read.cash Log in
@Munia

মধ্যদুপুর ও শেষের কবিতা

শিরোনাম টা দেখে হয়তো কেও কেও অবাক হতে পারেন। হঠাৎ করেই ইচ্ছে হলো শেষের কবিতা নিয়ে কিছু লিখি। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন, আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী সৃষ্টি শেষের কবিতার কথাই বলছিলাম। আমার ছোটবেলায় টুকটাক বই পড়ার অভ্যাস ছিলো, যেটা বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমতে শুরু করে। এ বইটা আমি প্রথম পড়ি ক্লাস নাইন এর বার্ষিক পরীক্ষার পর, প্রেম ভালোবাসা কি জিনিস তখন ও ধারনা ছিলো না ছিটেফোঁটা। তাই উপন্যাস এর প্রতিটা লাইন খুবই শক্ত লেগেছিলো, কিছুই যেন মাথায় ঢোকে না। তারপরের পড়াটা যতোদুর মনে পরে ঠিক তার ৭/৮ মাস পরে, ততোদিনে জীবনে প্রেম আসে, প্রেমে ব্যর্থ বলা যায় আসলে ঠিক প্রেম না, সেই প্রথম। তারপর যখন শেষের কবিতা পড়তে শুরু করি তখন আসতে আসতে মনে হয় লাইন গুলো যেন বুঝতে শুরু করেছি আমি। তৃতীয় বার পড়েছিলাম এস.এস.সি দেয়ার পর এক বৃষ্টির দিনে, ঠিক এ রকম সময়ে হয়তো, এখনো মনে আছে, সেই সময়টাই মনে হয়েছিলো,আরে এ কথাগুলোর অর্থ তো আগে বুঝিনি, মাত্র নতুন পড়লাম। সবাই ভাবতে পারেন আমি গুল দিচ্ছি কিন্তু সত্যিই এরপর ও এই একই বইটা আমি ১৪-১৫ বার পড়েছি। হয়তো তার ও বেশিই হবে। এমন অবস্থা আমার, বেশিরভাগ লাইন আমার মুখস্থ। বিশ্বাস করুন, যতোবারই পড়ি মনে হয়, প্রথম বার পড়লাম, প্রতিবার বই এর কথাগুলোর অর্থ নতুন ভাবে স্পষ্ট হয় নিজের কাছে। লাবন্য, অমিত, কেতকী যেন আমার কোন আপনজন। "পথ বেধে দিলো বন্ধনহীন গ্রন্থি আমরা দুজন চলতি হাওয়ার পন্থি"

10 comments

Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.