চাঁদে অবতরণ
এটা ছিল 1969 সালের জুলাই মাস।তিনজন নভোচারী অ্যাপোলো 11 নামক মহাশূন্যযানে অপেক্ষা করো ছিল।নভোচারী গন ছিলেন নীল আর্মস্ট্রং,এডুইন অলড্রিন ও মাইকেল কলিন্স।তারা 30 তলা উঁচু এক রকেটে উপবিষ্ট ছিলেন।নবোচারী গণ এক মহা ভ্রমন যাত্রায় যেতে প্রস্তুত ছিল।তাদের গন্তব্য স্থল ছিল এক-চতুর্থাংশ মিলিয়ন মাইল দূরবর্তী চাঁদ।তারা রকেট উৎক্ষিপ্ত করে মহাশূন্যে প্রবেশ করেন। তারা খুব দ্রুতগতিতে ভ্রমণ শুরু করলেন।ঠিক 76 ঘন্টা পর তারা চাঁদের কক্ষপথে পরিভ্রমণ করে ছিলেন।কিছু ক্ষণ পর দুজন নভোচারী আর্মস্ট্রং ও অলড্রিন চন্দ্রে অবতরণকারী জানে মহাশূন্যযান ত্যাগ করে চাঁদে অবতরণ করতে প্রস্তুত হন।আর্মস্ট্রংই চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করেন। ঠিক 20 মিনিট পর আর্মস্ট্রং কে অনুসরণ করে অলড্রিন চাঁদে অবতরণ করেন।তারা উভয়েই চন্দ্রপৃষ্ঠে অনুসন্ধান চালান ছবি তুলেন বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করেন এবং 60 পাউন্ড চন্দ্র শিলা ও মাটি সংগ্রহ করেন।তারা একটি টেলিভিশন ক্যামেরা স্থাপন করেন যাতে সমস্ত পৃথিবী দেখতে পারেন।নভোচারী গন তাদের উদিষ্ট লক্ষ্য সম্পন্ন করায় তারা এখন প্রত্যাবর্তন যাত্রা শুরু করতে প্রস্তুত হলেন।অন্য একটি রকেট উৎক্ষিপ্ত করে চন্দ্রের কক্ষপথ থেকে তারা বেরিয়ে এলেন এবং পৃথিবীর অভিমুখে এগুতে লাগলেন।24 জুলাই এ্যাপোলো 11 প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপের 24 কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ছিটকে পড়েছিল।আনন্দে হাসতে হাসতে মহাশূন্যযান থেকে বেরিয়ে এলেন। তাদের নাম ইতিহাসে বীর হিসেবে লিপিবদ্ধ হবে।
4 comments
সুন্দরভাবে অনেকগুলো তথ্য দিলেন,ধন্যবাদ।
চাঁদে অবতরণ বিজ্ঞানের একটি বিষ্ময়কর অবদান। আল্লাহ মানুষকে অসীম জ্ঞান দান করেছেন। আর এই জ্ঞান থেকে সামান্য জ্ঞান মানুষ কাজে লাগিয়ে চাঁদে অবতরণ করেছেন। ধন্যবাদ চাঁদে অবতরণের ইতিহাস লেখার জন্য।
শিক্ষানীয় একটি আটিকেল দিলেন তার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।অনেক হইতো এইসব বিষয়ে জানেনা
তথ্যবহুল লেখা। ধন্যবাদ আপনাকে।