read.cash Log in
@faruk420

ভালোবাসার শেষ পরিনতি (পর্ব২)

গল্প-ভালোবাসার শেষ পরিনিতি💔 #পার্ট-২য় কে জানতো এই কয়েক বছর পর ই আমার জিবন ধ্বংস করে দিবে জিবন টাকে মরিচীকা বানিয়ে দিবে, জিবন নামের রেল গাড়ি টা কিছুক্ষণ এর জন্য থেমে গেলো মনে হচ্ছিলো আমার বেঁচে থাকা টা মূল্যহীন.... কোনো রকমে বাসায় ফিরে আসলাম ডাক্তারের চেম্বার থেকে,এসেই ঢপ করে মেজেতে বসে পরলাম মাথা ঘুরছিলো কি জবাব দিবো সবার সামনে কি বলবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আমার স্বামী নাবিল খুবই শান্ত প্রকৃতির একজন মানুষ তবে রাগ টা বেশি, বরাবর এর মতই নাবিল অফিস থেকে ফিরে আসলো আমাকে ডাকতে লাগলো,অফিস থেকে এসে আমাকে ডাকা তার প্রথম কাজ। আমি নিশ্চুপ হয়ে ছিলাম মনে হচ্ছিলো আমি বরাবর এর জন্য বোবা হয়ে গিয়েছি সবার কথা শুনছি তবে মুখ ফুঁটে বলতে পারছি না।অফুরন্ত কন্ঠে কোনো রকম বললাম নাবিল আমি আর মা হতে পারবো না! নাবিল ভেবেছিলো আমি মজা করেছি পরোক্ষনেই যখন আমি কান্না ভেঙে পড়লাম খুব চিৎকার করে কান্না করতে লাগলাম নাবিল কে জরিয়ে ধরে হাউমাউ করে কান্না করেই যাচ্ছিলাম কান্না জেনো থামছেই না! মনে হচ্ছে আমার স্পন্দন থেমে গিয়েছে।এক পর্যায়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি নিজেকে আবিষ্কার করলাম হসপিটালের বেডে চোখ খুলতেই নাবিল কে দেখতে পেলাম ওর মুখে তখন আমি হতাশা আভা ছাড়া কিছুই দেখতে পেলাম না ততক্ষণে আমার শ্বাশুড়ি এবং শ্বশুর সব জেনে গিয়েছে তারা গ্রামে বাড়িতে থাকতো আমি আর নাবিল জবের সুবাদে ঢাকাতেই থাকতাম। আমার শ্বাশুড়ি এসেই এলাহি কান্ড বাজিয়ে দিলো ছেলেকে বলতে শুরু করলো তরে আমি আগেই কইলাম মাইয়া মানুষের কথায় কান দিস না বুঝ এবার মজা আমি আমার ছাওয়াল রে বান্ধা থাকবার দিমু না আমার ও তো ইচ্ছা আছে পুত্ররার মুখ দেখবার..... মা এটা হসপিটাল কি শুরু করলে তুমি (নাবিল) তুর বেশি বুঝবার কারনে আইজকা আমরার পুত্ররার মুখ দেখবার ফারুম না এই অপয়া মাইয়ারে আমি আর আমার বাড়িত তুলবার চাই না(শ্বাশুড়ি)....... চলবে....... (শ্বশুর-শ্বাশুড়ি গ্রামের তাই গল্পে কিছু গ্রামের ভাষা ব্যবহার করার চেষ্টা করবো😇) (ভুলক্রুটি ক্ষমা করবেন)

No comments yet

Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.