো? ফারিয়াঃ হুম আসুন। কি কপাল মাইরি, যাকে প্রতিদিন ঠ্রেড দিতাম, তুই তুকারি করতাম, কথায় কথায় রাগারাগি করতাম আর আজ মাইনক্যা চিপায় পড়ে ওরের আপনি করে বলতে হচ্ছে। তারপর আমি ভিতরে গেলাম, একটা চেয়ারের পাশে দাঁড়িয়ে আছি। ম্যানেজারও সেখানে ছিলো। ফারিয়াঃ রফিক (ম্যানেজার) সাহেব! উনাকে কাগজটা দেন। ম্যানেজার আমাকে একটা কাগজ ধরিয়ে দিলো। শেষ পর্যন্ত চাকরিটা চলে গেলো। মা বাবার চেহারা গুলো চোখের সামনে ভাসতে লাগলো। আমি ভয়ে ভয়ে কাগজটা পড়তে লাগলাম, পড়েই আমার চোখ কপালে উঠে গেলো। কারণ আমাকে ফারিয়ার সেক্রেটারি বানানো হলো, সব সময় উনার সাথে থাকতে হবে। কিন্তু কেন এটা করলো বুঝতে পারলাম না। মন খারাপ হয়ে গেলো। কাগজটা নিয়ে বেরিয়ে আসলাম, আয়মান জিজ্ঞেস করলো... আয়মানঃ কিরে কি বলেছে? আমিঃ (কাগজ টা ওর হাতে দিলাম) আয়মানঃ বাহ! তোর তো প্রমোশন হয়েছে। বিকালে ট্রিট দিবি। আমিঃ নারে দোস্ত, আমাকে সেক্রেটারি বানাইছে মানে কোনো কাহিনী আছে। তুই ও কে ছিনিস না। ও ঠিকই প্রতিশোধ নিবে। আয়মানঃ আরে ব্যাটা তোর মাথায় এগুলো ছাড়া ভালো কোনো চিন্তা আসেনা। কিছু করবে না। চুপচাপ কাজ কর। এরপর কাজ শুরু করে দিলাম.. একটু পর পিয়ন এসে বললো.. পিয়নঃ ম্যাম আপনাকে ডাকছে? আমিঃ কেন? কাজ করতেছি ম্যাম দেখতেছে না? পিয়নঃ কেন সেটা ম্যাম কে জিজ্ঞেস করেন। আমিঃ ওকে যাচ্ছি, আপনি আসতে পারেন। একটু পর ফারিয়ার কাছে গেলাম.... আমিঃ ম্যাম ডেকেছেন? ফারিয়াঃ হুম, আপনাকে আমার প্রাইভেট সেক্রেটারি বানানো হয়েছে। আজকে তেমন কোনো কাজ নেই। কাল সকালবেলা আমার বাসার সামনে থাকবেন। আমিঃ কিন্তু ম্যাম আমার কাজ তো অফিসে। ফারিয়াঃ ভুলে যাবেন না আপনি আমার সেক্রেটারি। সো যেটা বলেছি সেটা। আমিঃ ওকে ম্যাম। পরের দিন ফারিয়াদের বাসার সামনে গেলাম। চলবে........

@Raiyan

montir cele গল্প: #মন্ত্রির_ছেলে : লেখক: raiyan : part:1 : কলেজে ঢুকবো এমন সময় পিছল থেকে মিম ডাক দিল। মিম:এই তোমাকে না বলেছি কলেজে আসতে না? আমি:জি,কলেজটা আপনার বাবার না। মিম:তোমার সাহস তো মন্দ না? আমি:এখানে সাহসের কি হলো? মিম:তুমি জানো আমি কে? আমি:না,আর জানার চেষ্টাও করি না। মিম:কি?এত বর কথা।আজি তুমাকে এই কলেজ থেকে বের করব!দারাও আমি:হা হা হা!!জান জান মিম রাগে ফুসতে ফুসতে প্রিন্সিপালের রুমের দিকে গেল।অহ!আমার পরিচয়টাই ত দেওয়া হই নাই।আমি আহাদ আর ও মিম।ভার্সিটির প্রথম থেকেই আমার সাথে এরকম করে কিন্তু বেশি কিছু করে না।ওর বাবা পুলিশ কমিশনার আর ও একটু বেশি শুন্দর তাই অহংকার সাথে ভাব একটু বেশি।অনেক প্রপোস পেয়েছে কিন্তু acpt করে না।বেশি distrub করলে নাকি ওর বাবাকে দিয়ে শাহেস্তা করে। আমি দেখতে স্মার্ট কিন্তু থাকি খেত হয়ে।এই কারনে ও আমাকে দেখতে পারে না।এরই মধ্যে পিওন এসে বলে গেল প্রিন্সিপাল আমাকে ডেকেছেন।তাই উনার রুমের দিকে গেলাম: আমি:may I come in,sir? প্রিন্সিপাল:ys,come in. আমি:স্যার,আমাকে নাকি ডেকেছিলেন? প্রিন্সিপাল:হুম আমি:কিসের জন্য? প্রিন্সিপাল:তুমি নাকি মিম কে distrub করো? আমি:জি না,তিনিই আমার সাথে আগে কথা বলতে আসেন প্রিন্সিপাল:ওকে,nxt যদি শুনি তুমি মিমকে distrub করসো তাহলে তোমাকে t.c দিয়ে বের করে দিব আমি:ঠিক আছে প্রিন্সিপাল:এখন তুমি আসতে পার আমি:ওকে চলে আসলাম।আমার সাথে মিমও বের হলো।বাহিরে এসে: মিম:তা মি.আহাদ,কেমন দিলাম? আমি:ভালো মিম:এরপর থেকে জেন আমার সামনে না দেখি আমি:চেস্টা করবো চলে আসলাম বারিতে।ফ্রেশ হয়ে খাবার খেতে গেলাম। তখন: বাবা:আমার গুনধর ছেলে,আর কত দিন এইভাবে চলবে? আমি:কি কত দিন চলবে? বাবা:এই খেত হয়ে থাকা বাবা:তুমি তো জানও আমার এরকম থাক্তেই ভাল লাগে বাবা:তা তো জানি।কিন্তু সবাই কি বলে জানিস?আমার নাকি টাকা নাই হইয়া গেছে ভাইয়া:হুম।ওকে একদম বাজে দেখা জায় আম্মু:ওটাই ভাল।কোন মেয় নজর দিবে না ভাবি:আম্মা,এখনকার ছেলেরা এরকম হয় নাকি,যে রকম আমার দেবর আমি:তোমরা কি শুরু করলে?১ মাস পর থেকে সব চেইঞ্জ করে ফেলব খাবার খেয়ে রুমে চলে আসলাম।আপনাদের তহ আমার পরিবার সম্পকে কিছু বলা হয় নাই।আমার পরিবারে মা- বাবা,ভাইয়া,ভাবি,ভাতিজা আর আমি।বাকিটা পরে জানতে পারবেন।তারপরের দিন কলেজে গেলাম।গেট দিয়ে ঢুকতে জাবও তখনি খেলাম ধাক্কা।তাকিয়ে দেখলাম মিম।তারপর: ★ চলবে.......

@Raiyan

ভিলেন #ভিলেন #পার্টঃ২৮ #লেখনীঃ Gazi Snigdha Hossain আকাশকে না বলেই মেঘলা নিরবের কাছে চলে গেল. নিলিমাও মেঘলার পিছু পিছু গেল। নীরবঃ এসবের কি দরকার ছিল মেঘলা... হাসপাতাল থেকে ত খাবার দিতই... মেঘলাঃ আমি থাকতে হাসপাতালের খাবার কেন খাবে? আমি বুঝি তোমার কেউ নই.. নীরবঃ কেউ নও মানে? তুমিই তো আমার সব..আমার সবচেয়ে আপনজন। মেঘলাঃ মানে... নীরবঃ বাড়ে...তুমি ত আমার বউ.. ১০ টা না ৫ টা না ১ টাই বউ আমার। কথাটা শুনে মেঘলা একটু বিচলিত হয়ে গেল। নীরব ব্যাপার টা বুঝতে পেরে হা হা করে হেসে মেঘলাকে চিন্তা মুক্ত করার চেস্টা করতে লাগল, নীরবঃ আরে মেঘলা কি চিন্তা করছো...??? আমি ত মজা করছিলাম আমি খুব ভাল করেই জানি, আমি হাজার চাইলেও তুমি কখনও আমার হবে না কারন তুমার মনে আকাশ বাস করে তাই আমার সেখানে কো৷ জায়গা নেই আর আমি সেখানে ঢুকতেও চাই না তোমাকে আমার ভাল লাগে এটা সত্যি কিন্তু তুমার বিরুদ্ধে গিয়ে কখনো কোন দাবি করব না তুমি আমার খুব ভাল একজন বন্ধু এর বেশি কিছু না ঠিক আছে? এবার ত একটু হাসো প্লিজ। মেঘলাঃ এমন মজা কেউ করে আমি তো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। নীরবঃ থাক থাক আর ভয় পেতে হবে না... মেঘলাঃ তুমি তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও তো আমাকে যেতে হবে।ভাইয়া অসুস্থ জানই তো। নীরবঃ আচ্ছা তুমি রেখে যাও আমি খেয়ে নিব। মেঘলাঃ রেখে যেতে হবে কেনো এখনী খেয়ে নাও না.. নীরবঃ আমি মানে... আসলে আমার হাতে ত বেন্ডেজ মেঘলা আমি কি করে খাব? মেঘলাঃ তারমানে তুমি কাল থেকে কিছু খাও নি? নাবিলঃ না মানে আসলে... আমার পরিচিত কেউ এখানে নেই ত তাই আর কি...তুমি রেখে যাও আমি অফিসের কোম স্টাফ কে আসতে বলি, আসলে আসলে খেয়ে নিব... মেঘলাঃ কে কখন আসবে সেই আশায় বসে থাকবে .??? নীরবঃ আচ্ছা দাও আমি খাচ্ছি. হাতের বেন্ডেজ খোলার চেস্টা করতে করতে বলল নীরব... মেঘলাঃ আরে আরে কি করছ...?? নীরবঃতুমি রান্না করেছো আর আমি সেটা খাব না তা কি করে হয় তুমি দাও আমার যত কষ্টই হোক খাব। মেঘলাঃ আরে থামো খেতে হবে না... নীরবঃ না না তুমি কষ্ট করে রান্না করেছো... মেঘলাঃ তুমাকে না খায়িয়ে আমিও যাব না কিন্তু তার জন্য তোমার বেন্ডেজ খুলতে হবে না। আমার কি হাত নেই নাকি? নীরবঃ মানে..?? মেঘলাঃ তোমাকে আমি খায়িয়ে দিব.. নীরবঃ কিন্তু... মেঘলাঃ একটু আগেই ত বললে আমরা ভাল বন্ধু তাহলে বন্ধু কি বন্ধুকে খায়িয়ে দিতে পারে না? নীরবঃ অবশ্যই পারে মেঘলাঃ হুম এখন আর কথা না বাড়িয়ে খেয়ে নাও তাড়াতাড়ি। মেঘলা নিজের হাতে নীরবকে খায়িয়ে দিল। ততক্ষনে নিলিমা তা ফ্রেমবন্দী করতে ভুলে নি... মেঘলা বাসায় ফিরার আগেই...নিলিমা ফিরে এলো নিলিমা আকাশের ঘরে গেল। নিলিমাঃ আসতে পারি.. আকাশঃ মানা করলেও আসবে জানি, তাই ভনিতা না করে যা বলার আছে বলে ফেলো নিলমা; তুমি হেরে গিয়ে ছো আকাশ মেঘলা... আকাশঃ আমার চোখ আছে মেঘলা যে বাইরে গিয়েছস সেটা দেখেছি. .. নিলিমা মেঘলার আর নাবিল একটা ছবি দেখিয়ে বলক, নিলিমাঃ কিন্তু এটা নিশ্চুই দেখ নি .. আকাশ ছবিটা দেখে বলল তুমি এখন যাও নিলিমা.. নিলিমাঃ যা করার করে ফেলেছি বাকি টা আকাশ নিজেই করবে আজ তো তুমার কপালে দুঃখ আছে মেঘলা ভাবতে ভাবতে নিলিমা চলে গেল। কিছুক্ষন পরেই মেঘলা চলে আসল.. মেঘলা এসেই আকাশের ঘরে গেল... আকাশ চুপচাপ বসে আছে... মেঘলাঃ তুই বসে আছিস কেন ভাইয়া ডাক্তার তোকে বেড রেস্টে থাকতে বলেছে... আকাশ খুব শান্তভাবে বলল সেটা তোর না ভাবলেও চলবে... মেঘলাঃ কিছু কি হয়েছে...?? আকাশঃ না কিছু হয় নি তুই এখান থেকে যা মেঘলা মেঘলাঃ তোর মন খারাপ কেন..?? আকাশঃ ক্ষুদা পেয়েছে তাই, মেঘলাঃ আমি এখনী খাবার নিয়ে আসছি। মেঘলা গিয়ে খাবার নিয়ে আসল... আকাশঃ খায়িয়ে দে... মেঘলাঃ তুই আমার হাতে খাবি... আকাশঃ এক কথা বারবার বলি না আমি খায়য়ে দিতে না চাইলে যেতে পারিস জোর করব না। মেঘলাঃ কেন দিব না অবশ্যই দিব এই নে খা... আকাশ মেঘলার দিকে তাকিয়ে খাবার টা মুখে নিল.. মেঘলাঃ এভাবে তাকিয়ে আছিস কেন..?? কথাটা বলার সাথে সাথেই আকাশ মেঘলার হাতে কামড় বসিয়ে দিল... মেঘলাঃ আহ... কি করছিস আমার লাগছে ত ছাড় ভাইয়া... আকাশের কানে যেন মেঘলার কথ ঢুকছে না।সে হাতে কামড় দিয়ে ধরে আছে... মেঘলা ব্যাথা সহ্য করতে না পেরে কেঁদে দিল।আকাশ এবার হাত টা ছেড়ে বলল,আমার ঘর থেকে বের হ ..আর কখনো আমার ঘরে আসবি না আমি তোর মুখ দেখতে চাইনা। মেঘলা আকাশের আচারনে অবাক হল হাতে প্রচুর ব্যাথা হচ্ছে তবুও সে ব্যাথা যেন মেঘলাকে ছুতে পারল না কারন সে আকাশের চিন্তায় ব্যাস্ত। আকাশ মেঘলার ধ্যান ভাংগিয়ে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিল... সেই থেকে আকাশ মেঘলার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে...মেঘলা অনেক চেষ্টা করেও কথা বলতে পারল না... কেটে গেছে অনেক গুলি দিন নীরব ততদনে সুস্থ হয়ে গিয়েছে আকাশের হাত ও ভাল হয়ে গিয়েছে কিন্তু আকাশ মেঘলার সাথে কথা বলে নি।এই কয় দিনে ভিলের কথা ভুলেই গিয়েছে, প্রতিদিনের মত মেঘলা আজও নির্ভয়ে ঘুমিয়েছিল, এর মধ্যে সেই ভিলেনেরও আগমন ঘটে নি কোনদিন। তবে আজকের ব্যাপার টা প্রতিদিনের মত ঘটল না মেঘলা ঘুমাচ্ছিল হঠাৎ কেউ মেঘলাকে টেনে তুলল। মেঘলা ঘুম ঘুম অবস্থায় ঠিক বুঝতে পারল না কি হচ্ছে।চোখ খুলে কিছু বোঝার আগেই ছেলেটি মেঘলার মুখ আর হাত বেঁধে দিল। ছেলেটিঃ ছটফট করে লাভ নেই এর আগেও নিয়ে গিয়েছি এবারো নিয়ে যাব বাঁধা দেয়ার চেস্টা করে নিজের কষ্ট বাড়িও না।কথার অবাধ্যতা আমার পছন্দ না।বলেই ছেলেটি মেঘলাকে কোলে তুলে নিল। মেঘলা কিছু বলতে পারছে না কিছু করতেও পারছে না। শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখ দেখছে, ছেলেটি মেঘলাকে কোলে নিয়ে নির্ভয়ে বাসার মেইন দরজা দিয়ে বের হল... মেঘলাঃ এর ভাব ভংগী দেখে ত কোনভাবেই মনে হচ্ছে না যে তার মনে কোন প্রকার ভয় আছে.. কারোর বাসায় এসে এভাবে কি করে এসব করছে? তাকে কেউ দেখে ফেলার ভয়ও কি করে না? এত নির্ভয়ে বাইরের কেউ কি বাসায় ঢুকতে পারবে তাও একটা মেয়েকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে এত সাহস..?? তাহলে কি ও কি আমার বাসারেই কেউ? ছেলেটি মেঘলাকে নিয়ে গাড়িতে বসিয়ে দিল... মেঘলাঃ এবার ছটফট করছে... ছেলেটিঃউফফ শুরু করে দিলে?আচ্ছা খুলে দিচ্ছি কি বলবে বলো... ছেলিটি মেঘলাকে সীট বেল্ট পড়িয়ে দিয়ে মুখ খুলে দিল তবে হাত বাঁধা.. মেঘলাঃ আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন ছাড়ুন বলছি আমি কিন্তু চেঁঁচাব... ছেলেটিঃ আমাকে ভয় দেখাতে চাইছ ব্যাপার টা হাস্যকর। ছেকেটি ড্রাইভ করছে মেঘলা বাঁচাও বাঁচাও বমে চেঁচাচ্ছে কিন্তু গাড়ির গ্লাসে জন্য আওয়াজ বাইরে বের হচ্ছে না। । । । চলবে..!!! (আজকে পার্ট দিতে চাই নি কিন্তু অনেকেই রিকুয়েষ্ট করেছেন তাই দিয়েছি কি লিখেছি নিজেই জানি না তাই আজ ভুল ধরে বা পর্ব ছোট বলে লজ্জা দিবেন না প্লিজ)

@Raiyan

Devil husband Devil Husband💗 part_16 _সিনহা গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়ায় ইমরান সিনহার হাত ধরে সিড়ি বেয়ে দোতলায় উঠে একটা নার্সকে জিজ্ঞেস করে ঐ ছেলেগুলো কোন কেবিনে সিনহা কিছু বলছে না শুধু ইমরানের কাজকর্ম দেখছে ইমরান সিনহাকে নিয়ে একটা কেবিনে প্রবেশ করে,কেবিনে প্রবেশ করেই সিনহার চোখ কপালে সিনহা অবাক হতবাক সিনহা নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছে না যেসব ছেলেগুলো সিনহাকে ডিস্টার্ব করতো তাদের পুরো হাত পায়ে ব্যান্ডেজ করা যে ছেলেটা সিনহাকে হুমকি দিয়েছে সেই ছেলের হাত পা কপালে গালে সব জায়গায় ব্যান্ডেজ, দেখে বুঝা যাচ্ছে গনধলায় এর উপর দিয়ে গেছে সিনহা ভয় সাথে অবাক দৃষ্টিতে ইমরানের দিকে তাকায় _তোমাকে যে ছেলেটা হুমকি দিয়েছে,তাকে তোমার জুতা দিয়ে ঠাস ঠাস করে দুইটা থাপ্পড় মারো সিনহা ইমরানের কথা শুনে অবাক হয়,এই ছেলে তো এমনিতেই আধমরা হয়ে আছে,একে আর কি মারবো সিনহা ইমরানকে কিছু বলতে যাবে তার আগেই ইমরান বলল _ভুলেও মাফ করে দেওয়ার কথা বলবে না,ওরে জুতা দিয়ে মারতে বলছি মারো নাহলে সেই জুতার বারি তুমি খাবে(রাগী সুরে) (শালারপুত ডেভিল বলে কী,আমাকে নাকি জুতা দিয়ে মারবে না ভাই আমি জুতার বারি খেতে পারবো না, মান ইজ্জতের ব্যাপার তার থেকে এই ছেলেটাকেই মেরে দি) _কি হলো মারো(ধমক দিয়ে) -মারছি তো,ধমক দেওয়ার কী আছে আজব সিনহা তার জুতা হাতে নিয়ে ছেলেটার কাছে আসে ছেলেটাকে ফিসফিস করে বলে _কীরে ভাই তুই না আমাকে ভালোবাসবি,এখন দেখি কেবিনে শুয়ে আছিস,এটাই বুঝি তোর ভালোবাসা,ধিক্কার জানাই তোর ভালোবাসাকে সিনহা বিসমিল্লাহ বলে জুতা দিয়ে ঠাস ঠাস করে ছেলেটার গাল বরাবর দুইটা থাপ্পড় মারে সাথে সাথে গাল দিয়ে টুপটুপ করে রক্ত পড়া শুরু হয়ে গেলে সিনহা এসে ইমরানের সামনে দাঁড়ায় -রক্ত পড়ছে তো _পড়ুক সমস্যা নাই,কিন্তু বাব্বাহ,তোমার শরীরে দেখি অনেক শক্তি -হি সিনহা সরাসরি ইমরানকে কিছু বলে না কিন্তু মনে মনে ঠিকি বলে, কচুর শক্তি আছে আমার যেদিন এক লাত্থি দিয়ে তোরে উগান্ডায় পাঠাবো,সেদিন মনে করবো আমার শক্তি আছে -চলো যাওয়া যাক _আই Have এ Deep প্রশ্ন _তো এতো ঢং করার কি আছে তুমি ইংরেজি পারো সেটা বললেই হই _আরে মিয়া রাখেন এইসব ছেলেগুলোকে কেনো মারছেন আগে সেটা বলেন _আমার তো বক্সিং খেলার অনেক শখ,তাই এদেরকে মেরে রিয়ের্সাল করছি(রাগী সুরে) _আবে হালা চেতস কা(সিনহা মুখ হাত দিয়ে ফেলে,মুখ ফসকে ও কি বলে ফেলল ইমরানকে) _কীই আমি হালা,আবার তুই করেও বলা হচ্ছে(রাগী সুরে) _আপনাকে বলি নাই,সত্যি _তো কাকে বলছো _আমাকে,হিহি -আসলেই তুমি একটা হালা সিনহা এই কথা শুনে রাগে ফসফস করতেছে (শালারপুত ডেভিলের বাচ্চা তোর মুখে জুতার বাড়ি😠) _চলো যাই -হাটেন আসতেছি ইমরান হাটা ধরলো,সিনহা ছেলেটার কাছে এসে বলল _ভাইরে ভাই ডেভিলটা খুবি ভয়ংকর ভুলেও আর আমার আশেপাশে ঘুরঘুর করস না,নাহলে পরেরবার মেরে মাঠি চাপা দিয়ে দিবে. চলবে. (সিনহার সাহস বাড়তেছে,বিয়ে হতে না হতে এই অবস্থা. :আবে হালা চেতস কা😂)

@Raiyan

গল্পটা তোমার #গল্পটা_ভালোবাসার💞💞💞 #সিজন_2 #পর্বঃ৩৪ "মিষ্টি মা আমাকে একটু হেল্প কর না। সকাল থেকে দুইটা কি যে সাজতাছে কে জানে। আমাদের একটু হেল্প কর না তুই। " "মা আমি কি হেল্প করবো। তোমরা আস্তে আস্তে করো।" আসলে আসার পর থেকে সিমা রোদের আশেপাশেই ঘুরঘুর করছে। তাই আমি ও সবসময় রোদের সাথেই ছিলাম কিন্তু এখন মা আমাকে কাজ করতে বলছে এবার কি হবে? এবার তো সিমা রোদের সাথেই আরো বেশি করে মিশে থাকবে। আর রোদ বান্দরটা ও কিছুই বলবে না। অসহ্য।,,,,, মা আমাকে কাজ দিয়ে বসিয়ে রাখছে। কিন্তু আমার মন তো ওইদিকে। কাজ কি আর হয়। কাজের বদলে অকাজ টাই বেশি করছি। তা দেখে মা আমাকে বললো, "মিষ্টি তুই কি করছিস এতোক্ষণ ধরে। একটা কাজ দিছি এই একটা নিয়েই পড়ে আছিস। এখনো কিছুই করতে পারলি না।" আমার মায়ের কথায় মেজাজ গরম হয়ে যাচ্ছে কিন্তু চুপ থেকে কাজটা কোন মতে করে দিয়ে চলে যেতে নিলে মা আরেকটা কাজ দিয়ে বসিয়ে রাখলো। কি একটা অবস্থা। এদিকে মাকে বলতে ও পারছি না আমি কিসের জন্য এমন করছি। অসভ্য রোদ তোরে আজকে আমি গরম পানিতে চুবামু খালি একবার বাড়ি যাইতে দে তারপর বুঝবি মজা! সব কাজ করার পর আমি বাইরে গিয়ে দেখি সিমা শাঁকচুন্নিটা আমার রোদের সাথে সেল্ফি তুলছে। তা ও বিভিন্ন রকমের স্টাইলে। আর প্রতিটা সেল্ফিতেই রোদের গা ঘেসে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে। সিমা আবার ও রোদের গা ঘেসে সেল্ফি নিতে যায় । আমার তো রাগ এবার চরমে উঠে গেছে। তাই আমি এক দৌড়ে সিমাকে ইচ্ছা করে ধাক্কা দিয়ে রোদের পাশে দাঁড়িয়ে বলি, "আমি ও তোমাদের সাথে সেল্ফি তুলবো। " সিমা আমার ধাক্কা খেয়ে সোজা মাটিতে পড়ে গেছে। সাথে ওর দামী ফোনটা ও। 😂,,,,,, রোদ সিমার পড়ে যাওয়া দেখে আমার দিকে তাকায়। তারপর জোরে জোরে হেসে দেয়। সিমা লজ্জায় চোখ মুখ লাল করে উঠে দাঁড়ায়। আর আমাকে বলে, "এটা কি করলা তুমি?" "ও সরি সরি। আমি তো বুঝতেই পারিনি তুমি পড়ে যাবে। আমি তো ভাবছিলাম তুমি খাম্বার মতো শক্ত করে দাঁড়িয়ে থাকবা। হাজার ধাক্কালে ও তোমাকে নড়াতে পারবো না। " "মজা করছো আমার সাথে তুমি?" "ইশ তোমার সাথে মজা করতে আমার বয়েই গেছে।" "তোরে ইচ্ছা মতো পিটাইতে পারলে শান্তি পেতে পারতাম আরকি।"(মনে মনে) "রোদ ভাইয়া তুমি হাসলা কেনো? আমাকে পড়ে যেতে দেখে তুমি আমাকে না তুলে হাসলে? " "কি আর করবে বলো তোমার ধপাস করে পড়ে যাওয়াটা দেখে যে কেউই হাসবে। আমি তো.... " "রোদ ভাইয়া।" "উফঃ! বারে বারে রোদ ভাইয়া, রোদ ভাইয়া করো কেনো তুমি? রোদ ভাইয়া ছাড়া কি চোখে কিছু দেখো না তুমি? " "😡" "চলো সেল্ফি তুলবা না। আসো আমি ও তুলবো।" সিমা আমার উপর রেগে গিয়ে ভিতরে চলে যায়। আর আমি রোদের দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে বলি, "আপনি আসলেই লুচু।" "কি বললা তুমি? তুমি আমাকে কি বললা?" "কানে শুনতে পান নাই। আরেকবার বলতে হবে নাকি?" "আমাকে তুমি লুচু বললা? " "এইতো ভালো শুনেছেন আপনি।" "তোমার আমাকে কোন দিকে লুচু মনে হয় হ্যাঁ।" "সব দিক দিয়ে। সকাল থেকে দেখছি আপনি ওই সিমার সাথেই মিষ্টি মিষ্টি করে কথা বলেই যাচ্ছেন তো বলেই যাচ্ছে। শুধু আজকে সকাল না যেই দিন থেকে ওই শাঁকচুন্নিটা বাড়িতে আসছে সেই দিন থেকেই দেখে আসছি। আর আজকে তো আমি এতো সুন্দর করে সাজলাম আপনি কিছুই বললেন না। উলটা আমাকে সব মুছে ফেলতে বললেন আর ওই সিমা সাজলো তো ও খুব সুন্দর লাগছে। কেনো হ্যা কেনো? আমাকে কি কম খারাপ লাগছিলো নাকি? তারপর ওই শাঁকচুন্নি আমাকে গাইয়া বললো আর আপনি সবটা শুনলেন । কিন্তু একটু কথা ও বললেন না। এখন আবার ওই সিমা আপনার গা একেবারে ঘেসে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছিলো আর আপনি ও সুন্দর করে ওর সাথে পোজ নিচ্ছিলেন। তো এতো কিছুর পর লুচু বলবো না তো কি বলবো আপনাকে হ্যাঁ। " একদমে পুরো কথাটা শেষ করি। তা দেখে রোদ বলে, "আস্তে আস্তে। একদমে এতো কথা বললে তো দম আটকিয়ে যাবে।" "😡" "আচ্ছা সিমা শাঁকচুন্নি হলো কবে থেকে?" "জানি না।" রোদ আমার কানে কানে ফিসফিস করে বললো, "তুমি কি সিমাকে হিংসা করছো?" "মোটেই না। আমি কেনো ওকে হিংসা করবো।" "তাহলে সিমাকে নিয়ে তোমার এতো প্রবলেম হচ্ছে কেনো? হুম " "আপনি না,,,আপনি,,,,আপনি আসলেই লুচু। " বলে ওখান থেকে চলে আসি। বিয়ের কথাবার্তা সব ঠিক হয়ে গেছে। আজকেই এংগেজমেন্ট হয়ে গেছে। নিরা আর তিশা তো সেই খুশি। আর আমি ও। যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব ওদের বিয়েটা হয়ে যাবে সিমা ও ততো তাড়াতাড়ি চলে যাবে। আর আমি নিশ্চিন্ত হবো। তারপর সবাই বাড়ি চলে আসি। এখানে এসে সিমা আবারো ন্যাকামি শুরু করে দিছে। "রোদ ভাইয়া তোমাকে খুব টায়ার্ড লাগছে। তুমি রুমে যাও আমি তোমার জন্য কফি আনছি।" "তুমি কেনো? মিষ্টি তুমি কফি নিয়ে এসো প্লিজ,,,। সিমা তুমি যাও ফ্রেশ হয়ে নাও। তোমাকে আনতে হবে না।" "হ্যাঁ আমি এক্ষুনি যাচ্ছি। " বলে আমি কফি আনতে গেলে সিমা আমাকে আটকিয়ে বলে, "রোদ ভাইয়া। আজকে আমি আনলে কি হয়? আমি তো কফি ভালোই বানাই। তুমি একবার আমার হাতের কফি খেয়ে দেখো তুমি আবারো খেতে চাইবে। আমি তোমার জন্য স্পেশাল কফি বানিয়ে আনছি। " রোদ বেশি কিছু না বলে শুধু "ঠিক আছে" বলেই চলে যায়। এদিকে আমি রাগে জ্বলে যাচ্ছি। রোদ টায়ার্ড সেটা আমার থেকে বেশি এই শাঁকচুন্নিটা খেয়াল রাখছে। অসহ্য। এখন আবার কফি ও খাওয়াতে চাচ্ছে। কতো খারাপ মেয়ে। আমি খাওয়াচ্ছি চা। দাড়া তুই,,,। সিমা কফি বানাচ্ছে। আমি লুকিয়ে লুকিয়ে সব দেখছি। কিন্তু আমি তো ভালো কফি কিছুতেই বানাতে দিবো না। তাই ওৎ পেতে আছি। কখন সিমা একটু সরবে আর আমি কিছু একটা করবো। কিন্তু ওই অসভ্য সিমা সরছেই না। আর আমি তার জন্য সিমাকে একশো বারোটা গালি দিয়েই যাচ্ছি। সিমা কিসের জন্য জানি রান্না ঘর থেকে বের হইছে। আর আমি সেই সুযোগে ভিতরে ঢুকে ভাবছি কি করা যায়। কিছুই মাথায় আসছে না। হাতের কাছে কফির বয়াম টা পেলাম। সাথে সাথেই কফি পাউডার অনেকগুলো মিশিয়ে দেই। আর সাথে তো লবন, চিনি সবই বেশি বেশি দিয়ে দিয়েছি। কালারটা কেমন একটা দেখাচ্ছে। এটা খেতে কি হইছে আল্লাহ্‌ই জানে। ইচ্ছা করেই এটা করেছি। একবার খেলে খালি খেতেই ইচ্ছা করবে তাই না। খাওয়া এবার তোর রোদ ভাইয়াকে। বেশি করে খাক। বেশি শক হইছে তাই না তোর হাতের কফি খাওয়ার। খাও ব্যাটা রোদ। বেশি করে খাও। বউয়ের হাতের কফি না খেয়ে কাজিনের হাতে কফি খাওয়ার শকটা পূরণ করো। সিমা আসছে তাই আমি আবার সরে গেলাম। সিমার দিকে তাকাতেই বুঝতে পারলাম ও ওর ঘরে গেছে লিপস্টিক লাগাইতে। লিপস্টিক লাগিয়ে সাজুগুজু করে রোদের রুমে যাওয়া না। আজকে তোর সাজুগুজু বের হবে অসভ্য বান্দরনী। সিমা ঢেং ঢেং করে নাচতে নাচতে রোদের রুমে গিয়ে মিষ্টি করে একটা হাসি দিয়ে রোদকে কফিটা দেয়। রোদ একটা থ্যাংকস দিয়ে কফিটা মুখে নিয়েই সবটা ফেলে দেয়। "রোদ ভাইয়া ফেলে দিলে কেনো? আমি এতো কষ্ট করে বানালাম। আর তুমি খেলে না। ফেলে দিলে।" "এটা কি বানিয়েছো সিমা তুমি?" "কেনো কফি। আমি তো রোজ এরকম কফিই খাই। আমার কাছে তো খুবই ভালো লাগে।" "হুম আসলেই খুব ভালো। আমি আর এই কফি খেতে চাই না। এতো ভালো কফি খেলে না আমি পাগলই হয়ে যাবো। " " তুমি কফিটা খাবে না।" এতোক্ষণ আমি লুকিয়ে লুকিয়ে শুনছিলাম। এখন আমি এসে বলি, "না গো। তোমার রোদ ভাইয়া তোমার স্পেশাল কফি খাবে না। ও আমার হাতের কফিই বেশি পচ্ছন্দ করে" বলে আমি রোদের দিকে আমার বানানো কফি এগিয়ে দেই।রোদ সেটা নিয়ে খাওয়া শুরু করে। আর সিমা,,,,,,,,,, চলবে...............