read.cash Log in

@Naima

Joined 22 September 2020 · 56 posts

120 KT

0 KT received · 0 KT given

Posts

N@Naima

যে আমার জীবন থেকে চলে গেছে,সে পুরো পৃথিবীর কাছে জীবিত হলেও আমার কাছে মৃত! আমি চাইলেও আর তার সাথে কথা বলতে পারবো নাহ! কেননা আমার কাছে তার আর মৃত ব্যক্তির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই! -আর মৃত ব্যক্তির সাথে চাইলেই তো আর কথা বলা যায়না! -হ্যাঁ আমি তার রেখে যাওয়া স্মৃতি আকড়ে ধরে বাঁচতে চাইবো বেশ কিছুদিন কিন্তু তাকে জীবনে আর ফিরে পেতে চাইবো না! আসলে না,আমি ভুল! -আমি যেটাকে স্মৃতি বলছি ওটা আসলে তার মারা যাওয়া লাশ মাত্র! যা আমি নিজে কাধেঁ নিয়ে বেরাচ্ছি। এটাই আমার আরও একটি ভুল! সেই লাশটি একদিন পচে আমার শরীরেও পচন সৃষ্টি করবে,বাড়িয়ে দিবে ব্যথা! তাই এখন আমি চলে যাওয়া মানুষটির সাথে তার স্মৃতি নামক লাশটিও মাটি চাপা দিতে যাচ্ছি...

N@Naima

অামাকে বরং তোমার ঠোটেঁর কোনে হাসিটাতে রেখো,,বুকে হাজার জন জায়গা পেলেও ঠোটেঁর কোনে হাসিটার কারন খুব বেশি মানুষ হতে পারেনা,, অামি অজস্র ভীরে নয় তোমার মনের নিড়ে বাসা বেধে থাকতে চাই,,

N@Naima

বসে আছি অপেক্ষায়, তুমি আসবে তাই । বসন্তী ফুলের ঘ্রাণে নয় কোন এক গ্রীষ্ণের পড়ন্ত বিকেলে, আসবে তুমি ঘমাক্ত চোয়ালে, মুছবো ঘাম আমার আঁচলে । তোমার ঐ চিবুকে, খুঁজে নেবো অন্ধকারের মাঝেও আলো । জোৎসনা বিলাস নই অন্ধকারে হাটবো দুজন, খেলবো আলোর খেলা জোনাকির আলোতে । আছি বসে তাই এই ঝুম নিরবতায়, হঠাৎ তুমি আসবে, কোনো এক পড়ন্ত বিকেলে তাই...

N@Naima

পৃথিবীতে যে কয়টা সফল প্রেমের গল্প আছে তার মধ্যে ৯৯ ভাগ সৌন্দর্যের টান দিয়ে শুরু হয়। এরপর আস্তে আস্তে ভালবাসা গভীর হয়। মানুষটাকে নিয়ে ভাবতে গিয়ে,মানুষটাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে গিয়ে ভালবাসাটা আকাশ ছুঁয়ে ফেলে। সময়ের ব্যবধানে সে মানুষটা শিরা উপশিরায় বিরাজ শুরু করে। তখন তার অন্যান্য গুণ চোখে ভাসে। ভালবাসা আরো বাড়ে। কারো কারো তো দোষও ভালো লেগে যায়। তখন অবস্থা এরকম হয় যে, রূপ নষ্ট হয়ে গেলেও মানুষটাকে আমার চাই। এজন্যই বুড়ো বয়সেও কুঁচকে যাওয়া মানুষটাকেও ভালবাসতে ইচ্ছে করে। অথচ শুরুটা হয় সৌন্দর্য দিয়ে।

N@Naima

"হে বনি আদম! আকাশ চুম্বী পাপ করার পরও, তুমি যদি আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, অবশ্যই আমি ক্ষমা করে দিব।"❤ [তিরমিযি, ৩৫৪০।]🌸

N@Naima

"পৃথিবীতে যখন অসুখী মানুষের পরিমান বেশি হয়ে যায়, তখন পৃথিবী অসুস্থ হতে থাকে।"

N@Naima

নারীবাদী মানেই কী পুরুষের অসম্মান করে কথা, ডিভোর্স নেওয়া, একা থাকা, চাকরী করা, সিংগেল মাদার হয়ে বাচ্চাদের মানুষ করা? তবে আলহামদুলিল্লাহ্। আমি চাই না এমন নারীবাদী চিন্তাভাবনা। কারণ আত্মসম্মান শ্বাসপ্রশ্বাস থেকেও মূল্যবান কিন্তু অপরকে অসম্মান করে নয়। পুরুষ মানুষ নারীর জীবনে সুরক্ষা কবজ। যা নারীকে রক্ষা করে প্রতিটি আঘাত থেকে এবং ক্ষতবিক্ষত হয় নিজে। কখনো বাবা, কখনো ভাই কিংবা কখনো স্বামী রূপে।

N@Naima

যদি চাটাই এর চাল হয়। যদি একটাই ঘর হয়। অল্প বেতনের চাকরি হয়। তাহলে কি আমরা ভাল থাকতে পারবো !!?? - অবশ্যয় পারবো। ছোট ছোট খুশি গুলোকে এক করে ভাল কিছু সৃতি জড়ো করবো। আমার মাথার উপর তোমার ভালবাসা আছে মানে সেটাই আমার ঘর। সেটা বাইরে থেকে দেখতে যেমন হোক ভিতরে সুখের মেলা।

N@Naima

মানুষকে ভালোবাসো তার মন দেখে,,,, মুখের শ্রী চিরকাল থাকে না,,, বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে তার জন্য ফিলিংস আসাটা ভালোবাসা নয়,মোহো,পাপ,,,, তার আচার আচরণ ও মনের পবিত্রতা না থাকলে সেই সম্পর্ক কখনো বরকতময় হয়না,,,,,,

N@Naima

অদ্ভুত এই পৃথিবী! যাকে পাওয়ার সম্ভাবনা ১০০ ভাগের মধ্যে ১০ ভাগ ও থাকে না। তার প্রতি ই মানুষ প্রচন্ড রকমের দূর্বল হয়ে যায়। তার জন্য মনে এমন ভয়ংকর মায়া সৃষ্টি হয় কেনো?

N@Naima

কারো কাছে আমি নগন্য কারো কাছে জগন্য, কারো কাছে আবার তার সব টুকুই আমি। আমি ন্যাকা, আমি বোকা, আমি অহংকারী! আসলে এর কোনটাই আমি নই। আমি তাদের কাছে সেরকমই, যে যেটা আমার কাছে প্রত্যাশী। দিন শেষে আমি আমিই, একটু ভালো একটু মন্দ। আমি আমিই।

N@Naima

‘যে ব্যক্তি কোনো মুমিনকে এমন দোষে দোষারোপ করবে যা থেকে সে মুক্ত, আল্লাহ তাকে ‘রাদগাতুল খাবাল’ নামক জাহান্নামের গর্তে বাসস্থান করে দেবেন, যতক্ষণ সে অপবাদ থেকে ফিরে না আসে।’ [আবু দাউদ] মিথ্যা অপবাদের ফলে একদিকে দোষারোপকারীরা অবৈধভাবে নানা ধরনের ফায়দা লুটছে, অন্যদিকে যাকে মিথ্যা দোষারোপ করা হচ্ছে, তাকে দারুণভাবে হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। এর দ্বারা ব্যক্তিগত সম্পর্কের অবনতি ঘটে, হিংসা-বিদ্বেষ বৃদ্ধি পায়, সামাজিক বন্ধনের ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে পড়ে এবং পারস্পরিক ঐক্য ও সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়। মানব জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় ক্ষেত্রে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের পারস্পরিক শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থানকে দুর্বল করে ফেলে। তাই ইসলামের শিক্ষার আলোকে প্রত্যেকেরই মিথ্যা অপবাদ ও দোষারোপের ন্যায় জঘন্য সামাজিক অনাচারমূলক কর্মকাণ্ড থেকে সর্বাবস্থায় বিরত থাকা উচিত।

N@Naima

অভিশাপ না দিলেও "রুহের হায়" বলে একটা কথা আছে, যাকে “রিভেঞ্জ অফ ন্যাচার” বলে। কোরআন-এর ভাষায় যেটা “কিফারাহ্”। এ সম্পর্কে বেশ কয়েক বার বলা আছে কোরআনে। যেটা আমাদের বিশ্বাস করতেই হবে। সবসময় হয়তো আমরা বুঝে উঠতে পারি না, সঠিক কোন কাজের শাস্তি পাচ্ছি৷ কাউকে কষ্ট দিয়ে, কাউকে কাঁদিয়ে, কাউকে কথা দিয়ে বেমালুম ভুলে যাই আমরা, কিন্তু প্রকৃতি ভুলে না, প্রকৃতি ক্ষমা করে না। এমনকি এই মুহূর্তে আপনি যার সাথে অন্যায় করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সে হয়তো প্রতিবাদ করবেনা, কিন্তু তার ওই কষ্ট থেকে আসা রুহের হায় আপনার সাথে বোঝাপড়াটা সঠিক সময়ে করে নিবে। কারণ সৃষ্টিকর্তা কাউকে ঠকান না, তিনি কারোর একার না।

N@Naima

টাকা-লোভী মেয়েকে বিয়ে করলে টাকা দিয়েই খুশি রাখা যায়। কিন্তু যদি ভালোবাসা-লোভী মেয়ে বিয়ে করেন তাহলে ফেসে যাবেন এক্কেবারে, সারাজীবনের জন্যে। কারণ এদেরকে ভালোবাসতে হয়, প্রচুর! একেবারে দায়িত্ব নিয়ে। টাকার থেকে ভালোবাসার লোভ ভয়ংকর, খুব ভয়ংকর। আর এই লোভ করা মেয়েদের বিয়ে করেছেন তো গেলেন একেবারে। টাকার লোভ করা মেয়েদের টাকাই লাগে। কিন্তু ভালোবাসার লোভ করা মেয়েদের?! সম্মান, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, প্রেম আর ভালোবাসা তো আছেই। এদের না অনেক চাহিদা। ভালোবাসা চাই এদের, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। এদের পাশে থাকতে হবে, বিশ্বাস করতে হবে, ভালোবাসা দিয়ে ভালো রাখতে হবে, শুধু এদেরকেই ভালোবাসতে হবে, কেননা ভালোবাসার মানুষ ভালোবাসার জায়গাটা কিঞ্চিৎ পরিমাণ অন্য কাউকে দিলে এরা মেনে নিতে পারে না। বুঝতে হবে তাদের পুরোটা, মুগ্ধ হতে হবে, শুধুমাত্র তাদের প্রতিই। নিজের সবটুকু তাদের দিতে হবে, সবটুকু! জীবনসঙ্গীর মনের রাজ্যটুকুর পুরো রাজত্ব হাসিল করতে চায় এরা। অনেক হ্যাপা তাই না? হ্যা, অনেক!! তাই এই হ্যাপা পোহাতে না চাইলে টাকা, প্রতিপত্তি, সহায়-সম্পত্তি চাওয়া কোনো একটা মেয়েকে বিয়ে করুন। এসব দিলেই খেল খতম, কোনো প্যারা নাই। মেয়েটার কোনো অভিযোগ শুনতে হবেনা, বিন্দু পরিমাণও না। কিন্তু ভালোবাসা চাওয়া মেয়েকে বিয়ে করতে এত্তএত্ত হ্যাপা পোহাতে হবে, ইক্টুখানি কমতি হলেই হাজারটা অভিযোগ। ভালোবাসার ক্ষেত্রে যে কিছুতেই ছাড় দেয় না তারা। এদেরকে জীবনসঙ্গী করে পেতে যোগ্যতা থাকতে হয় বস। যেই যোগ্যতা হলো দুনিয়ার সবচেয়ে বড় যোগ্যতা। ভালোবাসতে পারার যোগ্যতা!🙂❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

N@Naima

শুনতে কি পাচ্ছো তুমি? আমি তোমার মতো হতে চাই কঠিন, নিরব,নীথর। সামনে বিশাল পাহাড়ের গায়ে, আকাশে, বাতাসে প্রতিধ্বনিত হয়ে ফিরে এলো কথা গুলো। আর আমি হাঁটু গেড়ে বসে সামনের পাহাড়কে চিৎকার করে বললাম আমি তোমার মতো হবো। আস্তে আস্তে আমার চিৎকারের শব্দটা আর্তনাদে পরিনত হয়ে গলা বুজে আসতে লাগলো। তবুও আমি বিড়বিড় করে বলতে লাগলাম আমি তোমাকে কিনতে চাই আমার সমুদ্রটাকে বিক্রি করে দিয়ে। আমি যখন অনেক ছোট তখন একটা দ্বীপ ছিল আমার । প্রজাপতির মতো ঘুরে বেড়াতাম দ্বীপের এমাথা ওমাথা। বেশ কেটে যেত দিন। আস্তে আস্তে বড় হতে থাকলাম আর দ্বীপটিকে ছোট মনে হতে থাকলো। তখন দ্বীপটাকে বিক্রি করে দিয়ে নদী কিনে নিলাম আর ভাবলাম গাঙচিল হয়ে উড়ে বেড়াবো দু'কূল আর নদীর ধারে কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করবো। আর বড় হতে থাকার সাথে তৈরি হওয়া কষ্ট গুলো জোয়ারের সাথে সমুদ্রে বিলিয়ে দিবো। কিন্তু তা আর হলো না। এখন নদী তার নাব্যতা হারিয়েছে। কষ্ট গুলো জমাট বেঁধে থাকে নদীর বুকেই। তাই নদীটাকেই বিক্রি করে দিয়ে সমুদ্র কিনে নিলাম। ভাবলাম সমুদ্রের গর্জন হয়ে নিজের ভেতরের আর্তনাদকে দমিয়ে রাখবো।আর কষ্ট গুলোকে বাস্পায়িত করে আকাশের মেঘ বানিয়ে দেবো। কিন্তু তাও হলোনা, আকাশের মেঘ আক্রোশে বৃষ্টি হয়ে দ্বিগুণ বেগে সমুদ্রের বুকেই নেমে আসলো। তাই আমি সমুদ্র বিক্রি করে পাহাড় কিনব,যার পাশেই থাকবে গভীর অরন্য।পৃথিবীর কোনো কিছু ই আমাকে আর কষ্ট দিতে পারবেনা। পাহাড়ের বুক কেটে তৈরি করে দেব ঝর্না ধারা যা পূর্বের কষ্ট গুলো ঝর্নার জলধারা হয়ে আছড়ে পরবে সাগরের বুকে। আর আমি? বাস্পায়িত মেঘমালা আর সূর্যের কিরণের আলিঙ্গনে তৈরি হওয়া রঙধনুর মুকুট পরে, অরণ্যের সাথে সখ্যতা করে সগৌরবে দাঁড়িয়ে দেখবো পৃথিবী।

N@Naima

আমিতো শব্দবিহীন , বাক্য বিহীন শুন্যতেই দাড়ি টেনে দিয়েছি । তবে তুমি কেন সেই শূন্যতে কালি ছুঁড়ে হাজারো শব্দের মেলায় , হাজারো বাক্যে প্রশ্নবোধক এঁকে দিয়েছো? আমিতো আকাশসম কষ্টটাকে ভালোবাসায় রুপান্তরিত করে হাঁসতে শিখেছি। তবে তুমি কেন আমার সেই আকাশসম ভালোবাসাকে প্রথমে মেঘ তারপর বৃষ্টিতে রুপান্তর করতে এসেছো? উত্তর আছে কি জানা? না ,নেই জানি । জানি এখন তুমি খুঁজছো হাজারো বাহানা।

N@Naima

রিলেশনশীপ কে কখনো সিরিয়াসলি নিবেন না হালকা করে ছেরে দিন নিজের মতো চলুক!❤ কোনো কিছুকে বেশি গুরুত্ব দিলেই সেটা তারাতাড়ি নষ্ট হয়ে যায় বেশি কেয়ার করতে যাবেন নিজের গুরুত্ব বুজাতে যাবেন নিজেই কষ্ট পাবেন আর কিছুই না!🌸 যে গাছটাকে বেশি যত্ন করবেন সেই গাছটাই দেখবেন তারাতারি মারা যাবে আর তার জন্য আপনারি কষ্ট বেশি হবে অথচ দেখুন রাস্তার পাশের গাছগুলো যত্নহীন অবস্থায় কি সুন্দর বেড়ে উঠেছে!🖤

N@Naima

পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর গন্ধ হলো প্রেমিকের শরীরের গন্ধটা সমস্ত পারফিউম কে হার মানাই। যখন আপনি খুব কাছাকাছি থাকবেন তখন শার্টের থেকে গন্ধটা নিয়ে দেখুন না কতোটা ফিল হয়। কপাল বেয়ে ঘামটা হাত দিয়ে মুছে দিয়ে দেখুন না কতোটা ফিল হয়। ঘাম ভর্তি শরীরটাকে পিছন থেকে জাপটে ধরে দেখুন না কতোটা ভালোবাসা জেগে ওঠে। ঘামে সাদা হওয়া কাপড়টা ধোঁয়ার আগে একটু গন্ধটা নাকের ডগায় নিয়ে দেখুন না সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে। ভালোবাসা যদি গাঁয়ের গন্ধটা সহ্য করতে না পারে সেটা ভালোবাসা হতে পারে না। ভালোবাসা যদি খুনসুটি ঝগড়া মনে হয় বিচ্ছেদের কারণ তবে সেটা ভালোবাসা ছিলোনা। ভালোবাসা যদি হয় তুলনা তাহলে সেটা ভালোবাসা নয়। ভালোবাসা হলো একে অপরকে বুঝতে পারা।

N@Naima

প্রানপুরুষ আমি আপনার বুকের ঠিক বাম পাশটায় আপনার হৃদ বরাবার আমার উষ্ণ অধর ছোয়াবো।যে ছোয়া আপনার হৃদস্পন্দনকে তরান্বিত করবে। সেই অবিচ্ছেদ্য সুর,,সেই চেনা তাল আরো দ্রুত গতির হয়ে সৃষ্টি করবে এক অমিয় সংগীত।আপনার হৃদয়ে আমার ভালোবাসার সংগীত।

N@Naima

বই পড়ে যতটুকু জ্ঞান অর্জন করি,,তা কেবল পরীক্ষার খাতা অবধি সীমাবদ্ধ,, বাস্তবতা থেকে যে জ্ঞান অর্জন করি তা অামাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই কাজে লাগে,, পাঠ্যবই গিলানো বন্ধ হোক,,জীবন যুদ্ধে জীবন গঠনে জয়লাভ করার জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠানে শিখানো হোক কর্মমুখি অার কারিগরী শিক্ষা,,যে শিক্ষা অর্জন করেই কাউকে বেকার থাকতে হবেনা,,কেউ যেনো বলতে না পারে এত ডিগ্রী নিয়ে কি করবা শুনি?? চাকরি পাবা তো??? মামার বাড়ি গল্প ছলা কলার গল্প গুলো তুলে নেওয়া হোক পাঠ্য বই থেকে,,যে গল্প গুলো শুধু মাত্র বিনোদনের উৎস শিক্ষার কিছুই নাই,,চাকরির ইন্টার ভিউতে কখনও প্রশ্ন করা হয়না হাজার বছর ধরে উপন্যাসের মন্তুুর কথা,,বরং জিঙ্গেস করা হয় তোমার কত বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা অাছে???কম্পিউটার জানো তো!!ইংলিশে কেমন তুমি?? বর্তমানে যে প্রথম শ্রেনীর বই যে গুলো পড়ে অাসছি,,সে বই গুলোও অহেতুক মনে হয়,,শিক্ষার কিছুই দেখিনা অামি,,এইসব বইতে হাবিজাবি না দিয়ে উপদেশ মূলক শিক্ষনীয় গল্প দেওয়া হোক,,অামি কখনও এই হাবিজাবি শিক্ষার জন্য অামার বাচ্চাকে ফুলের টোকাও দিবো না,,যে শিক্ষা অামার সন্তানের ভবিষ্যৎতের নিশ্চয়তা দিতে পারবেনা,,সে পাঠ্যক্রমের জন্য অামি সন্তানকে মারবো না,, স্কুল জীবনের পড়াশোনাটা রিডিং শিক্ষার কাজেই অাসে,,অার জ্ঞান টা বমি করা হয় পরিক্ষার হলে,,পরিক্ষা শেষে পেটে অার মগজে কিছুই থাকেনা,,বমি যতটুকু করবা ফলাফল ততটুকুই অাসবে!! বিদ্যা অার অভিজ্ঞতা দুটি অালাদা জিনিস,,বিদ্যার চেয়ে অভিজ্ঞতা প্রতিটি কাজেই লাগে!!

N@Naima

আত্নসম্মান খোঁয়ায়ে ভালোবাসা পাবার চেয়ে,সেই ভালোবাসা বিসর্জন দিয়ে, আত্নসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকা অধিকতর শ্রেয়।💚

N@Naima

সৃষ্টিকর্তা অামাকে জীবনটা উপভোগ করার তৌফিক দিয়েছেন,,এই পৃথিবীর রুপ অামি অনেক দেখেছি,,যত দেখি ততই দেখার তৃষ্ণা বাড়ে,, এই পৃথিবীর সৌন্দর্য অার নীল অাকাশের বিশালতা নিয়ে অামার নতুন করে লিখার কিছু নেই,,কারন পূর্বে কবি গুরু দার্শনিক সাহিত্যবিধরা ভিবিন্ন ভাবে পৃথিবীর সৌন্দর্যর প্রকাশ করেছেন,,রং তুলি কিংবা খাতা কলমে,, অামি নগন্য প্রেমিক,,রিক্ত হাত,,পিপাসা কাতর অাখিঁ নিয়ে এই পৃথিবীর সৌন্দর্যর বর্ননা দেওয়া অামার যোগ্যতা নেই,, অামি কেবল ক্ষুদে ক্ষুদে জগৎ বিখ্যাত হতে চাই প্রিয় মানবীর চোখে,,নীলের বিশালতায় অাকাশ যেমন নীল রং এ অাবদ্ধ,,অামি চাই অামার ভালোবাসার রং এ ঐ মানবীও সীমাবদ্ধ থাক,, অামি অার একটা যুগ বাচঁতে চাই,,তার সাথে এই পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখার লোভে,,এই পৃথিবীর সৌন্দর্য এত মুখরিত,,না জানি জান্নাত অারও কত লক্ষ গুন বেশি সৌন্দর্যময় অার মোহিত,, হে অাল্লাহ অামাকে নীল অাকাশের বিশালতার মতই উদার করে নিও,,হিংসা অার অহংকার মুক্ত রাখো,,

N@Naima

যৌবনে পা দিছো,,রোজগার করার ক্ষমতা নাই,,বাপের হোটেলে খেয়ে রাজার মত অাদেশ করো,,অথচ চিন্তা করো না,,তোমার অাদেশ পূরন করতে তোমার পরিবারের কতটা হিমশিম খায়,,কতটা ত্যাগ স্বিকার করে,,কতটা পরিশ্রম করে,, একটা বাইক ছাড়া তোমার জীবন অচল,,মেয়ে পটেনা,,এলাকায় ভাব বারেনা,,ফুটানি করে চলার জন্যও বাইক চাই,,শুরু হয় বাপ মাকে প্রেসার,,বাইক তার লাগবেই,, একটা বাইক কিনতে এক দুই কিংবা তিন লাখের চেয়েও বেশি খরচ যায়,,তার পরে গতিবেগ কিলোমিটারে তেল,,একটা বাইক পালা যত খরচ ব্যয় হয়,,তার চেয়ে অনেক কম টাকা দিয়ে একটা বউ পালা যায়,, বাইক কিনে সময় নষ্ট করছো অাড্ডা দিয়ে,,টাকা নষ্ট করছো বাইক দিয়ে,,অথচ তুমি চিন্তা করো না,,একটা বাইক তোমার সফলতা এনে দিতে পারবেনা,,একটা বাইক তোমার অন্ন জোগাবেনা,, যে টাকা দিয়ে বাইক কিনছো,,সে টাকা দিয়ে বিজনেস শুরু করলেও তুমি সফলতার মুখ দেখবে,,অাচ্ছা তোমাদের কি ধারনা??? একজন সফল ছেলে রেখে একজন বাইকওলার হাতে পিতা মাথা তার মেয়েকে তুলে দিবে?? অাগে শখ নয় অবস্হান তৈরি করো,,শখ পূরন করতে পারবে অবস্হান দিয়ে,, অবস্হান অাগে তৈরি করো,,একদিন দুই তিনটা বাইক কিনা এমনেইতেই সহজ হয়ে যাবে তোমার,, অাগে অবস্হান তৈরি করো,,পরে প্রেমিকা,,অবস্হান ছাড়া প্রেমিকা থাকবেনা,, অাগে ঘর বানাও,,তারপরে বিয়ে করো,,কারন ঘর ছাড়া বউ রাখবে কোথায়??? একটা বাইক তোমাকে সুন্দর পরিবেশ দিবেনা,,কিন্তু সঠিক সময়ের সঠিক পরিশ্রম সঠিক সিদ্ধান্তই তোমাকে একটি সুন্দর পরিবেশ দিবে,,

N@Naima

অামি ভাগ্যকে বিশ্বাস করিনা,,ভাগ্য বলতে দুনিয়াতে কিছুই নেই,,যতক্ষন তুমি তোমার হাত পা অার শরীরটা কাজে না লাগাবে,,ততদিন তুমি কিছুই পাবেনা,,তুমি পরিশ্রম করো,,তুমি সফল!! অার তোমার পরিশ্রমের ফলে যে সফলতা অাসবে সেটাই ভাগ্য!! স্বপ্নের রংটা সুন্দর,,বাস্তবের রংটা অনেক কঠিন,,স্বপ্ন তোমাকে শক্তি দেয়,,বাস্তবতা দেয় শিক্ষা!! বেশি বেশি স্বপ্ন দেখো,,তোমার শক্তির। বাহিরে স্বপ্ন দেখো না,,অাহত হবে স্বপ্ন পূরন হবেনা,,স্বপ্ন দেখো,, এমন স্বপ্ন দেখো না,,যে স্বপ্ন তোমার কষ্টের কারন হয়ে দাড়াঁয়,,কারন স্বপ্ন ভাঙ্গার যন্ত্রনা অনেক কষ্টদায়ক,, কাউকে সার্পোটট করো,,এমন ভাবে করো না,,যেনো তার একটি খারাপ কাজ তোমার সার্পোটে দ্বিতীয় খারাপ কাজ করার সাহস অার শক্তি পায়!! কাউকে সহযোগিতা করছো?? গোপনে করো,,লোক দেখানোর জন্য ভিডিও করে ছবি তুলে,,হাজার জন মানুষ নিয়ে সাহয্য করতে যেওনা,,লোক দেখানো সহযোগিতা অার গোপনে সহযোগিতার মধ্যে অাকাশ পাতাল তপাৎ,, নিজের যা অাছে,,তাতেই সন্তুষ্ট থাকো,,অন্যের জিনিস দেখে অাপসোস করো না,,বরং তোমার অবস্তানের জন্য অালহামদুল্লিলাহ বলো,,দেখবে একদিন তুমিও ভালো থাকবে,, প্রয়োজনের তুলনায় কাউকে মাথায় তুলে নাচিও না,,এতে তার অহংকার বেড়ে পাহাড়ে পরিনত হয়,,সে যেমন মানুষ তুমিও মানুষ,,কাউকে নিয়ে অতিরিক্ত মাতামাতি করাটাও ব্যক্তিত্বহীন মানুষের কাজ,,পারলে নিজের ব্যক্তিত্বটা ধরে রাখার চেষ্টা করো,,

N@Naima

"যতই তোমাকে জানার চেষ্টা করছি ততই তোমাতে ডুবে যাচ্ছি। তুমি নামক সমুদ্র যে অতল অভিরূপ!"

N@Naima

মানুষ হয়ে জন্মেছি তো বহু অাগে,,দরকার শুধু মনুষ্যত্ব,,এটা জন্মায়না এটা তৈরি করতে হয়,,ধাতব কোন বস্তু দিয়ে মনুষ্যত্ব তৈরি করা যায়না,, মনুষ্যত্ব তৈরি করতে বিশুদ্ধ অন্তরের প্রয়োজন💖💖