চিংড়ি-শুঁটকির ভর্তা
যা যা লাগবে: ১. চিংড়ির শুঁটকি- ১ কাপ ২. পেঁয়াজ কুচি- ২ টেবিল চামচ ৩. ধনে পাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ ৪. নারকেল বাটা- আধা কাপ ৫. লবণ- স্বাদমতো ৬. শুকনা মরিচ- ১০- ১২ টা
যেভাবে করতে হবে: ১. প্রথমে শুকনা মরিচগুলো কড়াইয়ে দিয়ে টেলে মিহি করে বেটে নিতে হবে। ২. এবার শুঁটকিগুলোও টেলে বেটে নিতে হবে। ৩. এবার শুঁটকি ও শুকনো মরিচ বাটার সঙ্গে বাটা নারকেল, মরিচ, লবণ, পেঁয়াজ কুচি ও ধনে পাতা দিয়ে মেখে ভর্তা তৈরি করে পরিবেশন করুন।
চট্টগ্রামের লোকেরা এই ভর্তা খুব পছন্দ করে। এছাড়াও ভর্তা পছন্দ করে না এমন মানুষ খুব কমই আছে। আশা করি এই ছোট্ট রেসেপিটি আপনাদের সবার খুব ভালো লাগবে। ধন্যবাদ সবাইকে আমার সঙ্গে থাকার জন্য।😘 লাইক, কমেন্ট এবং সাবস্ক্রাইব করুন, যদি আমার রেসেপিটি ভালো লাগে।😇
10 comments
আহা!!! চিংড়ি শুঁটকির ভর্তা।। জিভে জল এসে যায়!!😋😋
আমারও। আর এটি আসলেই জিভে জল আনার মতোই একটি খাবার। আর তা যদি মায়ের হাতে বানানো জয় তবে তো খাবারের স্বাদ আরো বেড়ে যায়।
অনেক অনেক পছন্দের খাবার। সাথে যদি লেবু দিয়ে পানি লবন মিশিয়ে ঝোল বানিয়ে খাওয়া যায় আরো ভালো। গরমকালে প্রায় খাওয়া হয়। কমন রেসিপি। বাই দ্যা ওয়ে আপনি চট্টগ্রাম এর নাকি?
না, আমি ময়মনসিংহের। তবে আমাদের শুটকি খুব পছন্দের একটি মেনু। তাই বাজারে শুটকি পাওয়া গেলেই বাবা বেশি করে কিনে রাখেন। আর শুটকি সহজে নষ্ট হয় না তাই সমস্যা হয় না।
চিংড়ি শুটকি ভর্তা অনেক পছন্দের খাবার। দেখে তো জিভে জল চলে আসতেছে। খেতে তো আরো অনেক মজা হবে।
হ্যা এটি খেতে অনেক মজার। তবে আমাদের এদিকে চিংড়ি শুটকি তেমন একটা পাওয়া যায় না। যখন পাওয়া যায় বাবা অনেক বেশি করে কিনে রাখেন।😇
এই রেসিপি টি আমার কাছে খুব প্রিয় , সব সময় খাবার খেয়ে থাকি।গরম গরম ভাতের সাথে এই রেসিপি অনেক ভালো লাগে।
হ্যা এটা একদম ঠিক। গরম গরম ভাতের সাথে চিংড়ি শুটকি ভর্তা খুব মজা লাগে। আমি সবসময় গরম গরম ভাতের সাথেই এটি খাই। অনেক সুস্বাদু এবং মজাদার।
ওয়াও শুটকি ভর্তা দেখেই জিভে জল চলে আসছে। পান্তা ভাত দিয়ে খেতে সেরকম মজা লাগে।
আমার কাছে গরম ভাত দিয়ে খেতে খুব মজা লাগে। গরম ধোয়া উঠা ভাত আর চিংড়ি শুটকি ভর্তা একটা দারুন কম্বিনেশন। একবার খেয়ে দেখতে পারেন।