রবের কাছে অভিযোগ
"মাঝরাতে দীর্ঘশ্বাস ফেলে" ফুঁপিয়ে কান্না করা মানুষ গুলো যদি। আপনার দেওয়া কষ্ট গুলোর কথা স্বরণ করে 'কাঁদতে' থাকে। আর অসহায় হয়ে- মহান আল্লাহ তা'আলার নিকট অভিযোগ করতে থাকে। (তাহলে আপনি বুঝে নিবেন) সে দুনিয়ার কোন বিচারকের কাছে অভিযোগ করেনি। সে এমন এক বিচারকের কাছে অভিযোগ করেছে। যিনি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক। যিনি কোন কিছু ভুলে যান না। যিনি শাস্তি প্রদানে কঠোর। "আর তোমার রব ভুলে যান না"। [১] "আর নূহ তার রবকে ডাকল এবং বলল 'হে আমার রব' নিশ্চয় আমার সন্তান আমার পরিবারভুক্ত এবং আপনার ওয়াদা নিশ্চয় সত্য। আর আপনি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক’। [২] "নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তি প্রদানে কঠোর। [৩] আপনার দৃষ্টিতে হতে পারে! যাদের কে আপনি কষ্ট দিচ্ছেন। "ঐ সমস্ত লোকেরা কষ্ট পেয়ে" যে দুই হাত রবের দরবারে তুলেছে। ঐ দুই হাতে কেবল রক্ত শিরা আর হাড় আছে। (কিন্তু আপনি ভুলে গেছেন) তাদের দুই হাতে কেবল রক্ত শিরা আর হাড় না। বরং তাদের হাতে রক্ত শিরা আর হাড়ের সাথে 'দুয়া সংযুক্ত রয়েছে'। আর সব মিলেয়ে যখন রবের নিকট দোয়া করা হয়। তখন ঐ রক্ত শিরা আর হাড় এবং দোয়া সংযুক্ত হাত গুলো। অনেক শক্তিশালী হয়ে যায়। "হতে পারে তাদের হাতের মাঝে রক্ত শিরা আর হাড় আছে। কিন্তু এর সাথে যখন দোয়া সংযুক্ত হয়। এটি খুবি শক্তিশালী হয়ে যায়"। [৪] (আল্লাহর কসম) আপনি 'রবের বিচার' কে ভয় করুন। (আল্লাহর কসম) আপনি 'রবের বিচার' কে ভয় করুন। যেদিন তিনি (আল্লাহ) নিখুঁত থেকে নিখুঁত, প্রতিটি কর্মের হিসাব নিবেন। যেদিন তিনি (আল্লাহ) তোমার সামনে প্রকাশ করবেন। তোমার কষ্ট পাওয়া মানুষ গুলোর- প্রতিটি অভিযোগ। অতপর "হে মাঝরাতে দীর্ঘশ্বাস ফেলে" ফুঁপিয়ে কান্না করা মানুষ গুলো। হতাশা হয়ে যেওনা। তিনি আল্লাহ জানেন! তারা যা বলে তোমাকে কষ্ট দেয়। তিনি আল্লাহ জানেন! (তোমার রবের নিকট) কেমন বিচার ফেলে- তোমার হৃদয় সন্তুষ্ট হবে। "আমি অবশ্যই জানি যে, তারা যা বলে তা তোমাকে দুঃখ দেয়।" [৫] ---- উমর ইবনে জর্জ ---- রেফারেন্স সমূহ ---- [১] (মারইয়াম/৬৪) [২] (হুদ/৪৫) [৩] (হাশর/৭) [৪] (শাইখ আহমেদ মুসা জিবরিল) [৫] (আন'আম/৩৩)
No comments yet