read.cash Log in

@Saif6878

Joined 18 August 2020 · 86 posts

120 KT

0 KT · 2¢ received · 0 KT given

Posts

@Saif6878

ক্রিকেটপ্রেমী সেই মা-ছেলের সাথে সাক্ষাৎ করলেন মুশফিক গত কয়েকদিন ধরেই সামাজিক মাধ্যমে ঝড় তুলেছে বোরকা পরিহিত মা ও তার মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলের ক্রিকেট খেলার আনন্দে মেতে ওঠার ছবি। ১১ বছরের ছোট্ট শেখ ইয়ামিন সিনান বোলিং করছিল তার মা ঝর্ণা আক্তারকে। ব্যাটসম্যান মা’কে নিজের লেগস্পিনের ঘূর্ণিতে কাবু করে বেশ উল্লাসে মাতে শিশু ইয়ামিন। মা ছেলের এমন অভাবনীয় ক্রিকেট প্রেমের ছবি নেটিজেনদের ছাপিয়ে স্পর্শ করেছে জাতীয় দলের ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমকেও। বুধবার সেই মা ছেলের সাথে সাক্ষাৎ করলেন মুশি। ছবি তুলেছেন তাদের সাথে। সময় নিয়ে গল্প করেছেন ক্ষুদে ক্রিকেটারের সাথে। জানিয়েছেন, এই বয়সে থাকতে তিনি নিজেও এমন ক্রিকেট খেলতে পারতেন না। শিমু ইয়ামিনকে উৎসাহিত করতে ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’খ্যাত এই ব্যাটসম্যান নিজের ‘১৫ নম্বর’ জার্সি, গ্লাভস ও অটোগ্রাফযুক্ত ব্যাটও উপহার দিয়েছেন। মুশফিক জানান, মা-ছেলের খেলার এই দৃশ্য দেখে তিনি বেশ আলোড়িত হয়েছেন। তাগিদ বোধ করেছেন তাদের সাথে দেখা করে উৎসাহিত করার। নিঃসন্দেহে মুশির সাক্ষাৎ পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিশু ইয়ামিন ও তার অ্যাথলেট মা ঝর্ণা আক্তারও।

@Saif6878

জনপ্রিয় সিরিজ ‘মানি হেইস্ট’র প্রফেসরের ১০টি অজানা দিক বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছে স্প্যানিশ সিরিজ ‘লা কাসা ডি পাপেল’ যেটি পরে ইংরেজিতে "মানি হেইস্ট" নামে প্রচার করে নেটফ্লিক্স। সিরিজের ‘প্রফেসর’ চরিত্রটি অসংখ্য মানুষের হৃদয় জয় করে নিয়েছে। ‘মানি হেইস্ট’র প্রফেসর চরিত্রে অভিনয় করেছেন স্প্যানিশ অভিনেতা আলভারো মোর্তে। আলভারো মোর্তে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরুর প্রায় ২০ বছর পর স্পেনে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। এর আগে, বেশ কিছু শর্টফিল্ম ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। সাফল্যের মুখ দেখেন ২০১৭ সালে, ‘মানি হেইস্ট’-এ এল প্রফেসর চরিত্রে। এজন্য সেরা পুরুষ টেলিভিশন অভিনেতা হিসেবে ২০১৯ সালে ‘স্প্যানিশ অ্যাক্টরস ইউনিয়ন’ পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। প্রফেসরকে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের কমতি নেই। তার অজানা ১০টি দিক পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো। ১। তিনি ক্যান্সার থেকে বেঁচে ফেরা মানুষ: ২০১১ সালে আলভারোর পায়ে একটি ক্যান্সারযুক্ত টিউমার পেয়েছিলেন চিকিৎসকরা। এরপর যখন তিনি রোগের চিকিৎসার কথা ভাবেন, তখন তার মনে হয়েছিল যে, তিনি ৩ মাসে মারা যাবেন অথবা তার পা কেটে ফেলা হবে। আলভারো নানা চিন্তায় নিমজ্জিত হয়ে পড়েন। তিনি ভাবতে থাকেন, সমাজের মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করছেন কিনা? তিনি সঠিক পথে চলছিলেন কিনা? ভাগ্যক্রমে তিনি চিকিত্সার মাধ্যমে বেঁচে ফেরেন। তবে তার শরীরে ক্যান্সারের প্রভাব এখনও রয়ে গেছে। ২। তার যমজ সন্তান রয়েছে: আলভারো মোর্তে পরিবারের প্রতি নিবেদিত প্রাণ। তিনি এবং তার স্ত্রী ব্লাঙ্কা ক্লেমেন্টের যমজ দুটি মেয়ে রয়েছে। যদিও ব্যস্ততার কারণে পরিবারের সাথে অনেক বেশি সময় কাটাতে পারেন না আলভারো, যতটা তিনি চান। ৩। তিনি একটি থিয়েটার কোম্পানির মালিক ভালো অভিনেতার সাথে সাথে আলভারো একজন ব্যবসায়ীও। ২০১২ সালে তিনি এবং ব্লাঙ্কা একটি থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন, যার নাম ‘৩০০ পিস্তোলাস’ অর্থাৎ ‘৩০০ বন্দুক’। ৪। তিনি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করেছেন: বর্তমানে অভিনয় সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েই সদা ব্যস্ত সময় কাটে আলভারোর অথচ তিনি পড়াশোনা করেছেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। তার পরিকল্পনার মধ্যেই ছিল না অভিনেতা হওয়া। কিন্তু জীবনের সবকিছু তো হিসেব মতো হয় না। পেশাদার ইঞ্জিনিয়ার না হতে পারলেও প্রফেসর খ্যাতি তো ঠিকই মিলেছে! ৫। তিনি ছিলেন রিয়েল লাইফের একজন প্রফেসর: যদিও মানি হেইস্টের চরিত্রের সাথে আলভারোর বাস্তবে জীবনের মিল নেই, তবে দু’জনের মধ্যে একটি আকর্ষণীয় বিষয় হল আলভারো বাস্তব জীবনেও একজন অধ্যাপক ছিলেন। কিছুদিনের জন্য তিনি ফিনল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। ৬। তিনি মনে করেন ‘মানি হেইস্ট’ কোয়ারেন্টাইনে বিনোদন দিবে মানুষকে: করোনা মহামারির কারণে বেশিরভাগ মানুষ এখন গৃহবন্দি। আতঙ্ক কাটিয়ে ঘরে থেকে বিনোদনের মধ্যে সময় পার করার জন্য ‘মানি হেইস্ট’কে একটি ভালো উপায় মনে করছেন তিনি। আলভারো একটি সাক্ষাত্কারে মানুষকে নিরাপদে থাকাতে বাসায় অবস্থানের পরামর্শ দেন। বলেন, এই সময়ে আপনারা ‘মানি হেইস্ট’ও দেখতে পারেন। ৭। ‘মানি হেইস্ট’র সাফল্যে মিশ্র অনুভূতি ব্যাক্ত করেন আলভারো: ‘মানি হেইস্ট’ সিরিজে অভিনয় করে আলভারো অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। এই শো তাকে অনেক নতুন সুযোগ দিয়েছে, তবে আলভারো এখনও বুঝতে পারছেন না এটি কীভাবে নেয়া উচিত। তিনি দ্যা হিন্দুকে বলেন, ‘সিরিজটি আমার ক্যারিয়ারের জন্য সুফল বয়ে এনেছে। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ, তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি আমার স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলেছি, এই জন্য আমি আমার পরিবারকে এ থেকে যথাসম্ভব দূরে রাখার চেষ্টা করি।’ ৮। তিনি তার চরিত্রগুলো বিশ্লেষণ করতে পছন্দ করেন: বেশিরভাগ অভিনেতা তাদের অভিনয় করা চরিত্রগুলি পড়তে ভালোবাসেন তবে আলভারো এই বিষয়কে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তিনি সেগুলো বিশ্লেষণ করতে পছন্দ করেন। এল প্রফেসর চরিত্রে অভিনয় করার সময় আলভারো বলেছিলেন, এই চরিত্রকে তিনি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। ৯। ‘মানি হেইস্টে’র টাকা থাকলে কী করতেন: যদি মানি হেইস্টের ভক্ত হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি নিশ্চয়ই ভেবেছেন এতোগুলো টাকা দিয়ে কী করা যায়। আলভারো মোর্তেও একই বিষয় চিন্তা করেছেন। যদি সত্যি সত্যি ‘মানি হেইস্টে’র মতো টাকা তার থাকতো, তবে তিনি তা আরও ভাল কাজে ব্যয় করতেন। তিনি জানান, যদি তার কাছে এখন ওই পরিমাণ টাকা থাকতো তবে তিনি তা করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের তহবিল অথবা শরণার্থীদের সহায়তায় ব্যবহার করতেন। ১০। তিনি স্পেনে থাকতে ভালোবাসেন: সাফল্যের পর অনেকে নিজের বাসা থেকে দূরে কোথাও বিলাসবহুলভাবে থাকতে চান। কিন্তু আলভারোর এটি মোটেও পছন্দ নয়। তিনি স্পেনে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং এখনও সেখানেই তার পরিবার নিয়ে বাস করছেন।

@Saif6878

গণতন্ত্র: যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন একটি দেশ গণতান্ত্রিক নয় **রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে বিংশ শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কার্যকরী ছিল পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। একবিংশ শতাব্দীতে এসে সে চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীর অনেকে দেশে গণতন্ত্র নামেমাত্র কার্যকর রয়েছে।** বিংশ শতাব্দীর মতো অনেক দেশে সরাসরি সামরিক শাসন না থাকলেও, অনেক দেশে গণতান্ত্রিক-ভাবে নির্বাচিত সরকারগুলো সামরিক একনায়কদের মতোই আচরণ করছে বলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণে বলা হচ্ছে। অনেক দেশে পরিপূর্ণ বেসামরিক সরকার থাকলেও সেখানে গণতন্ত্র কতটা কার্যকরী আছে সেটি নিয়ে অনেক প্রশ্নের উদয় হয়েছে। একটি দেশে বেসামরিক সরকার ক্ষমতায় থাকলেও সে দেশে গণতন্ত্র নাও থাকতে পারে। কিভাবে বুঝবেন একটি দেশে গণতন্ত্র নেই? ১. প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন: গণতন্ত্রের মূল বিষয় হচ্ছে নির্বাচন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মধ্যে নির্বাচন হলো 'গণতন্ত্রের প্রাণভোমরা' । সে নির্বাচন হতে হবে এবং অবাধ ও স্বচ্ছ। যে দেশে নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি এবং জবরদখল হয় সেটিকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বলতে নারাজ রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা। ২. একনায়করাও নির্বাচন করে: যেসব দেশে বেসামরিক একনায়কতন্ত্র আছে সেখানেও নিয়মিত নির্বাচন হয়। কারণ তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে শাসকগোষ্ঠী তাদের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার চেষ্টা অব্যাহত রাখে। এখন নির্বাচনে কারচুপি শুধু জাল ভোটের মাধ্যমে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা হয়না, এর নানা দিক আছে। লন্ডন স্কুল অব ইকনমিক্সের গবেষক ব্রায়ান ক্লাস বলেন, নির্বাচনের সময় অধিকাংশ একনায়ক শাসক তাদের প্রতিন্দ্বন্দ্বিকে নানা কৌশলের মাধ্যমে নির্বাচনে অযোগ্য করে দেন। ৩. জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করা: গণতন্ত্রে জনগণের মতামতের প্রাধান্য একটি বড় বিষয়। একটি সরকার নির্বাচিত হলেই গণতান্ত্রিক হয়না। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে গণতন্ত্র না থাকলে এবং একনায়কতন্ত্রের আবির্ভাব হলে জনগণের মতামতকে সহিংসভাবে দমনের চেষ্টা করা হয়। এর ফলে জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ইয়াহিয়া আখতার বলেন, 'সিভিলিয়ান অটোক্র্যাট' বা 'বেসামরিক স্বৈরশাসক' বলে একটি কথা রাষ্ট্রবিজ্ঞানে চালু আছে। তিনি বলেন, "অনেক সময় গণতান্ত্রিক সরকারের চরিত্র দেখে অনেক সামরিক শাসকও লজ্জা পেতে পারে।" ৪. ভোটার অংশগ্রহণ কমে যাবে: যে দেশে গণতন্ত্র থাকেনা সেখানে শাসকগোষ্ঠী নিয়মিত নানা ধরণের নির্বাচন অনুষ্ঠান করলেও সেসব নির্বাচনের প্রতি মানুষের কোন আস্থা থাকেনা। ভোটাররা ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। তারা ভোট দেবার জন্য ভোট কেন্দ্রে যেতে চায়না। ৫. সংসদ হবে একদলীয়: রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে একটি দেশে যখন গণতন্ত্র থেকে বিচ্যুত হবার দিকে ধাবিত হয় তখন সংসদে ক্ষমতাসীনদের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকে। সংসদে কার্যত কোন বিরোধী দল থাকেনা। ৬. নিরাপত্তা বাহিনীর প্রভাব: রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে গণতন্ত্র না থাকলে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীগুলো নানা ধরণের আইন-বহির্ভূত কাজ জড়িয়ে পরে। কারণ, শাসক গষ্ঠী তাদের ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নিরাপত্তাবাহিনীকে রাজনৈতিক দমন-পীড়ন এবং সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখার কাজে ব্যবহার করে। ৭. দুর্বল প্রতিষ্ঠান: অধ্যাপক ইয়াহিয়া আখতারের মতে গণতন্ত্র কায়েম করতে হলে কিছু প্রতিষ্ঠানকে কার্যকরী করতে হয়। যেমন: নির্বাচন কমিশন, সংসদ, বিচার বিভাগ ইত্যাদি। অধ্যাপক আখতার বলেন একটি দেশে যদি এসব প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাব থাকে এবং সেগুলো ভঙ্গুর অবস্থার দিকে অগ্রসর হয়, তাহলে বুঝতে হবে সে দেশে গণতন্ত্র নেই। ৮. মতপ্রকাশে ভয় পাওয়া গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকলে স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়। সেক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যমও স্বাধীনভাবে কাজ করতে ভয় পায়। এমনকি শাসকগোষ্ঠী ইন্টারনেটও নিয়ন্ত্রণ করতে চায় যাতে করে মানুষ সেখানে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে না পারে। ৯. দুর্নীতি বেড়ে যাওয়া: একনায়কতন্ত্রে দুর্নীতির ব্যাপক বিস্তার ঘটে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ক্রয় করার জন্য এই দুর্নীতি ব্যবহার করা হয়। এই ব্যবস্থায় দুর্নীতি এমন সুন্দরভাবে সাজানো হয় যে, সেটি অল্প কিছু ব্যক্তির উপর নির্ভর করে। শাসকের অনুগত হবার বিনিময়ে তাদের দুর্নীতি করার সুযোগ করে দেয়া হয়। ফলে তারা আরো ধনী হয়। যদি কোন কারণে সন্দেহ হয় যে তারা শাসকের অনুগত নয়,তখন তাদের দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। ১০. ক্ষমতা হারানোর ভয় একনায়ক শাসকরা অবসরের ভয়ে থাকেন। তাদের মনে থাকে যে ক্ষমতা হারানোর পর একটি অনিশ্চিত পরিস্থিতির তৈরি হবে। ফলে তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ প্রতিশোধ নিতে পারে।

@Saif6878

সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় জানাতে গোটা বুর্জ খলিফা ভাড়া নিলেন দম্পতি! শখ মেটাতে কত কী-ই না করে থাকে মানুষ। এবার জন্মের আগেই সন্তানের লিঙ্গ পরিচয়া জানাতে বুর্জ খলিফা ভাড়া নিলেন দুবাইয়ের এক দম্পতি। জানা যায়, দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন আনাস ও আসালা মারওয়ারা নামের এক দম্পতি। সন্তানের জেন্ডার রিভিল সেরিমনির আয়োজন করেছিলেন তারা। অনুষ্ঠানকে আরও খানিকটা চমকপ্রদ করতে ভাড়া নেন পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু বহুতল ভবন বুর্জ খলিফা। সঠিক সময়ে বুজ খলিফায় শুরু হয় কাউন্ট ডাউন। সমস্ত আলো নিভে যায়, নীল-গোলাপি আলোর স্পাইরালের মধ্যে দিয়েই গোটা বুর্জ খলিফা নীল রঙের হয়ে যায়। তারপর তাতে লেখা ওঠে ‘ইট’স অ্যা বয়’। গোটা ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হতেই ভাইরাল হয়ে যায়। সন্তান জন্মের ঠিক আগের মুহূর্তে এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিলেন এ দম্পতি। আর বুর্জ খলিফায় এই কয়েক সেকেন্ডের আলোকসজ্জার জন্য খরচ পড়েছে ৮৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

@Saif6878

কি দেখে বুঝবেন এখন কেউ আত্মহত্যা করবে মানসিক সমস্যাগ্রস্তদের মনের খবর জানা অনেক কঠিন কাজ, কিন্তু আমরা তার কথা ও কাজের মাধ্যেমে বুঝতে পারি তার মনের ভিতর কি চলছে, আর এই উপায়ে আমরা জানতে পারি কে আত্মহত্যাপ্রবণ **সবসময় আত্মহত্যার কথা বলা ও চিন্তা করা** প্রায়ই যদি বলে নিজেকে মেরে ফেলবো, আর ভালো লাগছে না, আমি আর বাঁচতে চাই না,  এখানে বাঁচার মতো আর কিছু নেই। জীবনটা ফাঁদে আটকে গেছে।এই সব চিন্তার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নিজের ওপর যত্নহীন হয়ে পড়ে। সেলফ কেয়ার করেনা। সবসময় ক্লান্ত অনুভব করে। তাই যারা এসব কথা বলে তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। **চরম হতাশা অনুভূত হওয়া** নিজেকে খুব দু:খী মনে করে,  কোন কাজে আগ্রহ না থাকা,  ঘুম না হওয়া,  খেতে ইচ্ছে না করা। নিজেকে কষ্ট দেয়া। নিজের ক্ষতি করার চেষ্টা করা। এসব চরম আকার ধারণ করলে আত্মহত্যার ঝুকি বেড়ে যায়। **একাকী থাকা** পরিবার বন্ধুবান্ধব থেকে আলাদা হয়ে একাকী থাকার প্রবণতা বেড়ে যায়,  কারো সাথে না মিশে একা একা বেশি সময় কাটানো। প্রিয় বন্ধু ও পরিবার থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়া। সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ না করা। সামাজিক বন্ধন থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিলে এসব মানসিক আহত ব্যক্তিদের ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। যেকোন সময় ঘটিয়ে ফেলতে পারে দুর্ঘটনা। **আগ্রহ কমে যাওয়া** একটা বিষয়ে আগে খুব আগ্রহ ছিল কিন্তু সে বিষয়ে এখন আর আগ্রহ নেই,  তখন বুঝতে তার মধ্যে কিছু একটা ঘটছে। যেসব কাজে আগে আনন্দ পেতো, নিজে ইচ্ছে করেই সেগুলো করতো এখন সেটা আর না করা। কিছু মানুষের নেচার থাকে একটা বিশেষ কাজে আগ্রহ থাকা সেটা না থাকেলই বুঝতে হবে কোন সমস্যা আছে। খুব পছন্দের জিনিস যা দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রহ করেছে তা অন্যকে দিয়ে দেয়া। আচার আচরনে পরিবর্তন চলে আসা। খুব জোরে চলাফেরা বা কথা বলা অথবা খুব ধীর গতির হয়ে পড়া। নিজের অস্তিত্বের প্রতি উদাসীন থাকা। এসব দেখলে বুঝতে ব্যক্তি এখন ঝুকিপূর্ন অবস্থায় আছে। **হতাশাবাদী মন্তব্য করা** খুব বেশি পরিমানে অসহায়,  জীবনটা বৃথা,  আমার আপন কেউ নেই  এসব মন্তব্য করা। আমি না থাকলেই সবাই ভালো থাকবে,  আমি না থাকলে আমার পরিবার, বন্ধুরা ভালো থাকবে। এসব ভাবনাকারীরা নিজের বেঁচে থাকাটা উদ্দেশ্যহীন, অর্থহীন মনে করে। চিন্তা করো না আমি আর থাকবো না আর তোমাদের ডিস্টার্ব করবো না। আমি চলে গেলে তোমরা তখন বুঝবা আমি তোমাদের কি ছিলাম,  তোমরা তখন দু:খিত হবে। এসব মন্তব্য করলে তার মধ্যে আত্মহত্যার ঝুকি রয়েছে মনে করা হয়। **খুব বেশি ঘুম আবার নির্ঘুম থাকা** শুধু ঘুমুচ্ছে আর ঘুমুচ্ছে আবার জেগে আছে তো আছে,  কয়েকদিন ধরে টানা ঘুমুচ্ছে আবার জেগে থাকছে। ঘুমের কোন ঠিক ঠিকানা নেই। দিনের স্বাভাবিক রুটিন পরিবর্তন হয়ে যাওয়া। ঘুমের সার্কেলে অসুবিধা হলে মানসিক সমস্যাগ্রস্থদের আত্মহত্যার ঝুকি বাড়ে। **সম্প্রতি কোন দুর্ঘটনা:** সম্প্র্র্রতি কোন দুর্ঘটনা মানসিক সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়,  যেমন- প্রিয় কেউ মারা যাওয়া,  ডিভোর্স হওয়া,  সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া,  চাকরি চলে যাওয়া ও খুব অর্থকষ্টে থাকা। **হঠাৎ করেই খুব খুশি,  হতাশ,  চুপচাপ** যদি হঠাৎ করেই মনে হচ্ছে খুব খুশি খুশি আচরন করছে বা একদম চুপচাপ হয়ে পড়েছে,  খুব দুঃখিত হয়ে পড়ছে। অথবা বলে আমি না থাকলেই তোমাদের জন্য ভালো,  আমি তোমাদের খুব বিরক্ত করছি। হুট করেই যদি চোখে পড়ার মতো মুড পরিবর্তন হয়ে যায়। আবেগ প্রবণ হয়ে খুব আক্রমনাত্মক বা সহিংস আচরন করা। বার বার আবেগ উঠানামা করে তাহলে সতর্ক হওয়া উচিত। **গুডবাই জানানো:** হুট করেই পুরনো বন্ধুদের সাথে দেখা করে বা ফোন করে বলে ভালো থেকে তোমরা, গুডবাই জানায়  অথবা পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে ধরে বিদায় চায়,  এসময় যদি কেঁদে ফেলে তাহলে ঝুকি বেড়ে যায়। সুইসাইডাল নোট লিখে রাখা বা পৃথিবীতে আর থাকবে না এরকম প্রস্তুতি নেয়া। সুইসাইটের জন্য উপকরণ সংগ্রহ করা (ঔষধ,  চাকু ইত্যাদি)। ইমোশনাল পেইন থেকে মুক্তির জন্য মৃত্যুর প্রস্তুতি নেয়া। **খুব উত্তেজিত থাকা:** কোন বিষয় নিয়ে খুব উত্তেজিত থাকা,  এসময় ব্যক্তি বলে- পৃথিবীটা খুব কঠিন জায়গা,  আমি কোনভাবেই আর এসব মেনে নিতে পারবো না। আমি আর কারো ওপর বোঝা হয়ে থাকতে চাই না। কেউ আমাকে বুঝতে পারছে না। আর এখানে আমার করার মতো কিছু নেই যা অন্য কারোর জন্য ভালো হবে,  আমি থাকা মানেই সবার ক্ষতি করে যাওয়া। আমি না থাকেলই তোমরা ভালো করবে বা ভালো থাকবে। **বেশি পরিমানে ড্রাগ ও অ্যালকোহল গ্রহণ:** মানসিক অসুস্থ ব্যক্তি বেশি পরিমানে ড্রাগস ও অ্যালকোহল গ্রহণ করলে আত্মহত্যার ঝুকি বেড়ে যায়। **খুব ওজন কমে ও বেড়ে যাওয়া:** কোন মানসিক সমস্যাগ্রস্থদের হঠাৎ করে খুব ওজন বেড়ে, কমে গেলে তার মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা তৈরী হয়। **আগে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে** সম্প্রতি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলো কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে,  এদের মধ্যে আবার আত্মহত্যার ঝুকি থেকে থাকে। এসময় খুব এসব ব্যক্তিদের নজরে রাখা উচিত। উল্লেখ্য এসব নমুনা সাধারনত আত্মহত্যা প্রবণ ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে কিন্তু ব্যক্তিভেদে এসব নমুনা প্রযোজ্য নাও হতে পারে। **কিভাবে কথা বলবেন আত্মহত্যা প্রবণ ব্যক্তির সাথে** কথা বা আচরন করার আগে জেনে নিন কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর। প্রথমেই জেনে নিন **তিনটি প্রশ্নের উত্তর:** ১. কিভাবে আত্মহত্যা করবে? ২. কখন করবে? ৩. আত্মহত্যার প্লান বাস্তবায়নের জন্য কি পদক্ষেপ নিয়েছে? এরপর জেনে নিন **আরো দুটি প্রশ্নের উত্তর** ১. কোন ধরণের অ্যালকোহল ও ড্রাগস নিয়েছে কিনা? ২. এর আগে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে কিনা? **এরপরের ধাপ:** জিজ্ঞেস করুন তার সাথে আত্মহত্যার কোন উপকরণ আছে কিনা,  কৌশলে সেটা সরিয়ে ফেলুন। যখন বুঝতে পারবেন,  আপনার সাথের ব্যক্তি আত্মহত্যাপ্রবণ,  ভাবছেন কিভাবে তার সাথে কথা বলবেন। নিচের প্রক্রিয়া প্রয়োগ করতে পারেন। ১. বলুন আপনি তার প্রতি খুব যত্নশীল,  আপনি তাকে সাহায্য করতে চান। ২. তার আবেগ অনুভূতির সাথে একাত্ম হউন,  খুব করে বুঝতে দিন তার অনুভূতি আপনাকেও নাড়িয়ে দিয়েছে।তার প্রতিটি কথা আপনি মনোযোগের সাথে শুনছেন। ৩. কোন একপর্যায়ে বলুন আত্মহত্যার চিন্তার একটি নিরাময়যোগ্য মানসিক সমস্যা, এখান থেকে অবশ্যই বের হয়ে আসা যায়। এক ধরনের আশার আলো দেখাতে হবে। ৪. এমনভাবে বুঝাতে হবে যে আত্মহত্যা চিন্তা একটি সাধারন চিন্তার মতো একটি,  তাই চিন্তা করলেই আত্মহত্যা করতে হবে এর কোন মানে নেই। ৫. কথা বলার সুযোগ দিতে হবে,  যাতে করে ব্যক্তি তার ইমোশন প্রকাশ করতে পারে,  হয়তো সে তার আত্মহত্যার যৌক্তিকতা তুলে ধরবে এবং এ কাজটার মাধ্যেমেই সে নিজেকে মুক্তি দিতে চায়। আর এই কথা বার্তাই তাকে আত্মহত্যা থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে এবং সমস্যার সমাধান খুঁজে পাবে। সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবেন কিন্তু কখনই নিজে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন না,  তা তার ওপর ছেড়ে দিন। **কিভাবে নিরাপত্তা দিবেন তাকে** ১. একজন আত্মহত্যা প্রবণ ব্যক্তিকে একা থাকতে দেয়া যাবে না। এমন ব্যবস্থা করে রাখা তার সাথে সবসময় একজন থাকবে। সবসময় তাকে সহযোগিতার মুডে থাকতে হবে কখনই বুঝানো যাবে না তার কাজে আপনি বিরক্ত বা পরিবার অসুবিধায় পড়েছেন, এটা বুঝলে ব্যক্তি আবার অপরাধবোধে ভুগে আত্মহত্যা করে বসতে পারে। এসময় সরাসরি মানসিক চিকিসকের আওতায় নিয়ে আসা।

@Saif6878

শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীরণের চুক্তিতে মধ্যাস্থতা করেন তিনি। ঐতিহাসিক এ শান্তি চুক্তির কারণে ২০২১ সালের জন্য ট্রাম্পকে মনোনীত করা হয়। এ খবর জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম ফক্স। নরওয়ের রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য টাইব্রিং-জেড্ডে এ বছর নোবেল পুরস্কারের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম প্রস্তাব করেন। নরওয়ের চারবারের নির্বাচিত এই আইনপ্রণেতা ফক্স নিউজকে বলেন, ‌‘তার (ট্রাম্প) যোগ্যতার জন্য, আমি মনে করি তিনি শান্তি পুরষ্কারের জন্য মনোনীত অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে দেশগুলোর মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আরও বেশি চেষ্টা করেছেন।’ টাইব্রিং-জেড্ডে নোবেল কমিটির মনোনয়নের চিঠিতে লিখেছেন, ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে ট্রাম্প প্রশাসন মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। আশা করা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে। এই চুক্তি একটি গেম চেঞ্জার হতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যকে সহযোগিতা ও সমৃদ্ধির অঞ্চলে পরিণত করবে। গত ১১ আগস্ট ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে রাজি হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এই দুই দেশের ‘ঐতিহাসিক চুক্তির’ কথা ঘোষণা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরাইলের সঙ্গে কোনো আরব দেশের এই চুক্তি ১৯৪৮ সালে দেশটির স্বাধীনতা ঘোষণার পর তৃতীয় ঘটনা। এর আগে ইসরাইলের সঙ্গে ১৯৭৯ সালে মিসর ও ১৯৯৪ সালে জর্ডান চুক্তি করেছিল। নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রবর্তনের পেছনের উদ্দেশ্য ছিল, বিশ্বজুড়ে হানাহানি আর সংঘাত বন্ধে সত্যিকার অর্থে যারা অবদান রেখেছেন বা রাখছেন, তাদের পুরস্কৃত করার মধ্য দিয়ে শান্তির সম্ভাবনার ধারণাকে এগিয়ে নেওয়া।

@Saif6878

তাহেরীর মাদক ও কিশোর গ্যাং বিরোধী সভা পণ্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশি বাধায় পণ্ড হয়েছে আলোচিত বক্তা মাওলানা মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরীর মাদক ও কিশোর গ্যাং বিরোধী সভা। বুধবার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের চাপুইর গ্রামে সভাস্থলে গিয়ে সভা বন্ধ করে দেয় পুলিশ। এতে করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সভায় আগতরা। তবে করোনাভাইরাসের কারণে ছোট পরিসরেই সভার আয়োজন করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন মাওলানা তাহেরী। বুধবার সকালে আলোচিত ও সমালোচিত বক্তা মাওলানা মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরীর প্রতিষ্ঠিত সংগঠন দাওয়াতে ঈমান বাংলাদেশের পঞ্চম বাষির্কী উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার চাপুইর গ্রামে তার নিজ বাসভবনের সামনে মাদক ও কিশোর গ্যাং বিরোধী সেমিনারে আয়োজন করা হয়। সভায় মাছিহাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল আমিনুল হক পাভেল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। পুলিশ সভা বন্ধ করে দেওয়ায় চেয়াম্যান সভাস্থলে আসেননি। বেলা ১১টায় সদর মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সভা বন্ধ করতে বলে। করোনাভাইরাসের কারণে গণজমায়েত করা যাবেনা বলে জানান এসআই সোহরাব হোসেন। পরে মাওলানা মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরী সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের এলাকায় মাদক এমনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যার জন্য মাদকবিরোধী সভা করা খুবই প্রয়োজন মনে করেছি। যে কিশোররা পড়ালেখা করে দেশ ও জাতির কল্যাণ করবে, তারা কিশোর গ্যাং তৈরি করছে। তাদরকে সচেতন করার জন্য এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে মাদক ও কিশোর গ্যাংবিরোধী সভার আয়োজন করেছিলাম। তিনি আরও বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে আমরা ছোট পরিসরে আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু প্রশাসন থেকে নিষেধ করা হয়েছে। তবে প্রশাসন আমাদের জানিয়েছে পরবর্তীতে তারাও এ অনুষ্ঠানে থাকবে। এই ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহরাব হোসেন জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারিভাবে গণজমায়েত নিষিদ্ধ রয়েছে। সে জন্য মাওলানা তাহেরী সভা বন্ধ রাখার জন্য বলা হয়েছে।

@Saif6878

জেলখানা, নাকি চিড়িয়াখানা? এল সালভাদরের অপরাধী গ্যাংদের জন্য এমন এক জেলখানা রয়েছে যেখানে গেলে প্রথমেই মনে হয় এটা জেলখানা নাকি চিড়িয়াখানা। কয়েদিরা সেখানে এমনভাবে বন্দি আছে যেন দেখলেই মনে হয় এটা কখনোই বন্দিশালা নয়। ডয়লে ভেচে জানিয়েছে, এমন দু’টি জেলখানা পরিদর্শনের সুযোগ মিলেছে গণমাধ্যমগুলোর। বন্দিদের সঙ্গে সরকারের নানা আলোচনা ও শর্তের বিনিময়ে সংবাদমাধ্যমগুলোকে সেখানে যেতে দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই জেলখানা বিবাদমান দুই গ্যাংয়ের সদস্যদের রাখা হয়েছে। ‘বারিও এইটিন’ আর ‘এমএস থার্টিন’ নামে পরিচিত তারা। দুই দলের সদস্যদের দু’টি জেলখানায় একসঙ্গে রাখা হয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীরা যখন সেখানে পরিদর্শন করে তখন তাদের কারও শরীরে জামা দেখতে পাননি। অধিকাংশই অন্তর্বাস পরিহিত ছিলেন। যদিও করোনার কারণে মাস্ক ছিল তাদের মুখে। কিন্তু রাখা হয়েছে গাদাগাদি করে। ২৬০০ গ্যাং সদস্যের একজন বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, তারা তাদের আত্মীয়-স্বজনের বা বাইরের কারো সঙ্গে দীর্ঘ সময় দেখার সুযোগ পাননি। তাদের অসুস্থতাকালীন বা স্বাভাবিক চাহিদাগুলোর কোনোটিই সেখানে পূরণ করা হয় না। দেশটির সরকারি হিসাবে দেশটিতে অপরাধী গ্যাংয়ের সদস্য প্রায় ৭০ হাজারের মত। এর মধ্যে এখন ১৭ হাজার বন্দি রয়েছেন বিভিন্ন কারাগারে।

@Saif6878

আপন ছোট ভাইকে হত্যা করে নিজ ঘরে পুতে রাখে লাশ! কুমিল্লার দেবিদ্বারে আপন ভাইকে হত্যার পর নিজ ঘরের ভেতরেই পুতে রাখা হয় লাশ। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ ভিংলাবাড়ী গ্রাম থেকে ওই ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সোহেল (৩২) দক্ষিণ ভিংলাবাড়ী গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে। পুলিশ সন্দেহভাজন ঘাতক ইব্রাহিমের স্ত্রী রোজিনা বেগমকে আটক করেছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ৩০ আগস্ট দক্ষিণ ভিংলাবাড়ী গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ইব্রাহিম এবং সোহেল মিয়ার মাঝে মারামারি হয়। ইব্রাহিম তার স্ত্রী রুজিনাকে নিয়ে ছোট ভাই সোহেল মিয়াকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে ঘটনাস্থলেই সোহেল মারা যান। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ইব্রাহিম আপন ভাইয়ের লাশ বস্তাবন্দী করে তার নিজ গৃহেই পুঁতে রাখেন। পরে বেশ কয়েকদিন যাবৎ তাকে খুঁজে না পেয়ে নিহতের ভাগিনা মাইনুদ্দিন সোহেল কোথায় আছে জানতে চান। এ সময় ঘাতক ইব্রাহিম জানান সোহেলকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে দেয়া হয়েছে। স্বজনরা কোন নিরাময় কেন্দ্রে তাকে দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে ইব্রাহিম তাদের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে নিজেই আত্মগোপন করেন। আশপাশের লোকজন ইব্রাহিমের স্ত্রী রোজিনা বেগমকে চাপ দিলে নিজ গৃহেই সোহেলের লাশ পুতে রাখা হয়েছে বলে জানান। খবর পেয়ে দেবিদ্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন জানান, নিহতের ভাই ঘাতক ইব্রাহিমের স্ত্রীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিখোঁজ সোহেল মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন ভাই ইব্রাহিম পলাতক থাকলেও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়।

@Saif6878

Soccer meme Actually last plan is not the dutch plan, it's chinese plan

@Saif6878

হাসপাতালে নেয়ার পথে করোনা আক্রান্ত তরুণীকে ধর্ষণ করলো অ্যাম্বুলেন্স চালক করোনা আক্রান্ত তরুণীকে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার সময় ধর্ষণ করলো অ্যাম্বুলেন্স চালক। এ ঘটনা ভারতের কেরালার পথনমথিট্টার। খবর জি নিউজ। পুলিশ জানায়, অ্যাম্বুলেন্সটি দুইজন করোনা রোগীকে দুটি ভিন্ন ভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিল। প্রথমে একজন বৃদ্ধাকে হাসপাতালে নামায়। তারপর ওই তরুণীকে হাসপাতালে নেয়ার পরিবর্তে ফাঁকা মাঠে নিয়ে ধর্ষণ করে অ্যাম্বুলেন্স চালক। এ ঘটনায় চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অবশ্য ভারতে করোনা আক্রান্তকে যৌন নির্যাতন এটাই প্রথমবার নয়। এর আগে জুলাই মাসে দিল্লিতে এক করোনা আক্রান্ত নারীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

@Saif6878

ট্রাম্পের জন্য ভোট চাইলেন লাদেনের সেই আলোচিত ভাতিজি নুর যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য ভোট চাইলেন আল কায়েদার সাবেক নেতা ওসামা বিন লাদেনের আলোচিত ভাতিজি নুর বিন লাদেন। মার্কিন বাহিনীর হাতে নিহত আল কায়েদার সাবেক নেতা ওসামা বিন লাদেনের ভাতিজি নুর বিন লাদেন সুইজারল্যান্ডে বসবাস করলেও ২০১৫ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়ে আসছেন। নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। এর আগে "আমেরিকা কাপাচ্ছেন লাদেনের ভাতিজি" শীর্ষক শিরোনামে একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন বেশ চাউর হয়। সেই থেকেই আলোচিত লাদেনের ভাতিজি নুর বিন লাদেন। নুরের মা সুইস লেখক কারমেন ডুফুর, বাবা সৌদি ধনাঢ্য পরিবারের ছেলে ইয়েসলাম বিন লাদেন। ১৯৮৮ সালে নুরের মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এর পর ২০০১ সালে ৯/১১ হামলার পর ২০০৪ সালে লাদেন পরিবার নিয়ে বই লিখে ব্যপক খ্যাতি পান নুরের মা কারমেন। উল্লেখ্য, আগামী ৩ নভেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এরই মধ্যে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দু’দলের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচনের মাঠ গরম করে চলেছেন। রিপাবলিকান প্রার্থী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আর ডেমোক্র্যাট দলের জো বাইডেনকে তাদের তারকা সমর্থকরা সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। এর ধারাবাহিকতায় ওসামা বিন লাদেনের ভাতিজি বর্তমান ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি তার সমর্থন জানালেন। এ বিষয়ে নুরের বক্তব্য, জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ধরে নিতে হবে আরেকটি ৯/১১ দোরগোড়ায়। আরেকটি ৯/১১ ঠেকাতে পারবেন কেবল বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

@Saif6878

Leisure time When you have plenty of time & you're that lazy to do anything & also have nothing to do whole day, then you decide to do something really stupid & boring but kind of fun too. Last night I did this😂🤣

+2 more

@Saif6878

অন্য মেয়েকে বিয়ে করায় প্রাক্তন প্রেমিকের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ তরুণীর অন্য মেয়েকে বিয়ে করায় প্রাক্তন প্রেমিকের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করেছেন এক তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের কুরনুল জেলার পেড্ডা কোট্টালা গ্রামে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার। খবরে বলা হয়, দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাদের বিয়ে ভেঙে যায়। পরে অন্যত্র বিয়ে করে ওই যুবক। তা মেনে নিতে না পেরে ওই তরুণী অ্যাসিড হামলা চালান বলে দাবি ছেলেটির পরিবারের। পুলিশ জানিয়েছে, অ্যাসিড হামলার শিকার ওই যুবকের নাম নগেন্দ্রে। একটি মুদিখানার দোকানে কাজ করেন তিনি। অভিযুক্ত সুপ্রিয়ার সঙ্গে তিন বছর ধরে সম্পর্ক ছিলো তার। দু’জনে বিয়ে করবেন বলেও ঠিক করেন। কিন্তু তাদের প্রণয়ে বাধা হয়ে দাঁড়ায় জাতপাতের ভেদাভেদ। নগেন্দ্র ও সুপ্রিয়ার পরিবার বিয়েতে রাজি ছিলো না। তাই শেষমেশ বিয়ে ভেঙে যায় এবং গত মাসে লক্ষ্মী নামের অন্য এক তরুণীকে বিয়ে করে সংসার পাতেন নগেন্দ্র, যা একেবারেই মেনে নিতে পারেননি সুপ্রিয়া। পুলিশ আরও জানায়, আর এ জন্যই নগেন্দ্রকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড ছোড়েন সুপ্রিয়া। হামলার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ওই যুবককে হাসপাতালে ভর্তি করেন তার পরিবারের লোকজন। হামলায় তিনি গুরুতর জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই মুহূর্তে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। এদিকে, পুলিশকে নগেন্দ্র জানিয়েছেন সুপ্রিয়ার সঙ্গে কথা বলেই অন্যত্র বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এমনকি সম্পর্কে ইতি টানার জন্য সুপ্রিয়া তার কাছ থেকে টাকাও নেন বলে দাবি করেছেন নগেন্দ্রে। তার অভিযোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সুপ্রিয়ার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়নি।

@Saif6878

My sister's cooking photos My younger sister is a top notch chef to me, she is also really caring. She always try to make great dishes for family, especially for me. In this quarantine I have gained 10 kg weight because of her. Although I'm really lucky to have her, may allah bless her. Stay tuned for more. Thank you.

+2 more

@Saif6878

What is love? Just for fun. Here's some pictures I have collected a long time ago, about love & relationship maybe, let's see

+4 more