read.cash Log in
@Sehrin

ইসলামের প্রতি বিশ্বাস

ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম।ইসলাম দিয়েছে নিখুঁত রুচিনির্ভর মার্জিত ইসলামী জীবন।কোনো অশান্তি ভেদাভেদ কিংবা দ্বিধা-দন্ধকে ইসলাম কখনো সমর্থন করে নি,কিংবা করবেও না।মানব জীবনের সার্বিক কল্যাণ ও সফলতার জন্যে ইসলামের অবদান অনস্বীকার্য।শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবই এক অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সুসম্পন্ন।বিশ্বাসের কাঠগড়ায় এর উপর পরিপূর্ণ আস্থা স্থাপনই ঈমান।ঈমান কে পরিপূর্ণ সাজাতে প্রয়োজন শরীয়ত কেন্দ্রীক নির্দেশনাবলীর যথাযথ মূল্যায়ন। ধর্মীয় কৃষ্টি-কালচার তথা ইসলামি সংস্কৃতির প্রতিও বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়ার অবকাশ রাখে।এ জন্যে মুসলিম জীবনে ইসলামের বিধিবিধান ও আইনকানুনের রয়েছে অপরিসীম মহত্ব।কারণ এক দিকে যেমন ইসলাম সুসংস্কৃতির আলোয় উদ্ভাসিত একটি সয়ং-সসম্পূর্ণ ধর্মের নাম,অন্য দিকে ইসলামকে বলা যায় আল্লাহ প্রদক্ত বিধানের আলোয় আলোকিত একটি সুশীল জীবন ব্যবস্থার পরিপূর্ণ মডেল। সৃষ্টির মধ্যে মানবজাতির মাধ্যমে সংস্কৃতি আর আল্লাহ প্রদক্ত বিধানের প্রকাশ ঘটে থাকে।এরপর ভালো খারাপ যাচাই বাচাই হয়ে পরকালের জন্য চিরতরে তার কর্মফল নির্ধারণ হয়ে যায়।কেউ ভালো কাজ করে জান্নাতের অংশিদার হয়ে সৌভাগ্য অর্জন করে আর কেউ খারাপ কাজ করে জাহান্নাম কামাই করে দূর্ভাগ্যকে নিজের জন্য অনিবার্য করে নেয়। মানুষের লাগামহীনভাবে গুনাহের দিকে ঝুকে পড়া আর পাপকে ব্যপকভাবে পাপ মনে না করাই এর মূল কারণ।এর ফলে ধীরে ধীরে দিল থেকে ইসলামি শরীয়তের প্রতি মোহাব্বত ভালোবাসা উঠে দুনিয়ার লোভ লালসা বাসা বাধছে! আল্লাহর প্রতি ভয় না থাকায় এর প্রধান কারণ। পবিত্র কোরানের সূরা তাগাবুনের-১৬ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন'অতএব তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় করো।'আল্লাহর ভয় মানুষকে যাবতীয় পাপের প্রবণতা থেকে ফেরাতে সক্ষম।যতক্ষণ পর্যন্ত গাইরুল্লাহর ভয় মানুষের মনকে আচ্ছন্ন রাখে ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর প্রতি অমান্যভাবে সৃষ্টি হয় এবং তার প্রতি কোনো ভয় কাজ করে না। এ ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা সূরা জ্বীনের ২৩ নং আয়াতে বলেন,'যাহারা আল্লাহ ও তাহার রাসূলকে অমান্য করে তাহাদিগের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের অগ্নি,সেথায় তাহারা চিরস্থায়ী হইবে।'এ জন্য গাইরুল্লাহর ভয় দূর করতে হলে বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করতে হবে,এবং আজাবের কথা ভেবে আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে হবে। এই পৃথিবীতে আল্লাহর চেয়ে কেউ বেশি ক্ষমতাবান নয়।তিনি আসমান-জমিনের একাকী মালিক।তার কোনো সমকক্ষ নেই আর কখনো হবেও না।সব বিষয়ে তিনি অত্যন্ত ক্ষমতার অধিকারী। প্রখর শক্তির মাধ্যমে আজাব দেয়া ও এক বুক রহমতের দরিয়া দিয়ে ক্ষমা করার অধিকার একমাত্র আল্লাহর।তাই ইসলামের বিধিবিধান মেনে জীবন গঠন করলে পৃথিবীতে সুখ এবং পরকালে জান্নাত লাভ করা যাবে। তাই আমরা সব মুমিন-বান্দাদের উচিৎ আল্লাহ কে ভয় করা।আল্লাহ এবং তার রাসূলগনের দেখানো পথে জীবন গঠন করা।ইসলামকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করা। ইসলামে সব ধর্মের মানুষদের সম্মান করতে বলা হয়েছে,গরিব দুঃখীদের ভালোবাসতে বলা হয়েছে।মা বাবাকে সম্মান করতে বলা হয়েছে। আমরা আমাদের দ্বীন কে ভালোবাসবো।দ্বীনের আলোয় আমাদের জীবন আলোকিত করবী।

No comments yet

Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.