Philosophy3
৮৩
w
1 তে হলে। এাকে শে পন নে।, ৰে একটি করে।
অপর প্রক্রিয়াটি
ww fe ence wo f R FGA C
F p eww spre woe a T. F
ত প্রখমে একটি করেT, Fদিয়ে যেতে হলে।
এরপর তার বামদিকের
ন শেট খিন অ্থৰ দুটি করে T, Fদিতে হবে।
একইভাবে বামলিকে
ece wdcB e T, F-48
1.Fদিয়ে গেতে হলে। একৰে সর্ববামের অর্থাৰ প্রথম উপাদান বচনে T, F-
মাে সি প্রথয় অর্ধেক T এবং শেষ অর্ধেক F।
এককথায় যেভাবেই
কর হাক ন কেন বিষয়টি পাড়াৰে এমন যে,..
উতয়ক্ষেত্রেই প্রথম
লে মােট লবিৰ প্রথম অর্ধেক T ও শেষ অর্ধেক F
হবে এবং শেষ উপাদান
লে সরিতে প্যরমে একটি করে T, Fহবে।
সারণীতে T, F এর এরূপ
Logic3
। আর ২ দ্বারা এই দুটি মানসংখ্যাকেই বােঝানাে
হয়েছে। অন্যদিকে n বলতে বােঝনে
হয়েছে উপাদান বচনের সংখ্যাকে (Number of
proposition), যাকে ২-এর শক্তি
হিসেবে ধরে সারির সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে।
সূত্রটিকে একটি সমীকরণের সাহায্যে প্রকাশ
আগেক্ষকের উপাদান বচন।
এর
করলে এর আকারটি হবে নিম্নরূপ ও
সারি সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র ঃ
২: মানসংখ্যা x n উপাদান বচনের সংখ্যা = সারিসংখ্যা। সেক্ষেত্রে উপাদান
বচনের সংখ্যাকে ২-এর শক্তি হিসেবে ধরে উপর্যুক্ত সূত্র প্রয়ােগে আমরা সারিসংখ্যা নির্ধারণ
করতে পারি এভাবে-
মান ও উপাদান বচন
সমীকরণ
২
সারিসংখ্যা
২x১
= ২টি
২x ২
২x ২x ২
= ৪টি
এভাবে উপাদান বচনের সংখ্যা যত বাড়বে,
উপর্যুক্ত সূত্রানুসারে সারিসংব্যা
পবিমাণে বাড়তে থাকবে
২x ২x২x ২
= ৮টি
=১৬টি
স নিয়ম নেই। কিন্তু তারপরও মাননির্ণয়ের
সুবিধার্থে প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায়
সাপনের একটি ধারা অনুসরণ করা হয়। এক্ষেত্রে
দুভাবে প্রক্রিয়াটি করা যায়। একটি হ
গীতে যতলাে সারি থাকবে, প্রথম উপাদান বচনে
তার প্রথম অর্ধেক T এবং পরের
বচন বা বচনাকারের সত্যিকমান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে
সারণীর প্রথমিক স্তম্ভে অবহ
উপানান বচন বা বচনসমূহে প্রথমে সত্য ও মিথ্যা
মান সন্নিবেশিত করতে হবে। এক্ষেত্রে
সরাসরি সত্য-মিথ্যা শব্দ দুটি স্থাপন করা যেতে
পারে অথবা সময় ও শ্রম সাশ্রয়ের জন্য।
সত-মিধ্যার ইংরেজি Tuth ও false শব্দ দুটির
প্রথম অক্ষর T এবং F-কেও স্থাপন করা।
যেে পারে। প্রাথমিক স্ততে অবস্থিত উপাদান বচন বা বচনসমূহে T, F স্থাপনের কোনাে।
True table2
করা। এবং কোনাে সত্যসারণীতে উপাদান
বচনসমূহের সমুদয় সম্ভাব্য মান নিবেশন করে
সংশ্রিষ্ট যৌগিক বচনের মান নির্ণয় করাকে বলা হয়
মানবিশ্লেষণ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য য
বখন একটি যৌগিক বচন বা অপেক্ষকের দুটি
উপাদান বচন একটি যােজক স্বারা যুক্ত হ
তখন তাকে বলে সবল যৌগিক বচন। আর এরূপ
একাধিক সরল যৌগিক বচন যখন অপ
কোনাে যােজক দ্বারা যুক্ত হয় তখন তাকে বলে
জটিল যৌগিক বচন। অর্থাৎ জটিল যৌগিত
কন বা অপেক্ষকে এক বা একাধিক উপাদান বচন
দুই বা ততােধিক যােজক দ্বারা সংযুক্ত
প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা
হয়। অন্যকথায় জটিল যৌগিক বচনকে বিশ্লেষণ
করলে এতে দুই বা ততাধিক।
যৌগিক বচন বা অপেক্ষক পাওয়া যায়। উদাহরণ
স্বরূপ, যদি বৃষ্টি হয় বা সেচ দেওয়া হয়।
তাহলে ফসল ভালাে হবে এবং দেশের সমৃদ্ধি
হবে'-এ বচনটিকে প্রতীকায়ন
(Symbolisation) করলে এর আকারটি হবে নিম্নরূপ :
এটি একটি জটিল যৌগিক অপেক্ষক। কারণ একে বিশ্লেষণ করলে দুটি সরল ক
পাওয়া যায়, যারা যুক্ত হয়েছে একটি প্রাকল্পিক যােজক দ্বারা। লক্ষণীয় যে, আলাে
অপেক্ষকটিতে p, q হচ্ছে p V q-এর উপাদান বচন। একইভাবে r, s হচ্ছে r s-এর
উপাদান বচন, এবং p v q, r - s হচ্ছে (p v q) = (r s) এর উপাদান বচন।
উল্লেখ্য যে, প্রাত্যাহিক জীবনে সাধারণ ভাষার মাধ্যমে বচন বা বচনাকারের সত্যমান,
ন্যায় বা ন্যায়াকারের বৈধমান এবং যৌক্তিক যোজকগুলাের অর্থ ও তাৎপর্য নির্ণয় করারযাে
ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই নানাবিধ জটিলতার সম্মুখীন হই, এবং এতে যেমন অনেক সময় ব্যয়
(p v q) (r-s)
যােজ
হয় তেমনি আবার এক্ষেত্রে ক্রুটি-বিচ্যুতি ঘটারও সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। আর এরপ
তে
ক্ষেত্রেই সত্যসারণী অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। অর্থাৎ আমরা যাদ
সত্যসারণী প্রয়ােগের মাধ্যমে বচন বা বচনাকারের সত্যমান, ন্যায় বা ন্যায়কারের বৈধমান
এবং যৌ্তিক যােজকের অর্থ ও তাৎপর্য নির্ণয় করি, তাহলে যেমন আমরা সময় সাপ্রয়
করতে পারি তেমনি এতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনাও অনেকাংশে কমে যায়। আবার অ
বিশেষ জটিলতার সম্মুখীন হতে হয় না। আর এদিক থেকেই প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায
সত্যসারণী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত
হয়ে থাকে।
সত্যসারণী গঠন পদ্ধতি
75 bocon
৭৫
ক খকে p ও q দুটি সরল বচন, আর 'p q' হচ্ছে
যৌগিক বচন। একইভাবে p-ও
ট যৌগিক বচন। কারণ p এবং ~ p অভিন্ন নয়।
এরা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র দুটি বচন।
কত-p-এর মধ্যেই উপাদান হিসেবে p উপস্থিত।
সেক্ষেত্রে কোনাে বচন যদি এমন
গব উপাদান হিসেবে একটি সরল বচন ছাড়া
অতিরিক্ত অন্য আরাে কিছু উপস্থিত
এই অতিরিক্ত একটা কিছু বচন হােক বা না হােক
আলােচ্য বচনটি হবে
বচন
অত এ বা pv q ইত্যাদির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত উপাদান
বা উপাদানগুলাে হচ্ছে।
र - p-এর ক্ষেত্রে তা বচন নয়, বরং তা হচ্ছে সত্যাপেক্ষী। সেক্ষেত্ত্রে ওপরে
যৌগিক বচনের স্বরূপ অনুযায়ী p १ বা p V q এর
মতাে ~ p-ও হচ্ছে একটি
সভাপেক্ষকের আলােচনায় আমরা মূলত
সংযৌগিক, প্রাকল্পিক, বৈকল্পিক, সমমানিক ও
এ প প্রকার অপেক্ষক নিয়ে আলােচনা করেছি। এ
পাঁচ প্রকার অপেক্ষকই হচ্ছে।
এ্কারের যৌগিক বচন। তবে অন্য আরেক ধরনের যৌগিক বচন আছে যেগুলাে
নয়। অর্থাৎ সেগুলাে হচ্ছে অসত্যাপেক্ষী (non-
truth-functional)। যেমন,
বিশ্বাস করেন যে রাসেল তাঁর প্রকৃত বন্ধু' অথবা
'অনেকেই মনে করে যে, সূর্য পৃথিবীর
তে ঘােরে। এক্ষেত্রে 'রাসেল প্রকৃত বন্ধু' এবং 'সূর্য
পৃথিবীর চারিদিকে ঘােরে'- এ
সরল বডন। তবে বচন দুটি সত্য হােক বা মিথ্যা
হােক, মূল বচন দুটির সত্যতা বা
Bocon73
বচন
৭৩
কর উয়লেখ পেয়েছি, সেগুলাে ্বারা গঠিত
সত্যাপেক্ষকও পাঁচ ধরনের হয়ে থাকে। এ
(1) সংযৌগিক অপেক্ষক, এটি গঠি হয় সংযৌগিক
যােজক দ্বারা।
বকম্পিক অপেক্ষক, এর উদ্ভব বৈকল্পিক
যােজকের সংযুক্তির মাধ্যমে।
জাপেক্ষকগুলাে নিম্ন্ূপ :
স
|(111) প্রাকল্পিক অপেক্ষক, এটি তৈরি হয়
প্রাকল্পিক যােজকের সাহায্যে।
সমমানিক অপেক্ষক, এটি গঠিত হয় সমমানিক
যােজকের মাধ্যমে।
दौজি
নিষেধক অপেক্ষক, এটি গঠিত হয় নিষেধক
যােজক দ্বারা।
তীতী যুক্তিবিদ্যায় বচনের সত্যতা বা মিথ্যাত্ব
যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ওপরে আলােচিত
ক্তিক যােজকগুলাের সাহায্যে গঠিত সত্যাপেক্ষক
বা অপেক্ষকগুলাের প্রতীকী রূপ দেওয়া।
আাকের সুবিধার্থে নিচে যৌক্তিক যােজকগুলাে,
সত্যাপেক্ষকগুলাে এবং এগুলাের
ন্যবি
এ্রচনে
ন্তর্ভুকত
তীকীপসমূহকে একটি তালিকার মাধ্যমে উপস্থাপন
করা হলাে। উল্লেখ্য যে, এক্ষেত্রে
বনসমূহের অন্তর্গত উপাদান বচনদ্বয়কে যথাক্রমে
p ও q হিসেবে ধরা হয়েছে।
।
Hiramoni
হিরামনি ও মারুফাকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদ এবং বিচারের দাবীতে মানবব্ন্ধন
লক্ষীপুরের হিরামনি ও নেত্রকোনার বারহাট্রার
মারুফাকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদ এবং বিচারের
দাবিতে টাঙ্গাইলের মধুপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি
পালন করা হয়েছে।
বুধবার(১৭ জুন ) বিকেল ৪টায় বৈরী
আবহাওয়ার মধ্যেই মধুপর বাসস্ট্যান্ড চত্তরে
ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করেন
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলার
মধুপুর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দগন।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন ছাত্র অধিকার
পরিষদ মধুপুর উপজেলা শাখার মো:একরামুল
খান অনিক, মো: শিশির ওয়াহিদ, জামাল, রাজু,
রাসেল, আরিফ, মামুন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ সময় মানববন্ধনে বহন কারিদের কাছে প্ল্যাকার্ড
এ লেখা ছিলো ধর্ষককে জামিন দিয়ে প্রতিবাদ
কারীকে গ্রেফতার ঐ নীতির অবসান চাই,
ধর্ষকের…কেটে দাও, জনতার অধিকার আমাদের
অঙ্গীকার ইত্যাদি।
মায়েরা এমনি হয়
#মায়েরা_এমনি_হয়
গতকালের সেরা হৃদয়স্পশী ঘটনা। প্রিয় সন্তান মারা গেছে। সন্দেহ মহামারী করোনা ভাইরাসে। লাশ দাফন করতে আসেনি কেউ। কারণ এগিয়ে আসলে যদি তারাও সংক্রমিত হন।
বুকের মানিকে দাফনের জন্য নিজে কুলে নিয়ে কবরস্থান পর্যন্ত আনলেন মা। যে সন্তানকে দুনিয়াতে আনতে দশ মাস দশ দিন অমানুষিক কষ্ট সহ্য করেন, সেই মা তার সন্তানকে হারাতে জানে না। তাই প্রিয় সন্তানের জন্য শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করা পর্যন্ত লড়তে থাকেন, এর নামই মা
হে আল্লাহ, আপনি এই মাকে নেক হায়াত দান করুক এবং সন্তানকে বেহেশত নসীব করুন। আমিন
#
বউ২
♥বউ♥
পর্ব:২
,
,
,
,তিশা:::::( আল্লাহ্ এটা কি রেখেছো আমার জীবনে,,এক মুহুর্তেই আমার সমস্ত সপ্ন ভেঙে চুরে গুড়ো হয়ে গেলো,,, আমি কি করবো এখন,, যাই হয়ে যাক,মেয়েদের বিয়ে একবারই হয়, শরীয়ত মতে আমি ওর বউ,দেখি আমার শক্তি বেশি নাকি অন্য মেয়ের,, আমি আমার অধিকার নিয়েই ছারবো,,,
,
তিশা:::: কি ব্যাপার? আজ রাত টা কি ওয়াসরুমে থাকবেন বলে ঠিক করেছেন নাকি?
,
…শুভ ধুপ করে বের হয়,
,
শুভ:::: দেখুন আপনি কিন্তুু বেশি বেশি করছেন,,,,,,
,
তিশা:::: একদম চিল্লাবেন না,,,, চুপচাপ এসে আমার সাথে নামাজ পরুন,,,,,,(ধমকিয়ে)
,
শুভ::::: উফফফফ অসহ্য,,
,
তিশা::: কি বললেন?
,
শুভ:::: অসহ্য গরম তাই বললাম( ঝগরুটে কোথাকার,এমন করে ধমক ইরা ও কোনোদিন আমাকে দেই নি.দেখে নিবো তোমাকে)
,
তিশা;:::: কি হলো শুনতে পাচ্ছেন না?
,
শুভ গিয়া তিশার সাথে নামাজ পরে নেয়,,,, তারপর তিশা উঠে বিছানার মাঝখানে গুটিশুটি মেরে বসে পরে,,,
,
শুভ আবার গিয়ে সোফায় বসবে সেই সময় তিশা চিল্লায়,,,,
,
শুভ::::' আবার কি হলো?
,
তিশা:::: আমার খুব খুদা লেগেছে,,,
,
শুভ::::: তো আমি কি করবো?
,
তিশা::::: কি করবেন মানে? যান গিয়ে আমার জন্য খাবার নিয়ে আসেন?
,
শুভ:::: কিহ্ আমি? খাবার? তাও আপনার জন্য?impossible,,,,
,
তিশা::::: ভেবে বলছেন তো?
,
শুভ:::১০০%
,
টিপ;:::: আম্মু,,,,,,,,,
,
শুভ দৌড়ে তিশার মুখ চেপে ধরে,,,
,
শুভ::::: এই মেয়ে এতো রাতে আম্মুকে ডাকছো কেনো?
,
হাত সরিয়ে,,
,
তিশা::::: বাহ্ রে আম্মুকে সব জানাতে হবে না? উনার ছেলে যে কতটা খচ্চর সেটা তো বলতে হবে,,,,বিয়ের প্রথম দিনে যে এভাবে টর্চার করছে বলতে হবে তো,,,,,,আম্মু,,,,,,,,,,,
,
আবার মুখ চেপে,
,
শুভ::::: যাচ্ছি,,,যাচ্ছি চিল্লাতে হবে না( দাঁতে দাতঁ চেপে)আল্লাহ্ কোন জ্বালায় ফেললে আমায়,,,,,
,
শুভ বের হয়ে চলে গেলো,,,,আর তিশা হাসতে হাসতে বিছানায় গড়াগড়ি খাচ্ছে,,,,একটু পরে শুভ খাবার এর প্লেট এনে তিশার সামনে রেখে আবার সোফার কাছে কাছে যেতে লাগে,,,
,
তিশা:::: আবার কোথায় যাচ্ছেন?
,
শুভ::::: নাচতে,,,
,
তিশা::::: পরে নাচেন,,,আগে আমায় খাইয়ে দিন?
,
শুভ:::::are u mad?
,
তিশা:::: শোনেন আমি জানি আপনি ইংরেজির চিটার,,তাই বলে কথায় কথায় ইংলিশ ঝারতে হবে না,,,এসে আমায় খাইয়ে দিন,,,,
,
শুভ::::: পারবো না আমি,,,,,
,
তিশা::::: আব্বু,,,,,,
,
শুভ:::::: ( আবার মুখ চেপে ধরে) আবার আব্বুকে ডাকছেন কেনো শুনি?
,
তিশা:::: আম্মুকে ডাকলে আম্মু এসে শুধু বকা দিবে,,আর আব্বু আসলে মাইর দিবে,,,আর আপনার জন্য এখন মাইর ই উপর্যুক্ত,,,,
,
শুভ::::: (সব শোধ আমি তুলবো) নিন খেয়ে,,,,
,
শুভ তিশাকে শেষ মেশ না পেরে খাইয়ে দিতে লাগে,,,আর তিশা খাচ্ছে আর শুভর দিকে তাকিয়ে আছে,,,
,
তিশা:::: আপনি খাবেন না?
,
শুভ:::: সেটা আপনাকে ভাবতে হবে না,,,আপনি আপনার টা বুঝুন,,,,
,
তিশা খাবারে হাত দিয়ে খাবার শুভর মুখের সামনে তুলে,,
,
তিশা:::: নিন খেয়ে নিন,,,
,
শুভ::::: খাবোনা,,,আর আপনার হাত থেকে তো কোনোদিনই না,,,,
,
তিশা:::: খাবেন না মানে? খেতে ই হবে,, আর আমার হাত থেকেই,,,,
,
শুভ::::no way,,,,
,
তিশা অন্য হাতে শুভর চুল টেনে ধরে খাবার মুখের সামনে নিয়ে যায়,,,
,
শুভ:::: আল্লাহ্ গো,,,,মেরে ফেললো আমায়,,,,
,
তিশা:::: তারাতারি খান,,,নয়তো সব চুল ছিরে নিবো,,,,
,
শুভ তারাতারি তিশার হাত থেকে খাবার মুখে তুলে নেয়,,,,
,
তিশা::::: কি হলো আমাকে খাওয়ানো বন্ধ করলেন কেনো?
,
শুভ তিশাকে খাইয়ে দিচ্ছে আর তিশা শুভকে,,,, শুভ আর বাধা দেয় নি,,,কারন শুভ ভালো ভাবেই বুঝতে পারে এ মেয়েকে শুভ বাগে আনতে পারবে না,,,জোর করলে নিজেই ক্ষতি,,,,
,
খাওয়া শেষে শুভ প্লেট রাখতে বাহিরে চলে যায় আর তিশা উঠে চটপট চেন্জ করে নেয়,,,,শুভ রুমে ঢুকে তিশাকে দেখে দাড়িয়ে যায়,,, কারন তিশা হলুদ রং এর একটা শাড়ি পরে আয়নার সামনে কুচি ঠিক করছে,,,অন্য রকম এক সৌন্দর্য ঘিরে ধরে আসে তিশাকে,,,শুভ অপলোক দৃষ্টিতে তিশার দিকে তাকিয়ে আছে,,,,,, শুভকে ওভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে তিশা একটু লজ্জা পেলো,,,,,
,
তিশা:::: কি হলো কি দেখছেন ওভাবে?
,
তিশার কথায় শুভর ধ্যান ভাঙে,,,,
,
শুভ:::::( আল্লাহ্ কি করছি আমি এটা,,, শুভ তুই কি পাগল হয়ে গেছিস? ভুলে যাস না তুই শুধু ইরাকে ভালোবাসিস আর কাউকে নয়,,,, ওই মেয়ের দিকে তাকাস না,,,,, পেত্নী তোকে বশ করে নিবে)
,
তিশা:::: শোনেন,,,,
,
শুভ:::: কিচ্ছু শুনতে পারবো না,,,আমি এখন ঘুমাবো,,,,
,
তিশা::::: হুম চুপচাপ এসে বিছানায় শুয়ে পরুন,,,,,
,
শুভ::::: আপনি কি শোনেন নি আমি কি বলেছিলাম তখন( ধমকের সুরে)
,
তিশা::::: আমি আপনাকে কি বলছি সেটা শুনে পাচ্ছেন না? ( ডবল ধমকের সুরে)
,
শুভ::::: ( আমি ফাইস্যা গেছি মাইনক্যা চিপায়,,,আমার ও দিন আসবে তিশা পেত্নী,,, সব সুদে আসলে আদায় করে নিবো,)
,
তিশা::::: আমাকে কি অন্য ব্যাবস্থা নিতে হবে?
,
শুভ:::: না ম্যাম আমি আসছি,,,,
,
শুভ গিয়ে ধুপ করে বিছানায় শুয়ে পরে,,,,আর তিশা শুভর বুকে মাথা রেখে শুভকে জরীয়ে ধরে শুয়ে পরে ,,,,,
,
শুভ:::: ;কি হচ্ছে টা কি? লজ্জা করছে না আপনার?
,
তিশা::::: ওমা লজ্জা করবে কেনো? বিয়ে করা একমাত্র বর আপনি আমার,, আপনার বুকে মাথা রেখে ঘুমাতে আমার লজ্জা করবে কেনো?
,
শুভ;:::: আপনি খুব ফাজিল একটা মেয়ে,,,, ফাজিল না আপনি একটা,,,,
,
তিশা চট করে শুভর ঠোটে কিস করে দেয়,,,,
,
তিশা::::: good night my jaan,,,,,,
,
শুভ::::: what!
,
তিশা:::: এতো বক বক করলে ঘুমাবো কি করে আমি? চুপচাপ ঘুমান,,, আর আমাকে ঘুমাতে দিন,,,,
,
শুভ:::::( বুঝতে পেরেছি এতো সহজে তোমাকে আমার পিছু ছারাতে পারবো না,,, কিছু একটা করতে হবে)
,
শুভ তাকিয়ে দেখে তিশা ঘুমিয়ে কাদা,,,,, শুভ তিশাকে নিজের ওপর থেকে নামাতে গেলে দেখে তিশা ওর টি শার্ট হাতে মুঠো করে নিয়ে আছে,,,,শুভ আর তিশাকে নামাতে পারলো না, চুপচাপ ঘুমিয়ে পরলো,,,,,
,
be continue ♥
,
(((( মনে হচ্ছে "বউ" গল্পটা সবারই মোটামুটি পছন্দ হয়েছে,,,,তোমাদের ভালো লাগলেই আমার লেখা সার্থক))
নারী
নারী
মেয়ে তুমি নারী হয়েছো বলেই,
তুমি হাসতে গিয়েও থমকে গেছো তোমার অট্রহাসি দেখে সমাজ কি বলবে ভেবে।
মেয়ে তুমি নারী হয়েছো বলেই,
আকাশ পানে তাকিয়েও চোখ নামিয়ে নিয়েছো চোখ তুলেছো বলে সমাজ কি বলবে ভেবে।
মেয়ে তুমি সত্যিই নারী হয়েছো বলেই,
স্বাধীনচেতা হয়েও ঘরে ফিরে গেছো সমাজের লোভ লালসার স্বীকারের ভয়ে ।
আজ মেয়ে তুমি নারী হয়েছো বলেই,
জরায়ু ছেড়ার চিৎকার দিতে গিয়েও তুমি থমকে গেছো সমাজের লোক লজ্জার ভয়ে।
মেয়ে তুমি নারী হয়েছো বলেই,
নিজের শখ টাও পুরণ করতে ভুলে গেছো পরিবারের কথা ভেবে।
হ্যাঁ তুমিই মেয়ে থাকতেও কালো বলে হাজারো অভিযোগ শুনেছো।
আর তুমিই ফর্সা বলে চরিত্রে আঙ্গুল তুলতে দেখেছো ।
হ্যাঁ তুমিই সেই মেয়ে যে নারী হয়ে তার কান্না গুলো কে ন্যাকামো বলতে শুনেছো ।
এর পরেও তুমি সেই মেয়ে যে নারী হয়ে সব সহ্য করেছো ।
আবুল কালাম
কাঁদছে শিকলবাহা
কাঁদছে কর্ণফুলী
আপনার রাজনৈতিক পরিচয় কখনো আপনার মানবিক গুনের উর্ধে যেতে পারেনি,
প্রিয় বকুল ভাই!
শিকলবাহার তিনবার চেয়ারম্যান ছিলেন
নাম ছিল
যশ ছিল
ক্ষমতা ছিল
এরপরেও কোন অহংকার আপনাকে স্পর্শ করতে পারেনি
কর্ণফুলীর মানুষ চাইলেও আপনাকে ভুলতে পারবেনা
সত্যিকারের একজন জেদী সাহসী পরোপকারী দানশীল পুরুষ ছিলেন আপনি
গরীব মজলুম জনগন অবলা নারীদের জন্য ভরসাস্থল ছিলেন আপনি
রাজনীতি ছিল আপনার জন্য পোষাকী অন্তর টা ছিল সত্যিকারের একজন ভাল মানুষের।
জানিনা কত কাল কাদঁলে এই শোক শেষ হবে।
আর ত কাঁদলেও ফিরে আসবেনা, খবরও নিবেনা, খারাপ সময়গুলোতে পাশে এসে দাঁড়াবেনা,
দুস্টমি ভরা কথা বলে হাসাবেনা।
প্রভু তোমার প্রিয় হাবীব (সাঃ) এর উসিলায় আমরা মজলুমদের চোখের পানি কবুল করে আমাদের প্রিয়জন তোমার বান্দাহ আবুল কালাম বকুল চেয়ারম্যান ভাইকে ক্ষমা করে দাও, জান্নাতুল ফেরদাউস দান কর,আমাদের কে ধৈর্য দান কর।
বচন
বচন
ত্িক বচন : যে শর্তমূলক যৌগিক বচনের অন্তর্গত দুটি অঙ্গবচন বা উপাদান বচন
যদি-তাহলে, 'যদি-তবে', 'যখন-তখন', ইত্যাদি জাতীয় শব্দ দ্বারা যুক্ত থাকে তাকে।
প্রাকিক বচন বলে। বক্তত প্রাকৃ্পিক বচন হচ্ছে একধরনের সাপেক্ষ বাচন, যেখানে বিশেষ।
কোনাে শত সাপেক্ষে বিধেয় উদ্দেশ্য্যের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়। এরূপ বচনের অন্তর্গত অঙ্গবচন।
পাদান বচনের প্রথমটিকে বলে 'পূর্বগ' (antecedent) এবং পরেরটিকে বলে 'অনুগ
(aeyuent)। উপাদান বচনদ্বয়ের পূর্বগ অংশে থাকে শর্ত এবং অনুগ অংশে থাকে মূল ।
বক্তব্য। এক্ষেত্রে পূর্বগ বা শর্তটির শুরুতে থাকে 'যদি বা এ জাতীয় শব্দ এবং অনুগ বা।
মুলব্ব্যের শুরুতে থাকে 'তাহলে বা এ জাতীয় শব্দ। একটি দৃষ্টান্ত দ্বারা বিষয়টি ব্যাখ্যা।
জ যেতে পারে। যেমন, যদি বৃষ্টি হয় তাহলে মাটি ভিজবে'- এ বচনটিতে মাটি ভিজার
दটি বৃষ্টি হওয়ার শর্তের ওপর নির্ভরশীল। কাজেই আলােচ্য বচনটিতে শর্ত হচ্ছে পূর্বগ
ব হওয়া' এবং মূল বক্তব্য হচ্ছে অনুগ 'মাটি ভিজা'। উল্লেখ্য যে, প্রাকল্পিক বচনের
মখ্যাত্ব নির্ভর করে এর পূর্বগের সত্যতা ও অনুগের মিথ্যাত্বের ওপর। অর্থাৎ কোনাে
পকৃন্তিক বচনের পূর্বগ সত্য হয়ে যদি অনুগ মিথ্যা হয় তাহলে মূল বচনটি মিথ্যা হবে।
কোনা, প্রাকল্পিক বচনের স্বরূপই এমন যে, এক্ষেত্রে পূর্বগের মধ্যে অনুগের ব্যঞ্জনা
(mplication) নিহিত থাকে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে পূর্বগ অনুগকে অনুধারণ বা প্রতিপাদন
করে। এ ডান্য পূর্বগ ঘটলে অনুগ অনিবার্যভাবেই ঘটবে। তবে পূর্বগ না ঘটলে অনুগ
ঘটতেও পারে আবার না-ও ঘটতে পারে। কিন্তু পূর্বগ ঘটলে অনুগ ঘটবে না, এমন কখনােই
হতে পারে না। যেমন, বৃষ্টি হলে অবশ্যই মাটি ভিজবে। তবে বৃষ্টি না হলে মাটি না-ও
ডিজতে পারে অথবা অন্য যে কোনাে উপায়েও ভিজতে পারে। কিন্তু বৃষ্টি হওয়ার পর মাটি
ভিজ্বে না, এমন কখনােই হতে পারে না।
৪. সমমানিক বচন : 'সমমানতা' অর্থ সমান হওয়া, অর্থাৎ প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় সমমানতা
বলতে মূলত দুটি বচনের সমান হওয়াকে বোঝায়। সেক্ষেত্রে যখন দুটি বচনের মান সমান
হয় তখন তাকে সমমানিক বচন বলে। এরূপ বচনও এক ধরনের শর্তমূলক বচন যেখানে
যদি এবং কেবল যদি শব্দগুলাে উপস্থিত থাকে। কাজেই যে শর্তমূলক যৌগিক বচনের অন্ত
গত দুটি অঙ্গবচন বা উপাদান বচন 'যদি এবং কেবল যদি জাতীয় শব্দসমষ্টি দ্বারা সংযুক্ত
থাকে তাকে সমমানিক (equivalent) বচন বলে। যেমন, 'ছাত্ররা পরীক্ষায় পাস করবে
যদি এবং কেবল যদি তারা ভালােভাবে পড়াশােনা করে এরূপ বচনের সত্যতা নির্ভর করে
এর উভয় উপাদান বচনের সমমানতা ওপর। অর্থাৎ এরূপ বচনের উভয় উপাদানবচন যদি
একইসাথে সত্য হয় বা একইসাথে ঘটে অথবা একইসাথে মিথ্যা হয় বা একইসাথে না ঘটে
তাহেল মূল সমমানিক বচনটি সত্য হবে। কিন্তু যদি এর যে কোনাে একটি উপাদানবচন
সত্য হয় এবং অপরটি মিথ্যা হয়, অর্থাৎ একটি উপাদান বচনে বর্ণিত ঘটনা ঘটে এবং অপর
উপাদান বচনে বর্ণিত ঘটনা না ঘটে তাহলে মূল সমমানিক বচনটি মিথ্যা হবে। যেমন,
আলােচ্য দৃষ্টান্তে বর্ণিত বচনটি অনুসারে ছাত্ররা যদি পাস করে তাহলে বুঝতে হবে তারা
তালােভাবে পড়াশােনা করেছে। আর যদি পাস না করে তাহলে বুঝতে হবে তারা
তালােভাবে পড়াশােনা করেনি। কিন্তু ছাত্ররা পাস করেছে কিন্তু পড়াশােনা করেনি, অথবা
পড়াশােনা করেছে কিন্তু পাস করেনি, এমন কখনােই হতে পারে না। কারণ সমমানিক
বচনের স্বরূপই এমন যে এর একটি উপাদান বচনে বর্ণিত ঘটনা ঘটা বা না ঘটা
সম্পূর্ণরূপই অপর উপাদান বচনে বর্ণিত ঘটনার ঘটা বা না ঘটার ওপর নির্ভর করে। অর্থাৎ
প্রক্টিক
প্রক্টিক কন পই, এ হলাে- (1) যাদি ছাত্ররা পরীক্ষায় পাস করতে চায় তাহলে।
জদেকে তালাবে পয়শােদা করতে হবে, এবং () যদি ছাত্ররা ভালােভাবে পড়াশােন।
অপ
সম
(i
সম
প্রক
দুটি
হয়
স
ক
কনের সয়ে সমমানিক বনের যমেরি পা্কয আছে। সাধারণ প্রাকাল্পিক বচনের অন্তিগত়ি।
উপদন ফন বিসের অব ছিত পুর্বগ এবং অনুগের মান সমান নয়। এ জন্য পর্বগ চই
নয অনিববে ঘটে, কিন্তু এনুগ ঘটলে পূর্বগ ঘটবেই এমন কোনাে কথা নেই। যেমন
ল श লে মট তিরে এই প্রাকল্পিক বচনটি অনুসারে বৃষ্টি হলে অবশ্যই মাটি
जা, মাটি ভিজলে ভা যে কেবল বৃষ্টি থেকেই ডজবে, এমন কোনাে কথা নেই।
কালেই সাধারণ প্রাফিক বচানের পূর্বণ ও অনুগ যে সমান নয় তা প্রকাশের ক্ষেত্রে আমরা
কাতে পরি সর্বক্ষেই বৃষ্টি হলে মাটি তিজবে কিন্তু বিশেষ ক্ষেত্রে মাটি ভেজার কারণ
হ্রে বুয়। অনসিকে সমনিক বচনের অন্তর্গত উভয় উপাদান বচনই সমান, যা আমরা
পর্ে আলেটিত সমনিক বচনের দৃষ্টান্তকে দুটি প্রাকল্পিক বচনের বিশ্লেষণ করে
তেখিহ। কজেই প্রাকত্তিক ব্যানের অনুরূপ হলেও সমমানিক বচন ও প্রাকল্পিক বল
অতি ব। আবয কণ সমমনিক বচনকে এক ধরনের বৈকল্পিক বচন বলেও উক্টে
তয়ে। হার একট বিকয্ধে সমমানিক বডনের উভয় উপাদান বচনকেই স্বীকার করা হয়।
ৰে দুট এফিক কনের সমরয়ে সমমানিক বন গঠিত হলেও, সাধারণ প্রাকল্পিক।
এ, শর বিকয়ে উর উপাদ বনকেই অন্বীকার করা হয়। যেমন, ওপরে বর্ণিত দৃষ্টান্
বিশণ কাছে আমর যে বৈক্িক বটি পাই তা হলাে- "ছাত্ররা পরীক্ষায় পাস।
এ বেং য়। ভারতারে পড়াশােনা করেছে, অথবা, ছাত্ররা পরীক্ষায় পাস করেনি এবং
মূল সখনের হায়ে খাকে। এ পেড্ষিতে প্তীকী যক্তিবিদ্যায়
এ, যৌক ব আকারগত সমমানতা নামে সমমানিক বচনের দুটি রূপ।
ব সমত গন একটি সমমনিক বচানের আন্তর্গত দুটি অঙ্গবচন বা উপাদ।
কন এ স, বা, একইসাথে মিথ্যা হয়, তখন বচন দুটির পারস্পরিক সম্পর্ককে।
সম, ব যেন, লে সং, হাবে যদি এবং কেবল যদি তার পিতা সং
ক ব আ, একলঙগে সভ ব মি হালে মূল সমমানিক বচনটির মান সমান হয়।
হ জ ) সমমৰ, ক্ষেত্রে সমমানিক বচনের অন্তর্গত উপাদান বচন
উপাদান
এই একট উপান বন ব হমা ঘটলে বা সত্য হলে অপর উপাদান বচনে বর্
কা সকা হবে। একইাকে একটি উপাদান বচনে বর্ণিত ঘটনা না ঘটলে ।
ক্যা হাল ক উপান বনে বণি মটনা ঘটবে না বা মিথ্যা হবে। উল্লেখ্য যে, যুক্তিকি
কণ সমানিক ববে ছি্কন বা ফৈত্কল্পন বা দ্বিপ্রাকল্পিক (biconditional) বচ।
ব উখ কন। কেনা একটি সমমযানিক বচনকে বিশ্লেষণ করলে এর মধ্যে দু
খক প্কক ন পয়া হায়। অথাৎ দুটি প্রাকল্লিক বচনের সমন্বয়ে একটি সমমানি
ন ঠত হয়। যেমন, এপরর আলােচিত সমমানিক বচনটিতে বিশ্লেষণ করলে আমরী যে।
প্রক্টিক কন পই, এ হলাে- (1) যাদি ছাত্ররা পরীক্ষায় পাস করতে চায় তাহলে।
শিকলবাহা
কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও শিকলবাহা ইউনিয়ন পরিষদের তিন তিন বার নির্বাচিত ভাই ইন্তেকাল করেছেন( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। দীর্ঘদিন কিডনি জনিত রোগে ভুকছিলেন। তিনি তার চিকিৎসা সবসময়ই পাশের দেশ ভারতে দেখাতেন।কিন্তু লকডাউন এর কারনে ভারতে যেতে পারেন নি। তার দীর্ঘদিন রাজনীতির জীবনে সততা সাথে দ্বায়িত্ব পালন করে।
তিনি পটিয়া উপজেলা থাকে অবস্থায় তিন তিন বার শিকলবাহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন।
কর্ণফুলী আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী বলেন, আমার দীর্ঘদিনের রাজনীতির সহযোদ্ধা, মুজিব আর্দশের সৈনিক আজ হারালাম। তিনি সামাজিক ভাবে একজন ভালো মানুষ। তিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিশ্বাসী একজন মানুষ। তার অভাব কেউ পূরন হবার নয়।
মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
কর্নফুলী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রনি বলেন” আমার অনেক বড় নেতা হারিয়েছি কর্ণফুলীবাসী।যার অভাব কেউ পূরন করতে পারবে না।তিনি অনেক জনপ্রিয় নেতা ছিলেন। তিনি সততার সাথে তিন তিন বার শিকলবাহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দ্বায়িত্ব পালন করেন।মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
বর্তমান শিকলবাহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন ” তিনি চেয়ারম্যান থাকা আবস্থায় আমি মেম্বার ছিলাম।তিনি আমার সহযোদ্ধা ছিলেন। তিনি কর্ণফুলী আওয়ামী লীগের বাতি হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি মারা গেছে এখন বিশ্বাস হচ্ছে না।
মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
ভালোবাসা গুলো পিউর হয় একমাত্র মা বাবার
আহ!
বাচ্চার শ্বাসকষ্ট নিয়ে পটিয়া থেকে আসা স্কুল শিক্ষক আব্দুল গফুর। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে ডাক্তার বলেন তার আইসিইউ সাপোর্ট দরকার।
ছেলেকে বাঁচাতে শিশু ওয়ার্ডের দিকে ছুটতে থাকে। শেষ পর্যন্ত কান্না করতে করতে জুতা খুলে দৌঁড় দেন।
তবুও মেলেনি আইসিইউ! চট্টগ্রাম মেডিকেলে আইসিইউ না পেয়ে মা ও শিশু হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে আইসিইউ পেলেও বাঁচানো যায়নি শিশুটিকে!
পৃথিবীর সবচাইতে ভারি জীনিস কি জানেন?
বাবার কাধে সন্তানের লাশ! এই ঘটনাটি তার থেকেও মর্মাহত কারন বাবার কোলে সন্তানের মৃত্যু!
ভালোবাসা গুলো পিউর হয় একমাত্র মা বাবার।
(গত শনিবার দুপুরের ঘটনা)
T fa
T fa pfre fafe s rs I BasSon
C Canar R Tnoroduction to symbolic Logic (S 9, 1. 5) a
রীলী বুক্ি ইতিহাস সং্িত, যদিও সাধারণ যুক্তিবিদ্যার রয়েছে দীর্ঘ ইতিহ
সের য ুক্তিবিদ্যার মধ্যে পার্থক্য হলাে ফ্রমবিকাশের বিভিন্ন ধাপের পার্থক্য।
প্রথম
দ্বিতী
তৃতী
চতুর্
এখ ৫ সংক যুক্তিবি্যা ও ্ত্তি খুক্তিবিদ্যায় যে সকল পাথ
পঞ্
দा বয়েপ্র চীবদের যে সম্পর্ক সাধারণ ফুক্তিবিদ্যার সাথেও প্রতীকীউ
এক
সেরণ স বিদবমান কাজেই সার্বিক বিশ্লযণে আমরা বলতে পারি যে, সাধ
বিয় ও প্রতী যুক্তিবিদ্যায় মথ্যে আসলে মূলগত কোনে পার্থক্য নেই, পার্থকা। ব্য
এই
আছে া হলে একই বিজয়ের ক্রমবিকাশের দুটি ধাপের মধ্যকার পার্থক্য।
অ
প্রতকের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য
Nature and Charecteristics of Symbol
প্রজী পুক্তি্যা স্প ও বৈশিষ্ট্য এবং সাধারণ যুক্তিবিদ্যার সাথে প্রতীকী যুক্তিবিদ্য
সম্পর্ক আলােচনা থেকে এ বিষয়টি সুস্পষ্ট যে, প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার মূল উপাদান হয
প্রত। এ তাযণ প্রতঠক যুক্তিবিদ্যা সম্বন্ধীয় আলােচনার ক্ষেত্রে প্রতীকের প্রকৃতি ও
; সম্পর্কে ধরা থাকা পয়ােজন। সাধারণত কোনাে কিছুকে নির্দেশ করার জন
সহজ়ে যােকার না, প্রকাশ বা জঞাপন করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহৃত সংকেতকে প্রত্
কল অनলায় প্রতীক হচ্ছে কুরিমতাবে গঠিত এক ধরনের লিখিত বা কথিত চিহ
जर এধাগচৰে ছথিীকৃত ফুদ্রিম সংকেই হচ্ছে প্রতীক। যেমন, কোনাে প্রশ্নের সাল
জা্ গশে এমরা " চিফন দিয়ে থাকি এবং ভুল উত়রের পাশে x' চিহ্ন দিয়ে থাকি
এসেত্রে এবং চিহ্ পুটি যখ্য্রমে সঠিক এবং ভুল' শব্দ দুটির প্রতীক হিসেরে
ব্বছত হয়ে থাকে। একইভাবে + চিহনটি যােগ, - চিহ্নটি বিয়ােগ বা চিহ্নাট তা
এ=
ম
স
এক. তিহ বা সংকে অর্থং কোনাে বিষয়ের প্রতীকী রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়েটির জন।
বিষগটিল প্রতিনিধিত হিলেরে একটি প্রতীক বা তিহ্ন নির্ধারণ করতে ইবে।
প্রততের ধবার একটি খনতিক প্রত্রিয়া। আর এ ঘাক্ত্িক প্রত্রিিয়া প্রয়ােগের ক্ষেত্রে এতে
উপন ব পূ্শও আকা প্রয়োেন। এ উপাদান বা পূর্বশর্ত তিনটি হলাে-
পুই, কিহি ক সিশি বিধয়, অর্থা, কোনাে বিষয়কে প্রতীকী রূপ দেওয়া তখেনই সম্ভব।
দার্শনিক
যেসব বিষয় প্রত্যক্ষ বা পরেক্ষিভাবে অন্য কোনাে বিষয়কে নির্দেশ করে অথবা অন্য কোনাে
বিষয়ের প্রতিনিধিত্ব করে সেসব বিষয়কে সাধারণভাবে সংকেত বলা হয়। সংকেতের সংগ্ঞা
প্রসঙ্গে প্রয়ােগবাদী দার্শনিক সি.এস. পার্স বলেন, কোনাে বিষয় বা ব্ত্ৰ যখন কোনাে ব্যক্তির
কাছে অন্য কোনাে বিষয় বা বন্তুর প্রাতিনিধিত্ব করে কিংবা অন্য কোনাে বিষয় বা বন্তর সূচক
হিসেবে উপস্থাপিত হয় তখন তাকে সংকেত বলে। কিন্তু সংকেতের এ সংজ্ঞা অনুযায়ী
প্রতিনিধিত্ব করার বিষয়টি কোনাে নির্দিষ্ট অর্থ বহন করে না। এ জন্য অনেকেই পার্সের
সংজ্ঞাটিকে যথার্থ হিসেবে গ্রহণ করেননি। এদের মধ্যে বিশ্লেষণী দার্শীনিক অলস্টন
অন্যতম। তিনি বলেন, যেহেতু অন্য কিছুর সূচক বা প্রতিনিধি হওয়ার কোনাে নির্দিষ্ট অর্থ
নেই তাই সংকেতকে সুচক বা প্রতিনিধিত্বকারী বলা সমীচীন নয়। সংকেতের সংজ্ঞার ক্ষেত্রে
এ ধরনের দ্বৈত মতের প্রেক্ষিতে বিশ্লেষণী দার্শনিক জন হসপার্স সংকেতের এমন একটি
সংজঞা প্রদান করেছেন, যা পরবর্তীতে প্রায় সকলের কাছেই গ্রহণযােগ্য হিসেবে বিবেচিত
হয়েছে। তাঁর মতে, সংকেত বলতে সেই বিষয়কেই বােঝায় যা প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে অন্য
কোনাে বিষয়ের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। অথবা কোনাে না কোনােভাবে অন্য কোানাে বিষয়ের
নির্দেশক হিসেবে বিশেষ কোনাে অর্থ বহন করে।
সংকেত মূলত দু'ধরনের হয়ে থাকে- প্রাকৃতিক বা স্বাভাবিক সংকেত এবং কৃত্রিম
Sign
হচ্ছে
তি ও
জন্য,
এতীক
চহ্ন।
नঠিক
একি।
সেবে
ভাগ
তে
সংকেত।
সুরা ইখলাস
_**🕋 সূরা ইখলাসের ফজিলত 🕋**
💢সূরা ইখলাসের ফজিলত সম্পর্কিত হাদিসঃ-💢
❣️হাদিস নংঃ-০১
রাসূল (সাঃ) বলেন,
"নিঃসন্দেহে সুরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল্য।’’
---------------(বুখারী হা/৫০১৩,৬৬৪৩,৭৩৭৪)
❣️হাদিস নংঃ-০২
রাসূল (সাঃ) বলেন,
“যে ব্যক্তি সুরা ইখলাস তিনবার পাঠ করবে আল্লাহ তা'য়ালা ঐ ব্যক্তিকে এক খতমের সমান নেকী দান করবেন।"
---------------(বুখারী,মুসলিম হা/৮১১)
❣️হাদিস নংঃ-০৩
রাসূল (সাঃ) বলেন,
" যে ব্যক্তি “সুরা ইখলাসকে ভালবাসে, সে আল্লাহর ভালবাসা এবং জান্নাত লাভ করবে।”
----------------(বুখারী হা/৭৩৭৫,মুসলিম হা/৮১৩)
❣️হাদিস নংঃ-০৪
রাসূল (সাঃ) বলেন,
"যে ব্যক্তি “সুরা ইখলাস দশবার পাঠ করবে পাঠকারীর জন্য জান্নাতে এক গৃহ নির্মাণ করা হবে।”
----------------(সহীহুল জা’মে হা/ ৬৪৭২)
আল্লাহ্ তা'য়ালা আমাদের সবাইকে উপরোক্ত হাদিসগুলোর উপর আমল করার তৌফিক দান করুন,আমিন।।।🤲🤲🤲🤲🤲🤲🤲🤲🤲🤲🤲
Namaj
🍁🍁👉নামাজ পড়েন ঠিকই কিন্তু গান শোনেন, নাটক- সিনেমা দেখেন, পর্ণ ভিডিও দেখেন। তওবা করেন আবার নিজের নফসকে দমন করতে ও পারেন না। সম্পূর্ণভাবে এসব হারাম কাজগুলো ছেড়ে দেওয়ার জন্য কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করা প্রয়োজন আছে আমাদের ,,👈🍁🍁
🍁👉 পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে। প্রতি নামাজে নিজের এবং গোটা মুসলিম জাতির হেদায়েতের জন্য দোয়া করবেন। সমস্ত পাপ কাজ হতে নিজেকে বিরত রাখার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে হবে।
🍁👉ফোন থেকে সমস্ত গান, নাটক, সিনেমা ডিলিট করে দিতে হবে। যখনই গানের কথা স্মরণ হবে তখনই আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ে নিতে হবে।
🍁👉 কুরআন তেলাওয়াত করতে হবে। তেলাওয়াত করতে না জানলে, তেলাওয়াত শুনতে হবে।
🍁👉 হারাম সম্পর্ক গুলো হতে নিজেকে ফিরিয়ে আনতে হবে। কারণ এই হারাম সম্পর্ক গুলোই হারাম কাজ গুলোর দিকে বেশি ধাবিত করতে সাহায্য করে। তাই আগে নিজেকে হারাম সম্পর্ক হতে বিরত রাখতে হবে।
🌺হুট করে এসব হতে বেরিয়ে আসা হয়তো কঠিন মনে হবে। কিন্তু চেষ্টা করলে কোন কিছুই কঠিন না। আর মনে রাখতে হবে, দুনিয়ার জীবনই আসল জীবন নয়। আল্লাহকে খুশি করার জন্য এসব কাজগুলো হতে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। আল্লাহ নিশ্চয়ই উত্তম প্রতিদান দান করবেন।🌺
Susaid
কাপুরুষরাই আত্মহত্যা করে। এরকম একটি প্রবাদ আছে... প্রবাদের সাথে আমি একমত। তবে ভিন্ন ঘটনাও আছে।
পৃথিবীর অন্যতম সাহসী বীর হিটলারও আত্মহত্যা করেছিলেন। সেটা কাপুরুষতার না ; মর্যাদা রক্ষ্যার !!
আত্মহত্যার প্রবণতা আব্রাহাম লিঙ্কনের ভেতরেও ছিল।
অনেক নোবেল জয়ী সাহিত্যিক , অনেক বিজ্ঞানী সফল ভাবে আত্মহত্যা করে মারা গেছেন।
ডিপ্রেশনে ভুগলে আমরা যাদের কাছে পরামর্শের জন্য যাই তারাও ডিপ্রেশনে ভুগে... পৃথিবীতে অনেক বিখ্যাত সাইকিয়াট্রিস্ট আছে যারা এক সময় চরম ডিপ্রেশনে শেষ পর্যন্ত সুইসাইড করেছে।
সামান্য কারণে রেগে যাওয়া , বিষণ্ণতায় চলে যাওয়ার মত হাস্যকর ব্যাপার গুলো বিজ্ঞানী নিউটনের ভেতরেও ছিল।
আমার মাঝে মাঝে মনে হয় এই যে আমি মাঝে মাঝে এসব নিয়ে লিখি , মানুষকে আশাবাদের কথা বলি... এতে কী সত্যিই কোন কাজ হয় ?
আজ সকালে যার মা মারা গেছে তাকে গিয়ে যদি বলা হয় , প্রত্যেক প্রাণীকেই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। কাঁদার কিছু নেই... দোয়া কর।
এতে কী তার কান্না থামবে ?
অনেক বছরের চেনা মানুষ যাকে রেখে চলে গেছে তাকে যদি আমি সোলমেটের কথা বলি , তাতে কী সে শান্ত হবে ?
একদল মানুষ নিজেরাই কষ্ট তৈরি করে এটা যেমন সত্যি তেমনি এটাও সত্যি পৃথিবীতে একদল মানুষের জন্মই হয়েছে কষ্ট পাবার জন্য।
কেউ যখন বলবে তার মন খারাপ তখন তাকে বক্তিতা দেবার চেষ্টা করবেন না। সে আপনার কাছে জ্ঞান নেবার জন্য আসে নি...
জ্ঞানের দরকার হলে সে বই কিনে পড়ত।
আপনি তাকে মন খারাপ না হবার যে তথ্য জ্ঞান দিচ্ছেন ; এই তথ্য জ্ঞান আপনি নিজে জানার পরেও কী মাঝে মাঝে আপনার মন খারাপ হয় না ??
মানুষের মন জয় করতে চান ? তাহলে বলুন কম , শুনুন বেশি।
সে যদি একবার টের পায় আপনি তার কথা শুনছেন, আগ্রহ নিয়ে শুনছেন তাহলে এক সময় তার সব কথা আপনাকে বলা এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হবে।
আপনাকে ছাড়া তার চলবে না...
বিষণ্ণতা রোগের সব থেকে বড় প্রেসক্রিপশন হল - মন দিয়ে তার কথা শুনুন।
আপনার চারপাশে অনেক মানুষকে দেখবেন সুইসাইড করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসেছে। আপনি এদের 'কাপুরুষ' আক্ষা দেবার মানে হল , তার আরেকবার সুইসাইড করার ইচ্ছে জাগিয়ে তোলা!!
''কেউই শখ করে মরে না ; সবই বাধ্যতামূলক আত্মহত্যা"। -
Rajakar
প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় মোট রাজাকারের সংখ্যা ১০,০০০ এর অধিক।
তন্মধ্যে,
জামায়াতে ইসলামী = ৩৭ জন, (২৫ জন মৃত)।
বি,এন, পি = ১০২৪জন।
আওয়ামীলীগ = ৮০৬০জন।
অন্যান্য দল = ৮৭৯ জন।
স্বাধীনতার ৪৯ তম বছরে এসে জাতী জানতে পারলো আসল রাজাকার কারা?
ধন্যবাদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।।
যাহারা এতদিন জামায়াতে ইসলামীর রাজাকার বলে চিৎকার-চেচামেচি করেছিল তাদের ন্যূনতম লজ্জা হওয়া উচিত।।
করোনা মোকাবেলায় ভারতের রাজ্যকোষে অর্থ দান করলেন:
করোনা মোকাবেলায় ভারতের রাজ্যকোষে অর্থ দান করলেন:
👉মোহাম্মদ আজিম হাসিম প্রেমজী=১৫০০ কোটি টাকা।। (( বিশ্ব রেকর্ড ))
এছাড়াও
👉শাহরুখ খান=২২৫ কোটি টাকা।।
👉সালমান খান=২২০ কোটি টাকা।।
👉আমির খান =২১২ কোটি টাকা।।
👉সংসদ বদর উদ্দিন সাহেব =১.৫০ কোটি টাকা।
👉প্রদুৎ বরদল =১ কোটি টাকা।।
👉আব্দুল খালেক = ৫০ লক্ষ টাকা।।
👉বিরাট কোহলী ও অনুষ্কা শর্মা =২০ কোটি টাকা।
👉 সচিন তেন্ডুলকর= ৫০ লক্ষ টাকা।।
👉এমএস ধোনি =১০ লক্ষ টাকা।।
(
কাল্পনিক এক চিড়িয়াখানার বাজেট
কাল্পনিক এক চিড়িয়াখানার বাজেট
১.
দীর্ঘদিনের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা ও স্বার্থান্বেষী মহলের দুর্নীতিতে পর্যুদস্ত কোন এক চিড়িয়াখানার প্রাণীরা ক্রমাগতভাবে জীর্ণশীর্ণ রোগাক্রান্ত হয়ে মুমূর্ষ অবস্থায় মৃতপ্রায়। চিড়িয়াখানার কিউরেটর মুখেই বলে যাচ্ছেন দুর্নীতির প্রতি শূন্য সহনশীলতার কথা। অথচ তার নিযুক্ত কর্তাবাবুরা চিড়িয়াখানার প্রাণীদের বরাদ্দ টাকা চুরি করে নিজেরাই বরং মোটাতাজা হচ্ছে। গত দশবছরে চিড়িয়াখানার ৯ লক্ষ কোটি টাকা কিউরেটরের লোকজন চুরি করে বিদেশে পাচার করে দিলো। বানরের একটি কলা ৫৬ লাখ টাকা এবং ছাগলের এক পিস কাঠালপাতা ৮ হাজার টাকা মূল্য দেখিয়ে কেনা হচ্ছে। কিন্তু এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা তো দুরের কথা। এ নিয়ে কেউ প্রতিবাদ বা সমালোচনা করলে তাকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জেলে ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে। দেখতে দেখতে পুরো চিড়িয়াখানায় সংক্রামক রোগের ভয়াবহ বিস্তার ঘটলো। প্রাণীদের বাঁচাতে প্রয়োজনীয় ২৫০০ টাকার চটের বস্তা ৪৭০০ টাকা এবং ৫০০ টাকার দড়ি ৫০০০ টাকা মূল্য দেখানো হলো।
২.
এরই মধ্যে দূর্নীতিবাজদের জন্য মহা প্রতিক্ষিত বাৎষরিক বাজেট ঘোষিত হলো। সংক্রামনে জর্জরিত প্রাণীদের স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও সুশাসন নিশ্চিতে জোরালো কোনো পদক্ষেপ নেই এই বাজেটে। এতদিন ধরে কিউরেটরের দুর্নীতিবাজরা যে টাকা চুরি করেছে। বাজেটে চিড়িয়াখানায় ফাস্টফুডের দোকান ও সিনে কমপ্লেক্স নির্মান খাতে সেই চুরিকৃত অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালোটাকা সাদা করার অবারিত সুযোগ দিয়ে দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অর্থের বা সম্পদের উৎস নিয়ে দুর্নীতি দমন সংস্হা বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন তোলার বিধানটিও রহিত করা হয়েছে। অর্থাৎ বানরের একটি কলা ৫৬ লাখ টাকা মূল্য দেখিয়ে কিনে যে অবৈধ উপার্জন করা হলো সেই কালোটাকা সাদা করার চমৎকার সুযোগ দিয়ে দেয়া হলো।
৩.
গত দশবছরে যে ৯ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হলো। ঘোষিত বাজেটে ওভার ইনভয়েসিং ও আন্ডার ইনভয়েসিং এর মাধ্যমে অর্থপাচার ঠেকাবার নামে ৫০ শতাংশ জরিমানার বিধান রেখে পাচারকারীদের সেই টাকাকে বৈধতা দেয়া হলো। অর্থাৎ ছাগলের এক পিস কাঠালপাতা ৮ হাজার টাকা মূল্য দেখিয়ে কেনা যে টাকাগুলো বিদেশে পাচার করা হলো সেটাকে বৈধ করে দেয়া হলো।
৪.
পুরো চিড়িয়াখানার গত ১২ বছরের মহাদূর্নীতিতে ভেংগে পরা বিপর্যস্ত স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির মূলোৎপাটনে কোনো পরিকল্পনাই নেয়া হলো না। বরং উল্টা দূর্নীতিবাজ ও অর্থপাচারকারীদের জন্য চলমান পরবর্তী দূর্নীতির মহোৎসবের সুযোগ দিয়ে দেয়া হলো। আশ্চর্যজনক ভাবে এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে শতাংশের হিসেবে মোট বাজেটের ৫ দশমিক ১ শতাংশ বরাদ্দ বিদায়ি বছরের ৫ দশমিক ৮ শতাংশ চেয়েও কমিয়ে দেয়া হলো।
৫.
চিড়িয়াখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাবাবুরা এবারও বেশ খুশি। ৫০০০ টাকা বেতনের ঝাঁড়ুদার এখন ৫ হাজার কোটি টাকার সম্পদশালী। চুরিকৃত অপ্রদর্শিত কালোটাকা সাদা করে তিনি এখন বিশাল চিড়িয়ানেতা। কাঠালপাতার সরবরাহকারী কিউরেটরের দলের কর্তা এখন বিদেশের শীর্ষ ধণী। বানরের কলা সরবরাহকারী কর্তাবাবু এখন ব্যাংক বীমা টিভি চ্যানেলের মালিক। সবাই তারা এখন মহা সম্মানিত। চিড়িয়াখানার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তাদের সম্মান রক্ষার্থে জোড়ালো ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিদ্যমান। তাই তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে হলে অন্যকোন এক দেশের কাল্পনিক চিড়িয়াখানার গল্প দিয়েই বলতে হয়।
অপেহ্মা
বিয়ে করবে আমাকে?
"উওরে সে বলেছিলো নিজের চেহারা দেখেছিস আয়নায়?আমি হলাম এই কলেজের সব থেকে সুন্দর ছেলে।আমার পিছে কত মেয়ে ঘুরে জানিস?কাউকে পাত্তাও দেই না,আর বিয়ে করবো তোকে?দেখ তোকে যে বান্ধবি বানিয়ে সাথে রেখেছি এটাই তোর ভাগ্য।বাচ্চা মেয়ে একটা।
আমি মুচকি হাসি দিয়ে সেখান থেকে চলে এসেছিলাম, কোনো কথা বলিনি,কারন সত্যি ওর মত সুন্দর ছেলে আমাকে কেনো বিয়ে করবে?কত সুন্দরি মেয়ে ওর পিছে ঘুরে।
কিছু বলিনি ঠিকি তবে প্রচন্ড কষ্ট পেয়েছিলাম। বুকের ভেতরটা যেনো খাঁ খাঁ করছিলো।বাসায় এসে দরজা বন্ধ করে সেদিন সত্যি আয়নায় নিজেকে অনেকক্ষন দেখেছিলাম আর কেঁদেছিলাম।আর ভেবেছিলাম কালো হয়ে জন্মানো কি পাপ?
আমি এমনিতে তেমন সাজগোজ করতাম না, পার্লারে যাইনি কখনো।বাবা বলে আমার চেহারা নাকি খুব মায়াবি। এই কথাটা যখন শুনি তখন আমার ভিষন হাসি পাই।
যে ছেলেটাকে বিয়ের কথা বলেছিলাম সে আমার থেকে বেশ বড়,সে যখন অনার্স ৩য় বর্ষে আমি তখন কেবল ইন্টার ১ম বর্ষের ছাত্রী।আমার বোনের ক্লাসমেট ছিলো সে।প্রায় বসায় আসতো কথা বলতে বলতে একটা সময় বন্ধুত্ত হয়ে যায়।
ওর নাম রাফিন।খুব ভালোলাগতো ওকে আমার।ভালোবেসে ফেলেছিলাম ওকে আমি প্রচন্ড।যদিও এর আগে কখনো বলিনি ওকে আমি।এখন মনে হচ্ছে, না বলাটাই বোধহয় ভালো ছিলো।আপুরা সবাই ঘুরতে গেছিলো তাই আমাকেও নিয়ে গেছিলো,এক সময় রাফিন দেখি একা দাড়িয়ে আছে, তখনি আমি কথাগুলো বলেছিলাম রাফিন কে।এতটা অপমানিত হতে হবে ভাবিনি।রাফিন আমার বোনের খুব ভালো বন্ধু। তাই ভয় লাগছিলো রাফিন আপুকে বলে না দেয়।রাফিনকে আমি আগে ভাইয়া বলে ডাকতাম।তারপর ও একদিন বললো আমারা যেহেতু ফ্রেন্ড তাই নাম ধরে ডাকতে।
আমি খুব খুশি হয়েছিলাম ঐ দিন যেদিন ও আমাকে ওকে 'তুমি' বলার পারমিশন দিয়েছিলো।
মনে মনে ভেবেছিলাম ও হয়তো আমাকে পছন্দ করে।আসলে ও অনেক বড়লোক ফ্যামিলির ছেলে। তাই ভয়ে কখনো কিছু বলতাম না। আমার মতো কালো মেয়েকে কেন ভালোবাসবে ও।
এর পর থেকে রাফিন কখনো আমাদের বাসায় আসলে আমি ওর সামনে যেতাম না। আড়াল থেকে দেখতাম ওকে। ও খুব হাসতো।ওর ঐ হাসির জন্যেই আমি ওর প্রেমে পড়েছিলাম।
হঠাৎ একদিন আপু বললো রাফিন নাকি বিদেশ চলে যাবে পড়ালেখার জন্য।শুনে ভিষন কষ্ট লাগছিলো,এতদিন যাও একটু দেখতে পাচ্ছিলাম তাও হয়তো আর হবে না।বুকের ভেতরটা ফাকা ফাকা লাগছিলো। খুব কান্না পাচ্ছিল।যে মানুষটা আমাকে এত অপমান করলো তার জন্যে কেনো যে এত খারাপ লাগছে বুঝিনা।
পরেরদিন কলেজে যাবো তাই রেডি হচ্ছি ঠিক তখন কলিং বেল বেজে উঠলো।
-আসছি,বলে দরজা খুলতে গেলাম দরজা খুলে আমিতো একদম অবাক, রাফিন আমার সামনে দাড়িয়ে আছে।ওকে দেখে চলে যাবো ঠিক তখনি রাফিন আমার হাতটা টেনে ধরলো।
আমি-হাত ধরলেন কেনো?ছাড়ুন আমি আপুকে ডেকে দিচ্ছি।
রাফিন-আপনি কেনো বলছিস?আজকাল তোকে যে দেখাই যাই না।ঐ দিন যে কথাগুলো বলেছিলাম তার জন্যে কি এখনো রেগে আছিস নাকি? দেখ তুই আমার ছোট, তারথেকে বড় কথা আমার সাথে তোর যাই না।আমি যদি তোর মত একটা মেয়েকে বিয়ে করি তো লোকে কি বলবে বল।আমার ফ্যামিলির সম্পর্কে কোনো ধারনা আছে তোর? আমি একটা কালো মেয়েকে বিয়ে করেছি,সবাই শুনলে হাসাহাসি করবে।তুই এসব কথা আর কখনো বলবি না প্লিজ।বান্ধবী বান্ধবীর মত থাক।কিছু মনে করিস না প্লিজ।
আমি-হাত ছাড়ুন।আমার ওসব কিছুই মনে নেই।আমি কলেজে যাবো।হাত ছাড়ুন।
রাফিন-তোর আপুকে ডেকে দে।আসলে আমি আজ বিকালে চলে যাবো তাই আন্টিদের সাথে দেখা করতে এসেছি।ভালো থাকিস তুই।দেখিস তোর খুব ভালো একটা বর হবে।
আড়াল থেকে শুনলাম রাফিন ৫বছরের জন্য বিদেশ যাচ্ছে।মনটা অনেক খারাপ হয়ে গেলো,কলেজ যাইনি সেদিন আর।একটা পুকুরের ধারে বসে ছিলাম কলেজ টাইম শেষ না হওয়া পর্যন্ত।
আমি কি আসলে রাফিনকে ভালোবাসি?নাকি এটা ওর প্রতি আমার মোহ।এসব ভাবছিলাম বসে বসে।আর নিরবে কাঁদছিলাম।
-
কলেজ টাইম শেষ হয় ২টার সময়।আমার বাসায় ফিরতে ২.৩০বেজে গেলো।আজ হেটেই বাসায় ফিরেছি।বাসায় ফেরার সময় মনে হচ্ছিল কেউ ফলো করছে আমাকে।মন ভালো না তাই ভালো করে খেয়াল করিনি। বাসায় ফেরার পর দেখলাম আপু রেডি হচ্ছে।
-কোথাই যাচ্ছ আপু?
-আর বলিস না রাফিনকে এয়ারপোর্টে ছাড়তে যাচ্ছি।বললাম যাবোনা ও শুনলোই না।বললো ওর সব ফ্রেন্ডস ওকে ছাড়তে না গেলে ও নাকি যাবেই না।এর কোনো মানে হয় বল।আমরা সব ফ্রেন্ডস যাবো একসাথে।তুই ফ্রেস হয়ে নে যা।আমি রেডি হতে লাগি।ফ্রেস হয়ে তুই ও রেডি হ জলদি।
-আমি?
-হ্যাঁ তুই।
-আমি কেনো রেডি হবো?
আপু-ওমা, আমি তো জানতাম রাফিন তোরো ফ্রেন্ড, তো তুই যাবি না?ঠিক আছে না গেলে নাই,আমি একাই চলে যাবো তবে(কথাটা বলে আপু মুচকি হাসি দিলো)।
নেক্সট পর্ব আপনার টাইমলাইনে দ্রুত পেতে "#following_see_first" দিয়ে রাখুন।এবং টাইমলাইনে খোজ রাখুন,তাহলেই নেক্সট পরতে পারবেন..কেউ আর বলবেন নাহ যে নেক্সট তো পাই নাহ।
ধন্যবাদ ইতিঃ (#Al-amin)গল্পের মাঝে বিরক্ত করার জন্য দুঃক্ষিত।
আমি-তুমি হাসছো কেনো আপু?
আপু-কই হাসলাম। যদি যেতে চাস তো ১৫ মিনিটের ভেতর রেডি হবি।
-আমি আর কথা না বাড়িয়ে রেডি হতে চলে গেলাম।ও ভালো নাইবা বাসুক আমিতো ভালোবাসি ওকে।আর কবে দেখা হবে তার ঠিক নেই,কোনোদিন হয়তো আর দেখাই হলোনা।
আপু-সেজুতি হলো তোর?(আপু ডাকছে, ও আমার নামটাই তো বলা হয় নি,আমি সেজুতি,আর ও আমার বড় বোন বিথি, রাফিন বিথি আপুর ক্লাসমেট)।
আমি-আসছি আপু।
আপু-কিরে বললিতো যাবি না।এখন দেখছি সেজেই যাচ্ছিস, বেপার কি বলতো আমার কোনো ফ্রেন্ডের প্রেমে পড়লি নাকি আবার,হুম?
-কি যে বলো আপু, এমন করলে কিন্ত যাবোনা আমি দেখো।
-হ্যাঁ সেতো দেখতেই পারছি।চল এখন জলদি।ওরা সব বাইরে গাড়িতে ওয়েট করছে।
-ওরা, কে কে?
-আরে রাফিন দুইটা গাড়ি নিয়ে এসেছে।
-মানে রাফিন ভাইয়াও আছে গাড়িতে?
-মনে হয়।চলতো গিয়ে দেখি।
-আপু তুমি যাও আমি আসছি।
-আচ্ছা জলদি আই।
নিচে গিয়ে দেখি আপু অলরেডি গাড়িতে উঠে বসে আছে।গাড়ি পুরো ভরা কেউ একজন আমার হাতটা টান দিয়ে ভিতরে বসালো।পরে খেয়াল করলাম ওটা রাফিন।শেষ মেষ ওর পাশে বসলাম। আমার কপালটাই খারাপ, না জানি আবার কি বলে অপমান করে।ধুর ভাললাগেনা।
রাফিন-কিরে সেজুতি এত সেজেছিস যে?বিয়ে বাড়ি যাচ্ছিস নাকি? (বলে হেসে দিলো)।
-আসলে এই লোকটা সবসময় আমাকে অপমান করার জন্যে রেডি হয়ে থাকে।
আমি-আপু আমি যাবো না।গাড়ি থামাও।
আপু-আরে তোর কি মাথা খারাপ নাকি।এখন গাড়ি কিভাবে থামাবে।তাহলে রাফিনের দেরি হয়ে যাবে।চুপ করে বসে থাক তুই।
আমি-তাহলে আমি পেছনে বসবো তুমি এখানে এসে বসো।
আপু-আরে চুপ করে বস তো,আর অল্প একটু পথ। চলে আসছি প্রায়।
তাকিয়ে দেখি রাফিন মুচকি হাসছে।ব্যাপারটা কিছুই বুঝলাম না।আমরা এয়ারপোর্ট পৌছে গেলাম।সবাই এক এক করে নেমে গেলো।আমি আর রাফিন পাশাপাশি।সবাই নেমে এক সাইডে দাড়ালো আমি যেই উঠতে যাবো ওরনাই টান লেগে রাফিনের কোলের উপরে পড়ে গেলাম।রাফিন সাথে সাথে আমাকে উঠিয়ে দিয়ে বকা দিতে লাগলো,দেখে উঠতে পারিস না, কানা নাকি তুই।
-আমার ওরনা আপনার পায়ের নিচে আটকে আছে।
-ও সরি সরি,আমি আসলে,, ,,
-থাক হয়ছে ওরনাটা ছাড়ুন।
আমার খুব খারাপ লাগছিলো।এই লোকটা আগে তো এমন ছিলো না,যেদিন থেকে উনাকে প্রপোজ করেছি সেদিন থেকে সবসময় যেনো আমাকে অপমান করার জন্য বাহানা খুজে।দাম বেড়ে গেছে মনে হয়।
রাফিন চলে গেলো,মনে হচ্ছে বুকের ভেতরটা ফাকা ফাকা লাগছে।
যে মানুষটা আমাকে দেখতেই পারে না তার জন্য কেনো এত হাহাকার বুকের ভেতর।মনে হয় এটাই ভালোবাসা।
আমি আর আপু বাড়িতে ফিরে এলাম।রাতে আপুর সাথে ঘুমাই আমি।ভেবেছিলাম আজ রাতে চুরি করে রাফিনের ফোন নাম্বার নিবো আপুর ফোন থেকে।
পরে ভাবলাম না থাক। ফোন দিলে হয়তো আবার অপমান করবে।তারচেয়ে বরং আমি একাই ভালোবাসবো তাকে।ভালোবাসলেই যে পেতে হবে তার তো কোনো মানে নেই।
রাফিনের দেওয়া অনেক উপহার আছে আমার কাছে।দুইটা কলম,একটা ডায়েরি,এবং একটা গোলাপ।এগুলো রাফিন আমাকে আমার জন্মদিনে গিফট করেছিলো।গোলাপ টা ডায়েরির ভাজে রেখে দিয়েছি। যেই ভাজে রেখেছি সেখানে অনেক বড় বড় অক্ষরে লিখে রেখেছিলাম,"আমি তোমাকে ভীষন ভালোবাসি রাফিন"।ডায়েরিটাসবসময় নিজের কলেজ ব্যাগেই রাখতাম, যাতে কারো হাতে না পড়ে।
এভাবে সময় চলে যেতে লাগলো।যত সময় যেতে লাগলো পড়াশোনার চাপ বাড়তে লাগলো।একটা সময় রাফিনের কথা খুব কম মনে পড়তে লাগলো,পড়ার চাপে।তবে ভুলে যাই নি।রোজ রাতে ওর দেওয়া ডায়রিটাতে লিখতে ভুলিনা।"আমি তোমাকে ভীষন ভালোবাসি রাফিন"।
Next PART amr timeline a paben...tai follow dea rakhen
এভাবে একটা বছর কেটে গেলো,রাফিন চলে গেছে আজ এক বছর।পড়ার চাপ বেড়ে গেছে।তাই অনলাইনে তেমন আসা হয় না।আজ এক সপ্তাহ পর অনলাইনে আসলাম।অনেক গুলো ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট এসেছে।তার পর যা দেখলাম দেখে চোখ আমার কপালে উঠে গেছে।দেখলাম রাফিন ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট দিয়েছে।
আমি আগে অনেক খুজেছি ওর আইডি তবে পাইনি।আগে একটু লুঙ্গী ডান্স দিয়ে নেই তারপর একসেপ্ট করবো রিকু।
সন্ধার পর রাফিনের রিকুয়েস্ট এক্সেপ্ট করলাম। এক্সেপ্ট করে পড়তে বসেছি।কিন্ত পড়াই মন বসছে না।তাই ওর ছবিগুলো দেখতে লাগলাম ওর আইডিতে ঢুকে।
কিন্ত যা দেখলাম দেখে মাথাই আগুন ধরে গেলো,উনি লেখাপড়া বাদ দিয়ে প্রেম করতেছেন ওখানে।সুন্দরী একটা মেয়ের সাথে ছবি আর ছবিতে ভরা তার টাইমলাইন।
হঠাৎ টুং করে একটা ম্যাসেজ আসলো।দেখলাম রাফিন।
রাফিন-হাই
আমি-হ্যালো
রাফিন -কিরে কেমন আছিস?
আমি-আছি ভালোই।অনেক ভালো আছি।আপনি?
রাফিন-হ্যাঁ আমিও অনেক ভালো আছি।
আমি-হ্যাঁ জানি।
রাফিন -কিভাবে জানলি?আচ্ছা বাদ দে,তোর ভাবিকে দেখেছিস?কেমন বল তো?
আমি-ভাবি কে?
রাফিন -আরে আমার গফ।ওয়েট ছবি দিচ্ছি।
আমি-না থাক লাগবে না।দেখেছি।(আমাকে কষ্ট দিয়ে এই লোকটা মনে হয় পৈশাচিক আনন্দ পাই)।
রাফিন-ও আমাদের কলেজের সব থেকে সুন্দরী মেয়ে।
-আমি আর কিছু বললাম না, না বলে সাথে সাথে ব্লক মেরে দিলাম ওকে। মনে মনে জিদ হলো আমার আমি তোর গফ এর চেয়েও বেশি সুন্দরি হয়ে দেখাবো।একদিন তুই ঘুরবি আমার পিছে দেখিস।মনের ভেতর প্রচন্ড জিদ চেপে বসলো সুন্দরী হবার।জানি যদিও কাজটা সহজ না তবুও।যেই ভাবা সেই কাজ।নিজের প্রতি যত্ন নিতে শুরু করলাম।রাফিনকে যখন প্রপোজ করেছিলাম বেশ ছোট ছিলাম তখন,কেবল যৌবনে পা দিয়েছি।তখন বুঝতাম না কিভাবে নিজেকে পরিপাটি রাখতে হয়।কিভাবে থাকলে নিজেকে দেখতে ভালো লাগে।
এখন বুঝি এবং নিজেকে অনেক পরিবর্তন করে ফেলেছি।রাফিনো হয়তো চিনতে পারবে না আমাকে দেখে।নিজেকে নিয়ে এতটাই ব্যাস্ত ছিলাম যে কিভাবে চখের পলকে ৫ টা বছর কেটে গেলো বুঝতেই পারিনি।রাফিন এখনো ফেরেনি দেশে। ও প্রায় ফোন করে আপুর কাছে, আমি পর্দার আড়াল থেকে ওদের কথা শুনি লুকিয়ে লুকিয়ে।
এখন আর রাফিনকে তেমন একটা মনে পড়ে না,কারন ও অন্য কাউকে ভালোবাসে আর এখন ওর মত অনেক ছেলে আমার পিছে ঘুরে,তবে ভুলে যাইনি,প্রথম ভালোবাসা ও আমার,আজো আমি মনে মনে ওর জন্য অপেক্ষা করি।এদিকে বড় আপুর বিয়ে ঠিক হয়েছে আগামি মাসে।
বললে হয়তো বিলিভ করবেন না আমি সত্যি গত ৫ বছরে কতটা পরিবর্তন হয়ে গেছি।বাবা মা শুধু ভাবেন আমার এই পরিবর্তনের কারন কি?বাড়িতে আপুর বিয়ের তোড়জোড় চলছে ভীষন ভাবে।
এর ভেতরে একটা ঘটনা ঘটেছে সেটা তো আপনাদের বলাই হয়নি আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।আপুর বিয়ের ৩মাস পর আমার বিয়ে।ছেলে আপুরি এক ফ্রেন্ড।তার একটা কাহিনি আছে,রাফিন চলে যাবার পর একটা ছেলে আমাকে সবসময় ফলো করতো.......
#গল্প🍂অপেক্ষা🍂
🌹_ #পর্ব_১ _🌹
#চলবে_কি???
Next Part Coming SooN........
গল্প পড়ে কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন, আপনাদের মতামত আমার অনুপ্রেরণা 😍ভালো রেসপন্স পেলে পরের পর্ব দেয়ার আগ্রহ বাড়বে। 😊
.
.
.
.
.
.
#বিঃদ্রঃ ভুলক্রুটি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আর ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট করে সাথে থাকবেন। আপনাদের লাইক কমেন্ট দেখলে মনে হয় গল্পটা আপনাদের ভালো লেগেছে এবং আপনারা গল্পটা পড়েছেন,আর তাতে করে আমার ও পরবর্তী পর্বটা দেওয়ার আগ্রহ বেড়ে যায়।
Kalo meyer proti obhela
কালো মেয়ের প্রতি অবহেলা
পার্ট-০১
{দেহের সৌন্দর্য তো একদিন হারিয়ে যাবে,কিন্তু মনের সৌন্দর্য অাজীবন থাকবে}
বাস থেকে নামতেই শিমুর উড়না উড়ে গিয়ে একটা গাড়ির সামনের কাচে গিয়ে পরলো।উড়নার পিছন পিছন একটা গাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালো শিমু।উড়না টা ধরতে গিয়েই গাড়ি থেকে একজন নামলো.শিমু তারদিকে তাকালো।
শুভ্র-এই মেয়ে তোমার চোখ কোথায় থাকে হ্যা।অার নিজের উড়না ঠিক ভাবে গুছিয়ে রাখতে পারো না.দেখতে যেমন কালো তুমি,তেমন কী তোমার চোখের সামনে কালো পর্দা দিয়ে রাখছো নাকি.যত্তসব পেত্নির মত দেখতে মেয়ে একটা,দূর অাজকের দিনটাই মাটি করে দিলো।
(বলেই উড়না টা কাচ থেকে তুলে শিমুর মুখে ছুঁড়ে মারলো।এতক্ষনের বকাঝকাতে শিমু প্রচুর ভয় পেলো তাই ভয়ে কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারছিলো না।চোখে পানি চলে অাসলো শিমুর।অাশেপাশেও অনেক লোক জমা হয়ে গেলো)
শিমুর বাবা-মা রে ভয় পাইছ না।
শুভ্র-এরকম একটা মেয়েকে নিয়ে রাস্তায় কী করেন.
শিমুর বাবা-অামি তোমার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
শিমু-অামি মামানে অাঅামি......
শুভ্র-চুপ(ধমক দেওয়ার সাথে সাথে শিমু ভয়ে চমকে উঠলো)
হঠাৎ করেই একজন বলে উঠলো----
এই যে অনেক্ষন ধরে অাপনার অন্যায় দেখতাছি।মেয়েটা অার মেয়েটার বাবা তো ক্ষমা চাইলো।তারপরেও এত রাগ কিসের.যান নিজের কাজে যান।
বাকি সবাই একসাথে সমর্থন দেওয়াতে শুভ্র রেগে গাড়িতে উঠে চলে গেলো।
শুভ্র(পুরো নাম হৃদয় চৌধুরী শুভ্র)বাবা মায়ের অাদরে বাঁদর হয়ে যাওয়া অহঙ্কারি, বদমেজাজি,রাগী,জেদি ছেলে.
অন্যদিকে শিমু(পুরো নাম জান্নাতুল ফেরদাউস শিমু) অাজকেই গ্রাম থেকে শহরে অাসছে কলেজে ভর্তি হতে।কিন্তু এসেই এই বিপত্তি ঘটলো.
কিছুক্ষন পর শিমু চলে গেলো কলেজে.অাজকেই কলেজ হোস্টেলে উঠবে সে.
কলেজে যেতেই দেখলো কিছু স্টুডেন্ট তাকে দেখে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করছে অার হাসছে.সত্যিই শিমু দেখতে খুব কালো ছিলো.
শিমুর অাব্বু-মা রে তুই এখানে থাকতে পারবি তো.
শিমু-অাব্বু থাকতে তো হবেই অামাকে।অার অামাকে সব পারতে হবে।
শিমুর অাব্বু-ঠিক অাছে মা।কিন্তু যা দেখতেছি অামার খুব চিন্তা হচ্ছে তোর জন্য।
শিমু-এত চিন্তা করো না,কিছু হবে না।
শিমুর অাব্বু-ঠিক অাছে চল।
_______________________________________________
কিছুক্ষন পরেই প্রিন্সিপ্যালের রুম থেকে বের হয়ে অাসলো শিমু।রেজাল্ট দেখে শিমুকে কলেজে এডমিশন দিলেও সবাই শিমুকে নিছু চোখে দেখে।
(প্রিন্সিপ্যাল রুমের বাইরে যেতেই সামনের চেয়ারে একজন বসে অাছে)
শিমু-বড় অাব্বু.
বড়অাব্বু-মা তুই অাসবি বললি না কেনো?
শিমুর অাব্বু-অারে ভাইজান তুমি এখানে?অার জানলে কী ভাবে অামরা এখানে অাসবো।
বড় অাব্বু-জেনেছি কোনো ভাবে.চল বাসায় চল।
শিমুর অাব্বু-না ভাইজান শিমুকে হোস্টেলে রেখে অামাকপ বাড়ি যেতে হবে।
বড়অাব্বু-এটা তুই কীভাবে ভাবলি যে অামার এত বড় বাড়ি থাকতে শিমু হোস্টেলে থাকবে।
শিমুর অাব্বু-ভাইজান অামার ছেলে পরশকে তো তোমার বাসায় থেকে পড়ালেখা করতে দিয়েছিলাম,কিন্তু অতিরিক্ত ভোগ বিলাসিতায় ছেলেটা এখন অামাদেরকেই ভুলে গেলো।অামি জানি অামার মেয়েটা এরকম কিছু করবে না।কিন্তু অামি অার তোমার উপর নির্ভর করে চলতে পারবো না।
বড়অাব্বু-শিমু অামার মেয়ে,ওকে অামি কোনোদিন রিত্ত থেকে অালাদা করে দেখিনি।তাই অামার মেয়ে অামার সাথেই যাবে।অার পরশ(পুরো নাম নাঈমুল রহমান পরশ) এর কথা বাদ দে,ওর কারো ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্যতা নেই.
(শিমুর অাব্বু উনাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিলে)
শিমুর অাব্বু-ভাইজান কেনো পরশ এটা করলো।
বড়অাব্বু-বাদ দে এসব।চল বাসায় চল।এখানের সব কাজ তো শেষ??
শিমুর অাব্বু-হুম শেষ।
বড়অাব্বু-ঠিক অাছে শিমু চল।অামি কোনো কথা শুনবো মা চল।
(একপ্রকার জোর করেই শিমু অার শিমুর অাব্বুকে বাসায় নিয়ে গেলো বড় অাব্বু)
বড় অাব্বু-অায় মা ভিতরে অায়।
শিমুর অাব্বু-ভাইজান ওর লেখাপড়া করার খুব ইচ্ছা.অার ওর মা নিশেধ করতেছে কী করা যায়।
বড় অাব্বু-অামি বলি কী ওর যখন এত ইচ্ছে ও লেখােড়া করনে।
শিমুর অাব্বু-ভাইজান অামি জানি অাপন না হয়েও তুমি অামাকে ভাইয়ের জায়গা দিয়েছো।অামার বড় ছেলেটাকে মানুষ করেছো এখন অাবার মেয়েটাকে।কি করে যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবো তোমার কাছে।
বড় অাব্বু-অাপন ভাই না হলেও তোকে তো অামি নিজের ভাই মনে করি.অার কিসের কৃতজ্ঞতা,তুই অামার নিজের ভাই। রহিমা,কই গেলি নাস্তা নিয়ে অায়.
রহিমা নাস্তা নিয়ে অাসতেই শিমুর দিকে তাকিয়ে ভূত দেখার মত চমকে নাস্তার ট্রে পেলে দিলো হাত থেকে।
বড় অাব্বু-এটা কী করলি?ঠিক ভাবে কাজ করবি তো.যা অাবার নাস্তা বানিয়ে অান।
রহিমা চলে গেলো,এতক্ষনে শিমুও বুজে গেলো ওকে দেখেই রহিমার এই অবস্থা হয়েছে.মাথা নিছু করে দাঁড়িয়ে অাছে শিমু.
বড় অাব্বু-এখানে অায় তো মা.
শিমু-বড় অাব্বু অামি এখানেই ঠিক অাছি।
বড় অাব্বু-অাসতে বলছি অায়.
শিমু অাস্তে অাস্তে এগিয়ে গেলো।
বড় অাব্বু-মা রে অাজ থেকে তুই অামার অারেকটা মেয়ে।এই বাবাটাকে কিন্তু দেখতে হবে,,
#চলবে
#
Jukti
যুক্তিবিদ্যা এবং ভাষা
ত। কাজেই সব।
জটি উল্লেখিত ছকদ্বয় দ্বারা কপি যা বােঝাতে চেয়েছেন তা হলাে, সত্য বচন নিয়ে যুক্তি বৈধ
অবৈধ ও অবৈধ দুই-ই হতে পারে। একইভাবে মিথ্যা বচন নিয়েও যুক্তি বৈধ ও অবৈধ হতে পারে।
মিথ্যা আশ্রয়বচন ও সত্য সিদ্ধান্ত নিয়ে যুক্তি বৈধ ও অবৈধ উভয়ই হতে পারে।
যেমন আবার
, সত্য আশ্রয়বচন ও মিথ্যা সিদ্ধান্ত নিয়ে গঠিত যুক্তি সর্বদাই অবৈধ হবে। কখনই বৈধ।
কেবল
না।
হতে পারবে
নিঃসৃত সত্যতা ও বৈধতার মধ্যে পার্থক্য
between truth and validity
Defference
যেমন, সত্যতা ও বৈধতার স্বরূপ বিশ্লেষণ করলেই এদের মধ্যেকার পার্থক্য অনুধাবন করা যায়।
কিন্তু তারপরও বােঝার সুবিধার্থে এদের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পার্থক্য সুনর্দিষ্টভাবে
তুলে ধরা হলাে।
প্রথমত, সত্যতা হচ্ছে বচনের বৈশিষ্ট্য। আর বৈধতা হচ্ছে যুক্তির বৈশিষ্ট্য। অর্থাৎ
F সিদ্ধান্ত বচনের ক্ষেত্রেই কেবল সত্যতা মিথ্যাত্ব আরােপ করা যায়। এককথায় কেবল বচনই সত্য বা
মিথ্যা হয়ে থাকে। অন্যদিকে বৈধতা বা অবৈধতার বিষয়টি আরােপ করা হয় যুক্তির উপর।
অর্থাৎ একমাত্র যুক্তিই বৈধ বা অবৈধ হয়ে থাকে।
দ্বিতীয়ত, একটি বচন যখন বাস্তবের অনুরূপ হয় অথবা যখন এর মধ্যে অন্তর্বিরােধ
থাকে না তখনই তা সত্য হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। অন্যথায় তা মিথ্যা হিসেবে প্রতিপন্ন
হয়। পক্ষান্তরে, আশ্রয়বচন থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে যখন সিদ্ধান্ত নি: সৃত হয় তখন একটি
যুক্তি বৈধ বলে পরিগণিত হয়। অন্যথায় যুক্তিটি অবৈধ হয়ে পড়ে।
তৃতীয়ত, সত্য হওয়ার জন্য একটি বচনকে আকারগত ও বস্তুগত উভয় দিক থেকেই
নিঃসৃত। এবং সত্য হতে হয়। অর্থাৎ সত্য হতে হলে একটি বচনকে যেমন বাস্তবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হতে
হয়, তেমনি একে হতে হয় নিয়মানুসারী। অন্যদিকে, বৈধ হওয়ার জন্য যুক্তিকে কেবল
প্রকাশ আকারগতভাবে সত্য হতে হয়। অর্থাৎ যুক্তিকে হতে হয় নিয়মসঙ্গত। এককথায় সংশ্লিষ্ট
যুক্তিকে এমনভাবে গঠিত হতে হয় যেন এর সিদ্ধান্তটি আশ্রয়বচন থেকে অনিবার্যভাবে
নি: সৃত হতে পারে। কাজেই যুক্তিকে বৈধ হওয়ার জন্য এর বস্তুগতভাবে সত্য হওয়া জরুরি
নয়।
চতুর্থত, বচনের সত্যতা বা মিথ্যা তথ্যগত বিষয়, যা বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়ােজনে
বা সাধারণ মানুষের জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশে আলােচিত হয়। পক্ষান্তরে যুক্তির বৈধতা বা
অবৈধতা নির্ণয়ের দায়িত্ব হচ্ছে যুক্তিবিদ্যার। অর্থাৎ সত্যতা বৈজ্ঞানিক বা সাধারণ মানুষের
আলােচ্য বিষয়, আর বৈধতা হচ্ছে যুক্তিবিদ্যার আলােচ্য বিষয়।
উল্লেখ্য যে, যুক্তিবিদ্যার মূল আলােচ্য বিষয় হচ্ছে যুক্তির বৈধতা, আর বৈধতা সম্পর্কে
সুস্পষ্ট ধারণা লাভের জন্য সত্যতার সাথে এর পার্থক্য জানা অত্যন্ত জরুরি। বস্তুত এ
কারণেই যুক্তিবিদ্যায় বর্ণিত সত্যতা ও বৈধতার আলােচনায় এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্য
নির্ধারণের কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
.
যুক্তিবিদ্যা
প্রতীকী ১
যে, আয়বচন ও
যায়
দেখা যায়। এগুলাে হলাে
থেকে পাওয়া
বা ফ্লাক্তি যুক্তি, 2
ন্যায় আলোচনা বৈধ থাকে। যেমন
অজাঞ্জ Argument সংক্রান্ত তিন ধরনের বৈধ হয়ে
Sound সম্পর্ক মোট যুক্ত
ও বৈধতার ভিত্তিতে সত্য হলে প্রাণি
সততা সম্পর্কের বচন
| সত্য-মিথ্যার সবগুলাে
ভক্তগত হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণি। 6
স্লারি সকল মানুষ একজন মানুষ বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন।
| এক
সক্রেটিস হলাে বচনই সত্য এবং যুক্তিটির সিদ্ধা,
সুতরাং সক্রেটিস প্রতিটি
এ যুক্তিটি বৈধ। কারণ এর অন্তর্গত
বচন মিথ্যা হলেও হয়েছে যুক্তি। বৈধ হতে পারে। যেমন,
দুই অশ্রয়বান যুক্তির থেকে অক্তৰ্গত নিয়মসঙ্গত সবগুলাের উপায়ে অনুসৃত
কোনাে সম্পদশালী ব্যক্তি নয় সুখী।
।
সকল মানুষ হয় সম্পদশালী নয় সুখী।
এ যুক্তিটি বৈধ সুতরাং। যেহেতু কোনাে এর মানুষ সিদ্ধান্ত আশ্রয়বচন থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে অনুত
হয়েছে। যদিও আলােচ্য যুক্তির অন্তর্গত প্রতিটি বচনই মিথ্যা।
তিন যুক্তির অন্তর্গত আশ্রয়বচন মিথ্যা হয়ে সিদ্ধান্ত সত্য হলেও যুক্তিটি বৈধ হতে পারে।
যেমন
সকল মাছ হয় স্তন্যপায়ী
সকল তিমি হয় মাছ ।।
সুতরাং সকল তিমি হয় স্তন্যপায়ী |
আলেচ্য যুক্তিটির দুটো আশ্রয়বচনই মিথ্যা, যদিও এর সিদ্ধান্তটি সত্য
যুক্তিটি বৈধ। কেননা এর। কিন্তু তারপরও
উপযুক্ত তিনটি যুক্তির সিদ্ধান্তটি পর্যালােচনার আশ্রয়বচন ভিত্তিতে থেকে নিয়মসঙ্গত মিথ্যাবচন উপায়ে থাকা সমাধান সত্ত্বেও অনুসৃত দেয়ার যুক্তির হয়েছে লক্ষ্যেই বৈধ।
অনেক অন্তর্গত Conditions হওয়ার যুক্তির যুক্তিবিদ বিষয়ে সবগুলাে শর্তাবলি প্রশ্ন আলােচ্য বচনই দেখা সত্য দিতে যুক্তিগুলাের পারে থাকে। মধ্যে, আর তাকেই পার্থক্য এরূপ বলা নিরূপণ প্রশ্নের হয় যৌক্তিক অভ্রান্ত করতে ন্যায় গিয়ে বা উপরে যুক্তি। প্রদত্ত প্রথম
আকারের যুক্তিকে
অভ্রান্তি ন্যায় বা যুক্তি নামে
হয়ে করেছেন
আখ্যায়িত
বৈধ। অর্থাৎ যেসব যুক্তির।
একটি of valid
যুক্তিকে argument
বৈধ
হওয়ার
এ প্রেক্ষিতেই জন্য একে
কতগুলাে
এ শর্তগুলাে শর্ত
নিয়ে পালন
উল্লেখ করতে
হয়
করা।
হলাে। তবে এ শর্তগুলাের।
হয়। আর
৩১
যুক্তিবিদ্যা এবং ভাষা
১. কোন যুক্তিকে বৈধ হতে হলে সেই যুক্তির অশ্রয়বচনের সাথে সিদ্ধান্তের একটা যৌক্তিক
সম্পর্ক থাকতে হয়।
২. বৈধ হওয়ার জন্য অবরােহ অনুমানের যুক্তিকে আকারগতভাবে সত্য হতে হয়। অর্থাৎ
এক্ষেত্রে যুক্তিকে হতে হয় নিয়মানুসারী। অন্য দিকে আরােহ অনুমানের যুক্তিকে
আকারগত ও বস্তুগত উভয় দিক থেকেই সত্য হতে হয়। অর্থাৎ এক্ষেত্রে যুক্তিকে
নিয়মানুসারী হওয়ার পাশাপাশি বাস্তবের সাতে সঙ্গতিপূর্ণও হতে হয়।
৩, অবরােহ অনুমানের কোনাে বৈধ যুক্তির সিদ্ধান্ত আশ্রয়বচন থেকে ব্যাপক হতে পারে না।
অর্থাৎ এরূপ যুক্তিপদ্ধতি প্রয়ােগ সার্বিক কোনাে বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত করে একটি বিশেষ
বিষয়কে প্রমাণ করতে হয়।। অন্যদিকে আরােহ অনুমানের কোনাে বৈধ যুক্তির
সিদ্ধান্তকে আশ্রয়বচন থেকে অবশ্যই ব্যাপক হতে হবে। অর্থাৎ এরূপ যুক্তিপদ্ধতি
প্রয়ােগ পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত বিশেষ কতগুলাে বিষয়কে সার্বিকীকরণ বা সামান্যীকরণ
করতে হয়।
৪. কোনাে অবরােহ যুক্তিকে বৈধ হতে হলে সেই যুক্তির আশ্রয়বচন থেকে সিদ্ধান্তকে
নিয়মসঙ্গত উপায়ে অনুসৃত হতে হয়। অন্যদিকে কোনাে আরােহ যুক্তিকে বৈধ হতে
অনুসৃত হলে বিশেষ বিশেষ কতগুলাে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক দৃষ্টান্তের যথাযথ পর্যবেক্ষণের
ভিত্তিতে সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করতে হয়।
পারে। ৫. কোনাে বৈধ যুক্তির সবগুলাে আশ্রয়বচন সত্য হলে তার সিদ্ধান্তকে অবশ্যই সত্য হতে
হবে। অর্থাৎ কোনাে বৈধ যুক্তির ক্ষেত্রে এর আশ্রয়বচনসমূহ সত্য হলে তা থেকে
নি: সৃত বা অনুমিত সিদ্ধান্ত কখনােই মিথ্যা হবে না।
৬. সর্বোপরি বৈধ হওয়ার জন্য অবরােহ বা আরােহ যে কোনাে ধরনের যুক্তির
আশ্রয়বচনসমূহের মধ্যে অনিবার্য সম্পর্ক থাকতে হবে।
পরও উল্লেখ্য যে, যুক্তিবিদ্যার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে যুক্তির বৈধতা নিরূপণ। = আর এই লক্ষ্য অর্জনে
উপযুক্ত শর্তগুলাে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। কাজেই যে কোনাে বৈধ
টু। যুক্তি প্রণয়নের ক্ষেত্রে আলােচ্য শর্তগুলাের যথাযথ প্রয়ােগ ও পালন একান্ত আবশ্যক।
বৈধ।
ক্ষ্যই
প্রথম
মার
যুক্তিবিদ্যা
প্রতীকী
উত্তর: স
১১. যে
উত্তর: ‘ এ
, যা অশুদ্ধ যুক্তি।
। ১২. সত্য
অনুশীলন
প্রকা” সংজ্ঞাটি লিখ জগ।
স্কৃতি সংক্ষিপ্ত বাপির ও পদ্ধতিসমূহের
সম্পর্কে নীতি স}
ফুলাবিদ্যা সেই বিজ্ঞান। ১৩,
১. হচ্ছে
পৃথক করে। হ ’ কী? উত্তর:
উত্তর: যুক্তিবিদ্যা ভাষায় প্রকাশিত চিন্তার
সুকে বুৎপত্তিগ’তে হচ্ছে- ১৪. আ
২. যুক্রাবার অর্ষে যুক্তিবিদ্যা?
উত্তর: বুৎপত্তিগত বিষয় কী
কেন্দ্রীয় হচ্ছে- যুক্তি বা অনুমান।
৩. যুক্তিবিদ্যার কেন্দ্রীয় বিষয় প্রকাশিত রূপ। হ
উত্তর: যুক্তিবিদ্যার ভাষায়
ফিরে আসার গল্প২
💖💖💖 ফিরে আসার গল্প💖💖💖
গল্পের লেখক
পার্ট২
কারন আমার ছাএী বাড়িতে রিতিমত যুদ্ধ শুরু করে দিছে।
কারনটা এখনও আমি বুঝতে পারছি না।
পরে শুনলাম ও কি যেন একটা ওর মায়ের কাছ থেকে চেয়েছে আর ওটা সে পাইনি তাই।
তখন বুঝতে পারলাম এই মেয়েকে পড়াতে হলে আমাকে অনেক চাপ সহ্য করতে হবে।
এ খুব সাংঘাতিক একটা মেয়ে।
আর বড় লোকের মেয়েরা এ রকমই হয়।
ও এখন ক্লাস নাইনে।
আর এ বয়সের মেয়েরা একটু জেদিই হয়।
আমাকে দেখে ছাএী আমার একটু শান্ত হল।
আমি প্রথমে আন্টিকে সালাম দিলাম।
কেমন আছো বাবা???
ভালো আছি আন্টি।
আপনি কেমন আছেন???
হুম ভালো আছি।
তুমি গিয়ে রাএীর রুমে বসো আমি ওকে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
জ্বি আন্টি।
একটা কাজের লোক আমাকে রাএীর রুমটা দেখিয়ে দিলো।
মা আমি পড়বো না।(রাএী)
কেন??? (আন্টি)
আমার ভালো লাগছে না।
এত ভালো লাগতে হবে না।
গিয়ে পড়তে বস।
তাছাড়া তোর আবদারও পূরন হবে না।
আচ্ছা ঠিক আছে যাচ্ছি।
একটু পরে রাএী আসলো।
আমার সামনে একটা টেবিল আছে তারপর একটা চেয়ার সেটাতে বসে পড়লো।
আমার নাম সোহান আর আজ থেকে আমি তোমাকে পড়াবো।
জ্বি আচ্ছা তবে আমি আপনাকে স্যার বলে ডাকতে পারবো না।
তাহলে???
ভাইয়া বলে ডাকবো।
আচ্ছা ঠিক আছে তাই বলে ডেকো।
এটা নিয়ে বেশি কথা না বলায় ভালো আবার যদি বলে পড়বো না তখন বিপদ।
যে রকম মেয়ে।
আচ্ছা তোমার কোন কোন বিষয়ে সব চেয়ে বেশি সমস্যা???
ম্যাথ,আর ইংলিশ।
আচ্ছা এগুলো তোমাকে সব চেয়ে বেশি ভালো করে পড়াতে হবে।
তার পর বই বের করে ওকে পড়ানো শুরু করলাম।
আমি প্রত্যেক দিন এভাবে রাএীকে পড়াতে লাগলাম।
আস্তে আস্তে মেয়েটা আমার সাথে খুব ভালো আচরন করতে লাগলো।
আগের মত আর খারাপ ব্যবহার করে না।
পড়াশুনায় খুব মনোযোগি হয়েগেল তবে দুষ্টুমি টা আছে।
এভাবে প্রায় ৬মাস পর হয়েগেলো।
ওর প্রথম সিমিস্টের পরিক্ষায় খুব ভালো করলো।
এ জন্য ওর বাবা আমার বেতনটা একটু বাড়িয়ে দিলো।
তারপর ও ক্লাস দশম এ উঠলো।
এখন ও আমার সাথে বন্ধুর মত আচরন করে।
আর ওর আচারন আগের থেকে অনেকটা পরির্বতন হয়েগেছে।
কখন কি বলে তার কোন ঠিক নাই।
একদিন বলে ভাইয়া আপনার gf নাই??(রাএী)
রাএী এসব কি ধরনের কথা??
আহা বলেন না।
থাক বা না থাক সেটা তোমাকে জানতে হবে না তুমি পড়াশুনায় মনোযোগ দাও।
তোমার দশম শ্রেনীর ফাইলান পরিক্ষার আর বেশি দেরি নেই।
আজকে আর পড়বই না আগে বলেন।
না নেই এখন পড়ো।
ও আচ্ছা।তা গ্যালফ্রেন্ড বানান নাই???
রাএী এবার কিন্তু বেশি হয়ে যাচ্ছে।
দুর ছাই আমার কথা উওর দেন না কেন???
আমার কথার উওর না দিলে কিন্তু আপনার বিপদ আছে।
ফাজিল মেয়ে কখন কি করে বসে ঠিক নাই।
আমার সাথে কে প্রেম করবে???
আর আমি এসব বিষয়ে সময় নষ্ট করি না।
তা তোমার bf আছে না কি??
না নেই তবে আমি একজন কে পছন্দ করি।
ও খুব ভালো কথা।
কে ছেলেটা???
একটা গাধা বুঝতেই চায় না যে আমি ওকে পছন্দ করি।
ও ছেলেটাকে বল তাহলে হয়তো রাজি হবে।
হুম বলবো।
আচ্ছা ধরেন আপনি সেই ছেলে তাহলে কি করবেন???
এসব ফাজলামি কথা বাদ দাও।
আজকে আমি গেলাম কাল আসবো।
ভাইয়া আমার কথার উওর দিয়ে গেলেন না।
কাল আসলে এর উওর কিন্তু আমার চায়।
তখনি দেখলাম আন্টি মানে রাএীর মা আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।
বাবা সোহান তুমি একটু নিচে বসো তোমার সাথে কিছু কথা আছে???
আমার কেমন জানি একটা ভয় ধরে গেলো।
উনি কি আমাদের কথা শুনতে পেলো???
কি বলতে চান উনি???
আমি বসার রুমে উনার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম।
ভয়ে আমার হাত পা কাঁপতে লাগলো।
একটু পরে আন্টি আমার কাছে আসলেন।
জ্বি আন্টি বলেন।
কালকে আর তোমাকে পড়াতে হবে না।(আন্টি)
to be continue........
অবশেষে তুমি আমার২৪
#অবশেষে_তুমি_আমার
পর্বঃ ২৪
#
- মিসেস রাহেলা অধরার ডান হাত দেখে বললো,' আল্লাহ হাতের কি অবস্থা হয়েছে। দাঁড়াও আজ তোমার মা তোমাকে খাইয়ে দিবে।অধরা বিছানায় বসে আছে। মিসেস রাহেলা বিষ মেশানো খাবার অধরার সামনে রেখে বসলো। অধরার চোখ থেকে টপটপ করে পানি পড়ছে।মায়ের কথা বারবার মনে পড়ছে। মিসেস রাহেলা অধরার চোখের পানি মুছে দিয়ে বললো, কোন অজুহাত চলবে না সব খাবার খেতে হবে। আমি খাইয়ে দিচ্ছি। এই বলে পানি আনতে যখন যায়। তখন বিড়ালে খাবার ফেলে দেয়!
- মিসেস রাহেলা মনে হয় মেনু স্টক করবে এমন ভাব নিল! হায় হায় বিড়ালে খাবারটা নষ্ট করে দিলো।
- ত্রিযামিনী ঘরের বাহিরে রাগে ফুঁসছে শুধু।
- মা হয়তো খাবারটা আমার রিযিকে ছিলো না। এমন সময় রাজ এসে পড়লো। রাজ অধরার দিকে তাকাতেই বুঝতে পারলো কিছু একটা হয়েছে।
-অান্টি অধরার কি হয়েছে?
'' আর বলো না বাবা। রান্না করতে গিয়ে তেলের ছিটা হাতে ফুসকা পড়ে গেছে।
''ওহ্ আচ্ছা! এতে আধিক্ষেতা দেখানোর কি আছে?
- তুমি যাও নিজ হাতে খেতে পারলে খাবে নয়তো খাবে না।
- অধরা কিছু না বলে রুম থেকে বের হয়ে গেল। রাজ ওয়াশরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে অধরাকে বললো,' চল আমার সাথে।''
- এভাবে?
- হুম তবে শাড়ি পড়ে নে।
- শাওয়ার নেয়নি তো।
- ত্রিশ মিনিট সময় যেভাবে পারিস রেডি হয়ে নে। জরুরী কাজ আছে।
- অধরা কোনরকম শাওয়ার নিয়ে বের হলো। শরীরে ঠিকমতো তোয়ালেটাও প্যাঁচাতে পারেনি। এখনো অসহ্য ব্যথা করছে। ভেজা চুল থেকে এখনো টপটপ করে পানি পড়ছে।
- রাজ রুমে ডুকেই ঠাস করে দরজা লাগিয়ে দেয়।
-অধরা খানিকটা ভয় পেয়ে যায়। রাজ অধরার কাছে এসে আরেকটা তোয়ালে দিয়ে অধরার শরীর মুছে দেয়।
- অধরা লজ্জামাখা ভঙিতে বলে উঠে রাজ আমি পারবো। ''
- হ্যাঁ কি পারবে তা বুঝতেই পারছি। হাত দিয়ে কিছু স্পর্শই করতে পারছো না। এখান চুপ-চাপ থাকো। আমি তোমার স্বামী। সো ড্রেস চেঞ্জ করার অধিকারটা আছে।
- অধরা রাজকে বুঝতে পারে না। হঠাৎ মানুষটাকে খুব আপন মনে হয়। আবার কখনো কখনো মনে হয় কত দূরের!
রাজ ড্রয়ার থেকে সবুজ রঙা একটা শাড়ি বের করে নিজ হাতে শাড়ি পরিয়ে দেয়। রাজের প্রতিটা স্পর্শে অধরা নিজেকে হারিয়ে ফেলে।
-অধরার খুব লজ্জা করছে। লজ্জার তাকাতে পারছে না পর্যন্ত! রাজ অধরার চুলগুলো শুকিয়ে ঘাড়ের নিচে চুমু এঁকে দেয়। অধরা খানিকটা খেই হারিয়ে ফেলে রাজকে আষ্টে-পৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে। রাজ অধরাকে জড়িয়ে ধরে সদ্য নিজ হাতে দিয়ো দেওয়া লিপস্টিকের উষ্ণ স্বাদ অনুভব করে।অধরার মনে ভালোবাসার ঢেউ স্পর্শ করে যায়। আর মনে মনে বলে এভাবে প্রতিটা দিন যদি রাজ আমাকে শাড়ি পরিয়ে দিয়ে লিপস্টিক নষ্ট করতো। তাহলে শতবার নিজ ইচ্ছায় হাত পুড়াতাম!
- রাজ অধরাকে নিয়ে নদীর পাড়ে যায়। নদীর পাড়ের শুভ্র কাশফুলগুলো ভালোবাসা বিলিয়ে দিচ্ছে। রাজ সন্ধ্যার আগে, অধরাকে নিয়ে রেস্টুরেন্টে যায়। রেস্টুরেন্টে খাবার অর্ডার করে নিজ হাতে অধরাকে খাইয়ে দেয়।
-রেস্টুরেন্টের সবাই রাজ আর অধরার দিকে তাকিয়ে আছে। অধরার খাওয়া শেষ হলে রাজ একটা টিস্যু দিয়ে অধরার মুখটা মুছে দেয়।
- রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে, অধরা রাজকে নিয়ে হসপিটালে যায়।
- অধরা হসপিটালের গেটে দাঁড়িয়েই চমকে যায়। দু'জনেই বসে আছে ডাক্তার অরিনের সামনে। মিসেস অধরা আপনি কি সত্যিই এর্বারশর করতে চান?
- কি বলছেন এসব? আমি এর্বারশন করবো কেন?
- মিঃ রাজ তো তাই বললো!
- অধরা এখন বুঝতে পারলো কেন তাকে এতো ভালোবাসা দেখানো হলো। বেবি নষ্ট করার জন্যই এতো আদর।
- রাজের প্রতি অধরার ঘৃণা হচ্ছে বড্ডবেশি ঘৃণা হচ্ছে! মানুষ কতটা নীচ হলে নিজের সন্তানকে এর্বারশন করতে চায়।
- কি হলো কিছু বলছেন না যে?
- আপু আমি এর্বারশন করবো না।
- কি বলছো এসব? আচ্ছা ডক্টর আমরা কাল আসছি।
- রাজ অধরাকে নিয়ে বাসায় এসে পড়লো। বাসায় এসেই বললো,' তুমি বেবি এর্বারশন করবে না?''
- না এর্বারশন করবো না। বেবি তোমার না আমার। আমার বেবি জানবে সে বাবা ছাড়া হয়েছে।
- পাগলের মতো বকছো কেন? বড় হলে দেখা যাবে ঠিকই ছেলেকে নিয়ে সম্পদ দখল করতে আসছো।
- কোনদিনই না। তোমার মেন্টালিটি এতো লো কেন?
- শোন আমার শর্ত দুইটা হয় বেবী এর্বারশন করতে হবে। নয়তো এই চুক্তি নামায় স্বাক্ষর করতে হবে। তোমার গর্ভের বেবীটা বাবা আমি না। এজন্য বেবির ভরষ পোষণ বাবদ দশলাখ টাকাও দেওয়া হবে।
- অধরা মনে মনে ভাবলো, ' এর্বারশনের চেয়ে চুক্তিটাই ভালো। তবুও আমার ভেতরে থাকা সত্ত্বাটা বেঁচে যাবে। অধরা কাগজটা নিয়ে সাইন করে দিলো। রাজ একটা হাসি দিয়ে কাগজটা নিয়ে চলে গেল।
- রাজ চলে গেলেই অধরা পেটে হাত রেখে বললো,' কিরে মন খারাপ? মন খারাপ করিসনা তোকে যে পৃথিবীতে আসতেই হবে। বাবার জন্য মন খারাপ করিস না। কিরে তুই কান্না করছিস? কই দেখ আমি কান্না করছি না তো। কান্না করবি না একদম। তুই যে আমার কলিজার টুকরা। অধরা একা একাই কথা বলতে বলতে ফুঁপিয়ে কান্না করে দিলো।
- দেখতে দেখতে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে আসছে। আর সপ্তাহখানেক বাকি আছে। দিন যাচ্ছে অধরার উপর নির্যাতন বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজ সবটা দেখেও না দেখার ভান করে। প্রতিটা রাত যায় কষ্টের একটা রাতও রাজের জন্য শান্তিতে ঘুমাতে পারে না। সারা রাত তার শরীরটাকে কুড়ে কুড়ে খায়। মনে হয় এর চেয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গণ করাও উত্তম। তিয়াস ছেলেটা দূর থেকেই ভালোবাসে। তিয়াসের ভালোবাসার মাঝে কোন খাঁত নেই এসব ভাবতে ভাবতে অধরার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। রাত প্রায় নয়টা এখনো রাজ বাসায় আসেনি। হঠাৎ ফোনটা ক্রিং ক্রিং করে বেজে উঠলো।
- অধরা ফোনটা রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে তিয়াস বললো,' অধরা প্লিজ ফোন কাটবে না। একটু ব্যালকণিতে আসবে?
- অধরা বেলকণিতে আসতেই থমকে গেল! মমবাতি দিয়ে খুব নিপুণভাবে লেখেছে, ' ভালোবাসি তোমায় অধরা।
- অধরা তিয়াসকে কি বলবে বুঝতে পারছে না।
- ফোন কেটে দিয়ে দরজা বন্ধ করে ফেললো। অধরা চায় না সে অন্য কারো মায়ার পড়ুক। তার জীবনটাই যে রাজের জন্য। এসব ভেবে কাঁদতে লাগলো, ঠিক তখনি একটা মেসেজ আসলো,' প্রিয়তী ভালোবাসতে হবে না তোমায়। শুধু ভালোবাসতে দিয়ে। আমি তোমার শরীর ছুঁতে চায় না। তোমার হৃদয়টা ছুঁতে চায়। ভালোবাসি বড্ডবেশি কলিজার টুকরা♥। ''
- অধরা ফোন সুইচটপ করে রাখলো। রাত প্রায় বারোটা রাজ তখন বাসায় এসেই না খেয়েই শুরু পড়লো। আর নোংরা খেলায় মেতে উঠলো। অধরার ইদানিং নিজেকে পণ্য মনে হয়। সে একটা পুতুল রাজ যেমন পাচ্ছে তেমন করে খেলছে। চোখ বেয়ে জড় গড়িয়ে পড়ছে। রাজকে কোনপ্রকার বাধা দিচ্ছে না।
- সকালে অধরা ব্রেকফাস্ট রেডি করছে! এমন সময় ত্রিযামিনী পিছন থেকে অধরার চুলের মুঠি ধরে রাজের সামনে নিয়ে যায়।
- ত্রিযামিনী কি হচ্ছে অধরাকে এভাবে ধরে রাখছো কেন?ছাড়ো বলছি।
- রাজ এই পতিতাটা কি করছে দেখলে তুমি চমকে যাবে! এটা দেহ ব্যবসা করে বেড়ায়।
- রাজ ত্রিযামিনীর গালে ঠাস করে চড় বসিয়ে দেয়।
- ত্রিযামিনী মুচকি হেসে বলে, জানতাম বিশ্বাস করবে না। এই দেখ ভিডিওটা। মেয়েটা আর ছেলেটাকে চিনতে পারো কি না।
- রাজ ফোনটা হাতে নিয়ে ভিডিও দেখে চমকে উঠল! অধরা আর তুর্যয় রতক্রিয়ায় ব্যস্ত! দু'জনের পরণে কাপড় নেই। অধরা হাসিমুখে তুর্যয়ের আষ্টে-পৃষ্টে জড়িয়র ধরে আছে। সেইদিন অধরা যে কাপড়টা পড়ে বাসায় আসছিল। সে কাপড়টা দু'জনের পাশেই পড়ে আছে। রাজের বুক ফেটে কান্না আসছে। পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। অধরা তার বিশ্বাস নিয়ে এভাবে খেলা করবে সে কল্পনাতেও ভাবেনি। রাজ ফোনের ভিডিওটা অধরার সামনে ধরলো।
- অধরা ভিডিওটা দেখেই রাজের দু'পা ঝাপটে ধরে বললো,' রাজ প্লিজ আমাকে,,,
''চলবে''''''''''
বিঃদ্রঃ আগামী পর্ব রহস্যের ঝট খুলবে।
Logic6
What is Logic ৬
কপি তাঁর ' Symbolic Logic ' গ্রন্থের শুরুতে যুক্তিবিদ্যার সংজ্ঞা প্রসঙ্গে বলেছেন যে, বচনের
Logic is the study of the methods and principles used to distinguish good
(correct পদ্ধতিসমূহের) form bad অনুশীলন (incorrect, যা মন্দ) reasoning (অশুদ্ধ) যুক্তি. warte থেকে, pre ভালাে-fants (শুদ্ধ et) Bra যুক্তিকে TUBE পৃথক CHE।
নীতি
করে। তবে যুক্তিবিদ্যার এ সংজ্ঞাটি থেকে ধারণা করা ঠিক হবে না যে, যুক্তিবিদ্যা অধ্যয়ন
করেছে এমন ছাত্ররাই কেবল ভালােভাবে বা সঠিক উপায়ে যুক্তি প্রদর্শন করতে পারবে।
যেমন, আমরা বলতে পারি না যে, ভালােভাবে দৌড়াতে হলে কোনাে দৌড়বিদকে
পদার্থবিদ্যা ও শরীরবিদ্যার জ্ঞান অর্জন করতে হবে। কারণ এমন অনেক দক্ষ ক্রীড়াবিদ বিচ '
আছেন, যারা এ সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জন ছাড়াই ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করতে সক্ষম, এবং তারা
জানতেও পারেন না যে তাদের দেহাভ্যন্তরে কী ঘটছে। একইভাবে একথাও সত্য যে,
|
শারীরবৃত্তীয় জ্ঞানের অধিকারী অনেক বিজ্ঞ অধ্যাপকও ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ব্যর্থ:
প্র
হতে পারেন। এমনকি যে কোনাে ব্যক্তি একজন দক্ষ ক্রীড়াবিদের মতাে দৈহিক ও স্নায়বিক ত
|
শক্তির অধিকারী হয়েও সেই ক্রীড়াবিদের মতাে ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শনে সক্ষম না-ও হতে L [
পারে।
তবে একথা অনস্বীকার্য যে, দুইজন সমান বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন ব্যক্তির মধ্যে যিনি যুক্তিবিদ্যা
অধ্যয়ন করেননি এবং চিন্তার নিয়মাবলি সম্পর্কে জ্ঞাত নন তার তুলনায় যিনি যুক্তিবিদ্যা
অধ্যয়ন করেছেন তিনি অধিকতর সঠিক যুক্তি প্রদান করতে পারবেন। কপির মতে, এর
মূলে তিনটি কারণ বিদ্যমান। প্রথমত, যুক্তিবিদ্যা একাধারে বিজ্ঞান ও কলা (Art) উভয়ই।
কাজেই ছাত্ররা এক্ষেত্রে
যে তত্ত্ব শিখবে তা একইসাথে অনুশীলনও করবে। আর এরূপ
অনুশীলনের মাধ্যমে
|
একটি অপরিহার্য বিষয় তার হচ্ছে অর্জিত অনুপপত্তির জ্ঞান পূর্ণতা (fallacy লাভ করবে। দ্বিতীয়ত, প্রচলিত যুক্তিবিদ্যার
প্রণয়নের ক্ষেত্রে আমরা প্রায়শই ভুল করে থাকি। আর) পরীক্ষা অনুপপত্তির ও বিশ্লেষণ অনুশীলনের। বস্তুত মাধ্যমে যুক্তি
যুক্তি প্রদানের নীতিমালা সম্পর্কে যে জ্ঞান অর্জিত হয় তা হঠাৎ কোনাে সিদ্ধান্তে উপনীত
প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা
প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা
করতে পারি যে, তা হলে
। অর্থাৎ
পরে যা বলা হয় তা হলাে সিদ্ধান্ত
জাতীয় শব্দ বা শব্দসমষ্টির, এই।
ফলে ', কাজেই বলা যেতে পারে যে, আমরা অনুমান সিদ্ধান্ত।
করা যায় যে, ইত্যাদি
যা
।
এসব শব্দ বা শব্দসমষ্টি হচ্ছে সিদ্ধান্ত
।
কারণে যে, এভাবে দেখানাে যায়, এই নির্দেশক রূপে ', ইত্যাদি চিহ্ন। পক্ষান্তরে জাতীয় শব্দ, যেহেতু বা শব্দসমষ্টির ', ' কারণ পরে
বলা হয় তা হলাে আশ্রয়বচন। অর্থাৎ এসব শব্দ বা শব্দসমষ্টি হচ্ছে আশ্রয়বচন নির্দেশক
চিহ্ন। যেমন,
কিছু মানুষ সৎ।
সুতরাং কিছু মানুষ অসৎ না।
।
এ যুক্তিতে ‘ সুতরাং ' শব্দটি সিদ্ধান্ত নির্দেশক হওয়ায় কিছু মানুষ অসৎ না’- বচনটি ।।
সিদ্ধান্ত হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। কাজেই এখানে কিছু মানুষ সৎ ' হচ্ছে আশ্রয়বচন
আবার,
রাসেল অমর না।
যেহেতু রাসেল মানুষ।
কারণ কোনাে মানুষই অমর না।
এ যুক্তিতে ‘ যেহেতু ’ এবং ‘ কারণ ’ আশ্রয়বচন নির্দেশক, এ জন্য ‘ রাসেল মানুষ ' এবং
‘ কোনাে মানুষই অমর না’- বচন দুটি আশ্রয়বচন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কাজেই এখানে
‘ রাসেল অমর না ' বচনটি হবে সিদ্ধান্ত। তবে এমন কিছু যুক্তি আছে, যেসব যুক্তিতে
আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্ত নির্দেশক কোনাে শব্দ বা শব্দসমষ্টি থাকে না। এসব ক্ষেত্রে আশ্রয়বচন
চান এছাড়াও ও সিদ্ধান্তকে। সেক্ষেত্রে দেখতে চিহ্নিত যে হবে সত্যকে করার যে, আলােচ্য ভিত্তি জন্য যুক্তির করে যুক্তিতে যুক্তি অর্থ বক্তা ও গঠিত প্রসঙ্গ কোন হয় সম্যকরূপে সত্যের তা হবে ভিত্তিতে অনুধাবন কী করা প্রমাণ এবং প্রয়ােজন প্রমাণের করতে।
থেকে নির্দেশক উক্তিটি বিষয়টি যুক্তিটির একটি হবে শব্দ সিদ্ধান্ত নেই আশ্রয়বচন যুক্তি।। কিন্তু। যদিও যেমন ও যুক্তিটির সিদ্ধান্ত, এতে ‘ কিটু আশ্রয়বচন পৃথক অর্থ কবিতা এবং করা লিখেছেন যুক্তিটির ও সিদ্ধান্তকে বলে প্রমাণের চিহ্নিত তাকে আশ্রয়বচন ভিত্তি কবি করার ও বলা প্রমাণের মতাে যায়- কোনাে বিষয় এ।
যায়, কবিতা লেখার ওপর ভিত্তি করে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। উক্তিটির যে কিটস অর্থ বিশ্লেষণ কবি করলে। এক্ষেত্রে দেখা
কাঠামাে পূর্বজ্ঞান দেওয়া হচ্ছে, হলে যারা যা কবিতা পাওয়া লিখে যাবে, তারাই তা কবি’- এ বচনটি। সেক্ষেত্রে একজন উক্তিটিকে যুক্তির
হলাে
যারা
তাদের
কিটস কবিতা কবিতা লিখেন লিখেছেন সকলেই কবি।
আবার সুতরাং কিটস একজন কবি।।
কিছু বাক্য থাকে এমন। অনেক যুক্তি আছে যেখানে
এগুলাে যুক্তির প্রমাণের যে বাক্যগুলােকে আপাতদৃষ্টিতে আশ্রয়বচন অপ্রাসঙ্গিক ও সিদ্ধান্তের সাথে অতিরিক্ত আরাে
ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মনে হলেও
আমরা বিশ্বাস করি বলতে পটভূমি যে, পারি সবাই হিসেবে না একদিন যে কাজ, এমন মৃত্যুর করে কেউ। অধীন যেমন থাকতে, হবে, প্রকৃতপক্ষে
|
এ জন্য আমরা
যে অমর হয়ে থাকবে
। পারে