read.cash Log in

@kaiser

Joined 5 June 2020 · 63 posts

120 KT

0 KT · 10¢ received · 0 KT · 5¢ given

Posts

k@kaiser

Sandwich with apples and grilled chicken ** Sandwich with apples and grilled chicken ** Grilled sandwiches can be made in many ways. However, the sandwich that we will make today will be made by adding apple crumbs and parsley leaf crumbs along with the main ingredient canned chicken. Originally this grilled chicken sandwich for parsley leaves is one of my very favorite news. It should be made in a completely nonstick pan. This sandwich should be served with some fresh fruit or salad. It would also be great to eat with any soup. This dish will take a total of fifteen minutes to prepare. Necessary materials - 1 can (12 ounces) canned chicken - 1/2 cup mayonnaise - 1 tablespoon lemon juice - One and a half cups of Swiss cheese (chopped) - 2 bundles of parsley leaves - 1 apple (finely chopped) - 12 pieces of bread - 1/4 cup butter Preparation method 1. In a small bowl, mix together the chicken, mayonnaise, lemon juice, Swiss cheese, parsley leaves and apple crumbs from the sandwich ingredients. 2. Then take a piece of bread with a spoonful of the mixture on it, press another piece of bread on it and spread butter on the sides. 3. Now put a nonstick pan in the oven and grill the sandwich on medium heat. Heat in the oven for 5-6 minutes on both sides until the cheese is completely melted. 4. You can also make this grilled chicken sandwich on the chicken grill stove at home if you want. 5. When the sandwich is ready, serve the hot sandwich with tomato ketchup or mayonnaise.

k@kaiser

Fight, no fight. " Fight, no fight. " - Moti Nandi's novel "Koni" is the name of a girl who never gave up. And Kshitada he teaches us the only way to fight in this life. Konira fights through the ages and proves that losing doesn't mean losing.

k@kaiser

Cabbage roll Cabbage roll Materials 8 to 10 cabbage leaves on the inside. For puree: 1 cup minced chicken. 1/4 cup biscuit powder. Half a teaspoon of hot spice powder. Like salt to taste. Like the amount of pepper. Half a tea-spoon of cumin powder. 1 chopped onion. Ginger and garlic paste 1 teaspoon. Slightly tomato paste. For gravy or soup you will need: 1 cup of tomato paste. Half a cup of chopped onion. Ginger and garlic paste 1 table-spoon. A little turmeric powder. Chili powder 1 teaspoon or to taste. Like the amount of oil. Method First you have to marinate the chicken mince with the rest of the ingredients for one hour. Leave the cabbage leaves in hot salt water for two minutes and wash them in cold water. Cut the white hard part in the middle with the cabbage leaves one by one. Divide the marinated chicken mince into several portions. Now roll the minced chicken in the middle and stick it with a toothpick. Heat oil in a pan, fry the onion until red. Then add the remaining spices one by one for the gravy. Stir until the oil rises to the top. Then grate the tomatoes. After cooking for a while, when the tomatoes are a little soft, add the rolled cabbage. Cover with salt and water and cook for 20 minutes. Sprinkle coriander leaves on top and serve with the desired amount of broth.

k@kaiser

Mashrafe attacked with corona. Mashrafe attacked with corona. Former national cricket team captain and Narail-2 MP Mashrafe bin Mortaza has contracted coronavirus. He gave samples for corona test on June 18 due to fever. It was reported yesterday. The MP was positive in the report. However, Mashrafe is reported to be physically healthy. Taking treatment at home in isolation. Earlier, on June 15, Mashrafe's mother-in-law became positive.

k@kaiser

Covid19 Covid-19 Update Monday 22-06-2020 In the last 24 hours, 192 out of 1049 sample tests in 6 labs in Chittagong were positive. Among them 121 in the metropolis and 71 in the upazila. Out of 71 people in the upazila- 6 in Raozan, 5 in Hathazari, 4 in Sitakunda, 2 in Satkania, 5 in Chandnaish, 2 in Banshkhali, 11 in Anwara, 6 in Patia, 20 in Fatikchhari and 6 in Sandeep. 3 people have died in the last 24 hours. A total of 144 people have died so far. 59 people have recovered in the last 24 hours. So far, a total of 699 people have recovered. So far, a total of 8480 people have been identified in Chittagong. In the last 24 hours, 48 ​​people have been identified in BITID lab, 52 in Chamek lab, 9 in Sivasur lab, 1 in Cox's Bazar lab, 56 in Chittagong University lab and 26 in Imperial Hospital.

k@kaiser

Crunchy Rice Ball' on stale rice Crunchy Rice Ball' on stale rice If 2/1 handful of rice from the previous day survives, we are not in favor of throwing it away. Anyway, we want to use the rice. So make crunchy rice balls out of stale rice. Materials: Rice-1 cup Onion chop - 1 piece Garlic powder - 2 cloves Mushroom crumbs - 1/2 cup Chicken breast meat - 1/2 cup minced meat 2 green chilli powder Coriander leaf powder - 1/2 cup Chili sauce - 1 tsp Dark Soy sauce - 1 tsp Mint leaf powder - 1 tbsp Salt should be given to taste. Remember that soy sauce contains salt. Lemon juice-1/2 tea: spoon Lemon peel - 1/2 teaspoon For coating- Bread crumbs and 1 d

k@kaiser

Covid19 অবশেষে হালিশহরে প্রায়ই শেষ হল করোনা রোগীদের জন্য আল মানাহিলের ৭০ বেডের নার্চার হাসপাতালের কাজ। কয়েকদিনের মধ্যে শুরু হবে রোগী ভর্তির কাজ। এবং পুরো সেবা প্রক্রিয়াই হবে সম্পূর্ণ বিনা খরচে।রোগীকে গুনতে হবে না কোন টাকা। আমরা ইতিমধ্যেই রিসিভ করতে যাচ্ছি ৫ টি হাই ফ্লো অক্সিজেন মেশিন, যেটি ক্রিটিকাল রোগীদের ট্রিটমেন্টের জন্য খুবই কার্যকরী। ইন শা আল্লাহ, আল্লাহ চাইলে এর সংখ্যা আরও বাড়বে। এছাড়াও সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম ইন্সটলের কাজও প্রায় শেষ যার মাধ্যমে রোগীকে সার্বক্ষণিক অক্সিজেন সরবরাহ করা নিশ্চিত করা হবে। ইন শা আল্লাহ, আমরা চেষ্টা করব রোগীদের সর্বোচ্চ সম্মানের সাথে সেবা দিতে। এই কাজ সুন্দরভাবে চালিয়ে রাখার জন্য আমাদের পাশে দাঁড়ান। আইসিইউ সেট আপ একেকটি প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। এছাড়াও অনেক মেডিকেল ইকুইপমেন্ট আমাদের কেনা প্রয়োজন। আমরা বিশ্বাস করি, সবাই এগিয়ে আসলে অন্তত পাঁচটি আইসিইউ স্থাপন করা সম্ভব। সবাই এগিয়ে আসলে এই টাকাটা কিছুই না। তাই এগিয়ে আসুন আপনার সাধ্যমত।

k@kaiser

কোভিড-১৯ আপডেট ▒▒▒█ █▒▒▒ কোভিড-১৯ আপডেট ▒▒▒█ ২১-০৬-২০২০ ইং রোজ রোববার গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামের ৫ টি ল্যাবে মোট ৬৭০ টি নমুনা পরীক্ষার মধ্যে ১৯৪ জন পজিটিভ। তাদের মধ্যে মহানগরীতে ১২৮ জন ও উপজেলায় ৬৬ জন। উপজেলায় ৬৬ জনের মধ্যে- রাউজানে ১০ জন, হাটহাজারীতে ৯ জন, সীতাকুণ্ডে ৭ জন, সাতকানিয়াতে ১ জন, লোহাগাড়াতে ১ জন, চন্দনাইশে ১১ জন, বাঁশখালীতে ১ জন, মিরশ্বরাইতে ৮ জন ও বোয়ালখালীতে ১৮ জন। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুবরণ করেছেন ২ জন। এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ১৪১ জন। গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫০ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬৪০ জন। চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ৬২৮৮ জন। উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘন্টায় বিআইটিআইডির ল্যাবে শনাক্ত ৯৭ জন, চমেকের ল্যাবে ৬২ জন, সিভাসুর ল্যাবে ১৬ জন, কক্সবাজার ল্যাবে ১ জন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে শনাক্ত ১৮ জন।

k@kaiser

Satla Satla-Wazirpur-Barisal Shapla Gram Satla (Shapla Gram Satla) is like a shuffler kingdom. Thousands of red water lilies floating in the water of the bill seem to beat the red aura of the sun. The distance from Barishal Sadar to Satla village is 60 km. The beels of Satla village in Uzirpur upazila of Barisal are known to the locals as Shuffler beels. Although it is not known when the water lily cultivation started here, it is known that red, white and purple water lilies grow here. However, red water lilies are the most common. Shuffler is cultivated all over the village of North Satla. Shapla is cultivated in about 10,000 acres of wetland in Shapla village Satla. About 80% of the residents of this village are involved in water lily cultivation and water lily marketing. Shapla flowers are supplied to different parts of the country from Shapla village Satla. Satla is an ideal place for photographers to take pictures of shufflers. When will you go to Shapla village Satla? The shuffler season is usually from the beginning of August to October. The shuffler blooms here for these 3 months. During these months of the year, if you visit Shapla village, you will see thousands of water lilies. And if you want to see water lilies, you must go very early in the morning because as soon as the sun sets, the water lilies disappear or the traders take them to sell flowers in the market. So it is best to leave the village one night and go to Shapla Bill in the morning.

k@kaiser

Aboha পূর্বাভাস অনুযায়ী আজ ভোর থেকে দেশের উপকূলীয় এলাকাসমূহের কোথাও কোথাও বিরতিসহ বা বিরতিহীনভাবে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয় যা এখনো অব্যাহত আছে। বর্তমানে সুন্দরবন, বাগেরহাট, সাতক্ষিরা, মংলা, বরগুনা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাজশাহী, পাবনা, শ্রীপুর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া,মমনসিংহসহ এদের পার্শ্ববর্তী স্থানগুলোসহ দেশের অন্যত্র কিছু স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বা ভারী বর্ষণ চলছে। আশা করছি চট্টগ্রামবাসী এখন বুঝতে শুরু করেছেন আমরা কেন এতদিন আপনাদের অপেক্ষা করতে বলেছিলাম। ভারী বর্ষণের কারণে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে আকস্মিকভাবে জলাবদ্ধতাসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ঘটতে পারে পাহাড়ধসের ঘটনা!! কাজেই সেখানে বসবাসরত সকলকে নিরাপদে থাকতে বলা হচ্ছে। নোট: ভারী বর্ষণের এই ঘটনা‌ আরো ৪/৫ দিন চলতে পারে বিরতিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। কেমন উপভোগ করছেন এই ভারী বর্ষণ কমেন্টে জানাবেন।

k@kaiser

Chairman জাতি ধর্ম দলমত নির্বিশেষে শিকলবাহার মা মাটি মানুষের নয়নমনি আপামর গনমানুষের নেতা। কর্ণফুলি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও শিকলবাহা ইউনিয়ন পরিষদের তিন তিন বারের নির্বাচিত সাবেক সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কালাম বকুল আমাদের কাছ থেকে চির বিদায় নিয়েছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করতেছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করতেছি।

k@kaiser

মধ্যনগর ""মধ্যননগর সহ হাওরাঞ্চলের বর কনেরা দিশাহাড়া বলছে, কবে হবে মধুর মিলন "" অমৃত জ্যোতি রায় সামন্ত( সুনামগঞ্জ) বৈশিক করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে নবাগত বর কনে(জামাই বৌ) গন বিবাহের অপেক্ষায় দিশাহাড়া হয়ে দিন যাপন করছে,মনে আর বাধন মানছে না কবে হবে তাদের মধুর মিলন। আবার একাকি একে অপরকে বলছে ""আমি বধূ সেঝে আছি তুমি পাল্কী নিয়ে এসো"" বাংলাদেশে করোনা মহামারি পরিস্থিতি ৪ মাস চলমান সময়ের মধ্যে কোনরুপ বিবাহ আনুষ্ঠানিক পরিবেশের দেখা মিলেনি। যেহেতু করোনা পরিস্থিতিতে সব রকম সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ,কিন্তু হাওরাঞ্চলে বিবাহের মৌসুম বর্ষার শুরুতেই। এমতাবস্থায় বেশ কজন বিয়ের আগ্রহী বর কনেদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা বিবাহ ঠিকঠাক করে বসে আছেন, কিন্তু এ লকডাউন পরিস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকতা করতে পারছেন না। এমতাবস্থায় বর ও কনে গন তাঁদের শুভ বিবাহের অপেক্ষায় অধীর আগ্রহের সাথে পথ চেয়ে বসে আছেন,নিরবে বারংবার বলছে শুধু কবে হবে মধুর মিলন। আবকর অনেকে ভাবছেন এবার বিয়ে করতে পারবোতো?? যদি করোনা না যায়?? তবে কি বয়ে হবে এবার?? এমনকি কয়েকটি সম্প্রদায়ের অভিভাবকরাও অপেক্ষায় দিশাহাড়া শুধু হয়ে দিন গুনছেন। অন্যান্য বছরে এমন ভরা বর্ষার শুরুতেই নদীপথে নৌযানের মাধ্যমে বিয়ের বাদ্যযন্ত্র বাজতে শুরু হয়ে যায়। এবছর হাওরাঞ্চলের ফসল ভাল ফলন সত্বেও পিছুঠানে বসে আছেন সকল বিবাহ দাতা ও পিতা ও মাতা। এসময়ে সকলের সৃষ্টিকর্তার কাছে হাত তুলে একটি আবেদন করতেই শোনা যায় সর্বশ্রেণী পেশার জন মানুষদেরকে করোনা ভাইরাস থেকে আমাদের মুক্তি দাও,মুক্তি দাও। ইয়াস মানবাধিকার ক্রাইম সোসাইটি 'র সুনামগঞ্জ জেলা'র পরিচালক ডাঃঅমৃত জ্যোতি রায় সামন্ত সাধারণ সম্পাদক মধ্যনগর প্রেসক্লাব মসজিদ মার্কেট,মধ্যনগর, সুনামগঞ্জ। I

k@kaiser

Bocon এ বচনটি সত্য। কারণ বাস্তবিকই প্যারিসে । অবস্থান প্যারিসে'- ‘ পক্ষিরাজ ঘােড়া উড়তে পারে ’-এ বচনটি মিথ্যা। । আইফেল ‘ আইফেল টাওয়ার টাওয়ারের রয়েছে। অন্যদিকে উড়তে পারে এমন পক্ষিরাজ কোনাে ঘােড়ার আমরা কোথাও অভিজ্ঞতায় কারণ বাস্তব যুক্তি প্রণয়নে কিছু বিধি অনুসরণ করতে হয়। কোনাে যুক্তির সিদ্ধান্ত যদি . অস্তিত্ব খুঁজে পাইনি।। । যুক্তিবিদ্যায় নিঃসৃত হয় তাহলে যুক্তিটি বৈধ হবে। বৈধ যুক্তির ক্ষেত্রে | আশ্রয়বচন থেকে বিধিসম্মতভাবে। । আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্তের মধ্যে এমন সম্বন্ধ থাকে যে, আশ্রয়বচন সত্য বা মিথ্যা যা-ই হোক স্বীকার করলে সিদ্ধান্তকে আর অস্বীকার করা যায় না। কাজেই

k@kaiser

Pani কান পানিকে বিশ্লেষণ করলে এর মধ্যে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে এ বিখায়াটিকে প্রতীকের সাহয্যে সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করা হয় এভাবে পানি = H2O। এভাবেই গণিত ও বিজ্ঞানের বিভিন্ন সূত্রাবলি প্রতীকের সাহায্যে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। অবশ্য প্রতীক কেবল শাস্ত্রগত ব্যবহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এছাড়াও ব্যক্তিগত, সামাজিক, পেশাগত, ধর্মীয় প্রভৃতি দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতীকের বহুল আনহার জ্যক্ষ করা যায়। যেমন, রাস্তার মােড়ে তীর (9) চিহ্নটি পরবর্তী রাস্তার নির্দেশ করে, দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ দরজার বাইরে কোনাে ব্যক্তির উপস্থিতি ব্যক্ত করে, ঝড়ের - সময় বিপদসংকেত-সংখ্যা আসন্ন বিপদের মাত্রাকে নির্দেশ করে। এককথায়, দৈনন্দিন বিনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষ সাধারণত কোনাে বিষয়কে অন্য বিষয় দ্বারা, অর্থাৎ কোনাে না কোনাে ধরনের প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করার প্রয়ােজন অনুভব করে। আর এভাবেই জীবনের সর্বক্ষেত্রেই প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। পূর্বেই বলেছি যুক্তিবিদ্যায় প্রতীকের ব্যবহার ও উপযােগিতা সর্বাধিক। এ কারণেই মূলত আধুনিক যুক্তিবিদগণ যুক্তিবিদ্যার একটি পৃথক শাখা হিসেবে প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার উদ্ভব ধর্টিান। তবে একথা উল্লেখ করা প্রয়ােজন যে, যুক্তিবিদ্যায় প্রতীকের ব্যবহার কেবল আধুনিক যুগেই হয়েছে তা নয়। প্রাচীন কাল থেকেই যুক্তিবিদ্যায় প্রতীকের প্রচলন দেখা গেছে। বিশেষত প্রাচীন গ্রিক মনীষী যুক্তিবিদ্যার জনক হিসেবে খ্যাত অ্যারিস্টটলের যুক্তিবিদ্যায়ও কমবেশি প্রতীকের প্রয়ােগ লক্ষ করা গেছে, যা বর্তমান অধ্যায়ের আলােচনায়

k@kaiser

বৈধ মধ্যকার অন্তর্নিহিত পার্থক্যসমূহ তুলে ধরা হলাে দেখালে যুক্তিবিদ্য son ইতিহাস বিদ্যার সাধারণ বিদ্যার সংকেত যেসব বিষয় প্রত্যক্ষ বা পরেক্ষিভাবে অন্য কোনাে বিষয়কে নির্দেশ করে অথবা অন্য কোনাে বিষয়ের প্রতিনিধিত্ব করে সেসব বিষয়কে সাধারণভাবে সংকেত বলা হয়। সংকেতের সংগ্ঞা প্রসঙ্গে প্রয়ােগবাদী দার্শনিক সি.এস. পার্স বলেন, কোনাে বিষয় বা ব্ত্ৰ যখন কোনাে ব্যক্তির কাছে অন্য কোনাে বিষয় বা বন্তুর প্রাতিনিধিত্ব করে কিংবা অন্য কোনাে বিষয় বা বন্তর সূচক হিসেবে উপস্থাপিত হয় তখন তাকে সংকেত বলে। কিন্তু সংকেতের এ সংজ্ঞা অনুযায়ী প্রতিনিধিত্ব করার বিষয়টি কোনাে নির্দিষ্ট অর্থ বহন করে না। এ জন্য অনেকেই পার্সের সংজ্ঞাটিকে যথার্থ হিসেবে গ্রহণ করেননি। এদের মধ্যে বিশ্লেষণী দার্শীনিক অলস্টন অন্যতম। তিনি বলেন, যেহেতু অন্য কিছুর সূচক বা প্রতিনিধি হওয়ার কোনাে নির্দিষ্ট অর্থ নেই তাই সংকেতকে সুচক বা প্রতিনিধিত্বকারী বলা সমীচীন নয়। সংকেতের সংজ্ঞার ক্ষেত্রে এ ধরনের দ্বৈত মতের প্রেক্ষিতে বিশ্লেষণী দার্শনিক জন হসপার্স সংকেতের এমন একটি সংজঞা প্রদান করেছেন, যা পরবর্তীতে প্রায় সকলের কাছেই গ্রহণযােগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তাঁর মতে, সংকেত বলতে সেই বিষয়কেই বােঝায় যা প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে অন্য কোনাে বিষয়ের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। অথবা কোনাে না কোনােভাবে অন্য কোানাে বিষয়ের নির্দেশক হিসেবে বিশেষ কোনাে অর্থ বহন করে। সংকেত মূলত দু'ধরনের হয়ে থাকে- প্রাকৃতিক বা স্বাভাবিক সংকেত এবং কৃত্রিম Sign হচ্ছে তি ও জন্য, এতীক চহ্ন। नঠিক একি। সেবে ভাগ তে সংকেত।

k@kaiser

বৈধ ৩৭ ও বৈধ প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা যুক্তিবিদ্যা সম্পূর্ণরূপে আকারগত। এ জন্য প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার ক্ষেত্রে যথাসম্ভব সাধারণ ভাষার শব্দ বা বাক্য ব্যবহার না করে প্রতীক ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য যে, আকারগত বিজ্ঞানমাত্রই অমূর্ত (abstract)। এদিক থেকে প্রতীকী যুক্তিবিদ্যাও অমূর্ত। বস্তুত কোনাে বিজ্ঞান অমুর্ত হয় তখনই, যখন তা বাস্তব ঘটনাবলির বিবরণ বা ব্যাখ্যা না হয়ে কতগুলাে সাধারণ ও মূলগত নিয়ম বা সুত্রের সমষ্টি হয়। যেহেতু অবৈধ যুক্তির সাধারণ আকার বা নিয়মাবলি প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার মূল আলােচ্য বিষয় এবং এসব আকার বা নিয়মাবলি হচ্ছে অমুর্ত। এ জন্য প্রতীকী যুক্তিবিদ্যাকেও অমৃর্ত বলা হয়। যটি ব্যাখ এয়া প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার বৈশিষ্ট্য রলে Characteristics of Proposition প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ-বিশ্লেষণ থেকে এ বিষয়টি সুস্পষ্ট যে, প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যটি হচ্ছে এর আকারগত দিক। আর এই আকারগত বৈশিষ্ট্যের জন্যই প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় প্রচলিত ভাষার পরিবর্তে কেবল প্রতীক ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অর্থাৎ প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার প্রবর্তনগণ যুক্তির বৈধতা বা অবৈধতা প্রমাণের ক্ষেত্রে উচ্চতর প্রজ্ঞার সাহায্য ব্যতিরেকে যান্ত্রিকভাবে প্রতীক ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরােপ করেন। এদিক থেকে গণিতের সাথে প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার যথেষ্ট মিল রয়েছে। কারণ প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার মতাে গণিতও সম্পূর্ণরূপে আকারগত বিদ্যা। এ অর্থে প্রতীকী যুক্তিবিদ্যাকে গাণিতিক যুক্তিবিদ্যাও বলা যায়। বস্তুত কোনাে বিশেষ যুক্তি বা চিন্তার বৈধতা বা অবৈধতা প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার আলােচ্য বিষয় নয়, বরং বৈধ বা অবৈধ যুক্ত বা চিন্তার আকার বা নীতিমালাই প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার মূল আলােচ্য বিষয়। একইভাবে গণিতের ক্ষেত্রেও এ বিষয়টি সমভাবে প্রযােজ্য। কারণ গণিতও কতিপয় নিয়মাবলির প্রয়ােগে গাণিতিক আকার নিয়ে আলােচনা করে। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার আকারগত দিকের প্রাধান্য অনুধাবনের প্রেক্ষিতে আধুনিক যুক্তিবিদ সি. আই. লুইস প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করে এগুলাোর

k@kaiser

Biyer ranna দিবা/ রাত্রি বার। অনুষ্ঠানের তাং। বিয়ে ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের রান্নার প্রয়ােজনীয় দ্রব্যাদির তালিকা কেজি কেজি প্রব্যের নাম গরাম কেজি প্রব্যের নাম San T WT গ্রাম ৩। িগা্ডের গােলাশ জল 4 CH ST শাইল সি্ধ চউল সি্ধ চাউল । সিকা ভিনেগার ৬৭। এলমনিয়াম পয়েল লেশার ৮টপরা বাটার মি্ পাউার | ১৯৭। কমলা ১৫০। খােমাখে মিক্স ফট আইটেম |ব ২ কেজি re w R I cefer TE সর কিমা । ওয়েস্টার স | ১৩৭। আম পাকা মিষ্টি STOHI TH KING) fse f feS(BBQIsef লি পিউর খি T f SP ফা বিরানী পেশাল গাওয়া খি- ফা পিউর ঘি | ১৩৯। আনার | ৮১। স মালাই |৮২। সুইট বল (মিি) bro i fef w 383I cafe 5801 প্রয়ােজনীয় সামগ্রী টি re Cem TWTCO sfes (r ১৯৫। কোক/ সেজেনাফ ৮৮। ৩ (সাদা) / মিঠা |৮৯। আমের অচার সবজি আইটেম 389 CETUTOM fes o ১৯৯। বাংলা সাবান ১৫০। হইল পাউার |১৫১। লাক্স সাবান (মিনি) fore foret farem foret |৯২। মুরগির ডিম ৯৩। হসের ডিম |১৫৩।করি / লাই ১৫৪। চাটাই (তলই) ১৫৫। ইষ্টিক কাঠি বড় ১৫৬। চিনা কয়লা ১৫৭। লাকড়ি (রােলার) |৯৫। টমেটো ১৯। কাগজি লেবু ১০০। ধনিয়া পাতা |১০১। পুদিনা পাতা ১০২। সালাত পাতা |১৫৯। বিস্ুট/ পাউরটি ১৮০। কেরেসিন তৈল বাদাম ছালা ডেকোরেশন সামগ্রী |১। কুক সেট/ তেরপাল ২। ১ মনি ডেক কলাই ৩। ৩০ সেরা ডেক |৪। ২০ সেরা ডেক সংখ্যা 10 চনি |১০৪। কঁচা মটর |১০৫। ক্যাপসিকাপ মরিচ |১০৬। কাঁচা পেঁপে |১০৭। বরবটি শীম (লইকাশীম) |১০২। ফ্রাইজ শীম ১০৯। চাল কুমড়া ১১০। বাংলা কদু/লাউ |১১১। মিষ্টি কুমড়া |১১২। আলু ১১৩। মূলা | ১১৪। পটল ১১৫। বাঁধা কপি ১১৬। ফুল কপি |১১৭। সিলেট বেগুন |১১৮। তেঁতুল পাকা ১১৯। আম কাঁচা ১২০। জলপাই/আমড়াগােটা জন্দার আইটেম |১২১। জমার রং ৫। ১০ সেরা জেক । কড়াই | আদা চিনি 1 গােল মরিচ গােল মরিচ |৮। খালী বড়/ রেকাবী ৯। বল বড়/ গামলা |১০। বালতি | ১১। পানির জ্রাম ১২। পাইপ ড্রাম |১৩। পানির টপ |১৪। টিনের প্লেট ১৫। কোয়াটার প্লেট ন (স্পেন) সরিষা সরিষা (পেকেট) ১৭। টেবিল / চৌকি ডাল ডাল লাইর ডাল ১৯। ডেলি কাজের লােক মােট টাকা। অগ্রিম টাকা। ১২২। পেন্তা বাদাম

k@kaiser

Aj o valobasi #আজও_ভালোবাসি❤ #Part_10 🍁 . . . . 🍁 রাজের কথা মতো কাজে লেগে পড়ে টিনা, ওর যে ফারহান কে চায় ই চায়। তারজন্য ও সব কিছু করতে রাজি। পরেরদিন সকালে ফারহান অফিস চলে যাওয়ার পর মিতু মার্কেটে যায় ওর কিছু কেনাকাটা করার আছে তাই। রাজ ও তখন ওই পথ দিয়েই আসছিলো ও মিতুকে এখানে দেখে খুব খুশি হলো এবং ওর দিকে এগিয়ে গেলো। ------ আরে মিতু, কেমন আছো। পিছনে কারো কণ্ঠ শুনে ও পিছনে ফিরে দেখে সেদিনের সেই লোকটা যাকে ফারহান ইনভাইট করেছিলো। মিতু ও সৌজন্যতার জন্য বললো ------ জী, ভালো। আপনি কেমন আছেন। ------- এই তো ভালোই। তা সপিং করতে এসছিলে বুঝি। ------ হ্যা, আর হয়ে ও গেছে, এখন বাসায় যাবো। ------ ওওওও, আচ্ছা কিছু মনে না করলে একটা রিকুয়েস্ট করবো। -------- জী বলুন। ------- আসলে আমার একটা গিফট কেনার ছিলো মেয়েদের গিফট বাট আমি মেয়েদের ব্যপারে ভালো বুঝি না সো আপনি যদি একটু হেল্প করতেন। যদি একটা গিফট চয়েস করে দিতেন। রাজের কথা শুনে মিতু খুব দো টানায় পড়ে গেলো, ওর যেতে ইচ্ছে করছে না তবুও না ও বলতে পারছে না, কি করবে বুঝতে পারছে না। তা দেখে রাজ আবার বললো ------- প্লিজ চলুন না। বাধ্য হয়ে মিতু ওর সাথে গেল। তারপর কেনা কাটা শেষে মিতু বাড়ি চলে গেলো, যদিও রাজ ওকে বাড়ি পৌঁছে দিতে চেয়েছিলো কিন্তু মিতু জোর করে একা চলে আসলো কারণ একদিনের পরিচয়েই রাজের এতো আদিক্ষেতা মিতুর একদম পছন্দ হচ্ছিল না। তাছাড়া ফারহান ও যদি খারাপ মনে করে। এদিকে ফারহান অফিস থেকে ফেরার পথে রাস্তায় গোলাপ বিক্রি করতে দেখে গাড়ি থামিয়ে সেখানে যায় মিতুর জন্য গোলাপ কিনতে তখনই টিনা ওর সামনে আসে। এতোদিন পর আবার টিনা কে ফারহান খুব অবাক হয়। টিনা ওর দিকে এগিয়ে বসে বলে ---- কেমন আছো ফারহান। ------- তুমি!! এখানে। -------- হ্যা এদিক দিয়েই যাচ্ছিলাম, এতোদিন পর তোমাকে এখানে দেখে ভাবলাম কথা বলে আসি।তা বউয়ের জন্য ফুল কিনছো বুঝি। তা মিতু কে তো দেখলাম সপিং মলে একটা ছেলের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে, খুব ক্লোজ ভাবেই চলছিলো দুজনে, দেখে মনে হচ্ছিল হ্যাপি ক্যাপল। ------ টিনা, মুখ সামলে কথা বলো, সেদিনের চড়ের কথা ভুলে গেছো তাই না, মিতুর নামে আর একটা বাজে কথা বললে না আমি আবার নতুন করে মনে করিয়ে দেবো। এবার বুঝলাম এতোদিন পরে আবার কেন আমার সামনে আসলে, বাট তুমি যতই চেষ্টা করো না কেন আমাদের কে আলাদা করতে পারবে না😡, তাই ভালোই ভালোই চলে যাও এখান থেকে। -------- আমি জানতাম তুমি আমার মুখের কথা বিশ্বাস করবে না, এই দেখ আমার কাছে পিক আছে, বলে পিক গুলো বের করে ফোনটা ফারহানের দিকে এগিয়ে দেয়। দেখো, ছেলেটা কে আমি জানি না, কিন্তু মেয়েটা যে মিতু সেটা তো স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। ফারহান খুব অবাক হয় পিক গুলো দেখে,সত্যি ই তো এটা মিতু, আজ সকালে ওর যে ড্রেস টা পরা ছিলো সেটাই পরা।আর তারচেয়ে অবাক হয় সাথে রাজ কে দেখে। রাজ ওর সাথে কি করছে! আর পিক গুলো ঠিক এমন ভাবেই তুলেছে দেখে মনে হচ্ছে ওরা দুজন খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আসলে মিতু যখন গিফট চুস করছিলো ওর শুধু সেদিকেই নজর ছিলো, তাই রাজ যে ওর পিছনে খুব কাছে এসে দাড়িয়ে ছিলো আর টিনা দূর থেকে ওদের ছবি তুলছিলো এসব কিছু ই ওর ধারনার বাইরে ছিলো। কারণ ও তো এসব ভাবেই নি ব্যাপারটা এমন হবে। ফারহান পিক গুলো দেখে কি বলবে বুঝতে পারছে না, তারপর ও টিনাকে আর কোনো কিছু না বলে সোজা ওখান থেকে চলে আসে, ফারহান চলে আসার পর টিনার পিছন থেকে রাজ বেরিয়ে আসে তারপর রাজ টিনা দুজন ই ফারহানের যাওয়ার দিকে তাকে শয়তানি হাসি হাসতে থাকে। এদিকে ফারহান বাড়ি এসে মিতুকে যে সে কোথায় গিয়েছিলো। তা শুনে মিতু বলে যে সে ওর কিছু কেনাকাটা করতে গিয়েছিলো, আর ও ফারহান কে ফোন ও দিয়েছিলো কিন্তু ফারহান ফোন রিসিভ করে নি, ফারহান ফোন বের করে দেখে সত্যি ই মিতু ফোন দিয়েছিলো, কিন্তু মিতুর যে রাজের সাথে দেখা হয়েছিল এটা বলে না দেখে ফারহানের কেমন সন্দেহ হয়, কিন্তু এই ভেবে বলে না যে ফারহান যদি রাগ করে। কিন্তু এই না বলা টা যে ওর জন্য কাল হয়ে দাড়াবে এটা ও নিজেও জানতো না। তারপর আর ফারহান ও কিছু বলে না। এভাবে আরো একসপ্তাহ কেটে যায়। মিতুর শরীর টা ইদানীং খুব খারাপ লাগছে, কোন কিছু খেতে পারছে না, বমি হচ্ছে, মাথা ঘুরছে। একদিন সকালে ফারহান অফিস চলে যাওয়ার পর দিনা আসে মিতুর সাথে দেখা করতে, ও আসার পর মিতুর শরীর খারাপ শুনে ওকে জোর করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়, আজও যাওয়ার আগে মিতু ফারহান কে ফোন দিয়েছিলো কিন্তু ফারহান মিটিং এ বিজি ছিলো এজন্য ফোন রিসিভ করে নি, বাধ্য হয়ে আজ ও ফারহান কে না বলে মিতু দিনার সাথে ডাক্তারের কাছে চলে যায়। আর এদিকে সেদিন ছবি গুলো দেখার পর ও ফারহান মিতুর মধ্যে সবকিছু ঠিক আছে এটা দেখে রাজ আর টিনা আরো বড় প্ল্যান করে, এবার ওরা সবদিক থেকে ঠিক করেই মাঠে নামে, যাতে এবার আর ব্যর্থ না হয়। অফিসে ফারহান মিটিং শেষ করে নিজের কেবিনে বসে ছিলো, তখনই ওর নামে একটা পার্সেল আসে, ফারহান পার্সেল টা হাতে নিয়ে ভাবছে যে এসময় ওর নামে পার্সেল কে পঠাবে। ভাবতে ভাবতে ও পার্সেল টা খুললো ভিতরে কি আছে তা দেখার জন্য। কিন্তু ভিতরে যা আছে তা দেখে যেন ওর পার তলার থেকে মাটি সরে গেলো।ওর বুকের ভিতর যেন কেউ হাতুড়ি দিয়ে মারছে। ও ওর নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারছে না, না চায়তেও ওর চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরছে। ও যেন বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে হাতে থাকা ছবি গুলো দেখে কারণ ছবিগুলো মিতুর আর রাজের অন্তরজ্ঞ মুহূর্তের ছবি।যগুলো রাজ আর টিনা মিলে এডিট করে বানিয়েছে। কিন্তু এই মুহুর্তে ফারহানের মাথায় ওই কথা টা আসছে না যে ছবি গুলো এডিট করাও হতে পারে।ও এগুলো কে সত্যি ভেবে নিয়েছে। বেশ কিছু ক্ষন এভাবে বসে থেকে রেগে ফারহান অফিস থেকে বেরিয়ে সোজা রাজয়ের অফিসে যায় আর ওর কেবিনে ঢুকে রাজের মুখের উপর ছবি গুলো ছুড়ে মারে। রাজ ছবিগুলো দেখে ঘাবড়ে যাওয়ার নাটক করে বলে -------- আরে ফারহান সাহেব, আ আ আপনি এইগুলা ক কি করে পেলেন। -------- তুই কি ভেবেছিস তুই আমার স্ত্রীর সঙ্গে এসব করে বেড়াবি আর আমি জানতে পারবো না😠 বলে ফারহান রাজের কলার ধরে টেনে ওকে মারতে শুরু করলো। ------- তোর সাহস হয় কি করে😠 -------- আারে ফারহান সাহেব, আমার কথা তো শুনুন। দেখুন এখানে সাহসের কিছু নেই। আমি মিতুকে ভালোবাসি। আর আপনার স্ত্রী কে আপনি খুশি করতে পারেন নি তাই আমি ওকে আমার ভালোবাসা র কথা জানালে ও আমার কথায় রাজি হয়ে যায়। আপনি ওকে সেই সুখ দিতে পারেন নি যেটা আমি ওকে দিয়েছি এটা আপনার ব্যর্থতা আমার নয়। মিতু আর আমি এখন আমরা একে অপর কে খুব ভালোবাসি। ও আপনার সাথে থাকতে চায় না, শুধু মাত্র আপনার জন্য আমরা এক হতে পারছি না। দেখুন ও যখন আপনাকে চায়ই না তখন আপনি কেন শুধু শুধু আমাদের মাঝে বাঁধা হয়ে আছেন বলুন তো তারচেয়ে ভালো আপনি আমাদের মাঝ থেকে সরে দাড়ান, তাহলে আমরা ও সুখে থাকবো। রাজের কথা শুনে ফারহান যেন বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে ওর গলা দিয়ে আওয়াজ বের হচ্ছে না, কি বললো রাজ এগুলো মিতু আমার সাথে সুখি নয়, ও আর আমাকে চায় না, ওকে আমি সেই সুখ দিতে পারিনি যেটা রাজ ওকে দিয়েছে। আমার জন্য ওরা এক হতে পারছে না। এতো ভালোবাসলাম ওকে আর ও আমার ভালোবাসার এই প্রতিদান দিলো। না ও আর কিছু ভাবতে পারছে না। ও রাজ কে আর কিছু না বলে ওখান থেকে বের হলে গেল। এদিকে মিতু দিনার সাথে হসপিটালে এসে টেস্ট করে রির্পোটের জন্য বসে আছে। প্রায় আধাঘন্টা পর ওকে আবার ডাক্তারের কেবিনে ডাক পড়লো। ও দিনাকে সাথে নিয়ে ডাক্তারের কেবিনে ঢুকতেই ডাক্তার ওকে বললো --------- কংগ্রাচুলেশনস মিসেস মিতু। আপনি মা হতে চলেছেন। একথা শুনে মিতু কি বলবে ভেবে পাচ্ছে না, ও এতো খুশি হয়েছে যে বলে বোঝাতে পারবে না, খুশিতে ওর চোখে পানি এসে গেল। তারপর ডাক্তার ওকে সাবধানে চলাফেরা করতে বললো এবং ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করতে বললো। আরো কিছু পরামর্শ দিলো, তারপর হসপিটাল থেকে বের হয়ে দিনা কে বিদায় জানিয়ে ও বাসায় চলে আসে। ও বাসায় এসে খুশি মনে ফারহানের জন্য ওয়েট করতে থাকে যে কখন ফারহান বাড়ি আসবে। ও নিশ্চয়ই খুব খুশি হবে যখন শুনবে যে ও বাবা হতে চলেছে। তারপর ও একটা লাল শাড়ি পড়ে আর একটু সাজুগুজু করে ফারহানের জন্য ওয়েট করতে থাকে। আজ ও একদম ফারহানের মনের মতো সেজেছে, ও ভাবছে যে ফারহান কতোটা খুশি হবে। তারপর ফারহানের জন্য ওয়েট করতে করতে অনেক রাত হয়ে যায় কিন্তু ওর আসার নাম নেই, মিতু বেশ কয়েকবার ফোন ও দেয় কিন্তু ফারহান ফোন রিসিভ করছে না। এবার মিতুর বেশ টেনশন হয়, ও কি করবে বুঝতে পারছে না, তারপর প্রায় বারোটারদিকে ফারহান বাসায় ফেরে। কলিং বেলের শব্দ শুনে মিতু তাড়াতাড়ি যেয়ে খুশি মনে দরজা খুলে, কিন্তু দরজা খুলে ফারহান কে দেখে ওর মুখের হাসি উড়ে যায়। কারণ ফারহান কে দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে ও ড্রিয়িং করেছে। মিতু খুব অবাক হয় ওকে এভাবে দেখে। তারপর মিতু এগিয়ে যেয়ে ওকে ধরতে যায় কিন্তু তার আগেই ফারহান মিতুকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় আর বলে ------- খবরদার, তোর ওই নোংরা হাত দিয়ে আমাকে টাস করবি না। -------ফারহান! কি যা তা বলছো। আর তুমি ড্রিয়িং করেছো!!! ------- হ্যা, করেছি। তাতে তোর কি। আমি তো শুধু মদ খেয়েছি আর তুই কি করলি, এতো ভালোবাসতাম তোকে আমি আর তুই কিনা পর পুরুষের সাথে নষ্টামি করে বেড়াচ্ছিস। কি নেই আমার মধ্যে যে তোর অন্য পুরুষ লাগে, সব দিক দিয়েই তো তোকে সুখি রেখেছিলাম, এমনকি বেডেও তো তোকে আমি সব সময় খুশি --------- ছি! ফারহান। কিসব নোংরা কথা বলছো তুমি। --------- ও নোংরা কথা শুনতে খারাপ লাগছে, নোংরা কাজ করতে খারাপ লাগেনি। --------আমি তোমার কথা কিছুই বুঝতে পারছি না, কি করেছি আমি 😭 ------- কিছু ই করিস নি তুই তাই না, তাহলে এগুলো কি বলে সেই ছবিগুলো মিতুর মুখে ছুড়ে মারে। ছবিগুলো দেখে মিতু ও যেন আকাশ থেকে পড়ে, এসব কি ------- কি হলো এখন চুপ কেন, কথা পুরিয়ে গেলো। --------- ফারহান বিশ্বাস করো এ এগুলো মিথ্যা, আমি তো নিজেও বুঝতে পারছি না এসব কি করে ঠাসসসসসস করে এক চড় মেরে দিলো এবার ফারহান মিতুর গালে যার ফলে মিতু ছিটকে নিচে পড়ে গেলো, আর ঠোঁটের কোনা কেটে রক্ত বের হতে লাগলো তারপর ফারহান আবার মিতুর চুলের মুঠি ধরে টেনে তুললো ------- এখন কিছু ই বুঝতে পারছিস না তাই না, -------- আহ! ফারহান আমার লাগছে। চুল ছাড়ো প্লিজ। -------- লাগুক, লাগার জন্য ই তো ধরেছি, তুই আমাকে যে আঘাত দিয়েছিস তার কাছে তো এটা কিছুই না। ------- ফারহান তুমি বিশ্বাস করো আমি সত্যি বলছি, তুমি আমাকে ভুল বুঝচ্ছ। -------- বিশ্বাস!!! হা হা হা তোর মুখ ও আমি আর দেখতে চায় না, বেরিয়ে যা এখান থেকে। --------- কি বলছো তুমি, এতো রাতে কোথায় যাবো আমি😭 --------- কেন তোর নাগরের কাছে, যেয়েই আবার নষ্টামী শুরু করবি। এবার যা এখান থেকে আর কোনো দিন ও তোর এই মুখ আমাকে দেখাবি না। বলে মিতুকে ধাক্কা দিয়ে দরজার বাইরে ফেলে দিয়ে দরজা লাগাতে গেলে কিন্তু তার আগেই মিতু এসে দরজা ধরে ভিতরে যেতে লাগলো কিন্তু ফারহানের কথা য় আবার থেমে গেলো ---------- তুই যদি এখন এখান থেকে না যাস তো আমার মরা মুখ দেখবি। ----------- ফারহান!!!!😭 ------- যা, বের হো এখান থেকে বলে ওকে বের করে দিয়ে দরজা আটকে দিলো। আর মিতু দরজার বাইরে থমকে দাড়িয়ে রইলো৷ ও ভাবছে যে ফারহান ওকে বিশ্বাস করলো না, আর কি বললো ও যদি না যায় তাহলে ফারহানের মরা মুখ দেখবে। কিন্তু সেটা তো মিতু পারবে না।কারণ ফারহান যে ওর জীবন। ওকে বেশ ও যখন চায়ছে তখন চলে যাবো আমি ফারহানের জীবন থেকে অনেক দূরে। থাকবো না আর তোমার জীবনে বাঁধা হয়ে। আমার ভালোবাসা যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে একদিন তুমি ঠিক ই বুঝতে পারবে ফারহান যে আমি নির্দোষ। শুধু একটাই আফসোস আমাদের অনাগত সন্তানের কথা তোমাকে জানাতে পারলাম না😥 তারপর মিতু নিজের চোখ মুছে ওখান থেকে বেরিয়ে রাস্তা দিয়ে হাটতে থাকে। কোথায় যাবে সেটা ও নিজে ও যানে না, শুধু জানে ওকে ফারহানের থেকে অনেক দূরে যেতে হবে কারণ ফারহান যে তাই চায়। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ করে ওর সামনে কতকগুলো ছেলে এসে দাঁড়ালো, দেখেই বোঝা যাচ্ছে বকাটে ছেলে, মিতু এবার কি করবে বুঝতে পারছে না, তাই আর কোন উপায় না পেয়ে ও পিছাতে পিছাতে ছুট মারলো, ছেলেগুলো ও ওর পিছনে ছুটছে। মিতু আরো জোরে ছুটতে শুরু করলো হঠাৎ করে ওর সামনে একটা গাড়ি চলে আসলো, আর ও যখন গাড়ি টা কে খেয়াল করলো ততক্ষণে গাড়ি টা ওর একদম কাছে চলে এসেছে তাই ও সরতে ও পারে নি, গাড়িটার সাথে জোরে এক ধাক্কা খেয়ে ছিটকে নিচে পড়ে যায়, ওর রক্তাক্ত দেহটা মাটিতে অসড় হয়ে পড়ে থাকে। . . . . 🌿 চলবে............

k@kaiser

Apon manus আপন মানুষ – শেষ পর্ব দুপুরে খাওয়ার পর একটু বিছানায় শুয়ে পড়ি। ঘুম আসেনা চোখে। শুধু টেনশন হচ্ছে আমার। আমি বুঝতে পারছি জীবনের বড় একটা ভুল পথে অগ্রসর হচ্ছি আমি। একটুপর মৌ আমার কাছে এসে বসলো। মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে বউ আমার। হঠাৎ মোবাইলটা বেজে উঠলো! রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে বললো -তাড়াতাড়ি মাঠে আসো। এই বলেই ফোন কেটে দিলো জুুঁই। আমি ফোন রেখে চেয়ে আছি মৌ এর মুখের দিকে। শত ব্যথা বুকে চেপে আমার মুখের পানে চেয়ে আছে মেয়েটা। আমি উঠে আলমাররির ড্রয়ার থেকে টাকা বের করলাম। প্যান্ট, শার্ট পড়ে বের হওয়ার জন্য মৌ এর সামনে আসলাম। অসহায়ের দৃষ্টিতে মৌ চেয়ে আছে আমার দিকে। -আমি যাচ্ছি। তুমি এদিকটা সামলে নিও মৌ। -হুম যাও। তবে নিজেকে দেখে রেখো। যেখানেই যাও চিন্তা, ভাবনা করে যেও। আর যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরে এসো। ওনাকে নিয়েই এসো। আমি না হয় তোমার মা, বাবাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করবো। আর সব সময় ফোনে যোগাযোগ রেখো প্লীজ। কোন কিছু হলেই ফোন করবে আমায় আমি ঠিকাছে? কথাগুলো একটানে বলে মেয়েটা চেয়ে আছে আমার দিকে। জানি কথাগুলো অনেক কষ্টে বলেছে। আমি ওর কাছে গিয়ে ওর থুতনিটা ধরে বললাম আচ্ছা। -আমি জানি সবচেয়ে বড় ভুলটা করতে যাচ্ছি আজ(আর সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা তোমারি করলাম)। আমি দিশেহারা হয়ে গেছি মৌ আমি তোমায় খুব বেশি ঠকিয়ে দিলাম। ক্ষমা চাওয়ার মতো যোগ্যতাও যে নেই আমার। এই বলে ঘর থেকে বের হলাম আমি। মাঠে গিয়ে জুঁই কে দেখতে পেলাম। জুঁই আমায় দেখেই বলল কোথাও যেতে পারবো না আমি। আমাকে তোমার বাড়িতে নিয়ে যাও। -কি বলছো এসব পাগলের মতো?! এই মুহুর্তে তোমায় বাড়িতে নিয়ে গেলে কেউ মেনে নেবে না। এটা অসম্ভব। -আমি কিছুই শুনতে চাই না। আমায় বিয়ে করেছো, এখন বউ হিসেবে বাড়িতে নিয়ে যাবে এটাই শেষ কথা। -দয়া করে কয়েকটা দিন সময় দাও আমায়। এর মধ্যে একটা ব্যবস্থা করে তারপর নিয়ে যাবো। -আচ্ছা ঠিক আছে। তবে তিনদিন সময় দিলাম। এরমধ্যে আমায় বউ হিসেবে তোমার বাড়িতে নিয়ে যাবে। জুঁই কথা শুনে কিছুক্ষন ভেবে বললাম -আচ্ছা বাড়িতে যাও। আমি এদিকটা দেখছি। এই বলে আবার বাড়িতে চলে এলাম। এসে দেখি মৌ মায়ের পাশে বসে মা”র মাথায় তেল দিয়ে দিচ্ছে। আমি সোজা ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লাম। আমার মাথায় কিছু কাজ করছে না। তবে কিছু একটা আমি খুব ভালো ভাবেই বুঝতে পারছি। একটুপর মৌ ঘরে এলো। আমার পাশে বসে মাথায় হাত দিলো। -কিছু হয়েছে তোমার, উনি দেখা করেনি? আমি উঠে বসলাম বিছানায়। মৌ এর মুখোমুখি বসে ওর চোখের দিকে তাকালাম। আমার চাওয়া দেখে ও মাথা নিচু করে আছে। -আচ্ছা মৌ’ আমায় খুব ভালোবাসো তাইনা? -এসব বলছো কেনো, কি হয়েছে? -বলো আগে ভালোবাসো কিনা? -তুমি আমার স্বামী। স্বামী হলো বিয়ের পর যে কোন মেয়ের কাছে সবচেয়ে # আপন_মানুষ # আপন_মানুষকে কে না ভালোবাসে বলো? -আমার বুকে আসবে একটু? -হুম, তুমি যে আমার স্বামী। তুমি চাইলে সবই করবো। (লজ্জালজ্জা কন্ঠে) -তবে এই যে আমি শুয়ে পড়লাম। তুমি এসে আমার এই বুকে মাথা রেখে একটু শোও। এর বেশি কিছুই চাইবো না। শুধু তোমায় বুকে নিয়ে একটু শান্তিতে ঘুমাবো। -ঠিক আছে। মৌ আমার বুকে মাথা রেখে একটা হাত দিয়ে আমার মাথার চুলে বিলি কাটছে। আমি চোখ বুঝে ঘুমানোর চেষ্টা করছি। একটুপর কখন ঘুমিয়ে গেছি জানিনা। সন্ধ্যার আগে ডাকছে আমায় মৌ -মা ভাত নিয়ে বসে আছে। চলো ভাত খাই। উঠে হাতমুখ ধুয়ে পরিবারের সবাই একসাথে বসে খাচ্ছি। কি সুন্দর সুখ, শান্তির দৃশ্য! ভালোবাসায় ভরা সংসার। খাওয়া, দাওয়ার পর আমি ঘরে ঢুকতে গিয়ে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে গেলাম! মৌ দৌড়ে এসে আমায় জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে মাকে ডাক দিলো। মা, বোন আর বাবা দৌড়ে আসলো। আমি তখন অচেতন। আমাকে তাড়াতাড়ি গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নেয়া হলো। ডাক্তারের সাথে বাবা কথা বলল। ডাক্তার আমায় পরীক্ষা করার জন্য নিয়ে গেলো। আমায় পরীক্ষা, নিরীক্ষা করে ডাক্তার বাইরে গেল। এবং তিনি বললেন আমার ভিতরে বড় ধরনের কিছু হয়েছে। ভালো হাসপাতালে পাঠাতে হবে। আমার বাবা তখন ডাক্তারকে বললেন কোন হাসপাতালে নিতে হবে? কি করতে হবে করুন। যতো টাকা লাগে লাগোক আমার ছেলের জন্য। তখন ঐ ডাক্তার আমাকে নিয়ে বগুড়া চলে আসলেন। সেখানে পরীক্ষা করার পর জানিয়ে দেয়া হলো আমার দুটো কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে!! আমার বাঁচার সম্ভাবনা কম!! এই খবর শুনে আমার পরিবারের সবাই পাগল হয়ে যায়। হঠাৎ এমন কেনো হলো আমার?! আমার মা, বোন সবাই আসে আমার কাছে। ওরা আমায় জড়িয়ে ধরে কাঁদে। আর ঐ মৌ নামের মেয়েটা কাঁদেনা সহজে। ও আমার কাছে থাকে। আমার হাত পা টিপে দেয় সবসময়। কখনো কখনো আমার মুখের কাছে মুখ নিয়ে কপালে একটা চুমু দিয়ে বলে তোমার কিচ্ছু হবেনা দেখো। আমি আছি তো পাগল এই বলে মেয়েটা আমায় জড়িয়ে ধরে। পাগলের মতো বলে আমার দুটো কিডনি আমি তোমায় দিয়ে দেবো দেখো তুমি বাঁচবে আমি তোমার কিচ্ছু হতে দেবো না। এসব বলে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেনা মৌ। হাউমাউ করে কেঁদে ফেলে। ওর কান্না আর আহাজারি দেখে মনে হয় আমিই সেই অভাগা যে কিনা এমন একটা বউ পেয়েও তাকে ভালোবাসতে পারিনি। তার ভালোবাসার মূল্য দিতে পারিনি। মনের অজান্তে দু চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে আমার। আজ তিনদিন হয়ে গেল হাসপাতালে আছি। আশেপাশের গ্রামের সবাই জানে “” আমি আর বেশিদিন বাঁচবো না। তাই সবসময় গ্রামের এবং আশে পাশের চেনা’জানা সবাই আমায় শেষবারের মতো দেখতে আসে। অথচ বারবার খবর পাঠানোর পরও আমার ভালোবাসার মানুষ জুঁইের মুখটা দেখলাম না। খুব বেশি কষ্ট হচ্ছে আমার। ওকে একটা নজর দেখবো। শেষমেশ আমি নিজেই জুঁই কল দিলাম -হ্যালো জুঁই, আমি মনে হয় আর বাঁচবো না। তুমি একবার দেখে যাও আমায়। তুমি দয়া করে আমাদের বিয়ের কথাটা কাউকে বলো না। আমার জীবনটা মূল্যহীন হয়ে যাবে। -তুমি তো আমার বউ। এ কথা বলছো কেনো? -কিসের বউ? দেখো এসব কাউকে বলবে না কিন্তু। -আচ্ছা বলবো না। তবে আমায় একটা কিডনি দান করবে? হয়তো কিডনি পাল্টালে আমি বাঁচবো। -দেখো তুমি এখন মৃত্যুর দুয়ারে। সেখান থেকে কেনো আরেকজনের বিপদ আনতে চাও? -মানে? তুমি আমায় বাঁচাতে চাও না। -ডাক্তার বলেছে যে তুমি বাঁচবে না। আমি বাঁচাবো কি করে? তোমার হায়াত না থাকলে তুমি মারা যাবে এটাই নিয়ম। এই বলে ফোন রেখে দেয়! জুঁই। এইবার আমার চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। মানুষ এতোটা নিষ্ঠুর হতে পারে!! ভালোবাসার মানুষের মৃত্যুর কথা জেনেও মানুষ এমন আচরন করতে পারে?! কাকে ভালোবেসেছিলাম আমি! এই কি ওকে পাগলের মতো ভালোবাসার প্রতিদান? আজ বুঝতে পারছি বারবার বলার পরেও কেন বাবা মা জুঁইয়ের কথা শুনতে পারেনি। তাকে বউ করে আনতে চায়নি আমার সাথে। কারন তারা ওর পরিবার ও ওর সম্পর্কে জানতো হয়তো। আর আমি কিনা সেই মেয়েকেই বিয়ে করলাম সবার অজান্তে। ঘরে একটা লক্ষি বউ রেখেও আমি অন্ধ ভালোবাসার মোহে পড়ে আরেকটা বিয়ে করলাম। নকল মানুষকে আপন ভেবে আসল মানুষটাকে দুরে ঠেলে দিতে চেয়েছিলাম। আগামিকাল আমার অপারেশন হবে। আমার বউ মৌ আর মা একটা করে কিডনি আমায় দান করতে চেয়েছে। অপারেশনে লাভ যদিও খুব একটা নাই। কারন ৮০% মৃত্যুর সম্ভবনা আমার। আমি বেডে শুয়ে আছি। আমার মাথার পাশে বসে আছে আমার বউ মৌ। হঠাৎ মা, বাবা আর ছোটবোন রুমে ঢুকলো। ঢুকে বাবা সবার উদ্দেশ্যে বলল তোমরা একটু বাইরে যাও। আমি আমার ছেলের সাথে আমার ব্যক্তিগত গোপন কিছু কথা আছে। মা, বোন আর মৌ বাইরে চলে গেলো। আমি বাবার দিকে চেয়ে আছি অবাক দৃষ্টিতে! কি এমন কথা! যা আমায় একান্তে বলবে বাবা? -কি বলবেন আব্বা বলেন? (আমি) -তুমি কি বুঝতে পেরেছো কিছু? (বাবা) -হা, আমার কিডনি নষ্ট হয়নি। এটা আপনার নাটক ছিলো জুঁইয়ের আসল রুপটা প্রকাশ পাওয়ার জন্য তাইনা আব্বা? -হা, তবে আরেকটা সত্য লুকিয়ে আছে। তা বাবা হয়ে ছেলেকে কিভাবে বলবো বুঝতে পারছি না। -কি সেটা? বলেন। -তার আগে বলো, আমি যা জানতে চাইবো তার সত্য জবাব দেবে কিনা? -হা দেবো, বলেন। -তুমি সব ধরনের নেশা করো কতোদিন ধরে? -আব্বা ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। যেদিন প্রথম আপনাদের কাছে জুঁইয়ের কথা বলেছিলাম আর সেদিন আপনারা সরাসরি ওকে ভুলে যেতে বলেন। তারপরেও কয়েকদিন বলার পরেও যখন মেনে নিলেন না ঠিক তখন থেকেই আমি আপনাদের না জানিয়ে নেশার জগতে চলে যাই। আমি মদ সহ সব ধরনের নেশার জিনিষ পান করতাম নিয়মিতই। আমি একটা মেয়ের জন্য আপনাদের না জানিয়ে এই অন্যায়টা করেছি। আমায় দয়া করে ক্ষমা করে দেন আব্বা। এসব বলে বাবার দিকে তাকালাম… ওনার চোখে পানি! -কি হয়েছে আব্বা, কাঁদছেন কেনো? -আমরা তো তোমায় কোনকিছুর অভাব দেইনি কখনো। শুধু ঐ একটা মেয়েকে ভুলে যেতে বলেছিলাম। কারন মেয়েটির পরিবার সম্পর্কে জানতাম। ওরা ভালো মনের মানুষ না, স্বার্থপর। আর তুমি আমাদের না বলেই এমন জঘন্য পথ বেছে নিলে? জানো এতে কতো বড় ক্ষতি হয়েছে তোমার? -কি হয়েছে আমার? বলেন আব্বা। -এই নাও, রিপোর্ট টা পড়ে দেখো। আমি কিডনি নষ্টের ব্যপারটা রিপোর্ট না দেখেই ডাক্তার কে বলতে বলেছিলাম যে তোমার ২টা কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে এইটা জানাই দেওয়ার জন্য । কারন এতে তুমি বুঝতে পারবে কে আপন_মানুষ ও কে নকল ভালোবাসার মানুষ। কে তোমার আপন, কে তোমার পর। হা বুঝতেও পেরেছো এখন। কিন্তু আসল রিপোর্টটা পেয়ে… আর বলতে পারছে না বাবা। বাচ্চাদের মতো কাঁদছে। আমি রিপোর্ট টা হাতে নিয়ে পড়তে লাগলাম… আমার এক ধরনের ক্যান্সার হয়েছে। তবে সময়মতো এর সঠিক চিকিৎসা করালে এই ক্যান্সার নাকি ভালো হতে পারে। তার আগে একটা অপারেশন করাতে হবে। প্রচুর টাকা লাগবে এই চিকিৎসায়। তারচেয়ে বড় কথা এই অপারেশনে মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।কারন অপারেশন সাকসেস হলে অনেকটা বেচে থাকার আশ্বাস পাওয়া জাবে। -রিপোর্ট পড়ে খুব বেশি অবাক লাগছে না আমার। কারন বেশ কিছুদিন হলো আমার কেমন জানি লাগে। মাঝে মধ্যে ভিতরে কষ্ট হয়। কখনো কখনো গলা থেকে মুখ দিয়ে রক্ত আসে। কখনো আবার মাথা ঘুরে পড়ে যাই। আবার কখনো ভিতরের যন্ত্রনায় একা একা লুকিয়ে কাঁদি। কাউকে বলতে পারিনি। বুঝতে পারতাম আমার ভিতরে বড় কোন সমস্যা হয়েছে। কিছুদিন হলো তাই সব নেশা বাদ দিয়ে শুধু সিগারেট টানি। তাও খুব বেশি না। আমি ভেবেছিলাম সব ছেড়ে দিয়ে সবার অজান্তে নিজের চিকিৎসা করাবো।কারন আজ আপন_মানুষ গুলোর জন্য হাজার বছর বাচতে ইচ্ছে করছে। . বাবা আমার কাধে হাত রেখেছে। -আমি ব্যপারটা এখন না বললেও পারতাম খোকা। কিন্তু ঘরে একটা মেয়েকে এনে দিয়েছি। মেয়েটা খুবই ভালো। আমি জানি তুমি ওকে স্ত্রী হিসেবে মেনে নাওনি। আমি চাই আল্লাহ্ যতদিন তোমায় ভালো রাখে অন্তর ততোদিন মেয়েটাকে আপন করে নাও। আল্লাহর কাছে নামাজ পড়ে দোয়া করো তোমার রোগটা যেনো ভালো করে দেয় ওই মালিক। আর তোমার চিকিৎসা আমি করাবো। যতো টাকা লাগে লাগোক। প্রয়োজনে সব জমি বিক্রি করে দেবো। -হা আব্বা। মৌ এর জন্যই আজ খুব বেশি কষ্ট হচ্ছে। মাত্র কয়টা দিন হলো ও আমাদের বাড়িতে এসেছে। অথচ কতোটা ভালোবাসে ও আমায়। -হা খোকা। আর এই ব্যাপারটা তোমার মা বা পরিবারের অন্য কাউকে জানাবে না কিন্তু। আর আজকেই তোমাকে বাড়িতে নিয়ে যাবো। তবে তোমার যে ক্যান্সার হয়েছে এটা পরিবারের কাউকে জানানো দরকার নাই। সবাই এই নিয়ে টেনশনে থাকবে। শুধু কিডনি নষ্টের ব্যাপারটা মিথ্যা এটাই বাড়ির লোক জানবে। তবেঐ জুঁই নামের মেয়েটাকে ডিভোর্স না দেয়া পর্যন্ত এটা সবাইকে জানানোর দরকার নাই। . বাড়িতে এসে দুইদিন পরই কোর্টে গিয়ে আগে জুঁই নামের মেয়েটাকে মুক্তি দিলাম। ডিভোর্স দিলাম ওকে। আজ আমি চিন্তা মুক্ত। আজকেই আমি আমার বউ “মৌ” কে বউয়ের অধিকার দেবো। এখনো আমাদের স্বামী স্ত্রীর মিলন হয়নি। আজকেই হবে আমাদের নতুন করে বাসর রাত। . রাত আট”টা বাজে। খাওয়া দাওয়া সেরে ঘরে ঢুকলাম। একটুপর মৌ এলো ঘরে,,,ওকে কাছে ডাকলাম… -আজকে বউ সাজবে তুমি। নিজ হাতে তোমায় সাজিয়ে দেবো আমি। আজকে হবে আমাদের বাসর রাত। মৌ লজ্জায় মাথা নিচু করে আমার কাছে আসে। আমি ওকে নিজ হাতে শাড়ি, গয়না পড়িয়ে বউ সাজিয়েছি। ও হাসছে মিটিমিটি। সাজানো শেষে ওকে বললাম তুমি খাটে গিয়ে বসো। খাটে বসে আছে আমার লক্ষি বউ :::::”মৌ। আমি উঠে ওর ঘোমটা সরিয়ে দিলাম। ঠিক একটা পরী”কে দেখতেছি আমি। কি সুন্দর লজ্জাময় হাসি ওর। -এই মৌ… -হুমম বলো… -আমি তোমায় খুব কষ্ট দিয়েছি এই কয়টা দিন তাইনা? -নাহ আমি কষ্ট পাইনি। গভীর রাতে যখন তুমি উঠে আমার কপালে একটা চুমু দিতে আমি তখন ঘুমের ভান করে থাকতাম। তখন আমার সব কষ্ট দূর হয়ে যেতো। যখন ঘুমের মধ্যেই তোমার ঐ বুকে জড়িয়ে নিতে তখনই বুঝতাম এই লোকটা অনেক ভালো। শুধু আমায় বউ হিসেবে মেনে নিতে পারছে না পরিস্থিতির কারনে। তোমার ভালোবাসার মানুষ যদি তোমার হতো তবে সত্যিই আমি সব মেনে নিতাম। এমন একটা মানুষের ঘরে চাকরানী হয়ে থাকলেও সুখ। এই কথাগুলো বলে মৌ আমার বুকে মাথা রাখে। আমি ওকে বুকের উপর নিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়ি। ওর মুখটা আমার মুখের সামনে। কিছুটা লজ্জাময় হাসি দিয়ে আমায় বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে। আমি ওর মিষ্টি ঠোটের দিকে তাকাই। ও যেনো আমার চাহনি আর চাওয়াটা বুঝে ফেলে। আমাকে পাগল করে দিতে থাকে। আমিও আমার স্ত্রীকে সুখের সাগরে ভাসিয়ে দিতে থাকি। অবশেষে শুরু হয় আমাদের নতুন জীবন। . ভোরে উঠে চেয়ে আছি মৌ এর ঘুমময় মুখের দিকে। আগামিকাল আমার অপারেশন। হয়তো হতে পারে এটাই আমার শেষ দিন। তাই এই সত্যটা ওকে জানানো দরকার। ওকে ধীরে ডাক দিয়ে বুকে জড়িয়ে নিলাম। ধীরে ধীরে ওকে সব খুলে বললাম। ও আমায় আরেকটু শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলে… তোমার কিচ্ছুই হবেনা। আমি নামাজ পড়ে তোমার জন্য দোয়া করবো। আল্লাহর কাছে আমার স্বামীর প্রান ভিক্ষা চাইবো। দেখবে তুমি ঠিকই সুস্থ হয়ে যাবে। -হা পাগলি তাই যেন হয়। আল্লাহ্ আমাকে ভালো করলে আমরা তার দেখানো পথেই সংসার শুরু করবো। আমার “আপন_মানুষ” কে বুকে নিয়ে নতুন করে জীবন সাজাবো। এইভাবে কাটিয়ে দিব বাকি জীবন যেখানে আমার ভালোবাসা টুকু শুধুই তোমার……….. পরের দিনই অপারেশন হয়েছিল ৷ আমি জানি মৌ একটু ঘুমায়নি ৷ সারা অপারেশন থিয়্যাটার এর সামনেই বসে ছিল মা-বাবার সাথে ৷ আল্লাহর রহমতে অপারেশন সাকসেসফুল হয় ৷ ৪৮ ঘন্টা ছুই ছুই, ,,আমার জ্ঞান ফিরেছে ৷ সবাই অনেক দুঃচিন্তায় ছিল ৷ মায়ের কাছে শুনেছি মৌ নামাজ আমার জন্য অনেক দোয়া করেছে ৷ কান্না-কাটি করে মোনাজাত করেছে আল্লাহর দরবারে ৷ এমন ওর জীবনের বিনীময় আমার জীবনটা ভিক্ষা চেয়েছে আল্লাহর কাছে ৷ আর একটু পরপরই ডাক্তাকদের কাছে জানতে চেয়েছে আমার কী অবস্থা, আমি কি আমার স্বামীর কাছে যেতে পারবো? ডাক্তারের জবাবের অপেক্ষায় ছিল, কতোক্ষনে আমার কাছে আসবে ৷ অতপর,আমার জ্ঞান ফিরতেই অনুভুব করলাম কেউ একজন আমার হাত শক্ত করে ধরে কান্না করতেছে ৷ চোখ খুলতেই দেখি আমার পাগলী বউটা “মৌ ” চোখে পানি আর কান্না ভেজা কন্ঠেই আমাকে বলতে লাগলো, ,,বলেছিলাম তোমার কিচ্ছু হবে না ৷ আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করেছে ৷ তারপর আমি ঈশারায় একটু কাছে আসতে বললাম ৷ শরীর অনেকটা দূর্বল হলেও ওকে জড়িয়ে ধরতে আমার একটুও কষ্ট হয়নি ৷ ওর অনিদ্রা আর কান্না ভেজা চেহারা দেখে কখন যে আমার চোখে পানি চলে আসলো টেরই পাইনি ৷ তবে এই অশ্রু কষ্টের নয় এই অশ্রু জীবন ফিরে পাওয়ার সুখ আর বাকীটা জীবন মৌ এর সাথে কাটাতে সেই সুখেরই বহিঃপ্রকাশ ৷ এতোক্ষনে মৌ এর মাথা আমার বুকের সাথে মিশে গেছে ৷ আস্তে করেই বল্লাম মৌ তুমি আমার সবচেয়ে বড় আপন_মানুষ অতপর,মৌ বললো তুমি আমার আপনা’র চেয়েও বেশী আপন_মানুষ শুরু হলো তাঁদের নতুন জীবন, ,,জনম জনমের জন্য তাঁরা দুজন দুজনার আপন_মানুষ *** ___________________**সমাপ্ত**________________ ___ গল্পটা সম্পূর্ণই কাল্পনিক ছিলো! তবে এ গল্প থেকে কিছু শিক্ষা নেওয়ার আছে আমাদের। আমরা যুবক, যুবতীরা অনেক সময় কারো চেহারায় পাগল হয়ে তাকে অন্ধের মতো ভালোবাসি। অথচ তার সম্পর্কে কোনকিছুর জানার প্রয়োজন মনে করিনা। আবার মা, বাবার কথাও শুনিনা পরে।কিন্তু মা, বাবা বিষয়ে খোঁজ নিয়েই যদি কোন এক সিদ্দান্ত দেয়। কিন্তু আমরা মনেকরি তারা কেন মেনে নেয় না? অবশেষে আমরা গল্পের নায়কের মতো নেশায় ডুবে যাই প্রকাশ্যে বা নিরবে। তারপর মৃত্যুর পথযাত্রী হয়ে যাই প্রিয় মানুষদের ছেড়ে। আসুন সবাই এই দিকে একটু খেয়াল করে চলি। আর মা, বাবার অজান্তে বা তাদের অবাধ্য হয়ে কোন কাজ না করি। কারন তারা কখনোই আমাদের খারাপ চায়না। মনে রাখবেন অহংকারী শামুক গুলোই শুকনাই পড়ে মরে। মানুষ কে ভালোবাসার পূর্বে ঠিক করে নিবেন যে সেই মায়া ত্যগ করতে পারেন কিনা। যদি এমন হারাম ভূলে যাওয়া দায়। তবে এইসব বিয়ের পূর্বে হারাম প্রেম থেকে দূরে থাকায় উত্তম । আর মৌ এর মত মেয়ে জেনো বউ হয় সবার ঘরে (আমিন) সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সবসময়। পরবর্তীতে আরো ভালো ভালো পোষ্ট নিয়ে আপনাদের সাথে থাকবো ৷ “ইনশা-আল্লাহ

k@kaiser

দুই বোনের এক বয়ফ্রেন্ড গল্পঃ দুই বোনের এক বয়ফ্রেন্ড পর্বঃ০১ লেখক ঃকাইছার একটি স্কুলের একজন ছেলে আরেক জন মেয়ে একসাথে একই ক্লাসে পড়ে। ছেলেটি মেয়েটিকে কয়েকদিন দেখার পর ছেলেটি মেয়েটিকে ভালোবেসে পেলে। একদিন মেয়ে টিকে ছেলেটি বলে আমরা কী বন্ধু হতে পারি।মেয়েটি বললো হ্যাঁ হতে পারি।তারা দুই জন বন্ধুতের সাথে কথা বলতে থাকে। ৩-৪ দিন পর ছেলেটি মেয়েটির ফেসবুক আইডি চেয়েছিলো।মেয়েটি বললো কেন? ছেলেটি বললো এমনি কথা বলার জন্য। মেয়েটি ছেলেটিকে ফেসবুক আইডি দিয়ে দিলো। কিন্তু মেয়েটির আরেকজন বড় বোন ছিলো সে B.A ফাইনাল দেবে।মেয়েটি যে ফেসবুক আইডি দিয়েছিলো সেটা তাঁর বড় বোন ও ব্যবহার করতো।অর্থ্যাৎ তাঁরা দুই জনে একই আইডি use করতো।ছেলেটির ফেসবুক আইডির সুন্দর একটা নাম ছিলো।ছেলেটির ফেসবুক আইডির প্রোপালে ছিলো একজন ছেলের ছবি( যা ছেলেটির নয়)।মেয়েটির বড় বোন ছেলেটির ফেসবুক আইডিতে দেওয়া সুন্দর নাম আর ছবি দেখে মেয়েটির বড় বোন কাশ খেয়ে গেল ছেলেটির উপর। ( 👉এই গল্প গুলো পড়ে লাইক, কমেন্ট না করলে আর লেখতে মনে চায় না। তাই পরবর্তী পর্ব পেতে হলে লাইক, কমেন্ট করুন👈) বিঃদ্রঃ কোনো লেখার বানান ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

k@kaiser

পাঠিকা যখন প্রেমিকা❤ 😍পাঠিকা যখন প্রেমিকা❤ পর্বঃ১ম! . ফারিয়া :- হ্যালো ভাইয়া। আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন আপনি......????? পিয়াসঃ- আলহামদুল্লিাহ্ ভালো আছি আপনি...??? ফারিয়া ঃ- আপনার নাম কি পিয়াস ভাইয়া.....???? পিয়াসঃ- জি আমার নাম পিয়াস। ফারিয়া ঃ- আসলে আপনার নামটা খুব সুন্দর। পিয়াসঃ- শুকরিয়া। ফারিয়া ঃ- আচ্ছা ভাইয়া আপনি যদি কিছু মনে না করেন তাহলে কি আমি আপনাকে মেসেঞ্জারে ফোন দিতে পারি। । কেন জানি মানা করতে পারলাম না। পিয়াসঃ- ওকে দেন। । এভাবেই পিয়াস আর ফারিয়ার মেসেঞ্জারে প্রথাম কথা হয়।একসময় তাদের মাঝে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠে। । আপনাদের তো আমার পরিচয়টাই দেওয়া হয় নাই। আমি হলাম পিয়াস। সবে মাত্র HSC দিব। আর যার সাথে এতক্ষণ কথা বলছিলাম সে হলো আমার জীবনের সবচেয়ে দামি জিনিস। তার নাম হলো ফারিয়া। চলুন এখন গল্পে ফেরা যাক। । পিয়াসঃ- হ্যালো। কেমন আছেন.....??? ফারিয়াঃ- আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি আপনি....??? পিয়াসঃ- আপনাকে একটা কথা বলবো যদি কিছু মনে না করেন.....???? ফারিয়া ঃ- হুমমম বলেন.....??? ( অনেক আগ্রহ নিয়ে বললল) পিয়াসঃ- আসলে কেন জানি আপনার সাথে কথা বলতে আমার খুব ভালো লাগে। একটি দিন যদি আপনার সাথে কথা না বলি তাহলে কেন জানি খুব খারাপ লাগে।😥😥😥 ফারিয়াঃ- ওওওহ তাই। একটা সত্যি কথা বলব.....??? পিয়াসঃ- হুমমম বলেন.......☺☺☺ ফারিয়াঃ- আসলে আমারো কেন জানি খুব ভালো লাগে আপনার সাথে কথা বলতে। আপনার সাথে কথা না হইলে আমারো খুব খারাপ লাগে আমার। পিয়াসঃ- তাই বাবু........????? ( ভয়ে ভয়ে বাবু বললাম) ফারিয়াঃ- ওই বাবু কে হুমমমম......????? 😁😁😁 পিয়াসঃ- আসলে আপনাকে কেন জানি বাবু বলতে মন চাইলো তাই বললাম। 😥😥😥 । এভাবেই তারা অনেকদিন কথা বলতে থাকে। একসময় তাদের দুজনের মনে ভালোবাসার জন্ম হয়। কিন্ত তারা কেউ যানে না যে তারা দুজন দুজনকে খুব ভালোবাসি। কেউ কারো কাছে তা প্রকাশ করেনা। কারণ দুজনেই একই ভয় পায় যদি ও আমাকে ছেড়ে চলে যায়। এইরকমি একদিন পিয়াস ফারিয়াকে বললো.... । পিয়াসঃ- বাবু তোমাকে একটা কথা বলবো। তুমি যাদি রাগ করো তাহলো কিন্তু বলবো না.......😥😥😥 ফারিয়াঃ- না আপনি বলেন......???? ☺☺☺ ( ফারিয়া এখনো মাঝে মাঝে আমাকে আপনি বলে ডাকে) পিয়াসঃ- আসলে আমি আপনাকে ভালোবাসি... 💗💗 ফারিয়াঃ- আমিও তো আপনাকে ভালোবাসি। পিয়াসঃ- সত্যি বলছেন......???🙂🙂🙂 ( অনেক আগ্রহ নিয়ে) ফারিয়াঃ- হুমমম তবে ভালো বন্ধু হিসেবে। । এই কথাটা শুনার পর পিয়াসের মন খুব খারাপ হয়ে গেলো সে কত কিছু ভেবেছিলো। কিন্তু সেগুলো কিছুই হলো না। পিয়াস আর ফারিয়া আরো কিছুক্ষণ কথা বললো তারপর পিয়াস বিছানায় গিয়ে শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগলো। । ফারিয়াকি আমাকে শুধু বন্ধু মনে করে ভালোবাসে....???।কিন্তু আমিতো তাকে সত্যি খুব ভালোবাসি। কিন্তু ফারিয়াকে যদি বলি যে আমি তোমাকে সত্যি ভালোবাসি তাহলে যদি ফারিয়া আমাকে ছেড়ে চলে যায়। তখন আমি কী করবো। আমি কাকে নিয়ে বাচব।ফারিয়া এখন আমার জীবনের একটি অংশ হয়ে গিয়েছে তাকে ছাড়া যে আমি কিছু ভাবতে পারি না। তবে কি আমি কখনো ফারিয়াকে আমার মনের কথাটি বলতে পারবো না। আল্লাহ আমাকে তুমি সাহায্য করো। আমি যে ফারিয়াকে খুব ভালোবাসি। আমি যে ওকে নিজের জীবন সঙ্গী হিসেবে চাই। আমি ওকে হারাতে চাই না আল্লাহ। । পিয়াস এসব ভাবছে আর কান্না করতেছে। পিয়াস কান্না করতে করতে তার বালিশ ভিজিয়ে ফেলেছে। । আর এদিকে ফারিয়া ভাবতেছে......... । আমিতো পিয়াসকে ভালোবাসি তাহলে কেন ওকে বলতে পারি না। আমি যে ওর সাথে কথা না বলে থাকতে পারি না। আচ্ছা পিয়াস কি আমাকে ভালোবাসে যেমনটা আমি ওকে ভালোবাসি। তবে কি আমি ওকে বলে দিব যে আমি ওকে ভালোবাসি।কিন্তু ও যদি আমাকে খারাপ মনে করে। না না আমি বলবো না। ( মন খারাপ করে বললো) । এভাবেই তাদের কথা চলতে থাকে। কেউ কারো সাথে কথা না বলে থাকতে পারেনা। মনে হচ্ছে যতদিন যাচ্ছে তাদের ভালোবাসে বারতেছে। তারা একে ওপরের থেকে দূরে থাকলেও তাদের মাঝের ভালোবাসাটা কোনদিন কমেনি বরং বারতেছ...... এভাবেই দেখতে দেখতে ১ টি মাস কেটে গেলো। কেউ কাউকে ভালোবাসার কথা বলেনা। কিন্তু দুজনের মাঝেই প্রিয়জনকে হারানোর ভয় কাজ করতেছে। । এমন একদিন ফারিয়া আর পিয়াস কথা বলতেছিলো তখনি হঠাৎ করে ফারিয়া বললো....... । ফারিয়াঃ- আচ্ছা পিয়াস তুমি কি আমাকে শুধু বন্ধু মনে করে ভালোবাসো না প্রেমিক আর প্রেমিকার মতো....?? প্লিজ তুমি সত্যি করে বলো.....????? । আমি কি বলবো ভাবে পাচ্ছি না। কিন্তু একনা একদিনতো সত্যি কথাটা বলতেই হবে। না আমি আজকে ফারিয়াকে সব সত্যি কথা বলে দিব। আমি ওকে হারাতে চাই না। । পিয়াসঃ- আসলে আমি তোমাকে বন্ধু মনে করে ভালোবাসি না। আমি তোমাকে একজন প্রেমিক আর প্রেমিকার মতো ভালোবাসি। আমি তোমাকে হারাতে চাই না তাই কোন দিন তোমাকে ভালোবাসি কথাটা বলার সাহস পাইনি। জানো প্রতি রাতে আমি তোমার কথা মনে করে কান্না করি। আর আজকে তুমি যখন বললা যে আমি তোমাকে কি মনে করি ভালোবাসি তাই আমি আর নিজেকে আটকে রাখতে পারলাম না। তোমাকে সব সত্যি কথা বলে দিলাম। এখন তুমি যেইটা বলবা সেইটাই হবে। । ( ভয়ে ভয়ে সব বলে দিলাম ) । ফারিয়াঃ- না তুমি আমাকে ফোন দেও তাহলে আমি তোমাকে আমার মনের কথা বলবো। । ফারিয়াকে ফোন দেওয়ার পর........... । ফারিয়াঃ- আসলে আমিও তোমাকে খুব ভালোবাসি। কোনদিন বলিনি যদি তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাও। পিয়াসঃ- কেন তুমি কি আমাকে বিশ্বাস করো না.....??? ফারিয়াঃ- তোমাকে আমি নিজের থেকেও বেশি বিশ্বাস করি। আচ্ছা তুমি আমাকেই কেন ভালোবাসো আর আমি তো দেখতে বেশি ভালো না.....????? পিয়াসঃ- তুমি একজন পর্দাশীল মেয়ে। সবচেয়ে বড় কথ হলো তুমি নিজের পরিবারের সদস্যদের খুব ভালোবাসো আর সেবা যত্ন করো। তারপর তুমি নামাজ পরো। কুরআন শরীফ পরো। আরো অনেক বিষয় আছে।আর সবচেয়ে বড় কথা হলো ভালোবাসতে কোন কারণ লাগেনা এটি হলো মনের আর বিশ্বাস করার বিষয়। যদি এ দুটো থাকে তাহলেই হবে বাবু। ফারিয়াঃ- আচ্ছা বুঝলাম। কিন্তু আমিতো দেখতে খারাপ। পিয়াসঃ- শুনো ভালোবাসতে হলে মনের প্রয়োজন। মুখ দিয়ে কি হবে। আমি তোমাকে ভালোবাসি। এখন তুমি যেইরকমি দেখতে হওনা কেন আমার তাতে কোন সমস্যা নাই। আমি তোমাকেই ভালোবাসি আর তোমাকেই বিয়ে করবো। ফারিয়াঃ- আই লাভ ইউ বাবু। তুমি খুব ভালো। তবে আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করব যেন আমি তোমাকেই নিজের জীবন সঙ্গী হিসেবে পাই। পিয়াসঃ- আই লাভ ইউ টু বাবু। আচ্ছা তুমি এখন কি করতেছো....?????? ফারিয়াঃ- বাবু আমিতো এখন কাজ করতেছি। আচ্ছা বাবু আমার কাজ করা শেষ হলে আমি তোমাকে ফোন দিব। এখন রাখি আল্লাহ হাফেজ। পিয়াসঃ- ওকে বাবু আল্লাহ হাফেজ। । এই বলে ফারিয়া ফোন কেটে দিলো। আজকে আমি খুব খুশি। কারন আমি আমার মনের মানুষকে পেয়েছি। আমার যে কি খুশি হচ্ছে তা বলে বুঝাতে পারবো না। এভাবেই শুরু হলো আমাদের ভালোবাসা। । বিকেলে ফারিয়া ফোন দিলো। তারপর........ • • • #চলবে_ । গল্পটি ভালো লাগলে লাইক আর কমেন্ট করবেন এবং পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন। । সকলের সুস্থতা কামনা করে আজকের পর্বটি এখানেই শেষ করছি ধন্যবাদ। । বিঃদ্রঃ :- ভূলত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন.......🙏🙏🙏 _

k@kaiser

Bow গল্পঃ বউ পর্বঃ২ সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে দেখি সোমা মাত্র গোছল করে ভের হলো,, কিছু খন এর জন্য মনে হলো আমি কোনো ঘুরের মধ্যে চলে যাচ্ছি। সোমা আয়নার সামনে দারিয়ে চুল আছরাচ্ছে,, ওর চুল থেকে পানি পরছে,, পরনে কালো শাড়ি,, ওর মুখ দেকে মনেই হয় না ও এই বিয়ে মানে না নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারলাম না,,, উঠে পিছন থেকে গিয়ে জরিয়ে ধরলাম,,, দেখি ওর মুকে হাসি ফুটে উঠেছে,, ওর হাসি দেকে আমি পাগল প্রায়,, সোমাঃ কি জনাব,, আপনি না আমায় টাচ করবেন না ওর কথায় ঘুর কাটে,,, আমিঃ সরি আসলে আমি ঘুরের মধ্যে ছিলাম তাই,, তার পর ও এমন কিছু বলে যাতে আমি অভাক হয়ে যাই সোমাঃ কেন সরি বলছেন,, নিজের বউকে ই তো ধরছেন,, অন্য কাউকে তো না আমিঃ বাট আপনি তো এই বিয়ে মানেন না,, আর আপনার তো বয়ফ্রেন্ড আছে সোমাঃ কে বলেছে মানি না, আর কিসের বয়ফ্রেন্ড আমিঃ দেখোন আমার কিন্তু সব পেচ লাগিয়ে দিচ্ছেন, রাতে এক কথা এখন আবার অন্য শুরে গান গাইছেন সোমাঃ আসলে আমার ইচ্ছা ছিলো বাসর রাতে বর কে নিচে শুয়াবো সাথে আমিয়ো আমিঃ তাই বলে এতো সুন্দর রাত টা এমন ভাবে নষ্ট করবেন সোমাঃ এতো আপনি করে বলচেন কেন,, আর আপনার নষ্ট হলে কি হবে আমার তো ঠিক ই হইছে হাঁদারাম আমিঃ মানে আমি হাঁদারাম,,, তুমার তো ভালো ই যাবে সারারাত খাটে ছিলে সোমাঃ না ছিলাম না,, আমি আপনার বুকের উপর ছিলাম,, আপনে তো ঘুমিয়ে গেছিলেন, আমিঃ তো তুমি কেন আমায় আপনি করে বলছো,, আমি কি অন্য কারো বর নাকি সোমাঃ না আমার বর আমিঃ এমন ভাবে বলতে লজ্জা করে না সোমাঃ কেন করবে,, জানো আমার বর নিয়ে কত সপ্ন আমিঃ জানি না বলো সোমাঃ এখন না রাতে বলবো,, এখন উঠে গোছল করে আসো আমিঃ রাতে তো কিছু ই হলো না তো গোছল কেন করবো সোমাঃ যাও বলছি এখনি গোছল করে আসো,, আমিঃ বাহ্ এখন ই শাসন শুরু করছে সোমাঃ হুম আব্বু আম্মুর পর তুমার উপর শুধু আমি শাসন চালাবো আমিঃ সারাজীবন করো । এই বলে আমি ওয়াশরুমে গিয়ে শাওয়ার নিয়ে বাহিরে আসলাম,, দেখি আমার বউ টা পিচ্চি একটা কানো পরির মতো দেখাচ্চে,, আবার ওকে পিচন থেকে জরিয়ে ধরে ওর গলায় আমার ঠোট ছুয়ে দেই,,,ও চোখ বন্ধ করে ফেলে,,, কিছু খন এমন ভাবে থাকার পর ও চোখ খুলে বলে সোমাঃ এখন ছারো প্লিজ সেই কখন জুই ( আমার আন্টির মেয়ে) এসে ডেকে গেলো। সবাই বসে আছে নাস্তা নিয়ে। আমায় কিছু টা জোর করেই ছারিয়ে নিলো। তার পর ২ জনেই নিচে এসে বসলাম,,সবাই খাবার খাচ্ছে,, নতুন বউ হিসেবে অনেক আদর পাচ্ছে ও,,, আমার মা আমায় না দিয়ে ওকে সব দিচ্ছে,, মনে হচ্ছে মা টা আমার না ওর,, এর মাজে বাবাঃ সুমন,, আজ বাড়ি থেকে বের হইয়ো না,,, তুমার শশুড় বাড়ি থেকে লোক আসবে আমিঃ ঠিক আছে বাবা তার পর খেয়ে চলে যাই আমার রোমে কিছু খন পর সোমা ও আসে, এসে আমি ফোন চাপছি ও বলে সোমাঃ কোন গালফ্রেন্ড এর সাথে কথা হচ্ছে শুনি আমিঃ এসে দেখে যাও তার পর ও এসে আমার কুলে বসে পরে বলে সোমাঃ জানি কি করছো, দেখতে হবে না আমিঃ তাই,, তাহলে বল্লে যে সোমাঃ এমনি😛😛 তার পর ও আমার ফোনটা কেরে নিলো আর আমার ঠোটে ঠোট ডুবিয়ে দিলো মনে হচ্ছে খেয়ে ফেলবে আমিয়ো ওর সাথে তাল মিলিয়ে দেই,,, কত খন ছিলাম জানি না৷, কিছু খন পর ওহ ছেরে দিয়ে হাপাচ্ছে আমিঃ এটা কি হলো,, এর জন্য এতোখন সোমাঃ রাতে করছি বাট এটার মতো হয় নি, নিজে তো আর কম গেলে না,,, বলে পালিয়ে গেলো,, পাগলি লজ্জা পাইছে।। তার পর আর কিছু খন ঘরে থেকে,, পরে বের হলাম,,দেখি যে যার কাজ নিয়ে ব্যাস্ত,,, একটু পর সোমার বাড়ির থেকে লোক আসবে ১০ টার সময় বারি থেকে বের হয়ে আসলাম, একটু বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবো সাবার সাথে দেখা করলাম,, সবাই আমায় নিয়ে মজা শুরু করছে,, তার পর চাইলো ওদের খাওয়াতে হবে, বল্লাম পরে সব হবে,, এর মাজে বাবার ফোন বাবাঃ সুমন তুমি কোথায়,,, তারা তারি বাড়ি আসো , আমিঃ ঠিক আছে বাবা এই বলে রেখে দিলো,, তার পর সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিলাম,,, ২০ মিনিট পর চলে আসলাম,,, এসে দেখি ওই বাড়ি থেকে অনেক এ এসেছে,, সবার সাথে কোশলবিনিমন করলাম,,, তার পর একটু কথা বলে আমার রোমে চলে আসলাম,,, পিছন পিছন সোমা ও ঘরে আসে আর দরজা আটকে দেয় আমিঃ কি হলে দরজা আটকালে যে সোমাঃ এতোখন কই ছিলা,,,জানো তুমায় কত খুঁজছি,, আমিঃ ওরে পাগলি রে,, তাহলে আমায় ফোন দিতা,, সোমাঃ আমার কাছে ফোন আছে নাকি আমিঃ ওহ আচ্ছা এখন রাগ করো না সোনা সোমাঃ তাহলে আগে জরিয়ে ধরো আমিঃ আচ্ছা আসো ও এসে জরিয়ে ধরে তার পর বলে সোমাঃ আচ্ছা আমি নিচে যাই তার পর সবাই খাওয়া দাওয়া করে নিলো এখন রওনা হবার পালা বাবা মার কাছে বিদায় নিয়ে রওনা হলাম,, উদ্দেশ্য শশুড় বাড়ি,,, ৩ ঘন্টা জার্নি করে এখন এসে পৌঁছালাম,,, সবাই এসে বিতরে নিয়ে গেলো,,, কতো কি নিয়ম কানুন শাশুড়ী মাঃ সোমা মা,,,জামাই কে নিয়ে তর রোমে যা সোমাঃ ঠিক আছে মা তার পর ওর পিছন পিছন রোমে গেলাম,,,রোমটা অনেক সুন্দর,, আমিঃ বাহ এটা আমার বউ রোম বোঝি সোমাঃ হুম, ওরা সাজিয়েছে,, আজ নাকি বাসর হবে এখানেও বলেই লজ্জায় মুখ নিচের দিকে নিয়ে নেয় আমিঃ আচ্ছা সোনা একটু পানি আনো ও চলে গেলো এসে দেখে শুয়ে আছি সোমাঃ কি হইছে তুনার,,, তুমার কি খারাপ লাগছে আমিঃ এই এতো ব্যাস্ত হইয়ো না,, হালকা একটু মাথা ব্যাথা করছে সোমাঃ এই নাও পানি না খাও,, আর আসো মাথা চেপে দেই তার পর ও একটু মাথা চাপতেই মাথা বয়াথা অনেকটা কমে গেলো৷,, তার পর ওর বোন নীলা এসে খাবার খেতে ডেকে গেলো সোমাঃ আচ্ছা তুই যা আমরা আসছি,,চলো এখন খেয়ে এসে শুয়ে থেকো আমিঃ হুম চলো,, তার পর গেলাম খেতে,, খাবার দেখেই আমার অবস্থা খারাপ,, যা পছন্দ করি তা সব ই আছে,, কোনটা রেখে কোনটা খাবো শাশুড়ী মাঃ বসো বাবা তার পর খেতে বসলাম,,, তাই বোঝি বলে শশুড় বাড়ি মধুর হাড়ি এতো খেতে হয়েছে কি আর বলবো,, চলে,, তার পর খাওয়া শেষ করে আমি রোমে আসি,, শুয়ে আছি তখন দোলাবাই আসবো দেখি এক জাক মেয়ে এসে বলছে আমিঃ হুম আসো এদের মাজে নীলাকেই চিনি আমিঃ আসো বসো এখানে,,,, কেমন আছো সবাই,, আর কি মনে করে এখন নীলাঃ সবাই ভালো আছি,, আমি কেমন আছেন দোলাভাই, আমিঃ হুম ভালো তার পর সবাই কিছু খন আড্ডা দিচ্ছি তখন সোমা ঘরে ডুকে,,, ও এসে আমাদের সাথে আড্ডায় যোগ দেয়,, একটু পর সোমা বলে সোমাঃ এই তরা যা এখন তর দোলাভাই একটু অসুস্থ আমিঃ আরে থাকোক আমি ঠিক আছি নীলাঃ ওই আপু সারারাত তো আছেই আমরা কি সারারাত থাকবো সোনাঃ ওই চুপ যা এখন ফাজিল নীলাঃ আচ্ছা যাবো তার আগে এই বাসর ঘর সাজাইচি টাকা টা তো নিতে দাও নীলাঃ দোলাভাই ৫০০০ টাকা দেন,, আমিঃ কেনো দিবো,, নীলাঃ এই সাজাইছি একটা ইয়ে আছে না আমিঃ তাই আচ্ছা নাও ২ টাকার একা নোট দিয়ে দিছি মুঠ করে,, খুলে দেখে ২ টাকা নীলাঃ কিপটামি এখানে চলবে না,, বের করেন টাকা আমিঃ দিছি তো বেবি,, যাও গিয়ে চকলেট কিনে খাও,😁😁 নীলাঃ আপু তুমি তো কিছু বলো তার পর সোমা আমার পকেট থেকে ৩০০০ টাকা দিয়ে দিলো সোমাঃ এবার যা,, হইছে তো নীলাঃ ওকে আপু,,গুড নাইট আপু,,গুড নাইট দোলাভাই এই বলে সবাই চলে গেলো খুশি হয়ে আমি সোমা কে বল্লাম আমিঃ ৫০০০ ই দিতে কম কেন দিলে সোমাঃ হইছে টাকা গাছে ধরে না আমিঃ ওহ তাই,,, সোমাঃ এই তুমি এমন ভাবে তাকাও কেন,,, লোচ্চা বেটা আমিঃ আমার বউ এর দিকে তাকাই এতে কার কি চলবে......... কেমন হইছে সবাই বলবেন,,, লাইক কমেন্ড করে সবাই পাসে থাকবেন,, আর সবাই সাবধানে থাকবেন,,,,

k@kaiser

Logic Nature of Argument যুক্তিবিদ্যায় আলােচিত ভাষায় প্রকাশিত রূপ হলাে ‘ অনুমান যুক্তি ’। হচ্ছে কপির জানা মতে থেকে, যুক্তিবিদ্যার অজানায় মূল গমনের কাজ মানসিক প্রক্রিয়া, যার অশুদ্ধ যুক্তিকে পৃথক করা। এ অর্থে যুক্তিবিদ্যার হচ্ছে শুদ্ধ যুক্তি থেকে য, হয় বচনের কোনাে। যেমন সমন্বয়ে বচনসমষ্টির, গঠিত মাধ্যমে যুক্তির অনুমানকে একটি বচন ভাষায় অপরাপর প্রকাশ মূল এক করা আলােচ্য বা হয় একাধিক। বিষয় এক্ষেত্রে হলাে বচন দুই যুক্তি থেকে বা, ততােধিক যেখানে নিঃসৃত সকল মানুষ হয় মরণশীল। | সক্রেটিস হন একজন মানুষ। সুতরাং সক্রেটিস হন মরণশীল। তবে যুক্তির বচনসংখ্যা কত হবে তা অত্যাবশ্যকীয় কোনাে বিচার্য বিষয় নয়। আমাদের বিচার্য হচ্ছে, যুক্তির ক্ষেত্রে আমরা যে বচন বা বচনসমষ্টিকে স্বীকার করি সেই বচন বা বচনসমষ্টির সমন্বয়ে যে সিদ্ধান্তটি পাওয়া যায় তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বিচার করা। অর্থাৎ গৃহীত বচন বা বচনসমষ্টির সমম্বয়ে প্রাপ্ত সিদ্ধান্তের পারস্পরিক সম্বন্ধই যুক্তিবিদ্যার প্রধান ও মৌলিক বিচার্য বিষয়। কাজেই এক বা একাধিক সংযুক্ত আশ্রয় বচন থেকে অনিবার্যভাবে সিদ্ধান্ত হিসেবে একটি বচন নিঃসৃত হলেই তাকে যুক্তি বলে। তবে যুক্তি নির্দিষ্ট কতকগুলাে বচনের সমষ্টি হলেও একে নিছক বচনসমষ্টি বলা যায় না। প্রত্যেকটি যুক্তিরই নির্দিষ্ট একটি কাঠামাে থাকে। আর আশ্রায়বচন ও সিদ্ধান্ত নিয়েই যুক্তির এই কাঠামাে তৈরি হয়। এদিক থেকে প্রত্যেকটি যুক্তিতে আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্ত এদুটি উপাদান বিদ্যমান থাকে। যুক্তি গঠনে গৃহীত বচন বা বচনসমষ্টি হচ্ছে আশ্রয়বচন এবং তা থেকে নিঃসৃত বচনটি হচ্ছে সিদ্ধান্ত। যুক্তিবিদ্যায় আলােচিত বিষয়াবলির মধ্যে অনুমান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কপির মতে, অনুমান হলাে এক বা একাধিক বচনের ভিত্তিতে স্বীকৃত সত্য থেকে অজ্ঞাত সত্যে উপনীত হওয়ার প্রক্রিয়া। যুক্তিবিদ্যার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সিদ্ধান্ত স্বীকৃতি আশ্রয়বচন বা বচনগুলাে থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে নিঃসৃত হয়েছে কি না তা দেখা। সত্য হিসেবে স্বীকৃত আশ্রয়বচন যদি সিদ্ধান্তকে বিধি অনুসারে সমর্থন করে তাহলে অনুমান বৈধ হবে, অন্যথায় অনুমান অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। কাজেই দেখা যাচ্ছে, অনুমানের আঙ্গিক উপাদান

k@kaiser

প্রতীকি যুক্তিবিদ্যা প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা করতে পারি যে, তা হলে । অর্থাৎ পরে যা বলা হয় তা হলাে সিদ্ধান্ত জাতীয় শব্দ বা শব্দসমষ্টির, এই। ফলে ', কাজেই বলা যেতে পারে যে, আমরা অনুমান সিদ্ধান্ত। করা যায় যে, ইত্যাদি যা । এসব শব্দ বা শব্দসমষ্টি হচ্ছে সিদ্ধান্ত । কারণে যে, এভাবে দেখানাে যায়, এই নির্দেশক রূপে ', ইত্যাদি চিহ্ন। পক্ষান্তরে জাতীয় শব্দ, যেহেতু বা শব্দসমষ্টির ', ' কারণ পরে বলা হয় তা হলাে আশ্রয়বচন। অর্থাৎ এসব শব্দ বা শব্দসমষ্টি হচ্ছে আশ্রয়বচন নির্দেশক চিহ্ন। যেমন, কিছু মানুষ সৎ। সুতরাং কিছু মানুষ অসৎ না। । এ যুক্তিতে ‘ সুতরাং ' শব্দটি সিদ্ধান্ত নির্দেশক হওয়ায় কিছু মানুষ অসৎ না’- বচনটি ।। সিদ্ধান্ত হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। কাজেই এখানে কিছু মানুষ সৎ ' হচ্ছে আশ্রয়বচন আবার, রাসেল অমর না। যেহেতু রাসেল মানুষ। কারণ কোনাে মানুষই অমর না। এ যুক্তিতে ‘ যেহেতু ’ এবং ‘ কারণ ’ আশ্রয়বচন নির্দেশক, এ জন্য ‘ রাসেল মানুষ ' এবং ‘ কোনাে মানুষই অমর না’- বচন দুটি আশ্রয়বচন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কাজেই এখানে ‘ রাসেল অমর না ' বচনটি হবে সিদ্ধান্ত। তবে এমন কিছু যুক্তি আছে, যেসব যুক্তিতে আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্ত নির্দেশক কোনাে শব্দ বা শব্দসমষ্টি থাকে না। এসব ক্ষেত্রে আশ্রয়বচন চান এছাড়াও ও সিদ্ধান্তকে। সেক্ষেত্রে দেখতে চিহ্নিত যে হবে সত্যকে করার যে, আলােচ্য ভিত্তি জন্য যুক্তির করে যুক্তিতে যুক্তি অর্থ বক্তা ও গঠিত প্রসঙ্গ কোন হয় সম্যকরূপে সত্যের তা হবে ভিত্তিতে অনুধাবন কী করা প্রমাণ এবং প্রয়ােজন প্রমাণের করতে। থেকে নির্দেশক উক্তিটি বিষয়টি যুক্তিটির একটি হবে শব্দ সিদ্ধান্ত নেই আশ্রয়বচন যুক্তি।। কিন্তু। যদিও যেমন ও যুক্তিটির সিদ্ধান্ত, এতে ‘ কিটু আশ্রয়বচন পৃথক অর্থ কবিতা এবং করা লিখেছেন যুক্তিটির ও সিদ্ধান্তকে বলে প্রমাণের চিহ্নিত তাকে আশ্রয়বচন ভিত্তি কবি করার ও বলা প্রমাণের মতাে যায়- কোনাে বিষয় এ। যায়, কবিতা লেখার ওপর ভিত্তি করে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। উক্তিটির যে কিটস অর্থ বিশ্লেষণ কবি করলে। এক্ষেত্রে দেখা কাঠামাে পূর্বজ্ঞান দেওয়া হচ্ছে, হলে যারা যা কবিতা পাওয়া লিখে যাবে, তারাই তা কবি’- এ বচনটি। সেক্ষেত্রে একজন উক্তিটিকে যুক্তির হলাে যারা তাদের কিটস কবিতা কবিতা লিখেন লিখেছেন সকলেই কবি। আবার সুতরাং কিটস একজন কবি।। কিছু বাক্য থাকে এমন। অনেক যুক্তি আছে যেখানে এগুলাে যুক্তির প্রমাণের যে বাক্যগুলােকে আপাতদৃষ্টিতে আশ্রয়বচন অপ্রাসঙ্গিক ও সিদ্ধান্তের সাথে অতিরিক্ত আরাে ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মনে হলেও আমরা বিশ্বাস করি বলতে পটভূমি যে, পারি সবাই হিসেবে না একদিন যে কাজ, এমন মৃত্যুর করে কেউ। অধীন যেমন থাকতে, হবে, প্রকৃতপক্ষে | এ জন্য আমরা যে অমর হয়ে থাকবে । পারে

k@kaiser

Nature of argument2 Nature of Argument যুক্তিবিদ্যায় আলােচিত ভাষায় প্রকাশিত রূপ হলাে ‘ অনুমান যুক্তি ’। হচ্ছে কপির জানা মতে থেকে, যুক্তিবিদ্যার অজানায় মূল গমনের কাজ মানসিক প্রক্রিয়া, যার অশুদ্ধ যুক্তিকে পৃথক করা। এ অর্থে যুক্তিবিদ্যার হচ্ছে শুদ্ধ যুক্তি থেকে য, হয় বচনের কোনাে। যেমন সমন্বয়ে বচনসমষ্টির, গঠিত মাধ্যমে যুক্তির অনুমানকে একটি বচন ভাষায় অপরাপর প্রকাশ মূল এক করা আলােচ্য বা হয় একাধিক। বিষয় এক্ষেত্রে হলাে বচন দুই যুক্তি থেকে বা, ততােধিক যেখানে নিঃসৃত সকল মানুষ হয় মরণশীল। | সক্রেটিস হন একজন মানুষ। সুতরাং সক্রেটিস হন মরণশীল। তবে যুক্তির বচনসংখ্যা কত হবে তা অত্যাবশ্যকীয় কোনাে বিচার্য বিষয় নয়। আমাদের বিচার্য হচ্ছে, যুক্তির ক্ষেত্রে আমরা যে বচন বা বচনসমষ্টিকে স্বীকার করি সেই বচন বা বচনসমষ্টির সমন্বয়ে যে সিদ্ধান্তটি পাওয়া যায় তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বিচার করা। অর্থাৎ গৃহীত বচন বা বচনসমষ্টির সমম্বয়ে প্রাপ্ত সিদ্ধান্তের পারস্পরিক সম্বন্ধই যুক্তিবিদ্যার প্রধান ও মৌলিক বিচার্য বিষয়। কাজেই এক বা একাধিক সংযুক্ত আশ্রয় বচন থেকে অনিবার্যভাবে সিদ্ধান্ত হিসেবে একটি বচন নিঃসৃত হলেই তাকে যুক্তি বলে। তবে যুক্তি নির্দিষ্ট কতকগুলাে বচনের সমষ্টি হলেও একে নিছক বচনসমষ্টি বলা যায় না। প্রত্যেকটি যুক্তিরই নির্দিষ্ট একটি কাঠামাে থাকে। আর আশ্রায়বচন ও সিদ্ধান্ত নিয়েই যুক্তির এই কাঠামাে তৈরি হয়। এদিক থেকে প্রত্যেকটি যুক্তিতে আশ্রয়বচন ও সিদ্ধান্ত এদুটি উপাদান বিদ্যমান থাকে। যুক্তি গঠনে গৃহীত বচন বা বচনসমষ্টি হচ্ছে আশ্রয়বচন এবং তা থেকে নিঃসৃত বচনটি হচ্ছে সিদ্ধান্ত। যুক্তিবিদ্যায় আলােচিত বিষয়াবলির মধ্যে অনুমান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কপির মতে, অনুমান হলাে এক বা একাধিক বচনের ভিত্তিতে স্বীকৃত সত্য থেকে অজ্ঞাত সত্যে উপনীত হওয়ার প্রক্রিয়া। যুক্তিবিদ্যার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সিদ্ধান্ত স্বীকৃতি আশ্রয়বচন বা বচনগুলাে থেকে নিয়মসঙ্গত উপায়ে নিঃসৃত হয়েছে কি না তা দেখা। সত্য হিসেবে স্বীকৃত আশ্রয়বচন যদি সিদ্ধান্তকে বিধি অনুসারে সমর্থন করে তাহলে অনুমান বৈধ হবে, অন্যথায় অনুমান অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। কাজেই দেখা যাচ্ছে, অনুমানের আঙ্গিক উপাদান

k@kaiser

সিনিয়ার রাগী মেয়ে যখন gf সিনিয়ার রাগী মেয়ে যখন gf . #২য় পর্ব . . . হঠাৎ একদিন দেখলাম একটা ছেলের সাথে বসে আছে।মিমরে ওই ছেলের সাথে দেখে বুকের ভিতর চিনচিন ব্যাথা করতেছে। আমি কাছে গেলাম। ওরে প্রপোজ করতেই যা করল................তা হলো.... -মিম এই ছেলের সাথে এভাবে বসে আছো কেন??? -তোরে বলতে হবে?? -তো কাকে বলবা???কারন আমি তোমাকে ভালোবাসি.....আই লাভ ইউ মিম.... -ঠাস ঠাস কইরা দুইটা থাপ্পর মারল।আর বললল..... -তুই এত ছ্যাচরা আর ছোটলোক হবি জানতাম না তো.?তোরে আমি ভালোবাসি না কতবার বলব।তোরে দেখলেই আমার অসহ্য লাগে।আর এইটা আমার বি এফ।প্লিজ তোর দুইটা পায়ে ধরি। তুই আমাকে আর ডিস্টার্ব করিস না।কান্না করে করে বলল.. . -কিছু বললাম না সেখান থেকে মাথা নিচু করে চলে আসলাম।মনে মনে একটাই প্রতিজ্ঞা করলাম। ওর সামনে আর কোনোদিন যাব না।যে আমাকে দেখতে পারেনা আমাকে অসহ্য লাগে তার কাছে না জাওয়াটাই ভালো।আর ওর তো বি এফ আছে ভালোই থাকবে।প্রিয় মানুষটা ভালো থাকুক সবাই চায়।যাব না আর কোনোদিন ওর সামনে.. . -এসব ভাবতে ভাবতে একটা টং দোকানে এলাম।দেখি রাফিও সেখানে বসে আছে।ডাক দিলাম..... -রাফি এদিকে আয় তো??? -কাছে এসে বলল...কিরে তোর চেহারা এরকম লাগছে কেন??? -আরে এমনি। আচ্ছা দোস্ত যা দুইটা সিগারেট নিয়ে আয়? -আকাশ থেকে পড়ল..আলভী অনি সূর্য আজকে কোনদিক দিয়ে ওঠছে????আমি সিগারেট খাইতাম বলে কত বকা দিতি। আর আজকে তুই নিজেই চাইছিস।বলতো কি হইছে??? -আগে সিগারেট আন পরে বলতাছি.?? -রাফি সিগারেট নিয়ে আসল....এই নে সিগারেট???? এখন বল কি হইছে??? -সিগারেট ধরলাম প্রথম টানে অনেক কাশি ওঠল।দুই তিন টান দেওয়ার পর ঠিক হয়ে গেল.।তারপর ওকে সব খুলে বললাম।ও আমাকে বলল... -ও এরকম না করলেও পারত।সমস্যা নাই একটা গেছে ১০ টা আসব. -হাহাহা।কষ্টের মাঝেও হাসি ওঠে।আর একটা সত্যি কথা হলো...নিকোটিনের ধোয়ার সাথে আমার কষ্টগুলোও কেমন উড়ে যাচ্ছে........ . -রাফির সাথএ আরো কিছুক্ষণ কাটিয়ে বাসায় এসে পড়লাম।সাথে কতগুলা সিগারেট ও নিলাম।রাতের বেলায় মিমের জন্য অনেক কষ্ট হচ্ছে। ওর কথা খুব মনে পরছে।ওর কথা মনে পড়তেই কান্না চলে আসল।সিগারেটগুলো নিয়ে ছাদে চলে গেলাম।বাহ চাদঁটাও আজকে ভালো কিরন দিচ্ছে। সিগারেটগুলো একে একে সব শেষ করে দিলাম।কষ্ট কিছুটা কমছে।একা বসে রাতের আকাশটা দেখতেছি।আর ভাবতেছি কালকে নানুর বাসায় চলে যাব। আর ওদিকে মিম ভাবতেছে সাথে সাথে এরকম না করলেও পারতাম দেখা হলে কালকে সরি বলে দিব। . পরদিন সকালে আম্মুকে বললাম... -নানুর বাসায় যাব...? -কবে?? -আজকে.।কেন সমস্যা আছে?? -না। আচ্ছা তোর কি কিছু হইছে?? -নাতো? -তোরে এতবার বলার পরেও তুই তের নানুর বাসায় যাস না। আজকে তুই একেবারে পাগল হয়ে গেলিযে??? -এমনি.. যেতে দিবা কিনা? -আচ্ছা যা . বাসা থেকে নানুর বাসায় চলে আসলাম।আর ফোন নিয়ে আসিনি।আসার সময় রাফিরে বলে আসছিলাম।নানুর বাসায় আসার পরে তারা আমাকে পেয়ে অনেক খুশি। কয়েকটা দিল থাকলাম।১৫ দিনের মত হবে।একটা মামাতো বোন আছে ওর সাথে ভালোই মিল হয়ে গেছে।ওরে আমার সব খুলে বললাম।আর এদিকে আমার আর থাকতে বেশি ভালো লাগছিল না। তাই বাসায় চলে আসলাম।সাথেও মামাতো বোন টা আসলো।ও কয়েক দিন থেকে চলে যাবে......।আর ওর নাম নিলিমা। . বাসায় এসে ফ্রেশ হলাম।তারপরে রাফির সাথে দেখা করতে যাচ্ছি।ভাবছেন???এত সহজে মিমকে ভূলে গেলাম???আরে না মরে যাওয়ার আগে ওকে ভূলা সম্ভব না।আমার প্রত্যকটা রাত জানে কতটা কষ্টে ছিলাম আমি।ওর কথা যখন খুব মনে পড়ত। সিগারেটের ধোয়ার সাথে উড়িয়ে দিতাম কষ্টগুলোকে। . -যাক বাবা চলে আসলাম রাফির কাছে.... -কিরে কেমন আছোস?? -ভালো।তুই??? -আছি কোনোরকম... -আচ্ছা অনি শুন? -কি?? -মিম তো তোরে খুজে প্রায় পাগল হয়ে যাইতেছে?? -কেনরে আমাকে খুজে কেন??? -তুই ই জিজ্ঞেস করিস??? -আচ্ছা বাদ দে। সিগারেট নিয়ে আয়....... -ও সিগারেট আনল.... . সিগারেট টা খাইতে যাব তখন দেখলাম মিম আসতেছে।তার চেহারা কেমন মলিন হয়ে গেছে।চোখের নিছে কালি পরে গেছে। আর আমার কাছে এসে যা করল.......... চলবে কী?? . . .

k@kaiser

তর শহরে নিষিদ্ধ ❤তোর_শহরে_নিষিদ্ধ❤ #part_1 🌸 ধ্রুবব I LOVE YOU❤ আমি তোমাকে খুবব ভালোবাসি...। প্লিজজ আমাকে ফিরিয়ে দিয়ো না....কিন্তু এর পর যা হলো সেটা ভাবতেও পারি নি.... ---ঠাসসসস ঠাসসসসস😡😡₹ তোমার মতো থার্ড ক্লাসস মেয়েরর সাহসসস কি করে হয় আমাকে এই কথা বলার.....???? তোমার মতো মেয়েকে শুধুমাত্র একরাতের বেড পার্টনার করে এই ধ্রুব চ‍ৌধুরী...।( বাবা মার একমাত্র ছেলে। একটা বোন আছে। বাবার টাকা আছে বলে কাউকে পাওা দেই না...আর দেখতেও মাশাল্লাহ্। যেকোনো মেয়ের ক্রাশ) তোমাকে আমি শুধু ফ্রেন্ড ভাবতাম একটা অনাথ মেয়েকে করুনা করতাম। আর তুমি এটাকে ভালোবাসায় নিয়ে গেলে...??? কান খুলে শুন রাখো মিসসস আরিশা নেক্সট টাইম যেনন তোমাকে আর না দেখি আমার সামনে..... না হলে আমি যে কি করবো ভাবতেও পারবে না বুঝেছ...??? আর ভালোবাসার কথা বললে না তোমার কি আছে না আছে কোন ক্লাস আর না তুমি মর্ডান....??? তোমার থেকে এখন যারা মানুষের বাসায় কাজ করে এরা বেশি স্মার্ট হয়। আর তুমি এসেছো এই ধ্রুব চৌধুরী কে নিজের করার স্বপ্ন নিয়ে😂😂😂 নাইসস জোকসস..!!! এই বলেই চলে এলামম। আর ক‍্যাম্পাসে থাকা প্রত‍্যেকটা লোক আরিশা কে নিয়ে হাসছে সেটা বুঝতে বাকি নেই😂😂... ধ্রুবববব এরকম টা কেনন করলে আমার সাথে....??? কি দোষ করেছিলামম আমি...??? তোমাকে ভালোবেসেছি বলে এত অপমান করলে....??? আম্মু আব্বু কেনন আমাকে তোমাদের সাথে নিয়ে গেলে না আমাকে...??? কেন কেন...?? আজকে আমি অনাথ বলে এরকমম করলো আমার সাথে। আমি অনাথ বলে কি আমার কাউকে ভালোবাসতে নেই😭😭.. খুবব বড় ভুলল করলে মিস্টার ধ্রুব চৌধুরী...!! চোখ মুছতে মুছতে তোমাকে যদি আমার পায়ে না ধরাতে পারি তবে আমার না আরিশা রায়হান না...!! তোমার ঐ প্রাচুর্যের দম্ভ যদি আমি গুড়িয়ে না দিতে পারি তবে আমার নামও আরিশা না... এই বলেই বেসামালল ভাবে হাটছি( আরিশা রায়হান। বাবা মা নেই। দাদুর কাছে মানুষ। একদম সাদাসিধে ভাবে জীবন যাপন করে। কিন্তু মোটেও সে সাধারন না। মাশাল্লাহ্ গায়ের রঙ দুধে আলতা চুল লম্বা একদেখায় যে কাউকে ঘায়েলল করতে পারে...) ঠিকক তখনই...একটা গাড়ি ধাক্কা দিতে যাচ্ছিলল কিন্তু কেউ একজনন এসে সরিয়ে নিল... --- দিদিভাই এসবব কি...??তুমি এভাবে হাটছো কেনন..??আর গাড়ি কই তোমার....?? দাদুভাইকে দেখেই ঝাপিয়ে পড়লাম। এটাই যে আমার একমাএ ভরসার জায়গা😭 এইখানেই আমি সবথেকে বেশি নিশ্চিন্ত... কিছু বলবো তার আগে দাদুভাই বললো.. --- আমি সবব জানি দিদিভাই। রাকিবব আমাকে সবব বলেছে..। তাই এইখানে এসেছি আমি। আমার যদি আসতে একটু দেড়ি হতো তাহলে কি হতো বলো তো...?? এখন চলো বাসায় চলো এই বিষয়ে পরে কথা হবে...!! কাম অন মাই প্রিন্সেস... আরিশু কে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্য রওনা দিলাম.. এইদিকে চৌধুরী ম‍্যানসনে..🌸 দাড়াওও ধ্রুববব... --- হ‍্যা বলো বাবা...!! --- তোমার পড়ালেখা শেষ এখন বিজনেস জয়েনন করো। আমি আর একা সামলাতে পারছি না। কবে থেকে করবে জয়েন...??? --- বাবা আর কিছুদিন যাকক। মাএই তো শেষ হলো... আরকেটু ঘুরি তারপর... --- যা করার জলদি করো...। আমি একা সামলাতে পারছি না। এই বলেই উপরে চলে এলামম... --- যাকক বাবা এতক্ষনে হাপ ছেড়ে বাচলামম। কোথায় আরেকটু ইন্জয় করবো। তা না এখুনি বিজনেস সামলাতে হবে ধ‍্যাৎৎ... আর ভালো লাগে না..!! আমি বাসায় এসেই সোজা ওয়াসরুমে ঢুকে গেলাম। শাওয়ার অন করে ভিজছি আর কাদছি..। আর বলছি... খুবব ভুলল করলে মিস্টার ধ্রুব চৌধুরী। খুবব বড় ভুললল। তোমার সব অহংকার আমি মাটিতে মিশিয়ে দিববব। আর তা আমি করবোই। এতদিন এক আরিশাকে দেখেছো... আজ থেকে অন‍্য এক আরিশাকে দেখবে...!! তোমার ধবংসের শুরু এখনন থেকে... এইবলেই বেড়িয়ে এলাম... দাদুউউউ.... ---হ‍্যা বলো দিদিভাইই?? সব কিছু রেডি করো আজকেই আমি ইউএস যাবব। আর সেটা আজকে রাতের মধ‍্যেই এটার যেনন নড়চড় হয় না গট ইটট এই বলেই রুমে চলে এলাম... ---এই মেয়ের যে কখন কি হয় তা আমি নিজেই জানি না। আর একে কিছুতেই না করা যাবে না। আর যদি করি তবে আমার কপালে কি আছে তা আমি নিজেই জানি না। ঐ যে বলে না ঠান্ডা মাথার মানুষ একবার রেগে গেলে যেমন হিংস্র হয়ে উঠে ঠিক তেমনন। যাই সব ব‍্যবস্থা করি গিয়ে.... রাতে..... #চলবে....???

k@kaiser

হতভাগা হতভাগা আমি...😒 প্রাইমারী থাকতে এক মেয়েকে😵 প্রপোজ করেছিলাম,, মেয়ে বলে, ওকে😷 প্রতিদিন চকলেট দিতে হবে। পকেটের😒 মায়ায় প্রেম হলো না.....😶 মাধ্যমিকে উঠে এক মেয়েকে ভালো😞 লাগতো, কখনো বলতে পারিনি। মনের😚 প্রেম মনেই রেখে দিছি, দুরে থেকে😞 দেখেই কাটিয়ে দিয়েছি কয়েকটি😞 বছর।😷 . কলেজে উঠেই ভাবলাম এবার প্রেম😚 করেই ছাড়বো, অনেক খুজে মনের মতো😚 একজনকে পেলাম। লুকিয়ে লুকিয়ে😞 অনেক😚 দেখতাম তাকে, আর রাতে তাকে😷 নিয়ে😞 রঙিন স্বপ্নে বিভোর থাকতাম।😞 অনেক কষ্টে সকল ভয় ভীতি এড়িয়ে😚 তার😷 সামনে গিয়ে দাড়ালাম। হাটু গেড়ে😞 ফিল্মী কায়দায় প্রপোজ করলাম, সব😞 শুনে😞 মাইয়া কইলো দুই দিন হলো সে রিলেশন😞 শুরু করছে। প্রেম আর হইলো না....... .😞 বাস্তবে প্রেম খুজে না পেয়ে😞 ভার্চুয়াল😗😚 লাইফ ফেসবুকে প্রেম খোজা শুরু করলাম।😌 খুজে খুজে সুন্দরী মেয়েদের রিকুয়েস্ট😞 দিতে থাকলাম, কেউ একসেপ্ট😞 করলোনা😷😷 ফলোয়ার হয়েই রইলাম।।😞 রাগে দুঃখে ফেসবুকে বিদায়😞 জানাতে😶 চাইলাম, ডিএক্টিভ বাটনে চাপ😞 দেয়ার😖 মুহুর্তেই এঞ্জেল ফাহিমা রিকুয়েস্ট😒 পাঠালো। খুশিতে মনটা বাকুম বাকুম😛 করে😞 উঠলো, কিন্তু অভাগার কপালে সুখ😒 সয়না ।😷😷 অতি উচ্ছাসে এক্সেপ্ট করতে গিয়া😒 ডিলিট বাটনে চাপ লেগে গেল।।😚 প্রেম আর হইলো না ........😚 . সব আশা ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে গিয়ে😒 বসে রইলাম, ঠিক তখনি খেয়াল হলো😚 পাশের বাসার নীলিমা প্রতিদিন😛 মেহেদী😜 তুলতে বাড়িতে আসে। মনে সন্দেহ হইলো, মেয়েটা প্রতিদিন মেহেদী দিয়া করেটা কি....😞.?? পরদিন সামনে গিয়া দাড়ালাম,😞 জিজ্ঞেস😷😷 করলাম প্রতিদিন এত মেহেদী দিয়া😒 করোটা কি.....???😷 মাইয়া কইলো, মেহেদী নেওয়ার ছলে😒 কাউরে যে দেখতে আসি সেটাতো😞 সে😋 বোঝে না।।😚 বলেই মুচকি হেসে চলে গেল। বাড়ির😒 পাশে প্রেম রাইখা আমি পুরো দেশে😜 ঘুরতাছি। খুশিতে দিলাম এক লাফ,, পা😛 ভেঙ্গে আমি এখন হসপিটালে।।🙋🙋 অভাগার কপালে প্রেম সয় না😰😰 লেখকঃi am হতভাগা।তাই আগে লিখলাম না🐸

k@kaiser

Koster কষ্টের একটা গল্প 😥😥😥😥 সবাই পড়বেন 😭 মেয়ে : আমি একটি কথা বলতে চাই।🥰 ছেলে: বলো🥰 মেয়ে : যদি বলি আমি তোমাকে ভালবাসি।🥰 ছেলে : তুমি আমাকে ভালবাসো কিন্তু আমি যে গরিব😢 মেয়ে : আমি তোমাকে চাই, তোমার সম্পদ নয়।🥰 ছেলে : আমিও তোমাকে ভালোবাসি।🥰 মেয়ে : তুমি আমাকে বিয়ে করে আমার কাছে কি চাইবা?🥰 ছেলে : আমি আমার মা বাবাকে অনেক ভালবাসি তোমার কাছে শুধু তাদের সুখ চাই আমাকে কিছু দাও আর না দাও🥰 কিছু দিন পর😓 মেয়ে : আমার মা বাবা তোমার কাছে আমাকে বিয়ে দিবে না।😢 ছেলে : তাহলে কি করবো আমি? তুমি কি চাও?😢 মেয়ে : আমার মা বাবাকে আমি ছাড়তে পারবো না, তোমাকেও না। তুমি ঘর জামাই চলে আসো 😢 ছেলে : আমি তোমাকে ছাড়া বাচবো না কি করবো বলো আমি রাজি কিন্তু এমন কিন্তু কথা ছিল না😢 মেয়ে : আমার জন্য এই টুকু করো তুমিতো আমাকে ভালোবাসো😢💖 ছেলে ‌‌‌‌‌↑ওকে ঠিক আছে 💖 আরো কিছু দিন পর হঠাৎ করে 😥😥 মেয়ে : আমার বাবা বলেছে সরকারী চাকরিজীবী হলে বিয়ে দিবে না হলে নয়।😥😥 ছেলে : আমার তো এমন বড় চাকরির যোগ্যতা নাই।😥 মেয়ে : আমি কি করব বল? আমি কিছুই করতে পারবো না তুমি আমার মা বাবাকে বুঝাও।😥 অনেক বুঝানোর পরে-ও কিছু হলো না 😥😥 আরো কিছু দিন পর😥😥 মেয়ে : কালকে আমার বিয়ে😥 ছেলে : কষ্ট হচ্ছে না? 😥 মেয়ে : তুমি কিছুই করতে পারলে না। আমার পোড়া কপাল। কষ্ট নাই বাস্তব মানতেই হবে।।😥 ছেলে : আমিও মেনে নিলাম তোমার বানানো বাস্তব। তুমি ভালো থাকবে ভেবে আমারও কষ্ট নাই।😥 এই বলে ছেলে কেদে কেদে চলে গেলে সেখান থেকে। আর কোন দিন তাদের দেখা হল না।😥 কয়েক বছর পর💔 মেয়েটি একটি দেখলো একটি কবরে লেখা যদি বলি আমি তোমাকে ভালবাসি? তুমার জন্য এই পৃথিবী ছাড়তে পারি।😥 মনে পড়ে গেলো সেই পুরোনো কথা 😥 মেয়েটি সেখানেই কাদতে কাদতে অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে খোজ নিয়ে দেখা গেল সেখানে তার ভালবাসার মানুষ ঘুমিয়ে আছে। সত্যি কারের ভালোবাসা গুলো কখনো পূণ্যতা পায় না 😰😰😰 দোয়া করি সবার ভালোবাসা যেন পূণ্যতা পায় 🙃 কেমন লাগলো অবশ্যই একটা কমেন্ট 😊😊😊😊

k@kaiser

Love আফিস থেকে বাসায় ফেরার সময় হঠাৎ খেয়াল করি আমাদের অফিসের একজন স্টাফ খালিদ হাতে একটা গোলাপ নিয়ে রাস্তায় পাশে দাঁড়িয়ে আছে। আমি গাড়ির কাঁচটা নিচে নামিয়ে বললাম, -- আরে খালিদ, এইখানে কি করছো? খালিদ গোলাপটা পিছন দিকে আড়াল করে বললো, -বাসায় যাবো স্যার, তাই রিকশার জন্য দাঁড়িয়ে আছি আমি বললাম, --তোমার বাসা কোথায়? খালিদ মাথা চুলকাতে চুলকাতে বললো, - উত্তরাতে স্যার আমি অবাক হয়ে বললাম, -- আরে আমার বাসাও তো উত্তরাতে। আসো তোমার বাসায় নামিয়ে দিবো নে খালিদ আমার কথা মত গাড়িতে উঠলো। ফুলটা যখন আমার চোখের সামনে থেকে আড়াল করতে চাইছিলো আমি তখন বললাম, -- ফুল কার জন্য? খালিদ লাজুক হাসি হেসে বললো, - আমার স্ত্রী অর্পিতার জন্য? -- আজ কোন স্পেশাল দিন নাকি? -- জ্বি স্যার, আজকের দিনে আমি অর্পিতার প্রেমে পড়েছিলাম... পরদিন অফিস থেকে যখন বাসায় ফিরবো তখন খালিদকে ডেকে বললাম, চলো একসাথে যাই। গাড়ি দিয়ে যাবার সময় হঠাৎ খালিদ আমায় বললো, -স্যার, সামনে ফুলের দোকানটাতে এক মিনিটের জন্য গাড়িটা একটু দাঁড় করাবেন? আমি গাড়িটা দাঁড় করাতেই খালিদ তড়িঘড়ি করে গাড়ি থেকে নেমে ফুলের দোকানটাতে ঢুকলো আর কিছুক্ষণ পর একটা লাল গোলাপ নিয়ে আসলো। আমি বললাম, -- আজকেও স্পেশাল দিন নাকি? খালিদ আগের মতই লাজুক হাসি হেসে বললো, -জ্বি স্যার, আজকের দিনে আমি অর্পিতাকে দেখে প্রেমে পড়েছিলাম। আমি অবাক হয়ে বললাম, -- তুমি না কালকে বলেছো কালকের দিনে তুমি তোমার স্ত্রীকে দেখে প্রেমে পড়েছিলে? আবার আজকে একই কথা বলছো? খালিদ মাথা নিচু করে বললো, -স্যার, আমি যতবার আমার স্ত্রীকে দেখি ততবার আমি প্রথম থেকে ওর প্রেমে পরি। তাই আমার কাছে প্রতিটা দিন স্পেশাল ভালবাসার এমন সস্তা লজিক শুনে মেজাজটা খারাপ হয়ে গেলো। নিজের রাগটা কোন রকম কন্ট্রোল করে খালিদকে বললাম, -- নতুন নতুন বিয়ে করেছো হয়তো তাই তোমার কাছে প্রতিটা দিন স্পেশাল মনে হচ্ছে। আমার মত দুই বছর সংসার করো তখন দেখবে সংসারটাকে জাহান্নাম মনে হবে খালিদ আর কিছু বললো না। আমি রেগে গেছি হয়তো সেটা বুঝতে পেরেছে। শুধু গাড়ি থেকে নামার সময় বললো, - স্যার, আমি বিয়ে করেছি ৫ বছর ৯ মাস হতে চললো। বিশ্বাস করেন আমাদের ভালোবাসাটা এখনো প্রথম দিনের মতই আছে... | | বাসায় ঢুকার পর দেখি শ্রাবণী টিভি দেখছে। আমার আসার শব্দ শুনে শ্রাবণী কাজের মেয়ে শেফালিকে বললো, - শেফালি তোর স্যার এসেছে। টেবিলে খাবার দে খাওয়া দাওয়ার পর বিছানায় যখন শুয়ে আছি তখন শ্রাবণী এসে বললো, - কাল আমার ৫০ হাজার টাকা লাগবে। একটা নেকলেস পছন্দ হয়েছে কাল সেটা কিনবো। আমি রেগে গিয়ে বললাম, -- তোমার দুইদিন পরপর এত গহনা লাগে কেন? টাকা তো নিজে ইনকাম করো না তাই টাকার মূল্য বুঝো না। আমার কথা শুনে শ্রাবণী রেগে গিয়ে বললো, - নিজের বউয়ের শখ আহ্লাদ পূরণ করতে পারো না কেমন পুরুষ তুমি? আমি ওর কথার কোনো উত্তর দিলাম না। শ্রাবণী বালিশ নিয়ে অন্য রুমে চলে গেলো আর আমি শুয়ে শুয়ে খালিদের কথা ভাবতে লাগলাম, হাদারাম বলে কি না স্ত্রীকে যখনি দেখে তখনি প্রেমে পরে। আরে আমারতো স্ত্রীর চেহারাটা দেখলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায় প্রেমে পরবো দূরের কথা... --- ------ অফিসে আসার পর খালিদকে আমার রুমে ডেকে এনে বললাম, --তুমি খুব ভাগ্যবান পুরুষ। আমি আমার স্ত্রীর পিছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করেও ভালোবাসার রঙ ধরে রাখতে পারি নি আর তুমি মাত্র ১৫টাকা দামের গোলাপ দিয়ে এত বছর ধরে ভালোবাসার রঙ ঠিক রেখেছো খালিদ মুচকি হেসে বললো, - স্যার, ভালবাসার রঙ কখনোই বদলায় না শুধু বদলে যায় আমরা আর আমাদের পাশে থাকা মানুষটি আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললাম, -- আমি বদলায় নি কিন্তু আমার স্ত্রী বদলে গেছে খালিদ তখন বললো, - বদলে যাওয়ার জন্য হয়তো আপনি নিজেই দায়ী -- মানে? খালিদ আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললো, - স্যার, স্ত্রী হলো মাটির মত আর ভালোবাসা হলো পানি। আপনি দুইটা একসাথে মিশিয়ে আপনার ইচ্ছে মত আকৃতি দিতে পারবেন। আপনার স্ত্রী কখনোই আপনার কাছে লাখ টাকা দামের জিনিস চাইবে না যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে রাস্তার পাশে ৩০টাকার ফুচকা খান। আপনার স্ত্রী কখনোই আপনাকে বলবে না আমার দামী গাড়ি কিনে দাও যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে হুট খোলা রিকশায় এই শহরটা একটু ঘুরে বেড়ান। পুরো সংসারের কাজ কারার পরেও আপনার স্ত্রীর বলবে না কষ্ট হচ্ছে যদি আপনি আপনার স্ত্রীর কপালে ভালোবেসে একটা চুমু খান। একজন স্ত্রীর চাহিদা তখনি বেড়ে যায় যখন স্বামীর সাথে তার দূরত্ব বেড়ে যায়। তখন সে গহনা, শাড়ি, দামী জিনিস এইসবের মাঝে নিজের ভালোলাগা খুঁজে বেড়ায়। আমার চুপ করা দেখে খালিদ উঠে দাঁড়ালো। দরজার কাছে গিয়ে আবার আমার কাছে ফিরে এসে বললো, -স্যার, ভালোবাসা শুধু দামী জিনিসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে না। মাঝে মধ্যে ভালোবাসা ১৫ টাকা দামের গোলাপ আর রাস্তার পাশে বিক্রি হওয়া ২৫ টাকা দামের কাঁচের চুরির মধ্যেও লুকিয়ে থাকে। একটাবার ভাবীকে বলে দেখেন ভালোবাসি দেখবেন আপনার চেয়েও হাজার গুণ ভালোবাসা ভাবী আপনাকে ফিরিয়ে দিবে বাসায় এসে দেখি শ্রাবণী ওর কিনে নতুন গহনা পরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখে শেফালিকে বললো, - টেবিলে খাবার দে পিছনে লুকিয়ে রাখা গোলাপটা বের করে শ্রাবণীকে দিয়ে বললাম, -- তোমায় খুব ভালোবাসি আমি শ্রাবণী অবাক চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললো, - তোমার ঐ হাতে কি? আমি বললাম, -- তেমন কিছু না। এক ডজন কাঁচের চুড়ি এনেছিলাম তোমার জন্য। ভেবেছিলাম নিজ হাতে তোমায় পরিয়ে দিবো কিন্তু তোমার এই এত দামী সোনার গহনার সাথে এই কাঁচের চুড়ি মানাবে না। আমার কথা শুনে শ্রাবণী গহনা খুলে ফেলে দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললো, -- কাঁচের চুড়িগুলো পরিয়ে দাও বলছি... একটা ১৫টাকা দামের গোলাপ আর ১ ডজন কাঁচের চুড়ির মাঝে কি আছে আমার জানা নেই। আমি শুধু অবাক হয়ে শ্রাবণীকে দেখছি। হুট করেই দুই বছরের চেনা মানুষটা অচেনা হয়ে গেছে। আজ সে নিজ হাতে আমার পছন্দের খাবার রান্না করছে অথচ কা'দিন আগেও আমার খাবারটা কাজের মেয়ে বেড়ে দিতো #ভালোবাসার_রঙ