Brutal truth
দয়া করে শিরোনাম দেখেই মন্তব্য করতে আসবেন না, দুইটা মিনিট সময় থাকলে পুরোটা পরুন, নাহলে এড়িয়ে যেতে পারেন। Please do not comment by only seeing the title, if you have two minutes please read my whole article, otherwise you can avoid. ক্যান্সারে মৃত স্বামীর লাশ আনতে স্ত্রী গিয়েছিলেন ঢাকাতে। এদিকে বাড়িতে রেখে যাওয়া ৯ম শ্রেণীর কন্যা হিরা মণিকে দিনের আলোতে ধর্ষণ করে মেরে ফেলেছে একদল জানোয়ার। The wife went to Dhaka, Bangladesh to fetch the body of her husband who had died of cancer. Meanwhile, a group of animals, the so called human raped and killed Hira Moni, a class nine girl and left the body in her house in broad daylight. সেই মা চিৎকার করে বলছেন, "মালিক, আমি তো মা! আমার কথা শোন মালিক। দুনিয়ার আজাব দিসস, আরো দে। করোনা দিয়া এইগুলারে শেষ কইরা দে। ওরা আমার বুকটা খালি কইরা দিছে...." The mother shouts, God, I am mother! Listen to me, Master. This is a brutal world, please finish everything ,peoples who killed my daughter, you will please punish them! এই মহাররীর ভেতরও কিছু কাপুরুষ তাদের কাজ করে যাচ্ছে একইভাবে। চারপাশে এতো মৃত্যুর বিভীষিকা দেখেও তাদের মন গলতে পারেনি এতটুকু ও! প্রতি নারী দিবসে আমরা উপরের ছবিটার মতো বড় বড় বুলি আওড়ায় সর্বদা, নারী নির্যাতন নিপাত যাক! অথচ নিজেদের সন্তান দের মেয়েদের সম্মান করতে শেখাতে পারি না সামান্যতম!দেশের শিক্ষার হার বাড়ানোর উপর আমাদের যতো মনোযোগ তার ছিটেফোঁটা যদিও ছেলেমেয়েদের মানুষ এর মতো করে গড়ে তোলার পেছনে থাকতো! Even in this epidemic, some cowards are doing their work in the same way. Seeing so many horrors of death around, their minds could not melt little much! In Every Women's Day, we always utter big words like the picture above, let's destroy women's oppression! But We can not teach our children to respect women ! As much as our focus is on raising the rate of education in the country, even if we put some little concentration on our children to make them real human being! যুগ যুগ ধরে এমন বহু অন্যায়ের সাক্ষী থাকি আমরা, অন্যায় যে করে তাকে তো শাস্তি দিতে পারি না,বুক ফুলিয়ে তারা সমাজে ঘুরে বেড়ায়। এবার বোধহয় তাই প্রকৃতির শোধ নেয়ার পালা। সেই মায়ের মতো হাজারো ধর্ষিতা নারীর আর্তনাদ আমাদের কানে এসে না পৌছাতে পারলে ও মনে হয় প্রকৃতি ঠিকই শুনেছে এবার। ক্ষুদ্র অদেখা শক্তির কাছে অসহায় করে দিয়েছে আমাদের মানুষদের সব দম্ভ অহংকারকে। আমাদের বাঁচার কোন অধিকার নেয়। যাক, ধ্বংস হোক সবকিছু। We have witnessed of many such injustices for long long days , we cannot punish those who commit such injustices, they roam around the society as their wish. Now maybe it's nature's turn to take revenge. The cries of thousands of raped women like that mother could not reach our ears and it seems that nature has heard it this time. All the pride and arrogance of people has been helpless to the small unseen power. We,the human have no right to survive in this world anymore. Let everything be destroyed!
21 comments
Cannot agree with you. একটা নিউজ পোর্টালে দেখলাম মেয়ের মা ক্যান্সার আক্রান্ত বাবার চিকিৎসার জন্য ঢাকা গেসে। আরেক পোর্টালে দেখলাম ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া বাবার লাশ আনতে গেসে। এখন মানুষ মরা বাড়িতে কি কোন আত্মীয় থাকবেনা? দ্বিতীয়ত দেশের শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমে যাদের ধর্ষক বলে তারা ছিলো লক্ষ্মীপুর মডেল থানার ছিনতাই আসামী। আপনি থানার ফেসবুক পেইজে এইটা কনফার্ম করতে পারবেন। একটা এডভোকেট এর জরিপ দেখেছি যে যতগুলা সত্য নারী নির্যাতন মামলা আছে এর ছেয়ে ৮০% বেশি আছে মিথ্যা, হুমকিমূলক। তো ওই এডভোকেট এটাও বলেন যে একই কাহিনী ধর্ষনে।কিছু মিথ্যা মামলা আছে ধর্ষনের সেগুলার জন্য আসল গুলাও ধামাচাপা পড়ে। তবে হ্যা দেশে ধর্ষন আছে বেড়েছে। সেজন্য কি আমরাই দায়ী নয়? আমরা দেখেছি আমাদের নাম বাসায় নালিশ গেলে বাবা শাসন করে মারছিলো। কিন্তু এরপর? বর্তমানে সেগুলা আছে কী? টাকার অহংকারে ছেলে মেয়ের বাবা মার অহংকারে চলাফেরাও দায়। বাসায় বিচার নিলে উল্টা বিচারদাতাকে অপমানিত হতে হচ্ছে। পারিবারিক মূল্যবোধ নেই,শিক্ষা নেই। এছাড়া এদেশে বান্ধবীই সহায়তা করে ধর্ষনে। যেখানে নারীর কাছেই নারী নিরাপদ নয় সেখানে এগুলা হবেই। এজন্য আমি দায়ী করবো পরিবারকে। পরিবার শিক্ষা দিলে কেউ এমন কাজে সাহস পেতোনা।
দেশের এই অস্থিতিশীল পরিবেশে করোনা আক্রান্ত পরিবারের কেও মারা গেছে শুনে তাদের বাসায় অন্য কারো না আসাটাই তো স্বাভাবিক! আমার পরিচিত এক ছেলের বাবার করোনা,প্রায় মৃত্যুসয্যায়, তার সেই একমাত্র ছেলে বাবাকে নিয়ে হসপিটালে ছোটাছুটি করছে, মা ও বয়স্ক বিধায় একলা বাসায়, এখনকার পরিস্থিতিতে এটা তো খুব স্বাভাবিক, কোন নিকট আত্মীয় ও জেনে শুনে আরেকজন আক্রান্ত রোগীর বাসায় নিশ্চয় বেড়াতে যায় না! ধর্ষন এর হার বৃদ্ধির জন্য আমরাই যে দায়ী, পরিবারের মূল্যবোধই যে দায়ী, সে আলোচনাই আমি আমার লেখায় করেছি, দয়া করে ভালো ভাবে পড়ুন! আপনি বলতে চাচ্ছেন দেশের ৮০% ধর্ষন মামলা মিথ্যা,সাজানো! ভাই নিজের গায়ে কলংক কোন মেয়ে ইচ্ছা করে রটাই বলে আপনার ধারনা? স্যরি টু সে, বাট আপনার সাথে এই কথা বলার পর, আমার আর কথা বলার প্রবৃত্তি হচ্ছে না। ধর্ষনের এতো গুলো কারন থাকতে, আপনি কিনা ঘুরে ফিরে আলোকপাত করলেন ধর্ষিতার বান্ধবীর দিকে, না হেসে পারলাম না ভাই আপনার কথায়, ভাই কয়টা কেসে ধর্ষনের জন্য দায়ী থাকে বান্ধবী একটু বলবেন? ফিরে সেই সব দোষ সেই মেয়েদের উপরই! আর কোন কারন আপনার চোখে পড়লো না!
চোখে দেখা। থানার সাথে ভালো লিংক থাকায় জানতে পেরেছি আপু। ইবেন একটায় ক্রসফায়ার এও মরছে। জাস্ট পূর্বশত্রুতার জেরে মামলা। বাদ্দেন। নিজের এলাকায় না দেখলে বিশ্বাস করবেননা। এগুলা। যাই হোক আপনার থিম এর পক্ষে আছি। It's high time we have to stand againd Rape
জাস্ট পূর্ব শত্রুটার জোরে মা তার মেয়েকে ও কাওকে দিয়ে মেরে বাসায় ফেলে রেখে গেসে? তারপর কান্না কাটি করতেসে? হ্যা ভাই, দুনিয়ার কোন সংবাদ মাধ্যম, কেও কিছু জানি না, আপনি জেনে বসে আছেন। হ্যা ভাই বাদ্দেন!
অন্য কোন রিজনকে ফেলনাও বলিনাই। জাস্ট বললাম মেয়ের কাছেও মেয়ে নিরাপদ না। সেটায়।
ভাই বাসায় বাবার মাইরে কিছু হবে না, আমি পারলে ডিরেক্ট ক্রসফায়ার দিয়ে এসব জানোয়ার দের মেরে ফেলার পক্ষপাতী! দু একটা মরলে আর কেও সাহস পাবে না, দুইবার ভাববে এরকম কাজ করার আগে।
নিজের ভিতরে যদি মানুষত্ব বোধ জাগ্রত না হয় তাহলে কোন সমস্যার সমাধান হবে না। এর বেশি আমার কিছু বলার নাই।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি বিষয় তুলে ধরেছেন।
এই জিনিসটাই তো হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের মধ্য থেকে, আপানের এতো দম্ভ, অহংকার মানুষ হিসেবে, কিন্তু মানুষ ভুলে যায় সে শ্রেষ্ঠ জীব একারনেই যে, তার কাছে মনুষ্যত্ব, মানবিকতা, বুদ্ধি- বিবেকবোধ বলে যে অমূল্য সম্পদ আছে, সেটা আর কোন জীব থেকে নেয়।
কোন মানুষেরর যদি মনুষত্ব না থাকে, তাহলে হাজার বার বোঝানোর পরেও তার মনুষত্ব ফিরে আসবে না।তবে যার কেউ নাই,তার জন্য আল্লাহ্ আছেন।
আমার মনে হয় এটা সম্পুর্ন ভাবেই পারিবারিক শিক্ষার উপর ডিপেন্ড করে৷ বড় হবার পর মেন্টালিটি চেইঞ্জ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না আর, ছোটবেলা টাই উপযুক্ত সময় সন্তানকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য।
What a nice and effective topic it is! I liked your article. And i agree with you. Thank you so much for sharing a nice topic.
I am very disappointed by seeing this type of news everywhere, that's why i want to talk about this topic. Thank you dear, stay safe!
This really happens nowadays. Many rich and powerful people who hurt the weak ones are unpunished and still living their comfortable lives
I am really very depressed to see these type of people everywhere. Man lost his humanity. Even in this epidemic they do their own work As usual. They have no fear of god.
খুব খারাপ এই নিউজ টা যে এই মহামারী তেউ ধর্ষণ চলছে।ছি ছি।।।কোথায় মানুষ এর মনুষ্যত্য। ধন্যবাদ আর্টিকেল টা লেখার জন্য
Please be careful about you spelling when YOU want to write something, yes i felt very disappointed when i heard this news, i can't imagine how man could be so brutal to other man.
এখনের যুগে নির্মম সত্য হচ্ছে নারী নির্যাতন।সবচেয়ে বেশি হচ্ছে এটা এখন।ছোট ছোট শিশুরাও বাদ যাচ্ছেনা এই নির্যাতন থেকে।কতটা খারাপ হলে মানুষ এটা করতে পারে।
একটা বাচ্চার মন মানসিকতা গঠনে প্রথম শিক্ষক হচ্ছে তার পরিবার। যেখানে বেশিরিভাগ পরিবারের মায়েরা সবসময় হিউমিলেট হয় বাকি সদস্যের দাঁড়া, আর ছেলেমেয়েরা এটা দেখেই বড় হয়, সেখানে তারা অন্য মেয়েদের সম্মান করতে কিভাবে শিখবে।
ঘটনাটি সত্যি খুবই জঘন্য একটা ঘটনা। মানুষ দিন দিন পশুতে পরিণত হচ্ছে। যাদের শিকারে পরিণত হচ্ছে ছোট ছোট বাচ্চারা।
খুব খারাপ লেগেছে আমার এ খবরটি শুনে৷ এ দেশে কেউ নিরাপদ না। এভাবে প্রতিদিন মনে ভয় নিয়ে বেঁচে থাকা কষ্টকর।
আমরা আর মানুষ হইতে পারলাম না। যতদিন প্রকাশ্যে এদের শাস্তি দেওয়া হবেনা ততদিন এই সমস্ত কাজ বন্ধ হবে না। তাদের প্রকাশ্যে গুলি করে মারা উচিত।