Join 91,629 users already on

Constitution of Bangladesh of 1972

0 7
Avatar for Mobarok0210
Written by   37
6 months ago

A constitution is a written document of a country and the source of all kinds of laws. Since Bangladesh did not have its own constitution before 1971, emphasis was laid on the formulation of the constitution after independence and a democratic provision suitable for Bangladesh was formulated in just 9 months. The first constitution was drafted by the Constitution Drafting Committee headed by Dr. Kamal Hossain. After the Constituent Assembly finally approved the draft constitution, the constitution of Bangladesh came into force on 16 December 1972. In the constitution of 1972, the constitutional rules of governing the state were based on a number of features and played an active role in protecting the rights of the Bengalis.

Key Features of the Constitution of 1972: The Constitution of Bangladesh enacted on 16 December 1972 gives a realistic picture of the implementation of the hopes and aspirations of the people. The main features of the Constitution of 1972 are discussed below:

Written Constitution: One of the main features of the Constitution of 1972 is that the Constitution is a written document. This constitution is written on every subject. The constitution contains a preamble, eleven parts and four schedules. Besides, the constitution consists of 153 articles. The first part is the characteristics of the republic, the second part is the principles of governance, the third part is fundamental rights, the fourth part is the executive branch, the fifth part is the parliament, the sixth part is the judiciary, the seventh part is the election, the eighth part is the audit and regulatory commission. The issues have been discussed in writing.

Language: The constitution has been written in Bengali and English. However, the constitution made Bengali the only state language and the first ten songs of the world poet Rabindranath Tagore's 'Amar Sonar Bangla' as the national anthem of Bangladesh. The constitution of 1972 referred to the citizens of this country as Bengalis. That is, the main feature of the constitution of the seventy-two is the use of Bengali language.

Mutable: Another important feature of the Constitution of 1972 is that it cannot be easily changed. Changing the constitution requires a two-thirds vote of MPs. However, some sections of the constitution cannot be changed if desired. Therefore, the constitution of 1972 is termed as a changeable constitution. Moreover, if two-thirds of the votes are not cast, no change is deemed worthy of change.

Principles of Governance: In the preamble of the 1972 constitution, four norms have been adopted as the principles of governance. Namely, nationalism, socialism, democracy and secularism. Its main goal was to establish a society where the rule of law is a fundamental right for all citizens and to ensure political, economic and social equality, freedom and justice. One of the key features of the 1972 constitution was the incorporation of the principles of governance which have been used as a tool of the state system.

Formulation of Parliamentary System of Government: Another feature of the Constitution of 1972 was the formulation of parliamentary system of government. In the 1972 constitution, the cabinet introduced the system of governance and vested all de facto power in the hands of the prime minister. The constitution provides for a one-chamber legislature with 300 members and 15 women members in reserved seats.

Mention of Fundamental Rights: One of the features of the Constitution of 1972 is to enshrine the fundamental rights of the people. Fundamental rights are inserted in Articles 27-44 of the Constitution. Article 44 of the Constitution protects the Supreme Court from ensuring all kinds of fundamental rights. In other words, the basic human rights such as freedom of movement, freedom of speech, organization, rights, etc. have been guaranteed by the constitution. As a result, the basic human rights have been recognized as statutory by law.

Discipline of Members of Parliament: If a Member of Parliament leaves his party or votes against the decision of the party, he will lose his seat of Parliament (Article 70 of the Constitution of Bangladesh). This provision has been made in the interest of the stability of the government.

Provision of Ombudsman: Another feature of the Constitution of Bangladesh is the creation of the post of Ombudsman. Parliament can create this post by law. The ombudsman can conduct necessary investigations against any ministry, government official-employee. He will be the only local member of parliament.

Establishment of the Supreme Court: According to the Constitution, the Supreme Court is the highest court in the country. Under the Constitution, the Chief Justice and other judges will be able to conduct judicial proceedings independently. He will be responsible only to the parliament.

Administrative Tribunal: The Constitution of Bangladesh has jurisdiction over matters relating to the appointment, transfer, dismissal, promotion, punishment, and management and management of state-owned property by law. 😯

In conclusion, the 1972 constitution was a written non-binding constitutional document. It was a widely written document and was superior to other constitutions in the subcontinent. In some cases conflict and weakness were widely reflected. The key features of this constitution, as well as the role it played in strengthening the hopes and aspirations of the people and the constitutional system, also served as the main source of law. Therefore, it can be said that the main feature of the constitution of 1972 is based on the constitutional basis.

👉 (Photo collected from Google) 👈

#OriginalContent ✌️

#OurHistry72Constitution 😯

Written by @Mobarok0210

(Use translator to convert Bangla to English)

সংবিধান একটি দেশের লিখিত দলিল এবং সমস্ত প্রকার আইনের উৎস। 1971 সালের পূর্বে বাংলাদেশের নিজস্ব সংবিধান ছিল না বিধায় স্বাধীনতার পর সংবিধান প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং মাত্র 9 মাসের ব্যবধানে বাংলাদেশের জন্য উপযোগী একটি গণতান্ত্রিক বিধান প্রণয়ন করা হয়। ডঃ কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন করে। অতঃপর গণপরিষদ খসড়া সংবিধান চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করলে 1972 সালের 16 ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়। 72 এর সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার শাসনতান্ত্রিক বিধিবিধান সংক্রান তো বেশ কিছু বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে বাঙালির স্বাধিকার রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

72 এর সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্যঃ 1972 সালের 16 ডিসেম্বর বাংলাদেশের যে সংবিধান প্রণয়ন করা হয় তাতে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয় নিচে বাহাত্তরের সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলোঃ

  1. লিখিত সংবিধানঃ 72 এর সংবিধান এর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য সংবিধান একটি লিখিত দলিল। এ সংবিধানে প্রতিটি বিষয়ে লিখিত। এ সংবিধানে একটি প্রস্তাবনা, এগারোটি ভাগ ও চারটি তফসিল লিখিত রয়েছে। এছাড়া 153 টি অনুচ্ছেদের সমন্বয়ে গঠিত এ সংবিধান। এরে প্রথমভাগে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ, দ্বিতীয়ভাগে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি সমূহ, তৃতীয় ভাগ এর মৌলিক অধিকার, চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ, পঞ্চম ভাগ জাতীয় সংসদ, ষষ্ঠ ভাগ বিচার বিভাগ, সপ্তম ভাগে নির্বাচন, অষ্টম ভাগের হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কমিশন, দশম ভাগে সংবিধান সংশোধন ও একাদশ ভাব বিষয়াদি লিখিত আকারে আলোচিত হয়েছে।

  2. ভাষাঃ সংবিধান বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লিখিত হয়েছে। তবে সংবিধানে বাংলা ভাষাকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের 'আমার সোনার বাংলা' গানটির প্রথম দশজন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করা হয়। 1972 এর সংবিধান এ দেশের নাগরিকদের বাঙালি হিসেবে উল্লেখ করা হয। অর্থাৎ বাহাত্তরের সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্য বাংলা ভাষার ব্যবহার।

  3. দুষ্পরিবর্তনীয়ঃ 72 এর সংবিধানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য এর সংবিধানে সহজে পরিবর্তন করা যায় ন। সংবিধান পরিবর্তনের জন্য সংসদ সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয়। তবে এ সংবিধানের কিছু কিছু ধারা ইচ্ছা করলেই পরিবর্তন করা সম্ভব হয় না। তাই 72 এর সংবিধান কে দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। তাছাড়া দুই-তৃতীয়াংশ ভোট না পড়লে কোন বিষয় পরিবর্তন যোগ্য নয় বলে বিবেচিত হয়।

  4. রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিঃ 1972 সালের সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি হিসেবে চারটি আদর্শকে গ্রহণ করা হয়েছে। যথা- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ।এর মূল লক্ষ্য ছিল এ এক সমাজ প্রতিষ্ঠা যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন মৌলিক অধিকার এবং রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত করা। 1972 এর সংবিধান এর অন্যতম মূল বৈশিষ্ট্য ছিল রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি সংযোজন করা যা রাষ্ট্রব্যবস্থার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

  5. সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রণয়নঃ ৭২ এর সংবিধানের আরেকটি বৈশিষ্ট্য ছিলো সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থা প্রণয়ণ করা। 1972 সালের সংবিধানে মন্ত্রীপরিষদ শাসিত শাসনব্যবস্থার প্রবর্তন করে প্রধানমন্ত্রীর হাতে সমস্ত প্রকৃত শাসন ক্ষমতা ন্যাস্ত করে।উক্ত সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে উপাধীসর্বস্ব করা হয়। সংবিধানে একটি এক কক্ষ বিশিষ্ট এবং 300 সদস্য ও সংরক্ষিত আসনে 15 জন মহিলা সদস্যদের সমন্বয়ে আইনসভা গঠনের বিধান করা হয়।

  6. মৌলিক অধিকারের উলেখ্যঃ 72 এর সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য মানুষের মৌলিক অধিকার লিপিবদ্ধ করা। সংবিধানের 27-44 এর অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত করা হয়। সংবিধানের 44 নং অনুচ্ছেদ দ্বারা সুপ্রিম কোর্টকে সকল ধরণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার রক্ষাকবজ করা হয়েছে। অর্থাৎ সংবিধানের দ্বারা মানুষের চলাফেরা, বাক স্বাধীনতা, সংগঠন, সমাধিকার প্রভৃতি মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।এর ফলে মানুষের মৌলিক অধিকার আইনের দ্বারা বিধিবদ্ধ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে।

  7. সংসদ সদস্যদের শৃঙ্খলাঃ কোনো সংসদ সদস্য নিজ দল ত্যাগ করলে বা দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিলে তিনি তার সংসদ সদস্যপদ হারাবেন(বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ 70)। সরকারের স্থিতিশীলতার স্বার্থে এ বিধান করা হয়েছে।

  8. ন্যায়পালের বিধানঃ বাংলাদেশের সংবিধানের আরো একটি বৈশিষ্ট হলো ন্যায়পালের পদ সৃষ্টি। সংসদ আইনের দ্বারা এ পদ সৃষ্টি করতে পারবে। ন্যায়পাল যেকোনো মন্ত্রণালয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজন তদন্ত চালাতে পারবেন। তিনি একমাত্র সংসদের নিকট স্থানী থাকবেন।

  9. সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠাঃ সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট হচ্ছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সংবিধানের আয়োতায় প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিগণ স্বাধীনভাবে বিচার কার্য পরিচালনা করতে পারবেন। তিনি একমাত্র সংসদের নিকট দায়ী থাকবেন।

  10. প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালঃ বাংলাদেশের সংবিধানে সাধারণ বিচার অতিরিক্ত সংসদ কর্তৃক আইনের দ্বারা এক বা একাধিক কর্মচারী নিয়োগ, বদলি, বরখাস্ত, পদোন্নতি, দন্ড এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সম্পত্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিষয়াদি এর এখতিয়ারভুক্ত। 😯

পরিশেষে বলা যায় যে, 1972 এর সংবিধান ছিলো একটি লিখিত দূষ্পরিবর্তনীয় শাসনতান্ত্রিক দলিল। এটি ছিলো একটি ব্যপক সুলিখিত দলিল এবং এ উপমহাদেশের অন্যান্য সংবিধানের তুলনায় উন্নতমানের। কোন কোন ক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব এবং দূর্বলতা ব্যপকভাবে প্রতিফলিত করেছিলো। এ সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো জনগণের আশা-আকাঙ্খা এবং শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থানকে সূদৃঢ় করতে যে ভূমিকা পালন করেছলো তেমন আইনের মূল উৎস হিসেবেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছিলো। তাই 72 এর সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্য সাংবিধানিক ভিত্তির ওপরই প্রতিষ্ঠিত একথা বলা যায়।

সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার এই পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য। আমি এই সকল তথ্য নিজে টাইপ করে লিখেছি। আমার এই আর্টিকেলটি লিখতে প্রায় ১ ঘন্টার মতো সময় লেগেছে। আমার আর্টিকেলটি ৭২ এর সংবিধান সম্পর্কে লেখা। আশা করবো এই আর্টিকেল থেকে সবাই অনেক কিছু শিখতে পারবে। ধন্যবাদ।

#১৯৭২এরসংবিধান ✌️

#বাংলাদেশেরসংবিধান 😯

$ 0.00
Avatar for Mobarok0210
Written by   37
6 months ago
Enjoyed this article?  Earn Bitcoin Cash by sharing it! Explain
...and you will also help the author collect more tips.