Hadis মাত্র ১টি জামা পরে অর্ধ পৃথিবী শাসন করেছিলেন হযরত ওমর (রা:)।
Joined 20 May 2020 · 129 posts
120 KT
0 KT · $1.98 received · 0 KT · 60¢ given
Hadis মাত্র ১টি জামা পরে অর্ধ পৃথিবী শাসন করেছিলেন হযরত ওমর (রা:)।
লাভ ভালোবাসা খুবই ব্যক্তিগত ব্যাপার, ঢাক-ঢোল পিটিয়ে তার প্রচার করার কোন কারণ দেখিনা। __হুমায়ূন আহমেদ
Sunnat এ মাসে নাকি বিয়ে করা সুন্নাত। তো কে কে এই সুন্নাত আদায় করতে পারছেন না? আসুন একটু সুখ দুঃখের আলোচনা করি
Corona update █▒▒▒ ব্রেকিং/ Breaking News ▒▒▒█ ** ১১৩০১ নমুনা পরীক্ষায় ২৫২৩ নতুন করোনা রোগী শনাক্ত। ** ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৮২ জনের। ** গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ ৫৯০ জন, মোট সুস্থ হয়েছেন ৯০১৫। ** এ পর্যন্ত দেশে মোট ৪২,৮৪৪ জনের করোনা শনাক্ত।
রুই মাছ রেসিপি উপকরনঃ রুই মাছ – ৬ টুকরা রসুন বাটা – ১/২ চা চামচ আদা বাটা – ১/২ চা চামচ জিরা বাটা – ১/৩ চা চামচ ধনে গুঁড়া – ১/২ চা চামচ পেঁয়াজ কুচি – ৩ টেবিল চামচ মরিচ গুঁড়া – ১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়া – ১/৪ চা চামচ টমেটো ফালি করা – ১ কাপ কাঁচা মরিচ – ৩/৪ টা (ফালি করা) ধনেপাতা কুচি – ২ টেবিল চামচ তেল – ২ টেবিল চামচ লেবুর রস – ১ চা চামচ লবণ – পরিমানমতো পানি পরিমানমতো (৩ কাপ পরিমাণ) পদ্ধতি: ১।মাছের টূকরাগুলো ধুয়ে লবণ ও হলুদ মেখে তেলে হালকা করে ভেজে নিন। ২। অন্য একটি পাত্রে মাছ ভাজার গরম তেল দিয়ে পেয়াজ কুচি দিয়ে নেড়ে ভাজুন। ৩। পেয়াজ বাদামী রঙ ধারণ করলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। ৪। এবার আদা-রসুন বাটা, হলুদ-মরিচ গুঁড়া, জিরা বাটা, ধনে গুঁড়া এবং লবণ দিয়ে কষাতে থাকুন। ৫। সব মশলা ২/৩ মিনিট কষানো হলে মাছের ভাজা টূকরাগুলো মশলায় ছেড়ে দিন। ৬। এবার তিন কাপ পানি দিয়ে আবার হালকা করে নেড়ে ঢেকে দিয়ে রান্না হতে দিন। এসময় চুলার আঁচ স্বাভাবিক থাকবে। ৭। পাঁচ মিনিট রান্না হলে ঢাকনা তুলে টমেটো ও কাঁচামরিচ দিয়ে আরো ১০মিনিট রান্না করুন। ঝোল একটু ঘন হবে। ৮। ঝোল-ঝোল অবস্থায় ধনে পাতা কুচি ছড়িয়ে দিয়ে নামিয়ে ফেলুন।
অসমাপ্ত ভালবাসা গল্প------->🌺আলো🌺 পর্বঃ ১৮। | | ভোর এখন আল্লাহর অশেষ রহমতে পুরোপুরিভাবে সুস্থ। ভোরের সুস্থ হওয়াতে.. একটা নতুন কম্পানির সাথে ডিল হবে কিছুদিন পর তারা আজ রাতে একটা পার্টি থ্রো করেছে। যেহেতু আলো ভোরের পি.এ. তাই আলোরও যেতে হবে। আর ভোর কয়েকজন কলিগ আর ফ্রেন্ডদেরও ইনভাইট করেছে সে পার্টিতে। | মাত্র লাঞ্চ করে ভোর রুমে এলো। এসেই শুয়ে পড়েছে। কিছুক্ষণ পর আলোও এলো। আলো এসে সোফাতে শুয়ে পড়ল। আলো সোফাতে শুয়ে পড়ায় ভোর অবাক হলো। তাই... ভোরঃঃ কি ব্যাপার? তুমি সোফাতে? | আলোঃঃ-------- | ভোরঃঃ কথা বলছ না কেন? এভাবে তাঁকিয়ে আছো কেন? | আলোঃঃ এমনি। ((চোখ বন্ধ করে নিলো)) | ভোর উঠে আলোর কাছে গিয়ে আলোর কপালে হাত দিলো.. | ভোরঃঃ না। জ্বর তো আসে নি। তবে কি হয়েছে? | আলোঃঃ কিছু না। আপনি যান। ((চোখ খুলে)) | ভোরঃঃ বেডে চলো। | আলোঃঃ আপনার পাশে শুবো না। | ভোরঃঃ তুমি তো আমার পাশে কখনোই শোও না। শোও আমার বুকের উপর। চলো আমি ঘুমাবো একটু। | আলোঃঃ তো যান ঘুমাতে আমি ধরে রেখেছি? | ভোরঃঃ এভাবে কথা বলছো কেন? তুমি আমার অভ্যাস খারাপ করে দিছো। তাই আমার ঘুম আসবে না চলো। | আলোঃঃ আমি কি খারাপ করেছি? কখন? | ভোরঃঃ এই যে আমার বুকে শুয়ে শুয়ে। আমাকে জড়িয়ে ধরে। এখন এগুলা ছাড়া আমার ঘুম আসবে না। সো চলো। | আলোঃঃ অভ্যাস চেন্জ করিয়ে দিবো আজ থেকে। আর ঘুমাবো না আপনার বুকে বা আপনার পাশে। যান। | বলেই আলো চোখ বন্ধ করে ফেললো। আর আলোর কথা শুনে ভোরের প্রচন্ড রাগ হলো। তাই আলোকে ধুম করে কোলে তুলে নিলো। আলো পুরো শকড। তবুও মোচড়ামুচড়ি করছে ভোরের কোলে বসে। ভোর আলোকে বেডে শোয়ালো তারপর আলোর বুকের উপর মাথা দিয়ে আলোকে জড়িয়ে ধরলো শক্ত করে। আলো তো নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে কিন্তু পারছে না। তাই........ | আলোঃঃ সরুন। আমাকে এভাবে ধরার অধিকার আপনার নাই। ছাড়ুন বলছি। | ভোরঃঃ আমি চাই না তুমি ভোর চৌধুরীর আগের রূপটা দেখো। সো স্টপ। | আলোঃঃ আপনাকে ছাড়তে বলছি ছাড়ুন। বলেছি না আমাকে ধরার অধিকার আপনার নাই। ((রাগী মুডে)) | ভোরঃঃ তাহলে কি অন্য পুরুষের আছে?((অগ্নিময় দৃষ্টি)) | আলোঃঃ কার আছে জানি না। কিন্তু আপনার নাই। ((ভোরের হাত বাহু থেকে সরিয়ে)) | ভোরঃঃ আলো এবার কিন্তু বেশি হচ্ছে। আমি কিন্তু রেগে যাচ্ছি। | আলোঃঃ So what! ছাড়ুন। ((ধাক্কা দিয়ে)) | ভোরঃঃ তোর হঠাৎ কি হয়েছে? একবার যদি সরে যাই তো তুই হাজার বার চাইলেও পাবি না আমাকে।((প্রচন্ড রাগী মুডে)) | আলোঃঃ আমি চাই না আপনাকে ছাড়ুন। যত্তসব। | ভোর আর কিছু না বলে উঠে দেয়ালে একটা পাঞ্চ দিয়ে সোফাতে গিয়ে বসলো। আমো একটু ভয় পেলো। আলো বেডের অন্যপাশে গিয়ে বললো.... | আলোঃঃ আপনার শরীরে এত দুর্গন্ধ আগে জানতাম না। আগে এই বাজে গন্ধ পেলে আমি ককখনোই আপনার বুকে মাথা দিতাম না। ইয়াকককক ((মুখ টিপে হেসে)) | ভোরঃঃ Whattttt?? ((রাগি গলায়)) | আলোঃঃ জ্বী হ্যাঁ। পুরো পঁচাআআআআআআআআ মাছের গন্ধ। উহুম কি নোংরা কি নোংরা। ইয়াকককককক ((আবারও মুখ টিপ হেসে)) | আলোর কথা শুনে ভোর নিজের শরীর নাক দিয়ে গন্ধ নিচ্ছে। কই নাতো কোনো দুর্গন্ধ নাই। কত সুন্দর পারফিউমের স্মেল। ভোরের কান্ড দেখে আলো খিলখিল করে হেসে দিলো। এবার ভোরের বুঝতে বাকি নাই আলো ভোরকে রাগানোর জন্য এতক্ষণ নাটক করেছে। | ভোরঃঃ আজ তোমার খবর আছে। | বলেই আলোকে ধরতে এলো আলো সারাঘরে দৌড়াচ্ছে আর হাসছে। ভোরও ওকে ধরতে ওর পিছু ছুটছে। আলোর হাসিতে সারাঘর আনন্দে মো মো করছে। আলোকে ধরতে পারছে না তাই ভোর ****আআআআ**** বলে পা ধরে বেডে বসে পড়ল। আলো ভোরের ****আআআ*** শব্দ শুনে তাড়াতাড়ি ভোরের পায়ের কাছে গিয়ে পা ধরে... | আলোঃঃ কি হলো? ব্যথা করছে? ((অস্থিরতা মুখে)) | ভোরঃঃ হুম...((আলোর দিকে তাঁকিয়ে)) | আলোঃঃ কোথায়?? ((প্রায় কান্না কান্না কন্ঠ)) | ভোরঃঃ এখানে...((হাঁটুর একটু নিচে দেখিয়ে)) | আলোঃঃ খুব ব্যথা করছে না? আমি কেন যে এমন করলাম। আমার জন্যই এমন হয়েছে। কত কষ্ট হচ্ছে আআপনার।((যাহ কেঁদেই দিলো)) | ভোর আলোকে টেনে উঠিয়ে বেডে ফেলে আলোর উপরে উঠে... ভোরঃঃ ইশশশ কীভাবে কাঁদে। আমার কিছুই হয়নি। তোমাকে ধরার জন্য এমন করেছি। সো নো কান্না। তুমি দেখতে কালো... তার উপর পেঁচার মতো চেহারা... তার উপর এমন কান্না করলে তোমাকে ভুত ভুত লাগে। ((আলোর চোখ মুছতে মুছতে)) | আলোঃঃ আপনি জানেন না আপনি আমার কতটা sensitive জায়গা? তবুও কেন এমন করলেন? ((কান্নার আওয়াজ বেড়ে গেলো)) | ভোরঃঃ আর করব না। প্লীজ কেদো না। যাও এই কানে ধরেছি। | আলোঃঃ এটা আমার কান। ((ভোরকে মারতে মারতে)) | ভোরঃঃ ওহ হ্যাঁ তাই তো। উহহ আর মেরো না। | আলোঃঃ বাজে বডি স্মেলের লোক। ((চোখ মুছতে মুছতে)) | ভোরঃঃ বাজে স্মেল না? তোমার বডি স্মেল তো সো নাইস। আজ সব নিবো। ((আলোকে জড়িয়ে ধরে আলোর ঘাড়ে মুখ গুঁজে।)) | আলোঃঃ সরুন। আমি কালো... পেঁচা... ভুত... আপনি বলেছেন। আপনার সাথে আড়ি। আমি অন্যকাউকে খুঁজে নিবো যে এই কালো পেঁচা ভুতকে অনেক ভালোবাসবে। সরুন আপনি।((মুখ ভেংচি কেটে)) | ভোরঃঃ ওহ হ্যাঁ। অন্যকাউকে লাগবে আপনার। সরি। | বলেই ভোর উঠে যাচ্ছিলো। আলো হ্যাঁচকা টান দিয়ে নিজের ফেলে দিয়ে ভোরের ঠোঁট জোড়া নিজের আয়ত্তে নিয়ে নেয়। ভোর প্রথমে রেসপন্স দিচ্ছিলো না তাই আলো হাল্কা একটা কামড় বসিয়ে দেয়। ভোর আর নিজেকে রাগীমুডে রাখতে পারলো না। ভোরও রেসপন্স করলো। আর পাগলের মতো আলোর মাঝে ঢুবে যাচ্ছে। আলোর ঠোঁট ছেড়ে আলোর গলায় এলো তারপর ঘাড়ে। আর এক হাত দিয়ে আলোর পেটে স্লাইড করছে। আলোর কোনো হুস নেই। দুজনেই মাতাল। দুজন দুজনাতে হারিয়ে যাচ্ছে। | হঠাৎ আলোর ফোনটা বেজে উঠলো। ফোনটা বাজতে বাজতে কেটে গেলো।পরীক্ষণে আবারো বেজে উঠলো। এবার আলোর কানে শব্দ পৌঁছালো। আলোর ঘোর কেটে গেলো। কিন্তু ভোর তো আলোকে ছাড়ার নাম গন্ধ নেই। আর বজ্জাত ফোনটা বেজেই যাচ্ছে। আলো ভোরকে সরিয়ে ফোনটা নিবে তার আগেই কলটা কেটে গেলো। আর কল এলো না ফোনে। কিন্তু আলোর তো ঘোর কেটেই গিয়েছে। | ভোর আলোর ঘাড়ে ঠোঁট দিয়ে স্লাইড করছিলো তখন.... আলোঃঃ স্যার... | ভোরঃঃ ------------- | আলোঃঃ স্যাররর.... ((মাথাটা একটু ঝাঁকিয়ে ভোরের)) | ভোরঃঃ হুমমম....... | আলোঃঃ আমাকে আপনি ভালোবাসেন?? | আলোর প্রশ্ন শুনে ভোর চুপ হয়ে গেলো। | আলোঃঃ স্যার? | ভোর আস্তে করে আলোকে ছেড়ে উঠে বেলকনিতে গিয়ে ইজি চেয়ারটাতে বসে পড়ে চোখ বুঝে। আর আলোর অজান্তেই আলোর চোখ ভিজে উঠলো ভোরের এমন বিহেভিয়ারে। | আলো ফোনটা হাতে নিলো আর হাতে নিতেই ফোনটা ফেলো দিলো। আলোর মুখে একটা ভয়ের ছাপ দেখা দিলো। আলো অনেক কিছু ভাবতে ভাবতে নিজেকে আর ধরে রাখতে না পেরে চিৎকার দিয়ে উঠে বললো... নাআআআআ.... | আলোর চিৎকার শুনে ভোর দৌড়ে এলো।ভোরকে দেখা মাত্রই আলো ভোরকে ঝাপটে শক্ত করে ধরে কাঁদতে লাগলো আর প্রলেপ বকতে শুরু করলো.... আলোঃঃ না। না। কিছু হবে না। (( ভোরকে শক্ত করে ধরে)) | ভোরঃঃ আলো কি হয়েছে? কি হবে না? এমন করছো কেন? | আলো কিছু না বলে ভোরকে শোয়ালো আর ভোরকে জড়িয়ে ধরে আলো শক্ত করে ঘুমিয়ে পড়ল। ভোরও কিছু জিজ্ঞেস না করে আলোকে বুকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। | মাগরিবের আজানের শব্দে আলোর ঘুম ভাঙ্গে। আলো উঠে নামাজ পড়ে ভোরকে তুললো। ভোর উঠে ফ্রেশ হয়ে নিলো। | আলো শাড়ী নিয়ে শায়লা চৌধুরীর রুমে গেলো।শায়লা চৌধুরী শাড়ী পড়িয়ে দিলো। শায়লা চৌধুরীর রুম থেকে বের হয়ে আলো রুমে যাবে তার আগে আলো শাড়ীটা একটু মর্ডান স্টাইলে করে নিলো। এরপর রুমে গেলো। | ভোর শার্ট পড়ছে... আলো গিয়ে ভোরের টাইটা লাগিয়ে দিচ্ছে। ভোর আলোকে দেখে.. | ভোরঃঃ তুমি কি এভাবে যাবে? | আলোঃঃ হ্যাঁ। কেন খারাপ লাগছে? | ভোরঃঃ হুম। শাড়ী ঠিক করো। | আলোঃঃ না। আমি এভাবেই যাবো। | ভোরঃঃ দেখাতে ভালো লাগে এসব।((আলোর পেটে হাত দিয়ে)) | আলোঃঃ মিরা তো এভাবে আসে।(( পুরো পেট বের করে)) আমি তো তাও সম্পূর্ণ পেট বের করিনি। | ভোরঃঃ Just shut up... | বলেই ভোর আলোর পেটটা ঢেকে দিলো আর বুকের আঁচলটাও টেনে দিলো। | ভোরঃঃ হুম। এখন একদম ঠিক আছে। আমার কোর্টটা তুমি নিয়ে এসো। আমি গাড়ী বের করছি গিয়ে। | আলোঃঃ আচ্ছা। | ভোর বের হয়ে গেলো। আর আলো গিয়ে শায়লা চৌধুরীকে বলে বেরিয়ে গেলো। | | | চলবে.............. ((ভুল-ত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন। পরবর্তী পর্ব পেতে সাথে থাকুন।ধন্যবাদ🙂))
ভালবাসার গল্প আজ ভার্সিটির প্রথম দিন মনের মাঝে একটা ভয় কাজ করছে। জানি এখানে কেউ আমাকে চিনবে না, তবু মনের মাঝে এক অজানা ভয় আমাকে আঁকড়ে ধরে রাখছে। এসব চিন্তা করে করে গেইট দিয়ে ডুকছি তখনি, ঠাসসসস করে যেন আমার গালে তবলা বাজিয়ে দিলো। এরকম পরিস্থিতির জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না, তাই ভয় পেয়ে চমকে গেলাম। দেখতে ত ভদ্র মনে হয় কিন্তু চরিত্র এতো খারাপ কেনো?(একটি মেয়ে) আপনি আমাকে চড় দিলেন কেন?আর কি আবোল তাবোল বকছেন ?(আমি) আমি আবোল তাবোল বলছি! দিনে দুপুরে মেয়েদের ইভটিজিং করিস আর বড় বড় কথা। ঐ ইশরাত ধরতো মালটাকে! তার পাশের মেয়েটিকে বলল। দেখুন আপনাদের কোথাও ভুল হচ্ছে। আমি এখানের কাওকে চিনি না, আর ইভটিজিং তো দূরের কথা!(আমি) কিন্তু কেউ আমার কথা শুনলো না, তাদের ইচ্ছে মতো কিল ঘুসি মারতে লাগলো, আমি তাদের অনেক বললাম আমি কাউকে কিছু বলিনি। যখন আমাকে মারতে মারতে ক্লান্ত হয়ে গেছে তখন বলল, আজকের মতো ছেড়ে দিলাম, নেক্সট টাইম যদি কাউকে ইভটিজিং করিস বা করতে চেষ্টা করিস তাহলে তোর খবর আছে। বলে মেয়ে গুলো চলে গেল। আমি চারদিকে তাকিয়ে দেখি সবাই আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে। কেউ এগিয়ে আসলো না। লজ্জায় মাথা নিচু করে হেটে যাচ্ছি। আমি মনে করছি প্রথম দিন কেউ হয়তো যার্গ করবে কিন্তু এবাবে মার খেতে হবে তাও মেয়েদের হাতে । ভালো হতে এখানে আসলাম কিন্তু এখানে থাকলে কি আমি ভালো হতে পারবো! চিন্তা করে করে ক্লাসে ডুকে পড়লাম। আমার বাজির টাকা দে। (মেয়েটি) তাতো পাবি, কিন্তু ছেলেটিকে মনে হয় একটু বেশিই মার দিয়ে ফেললম না!(ইশরাত) নিলা কখনো সহজে ছেড়ে দেয় না, আমি যখন কথা দিয়েছি তা ভালো করেই পূরণ করবো কোথাও একটু ছাড় দেবো না!(নিলা)(মানে যে মেয়েটি মারলো) কিন্তু একটা জিনিস খুব অদ্ভুত লাগলো, (ইশরাত) কি?(নিলা) আমারা এর আগে যতগুলো ছেলেকে পিটিয় ছিলাম সবাই মার খেয়ে কান্না করছে আবার কেউ কেউ পায়ে ধরে মাফ চায়ছে।কিন্তু দেখ এই ছেলে ওহ করেও বলল না, শুধু একটা কথায় আমি কাউকে কিছু বলিনি। আর চোখ দুটো জ্বলন্ত আগুন মতো লাল হয়ে গেছে। (ইশরাত) হুম তা ঠিক,কিন্তু তাছাড়া তুই এতো কিছু নোটিশ করছিস ঘটনা কি!মার দিতে গিয়ে প্রেমে পড়ে গেলি নাকি! নিলার কথা শুনে সবাই জোরে জোরে হাসতে লাগলো। তুই পাগল হয়ে গেছিস নাকি!ওর মতো ক্ষেত,অানস্মার্ট ছেলের প্রেমে পড়বো আমি!(ইশরাত) বলা তো যায় না (নিলা) ফাজলামো বন্ধ কর তার তোর বাজির ৫০০০টাকা ধর। (ইশরাত ) আজ তোদেরকে আমি লান্সের সময় খাওয়াবো।(নিলা) বলে রোমের দিকে সবাই হাটা শুরু করে। • সকালে নিলা আর ইশরাত বাজি ধরেছিল ১০ মিনিটের ভিতরে যে প্রথম ভার্সিটিতে ডুকবে তাকে ইচ্ছা মতো পেটাবে৷ আর কপাল দোষে প্রথম ডুকলো নীল।তারপর কি হলো আপনারাই দেখলেন। এটা ইশরাত আর নিলার নতুন না, প্রায় সময় এরকম করে সবার সাথে। নিলার বাবা এ শহরে এমপি,আর ইশরাতের বাবা পুলিশ কমিশনার সাথে ভার্সিটির সভাপতি। তাই ভয়ে কেউ কিছু বলে না। ক্লাস রোমে বসে আছি কিন্তু কেউ আমার পাশে বসছে না। কারণ, সবার মতো আমি স্মার্ট নয়, আমার না আছে দামি পোশাক, চুল গুলো এলোমেলো, মুখে খোচাখোচা দাড়ি, মেয়েদের পিটানের ফলে শরীরে দাম হয়ে গেছে। সবার সামনের সিটে বসে ছিলাম তখন কিছু ছেলে এসে বলল, কিরে মাম্মা আজ দেখি আমাদের সিটে একটা ফকির বসে আছে!(একটি ছেলে) ঐই শালা ফকিরের বাচ্চা আমাদের সিটে কি করছিস! তোর মতো ফকিরকে এই ভার্সিটিতে কে ভর্তি করছে? (লিডার টাইপের একটা ছেলে) আরে রাজ ওর মতো একটা ক্ষতের সাথে কেনো এতো কথা বলছিস! শালারে লাথি মেরে সরাতো! (অন্য একটি ছেলে) আপনারা আমার সাথে এরকম করে কথা বলছেন কেনো?(নীল) তখনি রাজ নামের ছেলেটা নীলের কলারে ধরে বলল, তোর মতো ফকিরের সাথে কি ভাবে কথা বলতে হবে তা কি তোর কাছ থেকে শিখতে হবে! (রাজ) সরি!(নীল) আজ তুই দাড়িয়ে ক্লাস করবি। কোথাও তোর জায়গা নেই। সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল, আর কেউ যদি এই ফকিরকে বসতে দিস তাহলে এমন অবস্থা করবো না তা চিন্তাও করতে পারবি না!(রাজ) নীল কাঁদে একটি ব্যাগ নিয়ে মাথা নিচু দাড়িয়ে আছে। কেউ তাকে বসার মতো জায়গায় করে দিলো না।কিছুক্ষণ পর ক্লাসে স্যার ডুকলো, নীলকে উদ্দেশ্য করে বলল, এই ছেলে কে তুমি? (স্যার) জি আমার নাম নীল।(নীল) তাতো বুঝতে পারছি কিন্তু এখনে কি কর।(স্যার) আমি এখানে নতুন ভর্তি হয়েছি।(নীল) তোমার মতো একটা ছোটলোকে কে এই রকম নামি দামি ভার্সিটিতে ভর্তি করলো! নিজের দিকে তাকিয়ে দেখো আর রোমের অন্যদের দিকে তাকিয়ে দেখো, কোনদিক দিয়ে তোমাকে এই ভার্সিটির ছাত্র মনে হয়!(স্যার) আপনি একজন শিক্ষক হয়ে যদি এরকম মন মানসিকতা চলেন তাহলে ছাত্ররা কি শিখবে, দামি পোশাক পরলেই কি ভদ্রলোক হওয়া যায়! (নীল) বেয়াদব! মুখের উপর আবার তর্ক করো?(স্যার) বেয়াদব না শুধু একজন ইভটিজার। বাহির থেকে কে যেনো বলল। নীলা যে! তুমি কি ওকে চিনো! (স্যার) চিনার কি আছে এরকম ছেলে যে ইভটিজার তা মুখ দেখলেই বুঝা যায়। ভালো করে তাকিয়ে দেখুন স্যার কোথায় যেন মার খেয়ে এসেছে! (নীলা) কি ডেঞ্জারাস মেয়ে বাবা নিজেই মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মারলো আবার মিথ্যা নালিশও করছে! মনে মনে (নীল) তুমি ভিতরে আসো মা! এর এই ছেলে যাও পিছনে গিয়ে বসো। ভদ্র মতো চলবে তা নাহ হলে এখানে বেশি দিন টিকতে পারবে না। (স্যার) নীল একটা রহস্যময় মুচকি হাসি দিয়ে পিছনে বসে পড়ল। সারা ক্লাসে সে চুপচাপ ছিলো শুধু মনোযোগ দিয়ে স্যারের কথা শুনছে। ক্লাস শেষে নীলা আর রাজ নীলের কাছে গিয়ে বলল, শুন তোকে কেনো এতো মার আর অপমান করলাম জানিস!(নিলা) কেনো?(নীল) যাতে সবাই জানুক নিলা কি জিনিস! তার চোখে দিকে তাকিয়ে কেউ কথা না বলতে পারে। আর কেউ যদি সাহস করে তাহলে ওকে শেষ করার মেশিনও আছে আমার কাছে। রাজকে দেখিয়ে নীলকে বলল নিলা। নিলার কথা শুনে নীল মুচকি হেসে মনে মনে বলল, আমার আসল রূপ দেখে বড় বড় গ্যাংস্টাররাও ভয়ে কাপে, আর একটি মেয়ে আমাকে ধমকি দিয়ে চলে যাচ্ছে আজ। সেদিন নীল আর ক্লাস করলো না। বাসায় চলে আসলো। নীল এখানে ভাড়া একটি বাসা নিয়েছে। নীল ছাড়া তার সাথে আর কেউ থাকে না। পরদিন নীল যখন কলেজে গেল…... চলবে …… #গল্পঃমুখোস_মানুষ #লেখকঃঅচেনা_পথিক #পর্বঃ১ , , প্রথম পর্ব তাই ছোট করে দিলাম। আপনাদের সাড়া পেলে লিখবো না হলে এখানেই শেষ। ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।
ভালবাসার গল্প ভার্সিটি ক্লাস শেষে নতুন বন্ধুর সাথে আড্ডা দেয়ার সময় একটা মেয়ে আমাদের সামনে এসে দাড়ালো। প্রথমে বন্ধুর সাথে কুশল বিনিময় করার পর আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলে - হ্যাই,আমি সিনথিয়া। আমি হাত না মিলিয়েই বললাম - হ্যালো, আমি জোবায়ের। - বুঝিনি। - আমার নাম ইমন। - আগে কি যেনো নাম বললে? - সেটা উচ্চারণ করতে বুঝতে কষ্ট হবে তাই এই ছোট নামেই ডেকো। - আচ্ছা, ইমন তাই তো। - হুম।আর কিছু বলবে? - না, আমি আজ প্রথম আসলাম তাই ক্লাসের সবার সাথে পরিচিত হয়ে নিচ্ছি। সবাই হাত মিলিয়ে পরিচয় দিলেও তুমি মিলালে না। - কিছু মনে করো না, আমি এসব পছন্দ করি না। দুঃখ পেয়ে থাকলে সরি। - আরে না। আচ্ছা, ভালো থেকো। পরে দেখা হবে। . মেয়েটি চলে যাবার পর বন্ধুকে বললাম - মেয়েটাকে চিনো? - একটু - আধটু। - কে? এই এলাকারই নাকি? - এখানে আগে দেখিনি তবে দুইদিন আগে দেখলাম ভার্সিটির কাছেই আমার বাসা থেকে একটু দূরে নতুন বাসায় উঠেছে। এখন কোথায় থেকে এসেছে সেটা জানি না। - জানার দরকারই বা কি। এমন মডার্ণ মেয়ে থেকে দূরে দূরে থাকাই ভালো। - ভাইরে, ঢাকা শহরে নতুন এসেছো তাই একে এমন মডার্ণ মনে হচ্ছে কিন্তু এখানকার বেশির ভাগ মেয়েই এমন গেটআপ নিয়ে চলে। - তার মানে এসব স্বাভাবিক? - হয় রে ভাই। - ধূররু! আমি তাহলে এতদিন আদিম যুগে বসবাস করছিলাম। তবুও অন্ততপক্ষে আমায় সাবধান থাকতে হবে। ভূল বললাম নাকি? - না। তুমি যেমন ছেলে এসব মেয়েদের এড়িয়ে চলাই ভালো। - আচ্ছা, তাহলে আজ এই পর্যন্তই কাল আবার দেখা হবে। - আচ্ছা যাও। . পরেরদিন,, . আমি ক্যাম্পাসে বসে সাহিত্যের বই পড়ছিলাম যদিও এই বই পড়ার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। আমি ম্যানেজমেন্ট-এর ছাত্র তবুও শখে সময় কাটাতে পড়তে হয়। এমন সময় বন্ধু পাশে এসে বসতে বসতে বলে - কি অবস্থা? - এইতো ভালো। তোমার? - চলছে। - কেনো কি হয়েছে? - আরে কিছু না, তুই বুঝবি না? - ( -----) - এই তুই করে বললাম কিছু মনে করো না। আমি বন্ধুদের তুই ছাড়া ডাকি না তো তাই মুখ ফসকে বের হয়ে গেছে। - আরে এতো না চেতলেও হবে। তুই ডাকটাই বন্ধুদের মাঝে ভালো লাগে। বল তোর কি সমস্যা হয়েছে? মুখটা এমন কালো হয়ে গেছে কেনো? - একটু আগেই গার্লফ্রেন্ডের সাথে ঝগড়া করে আসলাম। - ভালো তো। - ভালো মানে? - সম্পর্কে ঝগড়া না থাকলে মজা লাগে? - আরে ইয়ারকি করিস না। সত্যিই ঝগড়া হয়েছে। রাগ করে চলে গেছে। - তুই কোন পাগল, আটকাতে পারলি না? - কিভাবে আটকাবো কিছু শুনলে তো? - বলতে হবে কেনো, সোজা হাত ধরে আটকিয়ে বলবি সরি।সম্পর্কে এমন একটু -আকটু ঝগড়া হয়েই থাকে তাই বলে রাগ করতে হবে। - বাহ! অভিজ্ঞ প্রেমিকের মতো ভালোই পরামর্শ দিতে জানিস। তোর গার্লফ্রেন্ড কোথায়? - নেই। - নেই মানে? ব্রেকাপ হইছে? - না। আমারটা বাদ দে। তোর গার্লফ্রেন্ড কোন ইয়ারে? - সেম ইয়ার। - সালা, আর কোনো মেয়ে পাইলি না সমবয়সী মেয়েই তোর পছন্দ হলো? - কেনো সমস্যাটা কিসের? আমরা একে -অন্যকে ভালোবাসলেই ফুরে গেলো। কে কি বলল সেটা দেখার বিষয় আমার না। - গুড। তা কতদিন হলো? - আড়াই বছরের মতো। - তার মানে একই মহল্লার? - না, আমাদের মহল্লার পরের মহল্লায় থাকে। - আমাদের ডিপার্টমেন্ট- এ পড়ে নাতো? - আরে না। সাহিত্যের উপর পড়ছে। - ভালো। - আমারটার সম্পর্কে তো সবকিছুই জেনে নিলি। তোরটা কোথায় থাকে? - থাকলে তো থাকবে? - তোর গার্লফ্রেন্ড নেই, না বলতে চাচ্ছিস না ? - বিশ্বাস কর আমার কোনো গার্লফ্রেন্ড না ছিলো, না আছে। - তুই আজও সিঙ্গেল শুনে হাসি পাইলো। - কি করবো বল নসিবে নেই। - শোন তুই যা করবি তাই নসিবে লেখা আছে। তুই কিছু না করলে কিছুই হবে না। - দেখা যাক। - আগে তোর গেটআপটা পাল্টাস তো, কি মডার্ণ হয়ে স্মার্ট হয়ে ঘুরবি তা নয় সাধারণ গেটআপ নিয়ে ঘুরিস। এতে কোনো মেয়ে পটবে মনে করছিস। আগে হুলিয়াটা বদলা। - আমার প্রেম করারও দরকার নাই, গেটআপ পাল্টানোরও দরকার নাই। যেমন আছি বিন্দাস আছি, তোর মতো চিন্তা করতে তো হবে না আর গার্লফ্রেন্ড কে নিয়ে। - সালা, মজা নিস। যেদিন তোর হবে না? সেদিন বুঝবি ঠেলা। . এমন সময় কালকের সেই মেয়ে সিনথিয়া এসে বলে - হ্যাই, কেমন আছো তোমরা? বন্ধু - ভালো।তুমি? - ভালো। - দাড়ায় কেনো বসো? আমাদের সামনে সিনথিয়া ও তার বান্ধবী বসে হাসি মুখে সিনথিয়া আমাদের উদ্দেশ্যে বলে- মিট মাই নিউ ফ্রেন্ড আশা। বন্ধু কিছু না বলে অবাক হয়ে সেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বলে - হ্যায়। আমি - হ্যায়। আমি ইমন আর ও রিংকু। আশা - জানি। আমি - তোমরা চিনো দুজন - দুজনকে? - না মানে। আপনার নাম শুনেছিলাম তাই বলছিলাম জানি। সিনথিয়া - তা বলো তোমরা কি গল্প করছিলে? আমি - এইতো বন্ধুর সম্পর্কে জানছিলাম আর কি? আমি বন্ধুকে নাড়া দিতেই মনে হলো হুশ ফিরলো। এতক্ষণ আশার দিকে অবিরাম তাকিয়ে ছিলো আর আশা ক্ষুদ্ধ চোখে। বন্ধুকে নাড়া দিতেই বলে উঠল - কি হয়েছে? আমি - কিছু না, তোর সম্পর্কে জানতে চায় এখন তুই বলা শুরু কর। - কি? - আমি কি জানি। সিনথিয়া - গল্পের ফাঁকে ফাঁকে একে-অন্যের সম্পর্কে জানা হবে। কি বলো? বন্ধু - তা তো অবশ্যই। তা সেদিন দেখলাম তোমাদের পরিবার সহ নতুন বাসায় উঠতে। আগে কোথায় থাকতে? - মিরপুরে। তোমরা কোথায় থাকো। - আমি এখানকার স্থানীয় আর ইমন এসেছে,,, কোথায় থেকে যেনো? আমি - রাজশাহী। বন্ধু - ভার্সিটির জন্যই তাহলে বাসা পাল্টাতে হয়েছে তোমাদের? সিনথিয়া - হ্যাঁ, আমার সুবিধার জন্যই বাসা পাল্টানো। - কি করেন তোমার বাবা? - সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার অব আর্কিটেকচার। - ও, খুবই ভালো । - তোমার বন্ধু কিছু বলছে না শুধু আমরাই বলে যাচ্ছি।রাগ করে আছে নাকি? - না, ও এমনই। একটু লজ্জা বেশি। - ও, আমি ভাবছিলাম আমাদের সাথে কথা বলার কোনো ইচ্ছে নেই। তাই এমন চুপ হয়ে আছে। - না, একটু কমই কথা বলে। - আচ্ছা, আজ তাহলে আসি। কাল দেখা হবে। - চলে যাবে? - হুমম,কিছু বলবে? - না, যাও।সাবধানে যাও। . সিনথিয়া ও তার বান্ধবী আড্ডাস্থান ত্যাগ করে চলে গেলে বন্ধু আমার গভীর চিন্তায় মগ্ন হয়ে পড়ে। আমি বলি - কীরে এমন চুপসে গেলি কেনো? - আরে, তুই আমাকে সম্পর্ক আটকানোর কি পরামর্শ দিলি তার চেয়ে বড় ক্ষতি করলি কথা না বলে চুপ থেকে। - কেনো , কি হয়েছে? - আরে আশা নামের ঔই মেয়েটাই আমার গার্লফ্রেন্ড। একটু আগে যার সাথে ঝগড়া হয়েছিলো। - তে আমি তোর কি ক্ষতি করলাম? - তুই কোনো কথা না বলে নিশ্চুপ থাকলি আর আমি সিনথিয়ার সাথে যত কথা বললাম।এখন আশা, নিশ্চিত আমাকে ভূল বুঝবে। - কেনো? - অন্য মেয়ের সাথে এমন হাসিমুখে কথা বলা আশা একদম সহ্য করতে পারে না। আবার নতুন হিসেবে সিনথিয়ার সাথে হাসিমুখে কথা না বললেও নয়। ফেললি তো গ্যারাকলে! - হা, হা, হা।বসে গল্প করার আমন্ত্রণ তো তুই দিয়েছিলি। আমি কি বলেছিলাম তাদের বসিয়ে গল্পের আসর জুড়িয়ে দিতে? - বাদ দে, যা হবার হবে। আমি আজ যাই, আশার আবার রাগ ভাঙ্গাতে হবে। - আচ্ছা যা। . কয়েকদিন পর,, . ক্লাস শেষে ক্যাম্পাসে বসে আছি এমন সময় সিনথিয়া একা এসে আমার পাশে বসে বলে - কেমন আছো? - এই তো ভালো। তুমি? - ভালো। - তা আজ একা যে, তোমার বান্ধবী কোথায়? - নেই। - আজ আসেনি? - এসেছে কিন্তু নিজের প্রেমিকের সাথে বেড়িয়ে পড়েছে। - ও, তুমিও যাবে। - কার সাথে? - কার আবার তোমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে। মৃদু হেসে - আমার বয়ফ্রেন্ড নেই। তা এখানে বসে কি করছিলে? - বন্ধুর জন্য অপেক্ষা করছিলাম। - তোমাকে তোমার বন্ধু বলেনি আশার সাথে তার রিলেশান আছে? - হুম, বলেছে। - তাহলে কার জন্য অপেক্ষা করছো? সে তো ঘুরতে চলে গেছে। - সমস্যা নেই। তাকেও তো তার গার্লফ্রেন্ডের সাথে সময় কাটাতে দেয়া উচিৎ। - চলো, আমরাও ঘুরতে বের হই। - কোথায়? - আশেপাশেই কোথাও। - তোমার সাথে? - তো এখানে আর কে আছে যার সাথে ঘুরতে বের হবে? - না কাউকে তো দেখতে পাচ্ছি না। - তাহলে উঠো, চলো একটু ঘুরে আসি। - আমি ঢাকা শহরে নতুন তেমন কিছু চিনিনা কিন্তু। - চিনতে হবে না। আমরা তো আর হারিয়ে যাচ্ছি না। - আচ্ছা, চলো। ক্যাম্পাসের বাহিরে এসে বললাম - হাটবে না রিক্সা ডাকবো? - আমার বাইক আছে। - তুমি বাইক নিয়ে ভার্সিটিতে আসো! - এতো অবাক হচ্ছো কেনো? আজ প্রথম শুনলে নাকি কোনো মেয়ে বাইক নিয়ে এসেছে। - না, তবে আমার একটা সমস্যা আছে।আমি কোনো মেয়ের পিছনে বাইকে উঠতে পছন্দ করিনা। - আচ্ছা, তুমি চালিয়েও। . সিনথিয়া বাইক ষ্ট্যান্ড থেকে তার বাইকটা নিয়ে আসলো। আমি ভাবছিলাম লেডিস স্কুটি হবে কিন্তু না এক্সএল বাইক। বাইক চালালাম আমি সিনথিয়া পিছনে বসে কাধে হাত রেখে পুরোটা পথ পাড়ি দিলো। মাঝখানে একটা ফাঁকা জায়গায় দাড় করিয়ে গাছের ছাঁয়াতলে বসে পাশের টঙ দোকান থেকে চা অর্ডার দিয়ে এসে বলে - চা, খাও? - অর্ডার যখন দিয়েছো তখন না করে লাভ কি? - না খেলে জোর করে খাবে নাকি? দাড়াও আমি বলে আসছি। কফি খাবে? - না, চা ঠিক আছে। - তা তোমার ভালো নাম কি? - ইমন নাম কি খারাপ? - না। তবুও একটা নাম বলেছিলে জোবায়ের নাকি? - হুম।তোমার পুরো নাম? - সিনথিয়া রহমান অনু। - সুন্দর নাম। - তোমার পরিবারে কে কে আছেন? - আপাতত এই জেনে নাও, আমি আমার বাবা- মার এক মাত্র সন্তান। - ও, বাবা কি করেন? - আপাতত এই পর্যন্তই জানো। - ঠিক আছে। বলতে না চাইলে জোর করবো না। আমার পরিবার সম্পর্কে জেনে দেই, আমার বাবা- মা আর আমার একটা ছোট ভাই। - একটা প্রশ্ন করলে কি মন খারাপ করবে? - না, বলো। - তুমি এরকম গেটআপ নিয়ে চলো বাবা- মা কিছু বলে না? - না, আমি ছোট থেকে এমনই। কেনো বলো তো? - না, । শার্ট-প্যান্ট পড় আবার বাইক নিয়ে ঘুরো তাই বললাম। - আসলে আমি ছোট থেকেই খুব জেদী তাই যা চাই তা বাবা দিতে মানা করেন না। আমি ইচ্ছে মতো চলতে পারি। - তবুও এতো খোলা- মেলা ভাবে না চলায় ভালো। - কেনো তোমার এসব পছন্দ না? - বলতে পারো এক রকম।অনেকটায় সময় পেরিয়ে গেলো, এখন ফেরা যাক।তুমি বাইক নিয়ে চলে যাও, আমি বিলটা দিয়ে রিক্সা করে চলে যেতে পারবো। - বিল দিতে হবে না। অলরেডি বিল পে করে এসেছি আর রিক্সা করে যাবে কেনো? তোমাকে বাসা অবদি ড্রপ করে দিবো। - দরকার নেই। তুমি যাও। - ভার্সিটি এলাকায় গিয়ে নাহয় নেমো?একসাথে এসেছি আর একা ছেড়ে যাবো এটা কেমন দেখায়? - আচ্ছা, চলো। . ভার্সিটি এলাকায় এসে আমাকে নামিয়ে দিয়ে তার বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলো। এটুকু পথেও তার বাইক আনতে হয় ভাবতেই কেমন আয়েশি আয়েশি গন্ধ পাচ্ছি। এমন সময় বন্ধু ভাবনায় ছেদ ঘটিয়ে পিছন থেকে বলে - তা গুড বয়।এ কি দেখলাম? - কী? - এই কয়েকদিনের মাঝেই পটিয়ে ফেললি একজনকে? - মানে? ও, আরে এমনি ঘুরতে গেছিলাম। - যাই বল না কেনো? মানায়ছে হেবি। - আমি আগেই বলেছিলাম, আমি এ ধরনের মেয়েদের পার্টনার হিসেবে পছন্দ করি না। - তাহলে ঘুরা-ঘুরি? - আরে তোর জন্যই তো। তুই তোরটা নিয়ে বেড়াতে গেছিস আর আমি এদিকে একা। সুযোগ পেয়ে সিনথিয়া এসে বাহানা করল ঘুরতে হবে। ভাবলাম সময় কাটানোর একটা পথ পেয়ে গেছি তাই ঘুরতে বের হলাম।তুই কোথায় গেছিলি? - আশাকে নিয়ে রেস্টুরেন্ট - এ গেছিলাম তারপর কিছুক্ষণ ঘুরা-ঘুরি। - ও, তো এখন বাসায় যা আমিও যাই রেস্ট করতে হবে। - ওকে,যা। বিকেলে টিএসসির মোড়ে আড্ডা দিতে আসিস? - ঠিক আছে, আসবো। . পরেরদিন সকালে বাবাকে ফোন করলাম।প্রথমে সালাম দিলাম সালামের উত্তর দিয়ে বলেন - কেমন আছো ম্যাই সন? - ভালো। তোমরা কেমন আছো? - ভালোই। তা ভার্সিটি কেমন চলছে? - ভালো তবে আজ বন্ধ। সময় কাটানোর জন্য আমার কিছু জিনিস চাই। - কি লাগবে বলো? পাঠিয়ে দিচ্ছি। - এই যান-যটে ভরা শহরে রিক্সা নিয়ে ঘুরতে ভালো লাগে না। আমার একটা বাইক লাগবে। - ও, এই কথা। আজই পাঠিয়ে দিচ্ছি। - বিকেলের আগে পেলে ভালো হতো। আজ ঘুরতে খুব মন টানছে। - ওকে মাই সন, আজ প্রথম কোনো আবদার করলে আর তা পূরণ হবে না, তা কি করে হয়? আমি বিকেলের আগেই পাঠিয়ে দিচ্ছি। - সাথে আমার একাউন্টে কিছু টাকা পাঠিয়ে দিয়ো। - কি হইছে মাই সন, এনি ক্যাইন্ড অব লাভ সিচুয়েশন। - না, আরো কিছু কিনতে হবে তার জন্য। আর আমি রিলেশান করবো তুমি জানবে না? তোমাকেই তো সবকিছু আগে বলি। - ওকে, মাই সন। আমি এখনই তোমার একাউন্টে কিছু টাকা পাঠিয়ে দেবার ব্যবস্থা করছি, বাইকটা পৌছতে একটু দেরী হতে পারে। ততক্ষণে তোমার যা লাগে তা নিয়ে নাও। - থ্যাঙ্কিও ডাডি। - ওয়েলকাম মাই সন। ভালো থেকো। - তোমরাও, আমি বাইক পেলে তোমাদের ওখানে কালকেই যাবো।খুব মিস করছি তোমাদের। - আচ্ছা, আমি বলে রাখবো তোমার আম্মুকে। নতুন বাসার খাবার কেমন লাগছে ভালো, না বাবুর্চি পাল্টাতে হবে? - না, পাল্টাতে হবে না। - এখন তাহলে রাখি, একটা ক্লায়েন্ট অপেক্ষা করছে আমার জন্য , তাড়াতাড়ি যেতে হবে। - আচ্ছা, সাবধানে থেকো। . ফোনটা কেটে দেবার কিছুক্ষণ পরেই আমার একাউন্টে টাকা এসেছে তার ম্যাসেজ আসলো। আমি বুট হতে টাকা তুলে শপিংমলে গিয়ে লেদার জ্যাকেট, গ্লাভস, নতুন সু আর কালো জিন্স প্যান্ট নিলাম। . দুপুর পেরিয়ে বিকেল হবার মতো অবস্থা এমন সময় একটা কুরিয়ার ভ্যান আসলো।বুঝতে পারলাম আমার বাইক চলে এসেছে। তাই সব ফর্মালিটি পূরণ করে নতুন বাইকটা পার্কিংলটে ঢুকালাম। হারলি ডেবিডসনের মডেল, খুব পছন্দের একটা বাইক। যে বাইক সচারচর দেখা যায় না শুধু প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়। তবে আমি বাবাকে একদিন বলেছিলাম আমি যেদিন বাইক চাইবো সেদিন যেনো এরকম বাইকই এনে দেয়। কারণ এতে একা ঘুরতে মজা বেশি। কিন্তু হেলমেট সঙ্গে পাঠায় নাই তাই আবারো মার্কেটে গেলাম কালো রঙের হেলমেট কিনতে।হেলমেট কেনা শেষে বাইকের কাছে ফিরে বাইকে নতুন লাগানো পলিথিনগুলো ছিড়ে ফেলে, চলার মতো উপযুক্ত করলাম। ভালো করে লক্ষ্য করে দেখলাম ট্যাঙ্ক পুরো ভর্তি তাই আলাদা করে কোনো পেট্রোল পাম্পে যাওয়ার ঝামেলা পোহাতে হলো না। তাই ফ্রেশ হয়ে জ্যাকেট,গ্লাভস, সু আর হেলমেট পড়ে বেড়িয়ে পড়লাম অজানা পথে ঘুরতে এটাই আমার শখ। . কয়েক সপ্তাহ পর,, . বন্ধু আর আমি টিএসসির মোড়ে আড্ডা দিচ্ছিলাম এমন সময় সিনথিয়া তার বাইক এনে আমাদের সামনে দাড়ায়। আমরা তখন ফানি মুডে ছিলাম তাই বন্ধু হাসিমুখেই বলে - কি অবস্থা? বাইক নিয়ে কই যাও? - এইতো বিকেল বেলায় একটু ঘুরতে বের হইছি কিন্তু সঙ্গী খুঁজে পাচ্ছি না। তোমার পাশের জনকে বলো না সেই সঙ্গী হতে! বন্ধু আমাকে ঘুঁতো মেরে বলে - যা ওপেন চান্স দিচ্ছে, মানা করিস না। - এতোই যখন মায়া তুই যা। - আমাকে যেতে বললে তো চলেই যেতাম কিন্তু তোকে কত আদরের সঙ্গে ডাকছে। যা নাহয় কোমল হৃদয়টা দুঃখ পাবে। - তোর কপালেও দুঃখ আছে পিছনে দেখ। - পিছনে কি? আশা তার কান ধরে পিছন ঘুরালো আর বলল - যেতে বললে চলে যেতে তাই না? কত লুচ্চামি আছে দেখে নিবো। চলো,, বন্ধুকে নিয়ে আশা চলে গেলে আমি আর সিনথিয়া মুচকি হাসিতে মেতে উঠি। পরক্ষণেই সিনথিয়া বলে - এবার তো চলো? - আজ ঘুরতে মন টানছে না? - একা থেকেই বা কি করবে? ঘুরলে মনটাও একটু ফ্রেশ হবে। - আচ্ছা, চলো। - তুমি চালাও, - আমার কিছু করতে ভালো লাগছে না, তুমি চালাও আমি পিছনে বসছি। - তুমি নাকি মেয়েদের পিছনে বাইকে বসতে পছন্দ করো না। - আচ্ছা, সড়ো। আমিই চালাচ্ছি। কোথায় যাবে? - তোমার যেখানে মর্জি। . বাইক চালিয়ে আমার প্রিয় একটা জায়গায় এসে থামলাম। এখানে আমার খুব পছন্দের পেঁয়াজু আর সিংহারা পাওয়া যায়। যা মিস করতে পছন্দ করি না। তাই সিনথিয়াকে নিয়ে দোকানের একটা ব্রেঞ্চে বসে বললাম - গরীবের খাওয়ানোর সামর্থ্য এই পর্যন্তই। তোমাকে তো আর রেস্টুরেন্ট- এ খাওয়াতে পারবো না তাই এখানে নিয়ে আসলাম। কি খাবে বলো, পেঁয়াজু না সিংহারা? এখানকার পেঁয়াজু আর সিংহারার টেস্টটা দারুণ। একবার খেলে ভূলতে পারবে না। - তুমি যা খাবে তাই অর্ডার করো,যেটা বলবে সেটাই খেতে পারবো সমস্যা নেই। - আচ্ছা। দোকানদারকে ডাক দিয়ে বললাম - চাচা,চাচিকে বলুন দুজনকে দুইটা সিংহারা আর একটা প্লেটে করে পেঁয়াজু দিতে। আর আপনি গরম গরম দুই কাপ দুধ চা বানান। সিনথিয়া - প্রতিদিন আসো নাকি এখানে? - না, তবে প্রায় প্রায়। মন খারাপ থাকলে এখানে এসে বসে থেকে সিংহারা নাহয় পেঁয়াজু আর এক কাপ খাঁটি গরুর দুধের চা খেয়ে মনটাকে কিছুটা শান্তনা দেই। - নাও, পেঁয়াজু আর সিংহারা এসে হাজির, খেতে শুরু করো। . পেঁয়াজু আর সিংহারা শেষে চাচা দুধ চা এনে দিয়ে বলেন - আর কিছু লাগবে? সিনথিয়াকে বললাম - কিছু মনে না করলে একটা সিগারেট অর্ডার করতে পারি? - কে খাবে? - আমি। - তুমি এসবও খাও? - মাঝে মাঝে, এখানে এলে খেতে হয়। - না, আমি থাকাকালীন কোনো সিগারেট চলবে না। চাচা, ওকে কোনো সিগারেট দিবেন না। চাচা মুচকি হেসে - ঠিক আছে, মামনি। (চাচা চলে গেলেন) আমি - সিগারেট-এ কি সমস্যা? - আমি এর গন্ধ সহ্য করতে পারি না।কারো মুখ থেকে এর গন্ধ পেলে তার সাথে আর কোনো কথাই বলি না। - তাহলে তো ভালোই। আমি সিগারেট টেনে আসি।বসো, - এই খবরদার, আর একবার যদি সিগারেট- এর কথা মুখে আনো তাহলে খবর আছে? নরম সুরে - কি করবে? - কি করবো? তোমার,,,,,,, - বেশি হয়ে যাচ্ছে না? - কি বেশি হয়ে যাচ্ছে? - শাসন -বারণ? - ও, সরি । আমি আসলে,,, - সমস্যা নেই, চলো এখন ফেরা যাক। . সিনথিয়া কোনো জবাব দিলো না। আমি চাচাকে বিলটা দিতেই চাচা হাসিমুখে বলেন - পরীর মতো মেয়ে পাইছো, হারাতে দিয়ো না। আমি কিছু বললাম না চাচাকে। অন্য কেউ হলে তবুও কিছু বলা যেতো কিন্তু চাচাকে বুঝিয়েও কোনো লাভ নেই। চাচা বুঝবেন না বিষয়টা। আমি সিনথিয়া কাছে গিয়ে বললাম - সরি, এমন রিয়াক্ট করার জন্য।এখন চলো, সিনথিয়া হাসিমুখে বলে - আরে আমিই একটু ওভার রিয়াক্ট করছিলাম। তোমার আলাদা করে কিছু খেতে হলে খেতে পারো।আমি কিছু মনে করবো না। - না, কিছু খেতে হবে না। এখন উঠো, স্বাভাবিক হবার চেষ্টা করো। - আমি ঠিক আছি, চলো। - সিউর? - হুম, . সিনথিয়াকে নিয়ে আবার ফিরতি পথে চলে আসলাম। তবে এবার কিছুটা ব্যাতিক্রম অবস্থা, সিনথিয়া এবার পিছন থেকে আমাকে জড়িয়ে ধরেছে। আমি বারবার ইঙ্গিত দেবার পরও সিনথিয়া ছাড়লো না। কি যেনো ভাবনায় ডুবে আছে যার জন্য আমার কোনো ইঙ্গিত বুঝতে পারছে না। হয়তো আনমনেই জড়িয়ে ধরেছে। এমনটা মনে করেই বাকিটা পথ পাড়ি দিয়ে গন্তব্যস্থলের কাছে এসে নেমে গেলাম আর সিনথিয়াকে বিদায় জানিয়ে বাসায় পৌছালাম।সন্ধ্যের প্রথম প্রহর অন্ত হবার পালা অল্পকিছুক্ষণের মধ্যেই রাতের আধার নেমে আসবে।রুমে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে বিছানায় শুয়ে কিছুক্ষণ রেস্ট নিলাম। কিছুক্ষণ পর, পুরো শহর যখন একটু কোলাহলমুক্ত তখন পাশে রাখা গীটার নিয়ে বারন্দায় চলে আসলাম। এক সুরে গীটার বাজিয়ে চলেছি এর মাঝে বিঘ্ন ঘটলো ফোনের রিংটন- এর কারণে।চেক করে দেখলাম সিনথিয়ার ফোন। এত রাতে কি দরকার বুঝতে পারলাম না।ফোন ধরে - হ্যালো! - কেমন আছো? - এটা বলার জন্য ফোন করেছো? কয়েকঘন্টা আগেই তো দেখে গেলে। - রাগ করলে? - না, বলো। - কি করছো? - এই তো বসে আছি। - একটা কথা জিজ্ঞেস করার ছিলো? - হুম, বলো। - আমি কি বেশিই রিয়াক্ট করে ফেলেছিলাম তখন? - এখনও একই ভাবনা নিয়ে পড়ে আছো? - আহা! বলো না। - না কিন্তু আসার সময় জড়িয়ে ধরাটা বেশি হয়ে গেছিলো। - আমি সরি। আমি তখন নিজের খেয়ালে ছিলাম না।একটা কথা কি জানো, আমি কাউকে কখনো সরি বলিনি।কিন্তু আজ একবার না দুবার সরি বলে ফেললাম। কেনো বলো তো? - আমি এর উত্তর কিভাবে জানবো? তুমি নিজেই ভেবে কারণটা বের করার চেষ্টা করো । এখন ঘুমাও,রাখি হ্যাঁ,, - ওকে, গুড নাইট। - গুড নাইট। . কয়েকদিন পর,, . #অভিনয় . চলবে?
Chicken biriyani CHICKEN BIRYANI discussions https://norecipes.com/chicken-biryani-recipe/#respond Yield: 5 servings Prep Time: 30 minutes Cook Time: 1 hour Total Time: 2 hours 30 minutes https://norecipes.com/wprm_print/recipe/95541 INGREDIENTS for chicken 1 tablespoonvegetable oil 10 gramsgarlic *(grated)* 10 gramsginger *(grated)* 1serrano chili peppers *(to taste, minced)* 5 gramsmint *(finely chopped)* 10 gramscilantro (finely chopped 1 tablespoongaram masala 1/2 teaspoonground cinnamon 1 teaspoonsalt 900 gramsbone-in skin-on chicken thighs for rice 6 cupswater 2 1/2 teaspoonssalt 5pods green cardamom*(smashed)* 1 teaspooncumin seeds 1bay leaf 360 gramsbasmati rice *(~2 cups)* for onions 2 tablespoonghee 2medium onions *(sliced thin)* for Biryani 1 cupreserved boiling liquid*(from rice)* 1/2 teaspoonsaffron threads cilantro *(for garnish)* STEPS To marinate the chicken for the biryani, combine the vegetable oil, garlic, ginger, chili peppers, mint, cilantro, garam masala, cinnamon and salt in a large bowl and stir together. Add the chicken pieces and toss together making sure the chicken is thoroughly coated in the marinade. Allow the chicken to marinate for at least 1 hour or up to overnight. In a pot wide enough to hold the chicken in a single layer, add the ghee and onions and saute the onions until they are well caramelized (15-20 minutes). Transfer the caramelized onions to a bowl and set aside. While the onions caramelize, prepare the rice by washing in a strainer under cold running water until the water runs clear. To par-boil the rice, add the water, salt, cardamom, cumin and bay leaf to a pot and bring to a boil. Add the rice and boil for 7 minutes. Drain the rice, reserving 1 cup of the liquid. In the pot you caramelized the onions in, add the chicken in a single layer, skin-side down. Fry until golden brown on one side (about 5 minutes). Flip the chicken over and fry the other side until golden brown. Transfer the chicken back to the bowl you marinated it in. To assemble the biryani, add the saffron to the rice and toss to distribute evenly. Add half the rice mixture to the bottom of the pot you browned the chicken in. Top the rice with the chicken in a single layer. Top the chicken with an even layer of caramelized onions. Finish putting together the Biryani by adding the rest of the rice in an even layer. Add 1 cup of reserved liquid from boiling the rice. Cover the pot with a lid and put the pot on the stove over medium heat and set the timer for 20 minutes. When you can see steam escaping from under the lid, turn down the heat to low and continue cooking until the timer goes off and then turn off the heat. Without opening the lid, set the timer for another 10 minutes to steam the biryani. Mix the Chicken Biryani together and then transfer to a serving platter. Garnish with fresh cilantro and serve