হবু বউয়ের প্যারা৫
#গল্পঃ_হবু_বউ_এর_প্যারা #পর্বঃ_৫ #লেখকঃ_রোহান আম্মুর সাথে কথা বলে রুমে এসে ফ্রেস হলাম,তারপর শুয়ে শুয়ে গল্প পড়তেছি তখনই ম্যাম এর ফোন।। আমিঃ আস্সালামুআলাইকুম ম্যাম,,, ম্যামঃ কি করিস তুই, আমিঃ সরি ঠিক বুঝলাম না,, ম্যামঃ তোক না বুঝলেও হবে,তবে অফিসে গিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার চিন্তা একবারও বলবি না,,আর হা এবার যদি এমন করিস তাহলে চাকরিটা যাবে তোর,,, আমিঃ ম্যাম আমি অসুস্থ।।। ম্যামঃ তুই অসুস্থ না ভালো তা দেখার বিষয় নই আমার,আর কাল অফিসে আসার সময় কাজ গুলো করে আনবি, (অনেকক্ষণ থেকে শজ্জ করলাম আর না) আমিঃ আপনে মায়ের জাতি তাই এতক্ষন সম্মান দিয়ে কথা বলছি,কিন্তু আপনে সম্মান পাওয়ার যোগ্য না, ম্যামঃ তোর সাহষ কম না তো,আমার মুখের উপর কথা বলিস,,, আমিঃ এতক্ষণ অনেক বলছিস এবার আমি বলব তুই শুনবি,কি বললি তুই আমার চাকরি খাবি তাই না,,আরে তোর চাকরি আজ থেকে আমি ছেড়ে দিলাম,নিকুচি করছি তোর চাকরি, বলেই ফোন কেঁটে দিলাম, (অনেক শজ্জ করছি আর না,আমি ইচ্ছে করলে আরো ভালো কোম্পানিতে জব করতে পারবো,কিন্তু বসের সাথে অনেক ভালো সম্পর্ক তাই ছেড়ে যাইনা,কিন্তু আর না,,,,) আমার কথা শুনে আম্মু রুমে আসলো,এসে আম্মুঃ কি হয়ছে রে, আমিঃ কিছু না,তুমি যাও তো,,আর হা রাতে খাবো না,,,, আম্মুঃ তুই অসুস্থ রাতে না খেলে ঔষুধ খাবি কেমন করে,, আমিঃ তুমি যাবে এখান থেকে,না আমি চলে যাবো।।। বলতেই আম্মু রোম থেকে বের হলো,,, চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছি,আর ভাবতেছি কয়েকদিন কোথাও চলে যাবো সবাইকে নিয়ে,থাকবো না আর এখানে,কিন্তু যাবো কোথাই,,এসব ভাবতেই ফোনে মেছেজ এর শব্দ বেজে উঠে,,,, মেছেজটি ছিলো এমন,, আপনে যতই বিজি থাকেন না কেনও,এখনই ফোন দেন আমায়,খুব বিপদে পরছি,আমি হলাম সেই মেয়েটি,, সেই মেয়েটি বলতেই বুঝে গেছি এটা হলো আমাকে যে মেয়েটি হসপিটালে নিয়ে গেছিলো,,, তাই ফোন দিলাম।।।।।। আমিঃ জ্বি বলুন,, মেয়েটিঃ কাল কি ফ্রি আছেন,, আমিঃ কেনও,, মেয়েটিঃ অনেক বিপদে পরছি,তাই সাহায্য লাগতো,আর আমার ছেলে কোন বন্ধু নেই তাই আপনেকই ফোন দিলাম,,, আমিঃ আচ্ছা বলেন কি সাহায্য করতে পারি,, মেয়েটিঃ ফোনে বলা যাবে না,যদি কষ্ট করে দেখা করেন,,,, আমিঃ আচ্ছা কাল ১১ টাই (.......) এখানে থাকবো,আপনে আসেন,,, মেয়েটিঃ আপনের অফিস টাইম আমাকে দিবেন,,, আমিঃ চাকরিটা ছেড়ে দিছি,,আর এখন বাই,,,,, বলেই ফোন কেটে দিলাম,, রাতে তারাতারি ঘুমে গেলাম,সকালে উঠে বের হয়ে চলে গেলাম মেয়েটির সাথে দেখা করতে,,একটু আগেই বের হয়ছি,কারণ অনেকদিন ঘুড়াঘুড়ি করা হয়নি তাই,,,, বসে আছি এমন সময় একটি মেয়ে আমার পাশে এসে বললো,দেখে মনে হচ্ছে ১১ এ পড়ে বা ১২ এ,,, আমিঃ কে আপনে,,,, মেয়েটিঃ আমিই সেই মেয়ে।।। আমিঃ ও সরি সরি,,আমি চিনতে পারিনি,,, মেয়েটিঃ সমস্যা নেই,,তবে আমি কিছু খাইনি চলেন কোথাই গিয়ে বসি,,, আমিঃ এখানে কি ভালো লাগছে না,, মেয়েটিঃ কোনো রেস্টুরেন্ট এ যাবো চলেন,অনেক খুদা লাগছে,, আমিঃ আচ্ছা চলেন,,, বলেই চলে গেলাম রেস্টুরেন্ট এ,,গিয়ে খাবার খেতেই আমার অফিসের ম্যামকে দেখি ভিতরে আসতে,,আসুক তাতে আমার কি,আমি ভয় পাই নাকি,,,, ম্যামঃ বাহ্ ভালো তো,,আজ অফিস নেই বলে চলে আসছেন Gf কে নিয়ে খাইতে,,, আমিঃ মানে,,, ম্যামঃ এখন তো বুঝবেনই না,,যাই হোক কাল অফিসে আসবেন,,,আর হা এই মেয়ে Bf কে একটু একা থাকতে দেওয়া যাই না,, (একথা শুনে অনেক রাগ উঠলো) আমিঃ তোর সমস্যা কি হা,,আমি যাক নিয়ে ঘুড়তে আসি তোর কোন সমস্যা,,আর হা এটি আমার Gf না,এটি হলো আমার ছোট বোনের মতো একটি বোন,,আর তোর মতো না এই মেয়ে বুঝছিস,,আমি অসুস্থ ছিলাম এই মেয়েই আমাকে হসপিটালে নিয়ে গেছিলো,দিনের মধ্যে ১০০ বার ফোন দিয়ে শুনছে কেমন আছি,আন তুই অফিসে ঠিক মতো কাজ করতে পারিনি একদিন তাই আমার চাকরি খাইতে চাইছিস,, ম্যামঃ অনেক বলছো এবার থামো(কাঁন্না শুরে) আমিঃ রাখ তো ন্যাকা কাঁন্না, তোর মুখ আর কোনদিন দেখাবি না আমাকে, বলেই চলে আসি আমি আর আফিফা (হুম মেয়েটির নাম আফিফা) আফিফাঃ কিছু মনে না করলে একটি কথা বলবো,, আমিঃ জ্বি বলেন,, আফিফাঃ মেয়েটি কে ছিলো,, আমিঃ আমার অফিসের বসের মেয়ে।।। আফিফাঃ এমন ব্যবহার করলেন কেনও,,, আমিঃ অনেক কথা,,তা আপনের সমস্যার কথা বলেন,, আফিফাঃ আচ্ছা বলতেছি চলেন,,, আমিঃ আচ্ছা।।।। তারপর বসে বসে তার কথাগুলো শুনলাম,,, আল্লাহ যা করে ভালোর জন্যই করে, পাঠক পাঠিকেরা আপনেরা আবার ভাবছেন কি হলো,তাহলে নিচে পড়তেই থাকেন,,, আফিফাঃ আমার আব্বু একজন বিজনেন্স ম্যান,কিন্তু আব্বুর কয়েকদিন আগে স্টোক হয়,,তাই সমস্ত কাজ এখন আমাকেই করতে হচ্ছে,আর হা আমার কোন ভাই নেই,কিন্তু একটি বোন আছে, আমিঃ আমি কি করবো, আফিফাঃ আপনেক একটি অফার করতে চাচ্ছি,, আমিঃ কি!!! আফিফাঃ আপনে আমাদের অফিসে জব করবেন,,,আসলে আমার বয়স কম,তাই অফিসের কাজ কর্ম বুঝতে পাচ্ছি না,, আমিঃ মনে মনে ভাবতেছি আল্লাহ যা করে ভালোর জন্যই করে,, আফিফাঃ করবেন কি আমাকে Help... আমিঃ কি কাজ আমার শুনি,, আফিফাঃ কাল অফিসে আসেন, বসে কথা হবে,, তারপর বাসায় চলে আসি,আসার সময় ম্যামকে ফোন দিয়ে বলি আমি আর জব করবো না,অন্য কোনো মানুষ যেনো দেখে,,,, সকাল সকাল উঠে আফিফাদের অফিসে গেলাম,গিয়ে দেখি আফিফা সব কলিগদের একটি রুমে ডাকছে, আমাকে ডেকে এনে সবার সাথে পরিচয় করায়ে দিলো, আফিফাঃ Hello guys, এই হচ্ছে মিঃ রোহান,,আমার বড় ভাইয়া,, আমিঃ কি সব বলছেন আপনে,আসতে আসতে বললাম,, আফিফাঃ চুপ থাকেন তো,,আজ থেকে আপনেদের বস,,আর হা আমিও অফিসেই থাকবো,কিন্তু আমার Study টাও চালাবো,,, তারপর সবার সাথে আমি পরিচয় হলাম,আফিফা আর আমি রুমে এসে কথা বলছি, আমিঃ এটা কি করলেন হা,, আফিফাঃ আপনের উপর বিশ্বাস আছে বলেই এতো বড় দায়িত্ব দিছি,আর হা আজ থেকে আমি আপনের বোন,, আমিঃ তা না হলে মানলাম,কিন্তু স্যার কি মানবে,,, আফিফাঃ আব্বু সব কিছু যানে,, আমিঃ কিন্তু এতো কিছু একা সামলাতে পারবো না আমি,, আফিফাঃ আপনেক একা সামলাতে হবে না,,আমিও আছি, তারপর ভালোই যাচ্ছিলো আমার দিন,সারাদিন ভালো গেলেও রাতে ঠিকই রিমঝিম এর কথা মনে হয়,তার কথা মনে হলে কষ্টও হয়,কখনও কখনও চোখের কোণে পানিও জমে,যানিনা কেনও এমন হয়,,,, একদিন রাতে রিমঝিম এর ছবি নিয়ে দেখছিলাম,তখনই ছোট বোন আসে,, তারাতারি করে ছবিটি লুকাই।।।।। আমিঃ কিছু বলবি কি,, বোনঃ কি লুকালি রে,,, আমিঃ তেমন কিছু না,,, বোনঃ দেখা বলছি,,, আমিঃ বাদ দে তো,,কি লাগবে সেটা বল,, বোনঃ বলবি না আম্মুকে এই ভিডিও দেখাবো,,, (বলেই আমার ভিডিও দেখাই,আমি সিগারেট খাচ্ছি,) আমিঃ এটা কোথাই পাইছিস তুই,,, বোনঃ তা বলা যাবে না,,আগে দেখা কি লুকালি,, আমিঃ কি আর করবো দেখ, বলেই ছবিটি তার হাতে দিলাম,,বোন দেখে যা বললো তা শুনে আমার রাগে শরীর শেষ,,, এটা কখনও হবে ভাতেও পারিনি,, Wait Plz....
No comments yet