read.cash Log in

@janporan

Joined 22 July 2020 · 30 posts

জিবন টা কোন ছেলে-খেলা নয়, life is not playboy

120 KT

0 KT received · 0 KT given

Posts

@janporan

গ্লাস দিয়ে পানি খায়

@janporan

গ্লাস দিয়ে পানি খায়

@janporan

Bitcoin is now become popular among other people. This is a best way to earn money in lockdow. That is an evulsion throw by internet.before the lock down most of the people can't know what is betcoin.but now it’s become the popular media for earning money.

@janporan

I Don't know what people think about me.but I can ensure you that one day I will be success

@janporan

Today I saw a man who was blind.he baged me to give him some money.he didn’t eat any think for 2 days.on that time I just have only 50 taka. I give him thoes money and he was so happy.... He smile and I feel like yes now I got my ambesion. Just feed the people what they need.believe me you will have a nice price futur.

@janporan

this is the time when the world economy will change. this is time for a new season. this is time to be a mortal.

@janporan

পুরোনো সেই দিনগুলো আবার ফিরে পেতে চাই। 🙂🤗 পুরোনো সেই দিনগুলো আবার ফিরে পেতে চাই। 🙂🤗

@janporan

প্রিয় তোমাকেই খুঁজি প্রিয় তোমাকেই খুঁজি সত্যি বলছি আমি শুধু তোমাকেই খুঁজি। বর্ষার দিনে তোমাকে খুঁজি। কারণ তোমাকে নিয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে চাই।

@janporan

There are many people who can help you in your bad time, But a man who was fun with you on those time amd try to make you laugh that's called best friend🍁

@janporan

রাএি যাপন করা সহজ , তবে তাকে লালন করা কঠিন।🍁 ~ফিলেদ ক্সাকো

@janporan

প্লেটো : একটি যুদ্ধ স্পেসশিপ jarves কন্ট্রোল রুমে বিশাল মনিটরের সামনে বসে গভীর মনোযোগের সাথে প্লেটো গ্রহ পর্যবেক্ষণ করছে রাজা। পৃথিবী থেকে 7 মাস পূর্বে প্লেটো গ্রহ এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে তারা। তিন দিন হল গ্রহটার কক্ষপথে এসে পৌঁছেছে। এখন তারা শুধু গ্রহটাকে পর্যবেক্ষণ করেছে এই ধরনের পর্যবেক্ষন এখন খুবই জরুরী। কারণ প্লেটো গ্রহে মানুষ হিসেবে সর্বপ্রথম তারাই অবতরণ করতে যাচ্ছে। গ্রহ টা সম্পর্কে সঠিক তথ্য গ্রহণ করতে না পারলে অবতরণের পর হয়তো ভয়াবহ বিপদের সম্মুখীন হতে হবে। তাছাড়া এই গ্রহ সম্পর্কে পৃথিবী থেকে তাদের যে তথ্য প্রদান করা হয়েছে তা অত্যন্ত অপর্যাপ্ত। কিটো গ্রহ পৃথিবী থেকে অতিরিক্ত দূরত্বে অবস্থিত হওয়ায় কেন্দ্রীয় মহাকাশ গবেষণা দ্বারা গ্রহটি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। তাই তাদের এ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হল গ্রহ সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করা পাশাপাশি প্রোগ্রাম করে প্রথম পৃথিবীর পতাকা উত্তোলন করা। রাজা এবার অবজারভেশন ডেকে কাচের জানালার পাশে এসে দাঁড়াল। এখান থেকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। সবুজ গ্রহটির মধ্যে এখন পর্যন্ত তারা সন্দেহজনক অন্য কিছু পায়নি। গ্রহটাকে উদ্ভিদের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়নি তবে অবশ্যই কোন না কোন প্রাণী আছে। এ বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ার তামিম প্রথম থেকে চুপচাপ। তবে ক্যাপ্টেন রুসো তিনি কোন বিষয়ে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোন মন্তব্য করবেন না। এ সার্ভিস স্পেসশিপে চারজন ক্রুর মধ্যে উৎসাহিত রাজার মূল কাজ হলো ক্যাপ্টেনের সহযোগী হিসেবে কাজ করা। এই মুহূর্তে তার ডিউটি কন্ট্রোল রুমে। পালাক্রমে সবাইকে কন্ট্রোলরুমে ডিউটি করতে হবে। এটাই নিয়ম। অন্যরকম হতে পারে। অবশ্য এখানে বিশ্রামের প্রতি কোন আগ্রহ নেই কারণ জীবন সবসময় তাঁর গবেষণা নিয়ে ব্যস্ত। নতুন একটা কিছু পেলে হয়ত সেটা নিয়ে থাকে। বর্তমানে কোনো গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা সেটা নিয়ে তার গবেষণার বিষয়বস্তু। তবে ইঞ্জিনিয়ার তামিম সে ব্যস্ত আলোক রোশনি নিয়ে। আলোকরশ্মির প্রতিদান রয়েছে এক অজানা আকর্ষণ শূন্য মাধ্যমে কোন প্রতিবন্ধক ছাড়াই কিভাবে আলোক রোশনি গতির দিক পরিবর্তন করা যায় এটি তার চিন্তার বিষয়। আলোচনা সংক্রান্ত সকল যন্ত্রপাতির তার পক্ষে রয়েছে। কোন কাজ না থাকলে এই যন্ত্রপাতি নিয়ে গবেষণা শুরু করে। jarves মূলত একটা অনুসন্ধান স্পেসশিপ। নতুন নতুন গ্রহ বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধান করা ও সার্বিক কাজ সম্পাদন করা। স্পেসশিপ আকারে ছোট হলেও মহাকাশ গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 18 তম নতুন গ্রহ হিসেবে প্লেটো তে অভিযানে এসেছে jarves। এছাড়া পূর্বে নয়টি নতুন গ্রাহকতে অভিযান চালিয়েছে। প্রত্যেকবারের প্রাণের অস্তিত্ব বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উদঘাটন হয়েছে এ কারণে মহাকাশ গবেষণা jarves এর পাশাপাশি jarves এর ক্যাপ্টেনের পদমর্যাদা অনেক উপরে আর ক্যাপ্টেন রুসে সত্যিই অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। বয়স 50 হলেও কাজেকর্মে 30 বছরের যুবক কে হার মানাবে। আর এ কারণে গত পাঁচ বছর ধরে একটানা ক্যাপ্টেনের দায়িত্বে আছেন। তার চরিত্রের সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় কিংবা মজার ব্যাপার হলো তিনি সবসময় নবীনদের নিয়ে মহাকাশ অভিযানে বের হন।এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। জীববিজ্ঞানী জন আর ইঞ্জিনিয়ার তামিম দুজনের বয়স 32 আর রাজার বয়স 27। রাজা যখনই কিটো গ্রহকে দেখছে তখনই তার মনে হচ্ছে কিটো গ্রহে এমন কোন রহস্য রয়েছে যা তারা জানতে পারছে না আর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হল এই রহস্য টাকে সব সময় তার অশুভ মনে হচ্ছে। বিষয়টা এখন তার মনের মধ্যে ঢুকে গেছে। তার প্রত্যেকবারই প্লেটো গ্রহের দিকে তাকাতে নিজের অজান্তেই শিউরে উঠছে। মনে বারবার এই বলে সান্ত্বনা দিচ্ছে যে তার মত স্পেস ক্রুদে ভিত্তিহীন কোন কিছুতে বিশ্বাস করতে নেই কিন্তু যতবারই সে নিজেকে সান্ত্বনা দিতে চেষ্টা করছে ততোবারই যেন সন্দেহটা ধীরে ধীরে বিশ্বাসে পরিণত হয়ে যাচ্ছে। রাজা এবার কন্ট্রোল প্যানেল এর সামনে এসে বসতেই অবাক হয়ে মনিটরের দিকে তাকায়। কম্পিউটারে সিসি মনিটোরে প্রাণের অস্তিত্বের সংকেত দিচ্ছে। রাজা তাড়াতাড়ি ক্যাপ্টেন কে ফোন করল ওপাশ থেকে ক্যাপ্টেন রিসিভ করলো। রাজা উত্তেজিত কণ্ঠে বলল, ক্যাপ্টেন গ্রহে অস্তিত্বের সংকেত পাওয়া গেছে। সত্যিই বিস্মিত কণ্ঠে ক্যাপ্টেন বললেন। হ্যাঁ ক্যাপ্টেন। এইমাত্র আমি সিঙ্গেল পেলাম। সিসি কি গ্রহের মধ্যে থাকা প্রাণীর ছবি তুলেছে। না ক্যাপ্টেন। কিটো গ্রহের প্রাণীরা আমাদের কাছে কি কোন সংকেত পাঠাচ্ছে। না ক্যাপ্টেন। তাহলে সিসি কিভাবে প্রাণের অস্তিত্বের সংকেত পেল। ভূমিতে বাতাসের গতির বিপরীতে উদ্ভিদে আলোরনের উপস্থিতি ও উপযোগী করা হয়েছে। ক্যাপ্টেন কয়েক মুহূর্ত চুপ থেকে বলল তুমি সিসি সংকেতটা আবারো কতক্ষণ দেখো, আমি এক্ষুনি আসছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ক্যাপ্টেন রুসো জীববিজ্ঞানি জন ইঞ্জিনিয়ার তামিম সবাই কন্ট্রোলরুমে উপস্থিত হল। সবার মধ্যে দারুণ উত্তেজনা। বিজ্ঞানীগণ বারবার ভিডিও দেখছে। তাতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ছোট ছোট উদ্ভিদগুলো যেদিকে বাতাস দোলা খাচ্ছে তাই বিপরীত দিকে অল্প কিছু উদ্ভিদ হলে পরে আবার সোজা হয়ে যাচ্ছে এতে নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হচ্ছে উদ্ভিদগুলোর নিচে কিছু একটা আছে। কিন্তু ভিডিওটা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ফলে সবকিছু স্পষ্ট ভাবে বুঝার উপায় নেই। তারপরও জয় নিশ্চিত উদ্ভিদগুলো এভাবে বিপরীত দিকে করার একমাত্র কারণ ওই প্রাণীগুলো তাই সে তার উত্তেজনা ধরে রাখতে না পেরে কাঁপা গলায় বললো ক্যাপ্টেন আমি নিশ্চিত এখানপ প্রাণি রয়েছে। ওইখানে প্রাণীগুলো রয়েছে আমিও নিশ্চিত বলল তামিম। তবে আমি সত্যিই বিস্মিত হচ্ছি সিসির পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা দেখে। এতটুকু দূর থেকে সিসি যে এত সুন্দর ভাবে উদ্ভিদের এতক্ষন ও বিপণনের ভিডিওটা তুলতে পেরেছে আমি কখনও ভাবিনি' সত্যিই অসাধারণ! বলল জন আমি অবাক হয়েছি জন তবে এটা সত্য সিসির অনুসন্ধান সংখ্যাতত্ত্ব আধুনিক এই ভিডিওটা তারই প্রতিফলন বলল তামিম। এদিকে ক্যাপ্টেন কিছু বলছেনা দেখে জন বললো ক্যাপ্টেন আপনি মনে হচ্ছে কিছু ভাবছেন। হ্যা জন আমি ভাবছি এরা কতো উন্নত হতে পারে?বলল ক্যাপ্টেন। ঠিক সেই সময় স্পেসসিপ লড়ে চড়ে বসল। সব জায়গায় লাল বাতি জ্বলছে। বিপদ।বলল তামিম। . . . . চলবে............ . . প্লেটো . . ফওজুল কবির চৌধুরী রাজা

@janporan

Hi there I have a ultra though. That one day the covied 19 will be end.the vaccin will given to us we will again gethar.celebriting every function and festive. I have one more thought that one day we will again go to our collages and attend our classes.

@janporan

Photography Hi friends, I am raza.and today I am goingto tell you about photo additing. So Let's come to the topic.basically photo edit complited in 3 major step. 1.have a good photo 2.want a good additing app 3.and have a little knowledge of additing photo. Let's show a photo that I addit.

@janporan

Hi I am raza. New in this site. I just want to know how i just use it for earn. I think there is so many peapol who know how this site porperly use. So i think you all help me up. If any one know then comment it. Think you all.💖

@janporan

I am raza My name is Raza. I think most of you know me no matter when our paths have crossed. Maybe some like me and others don't, but if you are on my Facebook I want to believe that you like me. I would love to see if we can still communicate with more than just likes and gifs and actually write something to each other. I decided to participate in an experience called "A Meeting Between Breadfruits". The idea is to see who reads a post without a photo. We are so immersed in technology that we have forgotten the most important thing: good friendship. If no one reads this message it will be a short social experiment. But if you read it until the end, I want you to make a comment with ONE word about us. For example, a place, an object, a person, a moment with which you relate or remember me by. Then copy this text and stick it on your wall (don't share) and I'll go to your wall to leave a word that reminds me of you. Please don't write any comments if you don't have time to copy the text. That would ruin the experiment. Change my name and write yours. Let's see who took time to read and answer according to the shared story beyond Facebook!! Remember... using only ONE word

@janporan

Life If you do not go after what you want, you will never get it. If you do not ask, the answer will always be no. If you do not step forward, you will always be in the same place.

@janporan

If you do not go after what you want, you will never get it. If you do not ask, the answer will always be no. If you do not step forward, you will always be in the same place.

@janporan

love of mother We are now live in 21th. We all konw the power of woman.we laso know what is a woman.but behind this there is a historic carecter which known by all and has a ultimat respec. Do you know what is it? Do you know why is it? Do you know how is it? Want answer: It is mother They born us This is a social and emosonal thing We all love mother We all respect mother Our oxygen is mother. Love u mother

@janporan

সময় ২০০৪ সাল। রাত ১০ টা বাজে। মা কাঁদছে। আমি দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে আছি। সামনে গেলেই মা লজ্জা পাবে। এই মহিলাটিকে আমি লজ্জা দিতে চাই না। রাত পেরিয়ে সকাল হলেই ঈদ। বাবা এখনও আসেনি৷ "বাবা এখনও আসেনি" সেই কষ্টে মা কাঁদছে না, মা কাঁদছে অন্য কষ্টে... মা চোখের জল মুছে আমাকে ডাকলেন। আমি ঘরে গিয়ে চুপচাপ মায়ের পাশে শুয়ে পড়লাম। গভীর রাতে বাবার কন্ঠে আমার ঘুম ভেঙে গেল। বাবা এসেছে। বাবার হাতে একটি ব্যাগ। মা ব্যাগ থেকে একে একে সেমাই, চিনি বের করতে লাগলেন। আমি মার মুখের দিকে তাকিয়ে আছি। মার বিষন্ন মুখটা হঠাৎ করেই উজ্জ্বল হয়ে গেল। ব্যাগের তলানি থেকে কি বের হয়েছে কে জানে!? তাকিয়ে দেখি মায়ের হাতে একটি লাল শার্ট আর কোমড়ে রাবার দেওয়া একটি প্যান্ট... ব্যাগে আর কোনো কাপড় নেই। থাকলে কি হতো?! অন্তত একটা শাড়ি; কিংবা একটা পাঞ্জাবি; কিন্তু নেই! মা উঠে দাঁড়ালেন, বাবাকে বললেন- "রাবার দেওয়া প্যান্ট আনছো ক্যান? পোলাডা বেল্টওয়ালা প্যান্ট পরতে চায়" বাবা আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, "এইবার এইডাই পর বাবা, পরেরবার বেল্টওয়ালা প্যান্ট আইনা দিমু!" মা আবার বাবাকে বললেন, " লাল শার্ট আনছো ক্যান? পোলাডায় সাদা শার্ট পরতে চায়" বাবা আমাকে বললেন, "এইবার লাল শার্ট টাই পর বাবা, পরেরবার সাদা শার্ট কিইনা দিমু" আমি চুপ করে আছি। আমার মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে খালি ব্যাগটা। ব্যাগে আর কিছু নেই কেন? অন্তত একটা শাড়ি কিংবা একটা পাঞ্জাবি! ছোটবেলায় আমি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুজেছি। পাইনি। কোথাও পাইনি। বড়বেলায় এসে বুঝেছি কয়েকটা কাগজের নোটের অভাবে ব্যাগের তলানি থেকে শাড়ি আর পাঞ্জাবি বের হয়না। অনেক বছর পর যেদিন কাগজের নোট ইনকাম করতে শিখলাম। কোনো এক ঈদের আগের দিন রাতে আমিও একটি ব্যাগ এনে মায়ের হাতে দিলাম। মা ব্যাগ থেকে একে একে সেমাই চিনি বের করতে লাগলেন। আমি মার মুখের দিকে তাকিয়ে আছি। মার বিষন্ন মুখটা হঠাৎ করেই উজ্জ্বল হয়ে গেল। ব্যাগের তলানি থেকে কি বের হয়েছে কে জানে!? তাকিয়ে দেখি মায়ের হাতে দুইটা শাড়ি আর দুইটা পাঞ্জাবি। শাড়ি আর পাঞ্জাবির দিকে তাকিয়ে মা কাঁদছে। কেন কাঁদছে কে জানে!? হয়তো অনেক বছর আগের খালি ব্যাগটার কথা মনে পরে গেছে। মা কাঁদছে। আমি দরজার আড়ালে দাড়িয়ে আছি। সামনে গেলেই মা লজ্জা পাবে। এই মহিলাটিকে আমি লজ্জা দিতে চাই না।