ব্রেনওয়াশ
এই বিষয়টি নির্ভর করে আপনার নিজস্ব আগ্রহের উপর। যদি কোন বিষয়ের প্রতি আপনি ডেডিকেটেড থাকেন তাহলে আপনাকে ওই বিষয়ে ভুল ভাল বুঝিযে উল্টোপাল্টা কাজ করিয়ে নেওয়া যেতে পারে । এটাও এক ধরনের ব্রেন ওয়াশ। সাধারণত আগ্রহের বিষয় জ্ঞানের গভীরতা এবং নিজস্ব স্নায়ু ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার অক্ষমতাকেই টার্গেট করা হয়। যেসকল অঞ্চলের মানুষ খুব বেশি আবেগপ্রবণ তারা সাধারণত এর শিকার হন। তাই আমাদের উচিত আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখা। আবার মাঝে মাঝে ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে আপনাকে অবচেতন করে বিশেষ সাইকোলজিকাল ট্রিটমেন্ট এর মধ্য দিয়ে ব্রেন ওয়াশ করা হয়। এ পদ্ধতিতে আপনার মস্তিষ্ক কে হিপটোনাইজ সাজেশন দিয়ে বশীভূত করা হয় বা কোন একটা নির্দেশ পালনে বাধ্য করা হয়। বারবার কানের কাছে একই কথা শুনতে থাকলে হুট করে মন নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে ওই কাজটা করে বসতে পারে। এর বাস্তব উদাহরণ হিসেবে প্রেমিকার কাছে প্রেমিকের প্যান প্যানঃ শরীর ছুঁতে দেওয়ার ঘ্যানর ঘ্যানর কানের কাছে বারবার করা ও বিরক্ত বা বাধ্য হয়ে তাতে সম্মতি দেওয়া উল্লেখ করা যেতে পারে। এজন্য আমাদের পরিবার পরিজন ও মনের গতিবিধির ওপর নজর রাখা প্রয়োজন। তবে এখন ব্রেইনওয়াশ বাদেও ব্ল্যাকমেইল করেও বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করা হচ্ছে। যদিও খারাপ মানুষকে ব্রেন ওয়াশ করে ভালো মানুষ এ পরিণত করার জন্য এই বিষয়টি ব্যবহার করা যেতে পারত। কিন্তু পজিটিভ ভাবে কোন কিছু ব্যবহার করা একমাত্র ব্যবহারকারীর উপর নির্ভর করে।
No comments yet