Love
অসীম_সীমানায়_আকাশ part : 14 writer : Mohona . তখন রবি ঢুকলো। রবি : ছোট ভাবি ছোট ভাবি ছোট.... রবি ঢুকে দেখে যে আকাশও আছে। রবি : ছোটদা তুমি? আকাশ : হ্যা তোর সমস্যা? রবি: huh... ভাবি একটু এখানে আসোনা.... অসীম : চল... অসীম গেলো। . অসীম: কি হয়েছে? রবি: আমি না কাউকে দেখে crush খেয়েথি। অসীম : নতুন কিছু বল.... রবি: না সত্যিকারের crush.... অসীম : crush যে সত্যিকারের বা মিথ্যাকারের হয় সেটা জানতাম না। রবি: please please ভাবি । help me... তুমি না আমার লক্ষি ভাবি। অসীম : কি হেল্প করবো সেটাতো বলবি? রবি : তোমার PA এর ছোট বোনকে দেখে crush খেয়েছি । ভালোবেসে ফেলেছি। 😇। অসীম : ভালোবেসে ফেলেছিস? রবি: হামম। 🤗। অসীম: তো দেবরজী এটা আপনার কতো তম ভালোবাসা? রবি: সত্যিকারের প্রথম ভালোবাসা... আকাশ : ভালোবাসা বানান করতে পারিস? রবি: তুমি এলে কেন? আকাশ : তো কি করবো? রবি: আর আমার ভালোবাসা পাওয়া হয়েছে.... আকাশ : serious হ.... ভালোবাসা নিজে ধরা দিবে.... রবি: মানে? আকাশ : যেদিন ভালোবাসবি সেদিন সিরিয়াস হয়ে যাবি.... রবি: বুঝলাম না। অসীম : বুঝতে হবে না। বাসায় চল। ৩জন বাসায় গেলো। . ওদিকে... ☆: আকাশ happy থাকতে পারেনা... এমনটা হতে পারেনা... আমার plan flop হতে পারেনা। মেয়েটা কিভাবে আকাশকে মেনে নিতে পারে? মেয়েটাকে আকাশের থেকে দূরে সরাতেই হবে। আকাশকে অসীমের সীমানা থেকে দূরে সরাতেই হবে। তা না হলে যে আকাশকে.... কিছু ১টা ভাবতে হবে... হয় আকাশকে অসীম থেকে দূরে করতে হবে না হয় অসীমকে আকাশ থেকে... অসীমের মনকেই বিষিয়ে দিতে হবে। অসীমের ঘৃণা নিয়ে আকাশ বাঁচতে পারবেনা..... অন্যদিকে... অরনী shooting শেষ করে বাসায় ফিরলো। fresh হয়ে কেবল বসলো। তখন ১টা ফোন এলো। অরনী : হ্যালো... অপূর্ব: হ্যালো। অরনী: আরে অপূর্ব? কেমন আছো? ভালো? অপূর্ব: ভালো... নিজের জীবন যদি অন্যের হাতে চলে যায় তবে সে ভালো থাকে কি করে? অরনী: মানে? অপূর্ব: মানে জিজ্ঞেস করছো? তুমিই কি কিছুই জানোনা? অরনী: কি বলতে চাইছো clearly বলো... অপূর্ব: meet করতে পারবে? অরনী: হ্যা। কবে বলো... অপূর্ব: কালই... অরনী: ok.... . পরদিন... অরনী: একি.... তোমার এই অবস্থা কেন? অপূর্ব: এর থেকে বেশি ভালো থাকা কি আমার সম্ভব? আমি অবাক হচ্ছি এটা ভেবে যে তুমি এতো নরমাল কি করে আছো? অরনী: রহস্য শেষ করো। অপূর্ব : তুমি জানোনা? অরনী: কি? অপূর্ব : অসীম-আকাশ মিলে গেছে। অরনী: ওহ... অপূর্ব : এতো normal reaction ? অরনী : হ্যা.. অাকাশ তো অসীমই। নয়কি? অপূর্ব : তুমি এই কথা কিভাবে বলতে পারো? তুমি না আকাশকে ভালোবাসো? অরনী: হ্যা। বাসি। আজীবন বাসবো। কিন্তু এটাও জানি যে আকাশ অসীমকে অস্বাভাবিক ভালোবাসে। হয়তো ও ততোবার নিঃশ্বাস নেয়না যতোবার অসীমের কথা ভাবে। হয়তো ততোবার পলক ফেলেনা যতোবার অসীমের নাম নেয়। ও নিজেকে ভুলতে পারে কিন্তু অসীমকে না। আর ওদের সম্পর্কটা কিন্তু আজকের না বহুদিনের। অসীমই আকাশের ১মাত্র সুখ। আকাশ কখনোই অসীম ছারা কারো হবেনা। অপূর্ব: আমার কি মনে হয় জানো ? তুমি আকাশকে কখনোই ভালোইবাসোনি.. ভালোবাসলে কখনো এভাবে ছেরে দিতে পারতেনা বুঝেছো। তুমি আকাশকে মনে রাখবে না ভুলে যাবে সেটা তোমার ব্যাপার। কিন্তু আমি কিছুতেই অসীমকে ছারতে পারবোনা। আমি অসীমকে আমারই করবো। অরনী : চেষ্টা করে দেখতে পারো। তবে এটা বলতে পারি যে আকাশের বুক থেকে অসীমকে সরাতে পারবেনা। জোর করে ভালোবাসা হয়না। যখন আকাশ-অসীমের মাঝে ঝামেলা ছিলো তখনই পারোনি অসীমের মনে নিজের নাম লিখতে। এখনও পারবেনা। অপূর্ব: তুমি আমাকে চেনোনা। অসীম অপূর্বেরই হবে। অপূর্ব চলে গেলো। . অরনী: দেখো তুমি অসীমকে নিজের করতে পারো কিনা? পারলে তো আমার কষ্ট কমে গেলো। তুমি অসীমকে পেয়ে গেলে আমিও যে অনায়সে আকাশকে পাবো। তবে আকাশকে পাওয়ার জন্য তোমার সাথে হাত মেলানো যাবেনা । . কিছুদিনপর.... অসীম patient দেখছে তখন ওর PA ১টা sorry card নিয়ে এলো। অসীম : তুমি আমাকে sorry card দিচ্ছো যে? PA : no no mam.... আমি না । বাইরে অপূর্ব স্যার এসেছেন। তিনিই এটা দিলেন। অসীম : oh.... ১কাজ করো একটুপর তাকে পাঠিয়ে দিও। PA: ok mam.... অসীম : এই লোক আবার কোন দুঃখে এলো? আবার sorry card ও দিচ্ছে। আজব তো। . একটুপর... অপূর্ব: আসতে পারি? অসীম : আরে আসুন। বসুন। অপূর্ব বসলো। অপূর্ব: i am really very sorry.... আসলে সেদিন অনের বাজে ব্যাবহার করে ফেলেছি.... কি করার ছিলো বলো তো.... ভালোবাসি যে.... কিন্তু ভালোবাসায় যে স্বার্থপরতা চলেনা সেটা ভুলে গিয়েছিলাম । তাইজন্য sorry.... আমি আর কখনো অমন ব্যাবহার করবোনা। sorry... অসীম : its ok.... মানুষ মাত্রই ভুল। অপূর্ব: so sweet of you. sorry accept না করলে খবর ছিলোনা.... after all... তোমার best friend এর good friend আমি। অসীম : 🤣🤣 অপূর্ব: তো গায়কবাবু কেমন আছে? অসীম : ভালো । অপূর্ব: ওনার সাথে তো দেখা হয়না কতোদিন হয়ে গেলো। আকাশ : তো দেখা করেনে.... অপূর্ব-অসীম পেছনে ঘুরলো। দেখলো আকাশ দারিয়ে আছে। অপূর্ব: আসো ভাতিজা আসো তোমার জন্যেই তো অপেক্ষা। ২জন গলা মিলালো। অপূর্ব: এই অসীম আমাদের ২জনের ১টা ছবি তোলো তো। ২স্বতীনের বন্ধু্ত্ব সুলভ ছবি কোথাও পাবোনা। আকাশ : আববে। ভাবি বলা শেখ। অপূর্ব: যা সর। অসীম আমার bestu.... অসীম : আমি কেবল আকাশের bestu... অপূর্ব: এখনও কি ওকেই রাখবে? এখনতো ও তোমার জামাই ই লাগে। প্রেমিক নাই বানালা bestu তো হতে দাও। অপূর্ব কথাটা এমন ভাবে বলল যে আকাশ-অসীম হেসে ফেলল। অপূর্ব মনে মনে : হাসো হাসো...এই হাসি যে বেশিদিন থাকবেনা। অপূর্ব-অসীমের হাসির সুর উঠবে। খুব শীঘ্রই। আকাশ মনে মনে: এই শালা এতে ভালোগিরি দেখাচ্ছে কেন? বেশি ভালো তো ভালোনা। একে বিশ্বাস করা আর খাল কেটে কুমির আনা একই হবে। এর পেছনেও গোয়েন্দা লাগাতে হবে। আমার বউয়ের দিকে নজর.... 😤। তুই যদি চলিস ডালে ডালে তবে আমি চলি পাতায় পাতায়। অসীম মনে মনে: কাহিনি কি হলো? ৩দিনে এর বিবেক কিভাবে জেগে উঠলো? ঘাপলা আছে। চান্দু আমাকে তো চেনোনা। অসীম আমার নাম। . কিছুদিনপর... অপূর্বর extra ভালোগিরি আর নিতে পারছেনা অসীম । extra বলতে আগে যেমন ছিলো তেমনই । ওদিকে আকাশও অপূর্বর পিছে লোক লাগিয়ে রেখেছে। আকাশ বাসায় ফিরলো । ঘরে ঢুকে মিষ্টি কন্ঠে গুনগুন শুনতে পেলো। 🎶🎵🎶 হাওয়ায় হাওয়ায় দোলনা দোলে সুরের ডানা মেলে... তোমার মনের উঠান লেপে দিবো সাজিয়ে দেবো ফুলে..... তুমি এসো তবু এসো ভালোবেসে.... 🎶🎵🎶.... অসীম গানটা শেষ করলো। আর তখনই আকাশ ওকে জরিয়ে ধরলো । আকাশ : আর কতো ভালোবেসে আসবো? অসীম মুচকি হাসি দিলো । আকাশ : তুমি কিন্তু অস্বাভাবিক সুন্দর করে গান গাও। অসীম : তা হলে তো ১টা তালিই বাজাতে...🙄 । আকাশ : শয়তান মেয়ে ভালোবাসতে বললা গানে গানে। এখন আবার তালি তালি করো। অসীম হা হা করে হেসে উঠলো। . কিছুক্ষনপর... আকাশ : আমাদের ১টা কাজ করতে হবে। অসীম : কি কাজ? আকাশ : অপূর্বকে বিশ্বাস করার নাটক। অসীম : মানে? আকাশ : অপূর্বের plan টা বোঝার জন্য। অসীম : হামম। আকাশ : i think ও আমার ১টা ভুল ধরার ফন্দিতে আছে। like... কোনো মেয়ের সাথে, কোনো সেলিব্রিটির সাথে affair .... আর ওর এই ইচ্ছাটা আমি পূরন করবো। অরনীর সাথে affair করে। অসীম : কি? 😤। আকাশ : আরে আরে রাগ করছো কেন? শোনো... আমি অরনীর পিছে লোক লাগিয়ে রেখেছি। অপূর্ব অরনীর সাথে দেখা করেছিলো। অসীম : তো?? আকাশ ওকে সবটা বলল। এমনকি অরনীর বলা কথাগুলোও বলল। . কিছুদিনপর... আকাশ-অসীম লোক দেখানো ঝগড়া শুরু করলো। actually কথা কাটাকাটি। যেটা ওরাই চালাকি করে মিডিয়ায় প্রকাশ করলো। পরে গুজব বলে উরিয়ে দিলো। কিন্তু অরনী-অপূর্ব তো সেটারই সুযোগ নিলো। আকাশ অরনীর সাথে affair শুরু করলো। আর অসীম অপূর্বর সাথে বন্ধুত্ব গভীর করতে লাগলো। তবে দিনশেষে অসীম-আকাশের সব ঠিকই থাকে। সারাদিন ২জন কি করেছে তা ২জনকে বলে। আর ওদের কান্ডকারখানা পরিবারের সবার মাথার ওপর দিয়ে যায়। . আরো কিছুদিন পর... অসীম:অপূর্ব আমার পক্ষে আর আকাশের সাথে থাকা সম্ভব না। i want divorce ... অপূর্ব: তাহলে দেরি করছো কেন? অসীম : কারন আমার family ... ওরা আমাকে দূরে ঠেলে দিবে। কোথায় গিয়ে দারাবো আমি? কে আছে আমার... অপূর্ব: আমি আছি। আর আজীবন থাকবো। তোমার পাশে। ১টা সুযোগ দাও। আমি যে আজও তোমাকে ভালোবাসি। অসীম : কেন? কেন এতো ভালোবাসেন আমায়? অপূর্ব: না ভালোবাসার কোনো কারন নেই । তাই বাসি.... তুমি যদি বলো তোমাকে নিয়ে অনেক দূরে চলে যাবো। সবার আড়ালে।যাবে? অসীম : সত্যি? . ওদিকে... অরনী: এভাবে অসীমের মন ভাঙা কি ঠিক হবে? ও তোমায় কতো ভালোবাসে... আকাশ : ভালোবাসা... ও কখনোই আমাকে ভালোবাসেনি.... ছোটোবেলায় ১বার ওকে না বুঝে একটু অপমান করেছিলাম । আর ও তারই প্রতিশোধ নিয়েছে। এসব জেনে আর ওর সাথে থাকা সম্ভব না। আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমিই আমার সত্যিকারের ভালোবাসা। অরনী: সত্যি? আকাশ : হামম। তোমায় নিয়ে জীবনটাকে নতুন করে সাজাতে চাই। তোমার সীমানায় থাকতে চাই.... আশ্রয় দেবে না? অরনী আকাশকে জরিয়ে ধরলো। আকাশ মনে মনে: হায় হায় জরিয়ে ধরলো কেন? ওরে চুরেল ছার আমাকে... আকাশ কোনো রকমে নিজেকে ছারিয়ে নিলো। . ☆: এমনকরে চাদ হাতে পেয়ে যাবো ভাবতেই পারিনি। অসীম-আকাশকে আলাদা করতে পারবো ভাবতেই পারিনি। কিছু করতেই হলোনা। আসলেই মন থেকে কিছু চাইলে সেটা পাওয়া যায়। ১বার ওদের divorce হলে অপূর্বকে সরিয়ে দিবো। অসীমের জীবন থেকে। অসীমকে ওর সঠিক জায়গায় পাঠাবো। আকাশকেও নিঃসঙ্গতায় ডুবিয়ে দিবো। অরনীকে নিয়ে সুখে থাকবে.... হ্যাহ... অসীম-আকাশ আর কখনো একসাথে হতে পারবেনা। এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। ১বার ওদের divorce হোক। খুব অহংকার না.... নিজেদের ভালোবাসা... নিজেদের বন্ধুত্ব নিয়ে.... নিজেদের ভালোবাসা নিয়ে.... কোথায় গেলো সেই সব..... আমার হাল এমন করে তোমরা সুখে থাকবে..... . আকাশ : এবার just finishing বাকী... অসীম : finishing মানে? আকাশ : divorce ... অসীম : what? মাথা নষ্ট নাকি? এই তুমি এই নাটকের নামে সত্যি গন্ডগোল করছো না তো? আমাকে ঠকাচ্ছো না তো? যদি সত্যি এমন করো তো আগে তোমায় মারবো এরপর নিজে মরবো। আকাশ : চোখের দিকে তাকিয়ে বলো তো.... বিশ্বাস নেই। সবকিছু যেমন নাটক তেমনি divorceও... দেখো অপরাধী যেই হোক... তাদের উদ্দেশ্য অসীম-আকাশ কে আলাদা করা। তাই অসীম-আকাশ আলাদা হবে.... . চলবে....
1 comment
বাকি পর্ব গুলো পড়ার আগ্রহে থাকবো। প্রতিটা গল্পের প্রথম থেকে পর্ব গুলো দিলে সবাই পড়তে পারবে।