করোনায় মানুষের জীবনব্যবস্থা
বর্তমান সময়ে মানুষ এক আতংক এর মধ্যে আছে। তা আর নতুন কিছু নই, কোভিড-১৯। যার ফলে সারাবিশ্ব আজ অসহায়। মানুষের খাদ্যের অভাব, বাসস্থানের অভাব, চিকিৎসার অভাব, টাকার অভাব ইত্যাদি। অভাবে মানুষ ছোটাছুটি করছে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায়, এতেও মানুষ আশানুরূপ ফল পাচ্ছে না, কারণ সব বন্ধ। মানুষ যাবেই বা কই? তাছাড়া সবারই কম বেশি বাড়ি ভাড়া বকেয়া তো আছেই। এতে মানুষ করবেই বা কি? তাই বেশির ভাগ মানুষ আজ ছুটছে গ্রামের দিকে। ফলে শহুরের বেশির ভাগ জায়গায় আজ দেখা মিলছে "বাসা ভাড়া দেওয়া হবে" এমন পোস্টার। এতে সবারই একই প্রত্যাশা সব ঠিক হলে আবার যান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে আসবেন।
আবার এতে অনেকেই আছেন যারা বাড়ি ভাড়া নিয়ে পরিবার চালাতেন তাদের অনেকেই হিমশিম খাচ্ছেন এই অবস্থায়। বাড়ি কমিয়েও অনেক ফ্ল্যাট ফাকা অবস্থায় পড়ে আছেন।
দিন শেষে সবার প্রত্যাশা একই, তা হলো করোনা মুক্ত একটা পরিবেশ।।
ভালো লাগা
লাস্ট ১-২ মাস ধরে খুব দেরি করে ঘুমাইতে যাই। ইদানীং রাত জাগতে ভালো লাগে কেনো জানি। প্রতিদিন এই একটা যেন নিয়ম হয়ে গেলো। ১১:৪৫ এ পড়া শেষ করে যখন বেলকনিতে যায় কেমন যেন একটা অনুভূতি হয়, একটা দিনের শুরু এবং শেষ খুব কাছে অনুভব করা যায়। কিছুক্ষণ পর পর বাতাস একটু ঠাণ্ডা লাগে, তারপরও ৪০-৫০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকি। ভালো লাগে, মনের মধ্যে কত রকম চিন্তা আসে তা শুধু নির্জনতার মধ্যে, একাকী উপলব্ধি করা যায়।
জানা জরুরী
মানুষ নিজেই স্রষ্টার অসাধারণ একটা সৃষ্টি,কিন্তু মানুষের 'কক্কিক্স' হাড়টি তার মধ্যে আরেকটু বেশিই চমকপ্রদ,যা হাদীস দ্বারাই প্রমানিত!
'কক্কিক্স' বা টেইলবোন থাকে মানুষের শিরদাড়ার একদম শেষে।এটি সম্বন্ধে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর বক্তব্য ছিল,(আবু হুরাইরা কর্তৃক বর্নিত)
"মানুষের এমন কোন অঙ্গ নেই যা নষ্ট হয়ে যাবে না,কিন্তু একটি বাদে,আর তা হল শেষপ্রান্তের ছোট্ট হাড়(little bone at the end of the coccyx)যেখান থেকে পুনরুত্থান দিবসে মানুষকে পুনর্জীবিত করা হবে।"
আরেক হাদীসে এসেছে,
"সকল আদম সন্তানই শেষ হয়ে যাবে শুধু শেষপ্রান্তের হাড়টি ছাড়া,যেখান থেকে সে সৃষ্টি হয়েছিল,এবং সেখান থেকেই তাকে আবার পুনরুত্থিত করা হবে।"
কক্কিক্স নিয়ে পরবর্তীতে বিরাট গবেষনাও হয়েছে এবং এই কথার বাস্তব প্রমাণও মিলেছে।
ভ্রুণ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় প্রথমত এর দুইটা পার্ট থাকে,আউটার আর ইনার।সহজ ভাবে দেখলে,এই 'আউটার' অংশটার কাজ হচ্ছে ভ্রুণটাকে জরায়ু দেয়ালে আটকে রাখতে সাহায্য করা।
আর 'ভেতরের' অংশে ভ্রূনটা জরায়ু দেয়ালে আটকানোর ১৫ দিন পর তৈরি হয় 'প্রিমিটিভ স্ট্রিক' ও 'প্রিমিটিভ নোড' যা থেকে মানবদেহের অঙ্গগুলো তৈরির ধাপ শুরু হয়।
এই ধাপ হল তিনটা,এক্টোডার্ম,মেসোডার্ম আর এন্ডোডার্ম।এরা আসলে তিনটা ভ্রুণীয় স্তর,যা থেকেই ওই অঙ্গগুলো তৈরি হতে থাকবে।
যাক,কথা হচ্ছে,ওই 'প্রিমিটিভ নোড',যা এই স্তরগুলো সৃষ্টির মাধ্যমে ভ্রুণে জীবনের স্পন্দন ঘটায়,সে এই স্তরসৃষ্টির কাজ শেষ হতেই 'টেইলবোন' বা ওই কক্কিক্স সৃষ্টি করে ফেলে!এবং ওই হিসেবেই মানবদেহে রয়ে যায়।তাহলে দেখা যাচ্ছে,এই টেইলবোন সেই 'প্রিমিটিভ নোড' ধারন করে,যা নতুন জীবন সৃষ্টি করতে সক্ষম!
১৯৩৩ সালে মানবদেহ সৃষ্টির এই প্রাথমিক 'অর্গানাইজার' এর সন্ধান দিয়েছিলেন স্পেম্যান।১৯৩৫ সালে নোবেল পান তিনি।
এবার ধ্বংস না হওয়ার প্রমানে একটু বলি।
২০০৩ সালে ড.ওথম্যান এবং শেখ আবু মাজিদ নামক দুজন বিজ্ঞানী একটা কক্কিক্স নিয়ে পুরো ১০ মিনিট ধরে আগুনে পোড়ান।দেখা যায় এটি পুড়ে প্রথমত লাল,পরে কালো বর্ন ধারন করে।
অতঃপর ইউনিভার্সিটি অফ সানার(ইয়েমেন) হিস্টোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড.সালেহ ওলাকির নিকট পুড়ে যাওয়া টুকরো গুলো পরীক্ষা করতে দেন।পরীক্ষায় দেখা যায়,কক্কিক্স পুড়ে গেলেও এর কোষগুলো পুরোপুরি অক্ষত,যা অন্য যেকোন হাড়,কিংবা অঙ্গ,কিংবা ত্বকের ক্ষেত্রেও পুরোপুরি অসম্ভব!
সুতরাং দেখা যাচ্ছে,রাসুল(সাঃ) এর কথা অনুযায়ীই,প্রকৃতপক্ষে জীবন সৃষ্টি এবং পরবর্তীতে পুনরুত্থান,দুটিই হচ্ছে কক্কিক্সের অন্তরালেই।
অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?(আর-রাহমান)
Stay Home,Stay Safe
At this time, people face many situation own life as like as Covid-19. But this situation or virus continuesly increasing day by day. by Covid-19, people face many problem like food, money, treatment etc.
But many people go out their home for earning money, so that they're not safely go out their work. many people go without mask, handglaps etc. it's really harmful for their family. so be careful everyone and keep maintain all rules which given government. so i think we are all should recover this situation as soon as possible and everyone also pray the world.
#Stayhome #staysafe