read.cash Log in

@Foysal

Joined 7 June 2020 · 123 posts

120 KT

0 KT received · 0 KT · $1.07 given

Posts

F@Foysal

সে কি জানে #সে_কি_জানে🍁 ---season: {02} part: {12} . প্রায় অনেক্ষন চেষ্টা করার পর পাইপ বেয়ে আমার বারান্দায় পৌঁছাতে সক্ষন হন রেয়ান। বারান্দায় দাঁড়িয়েই একটা বড় নিশ্বাস নেন উনি।তারপর ধীর পায়ে এগুতে লাগলেন আমার দিকে। এদিকে আমি বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করেছি মাত্র। হঠাৎ গালে কারো স্পর্শ পেতেই চোখ মেলে তাকালাম আমি।সামনে থাকা মানুষটাকে দেখতেই ধরফুড়িয়ে উঠে বসলাম।আমাকে এভাবে উঠে বসতে দেখে বাঁকা হাসলেন রেয়ান। একটা চেয়ার টেনে আমার সামনে বসলেন উনি আর বললেন.... --- মরুভূমি রাতের খাবার খাওনি কেন তুমি?আমার জন্য অপেক্ষা করছিলে বুঝি? --- আপনি এত রাতে আমার রুমে কি করছেন? রুমেই বা কিভাবে এসেছেন? --- কেন?পাইপ দিয়ে। ভ্রুঁ কুঁচকে এলো আমার।তীক্ষ্ম দৃষ্টিতে তার দিকে তাকাতেই সে দাঁত কেলিয়ে হাসলো। আমার গাল শক্ত করে টেনে বলল.... --- সত্যি বলছি!আচ্ছা এখন এগুলো বাদ দাও।চুপচাপ খাবারটুকু খেয়ে নাও।তারপর আমি আমার প্রতিশোধ নিবো। --- কিসের প্রতিশোধ? --- ভুলে গেছ নাকি? সকালে যে আমার নাকে কামড় দিয়েছো সেটার প্রতিশোধ।আর আমি সেটা কিন্তু এক্ষনি নিবো। --- আপনি বললেই হলো। যান আমার রুম থেকে।বেহায়া, অসভ্য লোক।রাত-বিরাতে একটা মেয়ের রুমে আসতে লজ্জা করে না আপনার। --- না করে না। ব্যস এতটুকু বলেই রেয়ান "বোন" প্লেটে হাত ধুয়ে খাবার খাওয়াতে শুরু করলেন আমায়। এক লোকমা মুখে দেওয়ার জন্য এগোতেই মুখ ঘুড়িয়ে নিলাম আমি।সাথে সাথে ধমকে উঠলেন উনি! চোখ রাঙিয়ে বললেন... --- বেশি বেড়ে গেছো তুমি। ভুলে যেও না আমি কে।ইউ নো ওয়াট মরুভূমি!আমার তোমাকে মেরে ফেলতে একটুও হাত কাঁপবে না।প্রথমে তোমাকে মারবো তারপর নিজে মরব।তাই বলে রাখলাম বেশি বাড়াবাড়ি করবে না। উনার হঠাৎ এমন রেগে যাওয়ার কারন বুঝতে পারলাম না আমি।তার সাথে একটু ভয়ও পেলাম। তাই আর কথা বাড়ালাম না। চুপচাপ খেয়ে নিলাম।খাওয়াতে খাওয়াতে রেয়ান খুব শান্ত সরে আমাকে বলে উঠলেন.... --- দেখো মরুভূমি!অতীত নিয়ে বেঁচে থাকলে কোনো লাভ নেই বরং মানুষের উচিত বর্তমান নিয়ে বাঁচা।এই যে তুমি এভাবে না খেয়ে থাকো,কারো সাথে কথা বলো না,সারাদিন ঘর বন্দি হয়ে থাকো,ভার্সিটি যাও না, এতে কি তোমার অতীত ফিরে আসবে মরুভূমি? অবশ্যই না।কিন্তু তাও তুমি এভাবে মন মরা হয়ে থাকছো!কেন? যখন তুমি জানোই অতীত আর ফিরে আসবে না তাহলে এভাবে ভেঙে পরার তো কোনো মানে হয় না মরুভূমি। নিজেকে কষ্ট দেওয়ার পাশাপাশি তোমার আপন জনদেরও কষ্ট দিচ্ছো তুমি। তোমার মা-বাবা যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে তারাও কিন্তু বলতেন অতীত ভুলে যেতে।বর্তমান নিয়ে বাঁচতে। বলেই আরও এক লোকমা খাবার মুখে পুড়ে দিলেন উনি। খাওয়া শেষে রেয়ান আমার কপালে একটা চুমু একেঁ দিলেন।প্রায় সাথে সাথেই আমার নাকে একটা কামড় দিয়ে দিলেন।আর বললেন.... --- প্রতিশোধ নেওয়া শেষ মরুভূমি! এখন আসি।কালকে সকালে দেখা হবে। বলেই চোখ মারলেন।তারপর যে ভাবে আসলেন সেভাবেই চলে গেলেন রুম থেকে।উনই যেতেই আমার মুখ থেকে আপনা-আপনি বেড়িয়ে গেল... --- অদ্ভুদ! . ছাদে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে আবদ্ধ আর দীঘি।আবদ্ধ সেই কখন থেকে দীঘির দিক তাকিয়ে আছে কিন্ত দীঘির দৃষ্টি মেঝের দিকে। এবার বেশ বিরক্ত হলো আবদ্ধ। দীঘিকে উদ্দেশ্য করে বলল.... --- আমাকে কি তোর চোখে পরে না?মেঝের দিকে তাকিয়ে কি দেখিস হ্যাঁ? আবদ্ধের দিকে তাকালো দীঘি।সাথে সাথে আতকে উঠলো আবদ্ধ।দীঘির চোখে পানি স্পষ্ট।কিন্তু দীঘি কাঁদছে কেন? দীঘিকে নিজের দিকে ফিরিয়ে শান্ত সরে আবদ্ধ বলল.... --- কি হয়েছে?কান্না করছিস কেন? আমি কি কিছু করেছি দীঘু? মাথা ডানে-বামে নাড়ালো দীঘি। এতে আবদ্ধ আবার বলল.... --- তাহলে? --- আব্বা আম্মার কথা মনে পরছে খুব! চোখ মুখ শক্ত হয়ে গেল আবদ্ধের। দীঘির হাত শক্ত করে ধরে বলে উঠল.... --- এত কিছুর পরও কিভাবে ইচ্ছে হয় তোর? --- আমার আব্বা-আম্মা ওরা।প্লিজ কালকে আমাকে একটু নিয়ে যাবেন ওদের কাছে। প্লিজ! আবদ্ধ চুপ করে রইলো কিচ্ছুক্ষন। পরক্ষনেই কঠিন কণ্ঠে বলল..... --- কালকে স্কুলের পর নিয়ে যাবো। চোখ-মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল দীঘির। আবদ্ধের দিকে তাকিয়ে একটা হাসি দিলো সে। সাথে সাথে আবদ্ধের সব রাগ নিমিশেই শেষ হয়ে গেল।সেও হাসলো দীঘির সাথে। ২. সকালে ঘুম থেকে উঠতেই কিচ্ছুক্ষন বসে রইলাম বিছানায়। চোখ কচলে ভালো ভাবে আশেপাশে তাকাতে লাগলাম আমি। হঠাৎ মোবাইলের টুংটাং শব্দ বেজে উঠল। ফোন হাতে নিতেই দেখলাম রেয়ানের মেসেজ।যাতে লিখা.... . . "সে কি জানে" তার ঘুমন্ত মুখশ্রী কতটা নেশাক্ত।তাকে বলো, যখন পর্দার আড়াল থেকে একরাশ রোদ এসে তার মুখে জায়গা নেয়, সে যখন সেই রোদের আলোয় বিরক্ত হয়ে ঘুমের মাঝে ভ্রুঁ দু'টো কুঁচকে ফেলে তখন তার প্রেমে পড়ে যাই আমি। ইচ্ছে করে তাকে ছুঁয়ে দিয়ে।বারবার ছুঁয়ে দিতে! নিজেকে যে আটকে রাখতে পারছি না আমি।তাকে বলো, কি করা উচিত আমার? আমি কি তার প্রেমে মরে যাবো নাকি তার মায়া জালে আরও গভীর ভাবে আবদ্ধ হবো? . . কথাটুকু পড়েই হাসলাম আমি।মানুষটা আসলেই অদ্ভুত।হঠাৎ আমার মনে এক অদম্য ইচ্ছে জেগে উঠলো।সব কিছু ভুলে আবার বর্তমান নিয়ে বাঁচার ইচ্ছে।কিন্তু কিভাবে শুরু করব পথ চলাটা? আচ্ছা!কালকে থেকে ভার্সিটি যাওয়া শুরু করলে কেমন হয়? দারুন হবে তাই না! ভেবেই কল দিলাম দিহানকে।কল দেওয়া মাত্রই ফোনটা ধরে ফেললো সে।উসখুস কন্ঠে বলে উঠল.... --- কেমন আছো মিরা? এত দিন পর আমার কথা মনে হলো তোমার। --- এভাবে বলছ কেন দিহান? --- সেই তিন মাস পর তোমার কন্ঠ শুনছি।এসব বলা কি স্বাভাবিক নয়। --- তুমি এমন ভাবে বলছ যেন আমি তোমার প্রেমিকা! আচ্ছা বাদ দাও এগুলো,কেমন আছো তুমি? --- যেমনটা রেখে গিয়েছিলে। --- মানে? --- কিছু না। তুমি বলো আজ হঠাৎ ফোন দিলে যে? --- আমি ভাবছি কাল কিংবা পরশু থেকে ভার্সিটি আবার যাওয়া শুরু করব। --- নোট লাগবে তাই তো? --- হুম।সাথে প্রিন্সিপালের সাথেও একটু কথা বলো। --- আচ্ছা।শুনো আমি আজকে ভার্সিটি যাবো না।এক কাজ করি তোমার বাসায় নোট নিয়ে এসে পরি? --- এতো তাড়া নেই আমার দিহার। --- আমার আছে। ফোনটা কেটে দিলো দিহান।তার এমন ব্যবহার মোটেও কাম্য নয় আমার।এভাবে করার মানে বুঝতে পারলাম না ঠিক।একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ওয়াশরুমে চলে গেলাম। . ফ্রেদ হয়েই চলে গেলাম নিচে।মামী,আবদ্ধ আর দীঘি বসে আছে সোফায়৷ আমাকে নিচে নামতে দেখে অনেকটা অবাক হলো তারা।আমি সোফায় বসতেই মামী বলে উঠলেন.... --- তুই হঠাৎ নিচে আসলি যে।কিছু কি লাগবে মা? --- কেন আসতে পারি না? --- না তেমন না। --- আচ্ছা মা এগুলো আর বলো না তো।খুব ক্ষুধা পেয়েছে আমার।খাবার দাও। চোখ ভিজে উঠল মামীর।যেন আশার আলো জেগেছে তার মনে।আমার মাথায় হাত বুলিয়ে মামী বলে উঠলেন... --- তুই বস আমি তোর জন্য খাবার নিয়ে আসছি। মামী যেতেই দীঘির দিকে তাকালাম আমি।মুচকি হেসে বললাম... --- কেমন আছো দীঘি? কিঞ্চিত অবাক হলো দীঘি।পরক্ষনেই মিষ্টি করে হাসলো সে আর বলল.... --- আপনি আমাকে চিনেন? --- অবশ্যই। আবদ্ধ বলেছে তোমার কথা। আড়চোখে আবদ্ধের দিকে একবার দীঘি।তারপর আবার লেগে গেল আমার সাথে গল্প করতে।গল্প করার এক পর্যায়ে কলিংবেল বেজে উঠল। আমেনা আন্টি দরজা খুলতেই দিহান ধড়ফুড়িয়ে বাসায় ঢুকে গেল। হাপাতে হাপাতে আমার পাশে বসে হাতে নোট ধরিয়ে দিলো। দিহানকে এভাবে দেখে অবাক না হয়ে পারলাম না।এই মাত্র না তার সাথে আমার কথা হয়েছে।এত তাড়াতাড়ি আমাদের বাসায় কিভাবে আসলো।হয়তো দৌড়িয়ে দৌড়িয়ে।নাহলে এভাবে হাপাচ্ছে কেন? নিজেকে একটু শান্ত করে সবার সাথে কুশল বিনিময় করল দিহান।সবশেষে আমার দিকে তালিয়ে বলল.... --- প্রিন্সিপালের সাথে কলে কথা বলেছি।উনি বলেছেন কালকে তোমাকে যেতে।কিছু ফর্মালেটি পূরণ করতে হবে। --- এত তাড়া ছিল না আমার দিহান।পরে করলেও পারতে। দিহান কিছু বলতে যাবে তখনই আবদ্ধ বলে উঠে... --- কিসের ফর্মালেটি মিরাপু? --- আমি ভাবছি কালকে থেকে ভার্সিটি যাবো। সাথে সাথে উপস্থিত সবার মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল।সব চেয়ে বেশি খুশি হলো আবদ্ধ।সে তো আমাকে একেবারে জোড়িয়ে ধরল।কিচ্ছুক্ষন এভাবে থেকে নিজের জায়গায় বসল আবদ্ধ।দিহানকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে সে।কিন্তু আসলে কি ধন্যবাদটা দিহানের কাম্য? অবশ্যই না।এটা তো রেয়ানকে দেওয়া উচিত আমার। তার কালকে রাতের কথাগুলোর জন্যই তো এমন হয়েছে। হঠাৎ দরজার দিকে চোখ গেল আমার।রেয়ান দাঁড়িয়ে আছেন। চোখ-মুখ লাল হয়ে আছে তার।হাতে থাকা ফুলের বুকে দুমড়ে মুচড়ে ফেলছেন উনি।এত রেগে আছেন কেন রেয়ান? আমাকে আর দিহানকে পাশাপাশি বসতে দেখে? . . #চলবে🍁 রি-চেক করা হয়নি।অসংখ্য ভুল থাকতে পারে।ভুল ক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিত

F@Foysal

সহীহ হাদিস আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা এক বেদুইন নাবী (সাঃ)-এর নিকট এসে বললো : আমাকে এমন আমলের কথা বলে দিন যা করলে আমি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবো। তিনি (সাঃ) বললেন : আল্লাহর ‘ইবাদাত করবে এবং তাঁর সাথে কোন কিছু শরীক করবে না। ফরয সলাত ক্বায়িম করবে, ফরয যাকাত আদায় করবে এবং রমাযানের সাওম পালন করবে। একথা শুনে লোকটি বললো, সেই সত্ত্বার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ! আমি এর চেয়ে বেশিও করবো না এবং কমও করবো না। অতঃপর লোকটি যখন চলে যেতে লাগলে নাবী (সাঃ) বললেন, কেউ কোন জান্নাতী লোক দেখে আনন্দিত হতে চাইলে সে যেন এই লোকটিকে দেখে। [১] [১] হাদীস সহীহ :সহীহুল বুখারী হা/১৩১০ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

F@Foysal

নেক্কার স্রী গল্প নেকার স্ত্রী. ------- স্ত্রী - একি তুমি এখনো! সুয়ে আছো যে.. স্বামী - মাথাটা খুব ব্যাথা করছে। স্ত্রী - কেনো! কি হলো আবার..( স্বামির মাথায় হাত দিয়ে) স্বামী. - জানিনা হঠাত করেই মাথাটা ব্যাথা করছে। স্ত্রী - আচ্ছা আমি মাথা টিপে দেই তাহলে. স্বামী - না। তুমি যাও নামাজ পরে আসো. স্ত্রী -... ১০ মিনিট পর. স্ত্রী - সোনা উঠো না প্লিজ!শুধু ফরয নামাজটা পরে আবার সুয়ে পইরো। -উঠো প্লিজ। এই দেখো তোমার জন্য গরম পানি করে নিয়ে এসেছি। তুমি শুধু ওঠে বসো আমি তোমাকে অযু করি দিচ্ছ। প্লিজ উঠো সোনা পাখি। প্লিজ ( স্বামীর পা টিপে টিপে) স্বামী - মাথা ব্যাথা করছে তো..( আস্তে করে) স্ত্রী - তুমি নামাজটা পরো এরপর তুমি যতখন বলবা আমি তোমার মাথা টিপে দিবো। তাও উঠো প্লিজ। দুজন এক সাথে নামাজটা পরে নেই.! উঠো না.. ( স্ত্রীর কার্যকালাব গুলো দেখে! স্বামী মুচকি একটা হাসি দিয়ে উঠে বসলো! এরপর স্ত্রী তাকে অযু করি দিলো। দুজন নামাজটা পরে নিয়ে.. স্ত্রী - এবার চলো সুয়ে পরো। আমি তোমার মাথা টিপে দিচ্ছি. স্বামী -...... - রাসূল ( সা) বলেছেন যার স্ত্রী নেকার তার জন্য দুনিয়াটা জান্নাত। স্ত্রী - হাহাহাহা হাহাহাহা - আপনার জন্য দুনিয়াটা জান্নাত বুঝি? স্বামী - অবশ্যই হ্যা। কারন তোমার মতো স্ত্রী যার ঘড়ে আছে সে দুনিয়া আখিরাত দু জায়গাই কামিয়াব স্ত্রী - কিভাবে? স্বামী - এই যে আমি মাথা ব্যাথার ছুতা দিয়ে নামাজটা মিস দিতে চাইছিলাম। আমি যদি নামাজটা মিস দিতাম জাহান্নামে আমার জ্বলতে হতে। কিন্তু তোমার কারনে নামাজটা পরতেই হলো। স্ত্রী - হিহিহিহি। আমি কিভাবে আপনাকে জান্নামের আগুনে জ্বলতে দিতে পারি বলুন। স্বামী -হিহিহিহি।। এই জন্যই তো আমরা জন্য দুনিয়াটা জান্নাত( মুচকি হাসি দিয়ে) স্ত্রী - হিহিহিহি আর আমার জান্নাত আপনার পায়ের নিচে!!!( মুচকি হাসি দিয়ে) (টিকে থাকুক এমন ভালোবাসা গুলো). ... .. . গল্পটা কেমন লাগলো অব্যশয় কমেন্ট এ জানাবেন❤

F@Foysal

দুয়া ★দোয়া কবুলের জন্য কিছু করনীয়: আমরা বেশিরভাগই নামাজ শেষ করেই দোয়া করা শুরু করি।আসুন এই অভ্যাস বদলাই। নামাজ পড়ার শেষে সালাম ফেরানোর পর...... ★১ বার আল্লাহু আকবার ★৩ বার আস্তাগফিরুল্লাহ্ ★১ বার আয়তুল করছি ★১০ বার দরূদ............(সা:) ★৩৩ বার সুবহানআল্লাহ,৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ,৩৩ বার আল্লাহু আকবার ও ১বার..... "লা~ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহেদাহু লা শারীকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির" এগুলি পড়ার পড়ার অভ্যাস করি। ইনশাআল্লাহ......... আমাদের দোয়া কবুল হবে।

F@Foysal

১২প্রকার মানুষ 💢নবী করিম ﷺ - বলেছেন ১২ প্রকারের মানুষ সব চেয়ে উত্তম, দেখে নিন কারা আপনি আছেন কিনাঃ💢 ● এক. 💢রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,💖 ﺧَﻴْﺮُﻛُﻢْ ﻣَﻦْ ﺗَﻌَﻠَّﻢَ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ ﻭَﻋَﻠَّﻤَﻪُ ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৫০২৭) . ● দুই. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, ﺇِﻥَّ ﺧِﻴَﺎﺭَﻛُﻢْ ﺃَﺣَﺎﺳِﻨُﻜُﻢْ ﺃَﺧْﻼَﻗًﺎ ‘নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ওই ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৬০৩৫) . ● তিন. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, ﺇِﻥَّ ﺧِﻴَﺎﺭَﻛُﻢْ ﺃَﺣْﺴَﻨُﻜُﻢْ ﻗَﻀَﺎﺀً ‘তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের বেলায় ভালো।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ২৩০৫) . ● চার. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যার কাছ থেকে সবাই কল্যাণ আশা করে, অনিষ্টের আশঙ্কা করে না।’ (তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ২২৬৩/২৪৩২) . ● পাঁচ. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ওই ব্যক্তি, যে তার পরিবারের কাছে ভালো।’ (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নম্বর : ৪১৭৭) . ● ছয়. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ﺧِﻴَﺎﺭُﻛُﻢْ ﺃَﻃْﻮَﻟُﻜُﻢْ ﺃَﻋْﻤَﺎﺭًﺍ ﻭَﺃَﺣْﺴَﻨُﻜُﻢْ ﺃَﻋْﻤَﺎﻟًﺎ তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম। .(আহমাদ ৭২১২, ৯২৩৫, সিঃ সহীহাহ ১২৯৮) . ● সাত. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﺃﻧْﻔَﻌُﻬُﻢْ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। .(সহীহুল জামে’ হা/ ৩২৮৯, দারাক্বুত্বনী, সিঃ সহীহাহ ৪২৬) . ● আট. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ﻣَـﺨْﻤُﻮْﻡِ ﺍﻟْﻘَﻠْﺐِ ﺻَﺪُﻭْﻕِ ﺍﻟﻠِّﺴَﺎﻥِ ﻗَﺎﻟُﻮﺍ ﺻَﺪُﻭْﻕُ ﺍﻟﻠِّﺴَﺎﻥِ ﻧَﻌْﺮِﻓُﻪُ ﻓَﻤَﺎ ﻣَـﺨْﻤُﻮﻡُ ﺍﻟْﻘَﻠْﺐِ ‘শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন ও মুখ সত্যবাদী। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসুল! সত্যবাদী মুখ বোঝা গেল, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরের অধিকারী কে? রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ ও নির্মল, মুত্তাকি, যাতে কোনো পাপ নেই, বাড়াবাড়ি বা জুলুম নেই, নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ। .(ইবনে মাজাহ ৪২১৬ ,সহিহুল জামে, হাদিস : ৩২৯১) . ● নয়. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻷَﺻْﺤَﺎﺏِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺼَﺎﺣِﺒِﻪِ ﻭَﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟْﺠِﻴﺮَﺍﻥِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺠَﺎﺭِﻩِ ‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আর আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।’ (তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ১৯৪৪) . ● দশ. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ﺇِﻥَّ ﻣِﻦْ ﺧِﻴَﺎﺭِﻛُﻢْ ﺃَﺣْﺴَﻨَﻜُﻢْ ﺃَﺧْﻠَﺎﻗًﺎ ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যার চরিত্র সবচেয়ে বেশি সুন্দর।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৩৫৫৯) . ● এগারো রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣَﻨْﺰِﻟَﺔً ﺭَﺟُﻞٌ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺘْﻦِ ﻓَﺮَﺳِﻪِ ﻳُﺨِﻴﻒُ ﺍﻟْﻌَﺪُﻭَّ ﻭَﻳُﺨِﻴﻔُﻮﻧَﻪُ মর্যাদায় সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সে, যে নিজ ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে শত্রুকে সন্ত্রস্ত করে এবং শত্রুরাও তাকে সন্ত্রস্ত করে। .(বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৪২৯১, সিলসিলা সহীহাহ ৩৩৩৩) . ● বারো রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ ﻟَﻤُﺆْﻣِﻦٌ ﻣُﺠَﺎﻫِﺪٌ ﺑِﻨَﻔْﺴِﻪِ ﻭَﻣَﺎﻟِﻪِ ﻓﻲ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠﻪِ ঐ মু’মিন (সর্বশ্রেষ্ঠ) যে আল্লাহর পথে তার জান ও মাল দিয়ে যুদ্ধ করে। .(বুখারী ২৭৮৬, ৬৪৯৪, মুসলিম ৪৯৯৪-৪৯৯৫) মহান রব্বুল আল আমিন যেনো আমাদের এই আমল গুলো করার তাওফিক দান করে। আমিন

F@Foysal

সত্য ঘটনা এটি একটি সত্য ঘটনা কাল রাত ১০ টা ৪০ মিনিটে রাজধানীতে অবস্থিত ইবনে সিনা হাসপাতালে ডাক্তার দেখিয়ে বাসায় যাওয়ার জন্য রিক্সা খুঁজছিলাম, তো বেশ কয়েকজনকে অফার করলাম আমার নির্দিষ্ট জায়গায় যাওয়ার জন্য, কিন্তু কাছে হওয়াতে কেওই রাজি হলোনা। হটাৎ একটা রিক্সার দিকে নজর গেল, দেখলাম ড্রাইভার নাই, একজন অতি বৃদ্ধলোক রিক্সা ধরে দাঁড়িয়ে আছেন, উনার কাছে প্রশ্ন করলাম, চাচা এই রিক্সার ড্রাইভার কোথায় বলতে পারেন? উনি অনেকটা ছোট বাচ্চাদের মত আদো আদো কন্ঠে বললেন, ""বাবা আমিই ড্রাইভার(!!) কোথায় যাবেন বলুন নামিয়ে দিয়ে আসি, (জায়গার নাম বলতেই) তবে হ্যা,ভাড়া ৫ টাকা বেশি দিতে হবে, আর জোরে চালাতে ধমক কিন্তু দিতে পারবেননা। আমি উনার দিকে তাকিয়ে রইলাম,, কি বলবো ভাষা হারিয়ে ফেলেছি, বৃদ্ধের চেহারা দেখে আর মুখের কথা শুনে নিজের অজান্তেই চোখে পানি চলে আসলো। শুধু এতটুকু বললাম, আচ্ছা দিবো চলুন, আপনি যে ভাবে চালাতে পারেন সে ভাবেই চালান কিছু বলবোনা, বৃদ্ধলোক রিক্সা টান দিলেন, বুঝলাম বয়সের ভারে লোকটি কুঁজো হয়ে গেছে। উনি পাঁচ মিনিটের রাস্তা প্রায় ২০ মিনিট ধরে আসলেন, পথে অন্য রিক্সাওয়ালারা বৃদ্ধকে বিভিন্ন ভাষায় টিজ করতে লাগলো, কেও দাদা বলে কেও বা আবার বউ কয়টা বলে হট্রহাসিতে ফেটে পড়লো, আমি বেশ কয়েকজনকে ধমকও দিলাম। লক্ষ করলাম পথিমধ্যে অনেকেই লোকটার দিকে তাকিয়ে আছে। যাই হওক, উনি আমার গন্তব্যে আসলেন, আমি রিক্সা থেকে নেমে উনাকে পাঁচশত টাকা দিয়ে বললাম চাচা এইনেন ভাড়া, উনি বললেন বাবা আমার কাছে ভাংতি হবেনা, আমি বললাম, আপনি পুরাটা রেখে দেন, বৃদ্ধের জবাব, আমি ভিক্ষা করিনা, কাজ করি আপনি নির্দিষ্ট মজুরি দেন, আমি হতভম্ব হয়ে বললাম, আমি আপনার রিক্সা ভাড়া বাবদ পাঁচশত টাকা দিলাম রাখেন, বৃদ্ধলোক নাচোড় বান্দা কিছুতেই নিবেনা!!! উনাকে বললাম, চাচা, আমি আপনার ছেলের মত নেন সমসস্যা নাই, উনি প্রশ্ন করলেন, তোমার বাবা মা বেঁচে আছে?? বললাম, আলহামদুলিল্লাহ্ আমার আব্বা আম্মা দুইজনই পরম মমতায় এখনো আগলে রেখেছেন আমাকে। বৃদ্ধের বয়স সহ নাম জানতে চাইলাম, বললেন নাম আদম আলী, বয়স ৮০ এর উপরে, তবে বুঝতে অসুবিধা হয়না বয়স অবশ্যই ৮০ এর বেশি হবে। উনাকে প্রশ্ন করলাম, আপনার ছেলে মেয়ে আছে? বৃদ্ধলোক উত্তর দিলেন,""আমার চার ছেলে ও এক মেয়ে আছে"" শুনে অবাক হলাম, জানতে চাইলাম সন্তানদের ব্যাপারে। বৃদ্ধলোক বলতে লাগলেন,""সবাই বিবাহিত, ছেলেদের ঘরে একেকজনের ৩/৪ করে সন্তান, সবাই ভাল উপার্জন করে, স্ত্রী সন্তান নিয়ে আলাদা থাকে, মেয়েরও বিয়ে হয়ে গেছে, স্বামি সি এন জি (অটু স্কুটার) চালক, আমি আর বুড়ি আলাদা থাকি, পাকিস্তান পিরিয়ডে ২৫ টাকা পণ দিয়ে বিয়ে করেছি আল্লাহর রহমতে আজো এক সাথে আছি""। জানতে চাইলাম, আপনার ছেলেরা আপনার বরণ- পোষন করেনা কেন? তাদের কাছে যাননা আপনি? বৃদ্ধের এক উত্তর,""তাদের সংসারে আমাদের কোন ঠাই নাই, আমাদের আল্লাহ্ আছেন""। কৌতুহল বশত জিজ্ঞেস করলাম, সন্তানরা আপনাদের ভালবাসেনা, আপনি তাদের অভিসাপ দেননা? বৃদ্ধ আমার প্রতি রেগে গেলেন,""বললেন অভিসাপ দিবো কেন? আমরা মরার পর কবরে মাটিতো দিবে""। নিজেকে আর ধরে রাখা হলোনা আমার, বৃদ্ধ বুঝতে পেরে নিজের হাতে চোখের জল মুছে দিলেন, বললেন,""বাবা তোমার পিতা মাতা ধন্য, তোমাকে জন্ম দিয়ে,তোমার টাকাটা আমি নিবো একটু ভাল লাগলো আমার, একটি রেস্তোরাঁর সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের এই আবেগী দৃশ্য গুলো চলছিল, আর রেস্তোরাঁর মালিক ভিতরে বসে বসে সব লক্ষ করছিলেন, আমি বৃদ্ধলোকটিকে বিদায় দিবো এমন সময় তিনি আসলেন, এবং আমাদের দুইজনকেই পছন্দমত ফ্রী খাওয়ার অনুরোধ করলেন, আমি না খেলেও ৮০ বছরের বয়সী বৃদ্ধ আদম আলী মাছের বারকিউ দিয়ে খুব তৃপ্তি সহকারে নান রুটি খেলেন। এই স্ট্যাটাস টি আমি আমার পাবলিসিটির জন্য করিনি, করেছি শুধুমাত্র ঐ সব বিবেকহীন পশুদের জন্য যারা ৮০ বছর বয়সী পিতাকে রাস্তায় ছেড়ে দেয় খাবার খুঁজতে এবং আমার মত যুবকরা যেন এ সমস্ত অসহায়দের অসম্মানিত না করেন। পুরোটা যখন পড়েছেন একটা কমেন্ট করে জানাবেন কেমন লাগলো আমার গল্পটা।

F@Foysal

Tumi aco hridoye8 #তুমি_আছো_হৃদয়ে💙💙 (পর্ব-৮) রোদ নিজেকে পরিপাটি করে রুম থেকে বের হচ্ছে।রোদ সাদা টিশার্ট,কালো কোর্ট,কালো জিন্স,কালো সু পড়ে রেডি হয়ে নিয়েছে।কালো ওয়াচ,টিশার্টে সানগ্লাস গুজা,সিল্কি চুলগুলো কপালের কাছে কিছুটা পড়ে আছে। রোদ রুম থেকে বের হয়েই কেমন জুই ফুলের ঘ্রাণ পাচ্ছে।যা ওকে পাগল করে দিচ্ছে।রোদ এই ঘ্রাণের উৎস খোজতেই সামনে ফুলকে দেখতে পায়।ফুলকে দেখে ওর দৃষ্টি স্থির হয়ে গেছে।ফুলের দিক থেকে চোখ ফিরাতে পারছেনা।এ যেন নতুন ফুলকে দেখছে। ফুল কালো ড্রেস পড়েছে,সিল্কি চুলগুলো চিকন রাবার ব্যান্ড দিয়ে উচু করে ঝুটি করেছে।কানে ব্লাক স্টোনের এয়ারিং,ঠোঁটে লিপস কালার হালকা লিপব্রুজ।কাধে লেডিস ব্যাগ এক কাধে ঝুলছে,বা হাতে ফোন।পায়ে ব্লাক সু।শরীরে জুই ফুলের পারফিউম। রোদ যেন ওর সামনে তরতাজা ফোটা একটা কালো গোলাপ দেখছে।ফুলকে বরাবরই কালো রঙের ড্রেসে সুন্দর লাগে।রোদের কাছেও অপূর্ব লাগছে।কিন্তু ওকে এ ড্রেসে ভার্সিটিতে যেতে দিতে ইচ্ছে করছে না। --আমি রেডি। ফুলের কথায় রোদের ঘোর ভাংলো। --এই তুই এটা কি পড়েছিস?কাকের মতো লাগছে।আমরা ভার্সিটি যাচ্ছি কারো শোক পালন করতে নয়। --কি বলছো ভালো লাগছে না?কিন্তু সবাই তো বলে আমাকে কালো রঙে অনেক সুন্দর লাগে। --ভুল বলেছে।তুই তাড়াতাড়ি চেঞ্জ করে আয়। আমি একটু চিন্তিত হয়ে বললাম, --কিন্তু চেঞ্জ করতে গেলে অনেক সময় লাগবে।চুল নষ্ট হবে,চুল আবার বাধতে হবে।এয়ারিং চেঞ্জ করতে হবে,পারফিউম।আমি আর রেডি হতে পারবোনা। --ঠিক আছে।আজকের মতো।বাট নেক্সট টাইম কালো রঙের কিছু পড়ে বের হবিনা। --আচ্ছা,, গাড়িতে আমি আর রোদ ভাইয়া পাশাপাশি বসে আছি।উনি চুপচাপ ড্রাইভ করছেন।আমি অনেক এক্সাইটেড নিউ ভার্সিটি কখন দেখবো তা নিয়ে।আমার ভিতরের উচ্ছ্বাস বাইরে প্রকাশ পাচ্ছে।আমি রোদ ভাইয়ার দিকে তাকালাম।ভ্যাম্পায়ারকে আজ অনেক হ্যান্ডসাম লাগছে।যদিও সবসময়ই হ্যান্ডসাম লাগে।তবে আজ একটু বেশিই লাগছে।তবে মুখ কালো করে ড্রাইভ করছে।আর কোনো কথাও বলছেনা।আমার কেমন খটকা লাগছে।উনার কি মন খারাপ? --রোদ ভাইয়া,তোমার কি মন খারাপ? রোদের গতকাল রাহাতের সাথে কথা বলার পর থেকেই মন খারাপ।কেমন অপরাধবোধে ভুগছে।এমন একটা ফুলকে ও ভুল বুঝেছে।তবে ফুলের মুখে রোদ নামটা শুনে এতকিছুর পরেও ভালো লাগছে। মেয়েটা ওর কথা রেখেছে আজ তুমি করেও বলেছে। ফুল তোকে অনেক কষ্ট দিয়েছি।তোর মনে আমার জন্য নেগেটিভ ভিউ তৈরি হয়েছে।সব শোধরে নিবো।নিজের পজিটিভ পজিশন তৈরি করেই তোকে মনের কথা জানাবো। রোদ ভাইয়া হালকা হেসে আমার দিকে চেয়ে বললো, নাহ। কিন্তু আমার সন্দেহ কাটছে না।মনে হচ্ছে কিছু হয়েছে।আমি উনার দিকে ভালোভাবে তাকালাম।মুখের দিকটা মলিন হয়ে আছে।উনার হাতের দিকে চোখ গেলো।হাতটা কেমন লাল হয়ে ফুলে আছে। আমি বিচলিত হয়ে বললাম, --রোদ ভাইয়া তোমার হাতে কি হয়েছে?এমন লাল হয়ে ফুলে আছে কেন? অজান্তেই আমার হাত তার হাতের উপর চলে গেলো।ভাইয়ার হাতের উপর হাত দিতেই উনি ব্যথায় আহ,,করে উঠলেন।আমি হাত সরিয়ে নিলাম। --কিছুনা,,ওই একটু লেগেছে। --এমন করে কিভাবে লাগলো? ভাইয়া আমার মুখের দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে মৃদু হেসে বললো, --তুই এতো ভাবছিস কেন?এমনি লেগেছে। আমি চোখ ছোট ছোট করে নাকি ফুলিয়ে বললাম, --সত্যি করে বলোতো কি হয়েছে?তোমার মুখটা শুকনো লাগছে?হাসছো ও কেমন মলিনভাবে।তোমার হাসি তো এমন নয়। --আমার হাসি কেমন? এখন আমি কি বলবো?উনার হাসি কেমন?হাসি তো হাসিই,,কেমন আবার হবে? তবুও বললাম, --কেমন মুগ্ধতা ছড়ানো।খুব সুন্দর।এখন বলো কি হয়েছে? --নিজেকে শাস্তি দিয়েছি। --শাস্তি!!কেন? --একজনকে বিনা অপরাধে অনেক কষ্ট দিয়েছি।তাই নিজেকে শাস্তি দিয়েছি। --তাতে কি হয়েছে?অপরাধবোধ কমেছে?তার চেয়ে যার সাথে খারাপ বিহেভ করেছো তাকে সরি বলো।অপরাধ বোধ কমে যাবে।শান্তি পাবেন। --সে কি আমাকে ক্ষমা করবে? --কেন করবে না অবশ্যই করবে।ভালো মনে ক্ষমা চাইলে কেউ আবার ক্ষমা না করে?করবে। রোদ ভাইয়া গাড়ি থামিয়ে দিলো।তারপর আমার দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে বললো, --ফুল তুই আমাকে ক্ষমা করে দিস।আমি তোর সাথে অনেক অন্যায় করেছি।অনেক খারাপ ব্যবহার করেছি তোর সাথে প্লিজ ক্ষমা করে দে। আমি অবাক হয়ে রোদ ভাইয়াকে দেখছি।আর দেখে অবাক হচ্ছি।আমাকে সরি বলছে। --মানে?আমাকে বলছো? --হ্যা,,আমি তোকেই বলছি।প্লিজ ক্ষমা করে দে।এতদিন অনেক কষ্ট দিয়েছি তোকে।অনেক কষ্ট পেয়েছিস তাই না? --উহু,,আমার এসব মনে থাকেনা।এসবে আমি অভ্যস্ত। --তুই কি আমাকে ক্ষমা করলিনা? আমি একটু হেসে বললাম, --আমি তোমার উপর রাগ করিনি।আর তাছাড়া তোমার জন্য আমার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে।আমি তোমার কাছে কৃতজ্ঞ।সব ভুলে যাও।তোমার উপর আমার কোনো রাগ নেই। রোদ ভাইয়া মুচকি হেসে বললো,এবার আসলেই শান্তি লাগছে।এবার বল এখন আমার হাসি কেমন লাগছে? --পারফেক্ট। বলেই আমি আলতো হাসলাম।আসলেই হাসিটা এখন পারফেক্ট লাগছে। ভাইয়া গাড়ি চালাতে শুরু করলো। ভার্সিটিটা অনেক বড় আর সুন্দর।আমার খুব ভালো লাগছে।ভাইয়ার সাথে সাথে হাটছি।একজন ছেলে এলো ভাইয়ার কাছে তিনিই সম্ভবত সেই বন্ধু।আমাদের একটা রুমে নিয়ে গেলো ভর্তি করার জন্য।ভাইয়া নিজেই সব ফর্মালিটি পূরণ করছে আমি শুধু তার পাশে বসে আছি। ভর্তি কমপ্লিট সামনের সপ্তাহ থেকে ক্লাস।উফফ কি যে মজা লাগছে। --ফুল কলি চল তোর ক্লাসরুম দেখে আসি। পাশ থেকে ভাইয়ার বন্ধু সাব্বির বললো, --ফুল কলি!!ফুল কলি আবার কে?ফরমে তো অন্য নাম দেখলাম। আমি উনার কথা শুনে লজ্জা পেয়ে গেলাম।ভাইয়াও বোকা বনে গেলো। --আরে এমনি মজা করে ফুল কলি ডাকি।তুই আবার এই নামে ডাকিস না।এটা আমার জন্য স্পেশাল। বলে কি আমার এই নামও নাকি স্পেশাল ভাইয়ার কাছে।অদ্ভুৎ মানুষ। ক্লাসরুমটা অনেক বড় আর সুন্দর।পরিষ্কার পরিছন্ন হয়তো ক্লাস শুরু হয়নি তাই।ভাইয়া একে একে লাইব্রেরি,গার্লস কমন রুম,ক্যান্টিন,আশেপাশের প্রয়োজনীয় সবকিছু দেখিয়ে দিলেন।যাতে পরবর্তীতে এসে আমার কিছু খোজতে না হয় কিংবা সমস্যা না হয়। --এই ক্ষুধা পেয়েছে তোর? কিছু খাবি? --না,, তবুও তিনি ফুচকার সামনে গিয়ে ফ্রেন্ডকে জিজ্ঞেস করলো, --ওই সাব্বির ফুচকা খাবি? --মেয়েদের খাবার আমি খাইনা।তুই খা। রোদ ভাইয়া বললেন, --খাবার তো খাবার ই ছেলেদের আর মেয়েদের কি?তুই না খেলে নাই।গিয়ে মুড়ি খা। বলেই ফুচকাওয়ালাকে বললো, --মামা,দুই প্লেট ফুচকা দিন।ঝাল করে। ঝাল আমি তো আবার ঝাল খেতে পারিনা।কিন্তু কিছু বলতেও পারছিনা।যদি বলি আমি ঝাল খাইনা।তাহলে যদি রোদ ভাইয়া বলে ঝালও খেতে পারিস না? ভাইয়া একটা চেয়ার টেনে টিস্যু দিয়ে মুছে বললো, --ফুল নে বস। আমি কিছু না বলে চুপ করে বসে পড়লাম।কিছুক্ষণ পর ভাইয়া আমাকে ফুচকার প্লেট দিলো।তারপর নিজেরটা নিলো।তার পাশে সাব্বির ভাইয়া বসে বসে ফোন টিপছে। ভাইয়া খেয়েই চলেছে।একটা ছেলে যে এভাবে ফুচকা খেতে পারে জানা ছিলোনা।আমি একটা মুখে দিয়েছি তো তার ৪টা শেষ।আমি অবাক হয়ে তাকে দেখছি। --ওই খাবি না আমাকে দেখবি? আমি ভ্রু কুচকে বললাম, --আমি আপনাকে দেখছি না আপনার ফুচকা খাওয়া দেখছি।কিভাবে খাচ্ছেন? --তোর মতো ঢং করে খাচ্ছিনা।আমার ফুচকা অনেক পছন্দ।আর তাছাড়া কতদিন পর খাচ্ছি। বলেই আরেকটা মুখে পুরলো।আমি আড়চোখে চেয়ে দেখি সাব্বির ভাইয়া হাসছে। আমি আবার আরেকটা মুখে দিলাম।তাতেই আমার দম বন্ধ হয়ে গেলো।ঝালে কান ধরে গেছে। আমি ধাপ করে প্লেট রেখে বললাম "ঝাল"।ভাইয়া আমার দিকে চেয়ে বললো, --কি হয়েছে? --ঝাল,,পানি।আমার চোখে পানি চলে এসেছে কান জ্বলছে। ভাইয়া নিজের প্লেট রেখে দৌড়ে পানি নিয়ে এলো।আমি হা করে মুখের ভাপ বের করছি আর হাত দিয়ে মুখের সামনে বাতাস করছি। ভাইয়া হন্তদন্ত হয়ে আমার জন্য পানি নিয়ে এসে বললো, --নে পানি খা। আমি বোতল নিয়ে ঢকঢক করে পানি খেলাম।তবুও যেন কমছে না। ভাইয়া তার বন্ধুকে বললো,সাব্বির একটা আইসক্রিম নিয়ে আয় প্লিজ।তাড়াতাড়ি। সাব্বির ভাইয়া আইসক্রিম আনতে চলে গেলো। রোদ ভাইয়া বললো, --ফুল অনেক ঝাল লাগছে?আরেকটু পানি খা।সাব্বির এখনি আইসক্রিম নিয়ে আসছে।একটু ওয়েট কর। আমি ভাইয়ার দিকে চেয়ে অবাক হয়ে গেলাম।তাকে দেখে মনে হচ্ছে আমার না তারই ঝাল লেগেছে। সাব্বির ভাইয়া আইসক্রিম আনতেই ভাইয়া তাড়াতাড়ি করে প্যাকেট ছিড়ে আমার মুখের সামনে আইসক্রিম ধরলো। আমার জান ফিরে এলো।আমি আইসক্রিম খাচ্ছি ভাইয়া আমার দিকে চেয়ে আছে।আমাকে শান্ত ভাবে খেতে দেখে বুঝতে পারলো আমি ঠিক আছি।আমি আড়চোখে সাজ্জাত ভাইয়ের দিকে চেয়ে দেখি সে মিটমিট করে হাসছে।আশ্চর্য এভাবে হাসার কি হলো। আমার প্রতি রোদ ভাইয়ার কেয়ারিং দেখে অনেক ভালো লাগছে।সেই ছোট বেলায় যেমন কেয়ার করতো ঠিক তেমন। কলেজের এক দিনের কথা মনে পড়ে গেলো।আমি বান্ধবীদের সঙ্গে ফুচকা খাচ্ছি।রাহাত আমার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলো।আর বিরক্ত হচ্ছিলো।আমি ওকে জোর করে দাড় করিয়ে রেখেছিলাম।হটাৎ এমন ঝাল লাগে।ঝাল ঝাল বলছিলাম আর ফাজিল রাহাত আমার মুখে আরেকটা ফুচকা ঢুকিয়ে দেয়।তারপর বলে আরেকটু ঝাল খা। সে কথা মনে পড়তেই ঠোঁটের কোনে হাসি ফুটলো।সেটা রোদ ভাইয়ার চোখ এড়ায়নি। --ওই হাসছিস কেন? আমি বললাম,কলেজের কথা মনে পড়ে গেলো।আরেকবার এমন হয়েছিলো রাহাত আমার মুখে আরেকটা ফুচকা ঢুকিয়ে দিয়ে বলেছিলো আরো খা ঝাল। --ভালোই করেছে।তোর আর ফুচকা খেতে হবেনা,রাখ।আচ্ছা,তুই ঝাল খেতে পারিস না? আমি মাথা নাড়িয়ে না বললাম। ভাইয়া বললো, --হায়রে,,,গাধী। আমি ভ্রু কুচকে তাকালাম ফ্রেন্ডের সামনে আমাকে অপমান করছে।উনি আমার ভ্রু কুচকানোর কারণ বুঝে কানের কাছে এসে আস্তে করে বললো, --তোর সামনেই তো অর্ডার দিলাম।কিছু বলিস নি কেন?ইচ্ছা করছে কানের নিচে দেই একটা।যেটা পছন্দ নয় সেটা বলতে হয়।চুপ করে থাকতে হয়না। ভাইয়াও আর খেলোনা। --তুমি আর খাবে না? --না,,ইচ্ছে নেই। চল উঠা যাক। আমরা সাব্বির ভাইয়াকে বিদায় দিয়ে গাড়িতে উঠলাম। ভাইয়া ড্রাইভ করছে তবে বাড়ির দিকে নয়। --আমরা কোথায় যাচ্ছ? --আমার একটু কাজ আছে। গাড়ি শপিংমলের সামনে থামলো।আমরা ভিতরে গেলাম।গার্লস স্টলে।ভাইয়া আমাকে কতগুলো ড্রেস দেখিয়ে বললো, --দেখ কোনটা কোনটা পছন্দ হয়। --মানে? --মানে তোর জন্য শপিং করতে এসেছি। --আমার শপিং করার প্রয়োজন নেই। --আরে ওয়েট ওয়েট। তারপর পকেট থেকে একটা ক্রেডিট কার্ড বের করে আমাকে দেখিয়ে বললো, --এটার কাকাই দিয়েছে আর বলেছে আসার সময় যেন তোকে শপিংয়ে নিয়ে যাই।তাই এসেছি।ভাবিস না আমার টাকা খরচ করছি।তোর বাবাইয়ের টাকাই। আমি এখন বুঝতে পারলাম।ভাইয়া ভেবেছে তার দেওয়া কিছু নেবোনা তাই ক্রেডিট কার্ড দেখালো। আমি আমার পছন্দ মতো কয়েকটা ড্রেস নিয়েছি।হটাৎ চোখ পড়লো কালো রঙের একটা ড্রেসের উপর।আমি ড্রেসটা হাত দিয়ে ধরে দেখছি। ভাইয়া পিছনে থেকে বললো, --নিয়ে নে,,ড্রেসটা অনেক সুন্দর। আমি চট করে বললাম, --না আমি নেবোনা। --কেন নিবি না?দেখে তো মনে হচ্ছে ড্রেসটা তোর পছন্দ হয়েছে। আমি অভিমানী মুখে বললাম, --তুমি আমাকে সকালে কি বলেছো ভুলে গেলে?কালো রঙে আমাকে কাকের মতো লাগে।তাই আমি নিবোনা। ভাইয়া হটাৎ থমথমে মুখে বললেন, হ্যা মানে।ঠিক আছে নিয়ে নে। --না আমি নিবো না। ভাইয়া আমাকে লোভ দেখাচ্ছে নেওয়ার জন্য। --দেখ,,ড্রেসটা কত সুন্দর।কি সুন্দর ডিজাইন এমন ড্রেস আর পাবিনা।নিয়ে নে নয়তো পরে পস্তাবি।দেখবি পরে সারারাত ঘুম হবেনা। --আমি নিবোনা।তোমার ভালো লাগলে তুমি নেও। --আমি নিয়ে কি করবো?আমি পড়বো?আমি কি মেয়ে নাকি? আমি ঠেস মেরে বললাম, --তাতে কি হয়েছে?কয়দিন পর বিয়ে করবে তখন বউকে পড়াবে আর নয়তো তোমার একতরফাকে গিফট করবে। রোদ ভাইয়া আমার কথা শুনে হাসছে।তারপর বললো, --ভালো বলেছিস।আমিই নিয়ে যাই। উনি নিজেই ওই ড্রেসের বিল মিটিয়ে নিয়ে নিলেন।দুঃখে আমার কান্না চলে আসছে।আমার পছন্দের ড্রেস সে তার বউয়ের জন্য নিয়ে গেল। সারা রাস্তা গাল ফুলিয়ে বসে ছিলাম।একটা কথাও বলিনি।কেন বলবো?আমি নেইনি,,সে কেন নিবে? রোদ ফুলকে দেখছে আর মুচকি মুচকি হাসছে। --হায়রে গাধী...তুই কবে বুঝবি তুই আমার একতরফা ভালোবাসা। আর ড্রেসটা তো তোর জন্যই নিয়েছি।এত্ত অভিমানী তুই।সেই ছোট্ট অভিমানীটাই রয়ে গেলি। তোকে কালো পড়লে পরী লাগে।কেউ যদি আমার অগোচরে আমার পরীকে নিয়ে যায়।একবার আমায় বিয়ে কর দিনরাত তোকে কালো পড়াবো।কালো পড়তে পড়তে বিরক্ত হয়ে যাবি।দেখিস। আমি নিজের রুমে যাচ্ছি শপিং ব্যাগ নিয়ে।রোদ ভাইয়ার সাথে আর কথা বলিনি।ভাইয়া তখনই ডাক দিলো। --ফুল!! আমি দাঁড়িয়ে গেলাম।আমার সামনে এসে হালকা হেসে শপিং ব্যাগ এগিয়ে দিয়ে বললো, --এইটা আমি তোর জন্যই এনেছি।ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিস সে উপলক্ষে আমার পক্ষ থেকে তোর জন্য গিফট। প্লিজ না করিস না।প্লিজ। প্লিজ কথাটা একটু করুন ভাবেই বললো।আমি কিছুতেই নিতাম না কিন্তু শেষে করুন ভাবে প্লিজ বলে আমার মন গলিয়ে দিয়েছে।তাই না করতে পারলাম না। ব্যাগ নিয়ে মুচকি হেসে বললাম,ধন্যবাদ। তারপর ভাইয়াকে একটা ব্যাগ এগিয়ে দিয়ে বললাম, আপনার জন্য। উনি হাসি মুখে নিয়ে ব্যাগটা খোলে কালো রঙের পাঞ্জাবি দেখে আবারো মুচকি হাসি দিলো। তারপর আমাকে জিজ্ঞেস করলো, --হটাৎ?? কেন দিয়েছি নিজেও জানিনা।তবে দেখেই পছন্দ হয়ে গেলো।কিনতে ইচ্ছে হচ্ছিলো কিন্তু কাকে দিবো।তখনই রোদ ভাইয়ার কথা মাথায় আসে।আমি ভাইয়ার দিকে একবার চেয়ে কল্পনা করে নিয়েছিলাম তাকে পড়লে কেমন লাগবে।কল্পনা বলছিলো এই পাঞ্জাবিতে তাকে দারুণ লাগবে।তাই নিয়ে নিলাম। --এমনি,,আপনি এতো কিছু করলেন আমার জন্য ? --আচ্ছা, ঋণ শোধ করছিস? --ঋণ??কি যে বলো ভাইয়া তুমি এভাবে কারো ঋণ শোধ করা যায়?আমি তো এমনি দিলাম।জাষ্ট এমনি। ভাইয়া আর কিছু বলেনি।কিন্তু তাকে দেখে মনে হচ্ছিলো পাঞ্জাবি দেওয়ায় অনেক খুশি হয়েছে। আমি রুমে গিয়ে ব্যাগগুলো রেখে বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম।সারাদিনের কথা ভাবছি।রোদ ভাইয়ার সাথে কাটানো সময় গুলোর কথা ভাবছি।সময়গুলো অনেক ভালো ছিলো,অনেক সুন্দর।আমি অন্যরকম রোদ ভাইয়াকে আবিষ্কার করছি।একদম অন্যরকম। চলবে...

F@Foysal

The cobra king83 #The_Cobra_King #Mafia_Boss_Season4 part:83 →বিজলি বেগমকে দেখে রুহী চোখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে নেয়।ওর কারোর প্রতি সম্মান আসছেনা।এই নারী ও হয়ত এই লোকটার মতোই জঘন্য প্রকৃতির।রুহীর চোখ বেয়ে অনবরত অশ্রু গড়াচ্ছে তা বিজলি বেগমের চোখ এড়ালো না।নাতিকে একপলক দেখে রুহীর দিকে তাকান ওনি।তারপর বলেন, . . -''তোমাকে খুব ক্লান্ত মনে হচ্ছে। পানি খাবে?" -''এ বাড়ির এক ফোঁটা পানি ও আমার জন্য বিষ হয়ে যাবে।" . . জয়ের দিকে ঘেন্না ভরা চাহনি দিয়ে বলে রুহী।বিজলি বেগম বলেন, . . -''আমি জয়ের দাদি।আমার নাতি এমন কি করেছে যে তুমি এতো রেগে আছো।বলতে পারো আমায়। -''আপনার নাতিকেই জিজ্ঞেস করুন কি করেছে সে?" . . জয় অন্যদিকে চেয়ে আছে।ওর চোখজোড়া লাল বর্ন ধারন করেছে।বিজলি বেগম জয়ের দিকে তাকান।কিন্তু জয় কিছু বলছেনা।রুহী বলল, . . -''ওনি হয়ত বলতে পারবেননা।এর চেয়ে ভালো আমিই বলে দেই ওনি আমার হাজবেন্ড কে প্রানে মারতে চেয়েছে এটা জানার পর ও যে আমি মা হতে যাচ্ছি।আপনার নাতির মতে তার সাথে ধোঁকা হয়েছে যেখানে ওনাকে আমি চিনতামই না।আপনার নাতির কারনে আমার হাজবেন্ড হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছে।দুব্যাগ রক্ত লেগেছে।মাথা বেয়ে অনেক রক্ত ঝরেছে।আজ যদি ওনার কিছু হতো আমার বাচ্চা জন্মের আগেই এতিম হয়ে যেতো।আর আমার কি হতো একটু ভেবে দেখুন?কই যেতাম আমি?ওনি ও তো এতিম।ওনি কি বুঝেনা মা বাবা ছাড়া বেঁচে থাকা কতো কঠিন।আজ যদি আমার হাজবেন্ডের কিছু হয়ে যায় ওনার জীবন অভিশপ্ত করে দিবো আমি।ওনাকে আমি বাঁচতে দিবোনা যতক্ষন পর্যন্ত আমার হাজবেন্ডকে তাকে মাফ করে।ওনি যা করেছেন সেটার প্রায়শ্চিত্ত ওনাকে করতে হবে।আমি চললাম।" . . কথা গুলো রেগে বলে রুহী বেরিয়ে গেলো।এদিকে বিজলি বেগম রুহীর কথা গুলো শুনে জমে গেছেন।এটা কিভাবে সম্ভব?তার জয় তো এমন না।জয়তো খুব বু্দ্ধিমান ছেলে।জয় কিভাবে করলো এ কাজ?বিজলি বেগম নাতিকে দেখছেন সন্দেহের চোখে আতঙ্কের চোখে।তারপর ও নিজের মনকে শান্তি দেবার জন্য বলেন, . . -''জয় ঐ মেয়ে যা বলেছে সব সত্যি?" . . নিশ্চুপ জয় কিছুই বলছেনা।বিজলি বেগম চেঁচিয়ে উঠলেন, . . -''বলিস না কেন জয়?কথা গুলো সত্যি?তুই কি কাজ টা করেছিস?বল??" -''হ্যা।করেছি আমি।" . . কথা গুলো বলে দাদির দিকে তাকাতেই বিজলি বেগম স্বজোরে চড় দিলেন নাতিকে।ওনি বলতে লাগলেন, . . -''আশা করিনি এমনটা।তোকে কখনো মা বাবার অভাব পূরন হতে দেইনি।চাওয়ার আগেই সব তোর হাতের নাগালে এনে দিয়েছি।ভেবেছিলাম আমার নাতি হীরা।কখনো অন্যায় করতে পারেনা।কিন্তু তুই যে এতো বড় পশু সেটা আজ জানলাম।তোকে ঘর থেকে বের করবোনা আবার আমার চোখের সামনে কোন ক্রিমিনালকে সহ্য ও করতে পারবোনা।আমার সামনে আসলে মনে করবি তোর দাদি মারা গেছে তোর জন্য।ওই লোক তোকে মাফ করলে ও আমার থেকে মাফ পাবি না কখনো। " . . কথা গুলো বলে দূর্বল পায়ে হেঁটে যেতে থাকেন।বিজলি বেগম।জয় কিছুই বলতে পারেনা।থামাতে পারেনা দাদিকে।কোন মুখে থামাবে?আজ ওর কর্ম ফল ভারি পড়ে গেছে ওর ওপর।এদিকে রুহী এসে দেখলো শামীম এখনো বসে আছে।রোয়েন ঘুমুচ্ছে।রুহী ফিসফিসিয়ে বলল, . . -''উঠেছিলো ও?" -''না রুহী।কথা হলো?" -''হ্যা।" -''তোমার কোন ক্ষতি করতে চায়নি তো?" -''না ভাইয়া।আজ তার হাত পা বাঁধা পাপের জালে।কিছু করতেই পারবেনা।" . . শামীম কিছু বললনা।রুহী ফ্রেশ হতে চলে গেলো।শামীম আরো কিছুক্ষন গল্প করে চলে গেলো।রুহী রোয়েনের মাথার কাছে বসে আছে।রোয়েনের গালে হাত বুলাচ্ছে।হঠাৎ চোখ খুলে রোয়েন মৃদ হাসে।রুহী মুখ নামিয়ে ওর কপালে চুমু খেয়ে বলল, . . -''ভালবাসি।" -''অনেক ভালবাসি।রুহী খুব খিদে পেয়েছে।" -''তুমি শোও।আমি খাবার রেডি করে আনছি।" . . সরে এসে বাটিতে সুপ আর মগে গরম দুধ ঢেলে রোয়েনের কাছে এসে বসে।রোয়েন বলল, . . -''কিছু খাওনি কেন?" -''খেয়েছি আমি।তুমি খাও।" -''রুহী তুৃমি তোমাকে যতোটুকু চেনো তার চেয়ে বেশি আমি চিনি।আর আমার বাচ্চাটা ও বলছে ও সারাদিন কিছু খায়নি।" -''তুমি খাও।পরে খেয়ে নিবো আমি।" . . রোয়েন আর কিছু বলেনা।রুহী ওকে খাইয়ে দেয়।রুহী নিজে ও খেয়ে নেয়।এদিকে রামীন ঘরে ফিরে আসে।রাতে রোয়েনের সাথে দেখা করেই ঘরে ফিরে এসেছে।আশফিনা রোয়েনের কথা জানতে চাইছে কিন্তু জিজ্ঞেস করতে পারছেনা।রামীন খেয়াল করলো আশফিনা ঘুরঘুর করছে।কিছুটা অস্থির হয়ে আছে।রামীন বুঝতে পেরে বলল, . . -''রোয়েন ঠিক আছে।রুহী বেশ খেয়াল রাখছে ওর।" . . আশফিনা শুনে কিছুটা খুশি হলে ও না শোনার ভঙ্গি করে চুল আাঁচড়াতে থাকে।রামীন শার্ট পাল্টে একটা সাদা গেঞ্জী পরে আশফিনার দিকে তাকিয়ে খাটে এসে বসে বালিশে মাথা রেখে চোখ বোজে।বেশ ক্লান্ত ও।আশফিনা চুল খোপা করে দেখলে রামীন ঘুম।ও আস্তে করে রামীনের পাশে শুয়ে পড়ে।রামীনের দুহাত ওর মুখের ওপর।আশফিনা সাহস করে রামীনের বুকে হাত রেখে ঘুমাতে চেষ্টা করে।হঠাৎ কেন যেন মনে হলো রামীন নড়ে উঠেছে।আশফিনা ব্যাপারটা বুঝার পর সরে যাওয়ার আগেই রামীন একদম জড়িয়ে নেয় আশফিনাকে।আশফিনা চোখ বড় করে রামীনকে দেখছে।রামীন তো দুষ্টু হেসে বলল, . . -''চুরি করে ভালবাসা দেখানো হচ্ছে?" -''একদম না।ছাড়েন আমাকে।" -''আমি জানি তুমি আমাকে খুব ভালবাসো।কিন্তু তোমার মস্তিস্কে একটা কীড়ার আক্রমন ঘটেছে সেটা যখনই তোমার মাথায় কামড় দেয় তখনই তোমার টালবাহানা গুলো শুরু হয়ে যায়।ব্যাপার না। আমার ভালোই লাগছে বৌকে জোর করে আদর করে।তবে জানেমান বেশিদিন সইবেনা এমন।নইলে আমাদের বংশবিস্তার কি করে হবে বলো?" -''ছিহ!!জঘন্য চিন্তাধারা।" -''সেটা জন্মগত।বলে কি লাভ বলো।তার চেয়ে তুমি এই চিন্তাধারায় ইউজড টু হয়ে যাও।নয়তো একটু কষ্ট করতে হবে।আমাকে সহ্য করা আবার বেশ কঠিন বলে কথা।" -''সরে যান।দম আটকে আসছে।আপনার নোংরা কথা বার্তা নিজের মাঝে রাখুন।ঘুমুতে দিন।" -''তা কি হয়?নোংরা কথা তোমাকে বলবো নাতো কাকে বলবো বলো?তাঞ্জুম ভাবিকে।সেটাতো বিশ্রী দেখা যাবে তাইনা।" -''ছিহ।" -''তোমার ছিহটা ও না উফ হৃদয় কেড়ে নেয় ঠিক দেবদাসে ঐশ্বরিয়ার ইসস কথাটার মতো।" . . আশফিনা মুখ বেঁকিয়ে অন্যদিকে মাথা ঘুরিয়ে নেয়।রামীন এবার আশফিনার মুখ টা নিজের দিকে ফিরিয়ে নেয়।আশফিনা মাথা শক্ত করে রেখেছে।রামীনের সেদিকে কোন খেয়াল নেই।আশফিনার কপালে ঠোঁট ছুঁইয়ে ওর ঠোঁটের কাছে আসতেই আশফিনা জোরে ধাক্কা দিলো রামীনের বুকে।কিন্তু রামীন আরো জোরে ওকে জড়িয়ে ধরে ওর গলায় মুখ ডুবিয়ে দেয়।ঘন ঘন চুমু খাচ্ছে আশফিনার গলায়।আশফিনা অনবরত ধাক্কা দিয়ে সরাতে চাইছে রামীনকে কিন্তু রামীনের হাত দুটো ওর পিঠে ওর শক্ত হতে থাকে।এভাবেই অনেকটা সময় কেঁটে যায়।রামীন সেভাবেই একপর্যায়ে ঘুমিয়ে পড়ে।এদিকে রোয়েন আর রুহী একে একে পনেরদিন কাঁটিয়ে দেয় হাসপাতালে।রোয়েন এখন কিছুটা সুস্থ।মাথার ব্যান্ডেজ ও খোলা হবে আজ।এরপরই ঘরে যাবে ওরা।রামীন আর শামীম চলে এসেছে।রোয়েনের ব্যান্ডেজ খোলা হলো।কপালের ডান সাইডে সেলাইয়ের দাগ ফুঁটে উঠেছে।নার্স চলে গেলে ওরা সকল বিল পে করে ঘরের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে।রুহী আর রোয়েন ঘরে ফিরে আসে।রোয়েন কে গোসল করিয়েছে ও। তবে মাথায় পানি দেয়নি।গোসল করিয়ে রোয়েনের কাপড় পাল্টে দেয়।রোয়েনকে খাইয়ে দিয়ে ও অল্প করে খেয়ে নেয় ধমক শুনে।খাবার সেড়ে রুহী রোয়েনের বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়ে।রোয়েন এক হাত দিয়ে রুহীর কপালের চুল গুলো সরিয়ে দিচ্ছে।রুহীর মুখে স্নিগ্ধ হাসি।কতোদিন পর এভাবে লোকটার বুকে শুয়েছে ও।রোয়েন রুহীকে আচমকা সরিয়ে নিজের দিকে ফিরিয়ে নেয়।তবে কিছু করছেনা।দুজনের চোখে নেশাযুক্ত চাহনি।রুহী হঠাৎ এগিয়ে এসে রোয়েনের ঠোঁটে ঠোঁট ছোঁয়।দীর্ঘ এক ঘনিষ্ঠ চুম্বনের পর সরে আসে ওরা। রাতে আনিলা রেজোয়ান,শামীম ওর বৌ আর মেয়ে আর রামীন আশফিনা দেখতে আসে রোয়েনকে। আনিলা অনেক কিছু রান্না করে এনেছেন ওর জন্য।সবাই একসাথে নাস্তা করে আর বেশকিছুক্ষন গল্প করে যে যার ঘরে চলে গেলো।পরদিন রোয়েন আর রুহী নিজেদের রুমে বাবুর তিনমাসের ছবি ক্যামেরায় বন্দী করে।এগুলো হলো স্মৃতি বাবুকে দেখানো যাবে।কতোটা ভালবাসে তার বাবাই আর মা।আরো কয়েকটা দিন পার হতে থাকে।রুহী খুব খেয়াল রাখে রোয়েনের।বের হতেই ভুলে গেছে মেয়েটা।তবে মাঝে মাঝে দুজনে একসাথে হাঁটতে বের হয়।সপ্তাহ খানিক যেতেই কাজে যাবার জন্য প্রস্তুত হয় রোয়েন।নিজের আগের রুপ ধারন করে বেরিয়ে পড়ে।অফিসে আসতে দেখেই সবাই ভীষন খুশি।লিডার কে কতোদিন পর দেখছে ওরা।রোয়েন সবার সাথে হালকা কথা বলে কেবিনে চলে আসে।রামীন এসে জড়িয়ে ধরে রোয়েনকে। . . -''হয়েছে।কেমন আছিস?" -''ভালো।তোর কি খবর?" -''এইতো বেশ ভালো।" -''রুহী খুব খেয়াল রেখেছে তোর।" -''হুম।তোর ও তো আশফিনা আছে। " . . কথাটা বলে নিজের আসনে বসে রোয়েন।রামীনের মুখের হাসি চলে গেলো।রোয়েন আবার বলল, . . -''ভুল বললাম?" -''নাহ তা কেন? কাল জুয়েলের সাথে কথা হয়েছিলো।ওরা বলছে আমি বিয়ে করলাম রুহী প্রেগন্যান্ট হলো ওদের ট্রীট দেইনি।" -''তো তুই কি বললি?" -':বললাম তোর শরীর ভালোনা।ওরা কিভাবে ট্রীট চায় এখন?" -''হুম।" -''তা কি করবি ভেবেছিস কিছু?" -''পাঁচদিন পর রুহীর মামী ফিরবে দুবাই থেকে।আর আমার এক কাজিন আর তার ওয়াইফ আসবে।ওরা আসার পরেই না হয় পার্টি দিবো।ওদের জানিয়ে দিস।" -''ওককে বস।" চলবে

F@Foysal

Break up মেয়ে: আমি Break Up চাই!😟 ছেলে: Break Up!😕 করলে তুমি খুশি হবে? মেয়ে: হুম। ছেলে: ওকে,তোমার খুশি মানে আমার খুশি।😢 মনে হয় অন্য কাউকে পেয়েছো?😴 মেয়ে: না,আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। শুনেছি অনেক টাকাও আছে ছেলেটার! ছেলে: কিন্তু,তুমি আমাকে কথা দিয়েছিলে যে, আমাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করবে না? এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলে সেইসব কথা! মেয়ে: না ভুলিনি। ছেলে: তাহলে কেনো বলেছিলে সেই দিন এই কথা।কেন?😢 মেয়ে: আবেগের বশে। ছেলে: ও তাই? মেয়ে: হুম। ছেলে: ঠিক আছে,কিন্তু যার সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে তাকে দেখেছো তুমি? মেয়ে: না। ছেলে: না দেখেই রাজি হয়ে গেলে? কিন্তু,ছেলে কি করে শুনতে পারি কি? মেয়ে: চাকরি করে। ছেলে: কিসের চাকরি? মেয়ে: মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে! ছেলে: বেতন কত পায়? মেয়ে: ১ লক্ষ টাকা। ছেলে: wOw ১ লক্ষ টাকা?😱 হুম এতক্ষণে বুঝতে পারলাম যে কেনো তুমি Break Up চাইছো? মেয়ে: কেনো? ছেলে: কারণ,ছেলেটা বেশি টাকার বেতনে চাকরি করে। তোমাকে অনেক খুশিতে রাখতে পারবে।আর,আমি তো মাত্র ১০ হাজার টাকার বেতনে চাকরি করি।তাই আমার সাথে থাকা তোমার পক্ষে সম্ভব না এজন্য Break Up করতে চাও! মেয়ে: হুম তাই।তাহলে বুঝতে পারছো যেহুতে আর,প্রশ্ন করছো কেনো?😟 ছেলে: কাউকে জোর করে ধরে রাখার মতো ক্ষমতা আমার নেই! . ভাল থেকো সুখে থেকো সুখী হও তোমরা! (ওকে বাই ) এই বলে ছেলেটা রিলেশন Break Up করে চলে গেলো!😢 . পরের দিন,মেয়েটার কাছে একটা চিঠি আসলো Break Up হওয়া ছেলেটির চিঠি ছিল! চিঠিতে লেখা ছিলঃ - ভেবেছিলাম তোমাকে একটা সারপ্রাইজ দিবো, কিন্তু না তার আগেই তুমিই আমাকে সারপ্রাইজ দিয়ে দিলে! তোমার সাথে যার বিয়ে ঠিক হয়েছে সে আর কেউ না সেটা আমি! আমি তোমাকে আমার বেতনের অংকটা তোমার কাছে লুকিয়ে রেখেছিলাম। কারণ, আমি দেখতে চেয়েছিলাম যে তুমি কম বেতনের একজন মানুষকে কতটুকু ভালোবাসো! কিন্তু তুমি টাকাকে ভালবাসো,আমাকে না! . জানি অনেক কষ্ট হবে তোমাকে ভুলতে আমার। কারণ তুমি না হয় অভিনয় করেছো আমার সাথে,কিন্তু আমি তোমাকে আমার জীবনের চাইতেও বেশি ভালবেসে ছিলাম! যারা টাকাকে ভালবাসে তাদের মনে কখনও মানুষের প্রতি ভালবাসা থাকে না থাকতে পারে না! আর,এইটা তোমাকে ভাল না বাসলে কখনও বুঝতাম না যে মেয়েরা কত লোভী!😢 সমাপ্তি কষ্ট লাগে যখন পোস্ট গুলো পড়ে লাইক বা কমেনট না করেন।😊 আরো গল্প পেতে অবশ্য Friend রিকুয়েস্ট দিন!! উদ্দশ্য:-শুধু মেয়েরা নয় ছেলেরাও ..এই উদ্দশ্য টা..আমাদের সবারে থাকে!! মেয়েদের অপমান করার জন্য এ স্টরি নয়!!প্র্ত্যকে সেখার জন্য!!

F@Foysal

সেলিব্রেটি_স্বামী১৫ #সেলিব্রেটি_স্বামী #পর্ব_১৫ #Mst_Liza আমার স্বামী নিশিথকে অনেক মেরেছিলো। নিশিথের শার্টের কলার ধরে বলেছিলো, সব ভুলে তোকে আমি আশ্রয় দিয়েছিলাম।দিয়েছিলাম আমার অফিসে জব।আর তুই কি করলি? লজ্জা করলো না তোর নিজের ভাবির দিকে কুদৃষ্টিতে তাকাতে??তোকে তো আমি।। উনি নিজের প্যান্টের বেল্ট টা খুলে ফেললেন।নিশিথের উপর নিজের সমস্ত রাগ নিয়ে যখনই হাত উঁচু করলেন নিশিথ উনার হাতের বেল্টটা ধরে নিলো।উনাকে মারতে থাকলো।আহান এই দৃশ্য দেখে প্রথমবার উনার প্রতি মায়া বোধ করলো।নিশিথ যখন উনাকে মারতে মারতে বললো তোর বউ নস্টা ভাইয়া। আমাকে কোন সাহসে তুই মারিস? তখন আহান এই কথাটা শুনে আর চুপ থাকতে পারলো না।এগিয়ে এসে বেঘোরে পিটালো নিশিথকে।তুই দূর থেকে শুধু নিজের বাবাকে মারতে দেখলি।ছুটে আসলি।আর আহানের পা জড়িয়ে ধরে বললি মেরো না আমার বাবাকে।আমার বাবা সত্যিই খুব ভালো।তোমার মা পঁচা। তোমার মাকে বলো যা বলবে।আহান রেগে তোর চুলের মুঠি টেনে ধরে।আমি আর মিরা আহানের থেকে তোকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসি।তোর বাবা মাইর খাওয়ার পর ঢুলতে ঢুলতে উঠে দাড়িয়ে একটা ফোন করে।কিছুক্ষণ পর একজন উকিল এসে বলে উনার সব সম্পত্তি তোর বাবাকে স্বইচ্ছায় লিখে দিয়েছেন।উকিলের কাছে থেকে দলিলটা নিয়ে দেখার পর উনি কস্টে হার্ট অ্যাটাক করেন।উনি ভাবতেও পারেন নি উনার ভাই এভাবে কৌশলে সব কিছু লিখে নিবেন।মাটিতে পরে উনি বুকে হাত দিয়ে আমার আর আহানের দিকে অন্য হাত ইশারা করলেন।আমি ছুটে উনার কাছে আসলেও আহান আসে না।উনি আহানকে ডাকে, বাবা একবার আমার কাছে আয়! আমি বোধ হয় আর বাঁচবো না। আমার শেষ সময়ে অন্তত একটাবার আমাকে বাবা বলে ডাক? উনার কথাটা শুনে আমার বুকের ভেতরটা চিনচিনে ব্যাথা অনুভব করছিলো।আহান নিজেকে আর ধরে না রাখতে পেরে ছুটে এসেছিলো।উনাকে প্রথমবার ডেকেছিলো বাবা বলে।আর কিছু বলার আগেই উনি মারা যান।উনি মারা যাবার পর নিশিথ আমাকে আর আহানকে অনেক অপমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলেছিলো।আহান রেগে নিশিথের দিকে আগাচ্ছিলো আমি আহানকে আটকায়।তোর মা নিশিথকে কিছু বলতে আসলে তোর মাকে নিশিথ চর মারে।আর তুই তোর বাবার সাথে তাল মিলিয়ে বলেছিলি ঠিক হয়েছে ওই লোকটা মরে গিয়েছে।পঁচা বউ নিয়ে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো।আহান নিজের ভেতরে রাগ সরিয়ে ভালোবাসা টুকু নিয়ে তোর কাছে গিয়ে বলেছিলো, আরু তুই আমাদের সাথে চল।তোকে ছাড়া তো আমি একটা মুহূর্তও থাকতে পারি না।তুই বলেছিলি আমার কি মাথা খারাপ নাকি যে বাবা মাকে ছেড়ে তোমাদের মতোন ভিকারিনীর সাথে যাবো?তোমাদের তো কিচ্ছু নাই এখন।তাছাড়া তোমরা তো নোংরা, পঁচা। যাও বেড়িয়ে যাও আমার বাবার বাসা থেকে। তোকে টেনে মিরা একটা চর বসিয়ে দিয়েছিলো।বলেছিলো বড়দের সাথে ঠিক ভাবে কথা বলতে। তুই মুখের উপরে বলেছিলি, ওদের আমি সম্মান করতে পারবো না।ওরা নোংরা। আমারা চলে আসছিলাম।আমাদের আশার সময় তোর মা অনেক কেঁদেছিলো।কিন্তু তুই একটুও আমাদেরকে বুঝলি না।আমার আহান মাঝ রাতে ঘুমের মধ্যে ধুকড়ে কেঁদে উঠতো তোকে পাশের বালিশে না পেয়ে।তোর জন্য অনেক কাঁদত।আর নিজের শত কস্টকে রাগে পরিণত করতো।তবুও বলতো মা আমি আরুকে ছাড়া থাকতে পারছি না।আমার খুব কস্ট হচ্ছে।বিয়ে করলে দেখও মা আমি কিন্তু আরুকেই করবো। দুই বছর পর কলেজ লাইফ শেষ করে আহান ভার্সিটিতে পা রাখলো।ভার্সিটির ক্লাস করতো না।শুধু পরীক্ষা দিত।আহানের বয়স তখন ১৯ আর তোর বয়স তখন মাত্র ৮।প্রতিদিন ও তোর স্কুলে যাওয়ার রাস্তায় বসে থাকত।তোকে একবার দূর থেকে দেখবে বলে।আবার তুই খুব কাছে চলে আসলে আহানের কস্ট হতো, খুব রাগ হতো তোর ব্যাবহারটা মনে পরলে।যার জন্য তোকে আর ডাকতো না।সবার আগে আমার গল্প পেতে নীল ক্যাফের ভালোবাসা পেজে আসবেন।সেদিন তোকে দেখার জন্যই আহান বসে ছিলো।হঠাৎ একটা গাড়ির এক্সিডেন্ট হয়।শব্দ শুনে আহান এগিয়ে আসে। লোকটার মুখ দেখা যাচ্ছিলো না।কেউ তাকে তুলছিলোও না।বলছিলো পুলিশ আসুক।এক্সিডেন্ট কেস।আমরা ধরলে বিপদে পরতে পারি। কেউ হাত দিও না।কিন্তু আহান শোনে নি তাদের কথা।আহানের নিজের বাবার কথা মনে পরে গিয়েছিলো। এরকম একটা এক্সিডেন্টেই তো ও বাবাকে হারিয়ে ছিলো।আহান সাহশ করে তাকে উঠায়।তার মুখ দেখে আহান অবাক হয়ে যায়। সে যে কেউ না। দেশের অনেক বড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ফিল্ম মেকারের মুখ।তাকে নিয়ে আহান হসপিটালে আসে।তাকে নিজের রক্ত দিয়ে বাঁচায়।যা নিউজ হয়ে যায়।সাহসী নাগরিকের পুরষ্কার পাই আমার আহান।লোকটি সুস্থ হলে খোঁজ নিয়ে আমার আহানের সাথে দেখা করতে আসে।আর বলেন তিনি কারও কাছে ঋণী থাকেন না।আহানকে একটা ব্লাঙক চেক দেয়।আহান চেকটা না নিয়ে একটা কাজ চায় তার কাছে।সে আহানকে ভালোভাবে দেখে বলেন অভিনয় যানো? আহান উত্তরে জবাব দেয় বলতে পারবো না।উনি আহানকে নিয়ে একটা ফিল্মের কল্পনা করে।আর আহানকে তার নতুন ফিল্মের নায়ক হিসেবে সিলেক্ট করে চেকটা আহানের হাতে ধরিয়ে দিয়ে যায়।উনি ভেবে পারে নি আহান এতো ভালো অভিনয় করবে।প্রথম দিনের শুটিং এ উনি অনেক খুশি হয়।মুভি যখন রিলিজ হয় তখন একটার পর একটা অফার আহানের কাছে আসতে থাকে যার পরি প্রেক্ষিতে আজ আমার আহান সুপারস্টার আহান খান নামে সকলের কাছে পরিচিত একটা মুখ। কথাগুলো বলে শ্বাশুড়ি মা থামলেন।কিন্তু আমি আরও কিছু জানতে চায়। শ্বাশুড়ি মাকে প্রশ্ন করতে যাবো তার আগেই উনি হাতের ইশারায় আমাকে থামিয়ে দিলেন।আমাকে বললেন, বলছি। দীর্ঘ একটা শ্বাস নিয়ে আবারও বলতে লাগলেন, তোর বাবা যেভাবে আমাদের ঠকিয়ে ছিলো ঠিক সেভাবে তোর বাবাকেও তার প্রেমিকা ঠকিয়ে ছিলো।যার সাথে তোর বাবা পরকিয়া করতো সে কৌশলে তোর বাবার থেকে সব সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়েছিলো। তোর বাবা আর মাকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলেছিলো।তারপর তোর মৃত বাবার আঙুলের ছাপ দিয়ে সবকিছু নিজের নামে লিখে নিয়ে খুনের দায় আমাদের বহুদিনের পুরাতন রাধূনী মিনি খালার উপর চাপিয়ে দিয়েছিলো। নিজেকে তোর বাবার বউ বলে দাবি করে ওবাড়িতে থেকে যায় সেই মেয়েটা।আর তোকে একটা অনাথ আশ্রমে রেখে আসে।আমার আহান তোর সামনে না গেলেও দূর থেকে সবসময় তোকে ঠিকই দেখতো। কিন্তু রাগের কারণে তোর সামনে যেতে পারতো না।তোকে যখন তোর পালিত বাবা-মা দপ্তক নেয় তখনও আহান সবসময় তোর পিছে নজরে নজরে কাউকে লাগিয়ে রাখতো। গত দশ বছর ধরে আহানের বিয়ে দিতে চেয়েছি আমি।কত মেয়ে দেখেছি।আহানের পছন্দ হয় না।তোর বয়সটা খুব কম হলেও আমার আহানের বয়সটা এমন ছিলো যে ভালোবাসার মানে বুঝতো।জ্বলে পুড়ে ভেতরে ভেতরে শেষ হতো।তোকে পাগলের মতোন ভালোবাসতো তাই বিয়ে করে নি আহান।এখন তুই বড় হয়েছিস।তাই এইবার আমি জেদ ধরে ছিলাম বিয়ে ওকে করতেই হবে।হোক তুই নইতো অন্য কেউ।তাই আহান প্লান করে সেদিন তোর ভার্সিটির সামনের রাস্তায় তুই আসার পথে ওই ভাবে একজনকে রিক্সাওয়ালা সাজিয়ে পিটাচ্ছিলো।আহান রাস্তা অনেক আগেই খালি করে ফেলেছিলো।শুটিং বলে যত পাবলিককে এনেছিলো সবই ভাড়ার।শুধু তুই একবার প্রতিবাদ করলেই তোকে উঠিয়ে আনবে এটা চেয়েছিলো আহান।কিন্তু তুই চর মেরে বসলি আহানকে।যেটা আহানকে সেই পুরোনো চরটার কথা মনে করিয়ে দেয়।আর এই জন্যই আহান তোর সাথে এমন করে।তোর মনে নেয় অতীতের কথা।কারণ তুই তখন খুব ছোট ছিলি। কিন্তু সেগুলো অত্যন্ত কস্টের আরু।যা আমার আহানকে এতো পাষাণ করে তুলেছে।তুই বদলেছিস।তোর চিন্তা ধারা বদলেছে।কিন্তু আমার আহানের ভেতরে জমিয়ে রাখা কস্টগুলো এখনো ঠিক আগের মতোই আছে। 🍁🍁🍁 শ্বাশুড়ি মায়ের সব কথা শুনে নিজেকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছে।এতোটা খারাপ ব্যাবহার আমি করেছি ভাবতেই আমার নিজের প্রতি ঘৃণা হচ্ছে।না জানি আহান কিভাবে সহ্য করেছে এসব।এতোগুলা বছর ধরে একটা মানুষ আমাকে ভালোবেসে এসেছে।এতোটা কস্ট পেয়েছে আমার জন্য আর আমি তাকে এতোকিছু শোনালাম? ভালোবাসে বলেই তো সইতে পারে নি উনি।যার জন্য মনে আঘাত পেয়েছে। অসুস্থ হয়ে পড়েছে।উনার ভালোবাসা আর কস্টের মাঝে আমার এই কয়দিনের কস্ট তো কিছুই না।কথাগুলো মনে মনে ভেবে আমি ছুটে এলাম উনার কেবিনের সামনে।কেবিনের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকতেই নার্স আমাকে ইশারায় বুঝালো শব্দ না করতে উনি ঘুমাচ্ছে।মুখে অক্সিজেন মাক্স। চোখ দু'টো বন্ধ।নার্স উনাকে একটা ইনজেকশন পুশ করে আমার সামনে এসে দাড়িয়ে বলেন এবার ভেতরে যেতে পারেন ম্যাম। চলবে,,,,,,,

F@Foysal

আপন মানুষ গল্প: আপন মানুষ পার্ট ২ পুকুর পাড় থেকে তাড়াতাড়ি বাড়িতে গেলাম। বাড়িতে অনেক মানুষ। অনেক আত্মীয় স্বজন। এদের মধ্যে থেকে কে ফোন করলো বুঝতে পারছি না। আমি সোজা আমার রুমে ঢুকলাম। ফোনটা হাতে নিয়ে ঐ নাম্বারে কল দেবো ওমনি আমার বউ এসে আল্লাদি ভঙ্গিমায় আমার গলা জড়িয়ে ধরলো। -কি গো, কাকে ফোন করো। (বউ) -আচ্ছা মৌ কার নাম? (আমি) -তোমার দুষ্টু বউয়ের নাম তুমিই জানোনা মশাই? গতকাল কাজি সাহেব যখন বিয়ে পড়াইছে তখন কানটা বন্ধ ছিল নাকি? হা আমারি নাম মৌ। একটু আগে আমিই তোমায় ফোন করেছিলাম। নতুন বউকে ফেলে কোথায় গিয়ে থাকো হুমম? এই বলেই মেয়েটি আমার বুকের উপর ঝুকে পড়েছে। আমার গলাটা দুহাতে জড়িয়ে দেহটাকে আমার উপর নিয়ে বিছানায় এলিয়ে দিচ্ছে আমাকে আমি মাথাটা খাটের উপর কোনরকম রেখে বোবার মতো তাকিয়ে দেখছি আমার বউকে। মেয়েটার চোখে দুষ্টু, মিষ্টি হাসি। ওর চোখের ভাষা বলছে ও স্বামীর একটু ভালোবাসা চায়। কিন্তু আমি কি করবো? আমি তো ভালোবাসি জুঁই। ওকে যে আমি কথা দিয়েছি ওকে ছাড়া কাউকে জীবনসঙ্গী করবো না। -কি হলো? কি ভাবছো গো মশাই? -প্লিজ ছাড়ো আমায়। বাইরে একটু কাজ আছে আমার। এই বলে কোনরকম জোর করেই ওকে ছাড়িয়ে খাট থেকে নেমে ঘরের বাইরে এসেছি। এর মধ্যেই দেখি ভাবি, নানি, দাদিরা প্রস্তুত বাইরে আমাকে গোসল করানোর জন্য। আমাকে দেখেই তারা আমায় টেনে নিয়ে গেল। ভাবিরা গেল আমার বউকে ডেকে আনতে আমার ঘরে। এরপর কতো রকমের মজা, খেলা হলো এই গোসল করানোর আগে। পাশাও খেলতে হলো দুজনকে। কিন্তু এই আনন্দময় মুহুর্তে আমি খেয়াল করছি আমার বউ মৌ এর মনটা ভার। এটাই স্বাভাবিক। একটা মেয়ে বিয়ের পর চায় শুধু দু-বেলা দু-মুঠো খাওয়া আর স্বামীর একটু ভালোবাসা। কিন্তু আমি এখনো পর্যন্ত ওকে বউ হিসেবে মেনে নিতেই পারিনি। কি করে পারবো? আমার জন্য যে জুঁই অপেক্ষায় আছে। ওকে যে আমি খুবই ভালোবাসি। গোসল শেষ করে প্যান্ট, শার্ট পড়ে একটু রাস্তায় বের হলাম। আবার জুঁই এর নাম্বারে কল দিলাম…. হা এবার কল ডুকেছে। একটু পরেই রিসিভ হলো। -কি হয়েছে, কল দাও ক্যান? তোমার তো এখন বউ আছে। এইটুকু বলেই ফোন রেখে দেয় জুঁই। আমাকে কথা বলার সুযোগ ই দিলো না। আবার কল করতে যাবো তখনি বাবার নাম্বার থেকে কল আসলো। -তোর কি মাথায় একটুও বুদ্ধি নাই? বাড়িতে মেহমানে ভরা, একটুপর মেয়ে পক্ষের লোক আসবে আর তুই থাকিস দূরে গিয়ে… এই বলেই রাগ করে ফোন কেটে দেয় বাবা। আবার বিষন্ন মনে বাড়ির দিকে রওনা দেই। বাড়িতে ঢুকেই মাথাটা খারাপ হয়ে গেল। কাজের লোকের কি অভাব আছে?! সবাই তো বিয়ে বাড়ির কাজ নিয়েই ব্যস্ত। আমার কাজটা কোথায়? মনে মনে বাবার উপর ভীষণ রাগ হলো। তাদের কথায় প্রিয় ভালোবাসার মানুষকে ফেলে আজ অন্য কাউকে বিয়ে করতে হলো। কিছুই ভালো লাগছে না এখন। ঘরে গিয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম। চোখটা একটু বুঝতেই মনে হলো কেউ এসে আমার বুকের উপর মাথা রেখেছে। তাকিয়ে দেখি মৌ(বউ) দুই হাত আমার বুকের দুপাশে ভর করে মাথাটা বুকে রেখেছে। -আমাকে তোমার পছন্দ হয়নি? (মৌ) এই বলে মাথাটা তুলে আমার মুখের সামনে মুখ এনে আমার জবাবের অপেক্ষা করছে মেয়েটা। আমি ওর মায়াবী মুখের দিকে তাকিয়ে আছি। গোসল করিয়ে ভাবিরা ওকে শাড়ি পড়িয়ে, গয়না পড়িয়ে সাজিয়ে দিয়েছে। ওকে দেখে কল্পনার কোন পরীর মতো লাগছে। কি অপরুপ হাসি, অপরুপ মুখ এই মেয়েটার। হাল্কা লিপস্টিক করা মিষ্টি ঠোট দুটো ঠিক আমার মুখের সামনে নিয়ে আমার জবারের অপেক্ষায় আছে। কি বলবো ওকে? ওর মতো সুন্দরী মেয়েকে পছন্দ হয়নি এটা বললে আমাকে পাগল বলবে লোকে(নিজেকে বড় অপরাধী মনে হচ্ছে আজ)। তবে কি সত্যটা ওকে বলে দেব এখনি? নাহ, বিয়ের কটা দিন শেষ হোক তারপর না হয় বলবো। কি হলো বললে না? বলো তোমার কি সমস্যা? তুমি কি অন্য কোন মেয়েকে ভালোবাসো? ওর এই প্রশ্নে আবার আমি ওর মুখের পানে তাকালাম। হাসি মুখটা সামান্য ভার করে আমার দিকে চেয়ে আছে আমার মুখের উত্তর শোনার জন্য?(অসাধারণ তার মুখ) তবুও আমি নিরব হয়ে আছি কি বলবো ওকে? মৌ এবার কপালে একটা চুমো দিয়ে বলল’ তোমার যে কোন সমস্য থাকলে আমায় বলো। বউ নয়, বন্ধু হয়ে তোমার উপকার করবো বলো প্লিজ। আমি কিছু বলতে যাবো ঠিক তখনি বাইরে থেকে বলছে মেয়ে পক্ষের লোক এসেছে। সাথে সাথে আমার দুই শালী ঢুকে পড়লো আমার রুমে। তখনো বউ আমার বুকের উপর ঝুকে আছে। ওরা ঢুকতেই মৌ উঠে স্বাভাবিক হলো। বড় শালীটা লজ্জা পেলেও ছোটটা এসেই চোখটিপ মারলো আমায়। দুজনি এসে আমার পাশে বসলো। -কি খবর দুলাভাই? (ছোট শালী) -খবর জানতে টিভিতে চোখ রাখো। (আমি) -হা হা হা… সে খবর না আপনাদের খবর বলেন (বড় শালি) -আমাদের খবর তোমাদের আপুর মুখ থেকে শুনতে পাবে বাড়িতে গিয়ে। তবে খবর শুইনা আবার তোমরা ২ বোন আমারে মারতে আইসো না। আমার কথা শুনে হাসছে শালীরা, সাথে বউও। আমি চেয়ে দেখছি বউয়ের সেই অসাধারণ হাসি। হাসিতে নেই কোন অভিমান, নেই কোন অভিযোগ। যেন আমি ওকে হাসিখুশিতেই রেখেছি। অথচ মেয়েটিকে স্বামীর অধিকারটাই দেইনি আমি। এইদিকে মেয়েপক্ষের লোক এক এক করে সবাই ঘরে আসছে তাদের মেয়ে ও জামাইকে দেখতে। আমিও ভদ্র মানুষের মতো চুপ করে দুই শালীর মাঝখানে বসে আছি। আর মৌ সবাইকে চেয়ার টেনে বসতে দিচ্ছে। ছোট শালীটা আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে ছোট ছোট শব্দে আমাদের রাতের ব্যপারে জানতে চাইতেছে। আর বড় শালিটা ওর মুখ বুঝে হাসছে আর ছোট বোনকে চিমটি কেটে বলতেছে চুপ করবি? আমিও এতো মানুষের সামনে ওদের এমন কানাকানিতে লজ্জা পাচ্ছি। হঠাৎ বাইরে থেকে শুনতে পেলাম খাবার টেবিলে বসতে বলছে সবাইকে। সবাই চলে গেল খাওয়ার জন্য। আমার শালী দুইটা হাত ধরে আমায় নিয়ে যেতে চাইলেও বল্লাম যাও তোমরা খাও। ওরা তখন ওর আপুকে নিয়ে গেল। আমিও উঠে গেলাম মেয়ে পক্ষকে খাওয়ানোর দিকে খেয়াল রাখতে। এভাবে দিনশেষে রাত হয়ে এলো। রেডি হয়ে ওদের নিয়ে আসা গাড়িতে উঠলাম। আমি আর মৌ একসাথে বসেছি। দুই পাশে দুই শালী সারা রাস্তা আমায় হাসিয়ে মেরেছে। এতো দুষ্টু আর মিষ্টি শালী পেয়েছি বলে বুঝাতে পারবো না। প্রায় ঘন্টাখানেক এর মধ্যে সিরাজগঞ্জ কাঠের পুলের কাছে চলে এলাম। একটুপরই তেলকুপি গ্রাম। রাস্তার পাশেই আমার একমাত্র খালার বাড়ি। এই খালাই আমার এই বিয়েটা ঠিক করেছে। খালার পছন্দ আছে বলতেই হয়। কারন মেয়েটা সত্যিই ভালো সবদিক থেকে। যদিও আমি কখনোই মৌ কে বউ হিসেবে মেনে নিতে পারবো না। গাড়িটা ব্রেক করলো আমার শ্বশুরবাড়ির সামনেই। রাস্তার পাশেই বাড়ি। আমার খালার বাড়ির দুই বাড়ি পরই। গাড়ি থেকে নামতেই দেখি ভিড়। সবাই আমার দিকে চেয়ে আছে। রাত দশটা পর্যন্ত খাওয়া দাওয়া এটা সেটায় কেটে গেল। আমি আমার বউ মৌ রুমে শুয়ে আছি। মৌ ও বাড়ির মহিলারা খেতে বসেছে। একটু পড়েই ও আসবে। আমি একটা সিগারেট ধরিয়েছি ওমনি দরজা ঠেলে কেউ ঢুকে পড়লো। তাকিয়ে দেখি দুই শালি। ওরা আমার সাথেই খেয়ে নিয়েছে আমাকে জ্বালানোর জন্য। ওদের দেখে সিগারেট টা আড়াল করেছি। -আরে লুকাতে হবেনা খেয়ে নেন, সমস্যা নাই। (বড় শালী) -দুলাভাই আমরা কিন্তু আজ রাতে আপনার কাছে থাকবো। গল্প করবো সারারাত। (ছোট শালী) -তাহলে তোমাদের আপু কোথায় থাকবে? -আপু আমাদের রুমে থাকবে। এই বলে হাসছে দুই বোন। সিগারেটটা দুটো টান দিয়ে ফেলে দিয়ে ওদের বসতে বললাম। -আচ্ছা তোমাদের আপুটা কি ভালো নাকি খারাপ? (আমি) আমার কথায় দুই বোন চুপ হয়ে তাকিয়ে আছে আমার দিকে! -কেন, কিছু হইছে ভাইয়া?! আপু কোন কষ্ট দিছে আপনাকে? (বড় শালী) -আরে নাহ। জানতে চাইলাম ও কোন টাইপের? আমার প্রশ্নটা ঠিকভাবে করা হয়নি। -আসলে আমাদের আপুটা অনেক ভালো। আমাদের কোনদিন কখনো কষ্ট দেয়নি। নিজে না খেয়ে আমাদের দুই বোনকে খাইয়ে মানুষ করেছে ভাইয়া। আমাদের কাছে আমাদের আপু অনেক ভালো। জানেন ভাইয়া? ও না কখনোই কষ্ট পেতে দেয়না আমাদের। একটু চাপা স্বভাবের। তবে ওর বুকে অনেক মমতা, ভালোবাসা আছে। এই বলে ছোট শালিটা চোখ মুছছে। বড়টাও চোখ মুছছে আর বলছে ভাইয়া… ওকে আমরা খুবই মিস করবো। আমাদের কোন ভাইয়া নেই। ঐ আপুই আমাদের সব। এরমধ্যেই মৌ ঘরে ঢুকলো। ওরা চুপ হয়ে গেল। বউ এসেই আমার সামনে এক গ্লাস দুধ দিলো। খেয়ে নিলাম। শালী দুইটা উঠে যাচ্ছে। বললাম কি ব্যাপার যাও ক্যান? থাকবে না আমার সাথে? -না ভাইয়া, অন্য সময় গল্প করবো আপনার সাথে। এখন আমাদের এই মিষ্টি আপুটাকে নিয়ে গল্প করেন। এই বলে হাসতে হাসতে বের হয়ে গেল শালীরা। বউ দরজা লাগিয়ে খাটে এসে আমার পাশে শুয়ে পড়লো। একটু নিরব থাকার পর মৌ আমায় বলল কি সমস্যা তোমার বলো এখন? আমি কি বলবো বুঝতে পারছি না। চুপ করে আছি। হঠাৎ মৌ উঠে আমার পাশে একটা হাত রেখে আধশোয়া হয়ে আমার মুখের কাছে মুখ নিয়ে বলল কি কাহিনী তোমার মাঝে? আমায় বউ হিসেবে মেনে নিচ্ছো না ক্যান? নাকি কাউকে ভালোবাসো? বাসলে বলো সমস্যা নাই। আমি তোমায় এ বিষয়ে বন্ধুর মতো হেল্প করবো। শুধু আমায় আপন মানুষ ভেবে সব খুলে বলো। আমি মৌ এর দিকে কিছুক্ষন চেয়ে থেকে বললাম… -আমি একজনকে ভালোবাসি। ওকে ছাড়া আমি কাউকে জীবনসাথী করার কল্পনাও করতে পারছি না। আমার কথা শুনে মৌ সুন্দর মুখটা কালো হয়ে গেল। -ঠিকাছে। সে কি তোমাকে এখন মেনে নিবে তার কাছে ফিরে গেলে। -হা নেবে। কিন্তু তুমি? তোমার কি হবে?(আমি যে তোমার মায়ায়াও ভূলতে পারবোনা জীবনে) -হা হা হা… আমার আবার কি হবে? কপালে যা আছে তাই হবে। এখন তুমি ঘুমাও। তোমায় আমি হেল্প করবো এ বিষয়ে। এই বলে গয়না শাড়ীটা খুলে ফেলছে মৌ (আজ নিজেকে বড় অপরাধী মনে হচ্ছে এমন একটা বউ কে জীবনে ভালোবাসতে পারলামনা বলে)। আমি অনেক কষ্ট নিয়ে অপরদিকে মুখ করে শুইলাম। একটুপর হাতটা আমার উপর তুলে দিলো মৌ। -কিছু মনে করো না। আমি ছোট বোনদের এভাবে জড়িয়ে ধরে ঘুমাতাম। অভ্যাস হয়ে গেছে। চলবে……. To be Continue…….

F@Foysal

ম্যাডাম বউ ম্যাডাম বউ পর্বঃ৬ #আবির হাসান নিলয় কিডন্যাপ করার পর থেকে জান্নাত এখন নিয়মিত কথা বলে।তবে এখনো জানেনা আমিই সেই কিডন্যাপার।জানলে আমার কি হাল করবে আল্লাহ ভালো জানেন।আগামীকাল ভোর হতেই কলেজ থেকে রাঙামাটি ট্যুরে যাবো।সব কিছু প্যাক করে জান্নাতকে কল দিলাম।কয়েকবার রিং হতেই রিসিভ করলো। আমিঃএতো লেট হলো কেনো? জান্নাতঃসব কথা কি আপনাকে বলতে হবে? আমিঃআমাকে বলতে চাও না বুঝি? জান্নাতঃহ্যা,আমি সব কথার উত্তর আপনাকে দিতে পারবো না। আমিঃভাবছি এবার তোমার প্রিন্সিপাল বাবাকে কিডন্যাপ করবো।বুড়ো বয়সে এমন আতঙ্কিত কাজ দেখে এমনিতেই মারা যাবে।ভালোই হবে তাইনা? জান্নাতঃপ্লিজ এমনটা করবেন না।আপনি যেটা জিজ্ঞাস করবেন আমি সেটার উত্তর দিবো। তবুও আমার পরিবারকে কিছু বলবেন না। আমিঃগুড গার্ল,সব কিছু প্যাক করা হয়েছে? জান্নাতঃমানে..কিসের প্যাক করবো? আমিঃকাল আমার আর তোমার বিয়ে সেটার। জান্নাতঃকিহহহ আমিঃএতো ঢং করার কি আছে,আগামীকাল তো ট্যুরে যাচ্ছো সেটার কথাই বললাম। জান্নাতঃআপনি কিভাবে জানলেন? আমিঃকারণ,আমি সব সময় তোমার পাশে থাকি জান্নাতঃতা...তাহলে সামনে আসেন না কেনো? আমিঃআড়াল থেকে দেখতেই ভালোই লাগে।আর তোমার এক্স বয়ফ্রেন্ডের সাথে সব কিছু শেষ করছো? জান্নাতঃএক্স বয়ফ্রেন্ড কে? আমিঃযাকে তুমি ভালোবাসতে জান্নাতঃআমি এখনো ফয়সালকেই ভালোবাসি। আমিঃওকে ফাইন, কাকে চাও পরিবার নাকি তাকে জান্নাতঃকেনো আমার সাথে এমন করছেন? আমিঃহোপ,যেটা বলছি সেটার উত্তর দাও।যদি ফয়সালকে চাও তাহলে আগামীকাল রাঙামাটিতেই তোমার বাবা আর ছোটবোনকে মেরে দিবো।আর যদি পরিবারকে চাও তাহলে এখনি ফয়সালের সাথে ব্রেকআপ করবে।ডিসিশন নাও কোনটা নিবে।আগামীকাল ভোর অবধি তোমার হাতে ডিসিশন নেয়ার সময় আছে। গুড নাইট ডিয়ার.. জান্নাতের সাথে আর কোনো আজাইরা প্যাঁচাল না পেড়ে সিম বন্ধ করে রাখলাম।সামনাসামনি যতোটাই এখন চুপচাপ থাকি তার থেকেও বেশি ফোনে হুমকি দেয়।যার সাথে এমন একটা হবু শালি আছে তার কাছে এরকম প্ল্যান করা কোনো ব্যাপারী না।আব্বু সেদিন আঙ্কেলকে কল দিয়ে বলে দিয়েছে।তাই ট্যুরে যাওয়ার সব ব্যবস্থা হয়ে গেছে।ভাবছি,আগামীকাল রাঙামাটি গিয়ে কি করা যায়।নিজের অজান্তেই একটা শয়তানি বুদ্ধি চেপে বসলো।প্ল্যানটা কিভাবে সাকসেসফুল করা যায় সেটা কিছু সময় ভাব ভাবীর পর ঘুমিয়ে গেলাম। -------------------------------------------------- পরেরদিন,,,, আম্মুর ডাকে ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে গেলাম। ফ্রেস হয়ে রুমে এসে সিমটা অন করে জান্নাতকে কল দিলাম।প্রথমবার রিসিভ করলো না।তাই আবার দিলাম।এবার একবার রিং হতেই ধরলো... জান্নাতঃকল করেছেন কেনো..(বিরক্তিকর ভাবে) আমিঃজানার জন্য জান্নাতঃআর কি জানার আছে আপনার? আমিঃব্রেকআপ করার কথা। জান্নাতঃরাতেই করেছি,হ্যাপী এবার(জোড়ে বলল) আমিঃএতো চিল্লাচিল্লি করতে বলছি আমি? জান্নাতঃদেখুন আমার ভালো লাগছে না রাখছি আমিঃরাখতে বলছি আমি? জান্নাতঃধুর বা**,যা বলবেন তাড়াতাড়ি বলেন আমিঃআই লাভ ইউ জান্নাতঃআই হেট ইউ আমাকে কিছু বলতে দেয়ার আগেই ফোন থেকে টুট টুট টুট শব্দ হলো।কেটে দিলো...! রেডি হয়ে নিচে আসলাম।হালকা কিছু নাস্তা করে বাসার বাইরে থেকে একটা রিক্সা নিলাম। ওহ শিট,, আমি তো সিমটা বন্ধ করতেই ভুলে গেছি দ্রুত সিমটা বন্ধ করে ফেললাম।এখন আপনাদের সিম নিয়ে বলি।দুটো সিমের মধ্যে একটা পারসোনাল আর একটা এমনি সচরাচর ব্যবহার করার নাম্বার। পারসোনালটা শুধুমাত্র জান্নাতের সাথে কথা বলার জন্য অন করে রাখি।অন্য সময় বন্ধ থাকে। সে যাই হোক,কলেজে আসার পর দেখলাম জেরি আসছে,হয়তো ও নিজেও আমাদের সাথে যাবে। জেরির কাছে গেলাম। আমিঃঐ তুই এখানে কেনো? জেরিঃতুমি এখানে কেনো? আমিঃট্যুরে যাবো জেরিঃআমিও যাবো আমিঃতাহলে একটা হেল্প কর জেরিঃকি হেল্প আমিঃতুই আর তোর গুণ্ডি বোন আমাদের বাসটাই উঠবি,যেনো আমি ওকে দেখতে পাড়ি জেরিঃআমি কি পাবো তাহলে? আমিঃতুই আবার কি পাবি জেরিঃহেল্প করার জন্য কি পাবো আমিঃএই দুদিনের তোর সব খরচ আমার জেরিঃপাক্কা? আমিঃহুম পাক্কা জেরিঃতোমাদের বাস নাম্বার কতো? আমিঃ২নাম্বারটা জেরিঃওকে এখন টাটা আমিঃহুম জেরির থেকে চলে এসে বন্ধুদের কাছে আসতে যাবো তখনি রিয়ার সাথে দেখা। রিয়াঃহাই,কেমন আছেন আমিঃভালো,তুমি? রিয়াঃএইতো ভালো।আপনার নাম্বার দেয়া যাবে? আমিঃকি করবে নাম্বার দিয়ে? রিয়াঃমাঝে মাঝে কথা বলবো আরকি আমিঃহুম তুলো..০১৮********।পরে কথা হবে এখন কাজ আছে বাই রিয়াঃওকে বাই। তারপর রিয়ার থেকে চলে এসে হারামিদের কাছে এলাম।সব সালারা ওদের গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ব্যস্ত। তাই দূর থেকেই ওদের প্রেম করা দেখতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর সবাই গাড়িতে উঠতে শুরু করলো.... রাফিঃকিরে এখানে দাঁড়িয়ে কি করছিস আমিঃতোদের প্রেম দেখছিলাম রাফিঃপ্রেম করা শেষ এখন গাড়িতে উঠ আমিঃহ্যা চল। রাফিঃরাহুল কথা বলা হলে আয় তাড়াতাড়ি রাহুলঃহুম আসছি। সবাই মিলে যখনি গাড়িতে উঠতে যাবো তখন জান্নাত আর জেরির সাথে দেখা।আমাকে এখানে দেখে জান্নাত রীতিমতো অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে।কোনো ফেল করা স্টুডেন্ট ট্যুরে যেতে পারবে না।কিন্তু আমি ঠিকি এখানে।তাই হয়তো হা করে তাকিয়ে আছে।জেরি মুচকি মুচকি হাসছে। আমিঃএভাবে কি দেখছেন ম্যাম? জান্নাতঃতুই এখানে? আমিঃট্যুরে যাবো তাই জান্নাতঃতুই তো ফেল করেছিস জেরিঃকি যে বলো আপু,নিলয় ভাইয়া ফেল করলেই কি আসে যায়।নিলয় ভাইয়া হচ্ছে আব্বুর বন্ধু চৌধুরী আঙ্কেলের ছেলে। জান্নাতঃমানে? জেরিঃনীল ভাইয়ার ছোট ভাই নিলয় ভাইয়া জান্নাতঃতুই নীল ভাইয়ার ছোট ভাই? আমিঃহুম জান্নাতঃএই জন্য তাহলে বেয়াদবি করে ভেড়াস? আমিঃসেটা শুধু আপনার চোখেই জান্নাতঃকি বলতে চাস তুই? আমিঃআপনি ছাড়া কেউ আমাকে বেয়াদব বলে? জান্নাতঃসেটা আমি কি করে বলবো আমিঃআপনার বলা লাগবে না।গাড়িতে ওঠেন। জান্নাত আর কোনো কথা না বলে গাড়িতে উঠলো। আমার ঠিক বাম পাশের সিটটাতেই ওরা দুজন বসেছে।জান্নাত জানালার পাশে আর জেরি ওর ডান পাশে।ড্রাইভার আপন মনে গাড়ি চালাচ্ছেন। সবাই সবার মতো ইনজয় করছে কিন্তু জান্নাতের সেদিকে কোনো সাড়া নেই।বাইরের দিকে তাকিয়ে মন খারাপ করে বসে আছে।গাড়িতে থাকার জন্য কিছু বলতেও পারছি না।অনেকটা সময় পর লক্ষ্য করলাম সবাই ক্লান্ত হয়ে নিজ নিজ সিটে বসে রেস্ট নিচ্ছে।অনেকেই ঘুমিয়ে গেছে।জান্নাতের দিকে তাকিয়ে দেখলাম দু-বোন ঘুমিয়ে গেছে। সিট থেকে উঠে গিয়ে জান্নাতের সামনে এসে দাঁড়ালাম। বাইরের অপরূপ দৃশ্য এবং হালকা মৃদু বাতাসে জান্নাতের মাথাটা সিটের সাথে হেলান দিয়ে রেখেছে।জানালা দিয়ে আসা বাতাসে কিছু চুল এদিক ওদিক দোল খেলতে মেতে উঠেছে। কেমন একটা হিংসা হচ্ছিলো বাতাসের প্রতি। আমি জান্নাতকে স্পর্শ করতে পাড়ছি না।সেখানে বাতাস হয়ে ওর মায়াবী চেহারার সাথে খেলা করছে পকেট থেকে ফোন বের করে জান্নাতের ছবি তুলে নিলাম।ভাবছি এখন চলে যাবো কিন্তু ওর মায়াবিনী চেহারা আমাকে যেতেই দিচ্ছে না।মনে হচ্ছে রশি দিয়ে বেধে রেখেছে।জান্নাতের অজান্তে ওর কপালে ভালোবাসা একে দিয়ে নিজের সিটে এসে বসলাম।জান্নাতের কথা ভাবতে ভাবতে কখন যে চোখটা লেগে গেছে বুঝতেই পারিনি। হঠাৎ জয়ের ডাকে চোখ খুললাম। আমিঃকি হলো ডাকছিস কেনো? জয়ঃএটা খেয়ে নে আমিঃকেনো? জয়ঃসালা বাস থামিয়ে রান্না করা হয়েছিলো। তুই মরার মতো শুয়ে ছিলি তাই আর ডাকা হয়নি আমিঃহোপ সালা,ডাকলে কি এমন হতো? জয়ঃএমনি,এখন মুখটা ধুয়ে খেয়ে নে আমিঃহুম। জয়ের থেকে খিচুড়ির প্লেটটা নিলাম।জেরি আর জান্নাত টুকটাক কথা বলছে।কিন্তু জান্নাতে এখনো মন খারাপ করেই আছে। আমিঃম্যাডাম খেয়েছেন? জান্নাতঃহ্যা তুই খা আমিঃচাইলে খেতে পারেন জান্নাতঃতোর মতো পেটুক না আমি। আমিঃনা খেলে আমার কি জান্নাতঃহু আর কিছু না বলে খেয়ে নিলাম।এভাবে আরো কিছু সময় যাওয়ার পর গন্তব্য স্থানে পৌছালাম। সবাই গাড়ি থেকে নেমে যার যার মতো ঘুরতে বের হচ্ছে।হারামিদের সাথে ঘুরতে যাবো সেটাও হলো না।সবাই যার যার বাবু সোনাদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে। জেরিঃভাইয়া তুমি একা কেনো? আমিঃতো কার সাথে থাকবো জেরিঃতোমার বন্ধুরা আমিঃজিএফ নিয়ে ব্যস্ত আছে জেরিঃআমাদের সাথে চলো আমিঃকোথায়? জেরিঃঘুরতে,আমি আর আপু যাবো আমিঃতাহলে চল😍 ভালোবাসার মানুষটার সাথে পাশাপাশি হাটতে পাড়বো এটাই অনেক কিছু।জেরির সাথে জান্নাতের কাছে এলাম। আমিঃহাই জান্নাতঃতুই এখানে কেনো? আমিঃকোনো সময় তো ঠিকভাবে উত্তর দিতে পারো জান্নাতঃতো আমি কি উল্টোভাবে দিচ্ছি নাকি আমিঃজেরি তুই জানিস তোর বড় বোন অনেক বেশিই ভাব নেয়? জেরিঃহু জান্নাতঃকি হু রে,,জেরি চল জেরিঃহুম ভাইয়া আসো আমিঃহ্যা চল জান্নাতঃচল মানে,তুই কই যাবি? আমিঃতুমি যেখানে যাও সেখানে জান্নাতঃতুই আমাদের সাথে আসবি কেনো? আমিঃতো...(থামিয়ে দিয়ে) জেরিঃআপু আমি ভাইয়াকে একটা হেল্প করছিলাম তাই ভাইয়া আমার এই দুদিনের সব বহন করবে জান্নাতঃআব্বুর কি টাকা নাই ওর থেকে নিতে হবে জেরিঃআপু আসুক না জান্নতঃঠিক আছে আয় তবে বাঁদরামো করলে তোর খবর আছে বলে রাখলাম আমিঃমিষ্টি করে বললেই পাড়তে জান্নাতঃআইছে ঢং করতে।চল এখন। আর কোনো কথা না বলে হাটা ধরলাম। সবাই ঘুরাঘুরি করছে তবে নিজ নিজ ইচ্ছামতো। আমরা অনেকটাই গ্রামের মতো স্থানে ক্যাম্প করেছি। তিনজন হাটছি,আমি ডানপাশে,জেরি মাঝখানে আর জান্নাত বাম পাশ থেকে জেরির কাদে হাত দিয়ে রাখছে।কিছুটা সময় চলার পর লক্ষ্য করলাম আকাশের অবস্থা তেমন ভালো না। তাই জান্নাতকে বললাম,,, আমিঃজান্নাত,আকাশের অবস্থা খুব একটা ভালো না। যখন তখন মুষলধারায় বৃষ্টিপাত হতে পারে। এখন হয়তো আমাদের ফিরে যাওয়া ভালো হবে জান্নাতঃতুই আমাকে নাম ধরে বললি কেনো? আমিঃসেটা ক্যাম্পে গিয়ে বলি? জান্নাতঃনা তুই এখন বল আমিঃহবু বউকে কি বলবো তাহলে? জান্নাতঃকুত্তা,তুই এতোদিন যেসব বলেছিস সেসব ভুলে যা।আর যদি কিছু বলিস আঙ্কেলকে বলে তোর অবস্থা একদম খারাপ করে দিবো। আমিঃআচ্ছা কইরো। এখন চলো তাড়াতাড়ি জান্নাতঃআপনি করে বল আমিঃহোপ, তুই যাবি নাকি আমি আর জেরিই চলে যাবো? জান্নাতঃকুত্তা তোকে আমি দেখে নিবো.... আর কাজ হলো না। মুহূর্তের মধ্যে বৃষ্টি নেমে আসলো । আশেপাশে লক্ষ্য করে দেখলাম ছোট একটা কুটির রয়েছে।তিনজন দৌড়ে সেখানে গিয়ে আশ্রয় নিলাম।মেজাজটা একদম খারাপ করে দিলো।সব সময় ত্যাড়ামো করলে কার খারাপ লাগবে না,এখন হলো তো বৃষ্টি 💦☔💦 আমিঃতোমার কি সবসময় ত্যাড়ামো না করলে হয়না? জান্নাতঃঐ আমি আবার কিসের ত্যাড়ামো করলাম আমিঃতোমাকে এসব বলে কোনো লাভ নাই। প্রায় সন্ধ্যা হয়ে আসলো কিন্তু এদিকে বৃষ্টি থামার কোনো নাম গন্ধ নেই।মনের ভুলে ফোনটাও ব্যাগে রেখে আসছি। আমিঃতোমার ফোনটা দাও তো জান্নাতঃকেনো? আমিঃবন্ধুদের কল দিবো,যেনো আমাদের এগুতে এখানে আসে। জান্নাতঃতোর ফোন নেই? আমিঃব্যাগে রেখে আসছি জান্নাতঃযা বলার দ্রুত বলবি।ফোনে টাকা নেই। রিচার্জ করতে হবে এখন। আমিঃহুম জান্নাতের থেকে ফোনটা নিয়ে রাফিকে কল দিলাম রাফিঃকে বলছেন? আমিঃআমি নিলয় রাফিঃতুই এখন কোথায়? আমিঃজানিনা,তবে ক্যাম্প থেকে পূর্বপাশে আয় রাফিঃএটা কার নাম্বার? আমিঃজান্নাতের থুক্কু ম্যামের রাফিঃসালা তাহলে ভালোই আছিস আমাদের আসতে হবে কেনো? আমিঃকথা বলা বাদ দিয়ে কিছু নিয়ে এদিকে আয় রাফিঃঠিক আছে আর শোন.. আমি কিছু বলার আগেই ব্যালেন্স শেষ,ফকিরনী একটা। -------------------------------------------- অনেক বেশিই বোরিং লাগছে।জেরির সাথে টুকটাক কথা বলতে পারলেও গুণ্ডিটার সাথে একদম কথা বলতে পারছি না।কিছু সময় পর সামনে কিছু লাইটের আলোতে মনে শান্তি পেলাম। মনে হচ্ছে,হারামিরা আসছে। কিন্তু না,লোকজন গুলো কাছে আসতেই মন খারাপ হয়ে গেলো।উনাদের আমরা চিনিই না। তবে মানুষগুলো আমাদের দিকেই এগিয়ে আসছে। কিছু বৃদ্ধ মানুষের সাথে একটা যুবক ছেলে। বৃদ্ধঃতোমরা কারা,আর এখানে কি চাই? আমিঃআঙ্কেল আমরা এখানে ঘুরতে এসেছি। —ঘুরতে আসছো নাকি অন্য কিছু জান্নাতঃঅন্য কিছু মানে,কি বলতে চান? বৃদ্ধঃসেটাই বলতে চাই যেটা তোরা ভাবছিস জান্নাতঃএকদম আজেবাজে কথা বলবেন না। —রাতের বেলা দুটো মেয়ের সাথে একটা ছেলে দাঁড়িয়ে রয়েছে।এটাকে আর কি বলবো? জান্নাতঃশোনেন,এই ছেলে হচ্ছে আমার স্টুডেন্ট আর মেয়েটা আমার ছোট বোন। বৃদ্ধঃতোরা সবাই ওদের আমার বাসায় নিয়ে আয় আমিঃকেনো? —তোদের আজ বিয়ে দিবো সেটাও এখন জান্নাতঃকিসব আজেবাজে কথা বলছেন,মাথার সব বুদ্ধি লোপ পেয়েছে নাকি😡 —এই মেয়ে একদম রাগ দেখাবি না।আর এখানে আমরা যা বলবো সেটাই হবে। আমিঃআঙ্কেল,আপনারা ভুল ভাবছেন।একটু সময় অপেক্ষা করুণ, আমার বন্ধুরা আসছে যুবকঃচাচা,উনাদের সাথে একটু অপেক্ষা করি। হয়তো উনারা সত্যি কথা বলছে। বৃদ্ধঃতুই জানিস না,কিছুদিন আগে কি হয়েছিলো? যুবকঃজানি,কিন্তু.... (থামিয়ে দিয়ে) —কোনো কিন্তু না।ওদের নিয়ে চল নিজেদের অনিচ্ছাবশত উনাদের সাথে যেতে হচ্ছে। আমি পালাতে পারলেও জান্নাত জেরি পারবে না। তাছাড়া জেরি অনেক ভয় পেয়ে আছে।সবাই মিলে আমাদের জোড় করে একটা বাসায় নিয়ে আসলো।আমাদের কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই একটা রুমে আটকিয়ে দিলো।সালার বিপদ যখন আসে সব দিক থেকেই আসে।জেরি ভয় পেয়ে আছে বলে জান্নাত কিছু বলছে না।তা না হলে আমার গালে নিশ্চিত কয়েকটা পড়তো। হঠাৎ লক্ষ্য করলাম দরজা খুলে যুবকটি রুমের মধ্যে আসলো। যুবকঃভাই এই ফোন দিয়ে আপনার বন্ধুদের কল দিয়ে চেয়ারম্যান বাড়ি আসতে বলুন। আমিঃকেনো? যুবকঃতারা না আসলে আপনাদের কেউ বিশ্বাস করবে না। আমিঃআমাদের সাথে এমন করছে কেনো? যুবকঃকিছুদিন আগে আপনাদের মতো দুটো ছেলে মেয়ে আসছিলো।তাড়াও একদম আপনাদের মতোই কথা বলছিলো। আমরাও বিশ্বাস করেছিলাম কিন্তু সকাল হতেই মেয়েটার লাশ পাওয়া যায়। আর এখন সবাই তাদের মতো আপনাদের ভাবছে। এখন তাড়াতাড়ি আপনার বন্ধুদের কল দেন। আমিঃহুম। যুবকের থেকে ফোন নিয়ে বন্ধুদের কল দিয়ে দ্রুত এখানের চেয়ারম্যান বাড়ি আসতে বললাম। কথা বলা শেষ হতে না হতেই কিছু লোক রুমে এসে আমাদের সবাইকে বাইরে নিয়ে গেলো। অনেকেই বসে আছে,মোল্লা টাইপের একটা ব্যক্তি সামনে বসে রয়েছে।সম্ভবত কাজী হবে। —কাজী সাহেব বিয়ে পরানো শুরু করেন আমিঃআঙ্কেল আমাদের...... বৃদ্ধঃএকদম চুপ থাক তোরা। যুবকঃচাচা উনারা সত্যি কথা বলছে।একটু অপেক্ষা করেন উনার সব বন্ধুরা আসছে। —কাজী সাহেব কোনো কথায় কান নিবেন না। আপনি বিয়ে পরাণ। অনিচ্ছাকৃত ভাবে জোড় করে আমাদের বিয়ে দেয়া হলো।যুবকের সাথে আমি বসে আছি।আর জান্নাত জেরি আলাদা বসে আছে।অনেকটা সময় পর সালার বন্ধুদের আসার সময় হলো। পরে উনাদের বললে বলেন,“যা হবার হয়ে গেছে। এখন তোমরা স্বামী স্ত্রী এটাই বড় কথা”। উনাদের এমন কথায় জান্নাত রেগে ফায়ার হয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলো।আমরাও আর না থেকে জান্নাতের পিছু পিছু চলে

F@Foysal

ঠিক এতোটাই ভালোবাসি তোকে #গল্পঃ ঠিক এতোটাই ভালোবাসি তোকে # #পূর্বঃ ০৬ স্বপ্ন: আম্মু দেখো আমার বিছানায় কতো বড় মাকড়সা। তাড়াতাড়ি ফেলো এটাকে চাচ্চু: এটা এখানে কি ভাবে আসলো স্বপ্ন: এইতো আমি কোলে করে নিয়ে এসেছি। আগে এটাকে ফেলো তারপর গবেষণা করো।( আমি sure রূপ, এটা তোমারই কাজ) -ঘরে এসে হাসতে হাসতে আমার অবস্থা খারাপ,,, সেই লেভেলের ভয় পেয়েছে। স্বপ্ন:আমিও জানতাম এই কাজটা তোমারই রূপ: ভাইয়া আপনি (মনে মনে: তুই এত্তো ইডিয়ট, দরজাটাতো লক করে নিবি) স্বপ্ন: কি নিজেকে বকতেছ, দরজা লক না করার জন্য রূপ: (এই রে, রূপ আগেই ক্ষমা চেয়ে নে) ভাইয়া প্লিজ সরি, আর হবে না স্বপ্ন: এই আমি বসলাম, আর তুমি সারারাত এভাবেই টানটান হয়ে বসে থাকবা। এটাই শাস্তি তোমার রূপ: ভাইয়া প্লিজ এভাবে স্বপ্ন: not a single word রূপ: এক ঘন্টা হয়ে গেছে আর পারতেছি না ভাইয়া স্বপ্ন: কিহ রূপ: না ঠিক আছে ৩০ মিনিট পর, স্বপ্ন: আরে এই মেয়ে তো বসেই ঘুমিয়ে গেছে। পুরাই পাগল একটা। ইশ্ এখনো বাচ্চাদের মতো ঘুমায়। ইচ্ছে তো করে সবসময়ই এভাবে তাকিয়ে থাকি আমার জলপরীটার দিকে। কিন্তু আমি তো এখনও যানি না, আমার জলপরী কি আমায় accept করবে কি না। আজ সারারাত আমি আমার জলপরীটাকে দেখবো। সকালে, রূপ: একি আমি ঘুম আসলাম কখন? ভাইয়া কোথায় গেলো? তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে নিচে যা রূপ স্বপ্ন: ( ইশ্ ,সব রংয়েই কি তোমায় সুন্দর লাগবে হবে) তো মহারানীর ঘুম ভাঙ্গলো? রূপ: আমি কি আপনার মতো অলস নাকি যে বেলা করে ঘুমাবো স্বপ্ন: সেতো দেখতেই পাচ্ছি, মাত্র 10 টা 13 বাজে চাচিমনি: তোরা থামবি। মামুনি আসো তো খেতে বসো রূপ: দেখেছো চাচিমনি সকাল সকাল আমার পিছনে লাগতেছে স্বপ্ন: আম্মু আমি বাইরে যাবো, কেউ যদি ঘুরতে যেতে চায় তাড়াতাড়ি খেয়ে রেডি হতে বলো। রূপ: সত্যি,,, আমি 5 মিনিট না থাক 10 মিনিট না থাক 15 মিনিট এ আসতেছি স্বপ্ন: ( পুরোই পাগল একটা) থাক আপনি 20 মিনিটই নেন রূপ: thank you চাচিমনি: আরে আগে খেয়ে নাও রূপ: আমি এখন আর খাবো না চাচিমনি: আরে...... এই যে, আমি যেন আপনার নামে কোন অভিযোগ না শুনি স্বপ্ন: ok আম্মুজান - কোনটা পরবো আমি ? মাঝে মাঝে মনে হয় আমার একটা জামা হলে ভাল হতো, কোন confusion থাকতো না। আম্মু বলে আমায় লাল রঙের জামায় অনেক সুন্দর লাগে। তাহলে লালই পরি, স্বপ্ন: এতোক্ষন নাকি লাগে 30 মিনিট পার হয়ে গেল ( wow, ও আমায় মেরেই ছাড়বে। ইশ্, এতো cute লাগতেছে।) Wait for next part

F@Foysal

গল্পটা খুব কস্টের গল্পটা খুব কষ্টের❤ মিম আর আমি ২.জনেই খুব ভালো বন্ধু__ বলতে পারেন একজন আর একজনকে ছারা চলে না_।⬅⬅ হঠাত করে একদিন আমি, মিম,কে মজা করতে করতে বল্লাম_মিম,^___I lov u ... ও বলে,,,, শুন আরিফ আমি তোকে ভালবাসতে পারবো না। তুই শুধু আমারর বন্ধু _। এই কথা বলেই চলে গেল আটকাতে পারলাম না __।😒😒😒😒😒 এভাবেই দিন যেতে লাগল কিন্তু বালিকা ত আমাকে ভালবাসেনা _কি যে করি___। বলতে বলতে বালিকার ফোন__<<< ---ওই, আরিফ ,কি করছ? ---তর কথাই ভাবতাছি,মিম,-! ---চূপ থাক খাইছছ? ---না!!! _<_ তুই খাইছশ-মিম-? হ্যা খাইছি_!! ----তুই এখনি খেয়ে নে৷আর মাঠে তাড়াতাড়ি আয়৷ ---আচ্ছা ৷🙂🙂🙂🙂🙂🙂 বলেই লাফাতে লাগলাম৷বালিকার মনে হয়ত আমার জন্য ভালবাসা জাগছে৷তাড়াতাড়ি খেয়ে গেলাম৷গিয়েই বললাম৷ --কিরে মিম?হঠাৎ জরুরি তলফ ---হুম৷সামনে আমাদের এক্সাম রে৷খুব টেনশনে আছি🤔🤔🤔🤔🤔 ---কোনো চিন্তা করিস না৷ফেইল করলে তরে আমি বিয়া করমু৷তারপর দুইটা ক্রীকেট খেলার টিম বানামু৷তর এক দল,আমার একদল৷🤭🤭🤭🤭বলেই হা হা হা করে হাসি দিলাম কিন্তু হাসি দেওয়ার পর কি ঘটল তা আমি কেন?আমার চোখও বিশ্বাস করতে পারল না৷এমন ভাবে আমার গালে চড় মারল যেন গাল দিয়ে ধোয়া বের হচ্ছে😱😱😱চড়টা মেরেই মিম বলা শুরু করল তকে বন্ধু করেই জীবনের বড় ভুল করছি৷আজ থেকে আমাদের বন্ধুত্ব এখানেই শেষ৷বলেই চলে গেল🙄🙄🙄আর আমার চোখ দিয়ে বৃষ্টির মত পানি পড়ছে৷কিছুই বুঝতে পারলাম না৷খুব খারাপ লাগছে৷শেষ মেশ বন্ধুত্বটাও শেষ?কেমন জানি স্বপ্ন স্বপ্ন লাগছে৷তাও কীছুই করার নেই😒😒😒😒অশ্রুভরা চোখ আর বুক ভরা কষ্ট নিয়ে বাসায় আসলাম৷এসেই শুয়ে পরলাম৷বালিশটাও ভিজে গেছে৷পুরানো স্মৃতি গুলো মনে পরছে🤨🤨🤨প্রতিদিন ওকে ফোন দিয়ে ঘুম পারানো৷ঘুম থেকে জাগাতাম৷দিনে কমপক্ষে১০০বার ফোন৷আর মেসেজ ত আছেই৷ সব স্মৃতি গুলো মনে পরছে৷আমাদের বন্ধুত্ব শেষ হলেও আমি ঠিক আগের মতোই ফোন দিতাম৷মেসেজ দিতাম৷মিম খুব বিরক্ত ফীল করত৷তারপরও কথা বলতে চাইতাম৷হঠাৎ একদিন দেখলাম মিম পার্কে এক ছেলের সাথে হেসেহেসে কথা বলছে৷😕😕😕যেন কলিজাটা ছিড়ে যাচ্ছে৷তাই বাসায় এসে পড়লাম৷বুকটা ব্যাথা করছে৷তাই ভাবলাম মিমকে একটা ফোন দেই৷অনেকবার কল হওয়ার পর রিসিভ করল —মিম বুকে ব্যথা করতেছে।ব্যথা করা ভালো। এখন আমাকে আর ডিস্টার্ব করবি না, পরশু আমার এক্সাম। — আচ্ছা নাপা খেলে ব্যথা যাবে? ----- হ্যাঁ যাবে। এখন আর ফোন দিস না😒😒😒😒 প্লিজ কিছুই পড়া হয়নি। — কয়টা খাবো? --- উফ্,,, তোর যতটা খেতে মন চায় খা। প্লিজ আরিফ আর না। — লাষ্ট, ভালোবাসিস?? ---- আরিফ এসব কথার কোন মানেই হয় না আমরা জাস্ট ফ্রেন্ড তর অনুরোধে কিন্তু ২য় বার ফ্রেন্ড হইছি৷তাই যা বলছ ভাল করে বুঝে বলিস — থ্যাঙ্কস মিম রাখি। ---- ওকে রাখ। আর ভবিষ্যৎ এ যেন এমন কথা আর না শুনি? — ওকে।😔😔😔 .. ফোনটা কেটে দিলাম। একসময় মিম মেয়েটা সারাক্ষণ আমার খবর নিত এখন আর নেয় না। আর জিজ্ঞেস করেনা : "কাউকে পছন্দ করিস কিনা আরিফ ?" আর আগের মতো কি করতে হবে বলেনা। হঠাৎ বুকের ভিতরে আবার চিপ দিয়ে উঠে বুকটা চেপে ধরে একটু বিছানায় শুয়ে পড়লাম খুব কষ্ট হচ্ছে। আবার বিছানা থেকে উঠে আমাকে নাপা খেতে হবে। কয়টা খাব?? মিম তো বলেই দিয়েছে যতটা ইচ্ছে খেতে পারে। সবগুলো ওসুধ মুখের ভিতরে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম😰😰😰😰😰 .. .. কাক ডাকা ভোরে উঠে পড়ে মিম। মোবাইল চেক করে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে "যাক আজ কোন ম্যাসেজ ও নাই মিসড কল ও নাই।" পড়ায় মনোযোগী হয়৷মিম মন দিয়েই পড়তে থাকে হঠাৎ মনটা যেন কেমন কেমন করছে তবুও ভালো ইমন জালাচ্ছে না। ছেলেটার কোন কমন সেন্স ও নাই যখন তখন ফোন দিয়ে বলবে মিম এইটা হয়েছে এখন কি করবো? অইটা হয়েছে বোরিং। কয়েক ঘন্টা কেটে গেলেও মিমের মোবাইল এর আলো জ্বলছেনা🤨🤨 হঠাৎ মোবাইল এ ম্যাসেজ টোন বেজে উঠলো। মিমের কাছে বোরিং হ্যাপি দুইটাই লাগলো। ম্যাসেজ অন করে হতাশ হয় রবি সীম কোম্পানির এস এম এস। রবি সীমকে কয়েকশো গালাগাল দেয় সে। ঘড়ির ঘন্টার কাটা ক্রমেই বেড়ে চলেছে কিন্ত একটিবার এর জন্যও আরিফের মোবাইল থেকে কল আসেনা🤔🤔🤔 হঠাৎ মিমের স্মরণ হয় গতদিনের কথা :- "মিম বুকে ব্যথা।" ওর ব্রু যুগল কুঁচকে যায় মুখটা কালো হয়ে যায় বুকের ভিতরটা খা খা করে উঠে মন থেকে কত রকম ভয় করছে। রাত নটা মিম একদম পড়তে পারছেনা বারবার আরিফের কথা মনে পড়ছে। আরিফের ম্যাসেজ তো তার বোরিং লাগে কিন্ত সে কেন এখন আরিফের ম্যাসেজ খুজছে? কিছু না ভেবেই আরিফের নাম্বারে ফোন দেয়। — হ্যালো আরিফ --- আমি আরিফের বড় ভাই বলছিলাম।তুমি মিম তাই না❓❓ আরিফ তোমার কথা বলেছে এখন ও বাইরে আছে বন্ধুদের সাথে। পরে ফোন দিও — আপনি এরকম কেঁদে কথা বলছেন কেন? আমার কিন্ত ভয় হচ্ছে ---- আরেহ আমাদের বাড়িতে একজন মুরুব্বি মারা গেছে ওনার জন্য মন খারাপ। আর কাল এক্সাম যেন ভালো হয়। — ওকে ভাইয়া আরিফ এলে আমার কথা বলবেন😓😓😓😓 মিম কিছুই বুঝেনা আরিফকে কি সে ভালোবাসে? এক্সামের কথা মনে পড়তেই পড়তে বসে যায় মিম পড়ায় মন না বসলেও জোর করে পড়ছে সে। হঠাৎ ঘুমের দেশে হারিয়ে যায় সে। ঘুমের মাঝে কে যেন চিৎকার করছে মিম ভালোবাসিস কন্ঠটি পরিচিত কিন্ত ধরতে পারছেনা। হঠাৎ ঘুম ভেংগে যায় আজ কাক ডাকার আগেই উঠে👈👈👈 গেছে। মিমের চোখে মুখে আতঙ্ক মোবাইল টা হাতে নেয় কোন ম্যাসেজ নেই, নেই কোন মিসড কল। মিম চায় হঠাৎ করে ই একটা কল আসুক আর নামটা ভাসুক "Arif" কিন্ত নামটা আর ভাসেনা। মিমের মনে হচ্ছে সে আরিফকে ভালোবাসে।ইশ যখন বলবে আরিফ ভালোবাসি কতই না খুশী হবে সে। ভাবতেই অবাক লাগছে।🙂🙂🙂🙂🙂 এক্সামের পর সোজা আরিফদের বাড়িতে চলে যায় সে। আরিফদের বাড়িতে আগেও এসেছিল তাই খুব একটা কস্ট হয়নি। আরিফদের ঘরে এত মানুষ কেন? আরিফের বন্ধুরা সবাই এখানে আরিফ কই? আগের বার এসেছিল তখন ত আরিফ কত খুশি হয়েছিল। আরিফের ভাই ই মিমকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আরিফকে দেখাবে বলে। কিন্ত মিমর মনে খটকা এদিকে তো গোরস্তান এখানে কেন আনতেছে। আরিফের ভাই পকেটে হাত দেয় একটা ছেড়া পাতা দেয় মিমের হাতে। কাগজটি পড়তে শুরু করে হ্যাঁ এটা আরিফের লেখা। :- "কেমন আছিস মিম?আশা করি ভালো থাকারই কথা। ভাইয়া চেয়েছিল তোকে জানাতে আমার অবস্থা ভালো না কিন্ত তোর এক্সামের এমনেই অনেক ক্ষতি করে ফেলেছি তাই আর জানাই নি।😰😰😰😰😰😰 এক্সাম কেমন হয়েছে? ও সরি আমিতো আর বললেও শুনতে পাবো না। সম্ভবত তুই আমার কবরের পাসে দাঁড়িয়ে জানিনা কোনখানে কবর দেওয়া হয়েছে। তবে আমি খুশি হয়েছি এই ভেবে যে আর তোকে ডিস্টার্ব করবোনা। আসলেই তোকে অনেক ডিস্টার্ব করেছি মাপ করে দিস।😥😥😥😥 আর হ্যা রনি অনেক ভালো হ্যান্ডসাম তোর সাথে মানায় সেদিন তোদের দুজনকে পার্কে দেখেছিলাম খুব খুশি হয়েছিলাম আবার রনি তুই দুজনের উপরে রাগ এসেছে। আর ও সরি তোর এমনেই অনেক টাইম নষ্ট করেছি সামনে এক্সাম ভালো করে দিস। আর একটা কথা নাপা কাজ করেছে আমার সব ব্যথা দূর করে দিয়েছে। থ্যাঙ্কস মাফ করে দিস😰😰😰 আর একটা কথা রাগ করিস না "ভালোবাসি মিম?"। আবার সরি আর জীবনেও বলবোনা এই কানে ধরেছি। বোরিং বোরিং😓😓 ......" মিম ধপ করেই আরিফের কবরে বসে পড়ল৷আর চিৎকার করে কান্না করছে ৷আর ওর মুখ থেকে বের হচ্ছে, আরিফ ?এই আরিফ ?ওঠ৷একটিবার দেখ আমি এসেছি৷তুই না আমাকে ভালবাসিস ?আমিও তকে ভালবাসিরে৷ওঠ আরিফ ৷ওঠ৷তুই না দুইটা ক্রিকেট টিম বানাবি ৷আমি রাজি রে৷তারপরও তুই ফিরে আয় আরিফ৷চিৎকার করে বলছে ফিরে আয় আরিফ ৷ফিরে আয় ৷তকে খুব ভালবাসিরে৷ফিরে আয়৷😰😰😰😰😰😰 কিন্তু না আরিফ আর আসবে না ৷চলে গেছে অনেক দূর ৷যেখানে গেলে কেউ আর ফিরে আসেনা৷ ....ভালবাসার মানুষগুলোকে অবহেলা করোনা৷নয়ত এর ফল সারাজীবন ভোগ করতে হবে ৷...😓😓😓😓😰😰😰😰😰😰😰😰😰😰😰😰😰😰😰😰😰😰 বি.দ্র:যারা গল্প পরেন বা গল্প পোরতে ভালবাসেন এমন কেউ যদি থেকে থাকেন তাহলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন।

F@Foysal

এমন একজন খুজি নাবিলা: বাবু আমি না প্রেগনেন্ট…!😞 আরিয়ান: ঐ প্রেগনেন্ট মানে.? কেমনে কি হলো? আমরা তো এখনো বিয়েই করিনি.😎 নাবিলা: কুত্তা.. আমার এতো বড় সর্বনাশ করে এখন বলিস আমি প্রেগনেন্ট কেমনে হলাম.. সকাল থেকে ৩ বার বমি হয়ছে..😖 আরিয়ান: বাট নাবিলা আমরা তো কিছুই করিনি তেমন.. নাবিলা: কিছুই করিসনি তাইনা? সেদিন আমাকে পাপ্পি দিছিলি ঐজন্য আমি প্রেগন্টে হয়ছি.. তারাতারি আমার জন্য ঔষধ নিয়ে আসো.. আরিয়ান: ঐ চুমু দিলে কেউ প্রেগনেন্ট হয়ে যায়?😂 নাবিলা: হয় প্রেগনেন্ট.. তুমি সিনেমা দেখোনা? ঐখানে নায়ক নাইকাকে চুমু দেয় আর নাইকা প্রেগনেন্ট হয়ে যায়..😃 হায় আল্লাহএই মুখ আমি কারে দেখামু,,, ঐ যা বলছি তাই করো.. নাহলে বেবি যদি বড় হয়ে যায.. উফ শুধু গুড়গুড় করছে পেটের ভেতর) (ফোনটা কেটে দিলো নাবিলা.. নাবিলা ক্লাস নাইনে পড়ে, সেদিন দুষ্টুমি করে একটা পাপ্পি দিছিলাম.. আর আজকে ও প্রেগনেন্ট.. হায় আল্লাহ… আসলে হয়েছে কি গতকাল এত্তোগুলা ফুচকা, চটপটি আরো অনেক কিছু খাইছে.. এইজন্য পেটখারাপ করছে.. আর ঐ পিচ্চি ভাবছে ও প্রেগনেন্ট) কি আর করার.. গ্রালফ্রেন্ড বড় হলো এক জ্বালা.. ছোট হলে আরো বেশি জ্বালা.. তাই পরিচিতো ঔষধের দোকান থেকে পেটখারাপ হলে যেই লাগে ঐগুলা কিনে নিয়ে ফোন দিলাম নাবিলাকে.. আরিয়ান: হ্যালো..নাবিলা বাড়ির বাইরে এসো.. ঔষধ নিয়ে আসছি.. নাবিলা: দুই মিনিট ওয়েট করো আসতেছি.. (বাড়ির বাইরে এলো নাবিলা) আরিয়ান: এই নেঊ ঔষধ.. নাবিলা: ঔষধ এত্তোগুলা কেন? আরিয়ান: আরে তুমি ছোট থাকতে প্রেগনেন্ট হয়ছো তো তাই এতোগুলো ঔষধ.. (ওরে বুঝিয়ে দিলাম কোনটা কখন খেতে হবে..) নাবিলা: ওহ.. ঠিক আছে তুমি যাও.. (আমি বাড়িতে চলে আসলাম.. পরদিন সকালে নাবিলার ফোন..) নাবিলা: হ্যালো আকাশ আরিয়ান: হ্যা বলো..!! পেটের কি অবস্থা? বমি কমছে? নাবিলা: হ্যা বাবু কমছে.. আর জানো.. বেবিটাও না কোথায় জেনো চলে গেছে.. পেটের মধ্যে আর লাফালাফি করছে না… তবে জানো বেবিটার জন্য খুব খারাপ লাগছে.. মনের মধ্যে কেমন জেনো মা মা ফিলিংস আসতেছে.. আচ্ছা বেবিটাকে রেখে দিলে কি হতো? আমরা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ফেলতাম,, সংসার করতাম.. আরিয়ান: আগে বললেই রেখে দিতাম বাবু (তোর বেবির গুষ্টির খেতায় আগুন.. কোনটা প্রেগনেন্ট আর কোনটা পেটখারাপ এইটার পার্থক্য বুঝলোনা আর সংসার করবে)😎 নাবিলা: আচ্ছা তুমি প্রেগনেন্ট হলেনা কেনো আকাশ? তুমিওতো পাপ্পি দিয়েছিলে..🙈😂 আরিয়ান: আরে বাবু আমি চুমু দিয়েছিলাম তাই তুমি প্রেগনেন্ট হয়েছিলে.. এরপর তুমি চুমু দিও তাহলে আমিও প্রেগনেন্ট হবো 😎😂😂 বিঃদ্রঃ গল্প টা সম্পূর্ণ কাল্পনিক

F@Foysal

বখাটে_ছেলের_পর্দাশীল_বউ আজ আমার বাসর রাত। বোরখা পরে বসে আছি বাসর ঘরে। আমার বিয়েটা সব মেয়েদের মতো হয় নি। আমার বিয়েটা একটু অন্য রকম ভাবেই হয়েছে। আমি আমার সদ্য বিবাহ করা স্বামীর জন্য বসে আছি। জানি না সে কখন আসবে।আদও কি আসবে নাকি আসবে না তাও আমি জানি না। আমার প্রিয় স্বামী আসার আগে আমার পরিচয়টা দিয়ে দেয়। আমার নাম নুরজাহান আক্তার নূর। আমরা সিলেট এ থাকি। আমি মধ্যবৃত্ত পরিবারের মেয়ে, আমি মাদরাসায় দর্শম শ্রেনীতে পড়তাম। আমার বাবা একজন ইমাম ও মাদরাসার শিক্ষক, আমার মা গৃহীনি, আমার ছোট একটা ভাই আছে নাম ইব্রাহিম হাসান, আমার ভাইটা হাফিজী পড়ছে, আমার বাবা অনেক ধার্মিক, ছোট কাল থেকেই আমার মায়ের মতো আমাকেও পর্দায় রেখেছে, আমিও পর্দায় থাকতে পছন্দ করতাম তাই এখনো পর্যন্ত আমাকে কেউ দেখেনি। যার সাথে আমার বিয়ে হয়েছে সে বড়লোক বাবার বখাটে ছেলে। সে আমাকে এখনো দেখে নি, আমিও তাকে এখন পর্যন্ত দেখিনি। তারা দুইভাই-বোন। আমার শাশুড়ির ছোট বোন আমাদের এখানে থাকে।একদিন আমার শাশুড়ি এখানে বেড়াতে এসে তার ছোট বোনের কাছে আমার কথা শুনে আমাকে দেখতে আসে। তারপর আমাকে দেখে আমার শাশুড়ির খুব পছন্দ হয়। আমার বাবার কাছে আমার শশুড়ে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়। কিন্তু ছেলে বখাটে শুনে আমার বাবা না করে দেয়। কিন্তু তাতে তারা ফিরে যায় নি তারা আমার বাবার কাছে অনেক আকুতি মিনতি করে আমার বাবাকে রাজি করান। এই ছেলের কাছে আমার বাবা কিছুতেই বিয়ে দিতে চাই নি। তাদের জোরা জোরিতে একপর্যায় রাজি হয়ে যায়।আমার বিয়ে ছোট-খাটো করে ঘরে বসেই হয়। তারপর আমাকে ঢাকা নিয়ে আসে। সিলেট থেকে ঢাকা আসতে আসতে রাত হয়ে যায়। কিছুক্ষন আগেই আমাকে আমার ননদ রিনা একটা রুমে বসিয়ে দিয়ে বলে যায়। রাহাত ভাইয়াকে পাঠিয়ে দিচ্ছি। আমি মনে মনে বললাম ও তাহলে আমার স্বামীর নাম রাহাত। জানি না আমাকে মেনে নিবে নাকি মেবে না।এসব ভাবছি হঠাৎ করেই দরজায় জোরে শব্দ হলো। আমি ভাবনার জগত থেকে ফিরে এসে সামনে তাকিয়ে দেখি আমার স্বামী আমার দিকে রাগি চোখে তাকিয়ে আছে। আমি একটু ভয় পেয়ে গেলাম। মৃদ স্বুরে লম্বা একটা সালাম দিয়ে খাট থেকে নিচে নেমে তাকে সালাম করতে গেলাম আর আমার স্বামী তার পা পিছিয়ে গেল আর বলতে লাগলো... রাহাত: এই মেয়ে আমাকে Touch করবে নাহ্। আমি শুধু আমার মম এর কছম রাখতে তোমাকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছি। আর না হলে এই রাহাত খান তোমার মতো আনকালচার মেয়েকে কখনই বিয়ে করতো না। বাহিরে সবাই জানবে আমরা স্বামী স্ত্রী, কিন্তু এ ঘরের ভিতরে আমি তোমাকে স্ত্রী হিসাবে কখনই মেনে নিবো না। কখনো স্ত্রীর আধিকার ফলাতে আসবে নাহ্। আর এই কথা আমার মম কে বললে তোমাকে আমি জানে মেরে ফেলবো, কথাটা মনে রেখো,,!!(রাগি গলায় কথা গুলা বললো) নুরজাহান: আপনে নিশ্চিন্তে থাকুন আমি এই কথা কাউকেই বলবো না। (মৃদ স্বুরে) রাহাত : হুমম। যাও নিচে বা সোফায় গিয়ে ঘুমাও। আমার খাটে কখনই ঘুমানোর সাহস করবে না। (বালিস খাতা ছুড়ে ফেলে দিয়ে বললো) তার এই ব্যবহারে আমার খারাপ লাগলো। তারপর ও মনকে সান্ত করে বালিস খাতা ওঠিয়ে সোফার উপর রাখলাম। আমার স্বামীর দিকে তাকিয়ে দেখি সে খাটের উপর শোয়ে মাথার উপর হাত দিয়ে চোখ বন্ধ করে আছে। আমি একটা শাড়ি নিয়ে বাথরুমে চলে গেলাম। ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি সে ঘুমিয়ে গেছে। আমি এশারের নামাজ আদায় করে সোফায় গিয়ে শোয়ে পড়লাম। ফজরের আজান শুনে ঘুম থেকে ওঠলাম, ওজু করে এসে আমার স্বামী কে আসতে করে ডাক দিলাম..... নুরজাহান: প্রিয় স্বামী,,, ফজরের আজান দিচ্ছে আপনে ঘুম থেকে ওঠে নামাজ পড়তে মশজিদে জান।একবার ডাক দিলাম কিন্তু তার কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে তার গায়ে হাত দিয়ে ডাকতে লাগলাম। প্রিয় স্বামী ফজরের আজান দিচ্ছে, আপনে দয়া করে ঘুম থেকে ওঠে নামাজ পড়তে যান। এবার আমার স্বামী আমার দিকে ঘুম চোখে তাকিয়ে এক লাফ দিয়ে খাটের অই পাশ দিয়ে পড়ে গেল। আর আমি তার এই কান্ড দেখে একটু মুচকি হাসলাম।সে আমার দিকে তাকিয়ে বললো রাহাত: ঘুমিয়ে ছিলাম হঠাৎ করে কারো ডাক শুনে সামনে তাকিয়ে আমি ভয়তে লাফ দিয়ে খাটের নিচে পড়ে গেলাম। আর সে এটা দেখে মুচকি হাসতে লাগলো,,ভয় ভয় আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম,,, ত,,,,ত,,তুমি কে আমার রুমে কেন এসেছো,,,,,??? নুরজাহান: প্রিয় স্বামী আমি আপনার স্ত্রী, কাল যাকে আপনি পবিত্র কালেমা পাঠ করে বিয়ে করেছেন। আমি সেই নারী আর আপনার স্ত্রী!!!(মৃদ স্বুরে). রাহাত: আমি ওর কথা শুনে কিছুক্ষন ওর দিকে তাকিয়ে রইলাম এক অপরূপ সুন্দরর্য্যের নূর ছড়াচ্ছে ওর মায়াবীনি চেহারা দিয়ে। আমি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছি ওর দিকে। এবাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে ওর সন্দর কন্ঠে বললো.....?? নুরজাহান: প্রিয় স্বামী এই ভাবে তাকিয়ে কি দেখছেন? রাহাত: ওর মুখে প্রিয় স্বামী ডাকটা শুনে আমার ভিশন রাগ হলো। তাই দাড়িয়ে বললাম এই মেয়ে আমাকে প্রিয় স্বামী বলে ডাকবে না আর আমার ঘুম কেন নষ্ট করেছো? কেন আমাকে ডাক দিয়েছো ?(রাগি গলায়) নুরজাহান: না মানে। ফজরের আজান দিয়েছে তাই নামাজ পড়তে ডাক দিয়েছিলাম।(ভয়ে মৃদ স্বুরে বললাম) রাহাত: এই কথা শুনে আমার ভিষন রাগ হলো। তাই আমি ওর কাছে গিয়ে গালে জোরে একটা চড় বসিয়ে দিলাম ঠাসসস.....আর বলতে লাগলাম আবার যদি আমার ঘুমের সময় আমাকে ডির্স্টাব করেছিস তো তোকে আমি জানে মেরে ফেলবো। যাহ্ এখান থেকে (জোরে ধমক দিয়ে বললো) নুরজাহান: আমি কিছুক্ষন গালে হাত দিয়ে তার দিকে তাকিয়ে চলে গেলাম নামজ পড়তে। আর আমার প্রিয় স্বামী রাগে ফোস ফোস করতে করতে বিছানাতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লো। আমি নামাজ শেষ করে মোনাজাতে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলাম.... হে আল্লাহ্,,, আমার কোন কষ্ট ও দুঃখ নেয়। তুমি শুধু আমাকে একটু ধৈর্য্য দিও, আমি যেনো আমার স্বামী কে খারাপ রাস্তা ও বখাটে থেকে সঠিক পথে এবং তোমার রাস্তায় ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারি। আমার প্রিয় স্বামী কে তুমি সুস্থ রেখো ভালো রেখো। তুমি তাকে হেদায়েত দান কর আল্লাহ্,,, (আমিন)(মনে মনে).. মোনাজাত শেষ করে কিছুক্ষন কোরআন শরীফ পাঠ করলাম। তারপর বোরখা পড়ে নিচে গিয়ে সবার জন্য নাস্তা রেডি করলাম। নাস্তা তৈরি করতে করতে সবাই ওঠে গেল শুধু আমার স্বামী ছাড়া। আমার শাশুড়ি মা নিচে এসে আমাকে রান্না ঘরে দেখে খুব খুশি হলো। আর আমি তাকে সালাম করলাম। আর সে আমাকে বললো.... শাশুড়ি: বেঁচে থাকো বৌমা। তুমি এতো সকালে রান্না ঘরে কেন এসেছো মা কাজের বুয়া আছে তো রান্না করার জন্য?? নুরজাহান: তাতে কি হয়েছে মা সে তো সব সময় রান্না করে , তাই আমি তাকে বলেছি রেস্ট নিতে আজ আমি রান্না করবো। মা আপনারা টেবিলে গিয়ে বসেন ,আমি খাবার দিচ্ছি..!! শাশুড়ি: আমার লক্ষি বৌমা,,আচ্ছা আমি তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি??? নুরজাহান: হ্যাঁ! মা বলুন কি বলতে চান!?? শাশুড়ি: রাহাত কি তোমার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে,,??(চিন্তিত স্বুরে). নুরজাহান: আমি এখন তাকে কি বলবো?? মিথ্যা বলা যে পাপ হে আল্লাহ্ তুমি আমাকে মাফ করিও,(মনে মনে) না মা সে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে নি। শাশুড়ি: আমি জানি রে মা তুই মিথ্যা কথা বলছিস।জানিস মা আমার ছেলেটা খুব ভালো ছিল। কোনো নেশা করতো না, মেয়েদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতো না।কিন্তু এই ৩ বছর দরেই আমার ছেলেটা কেমন যেনো হয়ে গেছে। রাত করে বাসায় ফিরতো আর শরীর থেকে মদের গন্ধ আসতো আমি কিছু জিজ্ঞেস করলে কিছু বলতো না। চুপচাপ রুমে চলে যেতো দেখতে দেখতে আমার ছেলেটা একটা বখাটে ছেলে পরিনত হয়। আমাদের কারো কোনো কথা শুনে না। সব রকমের নেশা জাতিও জিনিস ও সেবন করে। আমাকে তুই ক্ষমা করে দিস মা আমি তোর জীবনটা নষ্ট করে দিলাম। আমার বখাটে ছেলের সাথে তোকে বিয়ে দিয়ে ক্ষমা করে দিস মা,,(কান্না করতে করতে বললো). নুরজাহান: মা আপনে এভাবে বলবেন না। আমার আর তার জুটি মহান আল্লাহ্ ঠিক করে রেখেছে সেটা তো আমরা বদলাতে পারবো না। আপনে দয়া করে আমার কাছে ক্ষমা চাইবেন না। শাশুড়ি: মা তুই আমার ছেলেটা কে বখাটে থেকে ভালো পথে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারবি না?? আমি আমার ছেলেকে তোর হাতে তুলে দিলাম। (কান্না জড়িত কন্ঠে). নুরজাহান: দোয়া করবেন মা আপনার মনের আশা মহান আল্লাহ্ ঠিক পুরন করবে,,!! শাশুড়ি: তাই যেনো হয় রে মা...!! নুরজাহান: এখন চলেন টেবিলে খাবার দিচ্ছি ,,!! শাশুড়ি: হুমম,,,মা ! রাহাত কি ঘুম থেকে ওঠেছে?? নুরজাহান: না মা তিনি এখনো ঘুমোচ্ছে,,?? শাশুড়ি: ও। মা রাহাত সকালে কফি খায়। তুমি বুয়া কে বলে কফি উপরে পাঠিয়ে দেও?? নুরজাহান: মা আমি তাকে কফি বানিয়ে দিয়ে আসছি আপনারা নাস্তা করেন,,?? শাশুড়ি: ঠিক আছে মা?? আমি কফি বানিয়ে উপরে রুমে নিয়ে গেলাম। তারপর আস্তে করে ডাক দিতে লাগলাম,,,প্রিয় স্বামী আমি আপনারা জন্য কফি নিয়ে এসেছি,,প্রিয় স্বামী উঠুন সকাল হয়ে গিয়েছে,,,,? রাহাত: ঘুমুচ্ছিলাম কে যেনো প্রিয় স্বামী বলে ডাকছে।ওঠে দেখি সেই মেয়েটি কফি হাতে দাড়িয়ে আছে। ওকে দেখে আমার রাগ ওঠে গেল,,তাই আমি কফির মগটা ওর হাত থেকে নিয়ে ওর ডান হাতটা ধরে গরম কফির মগের ভিতরে ঢুকিয়ে দিলাম। ওর মুখ থেকে আস্তে করে একটাই আওয়াজ বের হলো: আহহ,,, আমি আবাক হয়ে তাকিয়ে আছি, কিছুক্ষন পর দেখলাম ওর চোখ থেকে পানি বের হচ্ছে তাই আমি ওকে ছেড়ে দিয়ে washroom এ চলে গেলাম?? নুরজাহান: দুইবার ডাকার পর সে ওঠলো, তার চেহাতে রাগি ভাব ছিল। সে ওঠেই আমার হাতের থেকে কফির মগটা নিয়ে আমার ডান হাত মগের ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। কফিটা অনেক গরম ছিল তাই আমি ব্যাথায় আহহ করে উঠলাম। তারপর ও সে আমার হাত মগের ভিতরে ধরে রেখেছে। আমি শয্য করতে পারছি না। আমার চোখ দিয়ে পানি পড়তে লাগলো, এটা দেখে সে আমার হাত ছেড়ে দিয়ে বাথরুমে চলে গেল। আর আমি সামনের জগের ভিতরে হাত দিয়ে বসে আছি,,আমার চোখ দিয়ে শুধু পানি পড়ছে। তারপর সে হটাৎ......... গল্পঃ #বখাটে_ছেলের_পর্দাশীল_বউ

F@Foysal

বখাটে_ছেলের_পর্দাশীল_বউ #বখাটে_ছেলের_পর্দাশীল_বউ. #পর্ব__০৩ বাসায় এসে রাহাত রুমে ঢুকে গেট লাগিয়ে দিয়ে নুরজাহান এর কাছে এসে বললো.... রাহাত: এই তুই আমার বন্ধুর সাথে হাত মেলালি না কেন?(রাগী কন্ঠে). নুরজাহান: প্রিয় স্বামী পর-পুরুষের সাথে কথা বলা তো দুর হাত মেলানোও জায়েজ নেই ইসলামের শরীয়তে।তবে হ্যাঁ যদি কোন নারী বিপদের সমূখিন হয় তবে শুধু কথা বলাটা জায়েজ আছে এই জন্যেই আমি তাদের সাথে হাত পিলাই নি। তার জন্যে আমাকে ক্ষমা করবেন??(মৃদ স্বুরে).. রাহাত: এক তো আমার বেষ্ট ফ্রেন্ডদের সাথে হাত মেলাসনি তার উপর আবার হাদিস বলছিস, (ঠসসস...ঠাসস..ঠসসস..ঠসসস..যা এখান থেকে।(চারটা থাপ্পর দিয়ে বললো) নুরজাহান এর গালে থাপ্পর দেওয়াতে ওর ঠোঁট কেটে রক্ত বের হয়ে যায়,,কোন কথা না বলেই মাথা নিচু করে চলে গেল। দেখতে দেখতে ২মাস পার হয়ে গেল,,এখনো রাহাত নুরজাহান কে তার স্ত্রী হিসাবে মেনে নেয় নি। রাহাত সব সময় নুরজাহান এর গায়ে হাত তুলে ও গালাগালি করে আর নুরজাহান তা মুখ বুঝে শয্য করে,,এর মধ্যে নুরজাহানের পরিবারের সবাই এসে নুরজাহান কে দেখে যায়,তাদেরকেও এই সব কথা বলে নি,এবং নুরজাহানের বাবা নুরজাহান কে কয়দিনের জন্য বেড়াতে নিয়ে যেতে চেয়েছিল কিন্তু রাহাত যাবে না বলে নুরজাহানও তাদের সাথে যায় নি,,রাহাত কে নুরজাহান অনেকটাই ভালোবেসে ফেলে,তাই ওর প্রতিটা মাইর- গালাগালি ওর কাছে ভালোবাসা মনে হয়,,একদিন রাহাতের পরিবারের সবাই রাহাতের নানি বাড়ি যায়,কারন রাহাতের নানি খুব অসুস্থ তাই মাছুম খান,রুনা বেগম,রিনা তাকে দেখতে যায়,রুনা রাহাত ও নুরজাহান কে সাথে করে নিয়ে যেতে চেয়ে ছিল কিন্তু রাহাত যাবে না বলে দিয়েছে,তাই নুরজাহান ও তাদের সাথে যায় নি,,তারা ৩জন দুপুরের খাবার খেয়ে রুপগঞ্জ যাওয়ার উদ্দ্যেশে বেড়িয়ে পড়ে,,আর রাহাত কে বলে যায় নুরজাহান বাসায় একা তাই বাসায় যেনো তাড়াতাড়ি চলে আছে,,রাহাত তাদের কথা কানে না নিয়ে ক্লাব এ চলে যায় মেইন গেট তালা দিয়ে,,আর নুরজাহান বাসাই একা থাকে। নুরজাহান এশারের নামাজ আদায় করে অনেক ক্ষন অপেক্ষা করে রাহাতের জন্য ,কিন্তু রাহাত এর আসার কোন নাম গন্ধ নেই,,রাত ১২টা বেজে গেসে দেখে নুরজাহান খাবার বেড়ে রুমের টেবিলের উপর রেখে সোফায় গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে ক্লাব এ.. রিফাত: কিরে রাহাত আর কত মদ খাবি?এবার বাসায় যা।তোর বউ তো বাসায় একা তাই না?? রাহাত: (চুপ করে আছে আর মদ খেয়েই যাচ্ছে). রিমন: রাহাত শুনলাম তোর বউ নাকি অনেক সুন্দর। তা আবার পর্দাশীল,কেউ নাকি তোর বউকে এখনো পর্যন্ত দেখেনি??(মাতাল স্বুরে). রকি: হ্যাঁ! আসলেই অনেক সুন্দর,, সেদিন পর্কে দেখলাম,আমার কাছে তো খুব ভালই লেগেছে,,বোরখা পড়া অবস্তায় এতো ভালো দেখাচ্ছিলো না জানি বোরখা ছাড়া কতো ভালো লাগবে,, এশশ আমি যদি এই রকম একটা বউ পেতাম না তাহলে যে কি করতাম তা নিজেও জানি না,(মাতাল স্বুরে) রিমন: তাই নাকি তাহলে তো অনেক সে**ক্সি মা***ল হবে। রাহাত তুই কি মা***ল টাকে টেস্ট করে দেখেছিস? আর যদি করিসও তো আমাদেরকেও একটু বেড শেয়ার করতে দিস,,আমরাও দেখি কত সে**ক্সি মা***লটা,, আমরা তো তোর ফ্রেন্ড তাই না? (মাতাল স্বুরে বাঁকা হাসি দিয়ে) রাহাত এই কথা শুনে হাতের গ্লাসটা জোরে আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলে রিমনের কলার ধরে বললো... রাহাত: এই ওর বিষয়ে একটাও খারাপ কথা বলবি না,ও আমার স্ত্রী,আর একটা কথা বলেছিস তো আমি ভুলে যাবো আমার কোনো বন্ধু ছিল,,(রাগি গলায়). রকি,রিফাত দৌড়াতে এসে রাহাত কে রিমনের কাছ থেকে শরালো,,রাগে রাহাতের চোখ-মুখ লাল হয়ে গেছে, রিফাত: রাহাত তুই নাকি ওকে স্ত্রী হিসাবে মেনে নিস নাই, তো তোর এতো রাগ হচ্ছে কেন এই কথা শুনে,?? হঠাৎ করেই রাহাত বুঝতে পারলো ও কি বলেছে,,,, রাহাত: হ্যাঁ তাই তো আমি তো নূর কে স্ত্রী হিসাবে মেনে নেয় নি, তাহলে ওর বিষয়ে এই কথা শুনে আমার কেন রাগ হচ্ছে,, আমি কি নূর কে অজান্তেই ভালোবেসে ফেলেছি? না না এই আমি কি বলছি,,,(মনে মনে). রকি: কিরে বল?? রাহাত কিছু বললো না,মদের বোতল হাতে নিয়ে এক চুমুকে সব শেষ করে দিলো,তারপর বোতলটা মাটিতে অঁছাড় দিয়ে ফেলে ক্লাব থেকে বের হয়ে গাড়িতে গিয়ে বসে গাড়ি স্টার্ট দিলো,,ওরা আবাক হয়ে ওর যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রয়লো,,,, রাহাত বাসায় পৌছে গাড়ি থেকে নেমে ঢোলতে ঢোলতে গেট এর সামনে গেল,তালা খুলে গেট বন্ধ করে সোজা উপড়ে চলে গেল,,এই কয়দিয়েন তুলনায় আজ মদটা বেশিই খেয়ে ফেলেছে রাহাত,,রুমে গিয়ে দেখে নূর খাবার টেবিলে রেখে সোফায় গিয়ে সোয়ে পড়েছে,ঢোলতে ঢোলতে গেট লাগিয়ে বিছানাই গিয়ে বসলো। নূর বোরখা খুলে নীল রং এর শাড়ি পড়ে ঘুমিয়ে ছিল।ঘুমন্তু অবস্তায় নূর কে খুব সুন্দর লাগছিল। রাহাত বিছানায় বসে এক দৃষ্টিতে সোফায় ঘুমানো নূর এর দিকে তাকিয়ে আছে,,ওর চোকে কামোনার নেশা ফুটে ওঠেছে,,রাহাত আস্তে আস্তে হেটে নূর এর কাছে গেল,,এক ধ্যানে কিছুক্ষন নূর এর দিকে তাকিয়ে রইলো তারপর আস্তে করে নূর কে কোলে ওঠিকে বিছানায় নিয়ে সোয়ালো,রাহাত নূর এর গোলাপি ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কিস করতে লাগলো... হঠাৎ করেই নূর ঠোঁটে কারো স্পর্শ পেয়ে জেগে ওঠলো,,নূর তাকিয়ে দেখলো রাহাত ওর ঠোঁটে কিস করছে,,নূর কিছু না বলেই জোরে একটা ধাক্কা দিলো রাহাত নিচে গিয়ে পড়লো,,নূর সোয়া থেকে এঠে বসে গেল,,নূর এর ধাক্কায় রাহাত এর প্রচুন্ড রাগ হলো,,,, নুরজাহান: ক্ষমা করবেন প্রিয় স্বামী,,আমি আসলে বুঝতে পারি নি,,আর দয়া করে আমাকে অই নেশা অবস্তায় স্পর্শ করবেন না,আপনে আজ অনেক নেশা করেছেন,আমি চাই না আপনে এই নেশা অবস্তায় আমাকে স্পর্শ করেন (মৃদ স্বুরে). এমনেতেই ধাক্কাতে রাহাত এর রাগ ওঠেছে তার উপর এই কথা শুনে আরো রাগ‌ ওঠে গেল। রাহাত ওঠে কিছু না বলেই নূর এর চুল এর মুঠি ধরেই ঠোঁটে কিস করতে লাগে,,নূর মদের গন্ধে মনে হচ্ছে এখনি বমি করে দিবে,ধাক্কা দিয়েও সরাতে পারছে না রাহাত কে। চেপে ধরে কিস করতে থাকে,,এক সময় কিস গুলা কামড়ে পরিনতো হয়,,রাহাত কি করছে সেটা ও নিজেও যানে না,,রাহাত হিংস্র পশুর মতো নূরের উপর জাপিয়ে পড়ে,,নূর কিছুতেই রাহাত কে বাঁধা দিতে পারে না,চোখ কি শুধু পানি গড়িয়ে পড়ে,,নূর এক সময় শয্য করতে না পেরে সেন্সলেস হয়ে যায়,,রাহাত ওর কাজ শেষ করে নূরের বুকের উপর শুয়ে পড়ে। সকালে নূর এর জ্ঞান ফিরে,,পিটপিট করে চোখ খুলে তাকিয়ে দেখে রাহাত ওর বুকের উপর ঘুমিয়ে আছে। নূর এর কাল রাতের কথা মনে পড়ে যায়, নূর এর শরীরে কোন শক্তি নেয়,আস্তে করে রাহাত কে বুকের ওপড় থেকে নামিয়ে গায়ে শাড়ি জড়িয়ে বাতরুমে চলে যায়,,বাতরুমে গিয়ে গোসল সেরে বোরখা পড়ে নিচে যায়,,নিচে নেমে রান্না করতে শুরু করে কিন্তু নূর এর শরীর এতটাই দুর্বল ছিল নূর রান্না ঘরেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়,,,,রাহাত এর ঘুম থেকে ওঠে দেখে ওর শরীরে কোনো কাপড় নেই,,ওঠে বসে রাতের কথা ভাবতে থাকে আর সব মনে পড়ে যায়,,,, রাহাত: ওহ শিট এটা আমি কি করে ফেললাম,,শিট শিট,,রাগ ও নেশার মাথায় আমি নূর কে,,না নূর কে এখন আমি কি বললো,,যায় আগে ফ্রেশ হয়ে আসি,,!! রাহাত ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে নূর এর জন্য অপেক্ষা করছে কিন্তু নূর এর আসার কোন নাম গন্ধ ও নেই,,তাই ও নিচে নেমে নূর বলে ডাকতে থাকে কিন্তু কোথায় কোন সাড়া শব্দ পাচ্ছে না,,এক পর্যায় রান্না ঘরে যায়,সেখানে গিয়ে দেখে নূর রান্না ঘরের মেজতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে,দৌড়িয়ে নূর এর কাছে যায়,,,,, রাহাত: নূর,,,নূর,,,এই নূর ,না ওঠছে না তো,ডাক্তার ডাকতে হবে,(নূর কে কোলে করে ওপরে নিয়ে যায়,বিছানায় শুয়েই দিয়ে বোরখা খুলে দেয়। বোরখা খুলে দেখে,গলায়,পেট,ও আরো অনেক জায়গায় দাঁগ হয়ে আছে,,,, রাহাত: ছি ছি আমি এটা কি করেছি,,আমার জন্য ওর আজ এই অবস্তা,,(করুন কন্ঠে বললো). রাহাত আর দেরি না করে একজন মহিলা ডাক্তার কে ফোন করে বাসায় আসতে বললো,,ডাক্তার এসে নুরজাহান কে দেখে বললো... ডাক্তার: এই গুলা কিসের দাঁগ আর ওনার শরীর অনেক দুর্বল‌ কেন,ওনি কি ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করে না,,?? রাহাত কিছু বলছে না চুপ করে আছে,,, ডাক্তার : যাই হোক ওনার দিকে একটু খেয়াল রাখবেন,শারীরীক দিক দিয়ে ওনি অনেক দুর্বল,,?? রাহাত কিছু বললো না শুধু মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ বললো,ডাক্তার কিছু মেডিসিন এর নাম লিখে দিয়ে যায়,দারোয়ান কে দিয়ে সেই মেডিসিন গুলা আনায়,,নুরজাহান এর জ্ঞান ফিরে দেখে ও বেডে শুয়ে আছে ,ওঠতে চাইলে ওঠতে পারে না,,, রাহাত: থাক আর ওঠতে হবে না, এই মেডিসিন গুলা খেয়ে নেও,তারপর এই সুপটা খাও(গম্ভীর গলায়). নুরজাহান মুখে কিছু বললো না মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ বলে ঔষধ গুলা গেয়ে সুপটা খেতে শুরু করলো। রাহাত: নূর I'm sorry আমি আসলে কাল একটু বেশিই নেশা করে ফেলেছি তাই তোমার সাথে (নূর থামিয়ে দিল) নুরজাহান: প্রিয় স্বামী,,, আমার উপর আপনার হক আছে, এতে স্যরি বলার দরকার নেই,(মৃদ স্বুরে). রাহাত আর কিছু বললো না, চুপ হয়ে রইলো,,৫-৬দিন পর মাছুম খান, রুনা বেগম, রিনা রুপগঞ্জ থেকে বাসায় ফিরে আসে,,,এই ৫- ৬দিন রাহাত নুরজাহান কে রান্না-বান্না ও ঘরের কোন কাজ করতে দেয় নি,বাহিরের থেকে খাবার এনে খেয়েছে,রাহাত নেশা করেছে ঠিকই কিন্তু বেশি নেশা করে বাসায় আসে নি,,,, রুনা বেগম: বৌমা একটু আসবো??(নুরজাহান এর ঘরের সামনে দাড়িয়ে বললো). নুরজাহান: মা বলার দরকার নাই,আপনে ভিতরে চলে আসুন। রুনা বেগম: কি করছো বৌমা?? নুরজাহান: মা একটু হাদিস পরছিলাম,,কিছু বলবেন মা?? রুনা বেগম: হ্যাঁ! কিছু বলতে চাই,,আচ্ছা বৌমা রাহাত তোমার সাথে এখন আর খারাপ ব্যবহার বা তোমার গায়ে হাত তুলে না তো?? নুরজাহান: না মা সে আমার গায়ে হাত ও আমর সাথে খারাপ ব্যবহার করে না। রুনা বেগম: আজ শুনে খুশি হলাম,,আচ্ছা তুমি পড়ো আমি যায় তাহলে?? নুরজাহান: হুমম। রাতে.... রাহাত আজ আগের মতো ড্রিংক করে বাসায় ফিরেসে।রুমে এসে বিছানায় শুয়ে পড়লো,,নুরজাহান এসে বললো,,,, নুরজাহান: প্রিয় স্বামী আপনার খাবর বেড়ে রেখেছি।হাত মুখ দুয়ে খানা খেতে আসেন?(মৃদ স্বুরে). রাহাত: তুই যা এখান খেকে,আমার ক্ষিদে নেই আমি খাবো না, (শোয়ে চোখ বন্ধ করে বললো). নুরজাহান: প্রিয় স্বামী আপনে এবাবে যদি রাতে না খেয়ে ঘুমান ,তাহলে আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে,,আপনে যদি বলেন তাহলে আমি আপনাকে খাবার খাওয়ে দেই??(মৃদ স্বুরে).. ঠসস ঠাসস.... রাহাত শোয়া থেকে ওঠে নুরজাহান এর গালে দুইটা থাপ্পর মারলো,,,, রাহাত: তোকে কে বলেছে আমাকে খাওয়ে দিতে,,৪-৫দিন ভালো ব্যবহার করেছি তার জন্য মাথায় ওঠে গেসিছ,এটা ভাবিস না ভালো ব্যবহার করলেই আমি তোকে মেনে নিয়েছি,,আরে ভালো ব্যবহার তো কুকুরের সাথেই করি,তাহলে কি তাকেও কোলে করে নিয়ে নাচতে হবে,,লিমিট মতো থাক,,লিমিট ক্রস করিস না,তার পরিনাম ভালো হবে না,,যা আমার সামনে থেকে,(রাগি কন্ঠে বললো).. নুরজাহান গালে হাত দিয়ে নিচের দিক তাকিয়ে কথা গুগা শুনছিল,,রাহাত এর কথার কোন উওর দিল না,শুধু চোখ দিয়ে পানি পড়তে লাগলো,,রাহাত এটা বলে ঘুমিয়ে পড়ে,, নুরজাহান রাহাত এর সমনে থেকে চলে এসে ওজু করে তাহাজ্জুদ এর নামাজ আদায় করে,নামাজ শেষ করে মোনাজাত দরে আল্লাহ্ কাছে বলে,,,,, হে মহান আল্লাহ্,,,, আমার কোন রাগ নেয় আমার প্রিয় স্বামীর উপর,তুমি আমার এই কষ্ট ও চোখের পানির বিনিময় আমার স্বামী কে ভালো পথে ফিরিয়ে এনে দাও,আমি চাই ও ভালো পথে ফিরে আসুক,আমার প্রিয় স্বামী যেনো ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে,তার মা-বাবার কথা ঠিক মতো শুনে,তুমি আমার স্বামীকে ভালো পথে ফিরিয়ে এনে দেও,আমার প্রিয় স্বামী হায়াত তুমি ভাড়িয়ে দেও আল্লাহ্,,তুমি আমার স্বামী কে হেদায়েত দান কর আল্লাহ্,, হেদায়েত দান কর আল্লাহ্,, আল্লাহ্ হুম্মা আমিন,,(মনে মনে). নামাজ শেষ করে ঘুমাতে চলে গেল,,ফজরের আজান শুনে ঘুম থেকে ওঠে গেল এবং রাহাত কেও নামাজ পড়তে ডাক দিল,,রাহাত নামাজ পড়তে ওঠে নি বরং রাগ নিয়ে নুরজাহান কে গালাগালি করে ও গালে দুইটা চড় দেয়,,এবাবে নুরজাহান প্রতিটা অত্যাচার শয্য করতে থাকে রাহাত এর। এবাবেই চলতে চলতে এক মাস কেটে যায়, হঠাৎ একদিন রাত ২টার সময় খবর আসে রাহাত রাতে ড্রিংক করে গাড়ি চালাচ্ছিল,আর একটা ট্রাক এসে রাহাত এর গাড়ির সাথে ধাক্কা লাগে,,রাহাত এর accident হয়ে যায়,,রাহাত এর দেহ গাড়ি থেকে বের করে কিছু লোক ধরা-ধরি করে হাসপাতালে নিয়ে যায়,,ওরা সবাই হাতপাতালে এসে দেখে রাহাত ICU তে আছে,,ডাক্তার ওদের কে বলে হাতে ও পায়ে বেশি ব্যাথা পেয়েছে,,আর ডান পা টা ভেঙে গেছে,,এই কথা শুনে রুনা বেগম,রিনা কান্নায় ভেঙে পড়ে,,,, নুরজাহান: মা,রিনা দয়া করে কাঁদবেন না,আল্লাহ্ উপর ভরশা রাখুন দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে,,(কান্না জড়িতো কন্ঠে). রুনা বেগম: কি থেকে কি হয়ে গেল রে মা,,আমার ছেলেটা কেন যে আমাদের কথা শুনে না,,(কান্না কন্ঠে). মাছুম খান: আহা কান্না থামাও রুনা,,এটা তোমার ছেলের আল্লাহ্ দেওয়া একটা শাস্তি,,সেটা তো ভোগ করতেই হবে,(করুন কন্ঠে).. নুরজাহান: বাবা,মা আপনারা বাসায় চলে যান,আমি আর রিনা এখানে থাকি,,(কান্না জড়িত কন্ঠে). মাছুম খান:কিন্তু মা,তোমরা দুই জন মেয়ে,,,,(রিনা থামিয়ে দেয়). রিনা: বাবা আমি আছি তো,তুমি মম কে নিয়ে বাসায় যাও,,এখানে থাকলে মম ভাইয়ার জন্য টেনশন করতে করতে পেশার ওঠে যাবে,,?? মাছুম খান: আচ্ছা ঠিক আছে,,আমি যাবো না জালাল(ড্রাইবার) কে বলে তোর মম কে বাসায় পাঠিয়ে দিচ্ছি?? নুরজাহান:সেটাই ভালো হবে বাবা। মাছুম খান রুনা বেগম কে বাসায় পাঠিয়ে দেয়,মাছুম খান, নুরজাহান ও‌ রিনা ICU এর পাছের সিটে বসে ছিল,ডাক্তার icu থেকে বের হয়ে বললো,,,, ডাক্তার: রুগিকে বেড এ দেওয়া হয়েছে আপনারা চাইলে তাকে দেখতে পারেন,তবে হ্যাঁ বেশি কথা বলবেন না? ডাক্তার এটা বলেই চলে যায়,নুরজাহান, মাছুম খান, রিনা রাহাত কে যেই রুনে রাখা হয়েছে সেখানে যায়,সেখানে গিয়ে দেখে রাহাত এর হাতে পায়ে ব্যান্ডেজ করা ও হাতে স্যালাইন লাগানো,নুরজাহান এটা দেখে কান্না ধরে রাখতে পারে না,নিরবে কেঁদেয় যাচ্ছে,,,রাতটা কোন রকম পার হয়ে সকাল হল। রাহাত এর এখনো জ্ঞান ফিরে নি,,এটা দেখে সবাই আরো টেনশন এ পড়ে গেল,,ডাক্তার বলেছে রুগি প্রচুর নেশা করেছিল ,তাই জ্ঞান ফিরতে দেরি হবে,,নুরজাহান জায়নামাজে বসে কেঁদেয় যাচ্ছে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়ে,,রাত ৪টার রাহাত এর জ্ঞান ফিরে,আস্তে করে পিটপিট করে চোখ খুলে তাকিয়ে দেখে চারদিকটা,রাহাত বুঝতে পেরেছে ও এখন কোথায় আছে,,হঠাৎ করেই রাহাত এর কানে কান্নার আওয়াজ শুনতে পায়,,রাহাত একটু নড়েচড়ে ওঠলো দেখার জন্য কে কান্না করছে দেখার জন্য,,,, রাহাত: জ্ঞান ফিরে আসার পর দেখলাম আমি হাশপাতালে,,সেই রাতে আমার accident হয়ে ছিল,,কিন্তু সবাই কোথায় কাউ কেই তো দেখতে পাচ্ছি না,,হঠাৎ করেই আমার কানে কান্নার আওয়াজ আসলো,আমি নড়াচড়া করে লাগলাম কিন্তু দেখতেও পারছি না,,গারটা একটু গুরিয়ে দেখলাম,,কালো বোরখা পড়া একটা মেয়ে জায়নামাজে বসে মোনাজাত দরে কান্না করছে,,আমার বুঝতে আর বাকি থাকে না এটা কে,,কান্না করতে করতে হেচকি ওঠে গেছে তারপর ও থামছে না,,আজ আমি এইটুকু বুঝতে পেরেছি নূর আমাকে খুব ভালোবাসে,,আমার কাছে খারাপ লাগতে শুরু করলো ওর কান্না দেখে,,আমি আস্তে করে নূর কে ডাক দিলাম,,,ন,,,নূর,,(কাপা কাপা কন্ঠে). নুরজাহান রাহাত এর ডাক শুনতে পেয়েছে তাই তাড়াতাড়ি মোনাজাত শেষ করে চোখ মুছে দৌড়িয়ে রাহাত এর কাছে আসে,,,,, নুরজাহান: আপনার এখন কেমন লাগছে?? আপনার কোথায় ব্যাথা হচ্ছে বলেন ,ডাক্তার কে ডাক দিবো,, বাবা,রিনা তার জ্ঞান ফিরেছে,,,বলেন না প্রিয় স্বামী আপনার কোথায় ব্যাথা হচ্ছে,, (উত্তজিতো হয়ে বললো) রাহাত: আমার কাছে এসে পাগলের মতো বলতে লাগলো,,আমর মনে হচ্ছে ব্যাথা আমি না নূর এই পেয়েছে,,নূর এর দিকে তাকিয়ে দেখলাম,কান্না করতে করতে চোখ মুখ ফুলিয়ে ফেলেছে,মূখটাও শুকনা দেখাচ্ছে মনে হয় ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া করে নি,,আমি ওর কাথার উওর না দিয়ে এক ধ্যানে ওর দিকে তাকিয়ে রইলাম,,!! মাছুম খান: রাহাত এখন কেমন লাগছে তোমার??(মৃদ স্বুরে). রাহাত: ভালো লাগসে ড্যাড, মম কোথায়? রিনা: মম বাসায় গেছে,,তর টেনশনে এএ পেশার ভেড়ে গেছে তাই বাসায় পাঠিয়ে দিয়েছি?? রাহাত: আমি এখানে কইদিন ধরে আছি?? মাছুম খান: ২দিন ধরে আছো,আর এখন তোমার জ্ঞান ফিরেছে,,আচ্ছা আমি ডাক্তার কে ডাক দিয়ে নিয়ে আসি,,আর বৌমা তুমি এখন কিছু খেয়ে নেয়,,কাল থেকে তুমি কিছুই খাও নি,,রিনা বৌমা কে খাবার দে?? রাহাত এর এই কথা শুনে একটু অবাক হল,, নুরজাহান: হ্যা খাবো বাবা,আপনে ডাক্তার কে ডাক দিয়ে নিয়ে আসেন। মাছুম খান: হুমমম। রিনা: আসো ভাবি খাবার খেয়ে নেও। নুরজাহান: দাড়াও আসছি,আমি আগে নামাজ পড়ে নেই তারপর? রিনা: পরে পড়ো আগে খাবার খেয়ে নেও? নুরজাহান: না রিন আমি,,,,(রাহাত থামিয়ে দেয়). রাহাত: নূর আগে খাবার খাও,তারপর নামাজ পড়বে যাও?(আস্তে করে গম্ভীর স্বুরে বললো). নুরজাহান: আচ্ছা,,প্রিয় স্বামী আপনার কিছু লাগবে ?? রাহাত: না?? নুরজাহান খাবার খেয়ে নামাজ পড়ে নিল ও আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করলো,,,দেখতে দেখতে কেটে গেল আরো ২সপ্তা,রাহাত এখন মোটামোটি সুস্থ তাই ডাক্তার বাসায় নিয়ে যেতে বলেছে,তবে ঠিক মতো হাটতে পারে না,ডাক্তার বলেছে ভালো করে পায়ের যন্ত নিলে তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে যাবে এবং হাটতেও পারবে,,বাসায় নিয়ে আসার পর নুরজাহান রাহাত এর অনেক সেবা-যত্ন করতে থাকে, খাওয়ে দেওয়া হতে শুরু করে সব কাজ করে দিতো রাহাত এর,,আর রাহাত নুরজাহান এর এই রকম কের্য়ানেস দেখে অবাক হতো,,,, রাহাত: নূর আমি চাই তোমাকে দুরে সরাতে কিন্তু তুমি ততই আমার সেবা-যন্ত করতে আমার কাছে ছুটে আসো,,আমি অবাক হয় তোমাকে দেখে ,এতো অপমার করি গালাগালি করি তোমার গায়ে হাত ও তুলি তারপর কেন তুমি আমাকে এতোটা ভালোবাসো,আমি যে তোমার মায়াতে পড়ে যাচ্ছি নূর,,(নূর রাহাত কে সুপ খাওয়ে দিচ্ছিলো, রাহাত নূর এর দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে মনে মনে কথা গুলা বললো). নুরজাহান: প্রিয় স্বামী আপনার খাওয়া শেষ, এখন আপনে শুয়ে পড়েন?(এটা বলে রাহাত কে শোয়িয়ে দিল, রাহাত বাচ্চা দের মতো নূর এর কথা মতো শুনে শুয়ে পড়লো).. এবাবেই রাহাতের সেবা-যন্ত করতে থাকলো নুরজাহান,,আরো এক মাস পার ওহে গেল,,এই এক মাসে রাহাত প্রদিন সকালে নূর এর মিষ্টি কন্ঠে কোরআন তিলাওয়াত শুনে ঘুম ভাঙতো। রাহাত ও সকালে ওঠে শুয়ে শুয়ে নূর এর কোরআন তিলাওয়াত শুনতো নূর এর প্রতিটা কাজ এ রাহাত মুগ্ধ হয়,এখন নূর কে কাছ থেকে দেখছে তাই,রাহাত আস্তে আস্তে নূর এর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে। রাহাত এর পা বেশি ভালো না হলেও অনেকটায় ভালো হয়েছে ,লাঠি বর দিয়ে হাটে রাহাত। একদিন নূর হঠাৎ করেই মাথা ঘুরিয়ে পড়ে যায়। সবাই এটা দেখে খুব চিন্তিত হয়ে যায়,,মাছুম খান

F@Foysal

গল্পটা পরলে কান্না আসবে,,, ♦♦গল্পটা পরলে কান্না আসবে,,,,♦♦ -------পাগলীটা আমাকে জড়িয়ে ধরে খুব কান্না করছিলো আর বলছিল, আমার কিচ্ছু চাই না, শুধু একটু ভালোবেসো তাহলেই চলবে। আমি : - আচ্ছা ঠিক আছে অনেক ভালোবাসবো তোমায়, এখন বাসায় যাও, রাত হয়ে এলো। তাহলে একবার ভালোবাসি বলো। আমি : হ্যা, অনেক ভালোবাসি তাহলে আমার কপালে একটা চুমু দাও। (আমি ওর কপালে ছোট্ট করে একটা চুমু দিলাম) আমি :- হইছে,,,? এবার যাও.... ---- আচ্ছা যাচ্চি আর আমার ফোনটা আজ রাতের জন্য নিয়ে যাও, কালকে তোমাকে একটা নতুন ফোন কিনে দেব..... যাও কোথাও দেরী করবে না কিন্তুু সোজা মেসে চলে যাবে, বেশী রাত জাগবে না,,,,,, আমি : - আচ্ছা,,,,, ( তাকে বিদায় দিয়ে আবার রওনা হলাম আমার ঠিকানায়) ,, পরের দিন,,,,অনেকবার মানা করার পরও ও আমাকে একটা ফোন কিনে দিলো, সাথে অনেক জায়গায় ঘুরালো। পাগলীটা যখন আমার সাথে পার্কে বসে আইসক্রিম খাচ্ছিলো, তখন ওকে খুব খুশি দেখাচ্ছিলো, ( মনে মনে ভাবলাম, এতক্ষন হয়তো অন্য প্রমিকারা হয়তো রেষ্টুরেন্টের দামি খাবার খাচ্ছে) আসলেই মেয়েটা অন্যরকম, আমার প্রতি ওর তেমন কোনো চাওয়া পাওয়া নেই, একটাই চাওয়া অনেক ভালোবাসতে হবে। হ্যা আমি ওকে আমার জীবনের থেকেও বেশী ভালোবাসি। ,,, ,,, রাত ১১টা ৪৫ মিনিট,,, হঠাৎ মিমের ফোন, রিসিভ করলাম, ---- খেয়েছ? আমি :- হ্যা, খেয়েছি, তুমি? --- খেয়েছি, আজ একটু আমার বাড়ির নিচে আসবে তোমাকে দেখতে খুব ইচ্ছে করছে, আমি : -আচ্ছা একটু wait করো, যাচ্ছি। ( মহারানীর হুকুম কি আর করবো?) গিয়ে দেখি পাগলীটা বেলকুনিতে দাড়িয়ে আছে, আমাকে দেখে মুসকি হাসি দিলো, ---রাগ করেছো, কি করবো বলো তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করলে আমি কি করবো? আমার তো ঘুমই আসছিল"""""""""''না, তোমাকে দেখলাম এখন ঘুম আসবে, ঠিক আছে সোনা এখন যাও, আর হ্যা, গিয়েই ঘুমিয়ে পড়বে, বেশী রাত জাগবে না। আমি : -আচ্ছা ঠিক আছে, শুভ রাত্রী। ( এভাবেই কেটে যাচ্ছিল আমাদের ভালবাসার দিন গুলো, অনেক সুখী ছিলাম আমরা) ,, ,, হঠাৎ একদিন মিম অসুস্থ হয়ে পড়লো, আজ তিনদিন হলো ওর সাথে দেখা হয় নি, কথাও হয় নি, ( ফোন দিলে ওর মা রিসিভ করে, আমাদের সম্পর্কের কথা ওর মা বাবা কেউ জানতো না) মিম হাসপাতালে ছিল, ওর এক বান্ধবীর সহযোগিতায় তিনদিন পর ওকে দেখার সৌভাগ্য হলো, কিন্তুু কথা বলার ভাগ্যটুকু হয় নি, ও তখন ঘুমিয়েছিল, জানালার বাইরে থেকে দেখলাম,পাগলীটাকে দেখে বুকের মধ্যে কেমন জানি মোচড় দিয়ে উঠলো, চোখ মুখ কালো হয়ে গেছে, অনেক শুকিয়ে গেছে মেয়েটা, খুব কষ্ট লাগছিল ওকে দেখে, ইচ্ছে করছিল ওর কপালে আলতো করে একটা চুমু দিতে, খুব ইচ্ছে করছিল ওকে জড়িয়ে ধরে আদর করে শান্তনা দিতে, সব ঠিক হয়ে যাবে.... কিন্তুু ভেতরে যাওয়ার সাহস পাইনি, ওর মা ছিল, ( কি পরিচয়ে ওকে দেখতে ভেতরে যাবো, তাছাড়া পাগলীটা আমাকে দেখলেই পাগলামী শুরু করে দেবে) এক নজর দেখে মেসে চলে আসলাম। ওকে দেখার পর থেকে কেমন যেন অস্থির অস্থির লাগছিল, মনে হচ্ছিল কি যেন হারিয়ে ফেলছি আমি, রাতে গলা দিয়ে কিছু নামলো না, শুয়ে পড়লাম, অনেক রাত পার হয়ে গেল, দুচোখের পাতা এক করতে পারছি না। খুব টেনশন হচ্ছে ওর জন্য, সারারাত আল্লাহকে ডাকলাম, --- আল্লাহ্ তুমি ওকে সুস্থ করে দাও, ওকে পাওয়া আমার শত জনমের ভাগ্য, ওর মতো করে আমাকে আর কেউ ভালোবাসবে না। ও আমার কাছ থেকে হারিয়ে গেলে আমি নিজেকেই হারিয়ে ফেলবো, প্লিজ আল্লাহ্ আমার সারাজীবনের ভাল কাজের বিনিময়ে তুমি ওকে সুস্থ করে দাও.... ভোর বেলার দিকে চোখের পাতাগুলো ভারি হয়ে আসলো, সকাল ৭ টায় ঘুম থেকে উঠলাম, তাড়াতাড়ি করে ফ্রেশ হয়ে নিলাম। না খেয়েই হাসপাতালের দিকে রওনা হলাম। গিয়ে আবার সেই জানালার পাশে দাড়ালাম, কিন্তুু ওকে দেখলাম না, বেডটা খালি পড়েছিল... বুকটা ধক ধক করে উঠলো, সারা হাসপাতাল খুজলাম পাগলীটাকে, পেলাম না.... পরে এক ডাক্তারের কাছে জানতে পারলাম, আজ ভোরবেলা মিম আমাকে চির একা করে, স্বার্থপরের মত তার আসল ঠিকানায় চলে গেছে, তার নাকি ক্যান্সার ছিল........ ,, সারাদিন কিভাবে ছিলাম আমার মনে নেই, পাগলের মত কেদেছি সারাদিন, আমার বুদ্ধির পর থেকে আমি যা চেয়েছি, তা কখনই পাইনি। ভেবেছিলাম সব কিছুর বিনিময়ে আল্লাহ আমাকে মিমকে দিয়েছে, আমার আর কিছু চাই না। কিন্তুু আল্লাহ যে এভাবে আমাকে নিঃস্ব করে দিয়ে মিমকেও কেড়ে নেবে কখনই ভাবিনি,,, তার মারা যাওয়াটা আমি মেনে নিতে পারিনি। ,, ,, বিকেলে মিমের জানাযার হবে, জানাযায় গেলাম কিন্তুু ওকে শেষ বারের মত দুচোখ ভরে দেখার সুযোগটাও আল্লাহ আমাকে করে দিলো না। ওর কবরে তিন মুঠো মাটি দিয়ে, সেই পরিচিত জায়গা দিঘির পাড়ে গেলাম, এখানেই আমরা প্রতি শুক্রবার বসে গল্প করতাম, গত শুক্রবারেও আমরা এখানে বসে সময় কাটিয়েছি। বাদামের খোসা গুলো এখনও পড়ে আছে, প্রতিটি খোসাতে ছিল মিমের হাতের স্পর্শ, খুব কান্না পাচ্ছিল আমার, খুব... হাতে কয়েকটা বাদামের খোসা নিয়ে, মেসের পথে রওনা হলাম.... আজকে কেন জানি চেনা রাস্তাগুলো অচেনা মনে হচ্ছে, কিছুক্ষন হাটার পর আর ধাপ ফেলতে পারছি না, খুব কষ্টে করে হেটে চলেছি, হাটছি আর পাগলীটার স্মৃতিগুলো মনে করে কাদছি, বুকের বাম পাশে অজানা এক তীব্র ব্যাথা, সন্ধার পর মেসের ছাদে উঠে আকাশের দিকে মুখ করে মৃত মানুষের মত নিজেকে এলিয়ে দিলাম, ,, চলে গেলাম ভাবনার জগতে, আজকের পর থেকে আর কেউ আমাকে মাঝরাতে ফোন দিয়ে বলবে না, একটু আমার বাসার নিচে আসবে? তোমাকে দেখতে খুব ইচ্ছে করছে। সারারাত জেগে থাকলেও কেউ বলবে না, তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ো কিন্তুু..... আর কেউ বলবে না, আমার কপালে একটা চুমু দেবে, কোনোদিন হয়তো আর কারো মুখ থেকে শুনতে পাবো না, আমাকে একটু জড়িয়ে ধরবে......? শরীরের কোন অঙ্গই যেন কাজ করছে না, হয়তো তারাও মিমের জন্য শোকাহত, ,, কোথাও যেন শুনেছিলাম, মানুষ মরে গেলে নাকি আকাশের তারা হয়ে যায়, মিটিমিটি চোখে আকাশের দিকে তাকালাম, দেখি আকাশে তারার মেলা। """আমি সেই লক্ষ কোটি তারার মাঝে আমার পাগলীটাকে খুজতে থাকি........""" কিন্তু আপসোস এমন করে কে ভালোবাসবে আমায়।

F@Foysal

সিনিয়র আপুর ভালবাসা সিনিয়র আপুর রোমান্টিক ভালোবাসা পার্বঃ ৬ 🍃 কখন যে ঘুমিয়ে গেছি মনে নাই মসজিদ থেকে আশা মুয়াজিমের আজান শুনে ঘুম ভাঙ্গলো। ঘুম থেকে উঠে ওযু করে মসজিদে গেলাম নামাজ পড়তে. নামাজ শেষে একটু হাদিসের বই পড়লাম, এর পরে বাসাই আসলাম এসে আবার একটা ঘুম দিলাম, কতোক্ষণ ঘুমিয়েছি জানিনা এর মধ্যে ছোটো বোনটা আমাকে ডাক দিয়ে ঘুম থেকে তুললো, (আমি) কিরে পাগলি বোনটা আমার সকাল সকাল ডাকছিস কেনো? আজ আমার কলেজ নাই তো.তাও ডাকছিস কেন? কি হয়েছে বল! (খুশি) ভায়া মা তোকে ডাকছে নাস্তা করার জন্যে, তাড়া তাড়ি আয় আর এখন সকাল 9টা বাজে বুঝলি? (আমি) কি 9টা বেজে গেছে আগে বলবিতো আমায়, চল তাড়াতাড়ি চল, তার পরে আমি টিবওয়েল থেকে ফ্রেস হয়ে এলাম মা কিছু খাবার খেতে দিলো তা খেয়ের বেরিয়ে পড়লাম, শাওনের সাথে দেখা করা কথা ছিলো সকাল 10টাই তাই । একটা রিকশাই চড়ে চলে এলাম নদির ধারে, রিকশা থেকে নেমে ভাড়াটা দিলাম, একটু দুরে যেতেই শাওনকে দেখতে পেলাম,আসসালামু আলাইকুম বন্ধু কেমন আছিস তুই? (শাওন) আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি রে বন্ধু তুই কেমন আছিস? আর কালকে রেজাল্ট দিয়ার পরে তুই কোথাই হরিয়ে গেছিলি আমার সাথে দেখা করিলি না কেন? (আমি) আমিও ভালোই আছি বাট কল তোর সাথে দেখা করেই আসতাম রে, একটা কারণে পারিনি Sorry বন্ধু, (শাওন) কেন রে বন্ধু কি হয়েছিলো কালকে? (তার পরে শাওনকে আমি কালকে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা খুলে বললাম) এখন তুই বল আমি কি করবো, সাদিয়া কেনো আমার সাথে এমন করে? (শাওন) আরে ব্যাটা তুই এখনো এটাই বুঝতে পারলিনা সাদিয়া তোকে ভালোবাসে যার কারণে তোকে কোনো মেয়ের সাথে মিশতে দেয়না, সব সময় চখের আগে রাখে ও চায়না যে তুই কোথাও হারিয়ে যাস, ও তোকে খুব বেশি ভালোবেসে ফেলছে যার কারণে তোকে কোনো মেয়ের সাথে কথা বলতে দেখলে শজ্জো করতে পারে না বুঝলি? (আমি) ও কেনো আমাকে ভালোবাসতে যাবে রে আমিতো একটা গরিব ঘরের ছেলে, যদিও ভালোবাসে তা হলেতো ওর বাবা মেনে নিবেন না (শাওন) আরে পাগল ভালোবাসা ধনি গরিব দেখেনা ভালোবাসতে ভালো একটা মন লাগে, আর সাদিয়া যদি তোকে মন থেকেই ভালোবাসে তা হলে যে করেই হোক ও তোর কাছেই আসবে, এবার ওর সাথে দেখা হলে তুই আগে Propose করবি ঠিক আছে? কারণ মেয়েদের বুক ফাটবে তাও মুখ ফুটবেনা, তাদের লজ্জাটা একটু বেশি ছেলেদের চাইতে। (আমি) কিন্তু আমি যে বিয়ের আগে প্রেম করবোনা, (শাওন) তাহলেতুই সরা সরি বিয়ের কথা বলবি সাদিয়াকে, তার পর দেখ কি উত্তর দেয় সাদিয়া (ওদিকে সাদিয়া তার মা বাবাকে নিয়ে আমাদের বাসাই আসে বিয়ের কথা বলতে) (সাদিয়া) আনটি দরজাটা খুলেন আমি সাদিয়া বলছি, (ওহ আপনাদের তো বলাই হয়নি যে সাদিয়া এর আগে আমার সাথে একবার আমাদের বাসাই এসেছিল, আমার বন্ধু পরিচয় দিয়ে) তার পরে আমার মা দরজা খুলে দিলো. (মা) আরে সাদিয়া যে আসো মা ভিতরে আসো, আর ইনারা কে মা তোমার সাথে? (সাদিয়া) আনটি ইনারাই আমার মা বাবা. এর পর আমার মা তাদেরকে বাসার ভিতরে নিয়ে গিয়ে বোসতে দিলেনএকটু পরেই আমার বাবা আসলেন তাদের কছে। (বাবা) আরে আশরাফ ভাই যে আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন আপনি? ( আমার বাবা সাদিয়ার বাবাকে চিনেন, কারণ সাদিয়ার বাবা একদিন তাদের Car চালানোর সময় রাস্তাই Accident করেন, আর সেই সময় আমার বাবা বাজার করে ওই রাস্তা দিয়েই বাসাই আসছিল, আর সাদিয়ার বাবাকে রাস্তাই পড়ে থাকতে দেখে Hospital নিয়ে গেছিল সেদিন বেশি কিছু হয়নি সাদিয়ার বাবার অল্প একটু আঘাত লেগেছিল তার পর থেকে একটু পরিচয়) (আশরাফ খান) ওয়ালাইকুম আসসালাম. আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি ভাই আর এইটা তোমার বাসা নাকি? (বাবা) হ্যা ভাই এটাই আমার বাসা তা কি মনে করে এই গিবের বাসাই আসলেন আপনি? (আশরাফ খান)আমি যানতাম না যে এটা তোমার বাসা, আর তোমার একটা ছেলেও আছে, জানলে তো আরো আগেই আসতাম, আমার আসার কারণ পারিবারিক দরকার আছে তাই আসলাম রে ভাই, দেখি তোমার সাথে আরো ভালো করে সর্ম্পক করা যাই কিনা! আর তোমার যে একটা ছেলে আছে আগে কখনো বলো নিতো (বাবা) আপনার সাথেতো বেসি কথাই হয়না. আর আপনিও সে ভাবে কিছু বলেননি আমারো কিছু বলা হয়নি, আর আপনি তো ব্যাস্ত মানুষ। (সাদিয়া) এক মিনিট দাড়াও বাবা, তুমি অংকেল কে আগে থেকেই চিনো নাকি? (আশরাফ খান) হুম মামনি তোমার আংকেল কে আমি আগে থেকেই চিনি, যানোতো আমি একবার Accident করেছিলাম! আর ইনি আমাকে বাচিয়ে ছিলেন। (সাদিয়া) ওহ তাহলে তো আরো ভালো হলো, তুমি তাড়া তাড়ি আসল কথা বলো, আমি একটু খুশির কাছে গেলাম। (আশরাফ খান) আচ্ছা তুমি যাও আমরা কথা বলছি (বাবা) তো বলেন ভাই এই গরিবের সাথে কি কথা? (আশরাফ খান) ভাই রে আমার এক মাত্রো মেয়ে সাদিয়া, ছোটো থেকেই তার কোনো কথা বা চাওয়াই অপুরন্য রাখিনি, তা আমার মেয়েটা আপনার ছেলেকে নাকি ভালোবাসে আর তাকেই বিয়ে করবে। আমি আর না করতে পারিনি, আপনারা যদি রাজি থাকেন তা হলে ওদের বিয়ের কথা বাতত্রা বলতাম। (বাবা) তা ঠিক আছে ভাই কিন্তু আপনারা এতো বড়োলোক আর আমরা এতো গরিব তা কি করে হয় বলুন, আর আমারছেলে তো এখনো কোনো কিছু করে না, লেখা পড়া করছে, তা হলে কি করে বিয়ে দিবো বলেন? আর কি খাওয়াবে আপনার মেয়েকে? (আশরাফ খান) আরে বিয়াই আপনি এতো চিনকা করছেন কেনো? আমি আছি কেনো! আমি ওর একটা চাকরির ব্যাবস্তা করেদিবো। আপনার চিন্তা করতে হবেনা। (বাবা) আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে তাই হবে, দিন তারিখ ঠিক করা যাক। (হঠাৎ তাদের কথার মাঝে সাদিয়া এসে কথা বলা শুরু করে দেয়) (সাদিয়া) বাবা যতো তাড়াতাড়ি পারো Det fixed করো, আর আংকেল আপনাদের বলছি, এই বিয়ের কথা যেনো কোনো ভাবেই জানতে পারেনা ঠিক আছে? আর বাবা তোমাকে বলছি কালকেই বিয়ের আয়জন করো তুমি ,আমি আর দেরি করতে দিবনা, আর বিয়েটা যেনো শরীয়ত সম্মতো হয়, (আশরাফ খান) আচ্ছা মামনি তোমার কথা মেনে নিলাম, বিয়ে কলকে হবে। (তার পরে সদিয়ারা চলে গেলো) (এদিকে আমি আর শাওন গল্প করছিলাম ) (শাওন) আচ্ছা এখন চল আমার সাথে, তার পরে শাওন আমাকে নিয়ে একটা রেস্তরাই গেলো, সেখানে খাওয়া দাওয়া করলাম. বিলটা শাওনই দিলো, 1500 টাকা বিল হয়েছিল, শাওনকে বিদায় দিলাম, তর পর,,,, ,,,,,চলবে ?

F@Foysal

মিডিলক্লাস →•মিডিলক্লাস•← গার্লফ্রেন্ডের ফোন আসলো ফোনে বললো তাড়াতাড়ি এসো আমি রেস্টুরেন্টে বসে আছি। পকেটে হাত দিয়ে দেখি মাত্র ২০ টাকার একটা নোট আছে। তাই নিরুপায় হয়ে বললাম ক্লাসে আছি এখন যেতে পারবো না। কারণ ২০ টাকা দিয়ে কি হবে গাড়ি ভাড়াও তো হবে না। ~~~ভার্সিটির হল থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় হাঁটছিলাম এমন সময় ভার্সিটির এক ছোট আপুর সাথে দেখা দুটা কথা বলছিলাম। ~~হঠাৎ সামনে আমার গার্লফ্রেন্ড। আমাকে দেখে বললো এই তোর ক্লাস। অনেক কিছু বলে গেলো প্রথম কোন মেয়ের হাতে থাপ্পড় ও খেয়েছিলাম। রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলাম আর মনে মনে বলছিলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের জন্য এইসব প্রেম নামক বিলাসিতা মানাই না। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের সাথে গায়ের ঘাম ঝড়ানো পরিশ্রম মানাই। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের সাথে দামি দামি রেস্টুরেন্টে মানাই না। ~~ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের সাথে পাশের টোং দোকানের নিম্ন মানের খাবার মানাই। আমাদের ডিপার্টমেন্টেরের হলের বড় ভাইরা মিলে ভ্রমনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। আমি বলেছিলাম চাঁদা কত করে ভাই। আমিও যাবো। ~~~ এক ভাই আমাকে হেসে বললো থাক তোর যেতে হবে না তুই দিতে পারবি না। --- পাশের থেকে একজন বললো দেখ ভাই আমার কাছে টাকা ধার চাবি না। আমি দিতে পারবো না। কারণ টাকা ধার দিলে তুই দিতেও পারবি না। """"পরের দিন আমি পকেট থেকে ১০০০ টাকা বাহির করে ভ্রমনে চাঁদা দিয়ে দিই। আর ৫০০ টাকা কাছে ছিল। রেখে দিয়েছিলাম পরে কাজ লাগতে পারে। কিন্তু সেই দিন আমার রুমমেট এর ১৫০০ টাকা হারিয়েছিল। টাকা চুরির দোষ আমার উপর দিয়েছিল। হল থেকে বাহির করে দিয়েছিল। পরে জনতে পেরেছিলাম ওর কোন টাকা হারাই নাই। | | আজকে একটা ছোট খাটো চাকরির ইন্টারভিউ আছে। রুমমেট কে বললাম তোর পারফিউম টা একটু দেতো। রুমমেট বললো তোর তো সু, কোর্ট, টাই কিছুই নেই। এমনিতেই চাকরি হবে না। সবার সব আশা করতে নাই‌। আর আমার পারফিউম এর দাম কত জানিস। ~~একটা শর্ট পেন্ট আর আর স্যান্ডেল পরে ইন্টারভিউ এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। কিন্তু আমাকে ইন্টারভিউ এর রুমে ঢুকতেই দিল না। কারণ অন্য সবার মতো আমার কোর্ট টাই আর সু ছিল না। ~~~পকেট থেকে ১০ টাকা বাহির করে বাদাম কিনে খেতে খেতে চলতে থাকলাম আর ভাবলাম। এদেশে মেধার কোন দাম নাই সবকিছু পোশাক আর টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছে। আজকের দিনটা হয়তো এই দশ টাকার বাদাম খেয়েই চলে যাবে। দিনের সব ক্লান্তি শেষে ছাঁদে এসে বসে আছি। বাসায় মাকে একটু ফোন দিলাম। হ্যলো বাবা কি করিস? ~~এইতো মা ছাদে বসে আছি। খাওয়া দাওয়া করেছিস বাবা? ~~ হ্যাঁ মা খাওয়া দাওয়া করলাম মাত্র। কি দিয়ে খাওয়া দাওয়া করলি বাবা? ~~মাংস দিয়ে খাওয়া দাওয়া করেছি। চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে মনে মনে বললাম যেই ছেলে বাবা মায়ের সাথে কখনো মিথ্যা বলে না আজ সে প্রতিনিয়ত মিথ্যা বলে যাচ্ছে। ~~তোর বাবা অসুস্থ কিছু টাকা পাঠাতে পারবি বাবা। আচ্ছা মা চিন্তা করিও না কাল টাকা পাঠিয়ে দিব। কথা শেষ হতে না হতেই ফোনের ব্যালান্স শেষ। ~~কাল হয়তো বাবার দেওয়া শখের ফোনটা বিক্রি করে দিতে হবে। বাবা অসুস্থ বাসায় যে টাকা পাঠাতে হবে। উপরে আল্লাহ আছে তো এতো বছর যখন চলে আসছি বাকি সময়টা ও আল্লাহ পার করিয়ে দিবে। °°°★🍁সত্য ঘটনা 😊 __

F@Foysal

সিনিয়র বউ৪ গল্পঃ #সিনিয়ার বউ [Love♥Story] পর্ব - ০৪ (চার)💐💐💐💐💐 অবশেষে তিসার বান্ধবির বাড়ি পৌছে গেলাম। গেটের সামনে দেখি তিসার বান্ধবি দাড়িয়ে আছে। -- এসে গেছিস তাহলে,, সেই কখন থেকে ওয়েট করছি। (দিশা তিসাকে বলল) -- এখন বাইরে দাড় করিয়ে রাখবি নাকি। (তিসা) -- ও সরি,,ভেতরে চল। দিশা আমাদের ভিতরে নিয়ে গেল। ভিতরে কিছু মেহমান আছে। বিয়ে তাই মেহেমান আসা শুরু হয়ে গেছে। দিশা আমাদের ছাদে নিয়ে গেল। সেখানে কয়েক জন পুরুষ আর মহিলা বসে আছে। -- মা দেখো কে এসেছে?? (দিশা) -- কে?? ( ওখান কার একজন মহিলা বললো) -- তিসা এসেছে। (মহিলাটি আমাদের দিকে এগিয়ে এল।) -- আরে তিসা এতদিন পর,, দিশার বিয়ে না হলে মনে হয় আসতি না। আমাদের তো আপন ভাবিস না। তাই আগের মত আমাদের বাড়ি আসিস না ভুলেই গেছিস। (দিশার মা) -- আন্টি আসলে সময় হয় নি তাই আসা হয় নি। (তিসা) -- এখন তোকে বেশি প্রয়োজন। তোর বান্ধবির বিয়ে তোকে ছাড়া তো দিশা বিয়ের পিড়িতে বসবে না। আর এটা কে? ( দিশার মা আমাকে দেখিয়ে বলল) বলার সাথে সাথে তিসা মাথা নিচু করলো সম্ভতো লজ্জায়। আর দিশার মা উত্তরের জন্য অপেক্ষা করছে। -- মা তুমি জানার পরেও বেচারিকে কেন লজ্জায় ফেলছো। (দিশা) -- তাহলে এটাই তিসার স্বামী। কিন্তু দেখে তো বাচ্চা মনে হয়। (দিশার মা) -- মা আমি তাহলে ওদের রুম দেখিয়ে দেই। (দিশা) -- আচ্ছা নিয়ে যা। (আন্টি) দিশা আমাদের একটা রুম দেখিয়ে দিয়ে গেল। বলল ফ্রেস হয়ে নিতে। দিশা যেতেই.... -- আমার এখানে আসা ঠিক হয় নি। (আমি) -- কেন?? (তিসা) -- দেখলা না সবার সামনে আন্টি আমাকে বাচ্চা বলল। -- বাচ্চাকে বাচ্চা বলবে না তো কি বলবে?? -- আমি বাচ্চা। -- না তো কি?? -- দাড়াও দেখাচ্ছি এই বাচ্চা কি করতে পারে। তিসার কোমরে হাত দিয়ে টান দিয়ে কাছে আনলাম। আমার ঠোট তার গোলাপী ঠোটের সাথে লাগিয়ে দিলাম। 1 মিনিট পর..... -- ফ্রেস হতে বলেছি প্রেম করতে নয় এটা রাতেও করতে পারবে। (পিছন থেকে কেউ বলল) তাড়াতাড়ি তিসাকে ছেড়ে দিলাম পিছনে তাকিয়ে দেখি দিশা। হাতে একটা ট্রেতে দুই গ্লাস শরবত নিয়ে এসেছে। -- প্রেম করতে চাইলে দরজাটা লাগিয়ে দাও এটা বিয়ে বাড়ি। (দিশা) -- তুই এখানে?? (তিসা) -- মা পাঠিয়েছে,, বলল তোর বান্ধবি আর তার স্বামীর জন্য শরবত নিয়ে যা। অনেক জারনি করে এসেছে তাই ক্লান্ত। কিন্তু এখানে এসে দেখি রোমান্স চলছে। তিসা আমার দিকে রাগি ভাবে তাকালো। আমি তাড়াতাড়ি ফ্রেস হতে বার্থরুমে চলে গেলাম। না হলে আমার উপর দিয়ে ঝড় বয়ে যাবে। কিছুক্ষন পরে বাইরে এলাম। বাইরে এসে দেখি তিসা রাগি ভাব এখনো আছে। -- তোমাকে আমি...(তিসা) -- আরে আমি জানতাম কি তোমার বান্ধুবি চলে আসবে। (আমি) -- দরজা লাগাতে পারলে না। -- মনে ছিল না। - তুমি এখানে দাড়াও,, আমি ফ্রেস হয়ে আসি। তারপর তোমাকে দেখছি। তিসা ফ্রেস হতে চলে গেল। আর আমি রুম থেকে সরে পড়লাম। কারন বাঘের শিকার কেউ হতে চায় না। বাইরে এসে কয়েক জনকে দেখলাম। পুরো বাড়িটাই কাউকে চিনি না। তাই ছাদে গেলাম। ছাদে দাড়িয়ে আকাশ দেখছি। বিকাল হয়ে গেছে। ২ ঘন্টা পরে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। এখন ছাদে কেউ নেই। একা দাড়িয়ে আছি। তিসা থাকতে ভালো হতো। কিন্তু ও যা রেগে আছে। -- কি করছেন?? (পিছন থেকে কেউ বলল) (তাকিয়ে দেখি একটা মেয়ে।) -- আপনি.. (আমি) -- আমি মিম,, দিশা আপুর খালাতো বোন। -- আমি....(কিছু বলতে যাবো তখর তিসা এসে হাজির) -- তোমাকে আমি রুমে থাকতে বললাম না। (তিসা) -- আরে তিসা আপু কেমন আছো?? (মিম) -- ভালো.,, তুমি কেমন আছো?? (তিসা এসে আমার হাত ধরলো) -- ভালো,, কিন্তু উনি কে?? (মিম আমার কথা বলল) -- আমার স্বামী,, ( তিসা) -- তোমার বিয়ে হয়ে গেছে। (মিম) -- হ্যা,, চলো (আমাকে বলল) তিসা আমাকে টানতে-টানতে নিচে নিয়ে এল। রুমে এনে দরজা লাগিয়ে দিল। আমার মনে হল আজ আমি শেষ। -- মেয়েদের সাথে তোমার কি?? (তিসা) -- ওখানে তো একজনেই ছিল তাহলে দের বলছো কেন?? (আমি) -- শুন এটা বিয়ে বাড়ি এখানে অনেক মেয়ে আসবে। ভুল করেও কোন মেয়ের সাথে কথা বলবে না। -- কেন?? -- যা বলছি তাই করবে। -- যদি মেয়েরা আমার সাথে কথা বলতে চায়। -- তাহলেও বলবে না। -- আচ্ছা তাহলে দরজা খুলো। -- মনে থাকে যেন। -- হুম...থাকবে। রাত হয়ে গেল। আমরা ঘুমাতে রুমে এলাম। কারন সকালে অনেক কাজ আছে। তিসার বেস্ট ফ্রেন্ড এর বিয়ে তিসাকে ব্যস্ত থাকতে হবে। রুমে আসার পর.....!! -- তিসা বলছিলাম কি,,? ( আমি) -- কি?? ( তিসা) -- মানে ওই সময় ওটা পূরণ করা হয়নি। মাত্র 1 মিনিট হয়েছিলো। -- কি?? -- মনে নেই তোমার?? -- দাড়াও দেখাছি তোমায়। কাজটা সম্পূর্ণ করলাম। আর বাকি টা ইতিহাস বুঝতেই পারছেন। সকালেঃ -- এই উঠো,, এটা কিন্তু বাড়ি নয় যে পড়ে পড়ে ঘুমাবে। (তিসা) -- তাহলে কি করবো?? -- উঠে ফ্রেস হয়ে নাও। আমি ফ্রেস হয়ে এসে দেখি তিসা রুমে নেই। পড়ে গেলাম বিপদে। কারন বাড়িতে আমি কাউকে চিনিনা। তাই তিসাকে খুজতে লাগলাম। তখন হঠাৎ...... . . To be continue [চলবে] প্রিয় পাঠক গণ এই পর্বটি আপনাদের কাছে কেমন লাগলো জানাবেন। ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমা করবেন। ..........✴✴ধন্যবাদ✴✴....... #পরবর্তী_পর্বের_জন্য_অপেক্ষা_করুন

F@Foysal

বল্টু --ওরে তোরা বল্টুরে কেউ থামা...😂😂 -ইংরেজি পরীক্ষা.....বল্টু মাত্র একটাই রচনা পারত। রচনাটি হলো "My Friend"।🙄 কিন্তু পরীক্ষায় আসলো "My Wife".. এখন সে কিছু ভেবে না পেয়ে Friend এর -জায়গায় Wife লিখে দিল..😂 -যা পড়ে শিক্ষক মহাশয় জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন..😌 কী লিখেছিল বল্টু তার খাতাতে?? . . I am very wifely. I have lots of wife. Some of my wife are male and some are female. My grand father is also my wife. My true wife is my neighbour and i love all my wife..... because, without wife life is impossible..!! 😷😷😷😷😷😷😷 এটা পড়ার পরে আমিও বেহুশ

F@Foysal

বসের মেয়ে যখন বউ১ গল্পের নাম --বসের মেয়ে যখন বউ পর্বঃ১ -- স্যার আপনাকে বস ডাকে??(পিয়ন) -- আপনি যান আমি যাচ্ছি।। আমি হলাম নয়ন আহমেদ ।সবাই নয়ন বলে ডাকে।।বাবা মা আর পিচ্চি বোন গ্রামে থাকে। অনার্স কম্পলিট করে এক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে জব করছি।এই ২ মাস হলো জয়েন করার।এতেই বসের কাছে প্রিয় ক্যারেকটার হয়ে গেলাম।আমার কাজের জন্য বস আমার উপর অনেক ভরসা করেন।। এতক্ষন নিজের ডেস্কে বসে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল চেক করছিলাম।তখনি তো বসের ডাক পরল।।যাই এখন বসের কাছে। বসের কেবিনের সামনে এসে দরজা একটু ঠেলে, -- আসব স্যার,,? -- হুম নয়ন আস। -- স্যার আমাকে ডেকেছেন,, -- হ্যা।।একটা কাজ আছে।। -- হ্যা স্যার বলুন,, -- যেগুলো ফাইল তোমাকে দিছিলাম সেগুলা তুমি ডিলার দের দিয়ে আসবে।। -- ওকে স্যার।। -- হুম।। আজ অফিসের পর (*******) এই ক্যাফেতে গিয়ে দেখা করে দিয়ে আসবে।। -- ওকে স্যার।। এরপর নিজের ডেস্কে চলে এলাম।।এসে ফাইলের কাজ গুলো করতে লাগলাম। বিকালে বসের কথা মত ফাইলগুলো ডিলারদের দিয়ে আমার ফ্লাটে এলাম।।এসে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া করলাম।।(সকালে রান্না করে রেখে গেছিলাম) খাওয়া করে ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে গেলাম।। আসলে অফিসের কাজের জন্য ক্লান্ত হয়ে গেছি।মাঝে মাঝেই খুব ক্লান্ত লাগে।। পরদিন, সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে রান্না করলাম।।খাওয়া করে চলে গেলাম অফিসে। অফিসে ঢুকার সময় ধাক্কা খেলাম একটা সেই কিউট মেয়ের সাথে।। মেয়েটাকে দেখে তো আমার চোখ কপালে উঠে গেছে।।একদম অপ্সরা।। হঠাত করেই মেয়েটা আমাকে থাপ্পড় মেরে দিল।।আর আমি কল্পনার জগৎ থেকে বাস্তবে ফিরলাম।।আহ এখন গাল টা জ্বলতেছে।। -- এই আমাকে মারলেন কেন?? -- দেখে চলতে পারিশ না ফকিরের বাচ্চা।। আরে আজব মেয়ে তো।।ধাক্কা লাগল ভুল বসত আর উনি আমাকে এত বড় একটা গালি দিয়ে দিল।। -- আমাকে কি ফকির মনে হয়??(রেগে) -- না না, আপনাকে ফকিরের চেয়েই বড় ফকির মনে হয়।। -- আজব মেয়ে তো।।আমি কি ইচ্ছা করে ধাকা দিছি নাকি যে আমাকে এত কথা শুনাচ্ছেন।। -- এসব আমার জানা আছে।।তোদের মত লুচ্চা ছেলেরা মেয়ে দেখলেই গায়ে পরে।। -- এবার আপনি কিন্তু আমাকে অপমান করছেন, -- তা এতক্ষন কি সন্মান করছিলাম নাকি?? -- ধুর যত প্রকার ফালতু মাইয়া।।আপনার সাথে কুকুরও কথা বলবে না।।মুখে কোনো মধু নাই।। বলে আর কিছু না শুনে সোজা অফিসের ভেতর। এসে নিজ কেবিনে কাজ করছিলাম।।ম্যানেজার স্যার ২ টা ফাইল দিছে।।সেগুলাই দেখছিলাম।।হঠাৎ বসের ডাক পরল,, আমি বসের কেবিনে,, -- আসব স্যার,,? -- হুম আসো।। আমি ভেতরে গিয়ে তো থ হয়ে গেছি।। আরে এই মেয়েটা এখানে কেন?? -- কালকের কাজটা কি ভাল ভাবে হয়েছে ?? -- জ্বি স্যার।। -- হুম বস।। -- ধন্যবাদ স্যার।। -- এ হচ্ছে আমার মেয়ে রাখি,, ও তার মানে মেয়েটা বসের মেয়ে।।হায় হায় এখন আমার কি হবে??তখন যে কান্ডটাই না হলো এখন যদি কিছু করে।। ভয় লাগতেছে প্রচুর, তখনি,, -- হেলো,, মি.নয়ন আমি হঠাৎ রাখির গলা শুনে হকচকিয়ে, -- হেলো হেলো,, আমি দেখলাম রাখি রাগী চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে, আর আমার ভয় পাওয়া দেখে মুচকি হাসছে।। এরপর আর কিছু না বলে নিজের ডেস্কে এসে কাজে মনযোগ দিলাম।। দুপুরে লান্স করে এসে আবার কাজে মনযোগ দিলাম।।একটু পরেই খেয়াল করলাম রাখি আমার দিকে আসছে।। রাখি সোজা আমার ডেস্কের সামনে এল।।আমি দাড়িয়ে পরলাম।।ওমনি,, -- সকালে কি বলেছিলি আমার সাথে কুকুরও কথা বলবে না,,আমাকে অপমান করা,, এবার তোর বারোটা বাজাবো আমি।। আমি এমন কথা ভয় পেয়ে গেলাম।।কি না কি করে আবার এই মেয়েটা।। -- কি কি করবেন??(তুতলিয়ে) -- সেটা নাহয় সময়ই বলে দিবে।। বলে চলে গেল।।আমি তো এবার শেষ।। আমি কাজ শেষ করে ফ্লাটে এলাম।।এসে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া করলাম।।সারা রাত ঘুম হলো না।। এই টেনশনে যে,যদি আমার চাকরি চলে যায়।।বাবা মাকে টাকা কিভাবে পাঠাব?? পরদিন,, আগের মত সব কাজ সেরে অফিসে এলাম,, এসে কাজ করছিলাম।। হঠাৎ আমাকে ডেকে বলল,, --নয়ন আমার মেয়ের বিয়ে আগামী ১৫ তারিখ,,আর ৭ দিন পর।।তাই আমি চাচ্ছি তুমি সবকিছু সামলাও।। -- স্যার আমি,!! -- হুম তুমি।। কি বলব ভেবে পাচ্ছি না?? -- ওকে স্যার।। এবার মনে মনে আনন্দ হচ্ছে,,যাক রাখির বিয়ে হয়ে যাচ্ছে।। তাহলে এবার আমার কিছু করবে না।মাথা থেকে যেন টেনশন কমে গেল।। ,,,,,,,,চলবে,,,,,,,, কেমন লাগোলো প্লিজ ভাইয়া/আপুরা জানাবেন। Thanks all

F@Foysal

বৃষ্টিতে ভেজা সেই রাত গল্প :- বৃষ্টিতে ভেজা সেই রাত পর্ব :- ০৯ . . . -: কবু....এতটাই উচ্চারণ করতে পেরেছিলাম তার আগেই.... আদ্রিতাঃ দাড়ান এই বিয়েটা হবে না.. । সেখান কার মানুষ জন গুলো ভুত দেখলে যততটা অবাক হয় তার থেকেও বেশি অবাক হয়েছিলো আদ্রিতার কথাটা শুনে... । । কাজি সাহেবঃ কে আপনি আর এই বিয়েটা হবে কেনো.... । । আদ্রিতাঃ কারণ ওনি আমাকে ভালোবাসেন ওই মেয়েটাকে না আর এই মেয়েটাকে বিয়ে করলে ওনি কোন দিনও সুখে শান্তিতে সংসার করতে পারবেন না... । । নীলার ভাইঃ যখন আপনাকেই ভালোবাসতো তাহলে তো আপনাকেই বিয়ে করার কথা ছিলো আমার বোনকে না কী হয়েছিলো যে এনি আপনাকে বিয়ে না করে নীলাকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে গেছেন.. । । আদ্রিতাঃ সে অনেক বড় ঘন্টা সর্বশেষ কথা হলো এই বিয়েটা হবে মানে হবে না... । । নীলার ভাইঃ আপনি কিন্তু অতিরিক্ত করে ফেলতেছেন..... । । আদ্রিতাঃ আপনি চুপ করুন আর আপনি কেমন মানুষ হ্যা যাকে ভালোবাসেন তাকে ফেলে অন্য একটা মেয়েকে বিয়ে করতে চলে এলেন 😶 । । কাজি সাহেবঃ আপনি চাইলেও এ বিয়ে বন্ধ হওয়া সম্ভব না কারণ অধেক বিয়ে হয়েই গেছে আর এই কাগজে পাএীর সাক্ষর ও হয়েগেছে বাশ এনি সাইন করে দিলে বিয়েটা সম্পুর্ণ হয়ে যাবে... । আদ্রিতাঃ এই কাগজটাই তো বাধা হয়ে দাড়াছে তাই বইটা থেকে কাগজটা ছিড়ে কুচি কুচি ছিড়ে ফেলেদিলাম... । । নীলার ভাইঃ এটা আপনি করলেন পাগল হয়ে গেছেন.... । । আদ্রিতাঃ হ্যা আমি পাগল হয়ে গেছি... । । নীলার বাবাঃ আপনার জন্য আমার মান সম্মান সব মাটিতে মিশে গেলো কে করবে আমার মেয়েটাকে বিয়ে..... । । ঠিক তখনি পিছন থেকে অচেনা কন্ঠে ভেসে এলো আমি করবো বিয়ে. .. । । কে বললো কথাটা তখনি ভিড় থেকে একটা ছেলে বেড়িয়ে আসলো... । ছেলেটাঃ আমি করবো বিয়ে আজ এই মেয়েটা বিয়েটা না বন্ধ করলে আমিই বন্ধ করে দিতাম কেনো আমি নীলাকে ভালোবাসি . । । ছেলেটাঃ অভিমান করে আর বা রাগ করে নীলা আমাকে ছেড়ে চলে এসেছে হয়তো কষ্ট গুলো মুছে ফেলতে এমন একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে.... । । নীলার বাবাঃ কী নীলা তোমাকে ভালোবাসতো আর আমরা কখনো জানতেই পারি নি.... । । নীলার ভাইঃ নীলা এই নীলা বেড় হও ঘর থেকে 😡😡 । । নীলাঃ রুম থেকে বেড় হয়ে কী হয়েছে ভাইয়া ( ভয়ে ভয়ে) । । নীলার ভাইঃ এই ছেলেটা যা বলছে তা কী সত্যি নাকি মিথ্যা.... সত্যি করলে বল । । নীলাঃ 😥😥 হুম সত্যি আমিও ওকে ভালোবাসতাম কিন্তু যখন ওকে বিয়ের কথা বলি ও রাজি হয় নি কারণ ওর কাছে ভালো জব নেই তাই আমার খুব রাগ হয়ে আর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি 😓 । । নীলার বাবাঃ পরিবারের মান সম্মান বাচাতে ওই ছেলেটার সঙ্গেই নীলার বিয়েটা দিয়ে দিলাম😔😔 । । । কিছু খন পরে । । সাঈদঃ গাড়িতে দুজন দুপাশে কারো মুখে একটাও কথা নেই গাড়িটা নিজের গতিতে ছুটে চলেছে... । । আদ্রিতাঃ কথা বলতেছে না কেনো হুম তাই । এই যে মিঃ সাঈদ শুনতে পাচ্ছেন.. । । সাঈদঃ শুনতে পাবো না কেনো আমি কী কানে শুনতে পাইনা যতসব.... । । আদ্রিতাঃ এই রে ওনি তো প্রচন্ড রেগে আছেন এখন কিছু না বলটাই ভালো... । আমি জানি তার রাগ করার কারণটা... । । হয়তো কেউ বলবে নিজের স্বাথের কারণে এমনটা করেছি.. যে যাই বলুক না কেনো যখন ওনাকে ভালোবাসতে পেরেছি তাহলে ওনাকে হারিয়ে যেতে দিবোই বা কেনো... । । সাঈদঃ বিয়েটা ভেঙ্গে গেলো এটা নিয়ে আমার কোনো মাথা ব্যাথাই নেই.. । । তবে এটা ভেবে কষ্ট লাগছে যে এই দিনটায় যদি আব্বু আম্মু থাকতো তাহলে তারা কতটা আনন্দ করতো আফসোস আব্বু এই দিনটা দেখার জন্য বেচেই রইলো না আর আম্মু তো বেচে থেকেও আমার কাছে মৃত্য.. । । সাঈদঃ ড্রাইভার গাড়িটা থামাও... । । ড্রাইভারঃ কেনো স্যার এই জন মানব হীন জায়গায় আপনি কী করবেন... । । সাঈদঃ গাড়ি থামাতে বলছি থামাও ওত কথার উওর নেই আমার কাছে গাড়ি থেকে নেমে যাও সবাই বাড়িতে ফিরে যাও আমি সময় হলে চলে আসবো... । । ড্রাইভারঃ কিন্তু স্যার আপনি আসবেন কীভাবে । । সাঈদঃ গাড়িটা রেখে যাও আর হ্যা তোমরা নীলের গাড়িতে চড়ে বসো আদ্রিতাও আমার সঙ্গে থাকতে চেয়েছিলো কিন্তু না ওকেই পাঠিয়ে দিয়েছি... । । আদ্রিতাঃ ওনার কী এমন হয়েছে যে আমার সাথে এমন করছে . । । নীলঃ ওখান থেকে কিছু দুরে একটা কবর স্থান রয়েছে সাঈদ ওখানে যাবে কেনো না ওই জায়গায় ওর বাবার কবরটা রয়েছে... । । আদ্রিতাঃ ওনার বাবার কী হয়েছিলো... । । নীলঃ আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর আগে সাঈদ ওর আম্মু আব্বু আর সাঈদের আদরের বোন অনু সবাই মিলে ঘুরতে বেড়িয়েছিলো... । । কিন্তু আফসোস ওই দিনটাই ছিলো ওর আব্বু আর বোনের জীবনের শেষ দিন মাঝ রাস্তায় সাঈদের আম্মুর প্রচুর বমি হচ্ছিলো তাই ও আর ওর আম্মু গাড়ি থেকে নিচে নামতেই একটা বড় ট্রাক এসে তাদের গাড়িতে ধাক্কা মারে... । । গাড়িতে তার বোন আর আব্বু ছিলো তারা সেখাই মরা যায় তার পর থেকে যখনি ওদের কথা মনে পড়ে সাঈদ একা একা সেখানে চলে যায়.... । । আদ্রিতাঃ ও আজ মনে হয় ওদের কথা খুব মনে পড়েছিলো... । । সাঈদঃ আব্বু আর অনুর কবরটা পাশাপাশি । ইসস আজ যদি অনু বেচে থাকতো তাহলে কতই না আনন্দ করতো ছোটবেলায় অনু বলতো । । ভাইয়া তোর বিয়েতে আমি খুব নাচবো আর খুব খুব আনন্দ করবো আমার সব বান্ধবীদের দাওয়াত দিবো... । । আজ সেই বোনটা আমার আমার সাত ফিট মাটির নিচে ঘুমিয়ে রয়েছে ভাইয়া বলে ডাক দেওয়ার মতো কেউ নেই.. । । বাবা তুমি খুব স্বার্থ পর কেনো একা রেখে চলে গেলে আমায় মা আমাকেও সাথে নিয়ে যেতে পারতে তুমি জানো আব্বু আম্মু একটুও ভালো না আমি আম্মুকে রেখে চলে এসেছি... । । । সেখানেই কিছু খন বসে ছিলাম বসে থাকতে ভালো লাগেই বাবার কবরের পাশে... । । আজ মনে খুব বৃষ্টি হবে আকাশের অবস্থা ভালো নেই... । । কথাটা বলতে না বলতেই আকাশ বেয়ে বৃষ্টি পড়তে লাগলো সারা শরীরের উপর ঝড় ঝড়র করে বৃষ্টি পড়ছে.... । । মনে হচ্ছে বাবা আমার কষ্ট দেখে কাদতেছে আর এই বৃষ্টিটা তারি চোখের জল... । । সেখান কিছু খন থাকার পর মনে হলো মেয়েটা বাসায় একা রয়েছে বৃষ্টি পড়লে খুব ভয় পায় এখানে বেশি খন থাকাটা ঠিক হবে না... । । আদ্রিতাঃ আকাশটার অবস্থা এত খারাপ না জানি ওনি কোথায় আছেন আর কী অবস্থাই বা আছেন ওনার জন্য খুব চিন্তা হচ্ছিলো এমন সময় বিদ্যুৎ টাও চলে গেলো পুরো রুমটা অন্ধকার প্রচন্ড ভয় লাগতে শুরু করলো বৃষ্টি পড়লে আমরা এমনিতে ভয় লাগে.. । বজ্রপাতের আলোয় আবছা আবছা করে দেখতে পাচ্ছি কেউ রুমে এসেছে আমি শিওর ওটা ওনিই দৌড়ে গিয়ে জরিয়ে ধরলাম ওনাকে😇 । । ওনার পুরো শরীরটা ভিজে একাকার হয়ে গেছে হাত গুলো প্রচন্ড ঠান্ডা হয়ে গেছে... । । আদ্রিতাঃ আপনার শরীরটা তো পুরো পুরি ঠান্ডা হয়ে গেছে তারাতাড়ি কাপড় গুলো বদলে ফেলুন না হলে ঠান্ডা লেগে যাবে.. । । সাঈদঃ আদ্রিতাকে ছাড়িয়ে কাপড় গুলো বদলে ফেললাম... । । আদ্রিতাঃ আচ্ছা একটা কথা বলবো আপনি এমন কেনো.. । । সাঈদঃ আমি যেমন ছিলাম তেমনটাই আছি শুধু মাএ মরে গেছে সেই আগের সাঈদ টা... । । আদ্রিতাঃ আপনি যেমনি হোন না কেনো আমার এই মানুষটাকেই খুব ভালো লাগে । বিয়ে করবেন আমায়.. । সাঈদঃ হঠাৎ কেনো বিয়ে করতে চাও আমায় যখন আমি বলেছিলাম তখন কী হয়েছিলো... । । আদ্রিতাঃ সত্যি জানতে চান তাহলে শুনুন আমি কখনো সন্তানের মা হতে পারবো না তাই আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই নি কারণ আমি কখনো আপনাকে বাবা হওয়ার সুখটা দিতে পারবো না... । এখন বলেন এই কথাটা আপনি জানলে বিয়ে করতেন আমায় উওর দিন.. । । চলবে……………………

F@Foysal

সত্যি একটা কষ্টের গল্প 😭সত্যি একটা কষ্টের গল্প 😭আশা করি সবাই পড়বেন🙏 ছেলেঃ বিয়েটা তাহলে সত্যি করছো 😭 মেয়েঃ হুুম করছি,,,😭 কেন কোন সমস্যা😡 ছেলেঃ তাহলে আমায় ভালবাসলে কেন,,?😿😿 মেয়েঃ আসলে তখনতো ভুল করেছিলাম,, এখন বুঝতে পেরেছি,,😊 ছেলেঃ কী ভুল জানতে,,,পারি😫 মেয়েঃ তুমার মতো গরিব ছেলেকে ভালবেসে ছিলাম,😿 তার উপর আবার তুমি বেকার😯 ছেলেঃ তার মানে আমার থেকে বেটার কাউকে পেয়ে গেছ,,😫 মেয়েঃ হুুম।😥অনেক বড় লোক😯 ছেলেঃ কত টাকা বেতন পায় জানতে পারি,,🙏 মেয়েঃ প্রায় ১ লাখ টাকা 💛 ছেলেঃ আমায় আর কিছুটা দিন সময় দিতে পারতে😥 মেয়েঃ না,আর সম্ভব না।আমি আর তুমাকে চায় না,,😯 ছেলেঃ আমি তুমাকে খুব ভালবাসি,,তুমায়,ছাড়া বাচবো না,,,মরে যাবো,,😯 মেয়েঃ দেখ নেকামো করো না।আর আমি চাই না,তুমি আমার সাথে কোন যোগাযোগ করার চেষ্টা করো বা আমার বিয়েতে আস,,😡😡 মেয়েটা ছেলেটাকে অপমান করে চলে আসে।আজ মেয়েটার বিয়ে হয়েছে,, আর মেয়েটা ওর husband কে সব খোলে বলে😑 ওর husband সব শুনে বলে তুমি ছেলেটার সাথে অন্যায় করেছো,।চল আমরা দুজনে ওর বাড়িতে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে আসি।তার পর ওরা ছেলেটার বাসায় যায়।দরজায়,নক করে। কিন্তুু কেউ দরজা খুল ছিলো না।ওরা দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকলো,,আর,দেখতে পেলে ওপরে ঝুলছে ছেলেটার লাশ। 😭মেয়েটা চিৎকার করে উঠলো,, ওর husband যা বললো তা শুনে মেয়েটা অবাক হয়ে গেল,,ওর husbandবলছে ইনিতো আমাদের অফিসের বস,যার বেতন 5 লাখ টাকা।আর ইনিতো আজকেই জয়েন করেছে😭আর মেয়েটা দেখতে পেল পাশে একটা চিঠি পড়ে আছে আর তাতে লেখা ছিল- সময়টা বড্ড বৈমান। সময়ের জন্য তুমি বদলে গেলে😭আমি হারালাম তুমাকে,, 😭আর তুমাকে ছাড়া বাচাঁ অসম্ভব। তাই চলে যাচ্ছি, ভাল থেকো,,,😭😭 মেয়েটা চিঠিটা পড়ে অঝরে কান্না করছে,, 😭😭 কিন্তুু কোন লাভ নেই,, আরতো ছেলেটা বেচেঁই নেই,,নিয়তির কী খেলা,, টাকার কাছে হার মানলো ছেলেটার পবিএ ভালবাসা😭

F@Foysal

রাত যত গভীর প্রতিদিন রাতে রিনি অদ্ভুত শব্দ করে।শব্দগুলো ব্যথা পেয়ে করে আবার আনন্দে করে ওর শব্দগুলো শুনলেই বুঝতে পারা যায় । আবার কাকে যেন বলে খুব লাগছে। উফ!!!!ছাড়াও না প্লিজ।।। আসলে অদ্ভুত শব্দটি আর কথা গুলো রিনি বিবাহিত হলে চিন্তার বিষয় ছিলো না তার মা বাবার জন্য। রিনি অবিবাহিত মেয়ে।কলেজ পড়ে। মা বাবার রুমের থেকে একটু দূরত্বে রিনির রুম।তবে একটু জোরে কথা বললে বা শব্দ করলে রিনির মা বাবার রুমে শুনতে পাওয়া যায়। রিনির মা খুব চিন্তিত। কারণ রিনি কি তাদের চোখের আড়ালে বাসায় ছেলে নিয়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে। তা ও বাসায়? রিনির মা আজ রাতে না ঘুমিয়ে রিনির রুমের সামনে পাহারা দিচ্ছে। কিন্তু রাত গভীর হতেই কোন এক অজানা খেলায় মেতে উঠলো রিনি।রিনির মা রাবেয়া খুব চিন্তায় পড়ে যায়। রিনি কে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া নিয়ে জিজ্ঞেস করে কোন লাভ হয়নি।রাবেয়া বলেছিল ঃ রিনি তুই কি আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাসায় তুর বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আসিস? আর নষ্টামি খেলাতে মেতে থাকিস প্রতি রাতে? রিনি বলে ঃ মা তুমি এসব কি বলছো?আমি কারোর সাথে প্রেম অবধি করিনি। আর শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া তো দূরের কথা। আর যদি এমন কিছু হতো তাহলে সহস্র হোটেল আছে ওইখানে যেতাম। তোমাদের সাথে এক ঘরে থেকে এমন কিছু কল্পনাই করতে পারিনা। রাবেয়া মেয়ে কে অবিশ্বাস করেনি।কারণ সে যা বলছে সব ঠিক কথাই।মেয়ে তো এমন কিছু চাইলে ঘরের বাইরে অনায়াসে করতে পারতো। তাহলে কি হয় প্রতি রাতে রিনির ঘরে।মেয়ের উপর বিশ্বাস থাকলেও সন্দেহ যেন একটু রয়েই যায়।।। তাই রাবেয়া আজ রাতে মেয়ের রুমে লুকিয়ে থাকবে।সন্তানের ভালো মন্দ দেখা মা বাবার কর্তব্য।আর খারাপ কিছু করে থাকলে শাস্তি দিতে হয়। না হয় জীবনে এমন ভুল বারবার করার সম্ভাবনা থাকে। তাই রাবেয়া আজ কে ঠিক রাতে চুরি করে রিমির খাটের নিচে লুকিয়ে পরে । আজ রাতে দেখবে কি হয় এই রুমে তার মেয়ের সাথে।তাদের চোখের আড়ালে। এগুলো ভাবতে থাকে আর অপেক্ষা করতে থাকে। এইভাবে অনেক সময় চলে গেল। আর রাত গভীর হতে থাকে।তখন রাবেয়া দেখলো........

F@Foysal

অপ্রত্যাশিত৯ অপ্রত্যাশিত ➖ ফয়সাল Part:9 দেখলাম ছোটবোন(রিয়া) দরজাটা খুলে দিলো, অনেকটাই অবাক হচ্ছি কেননা সবসময়ই রাতে বাসায় ফিরলে আম্মু এসে দরজা খুলে কিন্তু আজ ভিন্ন মানুষ। তাহলে কি আম্মুও আমাকে বুঝবে না? সবসময় বাসাটা অনেক আনান্দময় থাকে কিন্তু আজ যেনো অনেকটাই নিস্তব্ধ, রিয়া কোনো কথা না বলে চলে গেলো - বুঝতে পারছি আমার একমাএ আদরের বোনটাও আমাকে আজ অনেক খারাপ ভাবছে, আস্তে করে দরজাটা লক করে দেখলাম আব্বু-আম্মু আর রিয়া সোফায় বসে আছে, কারো মুখে কোনো কথা নেই, অনেকটাই শোকে আছ‍্যন্ন হয়ে বসে আছে। আম্মুর চোখ দিয়ে পানি পড়ছে, ধীরে ধীরে আম্মুর কাছে যেতে লাগলাম, হঠাৎ আব্বু সোফা থেকে উঠে এসে -ঠাসসসসস ঠাসসসস ঠাসসসসস আব্বু: এইদিন দেখার জন‍্য তোকে মানুষ করেছিলাম (অবিরাম মেরেই চলেছে ) আমি কোন কথায় বলতে পারছি না, চোয়াল দুটো লাল হয়ে গেছে, মনে হয় ফেটে রক্ত বের হবে আব্বু: এমন কুলাঙ্গার জন্ম দিয়েছি জানলে তোকে জন্মের সময় গলা টিপে মেরে দিতাম ( কাদতে কাদতে ) বেরিয়ে যা আমার বাড়ি থেকে, এমন অমানুষকে আমি আমার চোখের সামনে দেখতে চাইনা,, বেরিয়ে যা........(জোরে একটা ধাক্কা দিয়ে) আমি আব্বুর পা দুটো জড়িয়ে ধরে কাদতে কাদতে - আব্বু আমাকে মাপ করে দাও, দয়া করে আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিও না প্লিজ আব্বু আব্বু: চুপ,, তোর ওই মুখে আমাকে আব্বু বলবি না,, চলে যা আমার চোখের সামনে থেকে (পা দিয়ে অনেক জোরে ধাক্কা মেরে ) আম্মু তুমি অন্তত কিছু বলো, আম্মু আমি নীলাকে ভালোবাসি...... ঠাসসস ঠাসসসসস চলে যা আমার চোখের সামনে থেকে (অন‍্য দিকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে কাদছে ) অবশ্য কাদবে না কেন আমি তো তাদের ভালোবাসার সম্মান দিতে পারিনি বরং তাদের কে অন‍্যের চোখে খারাপ করে দিয়েছি ছোটবোনটাও একনাগাড়ে কেদে চলেছে, সেও আমাকে ভূল বুঝছে। আজ আমি সবার চোখে খারাপ, আমার আদরের পরিবারের কাছে একটা কুলাঙ্গার, অমানুষ। চোয়াল দুটো ফুলে গেছে, চোখের পানিকে আটকাতে পারছি না, ক্ষুদায় মাথাটা ঝিমঝিম করছে - যে আম্মু আমার কোনো কষ্ট সহ‍্য করতে পারতো না আজ সেই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে যে আব্বু আমাকে নিজে হাতে খাইয়ে দিতো সে আজ আমার ক্ষুদার কষ্ট দেখতে পারছে, চলে যেতে বলছে এই বাড়ি থেকে যে আব্বু আম্মু আমাকে এতটা ভালোবাসতো আজ তারাই বের করে দিচ্ছে আমাকে, আমি: আব্বু, তোমাদের অনেক কষ্ট দিয়ে ফেলেছি, চাইনি তোমাদের কষ্ট দিতে সেজন‍্য নিজের ভালোবাসাকে বিসর্জন দিতে চলেছিলাম শুধুমাত্র তোমাদের সম্মানের কথা ভেবে, আমি তো পারতাম সবকিছু ভূলে নীলাকে নিয়ে পালিয়ে যেতে কিন্তু তোমরা কষ্ট পাবে ভেবে সেটাও করিনি, আম্মু তুমিও আজ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছো, শুনেছি সন্তান যতই ভূল করূক সবকিছু ভূলে মা তাকে আপন করে নেই কিন্তু আজ বুঝছি এটা ভূল কথা,, চলে যাচ্ছি আমি এই বাড়ি থেকে, আর আসবো না, ভালো থেকো আব্বু, ভালো থেকো আম্মু নিজেদের শরীরের খেয়াল রেখো আর পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিও (আব্বু মাথা নিচু করে বসে আছে অনেক রাগ নিয়ে, আম্মু অন‍্যদিক ফিরে কেদেই চলেছে, আমার দিকে একবার ও তাকাই নি। মনে আমাকে তারা সহ‍্য করতে পারছে না, বিরক্ত লাগছে আমাকে, ঘৃনায় তাকাতে পারছে না আমার দিকে ) ছোটবোনটার কাছে যেয়ে ভালো থাকিস বোন, আব্বু আম্মু কে ভালো রাখিস তাদের শরীরের দিকে খেয়াল রাখিস কাদতে কাদতে আমাকে জড়িয়ে ধরে রিয়া: ভাইয়া তুই যাসনা, তুই চলে গেলে আমার অনেক কষ্ট হবে থাকতে পারবো না তোকে ছাড়া, আব্বু আম্মু রাগের বশে তোকে এসব বলেছে,, প্লিজ তুই যাসনা এই বাড়ি ছেড়ে (তার কান্না থামার নয়) আমার চোখ দিয়ে আর অশ্রু বের হচ্ছে না, আর কতো অনেক হয়েছে। আর পারছি না সহ‍্য করতে চলে যেতে হবে এখান থেকে, আমি : না বোন তোর আব্বু আম্মু চাইনা যে আমি এই বাড়িতে থাকি, তারা ভূল করেছে আমার মতো একটা কুলাঙ্গার জন্ম দিয়ে। ভালো থাকিস তুই, ওর কপালে একটা চুমু দিয়ে উঠে দরজার দিকে যাচ্ছি, মন চাচ্ছে না এই বাড়ি থেকে যেতে, আমার ছেলেবেলা আর আমার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই বাড়িতে। আব্বু আম্মুকে অনেক ভালোবাসি তাদের ছেড়ে কিভাবে থাকবো আমি,, আর হয়তো এই বাড়িতে আসা হবে না, আব্বু আম্মুকে দেখতে পাবো না, শেষ বারের মতো তাদের কে সালাম করে চলে যাবো- আব্বুর কাছে গিয়ে তাকে সালাম করবো এমন সময় আব্বু পা সরিয়ে নিলো তারপরেও মেঝে থেকে সালাম করলাম, আম্মুর কাছে গিয়ে সালাম করলাম তবুও আম্মু কিছু বললো না অন‍্য দিক ফিরে কাদছে কেদোনা আম্মু তোমাদের কুলাঙ্গার ছেলেটা চলে যাচ্ছে তার মুখ আর তোমাদের দেখতে হবে না। আর কারো জন‍্য তোমাদের সম্মান নষ্ট হবে না অনেক ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আমার দিকে তাকালো কিন্তু কিছূ বললো না, অনেক কষ্ট হচ্ছে তবুও যেখানে আমি মূল‍্যহীন সেখানে থাকতে চাইনা- বাইকের চাবি আর ফোনটা আব্বুর সামনে টেবিলের ওপর রেখে ওখান থেকে চলে আসলাম বাইরে, ভালোবাসার বাড়িটার দিকে শেষ বারের মতো দেখলাম, স্বপ্নের বাইকটা ছড়ে চলে এলাম রাস্তাই। চোখদিয়ে একফোটাও অশ্রু পড়ছে না অনেক পাষান হয়ে গেছি। নীলার কথা খুব মনে পড়ছে, পার্ক থেকে এসেই মনে হয় মামা-মামি ওকে নিয়ে চলে গেছে, নীলাকে শেষবারের মতো একটু দেখতে ইচ্ছা করছে কিন্তু না,, সুখে থাকুক সে অন‍্য কাউকে নিয়ে, আমি গেলে সে আরো বেশি কষ্ট পাবে ওর চেয়ে তার বিয়ে হয়ে গেলে ঠিক আমাকে ভূলে যাবে, অনেক সুখে থাকবে তাই ওর সামনে যেয়ে আর ওর সুখ টা কেড়ে নিতে চাচ্ছি না, হয়তো কিছুদিন কষ্ট পাবে কিন্তু তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে। রাত অনেক হয়েছে কোথায় যাবো কি করবো কিছু ভেবে পাচ্ছি, অনেক ক্ষুদাও লেগেছে কিন্তু খাওয়ার ইচ্ছা নেই। কাছে বড়োজর দুই হাজার টাকা আছে কিন্তু এই টাকায় কতোদিন? খুব বেশি হলে ১৫ দিন তারবেশি না। ভাবছি দূরে কোথাও চলে যাব যেখানে অচেনা মানুষের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলবো নিজের কষ্টটা সিগারেটের ধোয়ার সাথে উড়িয়ে দেবো - এখান থেকে ৩ কিলো দূরে বাসস্টপ, সেখান থেকেই রংপুর এর টিকিট কেটে চলে যাবো অচেনা শহরে। অনেক কষ্টে একটা রিক্সা পেলাম, অনেক আকুতি মিনতি করে তাকে বাসস্টপ যেতে রাজি করালাম কিন্তু অনেক বেশি ভাড়া দিতে হবে। রিক্সায় উঠে পকেটে থাকা সিগারেট ধরিয়ে বুকটা হালকা করার ব‍্যার্থ চেষ্টা করতে থাকলাম, কিছুক্ষণ পর চলে আসলাম বাসস্টপ অনেক কষ্টে একটা টিকিট পেলাম আর ১৫ মিনিট পর বাস ছাড়বে। আর হয়তো এই প্রানের শহরে বসে আড্ডা দিতে পারবো না, আড্ডা দেওয়া বন্ধুদের ও পাবোনা তাদেরকে অনেক মিস করবো, মিস করব ভালোবাসার পরিবার। মিস করবো আমার কলিজা, আমার ভালোবাসা নীলাকে, ভূলতে পারবো না তাকে কোনদিন। গাড়িতে উঠে বাইরের দিকে চেয়ে এসব ভাবছি তার মধ‍্যেই বাস তার আপন গতীতে চলতে লাগলো, কিছুক্ষণ পরেই ছেড়ে আসলাম ভালোবাসার সব কিছু,, শরীরটা অনেক ক্লান্ত সাথে পেটে অনেক ক্ষুদা, মাথাটা সিটের সাথে এলিয়ে দিলাম, কখন যেনো চোখটা লেগে গেলো বুঝতেই পারিনি........... পরবর্তী পর্ব সবার আগে পেতে লাইক এবং কমেন্ট করে সাথে থাকুন........... ধন্যবাদ 💖💖💖💖

F@Foysal

Tor sohore valobasa2 তোর শহরে ভালোবাসা ফাবিহা নওশীন পর্ব__০২ -কোনো কিন্তু নয়।আমার উপর ভরসা রাখো।তোমার ছেলে যদি বোম হয় তবে আমি বারুদ।আমি ওকে সোজা করেই ছাড়বো।যদি না পারি তবে আমার নাম পাল্টে ছকিনা রাখবো। আহনাফ চৌধুরী সামান্তার কথা শুনে হেসে দিলো। তারপর ওর মাথায় হাত রেখে বললো, --আমি জানি তুই ই ওকে সোজা করতে পারবি।এই বিশ্বাস আমার আছে।দোয়া করি সুখী হ। এভাবেই দুমাস কেটে গেছে।সামান্তা আদিলের সামনে এই দুইমাসে একবারো পরেনি।এক প্রকার ইচ্ছে করেই আড়ালে থেকেছে।তবে রোজ সকালে নিয়ম করে আদিলের ঘরে গিয়ে চুপিচুপি আদিলকে দেখে আসে।আদিল তখন ঘুমে তলিয়ে থাকে। সামান্তাকে একমাস যাবৎ একটা প্রাইভেট ভার্সিটিতে ভর্তি করে দেওয়া হয়েছে।ভার্সিটি,বাসা এ নিয়ে বেশ আছে।নিশি শুধু ননদই নয় খুব ভালো বন্ধু।আর আদিলের বাবা-মা নিজের মেয়ের মতোই ভালোবাসে।আদিলের মা সামান্তাকে বলে দিয়েছে, --ও যেন কখনো নিজেকে এই বাড়ির বউ না ভাবে বরং মেয়ে ভাবে। সামান্তা এখন ওনাদের আংকেল আন্টির বদলে মা আর বাবা ডাকে। অপরদিকে আদিল আর খোঁজ নেয়নি সামান্তা এই বাড়িতে আছে কিনা চলে গেছে।এই ব্যাপারে কাউকে কিছু জিজ্ঞেস ও করেনি।ওর ঘুম ভাংগে দুপুর ১২,১টায়।বিকেলে বাসা থেকে বের হয়ে ফিরে মাঝরাতে।ও ওর লাইফ নিয়ে ব্যস্ত।তাই বাসায় কে আছে না আছে সেটা ওর পক্ষে জানা সম্ভব নয়। সামান্তা ৯টায় ভার্সিটির জন্য বেরিয়ে যায় ফিরে ২-৩টায়।কোনোদিন সন্ধ্যাও হয়।তাই দুজনকে সামনাসামনি হতে হয়না।তারউপর সামান্তা নিচের রুমে থাকে।ও হাল ছেড়ে দেয়নি বরং হাল ধরার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছে।প্রস্তুতি ছাড়া বড় খেলায় নামা বোকামি ছাড়া কিছুইনা।তাই এই খেলায় নামার আগে সবটা বুঝে নিচ্ছে।এখানকার পরিবেশ,ইচ্ছে-অনিচ্ছে,রুচি সবটাই আয়ত্ত করার চেষ্টা করছে। ভার্সিটি অফ।বেকার বসে আছে।সামান্তার খোলা জায়গা খুব প্রিয় কিন্তু এই কালো পোশাকের গার্ডদের দেখলেই অস্বস্তি হয়।বাগানে গিয়ে যে একটু হাওয়া খাবে তারোও কোনো উপায় নেই।কারণ বাগানে কোনো প্রাইভেসি নেই।এখানে সেখানে বন্ধুক নিয়ে ঘুরতেই থাকে।তাই ছাদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। ছাদে গিয়ে রেলিং ঘেঁষে নিচের দিকে ঝুকে আছে।এটা ওর পুরনো অভ্যাস।ঝুকে থাকায় অর্ধেক চুল পিঠে আর বাকি অর্ধেক চুল নিচের দিকে ঝুকে আছে।চেহারাও দেখা যাচ্ছেনা।শুধুমাত্র ফরসা হাত দেখা যাচ্ছে যা দাড়া রেলিং ধরে আছে। আদিল ফেসবুকিং করতে করতে ছাদে এলো ছাদে এসেই এই দৃশ্য দেখতে পেলো।একটা মেয়ে আকাশি রংয়ের ড্রেস পড়া।ছাদে নিচের দিকে ঝুকে দাড়িয়ে আছে।সবকিছুই আগের মতো শুধুমাত্র সেদিনের মতো হাতে মেহেদী পড়া নেই। আদিলের বুঝতে বাকি রইলো না এটা কে,,।সামান্তা যে এখনো এই বাড়িতেই আছে সেটা বুঝতে পেরে রাগে ফেটে যাচ্ছে।তারপর আস্তে আস্তে পা ফেলে সামান্তাকে বুঝতে না দিয়ে ছাদ থেকে নেমে গেলো। আদিল ওর রুমে বেডের উপর হাতের মুঠো শক্ত করে বসে আছে।তারপর উঠে গিয়ে ফুলদানিটা দেওয়ালে ছুরে মারলো। --আমাকেই কিছু করতে হবে।ওই মেয়ের সাথে কথা বলতে হবে।ওকে আমার লাইফ থেকে বের করতে হবে। আদিলের মা আদিলের বাবাকে বললো, --সামু,ভার্সিটি যাবার জন্য রেডি হচ্ছে কিন্তু ড্রাইভার একটা কাজে গেছে এখনো ফিরেনি। আহনাফ চৌধুরী পেপার পরছিলো।পেপারে থেকে চোখ তুলে বললো, --তোমার ছেলে কই?ছেলেকে ডাকো। --আদি তো এখনো উঠে নি।তুমি তো জানো দুপুরের আগে ওর ঘুম ভাংগে না। --ওকে ডেকে তুলো।আমার বাড়িতে এসব নবাবি চলবেনা।বউ ভার্সিটি যাবার জন্য মানুষ পায়না আর সে পড়ে পড়ে ঘুমায়। ওকে বলো সামুকে ভার্সিটি দিয়ে আসতে। --আদি,,এই আদি।উঠ বাবা। --কি হলো মা,এই সকাল সকাল ডাকছো কেন? --তোর বাবা অনেক রেগে আছে তুই যদি এখন না উঠিস তোর বাবা কেয়ামত ঘটিয়ে দিবে। আদি উঠে বসলো, --মা,আমি এখন উঠে কি করবো? --ফ্রেশ হ,,সামান্তাকে ভার্সিটি দিয়ে আসবি।ড্রাইভার নেই। আদির ঘুম উবে গেলো। --কি!!!আদিল চৌধুরী এখন ড্রাইভারি করবে?আমি কাউকে কোথাও দিয়ে আসতে পারবোনা। --আদি,,,ও তোর বউ। আদির হটাৎ মনে পড়লো ওর তো সামান্তার সাথে কথা বলা প্রয়োজন তাই আর কথা না বারিয়ে ফ্রেশ হতে চলে গেলো। আদি গাড়িতে বসে আছে।অপেক্ষা করছে সামান্তার জন্য। সামান্তা রেডি হয়ে বে হতে গেলেই নিশি ওকে থামিয়ে দিয়ে বললো, --সামু,ড্রাইভার কিন্তু আজ ভাই স্বয়ং।সো বি কেয়ারফুল। --আচ্ছা,তাই নাকি।পেয়েছি সুযোগ।তোমার ভাইকে অল দ্যা বেষ্ট বলে এসো,আমাকে ভয় না দেখিয়ে। আদি বিরক্ত হয়ে যাচ্ছে।আমি আদিল চৌধুরী স্বয়ং ড্রাইভার হয়ে অপেক্ষা করছি আর ম্যাডামের খবর নেই।উফফ,,কতক্ষণ বসে থাকবো। আদি বিরক্ত হয়ে গ্লাস খোলে বাড়ির দিকে চাইলো।সামান্ত আসছে।সাদা রংয়ের লং টপস,টপসের উপর গোল্ডেন কালারের ডিজাইন করা কটি,কালো জিন্স,লেডিস সো,কাধে লেডিস ব্যাগ,সাদা হ্যান্ড ওয়াচ,আঁকাবাকা লালচে চুলগুলো উড়ছে।মুখে কোনো সাজগোজ নেই তবুও স্বিগ্ধ লাগছে। আদি পলকহীন ভাবে সামান্তাকে দেখছে।সামান্তার কোনো খেয়াল নেই।সে গাড়ির দরজা খোলে সোজা উঠে বসলো।সামনে কে আছে,কি আছে দেখার প্রয়োজন মনে করেনি। গাড়িতে বসে ব্যাগ থেকে ফোন আর হেডফোন বের করে কানে গুজে দিলো। আদির অনেক অস্বস্তি হচ্ছে সামান্তার সাথে যেতে।সামান্তার অবস্থা বুঝার জন্য লুকিং গ্লাসে চোখ রাখলো।সামান্তাকে নরমাল লাগছে।সে দিব্যি কানে হেডফোন গুঁজে দু'হাতে ফোন টিপছে।মাঝে মাঝে ফোনের দিকে চেয়ে ঠোঁট নাড়িয়ে কিছু পড়ছে আর মুচকি হেসে আবারো টাইপ করছে।আদি স্পষ্ট বুঝতে পারছে সামান্তা চ্যাটিং করছে। সামান্তার গা থেকে পারফিউমের মিস্টি ঘ্রাণ ভেসে আসছে।আদির অবাক হয়ে ওকে দেখছে। মেয়েটা এত নরমাল ভাবে কি করে বসে আছে,সামনে কে আছে তাতে যেন কিছু এসে যায়না।কিন্তু আদির তো অনেক অস্বস্তি হচ্ছে।যাকে বউ হিসেবে মেনে নেয়নি তার সাথে একা গাড়িতে করে যাচ্ছে।তাও তাকে তার গন্তব্যে পৌঁছে দিতে।কি অদ্ভুৎ। আদি তো সামান্তার সাথে কথা বলার জন্য এসেছে কিন্তু কি বলবে,কিভাবে বলবে বুঝতে পারছেনা।তার চেয়ে বড় কথা ওর এখন কিছু বলতে মনে চাইছেনা।এসব ভাবনায় বিভোর হয়ে গাড়ির স্পিড কমিয়ে দিয়েছে। সামান্তার ৯টা ২০মিনিটের মধ্যে ভার্সিটি গেইটে উপস্থিত থাকতে হবে।নয়তো ঢুকতে পারবেনা।এভাবে গাড়ি চালালে নির্ঘাত ফিরে আসতে হবে। কানে থেকে হেডফোন সরিয়ে বললো, --এক্সকিউজ মি,,আপনি নতুন নাকি,,?বাবা যে কোত্থেকে এসব ড্রাইভার নিয়ে এসেছে আল্লাহ ই জানে।একটু জোরে ড্রাইভ করুন।আমার দেরি হয়ে যাবে। আদি সামান্তার কথায় চমকে গেলো।আবার রাগ ও হলো আদিল চৌধুরীকে ড্রাইভার বলা হচ্ছে।পিছনে ঘুরে বললো, আমাকে দেখে তোমার ড্রাইভার মনে হচ্ছে? সামান্তা চোখ তুলে ওর দিকে কয়েক সেকেন্ড চেয়ে থেকে বললো, --না আপনাকে ঠিক ড্রাইভার মনে হয়না,,কারণ ড্রাইভারদের ফেসে একটা ইনোসেন্ট ভাব থাকে যেটা আপনার ফেসে নেই। আপনাকে কোথাও দেখেছি বলে মনে হচ্ছে।কোথায় দেখেছি বলুন তো?দূর,,বাদ দিন।ওসব পরে ভাবা যাবে।আপনি এখন প্লিজ একটু তাড়াতাড়ি ড্রাইভ করুন।আমার ফ্রেন্ডরা অপেক্ষা করছে। আদি অবাকের সপ্তম আকাশে উঠে গেলো।এই মেয়ে আমাকে চিনে না।আদি পাল্টা প্রশ্ন করলো, --তোমার কয়জন ফ্রেন্ড? --৭-৮জন। --কয়দিন যাবত ক্লাস করছো? --একমাস। --এই কয়দিনে ৭-৮টা ফ্রেন্ড বানিয়ে ফেলেছো? --এ তো কম ই।আমার কলেজে ৫০জনের মতো ফ্রেন্ড ছিলো। --ও,,এম,,জি,,(আমারো তো পুরো লাইফে এত ফ্রেন্ড হয়নি।)কয়টা বয়ফ্রেন্ড ছিলো? --একটাও না।প্রেম করার আগেই তো বাবা ধরে এক লাফাঙ্গার সাথে বিয়ে দিয়ে দিলো। আদি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, --হুয়াট ডু ইউ মিন বাই লাফাঙ্গা? --লাফাঙ্গা মানে জানেন না?লাফাঙ্গা মানে হলো এই ধরুন উৎশৃঙ্খল,বখাটে,অহংকারী,একগুঁয়ে, বদমেজাজি,অভদ্র,বেয়াদপ টাইপ ছেলে যারা বাপের পয়সায় ফুটানি করে। আদি দাতে দাত চেপে সামান্তার সব কথা হজম করছে।ও সামান্তার সামনে নিজের পরিচয় দিতে চসিছে না এই মুহুর্তে।ও জানতে চায় আসলে সামান্তা ওকে কি ভাবে,, তাই নিজের রাগ সব হাতের মুঠোতে রাখা স্টেয়ারিংয়ের উপর ঝাড়ছে। তারপর ফুসফুস করতে করতে বললো, --এতোই যখন অপছন্দ তবে বিয়ে করেছিলে কেন? --ওই মিয়া আপনি কি বয়রা?কানে কম শুনেন? আদি হকচকিয়ে গেলো। --মানে কি? --আমি কি বলেছি আপনি শুনতে পান নি?আমি বলেছি বাবা ধরে আমাকে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে।নয়তো এই বয়সে কেউ বিয়ে করে?একটা প্রেম ও করতে পারলাম না।সামু তোর কপালই খারাপ। আদি সামান্তার মনের কথা জানার জন্য।একটু বাজিয়ে দেখার জন্য বললো, --তাহলে ডিভোর্স দিয়ে দেও। --আরে আপনি তো ওই লোকের মতোই? --কোন লোকের মতো? --যেই গন্ডারের সাথে আমার বিয়ে হয়েছে।বাইয়াদ প্রাণী।মাই হাসব্যান্ড। আদির সামান্তার মুখে হাসব্যান্ড কথাটা শুনে কেমন অদ্ভুৎ ফিলিংস হচ্ছে। --তারপর আমি ওই লোকের মতো মানে? --এই বিয়েকে ছেলে খেলামনে করছেন।মনে চাইলে একজনকে বিয়ে করে নিলাম আর ভালো লাগলো না ডিভোর্স দিয়ে দিলাম।বিয়ে হলো আল্লাহর দেওয়া পবিত্র সম্পর্ক।একটা কাগজ কিংবা একটা সাইন এই সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারেনা। যাইহোক আপনার সাথে আমার আর কথা বলতে ইচ্ছে করছেনা।চুপ করে গাড়ি চালান। শহরের সব ছেলেরা এক।কোনো কিছুর মূল্য এদের কাছে নাই। বিরবির করে কথাগুলো সামান্তা আদিকে শুনিয়ে শুনিয়ে বললো। সামান্তার কথাগুলো আদিকে খুব ভাবাচ্ছে।আদি চুপচাপ গাড়ি চালাচ্ছে কিছুক্ষণ পর জিজ্ঞেস করলো, --তারমানে তুমি তাকে ছাড়বে না? সামান্তা কি উত্তর দেবে ভেবে পাচ্ছেনা।বাইরের দিকে চেয়ে নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করছে।দীর্ঘশ্বাস ফেলে কিছুটা জোর করেই বললো, --জানিনা,,যে ছেলে মেয়েদের নূন্যতম সম্মান দেয় না তার সাথে আমি সত্যিই জানিনা।আমাকে বিয়ে করেছে ভালো না বাসতো,,আমি তো ভালো বাসতে বলিনি,,একটু সম্মান তো দিতে পারতো,,সেটাও দেয়নি। সামান্তাকে গলা ধরে এলো।চোখের কোনে পানি জমেছে।আদির চোখে তা এড়ায়নি।ওর কেন জানি খুব মায়া হচ্ছে।কোনো মেয়েই তার স্বামীর কাছে থেকে অবহেলা সহ্য করতে পারেনা।সে স্বামী যেমনই হোক। গাড়ি এসে ভার্সিটির গেইটের সামনে থামলো।সামান্তা গাড়ি থেকে নেমে পিছনে না চেয়েই হাটা ধরলো।ওর জন্য ২টো ছেলে,২টো মেয়ে অপেক্ষা করছে।ও তাদের সাথে ভিতরে যাচ্ছে। আদি তখনো সামান্তার দিকেই চেয়ে আছে।কেন জানি অদ্ভুৎ ফিলিংস হচ্ছে।সবকিছু এলোমেলো লাগছে।অস্থির লাগছে।একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে গাড়ি স্টার্ট দিলো। বারবার সামান্তার কথাগুলো কানে বাজছে।ওর ছলছল চোখগুলো বারবার ভেসে উঠছে। চলবে,,,, বি:দ্র: ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

F@Foysal

Manus এই পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছে যারা নিজের সাত্তের জন্য অন্যকে ব্যবহার করে। যারা তাদেরকে ব্যবহার কে তারা কিন্তু সেই সব মানুষদের বিপদে আসে না। আবার অনেক মানুষ আছে যারা নিজের জীবন দিয়ে ও অন্যকে রক্ষা করে। আপন, আপনকে ভুলে য়াই।যার টাকা আছে তাকে সবাই সম্মান কে,আর যার টাকা নাই তার এই পৃথিবীতে কোন সম্মান নাই।সেই মানুষ গুলো এই পৃথিবীতে অনেক অসহায়।কিন্তু টাকা চেয়ে মানুষ তার সম্মান এবং ব্যবহার কে বেশি গুণ দিত। এই পৃথিবীতে কোন মানুষ অসহায় হতো না। অনেক মানুষ আছে, যার টাকা আছে তাকে সালাম দেই, আর যার টাকা নাই তাকে মানুষ মনে করে না।সেই সব মানুষ দের জন্য আজ আমাদের এই পৃথিবীটা একটা ঘৃণায় পরিণিত হলো।

F@Foysal

বাড়িওয়ালার ছেলে বাড়িওয়ালার ছেলে 🙈। পর্ব :০৯ 💚 না তাকিয়ে ইসস্ কে এইটা বার বার ডাকছে অযথায় যাবেন এখান থেকে (আমি)। হুম যাবো তো দাড়াঁন দেখাচ্ছি মজা (মিম)। এক বালতি পানি এনে ঢেলে দিল আমার মাথার উপর। এক লাফ দিয়ে উঠলাম।😟😟😟 কে কে (আমি)। দেখি মিম আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে। কি বলব বুঝতে পারছি না। এই যে শোনেন (আমি)। কিন্তু মিম না দাড়িঁয়ে এক দৌড়ে চলে গেলো। ধ্যাত সকাল সকাল ঘুমের দিলো বারটা বাজিয়ে। কোনো উপায় না পেয়ে উঠে পরলাম। ব্রাশ করবো কিন্তু ব্রাশ টা বাসায় রেখে চলে এসেছি। বাহিরে বের হলাম। দেখি মামা জাল নিয়ে বসে আছে মাছ ধরবে।😍😍😍 মামা ব্রাশ তো বাসায় ফেলে চলে এসেছি এখন ব্রাশ কিভাবে করবো (আমি)। ওহ কি আর করবে কয়লা দিয়ে কোনো রকম দাতঁ মেজে ফেলো (মামা) । মনে মনে হায় রে কয়লা? কোনোদিন তো দাতঁ মাজিনি আচ্ছা দেখি কেমন লাগে। 😺😺😺 আচ্ছা মামা কয়লা কোথায় পাবো (আমি)। এই মিম সাঈমকে রান্না ঘর থেকে একটু কয়লা এনে দে (মামা)। ঠিক আছে বাবা (মিম)। দেখি মিম ২ টা কয়লার টুকরা নিয়ে এসে আমার হাতে দিলো।🙆🙆🙆🙆 আমিও কোনো কিছু না ভেবে দাতঁ ঘষা শুরু,করলাম। দাতঁ মাজা শেষ দেখি সবাই আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে কি ব্যাপার? হাসছে কেনো সবাই । একটা ছোট আয়নায় নিজের চেহারা টা দেখলাম। দেখি কালি দিয়ে সব মুখ ভরে গেছে। কয়লার কালি বুঝতেই পারছেন কেমন হয়।😪😪😪 তাড়াতাড়ি করে পানি দিয়ে মুখ দুয়ে ফেললাম তবুও কালি ভালো করে উঠে নি। তবে এখন আগের চেয়ে একটু কম বলে মনে হচ্ছে। চলো মাছ ধরতে পুকুরে নামি (মামা)। কিন্তু আমি তো সাতার জানি না (আমি)।😭😭😭 ওহ তাহলে তুমার নামার দরকার নেই (মামা)। দেখি মামা জাল নিয়ে পুকুরে নেমে পরলো। মোটামোটি ভালোই মাছ ধরলো মামা। আমি উপর থেকে বসে বসে সব দেখছিলাম। 😕😕😕 মাছ ধরে এসে খাবার খেলাম। একটু হেটে আশে পাশের প্রকৃতি টা দেখলাম খুবই মনোরম পরিবেশ মনে হচ্ছিল এখানেই সারাজীবন কাটিয়ে দেই। এভাবেই ঐ দিন পার হয়ে গেলো।😐😐😐 পরের দিন সকাল ৮.৫০। এইযে উঠেন বাবা আপনাকে ডাকছে (মিম)। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে এখন উঠতে পারবো না (আমি)। ওহ পানি ঢেলে তুলতে হবে নাকি (মিম)। কথাটা শোনে একটা লাফ দিয়ে উঠে পরলাম। না না প্লিজ এইসব করবেন না (আমি)। হুম বাবা আপনাকে ডাকছে আসেন (মিম) ।😆😆😆 জ্বি আপনি যান আমি আসছি (আমি)। মিম চলে গেলো মনে মনে মেয়েটা কেনো যে বার বার আমার সামনে আসছে। বুঝেছি আমাকে এখান থেকে চলে যেতে হবে নইলে মেয়েটার কথা আমি ভুলতে পারবো না। উঠে ফ্রেশ হলাম দেখি মামা আমার জন্য খাবার নিয়ে বসে আছে।😊😊😊 খাবার খাওয়া শেষ করলাম। সাঈম বাবা শোনো তুমি মিমের সাথে ওর ভার্সিটি থেকে ঘুড়ে আসো ভালো লাগবে (মামা)। মনে মনে মিম কেনো আবার? না মামা আমি একাই ঘুড়তে পারবো (আমি)। না বাবা একা একা তুমি কিছু চিনবা না হারিয়ে যাবা (মামা) । কি বলো মামা (আমি)। 😁😁😁 হুম বাহিরে কুকুরের দল আছে সমস্যায় পড়ে যাবা (মামা) । মনে মনে এই রে কুকুর তাহলে আমি শেষ? তারপর আজ আবার দৌড়ানি দিয়ে গাছে তুলবে, থাক থাক তার চেয়ে ভালো মেয়েটার সাথেই যাই। আচ্ছা ঠিক আছে মামা (আমি)।😯😯😯 এই বলে মিমের সাথে ওর ভার্সিটির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। রাস্তা দিয়ে হাটছি আর বলছি? আচ্ছা আপনার ভার্সিটি এখান থেকে কতটুকু দূরে (আমি)। প্রায় ১০ কিলো হবে (মিম)।😧😧😧 ওরে বাবা ১০ কিলো হেটে যাবেন নাকি (আমি)। হুম হেটে যাবো (মিম)। না আমি যাবো না আমাকে ছেড়ে দিম প্লিজ (আমি)। না আপনাকে তো ছাড়া যাবে না আজকে আমার সাথে যেতেই হবে (মিম)।😐😐😐 মনে মনে ইসস্ মামা এ কোন বিপদে ফেলল আমাকে? না সত্যি বলছি বলছি আমার অনেক ঘুম পেয়েছে আপনি যান আমি কাল যাবো (আমি)। অহ আচ্ছা ঠিক আছে তবে বাসায় যাওয়ার পথে কিন্তু কুকুরের দল আছে (মিম)। 😉😉😉 মনে মনে এই কুকুর সালাদের কি কোনো কাজ নেই সারাদিন রাস্তার পাশে বসে থাকে এখন কি করি যদি আমার প্যান্ট খুলে নিয়ে চলে যায়। মামার বাসা থেকে প্রায় অনেকটা দূরে চলে এসেছি। মান সম্মান দূলোয় মিসবে? এর চেয়ে ভালো মিমের সাথেই চলে যাই হয়তো কুকুরের হাত থেকে একটু বাচবোঁ। 😃😃😃 না আমি আপনার সাথে যাবো (আমি)। না,এখন তো আমি আপনাকে নিয়ে যাবো না (মিম) । না না প্লিজ এমন কথা বলবেন না,, এমনিতেই আমি শিশু বাচ্চা পরে যদি হারিয়ে যাই (আমি)। হেসেঁ হেসেঁ আপনি শিশু, দেখতে তো দেখা যায় বয়স ৮০ পার হয়েছে (মিম)। 😂😂😂 মনে মনে মেয়েটা তো দেখছি বিশাল শয়তান আনোয়ার মামার মেয়ে দেখে আজ বেচেঁ গিয়েছে। ইশিতা আর ইলমা যদি হতো নগদে কেলানি দিতাম। কিন্তু ওরে তো আমি কিছু করতে পারবো না। 😔😔😔 কি বলছেন এইসব আমার বয়স মাএ ২১ আর আপনি বলছেন আমি ৮০ বছরের ভুইড়া এইটা ঠিক না (আমি)। হয়েছে হয়েছে এখন হাটেন তো পরে আবার ক্লাস পাবো না (মিম)। হাটছি আর চিন্তা করছি ১০ কিলো হাটলে কালকে আমাকে খুজে পাওয়া যাবে না। তবে এখন কিছুই করার নেই পরিস্থিতির শিকার। 😷😷😷 আরও ১০ মিনিট হাটার পর একটা অটোতে উঠে পরলো মিম। কি ব্যাপার বললো যে হেটে যাবে কিন্তু এখন আবার অটোতে উঠে পরলো। মনে মনে ভাবলাম হয়তো আমাকে ভয় দেখিয়েছে। কোনো কথা না বলে সোজা আমিও অটোতে উঠে পরলাম। 😛😛😛 দেখি মিম এর একটা বান্ধবী উঠেছে বলে মনে হচ্ছে আমাদের অটোতে। ওরা দুজন ভালোই কথা বলছিলো। মিমের বান্ধবী আস্তে করে জিজ্ঞেস করছিলো? কিরে মিম ছেলেটা কে,, কি সুন্দর কি হ্যান্ডসাম(মিমের বান্ধবী) । কিন্তু আমি তাদের সাথেই ছিলাম তাই কথা টা আমার কানে এসে পড়লো। 😒😒😒 মনে মনে নিজেকে নায়ক সালমান খান বলে মনে হচ্ছিল। মাথার চুল গুলো একটু ঠিক করলাম। মিম আমার ভাবটা দেখছিলো। ওহ ওই ছেলেটা আমার বাবার সাথেই দাড়োয়ানের চাকরি করে (মিম)। মিমের কথাটা শোনে সাথে সাথে নায়ক বাপ্পারাজে পরিনত হলাম। 😤😤😤 আর মনে মনে বলছিলাম মেয়েটা এমন নীচে নামিয়ে দিলো আমাকে মন চায়ছিলো দুইডারে দইরাই নারী নির্যাতনের পিডানি দেই। কিন্তু এর ফল পেতে হবে মিমকে । 😬😬😬 ওহ দাড়োয়ান ওই বেটা, কিন্তু দেখে তো মনে হয় কোটিপতির ছেলে (মিমের বান্ধবী) । আরে না তুই যে কি বলিস না (মিম)। ওদের কথা শোনে কিছু না বলে চোরের মতো অটোর এক পাশে বসে থাকলাম। ৩০মিনিট যাওয়ার পর মিমের ভার্টিসির সামনে চলে আসলাম। ☺☺☺ এই যে তিনজনের ভাড়াটা দিয়ে ভেতরে আসেন (মিম)। কি বলেন এইসব আমি ভাড়া দিবো কেনো, আমার কাছে টাকা নেই (আমি)। টাকা নেই তো এসেছেন কেনো ভাড়া দেন আমি গেলাম (মিম)।😶😶😶 এই বলে মিম ভার্সিটির ভেতরে চলে গেলো। এদিকে আমার কাছে কোনো টাকা নেই। সত্যি কথা বলতে মানিব্যাগ টা বাড়িতে ফেলে চলে এসেছি। আমি তো আর জানতাম না টাকার প্রয়োজন হবে।এখন কি করি মনে মনে ভাবছি মহা বিপদে পড়ে গেলাম দেখছি। মিম আমার সাথে এমন করলো ভাবতে পারছি না। 😰😰😰 ওই মিয়া ভাড়া দেন হা করে তাকিয়ে আছেন কেনো ( অটোওয়ালা)। জ্বি ভাই আমার কাছে তো কেনো টাকা নেই (আমি)। টাকা নেই মানে? ভাড়া দেন তাড়াতাড়ি নইলে আপনাকে দাতঁ ভেঙে ফেলবো( অটোওয়ালা)।😕😕😕 ওই মিয়া কি কইলেন দাতঁ ভাঙবেন মানে কি বলেন এসব উল্টা পাল্টা (আমি)। যা বলছি ঠিকই বলছি তাড়াতাড়ি ভাড়া দেন নইলে কিন্তু ভালো হবে না (অটোওয়ালা) । 😬😬😬 কি করবেন মারবেন নাকি (আমি)। প্রয়োজন হলে তাই করবো (অটোওয়ালা)। 😆😆😆 মনে মনে এই বেটা তো দেখছি খুবই ফাজিল? মারামারি করবে বলে মনে হচ্ছে,,, মারামারি করলে আগে কেলিয়ে নিবো পরের টা পরে হবে।😈😈😈 দেখি অটোওয়ালা অটো থেকে নেমে পড়লো আর আমার শার্টের কলার ধরে বসলো। আমিও কোনো কিছু না ভেবে দিলাম ঘুষি। মারামারি শুরু হয়ে গেছে ৫ মিনিট মারামারি করার পর ভার্সিটি থেকে কিছু ছাএ এসে আমাদের মারামারি থামালো।😞😞😞 দেখি অটোওয়ালা বেশি মাইর খাইছে তার লুঙ্গী ছিড়ে গেছে আর আমার শার্ট ছিড়ে গেছে। রাগে দিসি বেটাকে কয়েকটা ভালো করে। ধ্যাত কি করবো? আমার শার্টের কলার ধরে, আমি কি ছেড়ে দিবো নাকি। প্রায় ৩০ মিনিট পর মিম কোথা থেকে যেনো আসলো। দেখে আমাদের এই অবস্থা তারপর তাড়াতাড়ি করে ভাড়া দিয়ে অটোওয়ালাকে বিদায় করলো।😣😣😣 আমার খুব রাগ হলো মিম ইচ্ছে করে এই কাজ টা করেছে। সে জানতো আমার কাছে টাকা নেই। মাএ ৬০ টাকার জন্য আজ মারামারি করতে হলো। সালার এলাকার লোকজন গুলো তো দেখছি ভালো না। 😰😰😰 আর ভালো হবেই বা কি করে কুকুর গুলোই তো ঠিক না। আসতে না আসতেই দৌড়াইয়া পুকুরে নামিয়েছে। আর আজ মারামারি? বাবা জানতে পারলে আমাকে আর জীবনে আসতে দিবে না। আর থাকবো না এখানে আজই চলে যাবো। 😩😩😩 এইযে কি হয়েছিলো আপনার সাথে আর আপনার এই অবস্থা কি করে হলো (মিম)। আপনাকে একটা থাপ্পুড় মেরে বুঝাবো কেনো হল এই অবস্থা (আমি)। মিম ভয়ে আর কোনো কথা বলল না। বুজলো আমি অনেক রেগে গিয়েছি। 😡😡😡 মিম ক্লাস না করে সোজা আমাকে নিয়ে বাড়িতে চলে আসলো। এর মধ্যে কোনো কথা হলো না মিমের সাথে। বাড়ির কেউ টের পায়নি আমি মারামারি করেছি। তাড়াতাড়ি ছেড়া শার্ট টা বদলিয়ে ফেললাম।😮😮😮 চিন্তা করছি মামা যদি জানতে পারত আমি মারামারি করেছি তাহলে মিমের বারটা বাজাতো। তাই মামাকে আর কিছু বলিনি। এভাবেই ২-৩ দিন চলে যায় মিমের সাথে কোনো কথা বলিনি। 😠😠😠 এখন থেকে সব জায়গায়,মামার সাথে যাই। 😦😦😦 কিন্তু মিমকে নিয়ে আমার চিন্তা ভাবনা কমছে না। সারা রাত ওর কথা ভাবতে ভাবতে পার হলে যায়। মিমের সেই হাসি, মায়াবি চেহারা যেনো আমাকে মুগ্ধ করে ফেলেছে। ভাগ্যের পরিহাস কেনো আমার সাথে এমনটা হলো। কেমন জানি মিমের প্রতি আরও দুর্বল হয়ে পড়ছি।😣😣 কিন্তু এভাবে আর কতদিন। ভাবলাম এখান থেকে চলে যাওয়া টাই ভালো হবে। পরের দিন সকাল ৭.০০টায় রেডি হচ্ছি আজ আর থাকবো না। মামাকে একটা মিথ্যা বলে চলে যাবো। বলবো ভার্সিটি থেকে স্যার ফোন দিয়েছে। 😕😕😕 আজ এপর্যন্তই,,,,,,?😁

Everything by @Foysal, by month