Saluপ্রত্যেক সপ্তাহে বড় ভাইয়ের চুড়ি কিনে দেওয়ার দিনগুলো থাকতো। সারাদিন salu বইয়ের পাতায় মুখ গুজে থাকা মানুষটা শহরে কত একলা হয়ে পড়েছে! সময় কি আর পায় এখন বই পড়ার? নিশ্চয়ই ক্লান্ত থাকে দিনশেষে! চোখ ভিজে ওঠে শালুর। হঠাৎ হকচকিয়ে ওঠে শালু। চোখ জোড়া মোছারও সুযোগ পায়না। দৌড়ে ঘরে ঢোকে লিলি। কি যে আনন্দ ওর চোখেমুখে! নিজেকে কয়েক সেকেন্ডেই সামলে নেয় শালু। লিলি দুমুঠো বাসন্তি রংয়া চুড়ি চোখের সামনে মেলে ধরে ওর। অবাক হয়ে তাকায় ও। লিলি একখানা চিঠির খামও বাড়িয়ে ধরে। শালু অবাক হয়ে দেখে কিছুক্ষন। তারপর খামটা খোলে। ভেতরে বড় ভাই তপুর চিঠি। গোটা গোটা সুন্দর লেখাগুলো চিনতে ভুল হয়না ওর। পড়তে শুরু করে-
@Hafizur565760
Joined 21 September 2020 · 38 posts
120 KT
0 KT received · 0 KT given
Posts
Rakib খুবই ফাঁকিবাজ। প্রায়ই দেরি করে স্কুলে যায় আর এজন্য নিত্যনতুন অজুহাতও তার তৈরিই থাকে! তো, একদিন দেরি করে ক্লাশে যাওয়ার পরে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন, রিমন, এতো দেরি হলো কেনো ? রিমন: আর বলবেন না স্যার! রাস্তা আজকে এতো পিচ্ছিল ছিলো যে, এক পা এগুলে ২ পা পিছিয়ে যাই এমন অবস্থা, তো এ অবস্থায় পড়লে দেরি তো একটু হবেই । স্যার: এই অবস্থা হলে তো তোমার আজকে স্কুলেই পৌঁছানোর কথা না! স্কুলে আসলে কিভাবে? রিমন: কেনো স্যার! স্কুলের দিকে পিছন ফিরে হেঁটে হেঁটে এলাম যে
Dear Mithila:: চিঠিটা তুই পড়বি জানি।ভালো নেই জানি তো। তবে চেষ্টা করিস ভালো থাকার। আমায় নিয়ে ভাবিস না। আমিও চেষ্টা করি ভালো থাকতে। তোদের দুজনের জন্য দুমুঠো চুড়ি পাঠালাম। ওই রংয়ের দুজনের তো জামা আছে দুটো,মিলিয়ে পড়িস। মাকে বলিস একটু ঘুমোতে। চোখের নিচের কালো দাগ না বারুক আর। ভেতরটা মুচড়ে ওঠে বুঝলি! ফোনে তো আর ঠিক করে কথা বলা হয়ে ওঠে না। ওদিকে আমাদের সবার প্রিয় ডাকবাক্সটা! বাবার সাথে সাথে যেনো ওটার গল্পও মরে গেছে। ভাবলাম কিছু আবেগ জমা পড়ুক ওখানে আবার নতুন করে। তাই জামালকে বললাম খামটা হাতে না দিক তোদের,যেনো ডাকবাক্সে ফেলে যায়। তোর চোখ এড়িয়ে গেলেও লিলিটা ঠিকই খুঁজে নিবে। মাঝে মাঝে চোখ রাখিস এখন থেকে। মা আর নিজের যত্ন নিস। লিলির দিকে খেয়াল রাখিস। ভালোবাসা সবার জন্য।
Mojar post:: একদিন ভোলা এক মুদিদোকানে গেল তার বিড়ালের জন্য খাবার কিনতে। তাকে দেখে দোকানদারের একটু সন্দেহই হলো, ভোলার তো কোনো বিড়াল নেই। ওই ব্যাটা বিড়ালের খাবার অল্প দামে কিনে শেষে না আবার নিজেই খেয়ে ফেলে। তাই দোকানদার জানিয়ে দিল, তাকে ওই বিড়ালটি দেখাতে হবে। তারপর সে বিড়ালের খাবার বিক্রি করবে। কী আর করা! বাসা থেকে ভোলা বিড়াল এনে দেখিয়েই খাবারটি কিনল।পরের সপ্তাহে আবার ভোলা ওই একই দোকানে গেল তার প্রিয় কুকুরটির জন্য খাবার কিনতে। কিন্তু এবারও মহা ফ্যাসাদে পড়ে গেল সে। দোকানদারও নাছোড়বান্দা। কুকুর তাকে দেখাতেই হবে। তারপর খাবার বিক্রি। তো ভোলা আবারও বাসা থেকে কুকুর এনে দোকানদারকে দেখিয়ে খাবার নিয়ে গেল।কিছুদিন পর আবারও ভোলা হাতে একটা ব্যাগ নিয়ে ওই দোকানে গিয়ে হাজির। ব্যাগটি দোকানদারকে দিয়ে বলল, ‘দেখেন।দোকানদার ব্যাগ খুলে ওয়াক ওয়াক থু থু করতে লাগল, ‘ছি ছি ভোলা, তুমি কফ-থুথু এসব ব্যাগে ভরে নিয়ে এসেছ কেন!’ ভোলা বলল, ‘আরে মশাই, ঠিকই তো আছে। এবার যে আমি টিস্যু পেপার কিনতে এসেছি!’
Vhoda & her uncle::::: ভোলা আর তার কাকা একবার ব্যবসা করার পরিকল্পনা করল। অনেক ভেবেচিন্তে তারা ঠিক করল রেস্তোরাঁর ব্যবসা করবে। যেই ভাবা সেই কাজ। রেস্তোরাঁ তৈরি হলো। রান্নাবান্নাও হলো। তারপর তারা ক্রেতার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু কোনো ক্রেতাই সেদিন আর এল না। এভাবে এক দিন দুই দিন করে সপ্তাহ পার হলো, কিন্তু ক্রেতার কোনো দেখা নেই। শেষে জানা গেল, ভোলা তাদের রেস্তোরাঁর সামনে বড় করে লিখে দিয়েছিল ‘দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষেধ’। তো ব্যর্থ হয়ে তারা ভাবল, তাদের দিয়ে আর যা-ই হোক রেস্তোরাঁর ব্যবসা হবে না। এবার তারা আবার মোটর গ্যারেজের ব্যবসা শুরু করল। যন্ত্রপাতিও কেনা হলো। কিন্তু ‘যাহা কদু তাহাই লাউ’য়ের মতো অবস্থা। দিনমান অপেক্ষার পরও কোনো গাড়িই তাদের গ্যারেজে ঢুকল না। এভাবে এক দিন দুই দিন করে সপ্তাহই শেষ, কিন্তু গাড়ির কোনো খবর নেই। তো, তাদের গ্যারেজে কোনো গাড়ি না আসার কারণ হলো, গ্যারেজটি ছিল একটি ভবনের তৃতীয় তলায়।
আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো নারী: হ্যালো! এটা কি কাস্টমার কেয়ার? কর্মকর্তা: হ্যাঁ, ম্যাডাম বলুন। আমরা কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি। নারী: বলছি আমার ছেলেটা আমার সিমটা খেয়ে ফেলেছে। কর্মকর্তা: দেখুন, আপনি ওকে ইমিডিয়েট ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান, এখানে ফোন করে সময় নষ্ট করছেন কেন? নারী: না, আমি বলছিলাম আমার সিমটাতে ২০০ টাকার টকটাইম আছে। কর্মকর্তা: তাতে কি? নারী: যতক্ষণ না পর্যন্ত সিমটা বের করা হচ্ছে; ততক্ষণ আমার ছেলেটা যদি কথা বলে তাহলে আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো! সিভিতে উল্লেখ কোমর পানিতে, নোংড়া পানিতে সাঁতার প্রশ্নকর্তা: আপনি সিভিতে উল্লেখ করেছেন- কোমর পানিতে, নোংড়া পানিতে সাঁতারে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। চাকরি তো করবেন অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে। তার ওপর কোমর পানিতে-নোংড়া পানিতে সাঁতার! এসব কী! সিভিতে কেউ এ কথা লেখে? বল্টু: স্যার, আমি আসলে বোঝাতে চেয়েছি- ঢাকায় ঝুম বৃষ্টি হলেও অফিসে পৌঁছাতে অসুবিধা হবে না আমার! প্রশ্নকর্তা: সরি, আপনাকে ভুল বোঝার জন্য! আপনি আজই জয়েন করুন! আপনার মতো লোকই তো খুঁজছিলাম এতদিন!
Boltu দিয়ে পোলিং অফিসারকে জিজ্ঞাসা করল- Boltu, আঙুলের এই দাগ কি পানি দিয়ে ধুলে যাবে? অফিসার: না।boltu: তা হলে স্যার! সাবান দিয়ে ধুলে যাবে? অফিসার: না। Boltu: স্যার কতদিন পরে উঠবে? অফিসার: একবছর পর যাবে। Boltu: আরও একটু দেবেন স্যার? অফিসার: কেন?boltu: চুলে লাগাব স্যার। আজকাল হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না।
অনেকদিন পর দুই বন্ধুর দেখা। নিজাম স্মার্ট-শিক্ষিত আর কমল অশিক্ষিত, বোকা ধরনের। কিছুক্ষণের মধ্যেই সুখ-দুঃখের কথায় মেতে উঠল তারা- নিজাম : দোস্ত, বিয়া করছি বিউটি কুইন। মাগার আন্ডার মেট্রিক। তবে আমি নিজে তারে মেট্রিক পাস করাইছি। এরপর আইএ, বিএ এবং শেষ পর্যন্ত মাস্টার্সও পাস করাইছি। অহন কী করি ক তো? কমল : তুই তো দেখতেছি তার লাইগা বাপের চাইতে বেশি কইরা ফালাইছস। ভালা করছস। এইবার একটা ফার্স্টকেলাস পাত্র দেইখা হেরে বিয়া দিয়া দে। শুধু শুধু বেশি খেয়ে লাভ কী নান্টু ঠোঙা থেকে বের করে টসটসে পাকা জাম খাচ্ছে আর চোখ বন্ধ করে স্বাদ উপভোগ করছে। পিন্টু কাছে গিয়ে স্মার্ট ভঙ্গিতে বলল- পিন্টু : দোস্ত, একলা একলা খাবি? আমারেও দে একটু টেস্ট করি! নান্টু : এই নে। পিন্টু : শুধু একটা? নান্টু : হ্যাঁ, বাকিগুলোর টেস্টও ওই একটার মতোই। জামের স্বাদ বুঝতে তোর মতো স্মার্ট ছেলের জন্য ওই একটাই যথেষ্ট। শুধু শুধু বেশি খেয়ে লাভ কী?
আপনারা দেখছেন অমুক টিভি সর্দারজির বাড়িতে বেড়াতে গেছে তার এক বন্ধু। গিয়ে দেখে সর্দারজি সারা ঘর আতিপাতি করে কী যেন খুঁজছে। বন্ধু বলল- বন্ধু : কী খুঁজছো তুমি? সর্দারজি : লুকানো ক্যামেরা। বন্ধু : বলো কি! তোমার ঘরে লুকানো ক্যামেরা লাগাল কে? সর্দারজি : ওই টেলিভিশন চ্যানেলওয়ালারা। বন্ধু : কী করে বুঝলে? সর্দারজি : ওরা একটু পরপরই বলে, আপনারা দেখছেন অমুক টিভি। আমি যে অমুক টিভি দেখছি, ও ব্যাটা বুঝল কী করে! স্বার্থপরের ইংরেজি কী হবে ইংরেজি পরীক্ষা ছিল কোচিংয়ে! ইমনের যেতে রীতিমতো দেরি হলো! ফলে তাকে বসতে হলো মেয়েদের পেছনে! বাধ্য হয়ে মেয়েদের পেছনে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে ইমন! হঠাৎ তার সামনের মেয়েটি তার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল- মেয়ে : এই স্বার্থপরের ইংরেজি কী হবে? ইমন : হ্যাঁ, জানি, কিন্তু বলব না। মেয়ে : তুমি একটা সেলফিস!
ঝন্টু : নারী যদি শক্তির প্রতীক হয়, তবে পুরুষ কীসের প্রতীক? মন্টু: সহ্যশক্তি! ঝন্টু : কীভাবে? মন্টু: নারী যে শক্তি প্রয়োগ করে, পুরুষকে তা সহ্য করতে হয়। Nari soktir protik Jhontu: Nari jodi soktir protik hoi, tobe purush kisher protik? Montu: Sojjo sokti! Jhontu: Kivabe? Montu: Nari je sokti proyog kore, purushke ta sojjo korte hoi! চিৎকার করে কাঁদছিল বল্টু মদ পান করতে করতে চিৎকার করে কাঁদছিল বল্টু । এ সময় একজন জিজ্ঞেস করল- ভদ্রলোক : কী ব্যাপার, কাঁদছ কেন? বল্টু : যে মেয়েটাকে ভোলার জন্য পান করছি, তার নাম মনে পড়ছে না! Chitkar kore kadchilo boltu Mod pan korte korte chitkar kore kadchilo boltu, e somoy ekjon jiggas korlo- Vodrolok: ki bepar, kadcho keno? Boltu: Je meyetake volar jonno pan korchi, tar nam mone porche na!
আমার একজন প্রেমিকা ছিলো. তার একটা পাগলামি ছিলো৷ বাংলা রোমান্টিক লাভ স্টোরি July 24, 2018 আমার একজন প্রেমিকা ছিলো. তার একটা পাগলামি ছিলো, গভীর রাতে ফোন দিয়ে বলবে তোমাকে আমার দেখতে ইচ্ছা করছে, তুমি কি একটু আসবে বাসার সামনে। আমিও তার পাগলামি কে প্রশ্রয় দিয়ে চলে যেতাম। ওদের বাসার প্রথম গেটের দেয়াল টপকালেই কেঁচি গেট,আর নিজেদের বাড়ী বলেই কেঁচি গেটের সেকেন্ড চাবিটাটা খুব সহজেই নিজেরকরে নিতে পেড়েছে। যখন দেয়াল টপকে ভিতরে প্রবেশ করতাম প্রায়ই দেখতাম কেঁচি গেট খুলে সে বাহিরে, আমি যাওয়া মাত্রই জড়িয়ে ধরে কান্না, চোখের জলে আমার শার্টের বুকের অংশটা ভিজে যেতো প্রায় প্রতিবারই। আর ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে একটা কথাই বলতো "তুমি জানো আমি বেশী দিন বাচবো না, তবুও আমাকে এতো ভালোবাসো কেন? দেখবে এই ভালোবাসা একদিন তোমাকে কাঁদাবে " আর তার এই রাতের বেলা দেখতে চাওয়ার পাগলামি টা বেড়ে যেতো যখন আকাশে চাঁদ এর আলোটা বেশী, তখন প্রায় প্রতি রাতেই এই ধরনের পাগলামি সহ্য করতাম। আর আমারো ভালো লাগতো,কারন আমি তাকে আউলা চুলে দেখতে বেশী ভালবাসতাম। আউলা ঝাউলা একমুঠ চুল কোন মতে পিছনে বেধে রেখেছে আর তার মাঝে কয়েকটা আবার মুষ্টি বন্ধী থেকে মুক্তি পেয়ে গালের পাশে ঝুলে রয়েছে। রাস্তার মধ্যে সুরু করে দিলেন
গল্প- নিরন্তর ভালোবাসা July 28, 2018 গল্প- নিরন্তর ভালোবাসা * আজ আকাশ এ হালকা মেঘ জমেছে।তবে যে কোনো সময় বৃষ্টি নামতে পারে।ভাগ্যিস মা ছাতাটা দিয়েছে ।না হলে কি বিপদেই না পরতাম। যাই হোক-আমি কাব্য।রাজশাহী থেকে বগুড়া যাচ্ছি। আমার বাড়িতে। বাসে উঠলাম।গাড়ি চলতে শুরু করল। আমার সবসময়ই দূরের যাত্রা খুব ভাল লাগে। তাই জানালার পাশে বসে বাইরে প্রকৃতি দেখছিলাম। বাসে যাত্রি সংখ্যা অনেক কম। তাই এমন কেউ নেই যে কথা বলে সময় কাটাব। একটুপর হঠাত কেমন জানি কারও কান্নার শব্দ কানে আসছিল।প্রথমে মনের ভূল ভেবে উড়িয়ে দিলেও আস্তে আস্তে শব্দটা পরিষ্কার হতে লাগল। খেয়াল করলাম কান্নার গলাটা একটা মেয়ের। আসছে ঠিক আমার সিটের একদম শেষের সিট থেকে।যেহেতু সময়টা সন্ধ্যার পর তাই অন্য কেউ ব্যাপারটা দেখেনি।আমি কি হল দেখতে পেছনে গেলাম।আসলে মেয়েটা এত মায়া দিয়ে কাদছিল যে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না। যাই হোক-গিয়ে দেখি একা একটা মেয়ে লাল শাড়ি পরা।বসে বসে কাদছে। প্রথমে কি বলব বুঝতে পারছিলাম না।শেষমেষ জিজ্ঞেস করলাম-- -Excuse me..আপনি কাদছেন কেন??? -সরি., আপনি কে??(কান্না মাখা চোখে তাকিয়ে বলল) -জি,,আমি সামনের সিটে বসেছি।আপনি কাদছেন তাই জিজ্ঞেস করছি। -সেটা কি আপনাকে বলতে হবে? -আপনার ব্যাপার।আপনাকে দেখে মায়া হল।তাই জিজ্ঞেস করলাম। -আপনাকে কেন বলব? -ঠিক আছে বলতে হবে না।সরি টু ডিস্টার্ ইউ। এই বলে নিজের সিটে চলে এলাম। কি অদ্ভুত মেয়েটা!!!তবে যথেষ্ট সুন্দরী।কিন্তু নিজের কষ্ট চেপে রেখেছে।এসব ভাবতে ভাবতে একটু তন্দ্রা ভাব এসেছে এমন সময় পেছন থেকে সেই মেয়েটা ডাকছে। -এই যে মিঃ শুনছেন। -আমি ভদ্রতার খাতিরে কাছে গিয়ে বললাম- জি বলুন -আমি দুঃখিত।আপনার ওভাবে কথা বলা উচিত হয়নি ।(কান্না থেমে গেছে) -ইটস ওকে। -একটা হেল্প করবেন? -বলুন -আমি পানি খাব।পানি পাওয়া যাবে কি? - জি আমার কাছেই আছে।এই বলে আমার পানির বোতলটা ওনাকে দিলাম।যাই হোক একটা মেয়ের আবতার তো আর ফেলা যায় না। মেয়েটা পানি খেয়ে শান্ত হল।আর বলল -আপনাকে অনেক ধন্যবাদ -ইউ আর ওয়েলকাম।আচ্ছা এখন কি বলা যাবে,আপনি কাদছিলেন কেন?? মেয়েটা কিছুক্ষন চুপ।তারপর বলা শুরু করল -আমি কলি,রাজশাহীতে আমার বাড়ি।আসলে আমি একটা ছেলেকে খুব ভালবাসতাম।কিন্তু বাসায় আমাদের মেনে না নেয়াই আমরা বাড়ি থেকে বের হয়ে আসি। কিন্তু বাসে ওঠার আগে ও আমাকে বলল আমি একটু আসছি।এই বলে কোথায় যে গেল আর এল না। এদিকে আমিওএকা পরে গেলাম। এখন কি করব কোথায় যাব? কিছুই বুঝতে পারছি না।তাই কাদছিলাম। -আচ্ছা আপনি কি ওনাকে ফোন করেছিলেন? - বাসা থেকে এত তারাতারি বের হয়েছি যে নিজের ফোনটাও নিতে ভূলে গেছি। -আচ্ছা আমার ফোন থেকে ফোন করুন। -ফোন বন্ধ বলছে। -তা হলে আর কি করার।আপনি বাড়ি ফিরে যান। আর তাছাড়া আপনার এভাবে আসাটা উচিত হয়নি। -কিভাবে যাব?আমার কাছে যা ছিল তা তো ওকেই দিয়েছি। -হুম..বুঝেছি।আচ্ছা যদি আমাকে বন্ধু ভাবেন তাহলে একটা কথা বলি? -বলুন -আসলে আপনি যাকে ভালবাসতেন,সে ছিল একটা ভন্ড প্রতারক।সে শুধুই আপনার থেকে সম্পদ আর টাকা নেওয়ার মতলবে ভালবাসার নাটক করেছে। - দেখুন এভাবে বলবেন না।অন্য কোন সমস্যাও তো থাকতে পারে। -থাকলে তো আপনাকে আগেই বলত। যাই হোক এখন কি করবেন? -বাড়ি ফিরে যাব এই সাহস টুকু পাচ্ছি না। জানিনা পরিবারের সবাই কি ভাবে গ্রহন করবে..তাই এখন আমার আত্মহত্যা ছাড়া কোনো পথই নেই। -এসব আপনি কি বলছেন.,দেখুন ভূল তো সবাই করে। আপনিও করেছেন।আর তাছাড়া সন্তান কোনো ভূল করলে বাবা-মা মাফ করবেই।তাই বলছি আপনি বাড়ি ফিরে যান। -কিন্তু_____ -কোনো কিন্তু না,চলুন আমি আপনাকে আপনার বাড়ি পৌছে দেব। এই বলে মেয়েটাকে রাজি করালাম। তারপর গাড়ি থেকে নেমে আবার রাজশাহীর পথে রওনা দিলাম।এবারের সফর একটু আলাদা।পাশে মেয়েটা যে । যাইহোক-অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে মেয়েটার বাড়ি পৌছে গেলাম।কিন্তু কলি প্রথমে ঢুকতেনা চাইলেও আমার কথায় সে যায়। এখন সমস্যা হল সে আমাকেও তার সাথে নিয়ে যেতে চায়। কি আর করা ।আমিও গেলাম।এদিকে বাড়িতে জানাজানি হয়ে গেছে যে এই বাড়ির বড় মেয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। বাড়িতে ঢুকে বুঝতে পারলাম।প্রথমে তো সবাই আমাকেই সেই ছেলে মনে করেছিল। কলির বাবা শহরের নামকরা ব্যবসায়ী।উনি তো আমাকে দেখেই প্রচন্ড রেগে গেলেন আর কলিকে মারতে লাগলেন। তারপর আমি তাকে আটকালাম এবং পুরো ঘটনা খুলে বললাম।আসলে সবাই যথেষ্ট শিক্ষিত ছিল তাই খুব সহজেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। যেহেতু আমি তাদের এত বড় একটা বিপদ থেকে বাচায় তাই কলির বাবা এবং পরিবারের সবাই আমাকে তাদের বাড়িতে কদিন থেকে যাওয়ার জন্য বলে।আমার কোনো সমস্যা না থাকায় আমিও রাজি হয়ে যাই।আসলে কলিকে আমার খুব ভাল লেগে যায় ।আর কলির পরিবারও এত ভাল যে আমি আর না করতে পারিনি। এর মধ্যে আমার আবার কলিকে ভাল লেগে যায়। পরদিন সকালে,..আমি আমার ঘরে বসে একটু কবিতা লিখতে বসছি এমন সময় দরজায় দাঁড়িয়ে কলি বলল.,. -কি করছেন? -এইত কবিতা লিখছি। -আপনি কবিতাও লিখেন নাকি?? -হুম লিখি তো,তবে মাঝে মাঝে । -আমাকে একটা শোনাবেন? -শোনাব,তবে_________ -তবে কি? -চোখে তোমার চাহনিতে কি যে আছে যাদু,, চলন তোমার নদীর মত কথায় আছে মধু। -কাউকে কি ডেডিকেট করে লিখা? -বলতে পারেন -হুম আপনি অনেক সুন্দর করে কথাও বলেন আবার লিখেন ও ভাল। -ধন্য তাহলে আমি আর আমার সৃষ্টি। -মানে? -কিছু না। এভাবেই আমার আর কলির কথা বাড়তে থাকল। দুদিন পার হল।এবার বাড়ি ফেরার পালা। ভাবছি কলিকে আমার ভালবাসার কথা জানাব।কিন্তু কিভাবে?তাই ঠিক করলাম কলিকে নিয়ে একটা কবিতা লিখে জানাব। -এই যে কলি শুনছ? -জি বলুন -আজ আমি চলে যাচ্ছি,আর হয়ত আমাকে দেখবে না ।আর এই যে নাও এখানে একটা কবিতা লিখা আছে।পরে দেখ । -যদি কিছু মনে না করেন একটা কথা বলব? - বল,,, -আপনার কি কেউ আছে? -কেন বল তো? -এমনি কিছু না। -আচ্ছা কলি একটু ছাদে যাবে? -যাব ছাদের এককোনে কলি দাঁড়িয়ে আছে।দূরে আনমনে তাকিয়ে আছে।আজ ওকে কেমন জানি উদাস আর শূনা মনে হচ্ছে।আচ্ছা ও কি আমাকে পছন্দ করে। এসব ভাবতে ভাবতে ওর পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। এবার আর দেরি নয়।বলেই দিব আমার মনের কথা। -কলি একটা বলার ছিল -কি কথা? -(আমার তো রিতীমত কম্পন শুরু হয়েছে)কলির চোখের দিকে তাকিয়ে এক নিঃশ্বাসে বলে দিলাম -কলি যেদিন প্রথম তোমাকে কান্না মাখা চোখে তোমার মায়াভরা মুখখানি দেখেছি সেদিন থেকে তোমার জীবন সঙ্গী হবার স্বপ্ন দেখেছি। তুমি সবসময় আমার মনের ভিতরে বাইরে ঘুরে বেরাও।কথা দিচ্ছি সারাজীবন তোমার কান্না মুছে দেবার দায়িত্ব নেব।তোমাকে কখনও হারিয়ে যেতে দেব না। আমি যে তোমাকে বড্ড ভালবেসে ফেলেছি । কথাগুলি বলে চুপ করে আছি।কলি শুধু আমার দিকে তাকিয়ে আছে।মনে হচ্ছে এখনিই কেদে ফেলবে। তারপর সে কিছু না বলে দৌরে নিচে চলে গেল। আমি কি করব বুঝতে পারছিলাম না ।মনে হল সে আমার প্রস্তাবে রাজি না।কি আর করা অনেক প্রশ্ন আর বিষাদ নিয়ে সন্ধ্যায় সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বের হলাম।একটু সামনে এগোতেই কে যেন পিছন থেকে হাত টেনে ধরল।কে দেখব তখনই সে আমাকে জরিয়ে থরল।বুঝলাম আমার ফুলের কলি আর কাদতে কাদতে বলল আমিও যে আপনাকে ভীষন ভালবেসে ফেলেছি।আর আমাকে ফেলে আপনি চলে যাচ্ছেন। -আরে পাগলি যেতে তো হবেই -কেন আমাকে নিয়ে যাবেন না?? -এভাবে না।মা কে বলে তোমাকে বধূবেসে নিয়ে যাব।আচ্ছা এবার তো তুমি করে বল। -না আমার লজ্জা করে এভাবেই শুরু হল ভালবাস
→ বন্ধুত্ব থেকে জীবনসঙ্গী।। অনেক সুন্দর একটি প্রেম কাহিনী July 28, 2018 → বন্ধুত্ব থেকে জীবনসঙ্গী . সেই কখন থেকে আমার বোন মেঘলা টাকার জন্য কানের কাছে ঘ্যানঘ্যান করছে। মাথার নিচ থেকে বালিশটা কানে চেপে ধরলাম কিন্তু শয়তান বোনটা বালিশটা নিয়ে গেলো। এই মেঘলাটার জন্য আমার সকালের ঘুম হারাম হয়ে যায়। প্রতিদিন সকালে কিছু না কিছু নিয়ে আমার কাছে আসবে আর ঘুমটাকে হারাম করে দিবে। আজকে আসছে টাকার জন্য আরে বাবা আমি কি চাকরী করি। চাকরি করলে সমস্যা ছিলো না। আমি বাবার কাছ থেকে চেয়ে চেয়ে নেই আর উনি আসছে আমার কাছে। আমি বললামঃ বোনরে বাবার কাছে গিয়ে বল উনি নিশ্চয় দিবে। কে শুনে কার কথা মাঝখানে আমার ঘুমের বারোটা বাজিয়ে দিলো। অনেক রাত করে ঘুমিয়েছি ঘুমটাও হলো না এই মেয়েটার জন্য। আমি মেঘলার কোনো কথা না শুনে জোরে জোরে আম্মুকে ডাক দিলামঃ আম্মু দেখো তোমার মেয়ে আমার কাছে টাকা চাইতে আসছে। দুই মিনিট পর আম্মু রুমে এসে বললোঃ কি হইছে গণ্ডারের মত চিল্লাচিল্লি করতেছিস কেন? আমি অনেকটা অবাক হয়ে বললামঃ ধুর বাবা নিজের ছেলেকে গণ্ডার উপাধি দিলো। গণ্ডার বলছে তো কি হইছে নিজেকে শক্ত করতে হবে তা নাহলে আজকে আমার মানিব্যাগ শেষ হয়ে যাবে। আর কোনোকিছু ভাবাভাবি না করে বিছানা ছেড়ে ফ্রেশ হতে চললাম আম্মু কান ধরে এনে বললোঃ মেঘলার টাকাটা দিয়ে তারপর ফ্রেশ হতে যান। আমি কাঁদোকাঁদো ভাবে বললামঃ আম্মু আগে কান ছাড়ো তারপর দিচ্ছি। পাশে দাঁড়ানো আমার বোন মেঘলা আমার অবস্থা দেখে খিলখিল করে হাসছে। আমি চোখটা বড় করে মা যাতে না শুনে সেইভাবে বললামঃ চুপ থাক শয়তান। আমার চোখ দেখে মেঘলা মায়ের কাছে কাঁদোকাঁদো গলায় বললোঃ আম্মু দেখছো তোমার ছেলে আমাকে ধমকি দিচ্ছে। আমি একটু সামনে গিয়ে মেঘলার মাথায় হাত দিয়ে বললামঃ ধুর মেঘলা আমি কি তোকে ধমক দিতে পারি। আমার মুখে হাসি আসছে না তারপরও একটু অভিনয় করে হাসি দিয়ে বললামঃ আচ্ছা তোর কত টাকা লাগবে? ঝটপট মেঘলা বলে দিলোঃ পাঁচশত টাকা লাগবে। মেঘলার কথা শুনে আমি আকাশ থেকে পড়লাম। আমি অনেক ভেবেচিন্তে আম্মুকে বললামঃ আম্মু তোমাকে মনে হয় বাবা ডাকতেছে তুমি যাও আমি মেঘলাকে টাকাটা দিয়ে দিবো। আম্মুর কাছে আমি বরাবরই ধরা খেয়ে যাই টাকা না দিয়ে আমাকে আজ ছাড়বে এইটা আমি বুঝে গেছি। কি আর করা মানিব্যাগ খুলে দেখি ৫২০ টাকা। কাল রাতে বাবার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিলাম এখন আবার কি করে টাকা চাই। যাই হোক টাকাটা মেঘলাকে দিয়ে দিবো। টাকাটা অর্ধেক মেঘলার হাতে আর অর্ধেক আমার হাতে কিছুতেই ছাড়তে ইচ্ছে করতেছে না। মেঘলা বললোঃ ভাইয়া টাকাটা ছাড় না আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে। আমি ছেড়ে দিলাম আর উনি নিয়ে গেলো। আম্মু আর মেঘলা রুম থেকে হাসতে হাসতে বের হয়ে গেলো। ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি আদিবার ৭ টা মিসড কল। মোবাইল সাইলেন্ট করা ছিলো আর উনি তো ভাববে ইচ্ছে করে ধরিনি। আদিবা হলো আমার বেষ্ট বান্ধবী। তাকে ছাড়া আমার দিন যায় না। আমাকে ছাড়াও আদিবার দিন যায় না। বেকার ছেলেদের কপালে সুখ নাই মনে মনে বলতে বলতে রুম থেকে বের হইলাম। তারপর আম্মুর উদ্দেশ্যে বললামঃ আমাকে কি কেউ খাবারদাবার দিবে? প্রথম অবস্থায় কোনো সাড়াশব্দ আসলো না তাই আবার বললামঃ আমাকে কি কেউ চারটে ভাত দিবে। আম্মু রুম থেকে এসে বললোঃ আমার হাতে আর কত খাবি এবার অন্যকিছু চিন্তা কর। আমি অসহায়ের মত বললামঃ আজ বউ নাই বলে। আম্মু মুখে হাত দিয়ে হাসতে লাগলো। খাওয়ার মাঝখানে ফোনটা কেঁপে উঠলো। আদিবার ফোন, হাত ধুয়ে ফেললাম। আম্মু অবাক হয়ে বললোঃ হাত ধুয়ে ফেললি কেন? আমার তাড়া আছে আমি গেলাম। এই বলে আমি বাসা থেকে বের হইলাম উদ্দেশ্য আদিবার কাছে যাওয়া। মিনিট ১০ মিনিট পর আদিবার কাছে গেলাম। গিয়ে দেখলাম মেয়েটা গাল ফুলিয়ে বসে আছে। আমি আস্তে আস্তে বললামঃ অনেক্ষণ ধরে বসিয়ে রাখার জন্য সরি। আমার কোনো কথার উত্তর দিচ্ছে না আদিবা। তারপর কান ধরে বললামঃ এইবার দেখ কান ধরছি। আদিবা একটু মুচকি হাসিয়ে দিয়ে কান থেকে আমার হাতটা সরিয়ে তার পাশে বসালো। অনেক্ষণ চুপ থাকার পর আদিবা বললোঃ তা আপনার এত দেরি হওয়ার কারণ কি? আমি মনটা খারাপ করে বললামঃ ঘরে যদি ছোট বোন থাকে তাহলে দেরি হবেই। আমার কথা শুনে আদিবা হাসতে শুরু করলো। আমি বললামঃ পুরো ঘটনাটা আগে শোন তারপর হাসিস। অনেকদিন পর কাল রাতে ফেইসবুকে ঢুকলাম গিয়ে দেখি একটা অচেনা মেয়ের মেসেজ। তারপর রিপ্লে দিলাম এইভাবে কথা বলতে বলতে রাত ৩ টা বেজে গেছে তারপর সকাল সকাল এসে আমার শয়তান বোনটা ঘুমকে হারাম করে দিলো। বায়না ধরলো পাঁচশত টাকা দিতে হবে এই হলো ঘটনা। আদিবা চুপ করে অন্যদিকে তাকিয়ে রইলো। আদিবার চুপ থাকা দেখে কিছুই বুঝলাম না বললামঃ কি রে চুপচাপ কেন? তাও আবার অন্যদিকে তাকিয়ে? কোনো কথার উত্তর দিলো আদিবা। আমি বললামঃ এদিকে তাকা বলছি প্রথম অবস্থায় না তাকালেও দ্বিতীয় বার বলার পর তাকালো। আদিবা তাকাতেই আমি অনেকটা অবাক হইলাম। নিজের কাছে নিজেই প্রশ্ন করলাম আদিবা কাঁদছে কেন?? তারপর আদিবা কোনো কথা না বলে আমার গলা চেপে ধরলো আর বললোঃ তুই মেয়েদের সাথে চ্যাট করিস কেন?? আমি বললামঃ তাতে তোর কি? আদিবা আমার গলায় আরো জোরে চেপে ধরলো। আমি আর না পেরে বললামঃ আচ্ছা ঠিক আছে আর কোনো মেয়ের সাথে চ্যাট করবো না এইবার তো গলা থেকে হাতটা সরা। আমি কাশতে কাশতে বললামঃ আরেকটু হলে তো মরেই যেতাম। তুই অন্য অচেনা মেয়ের সাথে কথা বলবি কেন? যদি তোরে নিয়ে যায়। আমি হো হো হো করে হেসে বললামঃ তুই আসলেই একটা পাগলী। তারপর থেকে ও আমাকে কোনো মেয়ের সাথে দেখলে আমার উপর অনেক রাগ করে প্রয়োজন হলে ধমক দেয়। বাসা থেকে বের হয় না। ফোন অফ করে দেয়। আদিবার এসব পাগলামো দেখে একদিন আমিও তার প্রেমে পড়ে যাই। মনের মধ্যে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে আদিবা কি আমাকে ভালোবাসে নাক
আমাদের স্কুলের বন্ধুদের একটা হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ হয়েছে ইদানীং। সংসার-অফিস-ছেলেমেয়ে-ছোটবেলার গল্পে দিনে হাজার দুয়েক মেসেজে ভরপুর আড্ডা হয় আমাদের। সারাক্ষণ পিড়িং পিড়িং আওয়াজে কাজের মাঝে যাতে অসুবিধে না হয় তাই গ্রুপটাকে সাইলেন্ট করে রাখি আর দিনের শেষে চায়ের কাপ হাতে বসে পড়ে ফেলি ওদের পাগলামো। বেশ লাগে, ছোটবেলাকে এত সহজে ফিরে পেলে বেশ লাগারই কথা। চ্যাট ব্যাপারটা এমনিতে আমার খুব একটা পোষায় না, কিন্তু ছোটবেলার বন্ধুদের সংগে গল্পের এই মাধুর্য আমায় যে ভাবে আচ্ছন্ন করে রেখেছে, তাতে বেশ বুঝতে পারছি বয়স হচ্ছে! তা সে দিন এক বান্ধবী একটা জোক পাঠাল আমাদের এই গ্রুপে। একটু অ্যাডাল্ট গন্ধ, কিন্তু ভারী মজার। সবাই হেসে খুন। আর সেই শুরু হল অ্যাডাল্ট জোকের পালা। পরপর আসতেই থাকল। পাঠাতেই থাকল গ্রুপের ৩৭ জন মেম্বারের প্রায় সক্কলে। আমি সাধারণত খুব একটা কিছু লিখি না গ্রুপে, জন্মদিনের শুভেচ্ছা, বিবাহ বার্ষিকীর ছবি দেখে স্মাইলি -- আমার দৌড় ওই পর্যন্তই। কিন্তু অ্যাডাল্ট জোকের এই জোয়ার আমায় বাধ্য করল খোলস ছেড়ে বেরোতে।
বাপ্পী : আজ আমার জন্মদিন। তাই ঠিক করেছি, আজ সারাদিন ভালো হয়ে চলব। কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করব না। সবার কথা শুনব। কাউকে না বলব না। রাজু : তাহলে ৫০০ টাকা দে তো বন্ধু!বাপ্পী : আজ আমার জন্মদিন। তাই ঠিক করেছি, আজ সারাদিন ভালো হয়ে চলব। কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করব না। সবার কথা শুনব। কাউকে না বলব না।
The perfect gift for someone who needs a little more love in their life. Whether its a spouse, a lover, a preacher or a friend, you'll find some amazing words of wisdom on love and more!
আমি যদি রাবার হতাম তোমার জীবনের সব কষ্ট গুলো মুছে দিতাম………. আর যদি পেন্সিল হতাম তোমার জীবনের সুখ গুলো সুন্দর ভাবে লিখে দিতাম.
হারানো ভালবাসা -আজো আমার অনুভূতিতে মিশে আছে। আজও শিহরন জাগায় মনে। হারিয়ে যাওয়া পথের বাঁকে যেন নতুন পথের সন্ধান মেলে যায়।
আমাকে ভুলে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয় প্রয়োজন ফুরালে মানুষ সৃষ্টিকর্তাকেই ভুলে যায় আর আমি তো অমানুষ!
আজ স্মৃতির পাতা উল্টে দেখলাম কত মানুষ জীবন থেকে হারিয়ে গেছে।কত চেনা মানুষ অচেনা হয়ে গেছে হয়তো কোন এক দিন আমিও অচেনা হয়ে যাবো এই পৃথিবী থেকে !!
হারিয়ে যাবো একদিন আকাশের এককোণে,, পাবেনা আমায় সেদিন খুঁজবে সবখানে । হাসবো সেদিন ভাসবো তোমার চোখের জ্বলে সেদিন বুঝবে বন্ধু কাকে বলে??
আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি তাই তোমার কাছে ছুটে আছি তুমি চাইলে আমি দেবো অথৈ সাগর পাড়ি
যে চলে যেতে চায় তাকে যেতে দেওয়া উচিত। কারন কাউকে জোর করে আটকে রাখা যায় না। জোর করলে হয়ত অস্তিত্ব টাকে ধরে রাখা যায় কিন্তু মানুষটার মনকে ধরে রাখা যায় না।
ব্যস্ততার অজুহাতে যে তোমাকে ভুলে থাকে সে কোনোদিন তোমাকে ভালবাসেনি, হাজার ব্যস্ততার মাঝে একটু সময় বের করে যে তোমার খোজঁ খবর নেয় সেই তোমাকে সত্যি ভালোবাসে....।
আবেগ এর কাছে বন্দী আমি বিবেক এর কাছে ঋণী অভিমান নিয়ে দিন কেটে যাই আমার দিবা নিশি বাস্তবতা শেখাই আমায় মানুষ গুলো কেমন দিন চলে যায় ভাবনা নিয়েই কষ্ট গুলো আপন.....
বিয়ে করলে বাড়ির বড় মেয়েকেই করবো ছোট গুলা তো ফ্রি তেই পাবো
খারাপ মেজাজের সাথেকখনও মুখের ভাষা খারাপ করতে নেই,কেননা মেজাজ তো এক সময় ঠিক হয়ে যাবে।তবে আপনার বলা খারাপ ভাষাটাকারো মনে দাগ কেটে রবে।
যখন আধাঁরে পথ হারিয়েছি তুমি ছিলে হাতটি ধরে যখন ছিলো না কেউ আমার পাশে তুমি আমায় করেছিলে আপন তবু তুমি নেই আজ আমার পাশে হারিয়ে গেছো বহুদূরে_।।।
যদি ভালোবাসাটা সত্যিকারের হয় তবে দূরত্ব বেড়ে গেলে ভালোবাসা কমে না উল্টো বেড়ে যায়।
অনেক গুলো রাত পার হয়ে গেলো তোমার সাথে কথা বলি না। বাট এমন কোন রাত বাকি নেই, যে তোমার কথা ভাবিনি