দুনিয়া ও আখেরাত দুই সতীনের ন্যায়। স্বামী যেমন একজনকে খুশি করতে চাইলে অন্যজন ক্ষিপ্ত হয়। তেমনি কেউ দুনিয়ার জীবনকে সুখময় করতে চাইলে আখেরাতের ক্ষতি এবং আখেরাতকে নির্বিঘ্ন করতে চাইলে দুনিয়ার জীবনের ক্ষতি স্বীকার করা ছাড়া গত্যন্তর নেই।
Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.
6 comments
সুন্দর যুক্তি,সামনের মানুষ টাকে বুঝানোর জন্য ছোট্ট একি বাক্য বা সাড়া অনেক।আখিরাত শান্তিময় হবে তার সিড়ি দুনিয়াতে তৈরি করতে হবে। তা না হল আখিরাত আর দুনিয়া দুইটি বিনাশ হবে।ধন্যবাদ
প্রকৃত মনুষ্যত্ব ও ঈমান সাথে জীবন যাপন করলে আখিরাত ও দুনিয়ায় ভালো থাকা যায়।
সুন্দর করে লিখেছেন৷ তবে সতীনেন দন্দ্ব নিরসনে কুরআন হাদিসের আলোকে জীবন পরিচালনা করতে হবে। তাহলে দুনিয়ায় আর আখিরাতেে শান্তি পাওয়া সম্ভব
সেটা কয়জনে বুঝে সবাই রঙের দুনিয়ায় নিয়ে ব্যস্ত,, পরকালে জবাব দেবে কি নিয়ে যাবে সেই সম্পর্কে কারো মাথাব্যাথা নেই।
আল্লাহ সময় থাকতে সবাইকে হেদায়েত দিক
আমিন