read.cash Log in

@Hasan16

Joined 29 May 2020 · 106 posts

120 KT

0 KT received · 0 KT · 10¢ given

Posts

@Hasan16

Bocon23 প্রদত্ত বচনাকারে উপাদান বচন হিসেবে চারটি গ্রাহক প্রতীক থাকায় সত্যসারণীর র সূত্রীনুসারে উপর্যুক্ত সারণীতে সারি হয়েছে (২ = ২ x ২x ২ x ২) ১৬টি, এবং চারটি উপাদান বচন ও তিনটি যােজক থাকায় সত্যসারণীর গঠন অনুসারে শুদ্ধ হয়েছে। সাতটি। এখানে উপাদান বচন চারটিতে সম্ভাব্য সত্যমানের ভিত্তিতে বচনাকারটির মান নির্ণয়। করা হয়েছে। এবং উল্লিখিত যােজকগুলাের সূত্রানুসারে যােলটি সারিতে প্রথম ছয়টি সতদ্ভের। মানের সমন্বয়ে শেষ, অর্থাৎ চূড়ান্ত শ্ুম্ভের মান নির্ধারিত হয়েছে। এক্ষেতত্রে চূড়ান্ত তুচ্তের। সারিগুলােতে সত্য ও মিথ্যার, অর্থাৎ T ও F-এর মিশ্রণ ঘটায় বচনাকারটি অনির্দিষ্টমান হয়েছে। অতএব প্রদত্ত বচনাকারটি একটি অনির্দিষ্টমান বচনাকার।

@Hasan16

Protiki প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা রাখার একটি সহজ উপায় এখানে উল্লেখ করা হলাে- ১ সংযৌগিক অপেক্ষকের ক্ষেত্রে কবল মনে রাখতে হবে - TT = T | (অন্য সব সংযােগীতে F)। ২, প্রাকল্পিক অপেক্ষকের ক্ষেত্রে কেবল মনে রাখতে হবে - (অন্য সব সংযােগীতে T)। ৩, বৈকল্পিক অপেক্ষকের ক্ষেত্রে কেবল মনে রাখতে হবে - Fv F = F (অন্য সব সংযােগীতে T)। কসাপেক্ষ। এ জন্য ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে উল্লিখিত অপেক্ষকগুলাের মানসমূহকে মনে -TƆF=F T= T] = T F= F] ৪. সমমানিক অপেক্ষকের ক্ষেত্রে কেবল মনে রাখতে হবে - (অন্য দুটি সংযােগীতে F)। অনুশীলনী অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ১, সত্যসারণীর ক্ষেত্রে সংযৌগিক বচনের সূত্রটি উল্লেখ কর। উত্তর দুটি উপাদান বচন সত্য হলে মূলবচন সত্য হবে, অন্য সব ক্ষেত্রে মিথ্যা হবে। ২. সত্যসারণীর ক্ষেত্রে বৈকল্পিক বচনের সূত্রটি উল্লেখ কর। উত্তর । দুটি উপাদান বড়ন নিথ্যা হলে মূল বচন মিথ্যা হবে, অন্যসব ক্ষেত্রে সত্য হবে। ৩. সতায সারণীর ক্ষেত্রে প্রাকল্পিক বচনের সূত্রটি উল্লেখ কর। উত্তৰ। পূর্বগ সতা ও অনুগ মিথ্যা হলে মূল বচন মিথ্যা হবে, অন্য সব ক্ষেত্রে সত্য হবে। ৪, সত্য সারণীর ক্ষেত্রে সমমানিক বচনের সূত্রটি উল্লেখ কর। উতর । দুষটি উপাদানবচন একই সাথে সত্য বা একই সাথে মিথ্যা হলে মূল বচন সত্য হবে, অন ক্ষেত্রে মিথ্যা হবে। এ

@Hasan16

Protik ৪৭ প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা কপগত রবক প্রতীক। যে ধ্রুবক প্রতীক কোনাে কিছুর আকার নিয়ন্ত্রণ করে তাকে বলে পখত প্রতীক। যেমন, বাকোর সমাপ্তিসূচক চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত । (দাড়ি) হচ্ছে পখত বক প্রতীক। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার ক্ষেত্রে এ জাতীয় প্রতীকগুলাে যুক্তির আকারকে করে বলে এগুলােকে আকার ধারক প্রতীকও বলা হয়। ब্তগত ্রুবক প্রতীক : যে ধ্রুবক প্রতীক কোনাে কিছুর উপাদান নিয়ন্ত্রণ করে তাকে ত ্রুবক প্রতীক বলে। যেমন, শব্দের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত শাঁটলিপির সংকেতসমূহ ইছে বন্ত্রগত ধ্রুবক প্রতীক। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার ক্ষেত্রে বন্ত্রগত ধ্রুবক প্রতীকগুলা যুক্তির পদানকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। সত উল্লেখ্য যে, যুক্তিবিদ্যার আলােচনা সংগঠিত হয় মূলত যুক্তিকে কেন্দ্র করে। আর ুক্তির আঙ্গিক উপাদান বচন। এক্ষেত্রে প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার কাজ হচ্ছে বচনের পরিবর্তে এতীক প্রবর্তন করে যুক্তি গঠনের মাধ্যমে যুক্তির বৈধতা বিচার করা। বচনকে বিশ্লেষণ করলে এর দুটো দিক পাওয়া যায়- একটি হচ্ছে বচনের উপাদানের দিক, অর্থাৎ যেসব শব্দাবলি দ্বারা বচনটি গঠিত। অন্যটি হচ্ছে বচনের আকারের দিক, অর্থাৎ বচনটি যে অর্থ একাশ করে। বচনকে প্রতীকী রূপদানের ক্ষেত্রে গ্রাহক প্রতীক দ্বারা বচনের উপাদানকে ব্যক্ত করা হয়। এ জন্য গ্রাহক প্রতীককে বলে বচনের উপাদান জ্ঞাপক চিহ্ন। আর ধ্রুবক প্রতীক আরা বচনের আকারকে ব্যক্ত করা হয়। এ জন্য ধ্রুবক প্রতীককে বলে বচনের আকারজ্ঞাপক । যেমন, টম ও হ্যারি হয় সৎ- এ যৌগিক বচনটি দুটি সরল বচনের সমন্বয়ে গঠিত- ) উম হয় সৎ (ii) হ্যারি হয় সৎ। এ সরল বচন দুটির সংযুক্তি প্রকাশিত হয়েছে ও আারা, যা একটি নির্দিষ্ট বাচনিক আকারের নির্দেশক। এক্ষেত্রে ইংরেজি বর্ণমালার p, q বর্ণয়কে গ্রাহক প্রতীক হিসেবে সরল বাচন দুটির স্থলে ব্যবহার করার মাধ্যমে এবং ও' এর জন্য নির্ধারিত ধ্রুবক প্রতীক '' (Dot)-কে স্থাপন করার প্রেক্ষিতে আলােচ্য বচনটির প্রতীক কশ হবে- p q। এক্ষেত্রে গ্রাহক প্রতীক হিসেবে p, q বর্ণ দুটি বচনটির উপাদানকে ব্যক্ত করেছে এবং ধ্রুবক প্রতীক হিসেবে ''(Dot)- চিহ্নটি বচনটির আকারকে ব্যক্ত করেছে। গযােগ। মিক যুক্তিবিদগণ ধ্রুবক প্রতীককে আবার রূপগত ও ব্গত- এ দুভাবে ভাগ করেছেন। বলতে অন্য যেমন, বা বা পক নের কে র প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় ব্যবহৃত প্রতীক লিপি সাধারণভাবে একটি বচনের দুটি দিক থাকে একটি হচ্ছে বচনের উপাদানের দিক, অর্থাৎ যে শব্দাবলি দ্বারা বচনটি গঠিত। অন্যটি হচ্ছে তার আকারের দিক, অর্থাৎ যে শব্দ বা শব্দাবলি বচনটিকে একটি আকার প্রদানের মাধ্যমে বচনটির নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। বচনের এই আকারিক শব্দ বা শব্দাবলিকে বলে যৌক্তিক যােজক। বস্তুত গ্রাহক প্রতীক দ্বারা বচনের উপাদানকে প্রকাশ করা হয়। আর ধ্রুবক প্রতীক দ্বারা বচনের আকার, অর্থাৎ যৌক্তিক যােজককে প্রকাশ করা হয়। আমরা জানি, গ্রাহক প্রতীক পরিবর্তনশীল। এ জন্য যে কোনাে ভাষার বর্ণমালার বর্ণ, যেমন, ক, খ বা p, q বা $, ইত্যাদি গ্রাহক প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু ধ্রুবক প্রতীক যেহেতু অপরিবর্তনশীল, সেহেতু প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় যৌক্তিক যােজকের জন্য ব্যবহৃত ধ্রুবক প্রতীক হবে সুনির্দিষ্ট। এ জন্যই আধুনিক যুক্তিবিদগণ যৌক্তিক যােজকের জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু প্রতীক প্রবর্তন করেছেন। এখানে সেই প্রতীক লিপিসমূহ একটি ছকের মাধ্যমে দেখানাে হলাে।

@Hasan16

প্রতীক জপ্িক পককল পপরিব্তনীয় বিধায় সেলাে শাব্দিক প্রতীকের মতো অ্প ক হয় না। জৰ এসব কারণে কেবল অশ্যক্দিক প্রতীকই প্রতীকী যুক্তিদ্যায় প্রয়োগয () প্রাথক প্রতীক (Varabhle Symbol) : যখনানাে প্রতীকের স্থানে বিশেষ শ্রেণিতত শ এ্রতিষ্াপন করা হয় তখন তাকে গ্রাহক প্রতীক বলে। সাধারণত গ্রাহক বলতে এইণকারীকে বােঝায়। এ অর্থে যখন কোনাে ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য তৈরিকৃত চিহ্নকে অন। | কোনাে হানে বাবহারের জন্য গহণ করা হয়, তখন তাকে গ্রাহক প্রতীক বলে। যেমন। আমরা যখন বলি "ক' এর কাছে ॥ পরিমাণ টাকা আছে' তখন ক' দ্বারা আমরা ব্যক্তিতে এবং ' থারা সংখ্যাকে বােঝাই। এক্ষেত্রে 'ক' কে ব্যাক্তির প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করা। হয়েছে বাংলা বর্ণমালা থেকে এবং 'a' কে সংখ্যার প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। ce fer re এশা্ষিক প্তীক মুলত দুধরনের- এাহক প্রতীক ও এবক প্রতীক। উপ প্র ইংরেজি কর্মালা থেকে। আলােচ্য বাক্যের 'ক' এবং 'a' গ্রাহক প্রতীক এ জন্য যে ব্যকতি সংখ্যা বােঝানাের জন্য 'ক' বা a' এর সৃষ্টি হয়নি। এদের সৃষ্টি হয়েছে যথাক্রিমে কলম' ক ple' জাতীয় শব্দকে প্রকাশ করার জন্য। বস্তুত আধুনিক যুগে গ্রাহক প্রতীক ব্যাপর আকারে ব্যবহৃত হলেও প্রকৃতপক্ষে এর প্রচলন দেখা যায় অ্যারিস্টটলের সময়কাল থেকেই। বস্তুত তখন থেকেই আমরা দেখতে পাই আদর্শ আকারের চারটি নিরপেক্ষ বচনের প্রতীক হিসেবে ইংরেজি বর্ণমালার A, E, I এবং O বর্ণকে ব্যবহার করা হয়েছে। যেহেতু প্রহক প্রতীকের ক্ষেত্রে প্রতীক চিহ্নের স্থানে বিশেষ শ্রেণির অন্তর্গত কোনাে কিছুকে প্রতিস্থাপিত করা হয় সেহেতু এ জাতীয় প্রতীক হয় পরিবর্তনশীল। যেমন, পূর্বের দৃষ্টান্ত অনুসারে আমরা যদি বলি 'a'-এর কাছে ক' পরিমাণ টাকা আছে, তাহলে এক্ষেত্রে ক এবং স্বারা থাক্রমে,ব্যক্তি ও সংখ্যাকে বােঝাবে। গ্রাহক প্রতীক হচ্ছে এমন এক ধরনের প্রতঠক, যার কোনাে নিজ্ব অর্থ নেই। এ জন্য যে কোনাে বর্ণমালার বর্ণকে গ্রাহক প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ) প্রবক প্তীক (Constant Symbol) : যখন কোানাে বিষয়কে নির্দেশ করার জন্য নিনি কোনা প্রতীক তৈরি করা হয়, যা কেবল ঐ বিষয়ের ক্ষেত্রেই প্রযােজ্য, অন্য কোনে বিষয়ের ্ষেত্রে নয, তখন তাকে ধ্রুবক প্রতীক বলে। গণিত ও আধুনিক যুক্তিবিদ্যায় মূলত ধরনের প্রতীক ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অর্থাৎ সাধারণত গাণিতিক বা বাচনিক আকার সংক্ষেণে ও স্পষ্টকপে প্রকাশ করার জন্য এ ধরনের প্রতীক ব্যবহার করা হয়। যেমন, গণিতের ক্ষেত্রে +, , , = ইত্যাদি চিহ্ন অথবা বচনের ক্ষেত্রে বৈকল্লিক বচনের আকার প্রকাশক চিহ্ন বা প্রাক্পিক বচনের আকার প্রকাশক চিহ্ন হচেছ বক এইক। সাধারণত ঘাহক প্রতীক স্বাড়া বাকি সব প্রতীকই ধ্রুবক। যেহেতু ধ্রুবক প্রতীককে বিষয় প্রকাশের জনাই তৈরি করা হয় তাই এ জাতীয় প্রতীক থাকে সর্বদাই অপরিষনীয়। অর্থাথ, এ ধযনের প্রতীক গণিতের রাশি বা বচনের অপরিবর্তনশীল আকারকে

@Hasan16

Truly and validity সততা | Tার মূল উদ্দেশ্য। অৰধ যুক্তির এ ও বৈধতা Truth and Validity কপির অবৈধতা মতে, সত্যতা ও মিথ্যাত্ব বচনের সাথে জড়িত, যুক্তির সাথে নয়। যুক্তির বৈধতা সাথে জড়িত, বচনের সাথে নয় ক্ষেত্রে। সত্য-মিথ্যাত্ব এবং বৈধতা-ও আর মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে, বৈধ বা অবৈধ মান যুক্তির প্রযােজ্য আর সত্য বা মিথ্যামান অবৈধতার আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য। যুক্তির সাধারণত পারে আবার পদার্থিক সত্য বলতে জগতের অস্তিত্বশীল বিষয়কে বােঝায়। এ অস্তিত্ব মনােজগতরে হতে হতে পারে। এদিক থেকে সত্য আকারগত ও বস্তুগত- এ দু'ধরনের হয়ে থাকে। আকারগত সত্যতার ক্ষেত্রে সত্য বলতে অন্তর্বিরােধহীনতাকে বােঝায়। এরূপ ক্ষেত্রে প্রদত্ত বচনের সত্যতা পরীক্ষার জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রয়ােজন হয় । যেমন, ত্রিভুজ হচ্ছে তিন বাহুর সমাহার’- এ বচন অনুসারে কোনাে কিছু যদি ত্রিভুজ হয় তাহলে তার অবশ্যই তিনটি বাহু থাকবে। আর বস্তুগত সত্যতার ক্ষেত্রে সত্য হচ্ছে বস্তুর সাথে ধারণার অনুরূপতা। এরূপ বচনের সত্যতা বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভরশীল। যেমন, তিমি স্তন্যপায়ী প্রাণি ’। উল্লেখ্য যে, আকারগত সত্যতা আছে এমন বিষয়ের বস্তুগত সত্যতা না-ও থাকতে পারে, কিন্তু যেসব বিষয়ের বস্তুগত সত্যতা আছে তার আকারগত সত্যতা থাকতেই হবে। পূর্বেই বলা হয়েছে যে, সত্যতা বচনের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য। সেক্ষেত্রে কোনাে বচন সত্য হবে বাস্তবের অনুরূপ হলে, আর মিথ্যা হবে বাস্তবের সাথে সঙ্গতিবিহীন হলে। উদাহরণস্বরূপ,

@Hasan16

Paris Paris । অবস্থান প্যারিসে'- ‘ পক্ষিরাজ ঘােড়া উড়তে পারে ’-এ বচনটি মিথ্যা। । আইফেল ‘ আইফেল টাওয়ার টাওয়ারের রয়েছে। অন্যদিকে উড়তে পারে এমন পক্ষিরাজ কোনাে ঘােড়ার আমরা কোথাও অভিজ্ঞতায় কারণ বাস্তব যুক্তি প্রণয়নে কিছু বিধি অনুসরণ করতে হয়। কোনাে যুক্তির সিদ্ধান্ত যদি . অস্তিত্ব খুঁজে পাইনি।। । যুক্তিবিদ্যায় নিঃসৃত হয় তাহলে যুক্তিটি বৈধ হবে। বৈধ যুক্তির ক্ষেত্রে | আশ্রয়বচন থেকে বিধিসম্মতভাবে। । আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্তের মধ্যে এমন সম্বন্ধ থাকে যে, আশ্রয়বচন সত্য বা মিথ্যা যা-ই হোক স্বীকার করলে সিদ্ধান্তকে আর অস্বীকার করা যায় না। কাজেই না, কেন নির্ভর আশ্রয়বচনটিকে করে যুক্তির গঠনকাঠামাে বা তার আকারের ওপর। সেক্ষেত্রে কোনাে যুক্তি বৈধ = যুক্তির বৈধতা তার অন্তর্গত বচনগুলাের বাস্তবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়ার ওপর নির্ভর করে। হলে সেই আকারের যে কোনাে যুক্তিই বৈধ হবে। যেমন, সকল মানুষ হয় মরণশীল। সকল দার্শনিক হয় মানুষ। সুতরাং সকল দার্শনিক হয় মরণশীল। এটি একটি বৈধ যুক্তি। কারণ, এর সিদ্ধান্ত আশ্রয়বচনদ্বয় থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে অনুসৃত হয়েছে, এবং যুক্তিটির অন্তর্গত প্রতিটি বচনই সত্য। আবার, সকল মানুষ হয় সম্পদশালী। সকল দরিদ্র হয় মানুষ। সুতরাং সকল দারিদ্র হয় সম্পদশালী। প্রদত্ত যুক্তিটির অন্তর্গত প্রথম আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্ত মিথ্যা হলেও যুক্তিটি বৈধ। কারণ এ যুক্তিটির আকার পূর্বোক্ত যুক্তিটির আকারের অনুরূপ। যদিও উভয় যুক্তির বিষয়বস্তু ভিন্ন। | বস্তুত দুটি যুক্তিরই বৈধ আকার হলাে AII M is P AII S is M ..AII S is P তার আশ্রয়বচন সিদ্ধান্ত বৈধ যুক্তির সত্য মিথ্যা হলে আকার এরূপ সিদ্ধান্ত কখনাে এমন আবশ্যিকভাবে হতে হবে পারে যে, না যুক্তিটির সত্য। যদি হবে এরূপ। অন্তর্গত একইভাবে হয় যে তাহলে কোনাে আশ্রয়বচন বাস্তব অবৈধ সত্য দৃষ্টান্তে অথচ | আর দৃষ্টান্তই সেই অবৈধ অবৈধ হবে যুক্তির। যেমন আকারটিও, অবৈধ হবে এবং সেই অবৈধ আকারের যুক্তি যে কোনো হবে। সুতরাং সকল কবি সকল হয় মানুষ মানুষ। কবি এ হয় যুক্তির আশ্রয়বচন সত্য মানুষ হলেই কিন্তু যে কেউ হবে- একথা সিদ্ধান্ত কবি মিথ্যা কারণ কবিরা সঠিক নয়। মানুষ একথা সত্য।

@Hasan16

Eid ঈদ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। ২৮। | স্বর্ণের মালিক না হয়েও বিশ্বের অন্যতম সম্পদশালী। কাজে সত্য, কিন্তু প্রতীকী সিন্ধান্ত যুক্তিবিদ্যা মিথ্যা। কারণ, রকফেলার ফোটনলে এ যুক্তির আশ্রয়বচন। । না হওয়ার বিষয়টি মিথ্যা। এ কারণেই আলােচ্য যুক্তি আল তার ক্ষেত্রে সম্পদশালী হয়েছে।, মিথ্যা হয়ে সিদ্ধান্ত সত্য হলে যুক্তি বৈধ হতে পারে। যেমন ৫. কোনাে যুক্তির আশ্রয়বচন সকল মাছ হয় স্তন্যপায়ী। সকল তিমি হয় মাছ।। । সিদ্ধান্তটি এ যুক্তিটি সত্য। এবং বৈধ সুতরাং। একই কারণ সাথে সকল যুক্তিটির সিদ্ধান্তটি তিমি হয় প্রথম স্তন্যপায়ী যুক্তির আশ্রয়বচন নিয়ম অনুসারেও মিথ্যা হলেও অনুসৃত তা হয়েছে থেকে নিত। , ৬. কোনাে যুক্তির আশ্রয়বচন মিথ্যা হয়ে সিদ্ধান্ত সত্য হলে যুক্তি অবৈধ হতে পারে। যেমন সকল স্তন্যপায়ী প্রাণির পাখা আছে। সকল তিমির পাখা আছে। সুতরাং সকল তিমি স্থন্যপায়ী। এ যুক্তির সিদ্ধান্ত সত্য হলেও যুক্তিটি অবৈধ হয়েছে। কারণ আশ্রয়বচন থেকে সিদ্ধান্ত। অনুমানের ক্ষেত্রে যুক্তিটি যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেনি। ৭. কোনাে যুক্তির সবগুলাে বচন মিথ্যা হলে যুক্তি অবৈধ হতে পারে। যেমন, সব স্তন্যপায়ী প্রাণির পাখা আছে। সব তিমির পাখা আছে। সুতরাং সব স্তন্য প্রাণি হচ্ছে তিমি ।। এ যুক্তির সবগুলাে বচনই মিথ্যা, কারণ বচনগুলাে বাস্তবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এক হয়নি যুক্তিটি। অবৈধ, কারণ যুক্তিটির সিদ্ধান্ত আশ্রয়বচনদ্বয় থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে নিঃসৃত করেছেন উল্লেখ্য, যেখানে যে, আশ্রয়বচন কপি আলােচ্য ও সিদ্ধান্তের দৃষ্টান্তগুলােকে সত্য-মিথ্যার বৈধ সংমিশ্রণের ও অবৈধ- বিষয়টি এ দুটি ব্যক্ত ছকে হয়েছে প্রকাশ। অবৈধ যুক্তি সত্য সিদ্ধান্ত মিথ্যা সিদ্ধান্ত মিথ্যা সত্য আশ্রয়বচন আশ্রয়বচন। দৃষ্টান্ত -৩ দৃষ্টান্ত -৪ দৃষ্টান্ত -৬ দৃষ্টান্ত -৭ বৈধ যুক্তি সত্য সত্য সিদ্ধান্ত। মিথ্যা সিদ্ধান্ত আশ্রয়বচন। মিথ্যা আশ্রয়বচন দৃষ্টান্ত -১ দৃষ্টান্ত -৫ দৃষ্টান্ত -২

@Hasan16

Protik en পহিবর্ত প্রতীক ললে। এ ধরনের প্রতীক মূলত পরিবর্তিত বিষয়ের ইসেবে কাজ করে। এ জন্য এওলোকে প্তিনিধিত্বকারী প্রতীকও কলা হয়ে পাকে। মুক্তিবি্যায় এ ধরনের প্রতীকের ব্যাপক বাবহাৰ লক্ষ করা থায়। যেমন, গণিতের আগ শটির পরিব্তে + চি্টি বা বিয়োগ শক্টির পরিবর্তে - চিহটি পরিবর্ত ইৰে বাত হয়ে থাকে। একইভাবে যুক্তিবিদ্যার ক্ষেত্রে 'যদি-তাহলে শব্দ পুটির চিহ্টি বা অথবা শক্টির পরিবর্তে চিহ্টি পরিবর্ত প্রতীক হিসেবে ম্দেশমুলক প্রতীক (Suggestive symbol ) : যেসব প্রতীক মানুষের মনে কোনাে কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে সেগুলােকে নির্দেশমূলক প্রতীক বলে। এ ধরনের বিষয়বস্কে প্রকাশ করে না, বরং এর কাজ হচ্ছে বিষয়বন্তর অর্থ নির্দেশ করা। তাসের বাহমুটি কার্ডের প্রতিটি কার্ড আমাদের মনে এক বিশেষ ধারণার সৃষ্টি করে খলার সময় কার্ডগুলাের আকার আবকৃতি দেখে নয়, বরং কার্ডগুলােতে নির্দেশিত অর্থ মমরা সেগুলাে ব্যবহার করি। এক্ষেত্রে কার্ডগুলােতে নির্দেশিত অর্থই হচ্ছে দেশলক প্রতীক। कैতে হে, ওপরে আলােচিত প্রকাশধর্মী প্রতীক, পরিবর্ত প্রতীক ও নির্দেশমূলক প্রতীক- তিন শ্ণির প্রতীকের ব্যাখ্যা আমরা পেয়েছি আধুনিক যুক্তিবিদ অধ্যাপক স্টাউটের ুক্তিবিদ্যার আলােচনায়। সাধারণ প্রতীক : সাধারণ প্রতীক দু'প্রকার- শান্দিক প্রতীক ও অশাব্দিক প্রতীক। (ত) শাব্দিক প্রতীক (Verbal Symbol ) : ভাষায় ব্যবহৃত শব্দসমূহই হচ্ছে শাব্দিক এতীক এক্ষেত্রে কোনাে শব্দ বা শব্দসমষ্টি কোনাে বিষয়ের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে কে অর্থাৎ যখন কোনাে শব্দ বা শব্দসমষ্টি কোনাে বস্তু বা গুণ বা ক্রিয়ার নির্দেশক হিসেবে কাজ করে তখন তাকে শাব্দিক প্রতীক বলে। যেমন, 'বই শব্দটি বই নামক বস্তুর প্রতীক, দয়ালু শব্দটি দয়া নামক গুণের প্রতীক বা 'খেলা করা শব্দটি ক্রিয়ার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। (খ) অশান্দিক প্রতীক (Non-Verbal Symbol) : স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থবােধক শব্দ ছাড়া বিভিন্ন ভাষার বর্ণমালার বর্ণ বা গণিতের বিশেষ প্রতীক যখন কোনাে কিছুর নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে অশাব্দিক প্রতীক বলে। যেমন, বাংলা বর্ণমালার ক, খ, গ বা ইংরেজি বর্ণমালার p, q. r, s অথবা গণিতের + (যােগ), - (বিয়ােগ), x (গুণ), + (ভাগ) ইত্যাদি অশাব্দিক প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এ জন্য অনেক ক্ষেত্রে অশান্দিক প্রতীককে বর্ণ প্রতীকও বলা হয়। উল্লেখ্য যে, প্রায় ক্ষেত্রেই শাব্দিক প্রতীকগুলাের অর্থ অস্পষ্ট ও দ্ার্থক থাকে, যার ফলে প্দের প্রকৃত অর্থের পরিবর্তন ঘটতে পারে। এবং এসব শব্দের মাধ্যমে অনেক সময়ই এরতার কাছে বক্তার চিন্তা ও আবেগ ভুলভাবে উপস্থাপিত হতে পারে। এ জন্যই আধুনিক যুক্তিবিদগণ যুক্তিবিদ্যায় কেবল অশাব্দিক প্রতীককেই ব্যবহার করার পক্ষপাতি। কারণ

@Hasan16

Sonjukto सक হাত পরে। কমন, দুটি সংখ্যাকে সংযুৃক্ত করার ঘটনা হিসেবে +' চিহ্নটি। য ককে এব এদের সং ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে =' চিহ্নটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ব্যবহা চার ব্যবং প্রতি গণি পতীকী ব্ক্তিবিদ্যা এই ुলক প্রতীক (ustratinr $ymbol): যেসব প্রতীক বর্ণমালা থেকে নির্বাচি পিবনশল পতীক ারা কোনাে কিছতুকে নির্দেশ করে সেগুলােকে দৃষ্টান্তমূলক প্রতীক বলে। এক ক পরিবর্তনশীল হয়ে থাকে। এ কারণে এগুলাে সর্বদাই প্রাসঙ্গিক বিষয়ে আরবতে বাবৃত হয়। গণিতের ক্ষেত্রে অনেক সময় এ ধরনের প্রতীককে ব্যবহৃত হতে। দেখা বায়। যেমন, গাণিতিক একটি সমীকরণকে অনেক সময় এভাবে ব্যক্ত করা হয়- 'মনে। করি কএর কাছে । পরিমাণ কলম আছে'- এ বাক্যটিতে ক' কোনাে ব্যক্তির প্রতিনিষ্ি। ক্ষে প্রতী পরি ব্যব ধার হিসেবে এবং ' সংখ্যার প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে 'ক এবং 'x মন করি -এর কাছে ক পরিমাণ কলম আছে' তাহলে এখন x' হবে ব্যক্তির দৃষ্টান্ত এবং * হবে সংখ্যার দৃষ্টান্ত। উল্লেখ্য যে, অ্যারিস্টটলের যুক্তিবিদ্যায়ও দৃষ্টান্তমূলক প্রতীকের বাযবহার দেখা গেছে। যেমন, সহানুমানের আলােচনায় যে চারটি আকার (figure)-এর উন্লেখ আছে তার মধ্যে অ্যারিস্টটল প্রথমটিকে সহানুমানের নিখুঁত আকার বলেছেন এক আকারটিকে তিনি দৃষ্টান্তমূলক প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্ত করেছেন নিম্নরূপে : প্তীকষায় পরিবর্তনশীল। কারণ আমরা যদি উল্লিখিত বাক্যটিকে ঈষৎ পরিবর্তন করে বলি। প্রত যে এব অন নি এই M যু্ি (ক P. প্ৰ এবানে M.P.S হচ্ছে দৃষ্টানতমূলক প্রতীক। M হচ্ছে মধ্যপদ (middle term)-এর থা টা্, P হচ্ছে প্রধান পদ (major term) -এর দুষ্টান্ত এবং S হচ্ছে অপ্রধান পদ (minor term)-44 VETE হি হি প্রসঙ্গত উচ্লেখ। যে, সংক্ষিপ্ত প্রতীক ও দৃষ্টান্তমূলক প্রতীকের আলােচনা আমরা পেয়েছি আধুনিক খুক্তিবিদ অধ্যাপক জনসনের যুক্তিবিদ্যার আলােচনায়। চিন, প্রকাশবরমী প্রতীক (Expressive Symbol) : যেসব প্রতীকের ব্যবহার কোনাে। বিষয়ের প্রতি আমাদেৰকে মনােযােগী করে সেসব প্রতীককে প্রকাশধর্মী প্রতীক বলে। গেমন, আমরা যখন "টা শব্দটি উচ্চারণ করি তখন আমরা চাদ শব্দটির ভাষাগত গঠন বিনাসের প্তি মনােমােগী হই না, আমরা মনােযােগী হই চাদ নামক বস্তুটির প্রতি। এক্ষেত্রে উ শ ঘ্ টাদ নামক বাস্তব বস্তুটির প্রকাশধর্মী প্রতীক। একইভাবে আমরা যখন কোনে বাকা উচ্চারণ করি তখন বাক্যটির আঙ্গিক উপাদানের প্রতি আকষ্ট হই না, আমরা বা ই আু ইই বাকটিৰ মাধ্যমে উপস্থাপিত ঘটনাটির প্রতি । ই

@Hasan16

Hadis প্রিয় নবি হয়রত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন:- আমার উম্মতের মধ্যে ৭০ হাজার লোক বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে, তাদের বৈশিষ্ট্য তারা আল্লাহর উপর ভরসা করতো।" [বুখারী:৫৭০৫]

@Hasan16

বখাটে মেয়ে 😈বখাটে মেয়ে😈 পর্ব ০৩ | - রায়হান এভাবে তাকিয়ে কি দেখছিস?(রিমা) -না মানে কিছু না -এভাবে দেখলে নজর লাগবে বলে রিমা হাসতে থাকে -আমি আপনাকে দেখি নাহ হুহ,আমি রিহা আপুকে দেখি(মনে মনে) -বিড়বিড় করে কি বলছিস? -নাহ কিছু না -সাউন্ড সিস্টেমের লোকদের ডেকে নিয়ে আয় তো(রিহা) -হু -এই শোন -বলেন -নাস্তা করেছিস? -নাহ -কেনো? -আম্মুর শরীরটা বেশি ভালো না, তাই সকাল সকাল উঠে নাস্তা বানাতে পারেনি -ওহহ -হুম -তুই কি তোদের পরিবারে বড় নাকি? -হ্যা -আমি আর আমার একবোন আছে -বোন কোন ক্লাসে পড়ে -ক্লাস নাইনে -ওহহ ভালো -হ্যা আচ্ছা ওদের তাহলে ডেকে নিয়ে আসি -একটু তারাতারি করিস -আচ্ছা। কতক্ষণ পরে সাউন্ডস সিস্টেমের ২জন লোককে ডেকে নিয়ে আসার পরে ওদের সাথে রিহা আর রিমা আপু কি জানি কি কথা বলে রায়হানকে আবার ডাক দেয়। -জ্বি বলেন -চল(রিহা) -কোথায় -নাস্তা করতে যাবো,ভয় পাসনা অন্য কোথাও নিয়ে যাবো না বলে হাসতে থাকে। রায়হান তখন রিহা আর রিমাদের পিছুপিছু হাটতে থাকে। সবাই রেস্টুরেন্টে গিয়ে নাস্তা শেষ করার পরে আবার ক্যাম্পাসে আসে। অনুষ্ঠানের অর্ধভাগ শেষ হওয়ার পরে এবার সাংস্কৃতিক পর্ব শুরু হয়। রায়হান আর সামি পিছনে বসে বসে সবার নাচগান দেখছে এমন সময় সুমি আপু পিছন আসে -রায়হান এদিকে আয় তো -হ্যা আপু বলেন -সালাম নামে একটা ফ্রেন্ড আছে সে ভালো গিটারিস্ট কিন্তু তার বোন প্রেগন্যান্ট তাই সে হসপিটালে যেতে হয়ছে। এখন কথা হলো তোদের মাঝে এমন কি কেউ আছে যে ভালো গিটার বাজাতে পাড়ে? -আমিই একটুআধটু পাড়ি -সত্যিই পাড়িস? -হ্যা -চল তো আমার সাথে রায়হান সুমির সাথে যায়।। -রিহা রায়হান নাকি গিটার বাজাতে পাড়ে(সুমি) -সবার সামনে গিটার নিয়ে দাঁড়ালে ওর হাত কাপাকাপি করবে(রিহা) -নাহ আমি পাড়বো -অভিযোগ গানটা বাজাতে পাড়বি? -এটা আমার সবচেয়ে প্রিয় গান -সত্যি পাড়বি তো? -হ্যা পাড়বো -স্টেজে সবসময় আমাদের করা পারফর্ম কিন্তু সবার সেরা হয়, দেখিস যদি উল্টাপাল্টা হয় তাহলে কিন্তু খবর আছে -আপনার বিশ্বাস না হলে আর কি করার? যাই আমি -এই দাড়া(রিমা) -হুম -নিজের সেরাটা দিস,আশা করি ভালো হবে। -অবশ্যই রিহা রায়হানের হাতে গিটার ধরিয়ে দিয়ে বলল চল এখন-ই স্টেজে উঠবো -হুমম, আর অন্য ইনস্ট্রুমেন্টস থাকবে না? -নাহ শুধু গিটার -ওহহ -একা ভয় পাচ্ছিস নাকি? -নাহ -ভয় পাওয়ার কোনোকিছু নেই,নিজের মন থেকে ট্রাই করবি তাহলেই হবে -হুম চলেন এবার বলে রায়হান রিহার সাথে স্টেজে উঠে। স্টেজে উঠার পরেই রায়হানের বুক কেমন জানি ধড়ফড় করছে। রায়হান তখন নিজের মনকে নিজেই বুঝাতে থাকে রায়হান কন্ট্রোল, এটা তোর করা ফার্স্ট স্টেজ প্রোগ্রাম। ভালো করলেই ভালো আর খারাপ হলে সবার কথা শোণা লাগবে আর রিহা আপুর বিশেষ মার তো আছেই। রিহা তখন রায়হানের কানের কাছে মুখ নিয়ে এসে রেডি তো? -হুমম -শুরু করি তাহলে? -ওকে -গিটারের সুর ধর -রায়হান তখন গিটারের স্ট্রিংয়ে আঙ্গুল রেখে চোখ ভুজে রিহার গানের সাথে বাজাতে থাকে। রায়হান মুগ্ধ হয়ে পাগল করা সুরেরটান শুনছে আর গিটার বাজাচ্ছে। গান শেষ হওয়ার দর্শকদের হাত তালি আর চিল্লানি শুনে বুঝতে পাড়ে যে গান আর গিটার দুইটাই হয়তো ভালো হয়েছে তারপর ও মনের মধ্যে সংকোচ আছেই কারন রিহা এখনো তাকে কোনোকিছু বলেনি। রায়হান রিহার পিছুপিছু স্টেজ থেকে নামে। - ওহ মাই গড রায়হান এত সুন্দর বাজাতে পাড়িস? (রিমা) -থ্যাংকইউ আপু -ইউ আর মোস্ট ওয়েলকাম ডিয়ার -রায়হান(রিহা) -হ্যা বলেন -অনেক অনেক ভালো হয়ছে, আমার মনে হয় না এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ভালো দ্বিতীয় কোনো গিটারিস্ট আছে -থ্যাংকস -চল এখন বাহিরে যাবো -হুম চলেন। -সুমি আর রিমা তোরা এখানে থাক আমি আসছি একটু করে রায়হান তখন রিহার সাথে হাটতে থাকে একটা চা এর দোকানের সামনে গিয়ে -এই মামা একটা দেও তো -দোকানদার তখন একটা সিগারেট দেয় -দিয়াশলাই দিও -রায়হান রিহার এমন কার্যকলাপের দিকে তাকিয়ে আছে। -এসব চলে নাকি? -উহুম -হুম গুড বয় -এটা খেলে কি হয়? -এসব তুই বুঝবিনা -এটা ছেড়ে দিলেও তো পারেন -ছেড়ে দিতে হলে একটা উপলক্ষ লাগে -মানে? -মানে একটা স্পেশাল মানুষের প্রয়োজন হয় যে এটা ছাড়িয়ে দিবে -বদ অভ্যাস ত্যাগ করতে হলে আবার স্পেশাল কেউ লাগে নাকি? -বললাম না তুই বুঝবিনা -আপনার কি স্পেশাল কেউ নাই? -নাহ -কেনো? -তেমন কাউকে চোখে পড়ে না -ওহহ -হ্যা ততক্ষণে সিগারেট শেষ হলে একটা পালস চকলেট মুখে দিয়ে রায়হানকে নিয়ে আবার ক্যাম্পাসে চলে আসে। প্রোগ্রাম শেষ হলে সবাই যে যার মতো করে বাড়ি চলে যায়। রায়হান বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে খাবার খেয়ে ঘুমের দেশে পাড়ি জমায়। পরেরদিন সকাল ১১টার দিকে - রিমা রায়হানকে দেখছিনা যে(রিহা) -কালকে অনেক দৌড়াদৌড়ি করছে তাই হয়তো ক্লান্ত -ওহহ -আচ্ছা ওর নাম্বার টা দে -কেনো? -এমনি কাজ আছে দে -নাম্বার নাই তো -ওহহ -ফেসবুকে সার্চ করে দেখতে পাড়িস। রিহা তখন রায়হানের নাম লেখে সার্চ করে। সবার সামনেই রায়হানের নাম দেখতে পেয়ে প্রোফাইলে গিয়ে দেখে একটা পোস্ট দেওয়া। "কি সুন্দর মনোমুগ্ধকর কন্ঠ তোমার,এমন কন্ঠ কখনো শোনা হয়নি আমার" -এত মনযোগ দিয়ে কি পড়ছিস -না কিছু না -রিমা তখন মোবাইল ছো মেরে কেড়ে নেয়। আচ্ছা এই হচ্ছে কাহিনী বলে রিমা হাসতে থাকে। -বাকি সবাই রিমার দিকে প্রশ্নসূচক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে -মোবাইল টা দে বলে রিহা... l (চলবে)

@Hasan16

বড় লোকের মেয়ে বড়লোকের মেয়ে Part:- 10 & last,, Writer:- Azizur Rahman Sopon --- তর কোনো ইচ্ছে অপুর্ন রাখছি বল,,(মা) --- তা না,,, আচ্ছা খাওয়া দাওয়া করে আমার রুমে আসো তুমায় বলবো,,,(ঈশিকা) --- ওকে,,(মা) --- ঈশিকা ওর রুমে অপেক্ষা করতে লাগলো,, একটু পর ঈশিকার মা আসলো,, *---- আচ্ছা বল মা কি বলবি,,(মা) --- মা আমি তুমার কাছে থেকে কিছু কথা লুকিয়েছি,,(ঈশিকা) --- কি সেটা তো বল,(মা) --- সেদিন স্বপন এমনি চলে যাই না আমাদের বাসা থেকে ও মনে আঘাত নিয়ে চলে গেছে,,, --- মানে কি হইছে,,, (মা) --- হুম বলছি,,,ঈশিকা শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যা হয়েছে সব কিছু বললো,,,,....... ........ ............. -- ছি তুই আমার মেয়ে বলতেও ঘৃণা লাগে তকে স্বাধীনতা দিছি এজন্য মানুষের ইগো নিয়ে জীবন নিয়ে খেলা করতে,,,,(মা) --- প্লিজজ মা আমায় আর কিছু বলো না,,স্বপন আমায় বিয়ে করতে চায় আমিও করবো তুমি বাবাকে বুঝাও ওরে ছাড়া আমি বাচবো না,,আমি জানি বিয়ে করতাছে শুধু প্রতিশোধ নেয়ার জন্য,, তবুও আমি ওকে বিয়ে করবো৷,,,,,, (ঈশিকা) --- কিন্তু তর বাবা মানবে কি,,,,আর বিয়ে করে কি খাবি,,,(মা) +---- আমাদের কি কম আছে,,আমাদের একটা বাড়ি দিও তাই হবে,,,,(ঈশিকা) --- হুম দেখছি কি করা যায়,,,,তবে তুই হইতো কখনো সুখি হতে পারবি না,,,,(মা) --- আল্লাহ ভরসা তুমি বাবা কে বুঝাও,,,,আর কাল আর ২ দিন পর ই স্বপন দের বাসায় বিয়ের প্রস্তাব পাঠাও,,,,(ঈশিকা) --- হুম আমি একন উঠি দেখি তর বাবা কি করে,,,, তারপর ঈশিকার মা, ঈশিকার বাবা কে ২ ঘন্টা বুঝানোর পর রাজি হলো,,,,, আর এটা শুনে ঈশিকা আত্মহারা হয়ে গেলো,,,, এদিক আমি ঘুমানোর প্রস্তুতি নিতাছি তখন ঈশিকার ফোন,,, --- হ্যা বলেন..(আমি) --- আমি আমার মা বাবা কে রাজি করাইছি,,,২ দিন পর তুমার বাসায় যাবো,,,(ঈশিকা) --- ওহ আচ্ছা তাহলে কি আমি কালই চলে যাই আপনাদের আপ্যায়ন এর তো প্রস্তুতি নিতে হবে,,,(আমি) --- আমাদের সাথে যাও,,(ঈশিকা) --- না আপনরা জামালপুর শহর এ এসে আমায় কল করবেন আমি আপনাদের রিসিভ করে আনবো,,(আমি) --- ওকে,,,, (ঈশিকা) --- হুম,, কথা বলা শেষ করে ঘুমিয়ে গেলাম,, সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে মাকে ফোন দিয়ে বললাম আমি আসছি,,,,,বন্ধুদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে এলাম,,,,,,, রাতে বাসায় এসে পৌছালাম,,,,,, মা বোন এর সাথে কথা বলার পর রুমে গেলাম,,, কাপড় বদলিয়ে ফ্রেস হয়ে রাতে খাওয়া দাওয়া পর,,, --- মা তুমায় একটা কথা বলার ছিলো..?(আমি) --- হুম বল,,,(মা) --- আমি বিয়ে করবো,,,,আর মেয়ের মা বাবা কাল আসছে আমাদের বাসায় প্রস্তাব নিয়ে,, (আমি) --- কিন্তু মেয়েদের বাসা কই কি করে তার মা বাবা,,,(মা) --- তারা অনেক বড়লোক থাকে আমার ভার্সিটি এলাকা তেই,,বড়লোক,,,(মা) --- কিন্তু আমি এমন ঘরে তকে বিয়ে করাতে রাজি না,,দেখিস না কত ছেলে বড়লোক মেয়েদের বিয়ে করে নিজের মাকে ভুলে যা,,,(মা) --- মা কি বলছো,,,সবাই কি সমান আমার ভাই সবার থেকে আলাদা,,(ছোট বোন তামান্না বললো) --- হুম তুই একটু বুঝা,,,(আমি) --- আচ্ছা ভাইয়া ভাবি মনে হয় অনেক কিউট তাইনা,,,(তামান্না) --- চুপ করবি কি তরা,,,,(মা) --- হুম করলাম,,(আমি) -- আচ্ছা ওরা আসুক আমার পছন্দ হলে ভেবে দেখবো,, কালই তো আসছে,,,,(মা) -- হুম কালই আসছে,,,(আমি) আচ্ছা এখন ঘুমাতে যা,,,, পরদিন ঈশিকা সকালে ফেন দিয়ে বললো তারা রওনা হইছে,,,, --- বিকালে আমি ওদের জামালপুর শহর থেকে আমাদের বাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে আনলাম,,,,বাড়ি আসার পর সবার সাথে তাদের পরিচয় করিয়ে দিলাম,, -- বাহ গ্রাম টা তো খুব সুন্দর (ঈশিকা) -- হুম জানি,,(আমি) --- আমাদের ঘরটা কেমন,, (আমি) --- তুমি যেভাবে বলেছিলে তার থেকে অনেক ভালো আমার খুব পছন্দ হয়েছে,,,,,(ঈশিকা) -- এই ভাইয়া তকে মা ডাকছে,,,,(তামান্না এসে বললো) --- ওকে যাচ্ছি তুই গল্প কর ঈশিকার সাথে,, (আমি) আমি চলে আসলাম,,, মা ডাকছো তুমি,,,,(আমি) --- কই নাতো,,,,,(মা) -- ওহ আচ্ছা,,, আমি আবার ফিরে আসলাম কিরে মিথ্যা বললি কেনো,,,,(আমি) --- এমনি ভাবির সাথে একটু গল্প করার জন্য,, (তামান্না) এটা বলে ২ জনে হাহা করে হেসে উঠলো,,,, হুম হইছে যা তুই খাবার ব্যবস্থা কর,,(আমি) -- হুম যাচ্ছি,, (তামন্না চলে গেলো) --- কি বললো,,(আমি) -- কিছুনা তুমার বোন টা খুব মিস্টি আর তার বিপরিত তুমি,,,(ঈশিকা) --- হুম আপনার কারনে হয়েছি,,(আমি) আচ্ছা চলেন খাওয়া দাওয়া করেন,,,,,গরিবের খাবার পছন্দ হবে কি..?(আমি) --- অন্তত আজ কিছু বলো না,, আজ মনটা খুব ভালো,,(ঈশিকা) --- ওকে চলেন খাবেন,,,, খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমার কাকা মা আর খালু বসলো,,,,,,তারপর বিয়ের বিষয় কথা বলা শুরু হলো এক পর্যায়ে সব মিটে গেলো আমার মায়ের খুব পছন্দ হয়েছে,,,,ঈশিকা আর আমার মায়ের কথা বার্তা দেখে মনে হিংসা জন্ম নিলো একদিনে এত মিল,,,,, ---সবাই যখন উঠতে যাবে তখন আমি বললাম,, বিয়েতে আমার একটা আপত্তি আছে,,,,(আমি) *-- সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে,,, --- বলো তুমার কি আপত্তি,, (আন্টি) ---- বিয়েতে কাবিন হবে মাত্র ১০ হাজার ১ টাকা,,,,(আমি) --- আমার কথা শুনে সবাই সবার মুখের দিকে চাওয়া চাওয়ি করছে,,,,,,হঠাৎ আঙ্কেল রেগে গেলো,,,,, --- কি বলছো তুমি এটা কি পুতুল খেলা (আঙ্কেল) --- তুমি চুপ করো,,আঙ্কেল এর উদ্দেশ্য বললো আন্টি,,, -- ঈশিকা মা একটু আমার সাথে আয় বাহিরে তারা ঘর থেকে বের হয়ে গেলো,, একটু পর এসে তারা রাজি হলো আমার কথায়,,,,,আর বিয়ে হবে আগামি রবিবারে ৬ দিন পর,,,,ঈশিকাদের বাসায় আমার পরিবার আত্মীয় স্বজন সবাই সেখানে থাকবে,,, পরেরদিন সকালে ঈশিকারা চলে গেলো,,,, --- ওরা যাওয়ার পর মা বললো --- কিরে তুই এমন কথ বললি কেনো,,)মা) --- সময় হলে সব বলবো,,,,এখন বিয়ের প্রস্তুতি নাও,,,, বন্ধুদের ফোন করে বললাম,,, খুশির সংবাদ টা,,,, পরেরদিন মা, বোন,,কাকা,,, কাকি, কাকাতো ভাই আর খালু সব মিলেয়ে ১৫ জন মিলে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা হলাম,,,,, 🍥🍥🍥🍥 ঢাকা আসার পর ভালোই চলতে লাগলো, শপিং করা বিয়ের সব ধরনের কাজ সব মিলেয়ে ভালো চলছিলো,,,আজ আমার গায়ে হলুদ,,কাল বিয়ে,,, বেশি বড় অনুস্ঠান করা হই নি,,,,,,,,,বাড়িটা সুন্দর করে সাজানো হয়েছে সবার চোখে মুখে আনন্দের প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠছে,,, যা হোক সব ঝামেলা শেষ করে পরদিন আমাদের বিয়ে টা হয়ে গেলো,,,বিয়ের সাজে ঈশিকা কে দারন লাগছে,,চোখ ফেরানো যাচ্ছে না,,,,বিয়ে শেষে ঈশিকার বাবা ঈশিকাকে আমার হাতে তুলে দিয়ে বললো,, --- দেখো বাবা তুমাদের মাঝে যা হয়েছে ভুলে যাও আমার মেয়েটাকে কষ্ট দিও না,,আমার মেয়ের চোখের জল দেখতে পারি না তাই তুমার সব কথা মেনে নিয়ে তুমার হাতে তুলে দিলাম,,,, ঈশিকার চোখ দিয়েও পানি ঝরছে সেওই জানে না তার কপালে ভবিষ্যৎ কি আছে,,,, রাত ১০ টা বাজে বন্ধুরা ধাক্কা ধাক্কি করে বাসর ঘরে ঢুকিয়ে দিলো আর বললো বিড়াল টা যেনো মারি,,,, --- আমি রুমে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলাম, ঈশিকা এসে আমার পা ছুয়ে ছালাম করলো,,,,,,চলো নামাজ টা পরে নেই,,(ঈশিকা বললো] --- হুম.. (আমি) তারপর নামাজ টা পরে নিলাম,,, আমি খাটে গিয়ে বসলাম,,,, --- আমায় কি ক্ষমা করা যাই না,,(ঈশিকা) --- না শুনেন আপনার আমার এখন কোনো সম্পর্ক নেই,,,,,,আর বাহিরে যেনো সবাই জানে আমরা খুব হ্যাপি আছি ওকে,,,১৯/২০ হলে আপনার কপালে দুঃখ আছে, যা বলবো তাই করবেন,,,যেদিন আমার মনে হবে আপনাকে ক্ষমা করা যাই সেদিন ক্ষমা করবো,,,এখন ঘুমিয়ে পড়ুন,,, ঈশিকা এক পাশ শুয়ে চোখের পানি ফেলছে আর মনে মনে ভাবছে,,, আমার গল্পটা কি অসমাপ্ত থাকবে,,,,তাকে পেয়েও কি তার ভালোবাসা পাবো না,,কোনোদিন কি ক্ষমা করবে না,,,,,,, , আর আমি ভাবছি কি করবো তাকে কি ক্ষমা করবো নাকি আরো কষ্ট দিবো,,এখন কষ্ট দিলে তো ঈশিকার বাবা মাকেও কষ্ট দেয়া হবে,,,কি করবো মাথায় কিচ্ছু আসছে না,,, আচ্ছা,,, [স্বপন কি ঈশিকা কে মেনে নিবে,,,অন্য ১০ টা স্বামি স্ত্রীর মতো চলাফেরা করবে,, নাকি গল্পের মোড টা অন্য দিকে যাবে,,,তা জানতে সাথেই থাকুন সিজন ২ আসার আগ পর্যন্ত,,,,, কাল থেক

@Hasan16

Kosto কষ্টের একটা গল্প 😥😥😥😥 সবাই পড়বেন 😭 মেয়ে : আমি একটি কথা বলতে চাই।🥰 ছেলে: বলো🥰 মেয়ে : যদি বলি আমি তোমাকে ভালবাসি।🥰 ছেলে : তুমি আমাকে ভালবাসো কিন্তু আমি যে গরিব😢 মেয়ে : আমি তোমাকে চাই, তোমার সম্পদ নয়।🥰 ছেলে : আমিও তোমাকে ভালোবাসি।🥰 মেয়ে : তুমি আমাকে বিয়ে করে আমার কাছে কি চাইবা?🥰 ছেলে : আমি আমার মা বাবাকে অনেক ভালবাসি তোমার কাছে শুধু তাদের সুখ চাই আমাকে কিছু দাও আর না দাও🥰 কিছু দিন পর😓 মেয়ে : আমার মা বাবা তোমার কাছে আমাকে বিয়ে দিবে না।😢 ছেলে : তাহলে কি করবো আমি? তুমি কি চাও?😢 মেয়ে : আমার মা বাবাকে আমি ছাড়তে পারবো না, তোমাকেও না। তুমি ঘর জামাই চলে আসো 😢 ছেলে : আমি তোমাকে ছাড়া বাচবো না কি করবো বলো আমি রাজি কিন্তু এমন কিন্তু কথা ছিল না😢 মেয়ে : আমার জন্য এই টুকু করো তুমিতো আমাকে ভালোবাসো😢💖 ছেলে ‌‌‌‌‌↑ওকে ঠিক আছে 💖 আরো কিছু দিন পর হঠাৎ করে 😥😥 মেয়ে : আমার বাবা বলেছে সরকারী চাকরিজীবী হলে বিয়ে দিবে না হলে নয়।😥😥 ছেলে : আমার তো এমন বড় চাকরির যোগ্যতা নাই।😥 মেয়ে : আমি কি করব বল? আমি কিছুই করতে পারবো না তুমি আমার মা বাবাকে বুঝাও।😥 অনেক বুঝানোর পরে-ও কিছু হলো না 😥😥 আরো কিছু দিন পর😥😥 মেয়ে : কালকে আমার বিয়ে😥 ছেলে : কষ্ট হচ্ছে না? 😥 মেয়ে : তুমি কিছুই করতে পারলে না। আমার পোড়া কপাল। কষ্ট নাই বাস্তব মানতেই হবে।।😥 ছেলে : আমিও মেনে নিলাম তোমার বানানো বাস্তব। তুমি ভালো থাকবে ভেবে আমারও কষ্ট নাই।😥 এই বলে ছেলে কেদে কেদে চলে গেলে সেখান থেকে। আর কোন দিন তাদের দেখা হল না।😥 কয়েক বছর পর💔 মেয়েটি একটি দেখলো একটি কবরে লেখা যদি বলি আমি তোমাকে ভালবাসি? তুমার জন্য এই পৃথিবী ছাড়তে পারি।😥 মনে পড়ে গেলো সেই পুরোনো কথা 😥 মেয়েটি সেখানেই কাদতে কাদতে অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে খোজ নিয়ে দেখা গেল সেখানে তার ভালবাসার মানুষ ঘুমিয়ে আছে। সত্যি কারের ভালোবাসা গুলো কখনো পূণ্যতা পায় না 😰😰😰 দোয়া করি সবার ভালোবাসা যেন পূণ্যতা পায় 🙃 কেমন লাগলো অবশ্যই একটা কমেন্ট 😊😊😊😊

@Hasan16

বউ যখন অতিরিক্ত রোমান্টিক গল্পঃ বউ যখন অতিরিক্ত রোমান্টিক। পর্বঃ ১ লিমাঃ এটা কোন কিস হলো? আমিঃ কিসতো এভাবেই করে। লিমাঃ এভাবে গালে নয়, - এবার ঠোঁটে কিস করো। - আজকের রাতটা আমাদের জীবনের প্রথম রাত। - এই রাতটা নিয়ে আমার অনেক সপ্ন ছিল। - আজ সেই সপ্নগুলোকে বাস্তবে রুপ দিতে যাচ্ছি। - আমিঃ আমি ঠোঁটে কিস করতে পারব না।কেমন যেন আনইজি লাগে। - লিমাঃ পারবানা..? - আমিঃ না।পারবো না। - - খপ করে পান্জাবীর কলার ধরে আমার ঠোঁটের সাথে নিজের ঠোঁট দুইটা মিশিয়ে দিল। - আরে আপনাদেরতো কিছুই বলা হয়নি। - এইমাত্র যেই মেয়েটি আমাকে কিস করল সে আমার রোমান্টিক বউ লিমা। - আর আমি রাশেদ। - পারিবারিকভাবেই আজ আমাদের বিয়েটা সম্পন্ন হয়েছে। - লিমা হলো আম্মুর বান্ধবীর মেয়ে। - তারা দুই বান্ধবী প্রতিজ্ঞা করেছিল আমাদের বিয়ে দেবার। - এই কথাটা আমি ও লিমা দুজনেই জানতাম। - - কিন্তু আমার বয়স যখন ১২ তার পর থেকে লিমার সাথে কখনো আমার দেখা হয়নি। - এমনকি কথাও হয়নি। - আমার পড়াশুনা শেষ। - বর্তমানে একটা প্রাইভেট কম্পানিতে চাকরি করি। - আর লিমা অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী । - আজ লিমাকে বিয়ে করে বাসায় নিয়ে আসলাম। - আর এখন আমি আর লিমা বাসর ঘরে আছি। তারপর কি হলো নিজেরাইতো দেখলেন_____! - - টানা ১২ মিনিট আমার ঠোঁট নিজের দখলে নিয়ে রেখেছে লিমা। - একপ্রকার জোর করেই ধরে রেখেছিল।। - হালকা করেই নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে হাপাচ্ছি। - আর লিমা হেসেই চলেছে। - তার মিষ্টি হাসি দেখে আমিও ফিদা। - আমিও তার ঠোঁটে আলতো করে। - আমার ঠোঁটের স্পর্শ এঁকে দিলাম। - তারপর কি হলো আপনারা না জানলেও চলবে.!! - সকালে ঘুম ভাঙলো, - লিমার ভেজা চুলের ঝটকায় শরীরে এসে কুয়াশার মতো পানি পড়ায়। - আমিঃএই অবেলায় দিলাতো ঘুমটা নষ্ট করে! - লিমাঃ এটা অবেলা? - ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে দেখো কত্ত বেলা হয়েছে। - আমিঃ ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি সকাল ৫ টা বাজে। - এখনতো মাত্র পাঁচটা বাজে। - এত সকালে কেন ঘুমটা নষ্ট করলা? - রাতেও তো ভাল করে ঘুমাতে পারিনি তুমার জন্য। - লিমাঃ এখন ওঠে ওয়াশরুমে যাও। - গোসল করে এসো একসাথে নামাজ পড়ব। - আমিঃ আর একটু ঘুমাই প্লিজ। - লিমাঃ না, নামাজের সময় পাওয়া যাবেনা। - - আমিঃহঠাৎ ঘাড়ে ব্যাথা অনুভব করলাম। - ইশশ পাজিটা কামড় বসিয়ে দিয়েছে। - এক লাফে ওঠে ওয়াশরুমে দৌড় দিলাম। - - ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে দুজন একসাথে নামাজ পড়লাম। - সারা রাত ঘুমাতে পারিনি,ঘুমে চোখ টলমল করছে,,,তাই আবার ঘুমিয়ে পড়লাম। #_চলবে.....!

@Hasan16

হ্মেত যখন বড় লোক এর বউ৭ #ক্ষেত_যখন_বড়লোকের_ছেলে #পর্ব_৭ তারপর তার বান্ধবীরা এসে তাকে বলল যে,,,,,,,,,, আজকে তার জন্মদিনে ফাহিম গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের নতুন এমডি ওমর ফারুক ফাহিম আসবে।।আর তিনি নাকি আমাদের ভার্সিটি থেকে আমাদের সাথেই পড়ালেখা করেছেন।।। তারপর নিধি চিন্তায় পড়ে গেল।।কারণ –ভার্সিটি তে এতো বড়লোকের ছেলে কেউ ছিল না। তাহলে সে আমাদের সাথে এবং একই ভার্সিটি থেকে।কিভাবে পাশ করল।।।তাও আমরা তাকে দেখি নি।।। ও আপনাদের আরেকটা কথা বলা হয় নি।। আমার ক্রাশের সাথেই আমার আমার বাবা আমার বিয়ে ঠিক করেছেন।মানে নিধির সাথে।।। কিন্তু নিধি তা জানে না।।আর তার বাবাও আমাকে দেখে নি কোনোদিন।।। তাহলে কিভাব নিধির সাথে আমার বিয়ে ঠিক হল বুঝতেছেন না তো।। বুঝত্তে হলে সাথেই থাকুন।।।। নিধি আমাকে তার বার্থডে পার্টিতে ইনভাইট করে নি।।আর সবাইকে করেছে।।আমিও দাওয়াত ছাড়া যাচ্ছি না।।কারণ -তার বাবা আমাদের সবাইকে দাওয়াত দিয়েছে।।।তারপর বিকেলে বাবা আর সবাই চলে গেল আমি সন্ধ্যায় যাব।। আমার কিছু কাজ আছে তা শেষ করে।।তারপর আমি বাসা থেকে বের হয়ে বন্ধুদের কল দিলাম।।১৫ মিনিটের ভিতর সবাই ভার্সিটির সামনে হাজির হল।।তারপর সবাইকে সব কাজ বুঝিয়ে দিলাম।আর বললাম বাড়ির সবাইকে যেন বলে।যা হচ্ছে দেখে যেতে কোনো কথা যেন না বলে।(আমার বাড়ির সবাইকে।) তারপর বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে রেডি হয়ে নিলাম নিধির বাসায় যাওয়ার জন্য।।আমার পড়নে নরমাল একটা পাঞ্জাবী আর পায়জামা আর কমদামী একজোড়া জুতা।। তারপর নিধির বাসার উদ্দেশ্যে বের হয়।। গাড়ি নেই নি রিক্সা দিয়েই ওদের বাসায় পৌছালাম।। গেটের দারোয়ান প্রথমে ডুকতে দেয় নি।। কিছু টাকা হাতে ধরিয়ে দেওয়ার পর ভিতরে যেতে দিল।।(আসলে এখনকার মানুষ টাকার জন্য সব করতে পারে।নিজের পরিবারের ক্ষতি করতেও দুইবার ভাবে না) তারপর ভিতরে প্রবেশ করলাম।।আমার বন্ধুরা তা দেখে আমার কাছে চলে এলো।।তারপর তাদের বললাম -বাবা-মাকে সব বুঝিয়ে বলেছিস নাকি।। সিয়াম- হ্যা।। ওদের সাথে কথা বলা শেষ করার সাথে সাথে কে যেন আমার হাত ধরে টান দেয় পিছনে ঘুরতেই ঠাস।(সবাই থমকে যায়।আপু কিছু বলতে চেয়েছিল,আমি ইশারায় তাকে বলতে মানা করি)নিধি আমার গালে চড় মারে আর বলতে থাকে। ছোটলোক কোথাকার তকেএখানে কে ইনভাইট করেছে।। আমি বললাম- কেউ না আজ তোমার জন্মদিন তাই তোমাকে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছি। আর এটা তোমার জন্য। (একটা ঘড়ি এগিয়ে দিয়ে।।ঘরিটা দামি কিন্তু পেকিং সেভাবে করেছি যাতে দামি মনে না হয়) তারপর নিধি বলল-ভিখারির মতো যখন এসেই পড়েছিস খাবার খেয়ে যাস।।। আমি- সরি।। আমি এখানে খাবার খেতে আসি নি।।এসেছিলাম তোমাকে তোমার জন্মদিনের গিফট দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে।। জানানো হয়ে গেছে এখন আমার ফিরে যাওয়ার পালা।। তারপর আমি সেখান থেকে চলে আসি।। আমার সাথে আমার বন্ধুরাও চলে আসে।। সেখান থেকে বের হয়ে আমি বাবাকে কল করে বললাম- যে নিধির বাবাকে বলতে যে এংগেজমেন্ট কালকে কমিওনিটি সেন্টারে হবে।বলে আমি কল কেটে দেই।। তারপর আমি বন্ধুদের বললাম- তোরা চলে এসেছিস কেন।তোরা ইনজয় করতি। তখন সিয়াম- বলল যেখানে তকে অপমান করে দিয়েছে সেখানে আমরা কি করে থাকি।। আর এইসব করে তুই কি পাইতাছিস।।অপমান ছাড়া ত আর কিছু পাচ্ছিস না। আমি বললাম- তোরা কি খাবি। আমার খুব খিধে লেগেছে। তারপর সবাই মিলে একটা রেস্টুরেন্টে ডুকলাম।।সবাই মিলে অনেক কিছু খেলাম।। এদিকে বাবা নিধির বাবাকে বললেন যে আমার কিছু গুরুত্বপুর্ণ কাজ থাকায় আমি যেতে পারব না।। কাল কমিওনিটি সেন্টারে চলে আসতে।। আপনাদের সাড়া পেলে নেক্সট পর্ব দিব নয়তো দিব না।। সবাই নিয়মিত নামায আদায় করুন।।। (বিঃদ্রঃ ভুলট্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)

@Hasan16

গল্প৩ মেয়েঃএই দোকানের মালিক কে...? তানভীরঃজ্বি আমি... মেয়েঃএই ছোট বয়সের কেউ মালিক হয়...? তানভীরঃজ্বি হয়,এই যে আমি। মেয়েঃআচ্ছা আপনার দোকানে বিষ আছে...? তানভীরঃজ্বি,,,,আছে,,,, মেয়েঃআমাকে বিষ দিন। তানভীরঃজ্বি ইয়ে মানে,,,,,, মেয়েঃআজব ছেলে তো বাংলা কথা বুঝেন না। তানভীরঃজ্বি,,,, বুঝি,,,, তানভীর তাকিয়ে আছে সামনে দাঁড়ানো মেয়েটির দিকে,,,,, মনে হচ্ছে সারা রাত কান্নাকাটি করেছে।চোখ দুই টা হালকা ফুলে আছে,,,,,,,,, তানভীরের মনে হচ্ছে এই সেই নাটোরের বনলতা সেন,,,,,, যাকে কবি না দেখে আন্দাজে রুপের বর্ননা দিয়েছিলেন,,,,,,, এত সুন্দর মেয়েদের মুখে বিষ শব্দ টাও সুন্দর শোনায়,,,,,, তবে যাই হোক এই মেয়ে কে বিষ দেওয়া আর জেলখানার একটা ১৪ সিকের রুম কেনা উভয় সমান,,,,,,,, মেয়েঃহ্যালো,,,,,,এই যে আমি আপনাকে বলছি,,,,,,বিষ দিন আমাকে.,,,,, তানভীর মেয়েটির কথায় হকচকিয়ে গেল। একটু মজা করেই বললঃ আচ্ছা বলুন কি কালারের বিষ লাগবে? মেয়েঃ মানে ,বিষের আবার কালার হয় না কি...? তানভীরঃ আলবাত হয়, এর আগে একবার খাইলে বুঝতেন,,,,,, এই যেমন কালো,সাদা,নীল,পিংক কালার ইত্যাদি। মেয়েঃ কালো বিষ দেন। তানভীরঃ ছিঃ ছিঃ ভুল করেও খাবেন না,,,,মরার পরে দাঁত কুচকুচে কালো দেখাবে। আপনাকে যারা দেখতে আসবে সবাই বলবে মেয়ের দাঁত কালো। মেয়েঃ নাহ থাক তাহলে,,,,,,,আচ্ছা নীল কালার আমার খুব পছন্দ,,,,,,নীল কালারের বিষ দেন,,,,, তানভীরঃআরে না ,নীল কালারের বিষ নিমের পাতার মত তিতা,,,,,, তবে আপনার সাথে পিংক কালারের বিষ ভাল মানাবে,,,,,, মেয়েঃ ধ্যাত বিষের এত কাহিনী।যা মনে চায় দিয়ে দিন,,,, তানভীর সিভিটের পাতা থেকে ২ টা সিভিট সাদা কাগজে জড়িয়ে দিলো। মেয়েঃ কত টকা...??? তানভীরঃ আপাতত টাকা লাগবে না,,,,,,পড়ে এসে দিয়েন,,,,,, মেয়েঃ আপনি কি আমাকে পাগল পেয়েছেন,,,,,?? তানভীরঃ কেন,,,,,??? মেয়েঃ আমি মারা যাওয়ার পর কিভাবে দিবো,,,,?? তানভীরঃ তাহলে ফোন নাম্বার দিয়ে যান। মেয়েঃ নাহ ফোন নাম্বার দিতে পারবো না। তানভীরঃ ওকে,,,,, তাহলে আমার টা নিয়ে যান। বিষ খাওয়ার আগে কল দিয়েন,,,,,,, কিভাবে খেতে হবে বলে দিবো...।। তানভীরের কথাতে মেয়েটার মুখে কিছু টা হাঁসি ফুটলো,,,, রাত ১১.৪৭ মিনিট। তানভীরঃ হ্যালো...!!( রিসিভ করে) মেয়েঃকে বলছিলেন,,,,??? তানভীরঃআমি তানভীর,,,, মেয়েঃআপনি মিয়া একটা ফাউল,,, তানভীরঃকেন...?? মেয়েঃআপনার বিষ সিভিটের মত কেন,,,,? তানভীরঃআপনি কি খালি পেটে খেয়েছেন? মেয়েঃজ্বি,,, তানভীরঃসেই জন্য সিভিটের মত লেগেছে...।।এক কাজ করুন ভরা পেটে খান। মেয়েঃআপনি যেমন ,আপনার দোকানের বিষ তেমন,,,,,,,,আমি এখন ভাত খাইলে রাগ চলে যাবে,,,,,,,,,, কারণ ভরা পেটে আমার রাগ থাকে না...।। তানভীরঃতাহলে খেয়ে উঠে আমাকে কল দেন,আমি রাগ বাড়িয়ে দিয়ে বিষ খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিবো,,,,,, মেয়েঃতবে আপনি যেমন মানুষ তাতে খারাপ বলেন নাই,,,,,, কারণ আপনাকে কল দিলেই আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যাবে,,,,, ওকে আমি খেয়ে এসে কল দিচ্ছি...।। তানভীর অপেক্ষা করতে থাকলো সেই ফোন কলের,,,,,,, আপনারা অপেক্ষা করতে থাকেন পরের অংশের জন্য,,,,,,,,,,,,,

@Hasan16

নারী নারী হচ্ছে প্রকৃতির সবচেয়ে রহস্যময় সৃষ্টি...সৃষ্টিকর্তা তার রহস্যের এক বিরাট অংশ নারীদের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছেন...🤔 এ কারনে ঘুম থেকে ওঠার সময় তাকে আপনার কাছে লাগবে একেবারে নিস্পাপ, আদুরে বিড়ালের মত...তার গালগুলা একটু টিপে দিতে মন চাইবে, নাকটা একটু টেনে দিতে ইচ্ছে করবে, ঠোঁটগুলা...ইয়ে, থাকুক . যখন সে কোমরে ওড়না পেঁচিয়ে চুলগুলো খোঁপা করে বা ক্লিপে আটকিয়ে ঘরকন্যার কাজগুলো করবে, তখন তার ঘামে ভেজা নাক আর ভেজা কপালে লেপ্টে থাকা কয়েকগাছি চুল আপনার কাছে অপার সৌন্দর্যের আধার হয়ে দেখা দেবে...🤩 . আবার যখন গোসল সেরে টাওয়েলটা মাথায় পেঁচিয়ে বেরিয়ে আসবে, নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি বসে আছেন...কারন বিস্ময়ের ঝটকায় আপনি মাথা ঘুরে পড়ে আহত ও হতে পারেন...আপনার চোখে তাকে তখন মনে হবে শিশিরে ভেজা ভোরের আলোয় সদ্য ফোটা একটি গোলাপকুঁড়ি...আপনি কসম খেয়ে বলতে পারেন যে এর চেয়ে সুন্দর কিছু আপনি কখনো দেখেননি...প্রয়োজনে সানগ্লাস পরে নিন, যেন সৌন্দর্যের ছটায় আপনি অন্ধ না হয়ে যান... . এরপর দেখবেন তাকে অস্তগামী সূর্যের হলদে আলোয়...ভেসে আসা আযানের ধ্বনি শুনে যখন সে মাথা ঢাকবে ওড়না দিয়ে, আপনার মনে হবে একে আপনি আগে দেখেননি, সম্পুর্ন অপরিচিতা কেউ একজন...আপনি আবার নতুন করে তার প্রেমে পড়বেন...আপনার কাছে আপনার জীবনকালটাকে খুবই ছোট বলে মনে হবে...আর কিছুদিন বেশি বেঁচে থাকার জন্য মন আকুলি বিকুলি করবে... . সন্ধ্যারাতে আটপৌরে শাড়ি পরা সে যখন বারান্দায় আপনার পাশে আপনার কাঁধে মাথা রেখে চুপচাপ বসে থাকবে, আপনি তার চুলের গন্ধ পাবেন...আপনার কাছে মনে হবে আপনার এই জীবনে চাইবার আর কিছু নেই। এগুলো সবই হচ্ছে মায়া...এই ভ্রম কেটে গিয়ে সবকিছুর ঠিক উল্টো অভিজ্ঞতাও আপনার হতে পারে...একই অঙ্গে এমন হাজারো রূপ বলেই নারী রহস্যময়ী...।💘

@Hasan16

মামাতো বোন ♥ মামাতো বোন ♥ পার্ট :২ নীল তুলি ছেলেটার কাছে এগিয়ে গিয়ে বললো তুলিঃ বলো কত টাকা চাই তোমার ছেলেটি: ১ লক্ষ তুলিঃ এই নাও কার্ড যত লাগে তত তুলে নিয়ে আমাকে কার্ড টা দিয়ো ছেলেটি তুলিকে জড়িয়ে ধরে বললো ধন্যবাদ সোনা তুমি না থাকলে আজ কিযে হত আমার। ছেলেটি চলে যাবার পর তুলি এসে গাড়িতে বসলো তুলি: চলো এখন আমি: ওকে তুলি: আর হ্যা তোমার মনে আছে তো যে কোন অনুষ্টানে গেলে আমাকে ম্যাম বলে ডাকতে হবে মার নাম ধরে ডাকা যাবে না আমি: হুম মনে আছে কিছুক্ষন পরেই আমরা চলে আসলাম আমি গাড়ি থেকে নেমে দেখলাম কারো মনে হয় বিয়ে বাড়ি এটা তুলি গাড়ি থেকে নেমে বললো তুলিঃ তুমি এখানেই থাকবা ভিতরে যাবা না আমি: ওকে ম্যাম ও হ্যা ওকে ম্যাম বলে ডাকার কারন টা হচ্ছে আমার মত ছেলে যদি ওকে নাম ধরে ডাকে তাহলে ওর মান সম্মান নাকি নষ্ট হয়ে যাবে তাই তো ওকে সব সময় ম্যাম বলে ডাকতে হবে । তুলি চলে যাবার পর আমি গাড়িতে গিয়ে বসলাম। তুলির সাথে ভালো ভালো যায়গায় গেলে তুলি আ মাকে এভাবে বাহিরেই রাখে তাই আর এখন এই ব্যাপার টা আমাকে খারাপ লাগে না। আমি গাড়িতে বসে গান শুনতেছি এমন সময় শুনতে পেলাম মামির কন্ঠ আমি গাড়ির গ্লাস খুলে দেখলাম মামি বাহির এ দাড় হয়ে আমি গাড়ি থেকে নেমে বললাম আমি: মামি কিছু লাগবে নাকি মামি: তুমি ভিতরে না গিয়ে এ খানে কেন আমি: না এমনি তেই যাইনি মামি: আসো এখন আমি: না থাক না আমি ভিতরে না যাই। মামি: আমি বলছি না আসো তুমি। আমি মামির কথা মত ভিতরে ডুকলাম। তার ফাকেই মামিকে বললাম আমি: মামি কার বিয়ে আজ মামি: আমার ভাইয়ের মেয়ে আমি: ও রিতি আপু বিয়ে আজে ( মামির ভাইয়ের মেয়ের নাম রিতি) মামি: হুম কথা না বলে চলো তোএখন আমি মামির সাথে ভিতরে গেলাম ভিতর টা অনেক সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। মামি আমাকে একটা রুম দেখিয়ে দিয়ে বললো যাও ওই রুম এ গিয়ে বিশ্রাম নাও আমি আসতেছি আমি মামির কথা মত রুমে ডুকতে যাবো এমন সময় পিছন থেকে কে যেন আমাকে ডাক দিলো আমি পিছনে ঘুরে দেখলাম রাফা আমাকে ডাকতেছে( রাফা হচ্ছে রিদির ছোট বোন) ও মামির বাসায় গিয়ে মাঝে মাঝেই থাকে তাই আমাকে চিনে ও এবার ক্লাস টেন এ পড়ে ও আমার সাথে খুব ফ্রি। আমি: কি হয়েছে রাফা রাফাঃ ভুলে গেছো নাকি আমাকে আমি: ভুলে কেন যাবো তোমাকে রাফাঃ যদি মনে রাখতে তাহলে একবার হলে ও আমার খোজ নিতে ভাই আমি: আরে পাগলি আমি কেবল আসলাম রাফাঃ ওকে ভাইয়া চলো রুম এ গিয়ে বসে গল্প করি আমি: ওকে চলো আমরা দুজনে রুম এর মধ্যে প্রবেশ করে গল্প করতেছি এমন সময় তুলি রুম এর মধ্যে ডুকে আমাকে বললো তুলি: ওই ফকিন্নির বাচ্ছা তোকে না বলছি বাড়ির ভিতড়ে ডুকবি না আমি: আমি তো ডুকতে চাই নি কিন্তু মামি ও আমাকে চুপ করে দিয়ে বললো তুলিঃ মামি আসতে বলছে বিধায় তুই আসবি নাকি। আমি: না মানে তুলি তুলিঃ: কি বললি তুই ঠাসস ঠাসস ঠাসস ঠাসস তোকে না বলছি আমার নাম ধরে ডাকবি না আমি: স্যরি ম্যাম ভুল হয়ে গেছে আর ভুল হবে না। আমি পিছন ফিরে দেখতেছি রাফা আমার দিকে করুন চোখ এ তাকিয়ে আছে তুলিঃ যা বলছি এখন থেকে বের হয়ে আর যেন এখান এ না দেকি তোকে আমি: ওকে ম্যাম বলেই আমি যখনি চলে আসতে ধরছি তখনি রাফা পিছন থেকে বলে উঠলো রাফাঃ নীল ভাইয়া দাড়াও তুমি। তুমি কেথাও যাবা না এখানেই থাকবা তুলিঃ: মানে কি বলতে চাস তুই নেহা রাফাঃ আপু তুমি অনেক বলেছো যখন আমি তোমাদের বাসায় গিয়ে থাকতাম তখনো তুমি নীল ভাইয়াকে এভাবেই অপমান করতে। ওটা তোমার বাসা ছিলো তাই আমি কিছু বলি নাই এখন এটা আমার বাসা আমি কাকে থাকতে দিবো না দিবো সেটা আমার ব্যাপার তুলিঃ ও বুঝছি রাতে দেখবো তোমার পেয়ারের নীল কোথায় থাকে কার বাসায় যায় আমি: তুমি যদি বেশি বাড়াবাড়ি করো তাহলে কিন্তু আপু। তোমার যে ঘটনা টা আমি যানি সেটা আন্টিকে বলে দিবো এই কথা বলার সাথে সাথে তুলি যেনো চুপ হয়ে গেলো। ও মুখ টা কালো করে রুম থেকে বেড় হয়ে গেলো আমি: থাক না রাফা বরং আমি চলে যাই আমার জন্য শুধু শুধু তুমি কেন ওর সাথে সম্পর্ক নষ্ট করতেছো রাফাঃ চুপ করো তো তুমি তোমার কেউ নাই বিধায় ও তোমাকে এভাবে অপমান করবে নাকি আমি: ওর খারাপ ব্যাবহার ওর থাপ্পর এগুলো এখন আর আমাকে কষ্ট দেয় না কারন একটা কাজ যদি মানুষ প্রতিদিন করে তখন কিন্তু তাকে আর খারাপ লাগে না। ঠিক প্রতিদিন ওর অপমান আর চর থাপ্পর আর আমাকে খারাপ লাগে না রাফা: হয়েছে চলো তো এখন আমার রুম এ। ফালতু মেয়ে কোথাকার মানুষকে কেউ এভাবে থাপ্পর মারে নাকি। গালটাতো পাচ টা আংগুল এই দেখা যাচ্ছে আমি রাফার সাথে ওর রুম এ গিয়ে চুপটি করে বসে রইলাম। কিছুক্ষন পরে মামি রাফার রুম এ ডুকলো। আর মামি রুমে ডুকতেই তো অবাক. wait

@Hasan16

Covid19 আল্লাহ মাফ করুন! কোভিড আইসিইউ এর এক নার্সের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। যারা মাস্ক না পরে বাইরে ঘুরে বেড়ান আর ভেন্টিলেটরে থাকবার মানেটা বুঝতে পারেন না তারা শোনেন। এই ভেন্টিলেটর এমন কোন অক্সিজেন মাস্ক নয় যেটাকে ফিল্মি কায়দায় আরামে মুখে লাগিয়ে শুয়ে শুয়ে পেপার ম্যাগাজিন পড়তে থাকা যায়। কোভিড-১৯ এর এই ভেন্টিলেশন হল এমন একটা নল যেটা আপনার গলার একদম নিচ পর্যন্ত ঢুকিয়ে রাখা হয়। আর সেটা আপনি বেঁচে ওঠা বা মরে যাওয়া পর্যন্ত একদম ওখানেই লাগানো থাকে। এই নলটা প্রায় ২ থেকে ৩ সপ্তাহ কোন নড়াচড়া না করে; মাঝেমধ্যে এমনকি শরীরকে সম্পূর্ণ উপুড় করে বসানো থাকে। মুখ থেকে ট্রাকিয়া পর্যন্ত একটা টিউব ঢুকিয়ে দেয়া হয় যা ফুসফুসযন্ত্রের সাথে ছন্দ মিলিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে সাহায্য করে। রোগী এই অবস্থায় কথা বলা, খাওয়া- কোনকিছুই স্বাভাবিকভাবে করতে পারে না। মেশিনটিই তাকে জীবিত রাখে। এই প্রক্রিয়ায় একজন রোগী যে প্রচন্ড কষ্ট পান তা সয়ে নেয়ার জন্য ডাক্তাররা তাদের কড়া সিডাটিভ(চেতনানাশক) ও পেইনকিলার পুশ করে রাখেন। এতে করে যতক্ষন এই মেশিন ব্যবহার করার দরকার পড়ে ততক্ষণ তারা এই কষ্ট সহ্য করে নিতে পারেন। এই অবস্থাটা অনেকটাই কৃত্রিম কোমায় থাকার মতন। এই চিকিৎসা ২০ দিন চললে একজন যুবকবয়সী রোগী তার মোট পেশীর প্রায় ৪০% হারান, ভোকাল কর্ড ট্রমায় ভোগেন, এবং এর সাথে সাথে বিভিন্নরকম শ্বাসকষ্ট ও হৃদযন্ত্রের জটিলতায় ভুগবার সম্ভাবনাও থাকে। ঠিক এসব কারণেই বৃদ্ধ বা ইতোমধ্যে দুর্বল রোগীরা এই চিকিৎসা সহ্য করতে না পেরেই মারা যান। আমরা অনেকেই এই দুর্বল দলের সদস্য। তাই ঐ অবস্থায় যাবার ইচ্ছা না থাকলে সকলে খুবই সাবধান থাকুন। এটা কোন ফ্লু নয়। তরল খাদ্য ঢুকানোর জন্য নাক বা ত্বকের মধ্য দিয়ে পেটের মধ্যে একটা টিউব, ডায়ারিয়া কালেক্ট করার জন্য কোমরের চারপাশ জুড়ে একটা স্টিকিব্যাগ, প্রস্রাবের জন্য ফোলি ক্যাথেটার, ফ্লুইড আর ওষুধের জন্য আইভি, ব্লাডপ্রেশার মনিটর করার জন্য একটা এ-লাইন এফ- এসবকিছু একসাথে শরীরে ঢুকাবেন? আবার লাগানোর পরে এর সব কয়টাই ওষুধের হিসাব করা ডোজ, নার্স টিম, মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট কর্তৃক আপনার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পাশপরিবর্তন করা আর বরফশীতল পানি বয়ে যাওয়া ম্যাটে শুয়ে আপনার ১০৪ ডিগ্রি জ্বরকে স্বাভাবিক রাখার উপরে নির্ভর করবে। -এসব চেষ্টা করে করে দেখবেন নাকি কেমন লাগে? -এই আর্টিকেলে যা বলা নাই তা হচ্ছে এই অবস্থায়ও একজন রোগী কিন্তু সবই শুনতে পান। তাই তাদের পাশে দাঁড়িয়ে কোন নার্স অসচেতনভাবে মৃত্যুর কথা বললেও রোগী প্যানিক করেন। সিডাটিভের পরিমাণ কম হলেও রোগী শ্বাস নিতে পারেন না, কথা বলতে পারেন না। ব্যথানাশকের পরিমাণ কমালে রোগী তার মাথার ভেতরে অসহ্য যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু কোন শব্দ করতে পারেন না। যখন টিউবগুলো শরীর থেকে বের করে নেয়া হয় তখনও খুবই অস্বস্তি হয়। রেস্পিরেটরের বদলে ট্রাকিয়া কাজ করতে পারে, কিন্তু রোগী তখনও টিউব ছাড়া খেতে বা কথা বলতে পারেন না। যখন আপনি মাস্ক না পরে বাইরের কোন দোকানে কোন শখের জিনিস কিনতে যাবেন- তখন মনে রাখবেন আপনার দ্বারা কিন্তু শুধু অচেনা লোকই আক্রান্ত হবে না। আপনার বাচ্চা, আপনার স্বামী/স্ত্রী, বাবা/মা-কে হাসপাতালে অমন একা একা নরকযন্ত্রণায় ভুগতে দেখতে চান কিনা- শখে শখে পাড়াবেড়ানোর আগে সে কথা ঠিকমতো ভেবে নেবেন!

@Hasan16

Devil husband part 16 Devil Husband💗 part_16 _ইমরান সিনহাকে নিয়ে লেডিস শোরুমে প্রবেশ করে ইমরান সিনহার উদ্দেশ্য বলে _তোমার পছন্দমতো তুমি দুইটা ড্রেস কিনতে পারবা,সেটা শাড়ি বা অন্যকিছু যাই হোক আর সবকিছু আমি আমার পছন্দমতো কিনবো সিনহা বিরক্তি নিয়ে বলল _দুইটা আবার আমাকে কেনো পছন্দ করতে হবে,সব তো আপনিই পছন্দ করবেন,এটাও করেন ইমরান সিনহাকে একপাশে বসিয়ে রেখে সিনহার জন্য নিজের পছন্দমতো শপিং করছে অন্যদিকে সিনহার,ইমরানের উপর অনেক রাগ উঠতেছে -শালার ডেভিলের বাচ্চা,সব যখন তুই পছন্দ করে কিনবি তাহলে আমাকে সাথে করে আনার কি দরকার ছিল,হুদাই আমার সময় নষ্ট করলি😠 শপিং শেষে ইমরান সিনহাকে নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে আসে _কি খাবা অর্ডার দেও _এটাও আপনিই অর্ডার করেন ইমরান ওয়েটার কে ডেকে খাবার অর্ডার দেয় ইমরান খাওয়ার ফাকে লক্ষ করলো সিনহা খাচ্ছে না,কেমন অসস্থি বোধ করছে -সিনহা কোনো সমস্যা -হু -বলছি কোনো সমস্যা,খাচ্ছো না যে সিনহা অকপটে স্বীকার করে _ঐ ছেলে দুইটা আমাকে খারাপ ইংগিত করছে ইমরান নিজের পিছনে তাকায় দেখে দুইটা ছেলে চুমুর স্টাইলে সিনহাকে বাজে ইংগিত দিচ্ছে আর হাসছে ইমরানের রাগ আর দেখে কে সে তড়িৎ গতিতে উঠে এসে ছেলেদের সামনে এসে ঝড়ের গতিতে ছেলে দুইটাকে ইচ্ছামত থাপ্পড় লাথি,ঘুষি মারতে থাকে _কুত্তার বাচ্চা তোদের সাহস কি করে হয় ওর দিকে বাজে ইংগিত দেওয়ার আজকে তোদের ঠোঁট চোখ দুইটাই আমি ছিড়ে ফেলবো(রেগে ফায়ার) রেস্টুরেন্ট কতৃপক্ষ এসে ইমরানকে থামায়,ছেলেগুলো রক্তাক্ত অবস্থায় ফ্লোরে পড়ে আছে -স্যার প্লিজ কুল ডাউন,আমরা দেখছি ওদেরকে -তাড়াতাড়ি দেখেন,নাহলে আপনাদের ব্যাবসা আমি আকাশে উঠাবো বলে দিলাম _না না স্যার এমনটা করবেন না ইমরানের চোখ দিয়ে আগুন বেরুচ্ছে _কতো বড় সাহস কুত্তার বাচ্চাদের আমার বউকে চুমু দেখায় সিনহা ভয়ে চুপ করে আছে ইমরানকে খুব ভয়ংকর লাগছে সিনহা এই ডেভিলটাকে ভীষন ভয় পায় ইমরান সিনহার হাত ধরে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে যায় সিনহাকে নিয়ে বাসায় চলে আসে ইমরান সোফায় বসে পড়ে,সিনহা সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে যায় -এই যে প্যাকেটগুলো কে নিবে সিনহা তাড়াতাড়ি এসে ইমরানের হাত থেকে প্যাকেটগুলো ছো মেরে নিয়ে যায় সিনহা রুমে এসে প্যাকেটগুলোতে তার জন্য কী কিনছে ডেভিলে,তা চাওয়ার জন্য উৎসাহী হয় তখন ডেভিলকে গালি দিতে ছিলো তাই ঠিক করে আর খেয়াল করলো না ডেভিলে কি কিনে তার জন্য সিনহা প্যাকেট গুলো খুলতেই তার মেজাজ সপ্তম আকাশে উঠে যায় মাত্র দুইটা শাড়ি কিনছে,আর সব গুলো টিশার্ট,ট্রাউজার -শালা কিপ্টস, ডেভিল বাচ্চা আমার জন্য মাত্র দুইটা শাড়ি কিনলি,আর সব কিছু নিজের জন্য কিনলি আজকে সিনহা ডেভিল কে কঠিন গালি দিবে,গালি দিয়েই আজকে সে ডেভিলকে মেরে ফেলবে _ডেভিলের বাচ্চা তুই যদি ডেভিল হয়ে থাকস,তাহলে আমিও ডেভিলের বউ ডেভিলনী,আজকে তোরে বুঝাবো এই সিনহা কী জিনিস😠 সিনহা সিড়ি দিয়ে নিচে নেমে ইমরানের সামনে দাঁড়ায় সে মনে মনে দোয়া দুরূদ পড়ে নিতেছে চলবে. (সিনহা গালি দিয়েই আজকে ইমরানকে মেরে ফেলবে, ভাবা যায় এগ্লা😂)

@Hasan16

বিবেক থেকে বলছি আবেক নয়, বিবেক থেকে লিখছি 🙂 সুখে নয়, দুঃখে লিখছি 😢 ...................................................... মাস্টার্স পাশ করা ২৬, ২৭ বছর বয়সী একজন যুবক-যুবতীকে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা বেতনে চাকরিতে যোগদান করতে হয়। আর পড়ালেখা না জানা ১০, ১২ বছর বয়সী একজন বাস হেল্পার এর দৈনিক হাজিরা প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, যা মাস শেষে ১৪, ১৫ হাজার টাকা হয়। কেউ কোন ফ্যাক্টরীতে ২০ বছর কাজ করলে তার বেতন হয় লক্ষ টাকা, আর ২০ বছর পড়ালেখা করে যখন চাকরির জন্য যায়, তখন তার বেতন হয় ১০ হাজার টাকা। তাহলে আমরা কোথায় যাবো? স্কুলে না ফ্যাক্টরীতে? হাজার হাজার - লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে পড়ালেখা করে আজ শিক্ষিত মানুষগুলো পরিবারের, সমাজের এবং সবার কাছে অবহেলিত। রাষ্ট্র পড়ালেখা করার জন্য টাকা নিতে পারে। কিন্তু পড়ালেখা শেষ করার পর টাকা ফিরিয়ে দিতে পারেনা! অনেকেই বলবে ভাল করে পড়ালেখা করলে, ভাল রেজাল্ট করলে ভাল চাকুরী পাওয়া যায়। আসলেই কি পাওয়া যায়? নাকি মোটা অংকের Donation দিতে হয়? ভাল রেজাল্ট না করলে পাশ দেওয়া হয় কেন? রাষ্ট্র যদি শিক্ষিত মানুষের চাকুরী দিতে না পারে তাহলে রাষ্ট্রের উচিত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ব বিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দেয়া। তাহলে সন্তানদের পড়ালেখার জন্য বাবা মায়ের এতো কষ্ট করতে হতো না। টাকা গুলো সঞ্চয় হতো। চাকরির অভাবে পরিপক্ক হওয়া ছেলেটা ২৮ বছরেও বিয়ে করতে পারে না।অন্যদিকে বয়স বাড়তে থাকা অবিবাহিত মেয়েটাও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারে না। না পারছে উপযুক্ত ছেলেকে বিয়ে করতে, না পারছে পড়শির খোটা সহ্য করতে। শুধুই দীর্ঘশ্বাস। আমাদের অবস্থা আজ এমন দাঁড়িয়েছে যে, যেন গাধার দিকে তাকালে দেখতে পাই নিজেদের প্রতিচ্ছবি। এরথেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার আকাংখা জাগরিত করা...চাকরি নামক গোলকধাঁধা মাথাথেকে ছাত্রাবস্থায় বের করে প্রত্যকের জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে দেয়া...উদ্যোক্তা😍

@Hasan16

তোকে চাই #তোকে চাই❤ ....... (সিজন-২) #writer:hasan #part: 67 🍁 সোফায় পা গুটিয়ে বসে আছি আমি। আমার সামনে বিছানায় উবু হয়ে বসে আছে চিত্রা। আদ্র-রোদ্রর গলায় "A" আর "R" লেখা দুটো লকেট ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে করে কে আদ্র আর কে রোদ্র তা সহজেই বুঝা যাচ্ছে। আমাদের সবার কাছে বাবুদুটোকে এক মনে হলেও আপু দৃঢ় কন্ঠে বলছে তারা জমজ হলেও চেহারা এক নয়। দু'জনের মাঝে কিছুটা অমিল আছে। আমার আর চিত্রার কাছে বিষয়টা বিশ্বাসযোগ্য নয় তাই বাচ্চাদেরকে উল্টে পাল্টে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে অমিল খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে চিত্রা। আদ্র রোদ্রর চেয়ে ৩ মিনিটের বড়, এই কথাটাও আপু থেকেই জেনেছি আমরা। ডক্টর বলেছিলো, কিন্তু কে আদ্র আর কে রোদ্র সেটাই যেখানে বড় প্রশ্ন সেখানে বড় ছোট নির্ণয় করা একরাশ কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়। তবে আপু কিভাবে যেন ব্যাপারটা ধরে ফেলেছে। কিভাবে ধরলো কে জানে? আদ্র- রোদ্রর সাথে দুষ্টুমি করতে করতেই কানে এলো শুভ্রর ডাক। চিত্রাকে গনেষনা চালিয়ে যেতে বলে আমাদের রুমের দিকে হাঁটা দিলাম আমি। দরজার কাছাকাছি গিয়ে দাঁড়াতেই দুনিয়া ঘুরে এলো আমার। দরজা ধরে নিজেকে সামলে নিয়ে ধীর পায়ে রুমে প্রবেশ করলাম আমি। মাথা ঘুরানোর ব্যাপারটা শুভ্রকে বুঝতে দেওয়া চলবে না। কোনভাবে বুঝতে পারলেই শুরু করবে চিৎকার, "খাও না ঠিকমতো হেন তেন কতো কিছু।" অথচ এই দুসপ্তাহ ধরে আমি বেশ নিয়ম করেই খাবার আর ঔষধ খেয়ে চলেছি। তবুও এই দুর্বলতা পিছুই ছাড়ছে না। রুমে ঢুকতেই শুভ্রর গোমড়া মুখটা চোখে পড়লো। মুখ কালো করে জুতো আর মোজা খুলছে সে। আমি সামনে দাঁড়াতেই অভিমানী কন্ঠে বলে উঠলো সে, --- কি লাভ হলো, বলো? এতো পরিশ্রম করে লাভ টা কি হলো? উনার কথার আগামাথা কিছুই বুঝতে না পেয়ে ভ্রু কুঁচকে তাকালাম আমি৷ কনফিউজড হয়ে বলে উঠলাম, --- মানে? কিসের কথা বলছেন আপনি? শুভ্র বাম পায়ের জুতোটাও ঠাস করে ফ্লোরে ফেলে উঠে দাঁড়ালো। আমার দিকে তাকিয়ে মুখ কালো করে বলে উঠলো, --- আপনার রেজাল্টের কথা বলছি। এতোকষ্ট করে পড়াশোনা করিয়ে ৩. ৭১? শুভ্রর কথায় চোখ বড় বড় হয়ে এলো আমার। ৩.৭১? বলে কি? জামাইয়ের কাছে পড়ে এতো ইম্প্রোভমেন্ট হয়েছে ভাবতেই পারছি না আমি। বুকের ভেতর থাকা মনটা রীতিমতো লাফালাফি শুরু করেছে। আমার মনের অবস্থা "ভেরি হ্যাপি" টাইপ হলেও শুভ্রর মুখটা "ভেরি স্যাড" টাইপ হয়ে আছে। তার মুখ দেখে মনে হচ্ছে ক্লাস সিক্সের ম্যাথ এক্সামে সবাই যেখানে হান্ড্রেট পেয়েছে সেখানে সে পেয়েছে জিরো। বর যেখানে এতো কষ্ট পেয়েছে সেখানে আমার এতো খুশি খুশি ভাব মানায় না। তাই মুখে দুঃখী দুঃখী ভাব আনার প্রচেষ্টা চালালাম। কতটুকু সফল হয়েছি জানি না কারণ যখনই দুঃখ দুঃখ ভাব আনার চেষ্টা করি তখনই মনের মধ্যে খুশি নামক ভাইরাসগুলো লুঙ্গিডান্স মারে। তবুও যথাসম্ভব মন খারাপ ভাব নিয়ে বলে উঠলাম, --- মাত্র ৩.৭১? এতো কম! সরি.... নেক্সট টাইম ভালো করবো। শুভ্র এ বিষয়ে কিছু বললো না। শার্টের বাটন খুলতে খুলতে বললো, --- তোয়ালেটা দাও। ফ্রেশ হবো। আমি তোয়ালে নিতে সোফার দিকে এগিয়ে যেতেই আবারও মাথা ঘুরে গেলো আমার। এবার আর শেষ রক্ষা হলো না। আশেপাশে ধরার মতো কিছু না থাকায় ফ্লোরে গিয়ে পড়লাম আর খাটের কোনাটা লাগলো মাথায়। শব্দ শুনে ফিরে তাকিয়েই দৌড়ে এলো শুভ্র। আমার কপালে খানিকটা ফুলে উঠেছে। উনি আমাকে কোলে তুলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিয়েই বরফ আনতে ছুটলেন। কপালে বরফ ডলতে ডলতে প্রশ্ন করলেন, --- আবারও খাবারে অনিয়ম করছো? ঔষধও নিশ্চয় খাচ্ছো না? এক্চুয়েলি কি চাও তুমি? বলো প্লিজ। টেনশনে রেখে মেরে ফেলতে চাও আমায়? আজকের এই ইন্সিডেন্টটা যদি সিঁড়িতে বা রাস্তায় হতো তখন বাঁচতে তুমি? নাকি আমি বাঁচতাম? তুমি খুবই কেয়ারলেস একটা মানুষ রোদ। এতোটা কেয়ারলেস হলে চলে না। তুমি দু'বছরের বাচ্চা নও। সবকিছু তোমাকে বলে বলে করাতে হবে কেন? উনি এক নিঃশ্বাসে বকে চলেছেন আমায়। আমাকে কিছু বলার সুযোগই দিচ্ছেন না। তবুও এক ফাঁকে ফট করেই বলে ফেললাম আমি, --- আমি নিয়মিত খাচ্ছি এবং ঔষধও নিচ্ছি। আমার মনে হয় ঔষধ গুলো কাজ করছে না। শুভ্র এবার ভ্রু কুঁচকে তাকালো। আমি তাড়াহুড়ো করে বলে উঠলাম, --- আমি সত্যি বলছি। মামানিকে জিগ্যেস করুন না। আধ ঘন্টা পর পর কিছু না কিছু খাচ্ছি। ভালো না লাগলে জোর করেই খাচ্ছি। ঔষধও নিচ্ছি। তবুও বারবার মাথা ঘুরাচ্ছে। --- বারবার? সকাল থেকে এখন পর্যন্ত কতোবার হয়েছে? --- ৫/৬ বার। --- তাহলে আমায় বলো নি কেন, ডাফার। এনিওয়ে,সব ঠিক থাকার পরও এতো দুর্বলতার কারণ কি? আঙ্কেল তো বলেছিলো এক সপ্তাহে ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু এখন তো দু'সপ্তাহ চলছে। নিজের মনেই কথাগুলো বলে চুপ করলো শুভ্র। কিছুক্ষণ ভেবে আমার দিকে তাকিয়ে বলে উঠলো, --- তোমার লাস্ট পিরিয়ড হয়েছে কবে? উনার এমন প্রশ্নে থতমত খেয়ে গেলাম আমি। মুহূর্তেই ভীষণ অস্বস্তির মাঝে পড়ে গেলাম আমি। শুভ্র সেদিকে পাত্তা না দিয়ে বলে উঠলেন, --- কি হলো? বলো। লাস্ট ডেট কবে ছিলো? আমি ইতস্তত করে বলে উঠলাম, --- মনে নেই। তবে ৩/৪ মাস হবে হয়তো। আমার কথায় কেশে উঠলেন শুভ্র। শান্ত গলায় বললেন, --- তুমি কতোটা কেয়ারলেস তার প্রমাণ স্পষ্ট। এতোদিন ধরে পিরিয়ড হচ্ছে না তোমার সেদিকে কোনো খেয়াল নেই? এটুকু বলে থামলেন উনি। মাথা চুলকে অন্যদিকে তাকিয়ে বলে উঠলেন, --- তুমি কি প্রেগনেন্ট? উনার কথায় চোখ দুটো বড় বড় হয়ে এলো আমার। ডান হাতটা অটোমেটিক পেটের উপর গিয়ে স্থির হলো। আমি ড্যাবড্যাব করে পেটের দিকে তাকিয়ে আছি। সত্যিই কি আমি প্রেগনেন্ট? কথাটা ভাবতেই শরীরে এক অদ্ভুত শিহরণ জাগছে। শুভ্র উঠে দাঁড়িয়ে গম্ভীর কন্ঠে বলে উঠলো, --- উঠতে পারবে? পারলে উঠে রেডি হয়ে নাও। হসপিটালে যাবো। শুভ্রর গম্ভীর মুখ দেখে চিন্তায় পড়ে গেলাম আমি তবে কি শুভ্র বেবি চাচ্ছে না? অনেক জল্পনা কল্পনা শেষে শুভ্রর সাথে হসপিটালে চললাম আমি। সব শুনে ডক্টরও প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য সাজেস্ট করলো। আলট্রাসনোগ্রাফি শেষ করে বাসায় ফিরেই ঘুমিয়ে পড়লাম আমি। যখন জাগলাম তখন প্রায় সন্ধ্যা। বিছানার এক কোণে ফাইল হাতে মাথা নিচু করে বসে আছে শুভ্র। মুখটা অসম্ভব রকম গম্ভীর তার। আমাকে উঠে বসতে দেখেই ফাইলটা এগিয়ে দিয়ে গম্ভীর কন্ঠে বলে উঠলেন, --- বেবি আসছে। কথাটা শুনে যেখানে খুশিতে লাফিয়ে উঠার কথা ছিলো সেখানে চুপচাপ বসে রইলাম আমি। শুভ্রর গম্ভীর মুখটা আমার সব খুশিই যেন চুষে নিয়েছে কোনো অন্ধকার গহ্বরে। আমি একটা ঢোক গিলে ফাইলটা হাতে নিলাম। সাথে সাথেই ওয়াশরুমে ঢুকে গেলো শুভ্র। আমি ভেবে পাচ্ছিলাম না, হঠাৎ এতো গাম্ভীর্যতা কেন? উনি তো বাচ্চা পছন্দ করেন তাহলে? প্রশ্নগুলো মাথায় নিয়ে ফাইলটা বেড সাইড টেবিলে রেখে উল্টোদিক ফিরে শুয়ে পড়লাম আমি। কিছুক্ষণ পরই ওয়াশরুমের দরজা খুলার শব্দ হলো। কোমরে কারো ঠান্ডা হাতের স্পর্শ আর ঘাড়ে কারো ঠোঁটের স্পর্শটাও প্রকট আকার ধারণ করলো। বিরবির করে বলে উঠলো, --- আই লাভ ইউ রোদু। জীবনটাকে আজ হঠাৎ করেই অনেক বেশি সুন্দর লাগছে। আমি বাবা হচ্ছি! ভাবতে পারছো তুমি? আমাকেও কেউ আধো আধো স্বরে "বাবা" বলে ডাকবে। কালো বড় বড় দুটো চোখ, ভুবন ভুলানো হাসি আর নরম তুলতুলে ছোট্ট শরীর থাকবে তার। ইশ! রোদ, এতো আনন্দ যে ধরে রাখতে পারছি না আমি। আমার প্রিন্সেসকে কিভাবে বুঝাবো যে আমি তার আগমনের খবরে প্রচন্ড রকম খুশি...প্রচন্ড! বেশি খুশি আর বেশি দুঃখে মানুষ নাকি অনেকটা স্তব্ধ হয়ে যায়? আমারও আজ একই অবস্থা রোদপাখি। আমি এবার ঘাড় ঘুরিয়ে উনার দিকে তাকালাম। উনার চোখে পানি টলমল করছে যেন চোখদুটোতে আস্ত দুটো বিল নিয়ে শুয়ে আছেন উনি। আমি মিষ্টি হেসে উনার বুকে হাত রেখে বলে উঠলাম, --- কিভাবে জানলেন প্রিন্সেস আসছে? প্রিন্সও তো হতে পারে। --- কি জানি? কেন জানি মনে হচ্ছে প্রিন্সেস আসছে তবে যেই আসুক আই এম অলওয়েজ হ্যাপি। আমি তো এটা ভাবছি, তুমি একমাসের প্রেগনেন্ট হওয়ার পরও ডক্টর আঙ্কেল ধরতে পারলেন না কেন? অদ্ভুত না, ব্যাপারটা? আমি কিছু বললাম না। চোখ জোড়ায় আবারও ঘুম নেমে আসছে। মনে হচ্ছে, কতোদিন ঘুমোয় না আমি। #চলবে... (রি-চেইক করা হয়নি। ঘুম পাচ্ছে। ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখবেন প্লিজ)

@Hasan16

Love right session2 #Love_Right_Season_2❤💕❤ Hasan পার্ট:১৬ আজকে নিশুর বিয়ে।নিশু ড্রেসিংটেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখছে।ওর চোখভর্তি পানি।মাথা ঘুরছে।কানের কাছে ভোঁ ভোঁ আওয়াজ হচ্ছে।পা দুটো টলছে, নিজেকে সামলে রাখতে পারলো না।ধপ করে পড়ে যেতে নিলো,কিন্তু তার আগেই কেউ একজন ওর কোমর চেপে ধরেছে।চোখ খুললো নিশু!! নীলের হাসিহাসি মুখটা দেখে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো।ঠোঁট দুটো চেপে ধরে ফোঁপাচ্ছে সে।নীল ছোটবাচ্চাদের যেভাবে সান্ত্বনা দেয় সেভাবে ওর মাথাটা বুকের সাথে চেপে ধরে বলল,"কে বকেছে, কে মেরেছে? কে দিয়েছে গাল? একবার শুধু নামটা বলো তুলবো পিঠের ছাল😂। নিশু প্রচন্ড রকমের ক্ষেপে গেলো।ওর চোখের পানি কোন দাম নেই নীলের কাছে?? ওকে কবিতা শোনানো হচ্ছে? ঠেলে সরিয়ে দিলো নীলকে। নীল:কি হয়েছে নিশুপাখি? নিশু:কিছু হয় নি।তবে রিহান বিয়ে করলে হবে! ছেলেমেয়ে যাই হোক তোমার বাসায় মিষ্টি পাঠাবো। নীল:☺উজবুক! নিশু:কি বললে? নীল:আর কিছু বলবো না ম্যাডাম।এবার শুধু করবো!..কি করবো জানো? নিশু:😐কি? নীল:আদর!..আদরে আদরে তোমাকে ঝালাপালা করে দেবো তোমাকে😜! ঘুম ভেঙ্গে গেলো নিশুর।তারমানে এতক্ষণ সে স্বপ্ন দেখছিলো?ইশশ কি সুন্দর ছিলো স্বপ্নটা।মনে মনে দোয়া করলো নিশু স্বপ্নটা যেন সত্যি হয়। নিশুকে সাজানো হয়ে গেছে।অধীর আগ্রহে বসে আছে সে।বরপক্ষ অলরেডি এসে গেছে কিন্তু নীলের দেখা নেই।নিশুর কান্না পাচ্ছে,ভীষণ কান্না পাচ্ছে।আজকে সকালে ঘুম থেকে উঠার পর থেকেই ওর দেখা নেই।সে কি চলে গেছে?..নিশুতো মরে যাবে। নিশু মনে মনে বলল..একবার শুধু আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও নীল।তারপর আর কখনো তোমাকে ছেড়ে আসবো না।তুমি বকো, মারো যা খুশি করো নিশু কিচ্ছু মনে করবে না।প্লিজ নীল! নিশু বাসরঘরে বসে আছে।একটু আগে একগাদা স্লিপিং পিল খেয়ে নিয়েছে সে।মাথাটা টলছে।নীল ছাড়া অন্য কেউ ওর শরীর স্পর্শ করবে,ওকে কাছে টানবে সেটা ও মরে গেলেও সহ্য করতে পারবে না।নিশুর ওপর শুধু নীলের অধিকার। নীল সাবধানে রুমে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে নিলো।পাঞ্জাবি বদলে একটা কালো টি-শার্ট আর ট্রাউজার পরে এলো।বিছানায় চোখ পড়তেই ওর চক্ষু ছানাবড়া 😮।আঁতকে উঠলো সে।নিশু এভাবে পড়ে আছে কেন??..পাশে ওষুধের পাতা দেখে ওর শরীর ঝিমঝিম করে উঠলো।হাত পা অসাড় মনে হচ্ছে।নিজের ওপর জোর খাটিয়ে দৌড়ে নিশুর কাছে গেলো সে।নিশুর মাথাটা বুকে চেপে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে উঠতেই ইলারা বেগম আর ইশু দৌঁড়ে এলো। ইশু:😮ভাইয়া কি হয়েছে?? নীলের পুরো শরীর ঘেমে একাকার।কান্নার চোটে চোখদুটো লাল হয়ে গেছে!মুখ দিয়ে কোন কথা বেরোচ্ছে না।নিশুর শরীরটাকে অনবরত ঝাঁকাচ্ছে সে। ইশু নিশুর পাশে পড়ে থাকা ওষুধের পাতা দেখে আঁতকে উঠলো।নীলকে টেনে সরালো নিশুর কাছ থেকে।তারপর ধমক দিয়ে বলল..এখন পাগলামি করার সময় নয় ভাইয়া।ওকে তাড়াতাড়ি হস্পিটালে নিতে হবে। নীল আর একসেকেন্ডও দেরী করলো না।পাঁজকোলা করে কোলে তুলে নিলো নিশুকে।ওর পেছন পেছনে ইলারা বেগম আর ইশু দৌড়াচ্ছে। নীল গাড়ি সামনে এসে ইশুকে ইশারা করলো গাড়ির দরজা খুলে দেওয়ার জন্য।যেই ওকে সীটে শোয়াতে যাবে ওমনি নীলের গালে চুমু খেয়ে ফিক করে হেসে দিলো😁 নিশু। নীল:😮 নিশু:😁কি ভেবেছিলে? আমি জানি না?বাবা আমাকে সব বলেছে!..তোমার কি মনে হয়?বরের বেশে তুমি না থাকলে আমি রিহানকে বিয়ে করতাম?..এত বোকা কেন তুমি?.নিশুকে যতটা বোকা ভাবো নিশু কিন্তু ততটা বোকা নয়😎।বিয়ে পড়ানোর সময় তো বরের নাম শুনেছি আমি।.বেশ হয়েছে রিহান গাধাটা জেলে গেছে,কতবড় সাহস তোমার বউয়ের ছবি দিয়ে তোমাকে ব্ল্যাকমেইল করে?? এই মুহূর্তে নিশুকে তুলে যদি সত্যি সত্যি একটা আছাড় মারতে পারতো তাহলে নীল শান্তি পেতো।ইশুও চরম খেপে গেলো।😡এটা কোন ধরনের মজা? ইশু:তোর কোন আক্কেল আন্দাজ নেই নিশু?..তুই জানিস অল্পের জন্য আমি হার্ট এটাক করে ফেলতাম?..এই ভাইয়া তুই দাঁড়িয়ে আছিস কেন? মার কষে দুইটা ওর গালে! মার!..তারছিঁড়া,গাধী একটা। ইশুর কথা শুনে নিশু ভয়ে ভয়ে নীলের দিকে তাকালো।নীল কি সত্যি সত্যি চড় মারবে ওকে? ভয়ে চোখমুখ শুকিয়ে গেলো ওর। নীল ঝুঁকে গাড়িতে মাথা ঢুকালো।ভয়ে গালে হাত দিয়ে ফেললো নিশু। ইশু:দে!..কষে দিবি ভাইয়া যেন দাঁত নড়ে যায়,ফাজিল একটা! নীল নিশুর গাল থেকে হাত সরিয়ে দিলো।ওকে অবাক করে দিয়ে গাঢ় করে চুমু খেলে নিশুর গালে।গালের সাথে গাল ঘষলো। ইশু:😮 ইশু লজ্জায় অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে নিলো।ইলারা বেগম দ্রুত ভেতরে ঢুকে গেলেন। নিশুর ঠোঁটে চুমু খেলো নীল।গলায় নাক ডুবিয়ে দিয়ে বলল..আমি মরে যেতাম নিশু।সত্যি মরে যেতাম! নীলের চোখের পানি নিশুর ঘাড়ে পড়তেই নিশুর কান্না পেয়ে গেলো।ইশশ!এমন করছে কেন নীল?তারচেয়ে দুচারটা থাপ্পড় মারুক না ওকে।ও কিচ্ছু মনে করবে না।কিন্তু কাঁদছে কেন?..নীলের মুখটা তুলে ধরে গালে কপালে,ঠোঁটে,নাকে,গলায় পাগলের মত চুমু খাওয়া শুরু করলো সে। ইশু:😐নির্লজ্জের দল।..ছি! ভাইয়া তুই এমন বউ পাগলা হলি কি করে? এইজন্যই তো নিশু এমন বাদর হচ্ছে।বউয়ের আঁচল চেপে বসে থাক তুই।আমি হলে খিঁচে কানের নিচে কয়েকটা দিতাম কয়েকটা এমন বাঁদরামির জন্য।আর তুই আমার ভাই হয়ে এমন করছিস?..হাদারাম একটা! ওকে অবাক করে দিয়ে নীল গাড়িতে ঢুকে গেলো।গাড়ির দরজা বন্ধ করে দিয়ে বলল,"যাহ তো।বিরক্ত করিস না।এমনিতেই এতদিন ধরে বউকে কাছে পাই নি।সময়নষ্ট করছিস কেন?..আমার এখন সময় নেই।প্রচুর ভালোবাসাবাসি হবে আজ😁।..প্রচুর! ইশু পড়িমরি করে সেখান থেকে ছুটে পালালো।এই দুই বেশরমের পাল্লায় পড়ে ও নিজেও বেশরম এর মত এতক্ষণ সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলো।হেসে ফেলল সে🙈।নীল আর নিশু একসাথে থাকা মানে অদ্ভুত কিছু করা!অদ্ভুত এরা!অদ্ভুত এদের ভালোবাসা।অদ্ভুত এদের অধিকার বোধ! নিশু:ছি!নীল গাড়ির ভেতর কি করছো ছাড়ো আমাকে! নীল:কি করছি😜? নিশু:তুমি জানো না কি করছো? নীল অবাক হওয়ার ভান করে বলল..নাতো? নিশু:লুচু একটা।মেয়ে দেখলেই হুঁশ থাকে না।খালি জড়িয়ে ধরার ধান্ধা!.ছাড়ো আমাকে! নীল ওর গলায় নাক ডুবিয়ে দিয়ে বলল..😁আগে বলতে হবে আমি কি করছি তা না হলে ছাড়ছি না! নিশু লজ্জায় লাল হয়ে গেলো🙈।নীলের কানে ফিসফিস করে বলল..ভালোবাসাবাসি করছো! নীলের ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠলো।নিশুকে ছেড়ে দিতেই নিশু বেরিয়ে গেলো।নীলও বেরলো। বাসার গেটের কাছে যাওয়ার আগেই একটা সাদা গাড়ি এসে নিশুকে তুলে নিয়ে গেলো। ইশু দৌঁড়ে বেরিয়ে এলো।ওপরের বারান্দা থেকে সব দেখেছে সে। ইশু:ভাইয়া নিশু?..কারা ওরা? নীল গাড়ি স্টার্ট দিয়ে বলল..আমি জানি না কারা। তবে মনে হচ্ছে রিহানের কেউ। নীলের প্রায় কেঁদে ফেলার অবস্থা!এতদিন পর নিশুকে কাছে পেলো সে,আবার অঘটন!,কিন্তু ইশু হাসছে। নীল:😡তুই হাসছিস যে?..ওরা যদি নিশুর কোন ক্ষতি করে দেয়? ইশু:কিচ্ছু হবে না নিশুর।যারা নিয়ে গেছে তারা জানে না তোর নিশু কি জিনিস?😂মাথা খারাপ করে দিতে ওস্তাদ! নীল:আমি যাচ্ছি! গাড়িটার পিছু পিছু গিয়ে তাজ্জব বনে গেলো নীল।এই কিডন্যাপার গুলো রিহানের পাঠানো।শয়তানটা জেলে বসেও গুণ্ডামির তালে আছে। রাগে চোয়াল শক্ত হয়ে গেলো ওর।ভেতরে ঢুকতে গিয়ে কিডন্যাপার দুটোর কথা শুনে থমকে গেলো। কিডন্যাপার ১:আমাদেরকে মজুরী বেশি দিতে হবে স্যার! কিডন্যাপার ২:হ্যাঁ স্যার। রিহান:😡কেন?..তোমার সাথে তো ওয়ান লাকই ডিল হয়েছিলো। কিডন্যাপার ১:আমাদের ডাবল পরিশ্রম হয়েছে স্যার!জাত বিচ্ছু এই মেয়ে।মাথা খারাপ করে দিয়েছে। কিডন্যাপার ২:সারারাস্তায় বকবক করে কানের পোকা বের করে দিয়েছে। নীল দূর থেকে নিশুকে লক্ষ্য করলো।মুখ বেধে রাখা হয়েছে।চোখের বিন্দুমাত্র ভয়ের ছাপ নেই।চোখ দিয়ে রিহানকে শাসাচ্ছে।হাসলো নীল।ইশু ঠিকই বলেছে!ওর নিশু এত সহজে ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নয়😂! রিহানরা বেরিয়ে যেতেই দুজন পাহারাদার রাখা হয়েছে নিশুকে পাহারা দেওয়ার জন্য।নীল পুলিশে ফোন করে দিলো।তারপর পাহারাদার দুটোকে আচ্ছামত মেরে নিশুর কাছে গেলো।নিশু ওকে দেখতে পায় নি।রুমের লাইট সব নিভিয়ে দিয়ে গেছে রিহান যাওয়ার সময়।নীল সাবধানে নিশুর হাত চেপে ধরলো ওকে নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য। আর তখনই নিশুর খেল শুরু হয়ে গেল।এলোপাথাড়ি কিল দিচ্ছে নীলকে।তারসাথে ওর চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে ফেলছে। নিশু:😡হারামজাদা আমার হাত ধরিস তুই? এতবড় সাহস?.নিশুর হাত ধরিস!..আজকে তোর একদিন কি আমার একদিন।কত্তবড় সাহস??..ঐ হাত ছাড়!..ছাড় হাত! নিশু এলোপাথাড়ি কনুই দিয়ে কিল ঘুষি দিয়ে যাচ্ছে।মারের চোটে নীলের মুখ দিয়ে কথাও বেরোচ্ছে না। নীল রাগে বোম হয়ে গেলো।..ওহ!শিট! নিশু ওকে কিডন্যাপার ভেবেছে?..দুম করে পিঠে কিল পড়লো।..ওমাগো! নিশুকে থামানোর অন্য কোন উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে নীল ওর ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরলো।নিশুর শরীর অবশ হয়ে গেলো।এ তো ওর নীল! নিশু:নীল!! নীলের গায়ের গন্ধ পেয়ে নিশু তাজ্জব বনে গেলো।এতক্ষণ ধরে ও নীলকে মারছিলো।😷এইজন্যই তো বলি কিডন্যাপার এত মার খেয়েও ওকে কিছু করছে না কেন? নীল হাঁপাচ্ছে।নিশু জড়িয়ে ধরতেই কঁকিয়ে উঠে বলল...ওরা তোমাকে কিডন্যাপ না করে আমাকে কিডন্যাপ করলেই ভালো করতো।..আমার হাড্ডিমাংস সব গুঁড়ো করে ফেলেছো তুমি! নিশু:সরি! নীল:..উফফ!..মাআআ!(ব্যাথায় মুখ কুঁচকে ফেললো সে।) তবে আর সময় নষ্ট করলো না নীল।নিশুকে তাড়াহুড়ো করে বেরোতে গেলো।এখান থেকে বেরোতে হবে গেটে নিশ্চই পাহারা বসিয়ে গেছে রিহান।নীল চুপিচুপি নিশুর হাত ধরে এগোচ্ছিল,এমন সময় নিশু দাঁড়িয়ে গেলো। নিশু:নীল?(অসহায় কন্ঠে!) নীল:আবার কি? নিশু:আমার ভীষণ ক্ষিদে পেয়েছে।সকাল থেকে না খেয়ে আছি। নীল:😐আমার মুন্ডুটা কেটে দিই?.. খাও?(রাগে লাল হয়ে) নিশু চুপ মেরে গেলো।এখন কথা বললেই বিপদ। চলবে

@Hasan16

আলোয় অন্ধকার #আলোয়_অন্ধকার🍁 #part 4 -- ছাড়ুন আমাকে!! একদম ট্যাচ করবেন না। কোথায় নিয়ে এসেছেন আমায়?? যেতে দিন প্লিজ... প্লিজ। আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে এখানে আমি বাইরে যাবো প্লিজ! -- কাম ডাউন মিস আমি ধরছিনা তোমায়! কাম ডাউন! . কথাটা বলে ডেনিয়াল ট্রাউজার এর পকেটে দুই হাত কব্জি পর্যন্ত পুরে দাড়িয়ে থাকে টিয়ার সামনে। টিয়া বেডের এক কোণায় গুটিসুটি মেরে বসে ঠায় প্রলাপ করছে সে বাড়ী যাবে৷ ডেনিয়ালের যদিও কষে একটা থাপ্পড় মারতে ইচ্ছে করছে টিয়াকে। কিন্তু সে কেনো জেনো একটা ধমক ও দিতে পারছেনা টিয়াকে৷আর টিয়া কে ট্যাচ ও করা যাচ্ছে না। এবার ডেনিয়াল এর বিরক্তি লাগছে প্রায় আধাঘণ্টা যাবত টিয়া এসব বলছে আর অস্থির হয়ে বলছে আমি বাইরে যাবো আমার দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এখানে...... . একটু আগে.... টিয়া কে আমেরিকা নিয়ে এসেছে শুনার পর থেকেই টিয়া অস্থির হয়ে আছে সে কিছুতেই শান্ত হতে পারছিলো না। চিৎকার করে কাদছিলো টিয়া৷ লেডি সার্ভেন্ট অবস্থা বেগতির দেখে ডেনিয়াল কে ডেকে আনে। আর ডেনিয়ালকে দেখে টিয়ার পাগলামো আরো বেরে যায়৷ সেই থেকে আধাঘন্টা হবে দাড়িয়ে বুঝানোর চেষ্টা করছে ডেনিয়াল টিয়া কে। . -- টিয়া আই সেইড লাস্ট টাইম কেদে লাভ নেই!! -- আমি বাড়ী যাবো প্লিজ... এখুনি দিয়ে আসুন আমায়!! . টিয়া অস্থির হয়ে এবার উঠে দাড়ায় ডেনিয়াল কে অগ্রাহ্য করে । আর দৌড়ে দরজা খুলে বাইরে বেরুতে চেষ্টা করে। কিন্তু ডেনিয়াল টিয়ার এই কাজে এবার প্রচুর রেগে টিয়া রুম থেকে বেরুবার আগেই ওকে পিছন থেকে হুট করেই কোলে তুলে নেয়। টিয়া ভয় পেয়ে চিৎকার করে উঠে।কিন্তু যখন দেখে ডেনিয়াল তাকে কোলে তুলে নিয়েছে টিয়া রেগে চিৎকার করে বলে উঠে। . -- কি করছেন ছাড়ুন আমি চলে যাবো!!! নামান আমাকে! সাহস কি করে হয় আমায় ট্যাচ করার ছাড়ুন বলছি !! . ডেনিয়াল টিয়ার কথা রেগে যায়। ভেবেই এই টুকুনি মেয়ে তাকে সাহস দেখাচ্ছে। ডেনিয়াল চায়নি টিয়ার সাথে ব্যবহার খারাপ করতে। কিন্তু টিয়ার কথায় সে নিজের রাগ ধরে রাখতে পারেনা চেচিয়ে উঠে। . -- জাস্ট শাট আপ আই সে!! না হয় আমার সাহস কতুটুকু দেখাতে বাধ্য হবো তোমাকে!! . টিয়া ডেনিয়াল এর ধমক মার্কা কথায় ভয়ে চুপ মেরে গেলো মাথা নুইয়ে পড়ে রইলো ডেনিয়াল এর কোলে!! ডেনিয়াল রেগে টিয়াকে কোলে নিয়েই ধুপধাপ পা ফেলে। নিচে নেমে বাড়ীর পিছনে সুইমিংপুল এরিয়ায় এসে সুইমিংপুলে এক প্রকার ঢিল মিরে টিয়াকে ফেলে দিলো পানিতে৷ টিয়া মাথা নুইয়ে রাখায় দেখতে পায়নি কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তাকে। কিন্তু এভাবে হঠাৎ পানিতে পড়ায় টিয়া হকচকিয়ে গেলো৷ আচমকা পানিতে পড়ায় কিছু পানি সাথে সাথেই মুখে চলে গেলো টিয়ার শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে টিয়ার। হাত পা ছুড়াছুড়ি করে বহু কষ্টে টিয়া নিজেই সুইমিংপুল এর সাইডে উঠে এসে বসে কাপতে লাগলো৷ প্রচুর ঠাণ্ডা পানি সুইমিংপুল এর টিয়ার হাত মনে হচ্ছে ঠাণ্ডায় বরফ এ পরিনত হয়ে গেছে৷ কিন্তু তাতে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই টিয়ার। সে বসে আছে চুপ করে শরীরটা না চাইতেও কাপছে।চোখের পানি গুলো মিলিয়ে যাচ্ছে শরীরের পানির সাথে। চারপাশ অন্ধকার চাদের আলোয় সুইমিংপুল এর পানি চিকচিক করছে তাছাড়া আর কিছুই টিয়া দেখতে পেলোনা দেখার ইচ্ছেটাও নেই।টিয়া সুইমিংপুল এর দিকেই তাকিয়ে একদৃষ্টিতে টিয়ার মাথা টা শূন্য শূন্য লাগছে। মনে ভয় ছাড়া কিছু কাজ করছেনা। বার বার একটা কথাই ভাবছে টিয়া। . -- আমি বাড়ী কি করে যাবো স্তব্ধ ?? স্তব্ধ তোমার কি কিচ্ছু যায় আশেনা আমি কোথায় কি অবস্থায় আছি?? তা কি তুমি এক্টু ও ভাবোনা?? আমি জানি না তুমি কে?? কি তোমার পরিচয়!! বাট এতো সব যখন হয়েই গেছে আমার সাথে তো আমি তোমার পরিচয় জেনেই ছাড়বো!!জেনেই ছাড়ব কেনো মেরেছো তুমি ঐ ছেলেকে? জেনেই ছাড়বো কেনো এলে এই বিয়ের ড্রামা করতে!! আচ্ছা তুমি কি সব জানতে স্তব্ধ ওরা তোমার ওয়াইফ কে কিডনাপ করতে আসবে তাই তুমি আমায় বিয়ে করেছো। জেনো ওরা তোমার ওয়াইফ ভেবে আমাকে কিডনাপ করে?? কই পাবো আমি সব কিছুর উত্তর?? কে দিবে উত্তর আমায় স্তব্ধ?? কিন্তু আমি কি তার কাছে আর কখনো বেচে ফিরতে পারবো?? আমার মারার জন্য তো বিয়েই করলো ড্রামা করে! আমি কখনো ক্ষমা করবোনা তোমায় স্তব্ধ কখনো না!! আমার সাথে হওয়া সব কিছুর জন্য তুমি দায়ী তুমি। . কথা গুলো ভেবেই টিয়া হ্যাচকি তুলে কাদতে লাগলো শব্দ করে৷ ডেনিয়াল টিয়াকে ফেলে দিয়ে রেগে চলে যায় নি দাড়িয়ে ছিলো টিয়ার থেকে কিছুদূর টিয়াকে লেডি সার্ভেন্ট একটা হোয়াট শার্ট আর ট্রাউজার পরিয়ে দিয়েছিলো। সাদা শার্ট ভিজে যাওয়ায় টিয়ার শরীরের ভাজ চাদের আলোয় আর সুইমিংপুল এর হাল্কা লাইটিং এর আলোয় স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলো ডেনিয়াল। ঘোর লেগে যাচ্ছিলো ডেনিয়ালের টিয়ার ভেজা খোলা চুল কান্নার ফলস্বরূপ ফোলা চোখ, লাল হয়ে যাওয়া নাক, রক্ত লাল হয়ে যাওয়া ঠোঁট সব কিছু ডেনিয়ালকে আহত করছিলো এক প্রকার তাই। সে নিজের সাথে যুদ্ধ করে অন্য দিকে ফিরে দাড়িয়ে রয়। এভাবে কাউকে দেখা ঠিক নয় সেটা ডেনিয়ালের অজানা নয় । কিন্তু চোখ বেহায়া টিয়ার উপর থেকে সরতেই চাইছিলোনা যুদ্ধ করেই কাজ টা করে ডেনিয়াল। তার এখন টিয়ার প্রতি দুর্বল হলে চলবেনা সব জানতে হবে টিয়ার থেকে স্তব্ধের ব্যাপারে তার কঠোর হতে হবে টিয়ার সাথে। . অন্য দিকে তাকিয়ে নিজের মাইন্ডে ডেনিয়াল যখন এসব সেট করতে ব্যস্ত তখন তার কানে টিয়ার কান্নার শব্দ আসে। সে পিছন ফিরে দেখে টিয়া দুই হাতে মুখ ধরে কাদছে। ডেনিয়াল দ্রুত একটা টাওয়াল হাতে নিয়ে টিয়ার পাশে গিয়ে বসে পানিতে দুই পা ডুবিয়ে। তারপর টিয়ার শরীর টাওয়াল টা দিয়ে ঢেকে দিয়ে সামনে তাকিয়ে বসে উঠে!! . -- তোমার ক্ষতি করার চিন্তা এখনো করিনি...... . টিয়া তার চিন্তা আর কান্নায় এতোটাই বিভোর ছিলো সে ডেনিয়ালকে খেয়াল করেনি। ডেনিয়াল এর হঠাৎ কথা বলায়। টিয়া ভয়ে পাশে তাকাতেই ডেনিয়ালকে দেখে দুই হাত দূরে চলে যায়। টিয়ার এই কাজে ডেনিয়াল তার কথা সম্পূর্ন করতে পারেনি তাই রেগে টিয়ার হাত ধরে হ্যাচকা টানে আগের জায়ায় বসায়। কিন্তু টিয়ার হাত ছাড়েনি। টিয়া নিজের হাত ছুটানো জন্য চেষ্টা করতেই। ডেনিয়াল ক্ষিপ্তস্বরে বলে উঠে। . -- মিস টিয়া আমি তোমার খারাপ করি বা ভালো কোনও টাই তোমার জন্য ভালো হবেনা তাই চুপচাপ বসে থাকো। . টিয়া কাদতে কাদতে বললো। . -- প্লিজ আমায় ছেড়ে দিন। আমি বাড়ী যাবো! -- ফাইন। আমি নিজেই দিয়ে আসবো। কিন্তু তার আগে তোমায় বলতে হবে স্তব্ধকে? কোথায় থাকে? কি তার প্রফেশন? আমি তাকে শেষ করতে চাই নিজ হাতে? যেদিন এই কাজ সম্পূর্ণ হবে আমি ছেড়ে দিবো তোমায়! যদি না আমার মাইন্ড চেঞ্জ হয়৷ আর যদি চেঞ্জ হয়ে যায় তোমায় আমার সাথেই থাকতে হবে!! . টিয়া ঠাণ্ডা পানিতে ভিজায় এমনি কাপছিলো। কিন্তু ডেনিয়ালের বলা কথা টিয়ার কাপাকাপি বেরে গেলো। টিয়ার মাথায় ডেনিয়ালের বলা একটা কথাই ঘুরছে। "আমি তাকে নিজ হাতে শেষ করতে চাই! " না টিয়া এটা কিছুতেই চায় বা স্তব্ধকে কেউ মেরে ফেলুক তাই। টিয়া এবার ডেনিয়াল এর চোখে চোখ রেখে কাঁপা কাঁপা গলায় উত্তর দিলো। . -- দেখুন আমি কিছুই জানিনা স্তব্ধ কে কি করে আমি সেটা নিজেই জানতে চাই। আমি শুধু স্তব্ধকে ভালোবাসতাম আর কিছু নয়!! ওর সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই এটা ছাড়া স্তব্ধ খুব রাগী বদমেজাজি। . ডেনিয়াল টিয়ার দিকে কিছুক্ষণ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে টিয়ার কথা শুনে। তারপর টিয়ার হাত ছেড়ে উঠে গটগট করে হেটে ভেতরে চলে যায় টিয়াকে ওখানে ফেলেই৷ টিয়ার কাপাকাপি অবস্থা ডেনিয়ালকে পাগল করছিলো আর কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলে সে কিছু করে বসতো যা টিয়া মানতে পারতো না। তাছাড়া টিয়ার উত্তর টাও তার পছন্দ হয়নি তাই সেখান থেকে চলে আসাই শ্রেয় মনে হয়েছে ডেনিয়ালের। . এদিকে টিয়া ভাবছে সবাই এটাই জানতে কেনো চায় স্তব্ধ কে কি তার পরিচয়?? টিয়াও তো তাই জানতে চায়! কিন্তু তার জানতে চাওয়ার কারণ ছিলো সে ভয়ংকর একটা রূপ দেখেছিলো স্তব্ধ ওর। স্তব্ধ এর যে এমন একটা রূপ আছে সেটা কল্পনার বাহিরে ছিলো টিয়ার। সে দিন এর দৃশ্য টিয়া কোনও দিন ভুলতে পারবেনা। টিয়া অতীতে ডুব দিলো! তার মনে পরতে লাগলো সেই দিনটার কথা। . . আজ থেকে প্রায় ৩ বছর আগের কথা৷ দিন বার মনে নেই টিয়ার কিন্তু বর্ষাকাল ছিলো টিয়া ভার্সিটি যাওয়ার আগেই আকাশ অনেক খারাপ ছিলো তাও সে ভার্সিটি যায়। . অভ্যাস মত ক্লাস শেষে বাড়ী ফিরছিলো টিয়া। ঐদিন ভার্সিটি থেকে একা ফিরতে হয়েছিলো টিয়ার কারণ বৃষ্টি ছিলো প্রচুর তাই পিউ যেতে পারেনি ভার্সিটি। প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় রাস্তাঘাটে মানুষ নেই বললেই চলে আরো দুপুর বেলা মানুষ অত বাইরে থাকেনা। বৃষ্টির জিন্য রিকশা না পাওয়া টিয়া হেটে হেটে বাসার পথে যাচ্ছিলো। . টিয়া ভার্সিটি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই একটা কালো গাড়ী তাকে ফলো করছিলো বুঝতে পারে টিয়া কিন্তু পাত্তা দেয় না। কারণ তার মত সাধারণ মেয়েকে কে গাড়ী নিয়ে ফলো করবে?? খেয়ে কাজ নেই নাকি? আর যদি কোনও গাড়ী ওলা তাকে ফলো করতোই তবে তার বিপদে হ্যাল্প করতো নিশ্চিয়!! এই যে সে বৃষ্টি তে ভিজে ভিজে বাড়ী যাচ্ছে তাকে ড্রপ করে দেওয়ার কথাও তো বলতে পারতো কই এমন কিছুই হয়নি! . তার মানে তাকে ফলো করছেনা গাড়ী ওলা। টিয়ার ভাবনা টা এমনি ছিলো!! আর এমনিতেও ভার্সিটির ছেলেপেলে ও কেনো জেনো ইদানীং টিয়ার থেকে দূরে থাকে। বিষয় টা টিয়া বুঝলেও কারণ অজানা। এসব ভাবতে ভাবতেই টিয়া হেলে দুলে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে তাদের গলির মোড় এর আগ পর্যন্ত চলে আসে৷ . মেইন রোড থেকে গলিতে ঢুকে ৪ নাম্বার বাড়ীটাই তাদের। কিন্তু গলিতে ঢুকার আগে একটা দোকান পড়ে টিয়া দোকান ক্রস করবে। তখনি দোকানের ভেতরে থাকা কিছু বখাটে ছেলেদের পাল্লায় পড়ে টিয়া তারা টিয়ার যাওয়ার পথে বাধা দিয়ে দাড়ায়।টিয়া ছেলে গুলোকে আগে থেকে চিনে। তাকে প্রচুর ডিস্টার্ব করে এই ছেলেগুলোর মধ্যে মাহিন নাম করে একটা ছেলে। . টিয়া ভয়ে তার বাবাকে বলেনা এসব কথা তাহলে তার ভার্সিটি যাওয়ার ব্যান্ড বাজিয়ে দিবে তার বাবা। তাই টিয়া চুপচাপ সব সহ্য করে যায় ছেলে গুলোর অসভ্যতা ৷ . আর তাতেই ছেলে গুলো আজ রাস্তা খালি পেয়ে লিমিট ক্রস করে টিয়ার হাত ধরে বসে। মাহিন নামের ছেলেটা। হাত ধরায় এবার টিয়া রেগে যায় চেচিয়ে বলে উঠে। . -- ছাড় আমার হাত! . মাহিন নামের ছেলেটা বলে উঠে। . -- না ছাড়লে কি করবে বেবি?? -- ছাড় বলছি অসভ্য আমি বিচার দেবো তোর নামে অসভ্য কোথাকার ছাড় বলছি!! -- ছাড়বো না কি করবা কর দেখি? . মাহিনের কথায় বাকি ছেলে গুলো হাসতে লাগলো। টিয়া অনেক বলার পরে ও ছেলেটা টিয়ার হাত ছাড়ছেনা দেখে টিয়া গায়ের জোরে ছেলেটা কে দুহাতে ধাক্কা মারে ফলে ছেলেটা রাস্তার মধ্যে পড়ে যায়!! আর সাথে সাথে টিয়া দেখতে পায় তাকে ফলো করা কালো গাড়ী টা মাহিন নামের ছেলেটাকে পিষে চলে যাচ্ছে। টিয়া ঐদিন গাড়ীর দিকে তাকালে দেখতে পায় গাড়ীটা স্তব্ধ ড্রাইভ করছিলো সে গাড়ী টা দ্রুত চলে যাওয়ার মধ্যেও স্তব্ধকে চিন্তে ভুল করেনি। যাকে ১ বছর ধরে টিয়া খুজছিলো তাকে ইচ্ছা বসতো একটা ছেলের উপর দিয়ে গাড়ী চালিয়ে চলে যেতে দেখে আর মাহিনের রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পরে থাকতে দেখে সাথে সাথেই জ্ঞান হারিয়ে রাস্তায় পড়ে যায় টিয়া। এই ঘটনা এতো দ্রুত ঘটে যে মাহিনের সাথে দাড়ানো ছেলে গুলো ও কিছু বুঝতে পারেনা। ভয়ে টিয়া মাহিনেকে ফেলেই তারা পালিয়ে যায়। . . চলবে! [মনে রাখবেন একটা গল্পে কোনকিছুই অকারণে লিখা হয়না। প্রত্যয় নাম আমি গল্পে এনেছি সে কে সেটা গল্পে বলা তো হবেই তাই না?? গল্প তো আর শেষ হয়ে যাচ্ছেনা৷ ধৈর্য ধরুন আমি মাত্র গল্প শুরু করেছি সঠিক সময়ে সব জানতে পারবেন। এই কথা গুলো সবার জন্য নয় ঐ ১০% পাঠকের জন্য যারা আমার গল্পটা বুঝতে পারছেনা। ধন্যবাদ ❤]

@Hasan16

Someday.somehow Someday, somehow, I’ll stop waiting for your responses, I’ll stop checking whether you have seen my messages, I’ll stop keeping an eye on your FB stories, and I’ll stop visiting your timeline, The day will soon come when I’ll stop talking about you with my friends, I’ll stop checking you out with your acquaintances, I’ll even stop waiting every 6 o’clock on Sundays to see you at the church, I’ll stop finding you among the crowd, I’ll stop thinking about you even during work hours, I’ll stop writing you poems, I’ll stop listening to your favorite songs, I’ll stop wondering what could have been between us, and I’ll stop hoping that there’ll be an us. I cannot wait for the day when You’ll stop being my late night reverie, You’ll stop being my early morning trance, You’ll stop being the apple of my eye, and You’ll stop invading my heart and mind. But please do know that even if I’d stop doing all of these things, I’ll never stop caring for you. I’ll never stop loving you.

@Hasan16

Someday,somehow Someday, somehow, I’ll stop waiting for your responses, I’ll stop checking whether you have seen my messages, I’ll stop keeping an eye on your FB stories, and I’ll stop visiting your timeline, The day will soon come when I’ll stop talking about you with my friends, I’ll stop checking you out with your acquaintances, I’ll even stop waiting every 6 o’clock on Sundays to see you at the church, I’ll stop finding you among the crowd, I’ll stop thinking about you even during work hours, I’ll stop writing you poems, I’ll stop listening to your favorite songs, I’ll stop wondering what could have been between us, and I’ll stop hoping that there’ll be an us. I cannot wait for the day when You’ll stop being my late night reverie, You’ll stop being my early morning trance, You’ll stop being the apple of my eye, and You’ll stop invading my heart and mind. But please do know that even if I’d stop doing all of these things, I’ll never stop caring for you. I’ll never stop loving you.

@Hasan16

ঘৃনার মেরিন ঘৃণার মেরিন part : 19 (last) season : 2 writer hasan . নীড় ঠাস করে থাপ্পর মারলো। সবাই তো হা। নীড় : এসবের মানে কি? মেরিন: আপনার মুক্তি... নীড় : মানে মেরিন কখনো কিছু ভোলেনা.... হতে পারি খারাপ কিন্তু আপনাকে ভীষন ভালোবাসি। আপনাকে মুখে বলা কথাই আমার জন্য অনেক। তারমধ্যে আপনাকে ছুয়ে কথা দিয়েছি। সেটার বরখেলাপ কি করে করি.... আপনি মুক্তি চেয়েছেন তাই আপনাকে মুক্তি দিবো... . নীড়ের মনে পরলো সেই রাতের কথা যেদিন মেরিন ওকে ছুয়ে কথা দিয়েছিলো যদি নীড় কনিকাকে খুজে আনে তবে মেরিন নীড়কে মুক্তি দেবে। মানে divorce ... নীড় ভেবেছিলো ওটা কেবলই আবেগের প্রলাপ ছিলো। ভুলেই গিয়েছিলো কথাটা। মেরিন : ক্ষমা চাইছি কালকেই কথাটা পূরন করতে পারিনি। আমি signature করে দিয়েছি... আপনার যোগ্য কাউকে খুজে নেবেন। যাকে আপনি ভালোবাসেন। আর যে আপনাকে ভালোবাসে.... মেরিন চোখ নামিয়ে কথা গুলো বলছে। তাই নীড়ের ভয়ংকর রাগী চোখ ২টা দেখেনি... কথাগুলো বলেই মেরিন যেই নীড়ের দিকে তাকালো। আর চমকে উঠলো। নীড় : বলা শেষ? মেরিন: হামম। আরেকটা কথা... ক্ষমা। জানি আমি ক্ষমার অযোগ্য। তবুও ক্ষমা চাইছি। আমাকে please ক্ষমা করে দেবেন। নীড় আর কোনো কথা না বলে মেরিনকে টেনে রুমে নিয়ে গেলো। . নীড় মেরিনের দিকে তাকিয়ে আছে । আর মেরিন নিচে দিকে। কারন নীড়ের দিকে তাকানো এখন সম্ভব না। নীড়: আমার দিকে তাকাও.... মেরিন: .... নীড় : তাকাতে বলেছিনা.... নীড় মেরিনের গাল চেপে মাথা ওপরে তুলল। নীড় : আমার মুখটা কি আর ভালো লাগছেনা... যে নিচের দিকে তাকিয়ে আছো.... মেরিন: .... নীড় : কথা বলছো না কেন? মেরিন: ভালো লাগলে কি হবে? আর তো দেখতে পারবোনা এই ভালোলাগার মুখ। নীড় : কেন দেখতে পারবিনা কেন? বল দেখতে পারবিনা কেন? মেরিন : কারন di.... আর বলতে পারলোনা নীড় মেরিনের ঠোট জোরা দখল করে নিলো। . একটুপর.... নীড়: আরেকবার divorce এর d ও উচ্চারন করলে কি করবো নিজেও জানিনা। বলেই divorce paper টা টুকরো টুকরো করে আগুনে পুরিয়ে দিলো। নীড় দেখলো মেরিন চুপচাপ দারিয়ে আছে। আর স্থির চোখে পুরে যাওয়া দেখছে। নীড় : কি হলো ? কথা বলছোনা কেন? মেরিন : কখনো দেখেছেন বর্ষা শেষে বন্যার ধংব্সলীলা... আমি এখন বর্ষা শেষে সেই স্থির বন্যা, শান্ত বন্যা... যেমনটা আপনি বলেছিলেন সেদিন,,, যেমনটা চেয়েছিলেন... নীড় : আমি বর্ষা শেষে শান্ত বন্যা চাইনা.... আমি গ্রীষ্মের শুরুতে আগমনী বন্যা কেই চাই। যার কথা ভেবেই শুরু হয় আতংক। যার আরেক নাম ভয়... মেরিন : ভুল করলেন না তো ... সারাজীবন কিন্তু বোঝা নিয়ে বেরাতে হবে.... নীড় : কি বললা? তুমি আমার বোঝা? মেরিন: হামম। বোঝা। এখন পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে নীড় : 🤬। নীড় কিছু না বলে বেরিয়ে গেলো। . মেরিন : যায় জ্যোতি যায় যাক না জীবন... ছারবো না তোরে... কি ভেবেছিলেন মিস্টার চৌধুরী.... আপনাকে আমি মুক্তি দিবো। ঘৃণার মেরিন আমি... ঘৃণা থেকে কখনো মুক্তি পাওয়া যায়না। আমার দাদুভাইকে kidnap করে আমার অতীত জেনেছেন... আমার আম্মুকে ফিরিয়ে এনেছেন... কেন করেছেন জানিনা বুঝি? ভালোবাসেন আমাকে... কিন্তু বলছেন না... 😒.. ভালোবেসেছি আপনাকে.... কি করে আপনাকে ছারতে পারি.... নিঃশ্বাস আপনি আমার এই কথার তীর তো কেবল আপনার মুখে ভালোবাসি শোনার জন্য । আর ৩দিন দূরে থাকার শাস্তি। হায় কি রাগ.... আজকে সাদা শাড়ি পরেছি আজকে কি রক্ত দিয়ে রং খেলা ঠিক হবে? তখন জন ফোন করলো । মেরিন: hello ... জন: ম্যাম... সেতু-নীরাকে কোথাও খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা.... মেরিন : what? জন: yes... mam... মেরিন: যেভাবেই হোক ওদের খুজে বের করো... . বিকালে.... দাদুভাই : নিহাল... নিহাল : জী স্যার... দাদুভাই: কিসের স্যার? কাকা ডাকো.... নিহাল: ok... কাকা... দাদুভাই : আমি আমার নাতনিকে বাসায় নিয়ে যেতে পারি? নিহাল : হ্যা কাকা... কিন্তু ১বার নীড় এসে নিক... দাদুভাই : নীড় কখন আসবে জানিনা... এখন নিয়ে গেলাম। দাদুভাই আসলে বলো যে আমি নিয়ে গেলাম। . খান বাড়িতে..... কনিকা মেরিনকে খাইয়ে দিচ্ছে। কবির দূর থেকে দেখছে । খুব ইচ্ছা হচ্ছে স্ত্রী সন্তানের সাথে বসে কিছু মুহুর্ত পার করার। কিন্তু অপরাধবোধের জন্য ওদের সামনে যেতেই সাহস পাচ্ছেনা। . রাতে.... মেরিন মাকে জরিয়ে ধরে শুয়ে আছে। কিন্তু ঘুম হচ্ছেনা। গতরাতে তো কাদতে কাদতে ঘুমিয়ে গেছে। কিন্তু আজকে কিছুতেই ঘুম আসছেনা। নীড়কে ছারা... অথচ কতো ইচ্ছা ছিলো মায়ের বুকে ঘুমাবে। খেয়াল করে দেখলো কনিকা কাদছে। কনিকা মনে করেছিলো মেরিন ঘুমিয়ে পরেছে। কান্নার আভাস পেয়ে মেরিন ধরফরিয়ে উঠলো। মেরিন : আম্মু তুমি কাদছো কেন? কনিকা: কই না তো... মেরিন: বললেই হলো। বলো কাদছো কেন? কনিকা: sorry রে মা.... তোমার জীবনটা নষ্ট করে ফেলেছি, সুন্দর করে সাজাতে পারিনি... কিছুই করতে পারিনি.... ক্ষম... মেরিন: এই... পাগল নাকি? কি বলছো কি? তোমার কোন দোষ নেই আম্মু... দোষ ওই সেতু, আর কবির খানের... ওদের ২জনের আমি এমন হাল করবো... ওই কবির খানকে তো আমি এমন মৃত..... কনিকা : না মা অমন কথা বলেনা... সে তোমার বাবা... মেরিন : বাবা my foot... কনিকা : মামনি আমি জানি কবির তোমার অপরাধী । আমারও অপরাধী ... কোনোদিনও ক্ষমা করতে পারবোনা.... কিন্তু তাই বলে.... মামনি খুন করা কি ঠিক ? কারো জীবন নেয়া যে হারাম.... তারওপর সে তোমার বাবা.... মেরিন : আম্মু বাদ দাও তো... কনিকা : মামনি.... কবিরকে আমি ঘৃণা করি... কিন্তু ও তোমার বাবা... পিতার হত্যাকারী খেতাব পেতে দিতে পারিনা.... মেরিন : আম্মু তুম... কনিকা : কথা দাও তুমি কবিরের কোনো ক্ষতি করবেনা... মেরিন : আম্মু তুমি ওই লোকটাকে বাচাতে চাইছো...? কনিকা: না মা... আমি তোমাকে ভালোবাসি.... জানি সে অনেক আঘাত দিয়েছে তোমাকে..... মেরিন : আমার থেকে কয়েক গুন বেশি কষ্ট তোমাকে দিয়েছে। তবুও তুমি ওই লোকটাকে ক্ষমা করে দিলে... কনিকা : কে বলেছে ক্ষমা করেছি.... যে লোকটা আমার জীবনের ১২টা বছর কেরে নিয়েছে। সেই লোকটাকে ক্ষমা... যে আমার বাচ্চাটার জীবনটা বিষিয়ে দিয়েছে তাকে ক্ষমা করবো? কোনোদিনও না... কনিকা কান্না করতে লাগলো। মেরিন মাকে বুঝিয়ে সুজিয়ে ঘুম পারালো । এরপর বারান্দায় গিয়ে দারালো। . মেরিন : তোমার চরম শাস্তির সময় ঘনিয়ে এসেছে মিস্টার কবির ফয়সাল খান... শুধু ১বার তুমি ক্ষমা চাও আমার মামনির কাছে... এরপর দেখো আমি তোমায় কেমন ক্ষমা দেই? সেই সময়টার অপেক্ষা যেদিন তুমি ক্ষমা চাইবে? কিন্তু সেতু আর নীরা কোথায় গেলো? ও... তখন কেউ পেছন থেকে হঠাৎ ওর মুখে কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলো । এরপর হাত বেধে কাধে তুলে নিয়ে কোথাও যেতে লাগলো। . গাড়িতে... গাড়িতে বসিয়ে মেরিনের চোখের বাধন রাখা হলেও মুখের বাধন খুলে দেয়া হলো। মেরিন মোচরা মোচরি করছে। মেরিন : নীড় ভালো হচ্ছেনা কিন্তু.. নীড় : ... মেরিন: চুপ থাকলে লাভ হবেনা কিন্তু। আমি জানি এটা আপনি... নীড় মেরিনের চোখের বাধন খুলে দিলো। ২জনের চোখই রাগে লাল হয়ে আছে। ২জন একসাথে বলল : এসবের মানে কি? মেরিন : আপনার সাহস কিভাবে হয় আমাকে এভাবে তুলে আনার? নীড় : তোমার সাহস কিভাবে হয় আমাকে না বলে এই বাসায় আশার? মেরিন : মানে? মেরিন বন... নীড় : জানি জানি .... মেরিন : মেরিন বন্যা খান কোনো কাজ কারো অনুমতি নিয়ে করেনা.... নীড় : wait wait... মেরিন বন্যা খান মানে? মেরিন : মেরিন বন্যা খান মানে মেরিন বন্যা খান । নীড়: তোমার কি আমার থাপ্পর খেয়ে মন ভরে না? মেরিন বন্যা খান নামে এখন কেউ নেই। মেরিন বন্যা নীড় খান চৌধুরী আছে। মেরিন : .... নীড় : চুপ কেন? মেরিন : বাসায় যাবো... আমার হাত খুলে দিন.... নীড়: 🙄। মেরিন : কিছু বলেছি তো... নীড় : শুনেছি তো... 😏। মেরিন : ধ্যাত... নীড় : আচ্ছা আমি তোমাকে বাসায় রেখে গেলাম শাড়ি পরা এখন আবার এই অবাঙালি পোশাক কেন? মেরিন : mind your own business .. নীড়: সেটাই করছি... . একটুপর... নীড় গাড়ি থামালো। ১টা বাড়ির সামনে। এরপর কোলে করে মেরিনকে ভেতরে নিয়ে যেতে লাগলো। মেরিন : এটা কার বাড়ি? নীড়: তোমার জামাইর। মানে তোমার । মেরিন : 😒... নীড় মেরিন ১টা রুমে নিয়ে নামালো। এরপর ১টা লাল টুকটুকে শাড়ি হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল: যাও এটা পরে আসো। মেরিন: এই রাত সারে ১২টা বাজে আপনি আজিরা পেচাল পারছেন? নীড় : হ্যা। পরবে কি পরবেনা? মেরিন: না। নীড় : তুমি কি কোনো কথাই ১বারে শুনতে পারোনা? মেরিন : না। আর এই শাড়ি আপনি গিয়ে নীরাকে দিন। নীড় : আরেকবার নীরার নাম নিলে খবর আছে। শাড়িটা পরে নাও । মেরিন :না বলেছিনা। নীড় বাধ্য হয়েই নিজেই মেরিনকে শাড়ি পরিয়ে দিলো। এরপর সাজিয়ে দিলো। ভীষন সুন্দর লাগছে মেরিনকে। এরপর আবার মেরিনকে কোলে তুলে গাড়িতে বসালো। কালো কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে দিলো। মেরিনের মেজাজ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। . কিছুক্ষন পর আবার গাড়ি থামলো । নীড় মেরিনকে গাড়ি থেকে নামালো। হাতের বাধন কিছুটা হালকা করলো। নীড় : দারাও ... আসছি.... বলেই নীড় চলে গেলো। মেরিন গুতাগুতি করতে করতে হাতের বাধন খুলে ফেলল। মেরিন মনে মনে: হালকাই তো ছিলো। তাহলে এতোক্ষন খুলতে পারলাম না কেন? এরপর চোখের বাধন টা খুলবে আর ঠিক তখনই গিটারের আওয়াজ পেলো। ১টানে চোখের বাধন খুলল। আর দেখলো সামনে আলোর মেলা সেই সাথে গোলাপের পাপড়ির তেরি করা পথ। পথের কিনারা দিয়ে আছে প্রদীপ.... মাথার ওপর পূর্নিমার চাদের আলো। নদীর স্নিগ্ধ বাতাস। মাতাল করা গিটারের সুর... 🎶🎵🎶 সারারাত ভর... চোখের ভেতর স্বপ্নে তোমার আনা গোনা.. নেমে আসে ভোর থাকে তবু ঘোর... হাওয়ায় হাওয়ায় জানাশোনা তুমি দেখা দিলে তাই মনে জাগে প্রেম প্রেম কল্পনা... আমি তোমার হতে চাই এটা মিথ্যে কোনো গল্পনা... 🎶🎵🎶.... মেরিন একেবারে নীড়ের সামনে এসে পরেছে । চারিদিক সুন্দর করে সাজানো। সাদা গোলাপ দিয়ে। সামনে ১টা ভ্যানিলা কেক রাখা। নীড়কেও অনেক সুন্দর লাগছে। কালো shirt-pant... চুল স্পাইক করানা।। নরমাল। বাতাসে উরছে। গান শেষ করে নীড় মেরিনের সামনে এসে ১হাতে মেরিনের কোমর জরিয়ে সামনে এনে অন্যহাত দিয়ে ওর মুখের ওপর থেকে চুল সরিয়ে মেরিনের কপালে চুুমু দিয়ে বলল: happy anniversary আমার বউটা.... . মেরিন অবাক হলো এটা জেনে যে নীড়ের মনে ছিলো। নীড় : অবাক হলে? কি ভেবেছো আমার মনে নেই? মেরিন : .... নীড় : চলো কেক কাটি। ২জন কেক কাটলো। ২জন ২জনকে wish করলো। আবার নীড় হাওয়া হয়ে গেলো। পরক্ষনেই আবার ঝরের বেগে এলো। ১গুচ্ছ গোলাপ নিয়ে। হাটু গেরে বসলো... নীড়: হয়তো তোমার মতো কখনো ভালোবাসতে পারবোনা। কারন মেরিনের মতো ভালোবাসার ক্ষমতা কারো নেই.... তবে আমি আমার সবটুকু দিয়ে তোমাকে ভালোবাসবো । কখনো কোনো অভিযোগের সুযোগ দিবোনা। যতোদিন বেচে আছি... পাশে থাকবো । ১টা কথাই বলতে চাই... তুমি আমার #ঘৃণার_মেরিন না । #ভালোবাসার_মেরিন.... ১টা সুযোগ দিবে.... please .... তোমাকে ভালোবাসার... মেরিন নিজের চোখ আর কানকে বিশ্বাস করতে পারছেনা.... নীড়কে জরিয়ে ধরেকাদতে লাগলো। নীড় : আরে পাগলি কাদছো কেন? মেরিন : i love you.. love you... love you... love you a lot... নীড় : & i love you too.... মেরিন : কখনো আমাকে ছেরে যাবেন না... please ... নীড় : মাথা খারাপ না পাগল ... আমি তো আজীবন আমার বউটার সাথে থাকবো। কথা দিলাম.... . কিছুদিনপর... চৌধুরী বাড়িতে... মেরিন: কাহিনি কি বলো তো? কি লুকাচ্ছো? নীড় : কোথায় ? কিছু নাতো... মেরিন: কিছু তো আছে ঘাপলা... নীড় : জান তুমি কি আমার ওপর সন্দেহ করছো... মেরিন : ধ্যাত কি যে বলো না। আচ্ছা শোনো... আজকে ওই বাসায় যাবো কিন্তু। নীড় : আচ্ছা... বলেই নীড় মেরিনের কপালে চুমু দিয়ে চলে গেলো। নীড় মনে মনে : জান... ঘাপলা তো করছি... কিন্তু প্রমান না পেলে তো আর সম্ভব না। কালকেই সব clear হবে। ইনশাল্লাহ। বিকালে ওরা খান বাড়িতে গেলো। . পরদিন.... কনিকা কাজ করছে.... নীড় office এ। মেরিন রুমে বসে অফিসের কাজ করছে। দাদুভাই-দীদা বসে চা খাচ্ছে। কবির অনেক সাহস জুগিয়ে কনিকাকে ডাক দিলো। কবির : কনা... কনিকার সময় ওখানেই থেমে গেলো। কতোদিন পর সেই ভালোবাসার ডাক.... কিন্তু কনিকা আবেগকে প্রশ্রয় দিলোনা। কবির : একটু কথা বলতে চাই... কনিকা যেন শুনতেই পায়নি। কবির : শোনো না please ... মেরিন : কি শুনবে আপনার কথা? আরো কোনো অপবাদ-অপমান শোনা বাকি আছে কি? কবির: ... মেরিন: কি হলো এখন চুপ কেন? ১২বছর ধরে যাকে দুনিয়ার সব বাজে বাজে কথা বলেছেন আজকে তার সাথে আরো কথা আছে? যার জীবন থেকে আপনি ১২টা বছর কেরে নিয়েছেন তার সাথে কথা বলতে চান? যাকে ঘৃণা করে এসেছেন , যার অস্তিত্বকে ঘৃণা করে এসেছেন তার সাথে কথা বলতে চান? যাকে কখনোই ভালোইবাসেন নি তার সাথে কথা বলতে চান? আসলে আপনি just আম্মুর রুপের মোহয় পরে বিয়ে করেছিলেন.... কবির : মেরিন.... কবির মেরিনকে থাপ্পর মারার জন্য হাত তুলেও নামিয়ে নিলো। মেরিন: নামালেন কেন? মারুন আমাকে.... কসম আল্লাহর ওই হাত কেটে কুকুরদের খাওয়াবো.... তখন ওখানে নীড় এলো । কবির: হামম। খাওয়াবেই তো। আচ্ছা তুমি তো সবাইকে শাস্তি দাও... মেরেও ফেলো। আমাকে দিলেনা কেন? মারলেনা কেন? মেরিন : দিবো তো শাস্তি... আগে সেতু আর নীরাকে খুজে বের করে নেই। ওদেরকে ওদের পাওনা বুঝিয়ে নেই... আপনার চোখের সামনে ওদেরকে নৃশংস্র ভাবে খুন করে নেই। এরপর.. নীড় : খুন হওয়াদের আর কি খুন করবে মেরিন.... মেরিন পিছে ঘুরলো। . মেরিন: একি তুমি? কখন এলে? নীড় : মাত্র। মেরিন : যাও fresh হয়ে নাও... নীড় : হবো... তার আগে কিছু কাজ আছে। সেটা complete করতে হবে.... মেরিন: মানে? নীড় : খুব সহজ... সেতু আর নীরা আর বেচে নেই। মরে গেছে। খুবই বাজে ভাবে মরেছে... মেরিন: মরে গেছে? অসম্ভব... ওদের মৃত্যু এভাবে হতে পারেনা। নীড় : কিন্তু হয়েছে। গতকালই । জানতে চাও ওদের মৃত্যু কিভাবে হয়েছে? ওদের হাত-পা প্রথমে আগুনে পুরে দেয়া হয়েছে। পরে সেগুলোতে আবার ঔষধ দেয়া হয়েছে। এরপর আবার পোরানো হয়েছে। এরপর একটু ঔষধ লাগিয়ে তাদেরকে কুমির ভরা পুকুরে ছেরে দেয়া হয়েছে। ক্ষনিকের মধ্যেই ২জনের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে। মেরিন:কি? কে করলো এমন? নীড়: তোমার সামনে দারিয়ে আছে। মেরিন: মানে? নীড় কবিরের সামনে গিয়ে কবিরের কাধে হাত রেখে বলল : বাবা.... দাদুভাই, দীদা ,কনিকা,মেরিন, জন তো অবাক। মেরিন: কি বলছো কি? আজেবাজে কথা বন্ধ করো.. নীড় : আজেবাজে কথা বন্ধ না। সেতু-নীরা-নিলয়কে যতোটা তুমি ঘৃণা করো তার থেকে অনেক বেশি ঘৃণা বাবা করে। মেরিন: stop nonsense.... নীড়: না... আমি একদম ঠিক বলছি... সব গল্পেরই এপিঠ ওপিঠি থাকে। বাবার সত্যটা কেউ জানোনা। মেরিন: সত্য? নীড়: হ্যা সত্য... আচ্ছা মেরিন তোমার মনে কি কখনো এই প্রশ্নটা আসেনি যে বাবা যদি আম্মুকে ভালোইনাবাসতো, যদি ঘৃণাই করতো তবে ২য় বিয়ে কেন করেনি? ১২ টা বছর কেন একাই কাটিয়ে দিলো। বাকীরা সবাই ভাবলো : হ্যা তাই ই তো.... নীড় : কারন হলো বাবা কেবল আর কেবল আম্মুকেই ভালোবাসে। মেরিন: নামের ভালোবাসা... দাদুভাইয়ের ভয়ে করেনি... নীড় : seriously ? কবির ফয়সাল খানের মতো ১জন talented & educated business icon চাইলেই নিজে আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতেন না? পারতেন। কিন্তু ইচ্ছা করেই কিছু করেননি? মেরিন:... নীড় : আমি জানি তুমি আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসো। কিন্তু হঠাৎ যদি আমি কিছুদিন ধরে তুমি আমাকে না জানিয়ে কোনো কাজ করো। like না বলে কোথাও যাওয়া, late করে ফেরা.... আমার কি খটকা লাগবেনা? বাবার তো তবুও কখনোই সন্দেহ হয়নি। কিন্তু যদি কোনো স্বামী কারো সাথে তার স্ত্রীর অমন ছবি দেখে এমনকি এটা জানতে পারে যে সন্তানটাও তার না...তখন সেই স্বামীর মনের অবস্থা কেমন হতে পারে? সব মিলিয়ে কি তার রাগ করাট জায়েজ নয়? তার মনের অবস্থা কি হতে পারে? অমন অবস্থা নিয়ে ঠিক ভুল বিবেচনা করা যায়? সবাই:.... নীড়: তুমি যে আমায় এতো ভালোবাসো , তবুও যদি আমার এমন কিছু জানতে পাও তবে ওই মুহুর্তে তুমি কিভাবে react করবে? মেরিন :.... . নীড়: ১২ বছর আগে বাবা সেদিন আম্মুকে অনেক অপমান করেছিলো ঠিকই। কিন্তু যখন মাথাটা ঠান্ডা হলো তখন বিষয়ের গভীরে যায়। প্রমান পেয়েও যায় সত্য। কিন্তু সেই সাথে এটাও জানতে পারে যে দীদা ওদের কব্জায়। তাই ওদের কিছু বলতে পারেনা। ওদের সাথে মিলে থাকার নাটক করে। দীদাকে আমি পেলেও আম্মুর খোজ বাবার জন্যেই পেয়েছি। মেরিন : মিথ্যা কথা.... সব মিথ্যা.... নীড় : না। সব সত্য। বাবা আজও আম্মুকে ভালোবাসে। আর তোমাকেও... মেরিন: ক... নীড় : কোনো কথা না। আগে আমার কথা শোনো.... জন... জন: জ স্যার.... নীড় : ১টা কথা বলো তো মেরিনের under এ তো তুমি কাজ করো । but মেরিনের under এ কাজ করার জন্য তোমাকে কে কাজ করতে বলেছে? কে তোমাকে মেরিনের ছায়া হয়ে থাকতে বলেছে ? কে তোমাকে মেরিনের সাহায্য করতে বলেছে? জন:... নীড় : বলো... জন: জানিনা স্যার.. তার সাথে কেবল আমার ফোনে কথা হয়। আর মাস শেষে salary দেয় ...।সে বলেছে যে করেই হোক আমি যেন ম্যামকে একা না ছারি... আলাদা না ছারি.... যেন সবসময় রক্ষা করি... নীড় : সে পুরুষ না মহিলা? জন: পুরুষ.... নীড় : সবাই জানতে চাও সে কে? সে এই কবির ফয়সাল খান.... হ্যা মেরিনের সাথে সে খারাপ ব্যাবহার করেছে। আর সেসবের জন্যেই আজ মেরিন the মেরিন হতে পেরেছে। স্বর্নকে পুরিয়ে যেমন খাটি করা হয় তোমনি কষ্ট পেয়ে মেরিন... বন্যা হতে পেরেছে..... জানতো যে বাবা নিজে মেরিনকে save করতে পারবেনা। দাদুভাইয়েরও বয়স হয়েছে। তাই মেরিনের strong হওয়ার দরকার ছিলো। সে কারনেই.... মেরিন : ... নীড় : ৫বছর আগে তোমার car accident হয়েছিলো। তোমাকে রক্ত দিয়ে কে বাচিয়েছিলো জানো? বাবা.... মেরিন: ... নিহাল : আরো আছে... সবাই পিছে তাকালো। দেখলো নিহাল-নীলিমা দারিয়ে আছে। . নিহাল মেরিনের সামনে গিয়ে ওর মাথায় হাত রাখলো। বলল : ভাবির সত্যিটা কবির আমাকে আরো আগেই বলেছে। সব সত্যই বলেছে। কারন সেদিন আমি তোমাকে বাজে কথা বলেছিলাম.... আমাকে কবির বলেছিলো যেন আমি তোমাকে বাবার ভালোবাসা দেই। তুমি ভালোবাসা কাঙাল কিন্তু যেন পলকেই পরিবর্তন না হই তাহলে তুমি বুঝে যাবে.... তুমি কবিরের দুনিয়া... কবিরের হাতে দেখো । তোমার প্রতি জন্মদিনে ও নিজেকে আঘাত করেছে। যার চিহ্ন আজও রয়ে গেছে। তুমি তোমার বাবার ঘৃণার মেয়ে নও.... ভালোবাসার.... মেরিন: মিথ্যা... মিথ্যা ...মিথ্যা। সব মিথ্যা। সবাই মিথ্যাবাদী। সবাই খারাপ.... বলেই মেরিন গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গেলো। নীড়ও পিছে ছুটলো। গাড়ি নিয়ে মেরিনের পথ আটকালো। এরপর মেরিনের সামনে গিয়ে দারালো। মেরিন: আমার পথ ছেরে দাও নীড়... নীড়:ছারবোনা.... গাড়ি থেকে নামো... মেরিন : আপনি সরবেন কি না? নীড় : না। মেরিন : না সরলে কিন্তু.... নীড় : কিন্তু... আমার ওপর দিয়ে চালাবে? মেরিন: .... নীড়: আমার ওপর দিয়ে চালাবে? বলো.... মেরিন : .... নীড় : চালাও... মেরিন : ..... নীড় : কি হলো.... চালাও... মেরিন মাথা নিচু করে বসে রইলো। নীড় : নামো... মেরিন: .... নীড় : নামতে বলেছি কিন্তু..... মেরিন নেমে এলো। নীড় মেরিনের কাধে হাত দিয়ে হাটতে লাগলো। নীড় : সত্য থেকে না পালিয়ে সত্যে মোকাবেলা করতে কবে শিখবে? তোমার, আম্মুর জীবন থেকে যেমন ১২ বছর হারিয়ে গেছে তেমনি বাবার জীবন থেকেও। please accept this.... মেরিন : আমি যে বাবার সাথে অনেক খারাপ ব্য... নীড় : সবটাই সময়ের দোষ ছিলো..... চলো আবার নতুন করে জীবনটা শুরু করি। নীড় মেরিনকে নিয়ে বাসায় ফিরলো। বাবা-মেয়ের মিল হলো। মেরিন কবিরকে বুকে জরিয়ে কাদতে লাগলো। কবিরও এতো বছর পর মেয়েকে বুকে জরিয়ে কাদতে লাগলো। সব সমস্যা মিটে গেলো। মেরিনের জীবনও স্বাভাবিক হয়ে গেলো। . কিছুদিনপর.... নীড় office থেকে এসে দেখে মেরিন টেবিল calendar এর পাতা উল্টাচ্ছে। নীড় : কি করছে আমার বউটা? মেরিন: তোমার ভাগ্য গননা.... নীড় : ভাগ্য গননা? মেরিন: হামম। নীড় : মানে? মেরিন: দেখি দেখি তোমার কপালে কি লেখা? নীড়:😒। মেরিন: উফফ... চুলগুলো সরাও না... নীড়:🙄🙄। মেরিন: অলস কোথাকার? আমি সরিয়ে দিচ্ছি... মেরিন সরিয়ে দিলো। মেরিন: 😱🤭। নীড়: কি হলো? মেরিন: তোমার কপালটা তো ভীষন ভালো গো। নীড় মেরিনের কাধে হাত রেখে নাকে নাক ঘষে বলল: তোমার মতো বউ পেলে তো সবারই কপাল ভালো হবে? মেরিন: তাই বুঝি? তোমার কপাল আরো বেশি ভালো হতে চলেছে। আজ থেকে ঠিক ৯মাস পর ১টা ছোট্ট নীড় আসতে চলেছে.... যার নাম হবে নির্বন.... নীড়: মান.... সত্যি? 😍😍... নীড় মেরিনকে কোলে নিয়ে ঘুরতে লাগলো। নীড়: উহুহু... আমি বাবা হতে চলেছি..thank u আল্লাহ thank u জান... its the best gift in my life... i just love you... খবরটা শুনে খান বাড়ি চৌধুরী বাড়িতে ধুম পরে গেলো। মেরিনের জীবন থেকে সকল ঘৃণার অবসান ঘটলো। . (sorry ... কালকে বলেও গল্প না দেয়ার জন্য। next গল্প #পারফেক্ট_ভিলেন । আর নীড়-মেরিনই থাকবে। তবে ৩দিন পর থেকে গল্প পাবেন। কারন আমি ভীষন অসুস্থ। ) . ❤❤সমাপ্ত❤❤

@Hasan16

বৃস্টি ভেজা সেই রাত 👉 বৃষ্টিতে ভেজা সেই রাত 👈 লেখকঃ হাসান পর্বঃ ২ তামান্না এই সেই ছেলেটা না যে তোকে জোর করে ধর্ষণ করতে চেয়েছিলো... । তামান্নাঃ হ্যা বাবা এ তো সেই ছেলেটা কিন্তু এই এখানে এই ছেলেটা কী করছে.... । । তামান্নার বাবাঃ কে এই ছেলেটা... । মাঃ কেনো আমার ছেলে..... । । কথা শুনতেই তামান্নার বুকটা ধড়ফড় করতে লাগলো.... । । তামান্নার মাঃ ছেলেটাকে তো সে দিন ভিক্ষারীর দেখাচ্ছি আর সেই ছেলেটা এই বিশাল বাড়ির মালিক 😱 । । তামান্নার বাবাঃ আমরা একটু আড়ালে দাড়িয়ে পড়লাম যাতে আমাদের দেখতে না পায় । । সাঈদঃ গাড়ি থেকে নামতেই মনে হলো কেউ আড়াল থেকে দেখছে আমায় ধুর এই সব আমি কী ভাবছি আমি আর মা ছাড়া কে আছে এই বাসায় যে আমায় আড়াল থেকে দেখবে... । । আম্মু কই গেলা খুব খিদে পেয়েছে কিছু খেতে দাও... । । মাঃ হ্যা দিচ্ছি তুই হাত মুখ ধুয়ে টেবিলে বস আমি খাবার নিয়ে যাচ্ছি.. । । মাঃ আপনারা বসেন না এভাবে দাড়িয়ে থাকবেন না.. । । তামান্নার বাবাঃ হুম... । । তামান্নাঃ মার কথায় তো ওই দিন বাবার সামনে মিথ্যা অভিনয় করেছিলাম যে এই ছেলেটা আমায় রেপ করতে চেয়েছিলো কিন্তু আজ আমি তো মনে হয় ধরা পড়ে যাবো... । । । সাঈদঃ আম্মু আমাকে খাবার টা দিয়েই চলে গেলো... । । ইসস একটা যদি বউ থাকতো তাহলে কত আদর করে খাইয়ে দিতো মা তো ফুড়ুৎ ফুড়ুৎ করে হারিয়ে যাচ্ছে.. । । । তামান্নার মাঃ ভাবি একটা কথা বলার ছিলো.। । । মাঃ হুম বলেন.. । । তামান্নার মাঃ তামান্না আর সাঈদ এর বিয়ে দিলে কেমন হয় এতে আমাদের সম্পকটা আরো সুন্দর হবে.. । । মাঃ এই বিষয়ে একটু ভাবতে হবে তবে এমন একটা লক্ষি মেয়ের যে ঘরে বিয়ে হবে তার স্বামীটা খুব ভাগ্য বান হবে... । । তামান্নার বাবাঃ আচ্ছা সত্যি কী সেদিন সাঈদ তামান্নার সাথে জোর জোবস্তি করে ছিলো.... না সব কিছু জানি রহস্য মনে হচ্ছে ছেলেটাকে দেখে তো এমন মনে হচ্ছে না ( মনে মনে) । । মাঃ আপনারা বসেন আমি সাঈদকে নিয়ে আসতেছি... । । সাঈদঃ খাওয়া শেষ করে রুমে বসে ফ্রী ফাইয়ার খেলতে ছিলাম ততখনি মা আসলো .... । । । মাঃ সব সময় দেখি ফোনটা নিয়ে পড়ে থাকিস অল্প দিনে চোখ গুলো নষ্ট করে ফেলবি.. চল তোর ফুপুরা এসেছে ওদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয় । । । আর হ্যা রে তোর ফুপুর মেয়ে তামান্নার কিন্তু তোকে খুব পছন্দ ওরা তোর সাথে তার বিয়ে দিতে চায় । । সাঈদঃ তামান্না নামটা শুনার পর সেই বৃষ্টিতে ভেজা রাতের কথা মনে পড়ে গেলো.. । । মাঃ কী হলো চল নাকি এভাবে বসে থাকবি .. । । সাঈদঃ হুম যাচ্ছি... । । এর পর আম্মুর যেতেই মেজাজটা বিগড়ে গেলো এরা এখানে কী করছি এরা তো মানুষ রুপে অমানুষ... । । তবুও নিজের রাগকে কন্ট্রোল করলাম কথায় আছে ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না আর... । । তামান্নাঃ হাই আমি তামান্না তুমি.. । । সাঈদঃ মানুষ রুপী রক্ষস.. । । মাঃ তুই এভাবে কেন মেয়েটার সাথে কথা বলতেছিস.. । । তামান্নাঃ আন্টি সাঈদ মনে মজা করতেছে... । । সাঈদঃ একটা বার সুযোগ পাই হারে হারে টের পাবেন আমি কী জিনিস... । । তামান্নার বাবাঃ তামান্না আমার সাথে এদিকে আয় তো... তামান্নাকে বাইরে নিয়ে এসে । তামান্না সত্যি করে বল ওই রাতে কী হয়েছিলো একটুও মিথ্যা বলার চেষ্টা করবি না.. । । তামান্নাঃ আমি বাবাকে খুব ভয় পাই তাই বলে দিলাম... বাবা ওই রাতে সাঈদ কে যেনো তুমি ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বেড় করে দাও তার জন্য মা আমাকে বলেছিলো আমি যেনো তোমায় বলি যে সে আমাকে রেপ করতে চেয়েছিলো .. । । তামান্নার বাবাঃ সমস্ত শক্তি দিয়ে দিলাম গালে একটা ঠাসসস করে থাপড়... । ছি তোর লজ্জা করলো না এমন একটা ভদ্র ছেলেকে ধর্ষকের উপাধি দিতে আমি বড় ভুল করে ফেলেছি না জেনে মাথায় আঘাত করে ফেলেছি ... । । সাঈদঃ মা আমি তামান্নার সাথে একটু আলাদা ভাবে কথা বলতে চাই... । । তামান্নার মাঃ বাবা তুমি বসো আমি তামান্নাকে নিয়ে আসছি বলেই বাইরে এসে তামান্নাকে বললাম দেখ তামান্না এই ছেলেকে যেভাবে হোক ছলে বলে কৌশলে যদি তুই একবার বিয়ে করতে পারিস তাহলে এই সমস্ত সম্পতি তোর তার পর খাবারের সাথে বিষ মিশয়ে মেরে ফেলবি তার পর থেকে এই বিশাল বাড়িটা শুধুই তোর... । । তামান্নাঃ আচ্ছা মা চেষ্টা করবো যদি মিথ্যা মায়াই ভাসাতে পারি... । । তামান্নার মাঃ নিয়ে আসছি তামান্নাকে কী কথা বলার আছে বলো আমরা বাইরে যাচ্ছি... । । তামান্নাঃ সবাই বাইরে যাওয়ার পর... দেখো আমি যখন তোমায় প্রথম দেখেছিলাম ততখনি ভালো বেসে ফেলেছিলাম বিশ্বাস করো তার জন্য আমি বাবাকে সে কথা বলেছিলাম যাতে বাবা মান সম্মান রক্ষাথে আমাদের বিয়েটা দিয়ে দিতো.. । । সাঈদঃ হা হা হা তোমাদের আবার মান সম্মান একটা কথা ভালো মতো কান খুলে শুনে নাও এই বাড়ি থেকে এখনি যদি বেড়িয়ে না যাও ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বেড় করে দিবো.. । । । আর হ্যা তোমার মতো চরিত্র হীন মেয়েকে আমি বিয়ে করবো এটা কল্পনাতেও ভাবিস না... । । । তামান্নাঃ উপমান করছো আমায় । । সাঈদঃ হ্যা করছি এখনি বেড়িয়ে যাও এই বাড়ি থেকে আমি অন্য একজনকে ভালোবাসি আর তাকেই বিয়ে করবো বলে চলে আসলাম... । । । তামান্নাঃ যাকেই ভালোবাসো না কেনো বিয়ে আমাকেই করতে হবে তার ব্যবস্থা করে রেখেছি ( মনে মনে) । । । এর পর জানি না কী হলো রাতে বাসায় এসে দেখি তারা আর নেই যাক শান্তি পেলাম... । । । সাঈদঃ আম্মু তুমি যদি আর কখনো তাদের এই বাসায় নিয়ে এসেছো তাহলে ওই দিনে হবে আমার এই বাড়িতে শেষ দিন । । মাঃ সাঈদ কী হয়েছে তোর তাদের দেখার পর এমন কেন করছিস... । । সাঈদঃ আম্মু সব কথা বলা যায় কিছু কথা বুঝে নিতে হয়... । । বলেই দরজাটা লাগিয়ে শুয়ে পড়লাম.. । । এভাবে রাত ঘনিয়ে এলো স্বপ্নে শুধু সেই মেয়েটার মুখটা ভেসে আসছে আমি মনে তাকে ভালোবেসে ফেলেছি... . . সারাটা রাত তার কথা ভেবে পার করে দিলাম সকাল বেলা তাদের বাসার উদ্দেশ্য বেড়িয়ে পড়লাম সেখানেই যেতেই যা দেখলাম তা দেখার অবস্থায় ছিলাম না মেয়েটার বাসা কে জানি ভেঙ্গে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে তাদের কোথাও দেখতে পাচ্ছি না । । পাশ দিয়ে একটা বৃদ্ধ মহিলা যাচ্ছিলো । আমিঃ এই যে শুনুন এই বাড়িতে যারা থাকতে তারা কোথায় । । মহিলটাঃ এই বাড়ির মালিক তাড়িয়ে দিয়েছে তার এই বাড়িটা কিনতে চেয়েছিলো কিন্তু সময় মতো টাকা দেয়নি বলে তাড়িয়ে দিয়েছে... । । সাঈদঃ তারা কোথায় গেছে বলতে পারবেন । । মহিলাটাঃ না আমি কীভাবে বলবো .। । । সাঈদঃ আমি কী করবো এখন কোথায় খুজবো তাদের কোথায় গেলো তারা । । সারাটা দিন সারা শহরটা তাদের খুজলাম এমন কোথাও বাদ দিনি যেখানে তাদের খুজি নি হঠাৎ রাস্তার মাঝে প্রচুর জেম লেগে গেলো সবাই দাড়িয়ে কী জানি দেখছে গাড়ি থেকে নেমে আমিও দেখতে গিয়ে অবাক হয়ে গেলাম সেই ভদ্র মহিলাটা রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে আর পাশে মেয়েটা বসে কাদছে আমি দৌড়ে গিয়ে মহিলাটার পাশে বসলাম.. । । সাঈদঃ কী হয়েছে আপনার কীভাবে হলো এসব.... । । মহিলাটাঃ বাবা তুমি এসেছো যাক এখন নিশচিন্তে মরতে পারবো বেচে থাকতে কখনো মেয়েটাকে সুখের রাখতে পারি নি । । কথা দাও আমার মেয়েটার দেখবে তুমি । । সাঈদঃ কথা দিলাম সব সময় যত্নে রাখবো । কথাটা বলার সাথে সাথে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করলেন তিনি খুব কষ্ট হচ্ছে এনার জন্য আমি এখানে থেকেও কিছু করতে পারলাম । । । চলবে...

@Hasan16

বন্ধুর বোন যখন বউ বন্ধুর_বোন_যখন_বউ #পর্ব: 11 #হাসান ,, ,, আমি হাসপাতালের বারান্ধায় বসে আছি হঠাৎ পেছন থেকে কেউ আমার পিঠে হাত রাখলো পেছনে ঘুরে দেখি,,ছোট মা আমি: আপনে এখানে (একটু রেগে) ছোট মা: বাবা শুভ আজ আমি তোকে কিছু কথা বলতে চাই,,,,, আমি: জ্বি বলুন(বিরক্তি কর ভাব নিয়ে) ছোট মা: দেখ বাবা তোর মা মারা যাবার পরে তোর বাবা তোকে দেখাশোনার জন্য আমাকে বিয়ে করেন। কিন্তু আমি ,,,আমি তোদের সম্পত্তির লোভে পরে তোর বাবা কে বিয়ে করেছিলাম,,,, এমন কী তোকে আর তোর বাবাকে মেরে ফেলার ও ফন্ধি এটেছিলাম তোকে মিথ্যা অপবাদে বাড়ি থেকে বের করে দেয়,,,, এটাও ঠিক আছে আমি কখনো তোর মা হতে পারিনি এটাও ঠিক আছে,,,, কিন্তু যখন আমার পেটে ইমন আসে তখন আমি ভেবে দেখলাম ওকে পৃথিবীর আলো দেখতে দেবো না,,,,ডাক্তারের কাছেও গিয়েছিলাম কিন্তু পরে আবার আমার মনে হলো ,,,,,আমি একজন মা হয়ে কী ভাবে নিজের হাতে আমার সন্তান কে হত্যা করবো,,,,, নিজের কাছে নিজেকে সেদিন প্রশ্ন করেছিলাম যে আমি এত নিচ এত খারাপ যে আজ আমি নিজের সন্তান কে হত্যা করতে চাইছি,,,,বাবা জানিস সেই দিন থেকে আল্লাহ্র কাছে তওবা করেছিলাম জিবনে আর কোনো খারাপ কাজ করবো না একজন ভালো মা হয়ে দেখাবো ।কিন্তু পারিনি রে,,,আজ আমার ভুলের শাস্তি তোর বাপ পাচ্ছে রে ,,,,তোর বাবা একজন ভালো মানুষ ওনার কোনো দোষ নেই আমি ওনাকে তোর বিরুদ্ধে উশকিয়ে ছিলাম,, এই ভয়ে যে তোর সাথে ওনার সম্পর্ক থাকলে আমি কোনো সম্পত্তি পাবো না ।সব তোর নামে করে দেবে , কিন্তু আজ আমার আর কোনো সম্পত্তির প্রতি লোভ নেই । কারন আজ আমরা বুড়া বুড়ি মারা গেলে সব তোর আর ইমনে রি,,,আর আমি চাই সবাই এক বাসাতে থাকতে সেখানে তুই থাকবি বউমা থাকবে আমরা সবাই এক বাসাতে থাকবো। আর বাবা আমার এতদিনের খারাপ ব্যাবহারের জন্য আমি লজ্জিত আমাকে ক্ষমা করে দিস বাবা শুভ আমি: হুম মাথা (নিচু করে) মা: কিছু বলছিস না কেন আমি: এই কথা গুলো আপনার অনেক আগে বোঝা উচিত ছিল। অনেক দেরি হয়ে গেছে আপনার জন্য আমি আমার বাবাকে ভুল বুঝলাম ছোট মা: বাবা আগের সব কথা গুলো ভুলে যা,,,,আজ থেকে ভালো মা হয়ে দেখাবো,,,আর তোর বাবাকেও ক্ষামা করে দে তা না হলে তোর বাবা মরেও শান্তি পাবে না,,,,, আমি : তার মানে ?কী হয়েছে বাবার মা: কয়েক দিন আগে নাকি সন্ধাবেলা তোর বাবার সাথে তোর দেখা হয়েছিলো,,। আমি:হুমম মা: ঔ দিন তোর বলা কথা গুলো তোর বাবা সয্য করতে পারে নি বাসায় আসার পথে গাড়ির ভিতর হার্ড এট্যাক করেন তিনি । আমি: বাবা এখন কেমন আছে(হাইপার হয়ে) ছোট মা: ভালো কিন্তু আমি: কিন্তু কী ছোট মা??? ছোট মা : তোর বাবা কোমাই চলে গেছে ,,,, আমি: মানে ,,,,, ছোট মা: হুম,,,কিন্তু ডাক্তার বলেছে ওনাকে যত হাসি খুশি রাখবো ততো তারাতারি সুস্থ হয়ে যেতে পারে,,,,,, আর অনেক যত্ন নিতে হবে । আমি: কোন হাসপাতালে এডমিড করেছো ছোট মা: এই হাসপাতালেই প্রথম কেবিনে আছে আমি: এখন কী দেখা করা যাবে। ছোট মা: যাবে,,,,যা তুই তোর বাবাকে দেখে আয় আমি নিলার সাথে কথা বলি আমি:আচ্ছা ,,,আর ধন্যবাদ,,,,, ছোট মা: কীসের জন্য আমি: রক্ত দিয়ে নিলার জিবন বাচানোর জন্য (ছোট মা একটু হেসে) এতে ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু নেই তোর বাবার কাছে জাচ্ছিলাম হঠাৎ দেখি সবাই কান্না কাটি করছে ,,,এগিয়ে গিয়ে দেখি ,,রক্তের অভাবে একজন কে বাচানো যাচ্ছে না,,(ডাক্তার 20 মিনিটের মধ্যে o+ রক্ত চাইছে) (আমি এর আগে রক্ত পরিক্ষা করেছিলাম আমার o+ রক্ত আর ডাক্তার ও একই রক্ত চাইছে তাই রক্ত দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন দেখছি আমি যাকে রক্ত দিয়েছি সে আমার ছেলের আত্তার আত্তা,,,,,,আর আমাদের চৌধুরি পরিবারের পুএ বধু,,,,, আমি:হুম ,,,,, ওর যদি কিছু হয়ে যেত তাহলে আমি বাচঁতে পারতাম না ,,,,,,খুব ভালোবাসি আমি ওকে ছোট মা: সেটা আমি জানি ,,আচ্ছা বাবা যা তুই তোর বাবার সাথে দেখা করে আয়,,,,আমি নিলার কাছে যাচ্ছি আমি: আচ্ছা ,,এরপর ছোট মা নিলার কাছে গেলো আমি বাবাকে দেখতে গেলাম,,,, 1 no কেবিনে গিয়ে দেখি বাবা শুয়ে আছে মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো,,,,, আমি গিয়ে বাবার হাত ধরলাম,,,, হঠাৎ বাবা কারো হাতের স্পর্শ পেয়ে চোখ খুলে তাকালো,,,,তাকিয়ে দেখে আমি। আমি বাবার পা ধরে বলতে লাগলাম আমাকে ক্ষমা করে দিও বাবা আজ তোমার এই অবস্হার জন্য আমি দায়ী। বাবা মাথা নারিয়ে না বললেন । সেদিন যদি আমি তোমাকে ওভাবে না বলতাম তাহলে আজ হয়তো তোমার এ অবস্হা হতো না,,, এবার বাবা মাক্সের ভিতর দিয়েই বললো না বাবা না ,,,তুই আমাকে ক্ষমা করেছিস। আমি চোখের পানি ছেরে) ,,,(বাবারা কখনো ভুল করে না ),,,আর ক্ষমা সেতো তুমি আমাকে করবে ,,, না রে কিছু অভিমান আর কিছু ভুলের কারনে আজ আমারা বাপ ছেলে আলাদা ছিলাম,। আমি এসব কাথা এখন বাদ দাও। কাল তোমাকে সিঙ্গাপুর পাঠাবো। বাবা: কেনো আমি: তোমার উন্নত চিকিৎসার জন্য। বাবা: তার আর দরকার নেই রে বাপ ।তুই এসছিস ,আমি এমনিতেই সুস্থ হয়ে যাবো। আমি: হুমম কিন্তু,,,আমার তোমাকে দরকার।তাই না বলো না আমি আজই তোমার সিঙ্গগাপুর যাওয়ার ব্যাবস্হা করছি। বাবা: আচ্ছা। আমি: আচ্ছা বাবা তুমি এখন ঘুমাও । বাবা: আচ্ছা। তারপর বাবা ঘুমিয়ে গেলে আমি বের হয়ে এলাম ।এসে আবার নিলার কাছে গেলাম গিয়ে বাই জানিয়ে বাবার সিঙ্গাপুর যাওয়ার ব্যাবস্হা করলাম।আজ রাত 1 টাই বাবার ফ্লাইট ।বাবার সাথে এখানকার একটা ডাক্তার আর ছোট মা যাবে। তারপর আমি নিজের বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আবার হাসপাতালে চলে এলাম।এসে বাবাকে খবর টা দিলাম সাথে ছোট মাকেও। এখন রাত 2 টা আমি বাবাকে বিমানবন্ধরে ছাড়তে এসেছিলাম। বাবাকে ছেড়ে । আমি হাসপাতালে নিলার কাছে গেলাম গিয়ে দেখি আমার পরীটা ঘুমিয়ে আছে,,,,,পাশে ওর ,,,আর সবাই বাসায় চলে,,,,,,আমি গিয়ে নিলায কপালে একটা চুমু খেলাম ও হালকা নরে উঠলো তারপর আমার হাত জরিয়ে ধরলো।আমি আমার হাত ছাড়ানোর মিথ্যা চেষ্টা করছিলাম।এক সময় ও জেগে গেলো ।আমাকে দেখে চমকে উঠলো,,, নিলা: এতো রাতে তুমি এখানে,,,,বাসায় যাও নাই। আমি: আমার কলিজা টাকে এখানে রেখে আমি কী ভাবে বাসায় যাবো বলো। নিলা: এতো ভালোবাসো আমায়। আমি: অনেক গুলা ভালোবাসি তোকে,,,,যত ভালোবাসলে । নিলা: হয়েছে আর কবি হতে হবে না । আমি জানি তুমি আমাকে কতো ভালোবাসো। তারপর আমি নিলাকে জরিয়ে ধরলাম।নিলা আমাকে জরিয়ে ধরলো । এই তোরা কী করছিস রে ভুলে যাস না আমি পেছনে আছি(পেছন থেকে নিলার মা একটু হাসি দিয়ে) আমিতো একটু লজ্জা পেলাম ,,, নিলা: আমরা প্রেম করছি,,,,(তুমি জাগলা কেনো,) মা: আমি তাহলে যায়। তোরা প্রেম কর। আমি: এই না না আন্টি নিলা এমনি বলছে ও। আমিতো ওকে দেখতে এসেছিলাম মা: এতো রাতে (আর লুকাতে হবে না) শুভ তুমি এখানেই থাকবা নাকি বাসায় যাবা। আমি: না আমি বাসায় যাবো। ,, ,, ,, চলবে,,,,,,,,

@Hasan16

Corona bd █▒▒▒ Breaking News ▒▒▒█ *** ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩৭ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭০৯ *** ১২৭০৪ টি নমুনা পরীক্ষায় ২৯১১ জনের করোনা শনাক্ত *** এ পর্যন্ত সারা দেশে করোনায় আক্রান্ত ৫২৪৪৫ *** ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ ৫২৩, মোট সুস্থ ১১১২০