read.cash Log in
@Adnan334 more from that month

বিকাশ প্রতারণা ও খুন (সিআইডি গল্প) [পর্ব-৩] শেষ পর্ব

আগের পর্বের লিংক 👇 👇 **https**://read.cash/@Adnan334/bikas-prtarna-oo-khunsiaidi-glpprw-1-fe2947ce https://read.cash/@Adnan334/bikas-prtarna-oo-khunsiaidi-glp-prw-2-47af5fb7 অভিজিৎ এর মোবাইলটা বেজে উঠল। অভিজিৎ:(দয়ার দিকে তাকিয়ে) ডাক্তার সালুন্কের ফোন! অভিজিৎ: হা, ডাক্তার সালুকে লাশ থেকে কিছু পেলেন? সালুন্কে: হা অভিজিৎ, লোকটার মৃত্যু ৭/৮ ঘন্টা আগে হয়েছে। আর লোকটাকে বিষ খাইয়ে খুন করা হয়েছে। অভিজিৎ: ডাক্তার, কি ধরনের বিষ দিয়ে খুন করা হয়েছে সেটা কী বলতে পারবেন? সালুন্কে: হা, অভিজিৎ;লোকটার মৃত্যু ডেট্রামেট্রা নামক বিষের কারণে হয়েছে। বিষটা এদেশে পাওয়া যায় না। বিষটা আফ্রিকার কোনো গাছ থেকে তৈরি। অভিজিৎ: বিষটা তাহলে এখানে এলো কি করে? আর লোকটার পেটে বিষটা কিভাবে পৌঁছালো? সালুন্কে: অভিজিৎ, লোকটাকে কোনো পানীয়র সাহায্যে বিষটা খাওয়ানো হয়েছে। যেমন ধর, সরবত,দুধ এসব। আমি লোকটার পেট চেক করে দেখেছি পেটে ল্যাকটিক এসিডও পাওয়া গেছে। অভিজিৎ: তাঁর মানে হলো সালুন্কে স্যার, লোকটিকে দুধের সাহায্যে বিষ খাওয়ানো হয়েছে? সালুন্কে: হা অভিজিৎ। অভিজিৎ: ধন্যবাদ ডাক্তার সালুন্কে, আপনি তো আমাদের কেসটা একদম সহজ করে দিয়েছেন। সারিকা ম্যাডাম আছে ওখানে। সালুন্কে: হা আছে। (রাগান্বিত হয়ে) কথা বলবে , নাও কথা বলো। অভিজিৎ: না মানে স্যার, না না স্যার । এমনি- মানে এমনি জিজ্ঞেস করলাম আর কি । আচ্ছা তাহলে রাখি। ( অভিজিৎ ফোনটা কেটে দিলো) অভিজিৎ: দয়া, আমাদের এখন সবগুলো ঘর ভালো করে সার্চ করতে হবে। বিষটা কোথায় আছে দেখতে হবে। (সবার দিকে তাকিয়ে) আপনারা এখানেই থাকুন। (এদিকে ফ্রেডি এবং বিবেক পাবনাতে মনিষের বাড়িতে চলে গেছে) বিবেক: ফ্রেডি স্যার, ঠিকানা অনুযায়ী বাড়িতে এটাই মনে হচ্ছে। ফ্রেডি:চলো জিজ্ঞেস করি। বিবেক: বাড়িতে কি কেউ আছেন। (মনিষের বউ বেরিয়ে এসে বলল-) মনিষের বউ: আপনারা কারা ? এখানে কি চান? ফ্রেডি: আমরা সিআইডি থেকে এসেছি। এটা কি মনিষের বাড়ি। মনিষের বউ: আজ্ঞে, হা এটাই মনিষের বাড়ি। আমি তার স্ত্রী। বিবেক: আচ্ছা মনিষ কি বাড়িতে আছে? মনিষের বউ: না, বাহিরের বাগানে বসে আছে। বিবেক: ধন্যবাদ আপনাকে। মনিষের বউ: কিন্তু আপনারা মনিষকে কেনো খুঁজছেন। ফ্রেডি: কারণ ছাড়া সিআইডি কখনো কাঊকে খুঁজে না।...বিবেক চল দ্রুত বাগানে গিয়ে দেখি। (মনিষ বাগানে বসে কারো মোবাইলে সাথে কথা বলছে) মনিষ: স্যার, বিকাশ কল সেন্টার থেকে বলছি। ... মনিষ: স্যার, আপনার একাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ...... বিবেক: ফ্রেডি স্যার, ঐ দেখুন মনিষ কারো বিকাশ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার চেষ্টা করছে। ফ্রেডি: বিবেক, ধর ওরে। পালাতে যেন না পারে। (ফ্রেডি এবং বিবেক মনিষকে ধরে ভিউরোতে নিয়ে যায়) ( এদিকে দয়া এবং অভিজিৎ ঘরগুলো সার্চ করছে। দয়া খুঁজতে খুঁজতে দেখল টেবিলে বিষের শিশি।) দয়া: অভিজিৎ; অভিজিৎ: হা দয়া, কিছু পেলে? দয়া: হাঁ, এই দেখ বিষের শিশি। (আপনারা ভিতরে আসুন) দয়া: এই রুমটা কার? মনুকাকা: এটা তো ছোট বাবুর রুম। দয়া: হা ছোট বাবু, বিষের কৌটো এখানে এলো কি করে? অনিকের ভাই: জানিনা স্যার, বিষটা কোথা থেকে এলো। অভিজিৎ: তোর ঘরে বিষের কৌটা কি করছে তুই জানিস না? ...দয়া ওরে ভিউরোতে নিয়ে চলো। ....(অনিকের ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে) দয়ার হাতের মিষ্টি খেলে এমনিতেই সব বলে দিবি। (দয়া এবং বিবেক অনিকের ভাইকে ভিউরোতে নিয়ে যায়) ভিউরোতে ডাক্তার সালুন্কের ফোন দয়া ফোনটা রিসিভ করল- দয়া: হা সালুন্কে স্যার, বিষের কৌটো থেকে কারো কি ফিঙ্গারপ্রিন্ট পেলেন? সালুন্কে: হা দয়া, অনিকের ভাইয়ের আঙুলের ছাপ ম্যাচ করেছে। দয়া: ধন্যবাদ ডাক্তার। দয়া:(অনিকের ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে) কি ছোট বাবু, আঙুলের ছাপ তো ম্যাচ করে গেল । এখন কি বলবেন? অনিকের ভাই: স্যার, আমি কিছু জানিনা। অভিজিৎ: দয়া, ও এমনি কিছু বলবে না । ওরে তোমার হাতের মিষ্টি খাওয়ালে ফট ফট করে সব বলে দিবে। ( দয়া থাপ্পড় খেয়ে অনিকের ভাই সব কিছু স্বীকার করে) অনিকের ভাই: হা, আমিই আমার ভাই আনিককে খুন করেছি। সেদিন যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ল তখন আমি দুধে বিষ মিশিয়ে খাইয়ে দিয়েছি।যাতে সবার মনে হয় যে এটা আত্মহত্যা। কিন্তু আপনারা আমাকে ধরেই ফেললেন। অভিজিৎ: সিআইডি সব কিছু এভাবেই খুঁজে নেয়। কোনো অপরাধী সিআইডিকে ফাঁকি দিতে পারে না। ...ও তো তোর ভাই ছিলো। তবে তুই ওকে খুন করলি কেনো? অনিকের ভাই: আমি গোপনে আফ্রিকা থেকে ড্রাগ এনে এখানে বিক্রি করতাম। দাদা সেটা জেনে যায়। আর পুলিশে দেওয়ার হুমকিও দেয়। তাই আমি সুযোগ বুঝে দাদার দুধে বিষ মিশিয়ে দিয়েছি। দয়া: আচ্ছা,একটা কথা বলত ,তুই ডেট্রামেট্রা বিষয়টি কোথায় পেয়েছিস? অনিকের ভাই: আমি আফ্রিকা থেকে ড্রাগ আনার সময় বিষটাও কিনে এনেছিলাম। অভিজিৎ: আর সেই বিষ দিয়ে তুই নিজেই নিজের দাদাকে খুন করলি!...এবার জেলে বসে অপেক্ষা কর। ফাঁসিতে তোর হবেই হবে। সমাপ্ত (বিকাশ কখনো কারো পিন বা ভেরিফিকেশন কোড জানতে চাইবে না। তাই কাউকে পিন এবং ভেরিফিকেশন কোড দিয়ে প্রতারিত হবেন না।)

4 comments

Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.