read.cash Log in

@Fahim01

Joined 23 September 2020 · 33 posts

120 KT

0 KT received · 0 KT given

Posts

@Fahim01

ভালোবাসাময় এই ফাগুনে…[] জানি প্রিয়, জানি… ভালোবাসাময় এই ফাগুন- বার বার আসবে চিরাচরিত নিয়মে আমি হারাবো সুখময় নস্টালজিয়ায় আনমনা হবো বার বার। ভেবে যাবো অন্যমনষ্ক আমি… কেউ একজন আমার তরে অপেক্ষায় হলুদ পাঞ্জাবি পড়ে চৌরাস্তার মোড়ে ঘড়ির পানে তাকায় বার বার অপেক্ষায় অভিমানী! কেউ হবে না আর!! জানি প্রিয়, আমি জানি… ভালোবাসাময় ফাগুনে, কেউ আর আসবে না… খোঁপায় গুজবে না আর হলুদ গাঁদা ফুল – চাইবে না, বেড়াতে হাতটি ধরে করবে না আর রাগ-অভিমান । থাকবো না আর এই আমি… কারো ভাবনায় কিংবা ভালোবাসায়- জানি, আসবে ফাগুন প্রতি বছর ভালোবাসার পসরা নিয়ে হারাবো আমি, না পাওয়া নস্টালজিয়ায়। জানি প্রিয়, আমি… জীবন যায়, জীবন এর নিয়মে… কোকিলের গানে, মৌমাছির গুঞ্জরনে- ফাগুন আসে ভালবাসার আমেজে অবচেতন মনে আমায় আনমনা করে যায়। ভালোবাসাময় ফাগুনে… খুব বেশি মনে পড়ে তোমায়- বড্ড ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়- অনুভবে, ভালোবাসায় থাকো তুমি ভুলিনি, ভুলতে পারিনা, ভুলবো না। ভালোবাসি… বড্ড বেশি ভালোবাসি তোমায়- আমার ভালোবাসায় চিরদিন আছো ছিলে, থাকবে আজীবন ভালোবাসবো ভালোবাসায়।

@Fahim01

এবারের বইমেলার বেস্ট সেলার বইগুলোর মধ্যে এটি একটি হতে পারতো।বইয়ে হিরো আলমের ছোটবেলার কথা আছে। তার চানাচুরের বিজনেস, সিডির বিজনেস, মিউজিক ভিডিওর বিজনেস নানান গল্প আছে। আছে তার ইলেকশনের কাহিনী। ক্লাস সেভেন পাশ এবং দেখতে অসুন্দর এই লোকটার জিদ আছে, সাহস আছে। হিরো আলমের বইয়ের ১০টা চুম্বক লাইন। ১। আপনারা শিক্ষিত কাগজে কলমে, মনুষ্যত্বের শিক্ষা শিক্ষিত লোকের মাঝে তেমন একটা নাই। ২। আমি অশিক্ষিত হয়ে লাত্থি উস্টা খেয়েও বেচে আছি, আপনারা শিক্ষিতরা কেন আত্মহত্যা করেন? ৩। আমার চেহারাটা নিয়ে আর কি বলবেন? আল্লাহই তো আমারে বানাইছে। আমি তো বানাই নাই। আমি কি করবো? এই চেহারা চেঞ্জ তো করতে পারবো না৷ ৪। জীবনের সব ব্যবসা আমি টাকা দিয়ে করেছি, শুধু নির্বাচন ছাড়া। ৫। শিক্ষিতরা যে আমারে নিয়ে মজা করেন, আমার জায়গায় থাকলে তো রিসকা চালায়ে খাইতেন। আমি তো তাও চেহারা খারাপ বলে মিডিয়ায় আইছি, আপনার তো চেহারা মুটামুটি। আপনি তো তাও পারতেন না। ৬। আমি আমার ভক্তগো একবার ধন্যবাদ দিলে সমালোচকগো দুইবার ধন্যবাদ দেই। তারা আমার ভিডিও খিয়াল করে দেখে। ঘুমাতে যাওয়ার আগেও দেখে, উইঠেও দেখে। ৭। সারটিফিকেট ধারী শিক্ষিত লোক হইলো ভীতু। নিজেরা তো কিছু করবেই না, কেউ করতে দেখলেও গা জ্বলে। এরা যে কি চায় নিজেরাই জানে না। ৮। আমি পরিত্যক্ত সন্তান হয়ে চানাচুর বেচে, সিডি, ডিস লাইন, মিউজিক ভিডিও করে ১০-১৫টা মানুষের দায়িত্ব নিতে পারি, আপনি শিক্ষিত হয়ে কিছু পারেন না কেন? ৯। আমি হিরো আলম আমার ভিডিও দেখে খালি মানুষ হাসবে এই জন্যে কাজ করি। আমার মাইনসের হাসিমুখ দেখতেই ভালো লাগে। এই সব ভাইরাল, সমালোচনা এসবের জন্যে কাজ করি না। ১০। আমি সকল বিধবা মা, পরিত্যক্ত নারী ও শিশুদের জন্যে একটা সংস্থা করে যেতে চাই, যাতে, আমার মায়ের মতো কারো মার যেন মাইর খেয়ে রাস্তায় বাচ্চা নিয়ে রাত কাটানো না লাগে।

@Fahim01

গল্পটা খুব কষ্টের,চোখে পানি আসবেই __ আমার পাসের বাসার একটা মেয়ে,নাম _মিম_ আর আমার নাম _ইমন_ _______ __________ মিম আর আমি ২.জনেই খুব ভালো বন্ধু__। বলতে পারেন একজন আর একজনকে ছারা চলে না_। হঠাত করে একদিন আমি, মিম,কে মজা করতে করতে বল্লাম_মিম,^___I lov u … ও বলে,,,, সুন ইমন আমি তোকে ভালবাসতে পারবো না। তুই সুধু আমারর বন্ধু _। এই কথা বলেই চলে গেল আটকাতে পারলাম না __। এভাবেই দিন যেতে লাগল কিন্তু বালিকা ত আমাকে ভালবাসেনা _কি যে করি___। বলতে বলতে বালিকার ফোন__<<< ---ওই, ইমন,কি করছ? ---তর কথাই ভাবতাছি,মিম,-! ---চূপ থাক খাইছছ? ---না!!! _<_ তুই খাইছশ-মিম-? হ্যা খাইছি_!! ----তুই এখনি খেয়ে নে৷আর মাঠে তাড়াতাড়ি আয়৷ ---আচ্ছা ৷ বলেই লাফাতে লাগলাম৷বালিকার মনে হয়ত আমার জন্য ভালবাসা জাগছে৷তাড়াতাড়ি খেয়ে গেলাম৷গিয়েই বললাম৷ --কিরে মিম?হঠাৎ জরুরি তলফ ---হুম৷সামনে আমাদের এক্সাম রে৷খুব টেনশনে আছি ---কোনো চিন্তা করিস না৷ফেইল করলে তরে আমি বিয়া করমু৷তারপর দুইটা ক্রীকেট খেলার টিম বানামু৷তর এক দল,আমার একদল৷বলেই হা হা হা করে হাসি দিলাম কিন্তু হাসি দেওয়ার পর কি ঘটল তা আমি কেন?আমার চোখও বিশ্বাস করতে পারল না৷এমন ভাবে আমার গালে চড় মারল যেন গাল দিয়ে ধোয়া বের হচ্ছে৷চড়টা মেরেই মিম বলা শুরু করল তকে বন্ধু করেই জীবনের বড় ভুল করছি৷আজ থেকে আমাদের বন্ধুত্ব এখানেই শেষ৷বলেই চলে গেল৷আর আমার চোখ দিয়ে বৃষ্টির মত পানি পড়ছে৷কিছুই বুঝতে পারলাম না৷খুব খারাপ লাগছে৷শেষ মেষ বন্ধুত্বটাও শেষ?কেমন জানি স্বপ্ন স্বপ্ন লাগছে৷তাও কীছুই করার নেই৷অশ্রুভরা চোখ আর বুক ভরা কষ্ট নিয়ে বাসায় আসলাম৷এসেই শুয়ে পরলাম৷বালিশটাও ভিজে গেছে৷পুরানো স্মৃতি গুলো মনে পরছে৷প্রতিদিন ওকে ফোন দিয়ে ঘুম পারানো৷ঘুম থেকে জাগাতাম৷দিনে কমপক্ষে১০০বার ফোন৷আর মেসেজ ত আছেই৷ সব স্মৃতি গুলো মনে পরছে৷আমাদের বন্ধুত্ব শেষ হলেও আমি ঠিক আগের মতোই ফোন দিতাম৷মেসেজ দিতাম৷মিম খুব বিরক্ত ফীল করত৷তারপরও কথা বলতে চাইতাম৷হঠাৎ একদিন দেখলাম মিম পার্কে এক ছেলের সাথে হেসেহেসে কথা বলছে৷যেন কলিজাটা ছিড়ে যাচ্ছে৷তাই বাসায় এসে পড়লাম৷বুকটা ব্যাথা করছে৷তাই ভাবলাম মিমকে একটা ফোন দেই৷অনেকবার কল হওয়ার পর রিসিভ করল —মিম বুকে ব্যথা করতেছে।ব্যথা করা ভালো। এখন আমাকে আর ডিস্টার্ব করবি না, পরশু আমার এক্সাম। — আচ্ছা নাপা খেলে ব্যথা যাবে? ----- হ্যাঁ যাবে। এখন আর ফোন দিস না প্লিজ কিছুই পড়া হয়নি। — কয়টা খাবো? --- উফ্,,, তোর যতটা খেতে মন চায় খা। প্লিজ ইমন আর না। — লাষ্ট, ভালোবাসিস?? ---- ইমন এসব কথার কোন মানেই হয় না আমরা জাস্ট ফ্রেন্ড তর অনুরোধে কিন্তু ২য় বার ফ্রেন্ড হইছি৷তাই যা বলছ ভাল করে বুঝে বলিস — থ্যাঙ্কস মিম রাখি। ---- ওকে রাখ। আর ভবিষ্যৎ এ যেন এমন কথা আর না শুনি? — ওকে। .. ফোনটা কেটে দিলাম। একসময় মিম মেয়েটা সারাক্ষণ আমার খবর নিত এখন আর নেয় না। আর জিজ্ঞেস করেনা : "কাউকে পছন্দ করিস কিনা ইমন?" আর আগের মতো কি করতে হবে বলেনা। হঠাৎ বুকের ভিতরে আবার চিপ দিয়ে উঠে বুকটা চেপে ধরে একটু বিছানায় শুয়ে পড়লাম খুব কষ্ট হচ্ছে। আবার বিছানা থেকে উঠে আমাকে নাপা খেতে হবে। কয়টা খাব?? মিম তো বলেই দিয়েছে যতটা ইচ্ছে খেতে পারে। সবগুলো ওসুধ মুখের ভিতরে পুরে ঘুমিয়ে পড়লাম .. .. কাক ডাকা ভোরে উঠে পড়ে মিম। মোবাইল চেক করে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে "যাক আজ কোন ম্যাসেজ ও নাই মিসড কল ও নাই।" পড়ায় মনোযোগী হয়৷মিম মন দিয়েই পড়তে থাকে হঠাৎ মনটা যেন কেমন কেমন করছে তবুও ভালো ইমন জালাচ্ছে না। ছেলেটার কোন কমন সেন্স ও নাই যখন তখন ফোন দিয়ে বলবে মিম এইটা হয়েছে এখন কি করবো? অইটা হয়েছে বোরিং। কয়েক ঘন্টা কেটে গেলেও মিমের মোবাইল এর আলো জ্বলছেনা। হঠাৎ মোবাইল এ ম্যাসেজ টোন বেজে উঠলো। মিমের কাছে বোরিং হ্যাপি দুইটাই লাগলো। ম্যাসেজ অন করে হতাশ হয় রবি সীম কোম্পানির এস এম এস। রবি সীমকে কয়েকশো গালাগাল দেয় সে। ঘড়ির ঘন্টার কাটা ক্রমেই বেড়ে চলেছে কিন্ত একটিবার এর জন্যও ইমনের মোবাইল থেকে কল আসেনা। হঠাৎ মিমের স্মরণ হয় গতদিনের কথা :- "মিম বুকে ব্যথা।" ওর ব্রু যুগল কুঁচকে যায় মুখটা কালো হয়ে যায় বুকের ভিতরটা খা খা করে উঠে মন থেকে কত রকম ভয় করছে। রাত নটা মিম একদম পড়তে পারছেনা বারবার ইমনের কথা মনে পড়ছে। ইমনের ম্যাসেজ তো তার বোরিং লাগে কিন্ত সে কেন এখন ইমনের ম্যাসেজ খুজছে? কিছু না ভেবেই ইমনের নাম্বারে ফোন দেয়। — হ্যালো ইমন --- আমি ইমনের বড় ভাই বলছিলাম।তুমি মিম তাই না? ইমন তোমার কথা বলেছে এখন ও বাইরে আছে বন্ধুদের সাথে। পরে ফোন দিও — আপনি এরকম কেঁদে কথা বলছেন কেন? আমার কিন্ত ভয় হচ্ছে ---- আরেহ আমাদের বাড়িতে একজন মুরুব্বি মারা গেছে ওনার জন্য মন খারাপ। আর কাল এক্সাম যেন ভালো হয়। — ওকে ভাইয়া ইমন এলে আমার কথা বলবেন। মিম কিছুই বুঝেনা ইমনকে কি সে ভালোবাসে? এক্সামের কথা মনে পড়তেই পড়তে বসে যায় মিম পড়ায় মন না বসলেও জোর করে পড়ছে সে। হঠাৎ ঘুমের দেশে হারিয়ে যায় সে। ঘুমের মাঝে কে যেন চিৎকার করছে মিম ভালোবাসিস কন্ঠটি পরিচিত কিন্ত ধরতে পারছেনা। হঠাৎ ঘুম ভেংগে যায় আজ কাক ডাকার আগেই উঠে গেছে। মিমের চোখে মুখে আতঙ্ক মোবাইল টা হাতে নেয় কোন ম্যাসেজ নেই, নেই কোন মিসড কল। মিম চায় হঠাৎ করে ই একটা কল আসুক আর নামটা ভাসুক "Emon" কিন্ত নামটা আর ভাসেনা। মিমের মনে হচ্ছে সে ইমনকে ভালোবাসে।ইশ যখন বলবে ইমন ভালোবাসি কতই না খুশী হবে সে। ভাবতেই অবাক লাগছে। এক্সামের পর সোজা ইমনদের বাড়িতে চলে যায় সে। ইমনদের বাড়িতে আগেও এসেছিল তাই খুব একটা কস্ট হয়নি। ইমনদের ঘরে এত মানুষ কেন? ইমনের বন্ধুরা সবাই এখানে ইমন কই? আগের বার এসেছিল তখন ত ইমন কত খুশি হয়েছিল। ইমনের ভাই ই মিমকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইমনকে দেখাবে বলে। কিন্ত মিমর মনে খটকা এদিকে তো গোরস্তান এখানে কেন আনতেছে। ইমনের ভাই পকেটে হাত দেয় একটা ছেড়া পাতা দেয় মিমের হাতে। কাগজটি পড়তে শুরু করে হ্যাঁ এটা ইমনের লেখা। :- "কেমন আছিস মিম?আশা করি ভালো থাকারই কথা। ভাইয়া চেয়েছিল তোকে জানাতে আমার অবস্থা ভালো না কিন্ত তোর এক্সামের এমনেই অনেক ক্ষতি করে ফেলেছি তাই আর জানাই নি। এক্সাম কেমন হয়েছে? ও সরি আমিতো আর বললেও শুনতে পাবো না। সম্ভবত তুই আমার কবরের পাসে দাঁড়িয়ে জানিনা কোনখানে কবর দেওয়া হয়েছে। তবে আমি খুশি হয়েছি এই ভেবে যে আর তোকে ডিস্টার্ব করবোনা। আসলেই তোকে অনেক ডিস্টার্ব করেছি মাপ করে দিস। আর হ্যা রনি অনেক ভালো হ্যান্ডসাম তোর সাথে মানায় সেদিন তোদের দুজনকে পার্কে দেখেছিলাম খুব খুশি হয়েছিলাম আবার রনি তুই দুজনের উপরে রাগ এসেছে। আর ও সরি তোর এমনেই অনেক টাইম নষ্ট করেছি সামনে এক্সাম ভালো করে দিস। আর একটা কথা নাপা কাজ করেছে আমার সব ব্যথা দূর করে দিয়েছে। থ্যাঙ্কস মাফ করে দিস। আর একটা কথা রাগ করিস না "ভালোবাসি মিম?"। আবার সরি আর জীবনেও বলবোনা এই কানে ধরেছি। বোরিং বোরিং ......" মিম ধপ করেই ইমনের কবরে বসে পড়ল৷আর চিৎকার করে কান্না করছে ৷আর ওর মুখ থেকে বের হচ্ছে,ইমন?এই ইমন?ওঠ৷একটিবার দেখ আমি এসেছি৷তুই না আমাকে ভালবাসিস ?আমিও তকে ভালবাসিরে৷ওঠ ইমন ৷ওঠ৷তুই না দুইটা ক্রিকেট টিম বানাবি ৷আমি রাজি রে৷তারপরও তুই ফিরে আয় ইমন৷চিৎকার করে বলছে ফিরে আয় ইমন৷ফিরে আয় ৷তকে খুব ভালবাসিরে৷ফিরে আয়৷ কিন্তু না ইমন আর আসবে না ৷চলে গেছে অনেক দূর ৷যেখানে গেলে কেউ আর ফিরে আসেনা৷ ....ভালবাসার মানুষগুলোকে অবহেলা করোনা৷নয়ত এর ফল সারাজীবন ভোগ করতে হবে ৷... কেমন হলো গল্পটা সরাসরি ইনবক্সে জানাবেন,,, আর হ্যা আমার পোস্ট ভালো লাগলে প্লিজ একটা request দিবেন.. কেউ request না দিয়ে যাবেন না Writer fb: তোরই অপেক্ষায় বসে আছি

@Fahim01

গল্প - মায়া। লেখা - তামিম আহমেদ হিমু ( মুরুব্বি ) . রাত তিন টা হয়েছে আমি ঘুমিয়ে আছি। অতিথি আমাকে ডাক দিয়ে বলে " ওগো শুনছ? তাড়াতাড়ি উঠো। কুরআন পড়ো। দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ো। " এই কথা বলে অতিথি গরম পানি করতে গেল। আমি ঘুম থেকে উঠে মিসওয়াক নিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে গেলাম। ঘুম থেকে উঠে মিসওয়াক করা সুন্নত। বউ আমার কাছে এসে বলে " আমি গরম পানি করছি তুমি ওযু করে আসো। " আমি বউয়ের দিকে তাকিয়ে একটু মুচকি হাসি দিলাম। বউ মিটমিট হাসি দিয়ে বলে " তুমি আমাকে দেখে শুধু হাসি দেও কেন? আমার কিন্তু খুব লজ্জা লাগে। " আমি অতিথির কপালে একটা চুমু দিলাম। অতিথি আমার মুখ টা একটু স্পর্শ করল। আমি বললাম " কি? " বলল " তোমার দাঁড়ি অনেক সুন্দর। " আমি কিছু বললাম না। ওযু করতে চলে গেলাম। দু'জন কুরআন তেলাওয়াত করতে শুরু করলাম। আল্লাহ্ মধ্য রাতে প্রথম আসমানে আসেন। আমাদের মালিক আল্লাহ্ নাম স্মরণ করলে আল্লাহ্ অনেক খুশি হবেন। তিনি আমাদের সব। তিনি আমাদের পালনকর্তা। তিনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা। আল্লাহ্ ছাড়া কেউ আমাদের আপন না। . বাহিরে এসে দাঁড়িয়ে আল্লাহ্'র সৃষ্টি করা আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি। আল্লাহ্ সব থেকে বেশি দয়ালু। আমাদের জন্য কত সুন্দর করে আকাশ টা সাজিয়ে রেখেছেন। আকাশের মধ্য দিয়ে একটা পাখি উড়ে যাচ্ছে। আমি মুগ্ধ হয়ে দেখতে লাগলাম। অতিথি এসে বলে " এই নেও চা খাও। " আমি চায়ের দিকে তাকিয়ে বললাম " তোমার হাতের চা টা না খেলে মনে হয় মুখ টা তিতা হয়ে আছে। " মুখে চা দিতেই লবণ বেশি অনুভব করলাম। তবুও বললাম " অনেক মজা হয়েছে। তোমার হাতে এমন কি আছে। ইশ! বাজারের চাও তোমার কাছে কিছু ওই না। হিহিহি। " চা টা তেমন ভালো হয় নি। তবুও বললাম অনেক ভালো হয়েছে। আমি অতিথির সাথে ঝগড়া করতে পারতাম। কারণ অনেক কষ্ট করে টাকা রুজি করি। বাসায় এসে যদি একটু ভালো খাবার না পাই তাইলে মন টা খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু আমি তো একজনের কাছে খুব অপরাধী হয়ে যাব। আমার আল্লাহ্ 'র কাছে খুব অপরাধী হয়ে যাব। আল্লাহ্ যদি আমাকে বিচারের দিন প্রশ্ন করেন " আমি তোকে ভালবেসে এই মেয়েকে তোর কাছে আমানত হিসাবে দিয়েছিলাম কিন্তু তুই তোর আমানত রাখতে পারস নি তুই মেয়েটার সাথে ঝগড়া করতি। তুই মেয়ে কে বকা দিতি। তুই একটু সহ্য করতে পারলি না।তুই আমাকে ভালোবেসে মেয়ে টা কে সহ্য করতে পারলি না। তাই আমি অতিথির সাথে ঝগড়া করি না। যোহরের আযান পড়তেই নামাজে চলে গেলাম। নামাজ পড়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছি। একজন ছেলে কে ধরে সবাই মারছে। আমি তাদের কাছে গেলাম। সকল কে বললাম " ছেলে কে ধরে মারছেন কেন? " তারা বলল " ছেলে টা একটা মেয়ে কে ডিস্টার্ব করছে তাই ছেলে টা আমরা মারছি। " আমি সাথে সাথে ছেলে কে একটা থাপ্পড় না দিয়ে বললাম " তুমি সব থেকে কাকে ভালবাসো? " ছেলে টা এক মিনিট ভেবে বলল " আমার মালিক আল্লাহ্ কে সব থেকে বেশি ভালবাসি। " আমি ছেলে টা কে বললাম " তাইলে তুমি আমাকে একটা কথা বলো " তোমার মোবাইল টা যদি এখন আমি ভেঙ্গে দেই তুমি আমাকে কি করবে? " ছেলে টা চোখ মোটা করে বলল " আপনাকে মারব। " আমি ছেলেটার মাথা টা হাতিয়ে বললাম " তাইলে আল্লাহ্ সেই মেয়েটাকেও মায়া করে দুনিয়া তে পাঠিয়েছেন একজন পুরুষের জন্য। সেই মেয়ে কে পাবে সেই পুরুষ যে মেয়ে কে বিয়ে করবে । তুমি তো মেয়ে কে বিয়ে করো নি। তাইলে তুমি মেয়ে কে পাবে না। আল্লাহ্ তো সেই মেয়ে কে মায়া করে এই পৃথিবী তে পাঠিয়েছেন অথচ তুমি মেয়ে কে ডিস্টার্ব করো। আল্লাহ্ যদি রাগ করে তোমাকে ধ্বংস করে দেন তুমি কিছুই করতে পারবে না। তাই সময় থাকতে ভালো হয়ে যাও। " আমি বাসার উদ্দেশ্য রওয়ানা হলাম। বাসায় আসতেই মা কে দেখতে পেলাম। মা কে বললাম " এই নেও এক হাজার টাকা। তোমার অনেক কিছু প্রয়োজন হয় কিন্তু তুমি টাকার জন্য কিনতে পারো না। " মা বৃদ্ধ মানুষ। এখন মা বৃদ্ধ হয়ে গেছেন। কিন্তু মায়ের বয়স যখন ২০ বছর ছিল তখন তো মা সব কিছু করতে পারছেন। মা বৃদ্ধ বলে এখন মাকে ভালবাসব না এটা কি হতে পারে? না হতে পারে না। তাই মাকে অনেক ভালবাসতে হবে। অতিথি গরম পানি নিয়ে এসে বলে " মা গরম পানি খান। " অতিথি মুখ টা পরিষ্কার করে দিল। আমাকে বলল " খেতে আসো। " আমি খেতে বসলাম। আমি খাচ্ছি কিন্তু অতিথি আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি বললাম " খাও নি? " অতিথি বলল " পরে খাব । " আমি ভাত হাতে নিয়ে বললাম " বড় করে আ করো। আমি নিজে খাইয়ে দিলাম। . রাতে হাঁটছি আর বাদাম খাচ্ছি। বাদাম খেতে খেতে যখন একটা ওভারব্রিজের সামনে আসলাম অতিথি আমাকে বলে " ইশ! ছেলে টা কত কষ্ট পাচ্ছে। আমার চাদর টা ছেলে কে দিয়ে দেই। আমি বাসায় গিয়ে আরেক টা চাদর বের করে নিব। " অতিথি চাদর টা দিয়ে দিল। ছেলেটার গায়ে দিয়ে দিল। কিন্তু ছেলে টা বুঝতে পারে নি। ছেলে টা ঘুমিয়ে আছে। অতিথি কে আমার চাদর দিয়ে ঘুরে দিলাম। অতিথি বলল " আচ্ছ এখন যদি আমি ঘুমিয়ে পড়ি তুমি কি করবে? " আমি মুচকি হাসি দিয়ে বললাম " তোমাকে রাস্তায় ঘুম পারিয়ে দিয়ে বাসায় চলে যাব। " একটু মজা করার জন্য বললাম। অতিথি গাল ফুলিয়ে হাঁটতে শুরু করল। বাবা একটু দেরী হলে গাল টা ফুটে যেতো। অতিথি বলল " আমি জানতাম তো। তুমি আমাকে ভালবাসো না। শুধু অভিনয় করো। " আমি কোলে তুলে বললাম " এবার অভিনয় করছি তো। নাকি সেটা বাস্তবে করছি। " অতিথি হাসি দিয়ে বলল " পাগল ছেলে লোকজন দেখে পেলব তো তাড়াতাড়ি মাঠিতে নামাও। " ....... সমাপ্ত........

@Fahim01

জীবনসঙ্গিনী মেয়েটি গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে বলেঃ- “আমার খুব ভয় করছে,তোমার বুকে একটু মাথা রাখি?” . আর তার উত্তরে মেয়েটির স্বামী বলেঃ- “রাত দুপুরে ঢং ভালো লাগেনা।ভয় পেলে লাইট জ্বালিয়ে ঘুমাও।” . . আর কখনো যদি কোথাও ঘুরতে যেতে বলে।উত্তরে তার স্বামী বলেঃ- “তুমি বাচ্চা নও যে, হাতের আঙ্গুল ধরে তোমাকে চিড়িয়াখানায় ঘুরতে নিয়ে পশুপাখি দেখাবো।” […]

@Fahim01

ভালবাসার গল্প – দেনমোহরের অংক আমার বিয়ের কথাবার্তা প্রায় চুড়ান্ত হয়ে যাবার পর দেনমোহরের অংক নিয়ে ঝামেলা হওয়াতে ভেঙ্গে গিয়েছিল। বান্ধবীদের কারো কারো ক্ষেত্রে এরকম হতে শুনেছি কিন্তু কল্পনায়ও ভাবিনি আমার ক্ষেত্রে একই ঘটনা ঘটতে পারে। সপ্তাহ দুয়েক আগে প্রথমবার দেখা হবার পর হতে শাহেদের সাথে আমার মোবাইলে নিয়মিত কথা হত। দুই পরিবারের কেউ বাধা দেয়নি। কিন্তু সম্পর্কটা ভাঙ্গার আগে […]

@Fahim01

গল্পঃ ম্যাডাম যখন বউ....... লেখকঃ নয়ন আহমেদ....... নবম পর্ব...... <<<<<<<<<<<<<<<<<<<<★>>>>>>>>>>>>>>>>>> আমিঃ আচ্ছা ফুফি মিতু কোথায়,, মিতুকে তো দেখছি না,,( মিতু হচ্ছে আমার ফুফির মেয়ে ছোটবেলায় অনেক মজা করতাম তার সাথে যখন এ বাসায় আসতাম। কিন্তু আজকে আসার পর থেকে একবারো দেখি নি..) হঠাৎ করে দরজায় কে জেনো টোকা দিয়ে বললো... - আমি এখানে...... আমি তাকিয়ে তো পুরাই অভাক,,, এতো সেই মেয়েটি সে আমাকে সাহায্য করেছিলো।কিন্তু এই মেয়ে এখানে কী করছে,,,, আমিঃ আপনি এখানে কী করছেন,,,, ফুফিঃ আরে তুই মিতুকে চিনতে পারছিস না,,, আমিঃ কী এ মিতু,,,,, মিতুঃ হে,, আমি,,,, আমিঃ তাহলে তখন বললি না কেনো...?? মিতুঃ দেখলাম তুই আমাকে চিনতে পারচ কী না,,, কিন্তু চিনতে আর পারলি না,,,, ফুফিঃ অনেক হইছে,,, মিতু তুই যা নয়ন কে ওর রুমটা দেখিয়ে দিয়ে আয়,,,, মিতুঃ হুমমম,,,, ওই চল,,, আমিঃ ওই আমি তোর বড় তুই আমাকে আপনি করে বলবি..... মিতুঃ এহহ,,, আমার কী বড় মানুষ আইছে রে,,, এখনো ভালো করে কথা বলতে পারে না,,, আবার বড় বলতে আইছে,,, আমিঃ দেখ ভালো হচ্চে না কিন্তু,,,, মিতুঃ কী করবি তুই..... আমিঃ কী করবো... সেটা পরে দেখাবো... আগে আমার রুমটা দেখিয়ে দে...... মিতুঃ দেখুম নি তুই কী করছোস,,, এখন চল... আমিঃ হুমমম,,,, মিতু আমাকে তার সাথে করে নিয়ে একটি রুমে কাছে নিয়ে এক ধাক্কা দিয়ে রুমের ভিতর ডুকিয়ে দিলো.... আমি সোজা গিয়ে বিছানায় পড়লাম। পিছে পড়িরে দেখি মিতু আর নেই এক দৌরে পালিয়ে গেলো.... আমি আর কিছু বললাম না। এ সব কিছুর পতিশোধ আমি এক সাথে নিবো... শুধু একটু সুযোগ খুচ্ছি...... রুমটা আগে থেকেই গুছানো ছিলো তাই আর বেশি কিছু করতে হলো না,,, জামাকাপর গুলো রেখে শাওয়ার নিতে ওয়াশরুমে চলে গেলাম। শাওয়ার নিয়ে ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে জামাকাপর পরে নিচে আসলাম খাবার খাওয়ার জন্য,,, প্রচুর ক্ষিদে পাইছে,, তাই তারাতরি করে খাবার খেতে বসলাম। ফুফি খাবার বেড়ে দিতে লাগলো। আর আমি খেতে লাগলাম। খাওয়া শেষ করে ছোপায় এসে বসলাম। টিবি টা ছেড়ে মুভি দেখতে লাগলাম। এমন সময় ফুফা অফিস থেকে চলে আসলো.... আমিঃ আসসালামু আলাইকুম ফুফা কেমন আছেন..?? ফুফাঃ আমি তো ভালো আছি তুমি কেমন আছো..( সালামের উত্তর নিয়ে.) আমিঃ জ্বী ভালো... ফুফাঃ কখন আসছো....??? আমিঃ এই তো সন্ধার একটু আগেই আসছি.... ফুফাঃ ওহহ,,আচ্ছা,,,তুমি বসো আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি.... আমিঃ জ্বী.... ফুফা তার রুমের দিকে যেতে লাগলো.... আর আমি বসে বসে টিভি দেখতে লাগলাম,, হঠাৎ করে... কোথা থেকে যেনো.. মিতু চলে আসলো.... মিতুঃ কিরে কী দেখছুস,,, আমিঃ তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছি,,, মিতুঃ কিন্তু তুই তো টিভি দেখছিস.... আমিঃ তাহলে জিঙ্গাস করলি কেনো কী করছি.... মিতুঃ তোর সাথে ভালো ব্যাবহার করছি কিন্তু তুই তা সহ্য করতে পারছিস না,,, আমিঃ চুপ কর তো ভালো লাগছে না,,,,, মিতুঃ আচ্ছা যা আর কথা বলমু না,,, বলেই চলে গেলো,,,, মিতুর এরকম দেখে মিথিলার কথা মনে পড়ে গেলো। আমি তো তাকে এভাবেই ছেড়ে চলে আসছি,,,, মিথিলার কথা মনে মনটা খারাপ হয়ে গেলো.. তাই রুমে চলে আসলাম। রুমে এসে ব্যাগ থেকে এক প্যাকেট সিগারেট নিয়ে ছাদে চলে আসলাম। শালার মিতু সাথে যেন এরোকম কেনো করতে গেলাম। বুঝি না,, মিতুর সাথে এরোকম না করলে হয়তো মিথিলার কথা আর মনে পড়তো না,,,, এসব কথা ভাবছি আর সিগারেট খাচ্ছি,,,খেতে খেতে প্রায় পুরোটাই শেডস হয়ে যাচ্চে,, এমন সময় ফোনটা বেজে উঠলো..... ফোনটা বের করে দেখলাম রং নম্বর,, তাই প্রথম বার রিচিব করলাম না,, আবারো সেই একই নম্বর থেকে ফোন আসলো,, এবার ফোন টা ধরলাম,,, আমিঃ আসসালামু আলাইকুম কে বলছেন...."" একটি মেয়ের কন্ঠে ভেসে আসলো..... মেয়েঃ আমাকে চিনতে পারছেন না,,,, আমিঃ নাম আর ঠিকনা বললে তারপর তো চিনবো... মেয়েঃ আমি হচ্ছি মেঘা,,, আমিঃ ওহহ,, আচ্ছা আপনি...কেমন আছেন...??? মেঘাঃ ভালো... আপনি কেমন আছেন...??? আমিঃ ভালো..... মেঘাঃ কী করেন এখন...!! আমিঃ সত্যি কথা বলতে গেলে সিগারেট খাচ্ছি.... মেঘাঃ আপনি সিগারেট খান...!!!! আমিঃ হুমমম,,, মেঘাঃ এগুলো খাওয়া কিন্তু ভালো না,,, তা নিশ্চই জানেন..... আমিঃ হুমমম,,, জানি..... মেঘাঃ তারপরেও এগুলো খান,,, আমিঃ হুমম,,, মেঘাঃ আচ্ছা আপনার জিএপ আছে....?? আমিঃ আচ্ছা আমি পরে ফোন করছি... একটু রুমে যেতে হবে.... মেঘাঃ আচ্ছা বাই.... আমিঃ হুমমম,,, বাই..... আমি সাথে সাথে ফোনটা কেটে দিলাম। আসলে আমাকে কেউ ডাকছে না,,, আর কোথাও যেতেও হবে না,, এখন যদি আমি মেঘাকে মিথিলার কথা বলতাম। তাহলে আবারো সেই পুরানো কথা মনে পড়ে যেতে... আর যদি বলতাম আমারো কোনো জিএপ নাই,, তবে আরো বেশি কষ্ট হতো তাই ফোনটা কেটে দিলাম,,, যাই হোক আরো কয়েকটা সিগারেট খেয়ে রুমে চলে আসলাম। রুমে এসে ওয়াশরুমে গিয়ে ভালোমতো ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে আসলাম। যাতে শরীর থেকে কোনো সিগারেটের গন্ধ না আসে.... ফ্রেশ হয়ে এসে একটু নিচে আসলাম,,, নিচে আসতেই ফুফা ডাক দিয়ে তার কাছে নিয়ে বসালো,,,, ফুফাঃ নয়ন তোমার আম্মু বলছে তুমি নাকি এখন থেকে এখানেই থাকবে আর এখনে মিতুর কলেজে ভর্তি,,, আমিঃ জ্বী,,, ফুফাঃ তা তোমার কলেজ থেকে রিজাইন লেটার সহ সব কিছু নিয়ে আসছো তো,,, আমিঃ জ্বী সব কিছু নিয়ে আসছি,,,, ফুফাঃ তাহলে কালকে মিতু সাথে তাদের কলেজে গিয়ে ভর্তি হয়ে আইসো,,,, আমি প্রিন্সিপাল কে ফোন করে বলে দিবো,,, আমিঃ জ্বী ফুফঃ আর কলেজে কোনো সমস্যা হলে তুমি আমাকে বলবা,,, আমিঃ জ্বী,, ফুফাঃ আচ্ছা চলো খাবে চলো,,,, আমিঃ হুমমম,,, চলুন,,, খাবার টেবিলে এসে বসলাম,, সবাই মিলে খাবার খেতে লাগলাম। কিন্তু একটা বিষয় লক্ষ করছি,, ফুফা বাসায় আসার পর মিতু পুরা পুতুলের মতো হয়ে গেছে,, কোনো দুষ্টামি করছে না,, কোনো কথাও বলছে না,, যে যা বলছে তাই করে যাচ্ছে..... এটার মানে মিতু তার আব্বুকে প্রচুর ভয় পায়,,, তাহলে এটাই কাজে লাগতে হবে... এমন একটা শিক্ষা দিবো পুরো সারা জীবন মনে রাখবে। খাবার শেষ করে রুমে চলে আসলাম।,,, রাত প্রায় ১২টা বাজে,, ঘুম আসছে না,, তাই ভাবলাম মিতুর ঘুমটাও নষ্ট করে দিয়ে আসি। যেই ভাব যেই ভাবা সেই কাজ,। ব্যাগ থেকে একটি মুখোস,, নিলাম। মুখোস টা দেখে তেও একটু ভয়ংকর। এটা দিয়েই মিতু ঘুম নষ্ট করমু। মুখোসটা নিয়ে মিতুর রুমের দিকে পা বারা লাম। মিতুর রুমের কাচে আসতেই দরজায় হাত দিতেই দরজাটা খুলে গেলো। মনে হচ্ছে আমার জন্য খুলে রাখছে...কিন্তু এতো রাতে মিতুর দরজা খোলা কেনো.. আস্তে ভিতরে ডুকলাম,, রুমে ডুকে তো আমি পুরাই অভাক। মিতু এখনো জেগে আছে,, মিতু জানালার কাছে দাড়িয়ে কার সাথে যেনো ফোনে কথা বলছে,, আমি আস্তে করে তার কাছে গেলাম। শুনলাম,, মিতু বাবু সোনা বলে কথা বলছে,, তাই মোবাইলের রেকোডিং টা অন করলাম। অন করে মিতুর কথা গুলো রেকর্ড করতে লাগলাম। চলবে..........

@Fahim01

একদিন নববিবাহিত স্বামী-স্ত্রী মিলে একটি অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিল যে আজ কেউ ঘরের দরজা খুলবে না,,,!!!" যে প্রথমে খুলবে সে এই খেলায় হেরে যাবে,,,!!!" দু'জনে দরজা আটকে ভেতরে বসে রইলো,,,!!!" প্রথমে বাবা স্বামীর বাবা এসে দরজায় নক করলো,,,!!!" সে দরজা খুলতে গিয়ে তার সেই খেলার কথা মনে পরে গেলো স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল, শেষ পর্যন্ত কেউই দরজা খুলল না,,,! পরবর্তীতে স্ত্রীর বাবা দরজার কড়া নাড়ালো,,,!!!" এবার স্বামী মুচকি মুচকি হাসতে থাকলো,,,!!!" স্ত্রী কেঁদে ফেলল এবং বলল আমি এটি কিছুতেই করতে পারব না এবং সে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দিলো, স্বামী চুপ করে তাকিয়ে রইল, কিছুই বলল না নীরব হয়ে রইল,,,!!!" অনেক বছর পর তাদের ২টি ছেলে হওয়ার পর একটি মেয়ে হলো বাবা মেয়ের জন্মদিনে বিশাল বড় একটি পার্টির আয়োজন করলে স্ত্রী জানতে চাইল, তুমি কখনো আমাদের ছেলেদের জন্মদিনে কোন আয়োজন করনি কিন্তু মেয়ের জন্য এতো বড় পার্টি কেন.?" স্বামী বলল, কারণ আমি জানি একমাত্র সেই আমার জন্য দরজা খুলবে,,,!!!"❤ প্রতিটি বাবার কাছেই, তার মেয়ে একটা রাজকন্যা❤

@Fahim01

সুখ চায় জীবন,? বাট সুখি হতে দিলোনা এই ভূবন,!

@Fahim01

তোর লজ্জা লাগে না, বাজে মেয়েদের সাথে তুই রাত কাটাস!” “ ও যদি বাজে মেয়ে হয়, তাহলে আমিও বাজে ছেলে। বাই দ্যা ওয়ে, বাজে মেয়েকে ঘরে না তুললে হৃদয়ের ক্ষুদা মেটাবে কে?” “ মায়ের সঙ্গে বেয়াদবি করছিস তুই? ” সজীব শুনেও না শুনার ভান করে মেয়েটার হাত ধরে টানতে টানতে বাইরে বেরিয়ে যায়। ওর মা সোফার উপর বসে উপরের দিকে তাকিয়ে বললো, “ হায় আল্লাহ, আমার একটা মাত্র ছেলে, ওকে সৎ পথে ফিরিয়ে দাও তুমি। ওকে হেদায়াত দাও তুমি। আমি সহ্য করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছি। ” বলে কান্নায় ভেঙে পড়ে মা আয়েশা সুলতানা। সজীব তার বাবা মায়ের একটা মাত্র ছেলে, ধনী বাবার বখাটে ছেলেও বলা যেতে পারে। বাবার অগাধ সম্পত্তি আর ক্ষমতার জোরে ছোট থেকেই মনের ভিতর অহংকার নিয়েই বেড়ে উঠে সজীব। যত দিন যায় ততই পাপের পরিমাণ বাড়িয়ে ফেলে৷ প্রতিদিন রাত কাটে ভিন্ন ভিন্ন মেয়ের সাথে। বাজে নেশা তো আছেই। তবে যা করতো বাইরে করতো, আজ প্রথম সাহস হয়েছে বাসায় মেয়ে নিয়ে আসার। অভদ্রতার চুড়ান্ত পর্যায়ে চলে গেছে সে। মা খুব কষ্ট পাচ্ছে ছেলের অধঃপতন এ, ছেলে সেদিকে কোনো তোয়াক্কা নেই। শুধু জীবন কে কিভাবে উপভোগ করতে হবে সেদিকেই মনোযোগ তার। পড়াশোনা শেষ করেছে কিন্তু বখাটেপনা করতে প্রতিদিন ই তার ক্যাম্পাসে যেতেই হবে। নতুন বেডমেট খোঁজার জন্য আজও ভার্সিটি তে এসেছে। দেখতে ফর্সা, ক্লিন সেভ দাড়ি, খাড়া নাক, চোখের মনি ঈষৎ নীলাভ। দেখতে আকর্ষণীয় বলে কোনো মেয়েকে প্রপোজ করলে মেয়েও না করেনা। স্যুট পড়ে সানগ্লাস মাথায় দিয়ে গাড়ি থেকে নামে সজীব। হটাৎ একটা মেয়ের দিকে চোখ পড়ে , প্রতিদিন এর মতো আজও মেয়েটা সজীব কে দেখেও না দেখার ভান করে চলে যায়। কি আশ্চর্য, যেখানে সব মেয়ে একবার হলেও ওর দিকে তাকায়, সেখানে এই মেয়েটা ভুলেও ওকে দেখেনা। মেয়েটা কি আমার থেকেও অহংকারী নাকি! সজীবের মনে প্রশ্নের উঁকি দেয়, কিন্তু সেটা কে পাত্তা না দিয়ে একটা মেয়েকে হাত ইশারা করে। মেয়েটাও খুশি হয়ে লাফাতে লাফাতে চলে আসে সজীবের কাছে। “ হায়, কতো দিন থেকে তোমাকে ফলো করি জানো তুমি!” সজীব শয়তানি হাসি দিয়ে বললো, “ তা তো জানি ই। ” “ চলো কোথাও বসে কথা বলি। ” “ বসে বলবে নাকি শুয়ে! ” “ কি যে বলো না!” “ যাই হোক, তোমার নাম টা যেনো কি?” “ রাইসা, আর তুমি তো সজীব। ” সজীব রাইসার হাত টা কোমল করে ধরে বললো, “ কি কোমল হাত! তুমি না জানি কতটা কোমল!” রাইসা লজ্জা মাখা হাসি দেয়। কিছুক্ষণ পর বলে, “ তোমার চোখ দুটো যা কিউট না! ওই চোখের মায়ায় হারাতে ইচ্ছে করে। বারবার প্রেমে পড়তে ইচ্ছে করে। ” “ তা কে আটকিয়ে রাখছে তোমায়!” দুজনের এক কথা দুই কথা বলতে বলতে অনেক ভাব জমিয়ে ফেলে। যেনো সজীব যা বলবে সব করতেই প্রস্তুত রাইসা। দুজনে রেস্টুরেন্টে লাঞ্চ করে, সারাটা বিকেল ঘুরাঘুরি করে। অতঃপর রাইসা কে বাসায় ড্রপ করে দিয়ে পতিতালয় এর উদ্দেশ্য পা বাড়ায় সজীব। আজ আর বাসায় যাবেনা, বাইরেই রাত টা কাটাবে। °°° “ আম্মুউউউউউউ” বলে চেঁচিয়ে উঠলো সাইমা। মা দৌড়ে আসে মেয়ের চিৎকার শুনে। এসে দেখে সাইমার পুরো কপাল ডিমে ভেজা। কিছু বুঝে উঠার আগেই সাইমা বললো, “ বাসায় ঢুকতে না ঢুকতেই তোমার ছেলে আমার কপালে ডিম ফাটিয়েছে। ” “ মিথ্যে কথা, ডিম টা দরজায় আগে থেকেই ঝুলছিলো, ও না দেখে ওটাতে ক্লিক করেছে। এটা কি আমার দোষ বলো!” সাগর ( সাইমার বড় ভাই) কথাটা বললো তাড়াতাড়ি করে, যেনো মা কিছুই বলতে না পারে। সাইমার আম্মু মারুফা আহমেদ খুব রেগে গিয়ে বললো, “ তোরা দু’ভাইবোন যাচ্ছেতাই। তোরা নিজেরা বুঝে নে কি করবি। ” বলে রাগে হনহন করে হেটে চলে যায় ঘরে। সাইমা রেগে গিয়ে সাগরের দিকে তাকালো, সাগর সাথে সাথে বললো, “ আরে ডিম লেগেছে তো কি হয়েছে, তোর একটু ফেসিয়াল হয়ে গেলো। সারাদিন তো রূপচর্চা করার সময় পাসনা। তাই একটু করিয়ে দিলাম। ” বলেই সাইমা কি বলে শুনার অপেক্ষা না করে দাঁত কেলিয়ে নিজের ঘরে ঢুকে পড়ে সাগর। সাইমা বাধ্য বোনের মতো ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসে। খুব খিদে পেয়েছে সাইমার, সন্ধ্যা হয়ে গেছে। সারাদিন ক্লাস, টিউশনি করে একদম ক্লান্ত মেয়েটা। খেতে বসা মাত্র সাগর আবার এসে বললো, “ খেয়ে নে, খেয়ে নে। আর তো মাত্র কয়টা দিন। তারপর তো শ্বশুর বাড়ি চলেই যাবি তুই। ” সাইমা একটা রাগী লুক দেয়, এরপর বলে, “ সামনে ফাইনাল পরীক্ষা, পাশ করবো, জব নিবো এরপর যাবো। ” “ তোর শ্বাশুড়ি তোকে নিয়ে যাবে বলেছে। ” “ আমার বিয়ে কবে হলো! ” “ হবে তো!” “ ওই ছেলে কে বিয়ে কখনো ই করবোনা বলে দিলাম। ” “ আচ্ছা দেখা যাবে, এখন গিলে আমায় উদ্ধার কর। সারাদিন তো কিছুই খাস নি।” “ খেতে দিচ্ছিস কোথায়? ” “ খাবার তোর হাতে, তোর মুখ তোর কাছে। আমি কিভাবে আটকালাম! ” “ এতো বকবক করলে খাবো কিভাবে! ” “ দূর হ ফকিন্নি। ” বলে সাগর চলে যায়। ওদের মা ওদের কথা শুনে হাসে, সারাদিন খুনসুটি লেগেই থাকে। মিস্টি একটা সম্পর্ক ওদের। °°° সজীব অনেক রাত করে বাড়ি ফেরে, মা আয়েশা সুলতানা তখনও ছেলের অপেক্ষায় বসে আছে না খেয়ে। সজীব গলা খাঁকারি দিয়ে বললো, “ এতো রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করছো কেনো? আমি খেয়ে এসেছি বাইরে থেকে। ” “ তোকে একটা কথা জানানোর ছিলো, তাই অপেক্ষা করছি।” “ তাড়াতাড়ি বলো।” “ আমি চাই তোকে বিয়ে দিতে...” কথা শেষ না হতেই সজীব বলে, “ আমি বিয়ে করবোনা। ” বলে নিজের ঘরে চলে যায়। রিলাক্সে কিছুক্ষণ বসে থাকে, তখন তার প্রিয় বন্ধু কে দেখতে পায়। বন্ধু বললো, “ খবরদার বিয়ে করিস না। তুই বিয়ে করলে এক মেয়েতেই থাকতে হবে তোকে। আর বিয়ে না করলে অনেক হুরের সাথে রাত কাটাস তুই। বিয়ের মাঝে কোনো সুখ নেই বুঝলি। ” “ সে আর বলতে, একেকদিন একেকটা, আহহ জোশঃ... ” “ আজকের মেয়েটাকে ছেড়ে দিলি যে, ওকে না করে পুরনো মালের কাছে কেনো গিয়েছিলি?” “ ওইটার অনেক পরীক্ষা নিবো, তাই অপেক্ষা করছি। ” “ কি করবি তুই ওকে?” “ তুই আমার আগেই জানতে পারবি। ” দুজনেই হাসতে থাকে। একটা সময় সজীব ঘুমিয়ে পড়ে, আর বন্ধু অদৃশ্য হয়ে যায়।

@Fahim01

----------------------★---------------------- মিথিলাকে সাথে নিয়ে রাকিবদের বাসায় ডুকে পড়লাম.. বাসায় ডুকে সব গুলো হারামিদের দেখলাম একসাথে বসে গল্প করছে,,,,আমি যেতেই.... সবাইঃ কিরে কী খবর তোর....!! আমিঃ এই তো ভালো... তোদের কী খবর....?? সবাইঃ ভালো.... হোসেনঃ ভাবি আপনি কেমন আছেন...?.. মিথিলাঃ ভালো... আপনারা কেমন আছেন...?? সবাইঃ ভালো....!! আমিঃ সবাই একসাথে বসে কীসের কথা বলতেছিলি... আকাশঃ সবাই মিলে ভাবছি... রাকিবের হলুদের অনুষ্টান ছাদে করবো...!! আমিঃ হুমম,,,ছাদে করলে তো ভালোই হবে.....!! অপুঃ আমরা সবাই এই কথাই বলতেছি... কিন্তু রাকিব বলতেছে নিচে করবে...?? আমিঃ এই রাকিব,, বিয়ে হচ্ছে...!! রাকিবঃ কেনো,, আমার বিয়ে হচ্ছে.... আমিঃ তাহলে ডিসিশন নিবে কে...?? রাকিবঃ আমি...!! আমিঃ নাহ.. তুই নাহ... ডিসিশন নিবো আমরা...!! রাকিবঃ আচ্ছা তোদের যেখানে ভালো মনে হয়ে সেখানেই কর....!! আমিঃ তাহলে এখানে সবাই বসে আছোস কেনো..?? ছাদে চল... - হা চল........ তারপর সবাই মিলে ছাদে চলে আসলাম.. আর মিথিলা রাকিবের বোনে আর কাজিনদের সাথে চলে গেছে... ছাদে এসে সবাই ডেকোরেশন সাজাতে লাগলাম... সব কিছু আগেই বাসায় ছিলো তাই আর সাজাতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না... আমি আকাশ আর অপু মিলে সাজাতে লাগলাম... আর হোসেন রাকিব আর রকিবের সুমন সব কিছু আমাদের কে হাতে তুলে দিচ্ছে....ছাদ প্রায় সাজানো শেষ,, বাসায় অনেক মেহমান ও চলে আসছে... রাতে..বক্স বাজিয়ে সবাই মিলে অনেক আনন্দ করছি,, আর মিথিলা ছাদের এক কোনায় দাড়িয়ে আছে... বন্ধুদের সাথে অনেক আনন্দ করতে লাগলাম... এরোই মধ্যে রাকিবের হলুদের অনুষ্টান শুরু হয়ে গেলো... আর অন্যদিকে মিথিলা তাদের এককোনায় দাড়িয়ে আমাদের আনন্দ করাকে সেও উপভোগ করছে.. হঠাৎ কোথা থেকে জেনো দুজন লোক এসে মিথিলার সামনে এসে দাড়ালো... মিথিলাঃ আপনার কারা...?? - আমরা তো মানুষ.. তবে এখন অমানুষের কাজ করতে যাচ্ছি... মিথিলাঃ কি বলতে চাচ্ছেন আপনারা...?? - আমরা বলি না... আমরা করে দেখাই... মিথিলাঃ দেখেন এখানে আমার স্বামী আছে আমি কিন্তু তাকে ডাক দিবো... - অবশ্যই... দেন যত জোর আছে ডাক দেন...!! মিথিলাঃ নয়ন....(অনেক জোরে চিৎকার করে আমাকে ডাক দিলো কিন্তু বক্সের শব্দের কারনে আর আমার কানে এসে মিথিলার শব্দ এসে পৌছালো না...) - কি হলো আপনার স্বামী শুনতে পারছে না.... মিথিলা দৌর দিয়ে যেই আমার কাছে আসতে যাবো ওমনি.. তাদের দুজনের মধ্যে একজন.. মিথিলার চুল ধরে আবার পিছনের দিকে টান দিয়ে ফেলে দিলো.. তারপর মিথিলাকে ইচ্ছা মতো মারতে লাগলো.. মিথিলা চিৎকার করে আমাকে ডাকতে লাগলো কিন্তু বক্সের শব্দের জন্য মিথিলার কোনো আমি শুনতে পারছি... না... মিথিলাকে যখন তার পেটে লাথি দিতে যাবে.. তখন মিথিলা তাদের হাত জোর করে বলতে লাগলো... মিথিলাঃ প্লিজ আমার পেটে মারবেন.. না.. প্লিজ.. কিন্তু তারা মিথিলার কোনো কথা না শুনে... তাকে পেটে কয়েকটা লাথি মেরে দিলো.. আর এদিকে আমি রাকিবের গায়ে হলুদ নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে আছি.. এমন সময় মোবাইলে কল আসলো.. কোনো কথা না বলেই কল টা রিচিব করলাম.. আমিঃ হ্যালো কে বলছেন....!!! - বাহ.. তুমি তো দেখছি.. অনেক কানন্দ করতেছো.. তোমার বউকে একা রেখে.. আমিঃ এই আপনি কে বলছেন... - আমার কথা বাদ দাও... তোমার বউ এর একবার খোজ করো.. আমি কলটা কেটে দিয়ে স্টেজ থেকে নেমে এসে মিথিলাকে খুজতে লাগলাম... মিথিলাকে শেষ বার যেখানে দেখছি.. সেখানে আসলাম... এসে দেখি দুজন লোক মিথিলার মুখে চাপ দিয়ে কিছু একটা বলছে.. আর মিথিলা নিচে শুয়ে,,, আর সারা শরীরে রক্ত লেগে আছে.. আমি চিৎকার দিয়ে মিথিলার দিকে এক দৌড় দিলাম.. আমার চিৎকার শুনে বক্সটা বন্ধ করে দিলো.. আর সবাই আমার কাছে আসতে লাগলো.. আর লোক দুজন আমাকে আসতে দেখে.. ছাদের পাশে আম গাছ দিয়ে নেমে গেলো... আমি মিথিলার কাছে এসে মিথিলার মাথাটা উঠিয়ে নিজের কোলে রেখে... বলতে লাগলাম... আমিঃ এই মিথিলা চোখ খুলো... ( কান্না জড়ুত কন্ঠে..) মিথিলার মুখ থেকে শেষ শব্দটা শুধু আমার নামটাই শুনলাম...মিথিলাকে অঙ্গান হতে দেখে.. কোলে তুলে নিলাম.. তারপর তারাতরি করে নিচে চলে আসলাম... নিচে গাড়িতে উঠে পড়লাম.. আমার সাথে হোসেন ও আসছে তাই তাকে ড্রাইব করতে দিলাম... আমি মিথিলাকে নিয়ে পিছে বসলাম.... আমিঃ এই মিথিলা চোখ খুলো.. প্লিজ...!! এই মিথিলা প্লিজ একবার চোখ খুলো... প্লিজ.. তোমার কিছু হয়ে গেলে আমি কী করে বাঁচবো.... প্লিজ মিথিলা চোখ খুলো... আমি শুধু মিথিলাকে ডাকতে লাগলাম.. আর মিথিলা চুপ করেই আছে.. কোনো শব্দ করছে না... আমি বলে বুঝাতে পারবো না মিথিলার এ অবস্থায় আমার ভিতর দিয়ে কী চলছে.. মিথিলাকে নিয়ে হাসপাতালে.. চলে আসলাম..... হাসপাতালে এনে ডক্টর মিথিলাকে একটু দেখে আইসিইউ তে নিয়ে গেলো.... আমি আর হোসেন বাইরে বসে রইলাম.... বুঝতেছি না.. মিথিলার কেনো.. বারবার এরোকম হচ্ছে.. এমন সময় তখন কার কল এর কথা মনে পড়লো.. সেটা নিশ্চয় মিম ছিলি.. মিম ছাড়া এটা আর কেউ নাহ.. এমন সময় মোবাইলটা বেজে উঠলো.. চেয়ে দেখি আম্মু কল করছে...বুঝতে ছিনা কল রিচিব করে আম্মুকে কী বলবো,,, মিথিলার কথা জিঙ্গাস করলে,, আমি জবাব দিবো,, তারপরেও,, চোখে পানি মুছে কল রিচিব করলাম... আমিঃ হা আম্মু বলো...!! আম্মঃ কোথায় তুই এতো রাত হয়ে গেছে এখনো আসছিস না কেনো...?? আমিঃ আম্মু আসব একটু পরে.. আম্মুঃ মিথিলা কোথায়.. ( আম্মু কথাটা বলার সাথে আর চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না.. হাউমাউ করে কেটে উঠলাম.. আম্মু আমার কান্নার শব্দ শুনে.. বললো.. আম্মুঃ কিরে তুই কাঁদছিস কেনো..?? বউমা ঠিক আছে তো..?? আমিঃ আসলে আম্মু,,( কান্না জড়িতে কন্ঠে..) আম্মুঃ কী হয়েছে বউমার..?? আর তুই কাঁদছিস কেনো..?? আমিঃ আসলে আম্মু,, ( তারপর আম্মুকে সব বলে দিলাম..) আম্মুঃ তোরা এখন কোন হাসপাতালে আছিস..?? ( কান্নার শব্দ শুনা যাচ্ছে ওপাশ থেকে হয়তো আম্মু কাধছে...) আমিঃ ***** এই হাসপাতালে....!! আর আম্মু তোমাকে এখন আসতে হবে না,, বরং কালকে সকালে এসো... আম্মুঃ আচ্ছা,,, আর ডক্টর কী বলে আমাকে জানাস..!! আমিঃ হুমম,,, আম্মুর সাথে কথা বলে কল কেটে দিলাম.. মোবাইল রাখার আগেই.. আবারো মোবাইলে কল চলে আসলো.. মোবাইলের দিকে তাকিয়ে দেখলাম আকাশ কল করছে... আমিঃ হা বল... আকাশঃ ভাবি এখন কেমন আছে..?? আমিঃ এখনো কিছু বলতে পারছি.. না.. ডক্টর বের হলে জানতে পারবে... আকাশঃ ওহ,, আর ওই দুইটারে ধরছি..!! আমিঃ কোথায় ওরা... আকাশঃ আমগো পুরান গুদামে বেধে রাখছি.. আমিঃ আচ্ছা তোরা ওদের মুখ থেকে এটা বের কর যে মিম এখন কোথায় আছে...?? এবার তোরা যেভাবেই পারোস... আকাশঃ আচ্ছা.... আর ডক্টর বের হলে জানাস.. ভাবির কী খবর... আমিঃ আচ্ছা.... কল কেটে দিয়ে মোবাইলটা রেখে দিয়ে দাড়িয়ে শুধু আইসিইউর সামনে পায়চারী করতে লাগলাম... যে কখন ডক্টর বের হবে... আর কখন জানতে পারবো যে মিথিলা এখন ঠিক আছে... হোসেনঃ নয়ন তুই একটু শান্ত হয়ে বস... দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে...!! কিচ্ছু হবে না ভাবির... আমিঃ এই সব কিছু হয়েছে শুধু আমার জন্য... আমি যদি মিথিলাকে একলা না ছাড়তাম তাহলে আজ এতো কিছু হতো না... হোসেনঃ দোষটা তোর না দোষ টা হলো.. ওই মিমের যে তোর বউ এর এ হাল করছে... আমিঃ তার কথা এখন বাদ দে... তার কথা শুনলে... মাথায় রক্ত উঠে যাচ্ছে... এভাবে আরো প্রায় এক ঘন্টা যাবার পরে ডক্টর বের হয়ে আসলো.. আমি তারাতরি করে ডক্টরের গাছে চলে আসলাম............

@Fahim01

ভুল তবু মেনে নিতে হয়, হেরে যেতে হয় ভালোবেসে। সব কি আর কেঁদে পাওয়া যায়, কিছু কিছু ছেড়ে দিতে হয় হেঁসে।

@Fahim01

রূপ দেখে নয় কাউকে ভালোবাসতে হলে মন দেখে ভালোবাসো দেখবে একদিন ঠিক পেয়ে যাবে,!

@Fahim01

মিথিলাঃ চলো না আমরা আজকে বিয়ে করে ফেলি.. আমিঃ কিন্তু তোমার ভাই,,,, মিথিলাঃ তুমি আমাকে বিয়ে করে আমার ভাইয়ের সামনে যেতে পারবা না,,, আমিঃ কেনো পারবো না অবশ্যই পারবো... মিথিলাঃ তাহলে চলো আমরা আজকে বিয়ে করে ফেলি,,, আমিঃ হুমমম,,, চলো,,, দুজন একসাথে কোর্ড মেরেজ করতে যাবো ওমনি,,,, মিথিলার ভাইয়া আমার সামনে এসে দাড়ালো... আসিফঃ তিই আমার বোনের সাথে প্রেম করে আমার বোনের ভালোবাসার গল্প আমাকে শুনিয়েছিস,,, আমিঃ ভাই বিশ্বাস করেন আমি মিথিলাকে অনেক ভালোবাসি,,, আসিফঃ ভালোবাসো না,,,ভালোবাসা দেখাইতাছি,,, বলেই পিছন থেকে বন্দুকটা বের করে আমার মাথায় দরলো,,, আমি এক চিৎকার দিয়ে ঘুম থেকে উঠে পড়লাম। আল্লাগো আপনি আজকে আমাকে বাঁচিয়েছেন,,, আল্লাহ এ সপ্নটি যেনো সত্যি না হয়,, এমন সময় আম্মু আমার রুমে আসলো,, হয়তো আমার চিৎকার শুনে.. আম্মুঃ কীরে চিৎকার দিলি কেনো... আমিঃ আসলে আম্মু দেখতে চাইছি যে আমি কত জোরে চিৎকার করতে পারি,, এটা আরকি,,,!! আম্মুঃ পাগল ছেলে কোথাকার,, যা ফ্রেশ হয়ে আয় আমি খাবার দিচ্ছি,,, আমিঃ হুমম,, যাচ্ছি তুমি যাও,,, আম্মুঃ হুমমম,,,, আম্মু আমার রুম থেকে চলে যাওয়ার পর ভাবতে লাগলাম,, মিথিলা যদি আমাকে ভালোবেসে ফেলে তাহলে তাকে পাবো কীভাবে,, এমন সময় মাথায় একটি বুদ্ধি বসলো,, আসিফ ভাই তো ভালোবাসার গল্পে পুরাই দেওয়ানা। তারমানে নিশ্চই তার কোনো না কোনো মেয়েতো পছন্দ অবশ্যই আছে,,, তাকে যদি আসিফ ভাইয়ের সাথে মিলিয়ে দেওয়া যায়,, তাহলে পুরাই কাম হয়ে যাবে,, আবার আম্মুর ডাক আসলো নিচ থেকে,, তাই উঠে ওয়াশরুমে চলে গেলাম ফ্রেশ হওয়ার জন্য,, ফ্রেশ হওয়া শেষ করে নিচে আসলাম খাবার খাওয়ার জন্য,, খাবার খাওয়া শেষ করে চলে আসলাম। গন্তব্যে,, মানে রহিম চাচার দোকানে,,, সেখানে এসে আকাশ ফোন দিলাম,, আমিঃ আকাশ কই তুই,,, আকাশঃ কেনো.. আমি বাড়িতে আছি... আমিঃ রহিম চাচার দোকানে আয় তোর জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে,,, আকাশঃ সত্যি মামা,, বল না কী সারপ্রাইজ,,, আমিঃ তুই আগে রহিম চাচার দোকানে আয়,, তারপর দেখবি,, কী সারপ্রাইজ... আকাশঃ আচ্ছা তুই থাক আমি আসতেছি... আমিঃ হুমম,,,তারাতরি আয়,,, আকাশঃ ওকে.... আকাশের সাথে কথা বলা শেষ করে মোবাইলটা পকেটে রেখে দিলাম,, কিছুক্ষন পরে আকাশ এসে উপস্থিত, আকাশঃ বল মামা কী সারপ্রাইজ,,, আমিঃ আজকে মিথিলাকে প্রোপজ করবো ভাবছি,,, আকাশঃ তো এটাতে আমার কী লাভ,, আমিঃ ওমা কী কচ তোর নতুন ভাবিরে প্রোপজ করমু আর তুই খুশি হবি না,, আকাশঃ এটা তোর সারপ্রাইজ ছিলো.... আমিঃ এটা থেকে বড় সারপ্রাইজ আর কী হতে পারে বল,, আকাশঃ তোর সারপ্রাইজ এর গুষ্টিরে কিলাই,,, প্রচুর খিদা লাগছে,,, কিছু খাবা,,, আমিঃ তোর যা মন চায় তুই খা,,,আর ওই যে মিথিলা চলে আসছে,,, আকাশঃ হুমম,,তুই যা,,, আমি তারাতারি করে মিথিলার সামনে গিয়ে দাড়ালাম,,, আমিঃ হাই কেমন আছেন..?? মিথিলাঃ ভালো,,, আপনি কেমন আছেন...?? আমিঃ ভালো...!! আপনার সাথে কিছু কথা আছে...?? মিথিলাঃ কথা তো বলতেই আছেন,,, আমিঃ না আসলে একটু ইম্পর্ট্যান্ট কথা আছে,,, মিথিলাঃ হুমমম,,, বলেন,,, আমিঃ আসলে আমি আপনাকে প্রথম যেদিন দেখছি,, সেধিনই আমি আপনাকে ভালোবেসে ফেলেছি,,, মিথিলাঃ ওয়েট ওয়েট,, আপনি আমাকে কখন দেখলেন,, আমার তো দুটো চোখ ছাড়া কিছুই দেখা যায়,, না,,, আমিঃ হুমম,, আপনার চোখ দেখেই আপনাকে ভালোবেসে ফেলছি,,, মিথিলাঃ কী,, কেউ কারো চোখ দেখে কাউকে ভালোবাসে,,, আমিঃ হুমমম,,, বাসতো,,,,এই যে আমি আপনাকে ভালোবেসে ফেলেছি শুধু আপনার এই মায়া ভরা চোখ দুটো দেখে,,, মিথিলাঃ তো এখন আমি কী করবো... আমিঃ আমার বুকের বাম পাশটায় এখনো একটু জায়গা খালি রয়েছে.. তো সেই জায়গাটা পুরন করতে আপনাকে দরকার,,, মিথিলাঃ আপনি তো দেখছি অনেক রোমান্টিক কা বলতে পারেন,,, আমিঃ এগুলো আপনাকে দেখার পর থেকেই শিখেছি,, মিথিলাঃ আচ্ছা কালকে আমার ভাইয়া আমার সাথে আমার মাদ্রাসায় আসবে,,তার সামনে যদি আমাকে ফুল দিয়ে প্রোপজ করতে পারেন তাহলে আপাকে এক্স ফেট করবো... আমিঃ সত্যি তো... মিথিলাঃ সত্যি... আমিঃ তাহলে আপনার মোবাইল নম্বরটা দিয়ে যান...!! মিথিলাঃ হুমম,,, সেটা দেওয়া যায়,, উঠান,, আমিঃ হুমমম,,, মিথিলাঃ 0194******5.... আমিঃ থ্যাংস,,, মিথিলাঃ ওয়েলকাম,,, এবার আমি যেতে পারি.... আমিঃ অবশ্যই.... মিথিলা তার মাদ্রাসার দিকে হাটা ধরলো... আর আমি তো আনন্দে পুরাই নাস্তা নাবুদ হয়ে গেলাম,,, আমি এক দৌরে রহিম চাচার দোকানের সামনে চলে আসলাম,, আমিঃ মামা কাম হয়ে গেছে... আকাশঃ মিথিলা রাজি হয়ে গেছে.... আমিঃ না এখনো পুরাপুরি হয়ে নি.. তবে যদি তার ভাইয়ার সামনে তাকে প্রোপজ করতে পারি তাহলে সে রাজি হয়ে যাবে.... আকাশঃ তুই কি পাগল হয়ে হেলি নাকি.. নিজের মৃত্যু নিজেই ডেকে আনছিস,,, আমিঃ কেনো তুই আমার সাথে আছোস না,,, আকাশঃ কে.. ভাই আমি পারুম না,,,, আমিঃ আচ্ছা তাহলে আমি মিমকে ফোন দিচ্ছি.... আকাশঃ এই বেটা তুই কথায় কথায়,, মিমকে টানোচ কেনো...?? আমিঃ আচ্ছা আর টানবো না,, তুই শুধু কালকে আমার সাথে থাকবি.. আকাশঃ আচ্ছা থাকবো.. তবুও মিমকে কান পড়া কিছুই দিস না,, আমিঃ আচ্ছা দিবো না,,,, আমি আর আকাশ আরো কিছুক্ষন আড্ডা দিয়ে যে যার মতো বাসায় চলে আসলাম। বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে রুমে চলে আসলাম। আজকে আর বিকেলে রহিম চাচার দোকানে যাবো না,,, কালকে মিথিলাকে তার ভাইয়ের সামনে কীভাবে প্রোপজ করবো.. এটা নিয়ে ভাবতে হবে.... আজকে সারাটাদিন এই একটা কথা ভাবতে ভাবতে দিনটা কেটে গেলো.. রাতে ঘুমানোর আগে মিথিলাকে অনেক বার ফোন করছি বাট শুধু কেটে দিচ্ছে মনে হচ্ছে তার ভাই বা কেউ তার পাশে আছে তাই হয়তো.... তাই আজকের মতো ঘুমিয়ে পড়লাম। সকালে উঠে খাবার খেয়ে রহিম চাচার দোকানের দিকে রওনা দিলাম,, আজকে সাথে বাইক নিয়ে বের হলাম,, রহিম চাচার দোকানে আমি আর আকাশ দুজনে বসে ভাবতেছি কীভাবে মিথিলাকে প্রোপজ করা যায়,, হঠাৎ করে মাথায় একটা বুদ্ধি এলো.. সামনের থেকে এক গোছা ফুল হাতে নিলাম,, ফুল হাতে নিয়ে চাচার দোকানে বসে অপেক্ষা করছি কখন মিথিলা আসবো.. কিছুক্ষন পর মিথিলা আর তার ভাইয়ের দেখা মিললো.. আকাশঃ মামা সাবধানে যা,, আমিঃ দোয়া করিস,, বলেই সোজা মিথিলা আর তার ভাইয়ের সামনে চলে আসলাম... চলবে...... ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার চোখে দেখবেন...

@Fahim01

*অল্প পরিচয়ে🔥😪 -পছন্দ+ভালোবাসা+বিশ্বাস❤☺ =পুষ্টিকর বাঁশ😂🐸

@Fahim01

Love ta sudhu khalur jonno delam,sotti uni khub valo gan gay❤️ ar tui gan gaily to kutta panit name😂😂

@Fahim01

১.তুমি সুন্দর করে কথা বলো 😍 ২.তোমার পোষ্টগুলো ভাল্লাগে 😴 ৩.তোমার হাসিটা সুন্দর 😘 ৪.তোমার ভয়েসটা খুব কিউট 😌 ৫.তুমি সবাইকে হাসাতে পারো ❤ ৬.তোমার চুলগুলো আমার ভাল্লাগে 😳 ৭.তোমার ছবিগুলো খুব সুন্দর হয় 👀 ৮.তোমাকে দেখলেই আমার হার্টবিট বেড়ে যায় 🙈 ৯.I wish যদি তোমার সাথে প্রেম করতে পারতাম 🙆 ১০.তোমাকে একদমই ভাল্লাগে না 😝

@Fahim01

Good Night My All Friends???????

@Fahim01

Nice pic _😊কোনো এক জোছনা রাতে খোলা আকাশে চাঁদ দেখতে গিয়ে যদি মনে হয় পরিপূর্ণ চাঁদটা আজ অসম্পূর্ণ ☺ 😞_তাহলে ধরে নিও প্রিয় তুমি ছাড়া আমার অস্তিত্ব ওই বেকে থাকা চাঁদ এর মতো😥

@Fahim01

জীবন আর কিছু জানি আর না জানি,,অভিনয় গুলো ধরতে জানি না। মানুষ খুব সুন্দর অভিনয় করতে পারে

@Fahim01

Good Night Bay All Friends

@Fahim01

সাহিত্যের কাব্যে ডুবে থাকে মন😇 কেউ তা বুঝে না ভাবে পাগল আমি সারাক্ষণ 🙄

@Fahim01

গল্প সবারই আছে কারোটা ইতিহাস,, কারোটা দীর্ঘশ্বাস!!!

@Fahim01

_যাকে দেখলে বুক ধরফর করে সেই প্রকৃত ভালোবাসা-😍তবে কুত্তা _দেখলে অন্য কথা🤣🤣🤣

@Fahim01

অবাধ্য এই শহরের বুকে যদি ভালোবাসা নেমে আসে চুপ করে,, তবে হাটবো আমি তোমার বিছিয়ে রাখা কাঠগোলাপের পথ ধরে!

@Fahim01

প্রেমে পড়লে তুমি সাহিত্য লিখতে শিখবে, বিচ্ছেদ হলে তুমি সাহিত্য বুঝতে শিখবে।🥀

@Fahim01

কচুপাতা দেখেছেন নিশ্চয়ই। উপরটা সবুজ, ভেতরটা চুলকানিতে ভরা।তেমন কিছু মানুষ আছে উপরে মানুষের মতো দেখলেও ভেতরটা আবর্জনায় ভরা😇। আল্লাহ সে সকল মানুষদের হেদায়েত দান করুক। আমিন ❤।

@Fahim01

My All Friends Good Night...