read.cash Log in

@shila71

Joined 14 November 2020 · 3 posts

120 KT

0 KT received · 0 KT given

Posts

@shila71

إذا كنت تريد أن تقف بجانب الفقراء ، فقف بأمانة ومع ذلك ، ساعد نفسك بشكل غير أناني ، أصبح الفقر لعبة من ألعاب الجنس البشري يتظاهر الناس بأنهم مجتمع بشري ، أتساءل ما الذي يفعله بعض الناس باسم الإنسانية يا لها من مساعدة حيث يتم التقاط المئات من صور السيلفي. يجري الآن التقاط صور سيلفي باسم التبرع بالملابس لعبة الملابس التي ستصبح الآن من المشاهير ، الإنسانية تخسر الآن أمام اللاإنسانية تزيين الأشخاص الطيبين بصور شخصية للملابس الشتوية. كل الناس يستغلون الأشخاص الذين لا حول لهم ولا قوة الجميع يرى الفائدة دون مساعدة الفقراء ، شخص ما يصنع أموالًا عن طريق أخذ صورة شخصية مرة أخرى سمها أو مكان الخدمة الإنسانية ، يتبرع الكثير من الناس بالكثير من المال من خلال النظر إلى هذه الصورة. اصنع أكبر عدد ممكن من الهدايا السرية في هذا العالم في يوم القيامة ، سيُحمل عبء الخطيئة. لا تعطي لإظهار الناس ، هناك طاعة للرب سيتم عدك أكثر من خلال إظهار الناس ، أتمنى هذا للجميع إذا فعلت ذلك في سبيل الله ، فستحصل على كل شيء.

@shila71

কিছু গল্পের সমাপ্তি : পর্ব ২ টেষ্ট করানোর পর একদিন সামিয়া ডাক্তারের কাছে গেল রিপোর্ট নিয়ে। আর বাসায় বললো আজ তার পড়িয়ে আসতে দেরি হবে। যেন বাবা-মা বুঝে না ফেলেন। "আপনার সাথে কেউ আসেনি?" "জ্বী না। আসলে এই ব্যাপারে বাসায় কাউকে জানাইনি। রিপোর্টে কী আছে স্যার?" "আপনার সাথে অন্তত কেউ একজন আসলে ভালো হতো।" "আপনি বলুন। কোন সমস্যা আছে রিপোর্টে?" "আসলে কীভাবে যে বলবো?" "সমস্যা নাই,আপনি বলতে পারেন।" "আসলে,আপনার,,,,ব্রেস্ট টিউমার আছে। আর তা থেকে, ক্যান্সার।" সামিয়া কিছুক্ষন চুপ করে থাকে। ডাক্তার ওকে সান্ত্বনা দিলে সে মৃদু হাসি দিয়ে বলে ------ "I am ok sir. চিন্তা করেন না।" "আপনার যে টিউমার তা আগে জানতেন না?" "ব্যাথা হতো ঠিকই, আসলে ঝামেলার কারণে খেয়াল করিনি।" এই বলে ডাক্তারের রুম থেকে বেরিয়ে যায় সামিয়া। বাসায় এসে সে রুমের দরজা লাগিয়ে অনবরত কাঁদতে থাকে। কিন্তু তাকে তো ভেঙে পড়লে হবে না। তাকে শক্ত হতে হবে, তার পরিবারের জন্য। নয়তো সব শেষ হয়ে যাবে। আর যাই হোক বাবা-মা কীভাবে দেখবে নিজের সন্তানের এই মৃত্যু। তারা তো শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু তা হোক সেটা সে তো চায় না। রাতে বাবা-মা আর ছোট বোনকে নিয়ে একসাথে খাবার খেলো। হয়তো আর বাবা-মা, বোনের সাথে দেখা নাও হতে পারে। রাতে খাবার পর নিজের রুমে শুয়ে শুয়ে ভাবছে কী হবে এই পরিবার টার? কী করা উচিত তার? সকালে...... "মা আজ আমার আসতে দেরি হবে। আজ স্কুলে একটু কাজও আছে।" "কিন্তু কিছু খেয়ে তো যা। তাছাড়া তোর সাথে একটু কথাও আছে।" "হুম বলো।" (নাস্তা খেতে খেতে) "তোকে কয়দিন কেমন যেন লাগছে। তুই কী ঠিক আছিস?" "ক......ই নাতো। তেমন কিছু তো না মা।" (থমকে গিয়ে) "মিথ্যা বলবি না একদম। কী হয়েছে বল?" "সত্যি মা তেমন কিছুই না। আসলে স্কুলে কয়দিন কাজের চাপ তো বেশি তাই একটু ক্লান্ত লাগে। ব্যাস, আর কিছু না। তুমি চিন্তা করো না। আচ্ছা মা আমি আসি।" "আচ্ছা, দেখে শুনে যাস, মা।" এভাবেই চলছিলো সামিয়ার দিন....... চলবে........

@shila71

কিছু গল্পের সমাপ্তি নাইঃপর্ব ১ ছাদের এক কোনায় আনমনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আকাশ দেখছে মেয়েটি। ভাবছে মানুষের জীবন কতো অদ্ভুত। মানুষ যা ভাবে তা কখনও পায় না।কতই না স্বপ্ন দেখে মানুষ। সব স্বপ্ন কি পূরণ হয়। কিছু অপূর্ণতা রয়েই যায় তাদের জীবনে। তার জীবনটাও না কতো অদ্ভুত। কী ভেবেছিলো আর কী পাচ্ছে সে। জীবন কী এভাবেই সারা জীবন পরীক্ষা নেবে তার? এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে দুচোখ ভিজে উঠেছে বুঝতেও পায়নি সে। শ্যামলা বর্ণের মেয়েটি। কিন্তু চোখগুলো খুব সুন্দর। আর চেহারাটাও খুব মায়াবী। আজ সে কালো রঙের একটা শাড়ি পরেছে। শাড়ি পরতে তার খুব ভালো লাগে। আর খোলা চুলগুলো, বাতাসে যেন এলোমেলো খেলছে। মেঘলা দিনে তার আকাশ দেখতে খুব ভালো লাগে। তখন আকাশটাকে দেখলে তার মনে হয় তার সব কষ্ট দূর হয়ে গেছে। আকাশটাকে কখনও কখনও মনে হয় তার মতো। একেবারে শান্ত। অনেকক্ষন এভাবেই ভেবে চলেছে সে। হঠাৎ পিছন থেকে কারো ডাকে চিন্তার জগৎ থেকে বের হয় সে। পিছনে তাকিয়ে দেখে ২৪/২৫ বছরের একটা মেয়ে হাসি মুখে তার দিকে এগিয়ে আসছে। "কীরে আপু, কখন থেকে তোকে খুঁজছি। আর তুই এখানে দাঁড়িয়ে আছিস?" "কেন, আজ আবার কী হলো?" "আজ যা হয়েছে না। সেটা বলার জন্যই এলাম।" "আচ্ছা, চল নিচে গিয়ে শুনবো।" মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় সন্তান সামিয়া। আর লামিয়া ছোট। তাদের বাবা জুনায়েদ ইসলাম আর মা তানিয়া ইসলাম। ৩/৪ বছর হলো চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। মাথা গোঁজার মতো যাও একটা ঠাঁই ছিল, তাও পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে হারাতে হয়েছে তাই ভাড়া বাসাই তার একমাত্র ঠিকানা। পরিবারের টানাপোড়েনে চলছে তাদের জীবন। অনার্স শেষ করেই একটা স্কুলে ঢুকে সামিয়া। আর সাথে আছে কয়েকটা টিউশনি। লামিয়াও বসে নেই। পড়াশোনার পাশাপাশি সেও ৩/৪ টা টিউশনি করে। কিন্তু কিছুদিন ধরে সে বুকে একটু ব্যাথা অনুভব করে। যা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। ভেবেছিলো কমে যাবে। কিন্তু উল্টো বেড়েই চলছে ব্যাথা। তাই আর সহ্য করতে না পেরে একদিন একাই ডাক্তারের কাছে চলে যায়। "কয়দিন ধরে ব্যাথা হয় আপনার?" "৪/৫ মাস ধরে।" "৪/৫ মাস? তো আপনার তো আরো আগেই আসা উচিত ছিলো।" "ভেবেছিলাম সামান্য হবে ব্যাথাটা তাই। কিন্তু ভাবতেই পারিনি এটা দিন দিন বেড়ে যাবে।" "তাই এখন এসেছেন, তাই তো?আপনি তো দেখছি নিজের প্রতি অত্যন্ত কেয়ারলেস। যাইহোক, আপনাকে কিছু ওষুধ দিচ্ছি আর একটা টেস্ট দিলাম। ওষুধগুলো খেতে থাকেন। এরপর ২ সপ্তাহ পর টেস্ট করিয়ে রিপোর্টটা নিয়ে আসবেন।" "ধন্যবাদ আপনাকে।" সামিয়া বাসায় গিয়েও কাউকে কিছু বলে না।আর বলবেই বা কি, সংসারই চলছে কোন রকমে। বাসায় এসেই বাবা - মার কথা শুনে--- "মাস শেষই হলো না, অথচ সব টাকাও শেষ হতে চলেছে। কি যে করবো বুঝতে পারছি না।" "তোমরা সংসার কতোটা কষ্টে চালাচ্ছো যে, দেখেও কিছু করতে পারছি না। আর এই পেনশনের টাকায় কী বা হয়।" সামিয়াকে দেখে বাবা-মা কথা থামিয়ে দেয়। "আরে সামু। কখন এলি রে মা?" "মাত্রই এলাম। কিন্তু তোমাদের এতো চিন্তিত মনে হচ্ছে?" "তেমন কিছু না। তুই রুমে গিয়ে বিশ্রাম নে।" সামিয়া তো শুনেছে সবই। তাই আর কথা বাড়ায়নি। তারও হাত যে প্রায় খালিই এখন। কীভাবে কী করবে সে। এভাবে কেটে গেলো ২ সপ্তাহ। চলবে.........