সাজেক ভ্যালির রুপ
সাজেক রুইলুইপাড়া এবং কংলাক পাড়া, এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রুইলুই পাড়া সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,৭২০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত আর কংলাক পাড়া ১,৮০০ ফুট উচ্চতায় কংলাক পাহাড়-এ অবস্থিত।[২] সাজেকে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা উপজাতি বসবাস করে। রাঙামাটির অনেকটা অংশই দেখে যায় সাজেক ভ্যালি থেকে। এই জন্য সাজেক ভ্যালিকে *রাঙামাটির ছাদ* বলা হয়।[৩] https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%95_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%95_%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF#cite_note-2 https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%95_%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF#cite_note-3 কর্ণফুলী নদী থেকে উদ্ভূত সাজেক নদী থেকে সাজেক ভ্যালির নাম এসেছে।[৪] https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%95_%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF#cite_note-4 মেঘে আচ্ছন্ন পর্বতশ্রেণী সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত। খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে সাজেকের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। আর দীঘিনালা থেকে প্রায় ৪৯ কিলোমিটার। সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত। সাজেক ইউনিয়ন হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন; যার আয়তন ৭০২ বর্গমাইল। এখানে সাজেক বিজিবি ক্যাম্প রয়েছে। https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BF https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%95_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8 সাজেকে সর্বত্র মেঘ, পাহাড় আর সবুজ। এখান থেকে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দেয়া যায়। সাজেকের রুইলুই পাড়া থেকে ট্রেকিং করে কংলাক পাহাড়-এ যাওয়া যায়। কংলাক হচ্ছে সাজেকের সর্বোচ্চ চূড়া। কংলা যাওয়ার পথে মিজোরাম সীমান্তের বড় বড় পাহাড়, আদিবাসীদের জীবনযাপন, চারদিকে মেঘের আনাগোনা দেখা যায়। এখানে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে উপজাতিয় উৎসব অনুষ্ঠিত হয় এবং তাদের সংস্কৃতি নানা উপকরণ উপভোগ করা যায়। https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%95_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC
No comments yet