Nisarto valobasa
গল্পটা লেখক, সাফওয়ান 💝💝💝💝নিঃস্বার্থ ভালোবাসা💝💝💝💝 পার্টঃ-খ একটি ছেলে খুবই সাদাসিদে ছিল।👦👦 সে একটি দোকানে চাকুরি করতো ছেলেটির বেতন ছিল মাত্র পাচহাজার টাকা।😔😔 ছেলেটির দোকানের সামনে দিয়ে প্রতিদিন একটি মেয়ে স্কুলে যেত।👸👸 মেয়েটি ছিল পর্দাশীল। যদিও তার মুখটি প্রায়ই খোলা থাকতো। 👸👸 একদিন হঠাৎ ছেলেটির নজর পড়লো মেয়েটির দিকে।এভাবে বেশ কদিন যাবার পর একদিন মেয়েটি বুঝতে পারলো ছেলেটি তাকে লক্ষ করে । 🤓🤓 মেয়েটিও বাকা চোখে ছেলেটিকে দেখতে শুরু করলো। 🙄🙄 ছেলেটি মেয়েটির চলাফেরা দেখে মুগ্ধ হয়ে আফসোস করতে লাগলো ।😴😴 ইস যদি আমিও আজ পড়াশুনা করতে পারতাম। তাহলে সাহস করে মেয়েটির সাথে কথা বলতে পারতাম ।😴😴 মেয়েটিও বুঝতে পারলো ছেলেটি তাকে বিষন পছন্দ করে ।😌😌 তাই একদিন মেয়েটি ছেলেটির দোকানের পাশে দাড়িয়ে রইলো।👸👸 তখন দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য ছেলেটি বাহির হলো ।🚶🚶 সে একটি চায়ের দোকানে গিয়ে পাচ টাকার একটি রুটি খেয়ে পানি পান করে আসতে লাগলো। 🚶🚶 তখন মেয়েটি তার কাছে গেলো।👸👸 বললো তুমি ভাত খেলেনা। রুটি দিয়ে কি পেট ভরবে ।🙄🙄 তখন ছেলেটি মেয়েটিকে দেখে অবাক হয়ে গেলো।🙄🙄 ছেলেটি বললো আমি ভাত খেলে আমার মা,আর ছোট বোনকে কি খাওয়াবো ।🥺🥺 মেয়েটি শিক্ষিত তাই অল্পতেই বুঝে গেলো। সে ছেলেটির হাত ধরে বলতে লাগলো তাহলে তুমি যে আমাকে পছন্দ করো। তাহলে আমাকে কি খাওয়াবে ।🤔🤔 তখন ছেলেটি বললো আমিতো তোমাকে আপন করে পাওয়ার জন্য দেখিনা । কারন সে যোগ্যতা আমার নেই ।😔😔 তবে এটা সত্য যে তোমায় দেখলে আমার খুব ভালো লাগে।😌😔 তাই দেখি ।🥺🥺 মেয়েটি ছেলেটির কথা শুনে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলোনা ।😥😥 সে বুঝে গেলো ছিলেটির চরিত্র, এমনকি ভাবনাও সুন্দর।💮💮 সেদিন মেয়েটি চলে গেলো। বাসায় গিয়ে রাত্রিবেলা মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরেরদিন তাকে ডাক্তার দেখানো হলো।বলা হলো তার দুটো কিডনিই নষ্ট। 🙄🙄 তখন মেয়ের বাবা ফোন করে তার বন্ধুর ছেলেকে।📱📲 যার সাথে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য সে পাগল।👳👸 কিন্তুু মেয়েটি বাবার পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করতে রাজি নয়। 😔😔 কারন ছেলেটির টাকা থাকলে কি হবে তার চরিত্র খারাপ। সে ছিল নারী লোভী ।😡😡 এদিকে মেয়েটির কোন লোভ ছিলনা। যাহোক হবু জামাই আসার পর তাকে সব বলা হলো। এখন কোথাও কিডনিও মিলছেনা। তখন মেয়ের বাবা তাকে বললো তোমার থেকে একটা কিডনি আমার মেয়েটিকে দাও ।🙄🙄 তুমিতো বলেছো আমার মেয়েকে তুমি অনেক ভালবাসো । 😍😍 তাকে পেলে তুমি ভাল হয়ে যাবে। 👦👦 তাহলে আজ পরিক্ষা দাও।🤔🤔 তখন ছেলেটি বললো, আমি আপনার রোগা মেয়েকে বিয়ে করবো কেন ।🤗🤗 আমার কি সুস্থ মেয়ের অভাব নাকি । এ বলে সে চলে গেলো। 🏃🏃 বাবা তখন কেদেঁ কেদেঁ মেয়ের কাছে গিয়ে সব খুলে বললো।😥😥 মেয়ে বলে বাবা তুমি কেদঁনা । একটা পথ এখনও আছে।তুমি এক কাজ করো। আমাদের সামনের মোড়ে একটা বড় গ্যারেজ আছেনা। তুমি সেখানে যাও। যেয়ে তাইয়্যেব নামে একটা ছেলে আছে তাকে নিয়ে আসো।🚶🚶 আমার কথা বলো । তখন বাবা ছেলেটিকে নিয়ে আসলো। 🚶🚶 মেয়েটিকে দেখে ছেলেটির চোখ বেয়ে পানি পড়তে লাগলো।😥😥 কারন মেয়ের বাবা তাকে সব খুলে বলেছে। তখন ছেলেটিকে মেয়েটি বললো। তুমি আমাকে একটা কিডনি দিবে?🙄🙄 ছেলেটি বললো কিডনি দেবার জন্যই আমি এসেছি।😪😪 মেয়েটি তাকে বললো তুমি কি চাও । 🤔🤔ছেলেটি বললো তুমি সুস্থ হয়ে আমার দোকানের সামনে দিয়ে স্কুলে যাবে। আর আমি শুধু তোমাকে দুর থেকে তাকিয়ে দেখবো।🥺🥺 এই অনুমতি টুকুই চাই । 🥺🥺 এ কথা শুনে মেয়ে,এবং বাবা দুজনই চোখের পানি ধরে রাখতে পারলোনা । 😢😢 অবশেষে মেয়েটি বিছানা থেকে উঠে ছেলেটির দু পায়ে জরিয়ে ধরে বললো।😭😭 এ জীবনে তোমার থেকে আমাকে একমাত্র মৃত্যুই আলাদা করতে পারবে।😥😥 আর কেহ পারবেনা। 🤧🤧 তারপর মেয়েটি বললো আমার কোন কিডনি নষ্ট হয়নি।😇😇 এ সব ছিল আমার সাজানো নাটক। 😇😇আমি যা ভেবেছিলাম তাই হয়েছে। তোমাকে দেখে..😇😇 I LOVE YOU.. 😍😍😍😍 নিঃস্বার্থ ভালোবাসা এমনই হয়... (কেমন লেগেছে অবশ্যই জানাবেন )
No comments yet